• ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২, সোমবার ০৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

East Bengal

খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলের

তারিখের পর তারিখ। বৈঠকের পর বৈঠক। একের পর এক চিঠি চালাচালি। তবুও জট কাটার লক্ষন নেই ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্কে। শুক্রবার রিলায়েন্সের মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না লালহলুদের।প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। পরে সোমবার সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠায় শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। কিন্তু সংশোধিত চুক্তিপত্রেও দুটি শর্ত নিয়ে আপত্তি জানান লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিলালহলুদ কর্তাদের পক্ষ থেকে আবার চিঠি দেওয়া হয় শ্রী সিমেন্টকে তাদের মতামত জানার জন্য। তারপর কর্মসমিতির বৈঠকে সই করার বিষয়টি অনুমোদন করানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের কোনও উত্তর না পাওয়ায় পরপর দুদিন কর্মসমিতির বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়েছে। আমরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছি। যথাযথ জায়গায় আলোচনা করে মধ্যস্থতাকারীরা সিদ্ধান্ত জানাবেন। বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানান চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে কোন কোন বিষয়ে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মধ্যস্থতাকারী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে পরের পদক্ষেপ জানাবেন। তারপর ক্লাব নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে। তাই শুক্রবার সন্ধ্যার কার্যকরী সমিতির বৈঠক বাতিল করে ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশলালহলুদ সূত্রের খবর, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে নো অবজেকশন দেওয়ার শর্তে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ক্লাবের দাবি, লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হোক, ক্লাব তাঁবুর কোন অংশ ক্লাবের অধীনে থাকবে। বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে এই ব্যাপারে ইস্যুতে তাদের দাবি মানা না হলে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবে না। অন্যদিকে শুক্রবার ইনভেস্টর শ্রীসিমেন্টের প্রতিনিধি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, শেষ চুক্তিপত্রের কোন রকম পরিবর্তন হবে না। নতুন কোনও শর্ত মানা সম্ভব নয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। অবশেষে সোমবার সন্ধেয় ইমেল করে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। এখন দেখার লালহলুদ কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সই করার বিষয়ে সম্মতি দেন কিন। চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হন। বেশ কয়েকটি শর্ত থেকে পিছিয়ে আসেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারাও কয়েকটি শর্ত নিয়ে নমনীয় মনোভাব দেখান। শ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। তবে, সূত্র মারফত জানা গেছে ক্লাবের সদস্যদের নথি লগ্নিকারী সংস্থার কাছে জমা রাখার এবং ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের জন্য নো অবজেকশনের শর্ত, এই দুটি পরিবর্তন করেনি শ্রী সিমেন্ট। তবে ক্লাবের সদস্যদের নথি জমা রাখার শর্তে লালহলুদ কর্তারা রাজি হয়েছেন। ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের শর্ত নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কারণ, ক্লাব তাঁবু যেহেতু মিলিটারির অধীনে, তাই লালহলুদ কর্তাদের বক্তব্য এই ব্যাপারে তাঁরা সম্মতি দিতে পারবেন না। এখন দেখার, সবকিছু মেনে নিয়ে সই করেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌পরিমার্জিত চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে শ্রী সিমেন্ট, আজই খুলতে পারে লালহলুদের জট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনেই কি খুলে যাবে লালহলুদের চুক্তিজট? সম্ভাবনা প্রবল। আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে নতুন চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার চুক্তিপত্রে সই করে দেবেন লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হয়েছেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা চাইছেন আজই পরিমর্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গলের কাছে পাঠাতে।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরশ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠাব। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইএদিকে, আজই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসছে ইস্টবেঙ্গলে। বৈঠকের আগে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাতে সই করা হবে কিনা বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লালহলুদ কর্তারা আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না। অনেক কর্তাই চুক্তিপত্রে সই করার জন্য মত দিয়েছেন। প্রাক্তন কর্তাদের নিয়ে যে ১১ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিও সই করার কথা বলেছে। ১৬ আগস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। তার আগেই বিতর্ক মেটাতে চাইছে দুই পক্ষ। এর মধ্যেই যদি চুক্তিপত্রে সই হয়ে যায়, তাহলে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে কলকাতা লিগে নেমে পড়বে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে শুধু স্বদেশি ফুটবলারদের নিয়ে দল গঠন করা হবে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জট

ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের মধ্যে দীর্ঘ টালবাহনার কি অবসান হতে চলেছে? তেমনই সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। তেমন কোনও অঘটন না ঘটলে চলতি সপ্তাহেই খুলে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি জট। অগনিত সমর্থকদের কথা ভেবে অবশেষে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি লালহলুদ কর্তারা।চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। প্রাথমিক চুক্তিপত্র ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের মধ্যে বেশ কিছু শর্তে পার্থক্য আছে বলে অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। তাঁদের দাবি, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এমন কিছু শর্ত উল্লেখ রয়েছে যা ক্লাব বিক্রি হওয়ারই সামিল। সেই কারণে লালহলুদ কর্তারা চুক্তি সই করতে রাজি হচ্ছেন না।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?চুক্তি জটিলতা কাটাতে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব তথা আইনজীবী পার্থ সেনগুপ্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, কয়েকটি ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু পরে ফের কিছু শর্ত নিয়ে আপত্তি তুলেছেন লাল হলুদ কর্তারা। যেগুলি নিয়ে ফের আলোচনা করতে গেলে শ্রী সিমেন্ট আগে যেগুলির ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে সেই সিদ্ধান্ত থেকেও পিছু হঠতে পারে। অবশেষে চুক্তি জট মেটানোর জন্য লাল হলুদ কর্তারা আস্থা রেখেছিলেন প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির উপর।ক্লাবের ৫ বছরের গ্যারান্টি নেওয়া সহ দুটি শর্তে আটকে আছে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, লাল হলুদ কর্তাদেরও কিছু ছেড়ে খেলতে। কোর কমিটি চেয়েছিল শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীর সময় নিয়ে তাঁর সঙ্গেও কথা বলতে। কারণ সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলা যেন বন্ধ না হয়। কিন্তু হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, চুক্তি সই না হওয়া অবধি তিনি প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে দেখাই করবেন না। ৫০ কোটি টাকা ফেরত দিলে লাল হলুদকে স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেওয়া হবে। চুক্তি সই যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ প্রাক্তন ফুটবলারদের বিপরীত শিবিরের বলেও কটাক্ষ করেন বাঙ্গুর।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিএরই মধ্যে কোর কমিটির অন্যতম সদস্য মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া লাল হলুদ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, অবিলম্বে চুক্তি সই করতে হবে। ভাইচুং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণকে অপেশাদার বলেও উল্লেখ করেন। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আগে চুক্তি সই হোক, খেলা হোক। তারপর শর্ত বাকি আলোচনা চালানো যাবে।সোমবার ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির বৈঠক। ক্লাব তাঁবুতে এদিনের বৈঠকে আসেননি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। এরপরই কমিটির বাকিরা জানিয়ে দেন, আমরাও যেমন চাইছি, তেমনই ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও চাইছেন ক্লাব খেলুক। ফলে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য যখন কোর কমিটির কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজে গতকাল ওই কথা বলেছেন তাহলে তিনি চুক্তির শর্তসহ সব বিষয়েই ওয়াকিবহাল। ফলে তিনি যখন গোটাটাই নিজের কাঁধে নিয়ে এগোতে চাইছেন আমরাও তাঁর এই ইচ্ছায় বাধাদান করব না। বাকিটা ক্লাব বুঝবে। এরপর যাবতীয় কিছু মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য সামলাতে পারবেন বুঝেই নিশ্চয় তিনি অমন মন্তব্য করেছেন। তাই ভবিষ্যতে যাবতীয় আলোচনার দায়িত্ব তাঁকেই নিতে হবে।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, এখনও কয়েকটা বিষয়ে নমনীয় হয়নি শ্রী সিমেন্ট। তাছাড়া প্রাক্তনরা হরিমোহন বাঙ্গুরের সঙ্গে আলোচনা চাইলেও তিনি যেভাবে উপেক্ষা করেছেন সেটাও মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ক্লাবের সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের খেলা যেন বন্ধ না হয়। ফলে শ্রী সিমেন্টের কাছে সেই মর্মেও চিঠিও পাঠানো হতে পারে ক্লাবের তরফে। এরপরই দ্রুত হয়ে যেতে পারে সই। তাছাড়া ৩১ অগাস্ট ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। চুক্তি নিয়ে গড়িমসি হলে শেষে দলই গঠন করা সম্ভব হবে না। তাই এই সপ্তাহেই বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে চাইছেন লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ইস্টবেঙ্গেলের সমস্যা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্ক মেটাতে এবার আসরে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সমস্যার সমাধান করতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দ্বারস্থ হবেন।আগের দিন ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলার সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জিকে ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলারকে টার্মশিট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখানো হয়। চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাঁদের মনে হয়েছিল, টার্মশিটের সঙ্গে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তাই এই ব্যাপারে আলোচনার জন্য সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলারদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। তাঁদের ডাকে সাড়া দিয়ে সোমবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে এসেছিলেন সুভাষ ভৌমিক, দেবজিৎ ঘোষ, শিশির ঘোষ, মেহতাব হোসেন, অভিজিৎ মণ্ডল, রহিম নবিসহ অনেক প্রাক্তন ফুটবলার। কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটারও এই বৈঠকে হাজির ছিলেন। বৈঠকের পর তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারপ্রাক্তন ফুটবলারদের মনে হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবলমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই পারবেন সমস্যার সমাধান করতে। প্রয়োজনে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেও তাঁরা কথা বলবেন। প্রাক্তন ফুটবলাররা প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রাথমিক চুক্তি করার সময় ক্লাব কর্তাদের আরও যত্নবান হওয়া উচিত ছিল। শুরুতেই একপেশে চুক্তি করা হয়েছিল। এইরকম একপেশে চুক্তি মেনে নেওয়া যায় না। শ্রী সিমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙুরের কাছে অনুরোধ, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর সুভাষ ভৌমিক বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পড়ে দেখলাম, এখানে সই করা মানে বুকে পাথর আর গলায় দড়ি বেঁধে গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়া। দেবজিৎ ঘোষ বলেন, ইস্টবেঙ্গল এবং লগ্নিকারী সংস্থাকে মধ্যস্থতায় আসতে হবে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি যাতে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলতে পারে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াবৈঠকের শেষদিকে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে হাজির হন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেন, প্রাক্তন ফুটবলাররা আমাকে ফোন করেছিলেন। তাই এসেছি। পৃথিবীতে এমন কোনও চুক্তি হতে পারে না, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বিচ্ছেদের অধিকার থাকবে না। আমরা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পাশে আছি।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলএএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য মঙ্গলবার আবেদন করার শেষ দিন। সোমবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে ইস্টবেঙ্গলকে জানানো হয়েছে, প্রথম থেকে বলে আসছি আমরা খেলতে চাই। তাই ক্লাব লাইসেন্সিং সচল রাখার জন্য আমরা লাইসেন্সিংয়ের আবেদন করছি। কিন্তু যতক্ষণ না চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হচ্ছে, আমরা কোনওরকম বিনিয়োগ করব না।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal: ইস্টবেঙ্গলের বিতর্ক মেটাতে আসরে নামল এফএসডিএল

বিতর্ক, বিক্ষোভ, বিশৃঙ্খলা। গত কয়েক মাস ধরে এই ছবিটাই দেখা গেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট এবং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের টানাপোড়েন অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে। ২১ জুলাই ক্লাবের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের হাতাহাতিতে কদর্য রূপ নিয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন না করলে সই করা হবে না। জেদ ধরে বসে রয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। অন্যদিকে, লগ্নিকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে আইএসএলে দল নামবে না। দুই পক্ষের বিতর্ক মেটাতে অবশেষে আসরে নামল আইএসএলের আয়োজক সংস্থা এফএসডিএল। শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের কাছ থেকে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের কপি চেয়ে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারীইস্টবেঙ্গল কর্তারা বরাবরই দাবি করে আসছেন, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের অনেক পার্থক্য রয়েছে। অন্যদিকে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে মূল চুক্তিপত্রের কোনও পার্থক্য নেই। কোন পক্ষ সঠিক কথা বলছে, তা খতিয়ে দেখবে এফএসডিএল কর্তারা। তাঁরা আশাবাদী দশ দিনের মধ্যেই পুরো জট কেটে যাবে। তবে কোন শর্ত বাদ দিলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চুক্তিপত্রে সই করবেন, সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না এফএসডিএল কর্তারা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?এফএসডিএল নিজেদের আইনজীবী দিয়ে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পরীক্ষা করাবেন। তারপর শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে বসে সমাধানসূত্র বার করবে। দিন দশেকের মধ্যেই বিষয়টি মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন। ওই ফেডারেশন কর্তা আশ্বাস দিয়েছেন, এই মরশুমেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেলবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?২১ জুলাই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে যে ঘটনা ঘটেছে মেনে নিতে পারছেন না ফেডারেশন ও এফএসডিএল কর্তারা। অন্য ক্লাবের সদস্য-সমর্থকরাও ইস্টবেঙ্গলের নিগৃহীত সমর্থকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। ফেডারেশন এবং এফএসডিএল কর্তারাও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। এএফসি-র কাছেও লালহলুদ সমর্থকদের নিগ্রহের খবর পৌঁছে গেছে। তারাও বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি। এএফসি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জ, গ্রেপ্তার ৪

অনেক ইতিহাসের সাক্ষী কলকাতা ময়দানের লেসলি ক্লদিয়াস সরণি। অনেক লালহলুদ সমর্থকের চোখের জলে সিক্ত এই রাস্তা। আনন্দাশ্রুও কম নেই। ২১ জুলাই অন্য ঘটনার সাক্ষী থাকল এই লেসলি ক্লদিয়াস সরণি। ইস্টবেঙ্গলের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের হাতাহাতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের লাঠিচার্জ। গ্রেপ্তার বেশ কয়েকজন সমর্থক। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহনা করছেন ক্লাব কর্তারা। অন্যদিকে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে সামনের মরশুমের জন্য দল গঠন করবেন না। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করার দাবি জানিয়ে এতদিন সামাজিক মাধ্যমে সোচ্চার ছিলেন সমর্থকরা। এবার তাঁরা সরাসরি পথে নেমে পড়ল। একদল সমর্থক আগেই জানিয়েছিল ২১ জুলাই ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ দেখাবেন। সেই মতো বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা ১ টার আগে থেকেই লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে হাজির হন। শাসক গোষ্ঠীর সদস্যরাও হাজির হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে আগেই লালবাজারে বিক্ষোভের কথা জানানো হয়েছিল। তাই লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি সত্ত্বেও দুই পক্ষের হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে লালবাজার থেকে আরও পুলিশ বাহিনী হাজির হয়। বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। লাঠিচার্জ করার আগে, পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকে বিক্ষোভকারীদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। বিক্ষোভকারীরা না সরায় পুলিশ লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়। ৪ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। কলকাতা পুলিশের ডিসি (সাউথ) আকাশ মাঘারিয়া বলেন,আড়াই ঘন্টা ধরে লেসলি ক্লডিয়াস সরণির মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরোধ করে রেখেছিল। বারবার বলা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা সরে যায়নি। বাধ্য হয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ক্লাবের বিরোধী গোষ্ঠীর সমর্থকরা নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাবের সামনে দেবব্রত সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। শাসক গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রতিবাদ জানতেই ঝামেলা শুরু হয়েছিল। বিরোধী গোষ্ঠীর কর্তাদের দাবি, শাসক গোষ্ঠীর সদস্যদের চিহ্নিত করতে নীলসাদা রিবন পরানো হয়েছিল। পুলিশ মোতায়েন থাকায় বড় কোনও অশান্তি হয়নি। তবে কয়েকজন সমর্থক জখম হয়েছেন।

জুলাই ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবি

গত শুক্রবার কর্ম সমিতির বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চুক্তিপত্রে সই করবেন না। এর ফলে কলকাতা লিগ ও আইএসএসে দল নামানোর সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। আর এতেই গর্জে উঠেছে লালহলুদ সমর্থকরা। আগেই তারা সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবদের ঝড় তুলেছিল। এবার সরাসরি পথে নেমে পড়ল। ক্লাবের গেটের সামনে প্রতিবাদের ঝড়।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?অধিকাংশ সমর্থক চান ক্লাব সব প্রতিযোগিতাতেই খেলুক। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দিয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না হলে তারা দল গঠন করবে না। দল গঠন করা না হলে কোনও প্রতিযোগিতাতেই খেলার সম্ভাবনা নেই। বেশ কিছুদিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে ক্লাব কর্তাদের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হচ্ছিলেন সমর্থকরা। এবার ক্লাবের গেটে অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের (নীতু) বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে পোস্টার পড়ল। এছাড়া অন্যান্য কর্তাদের বিরুদ্ধেও পোস্টার পড়েছে। ব্যানারে লেখা হয়েছে, সাইন অ্যান্ড রিজাইন। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সমর্থকরা।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নশ্রী সিমেন্টের কর্তারা ইস্টবেঙ্গলের শুক্রবারের কর্ম সমিতির বৈঠকের দিকে তাকিয়েছিল। তাঁরা ভেবেছিলেন, বৈঠকেই হয়তো সই করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্তে তাঁরা হতাশ। দল গঠনের জন্য ফুটবলার বাছাইয়ের কাজ শ্রী সিমেন্টের কর্তারা অনেকটাই এগিয়ে রেখেছিলেন। বিদেশি ফুটবলারদের জীবনপঞ্জী দেখে প্রাথমিকভাবে বাছাই করেছিলেন। যেসব স্বদেশী ফুটবলার এখনও দল চূড়ান্ত করেননি, তাদের তালিকাও তৈরি করেছেন। চূড়ান্ত চূক্তিপত্রে সই হলেই তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্তে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা হতাশ।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকইতিমধ্যেই মাত্তি স্টেইনম্যান, ব্রাইট এনোবাখারে, অ্যান্টনি পিলকিংটনের মতো বিদেশিরা অন্য ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করেছেন। দেবজিৎ মজুমদার, নারায়ন দাসের মতো বেশ কয়েকজন স্বদেশী ফুটবলার ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবে চলে গিয়েছেন। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের যাবতীয় নথি জমা করতে হবে। ৩১ অগাস্টের মধ্যে জমা দিতে হবে ফুটবলারদের তালিকা। ফলে সময় চলে গেলেও লাল হলুদের সমস্যা মেটার ইঙ্গিত নেই। শ্রী সিমেন্ট আরও জানিয়েছে, গত মরশুমে চুক্তি চূড়ান্ত না হলেও দলের পিছনে যে ৫০ কোটি টাকার বেশি খরচ করা হয়েছে তা ফেরত দিলে তবেই স্পোর্টিং রাইটস ফেরানো হবে ইস্টবেঙ্গলকে। সুতরাং অন্য স্পনসর এলেও সমস্যা মিটবে না লালহলুদের।

জুলাই ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ইস্টবেঙ্গল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবেন না কর্তারা

সপ্তাহ দুয়েক আগে দুই পক্ষের কথাবার্তাতে জট কাটার ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে সংঘাত আরও চরমে পৌঁছল ইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রীসিমেন্টের মধ্যে। টার্মশিটসহ শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে লালহলুদ কর্তাদের কাছে যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল, তাতে সই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কর্মসমিতির বৈঠকে এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারগতবছর ১ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সামনে শ্রী সিমেনেন্টের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সই করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তারপর চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে টালবাহনা চলছিল। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে প্রচুর পার্থক্য আছে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বারবার চিঠি চালাচালি হয়। কিন্তু সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে আইএসএলে দল না নামানোর হুমকি দেওয়া হয়। তাতেই বরফ গলেনি।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকশুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। ২৫ জন সদস্য বৈঠকে হাজির ছিলেন। সেই বৈঠকেই ঠিক হয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন করা না সই করা হবে না। ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেই প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সভাপতির নেতৃত্বে আমরা সকল এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবকে চিরতরে একতরফা দিয়ে দেবার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে সদস্যদের অসম্মান এবং তাদের অধিকার খর্ব করে দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের মৌলিক অধিকার নেই, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের ক্লাবের মাঠ, ক্লাবের লোগো, ক্লাবের নাম, টেন্টসহ সমস্ত কিছু চিরতরে নিয়ে নেওয়ার এবং ক্লাবকে সেগুলো ব্যবহার করতে না দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের কোটি কোটি সদস্যসমর্থের চিরকালীন আত্মাভিমানে আঘাত ও যে এগ্রিমেন্টে সমর্থকদের বলা হয় ট্রেস পাসার্স উইল বি প্রসিকিউটেড সেই এগ্রিমেন্টে আমরা সই করব না।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে দল গঠন করবে না শ্রী সিমেন্ট। ফলে এই মরশুমে কোনও প্রতিযোগিতায়ে খেলতে পারবে না ইস্টবেঙ্গল। যা ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হতে চলেছে। এই অবস্থায় সদস্যসমর্থকরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দিকে তাকিয়ে।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Bright : East Bengal : আবার লালহলুদে ভাঙন, ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে পুরনো ক্লাবে ব্রাইট

গত মরশুমে আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে চমক দিয়েছিলেন ব্রাইন এনবাখারে।কোচ রবি ফাউলারের হাত ধরে ইংল্যান্ডের কভেন্ট্রি সিটি ক্লাব থেকে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়েছিলেন। আবার ফিরে গেলেন সেই পুরনো ক্লাবে। মঙ্গলবারই তাঁর সাথে চুক্তির কথা ঘোষণা করেছে কভেন্ট্রি সিটি। ব্রাইট এনবাখারের সঙ্গে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চুক্তি করেছে ইংল্যান্ডের এই ক্লাব।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটসামনের মরশুমের জন্য দল গুছিয়েই চলেছে এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে ঘর ভেঙেই চলেছে ইস্টবেঙ্গলের। আদেও দল গঠন করতে পারবে কিনা লালহলুদ শিবির তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন ফুটবলাররা। কেউই আর ভরসা করছেন না। তাই ফুটবলারদের মধ্যে অন্য দল খুঁজে নেওয়ার হিড়িক। আগেই লালহলুদ ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন মাত্তি স্টেইনম্যান। এবার ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে অন্য ক্লাবে যোগ দিলেন ব্রাইট এনবাখারে।আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেআইএসএলে স্ট্রাইকিং সমস্যায় ভুগছিল এসি ইস্টবেঙ্গল। সমস্যা মেটাতে এবছর জানুয়ারিতে দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লোনে ব্রাইটকে লালহলুদে নিয়ে এসেছিলেন রবি ফাউলার। এসসি ইস্টবেঙ্গলে খেলতে এসে সমর্থকদের মন জয় করে নিয়েছিলেন ব্রাইট। লালহলুদ জার্সি গায়ে ১২ ম্যাচ খেলেছিলেন। গোল করেছিলেন ৩ টি।আরও পড়ুনঃ এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থে নিয়ম বদল! প্রশ্নের মুখে আইএফএইস্টবেঙ্গলে আসার আগে কভেন্ট্রি সিটির হয়ে ১৮ ম্যাচ খেলেছিলেন ব্রাইট এনবাখারে। গোল করেছিলেন ৬টি। ব্রাইটকে পেয়ে খুশি কভেন্ট্রি সিটির কোচ মার্ক রবিন্স। তিনি বলেছেন,ব্রাইটকে কভেন্ট্রি সিটিতে স্বাগত। ওকে পেয়ে আমরা খুব খুশি। দারুন প্রতিভাবান ফুটবলার। খেলা ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আছে। গোল করতে পারে, করাতেও পারে।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরব্রাইটের আগেই ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন মাত্তি স্টেইনম্যান। এই জার্মান মিডফিল্ডারের সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল। কিন্তু এক মরশুম কাটিয়েই তিনি ক্লাব ছেড়েছেন। যোগ দিয়েছেন এ-লিগে খেলা ওয়েলিংটন ফোয়েনিক্সে। স্টেইনম্যান ইস্টবেঙ্গলেই থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ক্লাবের ডামাডোলে ঝুঁকি নিতে চাননি।ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ১৭ ম্যাচ খেলেছিলেন স্টেইনম্যান। গোল করেছিলেন ৪টি। লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে লালহলুদ কর্তাদের চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে বিতর্কের জন্যই একের পর এক ফুটবলার দল ছাড়ছেন। বিতর্ক মিটলেও ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে দল গড়া কঠিন হয়ে যাবে।

জুলাই ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : কলকাতা লিগে না খেললে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে ইস্টবেঙ্গলকে

সোমবারই হয়ে গেল কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশনে গ্রুপ বিন্যাস। ইস্টবেঙ্গলকে গ্রুপে রাখা হলেও লালহলুদ খেলবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। আর যদি শেষ পর্যন্ত লিগে লিগে ইস্টবেঙ্গল দল না নামায়, তাহলে অবনমনের আওয়ায় পড়তে হবে। এমনই জানিয়েছেন আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি১ জুলাই প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবগুলির কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন আইএফএর কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আগস্টের মাঝামাঝি শুরু হবে কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশন। প্রিমিয়ার ডিভিশনের দলগুলিকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে এবছর লিগ হবে। প্রিমিয়ার লিগের দলগুলির ওই বৈঠকে ইস্টবেঙ্গলের কোনও প্রতিনিধি হাজির ছিলেন না। গ্রুপ বিন্যাসের জন্য সোমবার আবার বৈঠক ডেকেছিল আইএফএ। চুক্তিপত্র সই করা নিয়ে বিতর্ক না মেটায় এদিনের বৈঠকেও ইস্টবেঙ্গলের কোনও প্রতিনিধি আসেননি। যদিও ইস্টবেঙ্গলকে রেখেই গ্রুপ বিন্যাস করা হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এ গ্রুপে রয়েছে মহমেডান স্পোর্টিং, ইউনাইটেড স্পোর্টস, ভবানীপুর ক্লাব, সাদার্ন সমিতি, বিএসএস স্পোর্টিং, রেলওয়ে এফসি। অন্যদিকে বি গ্রুপে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান, এরিয়ান, জর্জ টেলিগ্রাফ, পিয়ারলেস, খিদিরপুর ও কাস্টমস।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চূড়ান্ত পত্রে সই না হওয়ায় এখনও দল গঠনের কাজে হাত দেয়নি লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। ফলে কলকাতা লিগে দল নামানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদি শেষ পর্যন্ত দল না নামায়, অবনমনের মুখে পড়তে হবে লালহলুদকে। শাস্তির মুখেও পড়তে হতে পারে। আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি বলেন, এদিন ব্যক্তিগত কারণে এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দার বৈঠকে হাজির থাকতে পারেননি। আমরা চাই বাংলার ফুটবলের স্বার্থে ইস্টবেঙ্গল লিগে খেলুক। যদি শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল না খেলে তাহলে ওরা একেবারে নীচে চলে যাবে। যদি সব ডিভিশনের খেলা হয়ে তাহলে অবনমন থাকবে। সেক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী ইস্টবেঙ্গলকে অবনমনের আওতায় পড়তে হবে। আইএফএ ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে। লালহলুদ শিবিরকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও এটিকে মোহনবাগান পূর্ণশক্তির দল নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা হালকাভাবে নেবে না কলকাতা লিগকে। আইএসএলের প্রস্তুতিও সেরে নিতে চায় লিগে।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন জার্সিতে কীসের প্রতীক?‌ 

সরকারিভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হল এসসি ইস্টবেঙ্গলের জার্সি। সোমবার গোয়ার পানাজিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জার্সি প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এবার আইএসএলের জন্য তিন ধরনের জার্সি তৈরি করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তিন জার্সিতে রাখা হয়েছে যথাক্রমে মশাল, ইলিশ ও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। জার্সির ডিজাইন তৈরি করেছেন কলকাতার পরিবেশ সচেতন ডিজাইনার মেঘনা নায়েক। একটা জার্সি হোম ম্যাচের জন্য, একটা অ্যাওয়ে ম্যাচের জন্য। আর একটা বাড়তি জার্সি তৈরি করে রাখা হয়েছে। হোম ম্যাচের জার্সি লালহলুদ। সঙ্গে থাকছে মশাল দেওয়া ক্লাবের লোগো। অ্যাওয়ে জার্সির রং নীল ও সাদা। এই জার্সিতে থাকছে ইলিশ মাছ। আর তিন নম্বর জার্সিতে থাকছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। ক্লাবের নতুন জার্সি ভাল লেগেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রবি ফাউলারের। তিনি বলেন, জার্সিগুলো দেখতে খুব ভাল হয়েছে। হোম জার্সি ক্লাবের ঐতিহ্যবজায় রেখেছে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

প্রকাশিত আইএসএলের সূচি, মোহন-ইস্ট কবে মাঠে নামবে দেখে নিন !

আগামী ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ২০২০-২১ মরশুমের ইন্ডিয়ান সুপার লিগ বা আইএসএল। ১১টি দলকে নিয়ে গোয়ায় শুরু হচ্ছে এবারের আইএসএল। শুক্রবার লিগের আংশিক সূচি ঘোষণা করল আইএসএল কর্তৃপক্ষ। গোয়ার ব্যাম্বোলিমে উদ্বোধনী ম্যাচে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কেরালা ব্লাস্টার্সের মুখোমুখি হবে এটিকে মোহনবাগান। এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএল অভিযান শুরু করছে কলকাতা ডার্বি দিয়ে। ইলিশ-চিংড়ির বহুচর্চিত লড়াইটি হবে ভাস্কোর তিলক ময়দান স্টেডিয়ামে, ২৭ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। আরও পড়ুন ঃ প্রথম কোভিড পরিবর্ত ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসে নাম তুললেন কে? গোয়াতে বায়ো বাবলের মধ্যে ফতোরদার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম, ব্যাম্বোলিমের জিএমসি স্টেডিয়াম ও ভাস্কোর তিলক ময়দানে খেলাগুলি হবে ক্লোজড ডোরে অর্থাৎ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। ৯৫-এর বদলে এবার আইএসএলে ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে হচ্ছে ১১৫। ১১টি দল ডাবল রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে পরস্পরের মুখোমুখি হবে। পয়েন্ট তালিকায় প্রথম চারে থাকা দলগুলি প্লে অফ খেলার সুযোগ পাবে। আপাতত ১১ রাউন্ডের ৫৫টি ম্যাচের ক্রীড়াসূচি ঘোষণা হয়েছে। বাকি ম্যাচ কবে হবে তা এএফসি-র ক্রীড়াসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হবে। ১১ রাউন্ডের মধ্যে ৬টি ডাবল হেডার রয়েছে অর্থাৎ একদিনে দুটি ম্যাচ। ডাবল হেডারের ক্ষেত্রে প্রথম ম্যাচ বিকেল ৫টা থেকে, এরপরের ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে কী নামে? ঘোষণা নীতার

এই দিনটার প্রতীক্ষাতেই ছিলেন বিশ্বের তামাম ইস্টবেঙ্গল ভক্ত। রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর এবারের আইএসএলের একাদশ দল হিসেবে ইস্টবেঙ্গল এফসি-কে স্বাগত জানিয়েছেন ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানি। এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, ইস্টবেঙ্গল ও দলের লক্ষ লক্ষ সমর্থকদের আইএসএলে স্বাগত জানাই, এটা খুব আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের (বর্তমানে এটিকে মোহনবাগান) মতো ক্লাব আইএসএলে আসায় বাংলায় ফুটবল প্রতিভার বিকাশ-সহ দেশের ফুটবলে সীমাহীন সম্ভাবনার পথ প্রশস্ত হলো। ভারতীয় ফুটবলে বাংলার প্রভূত অবদান রয়েছে। এর সঙ্গে রাজ্য তথা দেশে প্রতিযোগিতামূলক ও বলিষ্ঠ ফুটবল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে আইএসএলের ক্রমবর্ধমান পদাঙ্ক আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে নীতার ঘোষণায় একটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, ইনভেস্টরের নাম ইস্টবেঙ্গলের আগে বসছে না। আইএসএলে লাল হলুদ খেলবে ইস্টবেঙ্গল নামেই।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় কাণ্ড! নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের টিকিট নিয়ে কালোবাজারি, আটক দুই

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। রবিবার সন্ধ্যায় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে T20 World Cup-এর ফাইনাল। মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচ ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল দেখতে বিপুল সংখ্যক দর্শক জড়ো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে এই উত্তেজনার মাঝেই সামনে এসেছে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ। ম্যাচের টিকিট কালোবাজারিতে বিক্রি করার অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।আহমেদাবাদ সিটি ক্রাইম ব্রাঞ্চ রবিবার বড় ম্যাচের আগে অভিযান চালিয়ে ওই দুই অভিযুক্তকে ধরে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উসমানপুরা এলাকার গুজরাট বিদ্যাপীঠ বাস স্ট্যান্ডের কাছে ফাঁদ পাতে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সেখান থেকেই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ম্যাচের আটটি টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ, তারা অনলাইনে আগেই টিকিট কিনে পরে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি করছিল। দুই হাজার টাকার টিকিট দশ থেকে বারো হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। উদ্ধার হওয়া সব টিকিট বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।গুজরাট পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগেই আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার জি এস মালিক সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে টিকিটের কালোবাজারি রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ম্যাচের দিন প্রায় তিন হাজার পুলিশকর্মী এবং এক হাজার হোমগার্ড মোতায়েন থাকবে। স্টেডিয়ামের প্রবেশপথে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এক ও দুই নম্বর গেটের কাছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও সংরক্ষিত এলাকা তৈরি করা হয়েছে যাতে অতিরিক্ত ভিড় বা পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি এড়ানো যায়।এই ফাইনাল ম্যাচ দেখতে এক লক্ষেরও বেশি দর্শক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই টিকিটের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। আর সেই সুযোগেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে কালোবাজারিরা বলে মনে করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, রবিবারের ফাইনালে জিততে পারলে ভারত টানা দ্বিতীয়বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের নজির গড়বে। পাশাপাশি দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা প্রথম দল হিসেবেও ইতিহাস গড়তে পারে ভারতীয় দল। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত দেখার আশায় এখন থেকেই স্টেডিয়াম চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের মঞ্চে কি নেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলার? গম্ভীরের দলে বড় বদলের ইঙ্গিত

টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে ভারতীয় দলে বড় চমকের ইঙ্গিত। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ লড়াইয়ের আগে দলের প্রথম একাদশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারেন কোচ গৌতম গম্ভীর। এমনও হতে পারে, ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে জায়গা না-ও পেতে পারেন টিটোয়েন্টি ক্রিকেটের বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার এবং এক নম্বর বোলার।রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেএ নিউজ়িল্যান্ডকে হারাতে পারলেই ইতিহাস গড়বে ভারত। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এর নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বার টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় দল। কিন্তু তার আগে দলের ভারসাম্য ঠিক করতে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে টিম ম্যানেজমেন্টকে।ওপেনিং জুটিতে বড় বদলের সম্ভাবনাবিশ্বকাপের পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি অভিষেক শর্মা। টিটোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর ব্যাটার হয়েও তাঁর ব্যাট থেকে বড় রান আসেনি। ফলে ফাইনালের মতো ম্যাচে তাঁকে খেলানো নিয়ে দ্বিধায় টিম ম্যানেজমেন্ট।ভারতীয় শিবির সূত্রে খবর, ফাইনালে ওপেনিং জুটি বদলানোর কথা ভাবা হচ্ছে। ইনিংস শুরু করতে পারেন ইশান কিষাণ এবং সঞ্জু স্যামসন। দুজনেই সাম্প্রতিক ম্যাচে ভালো ফর্মে থাকায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের।তিন নম্বরে দেখা যেতে পারে তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মাকে। চার নম্বরে নামবেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। মিডল অর্ডারে থাকবেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে। ফিনিশারের ভূমিকায় থাকতে পারেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরের পর ব্যাটিং গভীরতা বাড়াতে রাখা হতে পারে সহঅধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকে।বোলিং বিভাগেও চমকফাইনালের আগে বোলিং বিভাগ নিয়েও চিন্তায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। টিটোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর বোলার বরুণ চক্রবর্তী সেমিফাইনাল সহ আগের বেশ কয়েকটি খেলায় তাঁর যোগ্যতা অনুযায়ী বল করতে পারেননি বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তাঁর বলের রহস্য কিছুটা ধরে ফেলেছে নিউজ়িল্যান্ডের ব্যাটাররা বলেই মনে করা হচ্ছে।যদিও তিনি টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারি, তবুও ফাইনালে তাঁকে বিশ্রাম দিয়ে সুযোগ দেওয়া হতে পারে কুলদীপ যাদবকে। স্পিন আক্রমণে অক্ষর পটেলের সঙ্গে কুলদীপকে দেখা যেতে পারে।পেস আক্রমণে অবশ্য কোনও বদলের সম্ভাবনা নেই। ভারতের দুই ভরসা জসপ্রীত বুমরাহ এবং আরশদীপ সিংই ফাইনালে খেলবেন বলে মনে করা হচ্ছে।সম্ভাব্য ভারতীয় একাদশ১. ঈশান কিশন২. সঞ্জু স্যামসন৩. তিলক বর্মা৪. সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক)৫. হার্দিক পাণ্ড্য৬. শিবম দুবে৭. রিঙ্কু সিংহ৮. অক্ষর পটেল৯. কুলদীপ যাদব১০. জসপ্রীত বুমরাহ১১. অর্শদীপ সিংহফাইনালের আগে ভারতের লক্ষ্য স্পষ্টব্যাটিং গভীরতা বাড়ানো এবং বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য আনা। সেই কারণেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলারকেও বাইরে বসানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা নাও হতে পারেন গম্ভীরেরা। এখন দেখার, ফাইনালের মঞ্চে এই কৌশল ভারতকে ইতিহাসের পথে নিয়ে যেতে পারে কি না।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

সত্যি কি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করা হয়েছে? কী বলছে নিয়ম

ভোটের আগে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য ও কেন্দ্রের সম্পর্ক। রাজ্য বনাম রাজ্যপাল, রাজ্য বনাম নির্বাচন কমিশনের সংঘাতের পর এবার সামনে এল রাজ্য ও রাষ্ট্রপতির টানাপোড়েন। শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেই রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এই ঘটনার পরেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র।সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন বলে জানা গেছে।সাধারণত কোনও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি গেলে তাঁকে স্বাগত জানাতে সেই রাজ্যের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকেন। অনেকেই বলছেন, এ বিষয়ে লিখিত নিয়ম না থাকলেও দীর্ঘদিনের একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। যদি মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সাধারণত প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকেন। সেখানে মুখ্যসচিব বা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তার উপস্থিতি দেখা যায়।কিন্তু শনিবার শিলিগুড়িতে সেই ছবি দেখা যায়নি বলেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি মুখ্যসচিব বা পুলিশের শীর্ষ কর্তারও দেখা মেলেনি।এদিকে কয়েকদিন আগেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন আর এন রবি। তিনি আগামী বারো মার্চ শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। ফলে এই সফরে তাঁর উপস্থিত থাকার প্রশ্নই ছিল না।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি যদিও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, কিন্তু বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য নন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি যখন কোনও রাজ্যে সফরে যান, তখন সাধারণত মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কোনও সদস্য তাঁকে স্বাগত জানান।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বলেন, রাষ্ট্রপতি বাঙালি না অবাঙালি বা কোন সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, সেটি বড় বিষয় নয়। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতির পদ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ এবং সেই পদকে সম্মান জানানো সব সরকারেরই দায়িত্ব।এই ইস্যুতে বিজেপিও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতি কী বলেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, দুটো বিষয় পাশাপাশি রাখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর দাবি, তাতেই বোঝা যাবে কে সংবিধানের সীমার মধ্যে কথা বলেছেন আর কে তার বাইরে গিয়েছেন।আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশও এই বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, রাজ্যের আগের রাজ্যপাল পদত্যাগ করার ফলে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এই ধরনের অনুষ্ঠানে প্রোটোকল অনুযায়ী কোনও মন্ত্রীর উপস্থিত থাকা উচিত ছিল। কারণ রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন এবং সেই পদকে সম্মান জানানো প্রথার অংশ।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বিস্ফোরক মন্তব্য! মোদিকে ‘অপয়া’ বলেই ইঙ্গিত প্রিয়াঙ্ক খাড়গের

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় বিতর্ক তৈরি হল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে মন্তব্য করে আলোচনায় উঠে এলেন কর্নাটকের মন্ত্রী তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পুত্র প্রিয়াঙ্ক খাড়গে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী মাঠে থাকলে ভারতের জয়ের সম্ভাবনা কমে যায়।দুই হাজার তেইশ সালের একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ম্যাচ হয়েছিল আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। সেই ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় ভারত। সেই ঘটনার পর থেকেই অনেক ক্রিকেটপ্রেমীর মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে ওই মাঠ ভারতীয় দলের জন্য খুব একটা শুভ নয়।রবিবার টি কুড়ি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। চলতি প্রতিযোগিতায় ভারতীয় দল মাত্র একটি ম্যাচ হেরেছে এবং সেই ম্যাচটিও হয়েছিল আহমেদাবাদের এই স্টেডিয়ামে। তাই ফাইনালও একই মাঠে হওয়ায় অনেক সমর্থকের মধ্যেই দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। আবারও কি দুই হাজার তেইশ সালের মতো স্বপ্নভঙ্গ হবে, সেই আশঙ্কা রয়েছে অনেকের মনে।এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বলেন, ভারতের জেতা উচিত। তিনি বলেন, যখনই নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গিয়ে ভারতের ম্যাচ দেখেছেন, তখনই ভারত হেরেছে। তাঁর দাবি, তিনি তথ্য না দেখে কিছু বলেন না। ইতিহাস দেখলেই বিষয়টি বোঝা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগে এই স্টেডিয়ামের নাম ছিল সর্দার প্যাটেলের নামে, পরে সেটি বদলে নরেন্দ্র মোদির নামে করা হয়েছে।সূত্রের খবর, দুই হাজার তেইশ সালের ফাইনালের মতো এবার নরেন্দ্র মোদি মাঠে উপস্থিত থাকবেন না। সাংবাদিকদের কাছ থেকে এই খবর শুনে প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বলেন, সেটি ভারতীয় দলের জন্য ভালো হতে পারে। তাঁর মতে, এতে হয়তো ভারত জয়ের পথে এগোতে পারবে।উল্লেখ্য, দুই হাজার তেইশ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর ভারত আর কোনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার প্রতিযোগিতার ফাইনালে হারেনি। দুই হাজার চব্বিশ সালের টি কুড়ি বিশ্বকাপ এবং দুই হাজার পঁচিশ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে ভারতীয় দল। গত বছর দেশের মাটিতে একদিনের বিশ্বকাপ জিতেছে ভারতের মহিলা দলও। তাই রবিবারের ফাইনালে আহমেদাবাদের এই মাঠেই কি সব দুশ্চিন্তার অবসান হবে, নাকি আবারও ফাইনাল হেরে চোখে জল নিয়ে ফিরতে হবে ভারতীয় দলকে, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
বিদেশ

“ট্রাম্পকে ছাড়ব না” হুমকিতে কাঁপছে বিশ্ব, প্রতিশোধের বার্তা ইরানের নিরাপত্তা প্রধানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাঁকে এর মূল্য চোকাতে হবে। এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। সরাসরি ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই ঘটনার পর থেকেই ইরানের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিশোধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। দিন যত যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতিও ততই জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে লারিজানি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, তাঁদের নেতা খামেনেই এবং দেশের মানুষের রক্তের বদলা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, ট্রাম্পকে এর মূল্য দিতেই হবে। শত্রুদের হামলার জবাব ইরান অবশ্যই দেবে বলেও জানান তিনি।লারিজানির দাবি, ইতিমধ্যেই কয়েকজন মার্কিন সেনাকে বন্দি করেছে ইরান। ইরানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প তাঁদের নেতাকে হত্যা করেছেন এবং প্রায় এক হাজার ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইরানেই এখনও পর্যন্ত এক হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গত পাঁচ দিনে ইরান প্রায় পাঁচশো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজার ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলও ইরানের দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহল এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে হঠাৎ পদত্যাগ! অবশেষে মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

ভোটের আগে আচমকা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ ঘিরে এখনও জল্পনা থামেনি। তিনি কি কোনও চাপের মুখে পড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। মুখ্যমন্ত্রীও এই বিষয়ে ইঙ্গিত করে বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছেন। তবে সেই জল্পনার মধ্যেই রবিবার কলকাতায় ফিরে নিজেই মুখ খুললেন সিভি আনন্দ বোস।দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কিছুটা দার্শনিক সুরেই তিনি বলেন, এটি তাঁর নিজের সচেতন সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায়, এটাই বিদায় নেওয়ার সঠিক সময়। একজন গেলে তবেই তো আরেকজন আসবে।এ সময় তিনি করজোড়ে প্রণাম জানিয়ে বলেন, বাংলায় যে সময় তিনি কাটিয়েছেন, তা তাঁর কাছে খুবই সুন্দর অভিজ্ঞতা। বাংলার মানুষের ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন বলেও জানান। পাশাপাশি তিনি এও জানান, এখন তিনি চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের একজন ভোটার হয়েছেন। সেটি তাঁর কাছে দ্বিগুণ আনন্দের বিষয়।তবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু বলতে চাননি বিদায়ী রাজ্যপাল। আসন্ন নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন কি না বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে কাজ করবেন কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাঁর কথায়, আপাতত সে ধরনের কোনও পরিকল্পনা নেই।তবে ভোটের মুখে তাঁর এই পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিতও থাকতে পারে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে সামনে পেয়েই বড় দাবি! বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের ডাক বিজেপি সাংসদের

শনিবার আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে স্বাগত জানানোর সময় প্রোটোকল ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়, কোনও প্রোটোকল ভঙ্গ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং নবান্নের মধ্যে নজিরবিহীন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সুযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তাঁর দাবি, এই অবস্থায় একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে তার অধীনে নির্বাচন করলেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব। দ্রুত বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানান তিনি।এর কিছুক্ষণ পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনিই শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠান শেষ করে দিল্লি পৌঁছানোর আগেই বিজেপি সাংসদ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলছেন। তাঁর প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতিকে দেখেই কি এই কথা মনে পড়ল? তাঁর দাবি, দলের বড় নেতারা যা বলেন, রাজু বিস্তাও সেটাই বলছেন।গৌতম দেব আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিজেপি সাংসদের চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, যদি তৃণমূল ভোটে কারচুপি করত, তাহলে রাজু বিস্তা কীভাবে জিতলেন? তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাংসদ নিজের কেন্দ্রে খুব একটা থাকেন না, অথচ ভোটের আগে বড় বড় কথা বলছেন।উল্লেখ্য, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব আগেও একাধিকবার রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছে। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই দাবি বারবার করেছেন। তবে সেই দাবি এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তাই রাজু বিস্তার এই দাবিকেও গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ঠাকুরনগরে গোপন বৈঠক! বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনির

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনায় উদ্বেগে রয়েছেন বহু মতুয়া ভোটার। তাঁদের আশঙ্কা, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তারা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও মতুয়া সমাজের মধ্যে সেই উদ্বেগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রবিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। বনগাঁর বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে যান রানাঘাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে একান্তে আলোচনা হয়। এই সাক্ষাৎকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে সামনে যখন বিধানসভা নির্বাচন, তখন এই বৈঠককে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিত।তবে বৈঠক শেষে মুকুটমনি অধিকারী দাবি করেন, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ। তাঁর কথায়, তিন প্রজন্ম ধরে আমরা ঠাকুরবাড়িতে আসছি। এর আগেও বহুবার এসেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। দলবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের আগে নানা ধরনের জল্পনা তৈরি হয়, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু নেই।অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও বলেন, এই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক। তাঁর দাবি, মুকুটমনি অধিকারী গাড়ির পুজো দিতে ঠাকুরবাড়িতে এসেছিলেন। দলবদল নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তার ইঙ্গিত দিতে পারে। কারণ ভোটের আগে দলবদল বা নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়া বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়।উল্লেখ্য, দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রানাঘাট দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন মুকুটমনি অধিকারী। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি দল বদলে তৃণমূলে যোগ দেন এবং রানাঘাট লোকসভা আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হন। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এরপর তৃণমূলের টিকিটে রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন।

মার্চ ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal