• ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

District

রাজনীতি

বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর-লুট, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তৎপর হতেই গ্রেপ্তার চার

বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন ৪ ব্যক্তি। ধৃতরা হলেন রহিম শেখ, শেখ হারুন আলি, সামন্ত মণ্ডল ও নাসিরউদ্দিন মল্লিক ওরফে আনন্দ। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার দৈয়র গ্রামে ধৃতদের বাড়ি। সূত্রের খবর, এই হামলার ঘটনায় খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অপার্থিব ইসলামের নামও জড়িয়েছে। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে অপার্থিব ইসলাম বাদে চারজনকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার চার ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সূত্রের খবর, লুটপাট হওয়া সামগ্রী উদ্ধারের জন্য পুলিশ ধৃতদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন আদালতে জানায়নি। সিজেএম ধৃতদের বিচারবিভাীয় হেপাজতে পাঠিয়ে মঙ্গলবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, খণ্ডঘোষের দৈয়র গ্রামে বাড়ি বিজেপি সমর্থক আব্বাসউদ্দিন মিদ্যার। তাঁর অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশ হওয়ার পরদিন তৃণমূলের লোকজন তাঁর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। তাঁর বাড়ি থেকে ৩টি গরু, সোনার গয়না ও ৮০ হাজার টাকা লুট করা হয়। মারধরের ভয়ে ওই দিনই আব্বাসউদ্দিন ও তাঁর ছেলে ঘরছাড়া হন। হাইকোর্টের নির্দেশের পর পুলিশ আব্বাসউদ্দিন ও তাঁর ছেলেকে ঘরে ফিরিয়ে দেয়। অভিযোগ, এরপর ২৫ জুন সন্ধ্যায় তৃণমূলের লোকজন ফের তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। ভয়ে ফের ঘরছাড়া হন আব্বাসউদ্দিন ও তাঁর ছেলে। তাঁদের না পেয়ে আব্বাসউদ্দিনের স্ত্রী আনুশা মিদ্যা ও মেয়ে রেহেনা খাতুনকে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। আগের দিনের হামলায় আনুশার পা ভাঙে। দ্বিতীয় হামলার দিন সেই অবস্থার মধ্যেই তাঁকে ফের মারধর করা হয়। মারধরের পর তৃণমূলের লোকজন পালিয়ে যায়।জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের টিমকে আনুশা ঘটনার কথা জানানোর পাশাপাশি কমিশনের কাছেও অভিযোগ দায়ের করেন। কমিশন বিষয়টি দেখার জন্য জেলা গোয়েন্দা দপ্তরকে জানায়। গোয়েন্দা দপ্তরের নির্দেশে খণ্ডঘোষ থানা মামলা রুজু করে চার জনকে গ্রেপ্তার করে। হাইকোর্টের নির্দেশে পুলিশ আনুশা এবং তাঁর মেয়ের গোপন জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নথিভুক্ত করায়।খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অপার্থিব ইসলাম যদিও দাবি করেছেন, হামলার অভিযোগ মিথ্যা। এখন বিজেপি ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের বদনাম করতে ওরা এখন বিভিন্ন জায়গা ঘুরে মিথ্য মামলা রুজু করছে। এ ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস

ভরা বর্ষার সময় আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টি হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গে রয়েছে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি।শুক্রবার আকাশ মেঘলা থাকতেও বর্ষার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ছাড়া প্রবল বর্ষণ হয়নি। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ছিল ধীরে ধীরে কমবে বৃষ্টি। যদিও আজ ফের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস৷ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আর্দ্রতার দাপট বাড়বে। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪ ডিগ্রির সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৪%, ন্যূনতম ৬২ %।আরও পড়ুনঃ শাপমোচন করতে পারবেন? ব্যর্থতার তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া মেসিবেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনও হতে পারে বলে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বেলার দিকে ঝেঁপে বৃষ্টি আসার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃষ্টিপাতের পুর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। যদিও আগামী তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে অস্বস্তিকর গরমও বাড়বে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ-ওডিশা উপকূল লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত ছিল। যার জেরেই সপ্তাহের শুরু থেকে প্রবল বৃষ্টিতে ভিজেছিল রাজ্য। রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। বুধবার দুপুর থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। রবিবার দক্ষিণ ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্মচাপের প্রভাব রাজ্যে কতটা পড়বে তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷ মধ্য ভারত হয়ে পশ্চিম ভারতের দিকে এগোবে। এর প্রভাবে মৌসুমী অক্ষরেখাটিও ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে নেমে যাবে, এমনটাই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২১
রাজ্য

Bomb Explosion: ভাতারের বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রহস্য কি?

বোমা বিস্ফোরণে আস্ত একটি মাটির বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে জেলা পুলিশের কর্তাদের। শুক্রবার ভোররাতে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বাণেশ্বরপুরের এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই বাড়ির সদস্য লালচাঁদের নামে এর আগেও থানায় নানা অভিযোগ আছে। কয়েকদিন আগে সে একটি ঝামেলায় জড়িয়ে ছিল। কেন বাড়িতে বোমা রাখা ছিল, কোথা থেকেই বা তা সংগ্রহ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ জামরুল মল্লিকের বাড়িতে তদন্তে যায়। সমস্তকিছু খতিয়ে দেখার পর পুলিশ কর্তারা একপ্রকার নিশ্চিৎ হন মাটির বাড়ির ভিতরেই মজুত রাখা ছিল বোমা। সেই বোমার বিস্ফোরণ ঘটাতেই গোটা মাটির বাড়িটি ভেঙে পড়েছে। আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানতদন্তের প্রয়োজনে ওই বাড়িটি ও তার চারপাশ পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাড়ির ভিতরে আর বোমা রয়েছে কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ভাতার থানার পুলিশ জামরুল ও তাঁর ছেলে লালচাঁদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার জন্য অনেকদিন আগেই পুলিশের খাতায় স্থান পায় লালচাঁদের নাম। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র রাখার অভিযোগে বছর দেড়েক আগে লালচাঁদ পুলিশের হাতে ধরাও পড়ে।যদিও পড়ে সে ছাড়া পায়। এছাড়াও কয়েকবছর আগে ভাতার কলেজে অশান্তির ঘটনাতেও লালচাঁদের নাম জড়ায়। তারপর সে কেরলে গিয়ে বাবা জামরুল মল্লিকের সঙ্গে নির্মাণ শ্রমিকের কাজে যোগ দেয়। দিন কুড়ি আগে বাবা ও ছেলে কেরল থেকে ভাতারের বাণেশ্বরপুর গ্রামের বাড়িতে ফেরে । তার পর এদিনই তাঁদের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো ।আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেতদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, লালচাঁদ বাড়ি ফেরার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে পাশের কুলনগর গ্রামের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে লালচাঁদ ও তাঁর বন্ধুদের বচসা হয়েছিল। কি নিয়ে বচসা হয়েছিল তা এখনও পরিস্কার জানা যায়নি। তবে ওই বোমা মজুতের সঙ্গে ওই গোলযোগের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে পুলিশ খোঁজ নেওয়া শুরু করেছে। বোমা বিস্ফোরণের তদন্তে ভাতার থানার পুলিশ বোম স্কোয়াডে ও ফরেনসিক বিভাগেরও সাহায্যা নিচ্ছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহরায় জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার তদন্ত শুর হয়েছে । ওই বাড়ির দুইজনকে আটক করে ঘটনা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলানো হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারএদিকে খবর পেয়ে এদিন দুপুর নাগাদ ঘটনাস্থলে আসে বোম্ব স্কোয়াড। আর কোথাও বোমা মজুত আছে কিনা তল্লাশি করে পুলিশ । শেষে ঘটনাস্থল থেকে কিছু নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় বোম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

Cheating Style: কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?

চিটফাণ্ড কাণ্ডে এরাজ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিঃস্ব হয়েছে। এবার চাকরি, তার সঙ্গে প্রশিক্ষণের নামে সক্রিয় প্রতারণা চক্র। করোনা আবহেও তারা অতি-সক্রিয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে এই প্রতারণা চক্রের জাল বহুদূর বিস্তৃত রয়েছে, যার সঙ্গে যোগসাজস থাকতে পারে প্রভাবশালীদেরও। কীভাবে এই চক্র জাল বিছিয়ে ছিল? কারাই বা এই কাণ্ডের মাথা?আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল মিহির কুমার দাস, আলি হোসেন, হাসিবুল রহমান, আবুল বাসদ, রিয়াজুল ইসলাম, ইব্রাহিম শেখ, শ্যামসুল আলম ও মলয় কর্মকার। এই ধৃতদের মধ্যে প্রথম ছয় জন মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে শ্যামসুল বীরভূম জেলার নলহাটি থানার গোপালচক ও মলয় কর্মকার হুগলির সিঙ্গুর থানার জগৎনগর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি মোবাইল ফোন, ৩ টি পেনড্রাইভ, ৭টি স্ট্যাম্প, অশোকস্তম্ভ দেওয়া বেশ কিছু নথিপত্র ও ফর্ম, কয়েকটি রেজিস্টার খাতা, ১লক্ষ ১০ হাজার ৫০০ টাকা, সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞাপনের কপি এবং একটি দামি চারচাকা গাড়ি। এ ছাড়াও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো চিঠি, পথ-সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যপালের শংসাপত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেপ্রতারণার একাধিক ধাারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ৮ ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। প্রতারণা চক্রে জড়িত বাকি পাণ্ডাদের হদিশ পেতে ও তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের মধ্যে মিহির দাস, আবুল বাসার ও মলয় কর্মকারকে ৭ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ৩ ধৃতের ৫ দিনের পুলিশি হেপাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতারিত চাকরি প্রার্থীরা।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরপথ সুরক্ষার প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রায় তিন হাজার বেকার যুবক -যুবতীয় কাছে একটি সংস্থার নাম করে প্রতারকরা কয়েক কোটি টাকা তুলেছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার জেলার মেমারির পালসিটের একটি ধাবাতে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মপ্রার্থীদের শপথ পত্রে সই করাতে আসে প্রতারক দলটি। মেমারির কানাইডাঙা নিবাসী সেখ মইনুল হাসান নামে এক প্রতারিত যুবক প্রতারকদের বিষয়ে ওইদিনই মেমারি থানায় অভিযোগ জানান। পালশিটের এক ধাবায় হাজির হয়েছিলেন ৩৩ জন কর্মপ্রার্থী। তাঁরা মূলত পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, হুগলি জেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে মেমারির কানাইডাঙার মইনুল হাসান সহ ২০ জন পুলিশকে প্রতারণার কথা জানান। মইনুল হাসানের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেযুবক মইনুল হাসান পুলিশকে অভিযোগে জানিয়েছে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শক্তিগড়ের সামন্তী গ্রামের বাসিন্দা ধনঞ্জয় মাঝির মাধ্যমে তাঁর মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের মিহির কুমার দাসের পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তির সঙ্গেই তারকেশ্বরের মহেশপুরের বিনয় কুমার মালিকের কাছে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের চাকরির আশায় ৫৫ হাজার টাকা দেন। তাঁদের গ্রামের শেখ গোলাম মহম্মদ ছাড়াও আরও কোন কোন কর্মপ্রার্থী কত টাকা চাকরির জন্য দিয়েছে তাও তিনি পুলিশকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। ওই যুবক জানিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে এই চক্রটি চলছে। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে-সহ রাজ্যের অন্য লেনে পথ নিরাপত্তার কাজে তাঁদের নিয়োগ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র সরকারের তরফে এই চাকরি দেওয়া হবে বলে জানিয়ে কর্মপ্রার্থীদের কাছে আবেদন নেওয়া হয়। তারপর ৬০ হাজার থেকে সাড়ে চারলক্ষ টাকা ধাপে ধাপে কর্মপ্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়। এরপর কলকাতার কসবার কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের বারাসাতে তিনদিনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। যদিও ধৃতরা দাবি করেছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে নয়, প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে ২৫ হাজার টাকা করে তাঁরা নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তাঁদের হেড অফিস কলকাতার নিমতা থানার বিরাটিতে। জনৈক দেবকুমার চট্টোপাধ্যায় হচ্ছেন ওই সংস্থার প্রধান। গোটা চক্রটিকে ধরার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

Vaccinated Without Vaccine: করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ না নিয়েও ’ফাইনাল সার্টিফিকেট’! তারপর কি ঘটল?

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়া সত্ত্বেও ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে এসেছে বর্ধমানের এক বাসিন্দার। কোউইন অ্যাপ (CoWin App) থেকে ডাউনলোড করে এমন সার্টিফিকেট পাওয়ার পরেই কার্যত চোখ কপালে উঠে গিয়েছে শহর বর্ধমানের টিকরহাটের বাসিন্দা উত্তম সাহার। এমন সার্টিফিকেট আসার পর আর দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন পাবেন কিনা তা নিয়েই দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন উত্তম বাবু। বিষয়টি নিয়ে তিনি সোমবার জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উত্তমবাবুর সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক।আরও পড়ুনঃ ছোট্ট ছুটির ঠিকানা সিঙ্গিবর্ধমানের সরাইটিকরের বাসিন্দা বছর ৫৭ বয়সী উত্তম সাহা প্রশাসনকে জানিয়েছেন, গত ৬ এপ্রিল তিনি কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজের টিকা নেন বর্ধমান পৌরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। তারপর সম্প্রতি তিনি কোউইন অ্যাপ থেকে ওই প্রথম ডোজের সার্টিফিকেট ডাউনলোড করেন । তখনই তিনি জানতে পারেন ২৯ জুন থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে হবে। তার জন্য কয়েকদিন আগে তিনি কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে শ্লট বুকিং করেন। তাঁকে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালের অধীন দুর্গাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩ জুলাই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার স্লট বুকিং দেওয়া হয়। উত্তম বাবু বলেন, যেহেতু তিনি ডায়াবেটিক রোগী তাই মেমারি যেতে চাননি।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরকোউইন (CoWin) অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং ক্যানসেল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি তা পারেননি। ৩ জুলাই মেমারিতে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতেও পারেননি। উত্তমবাবু জানান, তিনি দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতে না পারলেও তাঁর মোবাইলে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়ার সার্টিফিকেট চলে আসে। সেই সার্টিফিকেট কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে ডাউনলোডও করা যাচ্ছে বলে উত্তম বাবু দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেউত্তম বাবুর অভিযোগ পাওয়ার পর জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্য, প্রযুক্তিগত সমস্যায় এমনটা ঘটছে। ভ্যাকসিন নেওয়ার স্লট বুকিং থাকলে অনেক ক্ষেত্রে ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে আসছে। তবে ত্রুটি সংশোধন করে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর মঙ্গলবার উত্তম সাহার দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Howrah Robbery : বাড়ির পোষা কুকুরের নীরবতাই কাল হল ডাকাতদলের

কুকুরের আচরণই ডাকাতির কিনারা করতে সাহায্য করল পুলিশকে। গত ২৫ শে জুন হাওড়া ব্যাঁটরা হৃদয়কৃষ্ণ ব্যানার্জী লেনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতি হয়। ডাকাতির সময় বাড়ির পোষা কুকুর কোনওরকম চিৎকার করেনি। চুপচাপ ছিল। কুকুরের এমন অস্বাভাবিক আচরণ তদন্তকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে পুলিশকে। কুকুরের এহেন আচরণ দেখে পুলিশের বুঝতে অসুবিধা হয় না যারা ডাকাতি করেছে তারা ওই বাড়ির কোন পরিচিত ব্যক্তি। সেই সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় ধর্মেন্দ্র দাস (৩৪) এবং শুভজিৎ সামন্ত (২৬) কে। তারা দুজনেই কাজের জন্য একাধিকবার এই বাড়িতে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত তিনটি বাস, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশাপুলিশ জানিয়েছে, গৌতম পালের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে। ধর্মেন্দ্র ছিলেন অ্যাম্বুলেন্স চালক। ধৃত অপর একজন সুরজিৎ সামন্ত ওই ডায়াগনস্টিক ল্যাবে সিটি স্ক্যান করতেন। কাজের সূত্রে অনেকবারই গৌতম পালের বাড়ি গিয়েছেন অভিযুক্তরা। সেই সূত্রে বাড়ির কুকুরটি চিনত তাদের দুজনকেই। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্রর বাড়ি ওড়িশায়। সে এই ডাকাতির জন্য ওড়িশা থেকে দুই আত্মীয়কে এখানে নিয়ে এসেছিল। বর্তমানে তারা এখন পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রপুলিশের দাবি সিসিটিভি অভিযুক্তদের গতিবিধি জানতে সাহায্য করেছে কিন্তু তদন্ত করেই ধরা হয়েছে অভিযুক্তদেরকে। এই তদন্তে ডাকাতির সময় কুকুরের এই আচরণের ঘটনা জানতে পারে। ডাকাতির সময় পোষ্যটি ছিল নীরব। এই ঘটনা তদন্তের কাজ অনেকটাই সাহায্য করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরউল্লেখ্য ২৫ জুন বিকেলে মধ্য হাওড়ার ব্যাঁটরার হৃদয়কৃষ্ণ ব্যানার্জি লেনের একটি তিন তলা বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এদিন বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ হঠাৎ দুই যুবক দরজা খুলে বাড়িতে ঢুকে বাড়ির গৃহকত্রীকে বেঁধে ফেলে বছর পঁয়তাল্লিশের শান্তনা পালকে। তাঁর গলায় ভোজালি ঠেকিয়ে লক্ষাধিক টাকার গয়না নিয়ে চম্পট দেয় ওই দুই দুষ্কৃতী। মারধর ও শরীরে ধারালো অস্ত্র ঠেকানোয় আহতও হন। প্রায় আধঘন্টা তান্ডব চালায় দুষ্কৃতিরা। সেইসময় তাঁর স্বামী গৌতম পাল ও ছেলে সম্রাট ছিলেন তাঁদের ডায়গোনিস্টিক সেন্টারে। খবর পেয়ে বাড়ি আসেন। পরে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন পাল দম্পতি।

জুলাই ০৪, ২০২১
রাজ্য

Containment Zone: জেনে নিন হাওড়ায় কোথায় কোথায় কন্টেনমেন্ট জোন

জেলায় কনটেইনমেন্ট জোন বাড়তে চলেছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাওড়া জেলা প্রশাসন। রবিবার জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে কনটেইনমেন্ট জোনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।প্রতিদিন একশোর বেশি করোনা সংক্রমণ হলে সেই জায়গার প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। সেই নির্দেশ অনুযায়ী হাওড়া এখনও করোনা সংক্রমণের হার ১০০-ুর নীচে নামেনি। সেই কারণেই কনটেইনমেন্ট জোন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলাপ্রশাসন।আরও পড়ুনঃ ফিরে এলাম দূরে গিয়ে...... পঞ্চমকনটেইনমেন্ট জোনের সেই তালিকা অনুযায়ী হাওড়ায় মোট কনটেইনমেন্ট ও মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা ৭৬টি। এরমধ্যে হাওড়া শহর এলাকায় কনটেইনমেন্ট জোন এর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯টি। ২৭শে জুন থেকে এই নিয়ম লাগু হবে হাওড়ায়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সালকিয়া স্কুল রোড, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের জিটি রোড (সাউথ), ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের শেখ পাড়া লেন, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের অবিনাশ ব্যানার্জি লেন, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাপুর রোড, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের জিআইপি কলোনি, ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বালিটিকুরি, ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের মোহনলাল বাহাওয়ালা রোড, ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের গিরিশ ঘোষ রোড, ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্র সরণি, ১ নম্বর ওয়ার্ডের নস্কর পাড়া রোড, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের নবীন সেনাপতি লেন ও স্বামী বিবেকানন্দ রোড, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে পিকে রায়চৌধুরী লেন, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুর রামকৃষ্ণ লেন, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের শাস্ত্রী নরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলী রোড, ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাকসারা রোড, ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের নস্করপাড়া এবং ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের শিবচন্দ্র চ্যাটার্জি স্ট্রিট এই ১৯টি জায়গাকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্রমূলত যেসব ওয়ার্ডে করোনা সংক্রমণ কমছে না বা সংক্রমণের হার ১০০র বেশি সেই সব ওয়ার্ডে নির্দিষ্ট এলাকাকে কনটেইনমেন্ট জোন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত শনিবার প্রশাসনের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কনটেইনমেন্ট জোন এর কাছাকাছি বাজারগুলো তিন দিনের জন্য বন্ধ রাখা হবে। রবিবার থেকে তা চালু হয়েছে। তারপর রবিবার ঘোষণা হল কনটেইনমেন্ট জোন এর তালিকা। আরও পড়ুনঃ একা এবং বন্ধুরাএই ব্যাপারে হাওড়া জেলাশাসক মুক্তা আর্য্যা জানিয়েছেন, সরকারের নির্দেশ যেসব জায়গায় করোনা সংক্রমণ ১০০র উপরে সেইসব জায়গাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যে হাওড়ায় সংক্রমণের হার ১২০তে দাঁড়িয়ে রয়েছে, কমছে না। সেই কারণে কনটেইনমেন্ট জোন এর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।উল্লেখ্য ক্রমাগত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছিল। এই অবস্থায় করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতেই আবারও ফিরিয়ে আনা হয়েছিল কন্টেনমেন্ট জোন। এব্যাপারে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে কন্টেনমেন্ট জোনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। ১৬ ই জুন থেকে কনটেইনমেন্ট জোনের নিয়ম বলবৎ হয়। জেলা প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী হাওড়ায় মোট ১৮টি এলাকা কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এরমধ্যে হাওড়া পুরনিগম এলাকায় রয়েছে ১২ টি জায়গা। এই ১২টি জায়গা হল, হাওড়া পুরনিগমের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের এমসি ঘোষ লেন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নীলমণি মল্লিক লেন, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের শিবপুর রোড, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের জি টি রোড(দক্ষিণ), ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের শরৎ চ্যাটার্জি রোড, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের আন্দুল রোড, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের শরৎ চ্যাটার্জি রোড, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের ক্যারি রোড, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুর রামকৃষ্ণ লেন, এবং তাঁতিপাড়া লেন, ৪৭ ওয়ার্ডের জগাছা জিআইপি কলোনি এবং ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৯/৪, হরিচরণ ব্যানার্জি স্ট্রীট। এবার সেই কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯টি।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ২ শিশুরউল্লেখ্য, আগামীকাল সোমবার থেকে বন্ধ থাকবে সালকিয়ার হরগঞ্জ বাজার। তার আগে রবিবার সকালে কোভিড বিধি না মেনেই চলে বেচা-কেনা। কার্যত শিকেয় ওঠে সামাজিক দূরত্ববিধি। হাওড়ার অন্যান্য এলাকার পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ কমাতে উত্তর হাওড়া কন্টেনমেন্ট জোন সংলগ্ন চারটি বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। হাওড়ার ঘুসুড়ির নস্করপাড়া বাজার রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এছাড়া হরগঞ্জ বাজার, লিলুয়া ভট্টনগর বাজার ও বেলুড় বাজার সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

জুন ২৭, ২০২১
রাজ্য

লকডাউনে জুটমিল বন্ধে পথে বসলেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক

করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যে লকডাউনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেল হাওড়ার আরও একটি জুটমিল। কাজ হারালেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।দাশনগরের ভারত জুটমিলের পর এবার বালি বাদামতলার মহাদেব জুটমিল সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ দিয়ে বন্ধ হল। আজ বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় হাজারের উপরে শ্রমিক। মূলত কাঁচামালের আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম বন্ধ হল হাওড়ার বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।মিলের ট্রেড ইউনিয়ন নেতা মিহির দত্ত বলেন, সকালে হঠাৎ কাঁচামাল নেই বলে মিলে সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এই কারখানা বন্ধ হওয়ায় প্রায় এক হাজার কর্মী কাজ হারালেন। কাঁচামালের অজুহাত দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। স্বাধীনতার পর এই প্রথম মিলটি বন্ধ হলো। এটা অন্যায় করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে মানুষ যেখানে খেতে পারছে না সেখানে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া অনৈতিক। আমাদের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন পাট এলে মিলের কাজ হবে।মিল বন্ধের কারণে মিলের সামনে ধর্না দিচ্ছেন কর্মীরা। এদিন সকালে কাজে এসে দেখা যায় মিল বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মিলের এক কর্মী তাফের আলম জানান, এদিন সকালে এসে দেখেন কাঁচা মালের জন্য মিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল কাঁচামাল এলে কাজ হবে। লকডাউনের কারণে পাট রাস্তায় আটকে আছে। এই পরিস্থিতিতে প্রায় এক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়লেন। সরকারি নির্দেশমতো ৩০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চলছিল। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা না করেই মিল কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি শ্রমিকদের।

মে ১৯, ২০২১
রাজ্য

তিন জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরাল কমিশন

ভোটের আবহেই দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দুই বর্ধমান জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরিয়ে দিল কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, এঁদের তিনজনের বিরুদ্ধেই ভোটের কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা না করার অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখেই এই আধিকারিকদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কলকাতার দুই থানার পুলিশ আধিকারিকদেরও সরানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।নিখিল নির্মলকে সরিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ডিইও করা হয়েছে ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার সি মুরুগানকে। পূর্ব বর্ধমানের ডিইও করা হয়েছে শিল্পা গৌরীসারিয়াকে। তিনি ২০০৯ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার অনুরাগ শ্রীবাস্তবকে বসানো হয়েছে পশ্চিম বধর্মানের জেলার নির্বাচন আধিকারিকের পদে। কমিশন সূত্রে বলা হচ্ছে, বাংলায় অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট করানোটা একটা চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখেই এই আধিকারিকদের সরানোর সিদ্ধান্ত।তবে শুধু নির্বাচনী আধিকারিকদের সরানো নয়। প্রশাসনিক দিকের পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকটাও খেয়াল রাখতে চায় কমিশন। সেই উদ্দেশ্যেই আগামী পর্বে কলকাতার যে এলাকায় নির্বাচন, সেই এলাকার দুটি থানার আধিকারিকদের বদলে দিয়েছে কমিশন। রিজেন্ট পার্ক থানার ওসি মৃণালকান্তি মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে। বাঁশদ্রোণী থানার ওসি প্রতাপ বিশ্বাসকে পাঠানো হয়েছে গোয়েন্দা বিভাগে। পরিবর্তে টালিগঞ্জে রাম থামা এবং মলয় বসুকে বাঁশদ্রোণী থানার ওসি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, টালিগঞ্জে এবার হেভিওয়েটেদের লড়াই। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এই আসনে রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়ছেন। লড়াইয়ে সিপিএমের দেবদূত ঘোষও। সম্ভবত, সে কারণেই এই কেন্দ্রে বিশেষ নজর কমিশনের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

সকালে ফের কেঁপে উঠল একাধিক জেলা

মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ভূমিকম্প অনুভূত হল উত্তরবঙ্গে। কেঁপে উঠল একাধিক জেলা। গতকাল রাতের পর আজ সকাল ৭টা ৭ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার কম্পন অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। এর প্রভাব দেখা যায় মূলত জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে।প্রসঙ্গত, সোমবার রাত আটটা বেজে পঞ্চাশ মিনিট নাগাদ একইভাবে কম্পন অনুভব করেন কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, দুই দিনাজপুর ও মালদহের বাসিন্দারা। এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল গ্যাংটক। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.২। ৭ থেকে ৮ সেকেন্ড কম্পন অনুভূত হয়। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক গ্রাস করে উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের। মূলত বহুতল আবাসনের বাসিন্দারা নেমে আসেন রাস্তায়। কার্যত হুলুস্থুলু পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও এই কম্পনে ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। প্রাণহানিও ঘটেনি বলেই জানা যাচ্ছে।এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই আজ সকালে নতুন করে কম্পন অনুভূত হয় এই জেলাগুলিতে। তবে, আজকের কম্পন ছিল একেবারেই মৃদু। এর উৎস বা মাত্রা কোনওটাই এখনও জানা যায়নি। এটা গতকালের ভূমিকম্পের আফটার শক হতে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। এদিকে, আজ ভোরেও অসমের তিনসুকিয়ায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ২,৭। এই ভূমিকম্পের জেরেই উত্তরবঙ্গে কম্পন অনুভূত হল কিনা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

গেরুয়া শিবিরের সদ্য প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজেপির আরেকদফা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। ১৪৮ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে অনেককেই পছন্দ নয় দলের একাংশের। সন্ধে হতেই দিকে দিকে এর প্রতিবাদে নামেন কর্মী, সমর্থকরা। রানিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায়ের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। আর তারপরই বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপির একদল কর্মী, সমর্থক। তাঁদের অভিযোগ, বিজন মুখোপাধ্যায় বিজেপির কোনও কর্মীই নন। রানিগঞ্জের মানুষ চেনেনই না এই প্রার্থীকে। পরিবর্তে কোনও ভূমিপুত্র বিজেপি কর্মী বা আরএসএস সদস্যকে প্রার্থীকে কেন করা হলো না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।এদিন সন্ধেবেলা রানিগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তাঁরা। এরপর রানিগঞ্জের পাঞ্জাবীমোড় লাগোয়া ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ও দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সংযোগকারী রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। যদিও প্রার্থী ডাক্তার বিজন মুখোপাধ্যায় বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে দাবি করেন, এটা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি। কর্মীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে তাঁরা ঠিক করে নেবেন। আবার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে অরিন্দম ভট্টাচার্যের নাম ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফেটে পরে বিজেপি নেতা অরুণ ব্রহ্মর অনুগামীরা। অরিন্দম সদ্যই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। নিজের এলাকা থেকে টিকিটও পেয়েছেন। তা নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন দলীয় কর্মীরা। বৃহস্পতিবার তাঁরা শ্যামনগর বাসুদেবপুর মোড়ে সন্ধ্যায় দলীয় পতাকা ফ্লেক্স, ব্যানার পুড়িয়ে পথ অবরোধ করে। এছাড়াও বাসুদেবপুর মোড়ে বিজেপির কার্যালয়ে নিজেরাই ভাঙচুর করে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বদল করে অরুণ ব্রহ্মর নাম ঘোষণা করতে হবে। দমদমের বিজেপি প্রার্থী বিমলশংকর নন্দর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ অব্যাহত। এদিন দমদম রোডে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজ্য

বৃষ্টিতে ভাসতে পারে চার জেলা

অবশেষে বঙ্গ থেকে বিদায় নিতে চলেছে শীত। আকাশ মেঘলা থাকলেও কলকাতায় (Kolkata) বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দিনের বেলা ঊর্ধ্বমুখী হবে তাপমাত্রার পারদ। রাতের দিকে অনুভূত হতে পারে শীতের আমেজ, এমনটাই জানাল হাওয়া অফিস।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার একধাক্কায় কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পেরিয়েছে ২১ ডিগ্রির গণ্ডি। এদিনের তিলোত্তমার তাপমাত্রা ২১. ১ ডিগ্রি। সকাল থেকেই মুখভার দক্ষিণবঙ্গে ৪ জেলা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের। সেখানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। জানা গিয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঊর্ধ্বমুখী থাকবে তাপমাত্রার পারদ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁফফাঁস দশা হবে সকলের। তবে রাতের দিকে সামান্য নামতে পারে পারদ। শীতের আমেজ অনুভূত হতে পারে। তবে বঙ্গে আর সেভাবে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই বলেই খবর। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা মালদা, দুই জেলার আকাশ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
রাজ্য

টিফিন, পানীয় জল, এমনকি কলমও 'শেয়ার' করা নিষেধ স্কুলে

ছাত্রীদের একসময়ে সব কিছু সকলে ভাগ করে নেওয়ার শিক্ষা দিয়েছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। শুক্রবার নিউ নর্মাল পরিস্থিতিতে স্কুল খোলার দিনে ছাত্রীদের ভাগ করতে বারণ করার কথা তাঁর মূখেই শোনা গেল। করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ১১মাস বন্ধ থাকার পরে এদিনই প্রথম খুলল স্কুল। সকালে স্কুলে ঢোকার সময়ে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে সার দিয়ে দাঁড়াতে হলো ছাত্রীদের। প্রথমেই থার্মালগান দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হলো, তারপরে হাত স্যানিটাইজার দিয়ে জীবানুমুক্ত করে তারপরেই ক্লাসরুমে ঢুকতে দেওয়া হলো হাওড়া যোগেশচন্দ্র গার্লস স্কুলের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের। এদিন সকালে স্কুলে আসা ছাত্রীদের করোনা বিধি মেনে চলার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি, নিজেদের মধ্যে টিফিন, পানীয় জল, এমনকি কলমও শেয়ার করতে বারণ করেন।এদিন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শুভ্রা চক্রবর্তী বলেন, ছোট বেলায় যাদেরকে সবকিছু ভাগ করে নেবার শিক্ষা দিয়েছিলাম, করোনা পরিস্থিতিতে এবারে সেটাই করতে তাদের বারন করতে হচ্ছে। ছাত্রীদের করোনা বিধি মেনে চলার কথা বলেছি। প্রতি বেঞ্চের দুই ধারে দুইজন ছাত্রী বসবে। এদিন প্রায় এক বছর পরে স্কুলে এসে যারপরনাই খুশি ছাত্রীরা।একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী রিয়া সাহানির কথায়, প্রায় এক বছর পরে আবার বন্ধুদের সাথে দেখা হচ্ছে। অনেক নতুন বন্ধু হয়েছে। খুব আনন্দ হচ্ছে। এদিন ধর্মঘটের মধ্যে স্কুলে আসা নিয়ে এক অবিভাবকের কথায়, ওরা তো অনেকদিন ধরেই গৃহবন্দী হয়ে রয়েছে। তাই বাংলা বনধে স্কুল খোলায় ওদেরকে আর থামানো যায়নি। বামফ্রন্টের ডাকা বন্ধ না মেনে তাই স্কুলে ছুটেছে পড়ুয়ারা। এদিনের বাংলা বনধে হাওড়ার জনজীবনে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া কোন প্রভাব পড়েনি। বাস ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল। বন্ধ না মেনে পথে নামেন মানুষজন। হাওড়া স্টেশনে ট্যাক্সি পরিষেবাও প্রায় স্বাভাবিক ছিল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
রাজ্য

সাধারণের জন্য খুলে গেল বেলুড়মঠের দরজা

দ্বিতীয় দফায় ১৯১দিন বন্ধ থাকার পরে বুধবার থেকে আপামর ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে গেল বেলুড়মঠ। এদিন থেকেই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিওর মেনে লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে দেওয়া হল বেলুড়মঠের দ্বার। গত ২৫শে জানুয়ারী এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন বেলুড়মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবিরানন্দ মহারাজ। লকডাউনের জেরে ২০২০সালে ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল বেলুড় মঠ। ৮২ দিন বন্ধ থাকার পর। ১৫ জুন তা আবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় একাধিক করোনা বিধি মেনে গেটে প্রবেশ করান হতো।বেলুড়মঠে ঢোকার সময় সামাজিক দুরত্ব মানা থেকে স্যানেটাইজ করে মঠে ঢোকা, সব করোনাবিধিই মানতে হত ভক্ত থেকে দর্শনার্থী সকলকেই। এর প্রায় দেড় মাস পর ২রা আগস্ট থেকে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় বেলুড় মঠ। সেই সময়ে মঠের আবাসিক প্রায় ৮০জন সন্যাসী করোনায় আক্রান্ত হন। যার জেরেই মূলত দ্বিতীয়বার বেলুড়মঠে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার থেকে প্রত্যহ সকাল ৮.৩০মিনিট থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ও বিকাল ৩.৩০মিনিট থেকে বিকাল ৫.১৫মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকবে মঠের দরজা | মঠের মূল মন্দিরসহ মোট চারটি মন্দিরে প্রবেশ করতে পারলেও, মন্দিরে বসা ও মঠ চত্বরে সময় কাটাতে পারবেন না কেউ | দেখা যাবে না সন্ধ্যা আরতি।কোভিড বিধিকে মান্যতা দিয়ে এই বছরে বেলুড়মঠে বন্ধ রাখা হচ্ছে সাধারণ উৎসব। আগামী ২১মার্চ সাধারণ উৎসব বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে জানান মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ জী মহারাজ। এদিন তিনি আরো জানান, আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারী সরস্বতী পূজা ও আগামী ১৫ই মার্চ ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের জন্মতিথি পুজার দিনেও ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হবে। এই দিনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের ফলে করোনা বিধি ভাঙ্গার আশঙ্কাই করছেন মঠ কর্তৃপক্ষ। এদিন মঠ কর্তৃপক্ষ যে পরিমান দর্শনার্থীর আশা করে ছিলেন সেই তুলনায় কয়েক গুন বেশী ভক্ত ও দর্শনার্থীদের এলেও কোন সমস্যা হয়নি। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের বাসিন্দা স্নাতকোত্তরের ছাত্রী পারমিতা এদিন সকালেই মায়ের সাথে ছুটে আসেন বেলুড়মঠে। তিনি জানান, মঠে ঢোকার সময়ে থার্মাল গান দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে, হাতে দেওয়া হচ্ছে স্যানিটাইজার। পারমিতার ভাষায় আজকের ভোর নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। তিনি আরও জানান, করোনা আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিলেও অনেক শিক্ষাও দিয়েছে। করোনার প্রকোপ কমে গেলেও মাস্ক পরা সহ কিছু বিধিনিষেধ লাগু থাকাই আমাদের পক্ষে মঙ্গলের বলে মনে করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজ্য

কেন শীতেও জমা জলের সমস্যা হাওড়ায়?

শীতকালেও জমা জলের সমস্যা হাওড়া পুরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের দয়াময় নস্কর লেনের বাসিন্দাদের। বাড়ির উঠানে, রাস্তায় জমে থাকা নোংরা জল পেরিয়েই যাতায়াত করতে প্রাণ ওষ্ঠাগত এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দার। তাঁদের অভিযোগ, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁরা সকাল-বিকেল নোংরা জলে বন্দি হয়ে থাকছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, সকালে এবং দুপুরে যখন পুরসভার পরিস্রুত পানীয় জল পাইপলাইনে আসে, তখনও নিকাশিনালা উপচে নোংরা জল চলে আসে রাস্তায়। আবার জোয়ারের সময় গঙ্গার জলস্তর বেড়ে গেলেও এমন সমস্যা হয়। বছরের পর বছর ধরে নিকাশিনালা সাফাই না করার ফলে কার্যত পুরোটাই বুজে গিয়েছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। তাঁদের এই সমস্যার কথা পুরসভা থেকে শুরু করে প্রশাসনের নানা স্তরে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের। আগামী দিনে এই সমস্যার সমাধান না হলে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করার কথাও চিন্তা ভাবনা করছেন এলাকার মানুষ। এলাকাটি গঙ্গার কাছে হওয়ায় নিকাশিনালার সঙ্গে গঙ্গার জলস্তরের যোগ থাকা অসম্ভব নয় বলে মনে করছেন কেউ কেউ। যদিও পুরসভার পানীয় জল আসার সময়ে কেন নিকাশিনালা উপচে পড়ছে, তার কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না তাঁরা।এলাকায় ঘুরে দেখা গেল, বেশ কিছু বাড়ির সামনের উঠোনে পর্যন্ত নোংরা জল জমে রয়েছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বর্ষার সময় মনে হয়েছিল, প্রচুর জমা জলের জন্য এই সমস্যা। কিন্তু এখন তো কোথাও বৃষ্টি নেই। তাহলে কেন এমনটা হচ্ছে? স্থানীয় বাসিন্দা রমেশ দুবে বলেন, দিনের পর দিন এই ভোগান্তি চলছে আমাদের। দয়ারাম নস্কর লেন শুধু নয়, গুহ রোডের একাংশের বাসিন্দারাও একই সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। কাউন্সিলর না থাকায় পুরসভায় গিয়ে অভিযোগ জানিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু কোনওভাবে কোনও সমাধান হয়নি। এভাবে আর চালানো সম্ভব নয় বলে ক্ষোভের সঙ্গে জানান তিনি। এলাকায় দেখা গেল, নিকাশিনালা ভর্তি হয়ে রয়েছে নানা ধরনের প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্যে।স্থানীয় মানুষের দাবি, নিকাশি সংস্কার এবং সাফাই করলেই এই সমস্যা আর থাকবে না। তা করা হচ্ছে না বলেই নোংরা জলের মধ্যে সকাল-বিকেল বন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ বিষয়ে হাওড়া পুরসভার এক পদস্থ আধিকারিক জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজনীতি

রাজীবকে পদ্মশিবিরে সরাসরি আহ্বান শুভেন্দুর

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদ্মশিবিরে আসতে আহ্বান জানালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন হাওড়ার ডোমজুড়ের এই তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, আড়াই বছর আগে তাঁকে না জানিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখনই নাকি তিনি পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে নিরস্ত করেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই দলীয় নানা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।বুধবার শ্যামবাজারের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অফিসে গিয়ে রাম মন্দির নির্মান কল্পে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা নিধি জমা দেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়ে দেন, এই টাকা সাংসদ হিসাবে যে পেনশন পান সেখান থেকেই দেওয়া হয়েছে। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু বলেন, আমি আশা করছি রাজীব বিজেপিতে আসবে। আমার ব্যক্তিগতভাবে বন্ধু। আমরা তাহলে একসঙ্গে কাজ করতে পারব। খুব ভাল হবে।এদিকে রাজ্যে সভা করতে আসছেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। এর আগে তিনি জনসভা করেছেন মেদিনীপুর শহরে। ওই সভায় শুভেন্দু অধিকারী সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ওই দিন তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলও যোগ দিয়েছেন। এই সপ্তাহেই অমিত শাহ এরাজ্যে আসছেন। একাধিক কর্মসূচি আছে অমিত শাহর। তিনি আসা মানেই ফের তৃণমূলের উইকেট পড়ে যাওয়া বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহল। ইতিমধ্যে অমিত শাহর আসার আগের দিন ২৯ জানুয়ারি দলীয় বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরইমধ্যে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপিতে আসতে প্রকাশ্যে আহ্বান জানালেন শুভেন্দু। এখন দেখার বিষয় রাজীব ঘাসফুল ছেড়ে কবে পদ্মফুলে ঠাঁই নেয়।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
রাজ্য

এরাজ্যে বিধানসভা ভোটঃ কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের বড় ঘোষণা

নির্বাচনের সময় বদলি হওয়া পুলিশ -প্রশাসনের কর্তাদের এক বছরের মধ্যে স্বপদে ফেরানো যাবে না। শুক্রবার এই নয়া নির্দেশের কথা জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। এবার শুধু ভোটের সময় নয় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতেও কঠোর মনোভাব নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। গত দুদিন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্য নির্বাচন কমিশন, মুখ্যসচিব, পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে। সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তাঁদের অভিযোগ, মতামত নিয়েছে কমিশন।শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মিলিত হন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা। আরোরা বলেন, গত লোকসভা নির্বাচনে দুই আইএএস ও এসপির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল এবং তাদের অপসারিত করা হয়েছিল। কমিশন বার আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে। নির্বাচনের সময় বদলি হওয়া পুলিশ -প্রশাসনের কর্তাদের এক বছরের মধ্যে স্বপদে না ফেরানোর স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। শুধু তাই নয়, তাঁদের উচ্চপদেও বসানো যাবে না। এমন ঘটনা হলে কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে। রাজ্য প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।তবে রাজ্যর আইন শৃঙ্খলা নিয়ে কিছু ভালো রিপোর্ট পেয়েছে কমিশন। আবার বিরোধীরা নানা অভিযোগও তুলেছে। করোনা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের রিপোর্টে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এদিন সিইও বলেন, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার ওপর নজর রয়েছে আমাদের। নির্বাচনে তিনজন পর্যবেক্ষক আসবেন। আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে একজন, একজন জেনারেল পর্যবেক্ষক ও একজন ব্যায় সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বে থাকবেন। ভোটে মানিপাওয়ার ও কালোটাকার ব্যবহার খতিয়ে দেখবেন এক্সপেন্ডেচার পর্যবেক্ষক।এবার নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোটের দায়িত্ব থেকে বাদ রাখা হবে সিভিক ও গ্রীন পুলিশদের। বুথের মধ্যে থাকবে শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের তিনমাস আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কোনও পরিকল্পনা নেই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের। এটা যে শুধুই জল্পনা তা সিইও-র কথায় পরিস্কার। সিইও বলেন, ভোটের দুমাস বা তিনমাস আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে না। ভিত্তিহীন খবর। নির্দিষ্ট সময়েই বাহিনী আসবে। বিএসএফ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস যে অভিযোগ নিয়ে এসেছে তা উড়িয়ে দিয়েছে কমিশন। এদিন সুনীল আরোরা বিএসএফের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন। দেশের সেরা নিরাপত্তা ফোর্স বলে বিএসএফকে সম্বোধন করেছেন আরোরা। এবিষয়ে তৃণমূল নির্দিষ্ট অভিযোগ দিতে পারেনি বলেই কমিশন জানিয়েছে। ভোট এপ্রিলেই হবে তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন আরোরা।এবার করোনা বিধি মেনে ভোট হচ্ছে। সেই কারণে ২২ হাজার বুথ বাড়ছে। রাজ্যে এবার মোট ১ লক্ষ ১হাজার বুথ থাকবে। গ্রাউন্ড ফ্লোরে সব বুথ থাকবে। ৮০ উর্ধ্ব নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
রাজনীতি

মন্ত্রী, বিধায়ক বা প্রক্তন মেয়র নয়, ক্ষোভ উগরে দিতে সাংবাদিক বৈঠক হাওড়ার পঞ্চায়েত প্রধানের

এবারে বিস্ফোরক তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। নাম করে সরাসরি আক্রমণ অরূপ রায়কে। দলের ওই ভাঙনের জন্যে দায়ী করলেন মন্ত্রী অরূপ রায়কে। একের পর এক তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসছে। মঙ্গলবার দলের সভাপতি ও মন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন হাওড়ার মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এদিকে বুধবার সকালে হাওড়ার মহানাগরিক বিশিষ্ট চিকিৎসক ডঃ রথীন চক্রবর্তীর পরে নাম করে জেলা সদরের চেয়ারম্যান অরূপ রায়কে সরাসরি দলের ভাঙনের জন্য দায়ী করলেন তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত প্রধান। বুধরার নিজের অফিসে বসেই এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের কান্ডারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন জগদিশপুরের পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা। হাওড়ায় দলের ভাঙ্গন আরো বড় হবে। এরজন্যে সরাসরি জেলা সদরের তৃণমূল চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করেন তিনি। আগামিদিনে হাওড়ার মানুষ স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেন গোবিন্দ হাজরা। আধিকারিকরা ঠিকভাবে কাজ করছে না। সকালে জানানো হচ্ছে আগামীকাল স্বাস্থ্য সাথি কার্ডের জন্যে ছবি তোলা হবে। লিস্ট ধরে সারাদিন ধরে ফোন করে ২হাজার মানুষকে সেই কথা জানানোর পরে রাত ৮টার সময়ে বিডিও অফিস থেকে আবার জানানো হচ্ছে কিট না আসায় আগামীকাল ছবি তোলা যাবে না। মানুষ ভোর চারটে থেকে লাইন দিয়ে তারপরে এই কথা জানতে পারছেন। এত বিজ্ঞাপন দিয়ে স্বাস্থ্য সাথীর কথা প্রচার করে মানুষকে পরিষেবা দিতে না পারলে ভোটের বাক্সে তার প্রতিফলন পড়বে বলেও মনে করেন তিনি। আগামী দিনে দলে আরো বড় ভাঙন আসতে পারে বলেও অভিমত ব্যাক্ত করেন তিনি। ক্ষমতায় আসার পরে সরকার ভালো কাজ করলেও বর্তমানে সরকারি কাজ ভালো হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের এক বিধায়ক কল্যান বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে গোবিন্দ হাজরা বলেন, ওনাকে আমি ঘৃনা করি। পাশাপাশি তিনি জানান, দিদি আমাকে কোর কমিটির সদস্য করেন। কালেঘাটে দিদির মিটিং এ ডাক পেলেও হাওড়ায় অরূপ রায়ের মিটিং এ ডাক পেতেন না বলে অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা কমিটির বর্তমান সদস্যদের চোর গুন্ডা বলে অবিহিত করেন। ভালো লোকদের নিয়ে কমিটি করলে দলের এমন হাল হতো না। চোর গুন্ডাদের নিয়ে কমিটি নিয়েছেন অরূপ রায়। হাওড়ায় ভরাডুবি অনিবার্য। নতুন সভাপতি প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ভরাডুবির দায় থেকে নিজের বাঁচার তাগিদে অন্যের কাঁধে বন্দুক রাখা। যদিও আগামীদিনে দল বদল করবেন কি না তা স্পষ্ট করেন নি গোবিন্দ হাজরা। পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি। এদিন সকালে সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মূখ খোলেন হাওড়ার প্রাক্তন তৃণমূল মেয়র ডঃ রথীন চক্রবর্তী। তৃণমূল দল থেকে বিদায় নিয়েছে সৌজন্যবোধ এই ভাষায় নিজের ক্ষোভ ব্যাক্ত করেন তিনি। তিনি আরো জানান, হাওড়ার মানুষের জন্যে যে জল প্রকল্পের কাজ শুরু করেছিলেন তিনি, সেই প্রকল্পের উদ্বোধনে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় এই ভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তৃণমূল দলকে প্রাইভেট কোম্পানির সাথে তুলনা করে বলেন এখানে শুধুমাত্র নেতার ঘনিষ্ঠ কারো কথা শুনে চলাই রীতি। অন্য কিছুই দেখা বা শোনা হয়না। চোখ কান ইত্যাদি ইন্দ্রিয় গুলো ঢাকা পড়ে রয়েছে এমন মন্তব্য করেন প্রাক্তন মহানাগরিক। এখানে যারা কাজ করে তাদের এক ঘরে করে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়। যারা কাজ করে তারা ব্যাকসিটে চলে যায়। আগামী দিনে যেখানে থেকে মানুষের সেবা করা যাবে, মানুষের কাজ করা যাবে, সেখানেই সে তার পাশেই তিনি থাকবেন বলেও জানান তিনি। হাওড়া জেলা সদর সভাপতির পদ থেকে ও মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষীরতন শুক্লা জানানোর পরেই একে একে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মূখ খুলছেন অনেকেই। এদিকে নবনিযুক্ত তৃণমূল সভাপতি ভাস্কর ভট্টাচার্য সকলকে নিয়ে চলতে চাইছেন। মান-অভিমান ভুলে আলোচনা করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

জানুয়ারি ০৭, ২০২১
উৎসব

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনেও বেলুড়মঠে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

অতিমারির কারণে বেলুড়মঠে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তারমধ্যেই আগামী মঙ্গলবার ৫ই জানুয়ারী সারদামনির মায়ের জন্মতিথি ও আগামী ১২ই জানুয়ারী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুব উৎসবের দিনেও মঠ প্রাঙ্গণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলেন মঠ কর্তৃপক্ষ। শনিবার বেলুড়মঠের রামকৃষ্ণ সারদা পীঠের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যানন্দজি মহারাজ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ৫ই জানুয়ারী সারদা মায়ের জন্মদিনের যাবতীয় অনুষ্ঠান হবে। তবে অতিমারির কারণে বেলুড়মঠের প্রাঙ্গণে ভক্তদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। সারাদিন ব্যাপি এই অনুষ্ঠান মঠের ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যাবে। এছাড়াও আগামী ১২ই জানুয়ারী যুবদিবসের অনুষ্ঠানেও মঠ প্রাঙ্গণে অন্যান্য বছরের মত প্রভাতফেরী ও অন্যান্য অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে। ৩৭তম যুবদিবসের অনুষ্ঠান হবে অডিটোরিয়ামের ভেতরে। বাইরের স্কুল থেকেও দুই-একজন অংশগ্রহনকারীরা আসবেন। গান করবেন, আবৃত্তি করবেন, আমাদের ছেলেরাও থাকবেন মঠের সন্যাসীরাও অংশগ্রহণ করবেন।স্বামী দিব্যানন্দজি মহারাজ আরও জানান, মঠের সহকারী সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রানন্দ জী মহারাজও যুবকদের উদ্দেশ্যে কথা বলবেন। ভক্তজন ও সাধারণ দর্শনার্থীদের কাছে তাঁর অনুরোধ, বাড়িতে থেকেই ইউটিউব চ্যানেলে যেমন দুর্গাপূজা দেখেছেন সেইভাবেই সারদামনির জন্মদিনের অনুষ্ঠান ও যুবদিবসের অনুষ্ঠান দেখতে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। আগামী ২৬শে জানুয়ারী পর্যন্ত বেলুড়মঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে আগামী ২০শে জানুয়ারী আবার বৈঠকে বসবেন মঠ কর্তৃপক্ষ। এদিন বেলুড়মঠের সারদা পীঠে থাকা রেলের একটি কম্পিউটারাইজড টিকিট রিজার্ভেশন কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বেলুড়মঠের রামকৃষ্ণ সারদা পীঠের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যানন্দ জি মহারাজ জানান, তাঁর সাথে যোগাযোগ করেন পূর্ব রেলের সিনিয়ার ডিভিশনাল ম্যানেজার। ওই টিকিট কাউন্টারটি বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানানো হয় তাঁকে। মূলত খরচের কারণেই ৪০বছরের পুরানো ওই টিকিট কাউন্টারটি সরিয়ে নেওয়ার কথা জানানো হয়। স্বামী দিব্যানন্দজি জানান, এই টিকিট কাউন্টার থাকায় মঠের সন্যাসীদের খুবই সুবিধা হত। তিনি রেল কর্তিপক্ষকে আবেদন করেছেন যাতে বেলুড়মঠ সংলগ্ন রেল স্টেশনেই যদি স্থানান্তরিত করা হয় তাহলে মঠের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সুবিধা হবে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

হাওড়ায় তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে গড়হাজির দুই মন্ত্রী, বাড়ছে জল্পনা

শুক্রবার হাওড়াতেও পালিত হল তৃণমূলের ২৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এই প্রতিষ্ঠা দিবসেও পিছু ছাড়ল না গোষ্ঠীকলহের বিতর্ক। এদিন দলের হাওড়ার কদমতলার জেলা সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মূল অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে রাজের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় উপস্থিত থাকলেও গরহাজির ছিলেন তৃণমূলের সদর সভাপতি তথা মন্ত্রী লক্ষীরতন শুক্লা। দেখা মিলল না দলের কোর্ডিনেটর তথা আর এক মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মুল অনুষ্ঠানে জেলার দুই মন্ত্রী তথা হেভিওয়েট নেতার অনুপস্থিতিতে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই প্রসঙ্গে, তৃণমূলের সদর চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, কে বা কারা আসেননি জানি না। তবে আসা উচিত ছিল। প্রথম থেকে দল করে আসা তৃণমূল কর্মীরা সবাই এসেছে। যাঁরা আসেননি তাঁদেরকে আসার জন্য অনুরোধ করব। অন্যদিকে এদিন জেলা নেতৃত্বের এমন ধরনের মনোভাবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন হাওড়ার সাংসদ প্রসূণ বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠা দিবসে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। দলীয় কর্মীরা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছেন। ক্ষোভের সঙ্গে সাংসদ বলেন, আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি জেলার তিন নেতা তিন দিকে আলাদা আলাদা কেন র্যালি করছে? আমার খুব মন খারাপ, আমি খুব শকড। এইভাবে চললে হাওড়ার ১৬টা আসন ধরে রাখা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। দলীয় হোর্ডিং নিয়েও এদিন তিনি ক্ষোভ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দল না থাকলে লালবাতি নীলবাতি পাব না এই বার্তাও দিলেন দলীয় নেতৃত্বকে। উল্লেখ্য, কয়েক মাস ধরে রাজ্যের দুই মন্ত্রী তথা হাওড়ার হেভিওয়েট নেতা অরূপ রায় এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে চলছে ঠান্ডা লড়াই। সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে হাজির হতে দেখতে পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। তাই জল্পনাও শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে। তারই মধ্যে এদিন প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লক্ষ্মীরতন শুক্লার উপস্থিতি না থাকা উষ্কে দিচ্ছে নয়া বিতর্ক।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal