• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

দেশ

Kashmir-Terrorists: উপত্যকায় নিকেশ দুই লস্কর জঙ্গি, শহিদ এক জওয়ান

উপত্যকায় অশান্তি কিছুতেই কাটছে না। পুঞ্চের পর এবার দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান। গোপন সূত্রে নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা জানতে পারেন, সোপিয়ানে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে লস্কর জঙ্গিরা। সেই মতো অভিযান চালান জঙ্গিরা। গুলির লড়াই শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে। সংঘর্ষে দুই লস্কর-ই-তইবা জঙ্গিকে নিকেশ করেছে ভারতীয় সেনা। গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছেন এক সেনা জওয়ান। জখম হয়েছেন আরও দুই জওয়ান।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপিকিছুদিন আগেই উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা এক কাঠের মিস্ত্রিকে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। ওই কাঠের মিস্ত্রি কাশ্মীরে কাজে গিয়েছিলেন। আজ যে জঙ্গিদের নিকেশ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজনকে শনাক্ত করতে পেরেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। নাম আদিল ওয়ানি। উত্তরপ্রদেশের কাঠের মিস্ত্রিকে হত্যায় যুক্ত ছিল এই লস্কর জঙ্গি।কাশ্মীর পুলিশের ইনস্পেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার এক টুইটে জানিয়েছেন, আদিল ওয়ানি ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে উপত্যকায় সক্রিয় ছিল। শেষ দুই সপ্তাহে ১৫ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে পুঞ্চের জঙ্গলে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা।গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীর। একদিকে চলছে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ। অন্যদিকে, নিরীহ ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের উপর লাগাতার আক্রমণ করছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা।প্রসঙ্গত, গতমাসেই পাক সেনার মদতে পুঞ্চ-রাজৌরি সেক্টর থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল ১০জন জঙ্গি। তাদের খোঁজে রাজৌরি সেক্টরে তারপর থেকেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। এর মধ্যে একাধিকবার সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই হয়। কিন্তু জঙ্গিদের সঙ্গে সেই এনকাউন্টারে দুই জুনিয়র কমিশনড অফিসার-সহ ৯ জওয়ান শহিদ হন। তার পালটা হিসেবেই ছয় পাক জঙ্গিকে নিকেশ করে ভারতীয় সেনা।

অক্টোবর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Afganistan Volleybal : তালিবানদের নৃশংসতা, শিরোচ্ছেদ আফগান মহিলা ভলিবল খেলোয়াড়ের

আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পরপরই তালিবানরা ফতোয়া জারি করেছিল, মহিলারা কোনও ধরণের খেলায় অংশ নিতে পারবে না। কিন্তু তালিবানরা যে এতটা নৃশংস হয়ে উঠবে, তা ছি কল্পনারও অতীত। তালিবানদের এক নারকীয় ঘটনা সামনে এসেছে। তাদের হাতই প্রাণ গেছে আফগানিস্তানের জাতীয় মহিলা জুনিয়র ভলিবল দলের এক খেলোয়াড়ের। তালিবানরা দেশের ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর থেকেই আতঙ্কিত আফগানিস্তানের মহিলা ক্রীড়াবিদরা। অনেকেই ইতিমধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। যারা এখনও দেশে রয়েছেন, রীতিমতো উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। যে কোনও মুহূর্তে প্রাণ হারানোর আশঙ্কা। যেমন শিরচ্ছেদ করা হয়েছে মাহজাবিন হাকিমির। দেশের হয়ে ভলিবল খেলার অপরাধেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। পার্সিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকায় তাঁর হত্যার খবর প্রকাশিত হয়েছে।কাবুল মিউনিসিপ্যালিটি ভলিবল ক্লাবের হয়ে খেলতেন মাহজাবিন হিকিমি। দলের মধ্যে তিনিই ছিলেন সেরা। এই ক্লাবে খেলতে খেলতেই আফগানিস্তান জাতীয় জুনিয়র দলে সুযোগ পান। দেশের হয়ে রীতিমতো নজর কেড়েছিলেন। জাতীয় সিনিয়র দলে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। তার আগেই দেশে পট পরিবর্তন। তালিবানরা ক্ষমতায় সেই মহিলেদের সব ধরণের খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। মহিলা খেলোয়াড়দের খুঁজে বার করে তাঁদের ওপর অত্যাচার শুরু করেছে। অনেক মহিলা ক্রীড়াবিদ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এদের মধ্যে জাতীয় মহিলা ভলিবল দলের দুজন সদস্য রয়েছেন। মাহজাবিন হাকিমি পালাতে পারেননি। তাঁকে খুঁজে বার করে এই মাসের শুরুতে শিরোচ্ছেদ করেছে তালিবানরা।আফগানিস্তানের এক ভলিবল কোচ পার্সিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্টকে বলেছেন, এই মাসের শুরুর দিকে মাহজাবিনকে হত্যা করা হয়। তাঁর পরিবারের সদস্যদের হুমকিও দেয় তালিবানরা, যাতে এই ঘটনার কথা কাউকে না বলে। কিছুদিন আগে মাহজাবিনের নিথর দেহের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়আর পর সকলে জানতে পারে। আফগানিস্তানের মহিলা ভলিবল দলের ওই কোচ আরও বলেছেন, তালিবানরা আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পরপরই দুজন মহিলা ভলিবল খেলোয়াড় দেশ ছেড়ে পালাতে সক্ষম হয়েছে। পালাতে না পেরে মাহজাবিনকে প্রাণ দিতে হয়েছে।আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর তালিবানরা মহিলা অ্যাথলিটদের সন্ধানে নেমেছে। এমনকী মহিলা খেলোয়াড়দের পরিবারের সদস্যদেরও সন্ধান চালাচ্ছে। আফগানিস্তানের যেসব মহিলা ক্রীড়াবিদরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের লোকজনদেরও খুঁজছে তালিবানরা। স্বাভাবিকভাবেই মহিলা ক্রীড়াবিদ ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা চরম উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। কেউ কেউ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, কেউ কেউ আবার আত্মগোপন করে রয়েছেন। আফগানিস্তানের মহিলা ভলিবল দলের সদস্যরা দেশ ছাড়তে চেয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সাহায্য চেয়েও পাননি। আফগানিস্তানে ভলিবল মহিলাদের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয়। সেই জনপ্রিয়তায় আঘাত করতেই মাহজাবিনকে হত্যা করে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে তালিবানরা।

অক্টোবর ২০, ২০২১
রাজ্য

Tragic Death: মৌমাছির কামড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বৃদ্ধের

মর্মান্তিক মৃত্যু বৃদ্ধের। মৌমাছির কামড়ে মৃত্যু হয়েছে এমএএমসি কলোনির বাসিন্দা ওই বৃদ্ধর। মৃতের নাম বিকে সিং। তাঁর বয়স আনুমানিক ৭০ বছর।সোমবার বিকেলের ঘটনা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই বৃদ্ধ রাস্তা দিয়ে হেটে পারাপার করার সময় দুর্গাপুরের একটি সরকারি মহাবিদ্যালয়ের কাছে তাঁকে এক ঝাঁক মৌমাছি ঘিরে ধরে। ঘটনার পরই তিনি ছুটে স্থানীয় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ির জলাশয় ঝাঁপ দেন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে।সোমবার গভীর রাতে হাসপাতালেই বৃদ্ধর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরিবারের সদস্যরা এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই রাস্তা দিয়ে পারাপার করতে হলে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে পারাপার করতে হয়। কারণ ওই মৌমাছির ঝাঁক। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধ অবসরপ্রাপ্ত বিওএইচএল কারখানার অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
দেশ

Keral Rain: কেরলে প্রবল বৃষ্টি-ধসে মৃত ২১, জারি লাল সতর্কতা

প্রবল বৃষ্টির জেরে বিধ্বস্ত কেরল। আরবসাগরে ঘনিভূত নিম্নচাপের বৃষ্টির জেরে কেরলের মধ্য এবং দক্ষিণ প্রান্তের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই হড়পা বান শুরু হয়েছে। কেরলের প্রশাসন সূত্রে খবর, বৃষ্টি পরবর্তী ধসে রাজ্যে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। নিখোঁজ আরও বহু।বৃষ্টি থেকে হওয়া ধসে কেরলে যে সব দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি মূলত কোট্টায়াম এবং ইদ্দুকি জেলার। এই দুই জেলা এবং পথনমথিট্টার পাহাড়ি এলাকাগুলিতেই বন্যা হয়েছে এবং ধস নেমেছে সবচেয়ে বেশি। কেরলের বেশ কিছু নদীও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। কোট্টায়াম এবং ইদ্দুকি জেলায় একটি নদী প্লাবিত হয়ে বেশ কয়েকটি গ্রাম ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এর উপর রবিবার বাঁধের জল ছাড়ার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে কেরল প্রশাসন। বেশ কয়েকটি বাঁধের ধারণ ক্ষমতা অতিক্রম করে যাওয়ায় জল ছাড়া হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। সে ক্ষেত্রে আগামী দুদিন বৃষ্টি কমলেও বন্যা পরিস্থিতি কমার কোনও সম্ভাবনা নেই কেরলে।আরও পড়ুনঃ ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গে, রাত থেকে শুরু বৃষ্টি, সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়াআবহাওয়াবিদরা জানিয়েছিলেন, রবিবার সকাল পর্যন্ত কেরলে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। পরবর্তী দুদিনে ধীরে ধীরে বৃষ্টির তীব্রতা কমবে। ইতিমধ্যে কেরলের পাঁচটি জেলায় তাঁরা লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও মেনে নিয়েছেন পরিস্থিতি বেশ গুরুতর। সাম্প্রতিক কালে এই পর্যায়ের বৃষ্টি বহুদিন হয়নি কেরলে।রবিবার সকালে অবশ্য শুধু কেরল বা দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে নয়, উত্তরের বেশ কয়েকটি রাজ্যেও ভারী বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকাও রয়েছে। উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমাঞ্চল এবং পঞ্জাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে লাল এবং কমলা সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। তবে এর মধ্যেও কেরল নিয়ে চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Durgapuja Vandalism: বাংলাদেশের পথেই এগোচ্ছে বাংলা – কেন এমন বললেন দিলীপ-শুভেন্দুরা?

একুশের নির্বাচনের সময় প্রচারে বিজেপি নেতারা বলেছিলেন বাংলায় দুর্গাপুজো করতে দেওয়া হয় না। এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক দাবি শুধু বাংলাদেশেই নয় বাংলাতেও প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডের ঘটনাকে সামনে এনেছেন। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতফেসবুকে নিজের ওয়ালে তিনি লিখেছেন যারা বাংলাদেশের দুর্গাপুজোর উপর হামলা নিয়ে খুব চিন্তিত, তারা কি জানেন যে খোদ পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডের একটি পুজোর দুর্গা প্রতিমা কিছু দুষ্কৃতী এসে ভেঙে দিয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে রাজ্যের পুলিশ ও তার উচ্চ আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তড়িঘড়ি প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করে। তবে কী পশ্চিমবঙ্গ এবার বাংলাদেশের দিকে এগোচ্ছে?একই সুরে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীইও। টুইট করে তিনি বলেছেন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশ সবটা দেখেছে। এখন কোথায় গেল সব বুদ্ধিজীবীরা?

অক্টোবর ১৭, ২০২১
বিদেশ

Bangladesh: বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত

বাংলাদেশ দুর্গাপুজো মণ্ডপ ও ইস্কনের মন্দিরে দুষ্কৃতী হামলা নিয়ে ঢাকার সঙ্গে কথা বলেছে নয়াদিল্লি। সূত্রের খবর, বাংলাদেশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত বিক্রম দোরাইস্বামী-সহ আরও ৪ আধিকারিক।বাংলাদেশের সংবাদপত্র কালের কণ্ঠ-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রদায়িক হিংসাকে কেন্দ্র করে ফুটছে বাংলাদেশ। ধর্মীয় উন্মাদনার জেরে আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা। একের পর এক মন্দিরে চলে ভাঙচুর। সংকটকালে ইসকন মন্দিরেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর। নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে মন্দিরের এক সদস্যকে।বাংলাদেশে গুজব রটিয়ে একাধিক দুর্গামণ্ডপে হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। শেখ হাসিনার সরকার যে ব্যবস্থা নিয়েছে তাতে সন্তোষপ্রকাশ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানান,বাংলাদেশে ধর্মীয়স্থানে হামলার বেশ কিছু বিরক্তিকর ছবি পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সে দেশের সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্তা দিয়েছেন, আশা করছি নিজেদের দেশে যে কোনওরকম প্রতিক্রিয়ার মোকাবিলায় পদক্ষেপ করবে ভারত। যাতে বাংলাদেশে পরিস্থিতির অবনতি না হতে পারে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, কুমিল্লায় ধর্মদ্রোহের অভিযোগে দুর্গামণ্ডপে হামলা করে দুষ্কৃতীরা। ওই ঘটনার পর একাধিক এলাকায় মৌলবাদিদের আক্রমণের মুখে পড়েছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা। প্রাথমিকভাবে এর পিছনে জামাত-ই-ইসলামির পরিকল্পনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শেখ হাসিনা বার্তা দেন, আমরা আশা করছি ভারতে এমন কোনও ঘটনা ঘটবে না যা বাংলাদেশের পরিস্থিতি বা হিন্দু সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করবে। সব ঘটনার তদন্ত করা হবে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। এক্ষেত্রে ধর্ম দেখা হবে না। তাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেব।এই হিংসাত্মক ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন এপার বাংলার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুণাল ঘোষ। ঘটনার প্রতিবাদ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিকে বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ঘটনার তীব্র নিন্দা করে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের তুমুল আনন্দোৎসবের জায়গা দখল করেছে ভয়ভীতি আর আশঙ্কা। ৩২ হাজারের বেশি পুজো হয় বাংলাদেশে। পূজো মণ্ডপকে কেন্দ্র করে যেখানে প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠার কথা ছিল সেখানে কুমিল্লার একটি পুজো মণ্ডপের অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা। আমরা অসহায়, আমাদের তেমন করণীয় নেই। তবুও শর্তহীনভাবে ভাষা, সম্প্রদায়, সীমানা নির্বিশেষে সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক কর্তব্য।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Noha Fatehi : ২০০ কোটি টাকা প্রতারণার মামলায় বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফতেহি

বিপদের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বলিউড। একদিকে মাদককাণ্ডে ফেঁসেছেন শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। এবার নোহা ফতেহির নাম জুড়ল এরকম একটি ঘটনায়।২০০ কোটি টাকা প্রতারণার মামলায় জড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফতেহি। তাকে সমন পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জানা গেছে সুকেশ চন্দ্রশেখর এবং লীনা পালের বিরুদ্ধে ওঠা একটি প্রতারণার মামলায় নোরা ফতেহির নাম জড়িয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। তাই ডেকে পাঠানো হয়েছে। কাবুলে বিদ্যুত্ বন্ধ, অন্ধকারে ডুবে আছে আফগানিস্তানের একাংশ, বকেয়া মেটায়নি তালিবান দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এই মামলার মূল দুই অভিযুক্তকে। ইডি জানতে পেরেছে অভিযুক্তদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল নোরা ফতেহির। গত বছরের জুন মাসে ওই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ জানিয়েছিলেন শিভিন্দর সিংয়ের স্ত্রী অদিতি সিং। তিনি জানিয়েছিলেন বিজেপির ফান্ডে টাকা দিচ্ছেন জেনে ২০০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরে জানা যায় তাঁর সঙ্গে প্রতারণা হয়েছে।গতকাল সুকেশ চন্দ্রশেখরের রিম্যান্ড আরও ১১ দিন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। লীনা পালের রিম্যান্ডের মেয়াদ বেড়েছে ১৬ দিন। একই মামলায় গত মাসে ইডি সমন পাঠিয়েছিল বলিউডের আরও এক অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
নিবন্ধ

Mysterious Palace : রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)-অন্তিম পর্ব

গল্পের মাঝে এসে হাজির চা আর পকোড়া। কারোর সেদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই,সবাই বিভোর হয়ে রয়েছে গল্পে।মামা থেমে বললেন নে সবাই চা টা খেয়ে নে তারপর আবার শুনবি।সবাই একসাথে বলে উঠলো চা খেতে খেতেই শুনি।তুমিও চা খেতে খেতে বলে যাও।বেশ বাবা বেশ তাই হবে, বলে মামা হাসলেন।আবার শুরু করলেন---এরপর কেটে গেছে অনেক গুলো বছর, হয়েছে অনেক পরিবর্তন।জমিদার বাবু নেই,বড়ো ছেলেও নেই সব কিছু তখন আমার দাদুর ঘাড়ে। আর শক্ত হাতে হাল ধরে রয়েছেন গিন্নি মা।একদিন হটাত ধূমকেতুর মতো একমুখ দাড়ি গোঁফ নিয়ে হাজির ছোট চন্দ্র আর ঘটনা চক্রে সেদিন গ্রামের প্রায় শেষ সীমানায় একটা মরা পুকুর থেকে পাওয়া যায় একটা কঙ্কাল। পুকুরটা এখন মজে গেছে ঠিকই কিন্তু একসময় এর গভীরতা ছিলো অনেক। গ্রামের যারা এখন মধ্যবয়স্ক তারা চাপা গুঞ্জন তুলল যে ওটা সেই ভবানী ঠাকুরের মেয়ের, যে হটাত করেই হারিয়ে গেছিল।এ খবর জমিদার বাড়িতেও পৌঁছালো, কিন্তু সেখানে তখন ছোটোবাবুর আসার আনন্দ।তবু গিন্নিমা বলে উঠলেন মহাদেবের মনে কি আছে তিনিই জানেন আজই আমার চন্দ্রও ফিরে এলো।চন্দ্র এসে কিন্তু চুপচাপই রয়েছে।মায়ের সঙ্গে টুকটাক কথা বলছে। এর মাঝে যখন গ্রামের পুকুরের খবরটা এলো সে হটাত অস্থির হয়ে উঠলেন। তারপর নিজের ঘরে গিয়ে সেই যে দরজা দিলেন আর খুললেন না।হরিয়া তো ছোটো বাবু কে দেখে খুব খুশী হয়ে তাকে বললো দেখো ছোটবাবু হামি সব ঠিক রেখেছি।তুমার উয়ো ছবি সব একদম ঠিক আছে।হরিয়ার দিকে তাকিয়ে হেসে ঘরে ঢুকে গেছিলেন তিনি।রাতে কিছু খায়নি সে।দরজাও খোলেনি।সকালবেলা অনেকবেলা পর্যন্ত দরজা না খোলায় আর ভিতর থেকে কোনো আওয়াজ না পেয়ে দরজা ভেঙে ঢুকে দেখা গেলো শ্যামার ছবি বুকে নিয়ে চন্দ্রশেখরের নিথর দেহ শুয়ে আছে।গিন্নিমা শুধু বললেন ও শান্তি পেল, ভবানী ঠাকুরের অভিশাপ ফলতে লেগেছে।এরপর সত্যি কোনো ছেলে তিরিশ পেরোয়নি।শুধু আমি টিকে আছি। যখন আমার চাঁদ এলো তখন আমি বুঝলাম এবার হয়তো আমাদের অপেক্ষার অবসান হবে।কিন্তু সেটা যে উজানের বন্ধু হয়ে আমার বাড়িতে আসবে ভাবিনি।ভাবনা একটা হতো যে কিভাবে সে আসবে।চাঁদ ও ছোটো থেকে মানে তরুন বয়স থেকে স্বপ্নে ওর মুখ আবছা দেখতে থাকে।এবার মা রাশি আমাকে বলতো তোর এখানে এসে কি মনে হয়েছে?রায়া বলে ওঠে ও তো এসে থেকেই বলে যাচ্ছে আমি আগে এসেছি, এখানে এটা আছে, ওখানে ওটা ছিলো।মামা বললেন যেমনবাগানে ঘুরতে ঘুরতে পিছন দিকে এক জায়গায় বলল এখানে একটা আম গাছ ছিলো ।তারপর ছাদের ঘরে যাওয়া তো আমরা সবাই দেখলাম ।এরপর আর কোনো সন্দেহ থাকার জায়গাই নেই যে ও শ্যামা।রাশি আর চাঁদ এবার দুজনেই একে একে বলল যে আমরা তো দুজনে দুজনকে দেখেই চিনেছি এ স্বপ্ন তে দেখা সেই মুখ যা আমাদের জীবনকে রহস্যে মুড়ে রেখেছিল।এবার মামা বললেন একবার রাশির মা বাবার সঙে কথা বলতে হবে, আমাকে ওনাদের ফোন নম্বর টা দে।আচ্ছা রাশি তোকে ছাদে কে নিয়ে গেছিল?একজন বয়স্ক লোক ।হ্যাঁ মনে পড়ছে না ঠিক----- হ্যাঁ হ্যাঁ হরিয়া।হ্যাঁ হরিয়া ছাড়া আর কে হবে? ওই নাকি দীর্ঘদিন ঐ ঘর দেখে শুনে রাখত আর ঐ ঘরের সামনেই নাকি মরে পড়েছিল ।যাক মহাদেবের অসীম কৃপায় আজ আবার যে দুজন কে পেয়েছি, এবার আর কোনো ভুল করতে চাই না। আমি আজই রাশির বাবা মা কে ফোন করবো। সেরকম হলে ওনাদের এখানে আসতে বলবো।সবাই কিন্তু চুপচাপ হয়ে গেছে সেই সময়ের এই বেদনা বিধুর প্রেমের কাহিনী শুনে।রাশির চোখে জল, চাঁদ কখন যেন রাশির পাশে এসে বসেছে।যেন দুজনে ফিরে যেতে চাইছে সেই সুদূরে যেখানে ওদের প্রেম প্রকাশ পাওয়ার আগেই মুছে গেছিল।সমাপ্তলেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- তৃতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- চতুর্থ পর্বরাখি রায়-র কলমেআরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাত

অক্টোবর ১০, ২০২১
রাজ্য

Mother: দেবী পক্ষে অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দুর্দশায় ফেলে পালালো গুণধর ছেলে

দেবী পক্ষে বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালো গুনধর পুত্র। অসুস্থ বৃদ্ধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখন ভরসা পূর্ব বর্ধমানের গলসির নবখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা।নিজের ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কান্তি তাঁর বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালেও বৃদ্ধাকে মাতৃস্নেহে আগলে রেখেছেন নবখন্ডের বাসিন্দারই। তাঁরা পুলিশের কাছে বৃদ্ধার নিষ্ঠুর ছেলে সুপ্রিয়র কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দারা পাশে থাকলেও নিজের গর্ভের সন্তানের এমন দুর্ব্যাবহার মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না বৃদ্ধা। তাই প্রতিনিয়ত চোখের জল মুছতে মুছতে বৃদ্ধা মমতাদেবী ঈশ্বরের কাছে মুক্তি প্রার্থনা করে চলেছেন। নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, নবখন্ড গ্রামের বাড়িটি বৃদ্ধার দেশ বাড়ি। হাওড়ার বকুলতলা থানার দক্ষিণ বাকসারার কেঠোপুল এলাকায় বৃদ্ধার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িতে বৃদ্ধার ছেলে ও বৌমা এখন থাকে। বৃদ্ধার ছেলে সুপ্রিয় বার্জার পেন্টস কোম্পানীতে মোটা টাকা মাস মাইনের চাকরি করেন। বৃদ্ধার স্বামী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যাওয়ার পর সুপ্রিয় সেই চাকরিতে যোগ দেয়। কয়েকবছর আগে দুর্ব্যবহার করে সুপ্রিয় নিজের বৃদ্ধা মাকে হাওড়ার বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর থেকে অসুস্থ শরীর নিয়ে এক প্রকার অনাহারেই নবখন্ড গ্রামের বাড়িতে থাকছিলেন বৃদ্ধা মমতাদেবী। বৃদ্ধার অসুস্থতা বাড়লে প্রতিবেশীরা বৃদ্ধার ছেলেকে ফোন করে বৃদ্ধার চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা কার কথা বলেন।চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গত ৫ অক্টোবর সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মাকে হওড়ায় নিয়ে যায়।চিকিৎসা করিয়ে সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মায়ের শেষ সম্বল টুকুও হাতিয়ে নেয়। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে মাকে চাপিয়ে নিয়ে এসে সুপ্রিয় নবখন্ড এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স দাঁড় করিয়ে একটু আসছি বলে নেমে পড়ে গুনধর ছেলে সুপ্রিয় পালিয়ে যায়। রাত্রি দেড়টা পর্যন্ত ছেলে সুপ্রিয় আর ফিরে না আসায় অ্যাম্বুলেন্স চালক বৃদ্ধাকে তাঁর গ্রামের বাড়িতে পৌছে দেয়। পরদিন সকালে ওই বাড়ির বাইরে বৃদ্ধাকে কাতরাতে দেখে প্রতিবেশীরা তাঁকে পুুরসা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান।অ্যাম্বুলেন্স চালক অচিন্ত্যকুমার মন্ডল বলেন, হাওড়ায় চিকিৎসা করতে নিয়ে গিয়ে মমতা দেবীর পরনের কাপড়, নগদ টাকাকড়ি ও সোনা হাতিয়ে নিয়ে কেটে পরেছে তাঁর ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়। অমানবিক এই ঘটনার জানার পর প্রতিবেশীরা সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে গলসি থানায় লিখিত অভিযোগে দায়ের করেছেন। বৃদ্ধা মায়ের প্রতি এমন নির্মম ব্যবহারের কারণ জানতে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

crops wasted: শষ্যগোলা পূর্ব বর্ধমানে কোটি কোটি টাকার ফসল নষ্ট, মাথায় হাত কৃষকদের, রইল বিস্তারিত তথ্য

নিম্নচাপের জেরে হওয়া বৃষ্টিপাত ও জলাধার থেকে বিপুল পরিমাণ জল ছাড়ার ফলে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ফসলের ক্ষতির পরিমাণ ১৯৩ কোটি টাকা ছাড়ালো। এছাড়াও ক্ষতি হয়েছে সেচ দফতরেরও। তাদের ক্ষতির পরিমাণ ১০ কোটি টাকা। সব থেকে বেশী ক্ষতি হয়েছে জেলার অজয় তীরবর্তী এলাকায় ধান ও আনাজ চাষে। আনাজে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি টাকা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্যোগের কারণে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ব্লক দফতর থেকে পাঠানো রিপোর্ট অনুযায়ী জেলায় ৭১৮ টি বাড়ি পুরোমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আংশিক ক্ষতি হয়েছে ১৩০০ টি বাড়ির। প্রণী দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গরু মারা গিয়েছে ১৮ টি। ২২০০টি মুরগি খামারের ক্ষতি হয়েছে। সেচ দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী জেলায় তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ১০ কোটি টাকা।সেচ দফতরের দাবি, দামোদরের জলে গলসি, খণ্ডঘোষে ও ভাগীরথীর ধারে অগ্রদ্বীপে বাঁধের যে ক্ষতি হয়েছে তারই পরিমাণ ২কোটি টাকা। এছাড়াও অজয়ের জলের তোড়ে আউশগ্রামের সাঁতলা ও কেতুগ্রাম ২ ব্লকে চারটি জায়গাতে বাঁধ ভেঙেছে। পাশাপাশি মঙ্গলকোটের নবগ্রাম, পালিগ্রামেও বাঁধের ক্ষতি হয়েছে। কেতুগ্রামের অংশ বাদ দিয়ে আউশগ্রাম ও মঙ্গলকোটের প্রায় ৩ কিলোমিটার বাঁধ সংস্কার ও তৈরির জন্য পাঁচ কোটি টাকা খরচ ধরেছে সেচ দফতর। এই কাজ খুব দ্রুত শুরু করতে চাইছেন সেচ দফতরের কর্তারা।জেলা কৃষি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়ের বাঁধ ভেঙে কৃষিজমি প্লাবিত হওয়ার কারণে আউশগ্রাম, মঙ্গলকোট ও কেতুগ্রামে কৃষিজমির প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। ওই সব এলাকায় জমিতে বালি ও পলি পড়ে গিয়েছে। জলে ভেসে আসা পানা মঙ্গলকোটের জমিতে জমে গিয়ে চাষের ক্ষতি করেছে।জেলা কৃষি দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী জেলার মোট ১৬টি ব্লকের ৬২টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪০৪টি মৌজায় চাষজমি ক্ষতির মুখে পড়েছে। ওই সব এলাকার আউশ ধানের চাষ হওয়া ১৪৪ হেক্টর জমির মধ্যে ১১২ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫৬০ টন আউশ ধানের ক্ষতি হয়েছে। যার ক্ষতির পরিমান ১০ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা। একই ভাবে আমন চাষ হওয়া ৪০০০৪ হেক্টর জমির মধ্যে ২০০০৮ হেক্টর জমির চাষে ক্ষতি হয়েছে। আনাজ চাষ হওয়া ৯৮৭ হেক্টর জমির মধ্যে ৫১৩ হেক্টর পরিমাণ জমির আনাজ চাষের ক্ষতি হয়েছে। ১ লক্ষ ৪০ টন আমন ধানে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যার আর্থিক ক্ষতি ধরা হয়েছে ১৮৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ৪৭ হাজার ২০০ টাকা। কৃষি দফতরের আশঙ্কা ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raavan : 'রামায়ণ'-এর রাবণ অরবিন্দ ত্রিবেদী আর নেই

প্রয়াত হলেন বিখ্যাত রামায়ণ ধারাবাহিকের অরবিন্দ ত্রিবেদী অর্থাৎ রাবণ এর চরিত্রে অভিনয় করে যিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। অনেকদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার রাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যান। তাঁর একাধিক অঙ্গ পর্যন্ত বিকল হয়ে গিয়েছিল শেষ মুহূর্তে এমনটাই জানা গেছে। শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে আজই। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে অভিনয় জগতে। ৮২বছরের এই অভিনেতার অভিনয় গুণে প্রচুর মানুষ মুগ্ধ হয়েছিলেন একসময়। যদিও এর পিছনে রয়েছে তাঁর অসামান্য অভিনয় কৃতিত্ব।রামানন্দ সাগরের রামায়ণ ধারাবাহিক ১৯৮৭ সাল থেকেই টিভির পর্দায় চলেছিল। দর্শকদের পছন্দের কারণেই এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা পৌঁছে ছিল তুঙ্গে। ধারাবাহিকে রাবণের চরিত্রে অত্যন্ত প্রাঞ্জল এবং সক্রিয় অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল অরবিন্দ ত্রিবেদীকে। এছাড়াও তিনি ৩০০টির বেশি গুজরাটি এবং হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেছেন। গুজরাটি চলচ্চিত্রের জন্য লাভ করেছিলেন মোট সাতটি পুরস্কার।এর পাশাপাশি তিনি রাজনীতিতে যোগদান করেন, ১৯৯১ সবরকন্ঠ আসন থেকে লোকসভার সাংসদ হয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করেছেন ধারাবাহিকের রাম, লক্ষণ, সীতা। রামের ভূমিকায় অভিনয় করেন অরুণ গোভিল, লক্ষ্মণের ভূমিকায় সুনীল লাহির এবং সীতার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন দীপিকা চিকলিয়া। নেট মাধ্যমে সবাই প্রয়াত অভিনেতাকে স্মরণ করেছেন, রাম লিখেছেন মাই ডিয়ার ফ্রেন্ড ।

অক্টোবর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Brutal Torture: প্রেমিকের নৃশংস নির্যাতনে গুরুতর জখম প্রেমিকা-মন্তেশ্বরে গ্রেপ্তার প্রেমিক

প্রেমিকের প্রতিশোধের আগুনে কখনও মুখ পুড়েছে প্রেমিকার। আবার কখনও ব্যর্থ প্রেমিকের হাতে খুন হতে হয়েছে প্রেমিকাকে। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে আদিবাসী মহিলার উপর হওয়া নৃশংস অত্যাচারের কাহিনী এইসব কিছুকেই হার মানিয়ে দিয়েছে। বছর ৩৫ বয়সী আদিবাসী মহিলার সঙ্গে বিরোধ তৈরি হওয়ায় তাঁর উপর হাড়হিম করা নির্যাচন চালয় প্রেমিক সুনীল টুডু। নির্যাতন চালিয়ে প্রেমিকার গোটা শরীর ক্ষত বিক্ষত করে দিয়েই খান্ত হয়নি প্রেমিক সুনীল।মুগুর জাতীয় কিছু দিয়ে যৌনাঙ্গে আঘাত করেও প্রেমিকাকে চুড়ান্ত ভাবে তিনি ঘায়েল করে দিয়েছে। এমনকি জলে মুখ ডুবিয়ে তিনি তাঁর প্রেমিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলার মুখ থেকে এমন অত্যাচারের কাহিনী শোনার পর মঙ্গলবার পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা জানার পর শিউরে উঠেছেন মন্তেশ্বরের বাসিন্দারা। তারা সুনীল টুডুর কঠোরতম শাস্তির শাস্তির দাবি করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনীল টুডুর বাড়ি মন্তেশ্বরের মামুদপুর ১ পঞ্চায়েতের পুরুনিয়া গ্রামে। তাঁর প্রেমিকার বাড়ি জেলার নাদনঘাট থানা এলাকায়। তাঁর সন্তান রয়েছে। বছর দেড়েক আগে মারা গিয়েছেন তাঁর স্বামী। মহিলা খেত মজুরির কাজ করেন। মাস ছয় আগে মহিলার সঙ্গে সুনীলের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তার পর থেকে আদিবাসী ওই মহিলা সুনীলের সঙ্গেই থাকা শুরু করেন। কিন্তু সম্পর্কে চিড় ধরায় দু জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। মহিলা রাগারাগি করে নাদনঘাট চলে যান। সুনীল রবিবার তাঁর প্রেমিকাকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনতে নাদনঘাটে যান। মহিলা সুনীলের সঙ্গে আসতে প্রথমে রাজি হয়নি।পরে নানারকম বুফিয়ে রবিবার সুনীল তাঁর প্রেমিকাকে নাদনঘাট থেকে মন্তেশ্বরে নিয়ে আসেন।ওইদিন সন্ধ্যায় পুরুনিয়া গ্রামে ঢোকার মুখে দুজনের মধ্যে ফের ঝামেলা বাঁধে। তখনই সুনীল তাঁর প্রেমিকার উপর চড়াও হয়ে হাড়হিম করা নির্যাতন চালায়। নিজের এই কুকীর্তি আড়াল করতে পরদিন সকালে সুনীল স্থানীয়দের কাছে দুস্কৃতী হামলার গল্প বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করে । কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ওই মহিলার সঙ্গে পুলিশ কথা বলে। জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে জানায় তাঁর ওপর এমন অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে সুনীল টুডু। এরপরেই পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। কেন সুনীল মহিলার উপর এমন নৃশংস নির্যাতন চালালো তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Rape: মুখ চাপা দিয়ে রাস্তা থেকে আদিবাসী মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, চাঞ্চল্য মন্তেশ্বরে

অন্ধকার রাস্তায় মুখ চাপা দিয়ে আদিবাসী মহিলাকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলো দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানা এলাকায়। দুস্কৃতিরা আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণ করেছে লোক মুখে এলাকায় ছড়িয়ে। এই খবর পেয়েই পুলিশ মন্তেশ্বরের বরুনা এলাকার ক্যানেল পাড়ে থাকা নির্যাতিতা মহিলাকে উদ্ধার করে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় মহিলাকে সেখান থেকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করে শুরু হয়েছে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,সোমবার ভোর রাতে মন্তেশ্বরের বরুনা গ্রামের ক্যানেল পাড়ে থাকা একটি ট্র্যাক্টরের ট্রলির নিচে পড়ে কাতরাচ্ছিলেন এক আদিবাসী মহিলা। তাঁর স্বামী মহিলার চোখে মুখে জল দিচ্ছিলেন। এমনটা দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাঁদের কাছে যান। কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করতেই মহিলার স্বামী তাঁর স্ত্রীর উপর রবিবার রাতে হওয়া নির্যাতনের কথা স্থানীয়দের জানায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই খবর পৌছায় মন্তেশ্বর থানার পুলিশের কাছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়। স্থানীয়রা বলেন,জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে বলে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে মন্তেশ্বরের রাইগ্রামের বাজারে গিয়েছিলেন। বাজারে কাজ মেটাতে তাঁদের দেরী হয়। তাই তাঁর স্বামী রান্না করবে বলে ঘরে ফিরে যান। বাজারের কাজ মিটিয়ে সন্ধ্যার পর মহিলা একা ঘরে ফিরছিলেন। তাঁর অভিযোগ, অন্ধকার রাস্তা দিয়ে তিনি যখন একা হেঁটে আসছিলেন তখন কয়েকজন মিলে তাঁর মুখ চাপা দিয়ে জোরপূর্বক তাঁকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে যায়। তারা সেখানে তাঁর উপরে নির্যাতন চালানো শুরু করে। এছাড়াও মহিলার স্বামী পুলিশকে জানায়, অনেকটা সময় কেটে যাবার পরেও স্ত্রী ঘরে ফিরছে না দেখে তিনি স্ত্রীকে আনতে রাতের অন্ধকারেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। কিছুটা যাওয়ার পরেই পুরুনিয়া এলাকায় পুকুর পাড়ে থাকা একটি জায়গা থেকে তিনি মহিলার আর্তনাদ শুনতে পান। সেখানে এগিয়ে যেতেই তিনি তাঁর স্ত্রীর উপর নির্যাতন চালানোর ঘটনা দেখতে পান। মহিলার স্বামীর অভিযোগ নির্যাতন চালাোর ঘটনায় জড়িত দু্কৃতিদের তিনি বাধা দিলে তারা তাঁকে মারধোর করে পালিয়ে যায়। দুস্কৃতিরা মিলে তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে বুঝতে পেরে রাতে তিনি স্ত্রীকে ওই জায়গা থেকে উদ্ধার করে কিছুটা দূরে বরুনার ক্যানেল পাড়ে নিয়ে গিয়ে বসে পড়েন। মহিলার স্বামী এদিন সকালে স্থানীয়দের এই ঘটনা জানালে তাঁরাই পুলিশকে খবর দেয়।রাকিব মল্লিক নামে স্থানীয় বাসিন্দা জানান, নির্যাতিতা মহিলার বাড়ি কালনা মহকুমার নাদনঘাট থানা এলাকায়। মহিলা পেশায় খেত মজুর। খেত মজুরির কাজের জন্য মহিলা তাঁর সঙ্গে থাকা পুরুষ ব্যক্তি কয়েকদিন আগে তাঁদের গ্রামে এসেছেন। তাঁরা নিজেদের কে স্বামী স্ত্রী বলেই পরিচয় দিয়েছিলেন। মহিলার উপরে হওয়া নির্যাতনের কথা এদিন তাঁদের কাছ থেকেই জানতে পারেন বলে রাকিব মল্লিক জানিয়েছেন।জেলার পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কেস রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Producer : টলিউডের বেপরোয়া ভাবে নেশা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্রযোজক

বলিউডের অন্যতম প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানের মাদকযোগে গ্রেফতারির পর থেকেই শুরু হয়েছেন চাঞ্চল্য। বলিউডে মাদক কাণ্ডে গ্রেফতারির ঘটনা নতুন নয়। আর টলিউডে? এখানেও কি চলে মাদকের রমরমা? এই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।ইন্ডাস্ট্রির গুঞ্জন রমরমা না হলেও মাদক সেবনে কম যায়না টলিউডও। গাঁজা তো চলেই। মাঝে মধ্যেই নাকি জায়গাই করে নেয় এলএসডি, কোকেনের মতো মাদকও। এবার প্রকাশ্যেই সে কথা বললেন প্রযোজক রানা সরকার। আরিয়ানের গ্রেফতারির পরেই রানা ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, কলকাতায় যেসব সেলিব্রিটিরা নেশার সঙ্গে জড়িত এখনই এসব ছেড়ে দিন।মেগা সিরিয়ালের ফ্লোরে, ফিল্মের মেকআপ রুমে , ফটোশুটে, পাবলিক প্লেসে সেলিব্রিটিরা বেপরোয়া ভাবে নেশা করছে শোনা যাচ্ছে। রানার অভিযোগ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নাকি পরিচালক, প্রযোজক ও চ্যানেল কর্তৃপক্ষ এই কাজকে প্রশ্রয়ই দিচ্ছে। তাঁর সাবধানবাণী ও একই সঙ্গে অনুরোধ, যেকোনো সময় ধরা পরে যাবেন।পরিবারের কথা ভাবুন, সমাজের কথা ভাবুন, কেরিয়ারের কথা ভাবুন।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
টুকিটাকি

Garlic: বহু সংকটের সহজ সমাধান রসুন

বহুগুণা রসুন। মাছ, মাংস, তরিতরকারি যা-ই রাঁধুন না কেন, রসুন লাগবে! হেঁশেলের নিত্য প্রয়োজনীয় এই উপাদান সাধারণত রান্নার স্বাদ বাড়াতে মশলা হিসাবেই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও রসুন যে নানা কাজে লাগতে পারে, তা জানেন কি? রসুনের এই রকমই অজানা কয়েকটি ভূমিকার কথাই রইল এখানে।১) হজমের সমস্যা:হজমের সমস্যায় ভোগেন? ওষুধ না খেয়ে ভরসা রাখুন রসুনে। ১ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। এ বার সেটি একটি চামচে রেখে উপরে আধ চা চামচ মধু ছড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে খান। উপকার পাবেনই।২) ব্রণর সমস্যা: মুখে ব্রণর সমস্যায় জেরবার? তাতেও মুশকিল আসান হতে পারে এক টুকরো রসুন। রসুনের প্রদাহ নিরোধক উপাদান ব্রণর ব্যথা সারায়। এমনকী, ত্বকের ছিদ্রে থাকা ব্যাক্টিরিয়াও তাড়ায়। তাই ব্রণ সারাতে এক কোয়া রসুন কেটে নিয়ে ব্রণর জায়গায় ঘষুন।৩) খুশকি তাড়াতে:মাথার ত্বকে খুশকি হয়েছে? খুশকি তাড়িয়ে চুলের চিটচিটে ভাব দূর করবে রসুনই। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তার সঙ্গে একটু মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে হাল্কা মালিশ করে ১৫ মিনিট রাখুন। তার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।৪) মশা তাড়াতে:মশা মারতে কামান দাগতে হবে না। ঘরে চাই সামান্য রসুন। রসুনের ৬-৮টি কোয়া ভাল করে থেঁতো করে সামান্য জল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। হাল্কা আঁচে মিশ্রণটি রাখুন। ঠান্ডা করে ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে নিন। ঘরের যে যে জায়গায় মশার উৎপাত বেশি, সেখানে স্প্রে করুন এই মিশ্রণ।৫) ব্যথা নিরাময়ে:হাতে কাঠ বা কাচের কুচি ঢুকে গিয়েছে? খুব ছোট এই জিনিসেও কিন্তু প্রবল ব্যথা হয়। এটি বার করা বেশ শক্ত। তবে ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে সমাধান। কাচ বা কাঠের কুচি ঢুকে যাওয়া জায়গাটির উপর আধখানা রসুন দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে নিন। কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে কাচের কুচি।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ডুরান্ড জয়ের স্বপ্নভঙ্গ, বাংলার সম্মান রক্ষা করতে পারল না মহমেডান

স্বপ্ন ছিল, ছিল আশাও। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে রবিবার যুবভারতীতে হাজির হয়েছিলেন মহমেডান সমর্থকরা। দীর্ঘদিন পর সর্বভারতীয় ট্রফি জয়ের হাতছানি। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হল না। ৮ বছরের পুরনো ইতিহাস স্পর্শ করতে পারল না সাদাকালো ব্রিগেড। এফসি গোয়ার কাছে ১০ ব্যবধানে হেরে ডুরান্ড কাপ জয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল মহমেডান স্পোর্টিংয়ের কাছে। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে এডু ভেদিয়ার দুরন্ত গোলে স্বপ্নভঙ্গ মহমেডান সমর্থকদের।বিকেল থেকেই যুবভারতীর পথে গাড়ি লম্বা লাইন। সাদাকালো পতাকায় সাজানো। আরোহীদের গন্তব্য যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। মহমেডান সমর্থকদের সৌজন্যে দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফুটবল ঘিরে উন্মাদনা। ডুরান্ড ফাইনালে বাংলা বনাম গোয়ার লড়াই। মহমেডান ক্লাবের হাতে ছিল বাংলার সম্মান রক্ষার ব্যাটন। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের অবর্তমানে স্পোর্টিং। ফেরাতে পারল না ২০১৩ সালের স্মৃতি। এফসি গোয়া আইএসএলের দল। ডুরান্ড কাপকে আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে নিয়েছিল। তাই পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে খেলতে এসেছিল। এইরকম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, জানতেন মহমেডান স্পোর্টিং কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তাই শুরু থেকেই আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। প্রতি আক্রমণভিত্তিক ফুটবলের দিকে নজর দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, এফসি গোয়া শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মহমেডানের ওপর। কিন্তু মহমেডান রক্ষণ সতর্ক থাকায় তেমন সুবিধা করতে পারেনি। এফসি গোয়ার যাবতীয় আক্রমণ এসে আটকে যাচ্ছিল পেনিট্রেটিভ জোনে। প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করার মতো ইতিবাচক সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।অন্যদিনের তুলনায় মহমেডানের আক্রমণ এদিন অনেকটাই নিস্প্রভ ছিল। তার অন্যতম কারণ নিকোলা স্টোজানোভিচ। ডিফেন্সকে মজবুত করতে এদিন তাঁকে একটু পেছন থেকে ব্যবহার করেন মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ফলে বল সরবরাহ বেশি না হওয়ায় বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেননি মার্কাস জোসেফ। তার মাঝেই ৩৪ মিনিটে দুরন্ত শটে মিলন সিং এফসি গোয়ার জালে বল রাখলেও অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই বিরক্তিকর ফুটবল। কোনও দলই ঝুঁকি না নেওয়ায় দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের নিশ্চিত সুযোগ তৈরি হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের ফল থাকে গোলশূন্য। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল মহমেডান। নিকোলার কর্নারে ওয়েন ভাজের হেড এফসি গোয়া গোলকিপার নবীনকুমারের হাতে চলে যায়। ১০৫ মিনিটে বাজিমাত এফসি গোয়ার। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া দুরন্ত ফ্রিকিকে গোল করেন এডু ভেদিয়া। তাঁর বাঁপায়ের শট মহমেডান গোলকিপার জোথানমাইওয়ার নাগাল এড়িয়ে দ্বিতীয় পোস্টের কোন দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে নিকোলার বাঁপায়ে শট অসাধারন দক্ষতায় বাঁচান গোয়ার গোলকিপার নবীনকুমার।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
নিবন্ধ

Mysterious Palace : রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- চতুর্থ পর্ব

মামা গল্প বলতে বলতে থেমে গিয়ে বললেন এই দাঁড়া দাঁড়া আমার তো ভুল হযে যাচ্ছে। ঘটনাটা আমরা দাদুর দাদুর আমলের।আমার দাদুর বাবারা ছিলেন তিন ভাই।বয়স হচ্ছে রে, তাই সব গুলিয়ে ফেলছি।সে যার আমলেই হোক তোমার দাদুর বাবার বা দাদুর দাদুর তুমি বলে যাও।মামা আবার শুরু করলেন....বেশ কয়েক বছর কেটে গেলো । এর মধ্যে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে; বড়ো ছেলের ছেলে মানে আমার দাদুর বাবার আগমন ঘটেছে, মেজো ছেলে বাঙলা দেশের তালুকের দায়িত্ব নিয়ে সেখানে বৌ নিয়ে আছে। আর ছোটো পড়াশুনার পাট চুকিয়ে গ্রামে ফিরে মন দিয়েছে আঁকায়। কলকাতায় সে আঁকার ট্রেনিং নিয়ে এসেছে যে ।আর এখানকার জমিদারির দায়িত্ব দেখাশোনা করতে লেগেছে বড় ছেলে।এমন সময় গিন্নিমার কানে গেলো একটা কথা। আসলে ঠিক কানে গেল বল চলে না। ওনাদের ভবানী ঠাকুর নিজে কদিন পুজো করতে না এসে অন্য একজনকে পাঠিয়ে ছিলেন।তাই তার খবর নিতে পাঠান গিন্নিমা । যদিও তার কানে একটা কথা এসেছে। তাই আরো উতলা হয়ে তিনি তার বিশেষ কাজের লোক শঙ্করী কে পাঠান খবর নিতে।সে এসে বলে যা শুনেছেন সব সত্যি। শ্যামা ফিরে এসেছে বাপের বাড়ি। তার ঠাঁই হয়নি সেখানে, তার স্বামী মারা গেছে আর সন্তান ও নেই।তাই তাকে আর কেউ রাখতে চায়নি শ্বশুর বাড়িতে।একথা শুনে গিন্নিমার মনটা খুব খারাপ হলো। তিনি বললেন ভবানী ঠাকুরকে খবর দাও।ভবানী ঠাকুর গিন্নিমার ডাকে তার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। খুব কান্নাকাটি করতে লাগলেন।একে তো মা-মরা মেয়ে তায় আবার এই অবস্থা,কি যে করবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছেন না।গিন্নিমা বললেন -- কোনো চিন্তা করবেন না আমি তো আছি। আপনি শ্যামা মা কে আমার কাছে নিয়ে আসুন।গিন্নিমার এইকথা শুনে ভবানী ঠাকুর অনেকটা যেন হাল্কা হলেন।তিনি বললেন তাই হবে গিন্নিমা । আমি কালই ওকে আপনার কাছে নিয়ে আসবো। আপনি ওকে একটু আপনার পায়ে ঠাঁই দিলে আমি বেঁচে যাই গিন্নিমা।এই বলে ভবানী ঠাকুর চোখ মুছতে মুছতে বেরিয়ে গেলেন।পরদিন মেয়েকে সঙ্গে করে এলেন জমিদার বাড়ি। গিন্নিমা শ্যামাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।বড়মার কথা তোর মনে পড়েনি? আমি কি তোর মা নই? এরকম অনেক মান অভিমানের কথা চলল।এর মধ্যে বড়ো বৌ ও এসে দাঁড়িয়েছে ঘরে, সেও শ্যামাকে খুব ভালোবাসত।তার ছেলেকে কোলে তুলে নিল শ্যামা । গিন্নিমা বললেন আজ থেকে ওর সব দেখাশোনার দায়িত্ব তোর । তুই তো ওর পিসিমা। এই বলে শ্যামার হাতে নিজের নাতি মানে আমার দাদুর দায়িত্ব তুলে দিলেন।আর অন্যদিকে ছোটো চন্দ্র বিয়ে থা না করে সারাদিন কলকাতা থেকে নিয়ে আসা এক বিহারি চাকর কে সঙ্গে নিয়ে এখানে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আঁকার সরঞ্জাম নিয়ে।তার কানেও শ্যামার কথাটা গেছে, কিন্তু সে কিছু বলেনি।এইভাবেই দিন যেতে থাকে.....বড়ো বৌদির ছেলেকে নিয়ে বেশ কাটে শ্যামার সারাদিন ।তর মাঝে বড়মাকেও সাহায্য করে।বড়ো বৌদির সঙ্গে টুকটাক গল্প করে দিন কেটে যায় । শ্যমাকে বাড়ির কাজের লোকেরাও ওর মিষ্টি স্বভাবের জন্য খুব ভালোবাসে।এর মধ্যে চন্দ্র এর সঙ্গে দেখা হয়েছে। কেমন আছো ছোটদা? জিজ্ঞাসা করে শ্যামা ।ভালই আছি রে। তোর কি চেহারা হয়েছে রে শ্যামা?আমার আবার চেহারা; তুমি এবার একটা বিয়ে থা করো ।তুইও এসেই শুরু করে দিলি? মা বলেছে নিশ্চয়?শ্যামা চুপ করে রইল।এভাবে টুকটাক কথা হয় শ্যামা আর চন্দ্রের মধ্যে। আগের থেকে শ্যামা অনেক চুপচাপ হয়ে গেছে।একদিন চন্দ্রের বিহারী কাজের লোক হরিয়ার খুব জ্বর হয় সেদিন বড়মা শ্যামার উপর দায়িত্ব দেন ছোটদার ঘর পরিষ্কার করে দেওয়ার এবং খাওয়ার নিয়ে দিয়ে আসার। সেদিন শ্যামাকে একটা ছবি দেখায় চন্দ্র, সেটা শ্যামার বিয়ের পর এঁকেছিল সে।তোর বিয়ের পর তো আমার সঙ্গে আর তোর দেখা হয়নি তাই তোকে দেখাতেও পারিনি।খুব সুন্দর হয়েছে গো ছোটদা । তবে এখন তুমি আরো অনেক ভালো আঁকো ।চন্দ্রের ঘরে কেউ ঢোকে ও পছন্দ করতো না। কিন্তু শ্যামাকে কিছু বলেনি।শ্যামা দেখে শোওয়ার ঘরের পাশে একটা বড়ো ঘরে ছবি আঁকত চন্দ্র।শ্যামা দেখেছে যে সেখানে কিছু ছবি ঢাকা দেওয়া আছে।কৌতূহলী হয়েছে ঠিক কিন্তু কোনোদিন হাত দেয়নি। আর চন্দ্র এখন খুব চুপচাপ নিজের মনে থাকে ওকেও জিজ্ঞাসা করার সাহস হয়নি।যে ছবি গুলো দেওয়ালে টাঙানো আছে সেগুলো মুগ্ধ হয়ে দেখে যখন ঐ ঘরে যায়। যদিও খুব একটা যায়না বড়মা না পাঠালে।এদিকে হরিয়ার মাঝে মাঝেই শরীর ভালো যাচ্ছে না তাই শ্যামার উপর সেইদিন গুলোতে দায়িত্ব পরে শ্যামার উপর।এরকমই একদিন সন্ধ্যাবেলায় ছোটদার ঘরে আলো দিয়ে আসার সময় চন্দ্র বলে একটু কিছু খাবার নিয়ে আয় তো রে ক্ষিদে পেয়েছে।এটা আবার ওর স্বভাব মাঝেমাঝেই ক্ষিদে পায়।বেশ এনে দিচ্ছি বলে চলে যায় শ্যামা।একটু পরে বাটি করে নারকেল আর মুড়ি নিয়ে এসে দেখে ঘরে কেউ নেই।ছোটদা বলে ডাকতেই আঁকার ঘর থেকে আওয়াজ আসে এঘরে দিয়ে যা ।ওঘরে যেতেই দমকা হাওয়ার জোরে ঢাকা দেওয়া ছবি গুলো থেকে ঢাকা সরে যায় আর শ্যামা চমকে যায় এ যে তার ছবি।চন্দ্রও অপ্রস্তুত হয়ে যায়, আবার নিজেকে সামলে নিয়ে তাড়াতাড়ি ঢাকা দিতে যায় ।কি করেছো এগুলো? কেনো করেছো? কেউ এগুলো দেখলে কি ভাববে জানো?চন্দ্র চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে কিছুক্ষণ তারপর বলে কেনো তুই কি কিছুই বুঝিসনা?আমার বোঝার দরকার নেই। লোকে তোমাকে কিছুই বলবে না, যতো দোষ হবে আমার।তোকে এভাবে দেখ্তে আমার একদম ভালো লাগেনা যে, তাই তো আমার স্বপ্ন দিয়ে তোকে এঁকেছি।শ্যামা কাঁদতে থাকে, কেনো কেনো করলে এমন?শ্যামাকে কাঁদতে দেখে চন্দ্র আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারে না শ্যামাকে জড়িয়ে ধরে, আর ঠিক সেইসময় একজন কাজের মেয়ে শ্যামা কে ডাকতে আসে আর ওদের দেখে ছুটে নেমে যায় ।এইপর্যন্ত বলে মামা একটু থামলেন।বলো বলো তাড়াতাড়ি বলো, চাঁদ বলেতারপরের ঘটনা খুব ছোটো করে বলি, একথা শেষে ওঠে গিন্নিমার কানে,গিন্নিমা বিশ্বাস করেন না। কিন্তু জমিদার মশায়ের কানেও উঠে যায় ।ব্যাস আর যায় কোথায় ।শুরু হয়ে যায় জমিদারি খেলা। ভবানী ঠাকুরকে পাঠানো হলো শহরে কিছু একটা কাজে। তারপর দিন ভবানী ঠাকুর এসে শ্যামার খোঁজ করাতে অবাক হয়ে যান গিন্নিমা ।কি শ্যামা বাড়ি ফেরেনি কাল?না, আমি ভাবলাম আমার আসতে দেরি হবে ভেবে আপনি তাকে রেখে দিয়েছেন আপনার কাছে।গিন্নিমা মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন। চারদিকে খুঁজতে বলেন, কিন্তু কোথাও পাওয়া যায় না।তখন কিছু লোক হাহুতাশ করে আর কিছু লোক বাজে কথা বলে, যেমন সবসময় হয়।কাঁদতে কাঁদতে চলে যান ভবানী ঠাকুর। আর পুজো করতে আসেন না।সেদিন রাতে জমিদার গিন্নি ধরেন শশীশেখর বাবুকে কি করলে মেয়েটাকে? জমিদার বাবু মেজাজে বলেন আমি কি করে জানব?তুমি কিছু না জেনে কেনো এমন করলে? একথা চন্দ্র জানলে তাকে তুমি বেঁধে রাখতে পারবে তো?এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে দরজায় টোকা পরে। দরজা খুলে তো চমকে যান গিন্নিমা।চন্দ্র তুই! কিছু বলবি বাবা?মায়ের কথায় কোনো উত্তর না দিয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে বলল কিছু না বুঝেই এতোবড়ো একটা কাজ করে ফেললেন? আমাকে একবার জিজ্ঞাস করলেন না?চুপ করে রইলেন শশীশেখর বাবু।চলে গেলো চন্দ্র ঘর থেকে।একদিন চন্দ্র আবার কোথাও উধাও হয়ে গেলো,কাউকে কিছু না বলে।হরিয়া কিন্তু রয়ে গেলো ছোটো বাবুর ঘরটা আগলে।গ্রামেও এর মধ্যে প্রচার হয়ে গেলো যে জমিদারবাবুই শ্যামাকে গুম করে দিয়েছেন।একদিন ভবানী ঠাকুর পাগলের মতো এসে কাছরিতে ঢুকে পড়লেন,সেখানে তখন জমিদারবাবু নিজে উপস্থিত।ভবানী ঠাকুর বললেন আমার মেয়েটা কি ক্ষতি করেছিল যে তাকে মেরে দিলেন? আমি অভিশাপ দিচ্ছি তোমাদের বংশে ছেলেরা বেশিদিন বাঁচবে না,যতদিন না আমার মেয়ে ফিরে আসছে। আর এও বলে রাখলাম যদি সত্যি চন্দ্র তাকে ভালোবেসে থাকে সেও ফিরবে।এরপর কেউ আর ঐ গ্রামে ভবানী ঠাকুরকে দেখেনি।তারপর সত্যি এই বংশের ছেলেরা বেশিদিন বাঁচে না। আমিই রয়েছি শুধু ওদের মিলিয়ে দেবার জন্য বোধহয়। কারণ আমার দাদুর মাও যে শ্যামা কে বড্ড ভালবাসতেন। উনি বলেছিলেন যেন আমার বংশেই আবার চন্দ্র ফিরে আসে।তিনি যতদিন জীবিত থেকেছেন ছোটো দেওরের খোঁজ করে গেছেন। কিন্তু যে নিজে হারিয়ে যায় তাকে কি আর খূঁজে পাওয়া যায়?ক্রমশ....লেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- তৃতীয় পর্বরাখি রায়-র কলমেআরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাত

অক্টোবর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammedan SC: ৮ বছর পর অতীতকে ছোঁয়ার হাতছানি মহমেডানের সামনে

দীর্ঘদিন পর আবার কলকাতার ফুটবলে প্রাণ ফিরে এসেছে মহমেডান স্পোটিং ক্লাবের দৌলতে। টিকিটের জন্য হাহাকার। এই ছবিটাই তো দেখতে চেয়েছিল ডুরান্ড কাপের আয়োজকরা। তাই দিল্লি থেকে কলকাতায় সরিয়ে নিয়ে এসেছে শতাব্দীপ্রাচীন এই প্রতিযোগিতা। দীর্ঘদিন পর ডুরান্ড কাপের এত জনপ্রিয়তা মহমেডান ক্লাবের সমর্থকদের সৌজন্যে। কেনই বা হবে না? ৮ বছর পর আবার ইতিহাসের মুখে দাঁড়িয়ে সাদাকালো ব্রিগেড। রবিবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মহমেডানের সামনে এফ সি গোয়া।২০১৩ সালে শেষবার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মহমেডান স্পোর্টিং। দীর্ঘদিন পর আবার সর্বভারতীয় ট্রফি জয়ের হাতছানি সাদাকালো ব্রিগেডের সামনে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশায় উত্তেজনায় টগবগ করে ফুটছে মহমেডান শিবির। দলকে তাতানোর দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন ফুটবল সচিব দীপেন্দু বিশ্বাস। শেষবার মহমেডান যখন ডুরান্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, সেই দলে ছিলেন দীপেন্দু। ৮ বছর আগের সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে দরছেন ফৈয়াজ, আজহারউদ্দিনদের সামনে।এফসি গোয়া যথেষ্ট শক্তিশালী দল। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে না। তবে মহমেডানের বাড়তি সুবিধা ঘরের মাঠে প্রিয় দর্শকদের সামনে খেলা। সেমিফাইনালে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ম্যাচে সাদাকালো ফুটবলারদের বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছিল সমর্থকরা। রবিবারও যে মহমেডান বাড়তি অক্সিজেন নিয়ে নামবে সেকথা বলাই বাহুল্য। আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে ডুরান্ড কাপ খেলছে এফসি গোয়া। পূর্ণশক্তি নিয়ে খেলতে এসেছে। তা সত্ত্বেও বিপক্ষকে ভয় পাচ্ছেন না মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ফাইনাল সবসময়ই বড় ম্যাচ। আমরা ভারতের অন্যতম সেরা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামব। বিপক্ষকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে ভয় পাচ্ছি না। আমরা নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছি। এখন লক্ষ্য ফাইনালে সেরাটা দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। এফসি গোয়াকে হারানোর জন্য সেরাটা দিতে হবে, সেটা ফুটবলাররা জানে।দীপেন্দু বিশ্বাসও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেন, দল ভাল ছন্দে রয়েছে। যদি আগেরল ম্যাচগুলোর মতো খেলতে পারি, চ্যাম্পিয়ন হওয়া আটকাবে না। দীর্ঘদিন পর আবার কলকাতা ময়দানে উন্মাদনা ফিরে এসেছে। এমন উন্মাদনা দীর্ঘদিন দেখিনি। চ্যাম্পিয়ন হলে ষোলকলা পূর্ণ হবে। এফসি গোয়া ডিফেন্সে অনেক ফাঁকফোকর রয়েছে। সেটা কাজে লাগাতে হবে। ফুটবলারদের কাছে সেরা সুযোগ নিজেদের প্রমাণ করার।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Water Drowned: ঠাকুমার সঙ্গে মাছ ধরতে নেমে অজয় নদের গভীর জলে তলিয়ে গেল ৯ বছরের নাতি

অজয় নদে জল একটু কমতেই ঠাকুমার সঙ্গে মাছ ধরতে নেমেছিল নাতি। কিন্তু তাঁর মাছ ধরা আর হয়ে উঠলো না। ঠাকুমার চোখের সামনেই অজয়ের গভীর জলে তলিয়ে গেল ৯ বছর বয়সী তাঁর নাতি আনন্দ থান্ডার। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের নতুনহাট এলাকায়। এই খবর পেয়েই মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ও ব্লকের বিডিও জগদীশচন্দ্র বারুই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছেন। প্রশাসনের নির্দেশে এনডিআরএফ টিম অজয় নদে বালকের খোঁজ চালানো শুরু করে দেয়। কিন্তু এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত অজয় নদে তলিয়ে যাওয়া বালকের কোনও হদিশ না মেলায় উৎকন্ঠায় কাটাচ্ছেন পরিবার সদস্যরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের নতুনহাটের লোচন দাস এলাকার বাসিন্দা সান্তনা থান্ডার। তাঁর মেয়ে পূজা থান্ডারের ছেলে আনন্দ থান্ডার। এই বালকের বাবা বুদ্ধদেব থান্ডার কর্মসূত্রে ভিন রাজ্যে থাকেন। বালক আনন্দ থান্ডার নতুনহাট এলাকায় তাঁর দাদু ঠাকুমার কাছেই থাকতো। সান্তনাদেবী এদিন দুপুরে তাঁর নাতিকে সঙ্গে নিয়েই অজয় নদে মাছ ধরতে যান। মাছ ধরার ফাঁকেই আচমকা অজয়ের গভীর জলের মধ্যে পড়ে যায় আনন্দ। তার পর থেকে জলে নাতিকে আর খুঁজে পান না সান্তনাদেবী। তিনি চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করতেই স্থানীয় মানুষজন ঘটনাস্থলে পৌছান। স্থানীয়দের মাধ্যমে বালক আনন্দ থান্ডারেরঅজয় নদে তলিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েই মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌছান। খবর দেওয়া হয় এনডিআরএফকে। এনডিআরএফ টিম ঘটনাস্থলে পৌছে অজয় নদে বালকের খোঁজ চালানো শুরু করে। সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজ চালিয়েও তারা বালকের কোনও হদিশ পাননি। বালকের খোঁজে এনডিআরএফ টিম রবিবার ফের অজয়ে তল্লাশী চালাবে বলে প্রশাসনিক কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Child Abuse: একরত্তি শিশুকে আছড়ে ফেলছেন পরিচারিকা, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠলেন বাবা-মা

এমন দৃশ্য দেখে যে কেউ আঁতকে উঠতে বাধ্য। এক রত্তি শিশুকে কাঁধের ওপর তুলে বিছানায় সজোরে আছড়ে ফেলছে পরিচারিকা। শিশুটির পিঠেও আঘাত করা হচ্ছে। সিসিটিভির এই ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠেছেন বাড়ির কর্তা-গিন্নি। দুজনকেই কাজের তাগিদে বাইরে থাকতে হয়। বাড়িতে পরিচারিকা রেখেছেন শিশুটিকে দেখাভালের জন্য। বাবা-মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত পরিচারিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, বাবা দেবাশিস দাস বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক, মা নবমিতা ভট্টাচার্য মেদিনীপুরের পাবলিক হেলথের ডিস্ট্রিক্ট ম্য়ানেজার। তাঁদের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে শিশুটিকে দেখভালের জন্য রেখেছেন জনৈক কল্পনা সেনকে। বছর পঞ্চাশের এই স্থানীয় মহিলা ২০১৮ সাল থেকে দেবাশিসবাবুদের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। বাবার বাড়িতে মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে গত মে মাসে ফের ফ্ল্যাটে এসে ওঠেন নবমিতা। দেবাশিসবাবু প্রতি শনিবার ফ্ল্যাটে আসেন। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিচারিকা কল্পনার অচরণে সন্দেহ হয় দেবাশিসবাবু ও নবমিতার। তাঁরা বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা সেট করেন। কিন্তু সিসিটিভির বিষয়টা পরিচারিকা জানাননি। তাঁরা মোবাইলে অনলাইনে সিসিটিভির মাধ্যমে বাড়ির প্রতি নজর রাখতেন। বৃহস্পতিবার মোবাইলে অনলাইনে মেয়েকে দেখতে গিয়ে আঁতকে ওঠেন দেবাশিসবাবু। তিনি দেখেন পরিচারিকা তাঁর একরত্তি শিশুর ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। বিছানার ওপর আছড়ে মারছে তাঁর শিশু সন্তানকে। মারধরও করছে। বিষয়টি স্ত্রী নবমিতাকে জানান দেবাশিসবাবু। তড়িঘড়ি দুজনে বাড়ি ফিরে আসেন। তারপর পাঁশকুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই পরিচারিকার বিরুদ্ধে। আপাতত পরিচারিকার স্থান শ্রীঘরে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • ...
  • 81
  • 82
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal