• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Body

রাজ্য

মুখ থেঁতলানো, শরীরে একাধিক ক্ষত! নিউটাউনে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ ঘিরে রহস্য

নিউটাউনের স্বামীজি নগরে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। মৃতের নাম সৌরভ বিশ্বাস। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩২ থেকে ৩৫ বছর। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুতিন দিন আগেই তাঁকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মুখও থেঁতলানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শনিবার সকালে স্বামীজি নগর এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় যুবকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ইকো পার্ক থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। প্রথমে মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। পরে পুলিশ জানতে পারে, তাঁর নাম সৌরভ বিশ্বাস।তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিক ভাবে ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এক যুবক কাঁধে করে বস্তাবন্দি একটি দেহ নিয়ে এসে একটি দাঁড়িয়ে থাকা বাইকের পিছনে রেখে যায়। এরপর দেহের উপর ইট চাপা দিয়ে সে সেখান থেকে চলে যায়। রাতের অন্ধকারের কারণে ওই যুবকের মুখ স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাত প্রায় চারটে কুড়ি নাগাদ ওই যুবক সেখানে এসেছিল। দেহ ফেলে যাওয়ার পর প্রায় এক মিনিট সেখানে দাঁড়িয়েছিল সে। এরপর বাইকটি রেখে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যায়। সকালে বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের শরীরে একাধিক ট্যাটু রয়েছে। তাঁর শরীরে বেশ কয়েকটি ক্ষতও পাওয়া গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সৌরভ প্রায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। ফলে নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, মৃতের পরিচয় এবং গত কয়েক দিনের তাঁর গতিবিধি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা তাঁকে হত্যা করল এবং কেন দেহটি বস্তায় ভরে নিউটাউনে ফেলে যাওয়া হল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
কলকাতা

এনআরএসের শৌচাগারে নার্সের দেহ! রাতের ডিউটির মাঝেই কী ঘটল, ঘিরে রহস্য

নীলরতন সরকার হাসপাতালে শৌচাগারের ভিতর থেকে এক নার্সের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার রাতে দীর্ঘক্ষণ শৌচাগারের দরজা বন্ধ থাকার পর সহকর্মীদের সন্দেহ হয়। ডাকাডাকি করেও ভিতর থেকে কোনও সাড়া না মেলায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে নার্সের দেহ উদ্ধার করে।প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, বুধবার ওই নার্সের রাতের ডিউটি ছিল। রাত আটটা নাগাদ তিনি হাসপাতালে কাজে যোগ দেন। সহকর্মীদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাত ১০টা ২০ মিনিট থেকে ১০টা ২৭ মিনিটের মধ্যে তিনি শৌচাগারে গিয়েছিলেন। এরপর বেশ কিছুটা সময় কেটে গেলেও তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেননি।দীর্ঘক্ষণ কোনও সাড়া না পেয়ে সহকর্মীরা শৌচাগারের দরজায় ডাকাডাকি শুরু করেন। ভিতর থেকে কোনও উত্তর না আসায় শেষ পর্যন্ত পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমে দরজা খোলার চেষ্টা করে। পরে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে নার্সের দেহ উদ্ধার করা হয়। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।ঠিক কী কারণে ওই নার্সের মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আপাতত মৃত্যুকে ঘিরে ধোঁয়াশা রয়েছে। এন্টালি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।তদন্তকারীরা ওই নার্সের শেষ কয়েক ঘণ্টার গতিবিধি খতিয়ে দেখছেন। শেষ কার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল, মোবাইল ফোনে কার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল, সেই সব তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা। পরিবারে কোনও অশান্তি বা ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে।কর্মক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে সহকর্মীদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। আপাতত ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরবর্তী তথ্যের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ডিউটি চলাকালীন নার্সের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! হত্যার অভিযোগ পরিবারের

বীরভূমের সিউড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক নার্সের (Nurse) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতালের একটি বন্ধ কেবিন থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মৃতার পরিবার এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ। তাঁদের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত খুন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলেই এমন ঘটনা ঘটেছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতা নার্স বুধবার রাত ১১টা নাগাদ ডিউটিতে গিয়েছিলেন। রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবার কথা বলার সময় তিনি জানিয়েছিলেন যে তিনি (Nurse) অপারেশন থিয়েটারে রয়েছেন। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি।পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছে জানতে পারেন, তাঁদের মেয়ের দেহ একটি বন্ধ কেবিন থেকে উদ্ধার হয়েছে। তাঁর গলায় স্টেথোস্কোপ ঝুলছিল বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়।মৃতা নার্সের (Nurse) বাড়ি বীরভূমের সিউড়িতে। বুধবার রাতে তিনি প্রতিদিনের মতোই ডিউটিতে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরদিন সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয় হাসপাতালের একটি কেবিন থেকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিউড়ি থানার পুলিশ। পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং হাসপাতালের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।মৃতার (Nurse) বাবা বলেন, আমার মেয়ে খুব ভালো মেয়ে ছিল। সে ডিউটিতে গিয়েছিল, কোনও ঝামেলায় জড়িত ছিল না। যে তাকে ডিউটিতে ডেকেছিল, তাকে খুঁজে বের করতে হবে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুলাই ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আট দিন পর ট্রলার মিলতেই শিউরে ওঠার দৃশ্য! একসঙ্গে মিলল ৯ মৎস্যজীবীর দেহ, এখনও নিখোঁজ অনেকে

বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি ট্রলার থেকে উদ্ধার হল ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ। পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর বন্দর থেকে ২ জুলাই মাছ ধরতে বেরিয়েছিল মা কালী নামে ট্রলারটি। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলারের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। দীর্ঘ আট দিন ধরে তল্লাশির পর বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বাঘেরচরের কাছে ট্রলারটির খোঁজ মেলে।রবিবার দুপুরে পুলিশ, বন দপ্তর এবং ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটিকে সীতারামপুরে নিয়ে এসে রাতভর তল্লাশি চালানো হয়। ট্রলারের ভিতর থেকে একে একে ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, ট্রলারটিতে মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। এখনও ৬ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁদের সন্ধানে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের অনুমান, খারাপ আবহাওয়া বা সমুদ্রের দুর্যোগের জেরে ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। খবর পেয়ে ট্রলারের মালিকপক্ষ এবং মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। একাধিক ট্রলারের সাহায্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে উপকূলে আনা হয়।ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুন্দরবন উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থলে এসেছেন। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। তাঁর কথায়, এখনও ট্রলারের ভিতরে আরও কয়েকজন মৎস্যজীবীর দেহ আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন পর তিস্তা থেকে উঠল গাড়ি, ভিতরে মিলল শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের নিথর দেহ

চিকিৎসাধীন এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে সিকিম থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল একটি পরিবার। কিন্তু সেই যাত্রাই শেষ পর্যন্ত পরিণত হল মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। দুদিন নিখোঁজ থাকার পর রবিবার তিস্তা নদী থেকে উদ্ধার করা হল তাঁদের গাড়ি। গাড়ির ভিতর থেকেই উদ্ধার হয়েছে পাঁচ বছরের এক শিশুসহ একই পরিবারের চার সদস্যের দেহ।মৃতদের নাম সব্য নিউপানে, স্মরিকা নিউপানে, টিকা মায়া দাহাল এবং পাঁচ বছরের দিত্য ছেত্রী। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, প্রবল বৃষ্টির জেরে ধস নামায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিস্তার গভীর খাদে পড়ে যায়।পরিবারটি শুক্রবার নিজেদের গাড়িতে করে সিকিম থেকে শিলিগুড়ির দিকে আসছিল। পথে রোম্বি এবং বাঘপুলের মাঝামাঝি ভেলাবাড়ি এলাকায় বিকেলের দিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা হয়েছিল তাঁদের। এরপর থেকেই মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই সময় এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। পাহাড়ি ঝরনাগুলিও ফুলেফেঁপে উঠেছিল। স্থানীয়দের ধারণা, সেই সময় আচমকা ধস নেমে আসায় গাড়িটি রাস্তা থেকে ছিটকে তিস্তার খাদে পড়ে যায়।পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় শুক্রবার রাত থেকেই উদ্বেগ বাড়তে শুরু করে। আত্মীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, সিকিম প্রশাসন এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যৌথভাবে উদ্ধারকাজে নামে।ডেপুটি কমান্ড্যান্ট সঞ্জয় রঞ্জনের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানো হয়। অনুসন্ধানের সময় নদীর ধারে গাড়ির ব্যাটারি এবং কিছু ভাঙা অংশ উদ্ধার হয়। তাতেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও জোরালো হয়ে ওঠে। পরে নদীগর্ভে তল্লাশি চালিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটির সন্ধান পাওয়া যায়।রবিবার সকালে ফের উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। ডুবুরিদের নামানো হয় নদীতে। শেষ পর্যন্ত কালীবাড়ি এলাকার সামনে নদীর তলা থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। গাড়ির ভিতরেই পাওয়া যায় চার জনের দেহ।উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কমান্ড্যান্ট অজয় কুমার জানিয়েছেন, শনিবার থেকে টানা তল্লাশি চলছিল। রাতে অভিযান স্থগিত রাখা হলেও রবিবার সকালে আবার উদ্ধারকাজ শুরু হয়। ডুবুরিদের সাহায্যে গাড়ি এবং মৃতদেহগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দুই পরিবারে। একটি সাধারণ সফর যে এমন ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।

জুন ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সভার আগেই চাঞ্চল্য! হলদিয়ায় উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ

প্রধানমন্ত্রীর সভার মাত্র একদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল এক মৃত্যুকে ঘিরে। হলদি নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ। মৃতের নাম মহাদেব বিশ্বাস, বয়স প্রায় সাতচল্লিশ বছর। তাঁকে বিজেপি কর্মী বলে দাবি করেছে দল। এই ঘটনায় খুনের অভিযোগ তুলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে শাসকদল।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে মহাদেবের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার তাঁর স্ত্রী নদীর পাড়ে গিয়ে প্রথম দেহটি দেখতে পান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে। পরে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে এলাকায়। আগামীকাল হলদিয়ায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সভার আগে এই মৃত্যু নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে।বিজেপি নেতাদের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তাঁরা কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের দাবিও তুলেছেন।অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনায় রাজনীতির কোনও যোগ নেই। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, মৃত ব্যক্তি মাছ ধরার কাজে বেরিয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই স্পষ্ট হবে। তাঁরা চান, ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক এবং পরিবার বিচার পাক।এই ঘটনার পর ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

কবর খুঁড়ে তোলা হল শিশুর দেহ! ডিএনএ পরীক্ষার দাবিতে উত্তাল আরামবাগ

শিশুচুরির অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ। মৃত শিশুর দেহ ভুল পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগে তৈরি হয়েছে চরম ধোঁয়াশা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, কার সন্তান বেঁচে আছে আর কার সন্তানের মৃত্যু হয়েছেতা স্পষ্ট করতে শেষ পর্যন্ত কবর খুঁড়ে উঠানো হল শিশুর দেহ। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কবর থেকে শিশুর দেহ তুলে আনে পুলিশ। উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী। আরামবাগের বড়ডোঙ্গলের বসন্তবাটি এলাকা থেকে দেহ উদ্ধার করে তা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতেই হাসপাতালে সংরক্ষণ করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। হুগলির তারকেশ্বরের বালিগোড়ির বাসিন্দা জাসমিনা বেগমকে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, তাঁর সদ্যজাত সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ, সেই দিন সন্ধ্যাতেই আবার ফোন করে বলা হয় শিশুটি নাকি বেঁচে আছে। ফোনের এই দ্বৈত বার্তাতেই পরিবারের সন্দেহ চরমে ওঠে। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, জাসমিনার সন্তানের মৃত্যু হয়েছে ঠিকই, তবে সেই শিশুর দেহ ভুল করে অন্য এক পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আরামবাগের বড়ডোঙ্গলের সেই পরিবার ততক্ষণে মৃত শিশুকে কবরও দিয়ে দিয়েছে।হাসপাতালের দাবি, বড়ডোঙ্গলের ওই পরিবারের সন্তান আসলে জীবিত রয়েছে এবং বর্তমানে হাসপাতালের এসএনসিইউ বিভাগে চিকিৎসাধীন। কিন্তু এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় জাসমিনার পরিবার। তাঁদের দাবি, যে শিশুকে মৃত বলে দেখানো হচ্ছে, তিনি তাঁদের সন্তান নন। তাঁরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নিজেদের চোখে জীবিত শিশুকে মিলিয়ে না দেখলে কোনও কিছুই বিশ্বাস করবেন না। পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষারও জোরালো দাবি তুলেছেন তাঁরা।ঘটনার গুরুত্ব স্বীকার করে নিয়েছেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. রমাপ্রসাদ রায়। তিনি বলেন, শিশুটি এসএনসিইউ-তে ভর্তি ছিল। তার ওজন ছিল প্রায় দেড় কেজি। শিশুটির মৃত্যু হয়েছিল। তখন নাম ধরে ডাকা হলে একজন আসেন এবং যাচাই না করেই তাঁর হাতেই আমরা মৃত শিশুটিকে তুলে দিই। সেখানেই মারাত্মক ভুল হয়েছে। তাঁর এই স্বীকারোক্তির পর হাসপাতালের নিরাপত্তা, শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে উঠছে তীব্র প্রশ্ন।একদিকে শোকস্তব্ধ পরিবার, অন্যদিকে জীবিত না মৃতএই বিভ্রান্তির মধ্যেই কবর থেকে দেহ তোলার মতো চরম সিদ্ধান্ত। হুগলি জেলায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। ঘটনায় প্রশাসনিক তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: শিশুদের শনাক্ত করতে বড় সমস্যা, এখনও হস্তান্তর ১৫৯ দেহ

সুরাটের নানাবাওয়া পরিবার ৩৬ বছর বয়সী আকিল এবং ৩১ বছর বয়সী স্ত্রী হান্না ভোরাজির নামাজ-এ-জানাজা (জানাজা) সম্পন্ন হয়। বুধবার ভোরে ফোন করে জানায় যে বোয়িং ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনায় তাদের সাথে মারা যাওয়া তাদের মেয়ে সারার মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজনরা চার বছর বয়সী মেয়ের দেহাবশেষ দাবি করতে আহমেদাবাদে ছুটে যান। যাতে তাকে তার বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা যায়।আহমেদাবাদ-লন্ডন AI-171 বিমান দুর্ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, সারার সন্ধানে দেখা যাচ্ছে যে পুড়ে যাওয়া দেহাবশেষের মধ্যে নাবালকদের শনাক্ত করা কতটা কঠিন। বুধবার পর্যন্ত, ডিএনএ ম্যাচিং এবং শনাক্তকরণের পরে ১৫৯টি মৃতদেহ আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সারা ছাড়াও, এই মৃতদেহগুলির মধ্যে কেবল একজন নাবালিকা ছিল ফাতিমা শেঠওয়ালা, যার বয়স ১৮ মাস।বিমান সংস্থার তালিকা অনুসারে, AI-171-এ ১২ বছরের কম বয়সী ১৩টি শিশু ছিল, যার মধ্যে তিনজন এখনও ২ বছর পূর্ণ করেনি। আরও বেশ কয়েকজনের বয়স ১১ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।এই ধরনের দুর্যোগে অপ্রাপ্তবয়স্কদের শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহারে অসুবিধা ব্যাখ্যা করে গুজরাটের সরকারি ডেন্টাল কলেজের ফরেনসিক দন্ত বিশেষজ্ঞ ডঃ জয়শঙ্কর পিল্লাই বলেন, শিশুদের শরীরের ভর কম থাকে এবং তাই টিস্যুর ক্ষতি হয় এবং লম্বা হাড় তাপের সংস্পর্শে আসে। তবে দাঁত বেশি শক্তিশালী হওয়ায় তাপ সহ্য করতে পারে।তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটিও জটিল। শিশুদের যে কোনও দাঁত থেকে ডিএনএ বের করা যেতে পারে, কিন্তু আগুন লাগার সময় সামনের দাঁত ব্যবহার করা যায় না কারণ তাপ তাদের নষ্ট করে দেয়। তাই আমরা মোলার থেকে ডিএনএ নিই। ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে, আমরা স্থায়ী মোলার পেতে পারি না... তাদের বেশিরভাগই দুধের দাঁত থাকে, এবং কখনও কখনও সেগুলিও নষ্ট হয়ে যায়। কারণ খিলানটি খুব ছোট। তাই আমরা চোয়ালে একটি ছেদ তৈরি করি এবং ভিতরে স্থায়ী মোলার তৈরি করার চেষ্টা করি, পিল্লাই বলেন, যার বিভাগের সাথে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ দাঁতের ডিএনএ বের করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দাঁতের চার্ট তৈরি করতে সাহায্য করার জন্য যোগাযোগ করেছিল।একজন ফরেনসিক কর্মকর্তা বলেছেন যে দুর্ঘটনার পরে যে আগুন লেগেছিল তা খুব অল্প সময়ের মধ্যে ১৬০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি তাপমাত্রায় পৌঁছেছিল। সুতরাং, কিছু ব্যক্তির জন্য কেবলমাত্র আংশিক ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়, যাদের আমরা সন্দেহ করি যে তারা নাবালক, কর্মকর্তা বলেন, আরও বলেন যে আত্মীয়দের সাথে নিঃসন্দেহে নির্ভুলতার সাথে মেলানো কঠিন।আকিলের বাবা আবদুল্লাহ স্মরণ করিয়ে দেন যে তিনজন ৬ জুন, ঈদুল আযহার একদিন আগে, এক আকস্মিক পরিদর্শনে এসেছিলেন। এটা একটা ছোট ভ্রমণ ছিল। আমরা জানতাম না যে এটাই তাদের শেষ হবে, কাঁদতে কাঁদতে আবদুল্লাহ বলেন, যিনি বিমানে পরিবারকে নামিয়ে দিতে আহমেদাবাদ গিয়েছিলেন।ভদোদরায়, আসিফ শেঠওয়ালা তার নাতনি ফাতিমার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। যার দেহাবশেষ বুধবার শনাক্ত করা হয়েছে, যখন তার মা সাদিকার মৃতদেহ এখনও পাওয়া যায়নি। আসিফ বলেন, ফাতিমা তার লন্ডন-ভিত্তিক ছেলের একমাত্র সন্তান। সাদিকা এবং ফাতিমা আমার ছোট ছেলের বিয়েতে বেড়াতে এসেছিলেন। তারা প্রায় ২০ দিন ধরে এখানে ছিলেন এবং তাদের ফেরার টিকিট অনেক আগেই বুক করা হয়েছিল।ডিএনএ সরবরাহ করার পাশাপাশি, দাঁতের দেহাবশেষ একজন ব্যক্তির আনুমানিক বয়স নির্ধারণেও সাহায্য করে। যা শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সূত্র প্রদান করে। আহমেদাবাদ দুর্ঘটনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও, বিস্ফোরণ এবং আগুনের ফলে উদ্ধার করা বেশিরভাগ ডিএনএ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।ডঃ পিল্লাই বলেন, ফরেনসিক ওডন্টোলজি বিভাগ এক থেকে ছয় বছর বয়সী বেশ কয়েকজন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীর দাঁতের ডিএনএ সংগ্রহ করেছে অথবা ডেন্টাল চার্টিং করেছে এবং অন্তত কিছু ভুক্তভোগীর বয়স মূল্যায়ন করেছে। এরপর এই বয়সের যাত্রীদের জন্য ফ্লাইট ম্যানিফেস্টের সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে, আমরা দ্বিতীয় মোলার বিকশিত হতে দেখেছি, যা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে তারা তিন থেকে ছয় বছর বয়সী। এটি অনুসন্ধানকে সংকুচিত করতে সাহায্য করেছে। তারপর তাদের ডিএনএ নমুনা তাদের আত্মীয়দের সাথে মেলানো যেতে পারে।যারা খবরের জন্য অপেক্ষা করছেন তাদের মধ্যে রয়েছে ভদোদরার ভাহোরা পরিবার। তারা দুর্ঘটনায় তিন সদস্যকে হারিয়েছে। সোমবার ইয়াসমিনের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হলেও, পারভেজ এবং তার ৪ বছর বয়সী মেয়ে জুভেরিয়ার দেহাবশেষ এখনও পাওয়া যায়নি। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ডঃ কেশব কুমার বলেছেন, পরিবারগুলির আশা হারানো উচিত নয়। বিমান দুর্ঘটনাটি প্রায় বোমা বিস্ফোরণের মতো ছিল। যেখানে ৫৪,০০০ লিটার বিমান জ্বালানি এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে জ্বলছিল। উৎপন্ন তাপের পরিমাণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমরা ভাগ্যবান হব যদি ভালো নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু যদি একটি দাঁতও পাওয়া যায়, তাহলে ডিএনএ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ফরেনসিক পরীক্ষা খড়ের গাদায় সূঁচ পাওয়ার মতো। কিন্তু একজন তদন্তকারী হিসেবে, আমি বলতে পারি যে ম্যাচ পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০%। ডিএনএ হাজার হাজার বছর টিকে থাকতে পারে এবং প্রয়োজনে ধ্বংসাবশেষে ডিএনএর আরও চিহ্ন থাকবে। গুজরাট পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে তারা দুর্ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ নিশ্চিত করেছেন।

জুন ১৯, ২০২৫
কলকাতা

হাড়হিম ঘটনা কলকাতার কুমোরটুলি ঘাটে! ট্রলি ব্যাগে মৃতদেহ, পাকড়াও দুই মহিলা

একের পর এক হাড়হিম ঘটনা। মঙ্গলবার এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো কলকাতার কুমোরটুলি। দুই মহিলা একটি ট্রলিব্যাগে মুণ্ডহীন দেহ নিয়ে গঙ্গায় ফেলার চেষ্টা করেন। সেই সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, তাঁরা হাতেনাতে পাকড়াও করেন ট্রলি ব্যাগ সমেত দুই মহিলাকে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়রা পুলিশের খবর দেয়, দুই মহিলাকে আটক করে পুলিশ। ধৃতরা প্রথমে দাবি করেছিল দেহটি কুকুরের। যদিও এলাকাবাসীদের অভিযোগ, ট্রলিব্যাগে যে দেহ পাওয়া গিয়েছে সেটি একজন মহিলার। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে ওই ব্যাগে কার দেহ ছিল? ব্যাগ খুলতেই আঁতকে ওঠেন পুলিশ ও স্থানীয়রা। ঘটনার তদন্ত শুরু করতেই এবার খুন হওয়া মহিলার পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। মৃতের নাম সুমিতা ঘোষ। অন্যদিকে যে দুই মহিলাকে আটক করা হয়েছে তাদের নাম ফাল্গুনী ঘোষ এবং আরতি ঘোষ। মৃত সুমিতা ঘোষ অভিযুক্ত ফাল্গুনী ঘোষের সম্প্রকে পিসি শাশুড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকাল ৭টা নাগাদ ট্যাক্সি করে গঙ্গার ঘাটে আসেন মাস্ক পরা দুই মহিলা। ভারী ব্যাগ টেনে ঘাটে আনতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। মহিলারা দাবি করেন, ব্যাগে পোষ্য কুকুরের মৃতদেহ রয়েছে। খবর যায় উত্তর বন্দর থানায়। পুলিশ এসে ট্রলিব্যাগ খুলতেই ভিতরে মেলে পচাগলা রক্তাক্ত দেহ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, ফাল্গুনি-সুমিতাদের বাড়ি মধ্যমগ্রামে। গতকাল রাতে মা-মেয়ের সঙ্গে পিসি শাশুড়ির বিবাদ হয়। তার জেরে ভারী কিছু দিয়ে পিসি শাশুড়ির মাথায় আঘাতের জেরেই মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে। জেরায় মা-মেয়ে জানিয়েছেন, ট্রলিব্যাগে দেহ পুরে তাঁরা মধ্যমগ্রাম স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন। এরপর কুমোরটুলি ঘাটে এনে ব্যাগ সমেত দেহ গঙ্গায় ফেলার ছক ছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলাদের কাছে মিলেছে শিয়ালদা-হাসনাবাদ শাখার কাজিপাড়া স্টেশনের টিকিট। বারাসাতের কাছে কাজিপাড়া থেকেই কি এসেছিলেন মহিলারা?

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

মালদায় বিডিও অফিসের পিছনে আমবাগানে এ কী কান্ড! তদন্ত শুরু করল পুলিশ

আমবাগানের মধ্যে উদ্ধার হল খড় দিয়ে পোড়ানো আধপোড়া মৃতদেহ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদা জেলা জুড়ে। মনে করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য দুষ্কৃতীরা আগুন ধরিয়ে দেহ পুড়িয়ে দিয়েছে। শুক্রবার সাত সকালে ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় মালদার চাঁচল-২নং ব্লকের মালতীপুর এলাকায় বিডিও অফিসের পেছনে আমবাগান এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন খুব সকালের দিকে স্থানীয়রা আমবাগানের মধ্যে আগুন জ্বলতে দেখেন। এরপর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে লক্ষ্য করেন খড়ের আগুনে মৃতদেহ জ্বলছে। দেহের বেশির ভাগ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। পায়ের অংশটুকু বাকি পড়ে আছে।এই ভয়ানক ঘটনার কথা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক তৈরি হয়। বহু মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান চাঁচল থানার থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুন্ডু। সঙ্গে ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রথমে পুলিশ আধপোড়া দেহের অংশটুকু উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। স্থানীয়দের অনুমান মৃতদেহটি কোন মহিলার। তাকে দুষ্কৃতীরা বাইরে কোথাও কিংবা ঘটনাস্থলেই খুন করে দেহে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তবে এই প্রসঙ্গে চাঁচল থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুন্ডু জানিয়েছেন, দেহটি মহিলার না কোন পুরুষের সেই ব্যাপারে তাঁরা এখনও নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের পরেই সঠিক তথ্য সামনে আসবে। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখতে তারা তদন্ত শুরু করেছেন।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
রাজ্য

স্বর্গ রথ চালিয়ে পূজা মণ্ডল সমাজকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন

সত্যি সাহসিকতার পরিচয় দিলেন বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ভয় না পেয়ে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন গুরুদায়িত্ব, পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি গাড়িচালক হিসেবেও কাজ করছেন। তবে যে সে গাড়ি নয়। বাঁকুড়ার বড়জোড়া ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির একটি শবদেহ বহনকারী গাড়ি চালাচ্ছেন পূজা মণ্ডল।মানুষের অন্তিম যাত্রার সহায়ক হলেও স্বর্গের রথ বা শববাহী গাড়িকে অবহেলার চোখেই দেখে সমাজ। বাঁকুড়াতেও রয়েছে নেতিবাচক উদাহরণ। সম্প্রতি বড়জোড়ার শব বহন করা গাড়িকে পেট্রোল দিতে চাননি পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা। টুকটাক কাজ যেমন, টায়ার সারানো কিংবা সার্ভিসিং করাতে গেলেও অনেক সময় এই গাড়িগুলির চালকদের বেগ পেতে হয়। সাধারণ মানুষের একাংশের চোখে এই গাড়িগুলি অপবিত্র এবং অস্পৃশ্য।তা সত্ত্বেও হাসিমুখে এই কাজ করে চলেছেন ছাত্রী পূজা। কিন্তু কেন? জানা যায়, নেপথ্যে রয়েছে চমকপ্রদ একটি গল্প। ২০১৪ সালে গাড়িটি কেনা হয় সংগঠনের তরফে। তখন থেকে গাড়িটি চালাতে যথেষ্ট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল চালককে। পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে গিয়েও হয়েছে ঝামেলা। এছাড়াও সিট কভার লাগিয়ে দিতেও চাননি কোনও ব্যবসায়ী। বড়জোড়া ট্যাক্সি স্ট্যান্ডেই থাকত এই স্বর্গের রথ, কিন্তু কোনও ড্রাইভারই চালাতে চাইতেন না গাড়িটিকে। এর পর পূজা মণ্ডল বড়জোড়া ব্লাড ডোনার সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত হন এবং ২০১৮ সালে প্রথম রক্তদান করেন তিনি। তার পর ২০২১ সালে দুর্গাপুরে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করতে করতেই শবদেহ বহনকারী এই গাড়ির দায়িত্ব নেন পূজা। মূলত মানুষকে সচেতন করার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত পূজার। তাঁর দাবি, আর পাঁচটা যানবাহনের মতই এটিও একটি স্বাভাবিক যান, কোনও অপবিত্র বস্তু নয়। এই চিন্তা থেকেই গাড়িটি চালানো শুরু করেন পূজা। এর পর ধীরে ধীরে চড়াই উতরাই পার করে, মানুষের মনের পরিবর্তন দেখেছেন তিনি। আগের মত আর গাড়িটি নিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না।সমাজসেবা নিয়ে বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছেন পূজা। পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছেন সচেতনতার প্রচার এবং সমাজ কল্যাণমূলক কাজ। বর্তমানে পূজার নাম অনেকেই জানেন। তাঁকে উদাহরণ হিসাবে মনে রাখেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর থেকে শুরু করে ভাইস চ্যান্সেলর কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পর্যন্ত সকলেই এক ডাকে চেনেন পূজাকে। বড়জোড়ার বাড়িতে তাঁর বাবা-মাও তাঁকে নিয়ে গর্বিত। পূজার মা টুম্পা মণ্ডল বলেন,আমার তো বেশ ভালই লাগে। প্রথম যখন আমার মেয়ে ঠিক করে যে গাড়িটা চালাবে, তখন খুব ভয় লাগত। এত বড় গাড়ি কি ও আদৌ চালাতে পারবে? তার পর ধীরে ধীরে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। এখন আমি খুব খুশি।বাঁকুড়ার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে শুরু করে বড়জোড়ার রাস্তাঘাটে শবদেহ বহনকারী গাড়ি চালিয়ে যান পূজা। গাড়ি চালানো থেকে শুরু করে শবদেহর স্ট্রেচার টেনে বাইরে আনা পর্যন্ত একা হাতেই সামলান সব কিছু। এতে ক্লান্তি নেই, দায়িত্ব নিতে পারায় জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করেন পূজা।

জুলাই ১১, ২০২৪
কলকাতা

সাত সকালে নিউটাউনে লাল সুটকেসে কি? বিরাট চাঞ্চল্য

নিউটাউনের পার্শ্ববর্তী এলাকা ধর্মতলা পাচুরিয়ার ছোট খালে একটি লাল রঙের সুটকেশ প্রথমে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পুলিশে খবর দেওয়া হলে টেকনো সিটি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে, শুটকেসের তালা খুলতেই দেখে এক ব্যক্তির মৃতদেহ। অনুমান করা হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ বছর বয়স ওই মৃত ব্যক্তির। সেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত নেমেছে পুলিশ উদ্ধার হওয়া মৃত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানার পাশাপাশি, কিভাবে তার মৃত্যু হল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান তাকে খুন করে কেউ বা কারা এখানে ফেলে রেখে গেছে। তবে সামনেই লোকসভায় নির্বাচন তার আগে সুটকেস বন্দী এই মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

মার্চ ২৩, ২০২৪
রাজ্য

পরিত্যক্ত এলাকা থেকে পচা গলা দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য

পরিত্যক্ত হ্যাচারী চত্বর থেকে উদ্ধার হল অজ্ঞাত পরিচিয় ব্যক্তির পচাগলা দেহ। মৃতদেহের পেটে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন আছে বলে দাবী স্থানীয় মানুষজনের। এমনকি দেহের পাশে মদের বোতলও পরে ছিলো বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।বৃহস্পতিবার বিকেলে বর্ধমানের ৫ নম্বর ইছলাবাদ এলাকার একটি পরিত্যক্ত হ্যাচারী থেকে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে দেহটি ১০ থেকে ১৫ দিন আগের। তবে মৃত ব্যক্তির কোনো পরিচয় এখনও পর্যন্ত জানা যায় নি। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিভাবে মৃত্যু? খতিয়ে দেখছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার! এক সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরানো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।শুক্রবার রাতে পুরনো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায় এক ষাটোর্ধ বৃদ্ধার দেহ পরে আছে বলে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃদ্ধাকে এক ব্যক্তিকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করতে দেখে স্থানীয়রা বাধা দেয়। সেই সময় ওই ব্যক্তি পালিয়ে গেলেও স্থানীয়রা দেখেন বৃদ্ধা মারা গেছেন।এরপরেই তারা পুলিশকে খবর দেয়।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য বর্ধমানে

পায়ে দড়ি বাঁধা অবস্থায় বাড়ির পিছনে যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নারায়ণপুর গ্ৰামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জামালপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে। মৃত যুবতীর নাম দুলালী মালিক(২৪)।রোজকার মত শনিবার রাতে দুই বোন ঘরে শুতে যায় রবিবার সকালে ঘরের পিছনের দিকে অংশে কার্ণিশ থেকে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তবে দুটি পা দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল সেই জন্য পুরো ঘটনাকে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। আত্মহত্যা যদি হয় তাহলে পায়ে দড়ি বাঁধা কি করে? নেপথ্যের কারণ কি তা জানতে কৌতুহল গোটা এলাকায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় বর্ধমানে শশুরবাড়িতে গিয়ে মিলল জামাইয়ের ঝুলন্ত দেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য

শ্বশুর বাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের নরজা গ্রামে। মৃতের নাম রাজেন ঘোষ(২৪)। বাড়ি ভাতারের পালার গ্রামে।রাজেন ঘোষ একটি বেসরকারী কোম্পানিতে কাজ করতেন। বছর দেড়েক আগে ভাতারের নরজা গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়। পুজো উপলক্ষে দিন পাঁচেক আগে নরজা গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে শ্বশুর বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। শ্বশুরবাড়ি লোকজন তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভাতার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা রাজেনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং শুক্রবার দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। রাজেনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন রাজেনের পরিবারের লোকজন।রাজেনের বাবা মানিক ঘোষ বলেন, তাদের ছেলেকে মেরে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ঘটনার উপযুক্ত তদন্তের দাবিতে ভাতার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।অন্যদিকে মৃতের শ্বশুর মৃন্ময় ঘোষ বলেন, গতকাল রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হয়। বাড়ির সদস্যরা অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েছিলেন ফিরে এসে দেখেন দরজা বন্ধ। সিলিং ফ্যান থেকে রাজেনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২২
রাজ্য

একসময়ের কয়লা মাফিয়ার দেহরক্ষীর কাছ থেকে উদ্ধার AK 47 সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র

AK 47, দেশি কার্বাইন সহ বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করল পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ। ধৃত দুষ্কৃতীর নাম সুনীল ওরফে শোলে পাশওয়ান। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রগুলি নিয়ে দুর্গাপুরের ডেপুটি কমিশনারের অফিসে সাংবাদিক বৈঠক হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাত্রিতে পাণ্ডবেশ্বরের তিন নম্বর কোলিয়ারি এলাকায় এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি কেনার জন্য এক দুষ্কৃতী আসে। তখনই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় পাণ্ডবেস্বর থানার পুলিশ। উদ্ধার হয় দেশি কার্বাইন, দেশি পাইপগান, একে 47 সহ বেশ কিছু কার্তুজ। সঙ্গে গ্রেফতার হয় সুনীল পাশওয়ান, আরও এক দুষ্কৃতী মঞ্জিত রাম পলাতক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাণ্ডবেশ্বর এলাকার কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া নূরে আলম এর দেহরক্ষী ছিলেন সুনীল ওরফে শোলে পাশওয়ান। এলাকায় কয়লা কারবারের রমরমার সময় সন্ত্রাস চালাতে এসব আগ্নেয়াস্ত্রগুলি ব্যবহার করা হতো। নূরে আলম খুন হওয়ার পর এলাকায় কয়লা এবং বালির কারবার চালাতে এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি ব্যবহার করত শোলে পাশওয়ান। বৃহস্পতিবার রাত্রিতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করপ ওই দুষ্কৃতীকে। উদ্ধার হয় এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি। এই চক্রের সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তদন্ত চালাচ্ছে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

আত্মঘাতী হলেন জেডিএ চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষী

আলিপুরদুয়ারের জয়ঁগা ভূলন চৌপথি এলাকায় জেডিএ চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার বাড়ি থেকে বুধবার রাতে এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করল জয়ঁগা থানার পুলিশ। জানা যায় কর্তব্যরত অবস্থায় নিজের বন্দুক দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বিশিষ্ট তৃণমূল নেতা ও জয়গাঁ উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষী। এর পরেই গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।স্থানীয় সুত্রে জানা যায় মৃত ব্যাক্তির নাম কোকিল শৈব (৫৭), তিনি কালচিনি ব্লকের মেন্দাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তার মৃত দেহ উদ্ধার করেছে জয়গাঁ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সন্ধ্যায় কর্তব্যরত অবস্থায় গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার বাড়িতেই তিনি তার বন্ধুক দিয়ে আত্মঘাতী হন। তিনি প্রায় একবছর ধরে গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীর দায়িত্বে ছিলেন। গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীর আত্মঘাতী হওয়ার পর থেকেই ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন নেতা-মন্ত্রীদের পাশাপাশি তাদের দেহরক্ষীদের অর্থনৈতিক বাড়বাড়ন্ত দেখে গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীও সেইরকম দুর্নীতিতে রয়েছে এমনটাই কানাঘুষো সন্দেহ করছেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে আলিপুরদুয়ার জেলাবাসি।কিন্তু গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীর আত্মঘাতী হওয়ার মুল কারন এখনো পর্যন্ত জনা যায়নি। কি কারনে ঘটলো এমন ঘটনা আর কেনই বা ঘটলো এই ঘটনা এই নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলাবাসির অন্দরে উঠছে হাজারো প্রশ্ন।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

গুরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রতর দেহরক্ষীকে গ্রেফতার, আরও জেরা করে নতুন তথ্য পেতে চায় সিবিআই

গরুপাচার মামলায় দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সিবিআই গ্রেফতার করল তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে। এর আগে তাঁকে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। জানা গিয়েছে, আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রতর দেহরক্ষীকে। সূত্রের খবর, পাশাপাশি তাঁর বয়ানে অসঙ্গতিও মিলেছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আইনজীবী সঞ্জীব দাঁয়ের সঙ্গে নিজাম প্যালেসে হাজির হন সায়গল। জিজ্ঞাসাবাদের কিছুক্ষণের মধ্যেই এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সায়গলের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। ফের নিজাম প্যালেসে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সায়গলকে আসানসোল সিবিআই আদালতে পেশ করা হবে। সিবিআই সূত্রের খবর, অনুব্রতর এই দেহরক্ষীর নামে একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, জমির দলিল রয়েছে। তাঁর যে সম্পত্তি রয়েছে তার সঙ্গে বেতনের কোনও সামঞ্জস্য নেই বলেই সূত্রের খবর।সায়গলকে এই নিয়ে ৫ বার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবারও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এমনকী তাঁর মুর্শিদাবাদের ডোমকলের বাড়িতে গত সপ্তাহে সিবিআই হানা দিয়েছিল। সেখানে তল্লাশিও চালিয়েছিল সিবিআই। সেদিন বেশ কিছু নথিও বাজেয়াপ্ত করে তদন্তকারীরা। গরুপাচার কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সায়গলের নাম উঠে এসেছিল। তদন্তকারারীরা মনে করছে সায়গলকে জেরা করে আরও নতুন তথ্য় উঠে আসবে। যাতে তদন্তের অগ্রগতি হবে। পাশাপাশি তাঁর কাছে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির উৎস কী তাও খতিয়ে দেখছে সিবিআই।এর আগে গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। হাজিরা দেওয়ার আগে দীর্ঘ দিন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডে ভর্তিও ছিলেন অনুব্রত। এই মামলায় ইতিমধ্যে এনামুল হক, বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমারকে গ্রেফতারও করেছে সিবিআই। ফের অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই।

জুন ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal