• ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

কলকাতা

কলকাতায় আজ বন্ধ কোভিশিল্ড টিকাকরণ

রাজ্যকে করোনা ভ্যাকসিন বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। তার ফলে ভ্যাকসিনের আকাল দেখা দিয়েছে। আর সে কারণেই বুধবার কলকাতায় করোনার কোভিশিল্ড টিকাকরণ বন্ধ। শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড টিকা দেওয়া আজ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে। এখবর জানিয়েছেন পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি কার্যত উদ্বেগের জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল। তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতা টিকাকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করোনার (Coronavirus) টিকা পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সে কারণে একাধিক পরিকল্পনা নেয় রাজ্য সরকার। বয়স অনুযায়ী সময়সীমা বেঁধে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এছাড়া সুপার স্প্রেডার হিসাবে বিভিন্ন পেশার মানুষজনকে চিহ্নিত করেও শুরু হয় টিকাকরণ। কলকাতা পুরসভার নির্ধারিত প্রক্রিয়ার ফলে খুব সহজেই টিকা নিতে পারছিলেন আমজনতা। তবে বারবারই বাদ সেধেছে করোনা টিকার অপ্রতুলতা। বুধবারও সেই একই কারণে ফের কিছুটা থমকাল টিকাকরণ প্রক্রিয়া। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, করোনার টিকার জোগান নেই। সে কারণে বুধবার শহরের ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১৮টি মেগা সেন্টারে কোভিশিল্ড (Covishield) টিকাকরণ বন্ধ থাকবে। তবে ৪১টি কেন্দ্রে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, সোমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ওইদিনই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে আর কোনও অর্থ ব্যয় করতে হবে না। ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সব নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। দেশে উৎপাদিত মোট ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ কিনবে ভারত সরকার। সেই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারগুলির হাতে। রাজ্য সরকারকে ভ্যাকসিনের জন্য কোনও টাকা খরচ করতে হবে না। তবে কেউ চাইলে বেসরকারি হাসপাতালেও টিকা নিতে পারেন।

জুন ০৯, ২০২১
দেশ

টাকা নেই, বন্ধ হায়াত রিজেন্সি

বন্ধ হয়ে গেল মুম্বইয়ের অন্যতম পাঁচতারা হোটেল হায়াত রিজেন্সি (Hyatt Regency)। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার মতো টাকা নেই। তাই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়েছে হায়াত। মুম্বই বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত এই হায়াত হোটেল।আরও পড়ুন: সাংবাদিক বৈঠক: তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান কর্মীরাইবিবৃতি দিয়ে হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার হরদীপ মারওয়াহ জানিয়েছেন, কাজের জন্য কোনও টাকা পাঠায়নি প্যারেন্ট ফার্ম এশিয়ান হোটেলস (পশ্চিম) লিমিটেড। বিবৃতিতে তিনি লিখেছেন, আপনাদের সকলকে জানাচ্ছি এশিয়ান হোটেলস (পশ্চিম) লিমিটেড বেতন ও হোটেলের কাজের জন্য কোনও টাকা পাঠায়নি। তাই আপাতত হোটেলের সব কাজ বন্ধ থাকবে। অন্য কোনও নোটিস না আসা পর্যন্ত হোটেলও সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।করোনা অতিমারিতে লকডাউনের জেরে সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছে হোটেল ব্যবসা। মহারাষ্ট্রে দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন ছিল। সবে আনলক হতে শুরু করেছে বাণিজ্য রাজধানী। তার মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেল মুম্বইয়ের অন্যতম বড় হোটেল। করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময়ও মার খেয়েছিল হোটেল ব্যবসা। পরবর্তীকালে ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই হাজির দ্বিতীয় ঢেউ। ভ্রমণে তালা পড়ায়, হোটেলেও নেই আয়। অতএব ধুঁকতে ধুঁকতে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক হোটেল। সেই তালিকা থেকে বাদ পড়ল না হায়াতও।

জুন ০৮, ২০২১
দেশ

রুদ্ধদ্বার বৈঠক: শাহের বাসভবনে শুভেন্দু

রাতারাতি দিল্লিতে তলব করা হয়েছে তাঁকে। আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) বাড়িতে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সূত্রের খবর, বেলা সাড়ে ১১টায় অমিত শাহর বাড়িতে যাবেন তিনি। সেখানেই হবে জরুরি বৈঠক। অমিত শাহর বাড়িতে আসার কথা রয়েছে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডারও (J P Nadda)। সূত্রের খবর, বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী।দুদিনের দিল্লি সফরে এসেছেন বিজেপির বিরোধী দলনেতা। মঙ্গল ও বুধবার থাকবেন দিল্লিতেই। সোমবার বিকালে আচমকাই দিল্লি থেকে ডাক আসে। তারপর রাতেই জরুরি ভিত্তিতে দিল্লির বিমান ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু ঠিক কী কারণে এই ডাক, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ভোট পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেওয়ার সময় হাজির থাকার জন্য এই তলব।আরও পড়ুন:: টিকাকরণ: সব নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে কেন্দ্রবিশ্লেষকরা বলছেন, বঙ্গে এখন বিজেপির কার্যত প্রধান মুখ হয়ে উঠছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ভোট পরবর্তী হিংসা, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি একাধিকবার সরব হয়েছেন। রাজ্যপালের সঙ্গেও করেছেন জরুরি বৈঠক। রাজ্যের একাধিক ইস্যু আর তার প্রেক্ষিতে দলের অবস্থান স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে এখন তাঁর মুখই প্রধান হয়ে উঠছে গেরুয়া শিবিরে। সূত্র বলছে, তাতে অবশ্য অস্বস্তিতে দলের একটি অংশও।যদিও এসবের মধ্যে আরও একটি ইস্যু মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ত্রিপল চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠছে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। দল অবশ্য বলছে, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। কিন্তু গত কয়েকদিনে এই অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছে দুটি ফৌজদারি মামলা আর তার প্রেক্ষিতে উঠে আসা দুটি নাম- রাখাল বেরা ও চঞ্চল নন্দী। দুজনেই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পুলিশ দাবি করছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুকে রাতারাতি তলবের পিছনে অন্য কোনও কারণও লুকিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জুন ০৮, ২০২১
রাজ্য

বজ্রপাত: তিন জেলায় মৃত কমপক্ষে ২৭

প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে রাজ্যের তিন জেলায় বাজ পড়ে মৃত্যু হল অন্তত ২৭ জনের। হুগলিতে ৯ জন, পূর্ব মেদিনীপুরে ২ জন এবং মুর্শিদাবাদে ন জন প্রাণ হারিয়েছেন। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।My thoughts are with all those who lost their near and dear ones due to lightning in parts of West Bengal. May the injured recover at the earliest. Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021প্রাক বর্ষার প্রবল বৃষ্টিতে (Rain) ফের ভিজল দক্ষিণবঙ্গ। বিকেল চারটে থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয় ঝড়বৃষ্টি। সঙ্গে বজ্রপাতও হয়। হুগলির পোলবার এক বাসিন্দা প্রাণ হারান প্রথমে। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয় মোট ৯। মুর্শিদাবাদের ৯ জন এবং পূর্ব মেদিনীপুরের দুজনেরও মৃত্যু হয়েছে। আগামী কয়েকদিনও এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সোমবার বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টিতে দক্ষিণবঙ্গ যে ভাসতে চলেছে সে আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। দুপুর গড়াতে না গড়াতে সেই আশঙ্কাই যেন সত্যি হল। কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। বিকেলেই যেন নেমে আসে সন্ধে। বইতে শুরু করে ঝোড়ো হাওয়া। তার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। কলকাতা-সহ হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ সর্বত্র প্রায় একই পরিস্থিতি। জমিতে কাজ করার সময় হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি এবং বজ্রপাতে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার মির্জাপুরের নওদা এলাকায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়। পরে প্রাণ হারান আরও চারজন। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, প্রাক বর্ষার বৃষ্টিই চলছে দক্ষিণবঙ্গে। আগামী কয়েকদিন বিকেলের দিকে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিকে, মৌসম ভবন সূত্রে প্রাপ্ত রেখাচিত্র অনুযায়ী, রবিবারই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে সম্পূর্ণভাবে বর্ষা প্রবেশ করেছে।

জুন ০৭, ২০২১
বিদেশ

ট্রেন দুর্ঘটনা : পাকিস্তানে দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ৩০

ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধু প্রদেশে। দুটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল অন্তত ৩০ জন যাত্রীর। আহত আরও ৫০ জন। এছাড়া দুর্ঘটনার জেরে লাইনচ্যুত হয়েছে দুটি ট্রেনের একাধিক কামরা। এর ফলে ওই এলাকায় স্তব্ধ রেল পরিষেবা। ইতিমধ্যে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটির খবর পেয়ে টুইটে শোকপ্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (PM Imran Khan)।পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের ঘোটকি জেলার অন্তর্গত রেতি ও দাহরকি স্টেশনের মধ্যবর্তী জায়গায় মিল্লত ও স্যার সইদ এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ। ওই সময় দুটি ট্রেন মিলিয়ে প্রায় ১১০০ জন যাত্রী ছিলেন। রেল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগে থেকেই লাইনচ্যুত হয়েছিল মিল্লত এক্সপ্রেস। সেই সময়ই করাচি থেকে সারগোধাগামী স্যার সইদ এক্সপ্রেস সোজা এসে ধাক্কা মারে মিল্লতকে। এখনও দুর্ঘটনাগ্রস্ত কামরাগুলির মধ্যে অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় ৩০ জনের মৃত্যু খবর মিলেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকার্যের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। ঘোটকি, ধারকি, ওবারো এবং মীরপুর মাথেলো এলাকার সমস্ত হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই রুটে সমস্ত ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে। বগিগুলিকে কাটতে ভারী কাটার আনা হচ্ছে। এছাড়া পাঠানো হয়েছে রিলিফ ট্রেনও।ইতিমধ্যে এই ঘটনায় টুইটে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। তিনি লেখেন, আজ সকালে ঘোটকিতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩০ জনের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে এবং নিহতদের পরিবারকে সহায়তা করতে ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি। রেল নিরাপত্তার গাফিলতি থাকলে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।

জুন ০৭, ২০২১
রাজ্য

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু, রণক্ষেত্র পাণ্ডুয়া হাসপাতাল

ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হুগলির পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতাল। ব্যাপক ভাঙচুরের পাশাপাশি মারধর করা হয় এক চিকিৎসককে। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে গিয়ে জখম হয়েছেন এক পুলিশ কর্মীও।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাঁদের সামনেও চলে ভাঙচুর, অবরোধ। জখম হন এক পুলিশ কর্মী। দীর্ঘক্ষণ পর পুলিশের হস্তক্ষেপে আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। ওই হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছে আহত চিকিৎসকের। রোগী মৃত্যু প্রসঙ্গে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, শেখ ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। প্রাথমিকভাবে একটা ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রয়োজনীয় টেস্ট করে চিকিৎসা শুরু করা হত। কিন্তু তার আগেই এহেন ঘটনা। ঘটনায় হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কোনও গাফিলতি ছিল না। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকালে। হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন হুগলির পাণ্ডুয়ার কোটালপুকুরের বাসিন্দা শেখ ইসলাম। বুকে ব্যথা শুরু হয়। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। সেই সময় দায়িত্বে যে চিকিৎসক ছিলেন তিনি প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর রোগীকে একটি ওষুধ দেন। এর মিনিট পাঁচেক পরেই মৃত্যু হয় অসুস্থ যুবকের। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। ভুল চিকিৎসার কারণেই মৃত্যু হয়েছে শেখ ইসলামের, এই অভিযোগ তুলে চড়াও হয় হাসপাতালে। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। মারধর করা হয় ওই চিকিৎসককে। তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয় হাসপাতালে। রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে রোগীর পরিবার।

জুন ০৭, ২০২১
রাজ্য

যশ-বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় দল

বাংলা ও ওডিশায় অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যশ বিধ্বস্ত এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। এরপর ক্ষয়ক্ষতি রাজ্যে পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় দল। রবিবারই তাঁরা এ রাজ্যে এসে পৌঁছেছেন। যশ-এ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। নবান্ন সূত্রে খবর, মঙ্গলবারও তাঁরা এই দুই জেলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। এরপর বুধবার নবান্নে সাত সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্তাদের বৈঠক হওয়ার কথা। সূত্রের খবর, যশ-এ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখে এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর দিল্লি গিয়ে রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে রিপোর্ট দেবে এই কেন্দ্রীয় দল। রাজ্যে কত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং সেই বাবদ কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে কত টাকা সাহায্য করবে, তার অনেকটাই এই রিপোর্টের উপর নির্ভরশীল বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।যশ-এ সর্বহারা পরিবারগুলিকে সাহায্য করতে রাজ্য সরকারের প্রকল্প দুয়ারে ত্রাণ শুরু হয়েছে। এই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদনপত্র নেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে। সেই কাজ কীভাবে, কতটা ভাল কাজ করছে, তা বুঝতে আজ নবান্নে প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রে খবর, বৈঠকে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে জেলাগুলির পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করা হবে।রবিবার সন্ধেবেলা রাজ্যে এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব এস কে সাহির নেতৃত্ব প্রতিনিধি দলটি। এই দলে রয়েছেন কেন্দ্রের কৃষি ও কৃষক উন্নয়নের ডিরেক্টর, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে মন্ত্রকের অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক, বিদ্যুৎ মন্ত্রক, মৎস্য মন্ত্রকের কর্তারা। দুটি দলে ভাগ হয়ে তাঁরা যাবেন ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত এলাকায়। জানা গিয়েছে, সোমবার একটি দল পাথরপ্রতিমা ও গোসাবা এলাকা ঘুরে দেখবেন। দ্বিতীয় দলের সদস্যরা যাবেন পূর্ব মেদিনীপুরে। সেখানে দিঘা ও মন্দারমণির পরিস্থিতি কতটা সঙ্গীন, তা বুঝে নেবেন। মঙ্গলবার দিঘার বিভিন্ন সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকায় যাবেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। অন্য দলটি যাবে গদখালি এবং গোসাবায় ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকায়। বুধবার দিল্লি ফিরে যাওয়ার আগে নবান্নে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হবে। রাজ্যের তরফে বৈঠকে থাকবেন বিপর্যয় মোকাবিলা, সিভিল ডিফেন্স এবং অর্থ দপ্তরের কর্তারা।

জুন ০৭, ২০২১
রাজনীতি

দিলীপের বৈঠক উপেক্ষা সৌমিত্রর, শুরু জল্পনা

মুকুল রায়ের বাড়িতে সৌমিত্র খাঁ । রবিবার বিকেলে সল্টলেকের বিডি ব্লকের বাড়িতে হাজির হন তিনি। মুকুলের অসুস্থ স্ত্রীর খোঁজখবর নিতে গিয়েছিলেন বলেই দাবি সৌমিত্রর। তবে দিলীপ ঘোষের সঙ্গে বৈঠক না করে মুকুল রায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নয়া গুঞ্জন। যদিও দলবদলের জল্পনা খারিজ করে দিয়েছেন সৌমিত্র। সত্যি কি মুকুল জায়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতেই মুকুল রায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন সৌমিত্র, সেই প্রশ্ন উঠছে বারবার। তবে দলবদলের জল্পনা খারিজ করে দিয়েছেন সৌমিত্র। তাঁর দাবি, দলে এখনও দমবন্ধ হয়নি। তাই বিজেপিতেই রয়েছেন তিনি।শনিবার বাঁকুড়ায় বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। জেলা মিডিয়া সেলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সেকথাই জানানো হয়। তা জানার পরই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছিলেন সৌমিত্র খাঁ। যদিও পরে শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেন, মোবাইল বদল করার ফলেই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন সৌমিত্র। ওই বৈঠকেও যোগ দেননি সৌমিত্র। তাঁর যুক্তি ছিল করোনা মোকাবিলায় রাজ্যে একাধিক বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। তাই সেই বিধিনিষেধ অগ্রাহ্য করে বৈঠকে যোগ দেবেন না তিনি। শেষ পর্যন্ত বৈঠকে যোগও দেননি সৌমিত্র।অথচ রবিবার নিয়মভঙ্গ করলেন খোদ বিজেপি সাংসদই। ওইদিন বিকেলে সল্টলেকের বিডি ব্লকের মুকুল রায়ের বাড়িতে দেখা গেল তাঁকে। তাঁর দাবি, মুকুল রায়ের অসুস্থ স্ত্রীর খোঁজখবর নিতে এসেছিলেন। শুভ্রাংশু রায়ের সঙ্গেও কথা হয় তাঁর। সৌমিত্র খাঁ ফের তৃণমূলে ফিরতে পারেন বলেই জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে। এদিকে আবার মুকুল পুত্র শুভ্রাংশুরও দিনকয়েক ধরে বেসুরোদের তালিকায় নাম জুড়েছে। তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেখে অনেকেই মনে করছেন হয়তো ঘাসফুল শিবিরেই ফিরতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই মুকুল রায়ের বাড়িতে সৌমিত্র খাঁর আচমকা উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে নয়া গুঞ্জন।

জুন ০৭, ২০২১
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে বাজ পড়ে মৃত ৪

শনিবার দুপুরে হঠাৎ করেই মুষল ধারে বৃষ্টি শুরু হয় বিভিন্ন জেলায়। সেই সময় বাজ পড়ে প্রাণ গেল পূর্ব বর্ধমানের চার জনের। একজন জখম হয়েছেন। জানা গিয়েছে, রবিবার জেলাশাসকের দপ্তরে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতরা হলেন গুড়েঘর গ্রামের রঞ্জিতৎ গোয়ালা (৪০), কাঁশরা গ্রামের অরূপ বাগ (৪০), জ্যোৎশ্রীরাম গ্রামের শম্ভুচরণ দাস (৫২) ও মহিন্দর গ্রামের অধীর মালিক (৪৯)। জখম হয়েছেন রঞ্জিতের শ্যালক মনু আইরি। তাঁর বাড়ি কালনার তিলডাঙ্গা গ্রামে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রঞ্জিৎ তাঁর শ্যালকের সঙ্গে জমির সবজি পরিচর্যা করছিলেন। সেই সময় বজ্রপাত-সহ বৃষ্টি শুরু হয়। বাজ পড়ে দুইজনই জখম হন। তাঁদের জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রঞ্জিতকে মৃত ঘোষণা করেন। মনু সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অরূপবাবু তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে এদিন মাঠে তিল কাটতে গিয়েছিলেন। সেই সময় বজ্রপাতে মৃত্যু হয় তাঁর। অরূপবাবুর স্ত্রী কপালজোড়ে বেঁচে গিয়েছেন। শম্ভুচরণও এদিন গ্রামের মাঠে সবজি পরিচর্যা করছিলেন। সেই সময় বাজ পড়ে জখম হন তিনি। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মৃত্যু হয় তাঁর।

জুন ০৫, ২০২১
কলকাতা

কোভিড ত্রাণে সাহায্যের হাত বাড়াল এনআইটি দুর্গাপুর অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশন অফ নর্থ আমেরিকা

বিপদে পড়লে মানুষের পাশে থাকে মানুষই। আর যখন বিপদ মহামারির রূপে আসে, তখন একজন মানুষের সাহায্য ছাড়া আরেকজনের বাঁচার কোনও পথ থাকে না। কোভিড মহামারি পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের সাহায্যে তাই এবার এগিয়ে এলেন এন আই টি দুর্গাপুর অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশন অফ নর্থ আমেরিকার সদস্যরা। অলাভজনক এই সংগঠনটির সদস্যরা অনুদান সংগ্রহ করে জীবনদায়ী সরঞ্জাম যেমন ভেন্টিলেটর, বিপিএপি, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ও অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে রাজ্যের হাসপাতালগুলোকে। এই মর্মে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগীতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দিলীপ সিং মেহতা (ব্যবসায়ী, কোলকাতা), ইন্দ্রনীল মুখার্জী (প্রেসিডেন্ট,দূর্গাপুর রোটারি ক্লাব), গুনময় কুণ্ড (প্রাক্তনী এন আই টি দুর্গাপুর, অবসরপ্রাপ্ত জেনেরাল ম্যানেজার,ও এন জি সি) অদৃশ দাস (প্রাক্তনী এন আই টি দুর্গাপুর), বিশ্বজিৎ রায় (সানফ্রানসিসকো) যিনি নিজের শারীরিক অসুস্থতা কে উপেক্ষা করে বাকি সকলকে উৎসাহ দিয়ে চলেছেন, ডঃ সাহিল শর্মা, অক্সিজেন ইকুইপমেন্ট বিশেষজ্ঞ ডঃ অপূর্ব বসাক (প্রাক্তনী এন আই টি দুর্গাপুর, নিউইউর্ক) সহ আরও অনেকের সহযোগীতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সংস্থার ভলান্টিয়ার। উত্তর আমেরিকায় বসবাসকারী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনলজি দুর্গাপুরের প্রাক্তনীরা মিলে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকেন। পড়ুয়াদের আর্থিকভাবে সাহায্য করাই হোক বা গবেষণামূলককাজে সাহায্য করা, সবসময়ই এগিয়ে এসেছেন এই সংগঠনের সদস্যরা। এবার করোনা মহামারির সময়, যখন অক্সিজেন, জীবনদায়ী ওষুধের জোগানের অভাব দেখা দিয়েছে, তখনই সবরকমভাবে সাহায্যে এগিয়ে এসেছে সংগঠনটি। সংস্থার অর্থ সাহায্যে কেনা হয়েছে, অক্সিজেন সিলিন্ডার, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, ভেন্টিলেটর প্রভৃতি। সংগঠনের সহ-সভাপতি সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, স্বচ্ছভাবে আর্থিক অনুদানের টাকা কাজে লাগানো হলে, এরকম সাহায্য আরও অনেক আসবে। সকলেই মনে করেন, তাঁদের টাকা ঠিক জায়গায় কাজে লাগানো হচ্ছে কী না। যদি এব্যাপারে আশ্বাস পাওয়া যায়, তাঁদের টাকায় সত্যি কেউ উপকৃত হচ্ছেন, তাহলে খুশি হয়ে সকলে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবেন। এরকম নন প্রফিট সংগঠনগুলো আরও বেশি করে এরকম কাজে এগিয়ে আসার যাতে উৎসাহ পান, সেজন্য বার্তাও দিতে চান তিনি।সংগঠনের পাঠানো মেডিক্যাল সরঞ্জাম পৌঁছতে চলেছে এসএসকেএম হাসপাতাল, এমআর বাঙুর হাসপাতাল, দুর্গাপুরের সাব ডিভিশনাল হাসপাতাল, গুরুদ্বারা বড়া শিখ সঙ্গত (কলকাতা), রোটারি ক্লাব অফ এন্ডেভিয়র (কলকাতা), শিলচরের নিস্বার্থ সেবা বরক, শুশুনিয়া হেলথ সেবা মিশন (বাঁকুড়া)। জানা গিয়েছে, আরও বেশ কিছু অক্সিজেন কনসেনট্রেটর এদেশে আসার জন্য তৈরি হয়ে রয়েছে। এই সমস্ত হাসপাতালগুলোর তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, এই মেডিক্যাল সরঞ্জামগুলো ১০০ শতাংশ বিনামূল্যে রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হবে। সরকার ও অন্যান্যদের সাহায্যে প্রকৃত চাহিদাসম্পন্ন মানুষের কাছে এই উপকারটুকু পৌঁছে দিতে পেরে সংগঠনের সদস্যরা কৃতজ্ঞ বলে জানিয়েছেন। আগামীদিনে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে বয়স্কদের টিকাকরণের কর্মসূচি নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে দুর্গাপুর এনআইটির প্রবাসী প্রাক্তনীরা।

জুন ০৪, ২০২১
টুকিটাকি

দাঁত সাদা রাখবেন কীভাবে? জেনে নিন ঘরোয়া পদ্ধতি

হাসি হল মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুন্দর হাসির জন্য সুন্দর দাঁত আরও গুরুত্বপূর্ণ। হলুদ হয়ে যাচ্ছে দাঁত? তাই নিয়ে বেশ চিন্তিত ! কীভাবে সাদা রাখবেন দাঁত। জেনে নিন ঘরোয়া পদ্ধতিহাসি যে কোনও মানুষের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।আর দাঁত সুন্দর হলে হাসি আরও সুন্দর দেখায়। কিন্তু অনেক সময় এই হাসি ম্লান হয়ে যায় যদি দাঁতের কোনও সমস্যা দেখা দেয়। কিংবা দাঁতের রঙের পরিবর্তন ঘটে। আপনাদের জন্য রইল তেমনিই কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি, যাতে দাঁত দেখাবে মুক্তোর মত। হাসি হয়ে উঠবে আরও আকর্ষনীয়।বেকিং সোডাযে কোনও কিছু পরিষ্কারের জন্য বেকিং সোডা যে ম্যাজিকের মত কাজ করে তা অনেকেরই জানা। কিন্তু জানেন কী দাঁত ঝকঝকে রাখতেও বেকিং সোডা দারুন কাজে করে। জলের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। আর সেই পেস্টটি ব্রাশে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ব্রাশ করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন।লেবুর খোসাপ্রাকৃতিকভাবেই লেবুতে আছে ব্লিচিং উপাদান। লেবুর খোসা খুব সহজেই দাঁত পরিস্কার রাখে। দাঁতে কিছুক্ষণ লেবুর খোসা ঘষে নিন তারপর ধুয়ে ফেলুন।নারকেল তেলহ্যাঁ একদম ঠিক পড়ছেন। মুখে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমনকি কয়েক ফোঁটা তেল ব্রাশে দিয়ে ভাল করে দাঁতে ঘষুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পাবেন চমৎকার ফল।

জুন ০৪, ২০২১
রাজ্য

‘প্রধানমন্ত্রীর পায়ে পড়তে হবে না, সংবিধানটুকু মেনে চলুন’

অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যশ বিধ্বস্ত এলাকা পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক এই মুহূ্র্তে রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য বিষয়। শনিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যাখ্যা করেছেনু শুক্রবারের বৈঠকে ঠিক কী কী ঘটেছিল। তার ঠিক পরেই পালটা একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী , যশ বৈঠকে যাঁর উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু স্পষ্ট অভিযোগ করলেন, সংবিধান মানছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আচরণ অতীব দুঃখজনক, লজ্জাজনক। প্রাক্তন দলনেত্রীর প্রতি তাঁর পরামর্শ, সংবিধান মেনে চলুন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বসে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই অভিযোগ তোলেন, তাঁকে বদনাম এবং অপমান করার জন্য দিল্লির বিজেপি নেতারা টুইটারে এই বৈঠক নিয়ে নানা তথ্য ছড়াচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও একপেশে খবর দিচ্ছ। কিন্তু আসল বিষয়টা কী, তা জনসমক্ষে আনতেই তাঁর এই সাংবাদিক বৈঠক। মমতা আরও বলেন, রাজ্যর প্রয়োজনে, রাজ্যবাসীর প্রয়োজনে আমি প্রধানমন্ত্রীর পায়েও পড়তে পারি। কিন্তু এভাবে অপমান করবেন না। এই কথার জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর পায়ে পড়ার দরকার নেই, আপনি সংবিধানটুকু মেনে চলুন, তাহলেই হবে।বিপর্যয় মোকাবিলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর একান্ত আলোচনায় কেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে ডাকা হল কেন? প্রশ্ন তুলে বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই অভিযোগে বারংবার তাঁকে বিদ্ধ করা হচ্ছিল। তা নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জোরদার প্রশ্ন তুলে দেন, গুজরাত কিংবা ওডিশা দুর্যোগ পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে বৈঠকের সময় সেখানকার বিরোধী দলনেতাদের কেন ডাকা হয় না আর বাংলায় এসে কেন এত গুরুত্ব দেওয়া হয়? এর জবাবে শুভেন্দুর দাবি, উনি ঠিকমতো জানেন না। ওডিশার যশ বৈঠকে সেখানকার বিরোধী দলনেতাকেও ডাকা হয়েছিল। উনি কোভিড পজিটিভ হওয়ায় বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি।প্রাক্তন মন্ত্রীর আরও দাবি, শুক্রবার কলাইকুণ্ডার বৈঠকে আমন্ত্রিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীও। আসলে ক্ষতির বিষয়টি জানতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকেই ডেকেছিলেন। এতে রাজনীতির কিছু ছিল না। বরং মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্যসচিবের আচরণ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চরম অবমাননাকর বলে দাবি নন্দীগ্রামে বিধায়কের।

মে ২৯, ২০২১
দেশ

রাজ্যের মুখ্যসচিবকে আচমকাই ডেকে নিল কেন্দ্র!

করোনা ও ঘূর্ণিঝড় যশের জোড়া বিপর্য়য়ের সঙ্গে লড়ছে রাজ্য। তারই মধ্যে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে ডেকে নিল কেন্দ্র।তিনদিনের মধ্যে তাঁকে দিল্লিতে গিয়ে নতুন পদে যোগ দিতে বলা হয়েছে। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে দিনকয়েক আগেই রাজ্যের মুখ্যসচিব পদে আলাপনের মেয়াদ বাড়িয়েছিল কেন্দ্র । এবার মমতা ঘনিষ্ঠ আমলা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্য থেকে সরিয়ে দিল্লিতে তুলে নিয়ে যাওয়ায় বিস্মিত আমলা মহল। তাও এখনও এমন একটা সময় যেখানে কোভিড ও ঘূর্ণিঝড় উত্তর পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের একাধিক কমিটি ও টাস্ক ফোর্সের মাথায় রয়েছেন মুখ্যসচিব। ১৯৮৭ সালের ব্যাচের আইএএস আলাপন মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম আস্থাভাজন আমলা। দীর্ঘ প্রশাসনিক জীবনে একাধিকবার বিভিন্ন সমস্যা থেকে সরকারকে বের করে এনেছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হিসেবে গত বছর অক্টোবর মাসের ১ তারিখে দায়িত্ব নিয়েছিলেন আলাপন। তার আগে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সচিব ছিলেন তিনি।মে মাসে আলাপনের ৬০ বছর বয়স হয়েছে। সেকারণে চলতি মাসেই চাকরি থেকে অবসর নেওয়া কথা ছিল তাঁর। তাঁর মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ১৩ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে আবেদন জানান, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় আলাপনের মতো দক্ষ আমলা প্রয়োজন রাজ্যের।মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে এরপর আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধিতে অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। আপাতত ৩ মাসের জন্য তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাসেই চাকরি থেকে অবসর নেওয়া কথা ছিল তাঁর।দক্ষ প্রশাসক আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন মমতা। ওইদিন সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, আমাদের মুখ্যসচিবের মেয়াদ ৩ মাস বাড়ানো হয়েছে। আম্ফান ও কোভিডের সময় কাজ করেছেন তিনি। তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। সুতরাং, মুখ্যসচিবের মেয়াদ বৃদ্ধিতে আমরা খুশি।

মে ২৯, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা কেন্দ্রের

দেশের করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সাংবাদিকরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্পের অধীনে এই আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিব তথা সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্প কমিটির সভাপতি অমিত খারে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব রেখেছিলেন। অবশেষে তাতে সাড়া দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২৬ জন সাংবাদিকের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এর আগেই আরও ৪১ জনের পরিবারকে ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মোট ৬৭ জন সাংবাদিকের পরিবারকে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার সংক্রমণে প্রয়াত সাংবাদিকদের একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই আবেদন করেছিল সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্প কমিটি। আরও পড়ুন: ভারতে ১২ ঊর্ধ্বদের জন্য তৈরি ফাইজারের টিকা, চাই ছাড়পত্রবিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তরফে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই যোগাযোগ করা হয়েছে করোনায় মৃত সাংবাদিকদের পরিবারের সঙ্গে। এই প্রকল্প সম্পর্কে জানানোর পাশাপাশি কীভাবে এর জন্য পদক্ষেপ করতে হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিটির তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সাপ্তাহিক বৈঠকে এবার থেকে আলোচিত হবে জমা পড়া আবেদনপত্রগুলি নিয়ে। তারপর সেইমতো দ্রুত সেইব্যাপারে পদক্ষেপ করা হবে। বৃহস্পতিবার কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, করোনা নয়, অন্য কারণে মৃত ১১ জন সাংবাদিকের পরিবারের আবেদন নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করছে।

মে ২৮, ২০২১
রাজ্য

জুলাই-শেষে উচ্চ মাধ্যমিক, মধ্য অগস্টে দেড় ঘণ্টার মাধ্যমিক

জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে হবে এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। অগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে মাধ্যমিক পরীক্ষা। তিন ঘণ্টার বদলে পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টার। বৃহস্পতিবার নবান্নে এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অতিমারি পরিস্থিতিতে অনিশ্চয়তার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন মমতা। কোভিড অতিমারির কথা মাথায় রেখে যার যার নিজের স্কুলেই সিট পড়বে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, বাড়ির কাছে নিজের স্কুলে পরীক্ষার আসন পড়লে যানবাহনে চড়ে যেতে হবে না ছাত্র-ছাত্রীদের।আরও পড়ুন: যশ-এ বিধ্বস্ত পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনামুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বছর মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থী রয়েছে ১২ লক্ষের কিছু বেশি। মাধ্যমিকে আবশ্যিক বিষয় আছে ৭টি। এই আবশ্যিক বিষয়গুলিরই পরীক্ষা নেওয়া হবে ২০২১ সালের মাধ্যমিকে। ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা এ বছর নেওয়া হবে না। ওই বিষয়গুলির নম্বর নিজ নিজ স্কুল দেবে বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরীক্ষার সময়সীমাও কমানো হবে বলে জানিয়েছেন মমতা। ৩ ঘণ্টার বদলে পরীক্ষা দেড় ঘণ্টার নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর ফলে পরীক্ষার্থীদের সামনে বিকল্প থাকবে অনেক বেশি। মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাখা, তিন ঘণ্টার পরীক্ষা হলে যতগুলি প্রশ্নের উত্তর দিতে হতে হয়, দেড় ঘণ্টার পরীক্ষা হওয়ায় উত্তর দিতে হবে তার অর্ধেক। উচ্চমাধ্যমিকের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন বিষয়ের যত কম পরীক্ষা নেওয়া যায় সে ব্যাপারে দেখার জন্য পর্ষদকে অনুরোধ করেছেন তিনি। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে পর্যদের তরফে আরও বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা।মাধ্যমিকের আগে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন নেওয়া হবে সে বিষয়টিও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন কলেজে ভর্তির ব্যাপার থাকে। তাই ওই পরীক্ষা আগে নেব। মাধ্যমিক তো আমাদের ঘরের ব্যাপার। তাই ওটা পরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মে ২৭, ২০২১
রাজ্য

১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউনের মেয়াদ

রাজ্যে কার্যত লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি পেল ১৫ জুন পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সব বিধিনিষেধ জারি থাকবে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে যে বিধিনিষেধ জারি ছিল, সেগুলিই জারি থাকবে। বিধিনিষেধের ফলে রাজ্যে সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।আরও পড়ুন: নিউ বারাকপুরে গেঞ্জি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডএর আগে ১৫ মে থেকে রাজ্যে কার্যত লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তার আগের দিন, অর্থাৎ ১৪ মে রাজ্যে সংক্রমণ ছিল সবচেয়ে বেশি। আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০ হাজার ৮৪৬ জন। ১৫ মে আক্রান্ত হন ১৯ হাজার ৫১১ জন। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পর থেকে সংক্রমণ কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ২২৫ জন। সেই কারণেই আরও ১৬ দিন লকডাউন বাড়ানো হল বলেই প্রশাসন সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবার মমতা বলেন, আমরা একে লকডাউন বলছি না। আমরা বলছি বিধিনিষেধ। এর আগে যা যা বিধিনিষেধ ছিল, সেগুলিই বজায় থাকবে। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কেউ বাইরে বেরোবেন না। বাজার, মিষ্টির দোকান, শাড়ি, গয়নার দোকান যে রকম নিয়ম মেনে খুলছিল সে রকমই খুলবে। শুধু জুটমিলে কর্মীর সংখ্যা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্মাণ কাজে যুক্ত শ্রমিকদের টিকা নেওয়া হয়ে গেলে তাঁরা কাজ করতে পারবেন।

মে ২৭, ২০২১
রাজ্য

যশ-এ বিধ্বস্ত পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা

অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় যশ কতটা ক্ষয়ক্ষতি করল তার হিসেব এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার। এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যদি কোনও জেলা হয়ে থাকে তা হল পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা। উপকূলবর্তী এই দুই জেলা রীতিমতো লণ্ডভণ্ড হয়ে হয়ে গিয়েছে যশের জেরে। সব মিলিয়ে ১ কোটির বেশি মানুষ প্রভাবিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদে ক্ষতির পরিমাণ বুঝতে বিকেলেই দুই জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, পূর্ব মেদিনীপুরের ৫ টি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭ টি পুরসভা এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই জেলার মোট ১২ টি পুরসভা এলাকার ১০ হাজার ৬০০ টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একজনের মৃত্যুও হয়েছে। এখনও জলের তলায় রয়েছে বহু এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত দুই জেলায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কত তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। সমগ্র ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখছে পুর দপ্তর।বৈঠক শেষে এ দিন মন্ত্রী চন্দ্রিমা আরও জানান, দুই জেলাতেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। জল নিকাশির জন্য রাজ্য জুড়ে বর্তমানে ৭,৮১৬ টি দল কাজ করছে। পানীয় জলের সমস্যা রুখতে কাজ করছে ৯৬৫ টি দল। পুজালি এবং বজবজের মতো পুর এলাকাগুলির ৯ টি বাঁধ এখনও পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে আরও একটি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

মে ২৬, ২০২১
কলকাতা

বিপর্যস্ত রাজ্যের ১ কোটি মানুষ, শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী

আছড়ে পড়ার পর কয়েকঘণ্টা কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় যশ। উত্তাল হয়েছে সমুদ্র। দিঘা ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাণ গিয়েছে ১ জনের, নবান্ন থেকে জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন তিনি।ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মঙ্গলবার সারারাত নবান্নেই ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতভর কন্ট্রোলরুম থেকে নজর রেখেছেন পরিস্থিতির উপর। বুধবার সকালেও একাধিকবার সাংবাদিক বৈঠক করে পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন রাজ্যবাসীকে। যশের ল্যান্ডফল শেষ হতেই নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তিনি। জানিয়েছেন, ১৫লক্ষ ৪ হাজার ৫০৬ জনকে সরানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও প্রায় এক কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৩ লক্ষ বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ১৩৪টি বাঁধ ভেঙেছে। নোনা জলের কারণে কৃষির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাছেরও ক্ষতি হয়েছে। ত্রাণ শিবিরগুলিতে ১০ লক্ষ ত্রিপল পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। ১০ কোটি চাল ও শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ত্রাণ শিবিরে ওঠার পরও ১ ব্যক্তি মাছের জন্য জাল ফেলতে গিয়েছিলেন। জলে ডুবে গিয়েছেন তিনি। সন্দেশখালি, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, বাসন্তী, ক্যানিং ১ ও ২ নম্বর ব্লক, বজবজ, দিঘা, শংকরপুর, তাজপুর, রামনগর, কাঁথি, নন্দীগ্রাম, সুতাহাটা, দেশপ্রাণ, কোলাঘাট, শ্যামপুর, এদিকে কালীঘাট, চেতলা, রাসবিহারী-সহ গঙ্গার সামনের বহু এলাকা জলে প্লাবিত হয়েছে। আরও পড়ুন: ঘণ্টায় ১৫৫ কিমি বেগে বালাসোরের দক্ষিণে আছড়ে পড়ল যশমুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামিকালও দুর্যোগ থাকবে। তাই প্রত্যেককে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। যারা নদী বা সমুদ্রের পাশে থাকেন, তাঁদের সতর্ক থাকতে বলেছেন। ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বিঁধেছেন কেন্দ্রকেও। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন তিনি। পাশাপাশি বিপর্যস্তদের সবরকম সহযোগিতার নির্দেশও দিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে শহর কলকাতা। তবে ভরা কোটালের জেরে জলমগ্ন শহরের একাধিক এলাকা। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৃষ্টি। সেই জল নামতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুরসভা। দ্রুত জল নামাতে ম্যানহোল খুলে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন এলাকার। তবে বিপদ এড়াতে শহরের একাধিক এলাকার বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করেছে সিইএসসি। জল না নামা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে না বলে খবর।পূর্ণিমা, চন্দ্রগ্রহণ এবং ভরাকোটালের জেরে জলস্তর বেড়েছে গঙ্গা ও আদিগঙ্গার জলস্তর। আর তার জেরেই জলমগ্ন দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাট, রাসবিহারী, ভবানীপুর ও চেতলার বিস্তীর্ণ এলাকা। বসতি এলাকায় ঘরে ঢুকেছে নোংরা জল। এদিকে রাতে জোয়ার এলে জলস্তর আরও বাড়বে। সেই সময় পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। আর এই জমা জল থেকে ঘটতে পারে বিপদ। দুর্ঘটনা এড়াতে সাঁকরাইল, বাউড়িয়া, বজবজ ও কালীঘাটের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, তড়িদাহত হওয়ার ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনে জলমগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ এড়াতে পরিষেবা বন্ধ রাখার আবেদন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।এদিন রাজ্যের বহু জায়গায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়েছে। প্রচুর বৈদ্যুতিক পোস্টের ক্ষতি হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানান, অনেক এলাকায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গিয়েছে। বিকেলের পর ক্ষয়ক্ষতির আঁচ পাওয়া যাবে। এদিকে বিদ্যুৎহীন হয়ে রয়েছে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। কবে স্বাভাবিক হবে এই পরিস্থিতি? এই প্রশ্নের জবাবে সিইএসসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে সমস্ত এলাকায় জমা জলের স্তর বেড়ে গিয়েছে সেখানে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সাঁকরাইল, বাউড়িয়া, বজবজ ও কালীঘাটের একাংশ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

মে ২৬, ২০২১
রাজ্য

পাণ্ডুয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ২, হালিশহর-চুঁচুড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক বাড়ি

ঘূর্ণিঝড় যশ এখনও এসে পৌঁছয়নি। ল্যান্ডফলে এখনও বাকি ১২ ঘণ্টার বেশি। তবে তার আগেই প্রতিকূল আবহাওয়া এবং ছোটখাটো ঘূর্ণিঝড়ের জেরে দক্ষিণবঙ্গের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে বলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে জানান মমতা। ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান মমতা। তবে তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, প্রকৃতিকে আমরা গেস করতে পারি, কিন্তু ফেস করতে গেলে প্রকৃতি কখন কোন দুর্যোগ ঘটিয়ে দেবে তা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে।মমতা বলেন, হালিশহরে একটা দেড় মিনিটের টর্নেডো হয়ে গিয়েছে। হালিশহরে ৪০ টা বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বীজপুরেও ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত বিষয়টি দেখছে। চুঁচুড়াতেও টর্নেডো হওয়ায় ৪০ টির মতো বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাণ্ডুয়াতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজন মারা গিয়েছে।অন্যদিকে, যশের গতিপথ ক্রমশ ওডিশার দিকে ঘুরে যেতে থাকলেও এ দিন আরেক আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমরা সবাই নিশ্চই প্রার্থনা করব যাতে বেশি কিছু না হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও শোনা যাচ্ছে যে সাগর দ্বীপেও এটা ধাক্কা মারতে পারে। যদিও আমরা সবাই তৈরি আছি। প্রায় ১১ লক্ষ মানুষকে আমরা উদ্ধার করে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে এসেছি। চিন্তা করার বা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। রাতটা একটু সামলে থাকতে হবে।কীভাবে রাজ্যবাসী এই পরিস্থিতি সামাল দেবেন তা নিয়ে পরামর্শ দিতে শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, বিদ্যুতের ব্যবহার যতটা কম করা যায় ততটাই ভাল। ঝড়টা চলে যেতে দিন। চেষ্টা করুন যাতে বাড়ির বাইরে না বের হতে হয়। সম্ভব হলে ফোনে কাজ সারুন। আজ গোটা রাতটাই তিনি নবান্নেই কাটাবেন বলে জানান মমতা।

মে ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

হাসপাতালে ভর্তি করোনা আক্রান্ত 'ফ্লাইং শিখ'

কিংবদন্তি অ্যাথলিট মিলখা সিংয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে তাঁর। সে কারণেই সোমবার তড়িঘড়ি বাড়ি থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হল বর্ষীয়ান অ্যাথলিটকে। যদিও কিংবদন্তির ছেলে জিভ মিলখা সিং জানিয়েছেন, তাঁর বাবা আপাতত স্থিতিশীল।গত ২০ মে মিলখা সিংয়ের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি মিলখার বাড়ির দুই কাজের লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপরই বাড়ির প্রত্যেকের টেস্ট নেগেটিভ এলেও, তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও তাতে বিন্দুমাত্র চিন্তিত হননি মিলখা। জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকদের মতে তিনি তিন-চারদিনেই সেরে উঠবেন। বুধবার বিকেলে জগিং করে বাড়ি ফেরার পরেই শুনি আমার রিপোর্ট পজিটিভ। কিছুটা অবাকই হয়ে যাই। কারণ আমার দেহে কোনও উপসর্গ নেই। সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি। চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খুব দ্রুত ঠিক হয়ে যাব। একথাই শোনা গিয়েছিল মিলখার গলায়। কিন্তু সোমবার হঠাৎই তাঁর রক্তে অক্সিজেন মাত্রা কমতে শুরু করে।তাঁর স্ত্রী নির্মল কৌর ও ছেলে জিভ জানান, বাড়িতে অসুস্থ বোধ করছিলেন বছর একানব্বইয়ের মিলখা। সম্ভবত ডায়রিয়া ও বমির কারণেই ডিহাইড্রেশনেও ভুগছিলেন। ফলে কোনও ঝুঁকি না নিয়েই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জিভ মিলখা সিং বলেন, গতকাল থেকেই দুর্বল বোঝ করছিলেন। তাই হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকতে পারবেন বাবা। তবে আপাতত সমস্ত প্যারামিটার স্বাভাবিক রয়েছে। ফ্লাইং শিখ-এর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন অগণিত অনুরাগী।

মে ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 66
  • 67
  • 68
  • 69
  • 70
  • 71
  • 72
  • ...
  • 88
  • 89
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal