• ১২ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

রাজ্য

TMC-Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান, চলল ব্যাপক মারধর-ভাঙচুরও

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ জানিয়ে আসছেন বিরোধীরা। মারধর, ঘর ভাঙচুর, খুনের মতো ঘটনাও ঘটে চলেছে। এরই মধ্যে প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও। ফল ঘোষণার পর থেকেই পূর্ব বর্ধমানের রসিকপুর এলাকায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলা চলছেই। যা গুরুতর আকার নেয় মঙ্গলবার। জানা গিয়েছে,তৃণমূল করলেও সংঘাতের বিরাম নেই এলাকার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। যার জেরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে এদিন। এলাকার যুব সভাপতি শেখ সাহেব। তাঁর উপর রাগ রয়েছে এলাকারই তৃণমূল জেলা সাধারণ সম্পাদক আবদুর রবের গোষ্ঠী।অভিযোগ, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর হুমকি দেওয়া তো চলছিলই। এদিন বাড়িতে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় রবের গোষ্ঠী। বাড়িতে যাকেই সামনে পেয়েছে, তাকেই বেধড়ক মারধর করা হয়। রেহাই দেওয়া হয়নি বয়স্ক, মহিলাদেরও। যুব সভাপতিকে সামনে না পেয়ে তাঁর আত্মীয়দের মেরে কারুর হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তো কারুর হাত কেটে দেওয়া হয়েছে। আক্রান্তরা হলেন, শেখ সাহেব, মনোয়ারা বিবি( আত্মীয়া), শেখ শুকুর। তাদের দোকানও ভাঙচুর করে টাকাপয়সা লুঠ করে নিয়ে গিয়েছে বলেও অভিযোগ। এরকম অত্যাচারের কথা জানিয়ে পুলিশে বার বার অভিযোগ করা হলেও তার কোনও ফল মেলেনি বলে অভিযোগ। এদিন হামলার পর বর্ধমান পুলিশের আইসির কাছে দিয়ে অভিযোগ জানায় আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেন আইসি। পুলিশের একটি দল গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করে আসে। এদিকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পূর্ব বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস দলের অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা সরাসরি অস্বীকার করে জানান, আমি বাইরে ছিলাম।বিষয়টি ঠিক জানা নেই।এরকমটা হওয়ার কথা নয়।খোঁজ নিয়ে দেখবো।শুধু আক্রান্তের পরিবারই নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দল যাই বলুক না কেন, এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তাণ্ডবে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

BJP in Crisis: ফের ভাঙন বিজেপিতে

ফের পদ্মশিবিরে ভাঙন। এবার দল ছাড়লেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য ও দার্জিলিং জেলার পর্যবেক্ষক ভাস্কর দে (Vaskar Dey)। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই দলত্যাগের কথা জানান তিনি। তবে কি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার মতো তিনিও যোগ দিতে চলেছেন ঘাসফুল শিবিরে, সেই জল্পনা ক্রমশ জোরাল হচ্ছে।দিনকয়েক আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন সপুত্র মুকুল রায় (Mukul Roy)। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তাঁকে স্বাগত জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, মুকুল রায়ের শিবির বদল নিয়ে জনসমক্ষে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব উদাসীন ঠিকই। তবে তাঁর দলবদল যে গেরুয়া শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তারপর থেকে বিজেপির একের পর এক নেতা দল ছাড়ছেন। কাজের পরিবেশ নেই বলেই অভিযোগ তাঁদের। সম্প্রতি দলবদল করেছেন গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। যিনি আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপি সভাপতি ছিলেন। তাঁরই নেতৃত্বে আলিপুরদুয়ার নিজেদের দখলে রেখেছিল গেরুয়া শিবির। তিনিই এখন তৃণমূলে।আরও পড়ুনঃ কোন কৌশলে রাজ্য তিন টুকরোর দাবি বিজেপি সাংসদদ্বয়ের?সূত্রের খবর, ভাস্কর দে সরাসরি কারও নাম না করলেও দল ছাড়ার আগে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। ঘনিষ্ঠ মহলে বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। ভাস্কর জানান, বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2021) টাকার বিনিময়ে টিকিট দেওয়া হয়েছে। কাজ করলেও, যোগ্য সম্মান পাননি বলেও দাবি। আর সে কারণেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে ইতিমধ্যেই তিনি তাঁর পদত্যাগপত্রও পাঠিয়ে দিয়েছেন। গেরুয়া শিবির ছেড়ে তবে কি এবার তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন? রাজনৈতিক মহলে ক্রমশই সে প্রশ্ন জোরাল হচ্ছে। তবে অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন কিনা, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট করেননি ভাস্কর। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পরবর্তী সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন বলেই স্থির করেছেন তিনি।

জুন ২৩, ২০২১
বিদেশ

China-Uyghurs: উইঘুর নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের

উইঘুর নির্যাতন নিয়ে সরব রাষ্ট্রসঙ্ঘ (United Nations)। চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে এবার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশ পরিদর্শনের কথা বললেন মানবাধিকার পরিষদের প্রধান মিশেল ব্যাকলেট। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে শিনজিয়াং প্রদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা হওয়ার পর থেকেই উইঘুর মুসলিমদের উপর রাশ টেনেছে চিন। সেখানে উইঘুর (Uyghurs) ও অন্য মুসলিম (Muslim) জনগোষ্ঠীর ওপর জুলুমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগে বিবিসির তরফে এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, বন্দিশিবিরে থাকা মুসলিম মহিলাদের উপর পরিকল্পনা করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন চালাচ্ছে চিন। সেই রিপোর্টকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমেরিকা।আরও পড়ুনঃ সরকারি সম্পত্তি অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজীব ঘনিষ্ঠসোমবার মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে চিন, রাশিয়া ও ইথিওপিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সরব হন ব্যাকলেট। বিশেষ করে চিনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুরদের উপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চলতি বছরই শিনজিয়াং যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ব্যাকলেট। একইসঙ্গে, হংকংয়ে চিনা দমননীতি নিয়েও সরব হন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের প্রধান। স্বশাসিত প্রদেশটির গণতান্ত্রিক মর্যাদা কেড়ে নিতে জিনপিং প্রশাসনের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের সমালোচনা করেন ব্যাকলেট। বিশ্লেষকদের মতে, উইঘুর ও হংকং ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যাকফুটে রয়েছে চিন। এবার শিনজিয়াং পরিদর্শনের প্রসঙ্গ তুলে চিনের উপর আরও চাপ বড়াল রাষ্ট্রসঙ্ঘ।

জুন ২২, ২০২১
কলকাতা

সরকারি সম্পত্তি অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজীব ঘনিষ্ঠ

সরকারি সম্পত্তির অপব্যবহার এবং প্রতারণা মামলায় দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হাওড়ার জগদীশপুরের প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তথা বিজেপি নেতা গোবিন্দ হাজরা। রবিবার রাতে তাঁকে বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোবিন্দবাবু আবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। আরও পড়ুনঃ বেশি করে সবজি খান, শরীর থাকবে সুস্থ, বাড়বে ইমিউনিটি পাওয়ারকিছুদিন আগেই ডুমুরজলায় বিজেপির সভামঞ্চে এসে তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। গোবিন্দ হাজরা তৎকালীন জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন সরকারি সম্পত্তির অপব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই নিয়ে পঞ্চায়েতের তরফ থেকে অভিযোগ দায়ের হয়। সেই মামলায় রবিবার লিলুয়া থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার দুপুরে তাঁকে হাওড়া আদালতে তোলা হয়। গোবিন্দবাবু দাবি করেন, তাঁর যা বলার তিনি আদালতে জানাবেন। আদালতের প্রতি তাঁর বিশ্বাস রয়েছে। এদিকে, গোবিন্দ হাজরার গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান যমুনা কয়াল জানান,অনেক দুর্নীতি করেছেন গোবিন্দ হাজরা। পঞ্চায়েতের সিসি ক্যামেরা ল্যাপটপ-সহ একাধিক জিনিস চুরি করেছেন। উপপ্রধান সোনামণি কর্মকার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। গোবিন্দ হাজরা চরম অন্যায় করেছেন। শাস্তি থেকে অতি চরম শাস্তির প্রয়োজন। আগে গোবিন্দ হাজরা সামনে দাঁড়িয়ে কিছু বলার সাহস কারও ছিলনা। সেইজন্যে ভয় মানুষ চুপ করে থাকতো।বালি জগাছা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মধ্যক্ষ সুভাষ রায় জানান, সবকিছু গ্রাস করে রেখেছিলেন উনি। ত্রাস এবং বিভীষিকার পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন পঞ্চায়েত ব্যবস্থার মধ্যে। দলকে সামনে রেখে একজন দুধ বিক্রেতা ৫০০ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। ওঁর বিরুদ্ধে সঠিক পদক্ষেপই করেছে প্রশাসন। উনি বিজেপিতে চলে যাওয়ায় দলে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। স্বাভাবিকভাবে ওনার বিচার চেয়েছেন মানুষ। পরের জমি জবরদখল করা, প্রশাসনে থেকে প্রশাসনকে ভুলভাবে ব্যবহার করা, সরকারি সম্পত্তি নয়ছয় করা-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। গোবিন্দ হাজরার গ্রেফতার নিয়ে মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, দলের সঙ্গে দুর্নীতির কোনও জায়গা নেই। গোবিন্দ হাজরার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। তাই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ অভিযোগ তদন্ত করে দেখবে। তৃণমূলে থাকলেই যে সে অন্যায় করেনি বা করবে না তা নয়। যদি কেউ অন্যায় করে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রশাসনের কর্তব্য। কারও বিরুদ্ধে যদি কোনও অভিযোগ থাকে তাহলে তিনি কোন দল করতেন, কি পদে ছিলেন তা বড় কথা নয়, তাঁর দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই প্রশাসনের কর্তব্য। এই প্রসঙ্গে বিজেপির হাওড়া জেলা সদর সভাপতি সুরজিৎ সাহা বলেন, তৃণমূল ছেড়ে কেউ বিজেপিতে এলেই তাঁকে চোর বানিয়ে দুর্নীতির দায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ধৃতের বিরুদ্ধে ৪০৯ ধারায় সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ ও ৪২০ ধারায় প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। সোমবার হাওড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক অভিযুক্তকে তিন দিন পুলিশি হেপাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

Maldah Murder: দিলীপের নিশানায় রাজ্য সরকার

দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করে মালদহের কালিয়াচকের আট মাইল এলাকার আসিফ মহম্মদ। নিজেদের হেপাজতে নিয়ে অভিযুক্তকে জেরা করছে পুলিশ। তারই মাঝে হাড়হিম করা এই হত্যাকাণ্ডে এবার লাগল রাজনীতির রং। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিকে,মালদা-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আসিফের বাড়ি বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মাইলের দূরেই বাস খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত জিয়াউলের। বর্তমানে সে জেলবন্দি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিন দুষলেন দিলীপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সস্ত্রীক রাজ্যপালতিনি বলেন, রাজ্য দিনে দিনে উগ্রপন্থীদের গড় হয়ে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুই করতে পারছে না। তার কারণ ওদের ভোটে ক্ষমতায় তিনি। এ রাজ্যকে আফগান, সিরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও একবার সোনার বাংলা গড়ার ডাকও দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) আগেও বিজেপি নেতা-নেত্রীদের মুখে একাধিকবার সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান শোনা গিয়েছিল।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

Educated Thief: ২০টি চুরি করে পুলিশের জালে ইংরেজিতে এমএ পাশ যুবক

ইংরেজিতে এমএ করেছে। কিন্তু চুরি করা তাঁর নেশা ও পেশা। উচ্চশিক্ষিত ছেলের এমন অধঃপতন দেখে কিছুদিন আগেই আত্মঘাতী হন মা। চোর ধরতে গিয়ে এমনই সব তথ্য পেয়ে বিস্মিত হাওড়ার সাঁকরাইল থানার পুলিশ।একটি চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে সাঁকরাইল থানার পুলিশ। কিন্তু চুরির ঘটনার মূল পাণ্ডার পরিচয় পেয়ে কার্যত হতবাক তারা। ইংরেজিতে এমএ পাশ করেছেন এই চোর। কিন্তু কোনও ভদ্রস্থ কাজ করতে তাঁর ঘোর অনীহা। বরং চুরিই তাঁর নেশা। সেই নেশাকেই পেশা বানিয়ে একের পর এক চুরি করেছেন আসানসোলের যুবক।জানা গিয়েছে, আসানসোলের বাসিন্দা সৌমাল্য চৌধুরী-সহ মোট তিনজনকে চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দশ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না। সেই চোরের মূল পাণ্ডা সৌমাল্য চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে সে ইংরেজিতে এমএ পাশ করেছেন। কিন্তু চুরি করাই তাঁর নেশা। আর তাকে পেশা হিসেবেই বেছে নেন। এরপর আসানসোল, হাওড়া, হুগলি জেলা মিলিয়ে কমপক্ষে কুড়িটি চুরির ঘটনায় সে যুক্ত।আরও পড়ুনঃ দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ-বোমাবাজিতে উত্তপ্ত জয়নগরসৌমাল্যর বাবা সরকারি অফিসার ছিলেন। মা ছিলেন শিক্ষিকা। ছেলের কুকীর্তির কথা জানতে পেরে আত্মঘাতী হন মা। কিন্তু এতেও শোধরাননি সৌমাল্য। একবার আসানসোল পুলিশের হাতে ধরা পড়ে কয়েকমাসের জন্য জেল খেটে ছাড়া পান। কিন্তু তার পর গত ৯ জুন হাওড়ার সাঁকরাইল থানার অন্তর্গত দুইলা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় দশ ভরি সোনার গয়না চুরি করে চম্পট দেন। স্কুটি করে পালাবার সময় ফ্ল্যাটের এক আবাসিক ওই স্কুটির নম্বর লিখে নেন। এই নম্বরের সূত্র ধরেই পাঁশকুড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সৌমাল্য চৌধুরী ও এক সঙ্গী প্রকাশ শাসমলকে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মাধব সামন্ত নামে আরও এক অভিযুক্তকে।হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ প্রতীক্ষা ঝাঁকরিয়া জানান, মাধব সামন্তকে চুরির মাল বিক্রি করতেন এরা। হাওড়ায় বিভিন্ন এলাকায় নটি চুরি করেছে অভিযুক্তরা। এদের আজ হাওড়া আদালতে পেশ করে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ। অনুমান, বাকি চুরির ঘটনারও কিনারা হয়ে যাবে।

জুন ২০, ২০২১
রাজ্য

Group Clash: দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ-বোমাবাজিতে উত্তপ্ত জয়নগর

জমি বিবাদের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জয়নগর। ব্যাপক বোমাবাজি হয় এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও থমথমে এলাকা।জানা গিয়েছে, জয়নগরের (Jaynagar) মম্মেজগড় এলাকায় একটা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি চলছিল স্থানীয় দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে। রবিবার সকালে তা চরমে ওঠে। কথাকাটাকাটি থেকে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে ২ গোষ্ঠীর লোকেরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। লাঠি-রড-বাঁশ দিয়ে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে দুই গোষ্ঠীর সদস্যরা। কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ব্যাপক বোমাবাজিও হয়। আতঙ্ক ছড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে।এরপরই ঘটনার প্রতিবাদে গোচরণ-দোসাহাট রোড অবরোধ করে স্থানীয়রা। গাছের গুড়ি ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জয়নগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাঁদের সামনেও দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। দীর্ঘক্ষণ পর আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ২ টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তদন্ত।

জুন ২০, ২০২১
দেশ

CoronaVirus: চিকিৎসকদের হেনস্তা করলেই এফআইআর

করোনা আবহে চিকিৎসকদের (Doctors) হেনস্তা করলেই হতে পারে জেল। হেনস্তাকারীর বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। করোনা আবহে লড়াই করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। অখচ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের হেনস্তার (Assualt) খবর সামনে আসছে। যার জেরে ক্ষোভ বাড়ছে ডাক্তারদের মধ্যেও। সেই ক্ষোভ প্রশমিত করতেই কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।শনিবার এ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি দেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছ, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী হেনস্তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে স্বাস্থ্য পরিষেবায়। হুমকি দেওয়া বা হামলার ঘটনা তাঁদের মনোবলকে ম্লান করে দিতে পারে। তৈরি করতে পারে নিরাপত্তাহীনতা। যা স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আরও লেখেন, বর্তমানের কিছু ঘটনা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে FIR করতে হবে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, এ ধরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআর-গুলির অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মহামারি রোগ (সংশোধনী) আইন, ২০২০ প্রয়োগ করার কথাও বলেছেন তিনি। উল্লেখ্য, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় ঘটনা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাবাস এবং পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। তবে অভিযোগের উপর নির্ভর করে এ ধরনের শাস্তির বহর আরও বাড়তে পারে। মহামারি আইন প্রয়োগ করলে শাস্তি স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।চিঠিতে সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজর রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন ভাল্লা। লিখেছেন, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্তায় উৎসাহ জোগাতে পারে এমন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের উপরেও কড়া নজর রাখতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হাসপাতাল, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি জায়গায় প্রচার চালাতে হবে।

জুন ২০, ২০২১
রাজ্য

Maldah Murder: খুনের আগে অপহরণের নাটক, আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার আসিফের দুই বন্ধু

মা, বাবা, বোন, দিদাকে খুনের ঘটনার পরতে পরতে রহস্য। তদন্তে নেমে মালদা হত্যাকাণ্ডে (Maldah murder case) অভিযুক্ত আসিফ মহম্মদের গতিবিধিই ভাবাচ্ছে পুলিশকে। কেন এত বিপুল পরিমাণ টাকার প্রয়োজন ছিল মাত্র বছর উনিশের আসিফের, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নজরে আসিফের দাদা আরিফও। সূত্রের খবর, তাঁর বয়ানেও মিলেছে অসঙ্গতি।স্থানীয় সূত্রে খবর, স্কুলের গণ্ডি না পেরনো আসিফের টাকার প্রতি অসীম লোভ ছিল। জানা গিয়েছে, এই ঘটনার বেশ কয়েকবছর আগে আচমকাই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল আসিফ। সেই সময় বাবার সঙ্গে অপহরণের নাটক করে সে। বাবার থেকে আড়াই লক্ষ টাকা হাতিয়ে বাড়ি ফেরে আসিফ। অপহরণের নাটকে তাকে সঙ্গত দেয় বন্ধুবান্ধবরা। এদিন অস্ত্র-সহ সাবির আলি এবং মাফুজ আলম আসিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৫টি সেভেন এম এম পিস্তল, ৮০ রাউন্ড কার্তুজ ও ১০টি ম্যাগাজিন উদ্ধার হয়েছে। এই কার্যকলাপে সঙ্গে তাদের কোনও যোগাযোগ আছে কী না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসিফের বাড়ি থেকে শনিবারই কয়েক লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কেন মাত্র উনিশ বছর বয়সি ছেলের এত টাকার প্রয়োজন ছিল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।চলতি বছরের গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বাবা, মা, বোন ও দিদাকে ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে আসিফ। সুড়ঙ্গপথে গুদামঘরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। সেখানেই চৌবাচ্চায় ফেলে দেওয়া হয় প্রত্যেককে। চাপা দিয়ে দেওয়া হয় বালি, পাথর, সিমেন্ট। শনিবারই চারজনের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেরায় পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার আগেরদিন বাজার থেকে আসিফ নিজেই সেলোটেপ, ঠান্ডা পানীয়, ঘুমের ওষুধ কিনে আনে। আগে থেকে চৌবাচ্চা, সুড়ঙ্গপথ তৈরিও করেছিল সে। সেক্ষেত্রে পরিকল্পনামাফিক যে সে খুন করেছে, তা তদন্তকারীদের কাছে ধীরে ধীরে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, আসিফ থ্রিলার সিনেমা দেখতে ভালবাসত। সিনেমা দেখেই খুনের কৌশল বাছাই করেছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসিফের দাদা আরিফের বয়ানেও যথেষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। পরিজনদের খুনের ঘটনায় তারও যোগসাজশ রয়েছে কিনা, সে বিষয়টির দিকেও নজর রয়েছে তদন্তকারীদের।

জুন ২০, ২০২১
কলকাতা

Wall Collapse: হনুমানের লাফে পাঁচিল ভেঙে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

এক বাড়ির ছাদ থেকে আরেক বাড়ির ছাদে হনুমান লাফ দিতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পাঁচিল। আর সেই পাঁচিল চাপা পড়ে মারা গেলেন ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা। মর্মান্তিক ওই ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকেলে হাওড়ার বালির হাজরাপাড়া এলাকায়। গত দুদিনের অতিভারী বৃষ্টিতে এমনিতেই জীর্ণ বাড়িটি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। আর তার উপর হনুমান এসে ছাদে লাফ দিতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ছাদের একাংশ। আর তাতেই পাঁচিলের একাংশ ভেঙে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় ষাটোর্ধ্ব ওই মহিলার। এই ঘটনায় কার্যত শোকস্তব্ধ বালির হাওড়ার হাজরাপাড়া। এইভাবে কারও মৃত্যু হতে পারে তা বিশ্বাস করতে পারছেন না কেউই। বেলুড় স্টেট জেনারেল হাসপাতালে মহিলাকে আনা হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, জীর্ণ বাড়ির নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন আরতি দাস নামের ওই মহিলা। শুক্রবার বিকেলে ওই ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যদের চোখের সামনেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যায়। ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে বালির হাজরাপাড়া এলাকা।এদিকে, এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতার আত্মীয় সোমা দে জানান, যখন তিনি এবং তাঁর স্বামী দুজনে মিলে বিকেলে বাড়িতে গাছ লাগাচ্ছিলেন, তখন মেজদিদি আরতি দাস সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় হঠাৎ একটা আওয়াজ হয়। দেখেন মেজদিদি মাটিতে পড়ে আছেন। একটা হনুমান এক ছাদ থেকে আমাদের ছাদে লাভ দেওয়ার সময় একাংশ হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে ওনার মাথায়। আকস্মিক এই ঘটনা চোখের সামনে ঘটে যায়। মৃতার ছেলে অর্ণব দাস জানান, একটা হনুমান এক অ্যাসবেস্টস থেকে অন্য অ্যাসবেস্টসে লাফ দিতে গিয়ে ছাদের একাংশ মায়ের মাথায় এসে পড়ে। সেই সময় বাড়িতে তিনি ছিলেন না। এরপর খবর পেয়েই হাসপাতালে দ্রুত ছুটে আসেন। দেখেন এই ঘটনা।মৃতার ভাই আশীষ দে জানান, শুক্রবার বিকেলে তাঁরা বাড়ির বাগানে গাছ লাগাচ্ছিলেন। তখন একটা হনুমান ছাদের ওপর লাফিয়ে যাওয়ার সময় উপরের সিঁড়ির কাছে প্রায় ৬টি ইঁটের চাঁই ভেঙে মেজদির মাথায় পড়ে। এই ঘটনার উনি মারাত্মকভাবে মাথায় আঘাত পান। ঘটনাটা বালি হাজরাপাড়া লেনে ঘটে। বর্ষায় ইঁটের চাঁই আলগা অবস্থায় ছিল। এই অবস্থায় দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

জুন ১৯, ২০২১
কলকাতা

Gyaneswari Incident: 'মৃত' ব্যক্তিকে আটক করল সিবিআই

জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তি আচমকাই জীবিত হয়ে উঠলেন। শুধুই বেঁচে ওঠেননি। একই সঙ্গে সরকারি ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরিও ভোগ করছিলেন এতদিনে। কিন্তু জালিয়াতি বেশিদিন চালানো গেল না। শনিবার কলকাতার জোড়াবাগান এলাকা থেকে ভুয়ো নথি, ডিএনএ রিপোর্ট ও ডেথ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম অমিতাভ চৌধুরী। আটক করা হয়েছে অভিযুক্তের বাবাকেও।২০১০ সালের ২৮ মে জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় প্রায় ১৫০ জনের। মৃতদের পরিবারে জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরির ঘোষণা করে রেল। তবে নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়, ক্ষতিপূরণের জন্য মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর শংসাপত্র জমা করতে হবে। একই সঙ্গে মৃত ব্যক্তির ডিএনএ-র নমুনা মিলবে এমন কোনও পরিবারের ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, এই ডেথ সার্টিফিকেট এবং এবং ডিএনএ রিপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেই কারচুপি করেছিলেন অভিযুক্ত অমিতাভ।জীবিত মানুষকেই কাগজপত্রের মাধ্যমে মৃত ঘোষণা করে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরি বাগিয়ে নেওয়া হয়। নথিতে মৃত অমিতাভ চৌধুরীর বোন রেলের একটি উর্ধ্বতন পদে সেই চাকরি পান। সেই ঘটনার প্রায় ১০ বছর পর রেলের অভ্যন্তরীণ অডিটে এই বেআইনি কার্যকলাপ ধরা পড়ে। অভিযোগ দায়ের করা হয় সিবিআই-এর দুর্নীতিদমন শাখায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শুক্রবার রাতে জোড়াবাগান থাকা এলাকায় অভিতাভ চৌধুরীর বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। এরপর গতকাল রাতেই অমিতাভ চক্রবর্তী এবং তাঁর বাবাকে আটক করে সিবিআই। বর্তমানে তাঁদের নিজামে প্যালেসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, এর পিছনে একটি বড় চক্র কাজ করতে পারে। এই ধরনের ভুয়ো নথি জমা পড়লে সাধারণত গোড়াতেই তদন্তের সময় ধরা পড়ে। তাহলে কেন আগে এদের ধরা গেল না? তবে কি রেলের কোনও আধিকারিকও গোটা ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে? আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না সিবিআই।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

CoronaVirus: প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর

কোভিড পরবর্তী প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। শনিবার রাত ৮.৪০ মিনিট নাগাদ তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩। তার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Heartfelt condolences to the family supporters of Jayanta Naskar. Deeply pained at this colossal loss.As a 3-time MLA from Gosaba, he had dedicated his life towards serving people was always with us through our many struggles. He will be remembered dearly. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 19, 2021মাসখানেক আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন জয়ন্ত নস্কর। প্রথমে তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখান থেকে পরে নিয়ে যাওয়ায় হয় মধ্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এক মাসের বেশি সময় ধরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল সেখানে। কোভিড মুক্ত হলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। কোভিড পরবর্তী চিকিৎসা চলছিল জয়ন্ত নস্করের। সুন্দরবনের গোসাবা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিন বার বিধায়ক পদে জিতেছেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক জয়ন্ত নস্কর। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে কংগ্রেসে ছিলেন তিনি। পরে তৃণমূলের জন্মলগ্নেই ওই দলে যোগদান করেন তিনি। বাসন্তির চুনাখালি গ্রামে তাঁর জন্ম। পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী-সহ দুই ছেলে এবং তিন মেয়ে।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

বড় ঘটনা (Maldah Murder): দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা পর চার সদস্যকে খুন করে বাড়িতেই পুঁতে রাখল যুবক

একই পরিবারের চারজনের রহস্যমৃত্যু। মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করে মাটিতে দেহ পুঁতে রাখল যুবক। এই ঘটনায় পরিবারের একমাত্র ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুনের কথাও স্বীকার করেছে সে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদহের (Maldah) কালিয়াচকের আটমাইল এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই ওই পরিবারের চার সদস্যকে তাঁরা দেখতে পাচ্ছিলেন না। ওই যুবক সেই সময় বাড়িতেই ছিল। তার কাছ থেকে বারবার মা, বাবা, বোন এবং দিদার খোঁজ নেন প্রতিবেশীরা। সে জানায়, পরিবারের বাকি চার সদস্য বেড়াতে গিয়েছেন। তবে করোনা পরিস্থিতির মাঝে ওই চারজন কোথায় বেড়াতে গেলেন, তা নিয়ে তৈরি হয় ধোঁয়াশা। পুলিশ সূত্রে খবর, সে জানায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাবা, মা, বোন এবং দিদাকে খুন করেছে। প্রমাণ লোপাটের জন্য বাড়িতেই মাটির তলায় দেহ পুঁতে রেখেছে বলেও স্বীকার করে অভিযুক্ত। কী কারণে মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করল, সে প্রশ্ন উঠছে। সম্পত্তিগত বিবাদের জেরে খুন নাকি অন্য কিছু, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, নিহত গৃহকর্তা ইট, বালি, পাথরের ব্যবসা করতেন। ডাম্পারও ছিল তাদের। পরিবার যথেষ্ট বিত্তশালী। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত এলাকারই এক মিশন স্কুলে একাদশ শ্রেণিতে পড়ত। প্রতিবেশীদের কারও সঙ্গে বিশেষ মিশত না। পরিজনদের সঙ্গে তেমন কথাবার্তা বলত না। নিজের ঘরেই বেশিক্ষণ সময় কাটাত সে। সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে থাকত বছর ১৮-র আসিফ মেহবুব। ঘরে ল্যাপটপ, একাধিক ফোন, সাউন্ড সিস্টেম, টিভি, সিসি ক্যামেরা সমেত বহু অত্যাধুনিক গেজেট উদ্ধার হয়েছে। বাইরের কারও প্রবেশের অনুমতি ছিল না বাড়িতে। নিজের বাড়িতেই ল্যাব তৈরি করেছিল সে। আরও জানা গিয়েছে, প্লাইউড দিয়ে বেশ কয়েকটি কফিন তৈরি করেছিল অভিযুক্ত। বাবা-মা ভেবেছিলেন, ছেলে হয়তো গবেষণা করছে। তাই ছেলের কথা মতো ওই কফিনের মধ্যে জীবিত অবস্থা মা, বাবাকে ঢুকিয়েছিল সে। প্রত্যেকের মুখে লাগিয়েছিল সেলোটেপ। অভিযুক্তের দাদার দাবি, গোটা ঘটনাটির সাক্ষী ছিলেন তিনি। তারপরই অভিযুক্ত তার দাদাকে মারধর করে। খুনের হুমকি দেয়। জীবন বাঁচাতে কলকাতায় পালিয়ে যান তিনি। দিনদুয়েক আগে এলাকায় ফিরে বাবা, মা, বোন, দিদার উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা জানতে পারে। তারপরই পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানান তিনি।

জুন ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Milkha Singh: থেমে গেলেন মিলখা! জীবন যুদ্ধে ফটোফিনিশে হার মানলেন প্রতিদ্বন্দ্বী করোনার কাছে

শরীরে কোভিড থাবা বসানোর ৩০ দিনের মাথায় প্রয়াত হলেন পদ্মশ্রী মিলখা।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১। একমাস লড়াই করার পরে শুক্রবার তার ৯১ বছর বয়সী মিলখা কোভিড -১৯ এর কাছে হেরে যাওয়ার আগে, মিলখা কতরকমের লড়াইয়ে জিতেছিল সেগুলি অনেকের কাছে দঃস্বপ্ন, এক অদম্য লড়াইয়ের কাহিনি ইতি পড়ল।উড়ন্ত শিখ নামেই তিনি পরিচিত ছিলেন। রোম অলিম্পিকে মাত্র ০.১ সেকেন্ডের জন্য ব্রোঞ্জ পদক জিততে পারেননি। সেই মিলখা সিং (Milkha Singh) আর নেই। বাবার চলে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ছেলে গলফার জীব মিলখা সিং। কিংবদন্তি অ্যাথলিটের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ক্রীড়াজগত। শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। In the passing away of Shri Milkha Singh Ji, we have lost a colossal sportsperson, who captured the nations imagination and had a special place in the hearts of countless Indians. His inspiring personality endeared himself to millions. Anguished by his passing away. pic.twitter.com/h99RNbXI28 Narendra Modi (@narendramodi) June 18, 2021গত ২০ মে কোভিড (CoronaVirus) আক্রান্ত হয়েছিলেন মিলখা। তাঁর বাড়ির দুই পরিচারক করোনা সংক্রমিত হয়েছিলেন। বাড়ির অন্যান্যদের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও, মিলখার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে এসেছিলেন।করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পরও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন মিলখা। এর মধ্যেই দিন পাঁচেক আগে স্ত্রী নির্মল কৌর প্রয়াত হন।তিনিও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন মিলখা। রক্তে কমে যায় অক্সিজেনের মাত্রা। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে ছিল জ্বর। চণ্ডীগড়ের একটি হাসপাতালের আইসিইউ-তে রাখা হয় তাঁকে। শুক্রবার সন্ধে থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। শেষপর্যন্ত আর যুঝতে পারেনি তাঁর শরীর। চিন্তা করবেন না, আমার মনের প্রচুর জোর, আমি ভাল আছি ... আমি অবাক হচ্ছি, আমি কীভাবে এই করোনা তে সংক্রমিত হলাম? ... আমি আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এটাকে হারিয়ে দেবো। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে পিটিআইয়ের সাথে শেষ কথাবার্তায় মিলখা বলেছিলেন।তাঁর উত্থানের আগে ভারতে অ্যাথলিটক্স স্বমন্ধে সাধরন মানুষের মধ্যে সেভাবে উৎসাহ চোখে পরত না। তিনি স্বাধীন ভারতের এক অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়া আইকন, জীবনের প্রতি পদক্ষপে তাঁকে লড়াই করে যেতে হয়েছে, কিন্তু তিনি কোনও দিনই সেগুলিকে সেইভাবে গুরুত্ব দিতে চাননি। তাঁর জীবনের বানী ছিল যন্ত্রণা আড়ালেই সাফল্য লুকিয়ে থাকে পাঞ্জাবের গোবিন্দপুর গ্রামে হতদরিদ্র এক পরিবারে মিলখার জন্ম। দারিদ্র্য এতটাই যে অন্য কিছু ভাবার অবকাশ কারও ছিল না। কোনওভাবে বেঁচে থাকাটাই ছিল বড় ব্যাপার। তিনি দেখেছিলেন যে দেশভাগের সময় তার বাবা-মা খুন হয়েছেন, দিল্লির শরণার্থী শিবিরে থাকার সময় ছট্টো অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাঁকে সেটার জন্য হাজতবাস করতে হয়েছিলো। হাজতবাসের জন্য তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ইচ্ছা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া পূরন হয়নি। কে ভেবে ছিল সেই মিলখাকে নিয়ে তাঁর আত্মজীবনী দ্য ফ্লাইং শিখ লেখা হবে? মিলখা দিনের পর দিন রক্ত ঘাম ঝড়িয়ে এটি অর্জন করেছেন এবং নিজেকে ওই কঠিন পরিস্থিতি থেকে কীভাবে আরও বড় এবং আরও উন্নত করে মাস্টার-ক্লাস নিয়ে যাওয়াজায় সেটাতেই মগ্ন ছিলেন।এই কিংবদন্তি অ্যাথলিট চারবারের এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদক (১৯৫৮ টোকিও, ১৯৬২ জাকার্তা), এবং ১৯৫৮ সালের কমনওয়েলথ গেমস চ্যাম্পিয়ন ছিলেন, মিলখা সিং কে বলতে যে দৌড়ের কথা এক পলকে মনে সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সটি ছিল ১৯৬০ এর রোম অলিম্পিকের ৪০০ মিটার ফাইনাল, পদক না জিতলেও তা সারা পৃথবীর মানুষের মন জয় করে নিতে পেরে ছিলেন। তিনি চতুর্থ স্থান অর্জনকারী।মিলখা তাঁর ১৬০ পৃষ্ঠার আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন আমার ক্যারিয়ারের জন্য আমি যে পদকটি জিততে চেয়েছিলাম সেটা হাত ফসকে গেছিলো বিচারকদের এক ছোট্টো ভুলের কারণে। তাঁর সে আত্মজীবনী আধারিত বলিউডের সিনেমা ভাগ মিলখা ভাগ চূড়ান্ত সাফল্য লাভ করে।৪০০ মিটার দৌড়ে তাঁর ইতালীর রাজধানীতে করা সময় ৩৮ বছর ধরে জাতীয় রেকর্ড থেকে যায়। ভারত সরকার তাঁকে পদ্মসন্মানে ভূষিত করেন ১৯৫৯এ, তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।১৯৫৮ র কমনওয়েলথ গেমসে ৪৪০গজ দৌড়ে তাঁর স্বর্ন পদক প্রাপ্তি বিশ্বে অ্যাথলেটিক্স মানচিত্রে ভারতকে এক আলাদা জায়গা করে দেয়। তবে অন্য কোনও কিছুর চেয়ে বড় কথা, মিলখা তিনিই ছিলেন যিনি ১৯৫৮ সালের ব্রিটিশ ও কমনওয়েলথ গেমসের তৎকালীন ৪৪০ গজ দৌড়ে সোনা জয়ের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে ভারতীয় ক্রীড়াবিদকে রেখেছিলেন। এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য, মিলখার কমনওয়েলথ গেমসে ব্যাক্তিগত সাফল্যকে সন্মান ঞ্জাপন করতে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছিলেন।মিলখা তার দীর্ঘ অ্যাথলেটিক্স ক্যারিয়ারে ৮০ টি প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণ করে তাঁর মধ্যে ৭৭ টিতে জয়লাভ করেন। মিলখার জীবন নিয়ে পরবর্তীকালে তৈরি হয় বায়োপিক ভাগ মিলখা ভাগ (Bhaag Milkha Bhaag)। মিলখার ভূমিকায় অভিনয় করেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আখতার। মিলখা সত্যিই দ্রুত গতিতে সব কিছুকে পিছনে ফেলে অস্পুট স্বরে ভাগ মিলখা ভাগ বলতে বলতে চলে গেলেন এক অজানার দেশে।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

Madhyamik and Higher Secondery Examination: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন পদ্ধতির ঘোষণা করল বোর্ড

করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতিতে স্থগিত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক। বিকল্প পদ্ধতিতে কীভাবে মূল্যায়ন হবে, যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করে ফর্মুলা জানালেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক সংসদের সভাপতি। কোনও পড়ুয়া চাইলে বসতে পারে দশমের পরীক্ষায়। আগামী জুলাইয়ের মধ্যে ফলপ্রকাশের সম্ভাবনা। বিকল্প পরীক্ষা পদ্ধতি জানতে পেরে স্বস্তিতে পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকরা।মধ্যশিক্ষা (Madhyamik) পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, মাধ্যমিকের বিকল্প হিসাবে নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফল এবং দশম শ্রেণির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতে ফলপ্রকাশ করা হবে। ওই নম্বরে কেউ সন্তুষ্ট না হলে আবেদন করতে পারে। সেক্ষেত্রে নেওয়া হবে পরীক্ষা। ওই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে দেওয়া হবে মার্কশিট। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি ডঃ মহুয়া দাস জানান, উচ্চমাধ্যমিকের বিকল্প হিসাবে ২০১৯ সালের মাধ্যমিকের চারটি বিষয়ের সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তি করে ৪০ শতাংশ নম্বরের ওয়েটেজ, ২০২০ সালের একাদশের বার্ষিক পরীক্ষার ভিত্তিতে ৬০ শতাংশ ওয়েটেজ এবং দ্বাদশের প্র্যাকটিকাল প্রজেক্টের ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ফলপ্রকাশ করা হবে। করোনা আবহে বারবার পিছিয়েছে মাধ্যমিক (Madhyamik Exam) এবং উচ্চমাধ্যমিক (Higher Secondery Exam)। বিধানসভা নির্বাচনের পর বোর্ডের দুই পরীক্ষা নেওয়া হবে বলেই প্রথমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে স্কুলপড়ুয়াদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রেখে কীভাবে তা নেওয়া সম্ভব, সে বিষয়ে দফায় দফায় আলোচনা হয়। করোনা আবহে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক নেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে জনমতও জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জনমত পাওয়ার পরই মুখ্যমন্ত্রী চলতি বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বিকল্প পদ্ধতিতে কীভাবে পড়ুয়াদের নম্বর দেওয়া হবে, তা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চমাধ্যমিক সংসদ স্থির করবে বলেও জানান তিনি।

জুন ১৮, ২০২১
কলকাতা

High Court: নন্দীগ্রাম মামলায় 'পক্ষপাতদুষ্ট' বিচারপতিকে সরানোর আবেদন মমতার

ভোটের লড়াই এখন পৌঁছে গিয়েছে সোজা হাইকোর্টে(High court)। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী করা মামলায় এ বার বিচারপতিকে নিয়ে প্রশ্ন উঠল। এবং যে বিচারপতির এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে তা সরানোর আবেদন জানালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। বিচারপতি কৌশিক চন্দের (Kaushik Chanda) এজলাস থেকে মামলা সরানোর আবেজন জানিয়ে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালকে একটি চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Bannerjee) আইনজীবী। এদিকে, নন্দীগ্রাম মামলা বিচারপতি চন্দের এজলাসে পাঠানোর প্রতিবাদে মুখে কালো মাস্ক এবং হাতে পোস্টার নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন আইনজীবীরা। পোস্টারে লেখা ছিল, বিচারব্যবস্থার সঙ্গে রাজনীতি করবেন না।বিচারপতি কৌশিক চন্দের ইতিহাস টেনে মমতা দাবি করেছেন, আইনজীবী থাকাকালীন কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। তিনি এই মামলার বিচার করলে রায় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে, এমন দাবি তোলা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে।ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে দেওয়া চিঠিতে মমতা মনে করিয়ে দিয়েছেন, কোনও আইনজীবী বিচারপতি হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতির প্রয়োজন হয়। কৌশিক চন্দ আইনজীবী থেকে বিচারপতির পদে উন্নীত হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও এই বার্তা গিয়েছিল এবং সেই সময় তিনি আপত্তি তুলেছিলেন। যেহেতু কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি সমর্থক ছিলেন তাই মুখ্যমন্ত্রীর তাঁকে বিচারপতির পদে উন্নীত করা নিয়ে আপত্তি ছিল।যদিও তারপর বিচারপতির পদে শপথ নেন কৌশিক চন্দ। ঠিক এখানেই মমতার প্রশ্ন, যেখানে স্পর্শকাতর মামলাটি খোদ একজন বিজেপি প্রার্থীর জয়ের বিরুদ্ধে, সেখানে এই বিচারপতি কী ভাবে মামলাটি শুনতে পারেন! তিনি শুনলেও রায় পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, শুক্রবার মামলাটি এজলাসে উঠলে আইনজীবীদের একাংশও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন। এ দিন দেখা যায়, যখন হাইকোর্টে মামলাটি দায়ের হয় সেদিনই আপত্তি তোলেন মমতা।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

Black Fungus: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল থেকে পলাতক আক্রান্ত মহিলা

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে পলাতক মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ( Black Fungus) সংক্রমিত এক মহিলা। কোথায় পালিয়ে গেলেন ওই মহিলা, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তাঁর খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, ওই মহিলা মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। গত কয়েকদিন আগেই নানা শারীরিক উপসর্গ নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন বছর পঞ্চান্নর ওই মহিলা। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায়, ওই মহিলার শরীরে থাবা বসিয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। সেকথা জানানো হয় তাঁকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের কথা শুনে বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন রোগী। কিছুক্ষণ পর নার্সরা তাঁর খোঁজ নিতে আসেন। দেখেন নির্দিষ্ট বে়ডে নেই ওই মহিলা। শুরু হয় খোঁজখবর। গোটা হাসপাতালেই পাওয়া যায়নি তাঁকে। মহিলার উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (North Bengal Medical College Hospital) ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, আমাদের মেডিক্যাল কলেজ থেকে এক ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত এক মহিলা উধাও হয়ে গিয়েছেন। সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ওই মহিলার খোঁজ করছেন।

জুন ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Nandigram: ভোট পুনর্গননার মমতার আবেদনের শুনানি পিছল

নন্দীগ্রামের (Nandigram) নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলার শুনানি আজ হল না কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta HC)। আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত শুনানি পিছিয়ে দিলেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। সূত্রের খবর, আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি। তবে আজ মামলাটি গৃহীত হয়েছে।এর মধ্যে এই মামলায় যুক্ত সব পক্ষকে এখনও আবেদনের প্রতিলিপি পাঠানো হয়নি। সেই কাজও সম্পূর্ণ করতে হবে। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)কাছেও মামলার নোটিস পাঠাতে হবে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানিয়ে দেন, এই সব আইনি প্রক্রিয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াইয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার সন্ধের পর হাইকোর্টে তিনি নিজেই মামলাটি দায়ের করেন। তা বিশেষ মামলা হিসেবে চিহ্নিত করে শুক্রবার দিনের শুরুতেই শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন মামলাটি গ্রহণের পর শুনানি স্থগিত করে দিয়েছেন বিচারপতি।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: বাধা বৃষ্টি, স্থগিত মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

বঙ্গে পা রেখেই ঝোড়ো ইনিংস শুরু করেছে বর্ষা (Monsoon)। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ের চাপে রাজ্যজুড়ে চলছে দুর্যোগ। একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন বহু এলাকা। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদীর জলস্তর বৃদ্ধিও। শনিবার পর্যন্ত এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাই উত্তরবঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ২১ জুন উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)। তৃতীয়বার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর। তাই এবারের উত্তরবঙ্গ সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গত লোকসভার মতো বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বেশ কঠিন লড়াই করতে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। হাতছাড়া হয়েছে বহু আসন। তাই মনে করা হচ্ছে কী কারণে ভোটবাক্সের এমন অবস্থা হল, তা খতিয়ে দেখতেই মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। তাছাড়া উত্তরবঙ্গে প্রায়শই দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা শোনা যায়। তা প্রশমন করাও লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়া দলনেত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর স্থানীয় দলীয় কর্মীদের মনোবল যে বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, তা নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এছাড়াও এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে পাঁচ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে শিলিগুড়িতে বৈঠকেরও কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেক্ষেত্রে আধিকারিকদের নিজস্ব জায়গা ছেড়ে শিলিগুড়িতে আসতে হত। তার ফলে ত্রাণ এবং প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্তদের উদ্ধারকাজ থমকে যেতে পারে, তাই উত্তরবঙ্গ সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত বলেই জানিয়েছেন গৌতম দেব।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

বোমা উদ্ধার

বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান পুরসভার ২৬ নং ওয়ার্ডের গোদা মাঝের পাড়া এলাকায়। বর্ধমান থানার পুলিশ পৌঁছে ঘটনাস্থল থেকে ২ দুটি তাজা বোমা উদ্ধার করে।এলাকায় অশান্তি ও ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টির লক্ষ্যেই দুষ্কৃতীরা এই বোমাগুলি রেখেছিল বলে দাবী স্থানীয়দের।কোথা থেকে এল বোমাগুলি বা কারা রাখলো বোমাগুলি তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও পুরো ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

জুন ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 66
  • 67
  • 68
  • 69
  • 70
  • 71
  • 72
  • ...
  • 91
  • 92
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোর ছুটিতে ১০ হাজারের বাজেটে ঘুরে আসুন! কলকাতার কাছেই রয়েছে ১৪ চোখধাঁধানো ডেস্টিনেশন

শহরের ক্রমাগত ব্যস্ততা, ট্রাফিকের ক্লান্তি আর কাজের একঘেয়েমি চাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে চান? উইকেন্ড বা সাপ্তাহিক ছুটিতে একটু ঘুরে আসা এখন শুধু বিলাসিতা নয়, মানসিক শান্তির অন্যতম ওষুধ বলতে পারেন। রবিঠাকুর থেকে পাহাড়ের ঠান্ডা বাতাস, কলকাতার কাছেই লুকিয়ে রয়েছে এমন বেশ কিছু তাকলাগানো ডেস্টিনেশন, যেখানে কয়েকটা দিন কাটালেই ফিরে পাওয়া যাবে কাজের নতুন শক্তি, মনে ফিরবে নয়া সতেজতা।১. গ্যাংটক (সিকিম)সিকিমের এই নয়নাভিরাম রাজধানী শহরটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত গ্যাংটক প্রকৃতির রূপ, অ্যাডভেঞ্চার এবং বৌদ্ধ সংস্কৃতির এক অপরূপ মিলনস্থল।বিশেষ আকর্ষণ: এমজি মার্গ (MG Marg), রুমটেক মনাস্ট্রি, ছাঙ্গু লেক (Tsomgo Lake) এবং স্থানীয় সুস্বাদু খাবার থুকপা, সেল রুটি ও ছুরপি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকের দূরত্ব প্রায় ৫৫০ কিমি। সবচেয়ে দ্রত পৌঁছাতে কলকাতা (CCU) থেকে বাগডোগরা (IXB) পর্যন্ত বিমান যাত্রা এবং সেখান থেকে গাড়ি বা ট্যাক্সিতে গ্যাংটক (সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস (বসন্তের মনোরম আবহাওয়া, তাপমাত্রা ১৫C২৫C)।২. নামচি (সিকিম)সিকিমের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এক অপরূপ শহর নামচি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই শহরের উচ্চতা প্রায় ৭,০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই শহর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার এক অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।বিশেষ আকর্ষণ: সামদ্রুপসে পাহাড়ে অবস্থিত পদ্মসংভবের বিশাল মূর্তি, চারধাম (সিদ্ধেশ্বর ধাম), তারে ভিড় এবং নামচি মনাস্ট্রি।কীভাবে যাবেন: গ্যাংটক থেকে নামচির দূরত্ব মাত্র ৭৮ কিমি। ট্যাক্সি বা ক্যাবে সময় লাগে প্রায় আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস।৩. রাভাংলা (সিকিম)নামচি থেকে মাত্র ২৬ কিমি দূরে অবস্থিত হিমালয়ের কোলে এক শান্ত হিল স্টেশন রাভাংলা। যারা অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা।বাজেট ১০ হাজার? পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসুন চোখধাঁধানো এই সব ট্র্যাভেল ডেস্টিনেশন থেকে, রইল অ্যাডভেঞ্চারের সেরা ঠিকানাবিশেষ আকর্ষণ: বুদ্ধ পার্ক, মীনাম ওয়াইল্ডলাইফ স্যাঙ্কচুয়ারি এবং মীনাম হিল ট্র্যাক। স্থানীয় ভুটিয়া ও লেপচা সংস্কৃতির স্বাদ মিলবে এখানে।কীভাবে যাবেন: ট্রেনযোগে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) পৌঁছে সেখান থেকে সরাসরি ট্যাক্সিতে রাভাংলা (সময় লাগে প্রায় ৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস (তাপমাত্রা ১০C২০C)।৪. ডুয়ার্স (পশ্চিমবঙ্গ)উত্তরবঙ্গের নদী, পাহাড় ও ঘন জঙ্গলে ঘেরা এক সবুজ জানলা হলো ডুয়ার্স। চা বাগান এবং বন্যপ্রাণীদের মুক্ত বিচরণ এই অঞ্চলের প্রধান আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: বক্সা টাইগার রিজার্ভ, গরুমারা জাতীয় উদ্যান, জলদাপাড়া এবং মেচ, বোডো ও টোটো উপজাতিদের বর্ণময় সংস্কৃতি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের মতো নৈশ ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি বা নিউ মাল জংশন নেমে সহজেই গাড়ি ধরে নেওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ (শীতকাল বন্যপ্রাণী দেখার জন্য সেরা)।৫. দার্জিলিং (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের রানি দার্জিলিং পর্যটকদের চিরন্তন প্রিয় ডেস্টিনেশন। হিমালয়ের আবহাওয়া, বিশ্বখ্যাত দার্জিলিং চা এবং শৈলশহরের ট্র্যাডিশনাল পরিবেশ মন ভালো করার জন্য যথেষ্ট।বিশেষ আকর্ষণ: টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয়, বাতাসিয়া লুপ, ঘুম স্টেশন ও টয় রাইড।কীভাবে যাবেন: বিমান বা ট্রেনে বাগডোগরা বা নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি বা শেয়ার ক্যাবে ৩-৪ ঘণ্টার পথ।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এবং মার্চ থেকে মে।জনতা দরবারে ৬ মাসের শিশুর বিরল চিকিৎসার আবেদন, ১৭ কোটি টাকার জিন থেরাপিতে সাহায্যের আশ্বাসে রাজ্যবাসীর মন জিতলেন শুভেন্দু৬. মিরিক (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের মাঝে নিস্তব্ধতা পছন্দ করলে দার্জিলিং জেলার ছোট্ট শহর মিরিক একটি চমৎকার বিকল্প। লেপচা শব্দ মির-ইওক (যার অর্থ আগুনে পোড়া স্থান) থেকে মিরিক নামের উৎপত্তি।বিশেষ আকর্ষণ: সুমেন্দ মাহাল বা মিরিক লেক, লেকের ওপরের ইন্দ্রধনু পুল (ইন্দ্রধনু ব্রিজ) এবং চারপাশে পাইন গাছের জঙ্গল।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৫০ কিমি দূরে অবস্থিত মিরিকে গাড়ি বা বাসে অনায়াসে পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস।৭. কালিম্পং (পশ্চিমবঙ্গ)হিমালয়ের পাদদেশে তিস্তা নদীর ঠিক ওপরে অবস্থিত কালিম্পং। শান্ত আবহাওয়া ও ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্যের জন্য এই শহরটির বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।বিশেষ আকর্ষণ: দূরপিন মনাস্ট্রি, ফাগু মনাস্ট্রি, বিখ্যাত ক্যাকটাস গার্ডেন এবং ব্রিটিশ আমলের মরগান হাউস।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর বা এনজিপি স্টেশন থেকে গাড়িতে প্রায় ৭০ কিমি দূরত্ব।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মে মাস (তবে বর্ষায় পাহাড়ি রূপ দেখতে জুন-সেপ্টেম্বরেও অনেকে যান)।৮. শান্তিনিকেতন (পশ্চিমবঙ্গ)বাঙালির সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন উইকেন্ড ট্রিপের জন্য সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় পছন্দ।বিশেষ আকর্ষণ: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র ভবন ও মিউজিয়াম, ছাতিমতলা, আমার কুটির এবং সোনাঝুরির শনিবারের হাট।কীভাবে যাবেন: হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে বোলপুরগামী ট্রেন (যেমন কুলিক বা গণদেবতা এক্সপ্রেস)। সময় লাগে প্রায় ২.৫ থেকে ৩ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: নভেম্বর থেকে মার্চ (পৌষ মেলা ও বসন্ত উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে)।৯. বিষ্ণুপুর (পশ্চিমবঙ্গ)বাঁকুড়া জেলার এই ঐতিহাসিক শহরটি তার প্রাচীন পোড়ামাটির (টেরাকোটা) মন্দির ও মল্ল রাজাদের ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত।বিশেষ আকর্ষণ: রাসমেঞ্চ, জোরবাংলা মন্দির, মদনমোহন মন্দির, দলমাদল কামান এবং জগৎখ্যাত বালুচরি শাড়ির বুটিক ও বয়ন কেন্দ্র।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে বাস বা ট্রেনে খুব সহজেই বিষ্ণুপুর পৌঁছানো যায়। গাড়িতে সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে জানুয়ারি।১০. খয়রাবেড়া লেক (পুরুলিয়া)পাহাড়, জঙ্গল আর প্রাকৃতিক জলাভূমির এক অপূর্ব মেলবন্ধন পুরুলিয়ার খয়রাবেড়া। শীতের মৌসুমে বহু পরিযায়ী পাখির আস্তানা হয়ে ওঠে এই লেকটি।বিশেষ আকর্ষণ: খয়রাবেড়া ড্যাম, বাঘমুণ্ডি পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাঁওতালি নাচ এবং স্থানীয় ভাদু উৎসব।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া স্টেশন (যেমন হাওয়াড়া-রাঁচি এক্সপ্রেস)। সেখান থেকে ট্যাক্সি বা গাড়িতে বাঘমুণ্ডির দিকে খয়রাবেড়া।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল।পর্যটকদের জন্য বড় চমক, জঙ্গলঘেরা পরিবেশে পান শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট-এর ভাইভ! মেগা আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য১১. জয়চণ্ডী পাহাড় (পুরুলিয়া)সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশে ছবির শুটিংয়ের কারণে দর্শনার্থীদের কাছে জয়চণ্ডী পাহাড়ের এক আলাদা পরিচিতি রয়েছে। অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিংপ্রেমীদের জন্য এটি দুর্দান্ত একটি স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: পাহাড়ে ওঠার সিঁড়ি ও চূড়ায় অবস্থিত প্রাচীন জয়চণ্ডী মন্দির, ফটোগ্রাফির জন্য আদিম প্রকৃতির মনোরম ভিউ।কীভাবে যাবেন: পুরুলিয়া শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, সেখান থেকে বাস বা অটোতে যাওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ।১২. বারন্তী (পুরুলিয়া)পঞ্চলকোট ও বিহারীনাথ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা এক নিভৃত আদিবাসী গ্রাম বারন্তী। বারন্তী লেক ও তার সূর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।বিশেষ আকর্ষণ: বারন্তী লেক, পাহাড়ি পথ ধরে ট্রেকিং এবং উপজাতীয় শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ।কীভাবে যাবেন: আসানসোল বা আদ্রা স্টেশন হয়ে রঘুনাথপুর পৌঁছানোর পর সেখান থেকে স্থানীয় গাড়ি বা অটোয় বারন্তী।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।শুধু পুজো নয়, এযেন রূপকথা! এবার উত্তর কলকাতার এই বিখ্যাত পুজোমণ্ডপে ঢুকলেই শুনবেন গঙ্গার গর্জন!১৩. বামনী জলপ্রপাত (পুরুলিয়া)অযোধ্যা পাহাড়ের মাঝখানে ঘন সবুজের বুক চিরে নেমে আসা বামনী জলপ্রপাত পুরুলিয়ার অন্যতম সেরা আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: জলপ্রপাতের শীতল হাওয়া ও পাইন গাছের সুবাস। মূল জলপ্রপাতে পৌঁছাতে প্রায় ৪০০টি সিঁড়ি নামতে হয়, যা এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া পৌঁছে সেখান থেকে অযোধ্যা পাহাড়ের পথে ট্যাক্সি বা ক্যাব ভাড়া করতে হয়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি।১৪. ঘাটশিলা (ঝাড়খণ্ড)ঝাড়খণ্ডের সুবর্ণরেখা নদীর তীরে অবস্থিত পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা এই ছোট্ট শহরটির সঙ্গে বহু বাঙালি সাহিত্যিকের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতিধন্য এই স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: রঙ্কিনী মাতা মন্দির, বুরুডি লেক, ফুলডুংরি পাহাড় এবং ধারাগিরি জলপ্রপাত।কীভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে মাত্র ২০০ কিমির সামান্য বেশি দূরত্ব। ইস্পাত এক্সপ্রেস বা মেমু ট্রেনে ৩-৪ ঘণ্টায় সরাসরি পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

সোনার দামে রেকর্ড পতন, দুর্গাপুজোর আগেই কলকাতায় জলের দরে হলুদ ধাতু

আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার মধ্যে ভারতের বাজারে সোনা ও রুপোর দামে ফের বদল লক্ষ্য করা গেল। বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ভারতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে দাঁড়িয়েছে ১,৪৮,৮৬০ টাকা। অন্যদিকে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১০ গ্রামে ১,৩৬,৪৪৫ টাকা। একই সময়ে রুপোর দাম প্রতি কেজিতে রয়েছে ২,২৫,৩০০ টাকা। Bullion.co.in-এর তথ্য অনুযায়ী এই দামগুলি প্রকাশ করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) সোনা ও রুপোর দামে আরও পতন দেখা যায়। অক্টোবর মেয়াদের সোনার ফিউচার ১০ গ্রামে ১,৪৬,২৩২ টাকায় লেনদেন শেষ করে। অন্যদিকে রুপোর ফিউচার প্রতি কেজিতে ২,২৫,৪৫০ টাকায় সেশন শেষ করে।বিশ্ববাজারে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বহু বছরের উচ্চতার কাছাকাছি থাকায় সোনা-রুপোর মতো সুদ না দেওয়া সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে চাপ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং চলতি বছরে ফেডারেল রিজার্ভের আরও সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও মূল্যবান ধাতুর বাজারে প্রভাব ফেলছে। মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কাও বাজারে রয়েছে।আন্তর্জাতিক বাজারে COMEX-এ সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪,২০৮.৯ ডলার, যা আগের দামের তুলনায় ২৯.২ ডলার বা ০.৭০ শতাংশ বেশি ছিল। একই সময়ে রুপোর দাম ছিল ৬১.৪৫ ডলার প্রতি আউন্স, যা প্রায় ০.৪৯ শতাংশ বেড়েছে।শহরভিত্তিক ২৪ ক্যারেট সোনার দামমুম্বই: ১,৪৮,৫৯০ প্রতি ১০ গ্রামদিল্লি: ১,৪৮,৩৪০ প্রতি ১০ গ্রামচেন্নাই: ১,৪৯,০৩০ প্রতি ১০ গ্রামকলকাতা: ১,৪৮,৪০০ প্রতি ১০ গ্রামবেঙ্গালুরু: ১,৪৮,৭১০ প্রতি ১০ গ্রামহায়দরাবাদ: ১,৪৮,৮৩০ প্রতি ১০ গ্রাম২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে মুম্বইয়ে দাম ১,৩৬,২০৮ টাকা, দিল্লিতে ১,৩৫,৯৭৮ টাকা, চেন্নাইয়ে ১,৩৬,৬১১ টাকা, কলকাতায় ১,৩৬,০৩৩ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ১,৩৬,৩১৮ টাকা এবং হায়দরাবাদে ১,৩৬,৪২৮ টাকা প্রতি ১০ গ্রাম।আজকের রুপোর দামবুধবার ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,২৫,৩০০ টাকা। অন্যদিকে ৯২৫ স্টার্লিং রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,০৮,৪০৩ টাকা। শহরভেদে ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম মুম্বইয়ে ২,২৪,৮৯০ টাকা, দিল্লিতে ২,২৪,৫১০ টাকা, চেন্নাইয়ে ২,২৫,৫৫০ টাকা, কলকাতায় ২,২৪,৬০০ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ২,২৫,০৭০ টাকা এবং হায়দরাবাদে ২,২৫,২৫০ টাকা প্রতি কেজি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

১ অক্টোবর থেকে চালু নতুন নিয়ম, LPG-র e-KYC না থাকলেই সর্বনাশ ,কীভাবে চেক করবেন স্টেটাস?

LPG e-KYC: অক্টোবরের শুরুতেই LPG গ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে পরিবর্তন আসতে চলেছে। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে অক্টোবর মাস। আর ১ অক্টোবর থেকে LPG সংযোগের e-KYC নিয়ে কড়া নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। যাঁরা এখনও তাঁদের গ্যাস সংযোগের e-KYC সম্পূর্ণ করেননি, তাঁরা LPG ভর্তুকির সুবিধা পাবেন না বলে জানানো হয়েছে। ফলে তাঁদের বাজারদরেই রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হতে পারে।LPG ভর্তুকির সুবিধা চালু রাখতে গ্রাহকদের e-KYC সম্পূর্ণ করা জরুরি। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কথা বলা হয়েছে। তবে শুধু e-KYC করলেই হবে না, সেটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রযুক্তিগত সমস্যা বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বাকি থাকার কারণে অনেক সময় e-KYC করেও স্ট্যাটাসে তা প্রতিফলিত নাও হতে পারে।ইন্ডেন গ্রাহকরা কীভাবে e-KYC স্ট্যাটাস দেখবেন?ইন্ডেনের গ্রাহকরা IndianOil One মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাপে লগইন করে হোম পেজের মেনু অপশনে যেতে হবে। এরপর My Profile বা আমার প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে e-KYC বা Re-KYC Status দেখা যাবে। যদি সেখানে KYC Status Valid লেখা থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যাবে যে KYC প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।HP Gas গ্রাহকদের জন্য কী নিয়ম?HP Gas-এর গ্রাহকরা myhpgas.in ওয়েবসাইটে গিয়ে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করার পর গ্রাহকের বিস্তারিত তথ্যের অংশে যেতে হবে। সেখানে KYC Status অপশন থেকে আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে কি না, নাকি এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তা জানা যাবে।Bharat Gas গ্রাহকরা কীভাবে স্ট্যাটাস চেক করবেন?Bharat Gas গ্রাহকদের e-KYC স্ট্যাটাস জানতে ebharatgas.com-এ গিয়ে অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। এরপর Check KYC Status অপশনে গিয়ে স্ট্যাটাস যাচাই করা যাবে। সেখানে যদি Aadhaar Number Linked এবং KYC Verified দেখা যায়, তাহলে e-KYC প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে।e-KYC স্ট্যাটাস Pending দেখালে কী করবেন?e-KYC স্ট্যাটাস যদি Pending দেখায়, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট LPG সংস্থার মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করার ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রাহকরা অনলাইন এবং অফলাইনদুই মাধ্যমেই e-KYC করার সুযোগ পেতে পারেন। তাই ভর্তুকির সুবিধা নিয়ে কোনও সমস্যা এড়াতে e-KYC সম্পূর্ণ করার পাশাপাশি তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ম্যাচের আগেই মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণ, কলকাতায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষ আয়োজন

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারতীয় ফুটবল দল। এর তিন দিন পর, ৬ অক্টোবর একই মাঠে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সূচি অনুযায়ী, দুই ম্যাচই কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে।ব্রাজিলের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই কলকাতায় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলের ঘোষিত দলে রয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, এন্ড্রিক, এস্তেভাও, জোয়াও পেদ্রো, ব্রুনো গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ, মারকুইনহোস এবং গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসের মতো একাধিক তারকা ফুটবলার।ব্রাজিলের দলটি ২৬ সদস্যের। কোচ কার্লো আনচেলোত্তির বেছে নেওয়া এই দলে অভিজ্ঞ তারকাদের পাশাপাশি বেশ কয়েক জন তরুণ ফুটবলারও রয়েছেন। ফলে কলকাতায় ব্রাজিলের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচের আগের সন্ধ্যায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে দলের প্রতিনিধিদের রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন বলে সূত্রের খবর। ভারতীয় দলের প্রতিনিধিদেরও ওই অনুষ্ঠানে থাকার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই নৈশভোজের বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত ঘোষণা এখনও সামনে আসেনি। তাই অনুষ্ঠানটির চূড়ান্ত আয়োজন এবং কারা উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়ে শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন হতে পারে।৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেও প্রস্তুতি চলছে। গ্যালারি, প্রবেশপথ, মাঠ এবং দর্শকদের বিভিন্ন পরিষেবা উন্নত করার কাজ করা হচ্ছে। বিপুল দর্শক সমাগমের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ব্যবস্থাতেও জোর দেওয়া হয়েছে।ম্যাচের দিন গ্যালারিতে মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতির সম্ভাবনার কথা জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যও ম্যাচ দেখতে কলকাতায় আসতে পারেন বলে আপনার দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। তবে তাঁর উপস্থিতি এখনও নিশ্চিত নয়।ভারতের সামনে অবশ্য কঠিন দুই পরীক্ষা। প্রথমে ৩ অক্টোবর ব্রাজিল এবং তারপর ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। দুই দলই সদ্য বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলেছে এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও জানিয়েছে, এই ম্যাচগুলি ভারতীয় দলের জন্য উচ্চমানের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।ব্রাজিলের দলে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মারকুইনহোস এবং ব্রুনো গিমারায়েসের মতো তারকারা থাকায় ৩ অক্টোবরের ম্যাচ নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই প্রত্যাশা তুঙ্গে। ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রাজিল ৪-২ গোলে জিতেছে। সেই ম্যাচে ভিনিসিয়াস জুনিয়র পেনাল্টি থেকে গোল করেন এবং ব্রুনো গিমারায়েসও গোল করেন। রাফিনিয়া চোটের কারণে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন, তাই কলকাতার ম্যাচে তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকেও নজর থাকবে।সব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচকে ঘিরে কলকাতায় এখন থেকেই উৎসবের আবহ। যুবভারতীর মাঠে দুই দলের লড়াইয়ের পাশাপাশি ম্যাচের আগে সম্ভাব্য বিশেষ আয়োজন এবং গ্যালারিতে বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি এই ফুটবল সন্ধ্যাকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লজেন্স কুড়োতে গিয়ে বিপত্তি! রেজিনগরে প্রচার গাড়ির সামনে পড়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

রেজিনগরে বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের এক শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত শিশুটির নাম জাসমিনা খাতুন। পরিবারের অভিযোগ, রবিবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার চলার সময় প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে মাটিতে পড়ে গুরুতর জখম হয় জাসমিনা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।পরিবারের দাবি, প্রচারের গাড়ি এলাকায় আসার পর বাজনার শব্দ শুনে অন্যদের সঙ্গে জাসমিনাও সেখানে ছুটে গিয়েছিল। সেই সময় গাড়ি থেকে শিশুদের জন্য লজেন্স ছোড়া হচ্ছিল। লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত লাগে বলে পরিবারের অভিযোগ।আহত অবস্থায় প্রথমে জাসমিনাকে বেলডাঙা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার জানিয়েছে।মৃত শিশুটির আত্মীয় ইউসুফ শেখের দাবি, প্রচার চলাকালীন বাজনার আওয়াজ শুনে শিশুরা সেখানে গিয়েছিল। প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পায়। এরপর তাকে একাধিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।ঘটনাকে ঘিরে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখের বক্তব্যও সামনে এসেছে। তাঁর দাবি, শিশুদের জন্যই লজেন্স ছোড়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী ভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তাঁদের জানা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার কথাও বলেছেন প্রার্থী।অন্য দিকে, এই ঘটনায় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। তাঁর বক্তব্য, ঘটনা ঘটার পরেই সংশ্লিষ্ট নেতাদের শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। একই সঙ্গে মৃত শিশুটির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।রেজিনগরে উপনির্বাচনের প্রচার ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ রয়েছে। বিভিন্ন দল নিজেদের প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার চালাচ্ছে। তার মধ্যেই প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের শিশুর জখম হওয়া এবং পরে মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে জাসমিনার মৃত্যুর সঠিক কারণ, কী ভাবে সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছিল এবং ঘটনার সঙ্গে প্রচার গাড়ির কার্যকলাপের সরাসরি সম্পর্ক কতটাতা তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই স্পষ্ট হবে। পরিবারের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্যের পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal