• ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ২৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dengue

স্বাস্থ্য

কোলকাতায় ডেঙ্গুর দেরিতে ঊর্ধ্বগতি, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে!

কোলকাতায় মৌসুমের শেষের দিকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে, যার ফলে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।সূত্রের খবর থেকে জানা যাচ্ছে যে, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (KMC) এলাকায় গত তিন সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩২ থেকে বেড়ে ১,১০৬ হয়েছে। বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC) জানিয়েছে, বিধাননগরএলাকায় নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ৩২টি নতুন কেস ধরা পড়েছে; চলতি বছরের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৭।বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও ভর্তি বাড়ছে জানা গিয়েছে, পিয়ারলেস হাসপাতালে বর্তমানে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।ম্যানিপাল হাসপাতাল (ঢাকুরিয়া) তে গত এক সপ্তাহে ৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর এবং তারা আইসিইউতে আছেন।কেন বাড়ছে সংক্রমণ?বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমের শেষ দিকেও অবিরাম ও ছিটেফোঁটা বৃষ্টি মশার প্রজননের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করছে। ফলে, সাধারণত অক্টোবরের শেষের দিকে যেখানেই সংক্রমণ কমে আসে, এ বছর সেটি নভেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহ ধরে শহরে গড়ে প্রতিদিন সামান্য বৃষ্টি হয়েছে, যা মশার প্রজননস্থল নষ্ট করতে বাধা দিচ্ছে।চিকিৎসকরা বলছেন, বেশিরভাগ ডেঙ্গু রোগী হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার জ্বরে আক্রান্ত হলেও, উপেক্ষা করলে তা গুরুতর হতে পারে।ডাঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেনঃঅনেকেই জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর ভেবে অবহেলা করছেন। কিন্তু জ্বরের সঙ্গে শরীর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা বা র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত।ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করবেন?১) KMC ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যৌথভাবে মশা দমন অভিযান শুরু করেছে। নাগরিকদের প্রতি তাদের আহ্বান ২) ঘর ও আশপাশে জমে থাকা জল ফেলে দিন,৩) জলের পাত্র সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করুন,৪) পুরো দেহ ঢাকা পোশাক পরুন,৫) এবং দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচান।স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নজরদারি দল কাজ করছে এবং আক্রান্ত এলাকায় বিশেষ স্প্রে অভিযান চলছে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই সাবধান না হলে শহরে ডেঙ্গুর প্রভাব আরও বাড়তে পারে। তাই সাধারণ মানুষকে সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে কারণ ডেঙ্গুর কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই, তবে সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই একমাত্র কার্যকর প্রতিরোধ।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বর্ধমানের স্কুল

জেলাশাসক এবং শিক্ষাদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আসন্ন দুর্গাপূজার আগে জনপদের সর্বত্র পরিচ্ছন্নতার লক্ষ্যে আজ কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আগমনীর আহ্বান : পরিচ্ছন্ন পূর্ব বর্ধমান এই বিশেষ প্রোগ্রামে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পরিচালিত হয়। দীননাথ দাস স্কুলের শিক্ষক কমল সাহার পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি কাঞ্চননগরের বিস্তৃত অঞ্চল পরিক্রমা করে।এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে বিদ্যালয়ের সমস্ত ছাত্রছাত্রী তথা শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মী বন্ধুরা। কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরষ্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জনতার কথাকে জানান, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয় যা সকলে অনুভব করেছে। আমাদের পড়ুয়ারা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে সচেতনতার পরিচয় সবসময়েই দিয়ে আসছে এবং আজও কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দারা তাদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়।উল্লেখ্য, রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গু যে ভাবে চোখ রাঙ্গাচ্ছে তাতে পরিস্থিতি খুব-ই গম্ভীর মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জেলায় জেলায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চোখ বোলালেই খোঁজ মিলছে ডেঙ্গুর আক্রান্তের। মশাবাহিত রোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু কোনও ছোঁয়াচে রোগ নয়, মানুষ একটু সচেতন হয়ে সমাজটিকে পরিচ্ছন্ন রাখলেই এই রোগের বাড়বাড়ন্ত রোখা যায়। তাই বর্ধমান জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন অনেকেই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

ডেঙ্গি প্রতিরোধে বিশেষ কর্মসূচি বর্ধমানের ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘের

ডেঙ্গিতে জেরবার রাজ্যবাসী। এবারও পুজোর আগে ডেঙ্গি রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বেসরকারি মতে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৫০ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি। এই পরিস্থিতিতে মশা নিধনে কর্মসূচি পালন করল বর্ধমানের ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ। ক্লাবের সদস্যরা বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের সামনে এলাকাজুড়ে মশা নিধনকারী তেল স্প্রে করে, ব্লিচিং ছড়ায়। পাশাপাশি ডেঙ্গি নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতনও করে। ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘের কোষাধ্যক্ষ সুখরঞ্জন সাহা বলেন, আমরা ঠাকুরপল্লী ও তার আশেপাশের এলাকায় মশা নিধনের কর্মসূচি পালন করেছি। বাড়িতে, বড় রাস্তা, গলি, ড্রেনে মশা নিধনকারী তেল স্প্রে করা হয়, ব্লিচিং ছড়ানো হয়েছে। এলাকার মানুষের কাছে আবেদন করেছি যাতে কোথাও জল জমিয়ে না রাখে। তাতে ডেঙ্গি মশার লার্ভা জন্মাবে। এদিনের কর্মসূচি সফল করতে ক্লাবের সদস্যরা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছে।আগামী দিনেও এই ধরনের কর্মসূচি ক্লাবের পক্ষ থেকে নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, আমরা স্বাস্থ্য ও রক্তদান শিবির করে থাকি। তাছাড়া সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ক্লাব। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বক্তব্য, ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, এনকেফেলাইটিসসহ নানা রোগের সংক্রমণ ঘটে মশার কামড় থেকে। সেক্ষেত্রে প্রতিরোধই এইসব রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার মূল অস্ত্র। ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘের রবিবারের কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

অক্টোবর ০৮, ২০২৩
কলকাতা

ডেঙ্গুতে সল্টলেকে মৃত্যু, পুরনিগমের খোদ চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডের ঘটনা

সল্টলেকে এবছর প্রথম ডেঙ্গুতে মৃত্যু হল। সল্টলেকের এই (AE) ব্লকের ৭৯১ নাম্বর বাড়ির বাসিন্দা ৬৬ বছরের পিনাক সরকার। গতকাল রাত ১০ টা ১৫ নাগাদ একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসাবে লেখা রয়েছে সিভিয়ার ডেঙ্গি সিন্ড্রোমের কথা।পরিবার সূত্রে খবর, গত মাসের ২৭ তারিখ পিনাক সরকারের জ্বর আসে। পরের দিন ২৮ অগাস্ট সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর পর কিছু সমস্যার কারণে তাঁকে ১৫ তারিখ ভর্তি করা হয় বাইপাস এর কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ২১ তারিখ রাত ১০টা ১৫ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে আজ সকালে মৃতের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছান বিধান নগর পৌর নিগমের চেয়ারম্যান তথা ৩১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। সেখানে গিয়ে পৌর নিগমের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।সব্যসাচী দত্ত বলেন, এটা দুর্ভাগ্য যে আমার ওয়ার্ডেই আজকে মাঝ বয়সী এবং আমাদের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। এটা খুব দুঃখজনক ঘটনা কিন্তু সব মানুষকেই বারবার করে অনুরোধ করছি আপনাদেরও জানাচ্ছি নিজের বাড়িটা পরিষ্কার রাখুন এবং পার্শ্ববর্তী বাড়িতে যদি কেউ পরিষ্কার না রাখে দয়া করে অনুরোধ করুন। অনুরোধ কেউ রাখছেন না। এই একটা গলিতে অন্তত ১০-১২ জনের ডেঙ্গু হয়ে গিয়েছে। মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অ্যাক্টে প্রভিশন আছে আপনার প্রেমিসেসের ভেতরে যেটা রয়েছে সেটা যদি আপনি ক্লিয়ার না করেন এফআইআর করে লিগ্যাল একশন নেওয়া।আসি যায় মাইনে পাই কাজ করলে ওভারটাইম চাই আর বলবো কিছু। কাজ হলে এরকম ভাবে মানুষ মারা যায়? আপনারা ছবি তুলেছেন বাড়ির ভেতরে আবর্জনা আছে সেই আবর্জনা দিনের পর দিন নয়, মাসের পর মাস নয় বছরের পর বছর ধরে আছে। কি করবো আমি? বলেন সব্যসাচী দত্ত।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩
স্বাস্থ্য

একেই ডেঙ্গি ঘুম কেড়েছে, এবার দোসর করোনা, ৩ কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু বর্ধমান হাসপাতালে!

একেই ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। চিন্তায় ঘুম উড়েছে সাধারণ মানুষের। সরকারের নাজেহাল দশা। এরই মধ্যে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরপর ৩ দিনে ৩ করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।অন্য রোগ নিয়ে এঁরা বর্ধমান হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে। ২ জনের ছিল এনসেফ্যালাইটিস। অপরজন কিডনির সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। নিজেরাও জানতেন না তাঁরা কোভিড আক্রান্ত।মৃতদের বাড়ি- একজনের ভাতারে, একজনের কীর্ণাহারে, বরেকজন দেওয়ানদিঘির বাসিন্দা। ক্রিটিক্যাল অবস্থা হওয়ায় এঁদের সিসিইউ ভর্তির পরামর্শ দেয় চিকিৎসকরা। তখন এই রোগীদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষায় ওই তিন রোগীর করোনা ধরা পড়ে। তাঁদের প্রত্যেকের ডেথ সার্টিফিকেটে করোনার উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের কতৃপক্ষের দাবি, ওই ৩ জনের করোনায় নয়, নিউমোনিয়ায় মৃত্যু হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ কৌস্তভ নায়েক বলেছেন, মৃতদের সবার অ্যান্টিজেন টেস্ট পজিটিভ ছিল, অন্য কারণে মৃত্যু। আরটিপিসির পজিটিভ না হলে কোভিডে মৃত্যু বলা যাবে না। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ১০-১২ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় ভাতারের বাসিন্দাা বছর ৬০-এর এক বৃদ্ধ মারা যান। তাঁর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ ছিল। অন্যদিকে, সোমবার সকালে মারা যান দেওয়ানদিঘি থানা এলাকার বাসিন্দা ৬১ বছরের এক বৃদ্ধ। তিনি কয়েকদিন আগে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এই রেগীরও কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মঙ্গলবার সকালে ২৫ বছর বয়সী যুবকের মৃত্যু হয়। যাঁর বাড়ি কীর্ণাহারে। অন্য হাসপাতাল থেকে রেফার হয়ে এসে তাঁর চিকিৎসা চলছিল বর্ধমানে।অন্যদিকে, জ্বর নিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বেশ কয়েকজন। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জুলাই মাসে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ২১ জন। জানয়ারি মাস থেকে জেলায় আক্রান্ত ১০৯ জনের মধ্যে ভাতারে ২৩ জন, জামালপুরে ১২, কাটোয়া-১ নম্বর ব্লকে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ জন। বর্ধমান হাসপাতালে ২০ বেডের ডেঙ্গি ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। সেখানে ভর্তি রয়েছেন ৫ জন ডেঙ্গি রোগী।

আগস্ট ০১, ২০২৩
রাজ্য

রাস্তার ওপর জঞ্জাল, চলাচলের অযোগ্য রাস্তা, বাড়ছে ডেঙ্গু-র চোখরাঙ্গানী

রাস্তার পাশেই আবর্জনা ফেলার ভ্যাট ফলে রাস্তা প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রশাসনকে জানিও মেলেনি সুরাহা বলে অভিযোগ। রাজ্য বাড়ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক তাই নোংরা আবর্জনা দ্রুত পরিস্কারে দাবি স্থানীয়দের।বর্ধমান পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কুন্ডু পাড়া এলাকায় খাজা আনোয়ার বের থেকে তেলিপুকুর যোগাযোগের মূল রাস্তার পাশে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে আবর্জনা ফেলার ভ্যাট। নোংরা আবর্জনা রাস্তার ওপর পড়ে থাকার ফলে রাস্তাটি প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও মেলেনি সুরাহা এমনটাই অভিযোগ।সামনেই রয়েছে মন্দির, প্রাইমারি স্কুল,হাই স্কুল। ওই রাস্তার ওপর দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। তার মাঝে বাড়ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক। তাই এলাকাবাসীদের দাবি দ্রুত রাস্তা থেকে আবর্জনা ফেলার ভ্যাটটি সরিয়ে দেওয়া হোক।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

প্লাস্টিক ও ডেঙ্গু মুক্ত গ্রাম তৈরির লক্ষ্যে জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত

দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস। এদিন পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নিল জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত। আজকের দিনেই প্লাস্টিক ও ডেঙ্গু মুক্ত গ্রাম তৈরির লক্ষ্যে পদযাত্রার আয়োজন করে জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত। পদযাত্রা থেকে লিফলেট ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে পথ চলতি সাধারণ মানুষজন থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীদের প্লাস্টিক না ব্যবহার করার আবেদন জানানো হয়। তুলে ধরা হয় প্লাস্টিকের ক্ষতিকারক দিকগুলি। পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়েও সচেতন বার্তা প্রেরণ করা হয়। সামনের সারিতে থেকে পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এমন অভিনব উদ্যোগকে সাদুবাদ জানিয়েছেন সকল স্তরের মানুষজন। এদিন সরেজমিন নেমে ব্যবসায়ীদের প্লাস্টিক কিংবা প্লাস্টিকজাত জিনিস না ব্যবহার করার অনুরোধ রাখেন স্বয়ং উপপ্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল। এছাড়াও তিনি ডেঙ্গু নিয়েও সচেতন করেন। পাশাপাশি এদিন কচিকাঁচাদের হাতে একটি করে জীবনস্বরূপ গাছ তুলে দেওয়া হয়। কারণ, পরিবেশ ও দেশ ভালো রাখতে গাছের বিকল্প কিছু হয় না। এভাবেই স্বাধীনতা দিবস পালন করলো জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত।

আগস্ট ১৫, ২০২২
স্বাস্থ্য

Mamata banerjee: একে করোনা আতঙ্ক, এবার ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া নিয়ে সাবাধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

করোনা আতঙ্কে জেরবার রাজ্যবাসী। এবার তার সঙ্গে আতঙ্ক বাড়তে চলেছে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার। তবে তা যে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সেকথা জানাতে ভোলেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক থাকতে বলেছেন সাধারণ মানুষকে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, এখন একটু জ্বর হয়। এত ভয় পাওয়ার কারণ নেই। মাস্কটা পড়বেন। আর ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু থেকে সাবধান থাকবেন। তবে আউট অব কন্ট্রোল নয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এখনও পর্যন্ত ম্যালেরিয়ায় ২ জন ও ডেঙ্গুতে ৫ জন মারা গিয়েছে।কলকাতা ও শহরতলিতে বরাবরই ডেঙ্গু নিয়ে একটা আতঙ্ক থাকে। তাছাড়া ম্যালেরিয়ার প্রকোপ থেকেও মুক্ত নয় এই অঞ্চল। তবে করোনা পরিস্থিতির আগে বেশ কয়েক বছর ডেঙ্গু আতঙ্কে রীতিমতো জেরবার হয়েছে মহানগর। এবার ফের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তবে মুখ্যমন্ত্রী সাবধান থাকতে বললেও নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, মশা থেকে সকলকে সকর্ত থাকতে হবে। করোনার সঙ্গে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি ভয়ানক হয়ে দাড়াতে বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন। মশা নিধনে পুরসভা ও সাধারণ মানুষকে উদ্য়োগী হতে আবেদন জানিয়েছেন চিকিৎসকমহল।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Dengue Fear: রাজ্যে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক

করোনার মাঝে দাপট বাড়ছে ডেঙ্গুর। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, ২৭ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে সাড়ে ৬০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন ডেঙ্গুতে। হাওড়া নিয়ে বিশেষ চিন্তায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। প্রশ্ন উঠছে, কী ভাবে এক সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ গুন বেড়ে গেল? একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি নিয়েও। তা যে হাওড়ায় ধাক্কা খেয়েছে পরিসংখ্যানই তার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কাই সত্যি হচ্ছে। ডেঙ্গুর দাপট বাড়ছে রাজ্যে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে বাংলায় ডেঙ্গুর কবলে পড়েন ৬৫০ জন। গত বছর এই সময় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪১৯।এর মধ্যে হাওড়ার পরিসংখ্যান দেখে শিউরে উঠছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্য, দিন সাতেক আগে হাওড়ায় ২৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্তের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য ভবনকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পাঁচ গুন বাড়ল কী ভাবে? উদ্বেগ রয়েছে আরও। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ঠিকমতো পরীক্ষা হলে, রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে ছবিটা যে কী হবে ভেবে কূল কিনারা পাচ্ছেন না কেউ।গত সপ্তাহ থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। চলতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৬৩ জন। কলকাতায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৯২ জন। হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২২। নদিয়ায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩২ জন। দার্জিলিংয়ে এই সংখ্যাটা ২৬। এরপরই রয়েছে মালদহের স্থান। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা এখনও ২৩। উত্তর দিনাজপুরে ১৬।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কলকাতা, বিধাননগর-সহ রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান

করোনা মোকাবিলার মধ্যেও যাতে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া-সহ মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব না ঘটে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর বিভিন্ন কর্পোরেশন ও পুরসভাগুলিকে নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেই বৈঠকে স্থির হয়, ২০ সেপ্টেম্বর রাজ্যের বিভিন্ন পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান পালিত হবে। সেইমতো রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতা কর্পোরেশনের ৮২ নং ওয়ার্ডে চেতলায় প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী উদ্বিগ্ন ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা নিয়েও। যদিও চলতি বছরের পরিসংখ্যান স্বস্তিতেই রাখছে। এদিন বিধাননগর কর্পোরেশনের প্রশাসক কৃষ্ণা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বিধাননগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান পালিত হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনামতো স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাইকর্মীদের পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে সামিল হন এলাকাবাসীরাও। মশা নিধনে ওষুধ স্প্রে করা হয়, ব্লিচিং ছড়ানো হয়, জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করা হয়। কৃষ্ণা চক্রবর্তী জানান, ডেঙ্গু-সহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় কাজ সব সময় চলে। তবু বিশেষ ড্রাইভ দিতে বলেছেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। সে কারণে এই দিনটিকে বেছে নিয়ে এই কর্মসূচি চলছে। গত বছর এই সময়ে বিধাননগরে দুই শতাধিক মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন, এবার সেই সংখ্যা মাত্র ১৬। আসলে করোনা মোকাবিলায় যেভাবে কাজ হয়েছে তাতে বিভিন্ন রোগ ছড়ানো মশা নিধন ভালোভাবেই হয়েছে। তার সুফল মিলছে বলেই অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যদিও আত্মতুষ্টির জায়গা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বছরভর মানুষকে সুস্থ রাখা, ভালো রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সতর্ক থেকে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ম্যানগ্রোভ কেটে ক্যাফে! এবার শওকত মোল্লার ছেলেকে সাত দিনের চরম আলটিমেটাম

মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি হওয়া বিতর্কিত ক্যাফেকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। অভিযোগ, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে এই নির্মাণ করা হয়েছিল। এবার সেই ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষ নিজে ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসন অভিযান চালাবে বলে জানানো হয়েছে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মৌখালি এলাকায় মাতলা নদীর চরে তৈরি হয়েছিল অরণ্যের কূলে নামে একটি ক্যাফে। এই নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। অভিযোগ ছিল, নদীর চর দখল করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে এই স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলতে হবে। তা না হলে প্রশাসন নিজেই ভাঙার কাজ করবে। ইতিমধ্যেই সেখানে নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।নোটিস জারির পর থেকেই ক্যাফে চত্বরে তৎপরতা দেখা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভেতর থেকে বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, মালিকপক্ষ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের দাবি, পরিবেশ ধ্বংস করে কোনও উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়। ম্যানগ্রোভ এবং নদী সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তুলে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।শুধু এই একটি নির্মাণ নয়, মাতলা নদীর চর জুড়ে গড়ে ওঠা আরও একাধিক বেআইনি স্থাপনার বিরুদ্ধেও সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। বৈধ নথি দেখাতে না পারা বহু নির্মাণের ক্ষেত্রেই উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নদী ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এই অভিযান আরও বিস্তৃত হতে পারে। ইতিমধ্যেই এলাকায় বেআইনি দখল ও নির্মাণ সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।মাতলা নদীর চর এবং ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণকে ঘিরে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও বড় অভিযানের সূচনা কি না, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
দেশ

কয়েক মিনিটেই মৃত্যুকূপে বদলে গেল কোচিং সেন্টার, সামনে এল শিউরে ওঠার মতো তথ্য

সোমবার দুপুর পর্যন্ত সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। কেউ প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, কেউ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ব্যস্ত বহুতল পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকার একটি বহুতলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে ধোঁয়া দেখা যায়। তারপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা ভবনে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ উপরতলা থেকে ঝাঁপও দেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী বাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে চলে উদ্ধার অভিযান। পাশের ভবনের ছাদ ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ভিতরে প্রবেশ করেন। অনেক জায়গায় দেওয়াল ভেঙেও আটকে পড়া মানুষদের বের করে আনার চেষ্টা করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবনটির নিচের অংশে পোষ্য প্রাণীর দোকান ও চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। উপরতলায় চলত অ্যানিমেশন ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ। আগুন লাগার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।উদ্ধার করে বহু মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। মৃতদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। যারা আগুন থেকে বাঁচতে উপরতলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।ঘটনার পরই চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভবনের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, আবাসিক ভবনটি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আহতদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের চিকিৎসার খোঁজও নেন তিনি। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করা হয়েছে। লখনউয়ের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখাতেই বড় শাস্তি! ফিরহাদ-অরূপদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক পদক্ষেপ

রাজ্য রাজনীতিতে আরও গভীর হল তৃণমূলের অন্দরের সংঘাত। শোকজ নোটিস পাঠানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নির্দেশ অমান্য করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়, জাভেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক পরিচিত মুখ। বৈঠক থেকেই নতুন জাতীয় কর্মসমিতির ঘোষণা করা হয়। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম রাখা হয়নি। চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চার নেতাকে।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং আরও কয়েকজন নেতার নাম উঠে আসে নতুন শিবিরের সঙ্গে। এরপরই কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁদের শোকজ করে। তবে সেই শোকজের জবাবের জন্য অপেক্ষা না করেই মঙ্গলবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বহিষ্কার শুধু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং তৃণমূলের অন্দরের ক্ষমতার লড়াইকে আরও স্পষ্ট করে দিল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন শক্তি গড়ে উঠছে, অন্যদিকে দলীয় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে কড়া বার্তা দিতে চাইছে মমতা শিবির।আগামী দিনে আরও কয়েকজন নেতা নতুন শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে তৃণমূলের অন্দরের এই সংঘাত কোন দিকে গড়ায়, সেদিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির জন্য শতবর্ষী বৃদ্ধার উন্মাদনা! গ্যালারিতে যা করলেন, মুহূর্তে ভাইরাল

লিওনেল মেসির ভক্তের সংখ্যা যে কতটা বিশাল, তার নতুন প্রমাণ মিলল বিশ্বকাপের মঞ্চে। বয়স যেখানে অনেকের কাছে সীমাবদ্ধতা, সেখানে একশো বছর বয়সেও প্রিয় ফুটবলারের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে হাজির হয়ে সকলকে চমকে দিলেন এক বৃদ্ধা। ডালাসের গ্যালারিতে তাঁর উপস্থিতিই এখন সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে বসেছিলেন একশো বছর বয়সি পউলিনে কানা। ধবধবে সাদা চুল, গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি আর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড। সেখানে লেখা ছিল, তিনি একশো বছর বয়সি মেসি-ভক্ত। সেই ছবি মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে।তবে পউলিনে শুধু মেসির ভক্ত হিসেবেই পরিচিত নন। সামাজিক মাধ্যমেও তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। নাতির সঙ্গে মজার ভিডিও বানিয়ে তিনি কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। বহু বছর ধরেই তিনি অনলাইনে জনপ্রিয়। তাঁর নাম রয়েছে বিশ্বরেকর্ডের তালিকাতেও। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মেসির প্রতি তাঁর ভালোবাসাই তাঁকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।এর আগেও মেসির খেলা দেখতে মাঠে হাজির হয়েছিলেন তিনি। তখন একটি পোস্টারে মজার ছলে লিখেছিলেন, মেসি, তুমি কি আমায় বিয়ে করবে? সেই ছবিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। এবারও ব্যতিক্রম হল না। বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচে তাঁর উপস্থিতি ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।অন্যদিকে মাঠেও ছিল মেসি-ম্যাজিক। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করলেও পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। প্রথম গোলটি আসে দুর্দান্ত ফিনিশে, যা গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দেয়। দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে, যা আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করে।এই জোড়া গোলের সুবাদে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতার নতুন রেকর্ডও গড়েছেন মেসি। ফলে একদিকে মাঠে ইতিহাস, অন্যদিকে গ্যালারিতে একশো বছর বয়সি ভক্তের আবেগ সব মিলিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকল এই ম্যাচ।ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই বলছেন, মেসির আসল সাফল্য শুধু গোল বা ট্রফিতে নয়, বরং এমন প্রজন্ম পেরোনো ভালোবাসায়। কারণ একশো বছরের এক বৃদ্ধা থেকে শুরু করে কোলে থাকা শিশুও যখন একই ফুটবলারের জন্য গ্যালারিতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে, তখন বোঝা যায় তাঁর জনপ্রিয়তার বিস্তার কতটা।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচেই বিস্ফোরক অভিযোগ! গোলটা কি আদৌ বৈধ ছিল?

বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনাকেও তুলে দিয়েছেন নকআউট পর্বে। কিন্তু ম্যাচ শেষের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর গোল নয়, বরং সেই গোলকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। ফুটবল মহলের একাংশের প্রশ্ন, অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে মেসির প্রথম গোলটি কি আদৌ বৈধ ছিল?ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করেছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তবে সেই হতাশা কাটিয়ে পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন। ম্যাচের আটত্রিশ মিনিটে দুর্দান্ত ফিনিশে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। কিন্তু গোল হওয়ার আগে মাঝমাঠে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে ঘিরেই এখন শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।অভিযোগ, গোল হওয়ার ঠিক আগে অস্ট্রিয়ার এক ফুটবলারের উপর ট্যাকল করেছিলেন আর্জেন্টিনার এক মিডফিল্ডার। সেই ঘটনায় রেফারি খেলা থামাননি। পরে সেই আক্রমণ থেকেই গোল আসে। ফুটবল বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, গোলের আগে আক্রমণ তৈরির পর্যায়ে যদি ফাউল হয়ে থাকে, তাহলে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনার মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত ছিল।এই বিতর্কে সরব হয়েছেন ডেনমার্কের কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার স্মাইকেলও। তাঁর মতে, গোলটি বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তিনি দাবি করেন, অস্ট্রিয়ার ফুটবলারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ফাউল হয়েছিল এবং সেই কারণে আক্রমণ শুরুই হওয়া উচিত ছিল না। প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনা ব্যবস্থাও এই বিষয়টি দেখতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ফুটবল মহলের একাংশের মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই ধরনের সিদ্ধান্ত আরও বেশি বিতর্ক তৈরি করে। বিশেষ করে যখন সেই গোলের মাধ্যমেই ইতিহাস গড়েন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার।এটাই অবশ্য প্রথম নয়। এর আগেও আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে মেসিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষের অধিনায়কের বিরুদ্ধে একটি চ্যালেঞ্জকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে। সেই ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় আপত্তি জানিয়েছিল আলজেরিয়া।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে মেসি আবারও নিজের অসাধারণ প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। তবে রেকর্ড গড়ার রাতেও বিতর্ক যে তাঁর পিছু ছাড়ল না, তা বলাই যায়। এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, গোলটি কি নিয়ম মেনেই হয়েছিল, নাকি রেফারির একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারত ম্যাচের গল্প?

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রতদের আগেই বড় চাল মমতার! নির্বাচন কমিশনে চিঠি ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের দাবি করেছে, অন্যদিকে তার আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের কর্মসমিতির তালিকা পাঠিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবিরও নিজেদের নতুন কমিটির নথি কমিশনে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই পদক্ষেপ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন শিবির। কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের ঘোষণা করেছিল। সেই আবহেই কমিশনে পাঠানো তালিকায় অভিষেকের নাম থাকা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, কমিশনে পাঠানো তালিকায় মোট চব্বিশ জন নেতার নাম রয়েছে। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সহ সভাপতি পদে রাখা হয়েছে সুব্রত বক্সীকে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন শুভাশিস চক্রবর্তী। তালিকায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে। তাঁর পরিচয়ের পাশে বিধানসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়াও দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম ওই তালিকায় রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের কাছে আগে নথি জমা দিয়ে সাংগঠনিক লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চেয়েছে মমতা শিবির।এদিকে রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু আইনি লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দলের কর্মী, সমর্থক এবং ভোটারদের সমর্থন কোন দিকে যায়, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্লেষকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক দলের নাম বা প্রতীকের প্রশ্ন আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের আস্থা এবং সমর্থন কোন নেতৃত্বের দিকে ঝুঁকবে, সেটি রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর নির্ভর করবে।তাই আপাতত তৃণমূলের ভিতরে এই ক্ষমতার লড়াই আরও দীর্ঘ হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন, আদালত এবং জনমতের লড়াই তিন দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দলে ভাঙন, রাজনীতিতে চাপ! এরই মধ্যে বিদেশযাত্রার অনুমতি চাইলেন অভিষেক

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। আগামীকাল এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে একাধিকবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে গিয়েছেন। বিভিন্ন মামলার কারণে তদন্তকারী সংস্থার নজরদারির মধ্যে থাকায় বিদেশ সফরের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হতো অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে। সেই নিয়ম মেনেই অতীতে বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। পরে আদালতের অনুমতি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশ সফরও করেন।বর্তমানে একটি নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত মামলায় আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে, বিচারালয়ের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সেই কারণেই এবার সরাসরি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ চোখের নিচের অংশে মারাত্মক আঘাত লাগে এবং চোখের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন তিনি।গত কয়েক বছরে দেশের বাইরে একাধিক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন অভিষেক। একাধিক অস্ত্রোপচারও হয়েছে তাঁর চোখে। চিকিৎসকদের পরামর্শেই আবারও বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এখন নজর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে। চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ সফরের অনুমতি মেলে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী শুনানির পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

১২ রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে মমতা, তারপর কী ঘটেছিল? আদালতে বিস্ফোরক দাবি

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও ফুটেজ মুছে ফেলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হন। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভোটগণনার সময় অনিয়ম এবং কারচুপি হয়েছিল। সেই মামলারই শুনানি ছিল মঙ্গলবার।আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ভোটগণনার প্রথম ১২ রাউন্ড পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল এবং তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায় বলে অভিযোগ তাঁর।আইনজীবীর দাবি, তৃণমূলের গণনা এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় আদালতে। তাঁর বক্তব্য, ১৩ নম্বর রাউন্ড থেকে গণনার ফলাফলে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায় এবং তার সমস্ত তথ্য সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে।শুনানিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে নিয়ে আগে থেকেই আপত্তি ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁকেই ওই দায়িত্বে রাখা হয়েছিল। এই বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয় যাতে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করা হয়। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়ারও আর্জি জানানো হয়।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে ভবানীপুর কেন্দ্রের ব্যবহৃত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য বা ফুটেজ নষ্ট করা যাবে না।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে দুই মাস পরে। তবে আদালতের এই নির্দেশের পর ভবানীপুর নির্বাচনের ফলাফল এবং ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal