• ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ২২ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election Commission

কলকাতা

বুলডোজার চালালেই বিপদ! কড়া হুঁশিয়ারি কমিশনারের, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ভোটের পর কোনও রকম হিংসা ঠেকাতে কড়া অবস্থান নিল পুলিশ ও বাহিনী। শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করে শান্তি বজায় রাখার আশ্বাস দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বুলডোজার ব্যবহার করার উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং এই নিয়ম ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুলিশ কমিশনার আরও জানান, কোনও পুলিশকর্মী বা আধিকারিক দায়িত্বে গাফিলতি করলে তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। নিউমার্কেট এলাকায় বুলডোজার ব্যবহারের ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, যারা জেসিবি ভাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকেও সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করা হয়। এক আধিকারিক বলেন, নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য যা যা প্রয়োজন, সব করা হবে। কেউ যেন ভয় না পান, সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে এলাকায় পঁয়ষট্টি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং তারা সর্বদা সতর্ক রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আশি জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ কমিশনার বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন সেই শান্তি বজায় রাখা জরুরি। তিনি সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং কোনও সমস্যা হলে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, কোথাও হিংসা বা ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরও ভোট! ফলতা নিয়ে নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের পথে নির্বাচন কমিশন

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে বড় এবং নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, ৪ মে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেও এই কেন্দ্রে আবার ভোটগ্রহণ হতে পারে।ফলতা কেন্দ্র থেকে বুথ দখল, ভোটারদের হুমকি এবং একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই কারণে পুরো কেন্দ্র জুড়ে ভোটগণনা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে কমিশনের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে। সব বুথে পুনর্নির্বাচন হবে নাকি কিছু নির্দিষ্ট বুথে, তা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন।সাধারণত ভোটগ্রহণের পর দ্রুত গণনা হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সময়ের অভাব বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার পুনর্নির্বাচন করানো হলে যথাযথ যাচাই করার সময় পাওয়া যাবে না, কারণ তার পরের দিনই গণনা নির্ধারিত রয়েছে। তাই গণনার পর পুনর্নির্বাচনের পথে হাঁটতে পারে কমিশন। এমন হলে এই ভোটকে উপনির্বাচন হিসেবে ঘোষণা করা হতে পারে।ভোটের দিন ফলতা থেকে ইভিএমে টেপ লাগানোর ছবি সামনে আসে, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও কিছু গুরুতর তথ্য উঠে আসে। অভিযোগ, শুধু ইভিএমে টেপ লাগানোই নয়, কয়েকটি বুথের সিসিটিভি ক্যামেরাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে এই তথ্য কন্ট্রোল রুমে পৌঁছায়নি বলে জানা গেছে।এর পাশাপাশি, ফলতার হাসিমনগর এলাকা থেকেও একাধিক অভিযোগ এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোট নিয়ে তাঁদের ভয় দেখানো হয়েছে। গ্রামের মহিলাদের অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। এখন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের দিন কালীঘাটে কড়া নিষেধাজ্ঞা! মন্দিরে গেলেই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন আপনি

ভোটের আর বেশি দেরি নেই। তার আগেই গোটা রাজ্যে কড়া প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তা জোরদার করতে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছে এবং আগেই সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কালীঘাট মন্দির এলাকাকে ঘিরেও বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। কালীঘাট মন্দির-এ প্রতিদিন বহু ভক্ত পুজো দিতে আসেন এবং লম্বা লাইনও দেখা যায়। তবে ভোটের দিন সেই চিত্র থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মন্দিরের সামনে বা আশেপাশে কোনও ধরনের জমায়েত করতে দেওয়া হবে না।কমিশন জানিয়েছে, কালীঘাট মন্দিরে অন্য বিধানসভা এলাকার মানুষ জমায়েত করতে পারবেন না। গোটা এলাকা থাকবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এবং নজরদারিও থাকবে সর্বক্ষণ। ভোটের দিন কেউ অন্য বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এখানে এলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হতে পারে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের দিনে এক বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার অন্য কেন্দ্রে যেতে পারেন না। কেউ যদি অন্য এলাকা থেকে কালীঘাটে আসেন, তা হলে নিরাপত্তার কারণে তাঁকে আটকে রাখা হতে পারে। এমনকি প্রয়োজন হলে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত বসিয়েও রাখা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি আসেন, তা হলে নিজের দায়িত্বেই আসতে হবে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাইক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইক চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট । সোমবার থেকে বাইক মিছিল এবং একসঙ্গে একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।এর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাইক চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না । এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বাইরে বেরোনোর উপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুল থেকে আনা, সেই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বাইকের পিছনে যাত্রী বসানো নিয়েও কড়াকড়ি করা হয়েছিল।তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা হলে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নিয়মে পরিবর্তন আনে। তিনি ৭২ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন।এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। নতুন নির্দেশে আদালত জানায়, দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কেউ যদি একা বা স্বাভাবিকভাবে বাইক নিয়ে বেরোন, তাতে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।এই নির্দেশের ফলে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কড়া নজরদারি চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা হামলা করল তৃণমূল সাংসদের ওপর! কী বলছে নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্ট

আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর গাড়িতে হামলার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পিছনে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। হুগলি জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে গোঘাট এলাকায়। অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপি কর্মীরা সাংসদের গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে ভাঙচুর চালায়। গাড়ির কাচ ভেঙে যাওয়ায় তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয় এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, একটি প্রচার কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় সাংসদের গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এটি দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলও হতে পারে।পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। ভোর থেকেই আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে প্রশাসনের দাবি।এদিকে এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।তবে প্রশাসনের এই প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, কীভাবে এই ঘটনাকে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব বলা হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়।অন্যদিকে সাংসদ মিতালি বাগ অভিযোগ করেছেন, গোঘাট হাসপাতালের সামনে বিজেপি কর্মীরা আচমকা বিক্ষোভ শুরু করে এবং তারপরই তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাতে তিনি আহত হন। এই ঘটনায় তিনি সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া নজরদারি! পাড়ায় পাড়ায় বাইকে টহল দেবে বাহিনী

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার জন্য প্রস্তুতি আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। এবার একশো বিয়াল্লিশটি কেন্দ্রকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পুলিশ ও বাহিনীকে বিস্তারিত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়।কমিশন জানিয়েছে, ভোটে কোনও অশান্তি যাতে না হয়, তার জন্য পাড়ায় পাড়ায় নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। এবার অলিগলিতেও পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট একশো ষাটটি মোটরবাইকে জওয়ানরা টহল দেবেন। প্রতিটি বাইকে থাকবেন দুজন করে জওয়ান। কোথাও কোনও গোলমাল দেখা দিলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।দ্বিতীয় দফার ভোটে মূল লক্ষ্য হল শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ। সেই কারণে ভোটের আগে থেকে গণনা পর্যন্ত কীভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কোথায় কত বাহিনী থাকবে, কোথায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল মোতায়েন করা হবে, সবকিছুর খুঁটিনাটি পরিকল্পনা করা হয়েছে।বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়তি নজর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ভোটকেন্দ্রেই নয়, ভোটারদের যাতায়াতের পথেও নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রয়োজন হলে সেখানে নজরদারি যন্ত্র বসানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং সাধারণ ও পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এছাড়াও বিশেষ পর্যবেক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।এদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বিভিন্ন জেলায় ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রবিবার তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপে গিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
দেশ

ফের ঝড় রাজনীতিতে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে বিরোধীদের বড় চাল

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে আবারও উদ্যোগ নিল বিরোধী শিবির। তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করার জন্য ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব এবার রাজ্যসভায় জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে একই প্রস্তাব লোকসভায় জমা পড়েছিল।বিরোধীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৯টি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতমূলক আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে বাধা সৃষ্টি এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাবে ৭৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর ঠিক আগের দিনই পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে ভোট হয়েছে এবং সেখানে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে। সেই ভোট পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাজের প্রশংসাও করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে।এর আগে প্রায় ৩০০ সাংসদের সই-সহ একটি ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছিল। নিয়ম মেনে সেই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেওয়া হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই নোটিস খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এরপরই ক্ষুব্ধ বিরোধীরা নতুন করে প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেয়।জানা গিয়েছে, আগেরবারের মতো এবারও এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কয়েক দিন আগেই দলের এক নেতা জানিয়েছিলেন, ডিলিমিটেশন বিল আটকানোর পর এবার নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী এবার রাজ্যসভায় প্রস্তাব জমা দেওয়া হল।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাইক বন্ধ! কমিশনের সিদ্ধান্তে হাই কোর্টে মামলা

ভোটের দুদিন আগে স্পর্শকাতর এলাকায় বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিতর্কে জড়াল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হলে তিনি সেই অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলাকারীর দাবি, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভোগান্তি হতে পারে এবং তা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোট রয়েছে। তার আগে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাইক র্যালি ও মোটরসাইকেল মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানোও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি চিকিৎসা বা পারিবারিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় রাখা হয়েছে।এছাড়া বাইকে আরোহী বসানো নিয়েও কড়া নিয়ম জারি করেছে কমিশন। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইকের পিছনে কাউকে বসানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। যদিও স্কুল পড়ুয়াদের যাতায়াত, চিকিৎসা বা জরুরি প্রয়োজনে এই নিয়মে কিছু ছাড় রয়েছে।এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের অসুবিধা বাড়বে। বিশেষ করে যাঁরা ডেলিভারি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের উপর এর বড় প্রভাব পড়বে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোররাতে তালিকা প্রকাশ, চমকে দিল সংখ্যা! শুরু রাজনৈতিক তরজা

সংবিধানের ১৪২ ধারার বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হবে এবং যাঁরা অনুমোদন পাবেন, তাঁরা প্রথম দফার ভোটে অংশ নিতে পারবেন। সেই নির্দেশ মেনেই বুধবার ভোররাতে ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই তালিকা ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে মাত্র ১৩৬ জন ভোটারই প্রথম দফায় ভোট দেওয়ার অধিকার পেয়েছেন। অন্যদিকে, ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের মধ্যেই আবার ২ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই সংখ্যা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।এই তালিকা প্রকাশের পর তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, প্রায় ২৭ লক্ষ বিচারাধীন মানুষের মধ্যে মাত্র ১৩৬ জনের নাম নিষ্পত্তি হওয়া অত্যন্ত নগণ্য। তাঁর কথায়, এত মানুষের অধিকার খর্ব করা হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া কার্যত অকার্যকর।প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময় প্রায় ৬০ লক্ষ নাম বিবেচনাধীন ছিল। পরে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই নামগুলির যাচাই করেন। যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, তাঁরা ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হবে, তাঁদের মধ্যে যাঁদের নাম তালিকায় থাকবে, তাঁরা ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটে অংশ নিতে পারবেন। একইভাবে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিষ্পত্তি হওয়া নামের ভিত্তিতে ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটে অংশ নেওয়া যাবে।তবে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এই কারণে যে, ট্রাইব্যুনাল আগেই জানিয়েছিল, ভোটারদের বক্তব্য না শুনে কোনও নাম বাদ দেওয়া হবে না। অথচ প্রকাশিত তালিকায় ২ জনের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়টি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিরোধী শিবির।অন্যদিকে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহা দাবি করেছেন, তথ্যপ্রমাণের অভাবেই বহু নাম বাদ পড়েছে। তাঁর মতে, যাঁরা সঠিক তথ্য দিচ্ছেন, তাঁদের নামই তালিকায় রাখা হচ্ছে এবং পুরো বিষয়টি বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে প্রথম দফার ভোটের আগে সম্পূরক তালিকা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। ভোটার তালিকা নিয়ে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

এবার ভোটে বাইক বন্ধের ‘মেগা রুল’! জারি হল চাঞ্চল্যকর নিষেধাজ্ঞা

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কঠোর হল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ। এবার বাইক চলাচল নিয়েও জারি হল একাধিক কড়া নিয়ম। স্পর্শকাতর এলাকা ও বুথ সংলগ্ন এলাকায় আগেই বাইক রিকুইজিশন করে নেওয়া হয়েছিল। এবার তার থেকেও কড়া নির্দেশ দিল কমিশন।নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভোটের দুদিন আগে থেকে কোনও বাইক র্যালি বা মিছিল করা যাবে না। একই সঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে সন্ধে ছটা থেকে পরের দিন সকাল ছটা পর্যন্ত বাইক চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় দেওয়া হবে।ভোটের দুদিন আগে সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত বাইকে কাউকে বসিয়ে যাতায়াত করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ডাক্তার দেখাতে যাওয়া, স্কুলে শিশু আনা-নেওয়া বা জরুরি পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।ভোটের দিন সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাইকে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। এছাড়াও চিকিৎসা জরুরি পরিস্থিতিতে চলাচল করা যাবে। কিন্তু এই কারণ ছাড়া বাইক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।যদি বিশেষ কোনও প্রয়োজনে বাইক ব্যবহার করতে হয়, তাহলে স্থানীয় থানার অনুমতি নিয়ে তবেই চলাচল করা যাবে। সব জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারকে এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে হঠাৎ নতুন নিয়ম! বুথে যাওয়ার আগে কেন মুচলেকা দিতে হবে অফিসারদের? তীব্র প্রশ্ন

প্রথম দফা ভোটের আগে নতুন নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। এবার ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের মুচলেকা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। এই নির্দেশ সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেন এই মুচলেকা দিতে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএলও ঐক্যমঞ্চ।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য কুড়ি থেকে তিরিশ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ হবে। এই প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর তাঁদের একটি মুচলেকা জমা দিতে হবে। সেখানে উল্লেখ করতে হবে, তাঁরা সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বুঝে নিয়েছেন কি না এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পেয়েছেন কি না। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ব্রিফিংয়ের সময় ডিউটি সংক্রান্ত সব নির্দেশ বিস্তারিতভাবে বোঝানো হবে। এরপর একটি নির্দিষ্ট ফর্মে সই করে সেই মুচলেকা জমা দিতে হবে।এই নতুন নিয়ম ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিএলও ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, আগে কখনও এই ধরনের নিয়ম ছিল না। তাঁর কথায়, ভোটের ঠিক আগে আবার নতুন করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, সেটাই একেবারে নতুন বিষয়। কিন্তু তার থেকেও বড় প্রশ্ন হল, প্রশিক্ষণের পর আবার মুচলেকা কেন দিতে হবে। তিনি জানান, প্রিসাইডিং অফিসাররা দায়িত্ব নেওয়ার সময় আগেই সই করেন, তাহলে আবার আলাদা করে মুচলেকার প্রয়োজন কী, তা স্পষ্ট নয়।উল্লেখযোগ্য, কয়েক দিন আগেই প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছিল হাইকোর্ট। কেন অধ্যাপকদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। সেই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে দেওয়া হয়। তবে যাঁরা ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা চাইলে ভোটের কাজে অংশ নিতে পারবেন বলে জানানো হয়।ভোটের মুখে এই নতুন নির্দেশিকা ঘিরে রাজনৈতিক মহল এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এতে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বাড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের বড় ধাক্কা! অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার করা যাবে না

ভোটের আগে বড় ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন। কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল হাইকোর্ট। আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হয়েছে।এই মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে। শুনানির সময় বিচারপতি কড়া ভাষায় কমিশনকে ভর্ৎসনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন কলেজের অধ্যাপকদের এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, তার কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। আগের দিনই কমিশনের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু নির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেনি তারা।কমিশনের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, ভোটের আগে নতুন করে লোক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আদালত সেই যুক্তি মানতে রাজি হয়নি। বিচারপতির মতে, শুধু সময়ের অভাব দেখিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।শুক্রবারের শুনানিতে কমিশন সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হয়। এরপরই আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না এবং সেই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হল।তবে ইতিমধ্যে যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বা প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রায় প্রযোজ্য হবে না। যাঁরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন, সেই অধ্যাপকদের ভোটের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, যাঁরা আপত্তি জানাননি এবং প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা চাইলে ভোটের কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আগে কখনও অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি। সাধারণত এই পদে যাঁরা থাকেন, তাঁদের ব্লক স্তরের প্রশাসনিক আধিকারিকদের অধীনে কাজ করতে হয়। কিন্তু অধ্যাপকদের পদমর্যাদা বেশি হওয়ায় সেই নিয়মের সঙ্গে এই নিয়োগ সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আতঙ্ক! একসঙ্গে অসুস্থ বহু জওয়ান, তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব কমিশনের

ভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি, তার মধ্যেই কোচবিহারে হঠাৎ একের পর এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়তেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন এমন ঘটনা ঘটল, কী কারণে জওয়ানরা অসুস্থ হলেন, সেই সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের থাকার জন্য স্কুল ও অন্যান্য ভবনে অস্থায়ী শিবির তৈরি করা হয়েছে। তুফানগঞ্জের একটি স্কুলেও এমনই একটি শিবিরে ছিলেন জওয়ানরা। বুধবার সন্ধ্যায় আচমকা ২৪ জন জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। বাকি ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ফিরে যান বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।অসুস্থ জওয়ানদের মধ্যে বেশিরভাগই তীব্র পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। দ্রুত তাঁদের তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে জানা যাচ্ছে, জওয়ানরা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছিলেন।ঠিক কোন খাবার বা পানীয় থেকে এই সমস্যা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তাঁদের খাওয়ার জল ও খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
কলকাতা

নাম বাদ নিয়ে তোলপাড়, হঠাৎ ধর্না স্থগিত! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছিল তৃণমূল। তবে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করার সময় পাওয়ায় আপাতত সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে গতকাল দুপুরের পর নির্বাচন কমিশনের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল। প্রথমে কোনও উত্তর না মেলায় দলের তরফে ধর্নায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী এবং প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখেল এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, পরের দিন সকাল দশটায় দেখা করার সময় দেওয়া হয়েছে। এর পরেই ধর্নার পরিকল্পনা আপাতত বন্ধ রাখা হয়।জানা গিয়েছে, চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে যাবে। সেখানে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হবে।এদিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পরিসংখ্যান সামনে আসতেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। হিসেব অনুযায়ী, বিচারাধীন প্রায় ৫০ লক্ষ নামের মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। এর আগে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।জেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদে। সেখানে বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ১১ লক্ষের বেশি। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় মোট ভোটার ছিল ৫৭ লক্ষের বেশি। নতুন খসড়া তালিকায় সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৪ লক্ষ ৮৫ হাজারে। অর্থাৎ শুধু এই জেলা থেকেই প্রায় ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার নাম বাদ গিয়েছে।সব মিলিয়ে এই ইস্যুতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তৃণমূলের দাবি, বৈধ ভোটারদের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে শাসক দল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! কসবা থানার ওসি সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য শহরে

ভোটের আগে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানার ওসি বিশ্বনাথ দেবনাথকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযোগ, এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকায় কুখ্যাত সোনা পাপ্পুর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।নির্বাচনের আগে প্রতিটি থানার কাছে এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকা চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানাও সেই তালিকা পাঠায়। কিন্তু কমিশন সূত্রে খবর, সেই তালিকায় সোনা পাপ্পুর নাম ছিল না। এরপরই শনিবার কমিশনের আধিকারিকরা থানায় যান এবং ওসির সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এরপর রবিবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।উল্লেখ্য, সোনা পাপ্পু নামে পরিচিত বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনাতেও তাকে খোঁজা হচ্ছে। কসবা ও তোপসিয়া এলাকায় তার প্রভাব দীর্ঘদিনের বলে জানা যায়।স্থানীয়দের মতে, পরিবারের সোনার ব্যবসা থাকলেও ধীরে ধীরে অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সে। ২০১৫ সালে বালিগঞ্জ রেল ইয়ার্ডে এলাকা দখল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় তার নাম সামনে আসে। পরে ২০১৭ সালের একটি খুনের মামলাতেও তার নাম জড়ায়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বর্তমানে সে পলাতক।এই পরিস্থিতিতে এমন একজনের নাম দাগি তালিকায় না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যেই ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের একাধিক থানায় বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। পার্ক স্ট্রিট থানার দায়িত্বে থাকা হীরক দলপতিকে গোয়েন্দা দফতরে পাঠানো হয়েছে। নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নীলকান্ত রায়। গড়িয়াহাট থানায় দায়িত্ব পেয়েছেন রাজকুমার মিশ্র। বিজয়গঞ্জ বাজার থানায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মনীশ সিংহকে। চেতলা থানার নতুন ওসি করা হয়েছে মনোজ দত্তকে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে পুলিশ প্রশাসনে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর তুমুল ঝামেলা! ফোনালাপেই চড়ল উত্তেজনা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এবার প্রকাশ্যে আসছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের মধ্যে বড় মতবিরোধের ইঙ্গিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এই ইস্যুতে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে। এমনকি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার দীর্ঘ ফোনালাপের সময় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়েছে বলে খবর।যদিও এই ফোনালাপ নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অবস্থান একেবারেই আলাদা।সূত্রের খবর, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখনও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। তাঁর মতে, তেহরানের সামরিক শক্তি ও পরিকাঠামো আরও দুর্বল না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো উচিত নয়। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকেও চাপে ফেলতে চাইছে তেল আভিভ।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি এই মুহূর্তে নতুন করে যুদ্ধ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছেন। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় সমাধান না এলে আমেরিকা আরও বড় হামলা চালাতে পিছপা হবে না।রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি বিশেষ চুক্তিপত্র তৈরির চেষ্টা চলছে। সেখানে আমেরিকা ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে। এরপর শুরু হতে পারে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব।সেই আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ইজরায়েল সরকারের একাধিক সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের এই কৌশলে একেবারেই সন্তুষ্ট নয় তেল আভিভ। বরং এই পরিকল্পনায় হতাশ নেতানিয়াহু। তিনি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ফের বৃষ্টির দাপট! উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে অস্বস্তি

গত কয়েকদিন ধরে বাংলার একাধিক জেলায় দিনের বেলায় তীব্র গরম আর বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে। তবে এতেও গরম থেকে এখনই স্বস্তি মিলবে না বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বরং আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম বিহারের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।বৃহস্পতিবার থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু অংশে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। অন্যদিকে মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে দক্ষিণবঙ্গের জন্য খুব একটা সুখবর নেই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া আরও কিছুদিন বজায় থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও তা খুব অল্প সময়ের জন্য হবে। ফলে গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি মিলবে না।সবচেয়ে বেশি গরম ও অস্বস্তি অনুভূত হবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায়। কলকাতা-সহ উপকূলের জেলাগুলিতে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম আরও বেশি অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপকূলবর্তী এলাকায় বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অস্বস্তি অনেকটাই বাড়বে।

মে ২১, ২০২৬
কলকাতা

“দিল্লির কোন বাবা বাঁচাবে?” অভিষেকের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হাই কোর্ট, বড় নির্দেশ বিচারপতির

ভোট প্রচারে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও আপাতত তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত, তবে একাধিক শর্তও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না।ঘটনার সূত্রপাত ২৭ এপ্রিল। ওইদিন আরামবাগে ভোট প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার। আমি উদার নই। এবার বিষয়টা আমি দেখে নেব। ৪ মে ১২টার পর দেখব দিল্লির কোন বাবা বাঁচায়।সরকার পরিবর্তনের পর ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। এরপরই রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি।শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তিনবারের সাংসদ এবং একজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক নেতা কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন। বিচারপতির বক্তব্য, ৪ মে যদি ভোটের ফল অন্যরকম হত, তাহলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারত।এরপর অভিষেকের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, অমিত শাহও তো অনেক কিছু বলেন। সেই প্রসঙ্গেই বিচারপতি ফের কড়া মন্তব্য করেন।শুনানির সময় বিচারপতি আরও বলেন, মানুষ ভালোর কথা ভেবেই ২০১১ সালে পরিবর্তন এনেছিল। এর উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ ২০২৬ সালেও ভালোর কথাই ভেবেছে। তখন বিচারপতি মন্তব্য করেন, সেটা সময় বলবে।তবে আদালত আপাতত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দিয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা ডাকলে তাঁকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। ভারচুয়ালি হাজিরার আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে হলে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে। এখন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

সরকারি গাড়ি ছেড়ে বাসে চড়লেন জেলাশাসক! মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যেতে পুরুলিয়ার অভিনব সিদ্ধান্ত

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা মেনে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে সরকারি গাড়ির বদলে বাসে চড়ে দুর্গাপুর রওনা দিলেন জেলার আমলা ও পুলিশ কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে এই ছবি ঘিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যতটা সম্ভব জ্বালানি বাঁচাতে হবে এবং যাতায়াতে গণপরিবহনকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারই মধ্যে চলতি মাসের ১৮ তারিখ রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মেনেই এবার একসঙ্গে বাসে চড়ে দুর্গাপুরে রওনা দিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে দশটা নাগাদ জেলা প্রশাসনিক ভবন থেকে দুটি বাসে করে রওনা দেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং বিডিওরা। একইভাবে পুলিশের আধিকারিকরাও গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বৈঠকে যোগ দিতে যান।পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থম বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা অনুযায়ী জ্বালানির খরচ কমাতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের তরফেও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ রয়েছে। আমরা সেই নির্দেশ মেনেই বাসে করে দুর্গাপুর যাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, এটা শুধু সরকারি নির্দেশ পালন নয়, সাধারণ মানুষের কাছেও একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। কম খরচে এবং কম জ্বালানিতে কীভাবে কাজ করা যায়, সেটাই দেখাতে চাইছি।দুপুর দুটো নাগাদ দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচ জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বিডিওদের পাশাপাশি থাকবেন ওসি, আইসি, বিধায়ক এবং সাংসদরাও।প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই বৈঠক থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব প্রশাসনিক খরচ কমানো নিয়ে সাত দফা নির্দেশ জারি করেছেন। সেই অনুযায়ী প্রতিটি জেলা প্রশাসন এবং সরকারি দফতরকে আগামী অর্থবর্ষের জন্য তাৎক্ষণিক, মধ্যবর্তী এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখ্যসচিবের দপ্তরে জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি মাসে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ রয়েছে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফলতায় ভোটের আগেই ‘গায়েব’ পুষ্পা জাহাঙ্গির! বুথে বুথে নেই তৃণমূল এজেন্ট, হাসিমুখে ঘুরছেন বিজেপির দেবাংশু

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গেল একেবারে অন্য ছবি। অধিকাংশ বুথে তৃণমূলের কোনও এজেন্টই ছিলেন না। অন্যদিকে ২৮৫টি বুথেই বিজেপির এজেন্টদের দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। সকাল থেকেই তিনি এলাকায় ঘুরে বেড়ান খোশমেজাজে। কোথাও ঘুগনি-মুড়ি খেয়ে ভোটের পরিবেশ উপভোগ করতে দেখা যায় তাঁকে।ভোট দিতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যেও এদিন কোনও আতঙ্ক বা উত্তেজনার ছবি দেখা যায়নি। অনেকেই উৎসবের মেজাজে ভোট দেন। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় এদিন পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ।ফলতা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল জাহাঙ্গির খানের। ভোটের আগে তাঁকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। নিজেকে পুষ্পা বলেও পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর সংঘাতের ঘটনাও শিরোনামে আসে। তবে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই নীরব হয়ে যান জাহাঙ্গির। কয়েকদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানান, পুনর্নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অনেক শুনেছিলাম, খুব ধুরন্ধর নাকি! এখন কোথায় গেল? পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু পুলিশ ছাড়া লড়াই করার ক্ষমতা সবার থাকে না। আমরা লড়েছি, জিতেও এসেছি।গত এপ্রিল মাসে হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় বাংলার একাধিক বুথে বিরোধী দলের এজেন্ট না থাকার অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় অভিযোগ ছিল, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা বিরোধীদের বুথে বসতে দেয়নি। মাত্র এক মাসের মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পুরো বদলে গিয়েছে। এখন রাজ্যে বিজেপির সরকার। আর ফলতার ভোটে দেখা গেল উল্টো ছবি।উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৪। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ২১ হাজার ৩০০ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১৩৫। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জন ভোটার রয়েছেন এই কেন্দ্রে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বেলুড় মঠে শুভেন্দু! প্রেসিডেন্ট মহারাজের পায়ে হাত দিয়ে নিলেন আশীর্বাদ

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এবার প্রথমবার বেলুড় মঠে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক বৈঠকের আগে বেলুড় মঠে পৌঁছন তিনি। সেখানে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন শুভেন্দু।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পর্ক বহুদিনের। কলকাতায় এলেই তিনি সময় করে বেলুড় মঠে যান। সেই পথেই এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বেলুড় সফর রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।এদিন শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলুড় মঠে পৌঁছতেই সন্ন্যাসীরা তাঁকে স্বাগত জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যেও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। শুভেন্দুও সকলকে জোড় হাত করে প্রণাম জানান।মঠে ঢুকে প্রথমে মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আরতি দেখেন এবং পুজো দেন। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত ঘরে গিয়ে প্রণাম জানান। একে একে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির এবং মা সারদাদেবীর মন্দিরেও পুজো ও প্রণাম করেন তিনি।সবশেষে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজের ঘরে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান শুভেন্দু অধিকারী। মঠ সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট মহারাজের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজকর্মে ব্যস্ত শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তাঁর হাওড়া ও দুর্গাপুরে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। বেলুড় মঠ সফর শেষে তিনি হাওড়ার শরৎ সদনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে রওনা দেন। সেখানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি। এরপর দুর্গাপুরেও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

মে ২১, ২০২৬
দেশ

দেশে ফিরেই বড় বৈঠকে মোদী! মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের জল্পনা, বাংলা থেকে কি আসছেন নতুন মুখ?

বিদেশ সফর শেষ করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর দেশে ফিরেই তিনি বসতে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দিল্লিতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি এবং তার প্রভাবে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং তার প্রভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বিগ্ন। তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বিদেশ সফর থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী মোদী গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রকের গত দুই বছরের কাজের রিপোর্টও পর্যালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।বেশ কিছুদিন ধরেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, আগামী জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় বড়সড় পরিবর্তন হতে পারে। কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব বদল বা নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সাফল্যের পর বাংলা থেকে নতুন কোনও মুখকে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই আবহে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফর নিয়েও জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও তাঁর সফরের সরকারি কারণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি, তবু রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal