• ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২, সোমবার ০৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bollywood

বিনোদুনিয়া

বলিউডের নিরাপত্তা ঘিরে নতুন প্রশ্ন: গভীর রাতে রোহিত শেট্টীর বাড়ির সামনে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল জুহু

শনিবার গভীর রাত। ঘুমের চাদরে ঢাকা মুম্বইয়ের জুহু এলাকা। আচমকাই নিস্তব্ধতা ভেঙে চার রাউন্ড গুলির শব্দ। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। লক্ষ্য বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক রোহিত শেট্টীর বাড়ির সামনের এলাকা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যরাত পেরোনোর কিছু পরেই রোহিত শেট্টীর বাড়ির বাইরে একের পর এক গুলির শব্দ শোনা যায়। কোনও হতাহতের খবর না মিললেও, ঘটনায় চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুম্বই পুলিশ ও ফরেনসিক দল। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে শুরু হয় তদন্ত।এক প্রত্যক্ষদর্শীর মোবাইলে ধরা পড়া ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশের তৎপরতা টহল গাড়ি, তদন্তকারী অফিসার ও নিরাপত্তা কর্মীদের ব্যস্ততা। যদিও এখনও পর্যন্ত হামলাকারীদের পরিচয় বা হামলার উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়।মুম্বই পুলিশ কমিশনার জানান, রোহিত শেট্টীর বাড়ির সামনে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যক্তিগত শত্রুতা, ভীতি প্রদর্শন না কি অন্য কোনও উদ্দেশ্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ফের সামনে এসেছে বলিউডের নিরাপত্তা প্রশ্ন। কারণ, অতীত খুব দূরের নয়। ২০২৪ সালে বান্দ্রায় সলমন খানের বাড়ির সামনেও একই ধরনের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। সেবার সমাজমাধ্যমে কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিশ্ণোইয়ের গ্যাং হামলার দায় স্বীকার করেছিল।রোহিত শেট্টীর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি। তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, আগের ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়ানো হয়েছে পরিচালকের নিরাপত্তাও।একাধিক ধারাবাহিক ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে তারকাদের ঘিরে কি নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে অপরাধচক্র? নাকি এটা নিছক ভীতি প্রদর্শনের কৌশল? উত্তর খুঁজছে পুলিশ। আর আতঙ্কের ছায়ায় আপাতত নিদ্রাহীন বলিউড।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

শেষযাত্রায় এত গোপনীয়তা কেন? ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু ঘিরে নতুন জল্পনা

ভারতীয় সিনেদুনিয়ার কিংবদন্তি, বলিউডের হিম্যান ধর্মেন্দ্রর বিদায়বেলায় চেয়ে বসেছিল দেশের কোটি কোটি অনুরাগীর চোখ। যিনি একাই তিনশোর বেশি ছবিতে কাজ করে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন, যাঁর স্টার পাওয়ার একসময়ে রাজনৈতিক মহলেও সমান গুরুত্ব পেতসেই মহীরুহের শেষযাত্রা যে এত নীরবে সম্পন্ন হবে, তা কল্পনাও করেননি কেউ। আর সেই কারণেই ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর থেকেই উঠছে অসংখ্য প্রশ্ন। কেন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা মিলল না তাঁর? কোথায় সেই গান স্যালুট? কেন অনুরাগীরা তাঁকে শেষবার দেখা পর্যন্ত পেলেন না?সোমবার থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোলএমন মাপের তারকার বিদায় কি এমন নিরবচ্ছিন্ন নীরবতায় ঢেকে রাখা উচিত ছিল? প্রত্যাশিত মতো বিপুল ভিড় পর্যন্ত জমতে দেওয়া হয়নি, আর তাতেই ক্ষোভ ও ব্যথা ছড়িয়েছে তারকাভক্তদের মধ্যে। অনেকেই লিখেছেন, একবার অন্তত দেখতে দিতে পারত পরিবার।বলিউডের অন্দরমহলে ছড়িয়ে পড়েছে আরও বিস্ফোরক তথ্য। জানা যাচ্ছে, প্রথমে সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, ধর্মেন্দ্রকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়, গান স্যালুট-সহ শেষকৃত্য করা হবে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নাকি আপত্তি তোলে দেওল পরিবারই। তাঁদের দাবি, সবকিছু মিডিয়ার নজর থেকে দূরে রাখতেই চাইছিলেন তাঁরা। কারণ দিন পনেরো আগে ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর ভুয়ো খবর রটতেই নাকি ভীষণ অপমানিত বোধ করেছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। সেই অভিমানের জেরেই এবার সত্যি খবরটিও গোপন রাখার পথ বেছে নেন তাঁরা।যদিও পরিবারের পক্ষ থেকে এই দাবি নিশ্চিত করা হয়নি, কিন্তু বলিউড মহলে কানাঘুষো চলছেমিডিয়ার অতিরিক্ত নজরদারি, গুজব ও ভুল তথ্যর কারণেই নাকি ধর্মেন্দ্রর শেষযাত্রা এত চুপিসারে করা হয়েছে।ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বহু পুরনো সদস্যের বক্তব্য, ভারতীয় ছবির ইতিহাসে ধর্মেন্দ্রর মতো মেগাস্টার বিরল। তাঁর মতো ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দেওয়া শুধু দুঃখজনক নয়, অসম্মান-ও বটে। কিন্তু পরিবার যখন নিজের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তখন বিতর্ক থামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন অনেকে।তবে বলিউডের একটা প্রশ্নই এখন সবচেয়ে জোরালোএত বড় তারকার বিদায় কি সত্যিই এমন নীরব হওয়া উচিত ছিল?

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

লড়াই শেষ! প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র: ৯০-এ থেমে গেল ছয় দশকের কিংবদন্তি যাত্রা

বার্ধক্যজনিত শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন অভিনয়জগতের হ্যাণ্ডসাম হিরো। নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। অমিতাভ, আমির, জীতেন্দ্র-সহ চলচ্চিত্র দুনিয়ার তারকারা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন।হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সোনালি অধ্যায়ের অন্যতম স্তম্ভ ধর্মেন্দ্র প্রয়াত। সোমবার নিজের বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এই তারকা। বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। কিছু দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কয়েক দফায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল, তৈরি হয়েছিল উদ্বেগের আবহ। পরে কিছুটা উন্নতির পর বাড়ি ফিরলেও শেষ পর্যন্ত আর ফেরানো গেল না প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করা এই কিংবদন্তিকে।পরিবারের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও না এলেও, প্রযোজকপরিচালক এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সূত্রে খবর মিলেছে অভিনেতার প্রয়াণের। সোমবারই পবনহংস শ্মশানে সম্পন্ন হয় তাঁর শেষকৃত্য। শেষযাত্রায় উপচে পড়া ভিড়ভক্ত, প্রতিবেশী, ইন্ডাস্ট্রির কলাকুশলীসবাই যোগ দেন প্রিয় তারকার শেষ দর্শনে।শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, আমির খান, জীতেন্দ্র-সহ অসংখ্য তারকা। শোকবার্তা লিখে কর্ণ জোহর বলেন, একটা যুগের অবসান। ভারতীয় সিনেমা আজ এক মহান শিল্পীকে হারাল।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়েছিল। ভেন্টিলেশনে থাকার খবরও ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরে ধর্মেন্দ্রপুত্র সানি দেওলের সহকারী এবং স্ত্রী হেমা মালিনী সেই তথ্য খণ্ডন করেন। কিছুদিন আগে মৃত্যু-গুজব রটে তাঁর প্রথম স্ত্রীর কান্নার একটি ভিডিও ছড়ানোর পর পরিবারের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।অভিনেতার শেষ কর্মজীবনেও ছিল ব্যস্ততা। মাত্র ২৪ নভেম্বর প্রকাশ্যে আসে তাঁর অভিনীত ইক্কিস ছবিতে তাঁর চরিত্রের ঝলক। জন্মদিনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই এমন খবর শোকস্তব্ধ করেছে অনুরাগীদের। আগামী ৮ ডিসেম্বর তাঁর ৯০তম জন্মদিন পালনের প্রস্তুতি চলছিল পরিবারেকিন্তু তার আগেই ইন্ডাস্ট্রি হারাল ধর্ম পাজি-কে।প্রায় ছয় দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে শোলে, চুপকে চুপকে, সীতা অউর গীতা, ধর্মবীর, মেরা গাঁও মেরা দেশ-এর মতো কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবেন ধর্মেন্দ্র। আজ তাঁর প্রয়াণে শোকাহত গোটা দেশআরও এক অধ্যায় শেষ হল ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র! বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তি তারকা ধর্মেন্দ্র আর নেই। ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন হি-ম্যান নামে পরিচিত এই মহাতারকা। যদিও পরিবার প্রথমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি, দুপুর থেকেই মুম্বইয়ের জুহুর বাড়ির বাইরে অস্বাভাবিক নড়াচড়ায় জোরালো হয় আশঙ্কা। দুপুরের পর তাঁর বাড়ি থেকে একটি অ্যাম্বুল্যান্স বেরিয়ে যায়, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সানি দেওল, ঈশা দেওল ও হেমা মালিনীকে দেখা যায় পাওয়ান হান্স শ্মশানে পৌঁছতে। এরপর অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেককে দেখা যায় সাদা পোশাকে ভিলে পার্লের শ্মশানের সামনে। আমির খান পৌঁছন ধর্মেন্দ্রের বাসভবনে।কিছুদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ধর্মেন্দ্র। চিকিৎসকেরা তাঁকে বাড়িতে এনে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মধ্যে রেখেছিলেন। এক সময় শারীরিক অবস্থার খানিক উন্নতি হলেও শেষপর্যন্ত অসুস্থতাকে জয় করতে পারলেন না তিনি।মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে কিংবদন্তির প্রয়াণের খবর। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তে ঢেউ তোলা শোকবার্তা, চলচ্চিত্র জগত শোকস্তব্ধ। পরিচালক করণ জোহর, যাঁর ছবিতে রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি-তে সর্বশেষ অভিনয় করেছিলেন ধর্মেন্দ্র, ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তা লিখে জানান, একটা যুগের অবসান। ভারতীয় সিনেমার প্রকৃত কিংবদন্তি, অপরূপ ব্যক্তিত্ব, সবচেয়ে বড় কথাঅত্যন্ত ভালো মানুষ। আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে যে শূন্যতা তৈরি হল, তা কোনওদিন পূরণ হবে না।ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক সোনালি অধ্যায় রচনা করে গেলেন ধর্মেন্দ্র। ছয় দশকের টানা সাফল্য, তিনশোরও বেশি ছবি, আর কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়জয়সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন বলিউডের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর রেখে যাওয়া পরিবারে রয়েছেন দুই স্ত্রী প্রকাশ কৌর ও হেমা মালিনী এবং সন্তানসানি দেওল, ববি দেওল, বিজেতা, অজিতা, ঈশা দেওল ও আহানা দেওল।এ মুহূর্তে চলছে শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান। চলচ্চিত্র দুনিয়ার বন্ধু, সহকর্মী, পরিবারের সদস্য এবং অগণিত শুভানুধ্যায়ী ভিড় জমিয়েছেন শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। মুম্বইয়ের বাতাসে যেন ভেসে বেড়াচ্ছে একটি কথাইএভাবেই কি সত্যিই শেষ হয়ে গেল ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রদের একটির অধ্যায়?

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

অবশেষে স্বস্তি! হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বলিউডের হি-ম্যান ধর্মেন্দ্র

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থাকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই উদ্বেগ ছড়িয়েছিল ভক্তদের মনে। কখনও শ্বাসকষ্ট, কখনও জল্পনা সব মিলিয়ে আতঙ্কের আবহ। অবশেষে বুধবার সকালে মিলল স্বস্তির খবর। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন ৮৯ বছরের এই কিংবদন্তি অভিনেতা।মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে গত ৩১ অক্টোবর ভর্তি করা হয়েছিল ধর্মেন্দ্রকে। শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। দীর্ঘ চিকিৎসার পর বুধবার সকালে হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ একটি অ্যাম্বুল্যান্স অভিনেতার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। তখনই চর্চা শুরু হয় ধর্মেন্দ্র কি সত্যিই ছাড়া পাচ্ছেন? কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সমদানি সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জানান, হ্যাঁ, আজ সকালেই ধর্মেন্দ্রজিকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে তাঁর চিকিৎসা চলবে বাড়িতেই।ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান এই অভিনেতার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসার প্রতি তিনি ভালোভাবে সাড়া দিচ্ছেন। নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাঁকে।তবে গত দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল এক বিভ্রান্তিকর খবর দাবি করা হয়েছিল, প্রয়াত হয়েছেন ধর্মেন্দ্র। মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় সেই ভুয়ো খবর। পরিবার থেকে শুরু করে বলিউড মহল পর্যন্ত নিন্দায় মুখর হয়। কন্যা এষা দেওল ক্ষোভ উগরে দিয়ে ইনস্টাগ্রামে লেখেন, আমার বাবা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। দয়া করে ভুয়ো খবর না ছড়িয়ে পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন।ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী, অভিনেত্রী হেমা মালিনীও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি লেখেন, এই ধরনের মিথ্যে খবর ছড়ানো মানে এক অসুস্থ মানুষের প্রতি নির্মমতা। বরং তাঁর দীর্ঘায়ুর জন্য প্রার্থনা করুন। একই সুরে সানি দেওলের টিমও অনুরোধ জানায়, ধর্মেন্দ্রজি ভালো আছেন, সবাই তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করুন।প্রায় ১০ দিন হাসপাতালে কাটানোর পর অবশেষে নিজের ঘরে ফিরলেন বলিউডের হি-ম্যান। ভক্তদের মুখে এখন একটাই প্রার্থনা ধর্মেন্দ্রজি, তাড়াতাড়ি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে পর্দায় ফিরে আসুন।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুম্বাইয়ের অভিনেত্রী ও মডেল 'কাঁটা লাগা গার্ল'-এর অকাল মৃত্যু, শোকের ছায়া শিল্পী মহলে

মাত্র ৪২ বছরে মৃত্য়ু হল মুম্বাইয়ের অভিনেত্রী মডেলের। শেফালি জারিওয়ালা শুক্রবার মুম্বাইয়ে মারা গেছেন। জানা গিয়েছে, তার স্বামী পরাগ ত্যাগী এবং আরও তিনজন তাকে বেলভিউ মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। ডাক্তাররা পরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।মুম্বাই পুলিশের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, আন্ধেরি এলাকায় নিজের বাসভবনে মেডেলের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। মুম্বাই পুলিশ রাত ১টায় এই খবর পেয়েছে। তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুপার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।শেফালি জারিওয়ালা ২০০০-এর দশকের প্রথম দিকের হিট কাঁটা লাগা গানের মিউজিক ভিডিওতে তার অভিনয়ের জন্য সর্বাধিক পরিচিতি পান। এমনকি এই গানটি তাকে কাঁটা লাগা গার্ল উপাধিও এনে দেয়। এরপর তিনি সলমান খানের মুঝসে শাদি কারোগিতে অভিনয় করেন। পরে, তিনি সলমানের সঞ্চালনায় রিয়েলিটি শো, বিগ বস ১৩-তেও অংশ নেন। ২০০৪ সালে, শেফালি মিট ব্রাদার্স খ্যাত সঙ্গীতশিল্পী হরমিত সিংয়ের সাথে বিয়ে করেন। কিন্তু ২০০৯ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। ২০১৫ সালে, তিনি অভিনেতা পরাগ ত্যাগীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।সেলিব্রিটিরা শেফালি জারিওয়ালার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। আমি গভীরভাবে মর্মাহত, শোকাহত। আমাদের প্রিয় তারকা এবং আমার প্রিয় বন্ধু @শেফালিজারিওয়ালা আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। তোমার অনুগ্রহ, হাসি এবং চেতনার জন্য তোমাকে সর্বদা স্মরণ করব। ওম শান্তি,। গায়ক মিকা সিং X-তে তার শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান। রাজীব আদাতিয়া, কাম্যা পাঞ্জাবি, আলি গনি সহ আরও সেলিব্রিটিরা অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠি লিখেছেন, এটা অবিশ্বাস্য। আমরা পরিবারের জন্য মর্মাহত এবং দুঃখিত। আমার বন্ধু শেফালি জারিওয়ালা আর নেই শুনে একেবারে হতবাক হয়ে গেলাম। শেষবার আমি তার সঙ্গে একটি পার্টিতে দেখা করেছিলাম। জীবন এত ছোট। সে আমার সাথে #BiggBoss13 তে ছিল।

জুন ২৮, ২০২৫
রাজ্য

"কেশরী: চ্যাপ্টার ২" তে ক্ষুদিরাম বসু সহ বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান, প্রতিবাদে গর্জে উঠল বাংলা পক্ষ

সম্প্রতি কেশরী: চ্যাপ্টার ২ নামের এক বলিউডি হিন্দি সিনেমায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র সংগ্রামের উজ্জ্বল ইতিহাস তথা বীর বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের পরিচয় ও ভূমিকা বিকৃত করে এক মনগড়া মিথ্যা ইতিহাস তুলে ধরার অভিযোগ উঠেছে। সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে যে ক্ষুদিরাম সিং ও বারীন্দ্র কুমার নামক দুই বিপ্লবী বৃটিশ পুলিশকর্তা কিংসফোর্ডকে বোমা মেরে হত্যার চেষ্টা করে ও তাদের বোমা তৈরীর প্রশিক্ষণ দেয় কৃপাণ সিং! যার সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। প্রকৃত পক্ষে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালি বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামের ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ঘটনা কিংসফোর্ড হত্যার প্রচেষ্টা ও পরবর্তীতে মানিকতলা বোমা মামলার ঘটনার কথা সম্পূর্ণ বিকৃত ভাবে এই সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে।সশস্ত্র সংগ্রামের লক্ষ্যে কলকাতার মানিকতলার যুগান্তর গুপ্ত সমিতিতেই অরবিন্দ ঘোষের নেতৃত্বে বোমা তৈরীর কর্মশালা গড়ে ওঠে, ইউরোপ থেকে বোমা তৈরী শিখে এসে এখানে বোমা তৈরী করে বিপ্লবীদের সরবরাহ করতেন হেমচন্দ্র কানুনগো, যিনি বলিউডের দৌলতে হয়েছেন কৃপাণ সিং। এই গুপ্ত সমিতির পক্ষেই ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী কিংসফোর্ডকে বোমা নিক্ষেপ করে হত্যার চেষ্টা করেন। মেদিনীপুরের বীর বাঙালি কিশোর ক্ষুদিরাম বসুর পদবী সিনেমায় হয়েছে সিং অন্যদিকে প্রফুল্ল চাকীর নামই মুছে গেছে, শোনা গেছে জনৈক বারিন্দর কুমারের নাম, যেকোন ইতিহাস সচেতন ব্যক্তিই বলতে পারবেন এই নাম আসলে মানিকতলা বোমা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ও পরবর্তীতে আন্দামানে দ্বীপান্তরিত বারীন্দ্র ঘোষের, যিনি সম্পর্কে অরবিন্দ ঘোষের ভাই। এই মানিকতলা বোমা মামলায় বিপ্লবীদের পক্ষে কোর্টে আইনি লড়াই করেন আরেক মহান বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। এই গৌরবজনক অধ্যায় সম্পূর্ণ ভাবে বিকৃত করা হয়েছে, যা বাঙালি জাতি তথা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি চূড়ান্ত অবমাননা।এই বিকৃতির বিরুদ্ধে বাঙালির ক্ষোভের প্রকাশ দেখা যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থেকে সংস্কৃতি জগতের নানান ব্যক্তিত্ব এই ইতিহাস তথা মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম বিকৃতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। ভারতীয় বাঙলির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষও সরব হয়েছে, আজ তারা পথে নেমে প্রতিবাদ করল কলকাতার বাংলা একাডেমী সংলগ্ন রানুছায়া মঞ্চে। এই প্রতিবাদ সভায় বাংলা পক্ষর সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, কেশরী ২ সিমেমার মূখ্য অভিনেতা অক্ষয় কুমার, তিনি কাদের স্বার্থে বিকৃত ইতিহাস প্রচার করে সিনেমা তৈরি করেন এটা আমাদের সকলের জানা৷ বিজেপি ও বলিউডের উদ্দেশ্য বাঙালির গৌরবজনক বীরত্বের ইতিহাস মুছে দেওয়া। সেই উদ্দেশ্যেই বারবার এই ধরনের ঘটনা দেখা যাচ্ছে। বলিউড এর আগেও অভয় ২ সিরিজে বীর শহীদ ক্ষুদিরাম বসুকে ক্রিমিনাল, জঙ্গি হিসাবে দেখিয়েছিল। বাংলা পক্ষ তখন Zee5 কে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছিল এবং সল্টলেকে Zee5 এর অফিসে বিক্ষোভ করেছিল। পরবর্তীতে Zee5 ক্ষমা চেয়ে সেই অংশ বাদ দিতে বাধ্য হয়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় বলেন যতক্ষণ না পর্যন্ত কেশরী ২ সিনেমার নির্মাতারা ক্ষমা না চায়, বাংলা পক্ষর লড়াই চলবে। ক্ষমা চেয়ে এই দৃশ্য বাদ দিতে হবে। বাঙালি বিদ্বেষীদের কিভাবে ক্ষমা চাওয়াতে হয় সেটা বাংলা পক্ষ ভালো ভাবে জানে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য সৌম্যকান্তি ঘোড়ই বলেন, ক্ষুদিরাম বসুকে অপমান মানে বাঙালিকে অপমান। প্রফুল্ল চাকীকে অপমান মানে বাঙালিকে অপমান৷ বীর বিপ্লবী বারীন ঘোষদের অপমানের বিরুদ্ধে এই লড়াই চলবে। অক্ষয় কুমারকে ক্ষমা চাইতেই হবে।এছাড়াও আজকের প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন কলকাতা জেলার সম্পাদক সৌম্য বেরা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সম্পাদক কুশনাভ মন্ডল, শিল্পী পক্ষর অধিকর্তা প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। এর আগে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় এই সিনেমা নিয়ে একই ইস্যুতে এফআইআর হয়েছে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বাঙালি বীর বিপ্লবীদের ইতিহাস বিকৃতি করার জন্য।

জুন ১৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

কেশরী চ্যাপ্টার টু, ইতিহাস বিকৃত করার ভয়ঙ্কর অভিযোগ

ইতিহাসের একটি পরিচিত অধ্যায় ইংরেজ শাসনের সময় বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বোস ও প্রফুল্ল চাকী কুখ্যাত ইংরেজ জাজকে বধ করার চেষ্টা করেছিল। এর ভিত্তিতে ক্ষুদিরাম বোসের ফাঁসি হয়েছিল এবং প্রফুল্ল চাকীও পুলিশের হাতে যাতে ধরা না পড়ে তার জন্য নিজের প্রাণ নিজের হাতে নিয়েছিল। বিধাননগর দক্ষিণ থানাতে অভিযোগ এসেছে যে একটি সিনেমা ইদানিংকালে লাইভ স্ট্রিমিং হচ্ছে সিনেমাটির নাম হচ্ছে কেশরী চ্যাপ্টার টু। সেই সিনেমাটি জিও হটস্টারে দেখানো হচ্ছে লাইভ স্ট্রিমিং এর মাধ্যমে সেখানে একটা দৃশ্যে দেখানো হয়েছে যে ক্ষুদিরাম বোসের নামকে ক্ষুদিরাম সিং বলা হয়েছে এবং প্রফুল্ল চাকির সেখানে কোন উল্লেখ নেই।বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী অরবিন্দ ঘোষের ছোট ভাই বিরেন্দ্র কুমার ঘোষ তিনি ও বিপ্লবী ছিলেন উনার নামটাকে বারিন্দ্রা কুমার বলে বলা হচ্ছে। শুধুমাত্র ঐতিহাসিক তথ্যগুলোকে বিকৃত করা হয়নি, বরঞ্চ স্বাধীনতা সংগ্রামী যারা আছেন তাদের নামটাকে বিকৃত করে তাদের গরিমাটাকে কিছুটা হলেও ম্লান করার চেষ্টা হয়েছে এবং করা হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে একটা কেস করা হয়েছে। এটাও দেখানো হয়েছে খুদিরাম বোস এবং বারিন্দ্র ঘোষ ওনারা অমৃতসরের ছাত্র ছিলেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগটা করা হয়েছে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধান নগর দক্ষিণ থানাতে একটি কেস রুজ করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ১৭, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুম্বাইয়ের নিজের বাড়িতেই ছুরি দিয়ে কোপানো হল সাইফ আলি খানকে, হাসপাতালে ভর্তি: পুলিশ

মুম্বাইয়ের বাড়িতে অনুপ্রবেশকারীর ছুরিকাঘাতে জখম হয়েছেন বলিউডের শীর্ষ অভিনেতা সাইফ আলি খান। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি।ঘটনাটি ঘটে রাত ২টার দিকে বান্দ্রার সাইফ আলি খানের ১১ তলার ফ্ল্যাটে এক অঞ্জাত পরিচয় ব্যাক্তি ঢুকে পড়ে। অভিনেতা অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে চেষ্টা করলেও অনুপ্রবেশকারী তাকে ছুরিকাঘাত করে।গত রাতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি অভিনেতা সাইফ আলি খানের বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তার পরিচারিকার সাথে তর্ক করে। অভিনেতা যখন হস্তক্ষেপ করে লোকটিকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, তখন সে সাইফ আলি খানের উপর হামলা করে তাকে আহত করে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে, মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, মুম্বইয়ের বান্দ্রায় বাড়ি সইফের। এই বাড়িতেই থাকেন অভিনেতার স্ত্রী তথা বলিউডের ডাকসাইটে অভিনেত্রী করিনা কপূর। সুত্রের খবর, দুষ্কৃতী যখন সেই বাড়িতে প্রবেশ করে সেই সময় অভিনেতা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।জানা গেছে বান্দ্রা থানার পুলিশ সইফ আলি খানের ওপর এই হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিভিন্ন সুত্র ধরে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, সইফ আলি খান আপাতত লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সইফ-কে ছুরি দিয়ে-ই কোপানো হয়েছে না কি হামলাকারীদের সাথে ধস্তাধস্তির জন্য তিনি আহত হয়েছেন, এব্যাপারে স্পষ্ট কোনও প্রমান মেলেনি। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। বান্দ্রা থানার পাশাপাশি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করছে মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।বিস্তারিত আসছে......

জানুয়ারি ১৬, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

বক্ষ জুড়ে চলে বেড়াচ্ছে জীবন্ত মাছ! ফ্যাশনের নিত্যনতুন আঙ্গিকে উরফি

গড়পড়তা ফ্যাশনের কনসেপ্ট থেকে বেরিয়ে এসে তিনি তাঁর এক নিজস্ব জগৎ তৈরি করে ফেলেছেন ফ্যাশান দুনিয়ায়, যেখানে নিয়ম ভাঙ্গাটাই নিয়ম। ছকে বাঁধা ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তাঁকে কখনই টানে না। তিনি কখনও বাচ্চাদের খেলার গাড়ি দিয়ে বক্ষবন্ধনী করেন তো কখনও বেতের লাঠি দিয়ে গাউন আবার কখনও লাল অ্যাডেশিভ টেপ জড়িয়ে লজ্জা নিবাড়ন। নিত্যনতুন ভাবনা তাঁর মাথায় কিলবিল করে। তাঁর সাজপোশাক দেখার আগে কারোর মাথাতেই আশার কথা নয় এটাকে পোশাক ভাবা যেতে পারে। এহেন ফ্যাশান আইটেম গ্ল্যামার কুইনের হলেন উরফি যাভেদ।তাঁর পরনে কখনো চিরুনি দিয়ে তৈরি পোশাক তো কখনও আবার বস্ত্রহীন শরীরের লজ্জা ঢাকেন বেলি ফুলের মালা দিয়ে। ছকভাঙ্গা ফ্যাশানের অভিনব কায়দার পোশাকেই উরফিকে দেখতে অভ্যস্ত দর্শক। তাঁর অভিনব পোশাক নিত্যদিন বলিউডের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাঁর পোশাকে অভিনবত্ব আনতে গিয়ে তিনি বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। নানারকম হুমকিতে জর্জরিত তাঁর জীবন। কিন্ত উরফি যেনো অন্য ধাতুতে গড়া। ছোটখাটো চেহারা দেখে তাঁর অবমূল্যায়ন কারীদের তিনি বারবার ভুল প্রমান করেছেন।সমোলচনায় বিদ্ধ উরফি থেমে না থেকে, উল্টে ফ্যাশান নিয়ে তাঁর নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার উৎসাহ আরও কয়েকগুণ বেড়িয়ে দিয়েছেন। এমন সব জিনিস দিয়ে তিনি পোশাক বানিয়ে পরেছেন যা এর আগে কারুর কলপনাতেই আসেনি। ঘাসের ফ্লোর কার্পেট দিয়ে বানানো গাউন তো কখনো শুধুমাত্র পুঁথির মালা দিয়ে ঢেকেছেন বক্ষজুগল, আবার কখনো উন্মুক্ত বক্ষ ঢেকেছেন এক্স-রে প্লেট দিয়ে। কখনও সেই সমস্ত পোশাক প্রশংসা কুড়িয়েছে তো আবার কখনও তাঁর উগ্ধট পোশাকের কারণে জুটেছে কটুক্তি। এবার তিনি আর এক নতুন রূপে ধরা দিলেন।উরফির সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন তাঁর এক নতুন অবতার। যা দেখে স্তম্ভিত নেটিজ়েনরা। উন্মুক্ত বক্ষদেশে কোনও অন্তর্বাস নেই,তার জায়গায় একটি স্বচ্ছ প্লাস্টিকের প্যাকেটের জলে কিছু জীবন্ত মাছ চলে বেড়াচ্ছে। জীবন্ত মাছভর্তি প্লাস্টিকের থলি দিয়েই ব্রালেট বানিয়ে ফেলেছেন উরফি। গোলাপি জিন্স পরিহিত উরফির এহেন ইন্সটা ভিডিও মুহুর্তে ভাইরাল। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে উরফির উন্মুক্ত বক্ষদেশে জুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কমলা রঙের ছোট ছোট গোল্ড ফিশ। বুকে দুটি প্লাস্টিকের প্যাকেট ঝুলিয়ে ক্যামেরার সামনে নানা কায়দার পোজ দিতে ব্যস্ত মছলি জল কি রানী উরফি। গোলাপি অধরঞ্জনীতে অধর রাঙ্গিয়ে, স্কুল গার্লের মত চুলে দুটি বিনুনি করে, হালকা মেকআপে উষ্ণতা ছড়িয়েছেন উরফি। তাঁর ছিমছাম সাজ নজর কেড়েছে নেট অনুগামীদের।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

শীঘ্রই মুম্বই পাড়ি দিচ্ছেন চিত্রগ্রাহক অভি সেনগুপ্ত

কলকাতা শহরে মডেলিং ফটোগ্রাফি ওয়ার্ল্ডের চেনা নাম অভি সেনগুপ্ত। তার ক্যামেরাতে ধরা পরেছে টলিউডের নামকরা তারকা দের অপরুপ বহু ছবি। তার ক্যামেরার জাদুতে ছবির রুপ অন্য মাত্রা নেয়। সম্প্রতি অভিনেতা সৌরভ দাস ও দর্শনা বনিক এর একটি প্রজেক্টের লুক সেট করেছেন তিনি। খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে সেই ছবি।নানান ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে অভি সেনগুপ্ত ও তার টিম কে। প্রচন্ড প্রফেশনাল এই টিম বলতে পারেন কলকাতা শহরে বেশ সুনামের সাথে কাজ করেন।শাড়ীর ব্র্যান্ডের নানান শ্যুটে অনন্য ক্রিয়েটিভির ছোঁয়া এনেছেন এই তারকা ফটোগ্রাফার। কলকাতা শহরের বাইরে মুম্বাই শহরে বেশ কিছু প্রজেক্টের কথা চলছে তার সাথে। বলাইবাহুল্য অভি সেনগুপ্তের তোলা প্রতিটি ছবিতে থাকে অনন্য ক্রিয়েটিভি।

মে ২৯, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

শুটিঙের ফাঁকে নিয়ম ভেঙে কলকাতার কি কি খাবার চেখে দেখলেন বলি নায়িকা অনুষ্কা?

মুম্বাইয়ানা হিন্দি ছবির বর্তমান প্রজন্মের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম অনুষ্কা শর্মা। তর্কাতীত ভাবেই বলিউডি নায়িকাদের মধ্যে প্রথম সারিতেই আলোকিত করে থাকেন তিনি। ছায়াছবির জগতে নায়ক-নায়িকাদের শরীর সচেতনতা অনেকটা আরব্য রজনীর গল্পের মত। কেউ ২০ বছর ভাত খাননি তো কেউ আবার তেল মশালা বিহীন খাবার খেয়ে ৩০ বছর বেঁচে আছেন। বয়সকে একটা টাইম ফ্রেমর মধ্যে ধরে আখাটায় চ্যালেঞ্জ।এঁরা কেউই ডায়েটিশিয়ানের কথার অবাধ্য হননা। অনুষ্কা-ও যে শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হবেন তা বলা বাহুল্য। বিরাট ঘরনি বিগত বছর ধরেই ঝুলন গোস্বামী বায়োপিক চাকদা এক্সপ্রেস নির্মানের বেশ কয়েকবার কোলকাতায় আসা যাওয়া করছেন। এর আগেও তিনি কোলকাতার সিগনেচার খাবার খেয়েছেন, অনুষ্কা আগেও জানিয়েছেন কলকাতায় এলে লোভনীয় বাঙালি খাবার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারেন না একেবারেই। সেই প্রমান এবারো দিলেন। শুধু খেলেনই না সামাজিক মাধ্যমে তার আনন্দটাও ভাগ করে নিলেন পর্দার ঝুলন।ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামীর বায়োপিকের শুটিঙে কোলকাতা এসেছিলেন ১৭ অক্টোবর। রুপালি পর্দায় ঝুলন গোস্বামীকে ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রচন্ড পরিশ্রম করছেন এই বলিউডি লাস্যময়ী নায়িকা। ১৮ অক্টোবর তাঁকে ভারতীয় জার্সী পড়ে ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেনে চাকদা এক্সপ্রেসর শুটিঙে দেখা যায়। ছবির শুটিংয়ের চাপের মধ্যেও কলকাতার খাবারের আনন্দ উপভোগ করতে ভুল করেননি। তিনি সে আনন্দ যে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, তার ঝলক-ই ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরেছেন পর্দার ঝুলন। সিটি অফ জয়ে এসে তিনি কী কী খেয়েছেন, তারই এক ঝলক ভক্তদের সাথে শেয়ার করে নিয়েছেন রব নে বানা দি জোড়ি নায়িকা।অনুষ্কা খাবের তালিকায় ছিল উত্তর কলকাতার বিখ্যাত পুঁটিরামের কচুরি, গিরীশ দের মালাই রোল, প্যারামাউন্টের চার রকমের সরবত, মিঠাইয়ের বেকড রসগোল্লা, হরিশ মুখার্জীর গুরুদুয়ারার পাশে বলবন্ত সিংহের কেশর চা সাথে গরম শিঙাড়া, ধর্মতলার আলিয়ার ফিরনি।শুটিংয়ের মাঝে কলকাতার বহুল পরিচিত দোকানগুলির সুস্বাদু খাবারের স্বাদ যে তিনি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, সেই কথাই অনুষ্কা জানিয়েছেন। চিত্র বিনোদন জগতের প্রতিটি শিল্পী-ই ঘড়ির কাঁটা ধরে বিধিনিষেধ মেনে খাওয়াদাওয়া করেন। নিয়মমাফিক শরীরচর্চা। কিন্তু কলকাতায় এসে নিয়মকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে যে সমস্ত লোভনীয় খাবার চেখে দেখেছেন টা সত্যি অবাক হওয়ার মত। এর সাথে তিনি ধর্মীয় পীঠস্থান বেলুড় মঠ ও কালীঘাট মন্দিরের নামও তাঁর পস্টে উল্লেখ করেছেন। অনুষ্কা কথা পড়ে নেটিজেনেদের ধারনা শুটিংয়ের মাঝে ওই দুই জায়গাতেও হয়ত ঘুরে এসেছেন তিনি।কলকাতার লোভনীয় খাবারের তালিকা লিখে ইনস্টাগ্রামে যে পোস্ট অনুষ্কা করেছেন অনুষ্কা, তাতে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতার শুটিং পর্ব আপাতত শেষ হয়েছে। এখন ছবির মুক্তির অপেক্ষায় আপামর বাঙালি সহ সিনেমা প্রেমী ভারতবাসী।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুজো কার্নিভাল-২০২২ বর্ধমানে উদ্বোধনে বলিউডি অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডে, উপচে পড়া ভিড়

মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দুর্গাপুজোর শেষে বিসর্জনের কার্নিভাল শুরু জেলায় জেলায়। চারদিনের জমজমাট পুজোর শেষে রাজ্য জুড়ে আবার উৎসবে মেতেছে আবাল-বৃদ্ধা-বনিতা। পুর্ব বর্ধমানের বর্ধমান শহরেও চলছে কার্নিভাল। এই কার্নিভালের উদ্ধোধন করেন বলিউডের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডে। ফিতে কেটে তিনি কার্নিভালের শোভাযাত্রার সূচনা করেন। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভারাপ্রাপ্ত মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, প্রধান উদ্যোক্তা বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি দেবু টুডু, অতিরিক্ত জেলাশাসক সুপ্রিয় অধিকারী, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার এছাড়াও জেলার অন্য বিধায়করা, প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক, জেলা পরিষদের কর্মাধক্ষরাও ছিলেন। কার্নিভালে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

অক্টোবর ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিচ্ছেদের গুঞ্জন ওড়ালেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা

শেরশাহ ছবির হাত ধরেই তাঁদের প্রেম শুরু। কিন্তু কয়েক মাস আগে জল্পনা উঠেছিল তাদের প্রেম নিয়ে। দুজনের বিবাহ বিচ্ছেদের খবরও প্রকাশ্যে এসেছিল। কিন্তু সব জল্পনা দূরে সরে গেল। পরিচালক করণ জোহরের সৌজন্যে এক হচ্ছেন কিয়ারা আডবানী ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তাঁর জন্মদিনের পার্টিতেই বিচ্ছেদ ভুলে একে অপরের কাছে এসেছিলেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। এবার জনসমক্ষেও ধরা দিলেন তাঁরা। ২৪ জুন বড়পর্দায় মুক্তি পাবে কিয়ারা ও বরুণ ধাওয়ান অভিনীত যুগ যুগ জিও। সেই ছবির প্রদর্শনীতে গিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ। একসঙ্গে ছবি পোস্ট না করলেও, ভক্তদের সঙ্গে তাঁদের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্পর্কের কথা এখনও সর্বসমক্ষে স্বীকার করেননি তারকা জুটি। তাই বিচ্ছেদ এবং সম্পর্কে ফিরে আসার কথাও গোপন রেখেছেন। কিন্তু গোপন কথাটি শেষপর্যন্ত গোপন আর থাকল না। ছবির প্রদর্শনীতে দেখা গেছে করণ জোহরকেও। কিন্তু তারকা জুটির ছবি ভাইরাল হতেই ভক্তদের প্রশ্ন, কবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন তাঁরা? আগামী ছবির কাজে দুজনেই ব্যস্ত। তার মাঝেই নাকি একসঙ্গে অবসর কাটাতে দেখা যায় তাঁদের। শোনা যাচ্ছে, শুটিং শেষে বিদেশে লম্বা ছুটি কাটাতে যাবেন দুজনে। এরপরই নাকি বিয়ের ঘোষণা করবেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। তার অপেক্ষাতেই রয়েছেন ভক্তরা।

জুন ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় বিউটি পেজেন্টে বলি তারকা আরবাজ খান

বিউটি পেজেন্টের ফাইনালে হাজির থাকতে কলকাতায় বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক আরবাজ খান।আরবাজ খান, বাঙালি মেগাস্টার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কলম্বাস ডিজিপ্লেক্স-এর উদ্যোগে জিও কিং অ্যান্ড কুইন মিস্টার/মিসেস এবং মিসেস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সিজন-২-এর মেগা ফাইনাল ইভেন্ট আয়োজিত হল।সংস্থার মুখপাত্র সুকন্যা গুপ্তা বলেন, এই পেজেন্ট সমস্ত আইকনিক পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য ব্যক্তিত্ব, প্রতিভা, আত্মবিশ্বাস এবং বুদ্ধিমত্তার উপর তাদের স্বতন্ত্রতা প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দিতে চেয়েছে। আমরা পুরুষ ও মহিলাদের জন্য অনেক সুযোগ নিয়ে আসতে চলেছি। আমরা বিশ্বাস করি যে আপনি যদি কোনও কিছুতে খুব উৎসাহী হন তবে কোনও কিছুই আপনাকে উচ্চতায় পৌঁছাতে এবং নতুন মাইলফলক স্থাপন করতে বাধা দিতে পারে না। বয়স একটি সংখ্যামাত্র। আপনার প্রচেষ্টা এবং আপনার লক্ষ্যের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটাই গুরুত্বপূর্ণ।মুম্বইয়ের পূজা ব্যাস জিও কুইন মিসেস বিজয়ী হয়েছেন৷ মাস্কাটের নীলম সিং এবং দিল্লির রবিন্দর কৌর যৌথভাবে প্রথম রানার আপ হন। দ্বিতীয় রানার আপ হন বেঙ্গালুরুর শালিনী পারুপুদি এবং দুবাইয়ের মিসেস নেহা সিং গুপ্তা। এঁরা জিওকুইন ইন্টারন্যাশনাল মিসেস গ্লোবাল কুইনের মুকুট লাভ করেন।

মে ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আরবাজের পর এবার সোহেল খানের বিবাহবিচ্ছেদ

বলিউড ভাইজান সলমন খানের বাড়িতে আবারও একটি বিবাহ বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে এল। ২৪ বছরের দাম্পত্যজীবনের ইতি টানছেন সলমন খানের ভাই সোহেল খান। শুক্রবার মুম্বইয়ের পারিবারিক আদালতে স্ত্রী সীমা খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ চেয়ে আবেদন করেছেন সোহেল খান। আদালত সূত্রে এই খবর প্রকাশ করলেও এই প্রসঙ্গে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি আসেনি।সূত্রটি জানিয়েছে, আজ সোহেল ও সীমা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দুজনেই একে অপরের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন। সোহেল এবং সীমা ১৯৯৮ সালে বিয়ে করেন এবং তাদের দুই সন্তান রয়েছে। প্রথমজনের নাম নির্বান খান এবং অন্যজন ইয়োহান। ২০১৭ সালে খবর রটেছিল, এই দম্পতি বিবাহবিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছেন।১৯৯৭ সালে অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র অজার-এ একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ওই চলচ্চিত্রে তার ভাই সলমন খান এবং সঞ্জয় কাপুর অভিনয় করেছিলেন। এরপর ১৯৯৮ সালের ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র প্যায়ার কিয়া তো ডারনা ক্যা তে সালমান খান এবং আরবাজ খান দুই ভাইকে সাথে নিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন সোহেল। পরের বছর হ্যালো ব্রাদার (১৯৯৯) পরিচালনা করেন। ২০০২ সালে তিনি লেখা, প্রযোজনা, নির্দেশনা দেওয়া এবং বক্স অফিসে গড় আয়ের মে দিল তুঝকো দিয়া চলচ্চিত্রে সর্বপ্রথম অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, কিন্তু কোনওটাই বাণিজ্যিকভাবে সফলতা পায়নি। সোহেল খান ২০০৫ সালের ব্যাবসাফল চলচ্চিত্র ম্যায়নে প্যায়ার কিউ কিয়া? তে অভিনয়ের মাধ্যমে পুনরায় অভিনয়ে ফিরে আসেন। ওই চলচ্চিত্র প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন তার ভাই সালমান খান এবং ক্যাটরিনা কাইফ। এর আগে সলমনের ছোট ভাই আরবাজ খানের সঙ্গে মালাইকার বিচ্ছেদ হয়। এবার সোহেলের বিবাহবিচ্ছেদ হল। তিন ভাইয়ের মধ্যে সলমন খান এখনও অবিবাহিত।

মে ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নেশাগ্রস্ত শেহনাজ বার বার টাল খেয়ে সালমানের গায়ে ঢলে পড়ছেন, সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলড নায়িকা

ঈদের পার্টি সেরে বেরোনোর পথে সালমানকে প্রায় বগল-দাবা করে নিয়ে বেড়িয়ে আসেন শেহনাজ। একটি বারের জন্যেও সলমনের হাত ছাড়েননি তিনি। কারনে অকারণে বারংবার জড়িয়ে ধরছেন সাল্লুমিয়া-কে। একাধিবার শেহনাজকে সলমনের দুই গলায় চুম্বন করতে দেখা যায়। শেহনাজ ভাইজানের হাত ধরে প্রায় টানতে টানতে গাড়ি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যায়, সলমন খান আমায় ছাড়তে এসেছে।সামাজিক মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে এই ভিডিও-র কমেন্ট বক্সে ট্রোল্ড হতে শুরু করেন শেহনাজ। তাঁকে সমর্থন করতে ময়দানে নেমে পড়েন তাঁর ভক্তকুল। তির্যক মন্তব্যকারিদের সাথে সমর্থন কারিদের বিভিন্ন বাদানুনাদে জমে ওঠে। ইনস্টাগ্রামে তাঁদের ফ্যান/ফলোয়াররা দুই দলে ভাগ হয়ে লড়াই চালাতে থাকেন।ঠিক কী ঘটেছিল ইদের পার্টিতে?পার্টি থেকে বেড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হন শেহনাজ গিল। তখন তাঁর সাথে সলমন খানও ছিলেন। শেহনাজকে বলতে শোনা যায়, সেই নাকি সলমনকে দরজা পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। শেহনাজ সলমনকে বলেন, আমায় গাড়ি পর্যন্ত ছেড়ে এসো। সলমনও তাঁর আবদার রেখে স্মিত হেঁসে শেহনাজের পাশে দাঁড়িয়ে নানা পোজে ছবি তোলেন। সেই মুহুর্তেএকটি বারের জন্যেও শেহনাজ ভাইজানের হাত ছাড়েননি। বারবার নানা আছিলায় সালমানকে আলিঙ্গন করছিলেন। একাধিবার শেহনাজকে সলমনের দুই গলায় চুম্বন করেতে দেখা যায়। শেষে সাল্লু-মিয়াঁ মিষ্টি হেসে বাই বলেন সিদ্ধার্থের প্রাক্তন প্রেমিকা। শেহনাজ ভাইজানের হাত ধরে প্রায় টানতে টানতে তাঁর গাড়ি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যায়, সলমন খান আমায় ছাড়তে এসেছে! গাড়ির কাছে এসে সালমানের গাল টিপে আদর করে শেহনাজ তাঁর নিজের গাড়িতে উঠে পড়েন। সালমন ও শেহনাজের দিকে তাকিয়ে সম্মতি সুচক স্মিত হাসি উপহার দেন।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অমিতাভ বচ্চনকেও একসময় অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল, জানুন সেই যন্ত্রণার কাহিনী

অমিতাভ বচ্চন ও তাঁর পরিবার অর্থাৎ বচ্চন পরিবারকে নিয়ে আলোচনা কম হয় না। বচ্চন পরিবারের আভিজাত্য নিয়ে চর্চা হয় নিয়মিত। কিন্তু তাদেরই একসময় অনেক অর্থকষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল। অমিতাভ বচ্চনের ছেলে অভিষেক বচ্চন নিজে সেই যন্ত্রণার কথা শোনালেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক জানান, তিনি তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, চলচ্চিত্র নিয়ে পড়াশোনা করছেন তখন হঠাৎই জানতে পারেন বাড়ির আর্থিক অবস্থা শোচনীয়। দুবেলা খাবার জোটাতে নাজেহাল হতে হচ্ছে তাঁর বাবাকে। সেই পরিস্থিতিতে অভিষেকের পড়াশোনা করার ইচ্ছাটাই চলে যায় বিগ বি-কে বলেন, বাবা, আমি চলে আসছি। তোমার পাশে থাকতে চাই। তুমি নিজেকে একা মনে কোরো না, আমি আছি।অমিতাভ আপত্তি করলেও বাবার পাশে দাঁড়াতে দেশে ফিরে আসেন অভিষেক। অর্থনৈতিকভাবে বাবাকে সাহায্য না করতে পারলেও মানসিকভাবে তাঁর পাশে দাঁড়ান।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার শিকার অভিনেত্রী রিমি সেন, অভিযোগ দায়ের করলেন পুলিশ স্টেশনে

আর্থিক প্রতারণার সম্মুখীন হলেন বলিউড অভিনেত্রী রিমি সেন। বিনিয়োগের নামে প্রতারণার শিকার জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক রাজা সেনের মেয়ে এই অভিনেত্রী। মুম্বইয়ের খার পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন রিমি। এএনআই সূত্র মারফৎ জানা গেছে, এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে চার কোটির বেশি টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন। রিমির অভিযোগ, নতুন ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করার জন্য ওই ব্যবসায়ীকে টাকা দিয়েছিলেন। পরিবর্তে ভালো রিটার্নের আশ্বাসও দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী। কিন্তু বর্তমানে আর্থিক প্রতারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর নাম রৌনক যতীন ব্যাস। রিমি তাঁর অভিযোগে জানিয়েছেন, বছর তিনেক আগে মুম্বইয়ের এক জিমে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। এরপরই বন্ধুত্ব। অভিনেত্রীর দাবি, তিনি ওই ব্যবসায়ীর নতুন ব্যবসায় ৪.১৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। পরিবর্তে অভিনেত্রীকে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ রিটার্নের আশ্বাস দেন ওই ব্যবসায়ী।অভিযোগ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও রৌনকের কাছ থেকে কোন টাকা ফেরত পাননি তিনি। একাধিকবার তাকে কল করলেও অভিনেত্রীর ফোনকল উপেক্ষা করতে থাকেন ওই ব্যবসায়ী। এরপরই ফোন বন্ধ আসে। বেশ কিছুদিন পেরিয়ে যেতেই অভিনেত্রী বুঝতে পারেন, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী কোনও নতুন ব্যবসা শুরু করেননি। পাশাপাশি তিনি বিনিয়োগ করা টাকাও ফেরত পাননি।এরপরই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান হাঙ্গামা খ্যাত এই অভিনেত্রী। মুম্বইয়ের খার পুলিশ স্টেশনে ওই ব্যবসায়ীর নামে এফআইআর দায়ের করেন রিমি। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ এবং ৪০৯ ধারায় মামলা হয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের সন্ধান চলানো হচ্ছে। গোটা বিষয়ে তদন্ত চলছে।

মার্চ ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাবাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গান গাইলেন বাপ্পি লাহিড়ীর ছেলে

জি বাংলার সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড-এ জি-র ধারাবাহিকের সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পুরস্কৃত করা হয়। এই অ্যাওয়ার্ডের দিন সঙ্গে থাকে নাচ, গান। এই জি বাংলার মঞ্চে দাঁড়িয়েই প্রয়াত বাবা বাপ্পি লাহিড়ীকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন তাঁর ছেলে বাপ্পা লাহিড়ী। বাপ্পি মারা যাওয়ার সময় দেশে ছিলেন না তিনি। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দেশে ফেরেন বাপ্পা। জি বাংলা ২০২২ সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চ মাতালেন বাপ্পা লাহিড়ী। মঞ্চে গান গেয়ে তাঁর প্রয়াত বাবাকে সম্মান জানালেন বাপ্পা। প্রথমে বাপ্পি লাহিড়ির গাওয়া গান পরিবেশন করেন জাভেদ আলি। তারপর জাভেদের অনুরোধেই মঞ্চে উঠে আসেন বাপ্পা। কাভি আলবিদা না কহেনাগানটি গেয়ে শোনান তিনি।২০২২ সালের শুরুতেই ভারতীয় সঙ্গীতের তিন তারা চলে গেছেন সকলকে কাঁদিয়ে। প্রথমে লতা মঙ্গেশকর, তারপর বাপ্পি লাহিড়ি, আর তারপর সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। ১৫ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৬৯ বছর বয়সে প্রয়াত হন ডিস্কো কিং। তিনি চলে গেলেও থেকে গেছে তাঁর অমূল্য কীর্তি। বরাবরই ফ্যাশন আইকন হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। বলিউডকে ডিস্কো গানের সাথে পরিচিতি করানোর পিছনেও তাঁর বড় হাত ছিল। বাপ্পি লাহিড়ী আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও তিনি আমাদের মনের মণীকোঠায় চিরবিরাজমান থাকবেন।

মার্চ ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় কাণ্ড! নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের টিকিট নিয়ে কালোবাজারি, আটক দুই

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। রবিবার সন্ধ্যায় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে T20 World Cup-এর ফাইনাল। মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচ ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল দেখতে বিপুল সংখ্যক দর্শক জড়ো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে এই উত্তেজনার মাঝেই সামনে এসেছে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ। ম্যাচের টিকিট কালোবাজারিতে বিক্রি করার অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।আহমেদাবাদ সিটি ক্রাইম ব্রাঞ্চ রবিবার বড় ম্যাচের আগে অভিযান চালিয়ে ওই দুই অভিযুক্তকে ধরে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উসমানপুরা এলাকার গুজরাট বিদ্যাপীঠ বাস স্ট্যান্ডের কাছে ফাঁদ পাতে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সেখান থেকেই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ম্যাচের আটটি টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ, তারা অনলাইনে আগেই টিকিট কিনে পরে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি করছিল। দুই হাজার টাকার টিকিট দশ থেকে বারো হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। উদ্ধার হওয়া সব টিকিট বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।গুজরাট পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগেই আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার জি এস মালিক সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে টিকিটের কালোবাজারি রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ম্যাচের দিন প্রায় তিন হাজার পুলিশকর্মী এবং এক হাজার হোমগার্ড মোতায়েন থাকবে। স্টেডিয়ামের প্রবেশপথে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এক ও দুই নম্বর গেটের কাছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও সংরক্ষিত এলাকা তৈরি করা হয়েছে যাতে অতিরিক্ত ভিড় বা পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি এড়ানো যায়।এই ফাইনাল ম্যাচ দেখতে এক লক্ষেরও বেশি দর্শক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই টিকিটের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। আর সেই সুযোগেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে কালোবাজারিরা বলে মনে করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, রবিবারের ফাইনালে জিততে পারলে ভারত টানা দ্বিতীয়বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের নজির গড়বে। পাশাপাশি দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা প্রথম দল হিসেবেও ইতিহাস গড়তে পারে ভারতীয় দল। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত দেখার আশায় এখন থেকেই স্টেডিয়াম চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের মঞ্চে কি নেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলার? গম্ভীরের দলে বড় বদলের ইঙ্গিত

টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে ভারতীয় দলে বড় চমকের ইঙ্গিত। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ লড়াইয়ের আগে দলের প্রথম একাদশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারেন কোচ গৌতম গম্ভীর। এমনও হতে পারে, ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে জায়গা না-ও পেতে পারেন টিটোয়েন্টি ক্রিকেটের বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার এবং এক নম্বর বোলার।রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেএ নিউজ়িল্যান্ডকে হারাতে পারলেই ইতিহাস গড়বে ভারত। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এর নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বার টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় দল। কিন্তু তার আগে দলের ভারসাম্য ঠিক করতে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে টিম ম্যানেজমেন্টকে।ওপেনিং জুটিতে বড় বদলের সম্ভাবনাবিশ্বকাপের পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি অভিষেক শর্মা। টিটোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর ব্যাটার হয়েও তাঁর ব্যাট থেকে বড় রান আসেনি। ফলে ফাইনালের মতো ম্যাচে তাঁকে খেলানো নিয়ে দ্বিধায় টিম ম্যানেজমেন্ট।ভারতীয় শিবির সূত্রে খবর, ফাইনালে ওপেনিং জুটি বদলানোর কথা ভাবা হচ্ছে। ইনিংস শুরু করতে পারেন ইশান কিষাণ এবং সঞ্জু স্যামসন। দুজনেই সাম্প্রতিক ম্যাচে ভালো ফর্মে থাকায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের।তিন নম্বরে দেখা যেতে পারে তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মাকে। চার নম্বরে নামবেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। মিডল অর্ডারে থাকবেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে। ফিনিশারের ভূমিকায় থাকতে পারেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরের পর ব্যাটিং গভীরতা বাড়াতে রাখা হতে পারে সহঅধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকে।বোলিং বিভাগেও চমকফাইনালের আগে বোলিং বিভাগ নিয়েও চিন্তায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। টিটোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর বোলার বরুণ চক্রবর্তী সেমিফাইনাল সহ আগের বেশ কয়েকটি খেলায় তাঁর যোগ্যতা অনুযায়ী বল করতে পারেননি বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তাঁর বলের রহস্য কিছুটা ধরে ফেলেছে নিউজ়িল্যান্ডের ব্যাটাররা বলেই মনে করা হচ্ছে।যদিও তিনি টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারি, তবুও ফাইনালে তাঁকে বিশ্রাম দিয়ে সুযোগ দেওয়া হতে পারে কুলদীপ যাদবকে। স্পিন আক্রমণে অক্ষর পটেলের সঙ্গে কুলদীপকে দেখা যেতে পারে।পেস আক্রমণে অবশ্য কোনও বদলের সম্ভাবনা নেই। ভারতের দুই ভরসা জসপ্রীত বুমরাহ এবং আরশদীপ সিংই ফাইনালে খেলবেন বলে মনে করা হচ্ছে।সম্ভাব্য ভারতীয় একাদশ১. ঈশান কিশন২. সঞ্জু স্যামসন৩. তিলক বর্মা৪. সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক)৫. হার্দিক পাণ্ড্য৬. শিবম দুবে৭. রিঙ্কু সিংহ৮. অক্ষর পটেল৯. কুলদীপ যাদব১০. জসপ্রীত বুমরাহ১১. অর্শদীপ সিংহফাইনালের আগে ভারতের লক্ষ্য স্পষ্টব্যাটিং গভীরতা বাড়ানো এবং বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য আনা। সেই কারণেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলারকেও বাইরে বসানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা নাও হতে পারেন গম্ভীরেরা। এখন দেখার, ফাইনালের মঞ্চে এই কৌশল ভারতকে ইতিহাসের পথে নিয়ে যেতে পারে কি না।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

সত্যি কি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করা হয়েছে? কী বলছে নিয়ম

ভোটের আগে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য ও কেন্দ্রের সম্পর্ক। রাজ্য বনাম রাজ্যপাল, রাজ্য বনাম নির্বাচন কমিশনের সংঘাতের পর এবার সামনে এল রাজ্য ও রাষ্ট্রপতির টানাপোড়েন। শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেই রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এই ঘটনার পরেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র।সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন বলে জানা গেছে।সাধারণত কোনও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি গেলে তাঁকে স্বাগত জানাতে সেই রাজ্যের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকেন। অনেকেই বলছেন, এ বিষয়ে লিখিত নিয়ম না থাকলেও দীর্ঘদিনের একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। যদি মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সাধারণত প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকেন। সেখানে মুখ্যসচিব বা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তার উপস্থিতি দেখা যায়।কিন্তু শনিবার শিলিগুড়িতে সেই ছবি দেখা যায়নি বলেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি মুখ্যসচিব বা পুলিশের শীর্ষ কর্তারও দেখা মেলেনি।এদিকে কয়েকদিন আগেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন আর এন রবি। তিনি আগামী বারো মার্চ শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। ফলে এই সফরে তাঁর উপস্থিত থাকার প্রশ্নই ছিল না।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি যদিও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, কিন্তু বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য নন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি যখন কোনও রাজ্যে সফরে যান, তখন সাধারণত মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কোনও সদস্য তাঁকে স্বাগত জানান।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বলেন, রাষ্ট্রপতি বাঙালি না অবাঙালি বা কোন সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, সেটি বড় বিষয় নয়। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতির পদ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ এবং সেই পদকে সম্মান জানানো সব সরকারেরই দায়িত্ব।এই ইস্যুতে বিজেপিও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতি কী বলেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, দুটো বিষয় পাশাপাশি রাখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর দাবি, তাতেই বোঝা যাবে কে সংবিধানের সীমার মধ্যে কথা বলেছেন আর কে তার বাইরে গিয়েছেন।আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশও এই বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, রাজ্যের আগের রাজ্যপাল পদত্যাগ করার ফলে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এই ধরনের অনুষ্ঠানে প্রোটোকল অনুযায়ী কোনও মন্ত্রীর উপস্থিত থাকা উচিত ছিল। কারণ রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন এবং সেই পদকে সম্মান জানানো প্রথার অংশ।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বিস্ফোরক মন্তব্য! মোদিকে ‘অপয়া’ বলেই ইঙ্গিত প্রিয়াঙ্ক খাড়গের

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় বিতর্ক তৈরি হল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে মন্তব্য করে আলোচনায় উঠে এলেন কর্নাটকের মন্ত্রী তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পুত্র প্রিয়াঙ্ক খাড়গে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী মাঠে থাকলে ভারতের জয়ের সম্ভাবনা কমে যায়।দুই হাজার তেইশ সালের একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ম্যাচ হয়েছিল আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। সেই ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় ভারত। সেই ঘটনার পর থেকেই অনেক ক্রিকেটপ্রেমীর মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে ওই মাঠ ভারতীয় দলের জন্য খুব একটা শুভ নয়।রবিবার টি কুড়ি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। চলতি প্রতিযোগিতায় ভারতীয় দল মাত্র একটি ম্যাচ হেরেছে এবং সেই ম্যাচটিও হয়েছিল আহমেদাবাদের এই স্টেডিয়ামে। তাই ফাইনালও একই মাঠে হওয়ায় অনেক সমর্থকের মধ্যেই দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। আবারও কি দুই হাজার তেইশ সালের মতো স্বপ্নভঙ্গ হবে, সেই আশঙ্কা রয়েছে অনেকের মনে।এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বলেন, ভারতের জেতা উচিত। তিনি বলেন, যখনই নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গিয়ে ভারতের ম্যাচ দেখেছেন, তখনই ভারত হেরেছে। তাঁর দাবি, তিনি তথ্য না দেখে কিছু বলেন না। ইতিহাস দেখলেই বিষয়টি বোঝা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগে এই স্টেডিয়ামের নাম ছিল সর্দার প্যাটেলের নামে, পরে সেটি বদলে নরেন্দ্র মোদির নামে করা হয়েছে।সূত্রের খবর, দুই হাজার তেইশ সালের ফাইনালের মতো এবার নরেন্দ্র মোদি মাঠে উপস্থিত থাকবেন না। সাংবাদিকদের কাছ থেকে এই খবর শুনে প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বলেন, সেটি ভারতীয় দলের জন্য ভালো হতে পারে। তাঁর মতে, এতে হয়তো ভারত জয়ের পথে এগোতে পারবে।উল্লেখ্য, দুই হাজার তেইশ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর ভারত আর কোনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার প্রতিযোগিতার ফাইনালে হারেনি। দুই হাজার চব্বিশ সালের টি কুড়ি বিশ্বকাপ এবং দুই হাজার পঁচিশ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে ভারতীয় দল। গত বছর দেশের মাটিতে একদিনের বিশ্বকাপ জিতেছে ভারতের মহিলা দলও। তাই রবিবারের ফাইনালে আহমেদাবাদের এই মাঠেই কি সব দুশ্চিন্তার অবসান হবে, নাকি আবারও ফাইনাল হেরে চোখে জল নিয়ে ফিরতে হবে ভারতীয় দলকে, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
বিদেশ

“ট্রাম্পকে ছাড়ব না” হুমকিতে কাঁপছে বিশ্ব, প্রতিশোধের বার্তা ইরানের নিরাপত্তা প্রধানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাঁকে এর মূল্য চোকাতে হবে। এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। সরাসরি ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই ঘটনার পর থেকেই ইরানের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিশোধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। দিন যত যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতিও ততই জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে লারিজানি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, তাঁদের নেতা খামেনেই এবং দেশের মানুষের রক্তের বদলা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, ট্রাম্পকে এর মূল্য দিতেই হবে। শত্রুদের হামলার জবাব ইরান অবশ্যই দেবে বলেও জানান তিনি।লারিজানির দাবি, ইতিমধ্যেই কয়েকজন মার্কিন সেনাকে বন্দি করেছে ইরান। ইরানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প তাঁদের নেতাকে হত্যা করেছেন এবং প্রায় এক হাজার ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইরানেই এখনও পর্যন্ত এক হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গত পাঁচ দিনে ইরান প্রায় পাঁচশো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজার ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলও ইরানের দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহল এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে হঠাৎ পদত্যাগ! অবশেষে মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

ভোটের আগে আচমকা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ ঘিরে এখনও জল্পনা থামেনি। তিনি কি কোনও চাপের মুখে পড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। মুখ্যমন্ত্রীও এই বিষয়ে ইঙ্গিত করে বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছেন। তবে সেই জল্পনার মধ্যেই রবিবার কলকাতায় ফিরে নিজেই মুখ খুললেন সিভি আনন্দ বোস।দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কিছুটা দার্শনিক সুরেই তিনি বলেন, এটি তাঁর নিজের সচেতন সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায়, এটাই বিদায় নেওয়ার সঠিক সময়। একজন গেলে তবেই তো আরেকজন আসবে।এ সময় তিনি করজোড়ে প্রণাম জানিয়ে বলেন, বাংলায় যে সময় তিনি কাটিয়েছেন, তা তাঁর কাছে খুবই সুন্দর অভিজ্ঞতা। বাংলার মানুষের ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন বলেও জানান। পাশাপাশি তিনি এও জানান, এখন তিনি চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের একজন ভোটার হয়েছেন। সেটি তাঁর কাছে দ্বিগুণ আনন্দের বিষয়।তবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু বলতে চাননি বিদায়ী রাজ্যপাল। আসন্ন নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন কি না বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে কাজ করবেন কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাঁর কথায়, আপাতত সে ধরনের কোনও পরিকল্পনা নেই।তবে ভোটের মুখে তাঁর এই পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিতও থাকতে পারে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে সামনে পেয়েই বড় দাবি! বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের ডাক বিজেপি সাংসদের

শনিবার আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে স্বাগত জানানোর সময় প্রোটোকল ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়, কোনও প্রোটোকল ভঙ্গ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং নবান্নের মধ্যে নজিরবিহীন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সুযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তাঁর দাবি, এই অবস্থায় একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে তার অধীনে নির্বাচন করলেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব। দ্রুত বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানান তিনি।এর কিছুক্ষণ পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনিই শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠান শেষ করে দিল্লি পৌঁছানোর আগেই বিজেপি সাংসদ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলছেন। তাঁর প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতিকে দেখেই কি এই কথা মনে পড়ল? তাঁর দাবি, দলের বড় নেতারা যা বলেন, রাজু বিস্তাও সেটাই বলছেন।গৌতম দেব আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিজেপি সাংসদের চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, যদি তৃণমূল ভোটে কারচুপি করত, তাহলে রাজু বিস্তা কীভাবে জিতলেন? তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাংসদ নিজের কেন্দ্রে খুব একটা থাকেন না, অথচ ভোটের আগে বড় বড় কথা বলছেন।উল্লেখ্য, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব আগেও একাধিকবার রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছে। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই দাবি বারবার করেছেন। তবে সেই দাবি এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তাই রাজু বিস্তার এই দাবিকেও গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ঠাকুরনগরে গোপন বৈঠক! বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনির

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনায় উদ্বেগে রয়েছেন বহু মতুয়া ভোটার। তাঁদের আশঙ্কা, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তারা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও মতুয়া সমাজের মধ্যে সেই উদ্বেগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রবিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। বনগাঁর বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে যান রানাঘাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে একান্তে আলোচনা হয়। এই সাক্ষাৎকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে সামনে যখন বিধানসভা নির্বাচন, তখন এই বৈঠককে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিত।তবে বৈঠক শেষে মুকুটমনি অধিকারী দাবি করেন, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ। তাঁর কথায়, তিন প্রজন্ম ধরে আমরা ঠাকুরবাড়িতে আসছি। এর আগেও বহুবার এসেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। দলবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের আগে নানা ধরনের জল্পনা তৈরি হয়, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু নেই।অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও বলেন, এই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক। তাঁর দাবি, মুকুটমনি অধিকারী গাড়ির পুজো দিতে ঠাকুরবাড়িতে এসেছিলেন। দলবদল নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তার ইঙ্গিত দিতে পারে। কারণ ভোটের আগে দলবদল বা নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়া বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়।উল্লেখ্য, দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রানাঘাট দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন মুকুটমনি অধিকারী। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি দল বদলে তৃণমূলে যোগ দেন এবং রানাঘাট লোকসভা আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হন। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এরপর তৃণমূলের টিকিটে রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন।

মার্চ ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal