• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman

রাজনীতি

Purba Bardhaman: গেষ্ঠীকলহের জেরেই কি জেলার শীর্ষে বর্ধমান শহরের কারও স্থান হয়নি? সরানো হল দুই যুব নেতাকেও

অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির মাথাতে রাখা হয়েছে প্রবীণদের। এঁদের মধ্যে তিনজনই আবার বিধায়ক। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের ওপর দল যে সন্তুষ্ট নয় তা ঘোষিত কমিটির তালিকা দেখলে কারও অনুমান করতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারপূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘোষিত কমিটির নেতাদের কারও বাড়ি বর্ধমান শহরে নয়। কমিটি ঘোষণার আগে একাধিক নেতা বারে বারে ছুটেছেন কলকাতায়। কিন্তু আদপে তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি তা অন্তত এই কমিটির ঘোষণায় প্রমাণিত। তাই কেউ কেউ মুষড়ে পড়েছেন। তবে দল ভরসা রেখেছে প্রবীণ নেতৃত্বের ওপর। বরং শহরে বাড়ি দুই নেতাকে দল তাঁদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। কমিটি ঘোষণার পর থেকে বর্ধমানে তৃণমূলের অন্দরমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরএক ব্যক্তি এক পদ, এই নীতি আগেই ঘোষণা করেছিল তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। খেলা হবে দিবসের দিন রাজ্যব্যাপী নতুন কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে তা বাস্তবায়িত করল তৃণমূল। রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে যে সরতে হবে তা জানাই ছিল। কিন্তু সরিয়ে হল পূর্ব বর্ধমানের জেলা যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদারকেও। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতিকার আহমেদকেও (পাপ্পু)। পাপ্পু বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেই সূত্রের খবর। যদিও প্রাক্তন যুব সভাপতি রাসবিহারী একটা সময় খোকনের খুব ঘনিষ্ঠ হলেও এখন সম্পর্ক যথেষ্ট তিক্ত বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে নতুন যুগ, এক নেতা-এক পদজেলা সভাপতি হিসাবে বর্তমান ও প্রাক্তন বিধায়ক-সহ বেশ কয়েকজন নেতা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। তাতে জল ঢেলে দিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। জেলা কমিটির শীর্ষ নেতৃত্বের খবর প্রকাশ হতেই বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের একটা বড় অংশ গালে হাত দিয়ে বসেছেন। নতুন সভাপতি হয়েছেন কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা যুবর সভাপতি জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, আইএনটিটিইউসির সভাপতি হিসাবে ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে দল। জেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ সংঘমিত্রা চৌধুরীকেও। সেই পদে বসেছেন অশোক বিশ্বাস। মহিলা তৃণমূলের সভাপতি হয়েছেন চন্দনা মাঝি। বর্ধমান শহরের সভাপতি হিসাবে অরূপ দাসের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বকে জেলা কমিটির শীর্ষে না রাখার প্রধান কারণ দলের গোষ্ঠীকলহে লাগাম টানা। শহরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে জেরবার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপরাজ্যে বিধানসভার দুই আসন ও বাকি পাঁচ আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তারপর রাজ্যে পুরনির্বাচন। সূত্রের খবর, বর্ধমান শহরে এখনই তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব পুরসভার টিকিট পেতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। গত পুর নির্বাচনে টিকিট প্রাপ্তদের অনেককে নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে মুখ পুড়েছিল দলের। বর্ধমানের মতো শহরে যাঁদের পুরসভায় প্রার্থী করা হয়েছিল তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। এবার অন্তত প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দল মনযোগ দেবে বলে আশা করছে নীচুতলার কর্মীরা।

আগস্ট ১৭, ২০২১
রাজ্য

Khela Hobe: খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক

খেলা হবে দিবস-এ জমজমাট জঙ্গলমহল। ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের নাচের তালে অনুষ্ঠিত হল ফুটবল খেলা। যা নিয়ে সোমবার শোরগোল পড়ে যায় পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম ২ ব্লকের ভাল্কি অঞ্চলের রাণীগঞ্জে। এখানকার খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত খেলা হবে দিবস অনুষ্ঠানে চিয়ার লিডারদের ডিজের তালে নাচা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও অনুষ্ঠানের আয়োজকরা এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের পক্ষে তাঁদের সাফাইও যথারাতি দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলার সর্বত্র খেলা হবে দিবস অনুষ্ঠিত হয়। তার মধ্যে আউসগ্রাম ২ ব্লকের ভাল্কি অঞ্চল জাঁকজমক পূর্ণভাবেই ফুটবল খেলার আয়োজন করে। ভাল্কির রাণীগঞ্জ এলাকার মাঠে দর্শকের ভিড়ও হয়েছিল নজর কাড়া। খেলা শুরু হতেই হঠাৎচিয়ার লিডাররা মঞ্চে উঠে নাচ পরিবেশন করতে শুরু করায় মাঠে উপস্থিত সবাই হতবাক হয়েযান।কেউ কেউ মুগ্ধ হলেও এলাকার অনেকেই বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশও করেন । তাঁদের বক্তব্য গ্রামীন এলাকায় এইসব কালচার নেই। চিয়ারলিডারদের মাঠে না নামানো হলেই ভালো হত।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপএই বিষয়ে ভাল্কি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরূপ মিদ্দা সাফাই, এখন সিনেমা, থিয়েটার বন্ধ। বিনোদন বলে কিছু নেই। তাই একটু বিনোদন দিতেই এই আয়োজন রাখা হয়েছিল। যদিও ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী কল্যাণ মিশ্র বলেন, খেলা হবে দিবসের অনুষ্ঠানে ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু চিয়ার লিডারদের নাচের কোন অনুষ্ঠান ছিল না। কি করে এসব করা হল তা তিনি জানেন না । আউশগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক অভেদানন্দ থাণ্ডার বলেন, জানি না কি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

আগস্ট ১৬, ২০২১
দেশ

Independence Day: দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বীর বিপ্লবীদের পীঠস্থান বর্ধমান

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে বর্ধমান জেলার নাম। দেশ মাতৃকাকে ব্রিটিশ শৃঙ্খল মুক্ত করার শপথ নিয়ে এই জেলার বহু বীর সন্তান বিপ্লবী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অবশ্যাই অগ্রগণ্য এই জেলার সদর দক্ষিণ মহকুমার বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বোস, রাসবিহারী ঘোষ ও অনিল বরণ রায়। এই চার দেশবরেণ্য বিপ্লবীর নাম আজও ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। এনারা ছাড়াও অবিভক্ত বর্ধমান জেলার আরও অনেকে আছেন যারা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে জোরদার করার কাজে সামিল হয়েছিলেন। তাঁরা হয় তো বিস্মৃতির অতলে রয়ে গিয়েছেন। তবে দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে ব্রতী হবেন বর্ধমান জেলার আপামর বাসিন্দা। ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা যায়, লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে ১৯০৫ সালে সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে যে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল তার ঢেউ আছড়ে পড়েছিল বর্ধমান জেলাতেও। শুধু শহর বর্ধমানের মানুষজনই নয়, গ্রামীন বর্ধমানের মানুষজনও সেই সময়ে সামিল হয়েছিলেন বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদ আন্দোলনে। তদানীন্তন সময়কালে অবিভক্ত বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামের সন্তান কাজী নজরুল ইসলামের দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা স্বাধীনতা আন্দোলনকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ১৯২৫ সালে বর্ধমানে এসে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদের আতিথ্য গ্রহন করেছিলেন। এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিহাসবিদরা মনে করেন দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কোন অংশেই কম ছিল না বর্ধমানের গুরুত্ব। স্বদেশী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিপ্লবী আন্দোলন, সবেরই উত্তোরণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বর্ধমানের বিপ্লবীদের নাম। এই জেলার জ্যোতিন্দ্রনাথ বন্দ্যেপাধ্যায় যৌবনে বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে অবশ্য তিনি আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করে নিরালঙ্গ স্বামী নামে পরিচিত হন। ১৮৭৬ সালে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ভারত সভা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই ভারত সভার তিনটি শাখা গড়ে উঠেছিল বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তে।ওই শাখাগুলি বর্ধমান শাখা, কালনা শাখা ও পূর্বস্থলী হিতকরী সভা নামে আত্মপ্রকাশ করে। কালনার কবিরাজ বংশীয় উপেন্দ্রনাথ সেন ও দেবেন্দ্রনাথ সেনের উদ্যোগে কালনা ও কাটোয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বঙ্গভঙ্গ বিরোধী সভা।ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, সেই সভায় স্বয়ং সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।কালনা মহকুমা ইতিহাস ও পুরাতত্ব চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সিদ্ধেশ্বর আচার্য্য বলেন, স্বদেশী আন্দোলনের ঢেউ সেই সময়ে কালনার বাঘনা পাড়ার যুবক মহলে প্রভাব ফেলেছিল। ১৯০৬ সালে বিদেশী দ্রব্য লুঠ করে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছিল কালনার বাঘনা পাড়ার যুবকরা। সেই ঘটনায় ব্রিটিশ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন গৌর গোবিন্দ গোস্বামী, মণিগোপাল মুখোপাধ্যায়, সন্তোষ বন্দ্যোপাধ্যায়, বৃন্দাবন গোস্বামী, বলাই গঙ্গোপাধ্যায় ও বলাই দেবনাথ। সিদ্ধেশ্বরবাবু এও বলেন, এদের গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত মোকদ্দমাই ছিল বঙ্গে প্রথম রাজনৈতিক মোকদ্দমা। তদানিন্তন সময়ে বাঘনা পাড়ায় স্বদেশী ভাণ্ডারও প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। ১৯৪২ শে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে বাঘনা পাড়ার যুবকরা জড়িত হয়েছিলেন বলে সিদ্ধেশ্বর আচার্য্য জানিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে উৎসাহিত করার জন্য নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু দুবার বর্ধমানে এসেছিলেন। ইংরেজ আমলে জাতীয় শিক্ষা নিয়েও বর্ধমান জেলা উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছিল। ইংরেজি বিদ্যালয়ের পরিবর্তে জাতীয় বিদ্যালয় স্থাপনে খণ্ডঘোষের তোরকোনায় রাসবািহারী ঘোষ প্রভূত অর্থ দান করেছিলেন। কালনা, বর্ধমান সদর, বৈকন্ঠপুর নানা স্থানে জাতীয় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বান্ধব সমিতি, মহামায়া সমিতি প্রভৃতি নামে জেলার কালনা, পূর্বস্থলী ও মন্তেশ্বরে বিপ্লববাদী গুপ্তসমিতি গড়ে উঠেছিল। মানকরের জমিদার রাজকৃষ্ণ দিক্ষিত ও দুর্গাপুরের ভোলানাথ রায় সেই সময়ে স্বদেশী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে কারারুদ্ধ হন।স্বরাজ তহবিলের চাঁদা তোলার জন্য ১৯২১-২২-তে চিত্তরঞ্জন দাস বর্ধমানে এসেছিলেন। তাঁর আগমনে বর্ধমান জেলায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ভিন্ন মাত্রা পেয়েছিল। জাতীয়তাবাদী কবিতা লোখার জন্য বর্ধমানের জামালপুরের গোপালপুর গ্রাম নিবাসী গোবিন্দরাম বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্কুল থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছিল । ১৯২২ সালের ৫ জানুয়ারি এই গোপালপুরের ইংরেজ বিরোধী মানুষজনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা পায় গোপালপুর মুক্তকেশী বিদ্যালয়। গান্ধীজীর অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রথম পরিচালন সমিতি এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত হয়, ইংরেজদের নিয়ম মেনে রবিবার নয় - বিদ্যালয় ছুটি থাকবে সোমবার। সেই থেকে আজও রবিবার পুরোমাত্রায় পঠনপাঠন চালু থাকে গোপালপুর মুক্তকেশী বিদ্যালয়ে। এই বিদ্যালয় ছুটি থাকে সোমবার। পরাধীন ভারতবর্ষের মাটিতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ভিন্নমাত্রায় পৌছে দিতে বর্ধমানের মহিলারাও মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। এই বিষয়ে উল্লেখযোগ্য নির্মলা সান্যাল ও সুরমা মুখোপাধ্যায়ের নাম । ১৯৩১ -তে কংগ্রেসের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় বর্ধমান জেলা কৃষক সমিতি। তদানীন্তন কালেই কৃষক সমিতির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যে সভার সভাপতি হয়েছিলেন ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত। তাঁর নামেই পরবর্তীকালে হাটগোবিন্দপুরে গড়ে ওঠে ভূপেন্দ্রনাথ মহাবিদ্যালয়।পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে অবিভক্ত বর্ধমান জেলাবাসীর অবদান কোন অংশেই কম ছিল না। এই জেলার বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বসু, রাসবিবাহী ঘোষ, অনিলবরণ রায় প্রমুখ দেশবরেণ্য বিপ্লবীর নাম দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। এঁরা ছাড়াও জেলার আরও যাঁরা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন তাঁদের অবদানও জেলাবাসী মনে রেখেছে। ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে বর্ধমানবাসী সকল বিপ্লবী স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহনকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে তাই ব্রতী হবেন।

আগস্ট ১৫, ২০২১
রাজ্য

Bomb: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার বর্ধমানে

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বর্ধমানের শিবপুর দিঘীরপাড় এলাকা থেকে উদ্ধার হল প্লাস্টিকের জারিকেন ভর্তি তাজা বোমা। যা জানতে পারার পরেই বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে খবর দেয় বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে। শনিবার বিকালে দুর্গাপুর থেকে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছায়। তাঁরা জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার করে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে নিস্ক্রিয় করে। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শিবপুর দীঘিরপাড় এলাকার বাসিন্দা মহলে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সিএবি সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলিবর্ধমানের বেলকাস পঞ্চায়েতের সদস্য তানবীর আলি বলেন, শীবপুর দীঘিরপাড় সংলগ্ন পাওয়ার হাউসের পিছনে জঙ্গলের পড়েছিল জারিকেনটি। এলাকায় বাসিন্দারা সেটি দেখতে পেয়ে বর্ধমান থানায় খবর দেয়। সেই খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ওই জায়গাটি ঘিরে রাখে।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?এদিন বিকালে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌছে জারিকেনে থাকা বোমাগুলি উদ্ধার করার পর নিস্ক্রিয় করে। বর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, প্লাস্টিকের জার থেকে মোট ৬ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে সিআইডি বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড। সেগুলি নিস্ক্রিয় করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ক্রিকেটের মক্কাতে কলুষিত ক্রিকেটরাত পোহালেই দেশ জুড়ে পালিত হবে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস। তার প্রাক্কালে জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার ঘিয়ে বর্ধমানে শাসক বিরোধী তর্জা তুঙ্গে উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের আগে শহর বর্ধমানের সুভাষপল্লীতে বল ভেবে বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়। এতবড় ঘটনার পরেও বর্ধমানে বোমা উদ্ধারে ঘটনায় বিরাম পড়েনি। জেলা বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন বলেন, শাসকদলের দৌলতে সব জায়গাতেই বোমা উদ্ধার হয়েই চলেছে। যদিও পল্টা জবাবে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, তৃণমূল বোমা-গুলি নিয়ে রাজনীতি করে না। পুলিশ তদন্ত শুরু করছে। তদন্তেই পরিস্কার হবে যাবে কারা বোমা রেখেছিল।

আগস্ট ১৪, ২০২১
রাজ্য

Madhuchakra: গলসির হোটেলে মধুচক্রের আসরে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ৪ যুবতী ২ যুবক

হোটেলে চলা মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ৪ জন যুবতী ও ২ জন যুবক রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুলিশ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছের একটি হোটেলে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা গলসির পারাজ, উত্তর ২৪ পরগণার মিনাখাঁ, মেমারির বৈদ্যডাঙা ও বর্ধমান থানার পালিতপুর এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনার কথা জেনে ওই হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছেন গলসির বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ জানিয়েছে, কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছে একটি হোটেলে মধুচক্রের আসর বসেছিল। সেই খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে ৪ যুবতী ও ২ যুবকে ধরে ফেলে। ঘটনার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ৬ ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম যুবতীদের জামিন মঞ্জুর করলেও যুবকদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Mystery Death: দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্য মৃত্যু বধূর

দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক বধূর। মৃতার নাম লীলা আগরওয়াল(৪৪)।ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার মাহাতা গ্রামে। ভাতারের মাহাতা গ্রামে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন লীলা আগরওয়াল ও তাঁর দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় । বুধবার সকালে সেই ভাড়া বাড়ি থেকেই গৃহবধূ লীলার মৃতদেহ উদ্ধার করে ভাতার থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই বধূর মৃতদেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ মর্গে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ বধূ মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লীলা আগরওয়ালের প্রথম পক্ষের স্বামীর বাড়ি বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের মিশন কম্পাউণ্ড এলাকায়। তাঁর প্রথম পক্ষের স্বামী রাজু আগরওয়ালের সেখানে একটি সাইকেল মেরামতির দোকান রয়েছে। লীলার এক ছেলে ও এক মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক। ছেলে আকাশ বোলপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী। মেয়ে প্রীতি আগরওয়াল বিবাহিতা। প্রীতি জানিয়েছেন, তাঁর মা বর্ধমান শহরে সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন। বিবাহিত সুদীপ্তবাবু ওষুধ সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করেন। ওই সময়েই তাঁর মা লীলাদেবীর সঙ্গে সুদীপ্ত বাবুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর দেড় বছর হল লীলাদেবী পাকাপাকিভাবে সুদীপ্তবাবুর কাছেই রয়ে যান। সুদীপ্তবাবুর এই কীর্তিকলাপ মেনে নিতে না পেরে তাঁর স্ত্রী সুদীপ্তবাবুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর থেকে সুদীপ্তবাবু ভাতারের মাহাতা গ্রামে বাড়ি ভাড়া করে সেখানে লীলাদেবীকে নিয়ে থাকতেন । প্রীতি আগরওয়াল বলেন, এদিন সকালে ওই ভাড়া বাড়ি থেকেই পুলিশ তাঁর মা লীলাদেবীর মৃতদেহ উদ্ধার করে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরমৃতার ছেলে আকাশ আগরওয়াল দাবি করেন, আমার মায়ের গলায় দাগ রয়েছে। তা দেখে আমার মনে হচ্ছে শ্বাসরোধ করেই মাকে মারা হয়েছে। তাই মৃত্যুর তদন্ত দাবি করেছে। যদিও সুদীপ্তবাবু এদিন দাবি করেন, আমি ব্যবসার কাজে মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাই। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে লীলাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। ভাতার থানার পুলিশ অবশ্য সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে , ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই মহিলার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে । তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Pandaveshwar: চরম বিক্ষোভের মুখে প্রাক্তন বিধায়ক, ধুন্ধুমার পান্ডবেশ্বরে

অসুস্থ বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তাঁকে কার্যত গালিগালাজ করে হেনস্তা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র তেওয়ারি। যদিও তৃণমূল এই ঘটনার দায় নিতে নারাজ। প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতাকে ঘিরে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কান্ড ঘটে যায় পান্ডবেশ্বরের খোট্টাডিহিতে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরঅসুস্থ বিজেপি কর্মী সোনালী গিরির সঙ্গে দেখা করতে বুধবার খোট্টাডিহি যান জিতেন্দ্র তেওয়ারি। অভিযোগ, তখন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা জিতেন্দ্র তিওয়ারির নাম করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। একইসঙ্গে সোনালী গিরির বাড়ির বাইরে স্লোগান দেয়। সোনালী গিরির বাড়িতে পাথর ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। সোনালী গিরির সঙ্গে দেখা করার পর বেরিয়ে আসার সময় তৃণমূল সমর্থকরা তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারির।জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, একজন ব্যক্তির খারাপ সময়ে তাঁর খবর নেওয়া কি অপরাধ? একজন নাগরিক হিসেবে আমি যে কোন জায়গায় যেতে পারি। জিতেন্দ্রবাবু জানান, সম্প্রতি সেনালী গিরির টিউমারের অস্ত্রোপচার হয়েছে। আমি সোনালী গিরির বাড়িতে গিয়ে মানবিক ভাবে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিলাম। এটাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা ভুল। এখানে আসা নিয়ে একদিন আগে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও, পুলিশের উপস্থিতিতে নিন্দনীয় কাজ করে তৃণমূলের লোকেরা। জিতেন্দ্র তিওয়ারির হুঁশিয়ারি, ভয় দেখিয়ে আমাকে আটকানো যাবে না। আমি যখন খুশি আমার দলের কর্মীদের সাথে দেখা করতে পারি।আরও পড়ুনঃ বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবিরপাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জানান, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সোনালী গিরি নামে পাণ্ডবেশ্বরের ওই বিজেপি কর্মী একসময় চাকরি দেওয়ার নাম করে লোকের কাছে টাকা নিয়েছিলেন। আজ এলাকার মানুষজন তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তখন প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মানুষ তাঁর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনেও যোগ নেই।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Death: বর্ধমানে জুনিয়র ডাক্তারের রহস্য মৃত্যু, খুনের অভিযোগ তুললেন বাবা

রহস্যজনক মৃত্যু হলো বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক জুনিয়র ডাক্তারের। মৃতের নাম শেখ মোবারক হোসেন (২৩)। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাট থানার সাহাজাদপুরে। তিনি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জরি বিভাগের হাউস স্টাফ ছিলেন।আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টমোবারক বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৩ নম্বর বয়েজ হোস্টেলে থাকতেন। বুধবার ভোর রাত আড়াইটে নাগাদ হোস্টেলের অন্য আবাসিক ডাক্তাররা হঠাৎই উপর থেকে ভারি কিছু পড়ার শব্দ পান। তখনই তাঁরা বাইরে বেরিয়ে দেখেন নীচে ডাক্তার মোবারক হোসেন রক্তাক্ত অবস্থায় উবুর হয়ে পড়ে রয়েছে। এমন ঘটনা দেখেই হোস্টেলের অন্য জুনিয়র আবাসিক চিকিৎসকরা সিনিয়ারদের খবর দেয়। সিনিয়ার ডাক্তাররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছান। মোবারক হোসেনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।আরও পড়ুনঃ শর্তসাপেক্ষে খুলছে বেলুড় মঠচিকিৎসকের এমন মৃত্যুর কারণ দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যা? নাকি ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে! তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ডিএসপি (হেড কোয়ার্টার) সৌভিক পাত্র ও বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী এদিন ঘটনাস্থলে তদন্তে যান। তাঁরা ঘটনাস্থলে সবিস্তার খতিয়ে দেখেন। এদিনই চিকিৎসকের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্তারা। তাঁরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরা-কাণ্ডের জের, অভিষেক-সহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে এফআইআরমৃত চিকিৎসকের বাবা শেখ হাফিজুল ইসলাম যদিও তাঁর ছেলের মৃত্যু আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা বলে মানতে চাননি। তাঁর অভিযোগ, তাঁর ছেলে মোবারক হোসেনকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। এই বিষয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল সুহৃতা পাল বলেন,চিকিৎসক শেখ মোবারক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার কথা পুলিশকে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ফরেন্সিক টিম এনে তদন্ত করা হবে ।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Bride Missing: চাকদার নিখোঁজ মহিলা উদ্ধার টলিউড অভিনেতার বর্ধমানের বাড়ি থেকে

পুলিশের তৎপরতায় এক টলিউড অভিনেতার বর্ধমানের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল ছয় মাস ধরে নিখোঁজ থাকা নদীয়ার চাকদার বধূ। মঙ্গলবার ভোররাতে চাকদা ও বর্ধমান থানার পুলিশ নিখোঁজ মহিলার স্বামী অর্ধেন্দু ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে শহর বর্ধমানের বাদামতলা এলাকায় থাকা টলিউড অভিনেতা ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় চাকদার নিখোঁজ বধূ পম্পা ঘোষ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শহর বর্ধমানের বাসিন্দা মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। যদিও ওই মহিলা এমনকী তাঁর স্বামী গোটা ঘটনা নিয়ে কাউকে দায়ী করে কিছু বলেননি। কে, কি ভাবে চাকদা থেকে মহিলাকে নিয়ে এসে টলিউড অভিনেতার বর্ধমানের বাড়িতে নিয়ে এসে রাখলো তা নিয়েই তৈরি হয়েছে রহস্য।আরও পড়ুনঃ বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবিরউদ্ধার হওয়া মহিলা পম্পা ঘোষের স্বামী অর্ধেন্দু ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে বাতের রোগে ভুগছেন। রোগ যন্ত্রণায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙেও পড়েছিলেন। গত ৬ মাস ১০ দিন আগে পম্পা একটি চিঠি লিখে হটাৎ নিঁখোজ হয়ে যায়। তার পর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ মেলেনি। অর্ধেন্দু বাবু বলেন, তাঁর স্ত্রী পম্পা নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর চাকদা থানায় তিনি নিখোঁজ ডাইরিও করেন। এরই মধ্যে সোমবার তাঁর স্ত্রী পম্পা অন্য একজন মহিলার ফোন থেকে গোপনে তাঁকে ফোন করেন। ফোনে পম্পা জানায়, দুজন লোক তাকে বর্ধমানের এক অভিনেতার ফাঁকা বাড়িতে তুলে এনে আটকে রেখেছে। সেখানে কিছু সন্দেহজনক লোক থাকে। তাদের আচরণে তাঁর সন্দেহ হয় তাঁকে বিক্রি করে দেওয়া হতে পারে। অর্ধেন্দুবাবু জানান, ফোনে তাঁর নিখোঁজ স্ত্রী এমনটা জানানোর পরেই তিনি চাকদহ থানার পুলিশের শরণাপন্ন হন। চাকদহ এবং বর্ধমান থানার পুলিশ যৌথভাবে ওই টলি অভিনেতার বর্ধমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধার করে। পম্পা অসুস্থ থাকায় তাঁকে কোলে করে তুলে তাঁর স্বামী পুলিশ গাড়িতে তোলেন। পরে চাকদহ থানার পুলিশ তাঁদের নিয়ে রওনা দেয়।আরও পড়ুনঃ ইন্দ্রাশিসের সঙ্গে খেলা শুরু রণিতারএই বিষয়ে অভিনেতা ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাঁর বাড়িতে মহিলাকে আটকে রাখার কথা মানতে চাননি । ফাল্গুনীবাবু বলেন, মাস তিনেক আগে তাঁরই পরিচিত সোমনাথ ভট্টাচার্য এক মহিলাকে তাঁর কাছে আনে। ওই সোমনাথ তাঁর টেলিফিল্মে বিজ্ঞাপনও দিয়েছিল। সোমনাথ ও ওই মহিলা নিজেদেরকে স্বামী ও স্ত্রী বলে পরিচয় দেয়। সোমনাথ জানিয়েছিল, তাঁর ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ব্যবসা রয়েছে। ফাল্গুনীবাবু জানান, ভোটার কার্ড দিয়ে সোমনাথ বলেছিল লকডাউনে কোথাও সে থাকার জায়গা পাচ্ছে না। মাস দুয়েক সে বর্ধমানে তাঁর বাড়িতে থাকবে। সেই কথা বিশ্বাস করে বিনা ভাড়াতেই ওদের থাকতে দিয়েছিলেন। সোমনাথ প্রায়সই বর্ধমানে আসতেন। স্ত্রীকে দেখভালের জন্য সোমানাথ একজন মহিলাকেও কাজে রেখেছিল। এদিন সব জানার পর তিনিও অবাক হয়ে গিয়েছেন। ফাল্গুনীবাবু বলেন, এদিন ফোন করে তিনি সোমনাথকে প্রকৃত ঘটনা জানতে চাওয়ার পর থেকে সোমনাথ ফোন বন্ধ করে দেয়।আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিবর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী জানান, এটা চাকদা থানার কেস। চাকদা থানার পুলিশ বর্ধমান থানার সাহায্য চেয়েছিল মহিলাকে উদ্ধারের জন্য।বর্ধমান থানার পুলিশ সাহায্য করেছে। এর বাইরে কিছু বলা সম্ভব নয়। ঘটনা সবিস্তার চাকদা থানা বলতে পারবে।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Money Theft: ব্যাঙ্ক গ্রাহকের টাকা ছিনতাই করে পালাতে গিয়ে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেপ্তার ওড়িশার ২ দাগী দুস্কৃতি

ব্যাঙ্ক গ্রাহকের মোটর বাইকের টুল বক্স ভেঙে মোটা টাকা ছিনতাই করে নিয়ে পালানোর সময়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ভিন রাজ্যের দুই দাগী দুস্কৃতি।ধৃতদের নাম আউল সোম ও রাণা আউল প্রধান। এদের মধ্যে আউলের বাড়ি ওড়িশার গঞ্জাম জেলার আসকা (Aska) থানার ডোমকুনি সাহাপুর এলাকায়। অপর ধৃত রাণার বাড়ি ওড়িশার জয়পুর জেলার কোরাই (Korai)থানার পূর্বকোটে (Purbakote) এলাকায়। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ে যায় ওড়িশা রাজ্যের এই দুই কুখ্যাত দুস্কৃতি। তাঁদের কাছ থেকেই উদ্ধার হয় ছিনতাই হওয়া টাকা। থানায় পুলিশের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতদের সম্পর্কে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা জেনে কার্যত স্তম্ভিত জেলা পুলিশের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?পুলিশ জানিয়েছে, খণ্ডঘোষের কৈয়ড় গ্রামে বাড়ি যুবক শৈলেন মুখোপাধ্যায়ের। এদিন দুপুরে রায়নার সেহেরাবাজারের একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক থেকে মোটা টাকা তুলে তিনি তাঁর মোটর বাইকের টুল বক্সে রাখেন। এর পর তিনি তাঁর বাইকে চেপে ব্যাঙ্ক থেকে কিছুটা দূরে একটি দোকানের সামনে বাইকটি দাঁড় করিয়ে দোকানে ঢোকেন। ওই সময়ে কয়েক মুহুর্তের মধ্যে শৈলেন মুখোপাধ্যায়ের ওই বাইকের টুলবক্স ভেঙে টাকা নিয়ে দুই দুস্কৃতি তাঁদের নীল রঙের বাইকে চেপে দ্রুত পালিয়ে যায়। এই ঘটনা দেখার পরেই ওই দোকানের সামনে থাকা লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। তখনই শৈলেনবাবু দোকান থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখেন তাঁর মোটর বাইকের টুলবক্স ভাঙা। টুল বক্সে টাকা নেই। তারই মধ্যে সেখানকার অনেকে নীল রঙের বাইকে চেপে পালানো দুস্কৃতিদের পিছু ধাওয়া করে। কয়েকজন রায়না থানার পুলিশকেও ঘটনা বিষয়ে জানায়। সেই খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসে রায়না ও জামালপুর থানার পুলিশ। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান বলেন, খবর পাওয়া মাত্র বিভিন্ন থানাকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। সেহেরাবাজার থেকে জামালপুর যাওয়ার পথে রায়না ও জামালপুরে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের নাকা শুরু হয়। নীল বাইকে চেপে থাকা দুই দুস্কৃতি সেহারাবাজার থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও জামালপুরের কাড়ালাঘাট এলাকায় তারা ধরা পড়ে যায়। ছিনতাই হওয়া টাকাও তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ ওই দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি তাঁদের নম্বরবিহীন নতুন মোটরবাইকটি বাজেয়াপ্ত করেছে। শৈলেন মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে অপারেশন চালিয়ে দুস্কৃতিরা তাঁর বাইকের টুলবক্স ভেঙে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ দ্রুত তৎপর হওয়াতেই দুস্কৃতিরা ওই টাকা সহ ধরা পড়েছে।আরও পড়ুনঃ ফের দিল্লি সফরে রাজ্যপাল, কারণ অজানা ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃতরা মূলত ওড়িশা, বিহার ও বাংলায় অপরাধ চক্র চালায়। তাঁরা ওড়িয়া ছাড়াও হিন্দি ও বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে। ধৃতদের বিরুদ্ধে পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি থানাতে জাল নোট পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তারা কিছুদিন আগে গঞ্জাম এলাকায় ২ লক্ষ টাকা ছিনতাই করে পূর্ব মেদিনীপুরে চলে আসে। সেখানে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে এই নীল মোটরবাইকটি কেনে। সেই মোটরবাইক নিয়ে কলকাতাতে বেশ কিছু দিন ঘুরে তারা পূর্ব বর্ধমান জেলায় এসে বিভিণ্ন জায়গায় ঘুরে রেইকি করে যাচ্ছিল। কিছুদিন আগে, বর্ধমান শহরের বাদামতলায় এক চাল ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশ এখনও সেই ঘটনার কিনারা করতে পারেনি। শহর বর্ধমানে ওই চাল ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জামালপুরে ধৃত দুষ্কৃতীরা জড়িত কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ধৃতদের নামে আর কী কী মামলা রয়েছে তার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Boikanthapur GP: পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

পঞ্চায়েতে অফিসে ঢুকে মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ উঠল খোদ অঞ্চল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের বৈকন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে।এদিনই সন্ধায় অঞ্চল তৃণমূল নেতা মোজাম্বেল শাহের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধান শর্মিলা মালিক। এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে প্রধান শর্মিলা মালিক জানিয়েছেন, এদিন বৈকন্ঠপুর ২ অঞ্চলের হাটশিমুল গ্রামের কিছু সমস্যা নিয়ে তিনি সেখানকার কয়েকজনের সঙ্গে পঞ্চায়েত অফিসে আলোচনা করছিলেন। ওই সময়ে দুই জনকে সঙ্গে নিয়ে মোজাম্মেল শাহ পঞ্চায়েত অফিস রুমে ঢুকে তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি তাঁকে পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেবে বলে রীতিমত শাসায়। পঞ্চায়েত কর্মীরা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল সাহকে এরপর পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেয়। পঞ্চায়েত প্রধান শর্মিলা মালিক বলেন, তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহর এমন হুমকি শাসানির করণে তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করে বর্ধমান থানায় মোজাম্মেল সাহ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পঞ্চায়েত প্রধান এদিন আরও বলেন, বিধানসভা ভোটের আগে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সহ বেশ কয়েকজন সদস্য ও সদস্যা তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল। কিন্তু তাতে তাঁরা সফল হয়নি। সেই থেকে তাঁরা পঞ্চায়েতের কোনও মিটিংয়ে আসছেন না। ফলে এলাকার উন্নয়নের কাজও বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন অবস্থা তৈরি হওয়ার জন্য মোজাম্মেল শাহ তাঁকে দায়ী করে হামেশাই শাসায়। এমনকী প্রতিদিনই সোশাল মিডিয়ায় তাঁকে উদ্দশ্য করে ওই তৃণমূল নেতা আক্রমণ করে চলেছেন বলেও প্রধান শর্মিলা মালিকের অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরাপঞ্চায়েত প্রধান এমন অভিযোগ করলেও তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহ তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি একজন সাধারন মানুষ হিসাবে জানতে গিয়েছিলাম কেন এলাকায় উন্নয়নের কাজ হচ্ছে না। উল্টে প্রধান মেজাজ হারিয়ে তার টেবিলে থাকা কাগজপত্র ফেলে দেন। পঞ্চায়েতে যদি সদস্যদের অনুপস্থিতির জন্য উন্নয়নের কাজ না হয় তাহলে তার নৈতিক দ্বায়িত্ব নিয়ে প্রধানের নিজের পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত বলে মোজাম্বেল শাহ দাবী করেছেন। এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, কি ঘটেছে তা জানা নেই। তবে দলের উর্ধ্বে উঠে কেউ নিজের মতো করে কিছু দাবী করতে পারে না। সমস্যা বা অভিযোগ থাকতেই পারে। সেই ক্ষেত্রে দলীয় নেতৃত্বকে জানাতে হবে। এটাই আমাদের দলের নিয়ম। ঘটনার বিষয়ে বিজেপির জেলা নেতা কল্লোল নন্দন কটাক্ষ করে বলেন, ভাগ বাটোয়ারা নিয়েই ওনাদের অশান্তি বলে শুনেছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Ujjwala Yojana: উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাসের সংযোগের আশ্বাস দিয়ে টাকা আত্মসাৎ রায়নায়, গ্রেফতার দুই

উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাসের সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দুই ব্যক্তি। ধৃতদের নাম বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও নিশীথ রুইদাস। তাদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমাণের জামালপুর থানার শম্ভুপুর গ্রামে। রায়নার হরিপুর নিবাসী প্রতারিত রুমা ক্ষেত্রপালের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে রায়না থানার পুলিশ রবিবার রাতে বিশ্বজিৎ ও নিশীথকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পঠিয়ে বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরাপুলিশ জানিয়েছে, উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাসের সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিশ্বজিৎ ও নিশীথ রায়নার নতু, হরিপুর প্রভৃতি এলাকার বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা তুলছিল। আবেদনকারী কারও কাছ থেকে ৬০০, কারও থেকে ৮০০ টাকা আবার কারও কাছ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত তারা নেয়। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও গ্যাসের সংযোগ না মেলায় আবেদনকারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছিল।বিশ্বজিৎ ও নিশীথ ফের রবিবার উজ্জ্বলা যোজনার গ্যাসের নতুন কানেকশন দেওয়ার কথা বলে নতু গ্রামে যায়। ওই দিনও তারা মহিলাদের কাছ থেকে আধার কাের্ডর জেরক্স ও টাকা নেয়। উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাসের সংযোগ পেতে যেহেতু টাকা লাগে না তাই তারা টাকা নেওয়ায় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সন্দেহ হয়। তাঁরা বিশ্বজিৎ ও নিশীথকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। রায়না থানার পুলিশ তাদের ধরে থানায় নিয়ে যায়। পরে হরিপুরের বাসিন্দা রুমা ক্ষেত্রপাল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ দুজনকেই গ্রেফতার করে।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Duare Certificate: বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরা

বিশ্ব আদিবাসী দিবসের দিনে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন আবেদনকারী আদিবাসীরা। সোমবার এমনই এক বিশেষ কর্মসূচীর আয়োজন করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক প্রশাসন।এদিন সকালে ব্লকের বিডিও অফিসে এই কর্মসূচীর সূচনা করেন বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, বিধায়ক অলোক মাঝি। পরে ব্লকের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান ও জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন গ্রামে থাকা আদিবাসী সহ অন্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মানুষজনের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের জাতিগত শংসাপত্র পৌছে দেন। আদিবাসী দিবসের দিনে বাড়িতে বসে জাতিগত শংসাপত্র পেয়ে খুশি আবেদনকারী আদিবাসীরা।আরও পড়ুনঃ এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জটবিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হয় দুয়ারে সরকার কর্মসূচী। রাজ্য সরকারের চালু করা এই কর্মসূচি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর পর থেকেই দুয়ারে রেশন, দুয়ারে পুলিশ প্রভৃতি কর্মসূচী নেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। তারই অনুকরণে বিশ্ব আদিবাসী দিবসের দিনে আবেদনকারী আদিবাসীদের দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদানের কর্মসূচী নেয় জামালপুর ব্লক প্রশাসন। এদিনের এই কর্মসূচী যথেষ্টই সাড়া ফেলে আদিবাসী মহলে।আরও পড়ুনঃ ঝাড়ফুঁকের নামে অসুস্থ তরুণীকে সারারাত ধর্ষণ, গ্রেফতার ভণ্ড ওঝাবিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান কর্মসূচীরমাধ্যমে এদিন ৮৯২ জন জাতিগত শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনেও এমন আরও নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে বিডিও জানিয়েছেন। বিধায়ক অলোক মাঝি ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন বলেন, আগে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য মানুষজনকে চূড়ান্ত হয়রান হতে হত।দপ্তরে ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়েও মিলতো নাআরও পড়ুনঃ বিজেপির মশাল মিছিলে তুলকালামকাস্ট সার্টিফিকেট।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগী হওয়ায় কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জটিলতার দিন শেষ হয়েছে। এখন ঘরে বসেই মানুষজন জাতিগত শংসাপত্র অর্থাৎ কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যাচ্ছেন। এদিন বাড়িতে বসেই জামালপুরের ৮৯২ জন কাস্ট সার্টিফিকেট পেলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার আগামী দিনেও মানুষের পাশে এভাবেই থাকবে বলে মেহেমুদ খাঁন এদিন দাবি করেন।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

Rape : ঝাড়ফুঁকের নামে অসুস্থ তরুণীকে সারারাত ধর্ষণ, গ্রেফতার ভণ্ড ওঝা

ঝাড়ফুঁকের নাম করে রাতে অসুস্থ তরুণীকে নদীর চরে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ওঝা। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতি দূরে থকা শ্মশানের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখ ওরফে খ্যাপাবাবা। তার বাড়ি জেলার কেতুগ্রাম থানার মোড়গ্রামে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ রবিবার রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। পাশাপাশি পুলিশ এদিনই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি আদালতে নথিভুক্ত করায়। বিচারক ধৃতকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ মমতারপুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা তরুনীর বাড়ি কেতুগ্রামের মোড়গ্রামে। একই গ্রামে বাড়ি মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখের। বুজরুকি কারবার চালানোর জন্য মারু শেখ নিজেই তাঁর নাম খ্যাপাবাবা রাখে। এলাকার দরিদ্র পরিবারের কেউ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকলে তাঁকে সুস্থ করে দেওয়ার কথা বলে মূল্য নিয়ে মারু ঝাড়ফুঁক করে দিত। নির্যাতিতা তরুনীর বাবা পুলিশেকে জানান, তাঁর ১৯ বছরের মেয়ে মাস খানেক ধরে অসুস্থ হয়ে রয়েছে। ডাক্তারি চিকিৎসা করানো হলেও রোগ সারেনি। ইদানিং তাঁর মেয়ের মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে থাকে। খ্যাপাবাবা ঝাড়ফুঁক করে দিলে মেয়ে যদি সুস্থ হয় এইকথা ভেবে তিনি খ্যাপাবাবার শরণাপন্ন হন। নির্যাতিতার বাবা বলেন, শনিবার অমাবস্যার দিন অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে মঙ্গলকোটের ঝিরেলা গ্রামের শ্মশানে নিয়ে যাবার কথা মারু তাঁকে বলে ।একই সঙ্গে মারু তাঁকে আরও জানায়,ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতিদূরে শ্মশানের কাছাকাছি পীরতলাতেই তার গুরু থাকেন। গুরু থাকলে ঝাড়ফুঁক করতে সুবিধা হবে। সেই মতো শনিবার সন্ধ্যায় অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে তিনি মারু শেখের সঙ্গেই ঝিরেলা গ্রামে যান।আরও পড়ুনঃ স্বামীর সঙ্গে মালদ্বীপে সানা, সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন সেই ছবিনির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁরা ঝিরেলা গ্রামে পৌছানোর পর সেখানকার ধুমক্ষেত্রতলায় তাঁর বাবাকে বসিয়ে রাখে মারু। এর পর ঝাড়ফুঁক করার জন্য মারু তাঁকে অজয়নদের ধারে নিয়ে চলে যায় ।সেখানে যাওয়ার পর ভয় দেখিয়ে মারু ওরফে খ্যাপাবাবা তাঁকে সারা রাত ধরে ধর্ষণ করে। পরদিন বাড়ি ফিরে খ্যাপাবাবার কুকীর্তির কথা তরুণী তাঁর বাবা মাকে বলে। ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে ওই দিনই নির্যাতিতা মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ ওই রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। ভণ্ড ওঝার দৃষ্টান্ত মূলক সাজার দাবি করেছে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

Bangladeshi Infiltrator: বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী যুবক গ্রেফতার ভাতারে, তদন্তে পুলিশ

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারী এক যুবককে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ। ধৃতের নাম ওসমান আলি। তার বাড়ি বাংলাদেশের খুলনা ডিভিশনের ঝেরাইদাহ জেলার কোটচাঁদপুর থানার কাগমারি গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ শনিবার বিকেলে ভাতার বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়াই যুবক কিভাবে এবং কি উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশ করেছে তার তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিভাতার থানার ওসি প্রনব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, লাল গেঞ্জি ও নীল সাদা চেক লুঙ্গি পরিহিত ওই যুবক শনিবার বিকেলের দিকে ভাতার বাজার এলাকায় উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। তার কথাবার্তাও এদেশের বাসিন্দাদের মতো নয়। সন্দেহ হওয়ায় তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়। জেরায় যুবক স্বীকার করে তার বাড়ি বাংলাদেশে। সে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছে । তারপরেই অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যুবক কি ভাবে ও কি উদ্দেশ্যে বেআইনিভাবে ভারতে ঢুকেছে তা জানার জন্য ধৃতকে পুলিশি হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Ear Bitten: প্রতিবেশীর গোটা কান কামড়ে ছিঁড়ে নিল নেশা আশক্ত যুবক, চাঞ্চল্য গুসকরায়

নেশা করে বাড়ি ফিরে মা ও বোনকে মারধর করছিল ছেলে। তাঁদের রক্ষা করতে যাওয়া প্রতিবেশী পরিবারের যুবকের কান কামড়ে ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠলো নেশা আশক্ত বিশ্বজিৎ সরকার ওরফে বুলানের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বজ্রাপুকুর পাড় এলাকায়। কান খুইয়ে আক্রান্ত রাজা মাজি রবিবার বুলানের বিরুদ্ধে গুসকরা পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজা মাজি গুসকরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বজ্রাপুকুর পাড় এলাকারই বাসিন্দা। পেশায় তিনি গুসকরা পৌরসভার সাফাই কর্মী। পুলিশকে রাজা মাজি জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ির পাশেই বিশ্বজিৎ সরকার ওরফে বুলানের বাড়ি। শনিবার রাতে বাড়ির কাছে ক্লাব ঘরে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে তাস খেলছিলেন। ওই রাতে নেশা করে বাড়ি ফিরে বুলান তাঁর মা ও বোনকে ব্যাপক মারধোর শুরু করে। অশান্তি থামিয়ে মা ও মেয়েকে রক্ষা করার জন্য তিনি বুলানের বাড়িতে যান। রাজা মাজির অভিযোগ, ওই সময়ে বুলান রডে করে তাঁকে মারধোর শুরু করে। পরে বুলান তাঁর বাঁ দিকের গোটা কানটি কামড়ে ছিঁড়ে নেয়। রাজা মাজি এদিন দাবি করেন, মদ ও ড্রাগেরআরও পড়ুনঃ মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেকনেশায় আশক্ত বিশ্বজিৎ সরকার তাকে খুন করতেও চেয়েছিল। তা না পেরে তাঁর কান কামড়ে ছিঁড়ে নিয়েছে বুলান। স্থানীয় বাসিন্দা পার্থ হাজরা জানিয়েছেন, এলাকায় নেশা আশক্তের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। নেশা আশক্ত বিশ্বজিৎ সরকার ওরফে বুলান নৃশংস ঘটনা ঘটিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ এখনও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। যদিও গুসকরা ফাঁড়ির এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হযেছে। অভিযুক্তের সন্ধান চালানো হচ্ছে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Vandalizing : পুলিশের উপরে হামলা ও পুলিশ গাড়ি ভাঙচুরের দায়ে গ্রেপ্তার প্রৌঢ়

পুলিশে উপর হামলা ও পুলিশ গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক বৃদ্ধ। ধৃতের নাম বদরে আলম শেখ ওরফে মিঠু। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার মির্জাপুর গ্রামে। মেমারি থানার পুলিশ শনিবার ভোরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এদিনই ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কপুলিশ জানিয়েছে, গত ২৫ জুলাই মেমারি বড় পলাশন গ্রামে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট হয়। খবর পেয়ে পুলিস সেখানে পৌঁছায়। পুলিশ জমায়েত সরানো ও দুপক্ষকে গণ্ডগোল থামানোর জন্য বলে।সেই কথা না শুনে উল্টে কয়েকজন পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিসকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোঁড়া শুরু করে। ইটের ঘায়ে পুলিসের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর মেমারি থানার ওসি বিশাল পুলিশী বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার বিষয়ে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা, পুলিশের উপর হামলা চালানো ও সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা দেওয়া এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সেই মামলায় বদরে আলম শেখ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হল।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Bribery : বিল্ডিংয়ের নকশা পাশ করাতে মোটা টাকা ঘুষ, বর্ধমানে অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

বিল্ডিং-এর নকশা অনুমোদনের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযুক্ত সদস্যা মিতা দাস।এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীসহ তৃণমূলের এক কর্মীও মিতা দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এলাকার তৃণমূল নেত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাস ওই তৃণমূল কর্মীকেই তোলাবাজ আখ্যা দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে বজ্রপাতে মৃত ৩, জখম ৭বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদনের জন্য যারা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিজয় সাঁই। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বামচাঁদাইপুরে তাঁর ওষুধের দোকান। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য ইতামধ্যেই বিজয় সাঁইকে ওই দোকান ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ দিয়েছে। সেইজন্য তিনি তড়িঘড়ি এই দোকানের পিছনে থাকা জায়গায় আইন মেনে দোকানঘর তৈরির নকশা অনুমোদনের আবেদন করেন পঞ্চায়েতে। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর কাছ থেকে প্ল্যান পাশ করাতে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ নেন বৈকন্ঠপুর ২ পঞ্চায়েতের সদস্য মিতা দাস। তার অভিযোগ, আজ অবধি নকশা পাশ হয়নি। এলাকার তৃণমূলকর্মী মোজাম্মেল শাহের অভিযোগ, মিতা দাস এভাবেই ঘুষ নিয়ে থাকেন। তাঁকে টাকা দিয়েই বাড়ি কিংবা দোকান ঘর তৈরির জন্য প্ল্যান নিতে হয়। মিতা দাসকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও করেছেন মোজাম্মেল শাহ।আরও পড়ুনঃ শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাসএই বিষয়ে মিতা দাসকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ মিথ্যা। কোনও প্রমাণ ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে এইসব অভিযোগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, মোজ্জামেল শাহ-ই তোলাবাজ।উনি শিখিয়ে পড়িয়ে এই অভিযোগ করিয়েছেন। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, প্ল্যান পাশ করাতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করাতে হবে। অভিযোগ সত্য প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Lightning: পূর্ব বর্ধমানে বজ্রপাতে মৃত ৩, জখম ৭

বজ্রপাতে একই দিনে পূর্ব বর্ধমানে মৃত্যু হল তিন খেত মজুরের। জখম হয়েছেন আরও সাত জন। মৃতরা হলেন বনমালি ধারা (৬০) ও শুকুরমনি সরেন (২২) ও কালিরাম হাঁসদা (৩৫)। শনিবার বজ্রপাতে এই মৃত্যুর ঘটনাগুলি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বিল্বগ্রামে, রায়না ২ ব্লকে দিঘুরা ও মেমারির কাশিয়াড়া গ্রামে। মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসনের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আউশগ্রামের বিল্বগ্রাম নিবাসী বনমালি ধারা সহ রবি বাগদি, মমতা বাগদি, মঞ্জু বাগদি, জ্যোৎস্না বাগদি, শেফালি বাগদি প্রমুখরা একসঙ্গে স্থানীয় মাঠে ধান বোনার কাজ করছিলেন। ওই সময়ে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। মাঠে বাজ পড়লে সেখানেই বনমালি ধারার মৃত্যু হয়। জখম হন বাকি পাঁচ খেত মজুর ।জখমদের সকলকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াবজ্রপাতে অপর মৃত শুকুরমনি সরেনের বাড়ি বর্ধমান ২ ব্লকের বড়শুলে। জেলার জামালপুর ব্লকের শম্ভুপুর গ্রামে শুকুরমনির বাপের বাড়ি। খেত মজুরির কাজ করার জন্য তিনি রায়না ২ ব্লকে আরুই পঞ্চায়েতের নিলুট গ্রামে দিদির বাড়ি গিয়েছিলেন। এদিন দুপুরে শুকুরমনিসহ ওই এলাকার বাসিন্দা মণিকা মাণ্ডি, মানসী হেমব্রম স্থানীয় দিঘুরা গ্রামের মাঠে কাজ করছিলেন। এলাকার যুবক শেখ নজু জানান, দুপুরে হঠাৎই বজ্রবিদ্যুৎ সহ প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে মাঠেই মারা যান শুকুরমনি সরেন। জখম হন মণিকা মাণ্ডি, মানসী হেমব্রম। তাঁদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে মেমারির সাহানগর গ্রাম নিবাসী কালিরাম হাঁসদা মেমারির কাশিয়াড়া গ্রামে রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজ করার সময়ে বজ্রপাতে মারা যান।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Ganga Water Level: ভাগীরথীর জল ছুঁইছুঁই ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইন, বিপত্তি পূর্বস্থলীর গ্রামে

কয়েকদিনের নাগাড়ে বৃষ্টিপাত ও তার সঙ্গে জলাধার থেকে ছাড়া জলে ফুলেফেঁপে উঠেছে ভাগিরথী নদী। আর তাতেই ঘটেছে বিপত্তি ।ভাগীরথীর জল ছুঁইছুঁই ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার। সেই কারণে সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের ঝাউডাঙা পঞ্চায়েতের ঝাউডাঙ্গা এবং হালতাচড়া গ্রাম। বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই দুই গ্রামের দেড়শোটি পরিবার। দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরে দরবার করেও সুরাহা না মেলায় ক্ষোভে ফুঁষছেন গ্রামবাসীরা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াভাগীরথীর একপাড়ে পূর্বস্থলীর ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রাম। এই গ্রামে বিদ্যুৎ এসেছে ভাগীরথীর অপর পাড়ের নদিয়ার বেথুয়াডহরি থেকে। এলাকার বাসিন্দা প্রহ্লাদ ঘোষ শনিবার জানান, ভাগীরথীর দুই পাড়ে পোলে ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার টানা হয়েছে। ভাগীরথী এখন জলে টইটুম্বুর। বিদ্যুতের তার ভাগীরথীর জলে ঠেকতে আর হাত কয়েক বাকী। সেই কারণেই গ্রামের লাইনে সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে রেখেছে বিদ্যুৎ দফতর। এরফলে ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রামের দেড়শটি পরিবার সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে।অপর বাসিন্দা দুর্গা মণ্ডল বলেন, ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎতের তার যখন টানা হয় তখনই গাফিলতি ছিল। তার উঁচু করে টানা হয়নি। সেই জন্য ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রামে বিদ্যুৎ আসার পর থেকে প্রতি বছর বর্ষায় গ্রাম বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকে। ১১হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার অ্যাঙ্গেলের সাহায্যে উঁচু করার জন্য বহুবার দুই গ্রামের মানুষ বিদ্যুৎ দফতরে দরবার করেছিল। কিন্তু কোন ফল হয়নি। শুক্রবারও নদিয়ার বেথুয়াডহরিতে বিদ্যুৎ দফতরে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায় হালতাচড়া এবং ঝাউডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের শনিবার গ্রামে লাইন ঠিক করতে আসার কথা ছিল। কিন্তু কেউ আসেনি। এইভাবেই প্রতি বছর বর্ষায় ভোগান্তি চলছেই। তার বিরাম ঘটছে না। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারে ঢাকা পড়ছে ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রাম। দুর্ভোগের অবসান কবে ঘটবে তা জানা নেই পূর্বস্থলীর এই দুই গ্রামের বাসিন্দাদের। দুই গ্রামের অনেকেই টোটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।টোটোয় চার্জ না থাকায় সেই টোটোগুলিও বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি তীব্র গরমে গ্রামের কয়েকশো মানুষ ব্যাপক অসুবিধার মধ্যে রয়েছেন। গ্রামের ছাত্র আশিষ ঘোষ জানায়, এখন তাঁদের অনলাইনে পড়াশুনো চলছে। কারেন্ট না থাকায় মোবাইল ফোনে চার্য দেওয়ার সূযোগ না থাকায় ফোন বন্ধ হয়ে রয়েছে। তাই লাটে উঠেছে অনলাইনে পড়াশুনা। সন্ধ্যা নামলে লম্ফ অথবা হ্যারিকেনের আলোয় কোনরকমে রাত কাটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ দফতর দ্রুত ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুতের তার টেনে উুঁচু করার ব্যবস্থা করে দুর্ভোগ থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করুক, এমনটাই দাবি দুই গ্রামের পড়ুয়াদের।আরও পড়ুনঃ শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাসএই বিষয়ে পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভাগীরথী জলে টইটুম্বুর। বিদ্যুতের তার নদীর জল ছুঁইছুই হয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় ওই তারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত থাকলে ভয়ানক বিপদ ঘটে যাবে বলে বিদ্যুুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। নদীর জল না কমা পর্যন্ত কিছু করার নেই। ওই লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতেই হবে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal