• ১৮ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dhankar

দেশ

দলের নির্দেশ অমান্য় শিশির ও দিব্য়েন্দুর, সাংসদ পদ ছাড়ার দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের

দলের নির্দেশ অমান্য করে উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিলেন কাঁথি ও তমলুকের দুই তৃণমূল সাংসদ। শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী এদিন উপরাষ্ট্রপতি ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে ফের বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত ওই দুজনের। শুভেন্দুর পরিবারের এই দুই সাংসদের ভোট কোন দিকে গিয়েছে তা আর বলার অবকাশ থাকে না বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।তৃণমূল কংগ্রেসের উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত আপাতত দুই অধিকারী সংসদের ভোট দেওয়া বড় প্রাপ্তি বলে মনে করছে দলীয় নেতৃত্ব। রাষ্ট্রপতি পদে কয়েকজন তৃণমূল সাংসদের ভোট নিয়ে সংশয় ছিল নেতৃত্বের। জোর দিয়ে বলার উপায় ছিল না তাঁরা কাকে ভোট দিয়েছেন। এবার ভোট না দেওয়ার ফতোয়া দেওয়া সত্বেও ভোট দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা ও ভাই। স্বভাবতই এক একে দুই করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৭, ২০২২
রাজ্য

অবশেষে জটিলতা কাটল বাবুলের শপথের, ডেপুটি স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা রাজ্যপালের

শেষমেশ তৃণমূল সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র শপথের জটিলতা কাটল। প্রায় দুই সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বাবুল। জানা গিয়েছে, বাবুল সুপ্রিয়র শপথবাক্য পাঠ করাবেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন।আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়ে প্রথম সাংবাদিক বৈঠকে বাবুল সুপ্রিয় বলেছিলেন, তিনি প্রথম একাদশে খেলতে চান। শেষমেশ বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বিধায়কপদে শপথ নিয়ে জটিলতা বেড়ে যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বাবুলের শপথের ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দেন। তাঁর শপথ নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের বক্তব্য ছিল, রাজ্য সরকার রাজভবনের কোনও প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে না। যাই হোক শেষমেশ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারকে ক্ষমতা দেওয়ায় এবার শপথ নিতে চলেছেন বাবুল। বাংলায় প্রবাদ আছে। মচকাবেন কিন্তু ভাঙবেন না। নিজে না করে ডেপুটি স্পিকারকে শপথের দায়িত্ব দিয়েছেন রাজ্যপাল। অর্থাৎ শপথ হলেও নিজে হাজির থাকবেন না। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যপাল এই সিদ্ধান্ত দ্বারা বুঝিয়ে দিলেন তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরছেন না। রাজ্য সরকারের নানা কর্মকান্ডে তিনি যে সন্তুষ্ট নয়, তা এর আগে নানা মন্তব্য করে স্পষ্ট করেছেন জগদীপ ধনখড়।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাতের জের, বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়র শপথ কবে?

বিজেপির সাংসদ হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন। মন্ত্রীত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর বিজেপি ছেড়ে দেন। রাজনীতি ছেড়ে দেব ঘোষণা করেও তৃণমূলে যোগ দেন। বালিগঞ্জের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। কিন্তু এখনও বিধায়ক হয়ে শপথ নিতে পারেননি বাবুল সুপ্রিয়। প্রায় ১০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে এখনও জয়ী প্রার্থী হিসাবেই রয়ে গিয়েছেন বাবুল। কবে শপথ হবে তার দিনক্ষণও ঠিক হয়নি।রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাত যেন কিছুতেই কমছে না। এবার সংঘাতের বলি হলেন বালিগঞ্জ উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তার শপথগ্রহণ সংক্রান্ত ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, শপথের বিষয়ে রাজ্যপাল সাংবিধানিক ভাবে দায়বদ্ধ। তিনি কোনও শর্ত আরোপ করতে পারেন না। সূত্রের খবর, এবার একেবারে শপথের তারিখ উল্লেখ করে ফাইল পাঠাচ্ছে পরিষদীয় দফতর।বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব রাজ্যের কাছ থেকে মেলেনি রাজ্যপালের। সূত্রের খবর, এই কারণেই নাকি গোঁসা হয়েছে রাজ্যপালের। যদিও সরকারি ভাবে রাজ্যপাল বা রাজভবন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজ্য অপেক্ষা করে আছে রাজ্যপাল কী সিদ্ধান্ত নেন তার ওপর। অন্যদিকে নয়া বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় হতাশ। বিধায়ক না হলে বিধানসভার কোনও কমিটিতেও থাকতে পারছেন না। আবার মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ থাকলেও বিধায়ক পদে শপথ নিতে হবে বাবুলকে।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

'শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়', রাজ্য়পালকে কড়জোড়ে মমতা

Bengal Global Business Summit 2022-এ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় যেমন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন, পাল্টা তাঁকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে রাজ্যপালের উপস্থিতি ও বক্তব্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন মমতা। তাছাড়া এভাবেই রাজ্যের পাশে থাকার আবেদনও রেখেছেন রাজ্যপালের কাছে। দুজনের বক্তব্য শুনলে মনে হবে তাহলে কী রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী সংঘাত বলে কিছু ছিল না। কিন্তু এই বানিজ্য সম্মলনেই শিল্পপতিদের সাক্ষী রেখে রাজ্যপালের কাছে কড়জোড়ে আবেদন করে মমতা রীতমতো অস্বস্তিতে ফেলে দিলেন। যা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।রাজ্যপালের বক্তব্যের প্রশংসা করেই ধনখড়ের দিকে হাতজোড় করেন মমতা। তখন অনেকটাই হতবাক দেখাচ্ছিল রাজ্যপালকে। মমতা বলেন, রাজ্যপাল স্যার, কিছু মনে করবেন না, আপনার মাধ্যমে একটা কথা বলতে চাই। মহামান্য রাজ্যপালকে সমস্ত শিল্পসংস্থার তরফে একটা কথা বলছি। আমরা কেন্দ্রীয় সকারের কাছ থেকে সমস্ত রকম সহযোগিতা চাই। একইসঙ্গে রাজ্যপালদের বৈঠকে একটা কথা অবশ্যই বলবেন প্লিজ। শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়। মমতার এই বক্তব্যের পর রাজ্য-রাজনীতিতে হইচই শুরু হয়ে যায়। পুরোটাই নাটক বলে মন্তব্য করেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এমন সময় মুখ্যমন্ত্রী একথা বলেন তখন আর মঞ্চে জবাব দেওয়ার পরিস্থিতি ছিল না রাজ্যপালের। তবে এদিন মঞ্চে নানা দফায় রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপাল ধনখড়ের মুখে ভূয়সী প্রশাংসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মলনে এক মঞ্চে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বছরভর বাংলার নানান ইস্যুতে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সংঘাত লেগেই থাকে। এমনকী রাজ্যপালকে অপসারণ করার জন্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর কাছেও দরবার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই রাজ্যপাল এদিন প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন বাংলাকেও।২ বছর পর ফের নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশনে বুধবার বানিজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে। এই বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মেলনে হাজির হয়েছেন ১৯টি দেশের ২৫০জন প্রতিনিধি। এদিন নিউটাউনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেন শিল্পপতি আজিম প্রেমজি ও গৌতম আদানির সঙ্গে। জিন্দাল গোষ্ঠীর সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে ব্রিটেনের ৪৯ জন প্রতিনিধি এসেছেন। সম্মেলন শুরুতে ভাষণ দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।এদিন বক্তব্যে রাজ্যপাল বলেন, মহামতি গোখলে বলেছিলেন বাংলা আজ যা ভাবে কাল গোটা দেশ ভাবে। প্রধানমন্ত্রী মোদিও তাই বলেছেন। মোদীজির লুক ইস্ট নীতি মেনে এগিয়ে যাবে বাংলা। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মানব সম্পদে এগিয়ে বাংলা। দেশের অর্থনৈতিক ছবি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা বাংলার আছে। পূর্বভারতের ইকোনমিক হাব হবে বাংলায়। শিল্পপতিদের বাংলায় শিল্প স্থাপনের জন্য উৎসাহ দেন ধনখড়। তিনি বলেন, বাংলায় বিনিয়োগ করলে শিল্পপতিদের লাভ হবে। আশা করা যায় বাংলা আগামিদিনে আরও উন্নত হবে। এই বাণিজ্য সম্মেলন পথ দেখাবে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এবার দুটি স্টেন্ট বসল সৌরভের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

বুকে ব্যথা নিয়ে গতকাল অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ব্লকেজের জন্য তাঁর দুটি স্টেন্ট বসানো হয়েছে। সৌরভ সুস্থ আছেন। স্টেন্ট বসান ডা. আফতাব খান। তত্বাবধানে ছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেবী শেঠি ও অশ্বিন মেহতা। তাছাড়া চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।এদিন বিকেলে সৌরভকে দেখতে হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌরভকে দেখে বেরিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সৌরভের দুটি স্টেন্ট বসেছে। সৌরভ ভাল আছেন। সকালে তাঁকে দেখতে এসেছিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য। গত ২ জানুয়ারি বুকে ব্যথা হওয়ায় ক্রিকেটের মহারাজকে উডল্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তখন একটি স্টেন্ট বসাতে হয়েছিল। ৭ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি। তারপর বাড়িতেই বিশ্রামে ছিলেন। ফের বুকে ব্যথা হওয়ায় বুধবার প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ককে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ফের বুকে ব্যথা, হাসপাতালে ভর্তি সৌরভ

বুকে ব্যথা অনুভব করায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দিলেন চিকিৎসকরা। বুধবার তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের ধারে এ্যাপেলো হাসপাতালে। গ্রিন করিডোর করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক টেস্ট করেছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। ডা. সরোজ মন্ডল, ডা. আফতাব খান সহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতার বাইরের বিশিষ্ট চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। এর আগে ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা বোধ করায় ভর্তি করা হয়েছিল উডল্যান্ড হাসপাতালে। হার্টে ব্লকেজ ধরা পরায় তখন একটি স্টেন্ট বসানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ৭ জানুয়ারি তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তারপর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বাড়িতেই বিশ্রামে ছিলেন।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে বিসিসিআই সভাপতির শারীরিক অস্বস্তি শুরু হয়। তারপর আজ, বুধবার দুপুরে বুকে ব্যথা অনুভব করেন সৌরভ। তখন চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। তাই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় অ্যাপোলো হাসপাতালে। যদিও এখন তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানানো হয়েছে। গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটেই হাসপাতালে ঢুকেছেন সৌরভ। হাসপাতালে এসেছেন সৌরভের স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়, বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সৌরভের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যপালকে ঘুমের ওষুধ খেতে পরামর্শ তৃণমূল মহাসচিবের

রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যপালকে রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র বলে অভিহিত করেছেন তিনি। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যপালের প্রতিদিন কিছু না কিছু বললে ঘুম হয় না। ওনাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো উচিত। কেন না কোনও না কোনও দিন কোনও না কোনও বিষয়ে ওনাকে বলতেই হবে। রাজনৈতিক দলের মুখপাত্রের মত লাগছে তাঁকে। বাংলার রক্তাক্ত নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এক প্রশ্নের জবাবে তৃণমূলের মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন দেখবে কিভাবে ভোট হবে। কিন্তু রাজ্যপাল নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। রাজ্যপাল রাজ্যের উন্নয়নে সহযোগিতা করছেন না। বছরের প্রথম দিনই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এদিন ঘুরে মনে হল দল আরও শক্তিশালী হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন বাংলার ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্র। পাঁচিল তোলা হচ্ছে, পৌষ মেলা বন্ধ করা হচ্ছে এসব করে সেখানকার ঐতিহ্য ম্লোন করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলে পা মিলিয়ে এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন শান্তিনিকেতনের মানুষ।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
কলকাতা

ধনকর- সৌরভ বৈঠকে রাজনৈতিক মহলে বড় প্রশ্ন

রাজভবনকে বিজেপির দলীয় কার্যালয় বলে একাধিকবার কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপালকে বিজেপির মুখপাত্রের থেকেও ভয়ঙ্কর বলে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা বাড়ালেন ক্রিকেটের মহারাজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘ দিন ধরেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হতে পারেন বেহালার ছেলে। যদিও একথা কেউও প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি। তবে রবিবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর ও সৌরভের সাক্ষাৎকার রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয়বস্তু হিসাবে দাঁড়ায়। বৈঠক নিয়ে টুইট করে রাজ্যপাল ধনকর লিখেছেন, “সৌরভের সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। দেশের সবচেয়ে পুরনো স্টেডিয়াম ইডেন গার্ডেন্সে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আমাকে।” সৌরভ কিন্তু বৈঠক নিয়ে মুখ খোলেননি। সৌরভ রাতারাতি ভারতীয় ক্রিকেটে বোর্ডের সভাপতি হয়েছেন। তাঁর নেপথ্যে ছিলেন ভারতীয় রাজনীতির চানক্য বিজেপি নতা অমিত শাহ। ধনকর-রাজ্যপাল বৈঠক নিয়ে ধন্দে পড়েছেন রাজনৈতিক মহল। সম্প্রতি অমিত শাহর সাংবাদিক বৈঠকে সৌরভের বিজেপি যোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। শাহ কিন্তু সরাসরি কোনও জবাব দেননি। না-ও বলেননি। এমনকী সৌরভের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্নে স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ও ঘুরিয়ে জবাব দিয়েছেন। তবে অতীতে দেখা গিয়েছে সৌরভ শেষ মুহূর্তে সিএবির সভাপতি হয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতিও হয়েছেন একেবারে শেষ পর্যায়ে। কেই টের পায়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একটা জিজ্ঞাসা রয়েই গেল।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে যেন ভুয়ো মামলা না হয়, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি রাজ্যপালের

শুভেন্দুকে যাতে ফাঁসানো না হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেদিকে নজর রাখতে বলেছেন। দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারকে বিঁধে বলেছেন, প্রশাসনিক শুদ্ধিকরণ প্রয়োজন। পরে সেই চিঠির প্রতিলিপি টুইটও করেছেন তিনি। বুধবারই শুভেন্দু অধিকারীর পাঠানো একটি চিঠি টুইটারে পোস্ট করেন জগদীপ ধনকড়। সেই চিঠিতে শুভেন্দু দাবি করেছেন, তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ সরকারি বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী এমতাবস্থায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরিতার্থ করতে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন তাঁর এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে। তেমন হলে রাজ্যপাল যেন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে হস্তক্ষেপ করেন। চিঠিটি টুইট করে জগদীপ ধনকড় জানিয়েছিলেন, শুভেন্দু তাঁর হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এরপরই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি প্রকাশ্যে আনলেন রাজ্যপাল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

মিথ্যা হজম করব না, মন্তব্য ধনকড়ের

ফের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, রাজ্যপাল কিছু বললেই বলা হয়, উনি কোনও একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে। কিন্তু একথা সম্পূর্ণ মিথ্যে। বাংলায় কে ক্ষমতায় এল তাতে আদতেই রাজ্যপালের কিছু এসে যায় না। সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপালের কিছু ক্ষমতা আছে। সেই জায়গা থেকে তাঁর কোনও কিছু জানতে চাওয়ার অধিকারও রয়েছে। এরপরই হুঁশিয়ারি দিয়ে ধনকড় বলেন, আমি কোনও মিথ্যে হজম করব না। যা রটানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী এদিনও বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ধনকড়। ভবিষ্যতের পরিস্থিতি কী হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, আমি লজ্জিত, এভাবে কোনও কিছু চলতে পারে না। পুলিশের রাজনীতিকরণ হচ্ছে। অন্য রাজ্যের পরিস্থিতি এখানকার মতো নয়। এর আগেও একাধিকবার বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন রাজ্যপাল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে নানা পরামর্শ দিয়েছেন। সরকারের একাধিক উচ্চপদস্খ কর্তার সঙ্গে বৈঠকে বসার ডাকও দিয়েছেন। কিন্তু কোনও কিছুতেই পালটায়নি রাজ্য-রাজ্যপাল সম্পর্কের সমীকরণ।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

আগুন নিয়ে খেলবেন না , মমতাকে হুশিয়ারি ধনকড়ের

কয়েকজন প্রশাসন কর্তা রাজনৈতিক কর্মীর কাজ করছেন। এটা বরদাস্ত হবে না। গণতন্ত্র বিপন্ন এ রাজ্যে। রাজভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনাকে প্রচার না পেয়ে নাটক বলে তুলে ধরেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় বলেন, এমন মন্তব্যে আমি লজ্জিত। গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হল। আপনার উচিত, ক্ষমা চেয়ে নেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী যে ভাষায় নাড্ডা-সহ বিজেপি নেতৃত্ব এবং রাজ্যপালকে আক্রমণ করেছেন, তা নিয়েও আপত্তি রয়েছে তাঁর। বললেন, মুখ্যমন্ত্রী অভিজ্ঞ। আমি ওর কথায় দুঃখ পেয়েছি। রাজনীতিতে সংস্কৃতি থাকতে হবে। ক্ষমা চেয়ে নিন, তাহলে আপনার সম্মান বাড়বে। কিছুটা হুঁশিয়ারির সুরে তিনি এও বলেন, আগুন নিয়ে খেলবেন না। আরও পড়ুন ঃ এখনও সঙ্কটজনক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এরপর তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনিক কর্তাদের ডাকলেও তাঁরা আসেন না। আগামী নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে ধনকড়ের দাবি, তার আগে রাজ্যের এই অশান্ত পরিস্থিতিতে তিনি উদ্বিগ্ন। তাই বারবার সামগ্রিক পরিস্থিতি বোঝার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে ডেকে পাঠান, আলোচনা করতে চান। কিন্তু তাতে আমল দেওয়া হয় না বলে আক্ষেপ তাঁর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির

আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধ ডাকল বিজেপি। উত্তরকন্যা অভিযানে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বন্ধ ডাকা হয়েছে। তাঁদের দাবি, আহত হয়েছে ৪০ জন কর্মী। ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি। প্রত্যেকের গায়ে গুলির দাগ রয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। একজন মারা গেছেন। আহতদের দেখতে দিলীপ ঘোষ ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় হাসপাতালে গেছেন। আরও পড়ুন ঃ আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের এদিকে রাজভবনে রাজ্যপালের কাছে গেলেন বিজেপি প্রতিনিধি দল। ছিলেন লকেট এবং জয়প্রকাশ এবং ভারতী ঘোষ, শোভন এবং বৈশাখী। সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা জানালেন, আগামিকাল রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ করবে বিজেপি। যদিও প্রশাসনের দাবি, পুলিসের মারে মৃত্যু হয়নি ওই ব্যক্তির। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। এদিন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আশপাশের বাড়ির ছাদ থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তৃণমূল কর্মীরা পাথর ছুঁড়েছে। একেবারে নন্দীগ্রামের কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
কলকাতা

আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বি আর আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগদীপ ধনকড় বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনওদিন তার উত্তর মেলে না রাজ্যের থেকে। আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না। বরং সংবিধানের উলটো পথে চলছেন। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার বারবার তলব সত্ত্বেও কারও তরফে কোনও জবাব মিলছে না। পুলিশ রাজনৈতিক নেতাদের মতো করে কাজ করছেন। এদিনই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে টুইটও করেন রাজ্যপাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে লেখেন, সংবিধান মেনে শাসনব্যবস্থা পরিচালনা হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

কো ভ্যাক্সিনের তৃ্তীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবক হতে চেয়ে আবেদন রাজ্যপালের

বেলেঘাটার নাইসেডে শুরু হয়েছে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। সেখানে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার জন্য আবেদন জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তবে তাঁর বয়স বেশি হওয়ায় ও কো-মরবিডিটি থাকায় তাঁর চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন বলেই জানাল নাইসেড। এদিন সকালে নাইসেডে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। দুজনকে স্বাগত জানান অধিকর্তা ডঃ শান্তা দত্ত। সেখানে কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের উদ্বোধন করেন তিনি। হাজার জনের দেহে কোভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল করা হবে।এদিন নাইসেডে পৌঁছে করোনা মোকাবিলার সরঞ্জাম দুর্নীতি নিয়ে সরব হন রাজ্যপাল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসন নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি স্বাস্থ্যমহলের প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানান জগদীপ ধনখড়। আরও পড়ুন ঃ বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি, বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপের তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে করোনার বিরাট প্রভাব পড়েছে। আমরা সামাল দিতে পেরেছি। করোনা মোকাবিলায় যথেষ্ট সাহায্য করেছে আয়ুষ্মান ভারত। এদিন জোর গলায় রাজ্যপাল আরও বলেন, করোনা চিকিৎসার জন্য রাজ্য যে যে জিনিসপত্র কিনছে, সেই স্তরেও দুর্নীতি ঢুকে পড়েছে। আবার সেই দুর্নীতি বন্ধ করতে তদন্ত টিম গঠন করেছে রাজ্য। কিন্তু, কারা সেই তদন্ত টিমের সদস্য? কাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে তার কোনও স্পষ্ট রিপোর্ট নেই। চিকিৎসা সামগ্রী কেনার দায়িত্ব ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করা কমিটির হাতে। সেই কমিটিই দুর্নীতি করছে বলে অভিযোগ রাজ্যপালের। তিনি এদিন বলেন, আমি এই বিষয়ে বহুবার কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনও যোগাযোগ করছেন না মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার পাহাড় থেকে শহরে ফিরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। স্টেশনে তাঁকে স্বাগত জানায় পুলিশ। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিনের টুইটে পুলিশের প্রশংসা করেন তিনি। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতার তকমা এবার পুলিশের গা থেকে ঘুচতে দেখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসটা দার্জিলিংয়ের রাজভবনে ছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। সেখান থেকেই যাবতীয় দায়দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেখানেও একাধিকবার রাজ্য ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পুলিশ। কিন্তু এদিন তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করায় স্বাভাবিকভাবে অবাক প্রত্যেকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ

ফের রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত। অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টার করার অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হোক বলেও দাবি করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সুদীপ্ত রায়চৌধুরী গরুপাচারে যুক্ত। মানুষ পাচারের সঙ্গেও যোগ রয়েছে তার। ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। ধৃত গোবিন্দ আগরওয়াল এবং সুদীপ্ত রায়চৌধুরীর হয়ে কেন টুইট করছেন রাজ্যপাল? কেন বাংলার রাজ্যপাল অভিযুক্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসছেন? পশ্চিমবঙ্গের অনেক অপরাধীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে রাজ্যপালের। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান তাঁর আরও দাবি, তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন রাজ্যপাল। পুলিশ-সহ সরকারি আধিকারিকদের তদন্তে বাধা দিচ্ছেন। হুমকি দিচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। অসাংবিধানিক কাজ করছেন। যারা তদন্তে বাধা দেন কিংবা তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৬ ও ১৮৯ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করব রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিন। শেষে বলে যান, আগামী দিনে রাজ্যপাল সম্পর্কে দ্বিতীয় পর্যায়ে পর্দা উন্মোচন করব। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনের শুরুতেই আইআরএস আধিকারিক নীরজ সিংয়ের গ্রেফতারির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রচুর আর্থিক দুনীতির অভিযোগ রয়েছে। বেনামী সম্পত্তিও রয়েছে। কলকাতা পুলিশ ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল। পরে সেই তদন্তভার ইডি হাতে নিয়ে নীরজ সিংকে গ্রেফতার করে। শুধু তাই নয়, এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী, ইডি তাঁর ৩ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকার সম্পত্তিও অ্যাটাচ করেছে। তবে পরবর্তীতে ওই মামলার কাগজ হাতে পেয়ে কলকাতা পুলিশও সমান্তরাল তদন্ত চালাচ্ছিল।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের পাঠানো টাকা কৃষকরা না পাওয়ায় সরব ধনকড়

এবার কৃষকদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে অভিযোগ করেন, এ রাজ্যের কৃষকরা প্রত্যেকে কেন্দ্রের দেওয়া ১২০০০ টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাচ্ছেন না। এভাবে ক্ষতি হয়েছে মোট ৮৪০০ কোটি টাকার। প্রশাসনিক উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী। এদিন আরও একটি টুইটে রাজ্যপাল মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি-কে বিঁধেছেন। নাম উল্লেখ করেছেন রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্থ এবং রিনা মিত্রের। তাঁর অভিযোগ, মমতা সরকারে আমলে পুলিশ নিয়ম ভাঙছে। তারা নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো ৬ হাজার টাকা পাননি বাংলার কৃষকরাঃ কৈ্লাস বিজয়বর্গীয় প্রসঙ্গত, এরাজ্যে রাজভবন ও নবান্নের সংঘাত এখন নিত্যদিনের বিষয়। রাজ্যপালের সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এখানকার পুলিশ-প্রশাসনকে নিয়ে। তাদের গাফিলতিতে রাজ্যে বহু অপরাধ খুব সহজেই সংগঠিত হতে পারছে বলে অভিযোগ ধনকড়ের। এদিনও একাধিক টুইটে নিজের সেই বক্তব্য তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে সরব ধনকড়

যেভাবে রাজ্যে সরকারি আমলাদের সম্পত্তি বাড়ছে এবং তাঁরা দুর্নীতিতে জড়াচ্ছেন, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এবার আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে টুইটে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সোমবার তিনি এই প্রসঙ্গে লেখেন, দুর্নীতি নামক শিল্পকে রুখতে না পারার যে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, সেটাই এখন শহরের আলোচ্য বিষয়। সেটাই সরকারের মুখ পোড়াচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ ববি, মদন, প্রসূনকে নোটিশ ইডির দ্বিতীয় টুইটে গরুপাচার ও কয়লাকাণ্ড নিয়ে সোচ্চার হন রাজ্যপাল। লেখেন, তদন্তের মধ্যে দিয়ে উর্দিধারীদের মেগা দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করা দরকার। তাঁদের অসত্ উপায়ে অর্জিত সম্পত্তির খোঁজ করতে হবে। দুর্নীতির আঁতুরঘর ভেঙে গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান রাজ্যপালকে বিজেপির মুখপাত্র বলে কটাক্ষ করেন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের

রাজ্যে নারী নির্যাতন বেড়েই চলেছে, কোনও প্রতিকার হচ্ছে না। এই অভিযোগে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পরে তিনি টুইটও করেন। চিঠিতে রাজ্যে গত তিনমাসে নারীদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যা তিনি সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সূত্রেই পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতা দেখে তিনি বিস্মিত। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, এসব অন্যায়ের প্রতিকারে তিনি সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনসচেতনতায় জোর দেবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে রাজভবনে আলোচনার জন্য প্রস্তাব পাঠালেও, তার কোনও জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যের নানা নেতিবাচক দিক তুলে ধরে সতর্ক করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই ভূমিকাকে বারবার ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করার যে নিদর্শন তিনি দেখে আসছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে পুলিশ প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে। এভাবে তাঁরা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে দুর্বল করে তুলছেন, যার প্রভাব জনমানসে পড়বে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal