• ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

রাজনীতি

Mamata Meeting: আজও দিনভর হেভিওয়েট বৈঠকে মমতা

মঙ্গলবারের মতো বুধবারও রাজধানীতে দিনভর কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে মমতার। বুধবার তাঁর সঙ্গে একাধিক ওজনদার নেতার দেখা করার কথা রয়েছে। তৃতীয় দিনের দিল্লি সফরে আজ ১০ জনপথে যেতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সূত্রের খবর, আজ বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ সেখানে সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক করতে যাবেন তিনি। তার আগে দুপুর ১টায় সুখেন্দুশেখর রায়ের বাড়িতে দলীয় সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন মমতা। সেখানে লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় সাংসদদের উপস্থিত থাকতে বলেছে তৃণমূল। আর সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার কথা তৃণমূল নেত্রীর।আরও পড়ুনঃ কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধুএ ছাড়া আজ বিজেপি বিরোধী একাধিক নেতার সঙ্গেও তাঁর দেখা করার কথা রয়েছে। ফলে আজ দিনভর মমতার গোটা কর্মসূচির উপর নজর থাকবে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজনীতি

CM-Delhi: দিনভর হেভিওয়েটদের সঙ্গে বৈঠক মমতার

সোমবার দিল্লি পৌঁছেছেন মমতা। তৃতীয় বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। চার দিনের সফরে রাজধানীতে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে মমতার। মঙ্গলবার বিকেল ৪টে নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে। আবার মঙ্গলবার থেকেই বিজেপি বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গেও একে একে বৈঠক করার কথা তৃণমূল নেত্রীর। তৃণমূল সূত্রে খবর, আজ মোদি ছাড়াও সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আরও তিন ওজনদার নেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা। দুপুর ২টোয় রয়েছে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের সঙ্গে বৈঠক। তার পরই রয়েছে কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মার সঙ্গে। মাঝখানে কিছু সময় মোদির সঙ্গে আলাপচারিতা। তার পর ফের সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ বিশিষ্ট আইনজীবী তথা কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক মনু সিংভির সঙ্গে বৈঠক। যাঁকে ইদানীং তৃণমূলের হয়ে একাধিক মামলা লড়তে দেখা গিয়েছে। সব মিলিয়ে আজ দিনভর মমতার রাজধানী সফরের প্রতিটি মুহূর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজনীতি

Dilip Ghosh: মমতাকে কটাক্ষ করে দিল্লি গেলেন দিলীপও

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজকের দিল্লি সফর নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল চর্চা। এরই মধ্যে আজই আবার দিল্লি গেলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যাওয়ার আগে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি দিলীপ ঘোষও । মমতার দিল্লি যাত্রা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, মোদির কাছে হাতজোড় করতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী, মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচির সমালোচনা করতেও ছাড়েননি তিনি।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতদিলীপ বলেন,সংসদে সেশন চলছে। গত সপ্তাহে বিরোধীরা সংসদে কিছু কাজ করতে দেয়নি ।আশা করবো এবারে তারা সহযোগিতা করবে যাতে সংসদীয় কাজ ঠিক মত চলে। বিল পাশ হয়। সাধারণ মানুষের সমস্যা তুলে ধরা সম্ভব হয়। পশ্চিমবঙ্গে অনেকগুলো সমস্যা চলছে, হিংসা চলছে, ভ্যাকসিন নিয়ে দুর্নীতি চলছে ,ভুয়ো অফিসার নিয়ে মানুষ জেরবার। তাই এখান থেকে খানিকটা রিল্যাক্স করার জন্য দিল্লী যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাতিনি আরও বলেন, মোদিজির সঙ্গে দেখা করে উনি বলবেন যে বেতন দিতে পারছি না, মানুষের সেবা করতে পারছি না তাই সহযোগিতা করুন। না হলে তো আমার সরকার চলবে না। কংগ্রেসও খুব দুর্দশার মধ্যে আছে বিভিন্ন ঝামেলা নিয়ে। তারাও চাইছে ২৪ এর জন্য সেটিং শুরু করতে। এছাড়াও পেগাসাস নিয়ে ও বলতে শোনা যায় দিলীপকে। তিনি বলেন, পেগাসাস কি, খায় না মাথায় দেয় সাধারণ মানুষ জানেনা। কংগ্রেসের আজকে এত দুর্দশা কেন জানেন, সিপিআইএমের হাত ধরেছিল তাই। এখন তৃণমূলের হাত ধরতে চাইছে। কমপক্ষে ওই ঘটনা থেকে তৃণমূলের শিক্ষা নেওয়া উচিত।

জুলাই ২৬, ২০২১
দেশ

Pegasus-Congress: পেগাসাস-কাণ্ডে অভিষেকের পাশে কংগ্রেস

পেগাসাস কাণ্ডে কাছাকাছি কংগ্রেস-তৃণমূল! রবিবার কংগ্রেসের অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে একটি পোস্ট ঘিরে এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, নিজের শত্রুদের চোখে চোখে রাখতে হয়। এই প্রবাদ নিয়ে মোদি একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন। এই বক্তব্যটির নীচে দেওয়া হয়, হ্যাশট্যাগ পেগাসাসস্নুপগেট। টুইটটির সঙ্গে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। ছবির পাশে লেখা হয়েছে, আপনি ক্রোনোলজিটা বুঝুন। পেগাসাসে গুপ্তচরবৃত্তির লক্ষ্য। কে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো। কখন? ২০২১। কেন? পশ্চিমবঙ্গের ভোটের সময়। তার নীচে মন্তব্য, মোদি সরকারের নিরাপত্তাহীনতার শেষ নেই।PM Modi took the adage, keep your enemies closer a little too far. #PegasusSnoopgate pic.twitter.com/YfaIP2rH44 Congress (@INCIndia) July 25, 2021ইতিপূর্বে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন প্রকাশ্যেই। এ বার নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে অভিষেকের ছবি দিয়ে ফোনে আড়িপাতার ঘটনায় মোদি সরকারে বিরুদ্ধে সরব হয়ে এআইসিসি মমতাকে জোটের বার্তা পাঠিয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। উল্লেখ্য, সোমবার দিল্লি রওনা হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। চার দিনের দিল্লি সফরে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ২০২৪ সালের ভোট নিয়ে আলোচনাও হতে পারে তাঁর। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর ফোনে আড়িপাতার ঘটনা নিয়ে সরব হয়ে কৌশলেই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে আলোচনায় বসার বার্তাই পাঠিয়েছেন বলে মত অনেকের। তবে এই প্রতিবাদকে কংগ্রেসের তৃণমূলের প্রতি জোটবার্তা বলে মানতে চাননি রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব বিরোধী কোনও নেতার ফোনে আড়িপাতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই পারে। শুধুই অভিষেকই নয়, দেশের অনেক বিরোধী নেতা আছেন যাঁদের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ উঠেছে। শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নন, দেশের বহু উল্লেখ্যযোগ্য মানুষের ফোনেও আড়ি পাতা হয়েছে। সবার আগে পুরো বিষয়টির তদন্ত হওয়া দরকার।এই ঘটনায় কংগ্রেস সার্বিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। এবং তা কোনও বিশেষ দলের জন্য নয়। প্রতিবাদ মানে এই নয় যে, কোনও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-meeting: দিল্লি সফরের আগেই মন্ত্রিসভার বৈঠক মমতার

তৃণমূলের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দিল্লিতে তৃণমূলের চেয়ারপার্সন হিসেবে প্রথম বৈঠকে থাকবেন তিনি। ওই দিনই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা। অন্যদিকে, দিল্লি যাওয়ার আগে তড়িঘড়ি সোমবারই মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, দিল্লি সফরের আগে সোমবার মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই দিন কলকাতার ও আশেপাশের জেলার মন্ত্রীদের বৈঠকে থাকতে বলা হয়েছে। এই বৈঠকটি ২ অগস্ট হওয়ার কথা ছিল। তবে তড়িঘড়ি বৈঠক কেন সে ব্যাপারে মন্ত্রীদের জানায়নি মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়। শোনা যাচ্ছে, সোমবার কোনও বড় ঘোষণা করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হবে। আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুপ্রধানমন্ত্রী সাক্ষাতের সময় দিয়েছেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বুধবার দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ওই দিনই তৃণমূলের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে প্রথম বৈঠকেও থাকবেন তিনি। উল্লেখ্য, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে দ্রুত মোদি বিরোধী জোট গঠনের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার, দিল্লি সফরে একাধিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক হতে চলেছে তাঁর। চব্বিশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এবার থেকে একের পর এক কর্মসূচি আগামি দিনে মুখ্যমন্ত্রী নেবেন বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

জুলাই ২৫, ২০২১
রাজ্য

HS -Protest: বিক্ষোভের জের, মহুয়া দাসকে নবান্নে তলব

শহর কলকাতা থেকে জেলা, উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করেও পাশের দাবিতে রাজ্যজুড়ে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ জারি রয়েছে গত দুদিন। এই আবহে এদিন সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারশনিবার সকাল থেকেই দফায় দফায় উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের অফিসের সামনে চলে বিক্ষোভ। কখনও বিক্ষোভ দেখায় উত্তর ২৪ পরগনা আমডাঙা ব্লক থেকে আসা স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা।এ দিন বিকেলেই উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাসকে নবান্নে তলব করেন মুখ্যসচিব এইচকে দ্বিবেদী৷ কেন এত সংখ্যক ছাত্রছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করল, সংসদ সভানেত্রীর কাছ থেকে সেই ব্যাখ্যাই চাওয়া হয়েছে বলে খবর৷ মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাস ছাড়াও শিক্ষা দপ্তরের সচিব মণীশ জৈনও উপস্থিত ছিলেন৷চাপের মুখে এ দিনই বেশ কিছু স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের ডেকে পাঠিয়েছিল সংসদ৷ বিকেলে সংসদের তরফে জানানো হয়, ফেল করা ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে৷ অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রীদের তালিকা এবং একাদশ শ্রেণিতে তাদের প্রাপ্ত নম্বরের তালিকা জমা দেওয়ার জন্যও প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷আরও পড়ুনঃ টেস্ট দলের দরজা খুলে গেল সূর্যকুমারের সামনেএ বারের উচ্চ মাধ্যমিকে প্রায় ১৮ হাজার ছাত্রছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে৷ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে ছাত্রছাত্রীরা৷ বিক্ষোভ হয়েছে সংসদের সদর দপ্তরের সামনেও৷ এত সংখ্যক ছাত্রছাত্রী কেন ফেল করল, আগেই শিক্ষা দপ্তরের তরফে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কাছে সেই জবাবদিহি চাওয়া হয়েছিল৷ এবার বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করল নবান্নও৷আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরস্কুলের প্রধান শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, পরীক্ষা না হওয়ায় একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির নম্বরের ভিত্তিতে উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন হয়েছে৷ এই মূল্যায়ন পদ্ধতিতে গরমিলের জেরেই ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে মত প্রধান শিক্ষকদের একাংশের৷ সংসদের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়েও নবান্নের বৈঠকে সংসদ সভানেত্রীর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলেই খবর৷

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজনীতি

Rajyasabha: রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

রাজ্যসভার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাক্তন আমলা ও প্রসারভারতীর প্রাক্তন সিইও রাজ্যসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হচ্ছেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস টুইট করে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এর আগে কে প্রার্থী হবেন তা নিয়ে অনেকের নাম নিয়েই জল্পনা চলছিল। যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায়ের নাম নিয়ে যথেষ্ট গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল।নাম ঘোষণার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জহর সরকার। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, এটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য। আমার ৪২ বছরের সরকারি চাকরি জীবনে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না, এখনও নেই। তবুও আমাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।We are delighted to nominate Mr. @jawharsircar in the Upper House of the Parliament.Mr. Sircar spent nearly 42 years in public service was also the former CEO of Prasar Bharati. His invaluable contribution to public service shall help us serve our country even better! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) July 24, 2021নির্বাচন কমিশন গত ১৬ জুলাই এরাজ্যে রাজ্যসভার একটি আসনে ভোটের দিন ঘোষণা করেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ২৯ জুলাই। ভোটগ্রহণ ৯ অগাস্ট। দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে নির্বাচন হবে। কিন্তু এখনও মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভার আসনেের ভোটের দিন ঘোষণা হয়নি।তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী পদত্যাগ করায় এরাজ্য থেকে একটি আসন শূন্য হয়। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। সেই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল। যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায়ের নাম নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rahul : মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতার

নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অঙ্গদানের প্রতিশ্রুতি নিলেন তিনি। আজ সকালেই নিজের ফেসবুক মারফৎ এই খবরটা সকলকে জানান তিনি। সেখানে শংসাপত্রের ছবি পোস্ট করেছেন রাহুল। ক্যাপশনে লিখেছেন জীবনে কারও তো কোনও কাজে লাগিনি...। রাহুলের এই উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনরা ।জানানো হয়েছে, অঙ্গদান করে জীবন বাঁচানোর শপথ নিয়েছেন রাহুল। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে পিডিএফ ফরম্যাটে তিনি নিজের ই-কার্ড পেয়ে যাবেন। সেই নথি তিনি পিডিএফ ফরম্যাট বা প্রিন্ট আউট, যে কোনও ভাবে নিজের কাছে রাখতে পারবেন। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, রাহুলের মৃত্যুর পর তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিজন সিদ্ধান্ত নেবেন অঙ্গদানের বিষয়ে। রাহুলকে অনুরোধ করা হয়েছে তাঁর সংকল্পের কথা পরিবার পরিজনকে জানিয়ে রাখতে। পাশাপাশি, কার্ডটি সবসময় তাঁর নিজের কাছে রাখার জন্যও বলা হয়েছে। রাহুল বর্তমানে দেশের মাটি ধারাবাহিকের সঙ্গে যুক্ত। এই ধারাবাহিকে রাজার চরিত্র করছেন তিনি। যে চরিত্রটি দর্শকদের একটি প্রিয় চরিত্র হয়ে উঠেছে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pritha : অনিন্দ্য ব্যানার্জির শর্ট ফিল্মে বিশেষ‌ চরিত্রে পৃথা

অভিনেতা ও পরিচালক অনিন্দ্য পুলক ব্যনার্জি তাঁর নতুন শর্ট ফিল্ম কোভেট লেটারের শুটিং শেষ করলেন। এই শর্ট ফিল্মটি প্রযোজনার দায়িত্ব সামলেছেন পম্পা ব্যানার্জি ও চন্দ্রজিৎ চ্যাটার্জি। মিউজিক করেছেন চিরন্তন ব্যানার্জি। ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন রাজা ব্যানার্জি। এই সিনেমায় একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী পৃথা সেনগুপ্ত কে।আরও পড়ুনঃ কত বেতন পান অনুষ্কার দেহরক্ষী?অনিন্দ্য দার পরিচালনায় অভিনয় করার সুযোগ পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত পৃথা। আজ কোভেট লেটারের ডাবিং শেষ হল। ডাবিং এর পর উপটেমো স্টুডিও থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করেন কলাকুশলীরা। ফেসবুকে পৃথা লেখেন, উপটেমো স্টুডিওতে কোভেট লেটারের দারুণ একটা ডাবিং সেশন হল। পম্পা ব্যানার্জি লেখেন,দ্বিতীয় দিনের ডাবিং। কাজটা মজার যখন তোমার টিমটা দুর্দান্ত হবে তখনই।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Utsoshree: শিক্ষকদের মমতার উপহার 'উৎসশ্রী' আসলে কী? জানুন

রাজ্যের শিক্ষকদের কথা ভেবে এবার মুখ্যমন্ত্রী উপহার উৎসশ্রী। রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবার নতুন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত যে শিক্ষকরা বদলি চান, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্পের সূচনা বলেন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এই নতুন প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে উৎসশ্রী। এই প্রকল্পের সাহায্যে কোনও শিক্ষক যদি বাড়ির কাছাকাছি বদলি চান, তবে আবেদন জানাতে পারেন। যদিও সবাই মিলে একসঙ্গে বদলি চাইলে সেই দাবি পূরণ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেন মমতা।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতারের পর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট দিলেন শিল্পামুখ্যমন্ত্রীর কথায়,উৎসশ্রী প্রকল্পটা মূলত শিক্ষকদের জন্য। যারা হয়তো নিজের জেলায়, বা বাড়ির সামনে বদলি চায় তাঁদের জন্য। তবে একটা স্কুলের ১০ জন শিক্ষকের মধ্যে ১০ জনই যদি একই জায়গায় বদলি চায় সেটা দেওয়া সম্ভব হবে না। কিন্তু এটা যেভাবে হোক অ্যাডজাস্ট করে আমরা করে দেব। এই বিষয়ে রাজ্যের একটা নীতি আমরা আগেই বলেছিলাম। শিক্ষকদের যাতে অনেক দূরে যেতে না হয়, যতটা কাছাকাছি তাদের পোস্টিং করা যায়, সেই চেষ্টা আমরা করব।বদলির আবেদন জানানোর জন্য উৎসশ্রী নামের একটি পোর্টাল তৈরি করা হচ্ছে বলে এ দিন ঘোষণা করেন মমতা। সেই পোর্টালে শিক্ষকরা নিজেরাই বদলির আবেদন জানাতে পারবেন। সেটা দেখার পর রাজ্য সরকার এবং শিক্ষা দপ্তর বদলির বিষয়ে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু এই পোর্টালের নাম উৎসশ্রী কেন? ব্যাখা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এটা শিক্ষার ব্যাপার। এবং শিক্ষা সমস্ত কিছুর উৎস, এবং উৎস সবকিছুর শ্রী-বৃদ্ধি করে, তাই এটার নাম দেওয়া হয়েছে উৎসশ্রী।

জুলাই ২৩, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: রাজভবনে স্পিকারকে তলব রাজ্যপালের

বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য উদ্যোগী হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মূলত ধনখড়ের উদ্যোগেই এই সাক্ষাৎ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টে নাগাদ তাঁদের দুজনের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার সকালে এ বিষয়ে টুইট করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার স্পিকার শ্রী বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার রাজভবনে বিকেল চারটের সময় দেখা করবেন রাজ্যপাল শ্রী জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে। রাজ্যপালের উদ্যোগেই এই সক্ষাৎ হতে চলেছে। হঠাৎ করে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন কেন রাজ্যপাল, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।West Bengal Legislative Assembly Speaker Shri Biman Banerjee will call on Governor West Bengal Shri Jagdeep Dhankhar at Raj Bhawan Kolkata today at 4 PM.Scheduled interaction is at the initiative of Governor. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) July 23, 2021উল্লেখ্য, স্পিকারের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত জুনে সরাসরি তাঁকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল পদের অপমান করেছেন স্পিকার। শুধু তাই নয়, বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতে তাঁর ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করা হল কেন, স্পিকারকে চিঠিতে সে কথাও উল্লেখ করেছিলেন রাজ্যপাল। তখন তিনি বলেছিলেন, বিধানসভায় আমার ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। যা জরুরি অবস্থার সামিল। রাজ্যপালের সঙ্গে স্পিকারের স্ংঘাত-এর যে আবহ তৈরি হয়েছিল, তার পর শুক্রবার হঠাৎ করে এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Sand Mine: বালি খাদান নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের বালি খাদান নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটপর্বে বিরোধীদের অন্যতম ইস্যু ছিল কয়লা-বালি পাচার-চুরির অভিযোগ। এনিয়ে শাসকদলের একাধিক নেতাকে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। তাই এবার শক্ত হাতে রাশ টানার উদ্যোগ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বালি খাদান নীতির কেন্দ্রীয়করণের কথা ঘোষণা করলেন। পাশাপাশি কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়ে দিলেন, স্থানীয় সম্পদ লুঠ করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছেন প্রণতি নায়েক, সুতীর্থা মুখার্জিরা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় আমাদের কাছে অভিযোগ আসে। বহুদিন ধরে চেষ্টা করেও কিছু স্থানীয় মাফিয়ার জন্য এটা করা যাচ্ছিল না। বালি, কয়লা, সুরকি, পাথর এগুলি প্রাকৃতিক সম্পদ, রাজ্যের সম্পদ। এগুলি জেলাশাসক স্থানীয়স্তরে নিলাম করলে বা পাঁচ বছরের জন্য যদি কাউকে দেন তাহলে তাঁর যতটা নেওয়ার কথা তার চার গুণ নিয়ে পালিয়ে যায়। এর জেরে প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট হয়, পরিবেশের ক্ষতি হয় এবং সরকারের রোজগারও কমে যায়। তাই আমরা মিনারেল মাইনিং কর্পোরেশনকে শক্তিশালী করছি। জেলাশাসকদের হাতে আগে নিলাম করার দায়িত্ব ছিল। সেখান থেকে ওটা সরিয়ে নিয়ে এবার মিনারেল মাইনিং বোর্ডের কাছে দেওয়া হচ্ছে। চিফ ও ফাইনান্স সেক্রেটারি এর তদারকি করবেন। সিসিটিভি থেকে শুরু করে ডিজিটাল যা যা সিস্টেম আছে সব করা হবে। যাতে আগামী দিনে সকলেই মনে রাখে স্থানীয় সম্পদ লুঠ করা যাবে না।তিনি আরও বলেন, বালি প্রাকৃতিক সম্পদ। রাজ্যের সম্পদ। মাটি-সুরকি রাজ্যের সম্পদ। কয়লা কেন্দ্রীয় সরকারের আওতায়। কিন্তু, ওরা দোষ দিয়ে বেড়ায় অন্য লোকের। সিআইএসএফকেও একটু শক্তভাবে বিষয়টা দেখতে হবে। আমাদের আইন-শৃঙ্খলার মধ্যে যতটা পড়বে আমরা করব। এখন থেকে শক্ত হাতে বিষয়টাকে ধরার চেষ্টা করছি। জনগণের জন্য ফোন নম্বর দিয়ে দেওয়া হবে। যদি দেখেন কেউ আপনার এলাকায় এসব করে খাচ্ছে, সোজা অভিযোগ জানান। সেই অনুয়ায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তা সেই কোনও আধিকারিক হোক বা রাজনৈতিক নেতা বা কোনও কর্মচারী।

জুলাই ২২, ২০২১
দেশ

Dainik Bhaskar: কর ফাঁকির অভিযোগে 'দৈনিক ভাস্কর'-এ আয়কর হানা

ফের গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের চেষ্টা। এবার একটু অন্যরকমভাবে। কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে দৈনিক সংবাদপত্র দৈনিক ভাস্কর-এর একাধিক অফিসে হানা দিলেন আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার দিল্লি, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, রাজস্থানের জয়পুর, গুজরাতের আমদাবাদ-সহ পত্রিকার বেশ কয়েকটি অফিসে হানা দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। টুইট করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।The attack on journalists media houses is yet another BRUTAL attempt to stifle democracy.#DainikBhaskar bravely reported the way @narendramodi ji mishandled the entire #COVID crisis and led the country to its most horrifying days amid a raging pandemic. (1/2) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) July 22, 2021প্রসঙ্গত, কোভিড দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে দেশ জুড়ে চরম অব্যবস্থা নিয়ে লাগাতার লেখালেখি চলেছিল দৈনিক ভাস্কর-এ। বিরোধীদের দাবি, সরকারি তরফে সে সময়ে যা যা দাবি করা হয়েছিল, সেই সব দাবিকে খণ্ডন করে সত্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল এই সংবাদপত্র। তার জেরে সরকারের অস্বস্তি বেড়েছিল বলে দাবি তাঁদের। দৈনিক ভাস্করের অফিসে আয়কর দপ্তরের হানা দেওয়া প্রসঙ্গে টুইটারে মমতা লেখেন, দেশের সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যমগুলির উপর আক্রমণ গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধেরই প্রচেষ্টা। অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যর্থতাই তুলে ধরেছিল দৈনিক ভাস্কর। পরে আরও একটি টুইটে তিনি লেখেন, যারা সত্য তুলে ধরছে, তাদের মুখ বন্ধ করার এই প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করছি। মিডিয়ার সঙ্গে যুক্তদের বলব, আপনারা শক্ত থাকুন। আমরা একসঙ্গে থাকলে স্বৈরাচারি শক্তি কোনও দিনই জিততে পারবে না।

জুলাই ২২, ২০২১
কলকাতা

United India: শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে 'ইউনাইটেড ইন্ডিয়া'র ডাক

শহিদ দিবসে তৃণমূল নেত্রীর বার্তা শোনাতে দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানো হয়েছিল। সেই হলে এদিন অভিনব বিরোধী জোটের সাক্ষী রইল গোটা দেশ। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা শুনতে দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা তথা দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম, দিগ্বিজয় সিং, এনএসপি প্রধান শরদ পওয়ার, নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে, সমাজবাদি পার্টি নেত্রী জয়া বচ্চন। উপস্থিত ছিলেন রামগোপাল যাদব, ত্রিরুচি শিবা, কেশব রাও (টিআরএস), সঞ্জয় সিং, মনোজ ঝাঁ, প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী (শিব সেনা), বলবিন্দর সিং ভাণ্ডারি (অকালি দল)। রাজনৈতিক মহল বলছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী জোটের সলতে এদিন পাকিয়ে ফেলল তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ লন্ডনের পর্ন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাজ কুন্দ্রা!শহিদ দিবসের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান থেকে অবিজেপি নেতাদের তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, বাংলা দেখিয়েছে। সব রাজ্যকে বলছি, যান নিজেদের দলকে বোঝান। সবাই মিলে ফ্রন্ট বানান। রোগী মৃত্যুর পর ডাক্তার এলে কোনও লাভ হয় না। এখন আর সময় নেই। আমি দিল্লি যাচ্ছি। ২৬, ২৭, ২৮ এর মধ্যে কোনও মিটিং ডাকতে পারলে ডাকুন। সবাইকে মিলিয়ে আমরা ইউনাইটেড ইন্ডিয়া করতে চাই। এমনকী, জাতীয়স্তরে বিজেপি বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলারও ডাক দিয়েছেন তিনি। এদিন তিনি আরও বলেন, উন্নততর তৃণমূল গড়তে হবে। তবেই উন্নততর দেশ গড়তে পারব। তৃণমূল নেত্রীর কথায়, নির্বাচনের আগে আড়াই বছর এখনও বাকি।ভোটের আগে জোট বেঁধে লাভ হবে না। আমাদের এখন থেকেই জোট বাঁধতে হবে। ভারতবাসীকে আলো দেখাতে হবে।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

Khela Hobe Diwas: ২৪-এর লক্ষ্যে রাজ্যে রাজ্যে 'খেলা দিবস' উদযাপন

খেলা এখনও শেষ হয়নি। বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে না সরানো পর্যন্ত খেলা চলবে। একুশের মঞ্চ থেকে জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘোষণা করলেন, ১৬ অগস্ট উদযাপিত হবে খেলা হবে দিবস হিসেবে। বাংলায় ভোটে খেলা হবে স্লোগান দিয়েছিল তৃণমূল। সেই খেলায় জয় হয়েছে নেত্রীর। তবে খেলা এখনও শেষ হয়নি। ২৪-র লক্ষ্য বেঁধে দিলেন মমতা। তাঁর কথায়,খেলা হবে। খেলা একটা হয়েছে। ৫ মে যার রেজাল্ট আপনারা দেখতে পেয়েছেন। খেলা আবার হবে। যত দিন বিজেপিকে ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত না করতে পারি ততদিন রাজ্যে রাজ্যে খেলা হবে। খেলা হবে বুথে বুথে। সমস্ত জায়গায় খেলা হবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?খেলা হবে দিবস উদযাপনের কথা বিধানসভায় জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন দিনক্ষণ বলে দিলেন। মমতা জানান,পশ্চিমবঙ্গে খেলা হবে দিবস আমরা পালন করব। ১৬ অগস্ট পালিত হবে। ওই দিন আমরা যে যেখানে পারব কিছু ফুটবল দেব। যারা এই সব নিয়ে খেলাধুলো করবে। খেলা ছাড়া জীবন গড়ে ওঠে না। খেলা সুস্থ, সভ্য, মানবিক সংস্কৃতির প্রতীক। আজ আমাদের দেশের স্বাধীনতা বিপদে। এদিকে মমতার ঘোষণার পরই তাঁকে নিশানা করে বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর কালো অধ্যায়কে মনে করান। টুইটে স্বপন দাশগুপ্ত লেখেন, ১৬ অগস্টকে খেলা হবে দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৪৬ সালে এই দিনেই মুসলিম লিগ তাদের ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে এবং গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং শুরু করেছিল। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে খেলা হবে স্লোগান বিরোধীদের উপর অত্যাচারের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

জুলাই ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ritwik: ঋত্বিককে কটূক্তির প্রতিবাদ করলেন রাহুল

সোশ্যাল মিডয়ায় ট্রোল করার বিরুদ্ধে সংক্ষিপ্ত অথচ তীব্র প্রতিবাদ জানালেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন গ্রুমিংয়ের ঋত্বিক প্রয়োজন। রাহুলের পোস্টে সহমত নেটিজেনরা।ছবিটিতে এখনও অবধি ভাললাগা, ভালবাসার প্রতিক্রিয়া ছাপিয়ে গিয়েছে ২৯ হাজার। মন্তব্য এসেছে অসংখ্য। তার মধ্যেই জনৈক নেটিজেন লিখেছেন, আপনার অভিনয় খুবই ভাল লাগে। কিন্তু আপনার একটাই সমস্যা আপনি নিজের গ্রুমিংয়ের প্রতি একটু খেয়াল রাখলে ব্যাপারটা আরও ভাল হত। হয়তো আপনার মনে হয় যে গ্রুমিংয়ের দরকার নেই । সেটা ভুল, গ্রুমিংয়েরও দরকার আছে বস!কিন্তু সায়নী রায় নামের ওই নেটিজেন ঋত্বিককে ট্রোল করতে এসে নিজেই ট্রোলড হয়ে গেলেন । তাঁর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন ইমোজিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা। এসেছে পাল্টা উত্তরও। চুপ করে থাকেননি ঋত্বিক নিজেও। বলেছেন, গ্রুমিং মানে আমার অভিনয় অভিজ্ঞতা, উচ্চারণ, মানুষকে দেখা শেখা বোঝা জানা, এগুলো নিয়ে বলছেন, নাকি ত্বক চুল পেশি নিয়ে বলছেন সেটা তো বলুন। একটু শিখে নিই এই সুযোগে। নিজের গ্রুমিং বলতে ঠিক কী?-ট্রোলারের কাছেই জানতে চেয়েছেন অভিনেতা। ঋত্বিকের এই মন্তব্যে সমর্থন, ভালবাসা ও হাসির ইমোজি দিয়েছেন ৮৭৫ জন নেটিজেন।আরও পড়ুনঃ কত বেতন পান অনুষ্কার দেহরক্ষী?ঋত্বিক একা নন। নেটিজেনরাও সায়নীর কাছে জানতে চেয়েছেন, তিনি গ্রুমিং বলতে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন? কেউ লিখেছেন, ঋত্বিকেরও গ্রমিং দরকার? এও দেখতে হচ্ছে! ফেলুদাভক্ত কোনও রসিকের মন্তব্য, ঋত্বিকের মতো অভিনেতার গ্রুমিং দরকার যিনি বলছেন, তাঁকে কাল্টিভেট করা প্রয়োজন! তাঁর মতো অধিকাংশ নেটিজেনই সহমত, গ্রমিং আবার কী! এলোমেলো ভাব-সহ বলিষ্ঠ অভিনয়টাই ঋত্বিক চক্রবর্তী।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজনীতি

CM Speech: মমতার একুশের বার্তা শুনবে ৭ রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী একুশের বার্তা শুনবে ৭ রাজ্য। বিধানসভা নির্বাচনে ল্যান্ডস্লাইড ভিকট্রি পাওয়ার পর প্রথম শহিদ দিবস পালন হতে চলেছে। তাও দিল্লির দরবার থেকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বার্তা প্রচার করবেন। এবারের কর্মসূচির একটা অন্যতম আকষর্ণ ভিনরাজ্যে মমতার ভাষণের সরাসরি সম্প্রচার। দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবের পাশাপাশি গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, অসম, ত্রিপুরা, তামিলনাড়ু, ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন এলাকায় তার সম্প্রচার হবে। আরও পড়ুনঃ আজ থেকে শুরু উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউসূত্রের খবর, গুজরাতের ৩২টি জেলায় ৫০টি স্ক্রিন বসানোর কথা হয়েছে। প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, এবার বিধানসভা ভোটে বড় সাফল্যে পর স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের বাইরে নেত্রীর ভাষণ শুনতে চাইছেন অসংখ্য মানুষ। এছাড়া অবিজেপি রাজ্যে গিয়ে মমতার কর্মসূচি নিয়েও একপ্রস্থ আলোচনা সারা। একুশের কর্মসূচির কদিন পরই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। বাদল অধিবেশন চলছে এখন। ফলে এ সময় মমতাকে ঘিরে আলাদা আকর্ষণ তৈরি হবে। তিনি নিজেও জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। পাশাপাশি অবিজেপি দলগুলির নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠকের পরিকল্পনা সামনে এসেছে। ফলে হাইভোল্টেজ সফর। তার আগে দিল্লির উদ্দেশে মমতার বার্তা চূড়ান্ত উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে কর্মীসমর্থকদের মধ্যে।

জুলাই ১৯, ২০২১
কলকাতা

Lathicharge: নিয়োগপত্র হাতে বিক্ষোভ চাকরিপ্রার্থীদের, লাঠিচার্জ পুলিশের

পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরির দাবিতে ভবানী ভবনের সামনে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ। বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ বিক্ষোভ শুরু হয়। নিয়োগপত্র হাতে নিয়েই বিক্ষোভে সামিল হন চাকরিপ্রার্থীরা। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন ডিসি সাউথ আকাশ মাঘারিয়া। এরপরেও চলে বিক্ষোভ। রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তরের সামনে এ ধরনের বিক্ষোভ কার্যত নজিরবিহীন। প্রায় দু ঘণ্টা পর পুলিশ বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়।আরও পড়ুনঃ আজ শুরু বাদল অধিবেশন, নজরে একাধিক ইস্যুবিক্ষোভকারীদের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও চাকরির ব্যবস্থা হচ্ছে না। অনেকের কাছেই নিয়োগপত্র রয়েছে বলেও তাঁদের দাবি। তারপরও নিয়োগ আটকে রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, করোনার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন পিছিয়ে গিয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে যোগদানের তারিখ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া পিছিয়ে গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের অনেকেই চাকরি ছেড়ে চাকরির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু নিয়োগ পিছিয়ে যাওয়ায় তাঁরা সবাই এখন কর্মহীন। ফলে প্রচুর সমস্যায় পড়েছেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এ ব্যাপারে তাঁদের জানানো হোক। চাকরি প্রার্থীর সংখ্যা ৬,৫৮৮। এরমধ্যে ১৮০০ প্রার্থী ইতিমধ্যেই কাজে যোগদান করেছেন। তাঁরা নিয়োগ নিয়ে বিবৃতি দাবি করেছেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের প্রথমে বোঝানোর চেষ্টা করে। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের পাঁচ জন প্রতিনিধিকে আলিপুর থানায় নিয়ে গিয়ে আলোচনা করছে পুলিশ।। পুলিশের তরফে বারবার বিক্ষোভকারীদের সতর্কও করা হয়। কিন্তু তাঁরা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে বলে খবর।

জুলাই ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mosharraf Karim : বড়সড় সমস্যায় মোশাররফ করিম সহ আরও অনেকে

মোশাররফ করিম। বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তাঁর অভিনয় ভালবাসেন না এরকম মানুষ খুব কমই আছেন, তিনি এপার বাংলাতেও বেশ জনপ্রিয়। সেই মোশাররফ করিম এবার বড়সড় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। তবে তিনি শুধু একাই নন। সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকটেলিভিশন শো-তে আইনজীবীদের নিন্দনীয় ভাবে উপস্থাপন করার অভিযোগ। অভিনেতা মোশাররফ করিমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কুমিল্লায় মামলা দায়ের। রবিবার বিকেলে কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৬নং আমলি আদালতে এই মামলা দায়ের হয়। জেলার বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম হোসাইনী মামলা দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংমামলাকারীর অভিযোগ, বৈশাখী টেলিভিশনে সম্প্ররচারিত হাই প্রেসার-২নামের একটি নাটক। যেখানে আইনজীবীদের হেয় প্রতিপন্ন করে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই কারণে নাটকের অভিনেতা ও বৈশাখী টেলিভিশনের সিইও-সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনতিনি আরো জানিয়েছেন, গত ৯ জুলাই আচমকা নাটকটি তাঁর নজরে আসে। নাটকের বেশ কিছু সংলাপ আপত্তিকর ছিল। ৩৫-৫০ মিনিট এবং এক ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ২২ মিনিটের দৃশ্যে আপত্তিকর ছিল। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। তাঁদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আইনজীবীদের পরামর্শে তিনি মামলা দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজ শুনানি: এবার আদালতেরও আশ্রয় নেব, বললেন শুভেন্দুমোশাররফ করিম ছাড়া মামলা হয়েছে অভিনেতা জামিল হোসেন, ফারুক আহমেদ, হাই প্রেসার-২ নাটকের পরিচালক আদিবাসি মিজান এবং বৈশাখী টেলিভিশনের সিইওর বিরুদ্ধে। অভিযোগের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ১৮ অগস্ট আদালতে পেশ করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

জুলাই ১৯, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Bannerjee: কলার টিউনে 'বাংলার যুবরাজ'

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বাংলার যুবরাজ গানটি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীদের আক্রমণ উপেক্ষা করে দলকে জয় ছিনিয়ে এনে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই ভূমিকাকেই গানের আকারে ছড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। এবার সেই গানকেই কলার টিউন করে বাজারে ছাড়া হল। আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রদেশবাসীর কাছে সহজেই এই গান কলার টিউন হিসেবে পৌঁছে দিতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মোবাইল ফোনের যে কোনও নেটওয়ার্ক ইউজাররাই কলার টিউন হিসেবে গানটি ব্যবহার করতে পারবেন। বিভিন্ন অ্যাপ থেকে কলাজ টিউনটি ডাউনলোড করা যাবে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 69
  • 70
  • 71
  • 72
  • 73
  • 74
  • 75
  • ...
  • 93
  • 94
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬
কলকাতা

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু ঘিরে নতুন রহস্য! মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ঋতব্রতর, উঠল টেন্ডার-হুমকির প্রশ্ন

বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু ঘিরে রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। রবিবার তাঁর কার্যালয় থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিঠিও পাওয়া গিয়েছে। সেই চিঠিতে নিজের রাজনৈতিক জীবন, দুর্নীতি থেকে দূরে থাকার দাবি এবং তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের প্রসঙ্গ রয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও তদন্তসাপেক্ষ।আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর হাতে লেখা চিঠিতে জানিয়েছেন, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদকও হয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ছাত্রজীবন বা দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোনও দুর্নীতির সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। কোনও কাজের বিনিময়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন। পাশাপাশি দলীয় নানা বিষয়ে আপত্তি থাকলেও সব সময় প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারেননি বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।ওই চিঠিতেই তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের প্রসঙ্গ থাকায় মৃত্যুর নেপথ্যে ওই সংস্থার কোনও বিষয় রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এই মুহূর্তে এমন কোনও যোগের বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মতো তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্তের পরেই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।এর মধ্যেই সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখে ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আসল তৃণমূল-এর বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আশঙ্কা, তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের টেন্ডারকে কেন্দ্র করে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর কোনও ধরনের চাপ বা হুমকি তৈরি হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।চিঠিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু একাধিক অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশেষ করে উন্নয়ন নিগমের টেন্ডার নিয়ে তাঁকে কোনও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা দরকার বলে দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগম-সহ অন্যান্য উন্নয়ন পর্ষদে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন ঋতব্রত।আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে হেনস্তা করা হয়েছিল কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, মৃত্যুর আগে আশিসের লেখা চিঠিতে যেহেতু উন্নয়ন নিগমের প্রসঙ্গ রয়েছে, তাই ওই সংস্থার টেন্ডার সংক্রান্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা জরুরি।ফলে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় এখন একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। শেষ চিঠিতে কেন তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের প্রসঙ্গ এল, টেন্ডার নিয়ে তাঁর উপর কোনও চাপ তৈরি হয়েছিল কি না এবং তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই বিষয়গুলির আদৌ কোনও যোগ রয়েছে কি নাসবই তদন্তের বিষয়। আপাতত এই প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি। তদন্ত এগোলেই মৃত্যুর নেপথ্যের প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হতে পারে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬
রাজ্য

তারাপীঠের হোটেলে ভয়াবহ আগুন, ঘুমের মধ্যেই ৯ জনের মৃত্যু! শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

তারাপীঠের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বীরভূমে এই ঘটনায় প্রাণহানিতে তিনি গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের স্থানীয় প্রশাসন সাহায্য করছে বলেও জানানো হয়েছে।সোমবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ তারাপীঠের একটি হোটেলে আচমকা আগুন লাগে। সেই সময় অধিকাংশ অতিথিই ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়েছেন আরও কয়েক জন। প্রাথমিক তদন্তে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল, পুলিশ এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। উদ্ধারকাজের পাশাপাশি হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি কী ভাবে ঘটল এবং নিরাপত্তার কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান রাজ্যের দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বর্ধমান রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক, জেলা পুলিশ সুপার, জেলাশাসক এবং পুলিশ, প্রশাসন ও দমকলের আধিকারিকেরা। সেখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভিডিয়ো কলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।এর পরেই দমকল প্রতিমন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে মোট ৯ লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। মৃতদের ক্ষেত্রে ৪ লক্ষ টাকা জেলাশাসকের তহবিল থেকে এবং ৫ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে দেওয়া হবে।তারাপীঠের এই মর্মান্তিক ঘটনায় মৃত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।হঠাৎ আগুন লাগার পর ঘুমন্ত অবস্থায় এত মানুষের মৃত্যু কী ভাবে হল, হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না এবং শর্ট সার্কিটই আগুনের একমাত্র কারণ কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তদন্তের পরই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গল টেস্টে ভয়াবহ মুহূর্ত! রাহুলের শটে হেলমেটে বল, হাসপাতালে শ্রীলঙ্কার ওপেনার

ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই গলে তৈরি হল উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কেএল রাহুলের জোরালো সুইপ শটের বল সরাসরি গিয়ে আঘাত করল শ্রীলঙ্কার ওপেনার নিশান মধুশকার হেলমেটে। শর্ট লেগে ফিল্ডিং করার সময় এই আঘাত পান তিনি। ঘটনার পর দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও। কনকাশন পরীক্ষা করার পর মধুশকাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দশম ওভারে। প্রভাত জয়াসূর্যের করা ওভারের পঞ্চম বলটি রাহুল সুইপ করেন। বলটি ব্যাটের মাঝখান থেকে প্রচণ্ড গতিতে শর্ট লেগ অঞ্চলের দিকে ছুটে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মধুশকা বিপদ বুঝে দ্রুত মাথা নিচু করার চেষ্টা করলেও বলের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই বলটি তাঁর হেলমেটের মাঝামাঝি অংশে সজোরে আঘাত করে।আঘাতের পর বলটি ফাইন লেগের দিকে চলে যায়। ফলে রান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভারতের ব্যাটাররা রান সম্পূর্ণ করেন। রাহুল অবশ্য প্রথমে রান নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না। কিন্তু নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা যশস্বী জয়সওয়াল ইতিমধ্যেই দৌড় শুরু করে দেওয়ায় রানটি সম্পূর্ণ করতে হয়। রান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধুশকার দিকে ছুটে যান রাহুল। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।এরপর দ্রুত মাঠে প্রবেশ করেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও এবং চিকিৎসাকর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মধুশকার কনকাশন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার পর তাঁকে আর মাঠে রাখা হয়নি। ফিজিওর সঙ্গে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁর চোটের প্রকৃতি বা গুরুতরতা এবং তিনি পরবর্তীতে এই টেস্টে ব্যাট করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।মধুশকার চোটের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মাথায় সরাসরি বল লাগার ঘটনায় ক্রিকেটে কনকাশন প্রোটোকল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, প্রথম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছে ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুলের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় দল। প্রথম উইকেটে দুজনে ৬৬ বলে ৪৭ রান যোগ করেন।তবে ১১তম ওভারের শেষ বলে ছন্দপতন ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন জয়সওয়াল। ৩৭ বলে ৩২ রানের ইনিংসে তিনি মারেন পাঁচটি চার।জয়সওয়াল ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন রাহুল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। দুজনেই ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। পাড়িক্কল আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করার পাশাপাশি রাহুলও নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। ফলে প্রথম সেশনেই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।লাঞ্চের সময় ২৭ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১০১ রান। একদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট, অন্যদিকে মধুশকার চোটপ্রথম দিনের প্রথম সেশন তাই দুই দলের জন্য দুই ভিন্ন ছবি তুলে ধরল। এখন সকলের নজর নিশান মধুশকার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী আপডেটের দিকে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শতবর্ষের ঐতিহ্যে দেশপ্রেমের আবহ, দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তিতে দেশপ্রেম ও ঐতিহ্যের আবহে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে। শতবর্ষ প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। পতাকা উত্তোলনের পর বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের অঙ্গীকারই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল বার্তাএমনই আহ্বান জানান তিনি।বিদ্যালয়ের বরিষ্ঠ শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, বিবিধের মাঝে মিলন মহানএই আদর্শকে সামনে রেখে দেশভাগ ও পরাধীনতার গ্লানি পেরিয়ে স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ঐক্য, সম্প্রীতি ও দেশাত্মবোধের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।অনুষ্ঠানের সূচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর উদয়পল্লীর বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। ত্রিবর্ণ পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মনীষীদের বাণী, দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পাঠের মাধ্যমে স্বাধীনতার ইতিহাস ও চেতনাকে তুলে ধরা হয়। শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডলের পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় অঙ্কন, প্রবন্ধরচনা, কুইজ, নৃত্য ও সঙ্গীত-সহ একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিক্ষিকা সুনীতা সাহার ব্যবস্থাপনা এবং দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রতিযোগিতাগুলিতে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় ছাত্রছাত্রীরা। কুইজে প্রথম স্থানাধিকারী দলের সদস্য সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী শ্রাবণী ভট্টাচার্য জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকায় বিদ্যালয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।এদিন নবম শ্রেণির ছাত্রীদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় দেওয়াল পত্রিকা স্পন্দন-এর বিশেষ রঙিন সংখ্যা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিশু সংসদের প্রধানমন্ত্রী, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সায়ন্তিকা কর্মকারের নেতৃত্বে মন্ত্রী ও সহকারীরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলায়।পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে। সবুজ ভলেন্টিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে ইকো ক্লাবের উদ্যোগে জাম গাছ রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।শেষপর্বে শিক্ষাকর্মী প্রদীপ বিশ্বাসের দায়িত্বে এবং তরুণ দাসের নেতৃত্বে উপস্থিত সকলের মধ্যে লুচি, মিষ্টি-সহ নানা খাবার বিতরণ করা হয়। স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশপ্রেম, সাংস্কৃতিক চেতনা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তাকে একসূত্রে বেঁধে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা শুধু একটি দিন নয়, বারবার ফিরে আসে—জয়ের পতাকায়, গৌরবের মুহূর্তে

স্বাধীনতাশব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭-এর সেই ঐতিহাসিক সকাল। দীর্ঘ পরাধীনতার অন্ধকার পেরিয়ে ভারতবর্ষ সেদিন পেয়েছিল নিজের আকাশ, নিজের পতাকা, নিজের পরিচয়। কিন্তু স্বাধীনতা কি কেবল একটি তারিখ? কেবল একটি দিনের উদ্যাপন? কেবল লালকেল্লার প্রাচীর থেকে ভেসে আসা ভাষণ, জাতীয় পতাকার উত্তোলন আর জাতীয় সঙ্গীতের গর্বিত সুর?না।স্বাধীনতা আসলে ফিরে ফিরে আসে।কখনও তা আসে একটি ক্রিকেট মাঠে, কখনও অলিম্পিকের ট্র্যাকের ওপর, কখনও হকির সবুজ ঘাসে, কখনও কোনও বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে, কোনও সুরকারের সুরে। কখনও আবার আসে এমন এক ভারতীয়ের চোখের জলে, যে নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের মঞ্চে উঠতে দেখে বুকের ভিতর অদৃশ্য এক ঢেউ অনুভব করে।১৯৮৩ সাল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের সামনে তখন দাঁড়িয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিল দেবের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলা সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের জয় ছিল না। তা ছিল আত্মবিশ্বাসের বিস্ফোরণ। সেদিন যেন ভারত বুঝেছিলআমরাও পারি। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরাও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের গল্প লিখতে পারি। ১৯৪৭-এ যে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল, ১৯৮৩-তে তার আত্মবিশ্বাস যেন আরও একবার স্বাধীনতার স্বাদ পেল।তারও বহু আগে, ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের হকিতে ভারত প্রথম সোনা জিতেছিল। ধ্যানচাঁদের জাদুকাঠিতে ভারতীয় হকি তখন বিশ্বকে দেখিয়েছিল এক অন্যরকম শিল্প। পরপর বহু অলিম্পিকের মঞ্চে ভারতীয় হকি দলের সাফল্য দেশের ক্রীড়া-পরিচয়ের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠেছিল। তেরঙ্গা যখন বিদেশের মাটিতে উঠত, তখন মনে হতোএই তো স্বাধীনতা! বন্দুকের গর্জন নয়, স্টিক আর বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণেও একটি জাতি তার অস্তিত্বের ঘোষণা করতে পারে।তারপর আসে অ্যাথলেটিক্সের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতের অলিম্পিক সাফল্যের ইতিহাসে নীরজ চোপড়ার সোনার পদক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। টোকিও অলিম্পিকের সেই রাতএকজন ভারতীয় যখন জ্যাভলিন ছুড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখলেন, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ঘরে ঘরে যেন আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়ল। মাঠে একজন, কিন্তু গর্বে ছিল ১৪০ কোটিরও বেশি হৃদয়।ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের আর এক অমর নাম পি. টি. উষা। আশির দশকে এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে তাঁর দৌড় ভারতীয় মেয়েদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিল। ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার-সহ একাধিক পদক জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেনভারতের মেয়েরাও বিশ্বের দ্রুততম ট্র্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর পায়ের শব্দ শুধু একটি দৌড়ের শব্দ ছিল না; তা ছিল সামাজিক বাধা, সংশয় আর প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক তরুণীর স্বাধীনতার ঘোষণা।এরপর এল ক্রিকেটের আর একটি নতুন অধ্যায়। ২০০৭ এ প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে তরুণ ভারতীয় দল যখন ট্রফি হাতে তুলল, তখন ক্রিকেটের নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার স্বাদ যেন আরও একবার নতুন করে ধরা দিল। আর ২০১১ সালে ঘরের মাঠে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই ছক্কাআজও ভারতীয় ক্রীড়া-স্মৃতির অন্যতম আবেগঘন ছবি। একজন অধিনায়ক ট্রফি তুলেছিলেন, কিন্তু আসলে যেন কোটি কোটি মানুষ নিজেদের স্বপ্নকে তুলে ধরেছিল।স্বাধীনতার এই গল্প শুধু খেলাধুলায় থেমে নেই।ভারতীয় সংস্কৃতির বিশ্বজয়ের কথাও তো একইভাবে বলতে হয়। সত্যজিৎ রায়ের Pather Panchali কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিল। ১৯৯২ এ বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান ও অনন্য সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সত্যজিৎ রায়কে সম্মানসূচক অনারারি অস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি। এই পুরস্কার কোনো একটি নির্দিষ্ট ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর সমগ্র চলচ্চিত্র জীবন, শিল্পসত্তা এবং বিশ্বসিনেমায় তাঁর গভীর ও স্থায়ী প্রভাবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। অসুস্থ সত্যজিতের বিছানায় শুয়ে অস্কার হাতে নিয়ে যে বক্তব্য দেন তা আজও আপামোর চলচিত্রপ্রেমীর কানে বাজে। পরে ২০০৯ সালে এ. আর. রহমান Slumdog Millionaire চলচ্চিত্রের জন্য দুটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সুরের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেন। অস্কারের মঞ্চে তাঁর সুরের প্রতিধ্বনি যখন বিশ্ব শুনেছিল, তখন সেটিও ছিল এক ধরনের স্বাধীনতানিজের মাটির সুরকে পৃথিবীর কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বাধীনতা।বিজ্ঞানেও এমন অসংখ্য মুহূর্ত এসেছে। মহাকাশে ভারতের সাফল্য, চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণ, মঙ্গলযানের অসাধারণ অভিযানপ্রতিটি সাফল্যের মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে সেই একই অনুভূতি। একসময় যে দেশ নিজের মানুষের খাদ্য ও অর্থনীতির চিন্তায় সংগ্রাম করছিল, সেই দেশই একদিন মহাকাশের অজানা প্রান্তে নিজের পতাকা পৌঁছে দেয়। এই অগ্রযাত্রাও স্বাধীনতারই আর এক ভাষা।কারণ স্বাধীনতা মানে শুধু পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে শেখা।স্বাধীনতা মানেআমি পারব বলার সাহস।স্বাধীনতা মানেব্যর্থতার পরেও আবার উঠে দাঁড়ানো।স্বাধীনতা মানেবিশ্বের চোখে চোখ রেখে নিজের পরিচয় ঘোষণা করা।তাই ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করব কেন? আমরা মনে করব সেই সব দিনকে, যেদিন ভারত নতুন করে জিতেছিল। কোনও খেলোয়াড়ের হাতে যখন পদক উঠেছে, কোনও বিজ্ঞানীর অভিযানে যখন ভারতীয় পতাকা মহাকাশ ছুঁয়েছে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে যখন ভারত বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে, কোনও তরুণ-তরুণী যখন অসম্ভবকে সম্ভব করেছেসেই প্রতিটি মুহূর্তে স্বাধীনতা নতুন করে জন্ম নিয়েছে।স্বাধীনতার বয়স আজ ৭৯ বছর। কিন্তু স্বাধীনতা বৃদ্ধ হয়নি। বরং প্রতিটি নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে তার বয়স কমে আসে। কোনও শিশুর হাতে ক্রিকেট ব্যাটে, কোনও কিশোরীর দৌড়ের জুতোয়, কোনও তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর তুলিতে, কোনও সুরকারের যন্ত্রেস্বাধীনতা প্রতিদিন নতুন হয়ে ওঠে।১৫ই আগস্ট তাই শুধু অতীতের স্মৃতির দিন নয়। এটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিনও।যে তেরঙ্গা ১৯৪৭ সালে পরাধীনতার আকাশে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে উঠেছিল, সেই তেরঙ্গাই আজও ওঠেলর্ডসের মাঠে, অলিম্পিকের মঞ্চে, বিশ্বকাপের আসরে, অস্কারের মঞ্চে, মহাকাশযানের অভিযানে, কিংবা কোনও অচেনা ভারতীয়ের ছোট্ট সাফল্যের মুহূর্তে।সেখানেই স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্য।স্বাধীনতা একবার অর্জন করা কোনও স্মারক নয়স্বাধীনতা এমন এক অনুভূতি, যা প্রতিটি প্রজন্ম নিজের সাফল্য দিয়ে নতুন করে অর্জন করে।তাই ১৫ই আগস্ট শুধু একটি দিন নয়।স্বাধীনতা বারবার ফিরে আসে।জয়ের পতাকায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, করতালির শব্দে, স্বপ্নপূরণের হাসিতেআর কোটি কোটি ভারতীয়ের বুকের ভিতর নিঃশব্দে উচ্চারিত একটি শব্দেভারত।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষুদিরামের ফাঁসির মঞ্চ থেকে মাতঙ্গিনীর রক্তাক্ত পতাকা, বাঙালির হৃদয়ে অমর এই পাঁচ স্বাধীনতা সংগ্রামী

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাংলার মাটি যেমন জন্ম দিয়েছে ক্ষুদিরাম বসুর মতো কিশোর বিপ্লবীকে, তেমনই তাম্রলিপ্তের মাটিতে উঠে এসেছে মাতঙ্গিনী হাজরা, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রামী নেতৃত্ব। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার লড়াইকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছিল।মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ইতিহাসে অমর হয়ে যান ক্ষুদিরাম বসু। ১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক ডগলাস কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে বোমা হামলার ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হন। ১১ আগস্ট ১৯০৮ তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুর মুখেও তাঁর নির্ভীকতা ও হাসিমুখ বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে।অন্যদিকে, ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে পূর্ব মেদিনীপুরের মাতঙ্গিনী হাজরা হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। গান্ধীবুড়ি নামে পরিচিত এই বৃদ্ধা ২৯ সেপ্টেম্বর তমলুক থানার দিকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়েই তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর আত্মবলিদান বাংলার নারীশক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সুশীল ধারা-র। ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তিনি সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেন। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের যুদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বও সামলেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিদ্যুৎ বাহিনী, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।সতীশচন্দ্র সামন্ত ছিলেন তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রথম সর্বাধিনায়ক। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গঠিত এই সমান্তরাল সরকার তমলুক ও কাঁথি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্রিটিশ প্রশাসনের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী সংগঠন, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এই সরকারের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের নেতৃত্বে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্বাধীনতার পরও তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেমে থাকেনি। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান থেকে মাতঙ্গিনীর পতাকা হাতে মৃত্যুবরণ, আর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের সংগঠিত প্রতিরোধ, এই সমস্ত অধ্যায় প্রমাণ করে, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু কয়েকজন বিপ্লবীর কাহিনি নয়। এটি ছিল অসংখ্য মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের সম্মিলিত ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানের মাটিতে জন্ম বীর বিপ্লবীর, রাসবিহারী বসুর কর্মকাণ্ডে কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ শাসন

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে রাসবিহারী বসু এক অনন্য নাম। ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের অন্যতম প্রধান সংগঠক এই বিপ্লবীর জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-২ ব্লকের সুবলদহ গ্রামে। ১৮৮৬ সালের ২৫ মে বিনোদবিহারী বসু ও ভুবনেশ্বরী দেবীর ঘরে জন্ম তাঁর।সুবলদহেই কেটেছে রাসবিহারী বসুর শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়। গ্রামের পাঠশালায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার শুরু। ঠাকুরদা কালীচরণ বসুর তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার পাশাপাশি লাঠিখেলা, সাঁতার ও নৌকা চালনার মতো শারীরিক কসরতেও দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে দানা বাঁধে দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা। পরবর্তী সময়ে চন্দননগরে পড়াশোনা করার সময় বিপ্লবী চিন্তাধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয়।কর্মজীবনে দেরাদুনের ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হেডক্লার্কের কাজ করলেও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করা। বাংলার পাশাপাশি উত্তর ভারত ও পাঞ্জাবের বিপ্লবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তোলেন তিনি। ১৯১২ সালে দিল্লিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের উপর বোমা হামলার ষড়যন্ত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এরপর ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি জাপানে পালিয়ে যান।জাপানে গিয়েও থেমে থাকেননি রাসবিহারী। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগঠিত করতে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স লিগ গড়ে তোলেন। ১৯৪২ সালে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে সেই সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।১৯৪৫ সালের ২১ জানুয়ারি টোকিওতে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে সুবলদহের মাটিতে জন্ম নেওয়া এই বিপ্লবীর দেশমুক্তির স্বপ্ন ও সংগ্রাম আজও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal