• ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ১৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

District

রাজ্য

উল্টানো দলীয় পতাকা! হুগলির হেভিওয়েটদের ফ্লপ সভায় প্রতিফলিত অনৈক্যের ছবিই

হুগলি জেলার বলাগড় আসন এখনও তৃণমূলের দখলে। তবে একুশে কী হবে? প্রতিবাদ সভার মঞ্চে তৃণমূলের উল্টানো পতাকাতেই কি সেই আভাস? এমনিতেই লোকসভা নির্বাচনে এই বিধানসভা ক্ষেত্রে ৩৪ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। তৃণমূলের ছন্নছাড়া দশায় দলীয় কর্মীরাই আশার আলো দেখছেন না। তাঁদের আশঙ্কা, হয়তো কোর কমিটিই থাকবে, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কর্মীরাই গুরুত্ব না পেয়ে আর থাকবেন না। হুগলি জেলায় চরমে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মনে করায় নচিকেতার সেই গানের কথা, ...সবার হাতেই কাঠি। প্রশান্ত কিশোরের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে গঠিত নতুন জেলা কমিটি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমানোর বদলে বাড়িয়ে দেয়। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে জেলা নেতাদের সঙ্গে পিকের বৈঠকে পরিস্থিতি আরও ঘেঁটে ঘ হয়েছে। কোর কমিটি হয়েছে, ১০টি বিধানসভায় কোর কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ সভার ডাক দেওয়া হয়। তার প্রথম সভা ছিল রবিবার ১ নভেম্বর, বলাগড় বিধানসভার ডুমুরদহের শেরপুর মাঠে। হেভিওয়েটরা অনেকে ছিলেন, কিন্ত সভা ডাহা ফ্লপ। সভা আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন বিধায়ক অসীম মাঝি। বক্তারা যেখানে ভাষণ দেবেন তার সামনেই দলের উল্টানো পতাকা কীভাবে নজর এড়িয়ে গেল? একে ছোট মাঠ, ব্যারিকেড দিয়ে তারও তিন ভাগের এক ভাগে সভা হলো। তবু মাঠ ভরল না। প্রধান বক্তা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যে একমাত্র বক্তা হবেন কে ভেবেছিল? মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত, অসীমা পাত্র থেকে শুরু করে বিধায়ক বেচারাম মান্না, সুবক্তা স্নেহাশিস চক্রবর্তী, জেলা সভাপতি দিলীপ যাদবরা বলার সুযোগই পেলেন না। কল্যাণ একাই একদা গাভাসকারের মতো ৬০ ওভার ধরে বিরক্তিকর ইনিংস খেলায়! রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে তিনিই যে একমাত্র লড়াই করছেন, নানা অঙ্গভঙ্গি করে তা বোঝানোর চেষ্টা চালালেন দেড় ঘণ্টার ভাষণে। যা মেরেকেটে হাজার খানেক লোক হয়েছিল তাঁরাও বিরক্তি নিয়ে ভাষণ চলাকালীন ঘরমুখো হতে থাকলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক জেলা পদাধিকারীর কথায়, এই বলাগড়েই বিভিন্ন শাখা সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে বহু বড়ো মিছিল, সভা হয়েছে। আজ সত্যিই মাথা হেঁট হয়ে গেল। কর্মীরা কেউ কল্যাণবাবুর নিজেকে জাহিরের কথা শুনতে আসেননি। উনি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাও সেভাবে বললেন না। কর্মীরা দিদির বার্তা, উন্নয়নের কথা, ভোটের আগে হেভিওয়েট দলীয় নেতৃত্বর কাছ থেকে দিশা পেতে এসেছিলেন। তাঁদের হতাশ হয়েই ফিরতে হলো। জেলার রাজনীতিতে ব্লক সভাপতি বদলের হাওয়া ওঠায় বর্তমান ব্লক সভাপতি শ্যামাপ্রসাদ রায় বন্দ্যোপাধ্যায় আসেননি এদিনের সভায়। প্রচারের হোর্ডিংয়ে নাম থাকা বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ব্লকের অনেক নেতাই আসেননি। আসেননি বলাগড়ের ১৩টি অঞ্চলে বুথ স্তরে কাজ করা কয়েক হাজার কর্মী। তাঁদের একজন বললেন, ২৩ মে ফল বেরোনোর পর যাঁরা পুলিশের নিরাপদ আশ্রয়ে ঘরে ছিলেন তাঁরাই এখন কোর কমিটিতে। আর যাঁরা সে সময় বিজেপির আক্রমণ উপেক্ষা করে কর্মীদের আগলে রেখেছিলেন, তাঁদের আজ দুর্নীতিগ্রস্ত বলে সরানো হচ্ছে। পদে বসানো হচ্ছে আসল দুর্নীতিবাজদের। আমফান বা লকডাউনের সময়েও বিপন্ন মানুষের পাশে দেখা যায়নি কোর কমিটির সদস্যদের। আর আরামবাগে তো এখনও দলের যুব সভাপতিই নেই! জেলায় ইতিমধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে ব্যানার পড়তে শুরু করেছে। জেলার রাজনীতির চিত্র না বদলালে ভাঙন রোধ সম্ভব হবে না। তৃণমূলের এই দশা দেখে মুচকি হাসছে বিজেপি। দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার লক্ষ্যে যে কোর কমিটির সভা আয়োজন তার প্রথমটাতেই এমন অনৈক্যের ছবি কিন্তু তৃণমূল নেতৃত্বকে উদ্বেগে রাখবে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। বিধানসভা ভোটের আগে যে আভাস একেবারেই ভালো নয়। প্যানিক অ্যাটাকেই কি দলের উল্টো পতাকা হেভিওয়েটরা দেখতে পেলেন না? ভোটের আগে সব প্ল্যান উল্টো হওয়ার কি ইঙ্গিত এটাই? এককাট্টা হয়ে ভোটে লড়তে না পারলে জেলায় হতে পারে সবচেয়ে খারাপ ফল। দলের কাজকর্মে বিরক্ত অনেকে দলনেত্রীর উপর এখনও আস্থা রাখলেও পূর্ব মেদিনীপুরের দিকেও চোখ রাখছেন। তাসের ঘরের মতো দল ভেঙে পড়ুক, মন থেকে কেউ চাইছেন না। প্রশান্ত কিশোরের টিমের বিরুদ্ধে নানা প্রামাণ্য নথিও পৌঁছে দিচ্ছেন উপর মহল অবধি। যার ফলের উপরই নির্ভর করছে সেই প্রশ্নের উত্তর, হুগলিতে এবার ক'টা আসন পাবে তৃণমূল?

নভেম্বর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনা সংক্রমণের নিরিখে এগিয়ে কোন কোন জেলা ?

কলকাতায় করোনা সং ক্রমণ কমার কোনও লক্ষণই নেই । বরং প্রতিদিন তা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সর্বাধিক করোনা আক্রান্ত হয়েছে কলকাতায়। সেখানে ৮৯৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর সামান্য পিছনেই রয়েছ উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮৬ জন। হাওড়ায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ২৭৪ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় একইদিনে আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ২৪৪ জন। হুগলিতে সংক্রমণ বেড়ে হয়েছে ১৯৭ জন। উত্তরে সর্বাধিক আক্রান্ত হয়েছে পর্যটকে ঠাসা দার্জিলিং-এ। সেখানে একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৮৯ জন। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদিয়া ও জলপাইগুড়িও। নদিয়ায় একইদিনে আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ১৬১ জন। জলপাইগুড়িতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪২ জন। আরও পড়ুনঃ সমস্ত রেকর্ড ভেঙে বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪১৫৭ অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৪,১৪৩ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ লক্ষ ৪১ হাজার ৪২৬ জন। এছাড়াও একইদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৬৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩,৬৭৬ জন। বাংলায় মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৮৭ জন। সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৭.৪৫ শতাংশ।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
কলকাতা

সৌমিত্রকে অন্ধকারে রেখেই জেলা যুব মোর্চার সভাপতিদের পদ বাতিল করলেন দিলীপ

ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার সব জেলার সভাপতি পদ ও কমিটি বাতিল করা হল।পরবর্তী ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বিজেপির জেলা সভাপতিরাই এই দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার এই ঘোষণা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। উল্লেখ্য, বিজেপিতে নব্য ও আদিদের মধ্যে যে সমস্যা শুরু হয়েছে , তা দুর্গাপুজোর মধ্যেই সকলের সামনে চলে এল। আরও পড়ুনঃ সমস্ত অশুভ শক্তিকে সরিয়ে সকলকে ভয় মুক্ত করুন , প্রার্থনা ধনকড়ের এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সৌমিত্র খাঁ জানান, দলের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কিছুই জানি না। আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিষ্ণুপুের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ যুব মোর্চার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। মিলছিল গোষ্ঠী কোন্দলের আভাস। বিজেপি রাজ্য সভাপতির এদিনের এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্বই ফের দলের মধ্যে ভেসে উঠল।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
রাজ্য

ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জের , শুরু বৃষ্টি

ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জেরে কলকাতা সংলগ্ন বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বইতে থাকে ঝোড়ো হাওয়া। এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন জেলায় আকাশের মুখ ছিল ভার। এরপর শুরু হয়ে যায় বৃষ্টি।যার জেরে ব্যহত হয় জনজীবন। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, শুক্র ও শনিবার ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতে। সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। শনিবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে অশুভ আঁতাত করছেনঃ অধীর জানা গিয়েছে , নিম্নচাপটি আরও শক্তি বাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছাকাছি এসে গেছে। মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপের অভিমুখ ছিল অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল। কিন্তু স্থলভাগে না ঢুকে সেটি অভিমুখ পরিবর্তন করে আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এবার এটি ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগোবে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছাকাছি এসে তা অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর ফলে সমুদ্র উত্তাল হবে। বইবে ঝোড়ো হাওয়া। ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
রাজ্য

জেলা আদালত চালু না হওয়ায় হতাশ আলিপুরদুয়ারবাসী

২০১৮ সালে আলিপুরদুয়ারকে জেলা ঘোষণার পর জেলা প্রশাসনের সমস্ত পরিকাঠামো গড়ে তুলে আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু চালু হয়নি জেলা আদালত। আলিপুরদুয়ার বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুহৃদ মজুমদার জানান, জেলা ঘোষণার পর জেলা আদালত চালু করার জন্য মহকুমা শাসকের দপ্তরটিতে জেলা আদালতের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়। সাইনবোর্ডও লাগানো হয়। আরও পড়ুনঃ মিহির গোস্বামীকে নিয়ে বিশেষ মাথা ব্যথা নেই বিজেপিরঃ সায়ন্তন উচ্চ আদালতের প্রতিনিধি দল পরিদর্শণ করে জানায় যে এই পরিকাঠামো জেলা আদালত চালু করার জন্য সন্তোষজনক নয়। জেলা আদালত চালু করতে হলে নতুন ভবন নির্মাণ করতে হবে। সেই অনুযায়ী একটি সাততলা ভবনের প্ল্যান হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এর ফলে হতাশ আলিপুরদুয়ারবাসী।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
রাজ্য

কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো্র নির্দেশ বিচারকের

ময়লা ফেলা নিয়ে বিবাদকে কেন্দ্র করে খুন হয় ইশরার। তিনি আসানসোল উত্তর থানার রেলপাড়ের বাসিন্দা। তার পিতার নাম হাজি ইমতিয়াজ। ইশরারের শশুর মুস্তাফিজ আলম আসানসোল দক্ষিণ থানায় ইশরারকে খুন করার অভিযোগ দায়ের করেন।মামলা আদালতে গেলে বিচারক কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ পালন করতে গিয়ে স্থানীয় লো্কজনের বাধায় ফিরে আসতে হয় পুলিশকে। এরপর শুক্রবার বিশাল পুলিশ বাহিনী, বিচারক, চিকিৎসকের উপস্থিতিতে কবর থেকে মৃতদেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও ১ জানা গিয়েছে, কাপড়ের দোকানের সামনে ময়লা ফেলা নিয়ে বিবাদ। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় ইশরার।এরপর মহঃ জালোর পাঁচ ছেলে মিলে ইশরারকে মারধর করে। ঘটনাটি ঘটেছে, গত রবিবার আসানসোল বাজারে। এরপর ইশরারকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই মারা যান তিনি। এরপর তার মৃতদেহ শীতলাডাঙ্গা কবরস্থানে কবর দেওয়া হয়।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনায় মৃত্যু হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপারের

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপার প্রণীত দাসের(৫৮)। গত ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁর করোনা পরীক্ষা হয়। পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসায় পরের দিনই তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা। সেদিনই তিনি মারা যান। কয়েক মাস আগে হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার করোনায় আক্রান্ত হন। চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দেন তিনি। এছাড়াও হাওড়া জেলা হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক ও কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আবার সুস্থ হয়ে কাজেও যোগ দিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতা তোয়াক্কা না করে তিনি কাজ করছিলেন হাসপাতালে।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজ্য

দুঃস্থ পড়ুয়াদের পাশে গ্রন্থাগার কর্মীরা

পশ্চিমবঙ্গ গ্রন্থাগার কর্মী সমিতির উদ্দোগে মোট ৫০জন মাধ্যমিক থেকে স্নাতক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীর হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হল। হাওড়া জেলা গ্রন্থাগারের সেমিনার হলে বই তুলে দেওয়া হয়। লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। ফলে আর্থিক কারণে সন্তানদের পড়াশুনোয় সমস্যা হচ্ছে। এবারে গ্রন্থাগারের কর্মীরা নিজেরা চাঁদা তুলে এবং সমমনস্ক কিছু মানুষের সহযোগিতায় এই কাজ করেছেন। ডুমুরজলার চারাবাগান এলাকার সুমন একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হলেও আর্থিক সমস্যার কারণে বই কিনতে পারেনি এখনও। বাবা সনৎ গাঙ্গুলী ক্যাটারিং এর কাজ করেন। লকডাউনের ফলে গত ৬মাস ধরে কর্মহীন। দুবেলা খাবারের জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন, ছেলের বই কিনবেন কি করে। শুক্রবার হাতে নতুন ক্লাসের বই পেয়েছে সুমন। জানিয়েছে এবারে পড়া শুরু করতে পারবে সে। নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে গ্রন্থাগার। কিন্তু তারপরেও চালু করা হয়নি এখনো। ফলে গ্রন্থাগার থেকে বই নিয়ে পড়াশুনা করার সুযোগও পাচ্ছেনা পড়ুয়ারা। এমন অবস্থায় এইভাবেই যতটা সম্ভব পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন গ্রন্থাগার কর্মীরা।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট। হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় হাওড়া জেলা প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের। পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার কথায়, প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি, তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট।  হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে  দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের।  পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার  কথায়,  প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি,  তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

'মমতার মমতা' প্রকল্পে কুড়ি টাকায় মাংস-ভাত!

মাত্র কুড়ি টাকায় দুপুরে পেটপুরে মাংস ভাত ? করোনা আবহে দুর্মূল্যের বাজারে একথা কেউ বিশ্বাস করবেন না। আর এই অবিশ্বাস্য বিষয়টাকে বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগী হাওড়া পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন পুরপিতা বাপি মান্না। এই কাউন্সিলর এবল এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উদ্যোগে এই অভিনব প্রকল্প চালু করা হয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে মমতার মমতা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিদিন মধ্যাহ্নে প্রায় ২০৫ থেকে ৩০০ জন মানুষের জন্য স্বল্প মূল্যে মধ্যাহ্ন ভোজনের ব্যবস্থা করা হবে। যেখানে মাত্র কুড়ি টাকা দিলেই পাতে পড়বে সপ্তাহে একদিন মাংস ভাত। এছাড়াও ডিম-সবজি ভাত, ১৫ টাকায় নিরামিষ ভাত সহ এরকম হরেক রকম দুপুরের মেনু। বাপি মান্না বলেন, ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এই অভিনব আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের সহযোগিতায় এই আয়োজন। এলাকায় দিন আনা দিন খাওয়া অনেক গরিব মানুষদের প্রতিদিন দুপুরে হোটেলে খাবারের জন্য যেতে হয় তারা এখান থেকে সুলভ মূল্যে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজন করতে পারবেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষও চাইলে এখানে আসতে পারবেন। বাপি মান্না বলেন, প্রতিদিন দুপুরে স্বল্প মূল্যে সুলভ আহারের ব্যবস্থা করেছি। খুব অল্প মূল্যে আমরা এই খাবার সরবরাহ করব। অল্প দামে যে কেউ এখান থেকে খাবার কিনতে পারবে। এখানে তিন দিন নিরামিষ এবং চার দিন আমিষ থাকবে। ভাত, ডাল, সবজি, মাছ ছাড়াও সপ্তাহে একদিন মাংস ভাত থাকছে। কুড়ি টাকায় আমিষ ও ১৫ টাকায় নিরামিষ খাবার মিলবে। প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ জনের টার্গেট রাখছি। প্রকল্পটি সারা বছর চালানোর চেষ্টা করব। এখানে এলে কেউ অভুক্ত থেকে ফিরে যাবে না। ক্যারি ব্যাগ সিস্টেমে খাবার দেওয়া হবে। নামমাত্র টাকা দিয়েই সেই খাবার পার্সেল সিস্টেমে তাঁরা পাবেন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

করোনা আবহে মঙ্গলাহাট খুলছে শনিবার

দীর্ঘ টালবাহানার পরে প্রায় ৬মাস পরে খুলতে চলেছে হাওড়ার শতাব্দী প্রাচীন মঙ্গলাহাট। শনিবার রাতে খুলে রবিবার সকাল পর্যন্ত চলবে মঙ্গলাহাট। করোনা সংক্রমণের জেরে লকডাউনের সময় থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয় এই হাট। গত সপ্তাহে হাট খোলার সিদ্ধান্ত জানায় প্রশাসন। নামে মঙ্গলাহাট হলেও বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে শনিবার রাত ৯টা থেকে খুলবে মঙ্গলাহাট। চলবে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। বর্তমানে শুধুমাত্র স্থায়ী দোকানগুলিই খোলার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। হাওড়া ময়দান চত্বর জুড়ে রাস্তার ফুটপাতে বসা খুচরো বিক্রেতা এবং স্টলগুলিকে আপাতত বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। শনিবার রাতের মঙ্গলাহাটে কীরকম জনসমাগম হচ্ছে, করোনার স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করে আগামী দিনে ধাপে ধাপে হাটের পুরানো চেহারা ফিরিয়ে আনা হবে। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে আপত্তি জানিয়েছিলেন মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। যদিও শুক্রবার তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে শনিবার রাতে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। হাওড়া হাট সমন্বয় সমিতির সহ সম্পাদক কানাই পোদ্দার বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। আপাতত শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত হাট চালু করে তাঁরা ব্যাবসার পরিস্থিতি দেখবেন। তিনি জানান, এইভাবে আস্তে আস্তে চালু হোক। হাটের ঢোকার গেটে রাখা হবে স্যানিটাইজার। এমনকি ব্যাবসায়ীদের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিতে চিকিৎসক বসানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলাহাটে মোট প্রায় ১১টি বড় বিল্ডিং রয়েছে, যেখান থেকে পাইকারি হারে নানা বস্ত্র বিক্রি করা হয়।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

তোলা না দেওয়ায় মারধর ব্যবসায়ীকে

পুলিশ ফাঁড়ির থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে তোলাবাজদের তান্ডব।  তোলা দিতে না চাওয়ায় ব্যাবসায়ীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তোলাবাজরা। রেহাই পেলেন না ব্যাবসায়ীকে তোলাবাজদের হাত থেকে বাঁচাতে আসা ওই ব্যাবসায়ীর বাবা। তোলাবাজদের মারে মাথা ফাটল তাঁরও। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ পুলিশ জানলেও কিছুই করেনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিনা  পয়সায় ‘গুটকা’ না দেওয়ায় রড আর লোহার বালা দিয়ে মেরে এক ব্যবসায়ী যুবক ও তাঁর বাবার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল। হাওড়ার চ্যার্টাজিহাটের সাঁতরাগাছি মোড়ে এই ঘটনা ঘটেছে।  প্রায় ১মাস আগেই জগাছায় এক ছাঁট লোহার ব্যবসায়ীর কাছে তোলা না পেয়ে তাকে গুলি করার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল এলাকায়।  এবারে বিশ্বকর্মা পূজার রাতে চ্যাটার্জিহাট এলাকায় তোলাবাজদের দাপট দেখা গেলো আবার।  স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে,  রাত্রিবেলায় ভয় দেখিয়ে  স্থানীয় দোকানদারদের ওপর  তোলাবাজি শুরু করেছে এলাকার কিছু দুষ্কৃতী। তোলা না দিলেই মুদিখানার মালিক, স্টেশনারি দোকানদার বা অন্যান্যদের  চড় থাপ্পড় মারছে, এমনকি   খুনের হুমকিও দিচ্ছে ওই দূষ্কৃতিরা।  প্রতিদিন তোলা দিতে দিতে অতিষ্ট এক ব্যবসায়ী যুবক প্রতিবাদ করতেই বৃহস্পতিবার রাতে ওই  ঘটনাটি ঘটে। লোহার রড বের করে স্টেশনারী দোকানের মালিক ওই যুবককে মাথায় আঘাত করে। হাতে পরে থাকা লোহার মোটা বালা দিয়ে বারবার আঘাত করা হয় ওই যুবকের মাথায় ও মুখে। ছেলেকে মারতে দেখে তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন বাবা-মা। দুষ্কৃতীরা বাবাকেও মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তাঁর  মাথাতেও চারটি সেলাই দিতে হয়। মাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে খুনের হুমকি দেয় ওই দূষ্কৃতিরা।  শুক্রবার  আক্রান্ত দোকানদার সঞ্জীব কুমার বলেন, ‘‘ওরা প্রতিদিনই  জিনিসপত্র নিয়ে যায় বিনা পয়সায়। টাকাও চায়,  না দিলে মারধর করে। ওরা আমাকে এমন ভাবে মেরেছে য়ে মাথার দুদিকে ৬টা সেলাই পড়েছে।’’ ওই যুবকের মা মীরাদেবী বলেন, ‘‘চেঁচামেচি শুনে দোকানের সামনে গিয়ে দেখি আমার ছেলেকে দু’জন ছেলে মিলে লোহার রড, হাতের মোটা লোহার বালা দিয়ে মেরেই চলেছে। ওর গেঞ্জি রক্তে ভেসে যাচ্ছে। আমি তখন ওর বাবাকে ডেকে আনি। কিন্তু ওর বাবাকেও  মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। আমাকে নোংরা ভাষায় গালিগাজাজ করে।’’  স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,  চক্রবেড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির কাছেই এই ঘটনা ঘটেছে।  প্রায় আধঘন্টা ধরে দুই দূষ্কৃতি তান্ডব চালালেও পুলিশের দেখা পাওয়া যায়নি। এলাকার মানুষজনের আরো অভিযোগ,  ফাঁড়ির সামনেই একটি ক্লাবে ওই তোলাবাজদের ওঠাবসা। তাই পুলিশ সব জানলেও কিছু করে না। এলাকার বাসিন্দা প্রবীর বসু বলেন, ‘‘দিনের পর দিন এই তোলাবাজির ঘটনা ঘটছে। সামনে পুলিশের ফাঁড়ি থাকলেও পুলিশ সর্ম্পূণ নিষ্ক্রীয়।’’ এদিকে আক্রান্ত ব্যবসায়ী চ্যাটার্জিহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত একজন দুষ্কৃতীকেও পুলিশ ধরতে পারেনি। হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক  বলেন, ‘‘ও তো এমন কিছু ঘটনা নয়। গুটকা কেনা নিয়ে দু’পক্ষের মারপিট হয়েছে। তোলাবাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।’’ ওই পুলিশ অফিসারের দাবি, পুলিশের কাছে আগে কোনও ব্যবসায়ী তোলাবাজি, মারধরের অভিযোগ করেননি। করলে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। তাই পুলিশি নিষ্ক্রীয়তার অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন।  তোলাবাজি ও মারধরের লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও পুলিশ বিষয়টিকে  সামান্য মারপিটের ঘটনা বলে দাবি করছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর হুমকির পাল্টাতেই কি উত্তপ্ত মল্লারপুর?

বিজেপিকে মেরে হাত, পা ভেঙে দেওয়ার নিদান গত জুলাই মাসের এক দলীয় সভায় দিয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সম্প্রতি অনুব্রতর ওই উস্কানিমূলক মন্তব্যের প্রতিবাদে মল্লারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। সেই ঘটনার রেশ ধরেই কি পাল্টা প্রতিরোধে সরগরম বীরভূমের মল্লারপুর? বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন এক পঞ্চায়েত কর্মী। ওই কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়ূরেশ্বর ১ নং ব্লকে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতের শিব গ্রাম মোড়ে৷ এই পঞ্চায়েত এখন তৃণমূলের দখলে এলেও দীর্ঘ ১৫ বছর এটি বিজেপির দখলে ছিল। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮.৩০ মিনিটে দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতে জিআরএস পদে কর্মরত অভিজিৎ গড়াই সরকারি নির্দেশমতো টাওসিয়া গ্রামে বাংলা আবাস যোজনার জিও ট্যাগ করতে যান। ঠিক সেই সময় কয়েকজন যুবক এসে গালিগালাজ করেন, কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কারণ জানতে চাইলে শুরু হয় বেপরোয়া লাথি, ঘুষি। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে অভিজিৎ বাবু মল্লারপুর থানায় অভিযোগ জানান বিজেপি কর্মী সুশান্ত দে, দীপ কুণ্ডুর নামে। এই অভিযোগের জেরে বিজেপি নেতা তথা মণ্ডল সভাপতি সুশান্ত দে-কে মুক্তির দাবিতে মল্লারপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। মল্লারপুর থেকে সাঁইথিয়া যাওয়ার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ চলায় রাস্তা বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ থাকে। এদিকে, ধৃত বিজেপি নেতাকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিন দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
বিবিধ

আহত সজারু উদ্ধার

উদ্ধার হলো একটি আহত সজারু। দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার অন্তর্গত কল্পতরু কলোণির বাসিন্দারা আহত অবস্থায় সজারুটিকে পড়ে থাকতে দেখে খবর দেন দুর্গাপুরের বন দফতরে। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা সজারুটিকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর বন দফতরে নিয়ে যান বিভাগীয় কর্মীরা। বন দফতরের আধিকারিক জানান, সজারুটির পায়ে ও মাথায় আঘাত রয়েছে৷ তবে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ করে সজারুটিকে ফের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে৷

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

বিপদভঞ্জনের চায়ের দোকানের মতো দ্বিতীয়টি কখনও দেখেছেন?

বড়ো, ছোটো কফি শপ বা চায়ের দোকান তো অনেক দেখা যায়। চায়ের কাপে তুফান তোলা থেকে চায়ে পে চর্চা, জমাটি আড্ডা থেকে রাজনীতির জনমত গঠন, সব কিছুতেই জড়িয়ে চায়ের দোকান। লকডাউনের সময় চা কাকুর আমরা কি চা খাব না? খাব না আমরা চা? তো ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এমন চায়ের দোকান কি দেখেছেন? বিপদভঞ্জন মণ্ডলের চায়ের দোকানের কথা বলছি। নিজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্ধ ভক্ত। সেটা দোকানে ঢুকলেই দেখা যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রয়েছে। তবে রয়েছে আরও চমক। হুগলি জেলার বেহুলা স্টেশনের কাছে জামতলায় এসটিকেকে রোডের ধারে বিপদভঞ্জন মণ্ডলের চায়ের দোকানের কথা শুনেছিলেন অনেক দিন আগেই। ব্যস্ততায় আসা হয়নি। সম্প্রতি দলীয় কর্মীদের নিয়ে তাই সেই দোকানে হাজির হয়েছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়।শান্তনু জানালেন, অনেক জায়গায় গিয়েছি, তবে এমন দোকান দেখিনি। চায়ের দোকানে মণীষীদের বাঁধাই করা ছবি দেখে সত্যিই অবাক হয়ে গিয়েছি, ভালোও লাগছে। বিপদভঞ্জনবাবুর কথায়, অনেক দিন ধরে ছবি জোগাড় করেছি। তবে দোকানটা একটু বড়ো হলে আরও মণীষীদের ছবি রেখে আরও ভালোভাবে সাজিয়ে রাখতে পারতাম। দোকানের নাম সর্বধর্ম সমন্বয় চায়ের দোকান। অর্থাৎ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই স্বাগত। তবে বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ আছে। তৃণমূল-বিরোধীদের মোটেও চা বিক্রি করেন না। শর্ত একটাই। তাই চা পানের ইচ্ছা জাগলে নয় কয়েক মিনিটের জন্য রাজনীতির আলোচনা থেকে দূরেই থাকুন না!

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার স্টেট এডেড কলেজ টিচার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (SACTWA)-এর যৌথ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল মেদিনীপুর শহরের রেডক্রশ সভাগৃহে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় স্টেট এডেড কলেজ টিচারদের (SACT) ক্রমবর্ধমান ভূমিকা, দীর্ঘদিনের বেতন-বৈষম্য এবং হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিই ছিল সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিবেকানন্দ চক্রবর্তী প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ, রাজ্য কমিটির সদস্য পীযূষ দাস মহাপাত্র, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননীগোপাল দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বনাথ দাস ও সুজাতা গোস্বামী, কোষাধ্যক্ষ সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ দুই জেলার বিভিন্ন কলেজের স্যাক্ট (SACT) শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ী।সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিবেকানন্দ চক্রবর্তী বলেন, বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলিতে পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের তুলনায় স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যাই বেশি। অথচ একইভাবে পাঠদান, পরীক্ষা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং কলেজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামলালেও তাঁদের বেতনে রয়েছে ব্যাপক বৈষম্য। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে সমকাজে সমবেতন-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি। তাঁর কথায়, সামান্য বেতন বৃদ্ধি করে সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়েছে। সুযোগ পেলে এই বিষয়টি সরকারের নজরে আনব।সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ বলেন, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বর্তমানে ১২ হাজারেরও বেশি স্টেট এডেড কলেজ টিচার কর্মরত, যা পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। বহু কলেজে বিভিন্ন বিভাগের মূল দায়িত্বও স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকেরাই বহন করছেন। তবুও গত ছয় বছর ধরে এই শিক্ষক সমাজ সবচেয়ে বেশি বঞ্চনার শিকার বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, আমরা হরিয়ানা মডেলের সুবিধা চাই। সেখানে যেভাবে স্টেট এডেড শিক্ষকদের আর্থিক ও পরিষেবা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গেও সেই মডেল কার্যকর করা হোক। নতুন সরকারের কাছে আমাদের এটাই প্রধান দাবি।সম্মেলনে দুই জেলার বিভিন্ন কলেজে স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যা, তাঁদের কর্মদায়িত্ব এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় তাঁদের অবদানের বিস্তারিত পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়। সংগঠনের দাবি, উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে উঠলেও SACT শিক্ষকরা এখনও বেতন, চাকরির নিরাপত্তা এবং অন্যান্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত।সম্মেলন থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, সমকাজে সমবেতন, চাকরির মর্যাদা এবং হরিয়ানা মডেলে পরিষেবা সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন ও দাবি অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবির বদলেই বড় পদক্ষেপ! অফিস থেকে উধাও অভিষেকের ছবি, কিন্তু মমতার ছবি কেন রইল?

শিবির বদলের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল বড় পরিবর্তন।রবিবার বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আর নেই। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক ছবি আগের মতোই রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেও কি অনুব্রত এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মানছেন? আবার অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইলেন তিনি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।শিবির বদলের পর অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যেই দলের ভরাডুবির জন্য নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থাকে দায়ী করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছিলেন। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচিত।এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তিনি বহু প্রার্থীকে জয়ী করেছেন, তখন ওই সংস্থার কোনও ভূমিকা ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি তৃণমূলকে ভালোবাসেন এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। বীরভূমে সকলকে নিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আগের জায়গাতেই থাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তনের আরও কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ! ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ, সামনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের জানানো তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে মোট ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও এখনও একজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর খোঁজে তৎপর রয়েছে ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওমান প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে ভারতীয় দূতাবাস। নিখোঁজ নাবিকের সন্ধানে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতার জন্য ওমান সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছে ভারত।মার্কিন সেনার দাবি, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর জাহাজে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়। জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে বড় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর দাবি, কয়েকটি জাহাজ নির্ধারিত পথ ছেড়ে অন্য পথে চলছিল। বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশ না মানায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। এরপরই হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেয় ইরান।এই ঘটনার পরই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সর্বশেষ অভিযানে প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে মোট ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে তারা। পাল্টা বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবরও সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

দিলজিৎকে নিশানা করে বিস্ফোরক আক্রমণ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শুরু তুমুল বিতর্ক

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়। এরই মধ্যে পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের একটি মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এবার প্রকাশ্যে তাঁকে কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গায়ক রবিন্দর সিং, যিনি কাকা নামেই পরিচিত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ ভরদ্বাজ। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দীপক কাকার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইনিও একজন শিল্পী। এই মন্তব্যকে অনেকেই দিলজিৎ দোসাঞ্ঝকে উদ্দেশ্য করে করা কটাক্ষ বলেই মনে করছেন।কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়েছিলেন দিলজিৎ। সেখানে তাঁকে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, যন্তর মন্তর প্রতিবাদের জায়গা কি না, তা নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তিনি আরও বলেন, তিনি একজন শিল্পী, কোনও রাজনৈতিক নেতা নন। তাই এই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চান।দিলজিৎ আরও বলেন, পৃথিবীর সব সমস্যা একসঙ্গে কখনও মিটবে না। যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন, তাঁদের সম্পর্কেও কোনও মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিশেষ কিছু জানেন না।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মানুষের বিনোদন করাই তাঁর কাজ। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁর নেই। তা সত্ত্বেও তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পরপর লজ্জার হারের পর বড় ধাক্কা! গম্ভীরের শিবিরে ভাঙন, দল ছাড়ছেন ঘনিষ্ঠ দুই সহকারী?

পরপর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এবং শেষ সাত ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতে হার। টানা ব্যর্থতার পর ভারতীয় ক্রিকেটে চাপ বাড়ছে। এবার সেই প্রভাব পড়তে পারে দলের কোচিং স্টাফেও। সূত্রের খবর, প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের বেছে নেওয়া দুই সহকারী কোচ জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। তাঁদের মধ্যে একজনের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের সঙ্গে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে কথা হয়েছে। অন্যজনও নতুন দায়িত্বের খোঁজ করছেন বলে জানা গিয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গৌতম গম্ভীরের কোচিং স্টাফের একজন খুব শিগগিরই জাতীয় দল ছেড়ে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে যোগ দিতে পারেন। আর এক সহকারীর ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। বর্তমানে গম্ভীরের কোচিং দলে রয়েছেন রায়ান টেন দুশখাতে, মর্নি মর্কেল, সীতাংশু কোটাক এবং টি দিলীপ। তবে তাঁদের মধ্যে ঠিক কে দল ছাড়বেন, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।ভারতীয় দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ বোর্ড। জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক দুই সিরিজে হারের কারণ খতিয়ে দেখা হবে। শুধু ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নয়, কোচিং স্টাফের কাজও পর্যালোচনা করা হবে। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।যদিও গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বোর্ডের চুক্তি রয়েছে দুই হাজার সাতাশ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তাই এখনই তাঁর পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে সাম্প্রতিক ফলাফলের পরে তাঁর কোচিং দল নিয়ে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বোর্ডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর ভারতীয় ক্রিকেট মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কা! ‘ধর্মতলা চলো’ উধাও, হঠাৎ কেন ‘কলকাতা চলো’ পোস্টার কালীঘাট তৃণমূলের?

একুশে জুলাইকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মোড়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। অন্যদিকে ধর্মতলায় সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় নতুন কৌশল নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল। বহু বছরের পরিচিত ধর্মতলা চলো স্লোগানের বদলে এবার প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা চলো পোস্টার।প্রতি বছর একুশে জুলাইয়ের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মতলা চলো পোস্টার দেখা যেত। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। ধর্মতলা এলাকায় বিধিনিষেধ জারি থাকায় সেখানে সমাবেশের অনুমতি মেলেনি। সেই কারণেই স্থান উল্লেখ না করে নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছে কালীঘাট শিবির। পোস্টারে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং কলকাতা চলো বার্তা।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ পর্যন্ত যদি বড় সমাবেশের অনুমতি না মেলে, তা হলে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। সেই সভাগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন।অন্যদিকে শনিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। জানা গিয়েছে, কর্মসূচির আগে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনও করবেন তাঁরা।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল দুই শিবিরে বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দুই পক্ষই প্রথমে ধর্মতলায় সমাবেশ করতে চাইলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পরে বিকল্প জায়গার আবেদন করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা এবং শেষ পর্যন্ত গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনুমতি পান। এখন কালীঘাট শিবিরের কর্মসূচি কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

বড় রায়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি! ‘আসল তৃণমূল’ কার, আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল চাপ

তৃণমূলের আসল সংগঠন কোনটি, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক চলছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই আলিপুর আদালতের একটি রায়কে সামনে এনে বড় দাবি করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটিই আইনগতভাবে স্বীকৃত তৃণমূলের সংগঠন। আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলেই তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন আরও স্পষ্ট হয়েছে। একের পর এক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। কোন সংগঠনকে অনুসরণ করা হবে, সেই প্রশ্নেই কয়েকজন কর্মী আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন।রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, আদালত সেই কমিটিকেই আইনগতভাবে স্বীকৃত বলে উল্লেখ করেছে। তাঁর দাবি, এই কমিটির বাইরে অন্য কোনও সংগঠন নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করলে তা আইনসম্মত নয়।ঋতব্রত আরও জানান, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। তাঁর মতে, এই রায় ভবিষ্যতে দলীয় পরিচয় সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

মধ্যরাতে তাজ হোটেলে বোমা! দাউদের নাম উচ্চারণ করতেই তোলপাড়, তারপর যা জানা গেল...

মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক তাজ হোটেলকে ঘিরে রবিবার গভীর রাতে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক। পুলিশের কন্ট্রোল রুমে একটি উড়ো ফোন আসে। ফোনে দাবি করা হয়, দাউদ ইব্রাহিমের লোকজন তাজ হোটেলে বোমা রেখে গিয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হোটেলে পৌঁছে যায় পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এবং অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকেরা। গোটা হোটেলে দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনও সন্দেহজনক বস্তু মেলেনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত প্রায় সাড়ে বারোটার সময় এই ফোনটি আসে। ফোন পাওয়ার পর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। হোটেলের প্রতিটি অংশ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত বোমা বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু উদ্ধার না হওয়ায় স্বস্তি ফেরে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এটি একটি ভুয়ো ফোন ছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের তুরভে এলাকা থেকে ফোনটি করা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই নম্বরটি শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তকে খুঁজতে ওই এলাকায় বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।উল্লেখ্য, তাজ হোটেল ২০০৮ সালের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। সেই ঘটনার পর থেকে হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। তাই নতুন করে বোমা আতঙ্কের খবর ছড়াতেই পুলিশ কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত তল্লাশি অভিযান চালায়। ঘটনার তদন্ত চলছে।

জুলাই ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal