• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CS

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর সক্রিয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ, উদ্ধার আগ্নেআস্ত্র ও গাঁজা, গ্রেপ্তার ১১ দুস্কৃতী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বেআইনি বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের জন্য রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় পুলিশি অভিযান। অভিযান চালানো থেকে পিছিয়ে থাকেনি পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও। জেলার বর্ধমান থানার পুলিশের অভিযানে আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ সহ ধরা পড়েছে ভিন রাজ্যের দুই দুস্কৃতী। পুলিশ জানিয়েছে , ধৃতদের নাম সঞ্জয় কুমার ও ভোলা কুমার। ধৃতরা বিহারের ঔরাঙ্গাবাদ এলাকার বাসিন্দা। পুলিলের দাবী, ধৃতদের কাছ থেকে দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার দুই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১২ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা পুলিশের ডিএসপি অতনু ঘোষাল জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোর রাতে বর্ধমান শহরের খাগড়াগড় এলাকায় দুই ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন। সন্দেহ হওয়ায় টহলদারি পুলিশ তাদের পথ আটক।তল্লাশীতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ। অতনু ঘোষাল বলেন ,জেরায় ধৃতরা কবুল করেছে, তারা বিহারের নাচ-গানের অনুষ্ঠানে নর্তকী নিয়ে যাওয়ার কাজ করে। কিন্তু তারা অস্ত্র নিয়ে কেন বর্ধমান এসেছিল সেই বিষয়টি নিয়ে পরিস্কার কিছু জানায় নি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ধৃতরা মহিলা পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে বর্ধমান থানাপ পুলিশ সেই রহস্যেরই কিনারা করতে চাইছে। বর্ধমানে আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতি ধরা পড়ার পাশাশাপি প্রচুর গাঁজা সহ ৪ গাঁজা কারবারী ধরা পড়েছে জেলার মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সৈফুদ্দিন শেখ, মিঠু শেখ, তৈয়ব আলি শেখ ও রাজা সিং।ধৃতদের মধ্যে প্রথম তিনজনের বাড়ি বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার নাড়াগোহালিয়া এলাকায়। চতুর্থ ধৃতের বাড়ি বিহার রাজ্যে।পুলিশের দাবী ধৃতদের কাছ থেকে ৪১ কেজির বেশী গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমানের মাদক আদালতে। বিচারক ধৃতদের মধ্যে সৈফুদ্দিন শেখ ও মিঠু শেখকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ,চলতি বছরের শেষ দিকে এসটিএফ ও জেলার পূর্বস্থলী থানার পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে ট্রাকভর্তি গাঁজা সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। এই মামলার তদন্ত চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে মণিপুর থেকে গাঁজা ভর্তি ট্রাকটি পূর্বস্থলীতে এসেছিল।এই ঘটনার পর দুমাস কাটতে না কাটতে শুক্রবার ভোর রাতে মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে ফের গাঁজা সহ চারজন গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা পুলিশ কর্তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। ধৃতরা কোথা গাঁজা জোগাড় করে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন ,গাঁজা সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গাঁজা কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।একই ভাবে কাটোয়া থানার পুলিশও রাতভর অভিয়ান চালিয়ে অস্ত্রসহ ৫ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রাহুল শেখ,নওসাদ শেখ, হাসিবুল শেখ,বুলেট হাজরা ও মিঠুন শেখ। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রাম থানার মূলগ্রাম এলাকায়। হাসিবুল কাটোয়ার কেশিয়া মাঠপাড়া এলাকা বাসিন্দা। বাকি দুজনের বাড়ি কাটোয়ার কোশিগ্রাম ও গাঙ্গুলিডাঙ্গা এলাকায়৷ পুলিশের দাবি, পৃথক অভিযানে ধরাপড়া দুস্কৃতিদের কাছ থেকে চারটি দেশি পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচারক বুলেট হাজরাকে ৫ দিনের পুলিশি ও বাকি ধৃতদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্চ ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার চমক ধোনির, হঠাৎ কেন নেতৃত্ব ছাড়লেন চেন্নাই সুপার কিংসের?‌

আইপিএল শুরুর আগেই বড় চমক চেন্নাই সুপার কিংসে। ২৬ মার্চ কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ। তার দুদিন আগেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দিলেন রবীন্দ্র জাদেজার হাতে। তবে নেতৃত্বে না থাকলেও সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে খেলবেন ধোনি। দলের মেন্টরের দায়িত্বও পালন করবেন।২০০৮ সালে আইপিএল শুরু হয়। আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকেও চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়কের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ধোনি। ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আইপিএল থেকে দুবছর নির্বাসিত ছিল চেন্নাই। সেই সময় পুনে সুপার জায়ান্টের হয়ে খেলেছিলেন ধোনি। যদিও ওই দুবছর তিনি আইপিএলে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাননি। নির্বাসন উঠে যাওয়ার পর আবার আইপিএলে ফিরে আসে চেন্নাই সুপার কিংস। নেতৃত্বের দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয় ধোনির হাতে। গত বছর তাঁর নেতৃত্বেই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় চেন্নাই।দলকে চ্যাম্পিয়ন করলেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি ধোনি। অনেকেই মনে করেছিলেন, ২০২১ আইপিএলই হয়তো ধোনির শেষ প্রতিযোগিতা। কিন্তু ধোনি পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি এখনই আইপিএল থেকে সরে যেতে চান না। এবছর নিলামের আগে চেন্নাই সুপার কিংস চারজন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছিল। ধোনি ছাড়াও সেই তালিকায় ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তখনই বোঝা গিয়েছিল ধোনির পরিবর্তে ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে রবীন্দ্র জাদেজাকে তুলে ধরতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু আইপিএল শুরুর দুদিন আগে এভাবে নেতৃত্বে বদল ঘটবে, কেউই ভাবেননি। সবসময়ই চমক দিয়ে এসেছেন ধোনি। ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে আচমকাই টেস্ট দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। সবাইকে অবাক করে টেস্ট ফরম্যাট থেকেও অবসর নিয়েছিলেন। ২০১৭ সালে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও সরে যান। ২০২০ সালে স্বাধীনতা দিবসের দিন আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেট থেকেও সরে যান। তখন অনেকেই ভেবেছিলেন এবার মনে হয় আইপিএল থেকেও সরে যাবেন। কিন্তু আইপিএল খেলা চালিয়ে যান ধোনি।

মার্চ ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চেন্নাই সুপার কিংসের নতুন জার্সিতে সেনাবাহিনীকে সম্মান, উদ্বোধন ধোনির

পঞ্চদশ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে খেলবে চেন্নাই সুপার কিংস। ২৬ মার্চ শনিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তাদের প্রতিপক্ষ কলকাতা নাইট রাইডার্স। তার আগে নতুন জার্সি উন্মোচন করল চেন্নাই সুপার কিংস। একটি ভিডিওতে নতুন জার্সির উদ্বোধন করেন দলের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।চেন্নাই সুপার কিংসের নতুন জার্সিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সম্মান জানানো হয়েছে। জার্সির কাঁধের দিকে রয়েছে কামোফ্ল্যাগ। চেন্নাই সুপার কিংস ৪ বার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সেই বিষয়টিও জার্সিতে তুলে ধরা হয়েছে। চারটি তারা চিহ্ন রাখা হয়েছে জার্সিতে। ২০১০ সালে প্রথম বার আইপিএল জেতে মহেন্দ্র সিং ধোনিরর নেতৃত্বাধীন চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১১ সালে দ্বিতীয়বার খেতাব জেতে। ২০১৮ এবং ২০২১ সালে তৃতীয় এবং চতুর্থ বার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয় চেন্নাই সুপার কিংস। জার্সির মাঝে রয়েছে স্পনসর টিভিএস ইউরো গ্রিপের লোগো।এছাড়া চেন্নাই সুপার কিংসের ট্রেডমার্ক সিংহের লোগো রয়েছে জার্সির বাঁ দিকে। চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন বলেছেন, আমাদের সেনাবাহিনীকে সম্মান জানাতে কামোফ্ল্যাগ গত বছরই আমরা জার্সির কাঁধের দিকে রেখেছিলাম। আমাদের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত। হলুদের সঙ্গে খুব ভাল লাগছে ওই লোগো। এই বছর জার্সির কলার এবং জার্সির পিছনেও থাকবে এই লোগো।এদিকে, বাদশার গাওয়া থিম সং আর তার মাধ্যমেই লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন দলের জার্সি প্রকাশ হয়েছে মঙ্গলবার। আইপিএলে শক্তিশালী দল নিয়েই অভিযানে নামতে চলেছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। লোকেশ রাহুলকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন মেন্টর গৌতম গম্ভীর। মার্ক উড ছিটকে গেলেও চিন্তিত নন লখনউ শিবির। তাঁর পরিবর্তে আন্ড্রু টাইকে দলে নিয়েছে।

মার্চ ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আইপিএল শুরুর আগেই সমস্যায় গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস

২৬ মার্চ কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে আইপিএল অভিযানে নামবে চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে মাত্র ৬ দিন বাকি। তার আগেই সমস্যায় গতবারের চ্যাম্পিয়ন দল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে দলের নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার মইন আলির খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কবে তিনি ভারতে আসবেন, জোর দিয়ে বলতে পারছেন না চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন।তাহলে কি চোটের কবলে পড়েছেন মইন আলি? না, তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। লাল বলের ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ায় এই মুহূর্তে তিনি ইংল্যান্ডের টেস্ট স্কোয়াডে নেই। ফলে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে আইপিএল খেলার অনুমতি দিচ্ছে না, এমনও নয়। আসলে ভিসা সমস্যার জন্য এখনও ভারতে এসে পৌঁছতে পারেননি মইন।আইপিএল খেলতে ভারতে আসার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি ভিসার আবেদন করেছিলেন ইংল্যান্ডের এই অলরাউন্ডার। আবেদনের পর ২০ দিন অতিক্রান্ত। তবুও এখনও ভারতে আসার জন্য ভিসা পাননি মইন। কবে পাবেন, তিনি নিজেও যেমন জানেন না, তেমনই বিষয়টা নিয়ে ধোঁয়াশায় চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন। কী কারণে মইন ভিসা পাচ্ছেন না, তা অজানা। তবে মইন নিজে আশাবাদী, খুব দ্রুত ভিসা সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। মইনের ভিসার ব্যাপারে চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন বলেছেন, ভিসা সমস্যা নিয়ে আমরা মইনের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে। প্রয়োজনীয় সব কাগজ পত্র জমা দেওয়া হয়েছে। তাসত্ত্বেও ভিসা এখনও কেন অনুমোদন পায়নি বুঝতে পারছি না। ভিসা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মইন ভারতে এসে দলের সঙ্গে যোগ দেবে। তবে ভারতে পৌঁছলেও সঙ্গে সঙ্গে যে মইন মাঠে নামতে পারবেন, এমন নয়। মুম্বইয়ে পৌঁছনোর পর তাঁকে কোভিড বিধি অনুযায়ী ৩ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তারপর তিনি দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে অনুশীলনে নামতে পারেবন।

মার্চ ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আপনার দেওয়াল, সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে বহুজাতিক সংস্থা

ডোনেট এ ওয়াল উদ্যোগের অধীনে এশিয়ান পেইন্টস (Asian Paints) শহরের নাগরিকদের কাছে একটি দেওয়াল দান করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে যা বহুজাতিক সংস্থা এশিয়ান পেইন্টস। তারা সেই দেওয়াল ছবি আঁকা এবং তার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে বিনা খরচে। দেওয়ালে আঁকা ছবি একটি গল্প বলবে। গল্পটি শিল্পকর্মের একটি মাস্টারপিসকে তুলে ধরবে। ডোনেট-এ-ওয়াল উদ্যোগে সারা দিয়ে সিইএসসি পাটুলি সাব-স্টেশনে একটি অনুপ্রেরণামূলক এবং উদ্দীপক ম্যুরাল সহ কলকাতায় যাওয়ার পথে তৈরি করেছে। সিইএসসি তে আবিষ্কৃত ম্যুরালের মাধ্যমে কলকাতার উৎসবের চেতনা দিনরাত প্রতিফলিত হবে৷ পাটুলি সাব-স্টেশন প্রাচীর যেমনটি হয়েছে। প্রতি বছর দুর্গাপুজোর সময় আনন্দের শহর তার শীর্ষে থাকে, এই শহর কয়েক দশক ধরে দুর্গা ও তার সন্তানদের সুন্দর মূর্তি দ্বারা শোভা পায়। দেবী মা প্রতি বছর কুমারটুলির গলিপথ থেকে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, ওয়াশিংটন ডিসি এবং জোহানেসবার্গ থেকে লন্ডন পর্যন্ত দূরবর্তী দেশে পূজিত হয় মাতৃরূপে। যাইহোক, কুমোরটুলির কারিগররা-ভাস্কর্যের জন্য বিখ্যাত - তাদের প্রাপ্য কখনই পায়নি। তাই কেন্দ্রীয় থিম যা সেন্ট আর্ট ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এবং এশিয়ান পেইন্টসকে তাদের ডোনেট-এ-ওয়াল উদ্যোগের মাধ্যমে কুমারটুলির এই কারিগরদের কারুকার্য উদযাপন করতে অনুপ্রাণিত করছে।

মার্চ ০২, ২০২২
কলকাতা

মুখ্যসচিবকে ফের তলব রাজ্যপালের

রাজ্যের মুখ্য সচিবকে ফের তলব করলেন রাজ্যপাল। আগামী সোমবার সকাল ১১ টার সময় তাঁকে রাজভবনে তলব করা হয়েছে। টুইট করে তাঁকে রাজভবনে তলব করেছেন রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইটে রাজ্যপাল উল্লেখ করেছেন, গত ৭ ই জানুয়ারি নেতাইয়ে প্রবেশে বারবার বাধা দেয়া হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীকে। এর কারণ জানতেই তলব করা হল রাজ্যের মুখ্যসচিবকে।প্রসঙ্গত, গত ৭ ই জানুয়ারি ঝাড়গ্রামের নেতাইয়ে শহিদ দিবস পালনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঝিটকার জঙ্গলের কাছে পুলিশ তাঁর পথ রোধ করে। এরপর রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ পত্র পাঠিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজিকে । তবে, তাঁরা কেউই উপস্থিত হননি।রাজভবনে না গিয়ে তাঁরা রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে তাঁরা জানিয়েছিলেন, আধিকারিকদের মধ্যে অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে আছেন। এর সঙ্গে সঙ্গেই সে সময় একদিকে রাজ্যের পরিস্থিতির দেখভাল, অন্যদিকে গঙ্গাসাগর মেলার কাজে অনেকেই বিশেষ দায়িত্বে রয়েছেন। এ কারণে তাঁরা রাজভবনে যেতে পারছেন না। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে নেতাই নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হবে।এভাবে তলব অগ্রাহ্য করায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি কিভাবে বৈঠক বাতিল করলেন? তা নিয়ে হতবাক হয়েছিলেন রাজ্যপাল। এরপর আজ আবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে তলব করলেন রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আগামী সোমবার সকাল ১১ টায় তাঁকে রাজভবনে তলব করা হয়েছে। রাজ্যপালের তলবের পর এবার রাজ্যের মুখ্যসচিব কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, সে দিকেই দৃষ্টি রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sonu Sood : রাজনীতিতে পা রাখছেন সোনু সুদের বোন মালবিকা

জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন অভিনেতা সোনু সুদের বোন মালবিকা। রবিবার মোগায় এক সাংবাদিক বৈঠকে বোন মালবিকার রাজনীতিতে যোগদানের কথা জানিয়েছেন সোনু। অভিনেতা বলেন, আমার বোন মালবিকা সুদ পঞ্জাবের মানুষের পাশে দাঁড়াবে। তাঁদের জন্য কাজ করবে। তবে কোন দলে তিনি যোগ দেবেন, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সোনু সুদ বলেছেন যে, মালবিকা সম্ভবত মোগার আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।সোনু সুদ জানিয়েছেন যদি মালবিকা নির্বাচিত হন তাহলে তার প্রধান লক্ষ্য থাকবে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতিসাধন। যারা ডায়ালিসিস পাচ্ছেন না তাদের যেন বিনামূল্যে ডায়ালিসিস দেওয়া হয়।এদিন সোনু সুদকেও প্রশ্ন করা হয় তিনি রাজনীতিতে নিজের নাম লেখাবেন কি না সেই বিষয়ে। উত্তরে এই তারকা অভিনেতা জানান,প্রথমে মালবিকাকে সমর্থন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সে আমাদের ভিটে মোগার সঙ্গে যুক্ত। আমি আমার পরিকল্পনাটা পরে জানাবো।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : ‌ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে আইপিএলে কোন দলের হয়ে খেলবেন ধোনি?‌

এবছর আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মহেন্দ্র সিং ধোনি বলেছিলেন চেন্নাইয়ের দর্শকদের সামনে খেলেই চিরতরে ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে তাঁর সামনে সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে। সামনের বছর আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসেই দেখা যেতে পারে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে।আগামী মরশুমের আইপিএলের আগে মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। কোন দল কোন ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে পারবে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। একজন করে ক্রিকেটার ধরে রাখার নিয়ম হলে সমস্যায় পড়ত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। বোর্ড যে নিয়ম তৈরি করতে চলেছে, তাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সূত্র থেকে জানা গেছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সর্বাধিক চারজন করে ক্রিকেটারকে রাখতে পারবে। নিলামের আগে তিনজন করে ক্রিকেটার বেছে নিতে পারবে আইপিএলের নতুন দুটি দল আমেদাবাদ ও লক্ষ্ণৌ।বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, রাইট টু ম্যাচ কার্ড থাকে তাহলে তিনজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা যাবে। আর যদি রাইট টু ম্যাচ কার্ড ফ্র্যাঞ্চাইজিদের হাতে না থাকে তাহলে সর্বাধিক চার ক্রিকেটার ধরে রাখা যাবে। সেটা হতে পারে তিন ভারতীয় ও এক বিদেশি অথবা দুজন করে ভারতীয় ও বিদেশি।যদি ৩ জন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা যায় তাহলে ঋতুরাজ গায়কোয়াণ, মহেন্দ্র সিং ধোনি ও শার্দূল ঠাকুরকে ধরে রাখবে চেন্নাই সুপার কিংস। তেমন সম্ভাবনার কথাই জানিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্তা। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স যে তিনজনকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে, তাঁরা হলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা ও কায়রন পোলার্ড। হার্দিক পান্ডিয়াকে ধরে রাখার ব্যাপারে ততটা আগ্রহী নয় বলে জানিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে জড়িত এক কর্তা। চারজন ক্রিকেটার রাখা গেলে কিশান কিষাণ ও সূর্যকুমার যাদবের মধ্যে কোনও একজনকে ধরে রাখবে মুম্বই।ঋষভ পন্থকেই নেতৃত্বে রাখতে চায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শ্রেয়স আয়ারকেও ধরে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসে থাকবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ, অন্য কোনও দলে যোগ দিয়ে শ্রেয়স নেতৃত্ব দিতে চান। কলকাতা নাইট রাইডার্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পাঞ্জাব কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস নতুন অধিনায়ক নিতে পারে। এই দলগুলির যে কোনও একটিতে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে শ্রেয়স আয়ারের।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Mamata: স্বাধীনতা সংগ্রামী বাবার অনুপ্রেরণায় ১২-১৩ বছর বয়স থেকে রাজনীতি শুরু, স্মৃতিচারণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিলিগুড়িতে বিজয়া সম্মেলনীতে স্মৃতিচারণায় ভাসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। জীবনের নানা দিকের কথা বললেন খোলামেলা ভাবে। মুখ্যমন্ত্রীর বাবা যে স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন সেকথাও জানালেন তিনি। তাঁর কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা পেয়ে 12-13 বছর থেকে রাজনীতি হাতেখড়ি বলেও জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।রবিবার বিজয়া সম্মেলনীতে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা যখন ছোটো থেকে বড় হয়েছি বিবেকানন্দ, নেতাজি ও রবীন্দনাথ ঠাকুরের বই পড়ে। আমিও জীবনে ১২-১৩ বছর থেকে শুরু রাজনীতি শুরু করেছিলাম। এত ছোট বয়স থেকে রাজনীতি কেউ কেরেছে কিনা জানি না। আমার বাবা স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। বাবার কাছে শুনে শুনে একটা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম বলতে পারেন। মমতা কথায়, তারপর থেকে এই সারাটা জীবন পরার হয়ে এলাম। জীবনে ক্ষতবিক্ষত হয়ে বেঁচে আছি। আমি জীবন্ত লাশ বলেত পারেন। আমার শরীরের কোনও অংশ বাদ নেই যেখানে আঘাত লাগেনি। অস্ত্রোপচার হয়নি। আজও মনের জোরে কাজ করে চলি।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে যথেষ্ট আবেগ-প্রবণ হয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। সেকথাও বলে ফেলেন মমতা। তিনি বলেন, গত ২০ বছর আমার জ্বর হয়নি। এখন ঠান্ডাটা লাগলে বেশি লাগে। পঞ্চমীর দিন গলাটাই চোকড হয়ে যায়। তবে এরই মধ্য়ে বিজেপিকে বিঁধতে ছাড়েননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শান্তিতে কেটেছে পুজো। এ শান্তি কোথায় পাবেন। বাংলা ত্রিপুরা হয়ে যায়নি এখনও। আমরা থাকাকালীন কোনও দিন হয়ে যাবেও না। বাংলার সংস্কৃতি আমরাই আগলে রাখব। ত্রিপুরায় গেলেই মাথায় মারো। একে তো মারছে, মারবার পরে হাসপাতালে চিকিৎসা করতেও দিচ্ছে না। একটা ইনজেকশন দিচ্ছে না। তাঁরা বড় বড় কথা বলে। মানবাধিকারের কথা বলে। কটা হিংসা হয়েছে, নির্বাচনের পরে কটা বিজয় উৎসব হয়েছে, কতজনকে মার হয়েছে হয়েছে উত্তরবঙ্গে। রোজ হিংসার কথা বলছে বিজেপি। ত্রিপুরার দিকে তাকিয়ে দেখো। উত্তরপ্রদেশে চলে যান লোক ঢুকতেই পায় না।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌KR-Russell : ফাইনালে প্রথম একাদশে ফিরবেন আন্দ্রে রাসেল?‌ দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট

দীর্ঘদিন ঘরে ট্রফি আসেনি। চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে কি এবারের আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কলকাতা নাইট রাইডার্স? নাইট রাইডার্স শিবির যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছে, তেমনই ২০১২র আইপিএলের ফাইনালের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। সেবার নাইটদের কাছে হেরে খেতাব জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনিদের। হাইভোল্টেজ ফাইনালের আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর নাইট রাইডার্স শিবির। মর্গ্যান ব্রিগেডের মনোবল বাড়িয়েছে সম্প্রতিক পারফরমেন্স। প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচে ৫টিতে হেরে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল নাইট শিবির। দ্বিতীয় পর্বে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। এলিমিনেটরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে অবশেষে ফাইনালের ছাড়পত্র। এটাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে নাইট শিবিরের।চেন্নাই সুপার কিংসকেও পিছিয়ে রাখা যাবে না। আইপিএলের শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে ছিল ধোনি ব্রিগেড। বিপক্ষের যাবতীয় চ্যালেঞ্জ হেলায় উড়িয়ে একের পর এক ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছিল। লিগ পর্যায়ে শেষদিকে কয়েকটা ম্যাচে হোঁচট খেতে হলেও প্লে অফের প্রথম কোয়ালিফায়ারে ৪ উইকেটে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। আবার ফিনিশারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। দলকে জিতিয়ে ধোনির যেমন আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে, চেন্নাই শিবিরেরও মনোবল তুঙ্গে। দুই দলের ফাইনালের লড়াই যে জমে উঠবে সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ফাইনালে মাঠে নামার আগে নাইট শিবিরকে স্বস্তি দিচ্ছে আন্দ্রে রাসেলের সুস্থ হয়ে ওঠা। খেলার জায়গায় চলে এসেছেন নাইটদের এই অলরাউন্ডার। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য বেশ কয়েকটা ম্যাচে খেলতে পারেননি রাসেল। আপাতত তিনি ফিট। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নেটে বোলিংও করেছিলেন। তিনি যে প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন, তেমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন দলে মেন্টর ডেভিড হাসি। রাসেল ফিরলে দল আরও শক্তিশালী হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে কার জায়গায় তাঁকে খেলানো হবে, তা নিয়ে দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট। রাসেলের পরিবর্তে এতদিন সাকিব আল হাসানকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল। সুযোগ পেয়েই প্রতিটা ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরেছেন সাকিব। দুবাইয়ের মন্থর উইকেটে তাঁর স্পিন বোলিং কার্যকরী হতে পারে। সবদিক মিলিয়ে প্রথম একাদশ নিয়ে দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজেমন্ট।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : আবার পুরনো মেজাজে ধোনি, ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস

কিং ইজ ব্যাক। আবার ফিনিশারের ভুমিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনি। গত বছর আইপিএলের প্লে অফে পৌঁছাতে না পারার যন্ত্রণা মিটিয়ে নিলেন ক্যাপ্টেন কুল। স্নায়ুযুদ্ধে বাজিমাত করলেন। সাত নম্বরে নেমে তিনটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে দলকে জেতালেন মাহি। দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস।টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর ধারণা ছিল শুরুর দিকে ব্যাট করা কঠিন হবে। জোরে বোলাররা বাইশ গজ থেকে সাহায্য পাবেন। ধোনির সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। ৩ ওভারে ৩২ রানে পৌঁছে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। এর পরেই ধাক্কা খায় দিল্লি। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শিখর ধাওয়ান। ৭ রান করে তিনি উইকেটের পেছনে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন। পঞ্চম ওভারে শার্দুল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন ধোনি। শার্দূলের প্রথম ওভারেই পৃথ্বী শ দুটি ছক্কা মারেন। এই ওভারে ওঠে ১৪। ৫ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালসের রান দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৫০। শার্দুল ঠাকুর ২ ওভারে দিয়েছিলেন ২৮ রান। ষষ্ঠ ওভারে দ্বিতীয় উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস। হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শ্রেয়স আয়ার (১)। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি অক্ষর প্যাটেল। ১১ বলে ১০ রান করে তিনি মঈন আলির বলে আউট হন। অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়লেও ঝড় অব্যাহত ছিল পৃথ্বী শর ব্যাটে। একাদশ ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি আউট হন। ৩৪ বলে ৬০ রান করেন পৃথ্বী। এরপর দিল্লিকে ২০ ওভারে ১৭২/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও শিমরণ হেটমায়ের। ২৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হন হেটমায়ের। ঋষভ ৩৫ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। জস হ্যাজলউড ৪ ওভারে ২৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন। মঈন আলি চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৭ রান খরচ করে একটি উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুর ৩ ওভারে দেন ৩৬ রান, দীপক চাহার ৩ ওভারে ২৬, কেউই উইকেট পাননি। ব্র্যাভো এক উইকেট পেলেও ৩ ওভারে ৩১ রান খরচ করেন।জয়ের জন্য ১৭৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় চেন্নাই সুপার কিংস। ডুপ্লেসি প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে ১ রান করে এনরিখ নরকিয়ার বলে বোল্ড হন। এরপরই দলকে শক্ত ভিতে দাঁড় করিয়ে দেয় ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবিন উথাপ্পার জুটি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে এদিন ১০০ রান যোগ করেন ঋতুরাজ ও উথাপ্পা। ১৩.৩ ওভারে ৪৪ বলে ৬৩ রান করে টম কারানের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন উথাপ্পা। উথাপ্পা ফেরার পর ৮ বলের ব্যবধানে ৬ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট হারায় চেন্নাই। ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে উথাপ্পাকে আউট করার পর ষষ্ঠ বলে শার্দুল ঠাকুরকে শূন্য রানে আউট করেন কারান। ১৪.৪ ওভারে শ্রেয়স ও কাগিসো রাবাডার যুগলবন্দিতে রান আউট হন অম্বাতি রায়ুডু। তিনি ১ রান করেন। এই সময় ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। যদিও পাল্টা লড়াই চালাতে থাকেন ঋতুরাজ ও মঈন আলি। ১৮.১ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় আবেশ খানের বলে আউট হন। পাঁচটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৫০ বলে ৭০ রান করেন ঋতুরাজ। এরপর মঈনের সঙ্গে যোগ দেন ধোনি। ফিনিশারের ভুমিকায় চেনা ঝলক দেখা গেল ক্যাপ্টেন কুলের ব্যাটে। শেষ ওভারে জেতার জন্য দরকার ছিল ১৩। টম কারানের প্রথম বলে মঈন আলি (১২ বলে ১৬) আউট হন। শার্দুলকে শেষ বলে আউট করায় কারানের সামনে ছিল হ্যাটট্রিকের হাতছানি। হ্যাটট্রিক বাঁচান ধোনি। অবশেষে দুই বল বাকি থাকতে চার মেরে দলকে ফাইনালে তুলে দিলেন ধোনি (৬ বলে অপরাজিত ১৮)। ১৯.৪ ওভারে ১৭৩/৬ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় চেন্নাই।

অক্টোবর ১১, ২০২১
রাজনীতি

TMC: উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক

বাংলার চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায় রয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ একঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক। যাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন রয়েছেন টলিউডের তারকা। ৩০ অক্টোবরের উপনির্বাচনগুলিতে তৃণমূল কংগ্রেস যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে তা এই তালিকার মাধ্যমেই প্রমানিত। দিনহাটা, গোসাবা, শান্তিপুর ও খড়দহে আগামি ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন। ইতিমধ্যে চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থীরা প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন। শুক্রবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্বাচন কমিশনে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে তৃণমূলের ২০ জনের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রয়েছেন রাজ্যের আরও ৬ জন মন্ত্রী। মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মনোজ তেওয়ারি, অরূপ বিশ্বাস ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। প্রচারে নাম রয়েছে ৬ সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, দীপক(দেব) অধিকারী, মিমি চক্রবর্তী, সুব্রত বক্সী, শতাব্দী রায়ের। বিধায়কদের মধ্যে রয়েছেন জুন মালিয়া, সোহম চক্রবর্তী, রাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি। রয়েছেন সায়নী ঘোষ ও সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচার তালিকায় রয়েছেন ৮ জন টলিউড তারকা। ইতিমধ্যে রাজ্যে ভবানীপুর উপনির্বাচন এবং জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে নির্বাচন হয়েছে। ৩ অক্টোবর ওই তিন কেন্দ্রের ফলপ্রকাশ হয়েছে। তিন কেন্দ্রেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবু উপনির্বাচনকে হালকা ভাবে নিতে চাইছে না ঘাসফুল শিবির, এই তালিকাই তার প্রমান বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে শীর্ষে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস

প্লে অফের ছাড়পত্র আগেই এসে গেছে। সোমবার দুবাইয়ে শীর্ষ স্থান দখলের লড়াইয়ে নেমেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস ও চেন্নাই সুপার কিংস। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ম্যাচটা আরও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ হারলেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সামনে দ্বিতীয় স্থানে ওঠার সুযোগ এসে যেত। বিরাট কোহলিদের সেই সুযোগ দিলেন না ঋষভ পন্থরা। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষ স্থানে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রবিবার যে উইকেটে খেলা হয়েছিল, সেই উইকেটেই এদিন ম্যাচ ছিল দিল্লি ও চেন্নাইয়ের। আগের দিন মন্থর উইকেটে বড় ইনিংস গড়তে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। হায়দরাবাদের ১১৫ রান টপকাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। সেই উইকেটে চেন্নাই সুপার কিংসও বড় রান তুলতে ব্যর্থ। টস জিতে ধোনির দলকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ঋষভ পন্থ। আনরিখ নর্টিয়ের প্রথম ওভারে ১৬ রান তোলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। আবেশ খানের পরের ওভারে ওঠে ১০। ২ ওভারে চেন্নাই তোলে ২৬। এরপরই থমকে যায় রান তোলার গতি। তৃতীয় ওভারে আউট হন ডুপ্লেসি (১০)। এক ওভার পরেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১৩)। উথাপ্পা (১৯), মঈনরা (৫) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান অম্বাতি রায়ুডু। ৪৩ বলে ৫৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ধোনি ২৭ বলে করেন ১৮। ২০ ওভারে ১৩৬/৫ তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। অক্ষর প্যাটেল ১৮ রানে ২ উইকেট নেন। নর্টিয়ে, আবেশ খান ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১টি করে উইকেট পান। ব্যাট করতে নেমে দিল্লিও শুরুতেই ধাক্কা খায়। ১২ বলে ১৮ রান করে ফিরে যান পৃথ্বী শ। শ্রেয়স আয়ারও (২) রান পাননি। ঋষভ পন্থ (১৫) ও রিপল প্যাটেল (১৮) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। একের পর এক উইকেট পড়লেও শিখর ধাওয়ান একদিক ধরে রেখে লড়াই চালিয়ে যান। ৩৫ বলে ৩৯ রান করে তিনি শার্দূল ঠাকুরের বলে আউট হন। ১৩৭ রান তুলতেও একসময় চাপে পড়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিমরণ হেটমায়ের। ১৮ বলে ২৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২ বল বাকি থাকতে বাউন্ডারি মেরে দলকে জয় এনে দেন কাগিসো রাবাডা। এই জয়ের ফলে দিল্লি ক্যাপিটালসের পয়েন্ট ১৩ ম্যাচে ২০। চেন্নাই সুপার কিংসের ১৩ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। ধোনিরা যদি শেষ ম্যাচে হেরে যান এবং বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর যদি দুটি ম্যাচেই জয়লাভ করে তাহলেই তিনে নেমে যেতে হবে চেন্নাই সুপার কিংসকে।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
রাজনীতি

Mamata banerjee: ভবানীপুরে বিপুল ভোটে জয় মমতার, লক্ষ্য এবার দিল্লি

প্রত্যাশামতো বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫৮,৮৩২ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত করেছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওযালকে। এই জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি বলেন, কোনও ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে হারায়নি। এর আগে একটা দুটি ওয়ার্ডে হেরেছি। এই কেন্দ্রে ৪৬ শতাংশ অবাঙালি ভোটার। সবাই শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিয়েছেন। আজ আমার মন ভরে গিযেছে। ভবানীপুরের মানুষ দেখিয়ে দিল। সারা বাংলা আজ ভবানীপুরে দিকে তাকিয়ে ছিল। এর আগে বাংলা আঘাত পেয়েছিল। নন্দীগ্রামে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আদালতে মামলা চলছে। আদালতে বিচারাধীন বলে হারের কারণ বলছি না। আমার মনে পড়ে আছে জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে। ওই দুটিতেও আমরা জিতছি। মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ দেন তিনি।তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম আগেই বলেছিলেন ৫০ হাজারের ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। জয় পেলেন তার থেকেও বেশি ভোটে। তৃণমূল নেতা মদন মিত্রর বক্তব্য, এবার আমরা অবাঙালি এলাকায় বিপুল ভোট পেয়েছি। রাজনৈতিক মহলের মতে, অবাঙালি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের লীড এই নির্বাচনে বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। এবার নিজের জয়ের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন মমতা।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Banerjee: প্রায় ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেতে চলেছেন মমতা

ভবানীপুর, সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর তিন কেন্দ্রেই জয়ের পথে তৃণমূল কংগ্রেস। তার মধ্যে ভবানীপুর ও জঙ্গিপুরে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। ভবানীপুরে ইতিমধ্যে ১২ রাউন্ড গণনার পর প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে গিয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের থেকে। এই কেন্দ্রে নামমাত্র ভোট পেয়ে জামানত খোয়াতে চলেছেন সিপিএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস। সাতসকালেই রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘোষণা করেছিলেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটগণনার গতি দেখে মনে করা হচ্ছে মমতার জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ইতিমধ্যে কালিঘাটে ভিড় জমিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। আবির খেলাও শুরু হয়ে গিয়েছে। উচ্ছ্বাসে আত্মহারা তৃণমূলের সমর্থকরা। অন্যদিকে জঙ্গিপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর থেকে প্রায় ২৬ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন। সামশেরগঞ্জ কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী জইদুল ইসলামের থেকে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম ৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।এই কেন্দ্রে বিজেপি ও বামপ্রার্থী কংগ্রেস প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট থেকেও পিছিয়ে আছেন। এদিকে ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজয় উৎসব করতে নিষেধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবিষয়ে কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: চূড়ান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

এক নম্বরের সঙ্গে লিগ টেবিলে শেষে থাকা দলের লড়াই। শীর্ষে থাকা দলই যে ফেবারিট সে কথা বলাই বাহুল্য। প্রত্যাশামতোই সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস। আর কোনও জটিল সমীকরণ প্লে অফ থেকে ছিটকে দিতে পারবে না ধোনি ব্রিগেডকে। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রইল চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারানোর কিছু ছিল না। শুধু নিজেদের প্রমান করার তাগিদ। সেই প্রমান করার ম্যাচেও জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যানরা। একমাত্র ব্যতিক্রম ঋদ্ধিমান সাহা। তিনি রুখে না দাঁড়ালে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছতে পারত না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারেই তারা প্রথম উইকেট হারায়। আগের ম্যাচে রান পাওয়া জেসন রয় এদিন মাত্র ২ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও (১১) এদিন ব্যর্থ। প্রিয়ম গর্গ করেন ৭। ৪৬ বলে ৪৪ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋদ্ধিমান। অভিষেক শর্মা ও আব্দুল সামাদ দুজনেই করেন ১৮। রশিদ খান ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৪ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জস হ্যাজেলউড ২৪ রানে ৩টি এবং ডোয়েন ব্র্যাভো ১৭ রানে ২ উইকেট নেন।চেন্নাইয়ের যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৩৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। তার উপর দূর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের কথা বলতে হবে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। ওপেনিং জুটিতে ফাফ ডুপ্লেসির সঙ্গে তোলেন ৭৫। ৩৮ বলে ৪৫ রান করে জেসন হোল্ডারের বলে ঋতুরাজ আউট হন। ১৭ বলে ১৭ রান করে রশিদ খানের বলে বোল্ড হন মঈন আলি। ৩৬ বলে ৪১ রান করে হোল্ডারের বলে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়নাও (২) হোল্ডারের শিকার। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অম্বাতি রায়ুডু (অপরাজিত ১৭) ও ধোনি (১১)। ১৯.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
রাজনীতি

Babul-Modi: 'বাঙালির ওপর ভরসা নেই মোদির', ৭ বছর পর বোধদয় বাবুলের

ভবানীপুর উপনির্বাচনের ঠিক আগের দিন বাঙালি বিরোধী তত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিঁধলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা বাবুল সুপ্রিয়। বাবুলের স্পষ্ট কথা, বাঙালিদের প্রতি ভরসা নেই নরেন্দ্র মোদির। রাজনৈতিক মহলের অভিমত, ৭ বছর মন্ত্রিত্বে থাকার পর এখন বোধহয় হয়েছে বাবুল সুপ্রিয়ের। ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং বলেছেন, যাঁরা বেইমানি করেন তাঁরা এইসব কথা বলতে পারে।দিল্লি থেকে ফিরে বুধবার তৃণমূল নেতা বাবুল সুপ্রিয় বলেন, ৭ বছরে কোনও বাঙালি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা পায়নি। পূর্ণ মন্ত্রী তো নয়ই, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত দফতরও পাননি কোনও বাঙালি। আসলে প্রধানমন্ত্রী বাঙালিদের ওপর ভরসা করছেন না। বাবুলের এই মন্তব্যের পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বাবুলের এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। অর্জুন বলেছেন, দলে এসেই ৭ বছরের জন্য মন্ত্রী হয়েছেন। তারপর তিনি এসব কথা বলছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে আঙুল তুলছেন। বেইমানরা এমন কথা বলতে পারেন।২০১৪-তে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন গায়ক বাবুল। তারপর তাঁকে মন্ত্রী করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে সাংসদ হওয়ার পর ফের মন্ত্রী হয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল করা হয়েছিল। সেই রদবদলে বাবুল সুপ্রিয়, দেবশ্রী চোধুরীকে সরতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে। এরপরই রাজনীতি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। জানিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলেও তিনি যোগ দেবেন না। একথা বলার কিছু দিনের মধ্যেই আকস্মিক বাবুল যোগ দেন ঘাসফুল শিবিরে। ঘটা করে সাংবাদিক বৈঠকও করেন। তখনও এই বাঙালি বিরোধী তত্ব খাড়া করেননি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ৭ বছর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বে ছিলেন। তারপর সরিয়ে দেওয়ার পর দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। এখন বাঙালির মন্ত্রিত্ব না পাওয়া নিয়ে সরব হয়েছেন। রাজনীতিতে টিকে থাকার তাগিদে দলবদল করলেই সুর বদলও করতে হয়।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Match : রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে নাটকীয় জয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

রোমাঞ্চকর ম্যাচ, নাটকীয় শেষ দুটি ওভার। ম্যাচের ১৯ তম ওভারই পার্থক্য গড়ে দিল। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর ওই ওভারে ২২ রান তুলে প্রায় হারা ম্যাচ জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিলেন স্যার রবীন্দ্র জাদেজা। আবু ধাবিতে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে শেষ বলে ২ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফে পৌঁছে গেল চেন্নাই সুপার কিংস। চাপের মুখে শেষ বলে দলকে জয়সূচক রানটি এনে দেন দীপক চাহার। দিল্লি ক্যাপিটালসকে সরিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানও ফের দখল করল চেন্নাই সুপার কিংস।ডেথ ওভারে ৬ বলের মধ্যে আউট হয়েছিলেন মঈন আলি, সুরেশ রায়না ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্স যখন জয়ের গন্ধ পাচ্ছে তখন ১৯তম ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে সাধারণ মানে নামিয়ে পরিত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন রবীন্দ্র জাদেজা। ২টি ছয়ের পর ২টি চার মেরে এক ওভারে ২২ রান নিলেন। ফলে শেষ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের জন্য প্রয়োজন হয়ে পড়ে ৪ রান।শেষ ওভারেও রুদ্ধশ্বাস নাটক অপেক্ষা করছিল। প্রথম বলে স্যাম কারেনকে আউট করেন সুনীল নারাইন। কারেন করেন ৪ রান। পরের বলটিতে কোনও রান না হলেও তৃতীয় বলে তিন রান নিয়ে নেন শার্দুল ঠাকুর। চতুর্থ বলে রান নিতে পারেননি রবীন্দ্র জাদেজা। পঞ্চম বলে তিনি লেগ বিফোর হন। ৮ বলে ২২ রান করে আউট হন তিনি। শেষ বলে প্রয়োজনীয় এক রান নিয়ে চেন্নাই শিবিরে স্বস্তি এনে দেন দীপক চাহার।এদিন ধোনি যখন ব্যাট হাতে বাইশ গজে প্রবেশ করেন, চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের জন্য তখন দরকার ২০ বলে ৩৪। আগের ধোনি হলে চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যেত, চেন্নাই জিতবে। বরুণ চক্রবর্তীর ডেলিভারি মাহির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক খুঁজে স্টাম্পে আঘাত করতেই মনে হচ্ছিল চেন্নাইয়ের জয় হয়তো অধরাই থেকে যাবে। ধোনির অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে গেলেন স্যার রবীন্দ্র জাদেজা। ক্যাপ্টেন কুলএর দেওয়া স্যার উপাধির মর্যাদা দিয়ে গেলেন। ধোনিকে জ্বলে উঠতে না দেওয়ার পেছনে নাইট ক্যাপ্টেন ইওয়িন মর্গানের মস্তিষ্কের প্রশংসাও করতে হবে। বরুণ চক্রবর্তীর রীতিমতো শিকার হয়ে দাঁড়িয়েছেন। গতবছর আইপিএলেও দুবাইয়ে ধোনিকে তুলে নিয়েছিলেন বরুণ। এবছরও সেই বরুণেরই শিকার। ধোনি ক্রিজে আসতেই বরুণকে আক্রমণে নিয়ে এসেছিলেন মর্গান। সুফলও পেয়েছিলেন। কিন্তু সব বুমেরাং করে দেন রবীন্দ্র জাদেজা।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে প্রথম পর্বে নাইট রাইডার্সকে ডুবিয়েছিল ব্যাটিং। দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটসম্যানরা নিজেদের মেলে ধরলেও জয় এল না। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে শুভমান গিলকে (৯) হারালেও বড় রান পেতে অসুবিধা হয়নি নাইটদের। ভেঙ্কটেশ আয়ায় (১৫ বলে ১৮) ভাল শুরু করেও আটকে গেলেন। রাহুল ত্রিপাঠী (৩৩ বলে ৪৫) অবশ্য ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে পরীক্ষায় লেটার মার্কস না পেলেও পাশ করে গেল মিডল ও লোয়ার মিডল অর্ডার। নীতিশ রানা (২৭ বলে অপরাজিত ৩৭), আন্দ্রে রাসেল (১৫ বলে ২০), দীনেশ কার্তিকদের (১১ বলে ২৬) সৌজন্যে ১৭১/৬ রানে পৌঁছয় নাইটরা।জয়ের জন্য ১৭২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করেন চেন্নাই সুপার কিংসের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৪ রান। নবম ওভারের প্রথম বলে আন্দ্রে রাসেলকে স্টেপ আউট করে ছক্কা মারার পরের বলটিই ঠিকভাবে সামলাতে না পেরে মর্গ্যানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। দুটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪০ রান করেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। এরপর মঈন আলিকে সঙ্গে নিয়ে ১০.৫ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের ১০০ রান পূর্ণ করিয়ে দেন ফাফ ডুপ্লেসি। ১১.৩ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে লকি ফার্গুসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। সাতটি চারের সাহায্যে তিনি করেন ৩০ বলে ৪৪ রান। ১৪.২ ওভারে দলের ১১৯ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় সিএসকে। সুনীল নারাইনের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৯ রান করেন অম্বাতি রায়ুডু।শেষ চার ওভারে সিএসকের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪০ রান। ১৭তম ওভারের চতুর্থ বলে মঈন আলিকে ফেরান লকি ফার্গুসন। ২টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৩২ রান করেন মঈন। শেষ তিন ওভারে চেন্নাইয়ের জয়ের জন্য ৩১ রান দরকার ছিল। ব্যক্তিগত ১১ রানে রান আউট হন সুরেশ রায়না। চেন্নাইয়ের পঞ্চম উইকেট পড়ে ১৪২ রানের মাথায়। কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই এই ওভারের তৃতীয় বলে বরুণ চক্রবর্তীর গুগলিতে ঠকে বোল্ড হন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ৪ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি সিএসকে অধিনায়ক। বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ২৩ রানের বিনিময়ে ধোনির উইকেটটি তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। ১৮তম ওভারে তিনি মাত্র ৫ রান খরচ করেন। এর আগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ রান তোলে। সর্বাধিক ৪৫ রান করেন রাহুল ত্রিপাঠি। নীতীশ রানা অপরাজিত থাকেন ২৭ বলে ৩৭ রান করে। ১১ বলে ২৬ রান করেন দীনেশ কার্তিক। শার্দুল ঠাকুর ও জশ হ্যাজলউড নেন দুটি করে উইকেট।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL, KKR : চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের জন্য কাদের জন্য দিকে তাকিয়ে নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট?‌

রবিবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম পর্বে চেন্নাইয়ের কাছে হারতে হয়েছিল নাইটদের। এবার প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে কাজটা সহজ হবে না নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় পর্বে দুটি দলই দুটি করে ম্যাচ জিতেছে। নাইট রাইডার্সকে আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝকঝকে মনে হচ্ছে। পরপর দুটি ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলে উঠে এসেছে ৪ নম্বরে। রবিবার চেন্নাই সুপার কিংসকে হারাতে পারলেই প্লে অফের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে ভরসা জোগাচ্ছে টপ অর্ডার এবং বরুণ চক্রবর্তীর বোলিং। আগের দুটি ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন ভেঙ্কটেশ আয়ার, শুভমান গিল ও রাহুল ত্রিপাঠী। বরুণ চক্রবর্তীর বোলিংও ধাঁধায় ফেলছে ব্যাটসম্যানদের।দ্বিতীয় পর্বে নাইটদের বদলে যাওয়ার রহস্য টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের পারফরমেন্স। প্রথম সাক্ষাৎকারে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে হয়েছিল নাইটদের। ৩১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়েছিল। পরের দিকে কার্তিক, রাসেল, কামিন্সদের ঝোড়ো ব্যাটিং বাঁচাতে পারেনি নাইট রাইডার্সকে। দ্বিতীয় পর্বে নাইটদের দুটি জয়ে পেছনে রয়েছে টপ অর্ডারের অবদান। ভেঙ্কটেশ আয়ার, শুভমান গিল, রাহুল ত্রিপাঠীরা দলকে উতরে দিয়েছেন। তবে মিডল অর্ডারকে এখনও পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধেই হয়তো পরীক্ষার মুখে। কারণ, চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা বোলাররা ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ব্যাটসম্যানদের কাজ কঠিন করে দিচ্ছে। চেন্নাই সুপার কিংসের অবশ্য কোনও বিভাগ নিয়ে চিন্তা নেই। টানা ৫ ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছে। আগের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্রতিকূল অবস্থা থেকেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ডেথ ওভারে শার্দূল, দীপকরা দারুণ বোলিং করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় রান করতে দেননি। ব্যাটিংয়েও টপ অর্ডার দলকে নির্ভরতা দিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, ধোনি ব্রিগেডের ব্যাটিং লেজ যথেষ্ট লম্বা। তার ওপর রয়েছে অধিনায় ধোনির ক্রিকেটীয় মস্তিষ্ক। ফলে নাইটদের কঠিন লড়াইয়ের সামনে পড়তে হবে। একটা পরিসংখ্যান দুই শিবিরকেই আশাবাদী করে তুলেছে। দুই দলই দ্বিতীয় পর্বে হারিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। দুই দলের শেষ পাঁচটি সাক্ষাতে চারটি ম্যাচেই জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। গত বছরের আইপিএলে প্রথম সাক্ষাতে সিএসকে ৬ উইকেটে জিতলেও ফিরতি ম্যাচে কেকেআর জিতেছিল ১০ রানে। এখনও অবধি আইপিএলে দুই দল পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে ২৬ বার। ১৬টিতে জিতেছে সিএসকে, ৯টিতে কেকেআর, একটি ম্যাচ অমীমাংসিত ছিল।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL : কোহলি রান পেলেও হেরে গভীর সঙ্কটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

প্লে অফে যাওয়ার জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে জেতা জরুরি ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ধোনিদের কাছে ৬ উইকেটে হেরে গভীর সঙ্কটে বিরাট কোহলিরা। যদিও ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হয়নি কোহলিদের এই পরিস্থিতিতে পড়তে হবে। ভাল শুরু করেও হারতে হল।শারজায় মাঝে মাঝেই মরু ঝড় দেখা যায়। শুক্রবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ও চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচের আগে তেমনই মরু ঝড়। চারিদিক ধুসর। মরু ঝড়ের জন্য নির্ধারিত সময়ের আধ ঘণ্টা পর টস। খেলা শুরু হয় ১৫ মিনিট দেরিতে। টসে জিতে চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত। এদিন পাহাড় প্রমাণ চাপ নিয়ে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ক্রিকেটপ্রেমীরা প্রত্যাশা করেছিলেন, মরু ঝড়ের মতোই ঝড় উঠবে কোহলির ব্যাটিংয়ে। রান পেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ক্যাপ্টেন। দলকে বড় রানের জন্য শক্ত ভিতও গড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বাকিরা কাজে লাগাতে পারেননি।এদিন ভাল শুরু করেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বিনা উইকেটে তোলে ৫৫। ১০ ওভারে ওঠে ৯২। ১০০ রানে পৌঁছয় ১১.১ ওভারে। ১৩.২ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ওপেনিং জুটি ভাঙেন ডোয়েন ব্র্যাভো। তুলে নেন বিরাট কোহলিকে। ৬টি ৪ ও ১টি ৬এর সাহায্যে ৪১ বলে ৫৩ রান করেন তিনি। কোহলির আগে ৩৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ১৬ ওভারের শেষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের রান ছিল ১ উইকেটে ১৩১। ১৭তম ওভারে দুটি উইকেট তুলে নেন শার্দুল ঠাকুর। পঞ্চম বলে আউট করেন এবি ডিভিলিয়ার্সকে। রায়নার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ১১ বলে ১২ রান করেন তিনি। পরের বলেই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। পাঁচটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে ৫০ বলে ৭০ রান করে আউট হন তিনি। পাড়িক্কল আউট হওয়ার পর পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন টিম ডেভিড। সিঙ্গাপুরের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এদিন আইপিএল অভিষেক হল তাঁর। যদিও অভিষেকে নজর কাড়তে ব্যর্থ ডেভিড। ৩ বলে ১ রান করে দীপক চাহারের শিকার হলেন তিনি। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ডোয়েইন ব্র্যাভোর বলে জাদেজার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৯ বলে ১১ রান করেন তিনি। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৬ রানের বেশি এগোতে পারেনি বিরাট কোহলির দল। ডোয়েন ব্র্যাভো ৪ ওভারে ২৪ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট নেন। শার্দুল ঠাকুর চার ওভারে ২৯ রানের বিনিময়ে দুটি উইকেট পেয়েছেন। দীপক চাহার একটি উইকেট দখল করেন।জয়ের জন্য ১৫৭ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭১। রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৬ বলে ৩৮ করেন রুতুরাজ। পরের ওভারেই ডুপ্লেসিকে (২৬ বলে ৩১) তুলে নেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মঈন আলি ও অম্বাতি রায়ডু। মঈন ২৩ ও রায়ডু ৩২ রান করে আউট হন। চেন্নাইকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ধোনি (অপরাজিত ১১) ও সুরেশ রায়না (অপরাজিত ১৭)। ১৮.১ ওভারে ৪ উইকেটে ১৫৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal