• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Court

কলকাতা

এসএসসি ঘিরে নতুন বিতর্ক, মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলের প্রার্থীদের নিয়োগ এখন আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর

কলকাতা হাইকোর্ট বৃহস্পতিবার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে স্কুল সার্ভিস কমিশনের ২০১৬ সালের মেয়াদ উত্তীর্ণ শিক্ষক নিয়োগ প্যানেলের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে হবে। বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ জানতে চেয়েছে, প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কাদের নিয়োগ করা হয়েছিল। শুধুমাত্র প্যানেল সদস্য নয়, নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষকদের নিয়োগপত্র কারা পেয়েছিলেন, সেই তথ্যও কমিশনকে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে আদালতে পেশ করতে হবে।২০১৬ সালের এই নিয়োগ প্যানেল ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বাতিল হয়েছিল। পরবর্তীতে নতুন পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং ফল প্রকাশিত হয়। কিন্তু পুরনো প্যানেলের প্রার্থীদের নিয়োগ ও নতুন প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হওয়ায় কমিশনের ওপর চাপ বেড়েছে। আদালতের এই নির্দেশ আগামী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ এবং কার্যকর করার উদ্দেশ্যে জারি করা হয়েছে।বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছেন যে মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলের কোনও প্রার্থী যদি চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন, তবে তাঁর বা তাঁদের ভাগ্য আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করবে।একই সঙ্গে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, চলতি বছরের শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ওএমআর শিট কমিশনকে আপলোড করতে হবে। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, আপনারা ওএমআর শিট আপলোড করেননি কেন? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রথম দিন থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করা উচিত, না হলে পরে আবার অনিয়মের অভিযোগ উঠবে।এভাবে স্কুল সার্ভিস কমিশনের উপর আবারও নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার চাপে আসে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নির্দেশ রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করতে পারে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
দেশ

১৪ মাসের জন্য দেশের শীর্ষ বিচারক সূর্য কান্ত! জানুন কোন মামলাগুলি আগে শুনানি হবে

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে নেতৃত্ব বদল হল আজ, ২৪ নভেম্বর। পদ ছাড়লেন দেশের প্রধান বিচারপতি বিআর গভাই। তাঁর জায়গায় দেশের ৫৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। রাষ্ট্রপতি ভবনে সোমবার সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। প্রধান বিচারপতি গভাই তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে সূর্য কান্তের নামই সুপারিশ করেছিলেন। তবে নতুন প্রধান বিচারপতির মেয়াদ খুব দীর্ঘ নয়আগামী প্রায় ১৪ মাস তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিচারপতির দায়িত্বে থাকবেন।হরিয়ানার একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯৬২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জন্মসূর্য হয়ে ওঠা সূর্য কান্তের আইনি জীবনের শুরু হিসারে ১৯৮৪ সালে। পরে তিনি পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করতে চলে আসেন। তাঁর আইনজীবী জীবনের উত্থানও কম নাটকীয় নয়২০০০ সালে হরিয়ানার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে অ্যাডভোকেট জেনারেল হন তিনি। পরের বছরই পান সিনিয়র অ্যাডভোকেটের মর্যাদা। ২০০৪ সালে তাঁকে পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ করা হয়।এরপর ২০১৮ সালের অক্টোবরে তিনি হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হন এবং ২০১৯ সালের মে পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পদোন্নতি হয় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে তিনি সুপ্রিম কোর্টের লিগাল সার্ভিস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে কাজও করছেন।Attended the oath taking ceremony of Justice Surya Kant as the Chief Justice of India. Best wishes to him for his tenure ahead. pic.twitter.com/62yeSlfmsx Narendra Modi (@narendramodi) November 24, 2025প্রধান বিচারপতির চেয়ারে বসার আগে সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেনতাঁর প্রথম লক্ষ্য হবে দেশের সমস্ত হাইকোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেলা ও নিম্ন আদালতগুলিতে কোন কোন জায়গায় কাজের সমস্যা রয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে খুঁজে বের করা। বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় বছরের পর বছর ঝুলে থাকা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পাঁচ সদস্য, সাত সদস্য ও নয় সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে তিনি সেই মামলাগুলি দ্রুত শুনানিতে আনবেন।দেশের বিচারব্যবস্থার গতি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণএই পরিবর্তনকে ঘিরে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে আইনজগত থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
দেশ

চার্জশিট নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত স্থগিত! মহুয়া মৈত্র মামলায় দিল্লি হাইকোর্টের চমকপ্রদ অবস্থান

মহুয়া মৈত্রের মামলায় বাড়ল উত্তেজনা। সুরাহা মিলল না, বরং আরও কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হল শুক্রবার। দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিলএ মুহূর্তে রায় নয়। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন মামলায় লোকপালের অনুমতি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। কিন্তু ওই আবেদনেও আপাতত স্থগিতাদেশ মিলল না। ফলে মহুয়ার অস্বস্তি কাটল না, উল্টে কিছুটা চাপ থেকেই গেল।লোকপাল সম্প্রতি সিবিআই-কে নির্দেশ দিয়েছিল, মহুয়ার বিরুদ্ধে চার সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করতে। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই হাইকোর্টে যান মহুয়া। শুক্রবার বিচারপতি অনিল ক্ষেত্রপাল ও বিচারপতি হরিশ বৈদ্যনাথ শঙ্করের বেঞ্চে দীর্ঘক্ষণ শুনানি চলে। মহুয়ার আইনজীবী নিধেশ গুপ্তর দাবিলোকপালের নির্দেশে গুরুতর ত্রুটি আছে, তাই বিষয়টি বিচারাধীন থাকা পর্যন্ত সিবিআই কোনও পদক্ষেপ করতে পারে না। তিনি লোকপালের নির্দেশ পুরোপুরি বাতিল করার আবেদনও জানান।অন্যদিকে সিবিআইয়ের আইনজীবী এএসজি এসভি রাজুর বক্তব্য ছিল একেবারে বিপরীত। তাঁর দাবিলোকপাল ইতিমধ্যেই মহুয়ার সব বক্তব্য শুনেছে। তাই এখন নতুন করে তাঁর আদালতে নথি জমার অবকাশ নেই। তিনি কেবল মৌখিক যুক্তি দিতে পারেন। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জানিয়ে দেয়রায় পরে ঘোষণা করা হবে। সিবিআইয়ের চার্জশিট সংক্রান্ত লোকপালের নির্দেশেও এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী আদেশ দেওয়া হল না।মামলার মূল পর্বও এখনও অনেকটাই বাকি। কারণ লোকপাল সিবিআই-কে চার্জশিট জমা দিতে বললেও এখনও কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপের অনুমতি দেয়নি। ২০১৩ সালের লোকপাল আইনের ধারা অনুযায়ী, চার্জশিট জমার পরই দ্বিতীয় ধাপের আবেদন বিবেচনা করা হবে। তার আগে কোনও আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে না। তাই পুরো পরিস্থিতি এখন যেন এক অদৃশ্য অপেক্ষায় ঝুলে আছেযেখানে না মহুয়া স্বস্তি পাচ্ছেন, না সিবিআই এগোতে পারছে পরবর্তী ধাপের দিকে।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

সাজা ঘোষণার আগেই নিহতের মায়ের ছবি তোলে দোষীর মেয়ে! আতঙ্কে বারাসত আদালত

বারাসত আদালতে সাজা ঘোষণার ঠিক আগেই ঘটে গেল এমন এক ঘটনা, যা নতুন করে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিল নিহত স্কুলছাত্রের পরিবারে। খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত এনজার নবীর সাজা ঘোষণা হওয়ার আগেই আদালত চত্বরে নিহত কিশোরের মা ও তাঁর ননদের ছবি তুলে নেয় অভিযুক্তের মেয়ে। তারপর সেই ছবি নাকি পাঠানো হয় আর এক খুনের আসামিকেএই অভিযোগ তুলেই বৃহস্পতিবার জেলার পুলিশ সুপারের কাছে ছুটে যান মৃত কিশোর ফারদিনের মা। পরে বারাসত আদালত এনজার নবীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের ঘোষণা করে।রায় শোনার পর কান্না চেপে সংবাদমাধ্যমের সামনে কিশোরের মা জানান, তিনি ও তাঁর ননদ আদালত কক্ষে বসে ছিলেন। হঠাৎই দেখেন, এনজারের মেয়ে তাঁদের দুজনের ছবি তুলছে। এরপরই আদালতেরই এক খুনের আসামিকে ছবি পাঠিয়ে দেয় বলে দাবি তাঁর। নিহতের মা বলেন, তাঁর আরেক সন্তান রয়েছে। তাই এই ঘটনা শোনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের পরিবারের।ফারদিনের পিসি হোসনেআরা বেগমও দাবি করেন, যে ব্যক্তির সঙ্গে ছবিগুলি পাঠানো হয়েছে, সে নাকি মাত্র চার মাসের মধ্যে খুনের মামলা থেকে জেল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। সেই কারণেই তাঁরা আরও ভয় পাচ্ছেন।এ নিয়ে জেলার পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার স্পষ্ট বক্তব্যএটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অভিযোগ। লিখিত অভিযোগ জমা দিলে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফারদিন খুনের মামলার পটভূমিতেও রয়েছে নৃশংসতার দীর্ঘ ইতিহাস। বারাসতের কাজিপাড়ায় দুই ভাইগোলাম নবী ও এনজার নবীর মধ্যে বহুদিন ধরেই সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ চলছিল। সেই দ্বন্দ্বই চরমে ওঠে তালগাছ কাটা নিয়ে। তার কয়েক দিন পরেই গত ২০২৪ সালের ৯ জুন রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় গোলামের ছেলে, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ফারদিন। পরিবারের চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে যায় সে। চার দিন পর বাড়ির লাগোয়া পরিত্যক্ত বাথরুম থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এরপর নিজের দোষ ঢাকতে এলাকায় ছেলেধরা গুজব ছড়াতে থাকে এনজার নবী। মুহূর্তে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সেই ভুয়ো খবর। শুধু এলাকাই নয়, সারা জেলাজুড়েও শুরু হয় ছেলেধরা সন্দেহে নানা মারধরের ঘটনা। পরে তদন্তে নামতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য, এবং ১৯ জুন এনজার নবীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালত তাকে এই নৃশংস হত্যার দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে।কিন্তু সাজা ঘোষণার আগেই নিহতের পরিবারের ছবি তোলা এবং তা কোনও অপরাধীর কাছে পাঠানোর অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বারাসত আদালত চত্বরে। পরিবার এখন প্রশ্ন তুলছেএই ঘটনার পিছনে কি নতুন কোনও চক্রান্ত? নাকি ভয় দেখানোর চেষ্টা? উত্তর দেবে তদন্তই।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
বিদেশ

হাসিনার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড? রাষ্ট্রসংঘের কড়া প্রশ্ন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থাকে

জুলাই বিক্ষোভে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে এবার সরব হল রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন। আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছেএই বিচার কি আদৌ ন্যায়সঙ্গত? সব মিলিয়ে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে তৈরি বিচারব্যবস্থা ও তাঁর ক্যাঙারু আদালত বলতে শুরু করেছেন অনেকেই। কারণ, আদালত ঘোষণার আগেই যেন স্ক্রিপ্ট লিখে ফেলা হয়েছিলহাসিনা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ফাঁসির সাজা।রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনের মুখপাত্র রবিনা সামদাসানি এক বিবৃতিতে জানান, এই রায় নিয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। তাঁর কথায়, গত বছরের বিক্ষোভ দমনের সময় যে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই ঘটনার সঠিক বিচার অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে রাষ্ট্রসংঘের হাতে যথেষ্ট তথ্য নেই। তবুও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিচার হওয়া উচিতএটাই তাঁদের বার্তা।রবিনা আরও বলেন, অভিযুক্ত শেখ হাসিনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। অনুপস্থিতিতেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়যে পরিস্থিতির মধ্যেই হোক না কেন, তারা এমন বিচারকে সমর্থন করে না। তাঁদের আশা, বাংলাদেশ সত্যিকারের ন্যায়বিচারকে গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামলাবে।রাষ্ট্রসংঘের পাশাপাশি হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থার মহাসচিব অ্যাগনেস কালামার্ড একেবারে সরাসরি মন্তব্য করেছেনজুলাই বিক্ষোভের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সত্যিই ভয়াবহ ছিল, কিন্তু সেই অপরাধের বিচার হতে হবে সুষ্ঠুভাবে। এই বিচারপক্রিয়া না সঠিক, না আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে হয়েছে। তাঁর কথায়, মৃত্যুদণ্ড এমনিতেই অত্যন্ত নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানজনক শাস্তি। আধুনিক কোনও ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের জায়গাই নেই।সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক সমাজের একাংশের চোখে পুরো বিচার ব্যবস্থাটাই এখন প্রশ্নের মুখে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এই রায় আরও অস্থিরতা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
কলকাতা

অভিজ্ঞতার ১০ নম্বর নিয়ে তোলপাড়! এসএসসি তালিকায় ১৯৯৭ পর জন্মেও ‘এক্সপেরিয়েন্স’?

এসএসসি-র এগারো-বারোর শিক্ষক নিয়োগে ফের নতুন করে বিতর্কে আগুন লেগেছে। উচ্চ কাট-অফের চাপে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নতুনরা। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে ৬০ নম্বরের মধ্যে পূর্ণ ৬০ পেলেও চাকরি হয়নি একাধিক প্রার্থীর। কমিশনের প্রকাশিত প্রাথমিক তালিকায় দেখা যাচ্ছে, মোট ২০ হাজারের সামান্য বেশি প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে, আর সেই তালিকার বড় অংশেই ইন-সার্ভিস শিক্ষকেরা সুবিধা পেয়েছেন অভিজ্ঞতার অতিরিক্ত দশ নম্বরের জোরে। এই বাড়তি নম্বরেরই বিরোধিতায় এবার পথে নেমে সরব হয়েছেন নবাগত চাকরিপ্রার্থীরা।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ আরও বিস্ফোরক। তাঁদের বক্তব্য, যাঁদের জন্ম ১৯৯৭ সালের পর, এমন বহু প্রার্থীও নাকি অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ১০ নম্বর পেয়েছেন বলে তালিকায় দেখা যাচ্ছে। বয়সের হিসাবে যা একেবারেই অসম্ভব। এই অভিযোগ ঘিরে শোরগোল বাড়তেই স্কুল সার্ভিস কমিশন নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। কমিশনের বক্তব্য, যে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণই প্রার্থীদের অনলাইন মাধ্যমে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। আপাতত ৬০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার নম্বর যুক্ত করে প্রাথমিক তালিকা বানানো হয়েছে। এর পরেই তথ্য যাচাইকরণ চলবে। সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশনে কোনও গরমিল ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাবেন। পরে অঞ্চলভিত্তিক ইন্টারভিউ লিস্ট প্রকাশ করা হবে।এদিকে অভিযোগ উঠছে কাট-অফ এতই বেশি যে, ভালো নম্বর পেয়েও বহু প্রার্থী তালিকার বাইরে। ইংরেজিতে কাট-অফ ৭৭, বাংলায় ৭৩, অঙ্কে ৭১ এবং ইতিহাসে ৭৫এই অত্যাধিক কাট-অফের কারণেই নাকি পূর্ণ নম্বর প্রাপ্তদের মধ্যেও বাদ পড়ার ঘটনা ঘটছে। যদিও কমিশন সূত্রের দাবি, যাঁদের ডাকা হয়েছে তাঁদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ফ্রেশার। কিন্তু কমিশনের এই ব্যাখ্যায় পরিস্থিতি শান্ত তো হয়নি, বরং ক্ষোভ আরও বেড়েছে।করুণাময়ী থেকে বিকাশ ভবন পর্যন্ত এ দিন রীতিমতো মিছিল করে বিক্ষোভ দেখান নবাগত চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের দাবি, অভিজ্ঞতার অতিরিক্ত ১০ নম্বর প্রক্রিয়াটাই অবিচার। ফুল মার্কস পেয়েও যদি ইন্টারভিউর ডাক না আসে, তাহলে নিয়োগ পদ্ধতি প্রশ্নের মুখে পড়ে। ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে পরিস্থিতি, আর এই নিয়েই সরগরম রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগের অঙ্গন।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
কলকাতা

সোনারপুর কাণ্ডে পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য হাই কোর্টের, এফআইআরে ‘বেআইনি’ অভিযোগ!

সোনারপুরে শুল্ক আধিকারিককে মারধরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, অভিযোগ পাওয়ার পর FIR দায়েরের ক্ষেত্রে পুলিশ একটিও আইন মানেনি। বিচারপতির প্রশ্ন, অভিযোগ পেয়েই FIR দায়ের? প্রাথমিক অনুসন্ধান করলেন না কেন? সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন সম্পর্কে জানেন না?বিচারপতি আরও জানতে চান, ৩৫(৩) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শুল্ক আধিকারিককে নোটিস পাঠানো হয়েছিল কি না। সরকারি আইনজীবী এই প্রশ্নের কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। ফলে হাই কোর্টের তীব্র প্রতিক্রিয়া আইনের চোখে সবাই সমান, পুলিশ যদি নিয়ম ভাঙে, আদালত চুপ করে থাকতে পারে না।প্রসঙ্গত, গত মাসে সোনারপুরে এক শুল্ক আধিকারিকের গাড়িতে অটো ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে বচসা বাঁধে স্থানীয় অটোচালকদের সঙ্গে। সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামলালেও কিছুক্ষণ পর প্রায় ৫০-৬০ জন দুষ্কৃতী আধিকারিকের আবাসনে ঢুকে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ওই শুল্ক আধিকারিককে বেধড়ক মারধর করা হয়, মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকেও হেনস্তা করা হয়। পরে তাঁকে কল্যাণী এইমসে ভর্তি করা হয়।পুলিশ তদন্তে নামে এবং পরদিনই তিন অটোচালক আজাদ আলি মণ্ডল, সুরজ আলি মণ্ডল ও অলোক মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে। পরে আরও আটজন গ্রেপ্তার হয়, কিন্তু তাঁরা এফআইআরে নাম না থাকায় আদালত থেকে জামিন পেয়ে যান। এই নিয়েই পুলিশের তদন্তে বেআইনি তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত।বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ বলেন, আইন অনুযায়ী প্রাথমিক অনুসন্ধান ছাড়া সরাসরি FIR দায়ের করা যায় না। পুলিশের এই আচরণ স্পষ্টতই বেআইনি। হাই কোর্টের নির্দেশ, আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ওই শুল্ক আধিকারিকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR-এর ভিত্তিতে কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ।এই রায়কে কেন্দ্র করে রাজ্য প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আদালতের মন্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত, পুলিশের কাজের ধরন নিয়ে আদালত আর চোখ বন্ধ করে থাকবে না। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আইন ভাঙলে সে সাধারণ মানুষ হোক বা পুলিশ কাউকেই ছাড়া হবে না।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

পথকুকুরদের সরাতেই হবে — শীর্ষ আদালতের ঐতিহাসিক নির্দেশে তোলপাড় দেশ

দেশজুড়ে পথকুকুরদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার এক ঐতিহাসিক নির্দেশে শীর্ষ আদালত জানাল, দেশের সমস্ত হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও খেলাধুলোর মাঠ এসব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকে সব পথকুকুরকে সরিয়ে ফেলতে হবে। তাদের নিরাপদে নিয়ে যেতে হবে ডগ শেল্টারে, এবং কোনওভাবেই আবার আগের জায়গায় ছেড়ে দেওয়া যাবে না।বিচারপতি বিক্রম নাথ, সন্দীপ মেহতা ও এন.ভি. আঞ্জারিয়া-র বেঞ্চে পথকুকুরদের কামড় নিয়ে চলা স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দেন আদালত। বলা হয়, আগামী আট সপ্তাহের মধ্যেই এই কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে।সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ সরকারি হাসপাতাল, বাসস্ট্যান্ড, স্কুল, কলেজ, রেলস্টেশন বা জনবহুল স্থানে একটিও পথকুকুর রাখা যাবে না। যেসব কুকুরকে ধরা হবে, তাদের শেল্টারে পাঠানোর পর যেন আর কখনও ওই এলাকায় না ফেরা যায়, সে দিকেও নজর রাখতে হবে প্রশাসনকে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এই পুরো প্রক্রিয়া অ্যামিকাস কিউরি-র মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে পরবর্তী শুনানিতে, যা নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১৩ জানুয়ারি।শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ আসতেই নতুন করে আলোচনায় আগুন। কারণ কয়েক মাস আগেই এমনই এক নির্দেশ দিল্লি ও এনসিআর অঞ্চলে জারি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, যা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ হয়েছিল। পরে সেই রায় সংশোধন করে বলা হয়, কেবল টিকাকরণ ও নির্বীজকরণের পরই পথকুকুরদের ছেড়ে দেওয়া যাবে। তবে এবার আদালত বলেছে, হাসপাতাল বা রেলস্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কোনও অবস্থাতেই তাদের রাখা যাবে না। আদালতের ভাষায়, জননিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাই অগ্রাধিকার। তাই জনবহুল এলাকাগুলিতে পথকুকুর রাখা যাবে না।এর পাশাপাশি, আদালত গরুদের ক্ষেত্রেও নির্দেশ দিয়েছে দেশের সমস্ত জাতীয় ও রাজ্য সড়ক থেকে গরুদের সরিয়ে নির্দিষ্ট গোরক্ষাকেন্দ্রে রাখতে হবে। রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে, হাইওয়ে হেল্পলাইন নম্বর চালু করতে হবে এবং হাইওয়ে পেট্রোলিং টিম তৈরি করতে হবে, যাতে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো প্রাণীদের দ্রুত উদ্ধার করা যায়।পর্যবেক্ষক মহলের মতে, এই নির্দেশ একদিকে যেমন শহুরে নিরাপত্তার দিকে বড় পদক্ষেপ, অন্যদিকে প্রাণীপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়াতে পারে। অনেকেই বলছেন, পথকুকুরদের সরিয়ে ফেলা সমাধান নয়, তাদের টিকাকরণ ও দায়িত্বপূর্ণ যত্নই দরকার। তবে আদালতের মতে, জননিরাপত্তা ও মানুষের জীবনই সর্বাগ্রে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

'দাগি' তালিকায় TMC কাউন্সিলরের নাম, হাইকোর্টে ফের মামলা করার হুঁশিয়ারি

অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ হতেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর নাম। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের নামও উঠে এসেছে দাগি তালিকায়। শনিবার প্রকাশিত তালিকায় ১,৮০৪ জনের মধ্যে রয়েছেন তিনিও। তালিকায় নিজের নাম দেখে ক্ষুব্ধ কুহেলি জানিয়েছেন, তিনি আগামী সোমবার ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন।কুহেলি ঘোষ বলেন, আমি আগেই মামলা করেছিলাম। সিবিআই-কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলাম। আদালতে জানিয়েছিলাম, আমাকে যে কোনও তদন্তকারী সংস্থা ডাকুক। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে ডাকেনি। হঠাৎ করেই জানতে পারলাম তালিকা প্রকাশ হচ্ছে, আর সেখানে আমার নাম রয়েছে। কেন আমার নাম এসেছে, সেটা এখনও পরিষ্কার নয়।তালিকার ৬৪৭ নম্বরে রয়েছে কুহেলির নাম। প্রথমে তিনি প্রাথমিক শিক্ষিকার পদে নিযুক্ত ছিলেন। পরে হাইস্কুলে শিক্ষিকার চাকরিও পান। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পুরনো প্রাইমারির চাকরিতে ফেরার জন্য সব নথি জমা দিলেও এখনও সেই প্রক্রিয়া এগোয়নি। পরীক্ষা দিয়ে নিয়ম মেনে তিনি চাকরি পেয়েছেন বলেই দাবি করেছেন কুহেলি ঘোষ।শুধু কুহেলি ঘোষই নন, ওই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন একাধিক রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী নামও। তালিকার ৩১৬ নম্বরে রয়েছেন হুগলির খানাকুলের দাপুটে তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য বিভাস মালিক। তিনি তারকেশ্বরের একটি বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি ১,৩৩২ নম্বরে রয়েছে তাঁর স্ত্রী সন্তোষি মালিকের নামও। তালিকায় আরও রয়েছে জেলা পরিষদের সদস্যা সাহিনা সুলতানার নাম।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজ্য

নির্ধারিত দিনেই SSC-এর পরীক্ষা, দাগিরা সুযোগ পেলে 'ফল' ভুগবে রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বেআইনি নিয়োগ-কেলেঙ্কারির কারণে দাগি (অযোগ্য) প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) আসন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, নিয়োগ পরীক্ষার নির্ধারিত দিন ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর বজায় রেখে পরীক্ষা বাধা ছাড়াই সম্পন্ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এক জন দাগি অযোগ্য প্রার্থীও যেন পরীক্ষায় বসতে না পারে তা নিশ্চিত করা SSC কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব ।SSC-এর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১,৯০০ জন প্রার্থী দাগি বা অযোগ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত ।সুপ্রিম কোর্ট SSC-কে এক সপ্তাহের মধ্যে (৭ দিনের মধ্যে) অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়; তা না হলে SSC-কে ফল ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।কলকাতা হাইকোর্ট আগেই দাগি প্রার্থীদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন, যা upheld হয় ডিভিশন বেঞ্চের মাধ্যমে ।একই সঙ্গে এদিন আদালত জানিয়েছে, অযোগ্যদের পুনরায় সুযোগ দেওয়ার SSC ও রাজ্য সরকারের যুক্তিও দ্বিগুণ শাস্তির সমতুল্য হবে। আদালত ত আরো জানিয়েছে, সমাজে প্রতারণার জন্য কোন স্থান নেই।স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, এসএসসির আইনজীবী এদিন জানিয়েছেন দাগী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ১,৯০০ জন।SSC-কে সেই নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।বিধি লঙ্ঘনের ফল SSC-কে ভোগ করতে হবে বলেও এদিন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই বক্তব্যের পর এসএসসি-র তরফে আইনজীবী জানিয়েছেন, সম্ভব হলে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবারই দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে স্পষ্ট যে, নিয়োগে স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে দাগি প্রার্থীরা কোনোভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবে না, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়মতো, আইনগত ও নৈতিক মানদণ্ড অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

শোভন–রত্নার ডিভোর্স মামলা খারিজ, কী জানাল আদালত?

কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ও রাজনীতিবিদ শোভন চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক দায়ের করা বিবাহবিচ্ছেদ (ডিভোর্স) মামলা খারিজ হয়েছে আলিপুর আদালতে। পাশাপাশি, স্ত্রীর (রত্না চট্টোপাধ্যায়) একসঙ্গে থাকার আবেদনটিও বাতিল করা হয়েছে। আইনি বিবাহবিচ্ছেদ না হলে, দাম্পত্যে আইনি বিচ্ছিন্ন অবস্থাই গণ্য হবে।২০১৭ সাল থেকে মামলাটি চলছে, দীর্ঘ আট বছর পর আদালতের এই রায় এসেছে।শোভন চট্টোপাধ্যায় তার আবেদনপত্রে রত্নার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনেছিলেনযেমন: সন্তানদের দেখাশোনা না করা, অর্থ/সম্পত্তি তছনছ করা, মানহানির অভিযোগকিন্তু এসব প্রমাণ করতে পারেননি আদালতে। তাই রায় ফিরে গেছে।অন্যদিকে, রত্নার একসঙ্গে থাকার দাবি বা আবেদনের ক্ষেত্রেও আদালত সাড়া দেয়নি।ফলে সে দাবি খারিজ হয়েছে। আলিপুর আদালতের বিচারক স্পষ্ট জানিয়েছেন, যে শোভনের অভিযোগ আইনগতভাবে প্রমাণ যোগ্য নয়; তাই ডিভোর্স দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে, সেপারেট থাকার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেনআইনে বিবাহিত আবারও একসাথে থাকার নির্দেশ নেই। একটি বাংলা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছেডিভোর্সের আবেদনে যে যুক্তিগুলো দাখিল করা হয়েছিল, তাতে আদালত সন্তোষজনক প্রমাণ না পাওয়ায় শোভন এবং রত্নার বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকার রায় দিয়েছেন।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

অযোগ্য শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশের দিন কড়া নির্দেশ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট

এসএসসি মামলায় নয়া মোড়। আর কোনও অজুহাত নয়, ৭ দিনের মধ্যে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে ওয়েবসাইটে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এই নির্দেশ দিয়েছেন। এসএসসিকে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে ফের বিড়ম্বনায় রাজ্য সরকার। আদালত জানতে চেয়েছে, কোনও মন্ত্রী সুপারিশ করছে? কিছু পাইয়ে দিতে চাইছে? চাকরি যাওয়ার জন্য় সম্পূর্ণ দায়ী এসএসসি, দায়ী বোর্ড। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যেন স্বচ্ছতা থাকে। আপনারা কেন তালিকা প্রকাশ করছেন না? একজনও যদি আবেদন করে, পরীক্ষা দেয়, তাহলে ফের সিবিআইকে ডাকবে আদালত। বিচারপতি বলেন, কেন এতদিন তালিকা প্রকাশ করেননি? আগামী ৭ দিনের মধ্যে অযোগ্যদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। একজন দাগী পরীক্ষার্থীও যদি পরিক্ষায় বসে তাহলে তার ফল ভোগ করতে হবে এসএসসিকে। আইনজীবীদের একাংশ জানিয়েছেন, রাজ্য় সরকার অযোগ্য়দের কাছ থেকে টাকা ফেরতের কোনও বন্দ্যোবস্ত করেনি। বরং সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। যোগ্য আন্দোলনকারীরা বলেন, আমরা বারে বারে বলেছি আযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে। আমাদের কথা শোনা হয়নি। এবার সেই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

আগস্ট ২৮, ২০২৫
রাজ্য

RG Kar কাণ্ডে তৃণমূলের দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অভয়ার বাবার! উত্তাল রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ!আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ! আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণীর বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করতেই কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে পালটা বোমা ফাটালেন নির্যাতিতার পরিবার।কী অভিযোগ নির্যাতিতার বাবার? সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলেন, আমাদের সঙ্গে উনি টাকা দিয়ে ব্যাপারটা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। বাড়িতে আসেননি, তবে বলেছিলেন আপনাদের এত টাকা দিচ্ছি, ব্যাপারটা মিটিয়ে নিন। পাশাপাশি বেশ কিছু হোয়্যাটসঅ্যাপ চ্যাটও সাংবাদিকদের দেখান নির্যাতিতার বাবা। তিলোত্তমার মা-বাবা আরও অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যেই কুণাল ঘোষ তাঁদের ফোন ও মেসেজ করতেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কুণাল ঘোষও। তাঁর কথায়, তিলোত্তমার বাবা বলছেন আমি নাকি ফোন করে রফার চেষ্টা করতাম! এতদিন পর এসব বলছেন? কত বড় মিথ্যা বলছেন ভেবে দেখুন। আমি অনুরোধ করছি, কোর্টে গিয়ে মাননীয় বিচারকের কাছে সব প্রমাণ দিন। সাংবাদিকদেরও প্রিন্ট আউট দিয়ে দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবটা দিয়ে দিন। সবাই দেখুক কুণাল ঘোষ কী লিখেছিলেন। অকারণে রহস্য বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।কোনও ভাবেই মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার যে অঙ্গীকার তা থেকে আমাদের পিছু হটানো যাবে না। তৃণমূল সরকার বারে বারে যাতে ন্যায় বিচার না পাই তার চেষ্টা করেছে। এবার এক সন্তানহারা বাবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তৃণমূলেরই মুখপাত্র। তবে মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনবই। কোনও শক্তি সেই ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার লড়াই থেকে আমাদের বিরত করতে পারবে না। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে লড়াই হবে আইনি পথেই। এভাবেই বছর পেরোলেও মনোবল অটূট রেখে লড়াই জারির বার্তা দিলেন আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের বাবা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে নির্যাতিতার বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে আরজি করের নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ ছিল, CBI টাকা নিয়ে তদন্ত চেপে দিয়েছে। সিবিআইকে টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। কুণাল ঘোষ সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে বিষয়টা দেখাশোনা করেছেন। আরজি করের নির্যাতিতার বাবার এই মারাত্মক অভিযোগের ব্যাপারে আগেই কুণাল ঘোষ তাঁকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন তিনি।এর আগে গত সপ্তাহে নিহত চিকিৎসকের বাবাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ক্ষমা চাইতে বলেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, নিহত চিকিৎসকের বাবার প্রতি ম্পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে, তবে ইচ্ছেমতো বা অন্য কারও প্ররোচনায় মিথ্যে অভিযোগ করা যায় না। পাশাপাশি কুণাল ঘোষ সতর্ক করে বলেন,ক্ষমা না চাইলে আদালতে প্রমাণ হাজির করতে হবে। নোটিশ পাওয়ার পর চার দিনের সময়সীমা দিয়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র।কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি মিথ্যে ও নাটকের সব সীমা অতিক্রম করেছেন। আমি বুঝি, মেয়েকে হারানোর যন্ত্রণায় থাকা এক বাবার বেদনা কতটা গভীর। কিন্তু তাই বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ করলে প্রশ্ন উঠবেই। কার নির্দেশে বা কোন তথ্যের ভিত্তিতে এমন কথা বললেন? উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ডিউটিতে থাকা ৩১ বছর বয়সি এক চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে সিবিআই তদন্তেও দোষী হিসাবে উঠে আসে সঞ্জয়ের নামই। শিয়ালদা আদালতে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয়।নিহত চিকিৎসকের বাবা সিবিআই তদন্তের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সিবিআই শুধু কলকাতা পুলিশের সেই পুরনো তত্ত্বকেই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। আমরা শুরু থেকেই ভিন্ন দাবি জানালেও সিবিআই আমাদের বক্তব্য উপেক্ষা করেছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার সিবিআইকে ঘুষ দিয়েছে এবং কুণাল ঘোষই এই সমঝোতা করিয়েছেন।

আগস্ট ২১, ২০২৫
রাজ্য

এসএসসির ২৬হাজার শিক্ষকের রিভিউ পিটিশন, বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় ফের বড় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে ছিল রাজ্য সরকার, স্কুল সার্ভিস কমিশন, চাকরিহারাদের একাংশ-সহ নানা পক্ষ। সেই মামলার শুনানি শেষ হয় গত ৫ অগস্ট। দুই বিচারপতির বেঞ্চ এ বার জানিয়ে দিল, পুনর্বিবেচনার আর্জির আদালতে শুনানির দরকার নেই। পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতিরা। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দুর্নীতি এবং একাধিক অনিয়মের অভিযোগে গত ৩ এপ্রিল এসএসসির প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ অনিয়মের অভিযোগে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেয়। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, সঠিক তথ্য না থাকায় যোগ্য এবং অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে পুরো প্যানেল বাতিল করা হল। নতুন করে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয় এসএসসিকে। দাগি বা চিহ্নিত অযোগ্যদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেয় আদালত। পরবর্তীতে এসএসসি এবং রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানায়। আবেদন জানায় চাকরিহারাদের একাংশও। কিন্তু রিভিউ পিটিশন বাতিল হওয়ায় চাকরি ফিরে পাওয়ার তেমন কোনও সম্ভাবনা থাকল না বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। ইতিমধ্যে চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে কলকাতার রাস্তায় বহু আন্দোলন সংগঠিত করেছে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকরা।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

১০০ দিনের কাজ নিয়ে হাইকোর্টে বড় ধাক্কা কেন্দ্রীয় সরকারকে

গতকালই ওবিসি মামলায় হাইকোর্টে জোরদার ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার। এবার ১০০ দিনের কাজ নিয়ে বড় ধাক্কা খেল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার নজিরবিহীন একটি নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। পশ্চিমবঙ্গে ফের ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প চালু করতে হবে, এই মর্মে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ১ আগস্ট থেকেই এই প্রকল্প চালু করতে নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চ।উল্লেখ্য, বাংলায় ১০০ দিনের কাজের টাকা বহুদিন ধরে আটকে রেখেছে কেন্দ্র, এই অভিযোগ করে আসছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্য সরকারের একাধিক মন্ত্রী এই ব্যাপারে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বারবার সমালোচনায় সরব হয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে লাগামহীন দুর্নীতি হয়েছে। এই দুর্নীতির তদন্তে কেন্দ্র বেশ কয়েকটি দলও বাংলার জেলায় জেলায় পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।কেন্দ্রের অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী আদালতে জানিয়েছিলেন, ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গে মোট ৫ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা বন্টনের ক্ষেত্রে গরমিল ধরা পড়েছে।। তার মধ্যে ২ কোটিরও বেশি টাকা পুনরুদ্ধার করা গিয়েছে। হুগলি, মালদা, বর্ধমান, দার্জিলিংয়ের মতো জেলাগুলিতে ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্টনের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েছে কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল। ১০০দিনের কাজের প্রকল্পে টাকা বন্টনের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে বেনজির দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ কেন্দ্রের।রাজ্যে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প আটকে থাকা নিয়ে মামলার শুনানি বুধবার ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। এদিন উভয় পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনেছেন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। এরপর প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছেন যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্যই বিশেষ কোনও বেঁধে দিতে পারে কেন্দ্র। এই রায়ের পর সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ১০০ দিনের পুরনো বকেয়া টাকা ফেরত দিতে হবে।

জুন ১৮, ২০২৫
রাজ্য

চাকরিহারা শিক্ষকদের আন্দোলন থেকে সুপ্রিম কোর্টের ডিএ নির্দেশ, কি বললেন সুকান্ত মজুমদার?

নিউটাউন বাস ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।গতকাল বিকাশ ভবনের সামনে শিক্ষকদের আন্দোলনে অশান্তিগতকাল রাতে যে বর্বরোচিত আচরণ শিক্ষক সমাজের উপর হয়েছে সেটা এর আগে অন্য কোনো রাজ্যে দেখা যায়নি এটা লজ্জার এরাজ্যের। বাংলার মানুষ এর জবাব দেবে। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করা উচিত। গতকালের বিকাশ ভবন এর ঘটনা নিয়ে পুলিশের বক্তব্যযে ছবি গতকাল দেখা গিয়েছে সেটা যদি পুলিশের সংযম এর ছবি হয় তাহলে এই পুলিশ কতটা হিংস্র ভেবে দেখুন। একদিন রাজ্যের সব শিক্ষক কাজ বন্ধ করে এর প্রতিবাদ করা উচিত। পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলি হেলনে লাঠি পেটা করে এই শিক্ষকদের যোগ্য চাকরির আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। গতকাল সব্যসাচী দত্ত বিকাশ ভবনসব্যসাচী দত্ত কে পাঠানো হয়েছিল গুন্ডামি করানোর জন্য। এরা পুলিশ নয় তো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা তো এত খারাপ নয় যে হাফ প্যান্ট পরে পুলিশকে ঘুরতে হবে। শিক্ষকদের আন্দোলন বিকাশ ভবনেআসল লোক বসে আছে নবান্ন এ। তাকে প্যাঁচে ফেলুন। রাজ্য সরকার বারবার শিক্ষকদের ললি পপ দিয়ে বোকা বানিয়েছেন। গতকাল বিকাশ ভবনে সরকারি কর্মচারী ও সাধারণ মানুষ আটকে থাকাগতকাল বিকাশ ভবনে যদি সাধারণ মানুষ বা সরকারি কর্মচারী আটকে থাকে তাহলে পুলিশের উচিত ছিল বুঝিয়ে বলা। আর মনে হয় না আমার যে কোনো শিক্ষক শিক্ষিকা কোনো গর্ভবতী মহিলাকে আটকে রেখে হেনস্থা করবে বললে। সুপ্রিম কোর্ট এর নির্দেশ ডিএ নিয়েসুপ্রিম কোর্ট প্রথম নির্দেশ দিয়েছিলেন ৫০% ডিএ মেটানোর কথা ।কিন্তু পরে আজ বলা হয়েছে কোর্টের তরফে ২৫% ডিএ মেটানোর জন্য। তবে এই বকেয়া ডিএ পুরোটা মেটানো উচিত। রাজ্য সরকার এই রাজ্যকে ভিখিরিতে পরিণত করেছে।কোর্টের এই রায় কে স্বাগত জানাই। সরকার যদি চুরি না করত তাহলে এই হাল হতো না রাজ্যের। মুর্শিদাবাদের অশান্তি নিয়ে রিপোর্ট পেশযদি পূর্ব পরিকল্পিত হয় তাহলে রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা বিভাগ জানতে পারেনি কেন? তাহলে ব্যর্থতা কার। ব্যর্থতার দায় কে নেবে মুখ্যমন্ত্রী, ডিজি পুলিশ নাকি অন্য কেউ। দায় নিতে হবে সরকাকে।

মে ১৬, ২০২৫
দেশ

ফুটপাথ দখলমুক্ত রাখতে সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা! গাইডলাইন তৈরির জন্য দু’মাস সময়সীমা বেঁধে দিল আদালত

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট, সম্প্রতি দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে যে, ফুটপাথ বা পথচারি চলাচলের পথ যেন কোনোভাবেই দখল না হয়। এই রায়ের মাধ্যমে আদালত শুধু অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি, বরং নাগরিক অধিকারের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দিয়েছে।রায়ের মূল নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে:প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি করতে হবে, যা ফুটপাথ ব্যবস্থাপনা ও হকার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।স্থানীয় প্রশাসন, বিশেষ করে পুরসভা ও নগর উন্নয়ন সংস্থাগুলিকে সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।হকারদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করতে হবে, যাতে জীবিকার অধিকার ও পথচারি অধিকারের মধ্যে সুষম ভারসাম্য বজায় থাকে।কেন এই রায় গুরুত্বপূর্ণ?১. সাধারণ মানুষের অধিকারের স্বীকৃতিফুটপাথ মূলত পথচারীদের জন্য। কিন্তু দেশের বহু শহরে ফুটপাথ দখল হয়ে যায় দোকান, হকার বা নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা। এর ফলে সাধারণ মানুষের চলাচল বিঘ্নিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের রায় এই রাইট টু মোভমেন্ট বা চলাচলের অধিকারকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিয়েছে।২. হকারদের জীবিকা বনাম জনসাধারণের সুবিধাহকাররা দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে হকারদের অনিয়ন্ত্রিত বসতি শহরের অবকাঠামোকে সংকুচিত করে। আদালত এ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সমাধান চেয়েছেহকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, এবং পথচারীদের জন্য মুক্ত রাস্তা।৩. শহরের পরিকল্পিত উন্নয়নফুটপাথ দখল মুক্ত হলে শহরের সৌন্দর্য, যানবাহন চলাচল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত হবে। এটি নগর উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত।চ্যালেঞ্জ ও করণীয়অনেকেরই ধারণা রাজ্য সরকারগুলির নিষ্ক্রিয়তা দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়েছে। অনেক রাজ্যে এখনও হকারদের রেজিস্ট্রেশন বা স্থান নির্ধারণের নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা নেই।অনেকে মনে করেন স্থানীয় রাজনীতি এবং ভোট ব্যাঙ্ক হিসাবেও হকার ইস্যু ব্যবহৃত হয়ে থাকে, যার ফলে প্রশাসনের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়।বিশিষ্ট সমাজকর্মীদের আনেকের মতে, এই সমস্যার সমাধান হতে পারে একটি জাতীয় পর্যায়ের গাইডলাইন দিয়েই, যাতে সব রাজ্য তার ভিত্তিতে স্থানীয় নিয়মনীতি তৈরি করতে পারে।তাঁরা মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের এই রায় নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি শহুরে পরিকাঠামো, নাগরিক অধিকার এবং জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার এক বাস্তবসম্মত চেষ্টার প্রতিফলন। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যদি রাজ্য সরকারগুলি আন্তরিক হয়, তবে ভারতের শহরগুলো আরও বাসযোগ্য, সুশৃঙ্খল ও মানবিক হয়ে উঠতে পারে।

মে ১৪, ২০২৫
রাজ্য

বিশ বাওঁ জলে '১০০ দিনের' ভবিষ্যৎ, অথৈ জলে সুবিধাভোগী জনগণ

পশ্চিমবঙ্গে ১০০ দিনের কাজ (MGNREGA) প্রকল্পের অর্থ বণ্টন ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে এক মামলায় একাধিক বিচারপতির বেঞ্চ থেকে সরে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তিতে গভীর অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। ইতিমধ্যে এই মামলার শুনানি থেকে একাধিক বিচারপতি বেঞ্চ থেকে সরে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে, যা মামলার প্রক্রিয়াকে ক্রমশ বিলম্বিত করছে। এই কারণে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই মামলার শুনানি থেকে একাধিক বিচারপতি বেঞ্চ থেকে সরে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে, যা মামলার প্রক্রিয়াকে ক্রমশ বিলম্বিত করছে। এই কারণে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলাটি ছিল বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি মিতা দাস-র ডিভিশন বেঞ্চে। মঙ্গলবার সেই মামলাটি ছেড়ে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে এই মামলাটি ছিল কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে। তিনি ইতিমধ্যে তার হাতে থাকা সমস্ত জনস্বার্থ সংক্রান্ত মামলা থেকে অব্যহতি নেন। সেই সময়েই এই ১০০ দিনের কাজের মামলাও ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তার পরে যেখানে মামলা গিয়েছিল, সেই ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি মিতা দাস-র ডিভিশন বেঞ্চেও ছেড়ে দিল মামলাটি।উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন, যেখানে তিনি অভিযোগ করেন ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে (MGNREGA) ভুয়ো জব কার্ড, মৃত ব্যক্তির নামে জব কার্ড এবং অসত্য তথ্য দিয়ে জব কার্ড তৈরি করে কেন্দ্রের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বা স্রকারি মদতপুষ্ট কিছু আসাধু মানুষজন। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট একটি চার সদস্যের কমিটি গঠন করে, যারা তদন্ত করে জানায় যে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মালদহ এবং দার্জিলিং জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে এবং মোট ২ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রের গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রকের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে এবং আগামী ১৫ মে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে। এই রিপোর্টে রাজ্যের বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং প্রকৃত উপভোক্তাদের মধ্যে অর্থ বিতরণের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকতে হবে। এই মামলার অগ্রগতি এবং পরবর্তী শুনানির ফলাফলের উপর নির্ভর করবে রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ।

মে ১৩, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল, হাজার হাজার চাকরি গেল

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার ২০১৬ সালের SSC-র পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। যাদের চাকরি বাতিল হল তাদের একাংশের বেতনের টাকাও ফেরত দিতে হবে। রাজ্যের ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়ে গেল। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। অবৈধ শিক্ষকদের বেতনের টাকা ফেরতেরও নির্দেশ। নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে এদিন জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। তবে যাঁরা অন্য সরকারি দফতর থেকে এসএসসি-র শিক্ষকতার চাকরিতে এসেছিলেন, তাঁরা চাইলে তাঁদের পুরনো চাকরিতে ফিরে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই প্রক্রিয়াও আগামী তিন মাসের মধ্যে শেষ করে ফেলতে হবে বলে স্পষ্ট করেছে সর্বোচ্চ আদালত।

এপ্রিল ০৩, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান আদালতের মহিলা আইনজীবীকে মারধরে অভিযুক্ত গ্রেফতার, পুলিশ পরিচয় কেন দিয়েছিল?

বর্ধমান আদালতে বুধবার আইনজীবীরা কর্মবিরতি করে। তাঁদের দাবি ছিল, মহিলা আইনজীবীকে মারধরের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে। তার জন্য় ৭২ ঘন্টা সময়সীমা বেধে দিয়েছিলেন বর্ধমান বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব। অবশেষে এদিন মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। অভিযোগ, শুধু মহিলা আইনজীবীকে মারধর নয়, তাঁর পেটে লাথি মেরে গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট করে দিয়েছে ওই অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম রোহিত দাস ওরফে রাজীব। বর্ধমান থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে শক্তিগড় এলাকা থেকে অভিযুক্ত রোহিতকে গ্রেপ্তার করে। শক্তিগড় থানার অন্তর্গত গাংপুর দিঘিরপাড় এলাকায় ধৃতের বাড়ি। ধৃতের ভাই হাওড়া জেলা পুলিশে কনস্টেবল পদে কর্মরত রয়েছে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। রোহিতের ব্যবহার করা মোটর সাইকেল ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। বুধবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করলে বিচারক তাকে ৩ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ধমান থানাও এই ঘটনায় ওই মহিলা আইনজীবীকে হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশের বক্তব্য়, দুই তরফ থেকেই অভিযোগ হয়েছিল। তাই প্রথমিক পর্যায়ে একটু খতিয়ে দেখতে হয়েছে।মহিলা আইনজীবীর পেটের সন্তান লাথি মেরে নষ্ট করে দিয়েছে অভিযুক্ত, এই অভিযোগ সামনে আসতে চারিদিকে ছিঃছিঃ রব ওঠে। সমস্ত ক্ষেত্র থেকে তাকে গ্রেফতারের দাবি ওঠে। সরাসরি আন্দোলনে নেমে পড়ে বর্ধমান আদালতের আইনজীবীরা।

মার্চ ১৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ...
  • 25
  • 26
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal