• ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ১৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DG

রাজনীতি

‘ক্ষমতা থাকে তো ছুঁয়ে দেখান,’ মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

রাজ্যে বাজেট অধিবেশন চলছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর দিন থেকেই হই হট্টগোল দেখা গিয়েছে অধিবেশন ঘিরে। বাজেট অধিবেশন সূচনার আগে বিজেপির হট্টোগোলের জেরে বারংবার ভাষণ পাঠে বাধা পেয়েছিলেন রাজ্যপাল। অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে চলে যেতে চেয়েও অবশ্য তৃণমূল বিধায়কদের ঘেরাও-এর জেরে তা পারেননি। পরে কোনওমতে প্রথম এবং শেষ লাইন পাঠ করে অধিবেশন কক্ষ্য ত্যাগ করেছিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যে তৃণমূল-বিজেপি বিবাদ নতুন ঘটনা নয়। সেই বিবাদের প্রতিফলন ঘটে রাজ্য বিধানসভায়ও। এদিন বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করে ভারতীয় জনতা পার্টি। তারপর বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয় নিয়ে শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ জানান মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি এদিন বলেছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছি যদি আপনার ক্ষমতা থাকে আমাকে ছুঁয়ে দেখান। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা গিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টে। দুই আদালতেই রায় শুভেন্দুর পক্ষেই গিয়েছিল। আদালতে তরফে রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনার উল্লেখ করেই মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন বিরোধী দলনেতা।প্রসঙ্গত, কাঁথি পুরসভার গোডাউন থেকে ত্রিপল চুরির অভিযোগ ওঠে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। সেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট অবধি। এই মামলার রায়ে হাইকোর্ট থেকে রক্ষাকবচ পান শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর রহস্যমৃত্যুসহ পাঁশকুড়া এবং নন্দীগ্রামের মামলায়ও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। পাশাপাশি মানিকতলা এবং তমলুকের মামলায় রাজ্যের শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টের এই রায়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে।বুধবার পুলিশ বাজেট পেশ করেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের পুলিশকে দলদাস হিসেবে অভিহিত করে শুভেন্দু বলেন, বাংলায় শাসকের আইন চলছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, দলবিরোধী তিন-চার জনকে শিখিয়ে নিয়ে এসে বিজেপি বেঞ্চ থেকে পরিকল্পিত ভাবে গোলমাল করানোর চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের কয়েকজন ও দিকে চলে গিয়েছে। তাঁদের সম্পর্কে যদি বলতে শুরু করি আমি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি, আমার বিরুদ্ধে এত মামলা দিয়েছেন। আমি হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ পেয়েছি। আপনার ক্ষমতা থাকে শুভেন্দু অধিকারীকে ছুঁয়ে দেখান। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে এই সব মন্তব্য করছেন। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মিথ্যাচার ও হাউসকে অচল করার চেষ্টার প্রতিবাদ করে, দলদাস পুলিশ বাজেটের বিরোধিতা করে ওয়াকআউট করেছি।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য বাজেট পেশ করলেন চন্দ্রিমা, শেষ করলেন মুখ্যমন্ত্রীর কবিতায়

সদ্যই অর্থদপ্তরের পূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। রাজ্যে এই প্রথম কোনও মহিলা অর্থমন্ত্রী পড়লেন বাজেট। শুক্রবার নির্ধারিত সময়ে বিধানসভায় পৌঁছন চন্দ্রিমা। বাজেট পেশের আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন তিনি। বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই ইতিহাস তৈরি করেছেন। আমি কৃতজ্ঞ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তিনি যে আমাকে বাজেট পেশ করার এই সুযোগ দিয়েছেন, সেটা আমার কাছে এমন এক মুহূর্ত বলে বোঝাতে পারব না। আমি তাঁকে শ্রদ্ধা জানাই।এক নজরে রাজ্য বাজেট-● অতিমারি পরিস্থিতিতেও রাজ্যের আয় বেড়েছে। রাজ্যের রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৩.৭৬ গুন ।● নারী এবং শিশু কল্যাণ প্রকল্পে ১৭.৫ গুণ বরাদ্দ বাড়ল। ১৯ হাজার ২৩৮ কোটি ২৭ লক্ষ টাকাবরাদ্দের প্রস্তাব।● স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণে ১৭ হাজার ৫৭৬ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবঅর্থমন্ত্রীর। জন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় বরাদ্দ তিন হাজার ৮৭৭ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা। এ ছাড়াবিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং বায়েটেকনোলজি সংক্রান্ত দপ্তরের জন্য ৭২ কোটি ২০ লক্ষ টাকাবরাদ্দের প্রস্তাব বাজেটে।● কৃষি এবং কৃষি বিপণনে প্রায় ১০ হাজার কোটা টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের।চন্দ্রিমা জানালেন, কৃষি বিপণনে ৪০৩.৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব দিচ্ছেন তিনি। একইসঙ্গে কৃষিক্ষেত্রে ৯ হাজার ৩১০.২০ কোটি বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। কৃষি ক্ষেত্রে ১১.৩গুণ বেরেছে বরাদ্দ। কৃষকদের সাহায্য করতে কৃষকবন্ধু প্রকল্প। ৭৮ লক্ষ কৃষক সাহায্য পেয়েছেন।● সিএনজি চালিত গাড়িতে রেজিস্ট্রেশনে ছাড়। রেজিস্ট্রেশন ফি মকুবের প্রস্তাব। এ ছাড়া সিএনজিচালিত গাড়িতে ২ বছরের জন্য রোড ট্যাক্স মকুব।● ফ্ল্যাট বাড়ি কেনা বেচায় কর ছাড় রাজ্য বাজেটে।● স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড়ের মেয়াদবৃদ্ধি।● ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ শতাংশ কর ছাড় মিলবে।● সার্কেল রেটেও ১০ শতাংশ ছাড়।● প্রাণী সম্পদ উন্নয়নে এক হাজার ২৬৬ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।● উপজাতির উন্নয়নের জন্য এক হাজার ৮৯ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব। পিছিয়ে পড়াশ্রেণির জন্য দুহাজার ১৭৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।● শহরাঞ্চলের এবং পুরএলাকাগুলির উন্নয়নে ১২ হাজার ৮১৮ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।● স্কুল শিক্ষা ক্ষেত্রে ৩৫ হাজার ১২৬ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাজ্য বাজেটে।প্রযুক্তি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এক হাজার ২৮৬ কোটি টাকা, গণশিক্ষা সম্প্রসার এবং গ্রন্থাহার পরিষেবার উন্নয়নে বরাদ্দ ৩৮৭ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা, সংখ্যালঘুএবং মাদ্রাসা শিক্ষায় পাঁচ হাজার চার কোটি পাঁচ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বাজেটে। উচ্চশিক্ষায় পাঁচ হাজার ৮১১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।● তরুণ প্রজন্মের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প খেলাধূলোর ক্ষেত্রে ৭৪৯ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা বরাদ্দেরপ্রস্তাব। এ ছাড়া স্বনির্ভর গোষ্ঠী বা স্বনিযুক্তির প্রকল্পে বরাদ্দ করা হল ৭২০ কোটি ৮৪ লক্ষটাকা।● স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্যবিষয়ক দপ্তরে বরাদ্দ করা হল ১২ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গেরউন্নয়নে ৭৯৭ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।● বনবিষয়ক উন্নয়নে ৯৩৮ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হল রাজ্য বাজেটে। সুন্দরবনের উন্নয়নেবরাদ্দ করা হয়েছে ৭২০ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা। পরিবেশের উন্নয়নে বরাদ্দ ৯৯ কোটি টাকা।● পর্যটনের উন্নয়নে ৪৬৭ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব, পরিবহণে বরাদ্দ এক হাজার ৭৮৮কোটি ১৪ লক্ষ টাকা।

মার্চ ১১, ২০২২
কলকাতা

২ বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন নিয়ে বাজেট অধিবেশনে তুমুল হট্টগোল, ওয়াক আউট বিজেপির

রাজ্য বিধানসভার চলতি বাজেট অধিবেশন যে উত্তপ্ত হবে প্রথম দিনই তার ইঙ্গিত মিলেছিল।সোমবার অধিবেশনের শুরুর দিনই রাজ্যপালের ভাষণের সময় নজিরবিহীন বিক্ষোভ দেখিয়ে সেই চড়া সুর বেঁধে দিয়েছিল বিরোধী বিজেপি। বুধবার অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও নিজেদের অবস্থান অপরবর্তিত রাখল শাসক দল। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের দেওয়া বক্তব্যের জবাবি ভাষণ দিতে উঠলে পদ্মশিবিরের বিধায়কেরা চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেন।তাদের দাবি সাসপেন্ড হওয়া দুই সদস্যের ওপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করতে হবে।স্পিকার সেই দাবি না মানলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রায় একঘন্টা ভাষণ চলাকালীন স্লোগান শাউটিং চালিয়ে যান তাঁরা।এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপি বিধায়কদের লক্ষ্য করে তিনি বলেন, হাউজে রীতিমতো মস্তানি চলছে। বাংলার বহুশ্রুত প্রবাদের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওরা যত গর্জন করে, তত বর্ষায় না।ওদের কাজ শুধু সভায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করা।সোমবার রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের সূচনায় রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিধানসভায় অভব্য আচরণ বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগে দুই বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হল। বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে চলতি অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করেছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার,বিধানসভায় সরকারপক্ষের তরফে ঐদিন বিধানসভায় গোলমাল জন্য বিরোধী বিজেপিকে দায়ী করে একটি প্রস্তাব আনা হয়। পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ওই প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন সেদিন বিজেপি সদস্যরা যেভাবে চিৎকার-চেঁচামেচি করে কাগজ ছুড়ে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছেন তাতে শুধুমাত্র রাজ্যপাল নয় বিধানসভারও মর্যাদা লংঘন হয়েছে।মিহির গোস্বামী এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায় এই কর্মসূচিতে সামনের সারিতে ছিলেন। এই আচরণের শাস্তি স্বরূপ চলতি অধিবেশনের জন্য ওই দুই বিধায়ক কে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। অধ্যক্ষ প্রস্তাবটি সভায় ভোটাভুটির জন্য পেশ করলে ধ্বনি ভোটে সেটি গৃহীত হয়।এদিকে দুই বিধায়কের সাসপেনশনের প্রতিবাদে বিরোধী বিজেপি বিধায়করা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিধায়করা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখান। তারা সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেন। বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন,সাসপেনশন তোলা না হলে অধিবেশনের বাকি দিনগুলি ওই দুই বিধায়ক লবিতেই বসে থাকবেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় দল গত সোমবার বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে সূচনায় রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিশৃংখলার ঘটনা নিয়ে একটি প্রস্তাব আনতে চলেছে। এদিন কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, শাসকদলের হিটলার, মুসোলিনিদের মতো আচরণ আমরা জানি। নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছেন, বিধানসভা অধিবেশনে প্রথম দিন রাজ্যপালের বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। টেবিল হয়েছে। দ্বিতীয় দিন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃ্ত্যু নিয়ে শোকজ্ঞাপনের কথা ছিল। সেখানে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু আমরা আশা করেছিলাম সাধন পাণ্ডে, যিনি বর্তমানে মন্ত্রী থাকা অবস্থায় মারা গিয়েছেন তাঁর শোক প্রস্তাব আলোচনা হবে। এর আগে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে নোশনে শোকপ্রস্তাব রাখার সবাই সুযোগ পেয়েছিল। তিনি আরও বলেছেন, সাধন পাণ্ডে নিয়ে শোক প্রস্তাব হলে আমাদের তরফ থেকে মনোজ তিগ্গা এবং আরও দুইজন বিধায়ককে তা নিয়ে আলোচনা করার দায়িত্ব দিয়েছিলাম। কিন্তু রীতি ভেঙে এইবার সাধন পাণ্ডেকে স্মরণ করার সুযোগ কোনও বিধায়কদের দেওয় হয়নি। তিনি তাঁর কারণ হিসেবে বলেছেন, এখানে একটাই পোস্ট। সেটা মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি নজরুল মঞ্চে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করবেন তাই এখানে দুই মিনিটে হাউস শেষ হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌দর্শকরা তোমার ঠুকঠুক ব্যাটিং দেখতে আসেনি, শচীনের শট দেখতে এসেছে’‌ সৌরভকে কেন একথা বলেছিলেন ওয়ার্ন?‌

২২ গজের লড়াইয়ে বিপক্ষের ক্রিকেটারদের অস্ট্রেলিয়ানরা স্লেজিং করবেন না, এটা হতেই পারে না। অসি ক্রিকেটারদের হাত ধরেই অন্য মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছিল ক্রিকেট মাঠের স্লেজিং। তবে অন্য ক্রিকেটারদের তুলনায় শেন ওয়ার্ন ছিলেন একটু অন্যরকম। খুব বেশি স্লেজিংয়ে মনোযোগ দিতেন না। তবু সৌরভ গাঙ্গুলিকে একবার তাঁর স্লেজিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছিল। ওয়ার্নের স্লেজিংয়ে উত্যক্ত হয়ে তাঁকে উইকেটও উপহার দিয়েছিলেন সৌরভ।১৯৯৯ সালে অ্যাডিলেডে ভারতঅস্ট্রেলিয়া টেস্ট ম্যাচ চলছিল। ক্রিজে ব্যাট করছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি ও শচীন তেন্ডুলকার। সৌরভ ছিলেন স্ট্রাইকিং এন্ডে, আর শচীন তখন ছিলেন ননস্ট্রাইকিং এন্ডে। ওয়ার্নের বলে জমাটি ডিফেন্স করছিলেন সৌরভ। শচীন ও সৌরভ জুটি ততক্ষণে সেঞ্চুরির পার্টনারশিপ করে ফেলেছে। জুটি ভাঙতে না পেরে সৌরভকে স্লেজিং করেছিলেন ওয়ার্ন। সৌরভ ডিফেন্স করেই পা দিয়ে বল সরিয়ে দিচ্ছিলেন। তা দেখে ওয়ার্ন সৌরভকে বলেছিলেন, পার্টনার, মাঠের এই ৪০ হাজার দর্শক তামার এই ঠুকঠুক ব্যাটিং দেখতে আর বলকে লাথি মারা দেখতে আসেনি। দর্শকরা শচীনের শট দেখতে এসেছে।ওয়ার্নের এই কথা শুনে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি সৌরভ। পাল্টা জবাব দিতে চেয়েছিলেন। ওয়ার্নের ওই কথা শুনে তিন বল পরেই ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে ফেলতে চেয়েছিলেন সৌরভ। উইকেটের পেছনে থাকা অ্যাডাম গিলক্রিস্ট দুরন্ত স্টাম্পড করেন সৌরভকে। ওই ইনিংসে ১৭২ মিনিট ক্রিজে থেকে ১৩৩ বলে ৬০ রান করেছিলেন সৌরভ। আর শচীন ১৩৩ বলে করেছিলেন ৬১। তিনিও ওয়ার্নের শিকার হয়েছিলেন। ওয়ার্নের বলে ফরোয়ার্ড শট লেগে জাস্টিন ল্যাঙ্গার শচীনের ক্যাচ নিয়েছিলেন। ওই ইনিংসে ৯২ রানে ৪ উইকেট পেয়েছিলেন ওয়ার্ন। সৌরভ, শচীন ছাড়াও তিনি তুলে নিয়েছিলেন রাহুল দ্রাবিড় ও এমএসকে প্রসাদকে। গত শুক্রবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কিংবদন্তী লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন। তাঁর মৃত্যুর পর অনেকেই ওয়ার্নকে নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করেছেন। কেই বলেছেন স্পিনের জাদুকর, কেউ আবার তাঁকে অবিহিত করেছেন মায়াবী ক্রিকেটার হিসেবে। কেউ বলেছেন থিয়েটার ছিলেন, কেউ আবার বলেছেন ব্লক ব্লাস্টার। বিশুদ্ধ বিনোদনকারী শব্দটি ক্রিকেটের ক্ষেত্রে প্রায়ই লেখা হয়ে থাকে। যা শেন ওয়ার্নের ক্ষেত্রে ছিল একেবারে ছিল যথার্থ সত্য। মাঠের মধ্যে কিংবা বাইরে, বিনোদনের ব্যাপারে তাঁর জুড়ি মেলা ভার।

মার্চ ০৯, ২০২২
কলকাতা

বিধানসভায় নজিরবিহীন ঘটনা, বিজেপির বিক্ষোভের মুখে রাজ্যপাল

বিধানসভায় নজিরবিহীন ঘটনা। আজ ছিল বাজেট অধিবেশনের শুরু। অধিবেশনের শুরুতে রাজ্যপালের ভাষণের আগেই বিজেপির বিক্ষোভ। তুলকালাম বিধানসভায়। শেষমেশ ভাষণ পাঠই করতে পারলেন না রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সোমবার সকালে রাজ্যপালের ভাষণ পাঠের আগেই ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পদ্ম বিধায়করা। পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। পরে স্পিকারের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূল বিধায়করাও। তাঁরাও দিতে থাকেন পাল্টা স্লোগান। এরইমধ্যে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাজ্যপালের বক্তব্য সকলের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। সেটাই টেবিল করা হবে বলে জানান স্পিকার। তখনই রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই বলেন, তিনি হতবাক হচ্ছেন। তিনি না বললে কীভাবে তাঁর ভাষণ টেবিল হতে পারে? প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের বক্তব্য, তিনি যতক্ষণ না বলছেন,. ততক্ষণ তাঁর বক্তব্য টেবিল করা যায় না। স্পিকার সেটি কীভাবে করতে পারলেন? রাজ্যপালের এ বক্তব্যের মাঝেই বিজেপি ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। টানা এক ঘণ্টা বিক্ষোভ চলে বিধানসভায়।বিধানসভা সোমবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল। রাজ্যপাল আগেও নেমে যেতে উদ্যত হয়েছিলেন। শাসকদলের মহিলা বিধায়করা কার্যত রাজ্যপালকে ঘিরে থাকেন বিধানসভায়। তাঁকে নামতে বাধা দেন তাঁরা।এদিকে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর বিরোধীদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তা কাজ না হওয়ায় বক্তৃতা না দিয়েই বসে পড়েন রাজ্যপাল। বিজেপি বিধায়করা স্লোগান দিতে শুরু করেন, ভারত মাতা কী জয়, ছাপ্পা ভোটের সরকার আর নেই দরকার, মানুষ মারা সরকার আর নেই দরকার।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পরিস্থিতিতে তাঁর আসন ছেড়ে দিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে গিয়ে আলাদা করে বৈঠক করেন। ফিরে এসে রাজ্যপালকে অন্তত দুলাইন ভাষণ পাঠ করার অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিক্ষোভ-অশান্তি-স্লোগানে ভাষণই শুরু করেন রাজ্যপাল। এরপর বেলা ৩.০৭ মিনিট নাগাদ বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিতে আসেন মুখ্যমন্ত্রীও। ভাষণ আর পড়তে পারলেন না রাজ্যপাল। কেবল ভাষণের প্রথম ও শেষ লাইন পড়েই নিয়ম রক্ষা করতে হল তাঁকে। আজকের ঘটনা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এমনকী স্পিকারও বলেন, এমন ঘটনা বিধানসভায় আগে ঘটেনি।

মার্চ ০৭, ২০২২
বিদেশ

দেশের জন্য আত্মবলিদান, রাশিয়ার ট্যাংকের প্রবেশ রুখতে মাইন বেঁধে ব্রিজ- সহ নিজেকে উড়িয়ে দিলেন ইউক্রেনের সৈনিক!

দেশের জন্য আত্মবলিদান হয়তো একেই বলে। শরীরে মাইন বেঁধে নিজেকে উড়িয়ে দিয়ে রাশিয়ার ট্যাংক আটকে দিলেন এক ইউক্রেন সৈনিক। তাঁর নাম ভিতালি স্কাকুন ভোলোদিমিরোভিচ। পদমর্যাদায় ইউক্রেনের নৌ সেনার ব্যাটালিয়ন ইঞ্জিনিয়ার।রাশিয়া অধিকৃত ক্রাইমিয়া থেকে ইউক্রেনের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের জন্য প্রশস্ত রাস্তা খেরসন প্রদেশ হয়ে যায়। সেই রাস্তার উপর হেনিচেস্ক সেতু। রাশিয়ার সাঁজোয়া গাড়ি ও ট্যাংক সেই পথ দিয়েই মূল ইউক্রেনে ঢুকে পড়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান ভিতালি স্কাকুন ভলোদিমিরোভিচ। যখন দেখলেন, ইউক্রেনে ঢুকে পড়তে মরিয়া রুশ ট্যাংকের সারি এগিয়ে আসছে সেতু লক্ষ্য করে, গায়ে মাইন বেঁধে নিজেকেই উড়িয়ে দিলেন। মুহূর্তে ধসে পড়ল চার লেনের সেতু। থমকে গেল রাশিয়ার ট্যাংক বাহিনী। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে, সেতু ভেঙে যাওয়ায় রাশিয়ার ট্যাংক বাহিনীকে ঘুরপথে আরও অনেকটা বেশি সময় নিয়ে ইউক্রেনের মূল ভূখণ্ডে ঢুকতে হয়। এতে সময়ও যায় অনেকটা বেশি। এই সুযোগে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও খানিকটা মজবুত ও দূর্ভেদ্য করার মূল্যবান সময় হাতে পেয়ে যায় ইউক্রেনের সেনাবাহিনী।ভিতালির সহযোদ্ধারা জানিয়েছেন সেই মুহূর্তের কথা। তাঁরা বলছেন, ভিতালি একাই সেতুর উপর মাইন বসানোর কাজ করছিল। আচমকাই দূরে রাশিয়ার ট্যাংক বাহিনীকে দেখতে পেয়ে আমরা তা ওকে জানাই। মাইন বসানোর কাজ তখনও কিছুটা বাকি। এই সময় ভিতালি আমাদের জানায়, এখন মাইন বসিয়ে সে ফিরে আসার চেষ্টা করলে ট্যাংককে আটকানো যাবে না। তাই নিজেকেই উড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সহযোদ্ধারা জানাচ্ছেন, এ কথা বলার পরই একটি বিকট বিস্ফোরণের আওয়াজ তাঁরা পান। ধোঁয়া সরলে দেখা যায়, মাঝখান থেকে নদীতে ভেঙে পড়ে আছে হেনিচেস্ক সেতু। দূরে থমকে দাঁড়িয়ে রাশিয়ার ট্যাংক বাহিনী। ভিতালিকে মরণোত্তর সম্মান দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেনা।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
দেশ

বিরোধীদের কটাক্ষ উড়িয়ে বাজেট নিয়ে নির্মলার প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

মঙ্গলবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এই বছরের বাজেটে মহিলা, প্রান্তিক নাগিরক ও দরিদ্রের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে বাজেট পেশের পর থেকেই সমালোচনায় সরব হয়েছেন একাধিক অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন রাজনীতিবিদরা। টুইটে এই বাজেটকে তাৎপর্যবিহীন, অন্তঃসারশূণ্য বলে কটাক্ষ করেছেন রাহুল গান্ধি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বিরোধী নেতারা। তবে বাজেটে খুশি হয়েছে প্রধানমন্ত্রী। বাজেট নিয়ে বক্তৃতায় তারই প্রতিফলন দেখা গেল। এই বক্তৃতায় নমো অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের প্রশংসাও করেন। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের বাজেট প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার তিনি বলেন, এই বাজেট সকলেই উপকৃত হবেন। বিশেষত, সমাজের দরিদ্র এবং অনগ্রসর অংশের মানুষেরা। এ বারের বাজেটকে জনমুখী এবং প্রগতিশীল বলে নির্মলা এবং তাঁর টিমকে ধন্যবাদ জানান মোদি।তিনি জানিয়েছেন, এই বাজেটে যুব সমাজ ও গরিবদের উপর নজর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেছেন, বাজেট পেশের পর থেকে আমরা যা সাড়া পেয়েছি, তাতে জনগণের জন্য কাজের উৎসাহ আমাদের আরও বেড়ে গিয়েছে।এই বাজেট দেশের জনগণের জন্য নতুন আশা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এসেছে। এই বাজেটে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। অনেক প্রযুক্তি এসেছে, যেমন-কৃষক ড্রোন, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, ডিজিটাল মুদ্রা, ব্যাংকিং ক্ষেত্রে ডিজিটাল ইউনিট, আর্থিক পরিষেবার রোল আউট, দেশের স্বাস্থ্যের জন্য ডিজিটাল ইকোসিস্টেম। এই সবকিছুতে উপকৃত হবে প্রান্তিক মানুষ, যুবক, দরিদ্র সকলে।এই বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল গরিবের কল্যাণ। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রত্যেক গরিবের কাছে পাকা বাড়ি, নলকূপের জল, শৌচালয়, গ্যাসের সুবিধা- এই সবকিছুর উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আধুনিক ইন্টারনেট কানেক্টিভিটির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে জীবনধারণ সহজ করার জন্য, যাতে তাঁদের কোনও অসুবিধা না হয়, এই সবকিছু মাথায় রেখে তার জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে।হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর, উত্তর-পূর্বের রাজ্য- এইসব জায়গার জন্য দেশে প্রথমবারের জন্য পর্বতমালা যোজনা করা হচ্ছে। এই যোজনা পাহাড়ে পরিবহণ ও যোগাযোগের আধুনিক ব্যবস্থা নির্মাণ করবে। আমাদের দেশের যেসব সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি রয়েছে তাদেরও অনেক ক্ষমতা মিলবে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

নির্মলার বাজেটে হতাশ মধ্যবিত্ত, কীসের দাম বাড়ল? দাম কমল কোন পণ্যের?

দেশে অর্থনীতির মন্দগতি, কর্মসংস্থানের সংকট, আর্থিক বৈষম্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আগামী বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তিনি বলেন, বাজেটে থাকবে আগামী ২৫ বছরের ব্লু প্রিন্ট। এ বারের বাজেটে পরিকাঠামো নির্মাণে ২০ হাজার কোটি টাকা, পরিষেবা খাতে ৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেছেন নির্মলা।কেন্দ্রীয় বাজেট ঘিরে আমজনতার আগ্রহ তুঙ্গে। তবে দুটো বিষয় নিয়েই আগ্রহ তুঙ্গে। সাধারণ মানুষ জানতে চায় আয়করে ছাড় মিলল কি না আর সস্তা হল কোন সরঞ্জাম, কোন দ্রব্যেরই বা বাড়ল দাম। ফেব্রুয়ারির মাস পয়লায় পেশ করা কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়করে মিলল না ছাড়। যা নিয়ে কার্যত হতাশ মধ্যবিত্ত।সস্তা হচ্ছে পোশাক হিরে এবং মূল্যবান রত্ন ইমিটেশনের গয়না জুতো চামড়ার ব্যাগ পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক। স্টিলের উপজাত দ্রব্য মোবাইল ফোন চার্জার কৃষি সরঞ্জামদাম বাড়ছে বিদেশি ছাতা বিদেশ থেকে আমদানিকৃত যে কোনও পণ্য

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

ডিজিটাল মুদ্রা আনবে রিজার্ভ ব্যাংক, ঘোষণা নির্মলার

২০২২-২৩ অর্থবর্ষের বাজেটে ডিজিটাল মুদ্রা আনার কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। রিজার্ভ ব্যাংকের অধীনে এই মুদ্রার লেনেদেনের তথ্য রাখা হবে ব্লকচেন পদ্ধতিতে। পাশাপাশি ভার্চুয়াল, ডিজিটাল সম্পদ বিক্রি বা অধিগ্রহণ থেকে আয়ের উপর ৩০ শতাংশ করও বসাতে চলেছে কেন্দ্র।FM proposes to introduce digital rupee using blockchain technology to be issued by Reserve Bank of India starting 2022-23Follow LIVE Budget updates on #ThePrintBudget:https://t.co/Z9xiEAi9U4 ThePrintIndia (@ThePrintIndia) February 1, 2022প্রসঙ্গত ব্লকচেন পদ্ধতিতে বিটকয়েনের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন যাবতীয় তথ্য রাখা হয়। যা ইন্টারনেটে একটি নির্দিষ্ট ডেটাবেসের মধ্যে রাখা হয়। লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ-ই এই ব্লক চেনের তথ্য জানতে পারে না। মূলত এই পদ্ধতিকেই ব্যবহার করে রিজার্ভ ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা আনতে চলেছে। ইতিমধ্যেই দেশের শীর্ষ ব্যাংক এই মুদ্রা বাজারে আনার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, নগদ টাকা সমতূল হবে এই ডিজিটাল মুদ্রা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

বাজেট ২০২২: পাঁচ বছরে দেশে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান ! ঘোষণা অর্থমন্ত্রী নির্মলার

অর্থনীতির বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, দেশের আর্থিক সংস্কার করতে হলে শুধু শিল্পে নয়, কর্মসংস্থানেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণও জানালেন, আগামী পাঁচ বছরে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে দেশে।দেশে কর্মসংস্থানের অভাব আর বাড়তে থাকা বেকারত্ব নিয়ে গত এক বছরে বহু বার কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন বিরোধীরা। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় বাজেটে দেখা গেল, সেই খামতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, অতিমারি পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ বাড়তে শুরু করেছে দেশে। উন্নত করা হচ্ছে পর্যটন, রেল-সহ একাধিক পরিষেবা। আগামী পাঁচ বছরে এই সব ক্ষেত্রে এবং আরও অন্যান্য ক্ষেত্রে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। চাকরি পাবেন দেশের বেকাররা।✅ ₹1,38,394 crore Gross GST Revenue collected for January 2022✅ GST collection crossed ₹1.30 lakh crore mark for the 4th time✅ Revenues for month of January 2022 15% higher than GST revenues in Jan. 2021 and 25% higher than the GST revenues in January 2020 Ministry of Finance (@FinMinIndia) January 31, 2022নির্মলা জানিয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অ্যানিমেশনের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তথ্যপ্রযুক্তি হাব তৈরি করা হবে। নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই ওই হাব তৈরি করবে। এ ছাড়াও দেশে ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত জাতীয় সড়ক এবং এক্সপ্রেসওয়ে বিস্তার করা হচ্ছে। চালু হতে চলেছে ১১টি নতুন মেট্রোলাইন। এই সব ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।গ্রামাঞ্চলে ব্রডব্যান্ড পরিষেবায় জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে বলা হয়েছে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের সমস্ত গ্রামে পৌঁছে যাবে অপটিক্যাল ফাইবার। চলতি বছরের শেষে শুরু হচ্ছে ৫জি স্পেকট্রাম পরিষেবাও। সেখানে কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এর পাশাপাশি বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি দেশে তৈরি করার কথা বলা হয়েছে বাজেটে। শহরে, শহরতলিতে সংখ্যায় বাড়ানো হবে চার্জিং স্টেশন। সেখানেও নিয়োগ করা হবে নতুন কর্মী।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

এবারও ‘পেপারলেস বাজেট’ পেশ করতে চলেছেন নির্মলা সীতারমণ

আজই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের হাত ধরে পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২ । আগামী অর্থবর্ষের নাড়ি-নক্ষত্র স্থির হয়ে যাবে এই বাজেটের মাধ্যমেই। কোন খাতে কত বরাদ্দ বাড়ল বা কোন পণ্যের কত দাম বাড়ল বা কমল, সবই জানা যাবে কেন্দ্রীয় বাজেটে। এবারের বাজেটে বিশেষ জোর দেওয়া হতে পারে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। একইসঙ্গে বিশেষ গুরুত্ব পাবে কৃষি ও শিল্পক্ষেত্রও।বাজেট হাতে অর্থ মন্ত্রক থেকে বের হলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এবারও তিনি পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন। সেই কারণে লাল কভারে মোড়া ট্যাব হাতেই দেখা গেল তাঁকে। বাজেটের ঘোষণার দিকেই আজ সারাদিন তাকিয়ে থাকবে দালাল স্ট্রিট। এদিন সকালে বাজার খুলতেই সেনসেক্সের সূচকে ৫৮২.৮৫ অঙ্ক বৃদ্ধি হয়। নিফটিও ১৫৬.২০ অঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করার আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করতে এলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।আজ ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে সংসদে পেশ করা হয় আর্থিক সমীক্ষা। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের পর লোকসভায় ২০২১-২২ আর্থিক বর্ষের হিসেব নিকেশ পেশ করেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

সংসদ শুরুর আগে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সোমবার সংসদে শুরু হল বাজেট অধিবেশন। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলির তরফে গোলমালের আশঙ্কা করে আগে থেকেই সাংসদদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার সংসদে ঢোকার আগে মোদি বলেন, সংসদের প্রত্যেককে অধিবেশনে স্বাগত। তবে আশা করব, ভোট কোনওভাবেই বাজেট অধিবেশনকে প্রভাবিত করবে না। সব দল খোলা মনে উত্তম চর্চা করে দেশের প্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবেন।মোদি এদিন বলেছেন, ভারতের অর্থনীতি বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই বাজেট অধিবেশনও ভারতের আার্থিক প্রগতিকে আগামী এক বছরের জন্য প্রভাবিত করবে। আশা করব, দেশের উন্নতির কথা মাথায় রেখে সাংসদরা একযোগে কাজ করবেন। কারণ, ভোট নিজের জায়গায়, বাজেট অধিবেশন নিজের জায়গায়।ঘটনাচক্রে, বাজেট অধিবেশন যখন বসছে, তখন পেগাসাস নিয়ে দেশে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আবার উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব, গোয়া এবং মনিপুরেও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হচ্ছে পুরসভা ভোট। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমান, পেগাসাস-কাণ্ড এবং ভোটকে সামনে রেখে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীরা অশান্তি করতে পারেন ভেবেই আগে থেকে এই বার্তা দিয়ে রাখলেন মোদি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য দিয়ে শুরু হল বাজেট অধিবেশন

মঙ্গলবার সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে সোমবার শুরু হল ২০২২-এর বাজেট অধিবেশন। অধিবেশন শুরু হওয়ায়র আগে বক্তব্য পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের বক্তব্যে শুরু হল অধিবেশন। সংসদের সেন্ট্রাল হলে সব সাংসদদের উপস্থিতিতে বক্তব্য পেশ করেন তিনি। শুরুতেই করোনা অতিমারির কথা উল্লেখ করে প্রথম সারির যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রপতি।রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সরকার কৃষকদের শক্তি বাড়াতে নিরন্তর কাজ করে চলেছে। রবি শস্য উৎপাদনের সময়, সরকার যে ফসল কিনেছে, তাতে উপকৃত হয়েছে ৫০ লক্ষ কৃষক। খারিফ শস্য উৎপাদনের সময়, যে পরিমান ধান কিনেছে সরকার, তাতে উপকৃত হয়েছে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কৃষক। দেশের কৃষি ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য দেশের ছোট কৃষকদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দেশের ৮০ শতাংশই ছোট কৃষক। কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার মাধ্যমে সরকার সুবিধা দিচ্ছে সেই ছোট কৃষকদের।রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় পাকা ঘর পেয়েছেন ২ কোটি মানুষ। পাশাপাশি, সব ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে জল জীবন মিশন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের জীবন পাল্টাচ্ছে। ঘরে ঘরে জল পৌঁছে গিয়েছে। গ্রামের মা বোনেরা উপকৃত হয়েছে। জনধন যোজনার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ৪৪ কোটি ভারতবাসীর জনধন অ্যাকাউন্ট থাকায় করোনা-কালে তাঁরা সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা পেয়েছেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বের বড় বড় দেশে খাদ্যের অভাব দেখেছি আমরা। কিন্তু দেশের সংবেদনশীল সরকার নিশ্চিত করেছে যাতে ১০০ বছরের মধ্যে সবথেকে ভয়ঙ্কর অতিমারিতে কেউ অভুক্ত না থাকে। দেশের সব দরিদ্র মানুষকে আমাদের সরকার বিনামূল্যে রেশন দেয়। ৮০ কোটি ভারতবাসীকে ১৯ মাস ধরে বিনামূল্যে রেশন দিতে ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি খরচ হয়েছে। ভারতে আজ বিশ্বের সবথেকে বড় খাদ্যদ্রব্য বিতরণের উদ্যোগ চলছে।পিছিয়ে পড়া জনজাতিকে সামনে নিয়ে আসছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পদ্ম পুরস্কারেও তার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনাকালে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর সেই কঠিন পরিস্থিতিতে কেন্দ্র থেকে রাজ্য, সব চিকিৎসক, বিজ্ঞানী , নার্স, প্রত্যেকে একটা টিম হিসেবে কাজ করেছে। আমি সেই সব স্বাস্থ্যকর্মী তথা প্রথম সারির যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, সরকার এবং নাগরিকের মধ্যে এমন পরিস্থিতে বোঝাপড়া, সুসম্পর্ক গণতন্ত্রের জন্য অভূতপূর্ব নজির বলে মনে করি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

আজ শুরু সংসদের বাজেট অধিবেশন, বাজেট পেশ কাল

আজ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। সম্ভবত ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ২০২২ সালে চতুর্থবারের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রত্যেকবার বাজেট পেশের আগে কেন্দ্রীয় সরকার হালুয়া অনুষ্ঠান আয়োজন করলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই রীতি এবার বন্ধ রাখা হয়েছে।রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের মাধ্যমে এবারের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি অবধি চলবে অধিবেশনের প্রথম ধাপ। পরবর্তী ধাপে মার্চ মাসের ১৪ তারিখ থেকে শুরু হয়ে এপ্রিলের ৮ তারিখ পর্যন্ত চলবে অধিবেশ।২০২১-২২ অর্থবর্ষে প্রথমবারের জন্য পেপারলেস বাজেট পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। একইভাবে এইবারও পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইউনিয়ন বাজেট মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে। শুধুমাত্র সাংসদরা এই অ্যাপ ব্যবহার করে বাজেট সম্পর্কিত যাবতীয় খুঁটিনাটি জানতে পারবেন। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই এই অ্যাপে বিস্তারিত তথ্য মিলবে।কেন্দ্রীয় বাজেট সম্পর্কিত ১৪ টি নথিপত্র এই মোবাইল অ্যাপ থেকে পাওয়া যাবে। হিন্দি ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই ব্যবহার করা যাবে এই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি। সাধারণ জনগণ ডব্লুউডব্লুউডব্লুউ ডট ইন্ডিয়াবাজেট ডট কম-ওয়েবসাইট থেকে বাজেটের নথিপত্র দেখতে পাবেন। এবারের বাজেট অধিবেশনে ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি কোনও জিরো আওয়ার থাকবে না। ৩১ জানুয়ারি রাজ্যসভার নেতারা ভার্চুয়ালি কথা বলবেন। বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদে কঠোরভাবে করোনাবিধি মেনে চলার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
কলকাতা

প্রেসিডেন্সির বন্দি নিখোঁজের তদন্ত করবে ডিজিপি মর্যাদার আধিকারিক, নির্দেশ হাইকোর্টের

সংশোধনাগার থেকে বন্দি নিখোঁজ মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সংশোধনাগারের ক্যামেরা চলছে। লাইভ ছবি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) থেকে সেই রেকর্ড সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। অভিজ্ঞ, পেশাদারদের দেখানো হলেও, তারাও ওই রেকর্ড উদ্ধার করতে পারেননি। কিন্তু প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের এই রিপোর্টে মোটেই খুব একটা সন্তুষ্ট নয় আদালত। রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালতের মন্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কি রাতেই ছাড়তে হল? তিনি কোথায় আছেন? ভিডিও ফুটেজ নেই। খাতায় কোনও রেকর্ড নেই।রাজ্যের তরফে আরও বলা হয়েছে, যখন তাকে আনা হয়েছিল তখন ওয়ার্ড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি দেখার জন্য রাজ্যের তরফে রাজীব কুমারের নাম প্রস্তাব দেওয়া হয়। মামলাকারীর আইনজীবী জানিয়ে দেন, তাঁর হাতে দায়িত্ব না দিতে। বরং মামলাকারীর আইনজীবী সওয়াল করেন, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল বা এএসজিকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য শোনার পর আদালতের নির্দেশ, পুলিশকে দায়িত্ব দেব না, সরাসরি যার নিয়ন্ত্রণে জেল আছে।পাশাপাশি এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের যে গাফিলতি ছিল তা-ও উঠে এসেছে। সেই প্রেক্ষিতেই ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এমন পুলিশ আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না, যিনি সরাসরি জেলের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী অমিতেশ বন্দোপাধ্যায় বলেন, জেলের ক্যামেরা চলছিল। লাইভ ছবিও উঠেছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) কাজ না করায় রেকর্ড হয়নি। ওই বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের দেখানো হলে তাঁরাও ফুটেজ উদ্ধার করতে পারেননি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ ফেব্রুয়ারি।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

অমার্জনীয় সাংবিধানিক অপরাধ করেছেন ডিজি ও মুখ্যসচিব, ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল

ফের রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বার বার তলব করা স্বত্ত্বেও রাজভবনে আসেননি রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও রাজ্য পুলিশের ডিজিপি। তাঁদের ওই ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ খুললেন ধনখড়। বুধবার একটি ভিডিও টুইট করেন তিনি। সেখানে তাঁর মন্তব্য, রাজ্যপালকে বয়কট করেছেন মুখ্যসচিব ও ডিজিপি। একাধিক বার তলব করার পরও তাঁরা সাড়া দিচ্ছেন না।গত সপ্তাহে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাইয়ে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরও কেন পুলিশ বাধা দিল তা জানতে চেয়ে মুখ্যসচিব ও পুলিশের ডিজিপি-কে তলব করেন রাজ্যপাল। ওই ঘটনায় সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তাঁরা ধনখড়ের ডাকে সাড়া দেননি।বুধবার সকালে একটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাতে তিনি লেখেন, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। পরপর তিন দিন তাঁরা সেই তলব এড়িয়ে গিয়েছেন। অর্থাৎ রাজভবনে আসেননি তাঁরা। কার নির্দেশে তাঁরা রাজভবন বয়কট করেছেন, সে প্রশ্ন তুলে দুদিন আগেও একটি টুইট করেছিলেন তিনি। এদিনও করলেন। বিষয়বস্তু একই। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, মুখ্যসচিব ও ডিজির রাজভবনে না আসাটাকে তিনি বয়কট বলেই উল্লেখ করেছেন। রাজ্যপালের কথায়, এটি একটি অমার্জনীয় সাংবিধানিক গাফিলতি।Constitutionally ordained to preserve, protect and defend the Constitution and the law would now ensure that CS @MamataOfficial DGP @WBPolice get into constitutional groove.These officials @IASassociation @IPS_Association have spinally damaged the reputation of top services. pic.twitter.com/ZeYmt62uLi Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 12, 2022রাজ্যপালের এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, রাজ্যপালের কাজই তো রাজ্যকে উত্যক্ত করা। বিজেপির মুখপাত্র হয়ে কাজ করছেন। আইন অনুযায়ী যা যা করতে হয় রাজ্য তা করছে। সংবিধান অনুযায়ী যেটা করা যায় না, রাজ্যপাল তা করছেন। আবার এটাকে সাংবিধানিক সংকট হিসাবে দেখছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপি-র মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, তৃণমূল ধারাবাহিক ভাবে রাজ্যপালের বিরোধিতা করে আসছে। তারা যে রাজনীতিতে বিশ্বাস করে তাতে সংবিধান দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। তৃণমূলের আচরণ যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী। এই অবস্থানের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংকট তৈরি করে দিয়েছে তৃণমূল।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
কলকাতা

Dhankhar: কার নির্দেশে এলেন না? ফের মুখ্যসচিব ও ডিজির জবাব তলব রাজ্যপালের

রাজ্যপালের তলব পেয়েও রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং পুলিশ প্রধান সোমবার বেলা ১১টার মধ্যে হাজির হননি রাজভবনে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে চিঠি লিখে রাজ্যের দুই শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, নির্দেশ মেনেই করোনা পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপ করছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল এ বার মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং ডিজি মনোজ মালব্যর কাছে জানতে চাইলেন, কার কাছ থেকে তাঁরা ওই নির্দেশ পেয়েছেন।নেতাইয়ে যেতে না পারায়, অভিযোগ জানিয়ে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপালের কাছে অভিযোগপত্র পাঠান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে, রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যকে রাজভবনে তলব করেন তিনি। সোমবার, সকাল ১১টার মধ্যে তলব করেছিলেন তিনি। এ দিন ১১টার কিছু আগেই আসতে না পারার কথা জানিয়ে দেন মুখ্যসচিব ও ডিজি।এই চিঠি পাঠানোর পিছনে কার নির্দেশ রয়েছে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মুখ্যসচিব এবং ডিজি কী ভাবে বৈঠক বাতিল করলেন, তাতে হতবাক তিনি। সোমবারই তাঁদের এই বিষয়ে জবাব দেওয়ার কথা বলেছেন রাজ্যপাল।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
বিদেশ

Pakistan Female Judge: পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি হতে চলেছেন আয়েশা মালিক

পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতির পদে বসতে চলেছেন এক মহিলা বিচারপতি! গত বছর সেপ্টেম্বরেই পাক সুপ্রিম কোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হিসেবে আয়েশা মালিকের নাম সুপারিশ করেছিল জুডিশিয়াল কমিশন অব পাকিস্তান (জেসিপি)। কিন্তু কমিশনের চার সদস্য তাঁর এই পদোন্নতির পক্ষে সওয়াল করলেও বাকি চার সদস্য তাঁর বিরুদ্ধে ভোট দেন। এ বার অবশ্য বিচারপতি আয়েশা মালিকের পক্ষেই ভোট পড়েছে বেশি। সুতরাং বলাই যায়, পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি হওয়া থেকে আর মাত্র এক ধাপ দূরে রয়েছেন তিনি।হার্ভার্ড আইন স্কুলের স্নাতক বিচারপতি আয়েশা বর্তমানে লাহোর হাইকোর্টের বিচারপতি। এর আগে বহু গুরুত্বপূর্ণ এবং নজিরবিহীন রায় দিয়েছেন তিনি। যার মধ্যে কোনও নির্বাচনী প্রার্থীর সম্পত্তি ঘোষণা অন্যতম। গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর জেসিপি-র বৈঠকে তাঁর নাম নিয়ে প্রথম আলোচনা হয়েছিল। গত কাল বিষয়টি নিয়ে ফের বৈঠকে বসেছিল জেসিপি, যার মাথায় রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি গুলজার আহমেদ। জেসিপি-র সুপারিশ এর পরে পার্লামেন্টের কমিটির কাছে যাবে। ওই কমিটির সিদ্ধান্তই এ বিষয়ে চূড়ান্ত বলে মেনে নেওয়া হয়।বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, সাধারণত জেসিপি-র সুপারিশে আপত্তি করে না এই কমিটি। ফলে সে দিক থেকে দেখতে গেলে বিচারপতি আয়েশার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হওয়া কার্যত পাকা।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
দেশ

DGCI: কোভিড-যুদ্ধে আরও দুই টিকা ও ওষুধকে ছাড়পত্র দিল ডিসিজিআই

আরও দুই টিকা কোভোভ্যাক্স ও কোরবেভ্যাক্স-কে ভারতে ব্যবহারের ছাড়পত্র দিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)। এর সঙ্গে অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ মলনুপিরাভিরকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।টিকা দুটি কেন্দ্রীয় সংস্থার বিশেষজ্ঞ প্যানেলের বিবেচনাধীন ছিল। সোমবারই ওই বিশেষজ্ঞ প্যানেল চূড়ান্ত ছাড়পত্রের জন্য পাঠায়। বড়দের ক্ষেত্রে জরুরি পরিস্থিতিতে এই টিকা দুটি ব্যবহার করা যাবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক অনুমতি দিয়েছে। অন্যদিকে অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ মলনুপিরাভিরকে কোভিড আক্রান্তের ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এ খবর টুইট করে জানিয়েছেন।এই নিয়ে সব মিলিয়ে দেশে মোট আটটি করোনা টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ পর পর তিন দিন ছহাজারের ঘরেই রয়েছে। তবে দেশে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি উদ্বেগের কারণ হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

New DG: রাজ্যের স্থায়ী ডিজি হচ্ছেন মনোজ মালব্যই

সব জট পেরিয়ে অবশেষে রাজ্যের স্থায়ী ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশের পদে আসীন হচ্ছেন মনোজ মালব্যই। ডিজি পদে অবশেষে তাঁকেই ছাড়পত্র দিল কেন্দ্রীয় সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার, এই ছাড়পত্র এসে পৌঁছেছে রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে। মনোজ মালব্যকে ডিজি করা হলেও তাঁকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হয়নি। কার্যনিবাহী ডিজি হিসেবেই দায়িত্ব পালন করছিলেন মনোজ। কেন্দ্রীয় অনুমোদন পাওয়ার পর অবশেষে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য।চলতি বছরের ৩১ অগস্ট রাজ্যের তৎকালীন ডিজি সি বীরেন্দ্রের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়। তাঁর পরিবর্তে কে দায়িত্ব পাবেন তা নিয়ে যথেষ্ট নজর ছিল ওয়াকিবহাল মহলের। নানা মহলের জল্পনায় প্রথম থেকেই এগিয়ে ছিলেন ১৯৮৬ ব্যাচের আইপিএস মনোজ মালব্য। রাজ্যের পাঠানো তালিকায় মনোজ ছাড়াও ১৯৮৭ ব্যাচের অফিসার নীরজনয়ন পাণ্ডে, সুমন বালা সাহু, অধীর শর্মা, গঙ্গেশ্বর সিংয়ের অফিসারদের নামও ছিল।সি বীরেন্দ্রর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেপ্টেম্বর থেকে কাউকে দায়িত্ব নিতেই হত। সেই মতো ওই মাসেই ডিজির পদে আসীন হন মনোজ। তবে পাকাপাকিভাবে তাঁকে সেই পদে নিয়োগ করা হয়নি। তারই মধ্যে, রিয়েল সানরাইজ কেমটেক লিমিটেড ও সানপ্ল্যান্ট অ্যাগ্রো লিমিটেড- এই দুটি ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার মামলায় আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয় মনোজকে। কিন্তু, বারবার তলব করার পরেও তিনি আদালতে হাজিরা দেননি। সদ্য দায়িত্ব পেয়েই মনোজকে আদালতে হাজিরার নির্দেশে দিতেই চাঞ্চল্য তৈরি হয় সংশ্লিষ্ট মহলে। অবেশেষে নানা টালবাহানার পর রাজ্যের ডিজি হিসেবে পাকাপাকি ভাবে নিয়োজিত হচ্ছেন মনোজ।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

গল টেস্টে ভয়াবহ মুহূর্ত! রাহুলের শটে হেলমেটে বল, হাসপাতালে শ্রীলঙ্কার ওপেনার

ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই গলে তৈরি হল উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কেএল রাহুলের জোরালো সুইপ শটের বল সরাসরি গিয়ে আঘাত করল শ্রীলঙ্কার ওপেনার নিশান মধুশকার হেলমেটে। শর্ট লেগে ফিল্ডিং করার সময় এই আঘাত পান তিনি। ঘটনার পর দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও। কনকাশন পরীক্ষা করার পর মধুশকাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দশম ওভারে। প্রভাত জয়াসূর্যের করা ওভারের পঞ্চম বলটি রাহুল সুইপ করেন। বলটি ব্যাটের মাঝখান থেকে প্রচণ্ড গতিতে শর্ট লেগ অঞ্চলের দিকে ছুটে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মধুশকা বিপদ বুঝে দ্রুত মাথা নিচু করার চেষ্টা করলেও বলের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই বলটি তাঁর হেলমেটের মাঝামাঝি অংশে সজোরে আঘাত করে।আঘাতের পর বলটি ফাইন লেগের দিকে চলে যায়। ফলে রান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভারতের ব্যাটাররা রান সম্পূর্ণ করেন। রাহুল অবশ্য প্রথমে রান নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না। কিন্তু নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা যশস্বী জয়সওয়াল ইতিমধ্যেই দৌড় শুরু করে দেওয়ায় রানটি সম্পূর্ণ করতে হয়। রান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধুশকার দিকে ছুটে যান রাহুল। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।এরপর দ্রুত মাঠে প্রবেশ করেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও এবং চিকিৎসাকর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মধুশকার কনকাশন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার পর তাঁকে আর মাঠে রাখা হয়নি। ফিজিওর সঙ্গে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁর চোটের প্রকৃতি বা গুরুতরতা এবং তিনি পরবর্তীতে এই টেস্টে ব্যাট করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।মধুশকার চোটের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মাথায় সরাসরি বল লাগার ঘটনায় ক্রিকেটে কনকাশন প্রোটোকল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, প্রথম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছে ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুলের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় দল। প্রথম উইকেটে দুজনে ৬৬ বলে ৪৭ রান যোগ করেন।তবে ১১তম ওভারের শেষ বলে ছন্দপতন ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন জয়সওয়াল। ৩৭ বলে ৩২ রানের ইনিংসে তিনি মারেন পাঁচটি চার।জয়সওয়াল ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন রাহুল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। দুজনেই ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। পাড়িক্কল আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করার পাশাপাশি রাহুলও নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। ফলে প্রথম সেশনেই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।লাঞ্চের সময় ২৭ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১০১ রান। একদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট, অন্যদিকে মধুশকার চোটপ্রথম দিনের প্রথম সেশন তাই দুই দলের জন্য দুই ভিন্ন ছবি তুলে ধরল। এখন সকলের নজর নিশান মধুশকার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী আপডেটের দিকে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শতবর্ষের ঐতিহ্যে দেশপ্রেমের আবহ, দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তিতে দেশপ্রেম ও ঐতিহ্যের আবহে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে। শতবর্ষ প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। পতাকা উত্তোলনের পর বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের অঙ্গীকারই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল বার্তাএমনই আহ্বান জানান তিনি।বিদ্যালয়ের বরিষ্ঠ শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, বিবিধের মাঝে মিলন মহানএই আদর্শকে সামনে রেখে দেশভাগ ও পরাধীনতার গ্লানি পেরিয়ে স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ঐক্য, সম্প্রীতি ও দেশাত্মবোধের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।অনুষ্ঠানের সূচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর উদয়পল্লীর বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। ত্রিবর্ণ পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মনীষীদের বাণী, দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পাঠের মাধ্যমে স্বাধীনতার ইতিহাস ও চেতনাকে তুলে ধরা হয়। শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডলের পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় অঙ্কন, প্রবন্ধরচনা, কুইজ, নৃত্য ও সঙ্গীত-সহ একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিক্ষিকা সুনীতা সাহার ব্যবস্থাপনা এবং দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রতিযোগিতাগুলিতে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় ছাত্রছাত্রীরা। কুইজে প্রথম স্থানাধিকারী দলের সদস্য সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী শ্রাবণী ভট্টাচার্য জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকায় বিদ্যালয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।এদিন নবম শ্রেণির ছাত্রীদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় দেওয়াল পত্রিকা স্পন্দন-এর বিশেষ রঙিন সংখ্যা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিশু সংসদের প্রধানমন্ত্রী, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সায়ন্তিকা কর্মকারের নেতৃত্বে মন্ত্রী ও সহকারীরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলায়।পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে। সবুজ ভলেন্টিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে ইকো ক্লাবের উদ্যোগে জাম গাছ রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।শেষপর্বে শিক্ষাকর্মী প্রদীপ বিশ্বাসের দায়িত্বে এবং তরুণ দাসের নেতৃত্বে উপস্থিত সকলের মধ্যে লুচি, মিষ্টি-সহ নানা খাবার বিতরণ করা হয়। স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশপ্রেম, সাংস্কৃতিক চেতনা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তাকে একসূত্রে বেঁধে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা শুধু একটি দিন নয়, বারবার ফিরে আসে—জয়ের পতাকায়, গৌরবের মুহূর্তে

স্বাধীনতাশব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭-এর সেই ঐতিহাসিক সকাল। দীর্ঘ পরাধীনতার অন্ধকার পেরিয়ে ভারতবর্ষ সেদিন পেয়েছিল নিজের আকাশ, নিজের পতাকা, নিজের পরিচয়। কিন্তু স্বাধীনতা কি কেবল একটি তারিখ? কেবল একটি দিনের উদ্যাপন? কেবল লালকেল্লার প্রাচীর থেকে ভেসে আসা ভাষণ, জাতীয় পতাকার উত্তোলন আর জাতীয় সঙ্গীতের গর্বিত সুর?না।স্বাধীনতা আসলে ফিরে ফিরে আসে।কখনও তা আসে একটি ক্রিকেট মাঠে, কখনও অলিম্পিকের ট্র্যাকের ওপর, কখনও হকির সবুজ ঘাসে, কখনও কোনও বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে, কোনও সুরকারের সুরে। কখনও আবার আসে এমন এক ভারতীয়ের চোখের জলে, যে নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের মঞ্চে উঠতে দেখে বুকের ভিতর অদৃশ্য এক ঢেউ অনুভব করে।১৯৮৩ সাল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের সামনে তখন দাঁড়িয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিল দেবের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলা সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের জয় ছিল না। তা ছিল আত্মবিশ্বাসের বিস্ফোরণ। সেদিন যেন ভারত বুঝেছিলআমরাও পারি। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরাও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের গল্প লিখতে পারি। ১৯৪৭-এ যে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল, ১৯৮৩-তে তার আত্মবিশ্বাস যেন আরও একবার স্বাধীনতার স্বাদ পেল।তারও বহু আগে, ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের হকিতে ভারত প্রথম সোনা জিতেছিল। ধ্যানচাঁদের জাদুকাঠিতে ভারতীয় হকি তখন বিশ্বকে দেখিয়েছিল এক অন্যরকম শিল্প। পরপর বহু অলিম্পিকের মঞ্চে ভারতীয় হকি দলের সাফল্য দেশের ক্রীড়া-পরিচয়ের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠেছিল। তেরঙ্গা যখন বিদেশের মাটিতে উঠত, তখন মনে হতোএই তো স্বাধীনতা! বন্দুকের গর্জন নয়, স্টিক আর বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণেও একটি জাতি তার অস্তিত্বের ঘোষণা করতে পারে।তারপর আসে অ্যাথলেটিক্সের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতের অলিম্পিক সাফল্যের ইতিহাসে নীরজ চোপড়ার সোনার পদক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। টোকিও অলিম্পিকের সেই রাতএকজন ভারতীয় যখন জ্যাভলিন ছুড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখলেন, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ঘরে ঘরে যেন আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়ল। মাঠে একজন, কিন্তু গর্বে ছিল ১৪০ কোটিরও বেশি হৃদয়।ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের আর এক অমর নাম পি. টি. উষা। আশির দশকে এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে তাঁর দৌড় ভারতীয় মেয়েদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিল। ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার-সহ একাধিক পদক জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেনভারতের মেয়েরাও বিশ্বের দ্রুততম ট্র্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর পায়ের শব্দ শুধু একটি দৌড়ের শব্দ ছিল না; তা ছিল সামাজিক বাধা, সংশয় আর প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক তরুণীর স্বাধীনতার ঘোষণা।এরপর এল ক্রিকেটের আর একটি নতুন অধ্যায়। ২০০৭ এ প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে তরুণ ভারতীয় দল যখন ট্রফি হাতে তুলল, তখন ক্রিকেটের নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার স্বাদ যেন আরও একবার নতুন করে ধরা দিল। আর ২০১১ সালে ঘরের মাঠে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই ছক্কাআজও ভারতীয় ক্রীড়া-স্মৃতির অন্যতম আবেগঘন ছবি। একজন অধিনায়ক ট্রফি তুলেছিলেন, কিন্তু আসলে যেন কোটি কোটি মানুষ নিজেদের স্বপ্নকে তুলে ধরেছিল।স্বাধীনতার এই গল্প শুধু খেলাধুলায় থেমে নেই।ভারতীয় সংস্কৃতির বিশ্বজয়ের কথাও তো একইভাবে বলতে হয়। সত্যজিৎ রায়ের Pather Panchali কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিল। ১৯৯২ এ বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান ও অনন্য সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সত্যজিৎ রায়কে সম্মানসূচক অনারারি অস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি। এই পুরস্কার কোনো একটি নির্দিষ্ট ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর সমগ্র চলচ্চিত্র জীবন, শিল্পসত্তা এবং বিশ্বসিনেমায় তাঁর গভীর ও স্থায়ী প্রভাবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। অসুস্থ সত্যজিতের বিছানায় শুয়ে অস্কার হাতে নিয়ে যে বক্তব্য দেন তা আজও আপামোর চলচিত্রপ্রেমীর কানে বাজে। পরে ২০০৯ সালে এ. আর. রহমান Slumdog Millionaire চলচ্চিত্রের জন্য দুটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সুরের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেন। অস্কারের মঞ্চে তাঁর সুরের প্রতিধ্বনি যখন বিশ্ব শুনেছিল, তখন সেটিও ছিল এক ধরনের স্বাধীনতানিজের মাটির সুরকে পৃথিবীর কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বাধীনতা।বিজ্ঞানেও এমন অসংখ্য মুহূর্ত এসেছে। মহাকাশে ভারতের সাফল্য, চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণ, মঙ্গলযানের অসাধারণ অভিযানপ্রতিটি সাফল্যের মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে সেই একই অনুভূতি। একসময় যে দেশ নিজের মানুষের খাদ্য ও অর্থনীতির চিন্তায় সংগ্রাম করছিল, সেই দেশই একদিন মহাকাশের অজানা প্রান্তে নিজের পতাকা পৌঁছে দেয়। এই অগ্রযাত্রাও স্বাধীনতারই আর এক ভাষা।কারণ স্বাধীনতা মানে শুধু পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে শেখা।স্বাধীনতা মানেআমি পারব বলার সাহস।স্বাধীনতা মানেব্যর্থতার পরেও আবার উঠে দাঁড়ানো।স্বাধীনতা মানেবিশ্বের চোখে চোখ রেখে নিজের পরিচয় ঘোষণা করা।তাই ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করব কেন? আমরা মনে করব সেই সব দিনকে, যেদিন ভারত নতুন করে জিতেছিল। কোনও খেলোয়াড়ের হাতে যখন পদক উঠেছে, কোনও বিজ্ঞানীর অভিযানে যখন ভারতীয় পতাকা মহাকাশ ছুঁয়েছে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে যখন ভারত বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে, কোনও তরুণ-তরুণী যখন অসম্ভবকে সম্ভব করেছেসেই প্রতিটি মুহূর্তে স্বাধীনতা নতুন করে জন্ম নিয়েছে।স্বাধীনতার বয়স আজ ৭৯ বছর। কিন্তু স্বাধীনতা বৃদ্ধ হয়নি। বরং প্রতিটি নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে তার বয়স কমে আসে। কোনও শিশুর হাতে ক্রিকেট ব্যাটে, কোনও কিশোরীর দৌড়ের জুতোয়, কোনও তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর তুলিতে, কোনও সুরকারের যন্ত্রেস্বাধীনতা প্রতিদিন নতুন হয়ে ওঠে।১৫ই আগস্ট তাই শুধু অতীতের স্মৃতির দিন নয়। এটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিনও।যে তেরঙ্গা ১৯৪৭ সালে পরাধীনতার আকাশে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে উঠেছিল, সেই তেরঙ্গাই আজও ওঠেলর্ডসের মাঠে, অলিম্পিকের মঞ্চে, বিশ্বকাপের আসরে, অস্কারের মঞ্চে, মহাকাশযানের অভিযানে, কিংবা কোনও অচেনা ভারতীয়ের ছোট্ট সাফল্যের মুহূর্তে।সেখানেই স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্য।স্বাধীনতা একবার অর্জন করা কোনও স্মারক নয়স্বাধীনতা এমন এক অনুভূতি, যা প্রতিটি প্রজন্ম নিজের সাফল্য দিয়ে নতুন করে অর্জন করে।তাই ১৫ই আগস্ট শুধু একটি দিন নয়।স্বাধীনতা বারবার ফিরে আসে।জয়ের পতাকায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, করতালির শব্দে, স্বপ্নপূরণের হাসিতেআর কোটি কোটি ভারতীয়ের বুকের ভিতর নিঃশব্দে উচ্চারিত একটি শব্দেভারত।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষুদিরামের ফাঁসির মঞ্চ থেকে মাতঙ্গিনীর রক্তাক্ত পতাকা, বাঙালির হৃদয়ে অমর এই পাঁচ স্বাধীনতা সংগ্রামী

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাংলার মাটি যেমন জন্ম দিয়েছে ক্ষুদিরাম বসুর মতো কিশোর বিপ্লবীকে, তেমনই তাম্রলিপ্তের মাটিতে উঠে এসেছে মাতঙ্গিনী হাজরা, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রামী নেতৃত্ব। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার লড়াইকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছিল।মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ইতিহাসে অমর হয়ে যান ক্ষুদিরাম বসু। ১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক ডগলাস কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে বোমা হামলার ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হন। ১১ আগস্ট ১৯০৮ তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুর মুখেও তাঁর নির্ভীকতা ও হাসিমুখ বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে।অন্যদিকে, ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে পূর্ব মেদিনীপুরের মাতঙ্গিনী হাজরা হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। গান্ধীবুড়ি নামে পরিচিত এই বৃদ্ধা ২৯ সেপ্টেম্বর তমলুক থানার দিকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়েই তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর আত্মবলিদান বাংলার নারীশক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সুশীল ধারা-র। ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তিনি সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেন। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের যুদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বও সামলেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিদ্যুৎ বাহিনী, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।সতীশচন্দ্র সামন্ত ছিলেন তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রথম সর্বাধিনায়ক। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গঠিত এই সমান্তরাল সরকার তমলুক ও কাঁথি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্রিটিশ প্রশাসনের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী সংগঠন, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এই সরকারের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের নেতৃত্বে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্বাধীনতার পরও তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেমে থাকেনি। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান থেকে মাতঙ্গিনীর পতাকা হাতে মৃত্যুবরণ, আর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের সংগঠিত প্রতিরোধ, এই সমস্ত অধ্যায় প্রমাণ করে, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু কয়েকজন বিপ্লবীর কাহিনি নয়। এটি ছিল অসংখ্য মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের সম্মিলিত ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানের মাটিতে জন্ম বীর বিপ্লবীর, রাসবিহারী বসুর কর্মকাণ্ডে কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ শাসন

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে রাসবিহারী বসু এক অনন্য নাম। ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের অন্যতম প্রধান সংগঠক এই বিপ্লবীর জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-২ ব্লকের সুবলদহ গ্রামে। ১৮৮৬ সালের ২৫ মে বিনোদবিহারী বসু ও ভুবনেশ্বরী দেবীর ঘরে জন্ম তাঁর।সুবলদহেই কেটেছে রাসবিহারী বসুর শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়। গ্রামের পাঠশালায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার শুরু। ঠাকুরদা কালীচরণ বসুর তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার পাশাপাশি লাঠিখেলা, সাঁতার ও নৌকা চালনার মতো শারীরিক কসরতেও দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে দানা বাঁধে দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা। পরবর্তী সময়ে চন্দননগরে পড়াশোনা করার সময় বিপ্লবী চিন্তাধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয়।কর্মজীবনে দেরাদুনের ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হেডক্লার্কের কাজ করলেও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করা। বাংলার পাশাপাশি উত্তর ভারত ও পাঞ্জাবের বিপ্লবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তোলেন তিনি। ১৯১২ সালে দিল্লিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের উপর বোমা হামলার ষড়যন্ত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এরপর ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি জাপানে পালিয়ে যান।জাপানে গিয়েও থেমে থাকেননি রাসবিহারী। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগঠিত করতে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স লিগ গড়ে তোলেন। ১৯৪২ সালে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে সেই সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।১৯৪৫ সালের ২১ জানুয়ারি টোকিওতে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে সুবলদহের মাটিতে জন্ম নেওয়া এই বিপ্লবীর দেশমুক্তির স্বপ্ন ও সংগ্রাম আজও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।বর্ধমান মডেল স্কুলের নৃত্য বিভাগের প্রধান শিক্ষিকা প্রখ্যাত ওডিশি নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্র জানান, এবারের তাঁদের থিম The Rhythm of Togetherness এটি Dance ও Sociology বিভাগের এক অনন্য যৌথ উপস্থাপনা, যেখানে নৃত্য ও সমাজবিজ্ঞানের নিজস্ব ভাবনাগুলি সুন্দরভাবে একসূত্রে মিলিত হয়েছে। এই থিমের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরতে চেয়েছি ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের চিত্র। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতি, খাদ্য, পোশাক ,সংস্কৃতি ইত্যাদি নানান ক্ষেত্রে আমরা ভিন্ন হলেও আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়আমরা ভারতীয়। এই বৈচিত্র্যের মধ্যকার ঐক্যই আমাদের শক্তি ও গর্ব।বিভিন্ন মডেল ও চার্টের মাধ্যমে বিষয়টির ব্যাখ্যার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের লোকনৃত্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে।নৃত্যের ছন্দ এবং সমাজবিজ্ঞানের ভাবনাদুইয়ের অপূর্ব মেলবন্ধনে The Rhythm of Togetherness আমাদের মনে করিয়ে দেয় বৈচিত্র্য আমাদের পরিচয়, ঐক্য আমাদের শক্তি।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal