• ১১ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election Commission

দেশ

নতুন হাওয়া আসুক - "মেরা পহেলা ভোট দেশ কে লিয়ে"

আজ বাদে কাল দেশে লোকসভা নির্বাচন হবে। কিছুদিনের মধ্যেই নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। তারপরেই নির্বাচনী প্রচারের ভরা জোয়ারে ভাসবে দেশ। তবে রাজনৈতিক দল গুলির তাল ঠোকাঠুকি জোর কদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মাঝে দেশের যে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক ভূখণ্ডে সুষ্ঠ ভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে সেই নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা ও তুঙ্গে উঠেছে। এবার নির্বাচন কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য দেশের যুবশক্তিকে ভোটদানে উৎসাহিত করা।এবারের নির্বাচনে যারা প্রথমবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তারাও যাতে দলে দলে ইভিএম মুখি হন তার জন্য এক অভিনব প্রচার শুরু করেছে কমিশন। এই প্রচার পরিকল্পনার নাম মেরা পহেলা ভোট দেশ কে লিয়ে। শুধু ভোট দেওয়াই নয় আনুমানিক দু কোটি নতুন ভোটার দের মধ্যে সামাজিক কর্তব্য বোধ ও দেশের জন্য গর্ব বোধ তৈরি করা ও এই প্রচারাভিযানের লক্ষ্য। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গিয়েছে যে অল্প বয়সী দের মধ্যে রাজনীতি সম্পর্কে অনাগ্ৰহ তৈরি হয়েছে। তারা সরাসরি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে উৎসাহ পাচ্ছেন না। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যদি নতুন রক্ত সঞ্চালিত না হয় তাহলে তার কাঠামোয় নানান ত্রুটি দেখা যাবে। এর ফলে দেশের গণতান্ত্রিক পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হবে।এখন Digital মাধ্যমের যুগ। তরুণ প্রজন্ম এই মাধ্যমে নিজেদের প্রকাশ করতে সাচ্ছন্দ বোধ করেন। তাই এই প্রচারাভিযানে মঞ্চে যদি কম বয়সীরা আসতে থাকেন তাহলে হয়তো তাঁদের মধ্যে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া আগ্ৰহ বাড়তে পারে। ভারতের মতো বৈচিত্র্যময় দেশে আর্থিক ও সামাজিক বৈষম্য কে অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে Digital মাধ্যমে জনপ্রিয়তার একটি প্রধান কারণ এই মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরে মানুষ-ই অংশ নিতে পারেন। তাই ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের এই প্রচারাভিযানে বিপুল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।কমিশনের প্রচারাভিযানে দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের যুক্ত করায় এই প্রচার দুরন্ত গতি পেয়েছে। জনপ্রিয় ক্রিকেটার, ফুটবলার, ক্রীড়াবিদ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রভাবশালীরা প্রচারে যুক্ত হওয়ায় এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। কমিশনের ভোটদানের হার বাড়ানোর লক্ষ্যে এই প্রচারে যে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে তা যদি ইভিএমে এসে পৌঁছায় তা যে দেশের গণতান্ত্রিক স্বাস্থের পক্ষে সুলক্ষণ হবে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তরুণ প্রজন্ম মানেই নতুন চিন্তা নতুন পথ। দেশের রাজনৈতিক পরিসরে সাম্প্রতিক কালে যে দূষণ চোখে পড়ছে তার হয়তো নতুন হাওয়ায় পরিশোধিত হবে এই আশা করাই যায়।এবারের নির্বাচনে কমিশনের আরেকটি লক্ষ্য হল ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ডের সংযুক্তিকরন। এই লক্ষ্যে সম্প্রতি কমিশন কেন্দ্রের কাছে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে সংশোধনী আনার জন্য প্রস্তাব দেয়। একই সঙ্গে ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করার ফর্মেও পরিবর্তন আনার অনুরোধ করেছে কমিশন। কমিশনের বক্তব্য কোনো ভোটার যদি তাঁর আধার কার্ড সংযুক্ত করতে না চান তার জন্য কারণ দর্শানোর সুযোগ রয়েছে এই ফর্মে। কমিশন তাই ফর্ম থেকে এই অপশনটি বাদ দিতে বলেছে। তবে কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক কমিশনের এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার H S Brahma ঘোষণা করেন চলতি মাস থেকেই ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরনের কাজ শুরু হবে। ভোটার তালিকা থেকে ভুয়ো নাম এবং ডুপ্লিকেট নাম বাদ দেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। তবে আধার কার্ড সংযুক্তিকরন বাধ্যতামূলক নয় বলেও জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার Brahma । তবে শুরু হলেও ওই বছরের অগাষ্ট মাসে সুপ্রিমকোর্টের এক নির্দেশের ফলে সংযুক্তিকরনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। দেশের শীর্ষ আদালত তার নির্দেশে সরকারের খাদ্য সুরক্ষার মতো প্রকল্পগুলি ছাড়া আধার কার্ড বাধ্যতামুলক নয়। ২০১৮ সালে একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আধার কার্ডের সাংবিধানিক গ্ৰাহ্যতা রয়েছে বলে জানানোর পরে কমিশন নির্বাচনী আইন সংশোধনের জন্য কেন্দ্রের কাছে ফের আবেদন জানান। এবার কেন্দ্রীয় সরকার সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে The Election Laws (Amendment) Bill 2021 সংসদে পাশ করায়। এই bill পাশ হওয়ার পরে ২০২২ সাল থেকে কমিশন ফের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সংযুক্তিকরনের কাজ শুরু করে। এই লক্ষ্যে নতুন 6B Form চালু হয়। তবে সেই Form য়ে দুটি অপশন রয়েছে। একটি হল আধার কার্ডের নম্বর সংযুক্ত করা এবং অপর টি হল আধার কার্ড নেই বলে জানানো।এই পরিস্থিতিতে তেলেঙ্গানার কংগ্রেস নেতা G Nilanjan সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। মামলায় তাঁর আবেদন যদি কোন ব্যক্তি আধার কার্ড সংযুক্তি না চান তাহলে ফর্মে তাঁর জন্য সেই অপশন রাখা হোক। এই মামলার কারণে গতবছরের ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন কমিশন আবার ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানায়। অনেকেই মনে করছেন ভোটার দের আধার কার্ড সংযুক্তিকরনের ফলে তার নাগরিকত্ব প্রমানের সহায়ক হবে। যদিও আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমান নয় বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। দেশের নাগরিক হিসেবে কারা পরিচিত হবেন তা নিয়ে হাওয়ায় নানান কথা ভাসছে। এই অবস্থায় কমিশনের এই প্রচেষ্টা কোন পথে যাবে তার উত্তর ভবিষ্যতের গর্ভে রয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৪
রাজ্য

কোথায় কত বুথে পুননির্বাচন? কেন্দ্রীয় বাহিনির কি দেখা মিলবে বুথে বুথে?

রাজ্যের কতগুলি বুথে পুনর্নির্বাচন?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথদখল ও ছাপ্পা ভোট ও অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের ২২টি জেলার মধ্যে ১৯টিতেই পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহন পক্রিয়া শুরু হয়েছে। একনো পর্যন্ত কোনও গণ্ডগোলের খব্র পাওয়া যাইনি। সব মিলিয়ে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।কোন কোন জেলার কটি বুথে পুনর্নির্বাচন?রাজ্যে মোট ১৯টি জেলাতে পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন, তাঁর মধ্যে মুর্শিদাবাদের ১৭৫টি বুথ, মালদহের ১০৯টি বুথ, নদিয়ার ৮৯টি বুথ, কোচবিহারের ৫৩টি বুথ, উত্তর ২৪ পরগনার ৪৬টি বুথ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথ, উত্তর দিনাজপুরের ৪২টি বুথ, দক্ষিণ দিনাজপুরের ১৮টি বুথ, পূর্ব মেদিনীপুরের ৩১টি বুথ, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১০টি বুথ, হুগলির ২৯টি বুথ, জলপাইগুড়ি এবং বীরভূমের ১৪টি করে বুথ, হাওড়া এবং বাঁকুড়ার ৮টি করে বুথ, পূর্ব বর্ধমানের ৩টি বুথ, পশ্চিম বর্ধমানের ৬টি বুথ, পুরুলিয়ার ৪টি বুথ এবং আলিপুরদুয়ারের ১টি বুথে সোমবার পুর্নির্বাচন হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে পুর্নির্বাচন হচ্ছে না।প্রতি বুথে কত জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত অফিসার জানিয়েছেন, বুথ প্রতি এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হবে, তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিত। রবিবার বিকালে কমিশন জানিয়েছিল, বুথ প্রতি হাফ সেকশন (৪জন) মোতায়েন থাকবে। পরে বিএসএফ আইজি জানিয়েছে, প্রতি বুথে মোতায়েন করা হবে এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী (৮জন)।

জুলাই ১০, ২০২৩
রাজ্য

বিরোধীদের দাবি ১০হাজার বুথে পুনর্নির্বাচন, পাত্তা না দিয়ে প্রায় ৭০০ বুথে সোমবার ভোট

বিরোধীদের দাবি পুরোপুরি না-মানলেও কয়েকটি বুথে ফের নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবারই পুনর্নির্বাচন করানো হচ্ছে। নিরাপত্তায় থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। তবে, বিরোধীদের দাবি, শনিবারের ভোটে যে হারে ছাপ্পা, রিগিং ও সন্ত্রাস হয়েছে। যা হয়েছে, সেটা আসলে প্রহসন। তাতে অত কম বুথে পুনর্নির্বাচন করে কোনও লাভ নেই। অন্তত ১০ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কমিশনকে পুনরায় স্বচ্ছ নির্বাচন করাতে হবে। যদিও শ্যাম রাখি না-কূল, এই পরিস্থিতিতে পড়া রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই দাবি মানতে নারাজ।শনিবার রাজ্যে একদিনের পঞ্চায়েত ভোটে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অবাধে ভোট লুঠ, ব্যালট বাক্স নষ্ট, বুথ দখল, হিংসা, গুলিচালনা, বোমাবাজি তথা এককথায় অরাজকতার অভিযোগ উঠেছে ভোট ঘিরে। তারপরই বিরোধীরা দাবি, সমস্ত বুথে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ ও ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে হবে। সেইমতো যেসব বুথে অরাজকতা হয়েছে, সেখানে পুনরায় নির্বাচন করাতে হবে। সেই দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল কমিশন। গুটি কয়েক বুথে পুনরায় ভোট ঘোষণায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা।তার পাশাপাশি, ভোটের দিন সকাল পর্যন্ত রাজ্যে এসে পৌঁছেছিল ৬৪৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপর শনিবার সন্ধ্যা এবং রবিবার সকালে আরও কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছয়। সেই সব বাহিনীকে পুনর্নির্বাচনের কাজে লাগানো হবে বলেই কমিশন জানিয়েছে। একইসঙ্গে, রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে ভোট পড়েছে ৮০.৭১ শতাংশ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে আমরা ৭ হাজার বুথে পুনরায় ভোট চেয়েছিলাম। সেটা জেলাস্তরে সব মিলিয়ে ছিল ১০ হাজার। কিন্তু ৬০০-এর বেশি বুথে পুনর্নির্বাচন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০৯, ২০২৩
রাজ্য

নির্বাচন কমিশনের গেটে পরপর লাথি শুভেন্দু অধিকারীর, সিসিটিভি এবং ভিডিওগ্রাফি দেখার দাবি

নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে একাধিকবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কমিশনের নানা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে গিয়েছেন। আজ ভোট চলাকালীন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে ফোনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কমিশনের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। পূর্ব ঘোষণা মতো শনিবার ভোটগ্রহণ শেষ হলে সন্ধ্যা ৬টার পর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে দেখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা দরজায় তালা লাগিয়ে দেন। তাই দেখে বেজায় চটে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি কমিশনের গেটে পরপর লাথি মারতে থাকেন।কমিশনারের কর্মীকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমাকে দেখে তালা দিলেন কেন? আপনাদের মাইনে কি মমতা ব্যানার্জি দেয়? কয়লা (অভিষেক ব্যানার্জি) দেয়? দরজা খুলুন। এখন তিনটে লাথি মেরেছি। আরও মারব। অসভ্য কোথাকার! একথা বলার পাশাপাশি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা দরজা খোলার জন্য অপেক্ষাও করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শিশির বাজোরিয়া-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা শুভেন্দু অধিকারীর জন্য গেটের দরজা খোলেননি।এরপর শুভেন্দু অধিকারী সদলবলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি এরপর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দরজার বাইরে প্রতীকী বিক্ষোভের অঙ্গ হিসেবে তালা ঝুলিয়ে দেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা দাবি করেছি, কাল দুপুরের মধ্যে সিসিটিভি এবং ভিডিওগ্রাফি দেখতে হবে। যেসব বুথে ছাপ্পা হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করতে হবে। দরকার হলে ভোটের ফল ঘোষণার দিন পিছিয়ে দিতে হবে। ছাপ্পা হওয়া বুথগুলোয় নতুন করে ভোটগ্রহণ করাতে হবে। অবশ্যই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রেখে।এদিন বিজেপি কর্মীরাও এর আগে পৃথকভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে বিক্ষোভ দেখান। পাশাপাশি, বিক্ষোভ দেখান রাজ্য বামফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃত্বও। বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়নি। নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির জন্যই সেটা হয়নি।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজ্য

পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার বলি বেড়েই চলেছে, ক্ষিপ্ত রাজ্যপালের তোপ কমিশনারকে

পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা, হত্যা অব্যাহত। এদিন রাজ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। হিংসা নিয়ে আগেও ন্রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে সতর্ক করেছেন রাজ্যপাল। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। বৃহস্পতিবার ফের সরব হয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। কাল বাদ পরশু রাজ্যে ভোট। তার আগে বেনজিরভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার নিন্দার মুখর হলেন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান। রাজ্যপাল এদিন নিজের ভাষণে কখনও মহাভারত, কখনও শেক্সপিয়ার, আবার কখনও টিএন সেশন, স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিচারণ করেছেন।রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, আমি ভেবেছিলাম, বাংলার গ্রামে মঞ্চে গিয়ে দেখব, চিত্ত হেথায় ভয় শূন্য, উচ্চ হেথায় শির। কিন্তু এসে দেখলাম একেবারে উল্টোটা। মানুষের মনে ভয়, মাথা হেঁট হয়ে আছে। গ্রামে গিয়ে বিধবার কান্না শুনেছি, পুত্রহারা মায়ের কান্না দেখেছি। কী করে এসব বন্ধ হবে, যখন রক্তাসুরের হাতেই ক্ষমতা। তবে মনে রাখতে হবে, রক্তাসুর থাকলে মহাকালীও থাকবে। নরক থেকে শয়তান উঠে এসেছে, তারা নৃত্য করছে, ক্যানিং, ভাঙড়, বাসন্তী, কোচবিহার, মুর্শিদাবাদের মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। শয়তানরা এখন সব এখানেই।কমিশনারকে কটাক্ষ, আমি আপনাকে নিয়োগ করেছি, আর আপনি আমাকে হতাশ করেছেন। আপনি কর্তব্য পালনে ফেল করেছেন। রাস্তায় যে শবদেহ পড়ে আছে তার জন্য আপনিই দায়ী। আপনি কি অশ্বথামা হতে চান? রাতের অন্ধকারের চোরের মতো ঢুকে পাণ্ডবদের ছেলেমেয়েকে যে কুচিয়ে কেটেছিল, নাকি আপনি জুজুৎসু হবেন, যিনি অর্ধমকে ছেড়ে এসেছিলেন। ভোটে আধাসামরিক বাহিনীর যথাযথ মোতায়েন, রুট মার্চ, স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার বিষয়গুলি নিয়ে কমিশনারকে পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, গোটা রাজ্যে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন হচ্ছে। সেখানে মাত্র ৭-৮টা বুথের ঘটনা নিয়ে এত প্রলাপের কোনও অর্থ হয় না। রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে রাজনীতি করছেন।

জুলাই ০৭, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে গুঁতো রাজ্যপাল-আদালতের, কি বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কমিশনার পদে রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট গ্রহণ করেননি সি ভি আনন্দ বোস। ফলে ওই পদে আর রাজীব সিনহার কার্যকরিতা রয়েছে কিনা তা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন ওঠে। কমিশনার রাজীব সিনহার পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাটনায় বিজেপি বিরোধী জোটের বৈঠকে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিক বৈঠকে ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিয়ে তোপ দাগলেন মমতা।রাজ্যপালের কড়া পদক্ষেপের পর কী পদ থেকে সরে যেতে হবে রাজীব সিনহাকে? জবাবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জয়েনিং রিপোর্ট ফেরতের খবর নেই। এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি, এটা অভূতপূর্ব ঘটনা। এটা একটা সাংবিধানিক পদ। তাঁকে শপথ নিতে হয়। উনি ফাইল ক্লিয়ার করেছিলেন। সবকিছু এত সহজ নয়। রাজ্যপালই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহাকে নিয়োগ করেছিলেন। কোনও কিছু চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। কমিশনারকে সরাতে হলে বিচারপতিদের ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।ফের এক হাত নেন বিজেপিকে। বিজেপি বাংলাকে যতই বঞ্চনা করবে ততই জবাব দেওয়ার জন্য মানুষ তৈরি। কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে হেনস্থার চেষ্টা করলে তার ফল পাবে। এদিন সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহাকে মন্ত্রিসভার সুপারিশক্রমেই নিয়োগ করেছিলাম। ভেবেছিলাম উনি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পঞ্চায়েত ভোট করাতে পারবেন। কমিশনারের নিরপেক্ষ হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু ওনার কাজে বাংলার মানুষ হতাশ।ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশান্তির জেরে ৮ জনের প্রাণ গিয়েছে। বহু মানুষ জখম হয়েছে। কোথাও বিডিও অফিসের পাশে বোমা, গুলি চলেছে। তবে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এত শান্তির মধ্যে মনোনয়ন জীবনে কোনও দিনও হয়নি। ত্রিপুরার ৯৬ শতাংশ সিটে ইলেকশন হয় না। কনটেস্ট করতে দেওয়া হয় না। ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার নমিনেশন হয়েছে। ৭১ হাজার বুথের মাত্র চারটে বুথে গণ্ডগোল হয়েছে। তার মধ্যে একটি বুথে আমাদের দুজনকে মার্ডার করেছে। এদিন তিনি বলেন, ভোটটা দেবে মানুষ। যত এরা অ্যাগ্রেসিভ হচ্ছে রাজনৈতিকভাবে না পেরে বিভিন্ন এজেন্সিকে দিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে। এর জবাব দেওয়ার জন্য মানুষ তৈরি। আমরা লড়ে নেব এবং জিতে নেব। যেদিন থেকে আমরা জিতে এসেছি সেদিন থেকে একশো দিনের টাকা দেয় না, বাংলার বাড়ির টাকা দেয় না।

জুন ২২, ২০২৩
রাজনীতি

কমিশনে গিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে নিজে হাতে ব্যারিকেডের দড়ি খুললেন বিরোধী শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে বেনজির দৃশ্য দেখা গেল। যেসব প্রার্থী মনোনয়ন জমা করতে পারেননি তাঁদের নিয়ে কমিশনের দফতরের সামনে হাজির হয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেই সময় হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এরপরই কলকাতায় কমিশন দফতরেরর সামনে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। কমিশনের দফতরে বিজেপি নেতা-কর্মীরা যাতে ঢুকতে না পারে তার জন্য পুলিশ আগে থেকেই ব্যারিকেড করে রেখেছিল। প্রথমে সেই ব্যারিকেড নিজে হাতে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে ব্যারিকেডের দড়ি খুলে দেন নিজে হাতে।এরপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে কমিশন দফতরে ঢোকেন কথা বলতে। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধী দলনেতা। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্য বলে কটাক্ষ করেন। শুধু তাই নয়, কমিশন তৃণমূলকে সুবিধা করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও রোজ কীভাবে রক্ত ঝরছে? প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল, কমিশন এবং পুলিশ মিলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মনোনয়ন জমা দিতে দিচ্ছে না। ২০ হাজর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই এদের লক্ষ্য।একটা সময় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। কমিশনের দফতরের সামনেই জয় শ্রী রাম স্লোগান চলতে থাকে। রাজ্য পুলিশের উদ্দেশে হায় হায় ধ্বনি দেওয়া হয়। শুভেন্দুর দাবি, আদালত স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু স্পর্শকাতর এলাকা বলে কিছু রয়েছে, তা মানতেই চাইছে না কমিশন। হাইকোর্ট অভিযোগ জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বললেও, কমিশনে তেমন কোনও ব্যবস্থা নেই।শুভেন্দুর দাবি, যাঁর মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি, কমিশনের দফতরেই তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা নিতে হবে। আশান্তি রুখতে ও মনোনয়নে অশান্তি থামাতে কমিশন পদক্ষেপ না করলে বৃহস্পতিবার থেকে কমিশন দফতরের সামনে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনও তাঁর মুখে নো ভোট টু মমতা সুর শোনা যায় নির্বাচন ল কমিশনের দফতরে। মমতাকে ভোট লুঠ না করতে দেওয়াই তাঁর চ্যালেঞ্জ বলে দাবি করেন তিনি।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজনীতি

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস আর জাতীয় নয়, উঠে এল কেজরিওয়ালের আপ

৭ বছরেই শেষ জাতীয় দলের মর্যাদা। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এবার আঞ্চলিক দলে পরিণত হয়েছে। সোমবার এই খবর জানিয়ে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন, তার আগেই চলে গেল সর্বভারতীয় তকমা। জাতীয় দলের মর্যাদা চলে গিয়েছে এনসিপি ও সিপিআইয়ের। অন্য দিকে আম আদমি পার্টি জাতীয় দলের স্বীকৃতি পেল। দিল্লি ও পঞ্জাবে রয়েছে আপের সরকার। গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে গিয়ে কুপোকাৎ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে তো চোখের জল নাকের জল এক করে ফেলেছে তৃণমূল। সেখানে নোটার থেকেও কম ভোট পয়েছে মমতার দল। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় দল হিসাবে তাদের মর্যাদা কেন কেড়ে নেওয়া হবে না? গত বছর জুলাইয়ে তৃণমূল, এনসিপি এবং সিপিআইকে চিঠি পাঠিয়ে জবাবদিহি চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন।কীভাবে জাতীয় দলের মর্যাদা পাওয়া যায়?প্রথমত, লোকসভা নির্বাচনে কোনও দলকে অন্তত তিনটি রাজ্য থেকে ভোটে লড়তে হবে ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে মোট লোকসভা আসনের ২ শতাংশ আসনে জিততে হবে।দ্বিতীয়ত, লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ৪টি রাজ্যে ৬ শতাংশ করে ভোট পেতেই হবে ও এক বা তার বেশি রাজ্যে ৪টি লোকসভা আসন পেতে হবে।তৃতীয়ত, ৪টি বা তার বেশি রাজ্যে রাজ্য দলের তকমা থাকতে হবে দলের কাছে। এই তিন শর্তের যে কোনও একটি পূরণ করলেই জাতীয় দলের তকমা পাওয়া যায়।উল্লেখ্য, উপরোক্ত তিনটে শর্তের কোনওটি পূরন করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা মেঘালয়ের পাঁচ তৃণমূল বিধায়কের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা চলে যেতেই বঙ্গ বিজেপি রেরে করে উঠেছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

খোকন দাসের বক্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনে রাজ্য বিজেপি, শাস্তির দাবি

বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের শাস্তির দাবিতে নির্বাচন কমিশের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য বিজেপি। ভোটার লিস্টে শুধু তৃণমূলেরই নাম তুলুন, বিজেপির লোকেদের তুলবেন না। বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূলের বিধায়কের এই হুমকি ভিডিও নির্বাচন কমিশনের সিইও দফতরে জমা দিয়েছে বিজেপি। তাঁর শাস্তি দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।রাজ্যে ভোটার লিস্টের নাম তোলার কাজ চলছে। সেই সেময় এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। প্রশাসনের নীচু স্তরের লোকজন বিজেপির সঙ্গে কোনও সহযোগিতা করছে না অভিযোগ করেছে দলীয় নেতৃত্ব। নির্বাচন কমিশন অভিযোগ পেয়ে ক্ষতিয়ে দেখছে। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া বলেন, এই বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এফআইআর করা উচিত। প্রশাসন থেকে চূড়ান্ত অসহযোগিতা করা হচ্ছে।মঙ্গলবার বর্ধমানের টাউনহলে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটার লিষ্ট সংক্রান্ত বুথ ভিত্তিক এজেন্টদের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছিলেন স্থানীয় বিধায়ক খোকন দাস। তিনি বলেন, নতুন লোক আসছেই। নতুন লোক মানে সব বাংলাদেশ থেকে আসা লোক। তাঁদের ভোট বেশি তুলতে যাওয়া বেশি ক্ষতি। কারণ তাঁরা তো বেশি হিন্দু হিন্দু করে বেশীটাই ভোট দিয়ে দেয় বিজেপিকে। এটাকে নিয়ে অস্বীকার করার কিছু নেই। নতুন লোকের ভোট তুলবেন যাঁরা আমাদের দলের সাথে যুক্ত তাঁদের। তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য ঘিরে তৈরী হয়েছে বিতর্ক। এবার নির্বাচন কমিশনে গেল বিজেপি।

নভেম্বর ১৮, ২০২২
রাজ্য

'ঘনিষ্ঠ বন্ধু' অর্পিতা'র ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হলেও পার্থ'র কাছে না আছে 'বাড়ি , না গাড়ি...! সম্বল সামান্য কিছু টাকা......

বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ইডি দাবি করেছে, এই ১৯ ঘণ্টার ম্যারাথন অভিযানে বেলঘড়িয়ায় পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার, ইডি জানিয়েছিল টালিগঞ্জের করুণাময়ী অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অর্থাৎ দু-দিনে সব মিলিয়ে ৪৯.৮ কোটি টাকা উদ্ধার করল ইডি। এখন প্রশ্ন হল, তাঁর কি আসলেই এত টাকা আছে? যদিও এই টাকা তার অন্তরঙ্গ বন্ধুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সুত্রের খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন যে সমস্ত টাকা বা সম্পদ যা এখনও অবধি পাওয়া গেছে তা সবই পার্থর। যদিও ইডি এখনও কিছু এ ব্যাপারে জানায়নি।২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচনে পার্থ বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় তিনি নির্বাচন কমিশনে যে নমিনেশনের জমা দিয়েছেলেন তাতে এক হলফনামা জমা দেন, সেই হলফনামাতে তৃণমূলের এই অপসারিত হেভিওয়েট নেতা সম্পত্তির যা বিবরন দেন তা নিম্নরূপঃ১। সে সময় পার্থর কাছে নগদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭৬ টাকা ছিল। তার সাথে দুটি ব্যাংকের ৪টি শাখায় তাঁর রয়েছে ২৪ লাখ ৮১ হাজার, ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৩৫, ১৫ লাখ ১ হাজার ১৬১ ও ১ লাখ ৮ হাজার ৬৯ টাকা জমা ছিল।২। একটি জীবন বীমা পলিসি তার নামে ছিল, যার সাম অ্যাসিওর ২৫ লাখ টাকা। জীবন বীমা, ব্যাংকে জমাসহ তাঁর মোট সঞ্চয় ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা!৩। পার্থ নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন, তাঁর একটি গাড়িও নেই।৪। পারিবারিক সূত্রে বা নিজের উপার্জন থেকে কেনা কোনও কৃষিজমিও তার নেই।৫। পার্থ জানান, পারিবারিক সূত্রে তার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়ি নাকতলায়। নাম বিজয়কেতন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ওই বাড়ি থেকেই পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি।৬। হলফনামায় পার্থ জানিয়েছেন, বাবার কাছ থেকে পাওয়া দেড় কাঠা জমিতে বানানো বাড়িটি পেয়েছেন তিনি। বাড়িটি নির্মান করা হয়েছিলো ১৯৮৯-এ। তৎকালীন মুল্যে সেই বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ৬ লাখ টাকা। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী বাড়িটির আনুমানিক মুল্য ২৫ লাখ টাকা।৭। পার্থ হলফনামায় দাবি করেছেন যে তাঁর কাছে কোনও সোনা-হীরে-প্ল্যাটিনামের গয়না নেই!৮। এ ছাড়া পার্থের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার নামে কোথাও কোনো ঋণ নেই।৯। এছাড়াও, তিনি আরও জানান যে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মোট আয় ছিল ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৭২০ টাকা।১০। পার্থের হলফনামা অনুযায়ী, পার্থের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা।এসএসসিতে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থর নাম জড়ানোর পর, সম্প্রতি তাকে ইডি গ্রেপ্তার করেছে। যদিও তার বাড়ি থেকে বিশেষ কিছু উদ্ধার হয়নি, ইডি দাবি করেছে যে পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে তারা প্রায় ৪৯.৪ কোটি টাকা ও প্রচুর পরিমাণে সোনার গহনা উদ্ধার করেছে।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা তৃণমূল বিধায়কের

পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে নির্বাচনীয় প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করে নির্বাচন কমিশনার। বুধবার তার প্রতিক্রিয়া দিলেন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। প্রতিক্রিয়ায় বিধায়কের দাবি, নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে এই ধরনের কোনও নোটিশ তিনি পাননি।উল্লেখ্য, আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচন দলীয় প্রচার চলছে। সেখানে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত লাউদহ ব্লকের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে কর্মীদের সম্বোধন করার সময় বিজেপি সমর্থকদের খোলাখুলি হুমকি দিতে দেখা যায়। যে ভিডিও র সত্যতা যাচাই করিনি আমরা।যারা কট্টর বি জে পি যাদেরকে এড়ানো যাবে না তাদেরকে চমকাতে হবে। বলবেন আপনি যদি ভোট দিতে চান তাহলে ধরে নেব আপনি বিজেপিকে ভোট দেবেন। ভোটের পর আপনি কোথায় থাকবেন সেটা আপনার নিজের বিষয়। আপনি যদি ভোট দিতে না যান তাহলে ধরে নেব আপনি আমাদের সমর্থন করছেন। তাহলে আপনি বাড়িতে থাকুন ব্যবসা করুন, চাকরি করুন, ভালভাবে থাকুন, কোন অসুবিধা নেই আমরা আপনার সঙ্গে আছি ক্লিয়ার। ভিডিওটি সামনে আসার পর বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন একটা জিনিসই উনি বুঝেছেন। বিজেপির লোকেরা যদি ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় তাহলে উনারা হারবেন, এটা উনি বলেছেন। এরকম হুমকি উনি না দিলেই ভাল হয়। উনিতো অনুব্রত মণ্ডলের শিষ্য, অনুব্রত মণ্ডল তো কিছুদিন পর হয়তো জেলের মধ্যে থাকবেন। এরকম থাকলে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে লুডু খেলার জন্য আরও দুতিনজন লাগবে। তখন হয়তো উনাকে যেতে হবে । এরকম না করলেই ভালো হবে।আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে কর্মিসভা করা হল। এই কর্মিসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মদন বাউরি সহ-সভাপতি রমা রুইদাস এবং কিরীটি মুখার্জি, রামচরিত পাসোয়ান সহ অন্যান্য ব্লক নেতৃত্ব।মূলত এই সভাটি বিধানসভার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হরিপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনী সভায় বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সেখানেই বলেন বলে বিজেপির অভিযোগ।

মার্চ ৩০, ২০২২
দেশ

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। শনিবার,আসানসোল লোকসভা এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ এপ্রিল, মঙ্গলবার ভোট হবে এই দুই আসনে। গণনা হবে ১৬ এপ্রিল, শনিবার। একই দিনে ছত্রিশগড় বিহার এবং মহারাষ্ট্রের একটি করে বিধানসভা আসনেও ভোট নেওয়া হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাওয়ায় ওই সব এলাকায় এদিন থেকে জারি হয়ে গেল নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি।২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়। পরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বাবুল সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তা গ্রহণ করেন। ফলে আসানসোল লোকসভা শূন্য হয়। সেই কেন্দ্রের উপনির্বাচন বকেয়া ছিল।বালিগঞ্জের বিধায়ক ছিলেন প্রবীণ নেতা তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গত বছর নভেম্বরে কালীপুজোর দিন সন্ধেবেলা তিনি প্রয়াত হন। সুব্রতবাবুর প্রয়াণের কারণে বালিগঞ্জ আসনেও ভোট করতে হত। এদিন বাংলার একটি লোকসভা ও একটি বিধানসভার উপনির্বাচন ঘোষণা করে দিল কমিশন।কমিশন সূত্রে খবর আসানসোলের ১০০% বুথকেই উত্তেজনা প্রবন বুথ বলেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২২
কলকাতা

রাজ্যপালের পুনর্নির্বাচনের দাবি খারিজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের, কাল শ্রীরামপুর ও দক্ষিণ দমদমের ২টি বুথে ভোটগ্রহণ

পুরসভা ভোটে অনিয়মের অভিযোগে বিরোধীদের তোলা পুনঃনির্বাচনের দাবি খারিজ করে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে শ্রীরামপুর পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথে ও দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথে ফের ভোটগ্রহণ করা হবে। ওই দুটি বুথে ইভিএম খারাপ হয়ে যাওয়ায় ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় বলে কমিশন সূত্রে খবর।এদিন রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসকে রাজভবনে ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই রাজ্যপাল কমিশনারকে বলেন যে সব পুরসভায় সন্ত্রাস হয়েছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ করছে সেখানে পুনর্নির্বাচন হোক। যদিও কমিশনার তাঁকে জানেন, কমিশন এইভাবে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না। জেলাশাসকেরা যে রিপোর্ট পাঠাবেন সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই কমিশন কোনও বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত জেলাশাসকদের তরফে তেমন কোনও রিপোর্ট আসেনি কমিশনের কাছে। তাই পুনর্নির্বাচনের কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার রাজ্যের ১০৮টি পুরসভায় ছিল নির্বাচন। ওইদিন প্রায় ১০ হাজার বুথে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন রাজ্যের প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ। সেই নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধীরা হাজারো অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে, এমনকী বিজেপির তরফে কাঁথি পুরসভার নির্বাচন বাতিল করে ফের ভোটগ্রহণের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা ঠোকাও হয়েছে। কিন্তু এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনও বুথ থেকেই কোনও বড় রকমের কোনও অনিয়মের রিপোর্ট আসেনি। তাই কোনও পুরসভার কোনও বুথেই আর পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না। তবে দুটি বুথে ইভিএম খারাপ হয়ে যাওয়ায় সেখানে মঙ্গলবার ফের ভোটগ্রহণ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটে হিংসার বিবরণ চেয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে তলব রাজ্যপালের

পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ বিরোধীদের। সেই অভিযোগ সম্পর্কে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসকে বিকেলে সাড়ে তিনটের সময় ডেকে পাঠানো হয়েছে রাজভবনে। পুরভোটের শেষ দফায় রাজ্যজুড়ে একের পর এক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। সে বিষয়ে কথা বলার জন্য কমিশনারকে তলব করেন রাজ্যপাল। রাজভবন থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, পুরভোটে অশান্তি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা সংক্রান্ত যা অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন। আর সেই কারণেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ভোটগ্রহণে অশান্তির ঘটনার উল্লেখ করেন তিনি, সেটিকে গণতন্ত্রের ব্যর্থতা বলেও ব্যাখ্যা দেন রাজ্যপাল।এক্ষেত্রে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কী বক্তব্য থাকতে পারে, সেটাই দেখার। বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট, ইভিএম ভাঙচুর থেকে শুরু করে বোমাবাজি-র অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। যদিও ডিজি-র দাবি, ছোটখাটো ঘটনা ছাড়া নির্বাচন মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ হয়েছে।পুরভোটের সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে রাজ্য জুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধ করছে বিজেপি। বনধ সফল করতে রাজ্যের সর্বত্র বিজেপি কর্মীরা পথে নেমেছেন। গতকাল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরেও যায় বিজেপি-র প্রতিনিধি দল। সেই দলে ছিলেন রাজ্য নেতা শিশির বাজোরিয়া, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। কমিশনে চিঠি দিয়ে ১০৮ পুরসভার ভোটই বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বাংলা বনধে অশান্তি জেলায় জেলায় , কঠোর নবান্নও

পুরভোটে অশান্তিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।এই পুরভোট বাতিল করে ফের ভোট করার দাবিও তুলেছে তারা। সকাল হতেই জেলায় জেলায় অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যদিও কলকাতায় বনধের প্রভাব সকালের দিকে তেমন একটা চোখে পড়েনি। আবার কোথাও কোথাও বনধের বিরোধিতা করতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।এদিকে কাল বনধ ঘোষণার পরই রাজ্য প্রশাসন অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছে, জনজীবন সচল রাখার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। কোথাও জোর করে বন্ধ করা বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হলে পুলিশ-প্রশাসন কড়া হাতে তার মোকাবিলা করবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও আজ শান্তিপূর্ণভাবে বন্ধ বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।সোমবার সকাল হতেই হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধ করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ডাউন বর্ধমান লোকাল আটকে থাকে হুগলি স্টেশনে। ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা।বিজেপির ডাকা বনধে এখন পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারে কোনও প্রভাব নেই।উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহনের বাস চলছে। রাস্তায় যানবাহনও চলছে। রাস্তায় দেখা মেলেনি কোন বিজেপি বনধ সমর্থনকারীকে।বনধে কোনও প্রভাব পড়েনি পূর্ব বর্ধমানে। সকাল থেকে সবই স্বাভাবিকভাবেই চলছে। পথে নেমেছে সরকারি বাসের পাশাপাশি বেসরকারি বাস। যান চলাচল একেবারে স্বাভাবিক। মানুষজনও রাস্তায় নেমেছে। তবে বেলা বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।শিলিগুড়িতেও একই ছবি। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের জন্য পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।সোমবার সকাল সকাল বালুরঘাট সরকারি বাস স্ট্যান্ডের সামনে বিজেপি কর্মীসমর্থকদের পিকেটিং বনধ সফলের জন্য। রাস্তায় বসে বাস আটকানোর চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশ তুলতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মীদের চ্যাঙদোলা করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।এদিন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

শেষ হল পুরভোটের প্রচার, বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন

আগামী রবিবার ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়েছে। প্রচারের আজ শেষ লগ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের দেখা গিয়েছে শেষ বেলার জনসংযোগে। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সভা করেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কামারহাটিতে দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে বের হন সেখানকার তৃনমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র। বারাসাতে বিধান পার্ক থেকে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা মহাম্মদ সেলিমও কামারহাটিতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেখানে প্রচার সরেন। এছাড়া রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি সিপিআইএম-সহ বাম দলের প্রার্থীও কর্মীসমর্থকরা, ও কংগ্রেস দলের প্রার্থী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ আজ প্রচারের শেষ লগ্নে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারেন।রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ রবিবার। রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট করানোই চ্যালেঞ্জ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। এর আগে কলকাতা-সহ চার পুরনিগমের ভোটে কড়া হাতে পরিচালনা করে সুনাম ও ধন্যবাদ কুড়িয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টও বারবার কমিশনের নানা সিদ্ধান্তেই খুশি। তাই রবিবারের ১০৮ পুরসভার ভোট নির্বিঘ্নে পরিচালন করাই লক্ষ্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। সেই মর্মে আরও এক বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করল কমিশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনের জন্য ১০জন আইএএস অফিসারকে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।এর আগে ১৬জন বিশেষ পর্যবেক্ষক ও ১০৮জন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবার আরও একধাপ বাড়িয়ে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেই কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। প্রত্যেক সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষককয়ে শনিবারেই নিজের নিজের জায়গায় ডিউটিতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ১০৮ পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিরোধীদের করা আবেদন সুপ্রিম কিংবা কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করেছে। রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর কমিশনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে আদালত। সেই মর্মে বিভিন্ন জেলায় রুটমার্চ শুরু করেছে পুলিশ।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১০৮ পুরভোটের নিরাপত্তায় ৪৪ হাজার পুলিশ কর্মী-আধিকারিক মোতায়েন করা হবে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত জানার পরেই রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারির পুরভোটে অশান্তি এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরে সন্ধ্যায় পুরভোটের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পুরভোটে অশান্তি এড়াতে আরও বাড়তি চার হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইএফআর, এসটিএফ, কম্যান্ডো ও র্যা ফকেও নামানোর সিদ্ধান্ত হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

১০৮ পুরসভার ভোট গণনা ২ মার্চ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

২ মার্চ ১০৮ টি পুরসভার ভোটগণনা। বিজ্ঞপ্তিতে জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্ক্রুটিনির জন্য আরও এক দিন বরাদ্দ। ২৭ ফেব্রুয়ারি যে ১০৮ পুরসভার ভোট, তার গণনার দিন আগে ঘোষণা করা হয়নি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, ২ মার্চ ১০৮ পুরসভার ভোটগণনা হবে।এক্ষেত্রে যদি চার পুরসভার ভোটের কথা উল্লেখ করা যায়, তাহলে দেখা যাবে ১২ ফেব্রুয়ারির পর ১৪ ফেব্রুয়ারি, মাত্র এক দিন পরই গণনার দিন স্থির হয়েছিল। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছিল, যে দিন ভোট হল, সেই রাতেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে স্ক্রুটিনি করা সম্ভব? কারণ যদি পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা থাকে, তাহলে সেটা একদিন পরই করতে হবে। কোথাও হয়তো পুনর্নির্বাচনের ভাবনা নেই, তাই কমিশন এই ধরনের পদক্ষেপ করেছে। এমনও অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের আগের দাবি মেনে স্ক্রুটিনির জন্য এক দিন সময় বাড়াল।এদিকে, ১০৮ পুরসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় কি না, জানাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপির দায়ের করা মামলায় নির্দেশ প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের। একই সঙ্গে দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধান প্রকল্প ওই পুরএলাকায় বন্ধ রাখা যায় কিনা, তাও জানাতে হবে রাজ্যকে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। তার মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বিরোধীদের অভিযোগ সম্পর্কে কী ভাবছে রাজ্য সরকার, তা মামলার শুনানিতে জানতে চায় আদালত। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা আছে? দুয়ারে সরকার পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি বন্ধ রাখা যায়? সে বিষয়ে তথ্য চায় হাইকোর্ট। রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়। আগামী সোমবার মামলার শুনানি। ওইদিনই হলফনামা জমা দিতে হবে। এছাড়াও রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোটকেন্দ্রগুলির সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় কাল চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ

কলকাতা পুরসভার ভোট পর্ব মিটেছে নির্বিঘ্নেই। দ্বিতীয় দফায় শনিবার রাজ্যের চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ। আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর ও চন্দননগরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে । ভোটের অনেক আগে থেকেই চলছে নাকা চেকিং এবং রুট মার্চ । বিশেষ করে, বিধাননগরে প্রতিটি প্রবেশ পথে চলছে কড়া নাকা চেকিং । প্রতিটি গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে ।এই পর্যায়ের ভোটে প্রতিটি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।৪ পুর নিগমে মোট ওয়ার্ড ২১৭টি । সবচেয়ে বেশি ওয়ার্ড রয়েছে আসানসোলে, ১০৬ টি। এছাড়াও শিলিগুড়িতে ৪৭, বিধাননগরে ৪১, এবং চন্দননগরে ৩৩টি। ৪ পুরনিগমে মোট ভোটার ১৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৬২ জন।প্রত্যেক পুরনিগমের জন্য ৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং ১জন বিশেষ পর্যবেক্ষক থাকছেন বলে কমিশন সূত্রে খবর। নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি বুথের ভিতরে এবং বাইরে চলবে সিসিটিভির নজরদারি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, চার পুরনিগমের ভোটের জন্য ৯ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। ভোট কেন্দ্রে থাকবে ৮ হাজার ৫০০ পুলিশ। বাকি ৫০০ পুলিশকর্মীকে নাকা চেকিং-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। কমিশন জানিয়েছে, সশস্ত্র পুলিশ থাকছে ৫ হাজার ৫৫৭ জন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই সশস্ত্র প্রহরী এবং লাঠিধারী কনস্টেবল থাকবেন। ৪ পুরসভার ২০৭৮টি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে কমিশন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য পুলিশ দিয়েই চার পুরভোট, সিদ্ধান্ত কমিশনের

রাজ্য পুলিশ দিয়েই হবে ১২ ফেব্রুয়ারির চার পুরভোট। সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিজেপি-র মামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট জানতে চেয়েছিল বিধাননগর পুরভোট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করার বিষয়ে কী ভাবছে কমিশন। আদালতে কমিশন জানিয়ে দেয় এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা নিয়ে ফেলেছে। কমিশন সূত্রে খবর, বিধাননগর, শিলিগুড়ি, চন্দননগর এবং আসানসোল পুরভোট রাজ্য পুলিশের তত্ত্বাবধানেই করানো হবে।রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোট যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে হয় সে দিকে তারা বিশেষ নজর রাখবে। তবে বিরোধীদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি কার্যত নাকচ করে দিয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে, চার পুরভোটে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে থাকছে কমান্ডো, ইএফআর, এসটিএফ। তা ছাড়া শুক্রবার থেকে স্পর্শকাতর এলাকা ঘুরে দেখবে সিআইডি ও আইবি। ১২ ফেব্রুয়ারি চার পুরসভার ভোটের জন্য আলাদা করে এক জন আইজি অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবে রাজ্য পুলিশ। এ ছাড়া নিযুক্ত হচ্ছেন একজন আইএএস পদমর্যাদার বিশেষ পর্যবেক্ষক।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনে ভোট পড়ল ৬০ শতাংশের বেশি

বৃহস্পতিবার প্রায় শান্তিতেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে। বেলা এগারোটা অবধি ভোটের হার ছিল ২০.০৩ শতাংশ, দুপুর একটায় ভোটের হার পৌঁছেছে ৩৫.০৩ শতাংশে। সকাল সাতটা থেকে পশ্চিমাঞ্চলীয় উত্তরপ্রদেশের ১১টি জেলার ৫৮টি আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রথম দফায় উত্তরপ্রদেশের যে জেলাগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে সেই জেলা গুলি হল-শামলি, হাপুর, গৌতম বুদ্ধ নগর, মুজফফরনগর, মেরঠ, বাঘপত, গাজিয়াবাদ, বুলন্দশহর, আলিগড়, মথুরা ও আগ্রা। ২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ের মোট ভোট পড়েছে ৫৯.৮৭ শতাংশ। সর্বাধিক ভোট হয়েছে শামলিতে ৬৬.১৪ শতাংশ, তারপরে মুজাফফরনগর এবং মথুরায় যথাক্রমে ৬৫.৩২ শতাংশ ৬২.৯০ শতাংশ। গৌতম বুদ্ধ নগরে সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত মাত্র ৫৪.৩৮ শতাংশ ভোটারের খবর পাওয়া গেছে। গৌতম বুদ্ধ নগর ব্যতীত সবচেয়ে কম রিপোর্ট করা ভোটার উপস্থিত জেলাগুলি হল গাজিয়াবাদ, মিরাট, আগ্রা যথাক্রমে ৫২.৪৩ শতাংশ, ৬০ শতাংশ এবং ৬০.২৩ শতাংশ৷২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি দুটি করে আসনে জিতেছিল। আরএলডি জিতেছিল একটি আসনে। হাপুর হোক অথবা আলিগড় সকাল সকাল ১১টি জেলার বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে মহারেকর্ড! গ্রুপ পর্ব শেষের আগেই যা ঘটল, তাকিয়ে বিশ্ব

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব এখনও শেষ হয়নি। কিন্তু তার আগেই তৈরি হয়ে গেল নতুন ইতিহাস। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এবারই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছত্রিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ম্যাচ উপভোগ করেছেন। ফলে আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়েছে এই আসর।এর আগে সর্বাধিক দর্শকের রেকর্ড গড়েছিল উনিশশো চুরানব্বই সালের বিশ্বকাপ। সেই আসরেও আয়োজক ছিল আমেরিকা। তখন বাহান্নটি ম্যাচে প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখেছিলেন। দীর্ঘ সময় সেই রেকর্ড অটুট ছিল। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এখনও প্রতিযোগিতার আটচল্লিশটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তার আগেই সর্বাধিক দর্শকের নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে অবশ্য একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপর ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, প্রবেশের জটিলতা এবং অতিরিক্ত খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। খেলার টিকিট, যাতায়াত এবং থাকার খরচও ছিল বেশ বেশি। তাই অনেকের আশঙ্কা ছিল, দর্শক উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে।কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে ভিড় জমিয়েছেন। অধিকাংশ ম্যাচেই প্রায় পুরো স্টেডিয়াম দর্শকে ভরে গিয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার দাবি, এখনও পর্যন্ত ছত্রিশ লক্ষ পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। অধিকাংশ স্টেডিয়ামেই আসন প্রায় সম্পূর্ণ পূর্ণ ছিল।এখনও নকআউট পর্ব শুরু হয়নি। তাই আগামী দিনে দর্শকের সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সংস্থার অনুমান, প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার আগেই চল্লিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক মাঠে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপ ইতিমধ্যেই ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও! তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেপ্তার আট

মন্দিরের দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সের টাকা সরানো হচ্ছিল, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ।তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা নজরদারি এড়াতে কৌশলে নজরদারি যন্ত্র ঢেকে রাখত। এরপর দানবাক্স থেকে টাকা বের করে তা প্রথমে শৌচাগারের ভিতরে লুকিয়ে রাখা হত। পরে সুবিধাজনক সময়ে সেই অর্থ গোপনে মন্দির চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হত। তদন্তে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরে সেই টাকা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে বিলি করা হত।বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই এই চুরির ঘটনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। চলতি বছরের সাতাশে এপ্রিল থেকে পাঁচই জুনের মধ্যে অন্তত সত্তরটি চুরির ঘটনা তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতদের মধ্যে দুজন কয়েক জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেছেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনায় আরও কয়েক জন সরকারি কর্মীর যোগ থাকতে পারে। তবে সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে।বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মন্দিরে নগদ অনুদান হিসেবে কয়েক হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি প্রচুর সোনা ও রুপোর অলঙ্কারও দান করা হয়েছিল। তদন্তে অভিযোগ, সেই বিপুল সম্পদের একটি অংশের হিসাব এখনও মেলেনি। নগদের পাশাপাশি দান করা কয়েকটি মূল্যবান রুপোর সামগ্রীও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্ত যত এগোবে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তাঁদের অনুমান। যদিও মোট কত টাকা বা সম্পদ খোয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! অনুপ্রবেশ থেকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, একের পর এক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিত বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশ, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ধর্মান্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, শরণার্থীদের কোনও ভয় নেই। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ভূমি দখল, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের মতো অভিযোগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে আর কোনও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই সরকার এই পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করবে।বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে কলেজ স্ট্রিট এবং নৈহাটিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, অতীতে একই ধরনের কর্মসূচি করতে গিয়ে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বন্দে মাতরম শুধু একটি গান নয়, এর মধ্যে দেশপ্রেম এবং জাতীয় চেতনার গভীর বার্তা রয়েছে। সেই মূল্যবোধ সমাজে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্দে মাতরমকে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই এখন নিয়ম মেনে গান গাইছেন। সময়ের সঙ্গে আরও বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই গান গাইবেন বলেই তাঁর আশা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গিরকে দড়ি বেঁধে ঘোরানো নিয়ে বড় প্রশ্ন! মানবাধিকার ইস্যুতে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

ফলতার জাহাঙ্গির খানকে গ্রেপ্তারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে এবং অস্বাভাবিক পোশাকে প্রকাশ্যে ঘোরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। জাহাঙ্গির খানের স্ত্রী সারিকা বিবির দায়ের করা মামলার শুনানিতে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত চললেও কোনও অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ করা যাবে না, যা তাঁর মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করে। পাশাপাশি আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে জানাতে হবে জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী পয়লা জুলাই।প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। নির্বাচনের আগে তাঁর একাধিক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল। পরে ভোটের আগে তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর তিনি প্রকাশ্যে আর দেখা না গেলেও পরে বাংলা-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী।গ্রেপ্তারের পর ফলতার সহরারহাট এলাকায় জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি বেঁধে এবং সাধারণ পোশাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ প্রথমে তাঁকে চিনতে না পারলেও পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় জাহাঙ্গির খানকে হাতজোড় করে হাঁটতে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়।এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর স্ত্রী। মামলার শুনানিতে হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া চলবে ঠিকই, তবে কোনও অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন করে শুরু হয়েছে আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মেয়ের এক আবদারেই বদলে গেল সব! তারাতলার মৃত্যুফাঁদ থেকে অলৌকিকভাবে ফিরলেন শ্রমিক বাবা

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এক শ্রমিক। আর সেই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরার পিছনে রয়েছে তাঁর ছোট্ট মেয়ের এক আবদার। কাজে যেতে না দেওয়ার জন্য মেয়ের জেদের কাছে হার মেনেছিলেন বাবা। কয়েক ঘণ্টা পরেই ভেঙে পড়ে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। এখন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে বারবার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন তিনি।জগদ্দলের মোমিনপুরের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরেও কাজে বেরোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। প্রতিদিন সাতশো টাকা মজুরি পেতেন। সেদিন অতিরিক্ত তিনশো টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন ঠিকাদার। সংসারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি ধর্মেন্দ্র।কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘুম থেকে উঠে বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছোট্ট মেয়ে। তার একটাই আবদার ছিল, সেদিন যেন বাবা আর কাজে না যান। প্রথমে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত মেয়ের জেদ আর ভালোবাসার কাছে হার মানেন ধর্মেন্দ্র। অতিরিক্ত আয়ের লোভ ছেড়ে বাড়িতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কয়েক ঘণ্টা পর খবর আসে, দুপুরে আচমকাই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান ধর্মেন্দ্র। বুঝতে পারেন, সেদিন কাজে গেলে হয়তো তিনিও আর বেঁচে ফিরতেন না।শুক্রবার তিনি হাসপাতালে গিয়ে সেই সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করেন, যিনি তাঁর পরিবর্তে সেদিন কাজে গিয়েছিলেন এবং দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে ধর্মেন্দ্র বলেন, তাঁর মেয়েই আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। মেয়ের কথা না শুনলে হয়তো তিনিও আজ বেঁচে থাকতেন না।তারাতলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মধ্যে ধর্মেন্দ্র ও তাঁর ছোট্ট মেয়ের এই ঘটনা এখন অনেকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই শ্রমিকের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সত্য, সন্তানের একটুকরো ভালোবাসাই তাঁর নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে অধীর, বড় অভিযোগে চাঞ্চল্য

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার নামে রাজ্যে প্রায় সাতাশ লক্ষ মানুষের নাম খামখেয়ালিভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এই ঘটনায় তিনি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন।আদালতে দাখিল করা আবেদনে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবি, কোনওরকম শুনানির সুযোগ না দিয়েই সামান্য ভুলের অজুহাতে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় পাঁচ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।অধীরের আরও দাবি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে যাওয়ার পর আপিলের শুনানির গতি আরও কমে গিয়েছে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদে মাত্র দুটি ট্রাইব্যুনালে প্রতিদিন অল্প সংখ্যক মামলার শুনানি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জমে থাকা সব মামলার নিষ্পত্তি হতে আরও চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ফলে বহু দরিদ্র মানুষ সরকারি প্রকল্প এবং সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে দ্রুত অতিরিক্ত আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে।অধীর রঞ্জন চৌধুরী আদালতের কাছে আরও আবেদন করেছেন, মুর্শিদাবাদ ও মালদার মতো জেলায় ব্লকভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হোক। পাশাপাশি মামলার চাপ কমাতে পর্যাপ্ত কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া মামলার তালিকা এবং রায় সহজে দেখার জন্য একটি স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আবেদনও করা হয়েছে।একইসঙ্গে আদালতের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে, আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নাগরিকের সরকারি সুযোগ-সুবিধা যাতে বন্ধ না হয়, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হোক।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত! এক মাসের জন্য থামছে বহুতল নির্মাণ, বাতিল হতে পারে অনুমোদন!

গার্ডেনরিচ ও তারাতলার মতো একের পর এক দুর্ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। সেই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতল নিয়ে। আগামী এক মাস কলকাতা-সহ একাধিক পুর এলাকায় পাঁচ তলার বেশি বাণিজ্যিক বহুতলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে বিশেষ অডিট কমিটি প্রতিটি নির্মাণের নকশা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট বহুতলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নগরায়ণ থামানো সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তবে কোনওভাবেই মানুষের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া হবে না।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী এক মাস কলকাতা, বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন, পূজালি, বারুইপুর, মহেশতলা, রাজপুর-সোনারপুর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর এবং বালিতে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের কাজ বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যেই এগারো সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কমিটি প্রথমে বহুতলের নকশা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করবে। এরপর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রয়েছে কি না, তাও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।সরকার জানিয়েছে, যেখানে সামান্য ত্রুটি থাকবে সেখানে নির্মাণ সংস্থাকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে বহুতলের অনুমোদন সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।অডিট কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা রাখা হয়েছে নব্বই দিন। তবে যে সব বহুতল নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে, সেগুলির নির্মাণকাজ আগামী এক আগস্ট থেকে আবার শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি নির্মাণ বা সংস্কারের কাজে কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। ফলে আগামী এক মাস নিজের বাড়ির নির্মাণ বা মেরামতির কাজ স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যেতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জুন ২৬, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিন পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা! আদালতে নিয়ে যেতেই যা করল জনতা, তোলপাড় ক্যানিং

ভোটের পর থেকেই পলাতক ছিলেন ক্যানিংয়ের এক তৃণমূল নেতা। দীর্ঘদিন খোঁজ চালানোর পর অবশেষে তাঁকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটল, তা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ধৃত ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইন্দ্রজিৎ সর্দারকে থানার বাইরে আনা মাত্রই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ তাঁকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকটি ডিম তাঁর মাথাতেও লাগে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি, কাটমানি আদায় এবং মারধরের মতো নানা অভিযোগ ছিল ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগও ওঠে। এছাড়া একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়দের একাংশ।স্থানীয়দের দাবি, একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই ক্ষোভ থেকেই গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানার সামনে বহু মানুষ জড়ো হন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশও। ধৃতকে থানার বাইরে আনার সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস, অস্ত্র মামলার তদন্ত এবং তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকে থাকা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal