• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

COW

রাজ্য

যাত্রীবাহী গাড়ির আড়ালে গরু পাচার! ইনোভা-জাইলোর গোপন কৌশল ফাঁস পুলিশের তদন্তে, গ্রেফতার এক

বাইরে থেকে বোঝার কোনও উপায় নেই। আর পাঁচটা সাধারণ যাত্রীবাহী গাড়ির মতোই মনে হবে। রাস্তায় চলাচলকারী ইনোভা কিংবা জাইলোর ভিতরে যে লুকিয়ে থাকতে পারে চুরি করা গরু, তা ঘুণাক্ষরেও বোঝার উপায় নেই। তদন্তকারীদের দাবি, গাড়ির পিছনের সিট খুলে তৈরি করা হয়েছিল বিশেষ গোপন জায়গা। সেই জায়গাতেই গরু তুলে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় নিয়ে যাওয়া হত। সোনারপুরে গরু চুরির একটি ঘটনার তদন্তে নেমে এমনই একটি চক্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ।এই ঘটনায় আজগার ফকির নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সোনারপুর থানার পুলিশ। মগরাহাট এলাকার বাসিন্দা আজগারকে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সক্রিয় গরু চুরি ও পাচার চক্রের অন্যতম মাথা বলে দাবি তদন্তকারীদের।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে এই চক্রের সদস্যরা। অভিযোগ, প্রথমে নির্দিষ্ট জায়গা থেকে গরু চুরি করা হত। এরপর সেই গরু সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হত এমন সব গাড়ি, যা দেখে সাধারণ যাত্রীবাহী গাড়ি বলেই মনে হবে। বিশেষ করে ইনোভা বা জাইলোর পিছনের আসন খুলে সেখানে তৈরি করা হত গোপন জায়গা। সেখানেই গরু তুলে নিয়ে যাওয়া হত বলে দাবি পুলিশের।তদন্তকারীদের দাবি, অতীতে বাংলাদেশে গরু পাচারের সঙ্গেও যুক্ত ছিল আজগার। তবে সীমান্ত পেরিয়ে পাচারের ক্ষেত্রে সমস্যা বাড়ায় পরে চক্রের কৌশলে পরিবর্তন আসে। পুলিশের অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু সংগ্রহ করে সেগুলি কেটে মাংস বিক্রির ব্যবস্থাও করা হত।সম্প্রতি সোনারপুরের ইসকনের গোশালা থেকে গরু চুরির অভিযোগ সামনে আসে। সেই ঘটনার তদন্তে নামে সোনারপুর থানার পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরেই আজগার ফকিরের নাম সামনে আসে বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। এরপর তাকে গ্রেফতার করা হয়।তবে আজগারের গ্রেফতারির পরেই তদন্ত থামাতে নারাজ পুলিশ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের সন্ধান চালানো হচ্ছে। কারা গরু চুরির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, কোন কোন এলাকায় এই চক্র সক্রিয়, চুরি করা গরু কোথায় নিয়ে যাওয়া হত এবং পাচারের কাজে মোট কতগুলি গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছেএসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আজগারের পিছনে আরও বড় একটি নেটওয়ার্ক থাকতে পারে। সেই নেটওয়ার্কের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং গোটা চক্র কীভাবে কাজ করত, তা জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সোনারপুর থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

আমূল পরিবর্তন 'আমুল' দুধের দামে, বাড়াল দুধের দাম, মধ্যবিত্তের কপালে নতুন চাপ

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির চাপে যখন সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস, ঠিক তখনই নতুন করে ধাক্কা দিল আমুল (Amul)। সংস্থার তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে দুধের নতুন দাম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লিটার পিছু ২ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, যা মধ্যবিত্তের মাসিক খরচে বাড়তি চাপ ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।সংস্থার দাবি, গত এক বছরে গবাদি পশুর খাদ্য, দুধের প্যাকেজিং সামগ্রী এবং জ্বালানির খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেই সঙ্গে ২০২৫ সালের মে মাস থেকে দুধ উৎপাদক কৃষকদের দেওয়া সংগ্রহমূল্যও ৩.৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্য হয়ে পড়েছিল বলেই জানিয়েছে তারা।কোন দুধের দাম কত বাড়ল?* আমুল গোল্ড (৫০০ মিলি): ৩৪ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫ টাকা* আমুল তাজা (৫০০ মিলি): ২৮ টাকা থেকে বেড়ে ২৯ টাকা* আমুল বাফেলো মিল্ক (৫০০ মিলি): ৩৭ টাকা থেকে বেড়ে ৩৯ টাকা* আমুল গরুর দুধ (৫০০ মিলি): ২৯ টাকা থেকে বেড়ে ৩০ টাকা* আমুল শক্তি দুধ (৫০০ মিলি): ৩১ টাকা থেকে বেড়ে ৩২ টাকা* টি-স্পেশাল দুধ (১ লিটার): ৬৩ টাকা থেকে বেড়ে ৬৬ টাকা* বিশেষ করে এক লিটারের টি-স্পেশাল প্যাকেটের দামে ৩ টাকা বৃদ্ধি নজর কেড়েছে।সংস্থার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে প্রতি লিটার দুধে অতিরিক্ত ৮০ পয়সা সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছবে। এর ফলে দুধ উৎপাদকরা ন্যায্য দাম পাবেন এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহিত হবেন বলে মনে করছে সংস্থা।বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে সরবরাহ ব্যবস্থায় যে চাপ তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবও এই মূল্যবৃদ্ধির পিছনে কাজ করেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। ফলে দুধের এই নতুন দাম মধ্যবিত্তের অস্বস্তি আরও বাড়াবে বলেই আশঙ্কা।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

আইসিকে কদর্য ভাষা অনুব্রতর, FIR, শেষমেশ ক্ষমা প্রার্থনা

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়ে যায়। সেই অডিওর শোনা যাচ্ছে, বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির অন্যতম সদস্য অনুব্রত মণ্ডল বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। দুদিন আগে এই অডিও ক্লিপটি যে কোনও কারণেই ভাইরাল হয়ে যায়। তারপরেই জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ সিং, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার বোলপুর রানা মুখোপাধ্যায় বৈঠক ডেকে আইসি লিটন হালদারকেও ডেকে পাঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোলপুর এসডিপিও রিকি আগরওয়াল সহ চার পুলিশ কর্তা। উল্লেখ্য, গতকালই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার নাগরিক কমিটির ডাকে বোলপুর থানায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা। অভিযোগ, আইসি লিটন হালদার বিভিন্ন জনের কাছ থেকে তোলাবাজি অর্থ দাবি করেন। অনুব্রত মণ্ডলকেও, এ ব্যাপারে সোচ্চার হতে দেখা যায়। যদিও এ ব্যাপারে পুলিশের তরফে কোন বক্তব্য জনসমক্ষে আসেনি। অনুব্রতর কদর্য বক্তব্য সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই তীব্র নিন্দা হয় বিভিন্ন মহল থেকে। এমনকি বিজেপির রাজ্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব শাসকদলকে আক্রমণ করার হাতিয়ার পেয়ে যায়। একইসঙ্গে তৃণমূল দল থেকে নিজস্ব হ্যান্ডেলে অনুব্রত মণ্ডলের ঘটনার নিন্দা করা হয়। বলা হয় যে, অনুব্রত মণ্ডল একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তার সঙ্গে আমাদের দল সম্পূর্ণ দ্বিমত প্রকাশ করছে। এবং এই মন্তব্যকে ও সমর্থন করছে না। পাশাপাশি, দল তাকে নির্দেশ দেয় যে আগামী চার ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে দল শোকজ নোটিশ জারি করবে। ইতিমধ্যে, পুলিশের তরফে একটি মুখবন্ধ খামে চিঠি এসে পৌঁছায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে। অন্যদিকে, বোলপুর থানায় বিএনএস এর ৭৫, ১৩২, ২২৪ ও ৩৫১ ধারায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। পাশাপাশি, অডিও ক্লিপটি কিভাবে ভাইরাল হল তা নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানান, বীরভূমের পুলিশ সুপার আমানদীপ সিং। অবমাননাকর মন্তব্যের তদন্ত শুক্রবার বোলপুর দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডল একটি ভিডিও বার্তায় সকলের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, যে নানুরের শিঙ্গিতে তার এক দলীয় কর্মীর পা ভেঙে গুড়ো করে দেওয়া হয় সে ব্যাপারে তিনি আইসিকে দেখার অনুরোধ করেন। অনুব্রত বলেন, যে নুরুল নামে সেই দলীয় কর্মী গুরুতর অবস্থায় আহত হন। তারপর সেখান থেকে তাকে ফোন করা হয়। রাত্রি দশটায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ফোনে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর, তিনি আইসিকে বলেন যে, ওই আহত ব্যক্তিকে বাঁচানোর জন্য আপাতত হাসপাতালে ভর্তি করুন। একইভাবে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ ও আইসিকে অনুরোধ করেন। কিন্তু আইসি তাকে একটি খারাপ কথা বলেন। যেটা তিনি আর বলতে চাইছেন না। তার পক্ষে (অনুব্রতর) এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত হয়নি। তিনি ক্ষমা চাইছেন।

মে ৩০, ২০২৫
রাজ্য

অনুব্রতর বাড়ির দরজায় আটকে গেলেন মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, কান্নায় ভাসলেন সকন্যা "বীরভূমের বাঘ"

গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাওয়ার পর আজ সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা রওয়ানা দেন বোলপুরের নীচুপট্টির বাড়ির দিকে। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন অসংখ্য অনুগামী।এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে অনুব্রত তাঁর বাড়িতে ঢোকার অনুমতি না দেওয়ায়। তাঁদের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাংসদ অসিত মালকেও দরজার বাইরে থেকে ফিরে আসতে হচ্ছে। অনুব্রত মন্ডল ও তাঁর কন্যা সুকন্যাকে দেখা গেল হাত দিয়ে চোখের জল মুছতে। আবেগি অনুব্রত দু হাত দিয়ে চোখ চেপে ছিলেন। আজ বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। অনুব্রতর সঙ্গে দেখা হয়নি দলনেত্রীর। বাড়িতে ঢোকার সময় অনুব্রত এদিন বলেন, তিনি দিদির সঙ্গেই আছেন। পায়ে ব্যথা রয়েছে। শরীর ভালো থাকলে তিনি দেখা করবেন দিদির সঙ্গে। কাজল এখন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি। অনুব্রত তিহাড় জেলে থাকলেও তিনিই দলের সভাপতি পদে বহাল রয়েছেন। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তনে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দেবে কিনা তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বরাবরই অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয়েছে, কেড়ে নেওয়া হয়েছে দলের সাংগঠনিক পদ। তবে তাঁরা বিধায়ক রয়েছেন। অনুব্রত জেলে থাকলেও দলের সভাপতিই থেকে গিয়েছেন।অনুব্রত বাড়ি ফেরার পর তাঁরা দেখা করতে গিয়েছিলেন দলের জেলা সভাপতির সঙ্গে। যদিও কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের মাধ্যমে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়, বাড়িতে প্রবেশাধিকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে সেখান থেকে ফিরে যান চন্দ্রনাথ, বিকাশ, অসিত মাল। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ পেয়েছেন জেলা নেতা সুদীপ্ত ঘোষ, নলহাটির বিধায়ক, বোলপুরের পুর প্রধান। অনুব্রতর সঙ্গে জেলা কোর কমিটির সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছিলেন। সেখানে ছিলেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা। ছিলেন আরও কয়েকজন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

রুজিরাকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ, আগামী সপ্তাহে তলব অভিষেককে

সাড়ে চার ঘন্টা পর সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে। কয়লা পাচার মামলায় ইডি তলব করেছিল অভিষেক-জায়াকে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি প্রবেশ করেন সিজিওতে। দিল্লি থেকে আসা ইডি অফিসাররা রুজিরাকে প্রশ্ন করেছেন। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে রুজিরাকে দিল্লির সদর দফতরে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেক্ষেত্রে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আদালতের নির্দেশেই রুজিরাকে কলকাতার দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলা হয়েছিল ইডিকে।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, আমার পারিবারিক বিষয় নিয়ে কোনও কথা বলব না। ও (রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়) ভালো মেয়ে, নিরাপরাধ মেয়ে, সৎ মেয়ে, প্রাপ্ত বয়স্কা। শুধু বলব ইডি বাঘ নাকি? ইডি দেশের জনগণের সেবার জন্য, বিজেপির সেবা করার জন্য নয়।এরপরই এদিন বিকালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। আগামী মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। প্রসঙ্গত, ওইদিনই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের।আজ, বৃহস্পতিবারই ইডির নোটিস, মঙ্গলবার অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি । কুন্তলের চিঠি ছাড়াও একাধিক তথ্যকে সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চায় ইডি। গত ২০ মে কুন্তলের চিঠির প্রেক্ষিতে অভিষেককে প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।সমন পাওয়ার পর অভিষেক জানিয়ে দিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোট শেষ হওয়ার পর ইডি তলব করলে তিনি যাবেন। এখন ১০-১২ ঘন্টা সময় নষ্ট করতে পারবেন না।

জুন ০৯, ২০২৩
রাজ্য

সরানো হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মহম্মদবাজারের আইসিকে, তলব করা হয়েছিল গরুপাচার কাণ্ডে

বীরভূমের মহম্মদ বাজার থানার আইসি মহম্মদ আলিকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরে পাঠানো হয়েছে ডিইবি-তে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে সরানো হয়েছে আলিকে।সম্প্রতি, গরুপাচার কাণ্ডে মহম্মদ আলির নাম জড়়িয়েছিল। এই আইসিকে তলবও করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ এই পুলিশ অফিসার। তিনি অনুব্রতর মামলার টাকার যোগানও দিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁকে তলব করায় পুলিশ মহলে কানাঘুষো চলছিল। এবার তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরু পাচার তদন্তে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডলের হিসেবরক্ষক

গরু পাচার মামলায় এবার ইডি গ্রেফতার করল অনুব্রত মন্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাংলা থেকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মণীশ কোঠারিকে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা। এদিকে, বুধবার দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডলের কন্য সুকন্যাকেও তলব করেছে ইডি।এর আগে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গলকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তের স্বার্থে সায়গালকে আগেই দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার ইডির জালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। এর আগেও তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সূত্রের খবর, কোঠারির কাছ থেকে নয়া তথ্য় মিলেছে। গরু পাচার কাণ্ডে তদন্তে নামে-বেনামে অনুব্রত, তাঁর কন্যা, দেহরক্ষী সকলেরই বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এসব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন তাঁর হিসেবরক্ষক।বীরভূমে একাধিক চালকলের সন্ধান মিলেছে। মিলেছে মেডিক্যাল কলেজের তথ্য়। যেসব জায়গায় কোটি কোটি টাকা লগ্নি করেছে অনুব্রত মন্ডল। সেই টাকা কোথা থেকে পেলেন তিনি? সেই খোঁজ নিচ্ছে ইডি। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে কেষ্টর নামে-বেনামে থাকা অ্যাকাউন্টে কোটি-কোটি টাকার লেনদেনের তথ্যও পেয়েছে ইডি।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

বিরল আকৃতির গরুর জন্মানোই চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে

বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম ঘিরে চাঞ্চল্য ছাড়লো পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের খুরুল গ্রামে। ভাতারের খুড়ুল গ্রামের বাসিন্দা খোকন ঘোষ পেশায় গো-পালক। তাঁর গৃহপালিত গাভী একটি বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম নেয়। দুটি মাথা ও ছটি পা বিশিষ্ট বাছুরের জন্ম ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর ছড়াতেই খোকন বাবুর বাড়িতে এলাকার মানুষের ঢল নামে। যদিও বাছুরটি জন্মের কিছুক্ষণ পরই মারা যায়।গাভীর মালিক খোকন ঘোষ বলেন, সকাল থেকেই গাভিটি যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। স্থানীয় পশু চিকিৎসক এবং আমরা দুভাই মিলে বাছুরটিকে ভূমিষ্ঠ করার চেষ্টা করি। ঘন্টাখানেক চেষ্টার পর বাছুরটি ভূমিষ্ঠ হয়। যার দুটি মাথা ও ছটি পা। জন্মের ঘন্টাখানেকের মধ্যে বাছুরটি মারা যায়। স্বভাবতই মন খারাপ গোপালক খোকন ঘোষের।গ্রামবাসীরা জানান, বছর ত্রিশ পঁয়ত্রিশ আগে এই গ্রামে বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম হয়েছিল। এটা নিয়ে দ্বিতীয়বার বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম হল ভাতারের খুড়ুলগ্রামে।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজ্য

ঝাড়খণ্ড থেকে রামপুরহাট হয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাওয়ার আগেই ৫২ টি গরু আটক করে পুলিশ

ফের গরু আটক রামপুরহাট ফের গরু আটক। এবার ঝাড়খণ্ড থেকে বীরভূমের রামপুরহাট থানা হয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাওয়ার আগেই ৫২ টি গরু আটক করে পুলিশ। সেই সঙ্গে জাহাঙ্গীর শেখ নামে এক গরু ব্যবসায়ী সহ আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বাড়ি মুর্শিদাবাদের নগর এলাকায় বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার ঝাড়খণ্ডের শিকারিপাড়া থানার সারাসডাঙ্গা এলাকায় পশু হাট ছিল। সেখান থেকে জাহাঙ্গীর শেখ গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছিল মুর্শিদাবাদে। তিনজন লোক ভাড়া করে গরু গুলি হাঁটিয়ে ঝাড়খণ্ডের দুমকা-বীরভূমের রামপুরহাটের রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। রামপুরহাট থানার পুলিশ গরু গুলি আটক করে। কারণ ব্যবসায়ী গরু কেনা বেচার কোন বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। যদিও ধৃত ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা সারাসডাঙা পশু হাট থেকে গরু গুলি কিনে নিয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাচ্ছিল। তবে তাদের কাছে কোন বৈধ কাগজ ছিল না।প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হতেই তৎপর হয়ে ওঠে বীরভূম জেলা পুলিশ। বৈধ কাগজ ছাড়া গরু পাচার বন্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই রামপুরহাট থানার পুলিশ ১৩৭ টি গরু আটক করল।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পরিস্থিতি অনুধাবন করেই কী নিজাম প্যালেসে ছুটেছেন অনুব্রত মন্ডল?

তলবের পর তলব। পাল্টা একের পর এক আইনজীবীর চিঠি। তবে এবার কী এমন হল যে নিজেই যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজির হলেন অনুব্রত? গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার আগেই হাজির হয়ে যান বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। তাহলে কী এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের পরিস্থিতি দেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মন্ডল। সূত্রের খবর, সিবিআই দফতরে প্রবেশ করতেই তাঁকে রেস্ট রুমে বসানো হয়। প্রশ্নমালা তৈরি করে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এর আগে বেশ কয়েকজনকে এই মামলায় গ্রেফতার করেছে সিবিআই।এর আগে গরুপাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মন্ডলকে একাধিকবার তলব করে সিবিআই। কিন্তু তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এসএসকেএমের উডবার্ণ ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে যান। তারপর কলকাতার চিনারপার্কের ফ্লাটে ফিরেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআইকে নানা শর্ত আরোপ করতে থাকেন এই তৃণমূল নেতা। সিবিআই ক্রমাগত ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে থাকে। এই মুহূর্তে সিবিআইয়ের হাতে এই রাজ্যের একাধিক ঘটনার তদন্তভার রয়েছে। এদিকে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর আগে ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সিবিআই হাজিরা এড়াতে পেরেছেন। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ সেই সুযোগ দেয়নি। বুধবার রাজ্যের এই প্রবীণ মন্ত্রীকে সাড়ে তিন ঘন্টা সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা, পরিস্থিতি বিচার করে আর দেরি করেননি অনুব্রত মন্ডল। তবে ভবিষ্যতে এর কারণ উপলব্ধি করা যেতে পারে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

মে ১৯, ২০২২
রাজ্য

উডবার্ন না নিজাম প্যালেস', অনুব্রতর গন্তব্য নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে

মঙ্গলে ঊষা বুধে পা......। তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে বুধবার গরুপাচার-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তলব করেছে। সুত্রের খবর, মঙ্গলবার বারবেলায় সেই উদ্দেশ্যেই তিনি বোলপুরের বাসভবন থেকে কলকাতার উদ্দশ্যে রওনা দেন। অনুব্রত কলকাতায় পৌঁছতেই কৌতূহলী মানুষজনের একটাই প্রশ্ন। তাহলে কি অবশেষে সিবিআইয়ের ডাকে সারা দিতেই কলকাতায়? না চিকিৎসার জন্য এসএসকেএমের উডবার্ন! তাঁর ঘনিষ্ঠমহলের ধারণা, বুধবার নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআই তদন্তকারীদের সামনে তিনি হাজিরা দেবেন।অনুব্রত সন্ধ্যা ছটার সামান্য পরে চিনার পার্কের একটি আবাসনে আসেন। তাঁর বুধবার সিবিআইয়ের কাছে হাজিরা দেওয়ার কথা। কলকাতায় অনুব্রত মন্ডলের উপস্থিতি ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে। চিনার পার্কের সেই আবাসনের বাইরে সাংবাদমাধ্যমের যঠেষ্ট ভিড় ছিল। তিনি এখনও পর্যন্ত কারও সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। একটা বড় অংশের মতে, অনুব্রত চিকিৎসার কারণেই কলকাতায় এসেছেন। এর আগে তিনি শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সিবিআই হাজিরা এড়িয়ে গেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন অনুব্রত দলের কাজে কলকাতায় এসেছেন। এটি গরুপাচার মামলায় তাঁর চতুর্থ সমন। উডবার্ন না নিজাম প্যালেস বুধবারে মিডিয়ার অভিমুখ কোন দিকে থাকে তাঁর দিকেই তাকিয়ে বাংলার কৌতূহলী জনতা।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

নিজাম প্যালেসে ফের তলব অনুব্রত মণ্ডলকে

গোরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে ফের তলব। ১৪ মার্চ নিজাম প্যালেসে অনুব্রত মণ্ডলকে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকাল ১১টায় তাঁকে হাজিরা থাকতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে চতুর্থবার তাঁকে তলব করা হয়েছে। শেষবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি। সেবার তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। এর আগেও তিন বার তিনি কখনও নির্বাচনী ব্যস্ততা, কখনও আবার শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। গ্রেপ্তারি এড়াতে তিনি হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন।গোরুপাচার মামলায় ১৪ ফেব্রুয়ারি সিবিআই তলব করেছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেদিনও হাজিরা এড়িয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ২৫ ফেব্রুয়ারি ফের তাঁকে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয়। অনুব্রত মণ্ডলের শারীরিক অবস্থার বিষয়টি আইনজীবীরা জানান। এদিন হাজিরা এড়িয়ে যান কেষ্ট।২৫ ফেব্রুয়ারি অবশ্য অনুব্রত মণ্ডলের তরফে আইনজীবী আদালতের দ্বারস্থ হন। অনুব্রতর তরফ থেকে জানানো হয়, তিনি হাজিরা এড়াতে চান না। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছিলেন, গোরু পাচার মামলায় তদন্তে সহযোগিতা করতে রাজি তিনি। জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। কিন্তু কলকাতায় সিবিআই দপ্তরে গিয়ে হাজিরা দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়, শারীরিক অসুস্থতার জন্য। বোলপুরে বাড়ির কাছাকাছি কিংবা কাছাকাছি কোথাও ডাকা হোক তাঁকে। এই মর্মে আইনজীবী মারফৎ চিঠিও পাঠিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

মার্চ ০৭, ২০২২
কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেপ্তার এনামুল হক

গোরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করা হল এনামুল হককে। ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন গোরু পাচারকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এনামুল। শনিবারই দিল্লির রাউজ এভিনিউ আদালতে তোলা হবে তাঁকে। সূত্রের খবর, এদিন এনামুলকে নিজেদের হেপাজতে চাইতে পারে ইডি। এর আগে ২০২০ সালে সিবিআই এনামুলকে গ্রেপ্তার করেছিল।ইতিমধ্যেই এনামুল হকের কলকাতার বেশ কয়েকটি ঠিকানা এবং মুর্শিদাবাদের কয়েকটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। সিবিআইয়ের দাবি ছিল, এনামুল শুধু গোরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত এমনই নয়। চালকল, আবাসন ও নির্মাণ শিল্প, পাথর খাদান, বালির কারবার-সহ একাধিক বেআইনি কারবারেও এনামুল যুক্ত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১০০ কোটির বেশি টাকা পাওয়া গিয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এছাড়াও তাঁর নামে-বেনামে বহু সম্পত্তিরও খোঁজ মেলে। বাংলা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে এনামুলকে। এখান থেকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে আদালতে তোলা হবে শনিবারই।এর আগে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে সিবিআই তাঁকে হেপাজতে নিয়েছিল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের হাতে একটি ডায়েরি উঠে এসেছে। সেটি এনামুলের কাছ থেকেই পাওয়া গিয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই ডায়েরি অনুযায়ী গোরু পাচারকাণ্ডে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কে বা কারা এই টাকা পেয়েছেন, কোথা থেকে সেই টাকা এল, এর পিছনে আরও বড় কোনও মাথা রয়েছে কি না সমস্ত কিছু জানতেই এনামুলকে হেপাজতে নিয়ে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান বলেই দাবি সূত্রের।সম্প্রতি এই এনামুল হকের সূত্র ধরেই তৃণমূল সাংসদ-অভিনেতা দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সিবিআই নিজাম প্যালেসে তাঁকে জেরা করেন। সূত্রের খবর, এনামুলের কাছ থেকে দেব নগদ টাকা এবং দামী ঘড়ি উপহার নিয়েছেন। যদিও দেব এই বিষয়টি ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেন। একইসঙ্গে দেবের দাবি ছিল, তিনি এনামুল হককে চেনেনই না। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই গোরু পাচারের টাকার একটা অংশ চলচ্চিত্র জগতেও লগ্নি হয়েছে। দেবকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পিন্টু মণ্ডল নামে টলিউডের এক প্রযোজককেও তলব করে সিবিআই।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

এনামুলকে চিনি না, ৫ ঘণ্টা জেরার পর বেরিয়ে বললেন দেব

গোরুপাচার-কাণ্ডে অন্যতম সাক্ষী হিসাবে অভিনেতা ও সাংসদ দেবকে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নিজাম প্যালেসের দপ্তরে মঙ্গলবার তাঁকে হাজির হতে বলা হয়। সেই মতো সকালেই তিনি হাজির হন। জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে এসে দেব বলেন, এনামুল হককে চিনি না। কোনও টাকা লেনদেন হয়নি।সূত্রের খবর, পাঁচ ঘণ্টা ধরে দুদফায় অভিনেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। নোটিস পেয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সিবিআই অফিসে পৌঁছে যান দেব ওরফে দীপক অধিকারী। জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রায় ৪টে নাগাদ তিনি নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। সে সময় কিছুটা বিধ্বস্ত লাগে তাঁকে। বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এনামুল হককে চেনেন না। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাঁর বয়ান খতিয়ে দেখেছ।গোরুপাচার-কাণ্ডের তদন্তে রাজ্য পুলিশের বেশ কয়েক জন কর্তা ও নিচুতলার কিছু ইনস্পেক্টরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই ও ইডি। রাজ্যের এক মন্ত্রী এবং আইনজীবীকেও তলব করা হয়েছে। নিজাম কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে দেব জানান, কিছুই হয়নি। আমাকে স্টেটমেন্ট দিতে বলল। আমি সেই স্টেটমেন্ট দিলাম। ব্যাস, এইটুকুই। এরপর সাংবাদিকদের তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি এনামূল হককে চিনতেন? জবাবে তারকা অভিনেতা বলেন, না আমি কাউকে চিনতাম না, সেটাই আমি বললাম। তিনি কোনও উপহার নিয়েছিলেন কিনা , সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাও অস্বীকার করেন ঘাটালের তারকা সাংসদ। তিনি বলেন, আমি বেশি কিছু বলতে পারব না। তবে আমি একটাই কথা বলব, আমার স্টেটমেন্ট নিয়েছে। আমি যতরকমভাবে পারব সহযোগিতা করব। আমার মনে হয়, আমাকে আর ডাকা হবে না। এর থেকে বেশি আমি আর কিছু বলতে পারব না।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় সাংসদ দেবকে নোটিস সিবিআইয়ের

গোরুপাচার মামলায় তৃণমূল সাংসদ এবং অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। বুধবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের তরফে এই মর্মে একটি নোটিস গিয়েছে দেবের কাছে। ওই নোটিসে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা নাগাদ দেবকে নিজাম প্যালেসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কলকাতার দপ্তরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।দেবের সঙ্গে গোরু পাচার কাণ্ডের কী সম্পর্ক তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। সিবিআইয়ের নোটিসেও এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। তবে সূত্রের খবর গোরু পাচারকাণ্ডে যে সমস্ত সাক্ষীদের ইতিমধ্যে জেরা করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, তাদের বয়ানেই উঠে এসেছে অভিনেতা ও সাংসদ দেবের নাম। যদিও তৃণমূল সাংসদ দেব এই নোটিস নিয়ে বুধবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি বা ব্যখ্যা দেননি।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

Minor's Vaccination: আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ। দেওয়া হচ্ছে কোভ্যাকসিন। কোউইন পোর্টালে জোরকদমে চলছে রেজিস্ট্রেশন। ভ্যাকসিনেশন হচ্ছে স্কুলে। কলকাতার ১৬টি স্কুল চূড়ান্ত করেছে পুরসভা। একইসঙ্গে ৩৭ কোভ্যাক্সিন সেন্টার থেকেও দেওয়া হবে প্রতিষেধক। তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে যারা স্কুলছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে পুরসভার ৩৯টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটিতে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, যাঁরা স্কুল ছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে হবে। কলকাতা পুরসভার ৩৯ টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটি যাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে। সারদা ইন্সস্টিটিউশন ফর গার্লস, গভর্নমেন্ট স্পনসরড মাল্টিপারপাস স্কুল ফর বয়েজ টাকি হাউজ, চেতলা গার্লস হাইস্কুল, সন্তোষপুর ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যালয়, গার্ডেনরিচ নুটবিহারি গার্লস হাইস্কুল-সহ কলকাতার একাধিক স্কুলে টিকাকরণ হচ্ছে।বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন, কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অত্যন্ত সামান্য। বাচ্চাদের অল্প জ্বর আসতে পারে, গলা ব্যথা, গা হাত পা ব্যথা হতে পারে টিকা নেওয়া পর। তবে তাতে ভয় পাওয়া কিচ্ছু নেই বলে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন। এগুলি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই চলে যাবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভয় পেয়ে বাচ্চাদের ভ্যাকসিন না দেওয়ানো, অত্যন্ত ভুল সিদ্ধান্ত হবে বলে অভিভাবকদের সচেতন করেছেন চিকিৎসকরা।কো-উইন তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশের সাড়ে ১২ লাখেরও বেশি ১৫-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরীরা টিকাকরণের জন্য নাম নথিভুক্ত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মাণ্ডব্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে টিকাকরণের জন্য বয়সের ভিত্তিতে আলাদা আলাদাভাবে ভ্যাকসিন সেন্টার, সেশন সাইট, লাইন ও টিকাকরণ কর্মীদের টিম তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের দেওয়া হবে কোভ্যাক্সিন।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
দেশ

Cow Ambulance: দেশে প্রথম, গোরুর জন্য অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা!

গোরুর জন্য অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালু করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। ডেয়ারি উন্নয়ন, পশুপালন ও মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী লক্ষ্মী নারায়ণ চৌধরি রবিবার এ কথা জানিয়েছেন। অসুস্থ হওয়া গোরুদের দ্রুত চিকিৎসা করানোর লক্ষ্যেই এই পরিষেবা শুরু হবে যোগীরাজ্যে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, গোরুর জন্য এই ধরনের পরিষেবা দেশে এই প্রথম।অভিনব অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা ডিসেম্বর মাস থেকে পাওয়া যাবে। ২৪ ঘণ্টায় এই পরিষেবা পাবেন গবাদি প্রতিপালকরা। এ জন্য ইতিমধ্যেই ৫১৫টি অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি আছে বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মী নারায়ণ। তিনি বলেছেন, পরিষেবার জন্য জরুরিুকালীন নম্বর ১১২ তে ফোন করতে হবে। অসুস্থ গোরুদের দ্রুত চিকিৎসার জন্যই এই ব্যবস্থা। ওই নম্বরে ফোন করার আধ ঘণ্টার মধ্যে দুই সহকারী নিয়ে এক পশুচিকিৎসক এসে হাজির হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। এই পরিষেবা সংক্রান্ত অভাব-অভিযোগের জন্য লখনউয়ে একটি কলসেন্টার খুলবে যোগীর সরকার।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
দেশ

Cow: বদলে যেতে চলেছে দেশের জাতীয় পশুর নাম? কী বলল এলাহাবাদ আইকোর্ট

ভারতের জাতীয় পশু কী, আট থেকে আশি সকলে উত্তরটা জানেন। সহজেই বলে দিতে পারবেন। এই যদি দেখেন হঠাৎ উত্তরটা পাল্টে গিয়েছে! গোরু হয়ে গিয়েছে ভারতের জাতীয় পশু। গোরক্ষা আইনের পর এবার গোরুকে জাতীয় পশু করার পক্ষে সওয়াল করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি শেখরকুমার যাদব গোহত্যা সংক্রান্ত একটি মামলায় অভিযুক্তের জামিনের আবেদনের শুনানিতে বলেন, গোরু ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তাই গোরুকেই দেশের জাতীয় পশু করা উচিত।আরও পড়ুনঃ ফের বাড়ছে সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরলবুধবার এমনই সুপারিশ দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। যেখানে বলা হয়েছে, গোরুকে ভারতের জাতীয় পশু ঘোষণা করা উচিত। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে গোরু ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া যাঁরা গোরুকে ঈশ্বরের চোখে দেখে তাঁদেরও মৌলিক অধিকার রক্ষিত হবে। এমনকী, যারা গোরুর ক্ষতি করার চেষ্টা করে, সরকারের কাছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনারও সুপারিশ বিচারপতি শেখরকুমার যাদবের বেঞ্চ। এই সুপারিশ শোনানোর সময় বিচারপতি বলেন, বাঁচার অধিকার সবার উপরে। গো-হত্যা কোনও মতেই মৌলিক অধিকার হতে পারে না।ওই মামলার শুনানির পর উত্তরপ্রদেশ গোহত্যা বিরোধী আইনে অভিযুক্ত জাভেদ নামে এক ব্যক্তির জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি যাদব। জামিন খারিজের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানান, গোরু সম্পর্কে ভারতীয় সমাজে ভাবাবেগ রয়েছে। অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হলে সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হবে। ভারতীয় নাগরিকদের মতোই গোরুর মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত করতে সংসদ বিল পাশ করিয়ে নতুন আইন প্রণয়নেরও সুপারিশ করেন তিনি। বিচারপতির মন্তব্য, গোরুর ভাল হলে তবেই দেশের ভাল হবে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Cow-Coal Smuggling: আরও বিপাকে বিনয় মিশ্র, হাইকোর্টে খারিজ সব আবেদন

গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে ভার্চুয়ালি জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। এই আর্জি জানিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কিংপিন বিনয় মিশ্র। কিন্তু সেই আর্জি আজ খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গত রবিবার সিবিআই বিনয়ের এই আবেদন খারিজ করে দেয়। আজ সিবিআই-এর সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখল আদালত। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাত থেকে বহুদূর চলে গিয়েছেন গোরু ও কয়লা পাচারকারীর মাথা বিনয় মিশ্র। আপাতত প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুয়াতে বহাল তবিয়তে রয়েছেন বিনয়। আরও পড়ুনঃ খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ কর্তাদের মানবতার দিশা দেখালেন ইব্রাহিম ও তারাপদতাঁকে সিবিআই-এর তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়, ভারতে এসে যথারীতি সময়ে হাজিরা দিতে। শুধুই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে গ্রেপ্তার করা হবে না। তখন বিনয় শর্ত দেন, তিনি ভারতে এখন আসবেন না, যা জিজ্ঞাসা করার যেন ভার্চুয়ালি করা হয় সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন। কিন্তু সিবিআই সেই আর্জি খারিজ করে দেয় ও বিনয়ের আর কোনও দাবি না মানার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মর্মে আদালতের কাছে আর্জি জানালেও তা খারিজ করে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়ে দিয়েছেন, সিবিআই তদন্তে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। নিজের মতো করেই তদন্ত করতে পারবে তারা। অর্থাৎ এবার সিবিআই হয়ত বিনয়কে গ্রেপ্তার করতেও পারে। অপরদিকে আজই নিজাম প্যালেসে বিনয়ের বাবা-মায়ের ভুয়ো কোম্পানি কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও আসেননি তারা। বেলা ১১ টায় হাজিরার সময় থাকলেও এখনও পাত্তা নেই বিনয়ের বাবার। আইনজীবি মহলের ধারণা বিনয়কে এখনই গ্রেপ্তার করা সিবিআই-এর তরফে অসম্ভব। কারণ সিবিআই ভালোই জানে ভানুয়াতুয়ার সঙ্গে ভারতের পণবন্দির চুক্তি নেই। আর থাকলেও এই করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত অসম্ভব। আবার বিনয়ের কাছে একাধিক পাসপোর্ট রয়েছে, সিবিআই-এর তোড়জোড়ের খবর পেলেই হয়ত অন্য রাষ্ট্রে পালিয়ে গিয়ে একেবারেই গা ঢাকা দিতে পারে যেটা গোয়েন্দারা কখনই চাইবেন না।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Cadbery: ক্যাডবেরি নিয়ে উত্তাল নেটমাধ্যম, উত্তর দিল সংস্থা

ক্যাডবেরিতে রয়েছে গোমাংস! আর এমন গুজব ছড়িয়েই দেশজুড়ে ক্যাডবেরি সংস্থার সব ধরনের চকোলেট না কেনার ডাক দেওয়া হয়েছে। সংস্থার কিছু খাবারে জেলাটিন ব্যবহার করা হয়। সে কথা উল্লেখ করা আছে সংস্থার ওয়েবসাইটে। সে অংশের একটি ছবি ঘুরতে থাকে টুইটারে। তা নিয়েই এই বিতর্ক। আরও পড়ুনঃ বড়সড় সমস্যায় মোশাররফ করিম সহ আরও অনেকেজেলাটিন তৈরি হয় গোমাংস থেকে। এমন জিনিস ভারতীয় হিন্দুরা খাবেন কী না, এমন সব প্রশ্ন তুলে সংস্থার উপরে অনেকেই রাগ উগরে দেন নেটমাধ্যমে। ওয়েবসাইটের সেই অংশের ছবির নীচে জানতে চাওয়া হয় ঘটনাটি সত্যি কিনা। সঙ্গে ট্যাগ করা হয় ক্যাডবেরি ইউকে-কে। এ কথা যদি সত্যি হয়, তবে গোরুর চর্বি থেকে তৈরি কোনও খাবার ভারতের হিন্দুদের খাওয়ানোর জন্য ক্যাডবেরি সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও দাবি ওঠে। এক নেটাগরিক লেখেন, আমাদের পূর্ব পুরুষেরা নিজেদের প্রাণ দিয়েছেন, তবু গোরুর মাংস মুখে তোলেননি কখনও। এর নীচেই কয়েকশো নেটাগরিকের বক্তব্য জমতে থাকে। এমন কাণ্ডের পরে ব্রিটেনের এই সংস্থার সব খাবার একেবারের বর্জন করা উচিত বলেই বক্তব্য প্রকাশ করেন তাঁরা।pic.twitter.com/798qgPozsF Cadbury Dairy Milk (@DairyMilkIn) July 18, 2021সংস্থার তরফে এর উত্তরও দেওয়া হয়েছে। ক্যাডবেরি ডেয়ারি মিল্ক বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, ভারতে যে সব খাবার বিক্রি করে ওই সংস্থা, তা পুরোপুরি নিরামিষ। ওয়েবসাইটের যে অংশের ছবি টুইটারে ঘুরছে, তা আদৌ ভারতের কোনও সামগ্রীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তাদের তরফে উল্লেখ করা হয়, যে কোনও চকোলেটের মোড়কে সবুজ একটি চিহ্ন থাকে। তা বুঝিয়ে দেয় যে সেই খাবারটি নিরামিষ। ভারতে তেমন চকোলেটই পাঠানো হয় বলে দাবি সংস্থার।

জুলাই ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal