• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Doctors

রাজ্য

রাহুলের পর তাজপুরে রহস্যমৃত্যু! সমুদ্র থেকে ভেসে উঠল দুই চিকিৎসকের দেহ

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর রহস্য এখনও স্পষ্ট না হতেই তাজপুরে ফের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল। সমুদ্র থেকে উদ্ধার হল দুই চিকিৎসকের দেহ, যা ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন করে উদ্বেগ ও প্রশ্ন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে তাজপুরের বিশ্ব বাংলা গেটের কাছে সমুদ্রে দুটি দেহ ভাসতে দেখেন পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় উপকূল থানায়। এরপর পুলিশ ডুবুরি নামিয়ে সমুদ্র থেকে দেহ দুটি উদ্ধার করে।মৃতদের পরিচয় হিসেবে জানা গিয়েছে, তাঁদের নাম কুন্তল চক্রবর্তী এবং শৈলজা ভরদ্বাজ। দুজনেই সোদপুরের বাসিন্দা এবং পেশায় চিকিৎসক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগে তাঁরা তাজপুরে বেড়াতে এসেছিলেন এবং নিজেরাই গাড়ি করে সেখানে পৌঁছেছিলেন।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সমুদ্রের ধারে সময় কাটানোর সময় কোনওভাবে তাঁরা জলে নেমে পড়েন এবং ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে যান। ঘটনাটি সম্ভবত রাতের দিকে ঘটেছে, তাই কেউ তা সরাসরি দেখেননি বলে অনুমান করা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ব বাংলা গেটের কাছেই দেহ দুটি ভেসে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ দ্রুত দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের সদস্যদের ইতিমধ্যেই খবর দেওয়া হয়েছে।ঠিক কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

দাবি আদায়ে এবার আমরণ অনশনে জুনিয়র চিকিৎসকরা, মঞ্চে থাকছে সিসি ক্যামেরা

আমরণ অনশনে বসছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রথম দফায় ৬ জন এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বাকি জুনিয়র চিকিৎসকরা হাসপাতালে রোগী দেখবেন। রাজ্য সরকার তাঁদের দাবি না মানা পর্যন্ত অনশন চলবে। গতকালই জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছিল ২৪ ঘন্টারর মধ্যে তাঁদের দাবি মানতে হবে। তা নাহলেই অনশনে বসবেন। সেই মতো শনিবার অনশনের কথা ঘোষণা করেন।জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, কোনও অনশনকারী অসুস্থ হলে তার দায় রাজ্য সরকারের। এদিন ধর্মতলায় মঞ্চ বাধতে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। নিজেরাই আন্দোলনের মঞ্চ তৈরি করেন। এদিকে এদিন অভিযুক্ত ১০ জন চিকিৎসক পড়ুয়াকে আরজি কর থেকে এক্সপেল করেছে। আরজি করের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের বিচারের দাবি আদায়ে প্রথম থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। এর সঙ্গে আরও একাধিক দাবি রয়েছে তাদের। মোট ১০ দফা দাবি রয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। সেই দবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে তাঁরা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৪
নিবন্ধ

এ’ কোন সকাল - রাতের চেয়েও অন্ধকার!

সেই এলোমেলো দিকহারানো সন্ধ্যা-বায়ের লুটোপুটি খাওয়া ঘর-বার-উঠোন-বাজারে, কাজলকালো রাত পেরিয়ে, আধফোটা কুসুমের মতো ফুটে ওঠা আগমনী আলো আজ আবার ছড়িয়ে দিল মাতৃপূজার সুসমাচার। বেজে উঠলো আলোর বেণু; আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিলাম হৃদয়ের রুদ্ধ দুয়ার। কিন্তু সবার অন্তরের পুঞ্জীভূত আঁধার কাটলো কি? মাতলো কি ভুবন? যে নিবিড় বেদনা আচ্ছন্ন করে রেখেছে বুকের মাটি, মনের আকাশ কালো করে জমে থাকা সেই মেঘ যেন রাতের চেয়েও অন্ধকার করে রেখেছে শরতের আকাশবীণায় গানের মালা বিলানো আজকের এই মহালয়ার সকালকে।অথচ, বর্ষণক্ষান্ত আশ্বিনের নীল আকাশে সাদা মেঘের বহরে অমলধবলপালে আজ লেগেছে মন্দমধুর হাওয়া; দুধসাদা কাশের গুচ্ছ বেঁধে, ঝরা শেফালীর মালা গেঁথে, নবীন ধানের অঞ্জলি দিয়ে ডালা সাজিয়ে শারদলক্ষ্মী এসে গেছেন শুভ্র মেঘের রথে সমাসীন হয়ে। ধৌতশ্যামল আলোঝলমল বনগিরিপর্বতে ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর শ্বেতশতদলশোভিত করুণানয়নের আশীর্বাণী। শিউলীতলার পাশে পাশে.. ঝরা ফুলের রাশে রাশে.. শিশিরভেজা ঘাসে ঘাসে অরুণরাঙা চরণ ফেলে.. জলতরঙ্গে ঝিলমিল ঝিলমিল ঢেউ তুলে ছড়িয়ে পড়ছেন তিনি। আলোছায়ার আঁচলখানি লুটিয়ে পড়ছে বনে বনে; ফুলগুলি ঐ মুখে চেয়ে কী কথা গুনগুনোচ্ছে মনে মনে, কে খবর রাখে তার! তবু ঐটুকু ঐ মেঘাবরণ দু হাত দিয়ে সরিয়ে, মুখের ঢাকা হরণ করে, শারদলক্ষ্মীকে বরণ করে নিতে যেন কারো মন নেই আজ। এমন নিরানন্দ দেবীপক্ষের সূচনা খুব বেশী দেখা গেছে কি?একদিকে বানভাসি নদী-মাঠ-ঘর-গেরস্থালির অপার দুর্ভোগ, অন্যদিকে অগ্নিমূল্য হাটবাজার; আর সব ছাপিয়ে এক নির্যাতিতা প্রতিবাদিনীর সর্বপরিব্যপ্ত বেদনার্ত ছায়া এবারের মাতৃপক্ষকে যেন ঢেকে রেখেছে এক তিমিরঅবগুণ্ঠনে। উৎসবে মেতে ওঠার মেজাজটাই পাড়ি দিয়েছে দিকশূণ্যপুরের দিশায়।তবু এরই মধ্যে পথে-পার্কে-পল্লীপ্রান্তে শালবল্লা-বাঁশ-ত্রিপল-প্লাইউডের কাঠামো-রা সেজে উঠছে দ্রুত। দোকান-পসার-মল-মার্কেটে ভীড়ও খানিক খানিক জমে উঠছে। মহালয়ার রাতভোর অসংস্কৃত বাজী-র উদযাপন এবার কিছু কম (আজকাল পাড়ার যে যে বাড়িতে বয়স্ক বা অসুস্থ মানুষ আছেন বলে খবর, তাঁদের জানালার কাছাকাছিই সাধারণতঃ বাজী ফাটানো হয় বেশী)। ইতস্ততঃ কিছু ক্লাবের মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র-ও সাড়া দিলেন বহু যুগের ওপার থেকে আজ ভোরবেলায়, যদিও কিছু স্তিমিতস্বনে। তবে পিতৃতর্পণাভিলাষীরা ছাড়া নদীর তীরে কাশের বনে মানুষের ঢল নামলো কই!মন ভালো নেই; আমাদের অনেকেরই মন ভালো নেই। আজ অখিলবিমানে দিকে দিকে সর্বস্যার্তিহরা দেবীমায়ের জয়গান। সিংহস্থা শশীশেখরা মরকতপ্রেক্ষা জগজ্জননী দূর করুন এই দুঃসহ আঁধার। ভয়ের আবহ শেষ হোক সবার ঘরের প্রতিটি দুর্গা হেসে উঠুক সুখে-সাহসে-সাফল্যে প্রতিটি অভয়া বিচার পাক!ওগো আমার আগমনী আলো, জ্বালো প্রদীপ জ্বালো, জ্বালো গো- ড. সুজন সরকার, বর্ধমান। ।

অক্টোবর ০২, ২০২৪
রাজনীতি

আরজি করের পটভূমিকায় স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি আগমনী, টিএমসিপির সাসপেন্ড নেত্রীর নিশানায় কুণাল ও দেব

সাসপেন্ড হতেই সরাসরি তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ থেকে শুরু করে অভিনেতা সাংসদ দেবকে তুলোধোনা করলেন যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের বহিষ্কৃত সহ সভাপতি রাজন্যা হালদার। তাঁর দাবি, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই ছবি, এর মধ্যে কোন রাজনীতি নেই। পাশাপাশি রাজন্যা এদিন কুনাল ঘোষকে নিশানা করে বলেছেন, কুণাল ঘোষ যে পুজোর গান লিখেছেন তা কী তিনি দলকে জানিয়ে লিখেছিলেন? একই সঙ্গে রাজন্যার নিশানায় ছিলেন অভিনেতা সাংসদ দেবও। নিজের বহিষ্কারের সুপারিশের পালটা তিনি দেবকে নিশানা করে বলেন, দেব দা যখন প্রধান বানিয়েছিলেন তখন তিনি কী দলকে জানিয়ে বানিয়েছিলেন। আমার তো মনে হয় না। রাজন্যা বলেছেন, আমি মনে করি না দলীয় কাজের বাইরে শিল্পভাবনার ক্ষেত্রে দলকে জানানোর কোনও প্রয়োজন আছে। আরজি করের ঘটনার সঙ্গে ছবির কোন সম্পর্ক নেই সেকথা মনে করিয়ে রাজন্যা বলেন, ছবির সঙ্গে আরজি করে ঘটনার কোন সরাসরি যোগ নেই। ছবি দেখে যদি দল যদি সিদ্ধান্ত নিত তাহলে ভালো হত। আশা রাখি দল ছবি দেখে সিদ্ধান্ত পূর্ণবিবেচনা করবে।তিলোত্তমাদের গল্প নিয়ে স্বল্প দৈর্ঘের ছবি আগমনী মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ২ অক্টোবর। টিএমসিপির দুই নেতা-নেত্রী প্রান্তিক ও রাজন্যা জুটির এই ছবিকে নিয়েই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপটেই ২ জনকেই সাসপেন্ড করেছে দল। মহালয়ার দিন এই ছবি মুক্তির আগেই শুক্রবার রাতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সাসপেন্ড করেছে প্রান্তিক চক্রবর্তী ও রাজন্যা হালদারকে। প্রান্তিক ছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সহসভাপতি ও রাজন্যা যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের সহসভাপতি।প্রান্তিক ও রাজন্যা দুজনেই জানিয়েছেন, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই তাঁরা এই স্বল্প দৈর্ঘের ছবি তৈরি করছেন। শুধু আরজি করের নির্যাতিতা নন, সমাজের সকল স্তরের নির্যাতিতার কাহিনী থাকছে এতে। পাশাপাশি প্রতিবাদ ও জন জাগরণের ভাষাও থাকবে এই ডকুমেন্টারিতে। দল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও ২ অক্টোবর আগমনী মুক্তির সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসছে না রাজন্যা ও প্রান্তিক। তাঁদের বক্তব্য, শর্ট ফিল্মটা দেখার পর বিচার করা উচিত ছিল। এখানে কোনও বিচারাধীন বিষয় দেখানো হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

খোল, করতাল, হারমোনিয়াম নিয়ে কীর্তন, আরজি করে কাণ্ডের অভিনব প্রতিবাদ

ভোরের আলো ফুটতেই হরিনাম সংকীর্তনের শুরু হয়েছিল। কীর্তন শুনতেই ভিড় জমিয়েছিলেন অসংখ্য প্রাত:ভ্রমণকারী। কিন্তু আরজি কর কান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে হরিনাম সংকীর্তন হবে, তা দেখে রীতিমতো আশ্চর্য হয়ে গিয়েছে মালদা শহরের বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ভোরের আলো ফুটতেই আরজি কর ঘটনার অভিনব প্রতিবাদে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে, খোল, করতাল, হারমোনিয়াম বাজিয়ে হরিনাম সংকীর্তনে এভাবেই সোচ্চার হলেন মালদার গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্থার কর্মকর্তারা। এদিন সাতসকালে মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র রাজ হোটেল মোড় এলাকায় ছোটখাটো মঞ্চ করেই শুরু হয় আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদ কীর্তন। হরিনাম সংকীর্তনের পাশাপাশি আরজিকর কাণ্ডে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবী জানিয়ে সোচ্চার গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্থার উদ্যোক্তারা। সাতসকালে প্রাতঃভ্রমণে বেড়ানো অসংখ্য মানুষেরা এই অভিনব প্রতিবাদ দেখতেই দাঁড়িয়ে পড়েন। রাজমহল রোডের রাজপথে প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে চলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকে আরজিকর কান্ডের এই অভিনব প্রতিবাদ। এই সংস্থার এমন প্রতিবাদকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন শহরবাসী। গৌড়ীয় বৈষ্ণব সংস্থার চেয়ারপার্সন চিত্রা সরকার বলেন, কলকাতা আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসক ছাত্রীকে যেভাবে খুন করা হয়েছে, তাতে দোষীদের ফাঁসি চাই। পাশাপাশি মৃত নির্যাতিতার আত্মার শান্তি কামনা এদিন করা হয়েছে। প্রত্যেকে যেন সঠিক বিচার পায়, কর্মক্ষেত্রে নারীদের সুরক্ষা চাই এবং চারিদিকে বিষাক্ত বাতাবরণ শুদ্ধিকরণ জন্য নাম সংকীর্তনের মধ্যে দিয়ে এদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করা হয়।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

Gangasagar Mela: সুপারস্প্রেডারের ভয়ে গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ করতে আদালতে আর্জি ডক্টর্স ফোরামের

কোভিড পরিস্থিতিতে মেলা নিয়ে আগেও সতর্ক করেছেন রাজ্যের চিকিৎসকেরা। সব পক্ষের শুনানির পর শর্ত সাপেক্ষে মেলা করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। সেই মতো মেলার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে ফের সেই মেলা বন্ধ করার আর্জি জানালেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের দাবি, এখনও যদি না বন্ধ হয়, তাহলে রাজ্য বিপদসীমায় পোঁছে যাবে। সোমবার গঙ্গাসাগর মেলা সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি ছিল। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বেঞ্চে এ দিন আর্জি জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এ দিন মামলার শুনানি শেষের পর রায়দান স্থগিত রাখল আদালত।করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে গঙ্গাসাগর মেলা চলতে পারে বলে শুক্রবার জানিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে তিন সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করে বলেছিল, কমিটি চাইলে মেলা বন্ধের নির্দেশ দিতে পারে। আবার ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে চালুও রাখতে পারে। কিন্তু আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সোমবার ফের পাঁচটি মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। যার বক্তব্য মূলত দুটিপ্রথমত, অবিলম্বে মেলা বন্ধ করা হোক। কেন না কমিটির রিপোর্ট পেয়ে তা কার্যকর করতে করতে ক্ষতি আরও বাড়বে। দ্বিতীয়ত, আদালতের কাছে আইনজীবীরা জানতে চেয়েছেন, নজরদারি কমিটিতে কোনও চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞকে রাখা হয়নি কেন? যাঁরা কমিটিতে রয়েছেন, তাঁদের পক্ষে কি রাজ্যের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি বিচার করা সম্ভব?সোমবার আদালত মামলাকারীদের আইনজীবীদের পরামর্শ দেয়, রাজ্যে এই মুহূর্তে যে করোনা পরিস্থিতি সেখানে দাঁড়িয়ে, এতটা ঝুঁকি না নেওয়াই ভাল। তাই মেলা বন্ধ করা হোক। ডক্টর্স ফোরামের তরফে আদালতকে অনিরুদ্ধ জানান, কলকাতা থেকে ডায়মণ্ড হারবার ব্যস্ত রাস্তাগুলির মধ্যে অন্যতম। করোনার সাম্প্রতিক স্ফীতির দিকে নজর রেখে এখনই মেলা বন্ধ করা না হলে তা সুপার স্প্রেডার-এর রূপ নিতে পারে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

Covid-Doctors: মুম্বইয়ে তিন দিনে কোভিড আক্রান্ত দু’শোর বেশি চিকিৎসক, বঙ্গে আক্রান্ত স্বাস্থ্য অধিকর্তা-সহ বহু

ওমিক্রন আবহে দেশজুড়ে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বিপুলভাবে বাড়তে শুরু করেছে। কোনও হাসপাতালে এক সঙ্গে ৭০ জন, তো কোনও হাসাপাতলে তারও বেশি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে এর মধ্যে মুম্বইয়ের ছবিটা বোধহয় সবচেয়ে ভয়াবহ। গত তিন দিনের মধ্যে শহরের সরকারি হাসপাতালগুলির ২২০ জন চিকিৎসক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন।এদিকে করোনায় আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। তবে কেবল স্বাস্থ্য অধিকর্তা নন, আক্রান্ত হয়েছেন ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশনের ৮৭ জন। মোট ১৩৫ জনের ৮৭ জনই করোনা আক্রান্ত। প্রথমে সংখ্যাটা ছিল ৬৬। সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়ে হয় ৮৭। পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যাচ্ছে, স্বাস্থ্যভবনে কার্যত থাবা বসিয়ে দিয়েছে করোনা। স্বাস্থ্য ভবনের মূল প্রশাসনিক কার্যালয়ে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত হয়েছেনে অনেকেই। স্বাস্থ্য ভবনে মোট কতজন আক্রান্ত, সেই পরিসংখ্যান এখনই নির্দিষ্টভাবে বলতে পারছেন না দপ্তরের কেউই।মহারাষ্ট্রের চিকিৎসক সংগঠন সূত্রে খবর, জেজে হাসপাতালে গত ৭২ ঘণ্টায় ৭৩ জন চিকিৎসকের কোভিড ধরা পড়েছে। কিং এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালে আক্রান্ত ৬০ জন চিকিৎসক। লোকমান্য তিলক মিউনিসিপ্যাল জেনারেল হাসপাতালে এক সঙ্গে ৮০ জন চিকিৎসক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া আর এন কুপার হাসপাতালে সাত জন এবং থানের ছত্রপতি শিবাজি হাসপাতালের আট চিকিৎসকের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যে ভাবে দেশজুড়ে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন তাতে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে দেশজুড়ে একটা আশঙ্কার মেঘ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Sourav Ganguly: চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে স্থিতিশীল সৌরভ, স্বাভাবিক খাবার খাচ্ছেন

করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে আপাতত ভাল আছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, নতুন করে আর জ্বর আসেনি সৌরভের। কাশিও নেই। তবে সর্দি রয়েছে বিসিসিআই সভাপতির।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সর্দি থাকায় মাঝে মধ্যে স্টিম দেওয়া হচ্ছে সৌরভকে। কিন্তু কাশি না থাকায় আপাতত তাঁর সিটি স্ক্যান করা হবে না। স্বাভাবিক ভাবে খাবার খাচ্ছেন তিনি। কথাও বলছেন। বুধবার দুপুরে সৌরভের শারীরিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন চিকিৎসকরা। তার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।সৌরভের চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার তিন সদস্যের চিকিৎসক দল গঠন করা হয়েছে। সেই দলে রয়েছেন সরোজ মণ্ডল, সপ্তর্ষি বসু ও সৌপ্তিক পণ্ডা। এ ছাড়াও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে চিকিৎসক দেবী শেঠি ও আফতাব খানের।কোভিডের জন্য যে চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন অনুসরণ করা হয়, সেই মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ককটেল থেরাপি সৌরভের জন্য সোমবার রাতেই শুরু করা হয়েছে। তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে জিনের পরীক্ষার জন্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে সেই রিপোর্ট পাওয়া যেতে পারে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে বোঝা যাবে তাঁর ওমিক্রন সংক্রমণ হয়েছে কি না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Corona: রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় আবার ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের তরফে ক্রমাগত সতর্কবাণী সত্ত্বেও ভোটপুজো থেকে বড়দিন বিধি ভাঙার কোনও সুযোগই ছাড়েনি জনতার একটি বড় অংশ। ফল-ও মিলছে, যেমন মিলেছিল দুর্গাপুজো থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত মহোৎসবে লাগামছাড়া মাতনের পরে। গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যে দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ থেকে ৫০০-র ঘরে ঘোরাফেরা করলেও মঙ্গলবার রাতে স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে কার্যত দ্বিগুণ হয়েছে। সংখ্যাটি এক ধাক্কায় পৌঁছে গিয়েছে ৭০০-র ঘরে।২ দিন পরেই বর্ষবরণ। বর্ষশেষের নিশিযাপন আর ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনটি উদ্যাপনের তাগিদে কলকাতা ৩১ ডিসেম্বরের রাত থেকে শৃঙ্খলা ভেঙে, অতিমারি বিধি উড়িয়ে ওমিক্রনকে স্বাগত জানাতে হামলে পড়বে কি না, তা নিয়েও মহা উদ্বেগে আছেন চিকিৎসকেরা।ওমিক্রন পশ্চিমবঙ্গ-সহ সারা দেশে থাবা বসাতে থাকায় বার বার বিধি মানার কথা বলে স্বাস্থ্য শিবির মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বছর শেষের উৎসবে প্রশাসন রাশ আলগা করার কারণেই এক শ্রেণির মানুষের বেপরোয়া আচরণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে মানুষের আত্মিক সচেতনতা ও বোধের উপরেই ভরসা রাখতে চাইছেন চিকিৎসকদের একাংশ। নতুন বছরের আনন্দ ষোলো আনা অনুভব-উপভোগ করেও পথে নেমে ভিড় করে উচ্ছ্বাস প্রকাশে লাগাম টানারই আবেদন জানাচ্ছেন তাঁরা।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচ জন। আর কারও খোঁজ মেলেনি, যাঁকে ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা যায়। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবকের আজ, বুধবার পুনরায় কোভিড পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষার রিপোর্টও যদি নেগেটিভ আসে, তা হলে তাঁকে ছুটি দেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

SSKM: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন না, মন্ত্রীর মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে এসএসকেএম

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর প্রশ্নের মুখে এসএসকেএম হাসপাতাল। তাঁর আইনজীবী মনিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তাররা এসে পাম্প করছিলেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন না। যখন ব্যথা হচ্ছিল, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা কেউ ছিলেন না।সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী বলছেন, কোনও চিকিৎসক ছিলেন না। শহরের অন্যতম সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।যদি এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ ঘটনার কথা অস্বীকার করছে না। তাঁরা বলছেন, ঘটনার সময়ে মেডিক্যাল বোর্ডের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ওয়ার্ডে ছিলেন না। সন্ধ্যেবেলার রাউন্ড শেষে সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে দেখে যান তাঁরা। সন্ধ্যার পর যে এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটতে পারে, এমন কোনও ইঙ্গিতই পাননি বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যখন সুব্রত মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে এসেছিলেন, তাঁর হৃদপিণ্ড ঠিকমতো কাজ করছিল না। তাঁর প্রবল শ্বাসকষ্ট ছিল।তাঁকে স্টেইন বসানোর পর ৪৮ ঘণ্টা চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণে রাখেন। স্টেইন বসানোর আগে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বেশ কয়েকবার হৃদপিণ্ডের গতির ছন্দপতন অর্থাৎ হার্ট অ্যারিথমিয়া হয়ে যায়। কিন্তু সোমবার স্টেইন বসানোর পর মঙ্গল ও বুধবার তাঁর হৃদপিণ্ডের ছন্দপতন ঘটেনি। সন্ধ্যায় চিকিৎসকরা দেখে বলেছিলেন, সুব্রত মুখোপাধ্যায় অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। আজ, শুক্রবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আচমকাই তাঁর হার্ট অ্যারিথমিয়া হয়। তার কারণ হিসাবে চিকিৎসকরা বলছেন, আর্টারি, হৃদপিণ্ডের মাংসপেশি আগের থেকেই অনেক বেশি দুর্বল ছিল। সেই কারণেই এটা ঘটেছে। এসএসকেএমের বক্তব্য, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা হয়তো ছিলেন না, কিন্তু বাকি যাঁরা ছিলেন, তাঁরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: বড় ঘোষণা: চিকিৎসক-নার্সদের জন্য কল্পতরু মমতা

প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর একবার করে বসবেন এসএসকেএম হাসপাতালে,মুখ্যমন্ত্রী গত সপ্তাহেই জানিয়েছিলেন। এ দিন প্রথমবার চিকিৎসক ও প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষেও বেশ কয়েকটি বড় ঘোষণা করলেন মমতা। যা মূলত এ রাজ্যের ডাক্তার, নার্সদের উদ্দেশ্যে। পাশাপাশি কোয়াক ডাক্তারদের জন্যও সুখবর শুনিয়েছেন তিনি।বৈঠক শেষে সবার প্রথম এ দিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের চিকিৎসক ও নার্সদের বাড়ি তৈরির জন্য বিনামূল্যে জমি দেবে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পে হিডকোর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিমকে ১০ কাঠা জমি বরাদ্দ করতে বলেন তিনি। যাতে সেখানে ডাক্তার ও নার্সদের আবাসন তৈরি করা যায়। পাশাপাশি যেসব নার্সরা অনেকদিন ধরে কাজ করছেন। অভিজ্ঞতা সুবিশাল। রাজ্য সরকার তাঁদের পদোন্নতি করবে বলে জানান মমতা। একই সঙ্গে অপ্রচলিত চিকিৎসকরা (কোয়াক ডাক্তার), যারা ভাল কাজ করছেন, তাঁদের স্বীকৃতি দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাজে লাগানোর কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ মা হলেন নুসরত, পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন তিনিমমতা এ দিন বলেন, ডাক্তার-নার্সদের বাড়ি তৈরির জন্য জমি দেওয়ার ব্যাপারটা কেউ চিন্তা করেনি। হিডকোর চেয়ারম্যান ববিকে আমি বলেছি, আমায় ১০ একর জমি খুঁজে বের করে দিতে। যেখানে ডাক্তার এবং নার্সরা নিজেরা চাইলে তাঁদের বাড়ি বানিয়ে নিতে পারবেন। আমি জমিটা বিনা পয়সায় দেব। আর হাউসিংটা তারা নিজেরা তৈরি করে নেবে। নার্সদের জন্যও এ দিন বিরাট ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে চিকিৎসকদের অভাব রয়েছে, সেটা স্বীকার করে নিয়েই যে নার্সরা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, রাজ্য সরকার তাঁদের পদোন্নতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ডাক্তারের পরামর্শ মেনে কাজ করতে করতে যে নার্সরা চিকিৎসার বিষয়ে পোক্ত হয়ে গিয়েছেন, তাঁদের প্রশিক্ষণের অধীনে থাকা চিকিৎসক বা প্র্যাক্টিশনার সিস্টার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এর জন্য নতুন গাইডলাই তৈরি করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। ডাক্তারদের অভাব মেটাতেই যে এই পদক্ষেপ, সেটাও সাফ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ২৬, ২০২১
কলকাতা

SSKM: মহিলা চিকিৎসককে যৌন হেনস্থায় স্বাস্থ্য ভবনের কোপে ২ চিকিৎসক

এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজে ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে যৌন হেনস্থার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন। দুজনকেই বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্বাস্থ্য ভবন জানিয়েছে, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের যে সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং আর এক অধ্যাপক চিকিৎসককে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত দুই চিকিৎসককে বদলির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ২২ জুলাই থেকে দিল্লির সংসদ ভবনের সামনে ধর্ণায় বাংলার কৃষকওএই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারিণী দুতরফের বক্তব্যই শুনেছে ওই কমিটি। এর পরই বিষয়টি নিয়ে মে মাসে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ওই কমিটি। সেই রিপোর্টে জানা গিয়েছে নির্যাতিতার অভিযোগ সত্যি। তার পরেই পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে যৌন হেনস্থার বিষয়টি জানান নির্যাতিতা পড়ুয়া-চিকিৎসক। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগও জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভবানীপুর থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নির্যাতিতা। এসএসকেএম কর্তৃপক্ষকে করা অভিযোগে নির্যাতিতা জানান, ২০২০ সাল থেকেই যৌন হেনস্থার শিকার তিনি। নানা অছিলায় অভিযুক্ত চিকিৎসক তাঁকে হেনস্থা করত বলে অভিযোগ করেছেন ওই পড়ুয়া-চিকিৎসক।

জুলাই ০৮, ২০২১
দেশ

Corona Death: দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনার বলি ৭৯৮ জন চিকিৎসক

প্রথম ঢেউয়ের থেকেও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে করোনা দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথমবারের থেকেও বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে করোনার নতুন মিউটেন্ট সেন্ট (Corona Virus)। সরকারি পরিসংখ্যান আপাতত সেই প্রমাণই দিচ্ছে। ভারতীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৭৯৮ জন চিকিৎসক (Doctors)। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।আরও পড়ুনঃ বিধানসভা ভোটের হারের কারণ খু্ঁজতেই মরিয়া শুভেন্দুদেশে করোনা আছড়ে পড়ার পর ঝুঁকি নিয়েই দিনের পর দিন মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের ধারা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকদের দায়িত্ব বেড়েছে আরও কয়েকগুণ। গত মার্চের পর থেকে লাফিয়ে বেড়েছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। আর সেই রোগীদের জীবনদান করতে গিয়েই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন বহু চিকিৎসক। ভারতীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Medical Association) পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রাণ গিয়েছে ৭৯৮জন চিকিৎসকের। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দিল্লির চিকিৎসকরা। রাজধানীতে মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে মোট ১২৮ জন ডাক্তারের। তালিকায় এরপরই রয়েছে বিহার। চলতি বছর রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১১৫ জন চিকিৎসকের। উত্তরপ্রদেশে ৭৯ জন চিকিৎসক করোনার বলি হয়েছেন। কেরল এবং মহারাষ্ট্রে আবার নতুন করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট।যার সংক্রমণের ভয়াবহতা অনেক বেশি মারাত্মক। এই দুই রাজ্যে চিকিৎসকদের মৃত্যুর সংখ্যা যথাক্রমে ২৪ ও ২৩। যদিও তুলনামূলকভাবে চিকিৎসক মৃত্যুর হার অনেক কম পুদুচেরিতে।এর আগে ২৫ জুন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA) জানিয়েছিল, ৭৭৬ জন ডাক্তার করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বলি হয়েছেন। যেখানে তালিকার শীর্ষে ছিল বিহার। দ্বিতীয় স্থানে ছিল দিল্লি। তবে মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাকি রাজ্যগুলিকে পিছনে ফেলে দিল্লিই শীর্ষে উঠে এসেছে।Indian Medical Association says 798 doctors died during second wave of COVID-19 across the country; maximum 128 doctors lost their lives in Delhi, followed by Bihar at 115 pic.twitter.com/mOBgRtQJp0 ANI (@ANI) June 29, 2021 ১ জুলাই দেশজুড়ে পালিত হবে চিকিৎসক দিবস। ঠিক তার আগে আইএমএ-র এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সাধারণ দেশবাসী-সহ চিকিৎসকমহলেও।

জুন ৩০, ২০২১
বিবিধ

বহুগুণসম্পন্ন কমলালেবু, জেনে নিন নানাবিধ উপকারিতা

কমলালেবুর রস বা জুস খেতে সকলেই পছন্দ করেন। এতে একদিকে যেমন আছে ভিটামিন সি, তেমনই আছে খনিজও। ফলে রোজকার খাদ্য তালিকায় যদি এই ফলটা থাকে তাহলে শুধু ক্যালোরি নয়, একসঙ্গে অনান্য অনেক সমস্যার সমাধান করে দেবে কমলালেবুর রস।বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি প্রতিদিন কমলালেবুর রস খাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ওবেসিটি, ডায়াবেটিসের মতো দৈহিক সমস্যা দূরে রাখা সম্ভব হবে। শুধু তাই নয় মস্তিষ্ক গঠনেও সাহায্য করে কমলালেবু। পাশাপাশি কমলালেবুতে ফ্যাট থাকে না, ক্যালোরির পরিমাণও অত্যন্ত কম। তাই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কমলালেবুর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত এই ফল খেলে পেটে ব্যথা, ডায়েরিয়া, বদহজম হতে পারে। অন্যদিকে, হার্ট ও কিডনির রোগে যাঁদের হাই পটাশিয়াম যুক্ত খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাঁদের অবশ্যই কমলালেবু খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদদের সঙ্গে আলোচনা করে তবে খেতে হবে।কমলালেবুর গুণাগুণ:১. কমলালেবুতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি এবং হেসপিরিডিন যা উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এতে প্রাকৃতিক উপাদান হিসাবে থাকা ফ্ল্যাভনোয়েড শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা নিয়ে থাকে।২. ক্যানসার প্রতিরোধে কমলালেবুর জুড়িমেলা ভার। ত্বক, মুখের ভিতর, ব্রেস্ট, ফুসফুস, পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে কমলালেবু। লিউকোমিয়া প্রতিরোধেও কমলালেবুর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। গবেষণায় জানা দিয়েছে, কমলালেবুতে আরও একটি উপাদান থাকে যাকে বলে লিমোনেন । এই উপাদান ক্যানসার রোধে খুবই উপযোগী।৩. কমলালেবুতে ভিটামিন সি, কোলিন, পটাশিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার থাকে। যা স্ট্রোক, এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। ফলে যাঁদের হার্টের সমস্যা রয়েছে তাঁরা চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো কমলালেবু খেতে পারেন।৪. প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান অর্থাৎ ভিটামিন সি থাকায় নানা ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে কমলালেবু।৫. যাঁদের কিডনিতে পাথরের সমস্যা রয়েছে তাঁদের কাছে কমলালেবু খুবই উপকারী এক ফল। নিয়মিত তা খেতেই পারেন। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal