• ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

রাজ্য

সব হাসপাতালে সহজে অক্সিজেন পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নবান্নর

কোভিডের দ্বিতীয় ধাক্কায় অক্সিজেনের জন্য হাহাকার দেশজুড়ে। রাজ্যের পরিস্থিতি অনেকটাই ভাল। তবু রাজ্যে প্রতিটি কোণায় শ্বাসবায়ু পৌঁছে দিতে এবং ঘাটতি যাতে না হয় সেদিকে নজর রাখতে মরিয়া রাজ্য প্রশাসন। সেই উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে ভার্চূয়াল বৈঠক সারলেন স্বাস্থ্যসচিব এবং মুখ্যসচিব। দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশিকাও। রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, বাংলায় অক্সিজেনের সংকট নেই।এদিন নবান্নের তরফে জানানো হয়, প্রিন্সিপ্যাল বা সুপাররাই প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা হাসপাতালগুলির অক্সিজেন সরবরাহের পাইপলাইন তৈরি করতে পারবে। খরচ বহন করবে নবান্ন। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে রাজ্যের ১০৫টি হাসপাতালে পাইপলাইনের মাধ্যমে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী ১৫ মে-র মধ্যে আরও ৪১টি হাসপাতালে করা হচ্ছে পাইপলাইনের ব্যবস্থা। রাজ্যে আরও ৫৫টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি হচ্ছে।রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাঝে মধ্যে অক্সিজেন সরবরাহের ঘাটতির অভিযোগ আসছে। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেও একাধিক নতুন নির্দেশ দিল রাজ্য। অক্সিজেনের কালোবাজারি যাতে না হয় তা নিশ্চিত করতে জেলা ও মহকুমাশাসকদের কড়া নজর রাখতে নির্দেশ দিল নবান্ন। অক্সিজেন সরবরাহে এলাকাভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। বড় হাসপাতালগুলিতে বসানো হবে লিকুইড অক্সিজেন ট্যাংকও। যাতে ওই হাসপাতালগুলির বাণিজ্যিক অক্সিজেনের উপর নির্ভরতা কমে।এদিকে একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড রোগীদের চিকিৎসার স্বার্থে বাড়ানো হল শয্যা সংখ্যা। অ্যাপেলো হাসপাতালে কোভিড রোগীদের জন্য আরও ৩০০টি শয্যা বাড়ানো হল। সল্টলেকের নারায়ণাতে আরও ৩৫টি শয্যা বাড়ানো হল। অন্যদিকে প্রতিটি জেলায় কোভিড কন্ট্রোল রুম খোলার নির্দেশ দিল সরকার।সেই কন্ট্রোল রুম থেকে জেলার সার্বিক করোনা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হবে। তারা সরাসরি নবান্নকে রিপোর্ট দেবে।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

দেশে ফিরতে না পেরে পেট্রাপোলে বিক্ষোভ বাংলাদেশি নাগরিকদের

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্ত। বন্ধ যাত্রী পারাপার। আর এর ফলে দিনভর পেট্রাপোল সীমান্তে আটকে পড়লেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। শেষপর্যন্ত দেশে ফিরতে না পেরে অবশেষে বিক্ষোভের পথ বেছে নিলেন মেডিক্যাল ভিসায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা ওই যাত্রীরা৷ সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত চলছে বাংলাদেশি নাগরিকদের এই বিক্ষোভ।করোনার সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে ভারত-বাংলাদেশ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। ২৬ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে যাত্রী পারাপার। সোমবার থেকে সেই নির্দেশ লাগু হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দুপারের যাত্রীরাই। ভারতে চিকিৎসা করতে এসে আটকে পড়েছেন কয়েকশো রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা৷ দেশে ফেরার জন্য সোমবার সকাল থেকে পেট্রাপোল বন্দরে এসেছিলেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। কিন্তু বর্ডার বন্ধ। তাঁরা দেশে ফিরতে পারলেন না। দিনভর অনেক অনুনয় বিনয় করেও কোনও ফল হয়নি। অবশেষে সন্ধের পর থেকে বাংলাদেশি যাত্রীরা পেট্রাপোল সীমান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেরই সোমবার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। খরচ চালানোর মতো টাকাও তাঁদের হাতে নেই। তাই তাঁরা দেশে ফেরার জন্য বিক্ষোভ শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজন রোগী ও স্কুলপড়ুয়া রয়েছেন বলে খবর।বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ভিসার মেয়াদ শেষ। হাতে প্রয়োজনীয় টাকাও নেই। দেশে ফিরতে না পারলে এপারে না খেয়ে মরতে হবে। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া থেকে চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন স্বপন কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বিপাকে পড়েছি আমরা। এভাবে না খেয়ে মৃত্যুর থেকে জোর করে বাংলাদেশে ঢুকতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরব। সংবাদমাধ্যমকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ক্যান্সার আক্রান্ত মহিলার করিমুন্নেসাI তিনি বলেন, টাকাও শেষ হয়েছে। দেশে ফিরতে পারছি না। এখন কি করব। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁদের দেশে ফেরানোর আবেদন জানালেন নড়াইলের স্কুলছাত্রী রিয়া মণ্ডল। তিনি ভারতে অপারেশন করতে এসেছিলেন। পেট্রাপোল সীমান্তে অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিক তরুণ বিশ্বাস জানান, বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই বর্ডারের গেট বন্ধ আছে। যাঁরা বাংলাদেশ হাইকমিশনার থেকে এনওসি আনছেন। কেবল তাঁরাই বাংলাদেশের ফিরতে পারবেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

২ মে-র বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের

দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। মহামারি আবহে দেশের পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এহেন পরিস্থিতিতে ২ মে ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।২ মে কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে করোনা আবহেও বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলি যে জয়ের উল্লাসে হাজার হাজার সমর্থকদের নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়বে সেই আশঙ্কা ছিল। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ২ মে ভোটগণনার সময় ও পরে কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় বিধানসভা ভোট করানো নিয়ে গোড়া থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছিল কমিশন। আগামী ২৯ এপ্রিল বাংলায় অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফার ভোট। কিন্তু সংক্রমণের গ্রাফ বিপজ্জনকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় প্রার্থীদের প্রচারে কাটছাঁট করেছে নির্বাচন কমিশন।উল্লেখ্য, করোনাকালে দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সোমবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি। ফলে রীতিমতো চাপ বেড়েছে কমিশনের উপর। আর তার ফলেই এবার বিজয় মিছিলে রাশ টানা হয়েছে বলেই মত বিশ্লেষকদের।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

২ মে-র বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের

দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। মহামারি আবহে দেশের পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এহেন পরিস্থিতিতে ২ মে ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।২ মে কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে করোনা আবহেও বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলি যে জয়ের উল্লাসে হাজার হাজার সমর্থকদের নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়বে সেই আশঙ্কা ছিল। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ২ মে ভোটগণনার সময় ও পরে কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় বিধানসভা ভোট করানো নিয়ে গোড়া থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছিল কমিশন। আগামী ২৯ এপ্রিল বাংলায় অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফার ভোট। কিন্তু সংক্রমণের গ্রাফ বিপজ্জনকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় প্রার্থীদের প্রচারে কাটছাঁট করেছে নির্বাচন কমিশন।উল্লেখ্য, করোনাকালে দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সোমবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি। ফলে রীতিমতো চাপ বেড়েছে কমিশনের উপর। আর তার ফলেই এবার বিজয় মিছিলে রাশ টানা হয়েছে বলেই মত বিশ্লেষকদের।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে শুরু ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ

আজ রাজ্যে চলছে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ। চার জেলা উত্তর দিনাজপুর, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমানের মোট ৪৩ আসনে নির্বাচন। ভাগ্য নির্ধারণ হবে একাধিক হেভিওয়েট ও তারকা প্রার্থীদের। রইল রাজ্যের ভোট ষষ্ঠীর খুঁটিনাটি।সকাল ৯.২৮: খড়দহে ৭৬ নম্বর বুথে উত্তেজনা। বিজেপি এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। সকাল ৯.২৭: সকাল নয়টা পর্যন্ত ২০শতাংশ ভোট পড়েছে উত্তর দিনাজপুরে।সকাল ৯.২৫: স্বরুপনগর বিধানসভার শায়েস্তানগর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের লবঙ্গ সরকারপাড়া ২৭০ নম্বর বুথে হুমকি পোস্টার পড়ে। এলাকাবাসীরা দেখতে পান, সেই পোস্টারে লেখা আছে, বিজেপিতে ভোট দিলে বাঁচতে পারবে না। তোদের রাস্তা ধরে জমি দখল হয়ে যাবে। ফল খারাপ হবে। রাতে ঘুমোতে পারবে না। এই পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।সকাল ৯.২৪: গলসি বিধানসভার কাঁকসার বনফুলঝোড় গ্রামের ৮ নম্বর সংসদে বিদ্যুৎ না থাকায় ভোটারেরা দেখতে অসুবিধা হচ্ছিল । জানা গিয়েছে দশ জনের মতো ভোটার ভোট দেওয়ার পরেই ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে। পরে বিদ্যুৎ সংযোগ ঠিক হলে প্রায় এক ঘন্টা পর শুরু হয় ভোট গ্রহণ। কাঁকসারই অজয়পল্লির ১৫ নম্বর বুথে ইভিএম মেশিন খারাপ । ভোটারেরা সকাল আলাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ইভিএম বদল করার পর শুরু হয় ভোট । পানাগড় ৭৭ নম্বর বুথে ইভিএম মেশিন খারাপ থাকায় আধঘণ্টার ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকে এবং পরে আবার ভোট গ্রহণ শুরু হয় । পানাগড় বাজারে একটি বুথে বথ জ্যাম করার অভিযোগে এক তৃণমূল কর্মী আটক করার খবর আসছে ।কাঁকসা বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সামনে বিজেপির পতাকা টাঙানো রয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের । বুদবুদের শুকডালে ১৩৪ নম্বর বুথে বুথ জ্যাম করছে তৃণমূল বলে অভিযোগ বিজেপির । বুদবুদের তিলডাঙ্গায় বিজেপির এজেন্ট বসতে দেয়নি তৃণমূল এমনটাই অভিযোগ বিজেপির । তাদের এজেন্টকে মারধর করার অভিযোগ করেছে বিজেপি । ২১৩ এবং ২১৪ নম্বর বুথে এজেন্ট বসতে দেয় নি এমনটাই অভিযোগ আনছে বিজেপি তৃণমূল উভয় পক্ষই ।সকাল ৯.১৪: বারাকপুর বিধানসভার ঘোষিপাড়ায় তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে বিক্ষোভ। উঠল গো ব্যাক স্লোগান। বিজেপি কর্মীরা তাঁকে ঘিরে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেয় বলে খবর। সকাল ৯.১১: কেতুগ্রামে বোমাবাজির অভিযোগ। ১০১ নম্বর বুথে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ। সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে বোমাবাজি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির। সকাল ৯.০৩: ভাতারের ১৮৫ নম্বর বুথে ইভিএম খারাপ।সকাল ৯.০২: আউশগ্রামের ৬৫ ও ৬৬ নম্বর বুথের সামনে তৃণমূল কর্মীদের ব্যাপক জমায়েত। ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি । আউশগ্রামের ৯১ নম্বর বুথে বিজেপির এজেন্ট বসতে বাধা। আউশগ্রামের ২২৭, ২২৭ এ, এবং ২২৮ এ ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৮.৫৮: আমডাঙার বহিষগাছিতে উত্তেজনা। আইএসএফ ভোটারদের ভোটার কার্ড কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সকাল ৮.৫০: চোপড়ায় গুলি চলেনি বলে দাবি নির্বাচন কমিশনের। তাদের কথায়, গুলি চলার ঘটনা কেবলই রটনা। সকাল ৮.৪০: মঙ্গলকোট বিধানসভার ৯৪ ও ৯৫ নম্বর বুথে বিরোধীদলের এজেন্টদের বসতে দেওয়ায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ।সকাল ৮.৪১: আউশগ্রাম বিধানসভার প্রতাপপুরের ডাঙাপাড়া এলাকায় পুলিশকে হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতা অরূপ মিদ্যার। তাঁর কথায়, শীতলকুচি করতে যাবেন না। তিনদিন বাদে আমাদের সরকার আসছে। তখন আপনাকে দেখে নেব। এলাকায় বিজেপি ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে ওই নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বিজেপি।সকাল ৮.৩৭: আউশগ্রাম বিধানসভার ২২৩, ২২৪ বুথে ছাপ্পার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করল বিজেপি। আউশগ্রামের ৫০ নম্বর বুথে বিজেপি সমর্থক পরিবারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।সকাল ৮.৩৬: হাবড়ার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শনে বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থী রাহুল সিনহা। জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি। সকাল ৮.২০: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় ভোটের আগের রাতে চলল গুলি। রাতে খুনিয়ায় একটি বাড়ির সামনে গুলি চলে বলে খবর। আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা। ভোট দিতে যাবেন কিনা, তা নিয়ে চিন্তায় তাঁরা।সকাল ৮.১৯: তেহট্ট বিধানসভার সাধু বাজার শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের ১৬৫ নম্বর বুথে ইভিএম খারাপ ছিল। অবশেষে আটটা পাঁচে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।সকাল ৮.১৪: পূর্বস্থলীর বিদ্যানগর গয়ারাম বিদ্যামন্দির স্কুলে ২৮ নম্বর বুথে ভোট দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি ও তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথ।

এপ্রিল ২২, ২০২১
রাজ্য

কলকাতায় আর কোনও বড় সভা করবেন না মুখ্যমন্ত্রী

ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের । শহর কলকাতায় আর কোনও বড় রাজনৈতিক সমাবেশ করবেন না মমতা। শুধু আগামী ২৬ এপ্রিল বিডন স্ট্রিটে অনেক আগে থেকে পরিকল্পিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। তৃণমূল দলের তরফে ছোটখাটো জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। তবে, সেই সভাগুলিতে মমতা নিজে উপস্থিত থাকবেন না। রবিবার এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।ওই সাক্ষাৎকারে রাজ্য তথা দেশের করোনা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে বিঁধেছেন মমতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের তথা প্রধানমন্ত্রীর অদূরদর্শিতার জন্য বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, দূরদর্শিতার অভাব না থাকলে আমরা আজ এত বিপদে পড়তাম না হঠাৎ করে। মমতার দাবি,গত ছমাস সেভাবে কোনও করোনা হয়নি। সেই সময়টাকে অবহেলা করা হয়েছে। এই ছমাস পরিকল্পনা করলে, আগামী ছমাস ভাল কাটত। ওষুধের জোগান নেই, অক্সিজেনের জোগান নেই। ৮০টা দেশকে আমরা ওষুধ দিয়ে দিয়েছি। আমি এটার নিন্দা করছি না। কিন্তু নিজের দেশের দরকারটা তো আগে বুঝতে হবে। এখন হঠাৎ করে আমার কাছে অক্সিজেন নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই। দূরদর্শিতার অভাব। নাহলে হঠাৎ করে আমরা এর মধ্যে পড়তাম না।নির্বাচনে করোনার প্রভাব নিয়ে মমতা জানিয়েছেন, আমরা শেষ ৩ দফা একসঙ্গে ভোট করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন শুধু বিজেপির কথা শোনে। আমাদের কাছে শোনে না। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মমতা কলকাতায় নিজের সব বড় জনসভা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন,দল নিজের মতো ছোট করে জনসভা আয়োজন করলে করবে। কিন্তু আমি সেখানে যাব না। কারণ আমি গেলে বেশি জমায়েত হবে। আসলে, গোটা রাজ্যের মধ্যে শহর কলকাতাতেই করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ২ হাজার ১৯৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের অন্য প্রান্তের কথাও ভাবছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, এরপর থেকে রাজ্যের অন্যপ্রান্তের জনসভাগুলিতেও নিজের বক্তৃতার সময় কমিয়ে দেবেন তিনি। ছোট করে ভাষণ দেবেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

করোনা রুখতে একগুচ্ছ নয়া বিধিনিষেধ জারি নবান্নের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঁচে দেশের আর পাঁচটা রাজ্যের মতো নাজেহাল এ রাজ্যও। পরিস্থিতি আরও জটিল করছে নির্বাচন। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস শেষ তিন দফার ভোট কমিয়ে এক দফায় করার প্রস্তাব দিলেও, বাকি দলগুলি তার বিরোধিতা করেছে। শাসক-বিরোধী সব দলই সমানে ভোটের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে দৈনিক সংক্রমণ পেরিয়ে গিয়েছে সাত হাজার। বাড়ছে মৃত্যুও। পরিস্থিতি বিবেচনা করে অবশেষে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। রবিবার নবান্নের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করে রাজ্যজুড়ে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সরকারি দপ্তরে কর্মী কমানো, বেসরকারি দপ্তরে ওয়ার্ক ফ্রম হোম, মাস্ক এবং শারীরিক দূরত্ব বাধ্যতামূলক করার মতো একাধিক নির্দেশ রয়েছে নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে।কী কী নির্দেশিকা দিয়েছে রাজ্য সরকার? বাস-ট্রেন বা গাড়ি, যে কোনও গণপরিবহণেই বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, শিল্প-কারখানা এবং সব বাণিজ্যিক ভবনগুলিকে সপ্তাহে অন্তত এক বার স্যানিটাইজেশন করতেই হবে। বাজার, সরকারি গণ পরিবহণ এমনকী নিজের গাড়িতেও মাস্ক পরা, স্যানিটাইজেশন এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। বাজারগুলিকে সার্বিকভাবে গতবছরের মতোই স্যানিটাইজেশন করানো হবে। দোকান-বাজার, কারখানায় কর্মচারী এবং গ্রাহক মিলিয়ে সার্বিকভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সরকারি দপ্তরগুলিতে ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করতে হবে। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কর্মীদের অফিসে আনতে হবে। বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ফের কর্মীদের দিয়ে বাড়ি থেকে কাজ করানোর ব্যবস্থা করতে হবে। শপিং মল, মাল্টিপ্লেক্স, থিয়েটার, রেস্তরাঁয় প্রবেশের পথে স্যানিটাইজেশন বাধ্যতামূলক, ব্যবহার করতে হবে মাস্ক। স্টেডিয়াম এবং সুইমিং পুলগুলিকে আগের নির্দেশ মতোই সতর্কতা মেনে চলতে হবে। কোনওরকম বিধি না মানলে বা অসতর্ক হলে কড়া ব্যবস্থা।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

বাইরে থেকে বাংলায় ঢুকতে হলে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক

ভোটের মরশুমে বহিরাগতরা এসে বাংলায় রোগ ছড়াচ্ছে। আর সেই কারণেই রাজ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। জনসভায় একাধিকবার এমন দাবিই করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এবার তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, যাঁরা বাইরে থেকে আসতে চাইবেন, তাঁদের আরটি-পিসিআর টেস্ট করার পর বাংলায় পা রাখার অনুমতি দেওয়া হবে।তৃণমূল নেত্রীর দাবি, অন্তত ১০ হাজার মানুষ অন্য জায়গা থেকে এ রাজ্যে এসেছেন। যাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সংক্রমিত। আর এঁদের কারণেই বাংলায় হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তাই বহিরাগতদের নিয়ে আর কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নন মমতা। পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, এরপর বড় কোনও অঘটন ঘটলে তার জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী থাকবে।গত বেশ কয়েকদিন ধরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বাংলার ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে কমিশন ভোট প্রচারে লাগাম টানলেও করোনা রুখতে তা বিরাট কোনও ভূমিকা পালন করতে পারবে কি না, সে নিয়ে সন্দীহান ওয়াকিবহল মহল। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যের বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করানোর দাবিও তুলেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কিন্তু কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত সূচিতেই হবে নির্বাচন। ফলে আগের মতোই চলবে জনসভা, রোড শো। আর সেই কারণেই বাড়ছে চিন্তা। স্বাস্থ্যদপ্তরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড আক্রান্ত ৭,৭১৩ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ৩৪ জন। মোট সংক্রমিতের সংখ্যা জানিয়েছে সাড়ে ৬ লক্ষ। ইতিমধ্যেই সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বেড বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। উপসর্গ তীব্র হলে তবেই হাসপাতালে, মৃদু উপসর্গ থাকলে প্রয়োজনে সেফ হোমে পাঠানো হবে কোভিড রোগীদের।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

আক্রান্ত কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়

পঞ্চম দফার ভোটে অব্যাহত বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। এ বার আক্রান্ত হলেন কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি-র অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই রাজুর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেয়। এমনকী, বোমাবাজিও করে। এই ঘটনায় রাজু আহত হয়েছেন বলেও গেরুয়া শিবিরের তরফে দাবি করা হয়েছে। রাজুর ইঙ্গিত, কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রই এই হামলার পিছনে রয়েছেন। যদিও এ সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল। শনিবারই নির্বাচন কমিশনের কাছে এই হামলার অভিযোগ করেছেন রাজু।বিজেপি সূত্রের খবর, শনিবার ভোট চলাকালীন বেলঘরিয়া ব্রিজের উপরে রাজুর গাড়িতে ইট মারা হয়। অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করেছে। এই ঘটনায় রাজুর গাড়ির সামনের দিকের কাচ ভেঙে গিয়েছে। রাজুর ডান হাতে চোট লেগেছে বলেও দাবি বিজেপি-র। ঘটনার পর রাজু বলেন, সকাল থেকে কামারহাটির ভোটে অশান্তি ছড়াচ্ছেন মদন মিত্র। তাঁর দাবি, বহিরাগতদের এনে এলাকায় হামলা করানো হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

পয়লা বৈশাখে উত্তর কলকাতায় রোড শো মমতার, সঙ্গ দিলেন জয়া

কথা ছিল, বৈশাখের প্রথম দিনে দক্ষিণ কলকাতা জুড়ে রোড শো করবেন। দক্ষিণ কলকাতার সব প্রার্থীদের হয়ে এদিনই ভোট প্রচার সেরে ফেলতেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ভবানীপুর, অর্থাৎ নিজের এতদিনের লড়াইয়ের জায়গা ছেড়ে এবার এগিয়ে দিয়েছেন দলের নির্ভরযোগ্য নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মূলত তাঁরই হয়ে প্রচারের কথা ছিল মমতার। তবে কোভিডের বাড়বাড়ন্তে সেই মিছিল বাতিল হয়েছে। তবে পয়লা বৈশাখের মতো উৎসবের দিন মোটেই ঘরে বসে কাটাননি নেত্রী। শুধু দক্ষিণ থেকে রোড শোর স্থান বদলে গেল উত্তর কলকাতায়। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে বেলেঘাটা থেকে বউবাজার পর্যন্ত রোড শো করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গী দলের তারকা প্রচারক জয়া বচ্চন, উত্তর কলকাতার তৃণমূল প্রার্থীরা।বেলেঘাটা থেকে বউবাজার এই অঞ্চলের মধ্যে মূলত চার বিধানসভা কেন্দ্র। বেলেঘাটা, চৌরঙ্গি এবং মানিকতলা। এই চার কেন্দ্রের প্রার্থীদের হয়ে দীর্ঘ পথে রোড শোর মধ্যে দিয়েই প্রচার সারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, সাধন পাণ্ডে, পরেশ পাল, বিবেক গুপ্তা। হুইল চেয়ারে বসেই লম্বা রাস্তা পাড়ি দিলেন নেত্রী। সঙ্গে হলুদ শাড়ি, দলের ঐতিহ্যবাহী লাল টুপিতে পাশেই সমাজবাদী পার্টি নেত্রী তথা তারকা প্রচারক জয়া বচ্চন। কিছুক্ষণ হাঁটার পর অবশ্য তিনি উঠে যান জিপে। অবশ্য মিছিলের মধ্যমনি তখন একজনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তার দুধারে সমবেত জনতার উদ্দেশে কখনও তিনি হাত নাড়ছেন, কখনও হাত জোড় করে নমস্কার করছেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর রোড শো পৌঁছয় বউবাজার মোড়ে।এদিন মমতার পর রাস্তা থেকে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে জয়া বচ্চন বিজেপিকে বিঁধে বলেন, বাংলায় পরিবর্তন দরকার নেই। অনেক কাজ হয়েছে। মমতা থাকলে আরও কাজ হবে। পরিবর্তনের স্লোগান যাঁরা তুলছেন, তাঁদের কথায় কান দেবেন না। কোনও দরকার নেই পরিবর্তনের।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

ভয় ধরাচ্ছে করোনা, পরিস্থিতি সামাল দিতে কড়া সিদ্ধান্তের পথে নবান্ন

কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে জেরবার দেশ। বাংলায় থাবা ক্রমশ চওড়া হচ্ছে মহামারির। জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। এমনকী, একাধিক জেলার কোভিড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যাও খুবই কম। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠক থেকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন।ভোটের মরশুমে রাজ্যে থাবা বসিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রমণ। যার জন্য রাজনৈতিক দলের মিটিং-মিছিলকে দায়ী করছেন চিকিৎসকরা। অবশ্য আমজনতার মধ্যেও গা-ছাড়া ভাব দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলার ১০ জেলায় নির্বাচন শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার সেই সমস্ত জেলার কোভিড পরিস্থিতিতে লাগাম পরাতে উদ্যোগী হল নবান্ন। সেই উদ্দেশেই এদিন জেলাগুলির প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে জোরদার প্রচার চালানো হবে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে জোর দেওয়া হবে। কোভিড সচেনতার প্রচার করতে জনবহুল এলাকায় মাইকে প্রচারেও জোর দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বাজারগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণে জোর দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যসচিব। সূত্রের খবর, সংক্রমণে রাশ টানতে প্রয়োজনে শহরে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। প্রয়োজনে জমায়েত বন্ধ করার করার কথাও বলা হয়েছে। এমনকী, কোভিড রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলির ২০ শতাংশ পরিকাঠামো বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কলকাতা পুরসভাকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিল নবান্ন।আরটিপিসিআর টেস্ট বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে ভিড় কমানোর দিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যসচিব। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় তা কমই রয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্যের যে যে জেলাতে তিন পর্বে ভোট মিটে গিয়েছে, সেখানে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও বৈঠক করেন দেশের করোনাপ্রবণ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে। রাজ্য থেকে সেই বৈঠকে প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, সোমবার ভোট মিটে যাওয়া জেলার ডিএম, এসপি, সিএমওএইচ-দের সঙ্গে বৈঠকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারেন। সেই সূচি অনুযায়ী এই বৈঠক হল।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানের অংশ শীতলকুচির ঘটনা, বিস্ফোরক মোদি

শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই অব্যাহত। এবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কল্যাণীর সভা থেকে মোদি দাবি করলেন, শীতলকুচির ঘটনা আসলে মমতার ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, মমতা রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চান। সেজন্যই ছাপ্পার পরিকল্পনা। আর সেটার জেরেই ঘটেছে শীতলকুচির ঘটনা।কল্যাণীতে দাঁড়িয়ে মোদি বলেন,মমতা এখন রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভয় দেখাচ্ছেন, ধমকাচ্ছেন, মারধর করছেন। কিন্তু দিদি, আপনি যতই ভয় দেখান, মোদির প্রতি ওঁদের ভালবাসা কমাতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, সোজা পথে বাংলার তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের আটকানো যাবে না বুঝতে পেরেই মমতা এঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ছাপ্পা ভোটের পরিকল্পনা করেছেন। তাঁর কথায়,মতুয়া-নমঃশূদ্রদের আটকানোর জন্যই দিদি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার নিদান দিচ্ছেন। একটা দলকে বলছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করতে। আরেকটা দলকে বলছেন বুথে গিয়ে ছাপ্পা মারতে। এটাই দিদির ছাপ্পা মারার মাস্টারপ্ল্যান। শোনা যাচ্ছে, কোচবিহারের ঘটনাও সেই মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। কিন্তু দিদি এভাবে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আপনি কেড়ে নিতে পারেন না। জয়-পরাজয় সব ভোটেই থাকে। দলিতদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যায় না। মতুয়া-নমঃশূদ্রদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যাবে না।প্রসঙ্গত, কল্যাণী এবং সংলগ্ন এলাকায় একটা বড় অংশের ভোটার মতুয়া সম্প্রদায়ের। লোকসভার মতো বিধানসভাতেও সেই মতুয়া ভোটে বিশেষ নজর বিজেপির। সম্ভবত, সেকারণেই এদিন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ওড়াকান্দির সফর প্রসঙ্গ তুলে মমতাকে খোঁচা দিলেন। মোদি বোঝানোর চেষ্টা করলেন, মানুষের গণতন্ত্র রক্ষা করা মতুয়াদের ধর্মগুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনের উদ্দেশ্য ছিল। আর সেই উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে অনুপ্রেরণা পেতেই বাংলাদেশের ওড়াকান্দি সফরে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরই মমতাকে খোঁচা দিয়ে মোদি বলেন, আমার ওড়াকান্দি যাওয়াটাই দিদির পছন্দ হয়নি। ওড়াকান্দিতে যাওয়াটা কি ভুল ছিল? হরিচাঁদ ঠাকুরের কর্মভূমিতে মাথা ঠেকানো ভুল ছিল নাকি?

এপ্রিল ১২, ২০২১
কলকাতা

মমতার প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি কমিশনের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোনও রকমের নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী। কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্ররোচনামূলক বক্তৃতার অভিযোগে মমতাকে পাঠানো নোটিসের জবাবে তারা সন্তুষ্ঠ নয়। সে কারণেই ২৪ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞা। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর মমতা টুইট করে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তিনি এর প্রতিবাদে গান্ধি মূর্তির নীচে ধর্নায় বসবেন।এর ফলে মমতার মঙ্গলবারের সমস্ত প্রচার কর্মসূচি বাতিল হল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার বারাসত, বিধাননগর, হরিণঘাটা ও কৃষ্ণগঞ্জে মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার কথা ছিল। শনিবার কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর পরে রবিবার সেখানে যাবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সেই ঘোষণার পরেই কমিশন ৭২ ঘণ্টার জন্য যে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শীতলকুচিতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পরে মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা। তৃণমূলের বক্তব্য, গোটাটাই হচ্ছে বিজেপি-র নির্দেশে। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মানুষ এর জবাব দেবে। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বিজেপি-র শাখা সংগঠন। ভোটের বাক্সে এর জবাব দেবে মানুষ। দলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ওব্রায়েন বলেন, এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।কোচবিহারের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে একহাত নেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বলেন, সিআরপিএফ যদি গন্ডগোল করে, মেয়েদের একটা দল মিলে ওদের ঘেরাও করে রাখবেন। আর একটা দল ভোট দিতে যাবেন। শুধু ঘেরাও করে রাখলে ভোট দেওয়া হবে না। তাই ভোট নষ্ট করবেন না। ৫ জন ঘেরাও করবেন। ৫ জন ভোট দেবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার মন্তব্যে এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং কোচবিহারের জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল কমিশন। তার জন্য মমতাকেও নোটিস পাঠানো হয়।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

মাঝরাত থেকে জায়গায় জায়গায় অশান্তি, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

ভোটপর্ব চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। রবিবার রাতের মধ্যেই অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। রাতদুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এক বিজেপি কর্মী। এছাড়া কসবার আনন্দপুর এবং হাওড়ার বাঁকড়াতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসবা কেন্দ্রের অন্তর্গত আনন্দপুরের পশ্চিম চৌবাগায় বিজেপি কার্যালয় বৈঠক চলাকালীন দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের মহিলা সদস্যদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, চলে বোতল ছোঁড়াছুঁড়িও। প্রতিবাদে রাতে আনন্দপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।এরপর আরও রাতের দিকে খবর মেলে, নৈহাটিতে গুলি চলেছে। এক বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কল্যাণীপর জেএনএম হাসপাতালে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের দলের এই সদস্যকে বেশ কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আগামী ২২ তারিখ এলাকায় ভোটের আগে প্রচারে বেরতেই তিনি আক্রান্ত হলেন। এ নিয়ে রাত পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা ছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে পালটা দাবি করেছে, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নৈহাটিতে শুটআউটের ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, প্রতি দফা ভোটের আগেই এভাবে বিজেপির উপর হামলা চালিয়ে লড়াই থেকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে স্বচ্ছভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। পাশাপাশি, হাওড়ায় ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। বাঁকড়ার রাজীব পল্লি এলাকায় একদল বিজেপি কর্মী, সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে কোচবিহারের সিতাইয়েও আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও চলে হামলা।

এপ্রিল ১২, ২০২১
কলকাতা

‘এটা গণহত্যা’, মৃতদের সাহায্যের আশ্বাস মমতার

শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর খবর পেয়েই শনিবার বিকেলে শিলিগুড়ি পৌঁছেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার শীতলকুচি যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। সেই কারণেই এদিন সকালে সাংবাদিক বৈঠক থেকেই ভিডিও কলে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আশ্বাস দিলেন পাশে থাকার। আগামী ১৪ এপ্রিল শীতলকুচি গিয়ে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবেন বলেও জানালেন তিনি। ঘটনাকে গণহত্যা বলে মন্তব্য করলেন মমতা।

এপ্রিল ১১, ২০২১
রাজ্য

এবার সরানো হল মুখ্যমন্ত্রীর ওএসডিকে

নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ভোটপ্রচারে গিয়ে আহত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনায় ফের কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। এবার সরিয়ে দেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক অশোক চক্রবর্তীকে। তিনি অফিসার অন স্পেশ্যাল ডিউটি বা ওএসডি পদে কর্তব্যরত ছিলেন। শুক্রবার এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে কমিশনের তরফ থেকে। তবে ওই পদে কাকে আনা হবে, তা এখনও জানা যায়নি।এর আগে গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় গিয়ে জখম হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পায়ে গুরুতর চোট পান তিনি। অসুস্থ অবস্থায় রাতেই কলকাতায় ফিরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। দেড়দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জখম হওয়ার এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির রং লেগেছিল। একাধিক অভিযোগ নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। অন্যদিকে পর্যাপ্ত তদন্তের দাবিতে কমিশনে যায় বিজেপি। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জখম হওয়ার ঘটনায় মুখ্যসচিব ও সিইও-র কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে দুই বিশেষ পর্যবেক্ষককে নিজেদের মতামত জানানোর কথাও বলা হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট নিয়ে কমিশনের ফুলবেঞ্চ বৈঠকেও বসে।এরপরই রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা বিবেক সহায়কে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয় কমিশনের পক্ষ থেকে। তাঁর জায়গায় আনা হয় জ্ঞানবন্ত সিংকে। এছাড়াও সরিয়ে দেওয়া হয় পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিভু গোয়েলকে। তাঁর জায়গায় নতুন জেলাশাসক হন স্মৃতি পাণ্ডে। এর পাশাপাশি প্রবীণ প্রকাশকে পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরিয়ে ওই জায়গায় আনা হয় সুনীল কুমার যাদবকে। কিন্তু সেই ঘটনার এতদিন পরে ফের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ের এক আধিকারিককে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। আর এই নিয়েই ফের প্রশ্ন উঠতেও শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
কলকাতা

রুদ্রনীলকে নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে অমিত শাহ, চাকদহে রোড শো নাড্ডার

নবান্ন দখলের লড়াইয়ের প্রায় মাঝপথে বাংলা। ২৬ এপ্রিল সপ্তম দফার ভোট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ভবানীপুরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেই কেন্দ্রে না দাঁড়ালেও তাঁর বিরুদ্ধেই যে প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপিকে লড়তে হবে তা বলাই বাহুল্য। বিজেপির টিকিটে ভবানীপুরে দাঁড়িয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ। শুক্রবার চতুর্থ দফার ভোটের আগের দিন সেখানেই পথে নামলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । কার্যত বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার করেন। অন্যদিকে, চাকদহে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শো করেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা।ভবানীপুরে প্রার্থী রুদ্রনীলকে নিয়ে অমিত শাহ অলিতে গলিতে ঘুরে ঘুরে প্রচার করলেন। নিজের হাতে বিলি করলেন লিফলেট। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে বিজেপির কর্মী সমর্থকরাও ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। কপালে তিলকও লাগিয়ে দেন। ভবানীপুরের বেশ কয়েকটি এলাকায় এভাবে প্রচার সারেন অমিত শাহ। পরে সংবাদমাধ্যমের সামনে অমিত শাহ বলেন, রুদ্রনীল অত্যন্ত জ্ঞানী প্রার্থী। ভবানীপুরে রুদ্রনীল অনেক বেশি মার্জিনে জিতবেন। ভবানীপুর ছাড়াও মধ্যমগ্রাম-সহ একাধিক জায়গায় প্রচার সারেন অমিত শাহ। রোড শো করেন মধ্যমগ্রামে। অন্যদিকে, নদিয়ার চাকদহে রোড শো সারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ ট্যাবলোতে অতিক্রম করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন চাকদহের বিজেপির প্রার্থী বঙ্কিম ঘোষ। রোড শোয়ের পর জনসভায় বক্তব্য রাখেন নাড্ডা। তাঁর বক্তব্যের নিশানায় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাড্ডার দাবি, দিদির শাসনকাল শেষ। তোলাবাজি,কাটমানি আর তুষ্টিকরণের সরকার বেশি দিন চলবে না। এ বার ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। চাকদহ ছাড়াও বর্ধমান-সহ আরও কয়েকটি জায়গায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারেন নাড্ডা।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

মমতাকে দ্বিতীয়বার নোটিস কমিশনের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। গত ২৮ মার্চ এবং ৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কমিশন। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহিনী নিয়ে মমতার মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। কেন তিনি এই ধরনের মন্তব্য করলেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। এবং এই ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে কমিশনের নোটিসের জবাব দিতে হবে।বস্তুত, রাজ্যের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব মমতা। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাংলার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাহিনী। গত ৭ এপ্রিল কোচবিহার উত্তরের সভায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করতে এলে তার পালটা দেওয়ার পরামর্শ দেন মহিলা ভোটারদের। তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অশান্তি করতে এলে একদল ওদের ঘিরে ফেলুন। আরেক দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে, তাদের নাম লিখে রাখুন। এর আগে গত ২৮ মার্চও বাহিনী নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে প্রবল আপত্তি কমিশনের। তাঁদের দাবি, তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত তাঁকে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এটা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো কমিশনের প্রথম নোটিস নয়। এর আগে গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠায় কমিশন। আজই সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষদিন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
কলকাতা

সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, মমতাকে নোটিস কমিশনের

ফের নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাচক্রে তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে দিন দুই আগে কোচবিহারের জনসভা থেকে সরব হয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তাঁর দাবি ছিল, মমতা জনসমক্ষে সব মুসলমানকে এক হতে আহ্বান করেছেন। বলেছেন, সব মুসলমান এক হও, ভোট ভাগ হতে দিও না। তৃণমূল নেত্রীর উদ্দেশে তাঁর কটাক্ষ ছিল, মমতা যেমন বলছেন, তেমন যদি আমি বলতাম যে, সব হিন্দু এক হয়ে বিজেপিকে ভোট দাও, তাহলে নির্বাচন কমিশন আমাকে ৭-৮ দিনের জন্য নোটিস দিয়ে দিত। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেও নোটিস আসে। জানি না, কমিশন আপনাকে নোটিস দেবে কিনা। প্রধানমন্ত্রী সেই কটাক্ষের দুদিনের মধ্যেই মমতাকে নোটিস দিল কমিশন।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

তৃতীয় দফার ভোটযুদ্ধে বিক্ষিপ্ত অশান্তি তিন জেলায়

বঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটযুদ্ধ। বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে দুদফার মোট ৬০ আসনের ভোটগ্রহণ পর্ব। আজ তৃতীয় দফায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া এই তিন জেলার মোট ৩১ আসনে ভোটগ্রহণ। ভাগ্য নির্ধারণ বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর। সকাল থেকে ভোটের লাইনে উৎসাহী জনতার ভিড়। পাল্লা দিয়ে ভোট শুরুর পর থেকেঈ নানা অশান্তির খবর আসতে শুরু করেছে। অভিযোগ, তৃণমূল-বিজেপি উভয়পক্ষের। আসুন দেখে নেওয়া যাক কোথায় কোথায় অশান্তির পারদ চড়ছে।সকাল ৫.৫০: উলুবেড়িয়া উত্তরের তুলসিবেড়িয়ায় তৃণমূল কর্মীর বাড়ির সামনে থেকে ইভিএম। ভোট লুটের চেষ্টা করছিলেন গৌতম ঘোষ নামে ওই কর্মী, অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ নিয়ে চূড়ান্ত উত্তেজনা এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।সকাল ৬: ভোট শুরুর আগেই হুগলির গোঘাটে বিজেপি কর্মীর মাকে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নিহতের নাম মাধবী আদক। ছেলে বীরুর উপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালালে, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন মা। ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ওঠে। তাতেই মাধবীদেবীর মৃত্যু হয় বলে দাবি বিজেপির। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। সকাল ৬.১৬: ক্যানিং পশ্চিমের হিঞ্চেখালি গ্রামে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি তিনি।সকাল ৬.৩০: ক্যানিংয়ের জীবনতলার হেদিয়া গ্রামে আইএসএফ এজেন্টকে বুথে যেতে বাধাদানের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রের অন্তর্গত দুর্গাপুরের ১২৭ নং বুথের ঘটনা। আইএসএফ-তৃণমূলের হাতাহাতিতে হেদিয়া গ্রামে চলল গুলি। ভোট শুরুর আগেই আতঙ্ক এলাকায়।সকাল ৬.৫৪: বাগনানে তৃণমূলের বুথ সভাপতির উপর হামলার অভিযোগ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারা হয় তাঁকে। জখম হয়ে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি তিনি। অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।সকাল ৭.০২: ভোট শুরুর আগে রাজনৈতিক অশান্তি হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে। ১৮৮ নং বুথে বিজেপি ও আইএসএফ এজেন্টদের বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৭.০৮: ক্যানিংয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে। ভর্তি হাসপাতালে। কাঠগড়ায় তৃণমূল।সকাল ৭.১৭: মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থীকে বুথে ঢুকতে বাধাদানের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নেত্রা হাইস্কুলের বুথের বাইরেই বসে বিক্ষোভ প্রার্থী মইদুল ইসলামের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২ ঘণ্টা বুথে বসতে পারলে আমি কেন পারব না? প্রশ্ন মইদুলের। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। সকাল ৭.২৮: বাগনানের দেউলটিতে বুথের বাইরে অতিরিক্ত জমায়েত। তা হঠাতে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর। বুথের বাইরে উত্তেজনা। সকাল ৭.৩৫: তুলসিবেড়িয়ায় তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে ইভিএম উদ্ধারের ঘটনায় কড়া নির্বাচন কমিশন। সেক্টর অফিসারকে সাসপেন্ড। ৪ টি ইভিএম ব্যবহার করা যাবে না, জানাল কমিশন। রিপোর্ট তলব করলেন ডেপুটি কমিশনার সুদীপ জৈন।সকাল ৭.৪১: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর বিধানসভার অন্তর্গত কুলেরদাঁড়ি অঞ্চলের ১০৭ বুথে বিরোধী এজেন্টদের বসতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে রাত থেকে চলছে বাড়ি ভাঙচুর, মারধর, খুনের হুমকি।সকাল ৭.৪৪: তারকেশ্বরের রামনগরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। ভোটের আগের রাতে এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ২ জওয়ানের বিরুদ্ধে। তাকে ধরে গণপিটুনি উত্তেজিত জনতার। ভোরে থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান স্থানীয়রা। কিন্তু থানা অভিযোগ গ্রহণ না করায় ফের বিক্ষোভ জনতার।সকাল ৭.৫৫: ক্যানিংয়ের তালদির কুমোরখালির বুথে ইভিএম বিভ্রাট। কুলতলির ২৩৮, ২৩৮এ, ২৩৯ বুথে রাত থেকে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, শুরু হয়নি ভোট। সকাল ৮.০১: উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি তারকা প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। সেখানে দাঁড়িয়ে জওয়ানদের সঙ্গে বচসায় জড়ালেন তিনি। পরে বুথে থাকা তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা হয় তাঁর।সকাল ৮.১০: ভোটের দিনই বাসন্তীর সোনাখালিতে উদ্ধার ২ ড্রাম বোমা। এলাকায় উত্তেজনা।সকাল ৮.১৭: রায়দিঘি বিধানসভার উত্তর কুমড়োপাড়া ২১৩ ও ২১৪ নং বুথের ৬০ মিটারের মধ্যে ক্যাম্প করে ভোটারদের প্রভাবিত করছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। সকাল ৮.৩৬: তারকেশ্বরের ১৪ নং বুথে বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্তকে ঘিরে জয় বাংলা স্লোগান কয়েকজন যুবকের। এ নিয়ে সাময়িক উত্তেজনা। পুলিশের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে।সকাল ৮.৪৯: বারুইপুর পূর্বের বেলাগাছি, কানাপাড়ায় উত্তেজনা। ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটারদের অভয়বার্তা বাহিনীর জওয়ানদের।সকাল ৯.১৭: মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের লক্ষীকান্তপুরের চৌকিতলায় বিজেপির বিরুদ্ধে বোমাবাজির অভিযোগ তৃণমূলের। সাতগাছিয়া বিধানসভার ২০৫ ও ২০৬ নম্বর বুথে বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মীদের মারধর করে তৃণমূল। ৫ জন আহত হন। সাতগাছিয়া বিধানসভার নোদাখালির আইমা এফপি স্কুলের বুথে বোমাতঙ্কও হয়েছে। সকাল ৯.৩৫: হাওড়ার শ্যামপুরে ১৭৩ নং বুথে তৃণমূলের ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। সকাল ১০.০৮: ডায়মন্ড হারবারের পূর্ব দাগিরায় ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার।সকাল ১০.১৯: হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে ফের অশান্তি। বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মহিলাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।সকাল ১০.২৬: তারকেশ্বর টাউনের ২৬০ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্ট পাপ্পু সিংকে বুথ থেকে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ টাউন তৃণমূলের চেয়ারম্যান স্বপন সামন্তের বিরুদ্ধে। দুপক্ষের মধ্যে বচসা।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 69
  • 70
  • 71
  • 72
  • 73
  • 74
  • 75
  • ...
  • 88
  • 89
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal