• ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DC

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

স্মার্ট মিটার বসানোর প্রকল্প আদৌ কি পুরো বন্ধ, বড় বিক্ষোভ

অনৈতিকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারা স্মার্ট মিটার বসানোর প্রকল্পের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ ভবন ঘেরাও অভিযান। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কংগ্রেসের তরফ থেকে এই অভিযান করা হয়। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার সহ উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নেতৃত্ব। পাঁচজনের প্রতিনিধি দল গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেয়।রাজ্যে কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানান, আমরা ধন্যবাদ জানাব সরকার স্মার্ট মিটার বসানোর প্রকল্প তুলে নিয়েছে। সরকার ভয় পেয়ে তুলেছে না চার পা পিছিয়ে গেল আরও দশ পা এগোনোর জন্য। সামনে নির্বাচনে আছে। কালীগঞ্জের উপনির্বাচন আছে। এখানে ভয় পেয়ে কি সরকার পিছলো এটা আমরা জানতে চাই। কারণ, কেন্দ্রীয় সরকার প্রাইভেট এজেন্সির মাধ্যমে মিটারগুলো সাপ্লাই করছে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে রাজ্য সরকার বোঝাপড়া করছেন না কেন? ৫০০০০ অলরেডি পরিবার যাদের জোর করে এই স্মার্ট মিটার লাগানো হয়েছে। এই পরিবারগুলোর কি হবে। এই মিটার বন্ধ করার নির্দেশ এসেছে কিন্তু সেটা পার্মানেন্ট কি? এই বিষয়গুলো কেউ জানে। এই পঞ্চাশ হাজার পরিবার কার কাছে যাবে, সরকারের কোন নোটিফিকেশন নেই আবার এটা চালু হবে কিছুদিন পর সেটাও কেউ কিছু বলছে না। ৫০ হাজারের মিটারের কি হবে এটা কর্তৃপক্ষকে বিদ্যুৎমন্ত্রীকে রাজ্য সরকারকে বলতে হবে। রাজ্য সরকার দরকার হলে সর্বদলীয় কমিটির মিটিং ডাকুন। তার কারণ সেটা মানুষের ওপর একটা কালো আইন হিসাবে চালানোর চেষ্টা চলছে। যাদের বসালেন এবার খুলবে কে? পুরনো মিটারটা দেবে কে? এগুলো কিন্তু পুরো অস্বচ্ছ। বিষয়টি তাই বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে বলব এগুলোকে ক্লিয়ার করুন। তাই আজকে প্রতি কি প্রতিবাদ হিসেবে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়।

জুন ১০, ২০২৫
রাজ্য

স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা রাজ্যের, পুরো বাতিলের দাবি অ্যাবেকার

বিগত বছরের শেষ থেকেই রাজ্যের নানা জায়গায় স্মার্ট মিটার বসাতে শুরু করে রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর। এই মিটার বসানো নিয়ে নানা মহল থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। বাধাও দেওয়া হয় বিভিন্ন জায়গা থেকে। শেষমেশ স্মার্ট মিটার নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর। আপাতত গৃহস্থ বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসানোর প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।সোমবার বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষামূলকভাবে বেশ কিছু বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসানো শুরু হয়েছিল। তবে এক্ষেত্রে বেশ কিছু অভিযোগ আসার কারণে আপাতত সেই কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্মার্ট মিটারের অস্বাভাবিক বিল নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নানা অভিযোগ ওঠে। নানা জায়গায় বিদ্যুৎ দফতর ঘেরাও পর্যন্ত হয়। অবশেষে পিছু হঠার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন (অ্যাবেকা)-এর সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বিশ্বাস বলেন, রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে আজ এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে স্মার্ট মিটার সম্পর্কে যা জানানো হয়েছে তা হতাশাজনক। গৃহস্থে যাদের অন্যায় জবরদস্তি করে স্মার্ট মিটার লাগানো হয়েছে সেগুলো খোলার বিষয়ে কোনও বক্তব্য নেই। কমার্শিয়াল, ক্ষুদ্রশিল্পে ও গৃহস্থে যাদের এই স্মার্ট মিটার লাগানো হয়েছে সেগুলো খুলে নিতে হবে। সামগ্রিক গ্রাহকদের টাকা লুট করার যন্ত্র স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার প্রকল্প বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অ্যাবেকার আন্দোলন চলবে।

জুন ০৯, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

রাহুলের জবাবে এক জোড়া তরুণ তুর্কীর ব্যাটিং আস্ফালন দেখল দিল্লি

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম দেখল এক অসাধারণ ক্রিকেট ম্যাচের সাক্ষী থাকলো। দিনটা শুরু হোল রাহুলের ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী দিয়ে। শেষ করল গিল-সুদর্শনের এক ক্লাসিক যুগলবন্দী দিয়ে। এ বারের আইপিএলে এক অন্য রাহুল কে দেখা যাচ্ছে। অনেক বেশী দায়ীত্ব নিয়ে খেলার চেষ্টা করেছেন। বদলে ফেলেছেন তাঁর ব্যাটিংয়ের ধরন। কাজে এল না রাহুলের অসাধারণ শতরান। কিন্তু মাঠে দাঁড়িয়ে ফিল্ডিং করতে করতে রাহুলের সেই ক্লাসিক ব্যাটিং থেকে শিক্ষা নিয়ে মাত করল গুজরাত টাইটান্স। ভারতের ভবিষ্যতের অধিনায়ক শুভমন গিল ও সাই সুদর্শনের ওপেনিং জুটি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল কী ভাবে রান তাড়া করতে হয়। তাঁদের ঘরের মাঠে গুজরাটকে হারিয়ে এবারের আইপিএলের প্রথম দল হিসাবে প্লে-অফে উঠল গুজরাত।দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আইপিএল ২০২৫-এর ৬০তম ম্যাচে গুজরাট টাইটানস (GT) দিল্লি ক্যাপিটালসকে (DC) ১০ উইকেটে পরাজিত করে প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত করেছে। দিল্লি ক্যাপিটালস প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৯ রান সংগ্রহ করে। উল্লেখযোগ্য, অধিনায়ক কেএল রাহুল ৬৩ বলে অপরাজিত ১১২ রান করেন।গুজরাট টাইটানস জবাবে, ওপেনার সাই সুদর্শন ৬১ বলে অপরাজিত ১০৮ রান এবং শুভমান গিল ৫৩ বলে অপরাজিত ৯৩ রান করেন। তারা ১৯ ওভারে ২০৫ রান করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয়। গুজরাট টাইটানসের এই ১০ উইকেটের জয় আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে উইকেট না হারিয়ে জয়ের রেকর্ড। মিচেল স্টার্কের অনুপস্থিতিতে দিল্লির বোলিং আক্রমণ দুর্বল হয়ে পড়ে, যা গুজরাটের ব্যাটসম্যানদের সহজে রান করতে সাহায্য করে।এই জয়ের মাধ্যমে গুজরাট টাইটানস প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত করে, যেখানে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং পাঞ্জাব কিংসও ইতিমধ্যে যোগ্যতা অর্জন করেছে। এই পরাজয়ের ফলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে-অফে যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীন। অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল দলের ফিল্ডিং এবং বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মে ১৯, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

প্রয়োজনীয় সময়ে জলে উঠলেন রাহুল, দিল্লি ক্যাপিটালসের সম্মান যোগ্য রান

সাময়ীক ক্ষরা কাটিয়ে রানে ফিরলেন এই মুহুর্তে ভারতীয় দলের মিস্টার ডিপেন্ডেবেল লোকেশ রাহুল। আইপিএলের শেষ কয়েকটি ম্যাচে বড় রান করতে না পারায় কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ডু অর ডাই ম্যাচে রাহুলের ব্যাটের ওপর ভর করেই সম্মানযোগ্য রান দিল্লির। ৬০ বলে শতরান করলেন তিনি। চলতি মরসুমে এটিই রাহুলের প্রথম শতরান।রবিবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালস ও গুজরাট টাইটানসের মধ্যকার ম্যাচে কেএল রাহুল অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। তিনি ৬৫ বলে অপরাজিত ১১২ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ১৪ টি চার ও ৪টি ছয়। আজকের শতরান ধরে রাহুল আইপিএলে তার পঞ্চম শতক পূর্ণ করেন এবং তিনটি ভিন্ন দলের হয়ে শতরান করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেনপাঞ্জাব কিংস, লখনউ সুপার জায়ান্টস এবং দিল্লি ক্যাপিটালস ।এছাড়াও, তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৮,০০০ রান পূর্ণ করে সবচেয়ে দ্রুততম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে বিরাট কোহলির রেকর্ড ভেঙেছেন। কোহলি এই মাইলফলক অর্জন করেছিলেন ২৪৩ ইনিংসে, সেখানে রাহুল তা করেছেন মাত্র ২২৪ ইনিংসে । এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে রাহুল আইপিএলে শতকের সংখ্যায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন, সেই তালিকায় তার উপরে রয়েছেন বিরাট কোহলি (৮), জস বাটলার (৭) এবং ক্রিস গেইল (৬)।কে এক রাহুলের আজকের এই ইনিংসটি দিল্লি ক্যাপিটালসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটি একটি মাস্ট-উইন ম্যাচ ছিল এবং রাহুলের এই পারফরম্যান্স দলকে ১৯৯/৩ রানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে । আবারও কেএল রাহুল প্রমাণ করেছেন যে তিনি আইপিএলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান।

মে ১৮, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলিঙ্গে ভারত-কাতার ফুটবলের মহারণ! ত্রাতার ভূমিকায় কি আবার সুনীল ছেত্রী?

উদ্বোধনী ম্যাচে কুয়েতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর, ভারতীয় পুরুষ ফুটবল দল ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ কোয়ালিফায়ারে কাতারের বিরুদ্ধে একটি হোম খেলা দিয়ে ২০২৩ এর তাদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হবে।ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ব্লু টাইগারদের দ্বিতীয় রাউন্ড-র দ্বিতীয় ম্যাচ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বলাবাহুল্য ফিফা র্যাঙ্কিং অনুযায়ী কাতার ভারতের বিপক্ষে ফেভারিট টিম হয়েই নামবে।ভারতীয় ফুটবল দলের কোচ ইগর স্টিমাচের দল ২০২৩ এ কিছুটা ভালো-খারাপের মধ্য দিয়ে চলছে, এবং এখনও পর্যন্ত তাঁরা ঘরের মাঠে অপরাজিত রয়েছে। কোলকাতার তিন প্রধানের অন্যতম মোহনবাগানের ফরোয়ার্ড মনভীর সিংয়ের অসাধরন গোলে ভারত কুয়েতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিন পয়েন্ট অর্জন করে। ঘরের মাঠে চেনা দর্শকের সামনে পূর্ণ সমর্থন নিয়ে গ্রুপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলার আগে ভারতের মনোবল আরও বাড়িয়ে দেবে বলেই ফুটবল বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। ২০১৯ এ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইপর্বের খেলায় ভারত অসাধরণ খেলে কাতারের সাথে ম্যচ ০-০ ফলে ড্র করেছে, এবং গ্রুপ এ-তে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে মঙ্গলবার পয়েন্টের আশা নিয়েই খেলতা নামবে ভারতীয় ফুটবল দল।২০২৩ এ ভারতীয় ফুটবল দল ভারতের মাটিতে যে ১১টি ম্যাচ খেলেছে, তার মধ্যে ৯টিতে তাঁরা জয়লাভ করেছে, এবং ২টি খেলা অমীমাংসিত ভাবে শেষ হয়েছে। এই বছরে ঘরের মাঠে এখনও অবধি হারের মুখে দেখেনি স্তিমাচের প্রসিক্ষানাধীন ভারতীয় ফুটবল দল। টানা আটটি খেলায় কোনও গোল খায়নি ভারত। ভারতীয় ফুটবলে এহেন ধারাবাহিকতা দেখে আশায় বুক বেঁধেছে ভারতীয় সমর্থকেরা। বিশেষজ্ঞদের আশা আজ ভুননেস্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামের একটা সিট-ও খালি থাকবে না। এই মুহুর্তে ফিফা র্যাঙ্কিং-এ ভারতীয় ফুটবল দল ৯৯ নম্বর স্থানে অবস্থান করছে। ধারাবাহিক ভাবে ভালো খেলার ফলেই ফিফার বিশ্ব ক্রমতালিকায় উঠে আসে ভারত।২১ নভেম্বর মঙ্গলবার ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭ টায় খেলা শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়। স্পোর্টস ১৮, স্পোর্টস ১৮ -১ এবং স্পোর্টস ১৮ -৩-এ ভারত-কাতার এর খেলা সরাসরি সম্প্রচার দেখতে পাবেন। এছাড়াও ভারতের সমস্ত ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের খেলা অনলাইন লাইভ স্ট্রিমিংয়ের জন্য জিও সিনেমা (JioCinema) অ্যাপ বা জিও-র ওয়েবসাইট বিনামূল্যে দেখতে পাবেন।বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের জন্য ভারতের স্কোয়াড:গোলরক্ষকঃ গুরপ্রীত সিং সান্ধু, অমরিন্দর সিং, বিশাল কাইথ।ডিফেন্ডারঃ সন্দেশ জিঘান, মেহতাব সিং, লালচুংনুঙ্গা, রাহুল ভেকে, নিখিল পূজারি, আকাশ মিশ্র, রোশন সিং নওরেম, শুভাশিস বোস।মিডফিল্ডারঃ সুরেশ সিং ওয়াংজাম, অনিরুধ থাপা, লালেংমাওইয়া আপুইয়া, ব্র্যান্ডন ফার্নান্দেস, রোহিত কুমার, সাহল আবদুল সামাদ, লিস্টন কোলাকো, নওরেম মহেশ সিং, উদন্ত সিং।ফরোয়ার্ডঃ সুনীল ছেত্রী, লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে, মানভীর সিং, ইশান পন্ডিত, রাহুল কেপি।

নভেম্বর ২১, ২০২৩
রাজ্য

ভ্যপসা গরমে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে দফায় দফায় লোডশেডিং-এ নাকাল সাধারণ মানুষ

বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৩৫ অচমকা আঁধার নেমে আসে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। টানা ২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় নাকাল সাধারণ মানুষজন। বাড়ি বাড়ি হ্যারিকেন মোমবাতির খোঁজ শুরু হয়ে যায়। বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, আউশগ্রাম, কেতুগ্রাম, মেমারি, খন্ডঘোষ, আকুই, ইন্দাস সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক যায়গায় অন্ধকার হয়ে যায়।মোবাইলের জামানায় দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম থেকে শহরে। একসাথে এতগুলো যায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় আতঙ্ক তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মনে। অনেকেই ৩০ এবং ৩১ জুলাই ২০১২র বিপর্যয় নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। এ সময় ভারতবর্ষের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। সমগ্র উত্তর ও পূর্ব ভারতের বিস্তির্ণ অঞ্চল আন্ধাকারে ডুবে গিয়েছিলো। রেল পর্যন্ত স্তব্দ হয়ে গিয়েছিলো। ৩০ জুলাই ২০১২ ব্ল্যাকআউটে কমপক্ষে ৪০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে প্রভাবিত করেছিল, এবং এককথায় এই বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যার ভিত্তিতে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ বিভ্রাট বলে অবিহিত করা হয়। যা ২০০১-র জানুয়ারী মাসের ব্ল্যাকআউটকে পিছনে ফেলে দিয়েছিলো।বৃহস্পতিবারের রাত ৯ টা ৩০ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ আসে প্রায় রাত ১০টা ৩০ নাগাদ। এরপরেও সারা রাত একাধিক যায়গায় একধিক বার বন্ধ থাকে পরিসেবা। তীব্র ভ্যপসা গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত হতে থাকে শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলের। বেশীরভাগই একটু ঠান্ডা হাওয়ার জন্য বেরিয়ে পড়েন রাস্তায়। সাধারণ মানুষের অভিযোগ সেই সময় তাঁরা বিদ্যুতবিভাগের টোল ফ্রী নম্বরে যোগাযোগ করতে চাইলেও বেশীর ভাগ মানুষ লাইন পাননি। যাঁরা পেয়েছেন তাঁদের শুধুমাত্র ডকেট (কমপ্লেন্ট নাম্বার) দিয়েই কাজ সেরেছেন তাঁরা। পরিশেষে ম্যাসেজের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে জানিয়েছেন কেবল ফল্ট ছিলো। জনতার কথা প্রতিনিধী বিদ্যুৎ বিভাগে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও লাইন পাননি।ঝড় বৃষ্টি সহ কোনোরকম প্রাকৃতীক বিপর্যয় ছাড়া এই ধরণের দফায় দফায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায়, ভরা ভাদ্রের ভ্যপসা গরমে রীতিমতো নাজেহাল সাধারণ মানুষ। ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী।সঠিক কারণ না জানতে পেরে জনতার কথার দপ্তরে ফোন আসতে থাকে, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কেউ জানান ১০ থেকে বিদ্যুৎ নেই তো কী বলেন রাত ২টো থেকে কারেন্ট নেই, আজ শুক্রবারও বারে বারে বিদ্যুৎ পরিসেবা ব্যহত হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রীতিমতো নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। গরমে অতিষ্ট হইয়ে ওঠেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু, হঠাৎ করে কেন এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এরি মধ্যে শুক্রবার ভ সন্ধ্যা বেলা বর্ধমান শহর ও সংলগ্ন এলাকা আবার অন্ধকারে ডুব দেই, সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ বিদ্যুৎ চলে গিয়ে আবার আসে ৭টা নাগাদ। এইকারণে সাধারণ মানুষের মনে আশঙ্কা, সপ্তাহান্তে শুক্রবার রাতও কি আবার বিনিদ্র কাটাতে হবে? সংস্লিষ্ট দপ্তরের কাছে কোনও সদুত্তর নেই। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ দফতরের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রেস বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৩
দেশ

নিউটাউনে হিডকো জমি দুর্নীতি, যোগীরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ২

জমি দুর্নীতি কাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতার করলো বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের মথুরা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ট্রাঞ্জিট রিমান্ডে তাদের নিয়ে আসা হচ্ছে।বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিডিডি বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, হিডকো জমি দুর্নীতি নিয়ে মোট দশটি কেস হয়েছে। বেশিরভাগ কেস হয়েছেনিউটাউনের টেকনোসিটি থানায়। এছাড়া লেকটাউন থানা ও বিধাননগর দক্ষিণ থানাতেও অভিযোগ হয়েছে। এই মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমে তন্ময় নায়েক নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়। এর মধ্যে এফআইআর এ নাম আছে এমন ২ জনকে ধরার জন্য বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার স্পেশাল টিমকে পাঠানো হয়। গোয়েন্দারা বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাতে চালাতে অবশেষে মথুরাতে তাঁদেরকে চিহ্নিত করে। সেখান থেকে অশোক পাত্র ওরফে আকাশ পাত্র এবং সুদীপ্ত রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়। আজকে তাদের ওখানকার কোর্টে তুলে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসার পরে এদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই দুর্নীতিতপ আর কারা কারা জড়িত আছে তাদের খোঁজ চালানো হবে। এরা দুজন টেকনোসিটি থানার কেসে অভিযুক্ত ছিল কিন্তু গোটা ঘটনা এখন তদন্ত করছে বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।

আগস্ট ১২, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

কাতার বিশ্বকাপে বড়সড় অঘটন, প্রথম ম্যাচেই চাপে পড়ল মেসির আর্জেন্টিনা

২০১৯ থেকে কেউ হারাতে পারেনি আর্জেন্টিনাকে। নীল সাদা জার্সি-ধারীরা টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত। অপরাজিত আর্জেন্টিনাকে হারতে হল সৌদি আরবের কাছে। কাতারের লুসেইল স্টেডিয়ামে ১-০ এগিয়েও শেষে আর্জেন্টিনা হারল ১-২ গোলে। অফসাইডের জন্য মেসির দলের ৩টে গোল বাতিল হয়ে যায়। আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করেন মেসি। সৌদি আরবের গোলদাতা আল সেহরি, আল দসেরি। বড়সড় অঘটন ঘটাল সৌদি আরব।চলতি কাতার বিশ্বকাপের প্ৰথম অঘটনের কাহিনী ঘটে গেল আর্জেন্টিনা ও সৌদি আরবের ম্যাচে। মেসি ১০ মিনিটেই পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। পিছিয়ে থেকেও দমে যায়নি সৌদি আরব। দ্বিতীয়ার্ধে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে আল সেহরি এবং সালেম আল দাসওয়ারি গোল করেন। দুজনেই বিশ্বফুটবলের ইতিহাসে নাম লেখালেন।প্রথমার্ধে মেসির গোলে ১-০ এগিয়ে মাঠ ছেড়েছিল মারাদোনার দেশ। দ্বিতীয়ার্ধে খেলার সমতা ফেরান সৌদি আরবের সালেহ আল সেহরি। পাঁচ মিনিট পর ফের গোল আরবের। সেই গোল আর শোধ করতে পারেনি মেসির দল। চেষ্টার কোনও কসুর করেনি আর্জেন্টিনা। আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু ডিফেন্স মজবুত ছিল সৌদি আরবের। তা আর ভাঙা যায়নি। গোলকিপার একাধিক সেভ করেছে। পরবর্তী মেক্সিকো ম্যাচ এখন টিকে থাকার লড়াই আর্জেন্টিনার কাছে।

নভেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

দূর্ঘটনার কারন জানতে জামালপুরে গ্রামে পরিদর্শনে এলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা

জামালপুরের কানাঘূষা গ্রামে পরিদর্শনে এলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা। নবান্নের নির্দেশে ওই টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা মৃতের পরিবারে লোকজনদের সvঙ্গেও দেখা করেছেন। গ্রামের পাশ দিয়ে বিপজ্জনকভাবে বিদ্যুতের তার গিয়েছে। কাঠের খুঁটিতে তার গুলি বাঁধা রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দারা সেগুলি সরানোর দাবি জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা বিষয়টি দেখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার এই খুঁটি থেকেই বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়। গ্রামের বাসিন্দারা ক্ষতিপূরণের দাবিতে সরব হয়েছিলেন। তারপরই এদিন বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন

অক্টোবর ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহসীনের দাপটে আবার জয় লখনউ–র, এগিয়ে গেল প্লে অফের দিকে

আবার জ্বলে উঠলেন মহসীন খান। ১৬ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেন এই বাঁহাতি জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৬ রানে হারাল লখনউ সুপার জায়ান্টস। একই সঙ্গে ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল লোকেশ রাহুলের দল। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। দারুণ শুরু করেছিলেন কুইন্টন ডিকক ও রাহুল। ওপেনিং জুটিতে ৪.১ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই ধাক্কা। শার্দূল ঠাকুর এসে ডিকককে তুলে নেন। ১৩ বলে ২৩ রান করে আউট হন ডিকক। এরপর দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলারদের আর কোনও সুযোগ দেনন লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডা। লখনউর এই দুই ব্যাটারই দারুণ ছন্দে রয়েছেন। বিশেষ করে লোকেশ রাহুলের কথা বলতেই হবে। রাহুল ও দীপক দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৫। জুটি ভাঙার জন্য সেই শার্দূল ঠাকুরকেই দায়িত্ব নিতে হয়। নিজের বলেই ক্যাচ ধরে দীপক হুডাকে ফেরান শার্দূল। ৩৪ বলে ৫২ রান করেন হুডা। হুডা আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান লোকেশ রাহুল। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে ৫১ বলে ৭৭ রান করে তিনি শেষ পর্যন্ত আউট হন। ১৬ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মার্কাস স্টয়নিস। ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৫ রান তোলে লখনউ। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে তিনটি উইকেটই নেন শার্দূল ঠাকুর। জয়ের জন্য সামনে ১৯৬ রানের লক্ষ্য। এই ধরণের লক্ষ্যে পৌঁছতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই করতে পারেনি দিল্লি ক্যাপিটালস। পৃথ্বী শর ব্যাটে ধারাবাহিকতার অভাব। এজিন মাত্র ৫ রান করে আউট হন। তাঁকে তুলে নেন দুষ্মন্ত চামিরা। ডেভিড ওয়ার্নারও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৪ বলে ৩ রান করে মহসীন খানের বলে আয়ূশ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৩ ওভারের মধ্যে ১৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। মিচেল মার্শ পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনিও বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। ২০ বলে ৩৭ রান করে তিনি কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের বলে তিনি আউট হন। ঋষভ পন্থকে (৩০ বলে ৪৪) তুলে নেন মহসীন খান। ললিত যাদব (৩) রান পাননি। রভম্যান পাওয়েল ২১ বলে করেন ৩৫। তিনি মহসীন খানের শিকার। শার্দূল ঠাকুরকেও (১) তুলে নেন মহসীন। শেষ দিকে জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন অক্ষর প্যাটেল (২৪ বলে অপরাজিত ৪২) ও কুলদীপ যাদব (৮ বলে অপরাজিত ১৬)। কিন্তু দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। ২০ ওভারে ১৮৯/৭ তোলে দিল্লি। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন মহসীন খান।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

করোনাও কাবু করতে পারল না, প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে দুরন্ত জয় দিল্লির

ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘন্টা আগে চরম অনিশ্চয়তা। আদৌও ম্যাচ হবে তো? করোনার ধাক্কায় রীতিমতো বেসামাল দিল্লি ক্যাপিটালস। মাঠের বাইরে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে বাইশ গজে দারুণভাবে জ্বলে উঠল দিল্লি ক্যাপিটালস। পাঞ্জাব কিংসকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে লিগ টেবিলে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এল ঋষভ পন্থের দল। দুই দলের কাছেই এদিন ছিল জয়ের সরণিতে ফেরার লড়াই। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল পাঞ্জাব কিংস। চোট কাটিয়ে প্রথম একাদশে ফেরেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। আর ওডিয়েন স্মিথের জায়গায় প্রথম একাদশে নেওয়া হয় মাথান এলিসকে। অন্যদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রথম একাদশে একটি পরিবর্তন। করোনায় আক্রানত মিচেল মার্শের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সরফরাজ খান। টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান। ভাল শুরু করেছিলেন চোট সারিয়ে এদিন খেলতে নামা অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিলেন। ৩.৩ ওভারে ৩৩ রানে পৌঁছে যায় পাঞ্জাব। এরপরই ধাক্কা খায়। শিখর ধাওয়ানকে তুলে নেন ললিত যাদব। ১০ বলে মাত্র ৯ রান করে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দেন। তবে পাঞ্জাব কিংস সবথেকে বড় ধাক্কা খায় পঞ্চম ওভারে। মুস্তাফিজুর রহমানের তৃতীয় বলে স্টাম্প ছিটকে যায় পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের। ১৫ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হন। মায়াঙ্ক ফিরে যাওয়ার পরপরি ধস নামে পাঞ্জাব কিংস ইনিংসে। একে একে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো (৯) ও লিয়াম লিভিংস্টোন (২)। অক্ষর প্যাটেলের বলে লিভিংস্টোনকে দুর্দান্ত স্টাম্প করেন ঋষভ। এরপর হাল ধরার চেষ্টা করেন জিতেশ শর্মা ও শাহরুখ খান। জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁদের সেই প্রয়াস কার্যকরী করতে দেননি ম্যাচের সেরা বোলার অক্ষর প্যাটেল। জিতেশ শর্মাকে (২৩ বলে ৩২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাবের বড় রানের স্বপ্নে জল ঢেলে দেন। শাহরুখ খান করেন ২০ বলে ১২। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১৫ রানে গুটিয়ে যায় পাঞ্জাবের ইনিংস। দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। খলিল আমেদ, ললিত যাদব ও কুলদীপ যাদবো ২টি করে উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১১৫ রানের লক্ষ্য একেবারেই কঠিন ছিল না দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের দুই ওপেনার পৃথ্বী শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থতার পর ছন্দ ফিরে পেয়েছেন ওয়ার্নার। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধেও শুরু থেকে ঝড় তোলেন এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। অন্যপ্রান্তে পৃথ্বী শর ব্যাটেও ঝড়। একের অপরকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পাঞ্জাবের ৩ জোরে বোলার বৈভব আরোররা, কাগিসো রাবাডা ও অর্শদীপ সিং, কেউই নিস্তার পাননি দিল্লির দুই ওপেনারের হাত থেকে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৮১ রানে পৌঁছে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। আইপিএলে পাওয়ার প্লেতে এটাই সর্বোচ্চ রান দিল্লির। চলতি আইপিএলেও এটা সর্বোচ্চ। এর আগে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস তুলেছিল ৭৩/১। ম্যাচের সপ্তম ওভারে জুটি ভাঙে দিল্লির। রাহুল চাহারের বলে নাথান এলিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পৃথ্বী শ। ৭টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ২০ বলে ৪১ রান করেন তিনি। ওয়ার্নারের সঙ্গে জুটিতে ওঠে ৮৩। নাথান এলিসকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ওয়ার্নার। ১০.৩ ওভারে ১ উইকেটে ১১৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। ৩০ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন ওয়ার্নার। মারেন ১০টি চার ও ১টি ছয়। ১৩ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকতেন সরফরাজ খান।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মাঠের বাইরে চরম ধাক্কা, বাইশ গজে এভাবে চমক দিল্লি ক্যাপিটালসের!‌

ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘন্টা আগে চরম অনিশ্চয়তা। আদৌও ম্যাচ হবে তো? করোনার ধাক্কায় রীতিমতো বেসামাল দিল্লি ক্যাপিটালস। আগেই করোনায় আক্রান্ত মিচেল মার্শ। এবার টিম সেইফার্ট। ম্যাচ শুরুর কয়েকঘন্টা আগে দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্টে আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মাঠের বাইরে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে বাইশ গজে দারুণভাবে জ্বলে উঠল দিল্লি ক্যাপিটালস। তাদের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১১৫ রানে গুটিয়ে গেল পাঞ্জাব কিংস। দুই দলের কাছেই এদিন ছিল জয়ের সরণিতে ফেরার লড়াই। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল পাঞ্জাব কিংস। চোট কাটিয়ে প্রথম একাদশে ফেরেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। আর ওডিয়েন স্মিথের জায়গায় প্রথম একাদশে নেওয়া হয় মাথান এলিসকে। অন্যদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রথম একাদশে একটি পরিবর্তন। করোনায় আক্রানত মিচেল মার্শের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সরফরাজ খান। টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান। ভাল শুরু করেছিলেন চোট সারিয়ে এদিন খেলতে নামা অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিলেন। ৩.৩ ওভারে ৩৩ রানে পৌঁছে যায় পাঞ্জাব। এরপরই ধাক্কা খায়। শিখর ধাওয়ানকে তুলে নেন ললিত যাদব। ১০ বলে মাত্র ৯ রান করে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দেন। তবে পাঞ্জাব কিংস সবথেকে বড় ধাক্কা খায় পঞ্চম ওভারে। মুস্তাফিজুর রহমানের তৃতীয় বলে স্টাম্প ছিটকে যায় পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের। ১৫ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হন। মায়াঙ্ক ফিরে যাওয়ার পরপরি ধস নামে পাঞ্জাব কিংস ইনিংসে। একে একে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো (৯) ও লিয়াম লিভিংস্টোন (২)। অক্ষর প্যাটেলের বলে লিভিংস্টোনকে দুর্দান্ত স্টাম্প করেন ঋষভ। এরপর হাল ধরার চেষ্টা করেন জিতেশ শর্মা ও শাহরুখ খান। জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁদের সেই প্রয়াস কার্যকরী করতে দেননি ম্যাচের সেরা বোলার অক্ষর প্যাটেল। জিতেশ শর্মাকে (২৩ বলে ৩২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাবের বড় রানের স্বপ্নে জল ঢেলে দেন। শাহরুখ খান করেন ২০ বলে ১২। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১৫ রানে গুটিয়ে যায় পাঞ্জাবের ইনিংস। দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। খলিল আমেদ, ললিত যাদব ও কুলদীপ যাদবো ২টি করে উইকেট নেন।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পুনে থেকে কেন সরানো হল দিল্লি ক্যাপিটালস ও রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচ?‌

২২ এপ্রিল রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচ পুনে থেকে সরিয়ে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হল। দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে একের পর এক ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবারই বোর্ডের পক্ষ থেকে এখবর জানানো হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ একটি প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গোটা দিল্লি ক্যাপিটালস দলে আজ দুই রাউন্ড কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে। করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। তাই দিল্লি ক্যাপিটালস এবং পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ নং নির্ধারিত সূচি অনুসারে মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ২২ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালস ও রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল। ওই ম্যাচ সরিয়ে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্টের আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর ভেনু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ম্যাচ শুরুর কয়েকঘন্টা আগে জানা যায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্ট। তাঁর আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মিচেল মার্শের পর টিম সেইফার্ট হলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের দ্বিতীয় ক্রিকেটার যিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আগের দিন মিচের মার্শের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট প্রথমে নেগেটিভ এসেছিল। পরে আরটিপিসিআর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আগেই দলের ফিজিও প্যাট্রিক ফারহার্ট করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। একজন ম্যাসিওরও করোনায় আক্রান্ত। টিম সেইফার্টকে নিয়ে দিল্লি শিবিরে করোনায় আক্রান্ত সদস্যর মোট সংখ্যা ৬। দিল্লি ক্যাপিটালসে একের পর এক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আইপিএলের জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠেছে। এক কঠোর জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দিল্লি ক্যাপিটালসের ৬ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে সকলেই অবাক। গত মরশুমে একের পর এক ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মাঝপথে আইপিএল বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। পরে ভারত থেকে সরিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লির বিরুদ্ধে নামার আগে আজ কী নিয়ে চিন্তা নাইট রাইডার্সের?‌

আজ আইপিএলে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিন ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তা টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। প্রথম ম্যাচে রান চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩৪ বলে করেছিলেন ৪৪ রান করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। পরের ৩ ম্যাচে তাংর ব্যাটে রান নেই। নীতিশ রানাও রান পাচ্ছেন না। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার, আন্দ্রে রাসেলদের ব্যাটেও ধারাবাহিকতার অভাব। প্রথম তিন ম্যাচে রান না পাওয়া ভেঙ্কটেশ আয়ার আগের ম্যাচে রানে ফিরেছেন। সুতরাং ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় থাকতে হচ্ছে নাইট রাইডার্সকে। বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যাটারদের নিয়ে। মিডল অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে অবশ্য খুব একটা সমস্যা নেই। তাঁদের জন্যই জয় ছিনিয়ে নিতে পারছে। ইতিমধ্যেই নাইট শিবিরে যোগ দিয়েছেন ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ। দলের সঙ্গে যোগ দিলেই রবিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না। এখনও তাঁর কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়নি। তাই অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা করতে পারছে না নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চের কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়ে গেলে রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্যাম বিলিংসকে বসিয়ে খেলানো হবে শেলডন জ্যাকসনকে। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে পরিবর্তন হতে পারে। নীতিশ রানার পরিবর্তে রিঙ্কু সিংকে খেলানোর চিন্তাভাবনা করছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ আগের ৪টি ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি নীতিশ রানা। নেটে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরছেন রিঙ্কু। ব্যাটিং বিভাগে এছাড়া আর পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।নাইট রাইডার্সের তিনটি ম্যাচে জয়ের পেছনে বোলারদেরই অবদান বেশি। বিশেষ করে উমেশ যাদবের কথা বলতে হবে। ৪ ম্যাচে ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন ৯ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। উইকেট না পেলেও প্রথম ম্যাচে নজর কেড়েছেন রসিক সালাম দার। আগের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছে। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়েছিলেন। এছাড়া সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীরাও দলকে নির্ভরতা দিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কুলদীপের ব্যাপারে কেন নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে বিঁধলেন অক্ষর প্যাটেল?‌

রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশানের দাপটে দিশেহারা বোলাররা। রোহিত ঝড় আটকাতে কুলদীপ যাদবের শরণাপন্ন হয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। গতির তারতম্য ঘটিয়ে রোহিতকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন কুলদীপ। পরে তুলে নেন আরও দুটি উইকেট। পঞ্চদশ আইপিএলে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে নতুন জীবন পেলেন এই চাইনাম্যান বোলার। গত কয়েকটা মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সে থাকলেও অধিকাংশ সময়ই রিজার্ভ বেঞ্চে কাটাতে হয়েছে কুলদীপকে। সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীর দাপটে প্রথম একাদশে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে চলে গিয়েছিল কুলদীপ যাদবের ক্রিকেটজীবন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে এই চাইনাম্যান বোলারের ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিয়েছেন। পেয়েছেন ম্যাচের সেরার পুরস্কারও। কুলদীপকে পুরনো ছন্দে দেখে খুশি সতীর্থরাও। কুলদীপের এই ছন্দে ফেরার কারণ কী? একদিকে যেমন রয়েছে হেড কোচ রিকি পন্টিংয়ের পরামর্শ, তেমনই রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা। প্রস্তুতি শিবিরে কুলদীপকে লেংথ বোলিংয়ের দিকে নজর দিতে বলেছিলেন পন্টিং। প্রথম ম্যাচে তাঁর পরামর্শমতো বোলিং করেই সাফল্য পেয়েছেন কুলদীপ। নিজের মুখেই স্বীকার করে নিয়েছেন সেকথা। দলের সতীর্থ অক্ষর প্যাটেলও জানিয়েছেন পন্টিং ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সাপোর্টও কুলদীপের সেরাটা বার করতে সাহায্য করেছে। কুলদীপের ব্যাপারে কলকাতা নাইট রাইটার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে সমালোচনা করতে ছাড়েননি অক্ষর। তিনি বলেন, নাইট রাইডার্সে নিজের জায়গার ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না কুলদীপ। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পারছিল না। দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দেওয়ার পর বুঝতে পেরেছে এখানে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছে। যে কোনও ক্রিকেটারের ক্ষেত্রেই এমন হয়। কেউ যদি জানে দলে তার জায়গা নিশ্চিত, দুএকটা ম্যাচে খারাপ খেললেও বাদ পড়বে না, তখন সেরাটা বেরিয়ে আসে। কুলদীপের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।

মার্চ ২৮, ২০২২
রাজ্য

BanglaPokkho: বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগের

পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ দপ্তর ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তাদের এই সিদ্ধান্ত জানালেন। বংলাপক্ষে-র তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালানো হচ্ছিলো যাতে সরকারি বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশিকা বাংলায় প্রকাশ করা হয়। বাংলাপক্ষের প্রথম সারির ব্যাক্তিত্ব কৌশিক মাঝি দাবি করেন তাদের আন্দোলনকে মান্যতা দিয়েই এই সিদ্ধান্ত। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ দপ্তর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে তাদের ত্রৈমাসিক বিলের স্পট প্রিন্টিং এবার থেকে বাংলায় করার সিদ্ধান্ত নিলো। তবে এটা ঐচ্ছিক, স্পট মিটার রিডিং নেওয়ার পর তারা গ্রাহকের চাহিদা মতো বাংলা অথবা ইংরাজি তে প্রিন্ট করে দেবেন।বাংলাপক্ষের পক্ষ থেকে কৌশিক মাঝি জনতার কথা কে জানান গ্রাম বাংলার সাধরণ মানুষ ইংরাজি ভাষায় ততটা সড়্গড় নন, ইংরাজি ভাষায় বিল বোঝাটা তাদের পক্ষে খুব সমস্যার কারণ হ্যে ওঠে, সেই সমস্ত মানুষজনকে অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয় বিলটা বোঝা জন্য। এবার থেকে তাঁরা নিজেদের বিল নিজেরাই বুঝে নিতে পারবেন। আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি বিদ্যুৎ দপ্তরের এই সিদ্ধান্ত-কে। তিনি জনতার কথা কে আরও জানান যে বিদ্যুৎ দপ্তরের বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা ডব্লু বি এস ই ডি সি এল (WBSEDCL) -র চাকরি বহিরাগতরা দখল করে নিচ্ছিল দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার চাকরির পরীক্ষায় বাংলা ভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হয়েছে। এর ফলে আরও বেশী করে বাংলার মানুষ এই দপ্তরে চাকরির সুবিধা পাবেন।তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে দাবী করেছেন, পশ্চিমবঙ্গ বাংলাপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন চলিয়ে যাচ্ছেন সরকারি ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানোর জন্য। তাঁদের দাবি, তাঁদের আন্দোলের ফলে কলকাতা মেট্রোরেলের স্মার্ট কার্ডে ও রেলের টিকিটে বাংলা ফিরে এসেছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, বাংলার পুলিস কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক হয়েছে (পরীক্ষা বাংলা ও নেপালী ভাষায় হয়), এছাড়া বাংলা জুড়ে বিভিন্ন ব্যাংকে ও পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবার দাবিতে ডেপুটেশন দেওয়ার ফলে নানা ব্যাংকের ফর্ম, এটিএমে বাংলা এসেছে। শিলিগুড়ি পোস্ট অফিস সহ অন্যান্য জায়গায় বাংলা ভাষায় পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েসন অফ বেঙ্গল এর প্রথম ডিভিশন ও দ্বিতীয় ডিভিশনে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, বাংলা ভাষায় সাইনবোর্ড লেখা বাধ্যতামূলক করে আসানসোল কর্পোরেশনে আইন পাশ হয়েছে যাতে সমস্ত দোকান ও কোম্পানীতে এই নির্দেশ মানে। কৌশিক মাঝি আরও জানান তাঁদের আন্দোলের ফলে সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজ ও টেন্ডারে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে বাংলা পক্ষর ক্রমাগত লড়াইয়ের ফলে নানা কারখানা ও কোম্পানীতে বাঙালিরা কাজ পাচ্ছে। তাঁরা বিধানসভায় আইন পাশের দাবিতে লড়াই চলাচ্ছেন। তিনি বলেন সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে অহিন্দি জাতির ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের কপি বাংলা ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে, বাংলার বিমানবন্দর গুলোয় বাংলায় ঘোষণা শুরু হয়েছে, ব্যাংকে চাকরির পরীক্ষা বাংলা সহ ভারতের ২২ টি সরকারি ভাষায় দেওয়ার সুযোগ এসেছে এবং সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং জয়েন্ট পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়া যায়।কৌশিক মাঝি বলেন তাঁদের দাবি হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা-এই মিথ্যে প্রচার বাংলা পক্ষর জোরালো প্রচারেই ধ্বংস হয়েছে। বাঙালির কাছে এখন এই সত্য পরিষ্কার -হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা না, ভারতের কোনো রাষ্ট্রভাষা নেই। বহিরাগত নানা কোম্পানীতে কাজ করে বাঙালি হেনস্থার শিকার হলে, কাজ হারালে এবং বেতন না পেলে বাংলা পক্ষর চাপে নানা জায়গায় বাঙালি তার অধিকার ফিরে পাচ্ছে। রাজ্য সরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারি অধ্যাপক নিয়োগের চাকরির জন্য স্টেট ইলিজিবিলিটি (SET) পরীক্ষা প্রথমবার বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ পাবে বাঙালি। এটা বাংলা পক্ষর আন্দোলনেরি ফসল। তিনি জানান বাংলা পক্ষর আন্দোলনে এমাজন (Amazon), ফ্লিপকার্ট (Flipkart) সহ নানা কোম্পানীর পরিষেবা বাংলায় পাওয়া যাচ্ছে। কোকোকলা (Coca-Cola), নেস্টলে (Nestle), বিসলেরি (Bisleri) সহ নানা বড় কোম্পানীর পণ্যের লেবেল বাংলা ভাষাই ছাপছে। তাদের উল্লেখযোগ্য দাবী বর্তমান বাংলার রাজনীতি আজ বাঙালিময়। বাঙালি জাতীয়তাবাদ বাংলার রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে তার কাণ্ডারী বাংলা পক্ষ।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতে ফাইনালে নাইট রাইডার্স

সহজ ম্যাচও যে কঠিন করে জেতা যায়, কলকাতা নাইট রাইডার্সকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জয়ের জন্য নাইটদের ২৪ বলে দরকার ছিল ১৩ রান। ৭ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে পরিস্থিতি কঠিন করে ফেলেছিল নাইটরা। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। পরপর ২ বলে সাকিব আল হাসান ও সুনীল নারাইনকে তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। শেষ পর্যন্ত ওভারের পঞ্চম বলে ৬ মেরে নাইটদের জেতালেন রাহুল ত্রিপাঠী। দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্স অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান। তাঁর মাথায় ছিল অতীত পরিসংখ্যান। সাতটি ম্যাচে পাঁচটি দলই রান তাড়া করে জিতেছে। তাছাড়া আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে নাইট রাইডার্স পাঁচটি ম্যাচে রান তাড়া করেছে, পাঁচটিতেই জিতেছে। শারজার বাইশ গজে খেলার অভিজ্ঞতা থেকেই টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নাইট রাইডার্স অধিনায়কের।দিল্লি ক্যাপিটালসের দুই ওপেনার পৃথ্বীশ এবং শিখর ধাওয়ান যেভাবে শুরু করেছিলেন, মনে হচ্ছিল নাইট অধিনায়কের সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। ৪ ওভারেই দুজনে তুলে ফেলেন ৩২। এরপরই ধাক্কা খায় দিল্লি। বল করতে এসে ব্রেক থ্রু দেন বরুণ চক্রবর্তী। পৃথ্বীকে (১২ বলে ১৮)। পৃথ্বী আউট হতেই রান তোলার গতি কমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালসের। বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইন, লকি ফার্গুসনদের আঁটোসাটো বোলিংয়ের সামনে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারেননি শিখর ধাওয়ান, মার্কাস স্টয়নিসরা। দিল্লির দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন শিবম মাভি। তাঁর বলে বোল্ড হন মার্কাস স্টয়নিস (২৩ বলে ১৮)।এরপর বরুণ চক্রবর্তীর বলে সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন শিখর ধাওয়ান (৩৯ বলে ৩৬)। পরের ওভারেই লকি ফার্গুসনের বলে রাহুল ত্রিপাঠীর হাতে ক্যাচ দেন ঋষভ পন্থ (৬ বলে ৬)। ঋষভ আউট হতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ দিল্লির। হেটমায়ের ১০ বলে ১৭ করে রান আউট হন। শেষ পর্যন্ত শ্রেয়স আয়ারের (২৭ বলে অপরাজিত ৩০) সৌজন্যে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৫ রান তোলে দিল্লি ক্যাপিটালস।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনর শুভমান গিল ও বেঙ্কটেশ আয়ার। নাইটদের ওপেনিং জুটিই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগই দেননি শুভমান ও বেঙ্কটেশ। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে এই দুই ওপেনারই নাইট রাইডার্সকে বদলে দিয়েছেন। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ৯৬। ৪১ বলে ৫৫ রান করে কাগিসো রাবাডার বলে আউট হন বেঙ্কটেশ আয়ার। নীতীশ রানা ১২ বলে ১৩ রান করে আউট হন। এরপর শুভমান গিলকে (৪৬ বলে ৪৬) ফেরান আবেশ খান। শুভমান আউট হতেই নাইট রাইডার্স ইনিংসে ধস। দ্রুত ফেরেন দীনেশ কার্তিক (০) ও মর্গ্যান (০)। তারপর শেষ ওভারে অশ্বিনের বলে নাটক। ১ বল বাকি থাকতে রাহুল ত্রিপাঠী (১১ বলে অপরাজিত ১২) নাইটকে (১৩৬/৭) জেতান।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : আবার পুরনো মেজাজে ধোনি, ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস

কিং ইজ ব্যাক। আবার ফিনিশারের ভুমিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনি। গত বছর আইপিএলের প্লে অফে পৌঁছাতে না পারার যন্ত্রণা মিটিয়ে নিলেন ক্যাপ্টেন কুল। স্নায়ুযুদ্ধে বাজিমাত করলেন। সাত নম্বরে নেমে তিনটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে দলকে জেতালেন মাহি। দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস।টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর ধারণা ছিল শুরুর দিকে ব্যাট করা কঠিন হবে। জোরে বোলাররা বাইশ গজ থেকে সাহায্য পাবেন। ধোনির সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। ৩ ওভারে ৩২ রানে পৌঁছে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। এর পরেই ধাক্কা খায় দিল্লি। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শিখর ধাওয়ান। ৭ রান করে তিনি উইকেটের পেছনে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন। পঞ্চম ওভারে শার্দুল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন ধোনি। শার্দূলের প্রথম ওভারেই পৃথ্বী শ দুটি ছক্কা মারেন। এই ওভারে ওঠে ১৪। ৫ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালসের রান দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৫০। শার্দুল ঠাকুর ২ ওভারে দিয়েছিলেন ২৮ রান। ষষ্ঠ ওভারে দ্বিতীয় উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস। হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শ্রেয়স আয়ার (১)। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি অক্ষর প্যাটেল। ১১ বলে ১০ রান করে তিনি মঈন আলির বলে আউট হন। অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়লেও ঝড় অব্যাহত ছিল পৃথ্বী শর ব্যাটে। একাদশ ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি আউট হন। ৩৪ বলে ৬০ রান করেন পৃথ্বী। এরপর দিল্লিকে ২০ ওভারে ১৭২/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও শিমরণ হেটমায়ের। ২৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হন হেটমায়ের। ঋষভ ৩৫ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। জস হ্যাজলউড ৪ ওভারে ২৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন। মঈন আলি চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৭ রান খরচ করে একটি উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুর ৩ ওভারে দেন ৩৬ রান, দীপক চাহার ৩ ওভারে ২৬, কেউই উইকেট পাননি। ব্র্যাভো এক উইকেট পেলেও ৩ ওভারে ৩১ রান খরচ করেন।জয়ের জন্য ১৭৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় চেন্নাই সুপার কিংস। ডুপ্লেসি প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে ১ রান করে এনরিখ নরকিয়ার বলে বোল্ড হন। এরপরই দলকে শক্ত ভিতে দাঁড় করিয়ে দেয় ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবিন উথাপ্পার জুটি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে এদিন ১০০ রান যোগ করেন ঋতুরাজ ও উথাপ্পা। ১৩.৩ ওভারে ৪৪ বলে ৬৩ রান করে টম কারানের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন উথাপ্পা। উথাপ্পা ফেরার পর ৮ বলের ব্যবধানে ৬ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট হারায় চেন্নাই। ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে উথাপ্পাকে আউট করার পর ষষ্ঠ বলে শার্দুল ঠাকুরকে শূন্য রানে আউট করেন কারান। ১৪.৪ ওভারে শ্রেয়স ও কাগিসো রাবাডার যুগলবন্দিতে রান আউট হন অম্বাতি রায়ুডু। তিনি ১ রান করেন। এই সময় ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। যদিও পাল্টা লড়াই চালাতে থাকেন ঋতুরাজ ও মঈন আলি। ১৮.১ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় আবেশ খানের বলে আউট হন। পাঁচটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৫০ বলে ৭০ রান করেন ঋতুরাজ। এরপর মঈনের সঙ্গে যোগ দেন ধোনি। ফিনিশারের ভুমিকায় চেনা ঝলক দেখা গেল ক্যাপ্টেন কুলের ব্যাটে। শেষ ওভারে জেতার জন্য দরকার ছিল ১৩। টম কারানের প্রথম বলে মঈন আলি (১২ বলে ১৬) আউট হন। শার্দুলকে শেষ বলে আউট করায় কারানের সামনে ছিল হ্যাটট্রিকের হাতছানি। হ্যাটট্রিক বাঁচান ধোনি। অবশেষে দুই বল বাকি থাকতে চার মেরে দলকে ফাইনালে তুলে দিলেন ধোনি (৬ বলে অপরাজিত ১৮)। ১৯.৪ ওভারে ১৭৩/৬ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় চেন্নাই।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : এলিমিনেটরে নাইট রাইডার্সের সামনে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর

প্লে অফের ছাড়পত্র আগেই এসে গিয়েছিল। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জিতলেও দ্বিতীয় স্থানে শেষ করা কার্যত অসম্ভব ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের কাছে। কারণ নেট রান রেটে চেন্নাই সুপার কিংস এতটাই এগিয়ে, তাঁদের টপকে যাওয়া কঠিন ছিল। শীর্ষে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ১৮ পয়েন্টে শেষ করলেও ৩ নম্বরেই সন্তুষ্ট থাকতে হল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে। এলিমিনেটরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে খেলবে বিরাট কোহলির দল। এদিন দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দারুণ শুরু করেন দিল্লির দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান এবং পৃথ্বী শ। জুটিতে ওঠে ৮৮ রান। ৩১ বলে ৪৩ রান করে আউট হন শিখর ধাওয়ান। এরপর পৃথ্বী শ ৩৫ বলে ৪৮ রান করে ফিরে যান। দিল্লির দুই ওপেনার আউট হওয়ার পর ম্যাচে ফিরে আসে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। মিডল অর্ডারে ঋষভ পন্থ (৮ বলে ১০) ও শ্রেয়স আয়ার (১৮ বলে ১৮) বড় রান তুলতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত হেটমায়েরের ২২ বলে ২৯ রানের সৌজন্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান তোলে দিল্লি ক্যাপিটালস।জয়ের জন্য ১৬৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। ইনিংসের পঞ্চম বলেই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল (০)। তৃতীয় ওভারে ফিরে যান অধিনায়ক বিরাট কোহলি (৪)। এবি ডিভিলিয়ার্সও (২৬ বলে ২৬) বড় রান করতে ব্যর্থ হন। এরপর দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে থাকেন শিকর ভরত ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। শেষ বলে জয়ের জন্য রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের দরকার ছিল ৫ রান। ৬ মেরে দলকে জেতান ভরত। ৫২ বলে ৭৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৩৩ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ২০ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম স্থানে শেষ করল দিল্লি ক্যাপিটালস। চেন্নাই সুপার কিংস ১৮ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। একই পয়েন্ট নিয়ে নেট রান রেটে পিছিয়ে থেকে বিরাট কোহলির ব্যাঙ্গালোর তৃতীয় স্থানে শেষ করল। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স রয়েছে করল চতুর্থ স্থানে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রামপুরহাট হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, কড়া নির্দেশ ধ্রুব সাহার

বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বৃহস্পতিবার রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজার এবং প্রিন্সিপ্যালকে ধমক দেন।ধ্রুব সাহা বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেন না। ওয়ার্ড ও শৌচালয়ের অবস্থা খারাপ। রোগীদের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে।এদিন বিধায়ক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তিনি প্রিন্সিপ্যালকে স্পষ্ট বলেন, ঠাণ্ডা ঘরে বসে না থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর নজর দিন। নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজারকেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির জন্য সতর্ক করেন বিধায়ক ।গত কয়েক মাস ধরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে নোংরা পরিবেশ, রোগী হয়রানি ও চিকিৎসায় গাফিলতির বিভিন্ন অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তার পরেই আজ বিধায়কের এই সারপ্রাইজ ভিজিট।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“তাপস-সজলদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল”, বিধায়ক হয়েই ফেসবুকে বোমা ফাটালেন কুণাল

সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি এমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। একদিকে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে দলের অন্দরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলাম। ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার মানুষকে। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। পরে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকেই দল সাসপেন্ড করেছিল।তিনি আরও লেখেন, আজ আমি তৃণমূলের বিধায়ক হয়ে শপথ নিচ্ছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাত থেকে। এটাই ভাগ্যের খেলা।সজল ঘোষকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর দাবি, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ওঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি। আজ ওঁরা বিধায়ক। আমি এখনও তৃণমূলের সৈনিক হিসেবেই আছি।তবে এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি দলের অন্দরের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে লেখেন, যাঁদের জন্য তাপসদা, সজলরা এবং আরও অনেকে দল ছেড়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এখনও একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি রাজনীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। এতে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করতে আত্মসমালোচনা খুব জরুরি।রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণালের এই পোস্টে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সাম্প্রতিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বিতর্কেরও ইঙ্গিত রয়েছে।যদিও এই পোস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ওই দলের আত্মসমালোচনা করে আর কোনও লাভ নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মন বোঝেন বলে দাবি করেন, কিন্তু ফল তো সবাই দেখেছে।অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, হ্যাঁ, কুণালদা আমাদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর হাতে কিছু ছিল না। যদি থেকে যেতাম, তাহলে আজ চোর স্লোগান শুনতে হতো।

মে ১৪, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মন্ত্রিসভা এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভার স্পিকার করলেন শুভেন্দু

এখনও পুরো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। মাত্র পাঁচজন মন্ত্রীকে নিয়েই কাজ শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভার নতুন স্পিকারের নাম ঘোষণা করা হল। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসুকে অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করল বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানান, রথীন্দ্র বসুকেই বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।দায়িত্ব গ্রহণের পর রথীন্দ্র বসু বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা আমি পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। মানুষ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই বিধানসভা চালানোর চেষ্টা করব।২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্র বসু। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেই তিনি নির্বাচিত হন। জন্ম ও পড়াশোনা সবই কোচবিহারে। কোচবিহারের বি টি অ্যান্ড ইভিনিং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর নিজের একটি সংস্থাও রয়েছে।রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আরএসএসের সদস্য ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই এবার বিধানসভার স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।তৃণমূল সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছর বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের মুখকে সামনে আনল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতার আবেগঘন আর্জি, তারপরই বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক বিরল ছবি দেখল বাংলা। হাতে কাগজ ও ছবি নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে আবেদন জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।এদিন কলকাতা হাইকোর্টে দুটি মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। একটি মামলা করেন আইনজীবী রীতঙ্কর দাস। সেখানে হগ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হামলা ও অশান্তি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়।শুনানির পর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশকেই নিতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের দোকান বা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দল না দেখে তাঁদের সাহায্য করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।আদালত আরও জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেখানে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।এই রায়ের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালত তাদের অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে সওয়াল করেছেন। হাইকোর্টও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত। যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, দোকান ভাঙা হচ্ছে, মানুষকে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।কুণাল আরও বলেন, আদালতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। এই মামলার রায় ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal