• ১১ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ২৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজনীতি

বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নিশীথ-জগন্নাথ

যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলেন বিজেপির দুই সাংসদ জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার দুপুরে একসঙ্গে বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফা দিয়ে আসেন বিজেপির দুই সাংসদ তথা বিধায়ক। দলের নির্দেশেই বিধায়ক পদ ছেড়ে সাংসদ পদে বহাল থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।নিয়ম অনুযায়ী এক ব্যক্তি একই সঙ্গে সাংসদ এবং বিধায়ক পদে থাকলে ৬ মাসের মধ্যে কোনও একটি পদ তাঁকে ছাড়তে হয়। সেই নিয়ম মেনেই বিধায়ক পদ ছাড়লেন তাঁরা। যদিও এই সিদ্ধান্তের জন্য বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদকে। বিরোধীরা বলছেন, এভাবে ইস্তফা দিয়ে মানুষের বিশ্বাস ভেঙেছেন দুই বিজেপি সাংসদ। দুই বিধায়কের ইস্তফার অর্থ, ওই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোটের এই ব্যাপক খরচ কে দেবে? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও বিধানসভা ভোটে দাঁড়ানোর যৌক্তিকতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এ বিষয়ে অবশ্য এদিন সাফাই দিয়ে বিজেপির দুই নেতা বলছেন, এটা পুরোপুরি দলের সিদ্ধান্ত। আগের বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক ছিল মাত্র ৩ জন। পরিষদীয় রাজনীতিতে সেভাবে কারও অভিজ্ঞতা ছিল না। সাংসদদের অনেকের সেই অভিজ্ঞতা থাকায় দল তাঁদের প্রার্থী করেছিল। বিজেপির দুই নেতা স্বীকার করে নিয়েছেন, দলের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। তাই দলের সিদ্ধান্ত মেনেই ইস্তফা দিয়েছেন তাঁরা। তবে, বিজেপির দুই সাংসদের দাবি, উপনির্বাচনে আরও বড় ব্যবধানে জিতবে গেরুয়া শিবির। ভোটের পর তৃণমূল যেভাবে বেলাগাম হিংসা চালাচ্ছে, মানুষ তারই জবাব দেবে।

মে ১২, ২০২১
রাজ্য

সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিতে চায় বিজেপি

পশ্চিমবঙ্গের সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আওতায় আনতে চায় বিজেপি। তবে ৭৭ জন বিধায়কের মধ্যে অনেকেই সেই সুবিধা পান। যাঁরা পান না তাঁদের আবেদন করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৪০ জনের বেশি বিধায়ক আবেদনের ফর্ম পূরণ করেছেন। তবে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ি-সহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিতে চান না বলে দলকে জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে বিধায়কদের চলাফেরায় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই দল তাঁদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। যাঁরা চাইবেন তাঁদের জন্য নিরাপত্তার কথা বলা হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে।অন্য একটি সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও বাংলার বেশ কয়েকজন বিজেপি বিধায়কের উপরে হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে। সেই মর্মে ৬১ জন বিধায়কের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে। সোমবারই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নির্বাচনের আগে থেকে জেড ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়ও একই রকম নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও দ্বিতীয়বারের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা আগে থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন করে কোচবিহারের সাংসদ তথা দিনহাটার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিকের নিরাপত্তা বাড়তে পারে। তিনি ওয়াই প্লাস ক্যাটিগরি অর্থাৎ, ২ জন কম্যান্ডো-সহ ১১ জন নিরাপত্তা রক্ষী পেতে পারেন। এখন নিশীথ ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়-সহ ৩ বিধায়ককে ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ভাবছে বিজেপি। এই ক্যাটিগরিতে ৮ জন নিরাপত্তা রক্ষী থাকবেন। বাকি ইচ্ছুক বিধায়করা এক্স ক্যাটিগরিতে ২ জন করে নিরাপত্তা রক্ষী পাবেন। তবে এই নিরাপত্তা নেওয়া বা না নেওয়া নির্ভর করছে বিধায়কদের উপরে। তাঁরা না চাইলে নিরাপত্তা দেওয়া হবে নাসোমবার কলকাতার হেস্টিংসে বিজেপি দফতরে দলের সব বিধায়কদের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচন। সেই পর্ব মেটার পরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বিধায়কদের তথ্য নেওয়া হয়। মোট ৫২ জন বিধায়ক সোমবার উপস্থিত ছিলেন। সকলকেই নাম, বাসস্থান এবং কোন এলাকায় তিনি বেশি যাতায়াত করেন সে সব লিখে দিতে বলা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, সেই সময়েই তা জমা দেননি বালুরঘাটের অর্থনীতিবিদ বিধায়ক অশোক। নিরাপত্তা পাওয়ার তালিকায় নাম থাকলেও যাঁরা সোমবার উপস্থিত ছিলেন না তাঁদেরকেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। তালিকায় যাঁদের নাম নেই তাঁরাও যদি নিরাপত্ত চান সে ক্ষেত্রে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা বাছতে ২ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে বৈঠকে বিজেপি

দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসছে গেরুয়া শিবির। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসছে বিজেপি। এছাড়া এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব।বিরোধী দলনেতা বাছতে রবিশঙ্কর প্রসাদ ও ভূপেন্দ্র যাদবকেই দায়িত্ব দিয়েছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডারা। সেই মতো এদিন সকালে হেস্টিংস কার্যালয়ে বসবে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক। দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককে ডাকা হয়েছে বৈঠকে। এছাড়া, রাজ্যের শীর্ষনেতারাও থাকবেন। বৈঠকে বিধায়কদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে বিরোধী দলনেতা ঠিক করার বিষয়ে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হবে।এদিকে সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা উপর থেকে কাউকে চাপিয়ে দিতে নারাজ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কারণ, রাজ্যে দলের আশানুরূপ ফল না হওয়ার পিছনে সেই আদি-নব্য দ্বন্দ্ব ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলে নতুন আসা ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার ফলেই এই অবস্থা বলে দাবি আদি নেতা-কর্মীদের। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসে টিকিট পেয়ে যাওয়াদের অধিকাংশই হেরে গিয়েছেন। এই দলবদলুদের ভালভাবে নেয়নি মানুষ। তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনটাই মনে করছেন রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতা-কর্মীরা। কাজেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সহমতের ভিত্তিতেই করতে চায় শীর্ষনেতৃত্ব। তবে বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী বলে মনে করা হচ্ছে। মুকুল রায়ের নাম প্রথমে থাকলেও মুকুলবাবুর শরীর ভাল নেই। বিরোধী দলনেতা হলে সারা রাজ্যজুড়েই ছুটে বেড়াতে হবে। মুকুল রায়ের পক্ষে সেই ছোটাছুটি সম্ভব নয়। কারণ তাঁর শরীর ঠিক নেই। কিন্তু রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতৃত্বের একটা বড় অংশই আবার চাইছে মনোজ টিগ্গাকেই বিরোধী দলনেতা করা হোক। মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা এবারও জয়ী হয়েছেন। এর আগে পরিষদীয় দলের নেতাও তিনি ছিলেন।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

'বিজেপির সৈনিক হিসেবেই কাজ করব'

২০ বছর বাদে সংসদীয় রাজনীতির ময়দানে লড়াই করে জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর একটু খাপছাড়া লেগেছিল তাঁকে। শুক্রবার বিধানসভায় বিধায়ক হিসেবে শপথ নিতে যাওয়া মুকুল রায়কে দেখা গিয়েছিল, বিজেপি পরিষদীয় দলের বৈঠক এড়িয়ে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মগ্ন। জল্পনা উস্কে উঠেছিল ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে পদ্মশিবিরের এই নেতার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে। তবে ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই টুইট করে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিলেন বঙ্গ রাজনীতির এই দুঁদে নেতা। টুইট করলেন, বিজেপির সৈনিক হয়েই পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র ফেরানোর কাজ করবেন। সমস্ত জল্পনা থামাতে চাইছি। নিজের রাজনৈতিক পথে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।প্রায় ২০ বছর পর নির্বাচনী যুদ্ধে নেমেছিলেন মুকুল রায়। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি অনেক কম প্রচার করেও কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বেশ বড় ব্যবধানেই জিতেছেন। তবে শুক্রবার বিধায়ক পদে শপথ নিতে বিধানসভায় তাঁর আচরণ কিন্তু উসকে দিয়েছিল একাধিক জল্পনা। এদিন বিধানসভা কক্ষে শপথ গ্রহণের পর মুকুল তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে যান। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বক্সির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন, অন্যদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে চলে যান। একটিবারও ঢোকেননি তাঁর নিজের দল বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে। এমনকী পরিষদীয় দলের বৈঠকও এড়িয়ে গিয়েছেন।

মে ০৮, ২০২১
কলকাতা

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দলবদলের জল্পনা বাড়ালেন বঙ্গ রাজনীতির 'চাণক্য' মুকুল

তিনি বরাবরই কৌশলী, বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য। দীর্ঘদিন পর সক্রিয় রাজনীতিতে এসেও তারই প্রতিফলন ঘটালেন।শপথ গ্রহণের দিন মুকুল রায়ের আচরণ বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো। শুক্রবার তিনি নির্ধারিত সময়েই পৌঁছে যান বিধানসভায়। ঠিক ১০ মিনিট সেখানে ছিলেন। শপথগ্রহণের পর বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে না গিয়ে সোজা তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরের দিকে চলে যান তিনি। সেখানে দেখা করলেন শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে, চলল সৌজন্য বিনিময়ও। তারপরই অবশ্য মুখে কুলুপ আঁটলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। বলেন, মানুষের জীবনে এমন দু-একটা দিন আসে, যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়। এই কথাই বহুমুখী ইঙ্গিতবাহী।জয়ের পর বিধায়কের শপথ নিতে এসে মুকুলের আচরণ কিন্তু উস্কে দিয়েছে একাধিক জল্পনা। এদিন বিধানসভা কক্ষে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তারপরই মুকুল রায়কে ঘিরে ধ্বনি ওঠে, দলনেতা হতে হবে। এসবে বিশেষ কর্ণপাত না করে তিনি তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে যান। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বক্সির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন, অন্যদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে চলে যান। একটিবারও ঢোকেননি তাঁর নিজের দল বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে। এমনকী পরিষদীয় দলের বৈঠকও এড়িয়ে গিয়েছেন।এরপর মুকুল রায় বিধানসভার বাইরে এলে তাঁকে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে নানা প্রশ্ন করেন। তাতে প্রথমে মুকুল রায় জবাব দেন, মানুষের জীবনে এমন দু-একটা দিন আসে, যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়। এ নিয়ে জল্পনা উস্কে ওঠে। এই নীরবতার কী অর্থ। বিজেপি বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়েই তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে কেন? এর উত্তরে তিনি বলেন, সুব্রত বক্সির সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরও অনেকের সঙ্গেই হয়েছে। সুব্রত মুখার্জিকে দেখিনি। কিন্তু সকলে যে তাঁকেই বিরোধী দলনেতা হওয়ার দাবি তুললেন? এ নিয়ে একটি কথাও উচ্চারণ করেননি মুকুল। এমনিতেই এই পদ নিযে মুকুল-শুভেন্দুর একটা অলিখিত লড়াই আছে, যে লড়াইয়ে অনেকেই শুভেন্দুকে এগিয়ে রাখছেন। কারণ, হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর নজরকাড়া সাফল্য। তবে কি এই দৌড়ে খানিক পিছিয়ে থেকেই তৃণমূল ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন একদা তৃণমূলের ভরসাযোগ্য নেতা মুকুল রায়? তাঁর আজকের আচরণ তুলে দিচ্ছে এমনই বেশ কিছু প্রশ্ন।

মে ০৭, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যজুড়ে লাগাতার অশান্তির প্রতিবাদে বিধানসভা অধিবেশন বয়কট বিজেপির

রাজ্য জুড়ে লাগাতার অশান্তির প্রতিবাদ। স্পিকার নির্বাচন ও বিধানসভা অধিবেশন বয়কট করল বিজেপি। শুক্রবার দিলীপ ঘোষ জানালেন, বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, রাজ্যের অশান্তি বন্ধ না হলে কোনও বিজেপি বিধায়ক আসবেন না বিধানসভায়। নির্বাচনের পরই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার খবর উঠে এসেছে। প্রাণ গিয়েছে অন্তত ১৬ জনের। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই অশান্তি মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ বলেছিলেন, বাংলা শান্তির জায়গা। কোনও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে চলা অশান্তির প্রতিবাদ করেছে বিজেপি। ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাকও দেয় গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যেই জল গড়িয়েছে হাই কোর্ট পর্যন্ত। বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা আর অশান্তি রুখতে কী কী পদক্ষেপ করেছে রাজ্য? কোথায় কতটা অশান্তি ছড়িয়েছে? এর বিস্তারিত তথ্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট । এই পরিস্থিতিতেই অধিবেশন বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার মেদিনীপুরের সাংসদ বললেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তি চলছে। যতদিন পর্যন্ত না অশান্তি বন্ধ হচ্ছে, বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত কোনও বিজেপি বিধায়ক বিধানসভা অধিবেশনে সামিল হবে না। এমনকী, স্পিকার নির্বাচনেও তাঁরা সামিল হবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এদিন দিলীপ জানিয়েছেন, রাজ্যজুড়ে ঘটে চলা অশান্তির কারণে অনেক বিধায়ক এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সামিল হতে পারেননি। যাঁরা এসেছেন তাঁরা কীভাবে ফিরবেন বুঝতে পারছেন না। উল্লেখ্য, ৫ মে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল ৬ মে, মোট ১৪৩ জন বিধায়ক শপথ নিয়ছেন। শুক্রবার শপথ নেওয়ার কথা ১৪৮ জনের।

মে ০৭, ২০২১
রাজ্য

দিনভর অশান্ত এলাকায় ঘুরল কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল

তৃতীয়বার বাংলার শাসনক্ষমতায় তৃণমূল আসার পরই নজিরবিহীন রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এই মর্মে অভিযোগও জমা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এ সংক্রান্ত খবর নিতে রাজ্যপালকে ফোনও করেছিলেন। এসবের ভিত্তিতে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ৪ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলকে বাংলায় পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । এ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি এদিন অশান্ত জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন। তার আগে অবশ্য কয়েক দফা বৈঠক করেন নবান্নে। শুক্রবার সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন অমিত শাহর মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ নিয়েই তিনি রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজে দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে প্রতিনিধি দলকে পাঠাল কেন্দ্র। রয়েছেন সচিব পর্যায়ের অফিসাররা। তাঁরা এদিন রাজ্যে এসে নবান্নে মুখ্যসচিব, ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। অশান্ত এলাকাগুলি নিয়ে খোঁজখবর নেন। দুই ২৪ পরগনা, বর্ধমান, কোচবিহার থেকে কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ভোটের ফলপ্রকাশের পর। তৃণমূল, বিজেপি কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে। তবে বিজেপির দাবি, নিহতদের বেশিরভাগই তাঁদের সমর্থক। এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলকে পাঠানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ নিয়ে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি হার মেনে নিতে না পেরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নবান্নে বৈঠক সেরে চলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। সেখানে নিহত বিজেপি কর্মী হারান অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন, ঘুরে দেখেন আশেপাশের পরিস্থিতি। এরপর সন্ধেবেলা তাঁরা যান উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানেও সকলের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টায় এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে যাবতীয় রিপোর্ট নেবেন। যদিও এদিন দুপুরেই রাজ্যের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে নতুন সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই এভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের রাজ্যে আসা মোটেই ভালভাবে নিচ্ছে না শাসকদল।

মে ০৬, ২০২১
রাজ্য

দিনভর অশান্ত এলাকায় ঘুরল কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল

তৃতীয়বার বাংলার শাসনক্ষমতায় তৃণমূল আসার পরই নজিরবিহীন রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এই মর্মে অভিযোগও জমা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এ সংক্রান্ত খবর নিতে রাজ্যপালকে ফোনও করেছিলেন। এসবের ভিত্তিতে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ৪ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলকে বাংলায় পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । এ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি এদিন অশান্ত জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন। তার আগে অবশ্য কয়েক দফা বৈঠক করেন নবান্নে। শুক্রবার সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন অমিত শাহর মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ নিয়েই তিনি রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজে দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে প্রতিনিধি দলকে পাঠাল কেন্দ্র। রয়েছেন সচিব পর্যায়ের অফিসাররা। তাঁরা এদিন রাজ্যে এসে নবান্নে মুখ্যসচিব, ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। অশান্ত এলাকাগুলি নিয়ে খোঁজখবর নেন। দুই ২৪ পরগনা, বর্ধমান, কোচবিহার থেকে কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ভোটের ফলপ্রকাশের পর। তৃণমূল, বিজেপি কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে। তবে বিজেপির দাবি, নিহতদের বেশিরভাগই তাঁদের সমর্থক। এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলকে পাঠানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ নিয়ে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি হার মেনে নিতে না পেরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নবান্নে বৈঠক সেরে চলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। সেখানে নিহত বিজেপি কর্মী হারান অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন, ঘুরে দেখেন আশেপাশের পরিস্থিতি। এরপর সন্ধেবেলা তাঁরা যান উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানেও সকলের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টায় এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে যাবতীয় রিপোর্ট নেবেন। যদিও এদিন দুপুরেই রাজ্যের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে নতুন সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই এভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের রাজ্যে আসা মোটেই ভালভাবে নিচ্ছে না শাসকদল।

মে ০৬, ২০২১
রাজ্য

রাজনৈতিক হিংসা দূর করতে শপথ বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের

একদিকে রাজ্যভবনে যখন মুখ্যমন্ত্রী পদে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখনই বিজেপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও শপথ নিলেন।বিধায়ক পদে শপথ নয়, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা নির্মূল করার শপথ নিলেন তাঁরা। বিধায়ক হিসাবে নিজেদের দায়িত্ব পালনের শপথ। মানুষের পাশে থাকার শপথ।হেস্টিংসে বিজেপির অফিসে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে শপথ নিলেন নন্দীগ্রামের নির্বাচিত বিজেপি প্রতিনিধি শুভেন্দু অধিকারী, দিনহাটার নিশীথ প্রামাণিক। তাঁদের সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঞ্চে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে শপথবাক্য পাঠ করলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডাও। অনেক দিন পর পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যার দিক থেকে অনেকটা শক্তিশালী বিরোধী দল পেল। এর আগে বাম বা কংগ্রেস বিরোধী দলের তকমা পেলেও সংখ্যার দিক থেকে তারা অনেকটাই দুর্বল ছিল। কিন্তু বিজেপির ৭৭ নির্বাচিত প্রতিনিধি সরকারকে চাপে রাখবে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বিজেপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শপথ নেন, বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসাবে তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করবেন। এবং পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থ রক্ষায় সর্বদা জাগ্রত থাকবেন। বিজেপির তরফে এই ৭৭ জনের মধ্যে বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা হয়নি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণের দিনই রাজনৈতিক হিংসা মুক্ত করার ডাক দিয়ে বিজেপি কার্যত তাদের অবস্থান বুঝিয়ে দিল।

মে ০৫, ২০২১
রাজ্য

ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদ, কাল বিজেপির ডাকা ধরনায় সামিল জেপি নাড্ডা

রবিবার রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ হয়েছে। বিপুল জনরায় নিয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের রাজ্য শাসনের ভার তাঁর উপরেই ন্যস্ত হতে চলেছে। দেরি না করে তাই বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। করোনা আবহে অনাড়ম্বর শপথ অনুষ্ঠান রয়েছে রাজভবনে। আর সেইদিনই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠা বিজেপি রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভোটের ফলপ্রকাশের পরপরই রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসায় সবচেয়ে বেশি বলি বিজেপি কর্মীরা। তারই প্রতিবাদে ধরনা। সূত্রের খবর, বিজেপির এই কর্মসূচিতে শামিল হয়ে বুধবার ধরনায় বসবেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও।মঙ্গলবার দুপুরে জেপি নাড্ডা এসেছেন শহরে। তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহারা। সেখান থেকেই সোজা নাড্ডা চলে যান নরেন্দ্রপুরের গোপালপুরে। সেখানে ভোট পরবর্তী অশান্তিতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। এখানে বেশ কয়েকটি পরিবারের উপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় বাড়িতে, চলে ব্যাপক লুটপাট। জেপি নাড্ডা এমনই বেশ কয়েকটি আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, মুকুল রায়, রাহুল সিনহারা।গোপালপুর থেকে তাঁরা যান সোনারপুরের প্রতাপনগরে। এখানে হারান আধিকারী নামে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। নিহতের স্ত্রী স্বর্ণলতা অধিকারী ও নাবালক ছেলে দীপ অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেন নাড্ডা এবং অন্যান্য নেতারা। এরপর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাড্ডা বলেন, এটাই তৃণমূলের গণতন্ত্র। সারা দেশের মানুষ এই হিংসা দেখছে। তবে বিজেপি এতে ভয় পায় না। এর শেষ দেখে ছাড়বে। তিনি আরও বলেন, বিরোধীদের উপর যেভাবে আক্রমণ চলছে, তা দেখেই বোঝা যায়, গণতন্ত্রকে কী চোখে দেখে তৃণমূল। সমস্ত রাজনৈতিক হত্যার বিচার হবে। গণতান্ত্রিক উপায়েই এর যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, বুধবারও কলকাতায় থাকবেন নাড্ডা। দলীয় স্তরের নেতাদের সঙ্গে দলের শোচনীয় ফলাফল নিয়ে আলোচনা করতে পারেন সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

'নগরের নটী' পায়েল-তনুশ্রীদের হার নিয়ে বিজেপিকে তোপ তথাগতর

বেহিসেবি মন্তব্যে অনেক কাল ধরেই তাঁর বেশ নামডাক। তবে এত দিন তথাগত রায়ের সেই সব মন্তব্য ধাবিত হত বিজেপি-বিরোধীদের প্রতি। কিন্তু বঙ্গ দখলের লড়াই শেষ হতে সেই তথাগত রায়ের দিকে তোপ এ বার ধেয়ে গেল দলীয় নেতৃত্বের দিকে। বিজেপি-র তারকা প্রার্থীদের একাংশকে নাম করে নগরীর নটী বিশেষণ দেওয়া হোক বা দলীয় নেতৃত্বকে প্রভু হিসেবে উল্লেখ করা বাছা শব্দচয়নে শুধু কটাক্ষই নয়, বিজেপি নেতৃত্বকে প্রশ্নবাণেও বিদ্ধ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার বিজেপি-র বর্ষীয়ান নেতা তথাগত টুইট করে দলের তিন তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার ও তনুশ্রী চক্রবর্তীকে টিকিট দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ওই তিন প্রার্থীর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেননের ভূমিকাকেও জিজ্ঞাসাচিহ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন তিনি। তথাগত মঙ্গলবার সকালে টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, পায়েল, শ্রাবন্তী, পার্নো ইত্যাদি নগরীর নটীরা নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কি?এর পর তিনি আর একটি টুইট করে আগের বক্তব্যে একটু সংশোধন করেন। সেখানে তিনি জানান, পার্নো নয় ওই নামটি তনুশ্রী চক্রবর্তী হবে। তিনি প্রথমে ভুল করে লিখে ফেলেছিলেন বলে জানিয়েছেন তথাগত। রাজনীতিতে পোড় খাওয়া তথাগতর বেহিসেবি মন্তব্য নিয়ে আগেও বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য নিয়ে আগেও বহু বার সমালোচিত হয়েছেন তিনি। এ বার দলের দিকে তোলা তাঁর প্রশ্নে রীতিমতো অস্বস্তিতে দল। প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করলেও বিজেপি নেতাদের তরফে জানানো হয়েছে, এটা তথাগতর নিজের বক্তব্য। দলের মন্তব্য নয়।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

২দিনের সফরে রাজ্যে নাড্ডা, ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক বিজেপির

বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার জের। ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিল বিজেপি। বাংলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে আজ দুদিনের জন্য রাজ্য সফরে আসছেন জেপি নাড্ডা। ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যজুড়ে শাসকদল সন্ত্রাস চলছে বলে রবিবার সন্ধে থেকেই অভিযোগ করছে বিজেপি। সোমবার দলের রাজ্য দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যজুড়ে অশান্তি ও হিংসার জেরে প্রাণ গিয়েছে ৬ জনের। রাজ্যে অবিলম্বে শান্তি ফেরানোর আরজি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যপালকে চিঠি দিচ্ছি। মুখ্যসচিবকেও চিঠি দেওয়া হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত না শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা হলে রাস্তায় নেমে আন্দোলনে নামবে বিজেপি। এদিকে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় টুইটে অভিযোগ করেন, ভোটে জেতার পর তৃণমূল উৎসব করছে। এবং তারা বিজেপি কর্মীদের ঘর ভাঙছে। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের বেশি বিজেপি কার্যকর্তা খুন হয়েছে। এদিন রাজ্যপালকে অভিযোগ জানানোর পর রাজভবনের বাইরে বেরিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দিলীপ ঘোষ বলেন, ভয়ংকর খুন, সন্ত্রাস হচ্ছে। লাঠি নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঢুকে বাড়ি ভাঙছে, আমাদের কর্মীদের মারধর করছে। সব ভিডিও আসছে। এসব বন্ধের আবেদন নিয়েই রাজ্যপালের কাছে এসেছিলাম। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের উপর লাগাতার হামলার প্রতিবাদেই বুধবার দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিয়েছে বিজেপি। আজ রাজ্যে এসে আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন ডেপি নাড্ডা। কর্মীদের মনোবল চাঙা করতে বৈঠক করতে দলের নেতাদের সঙ্গেও।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে ভোটপরবর্তী হিংসার বলি ৬ বিজেপি কর্মী

ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই ফের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল কোচবিহারের শীতলকুচিতে। ফের রক্ত ঝরল সেখানে। সোমবার সকাল থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষে চলে গুলি। আর তাতেই পেটে গুলি লেগে মৃত্যু হল এক বিজেপি কর্মীর। এ নিয়ে ফের অশান্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের এই স্পর্শকাতর কেন্দ্র। সোমবার নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় তপ্ত রইল রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তও। পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় তৃণমূল সমর্থক এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। প্রসঙ্গত, এই জেলায় তৃণমূল-বিজেপি ১৬-০ ফলাফলের পর এমন অশান্তি বলে দাবি বিজেপির। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় খুন হয়েছেন এক আইএসএফ সমর্থকও।ভোটের দিন থেকে খবরের শিরোনামে কোচবিহারের এই কেন্দ্র। গত ১০ তারিখ ভোটের দিন এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ ভোটারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্য। এই কেন্দ্রের অন্তর্গত জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথের বাইরে এই ঘটনার জেরে ভোটপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। ২৯ এপ্রিল ফের সেখানে ভোট নেওয়া হয়। জনরায় অবশ্য গিয়েছে বিজেপির পক্ষে। শীতলকুচি কেন্দ্রে ২১ হাজারের বেশি ভোটে তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়কে হারিয়ে জিতেছেন বিজেপির বরেনচন্দ্র বর্মন। এবার সেই ফলাফলের পরদিনও ফের উত্তাপ বাড়ল শীতলকুচিতে। বুড়াপঞ্চার হাট এলাকায় তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ের মাঝে পড়ে প্রাণ হারাতে হল তরতাজা এক যুবককে। তাঁকে নিজেদের সমর্থক বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, পেটে গুলি লাগার পর তাঁকে দিনহাটার হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সমসপুর গ্রাম নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত। সোমবার বেলার দিকে এখানে ফলাফল নিয়েই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। তা চরমে ওঠে, শুরু হয় হাতাহাতি, সংঘর্ষ। সমসপুরের বাসিন্দা বছর ষাটের গণেশ মালিক তা আটকাতে যান। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হন তিনি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। গণেশ মালিকের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা তাঁকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেদম প্রহারের পরই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দায়ের হয়েছে খুনের অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্রের বক্তব্য, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৬টিতেই জিতেছে তৃণমূল। তার বদলা নিতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি। এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকাংশ আসনে তৃণমূলের জয়ের পর বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চলছে বলে অভিযোগ। খেজুরি, ভগবানপুর, উত্তর কাঁথি এলাকায় বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন বহু বিজেপি সমর্থক।গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৬ জন বিজেপি কার্যকর্তাকে খুন করা হয়েছে, তারা হলেন, জগদ্দলের শোভারানী মণ্ডল, রানাঘাটের উত্তম ঘোষ, বেলেঘাটার অভিজিৎ সরকার, সোনারপুর দক্ষিণের হরম অধিকারী, শীতলকুচির মোমিক মৈত্র, বোলপুরের গৌরব সরকার।

মে ০৩, ২০২১
রাজ্য

মতুয়া ও রাজবংশীদের হাত ধরে কিছুটা মান বাঁচল বিজেপির

উত্তরে রাজবংশী। দক্ষিণে মতুয়া। প্রান্তিক, উপেক্ষিত দুই সমাজ অনেকটাই পাশে না থাকলেরাজ্য বিজেপির আসন সংখ্যা আরও বেশ কিছুটা কমতো বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। তাঁদের সমর্থনে ভর দিয়েই একটা সম্মানজনক সংখ্যায় পৌঁছে গিয়েছে গেরুয়া শিবির। না হলে আসনসংখ্যা হয়তো অর্ধশতকের আশপাশে আটকে যেত পদ্মের। ভোটের ফলাফলের বিন্যাস বলছে, মতুয়া ও রাজবংশী প্রভাবিত প্রায় প্রতিটি আসন জিতেছে বিজেপি। পূর্ববঙ্গ থেকে আসা দুই সম্প্রদায়ের মানুষের প্রভাব রয়েছে এমন এলাকার ভোটবাক্সে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি রাজ্যের শাসকদল। ব্যতিক্রম একমাত্র উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া। মতুয়া ভোট ঘরে তুলতে দুই তরফেই দীর্ঘ লড়াই জারি রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ার বেশ কিছু আসন জেতা-হারা নির্ভর করে মতুয়া ভোটের উপরে। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির প্রিয় ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি রাজনৈতিক ক্ষমতার টানাপোড়েনে দুই ভাগে বিভক্ত। সেখানকার ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে পারিবারিক টানাপোড়েনের মধ্যে রাজ্যের তরফের উন্নয়নকাজ অব্যাহত। অন্যদিকে আবার বিজেপির তরফেও রয়েছে নানা প্রতিশ্রুতি এবং এনআরসি ইস্যুতে মতুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস। ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে বনগাঁর উত্তর ও দক্ষিণ, বাগদা, গাইঘাটা জিতেছে বিজেপি। হাবড়া আসনে সামান্য ভোটে জিতেছেন খাদ্যমন্ত্রী। পাশের জেলা নদিয়ায় রানাঘাট উত্তরপূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, কৃষ্ণগঞ্জে মতুয়া ভোটের আধিক্য রয়েছে। সেখানে বিজেপি জিতেছে। মতুয়া নির্ণায়ক শক্তি এমন আসন হরিণঘাটা, কল্যাণী জিতেছে গেরুয়া শিবির। তবে তেহট্টে মতুয়া ভোট পেয়েছে তৃণমূল। উত্তরবঙ্গে গত লোকসভা ভোটেই ভাল ফল করেছিল বিজেপি। তার আগের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে যে কিছুটা হলেও হাওয়া রয়েছে তা বোঝা গিয়েছিল। এবার দেখা গেল রাজবংশী এবং কামতাপুরী সম্প্রদায়ের প্রভাব রয়েছে এমন আসনগুলি হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের।অন্যিদিকে, কোচবিহারের দিনহাটা, মাথাভাঙা, তুফানগঞ্জ, মেখলিগঞ্জ, কোচবিহার উত্তর ও দক্ষিণ, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ আলিপুরদুয়ারের বেশ কিছু আসন জিততে পারেনি তৃণমূল। এগুলি সবই রাজবংশী ভোটার বেশি। তারাই নির্ণায়ক শক্তি। গ্রেটার কোচবিহার আন্দোলনেও প্রাণ গিয়েছে এখানকারই মানুষের। এখানে দলের মধ্যে খুবই ঝামেলা রয়েছে যা ভোটের আগেও মেটানো যায়নি। নেতাদের অন্তর্দ্বন্দ্বের প্রভাব পড়েছে ভোটের বাক্সে। আবার পাহাড়ের দার্জিলিং ও কার্সিয়াংসহ ডুয়ার্সের আদিবাসী অধু্যষিত একাধিক আসন জিতেছে বিজেপি। যেগুলি পকেটে না পুরতে পারলে মোট আসনের নিরিখে সংখ্যাটা একটুও ভারী বা ওজনদার মনে হত না। তথ্য ও পরিসংখ্যানের প্রশ্ন মতুয়া এবং রাজবংশী ভোট নিজেদের ঝুলিতে ভরতে না পারলে কম করে কুড়িটি আসন কম পেতে পারত বিজেপি। এই প্রান্তিক, উপেক্ষিত মানুষগুলির একটা বড় অংশই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মান বাঁচাল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ০৩, ২০২১
কলকাতা

ভোটগণনার আগে ব্যাপক বোমাবাজি, উত্তপ্ত বেলেঘাটা

আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। কিছুক্ষণের মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যাবে বাংলার দায়িত্ব যাচ্ছে কার হাতে, তৃণমূল না বিজেপি। তার আগে উত্তেজনা ছড়াল বেলেঘাটায়। বিজেপির বুথ এজেন্টের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে কোচবিহার থেকে উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে বেলেঘাটা ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক বুথ এজেন্টের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপর বাইকে ১০ থেকে ১২ জন যুবক বেলেঘাটা মেন রোড এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয়। বোমাবাজি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেইসময় অভিযুক্তরা পুলিশের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। মারধরও করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দীর্ঘক্ষণ পর শান্ত হয় এলাকা। পুলিশের তরফে ইতিমধ্যেই বোমার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। অন্যদিকে, ভোটগণনা শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে কোচবিহার মাথাভাঙ্গার পঞ্চানন মোড় এবং বাইশগুড়ি হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তাজা বোমা। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর যায় পুলিশে। ইতিমধ্যেই বোমাটি উদ্ধার করা হয়েছে। বোমাবাজি হয়েছে বীরভূমের দুবরাজপুরে। এছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকে প্রকাশ্যে এসেছে অশান্তির খবর। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত পুলিশ।

মে ০২, ২০২১
রাজনীতি

গেরুয়া ঝড়ের অপেক্ষায় কী বাংলা? কত আসন পেতে পারে বিজেপি, তৃণমূলের সম্ভাবনা কতটা? আর সংযুক্ত মোর্চা!

টানটান উত্তেজনায় রাজ্যের ২৯২টি কেন্দ্রে নির্বাচন শেষ হল। শেষ দিনেও উত্তজনার পারদ ছিল চরমে। রক্তও ঝড়েছে। রাজ্যে মোট ৮ দফার ভোটে কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এরা ভোট বানচাল করার চেষ্টা করছিল। বাহিনীর ওপর আক্রমণ শানিয়েছিল। যদিও নিরীহ ভোটারদের হত্যা করা হয়েছে বলে তৃণমূল অভিযোগ করেছে।ভোট শেষ হতেই এক্সিট৷ পোল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি চ্যানেলগুলো। কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ হবে। শুরু হয়েও গিয়েছে। সংস্থার সঙ্গে অন্য বিশেষজ্ঞ টিমও রয়েছে। যদিও এক্সিট পোল বা কোন সমীক্ষাই শেষকথা বলে না।জনতার কথা নির্বাচনের একমাস আগে থেকেই গ্রাম-বাংলা, শহরের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছে। তাঁদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। সেক্ষত্রে জঙ্গলমহলের আদিবাসী সম্প্রদায় এবারও ক্ষোভপ্রকাশ করেছে রাজ্য সরকারের ওপর। স্বাভাবিক ভাবে পদ্মশিবিরেই ঝুঁকে তাঁরা। সেখানে গত লোকসভার মতো এবারও ফের আসন বাড়তে পারে বিজেপির। এদিকে উত্তরবঙ্গের রাজবংশীদের একটা বড় অংশ গেরুয়া শিবিরে ভিড়ে আছে। সেক্ষেত্রে রাজবংশীদের ভোটের সামান্য অংশ তৃণমূল পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছ। আবার মতুয়ারা এবারও বেশিরভাগ বিজেপির দিক থেকে মুখ ফেরায়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে দলিত, আদিবাসীদের ভোটে বাজিমাত করবে বিজেপি। তারওপর ব্যাপক অ্যান্টিএস্টাব্লিসমেন্ট ভোট। তাছাড়া মেরুকরণের ভোট আছে। উন্নয়নের নিরিখে ভোটে লড়েছে তৃণমূল। জাতপাতের বিরুদ্ধে লড়েছে। গ্যাস, পেট্রলের দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। এসব ক্ষেত্রে শহরে ভোটাররা প্রভাবিত হবে। গ্রামে কোনও কাজ আসবে না বলে অভিজ্ঞ মহলের মত। বরং গ্রামের পর গ্রাম হিসেব হয়েছে কী কী পায়নি। কেন আবাস যোজনার বাড়ি পায়নি। কেন এখনও কু্ঁয়ো বা পুকুরের জল পান করতে হয়। কাটমানি, আমফানের হিসেবও আছে। ভোট দেওয়ার পর এসব অনেক জায়গায় চোখেমুখে ফুটে উটেছে।এসব ছাড়া ভোটে হাজার ইস্যু কাজ করে। তার কোনও ইয়াত্তা নেই। এমন কোন ভোট পন্ডিত নেই যিনি ভোটের হারজিতের নির্দিষ্ট কারণ বলতে পারবেন। প্রচুর স্থানীয় কারণ থাকে। বোফর্স মামলায় দেশ হিলেছিল। কিন্তু এবার রাজ্য যে ৮ দফার ভোট হল তার নির্দিষ্ট কোনও ইস্যু ছিল না তা স্পষ্ট। তবে দক্ষিণবঙ্গের গড়ে অনেকটাই ভোটে লড়াই দিয়েছে তৃণমূল। এটাই ঘাসফুল শিবিরের এখন বড় ভরসা।২৯১ কেন্দ্রের যা পরিস্থিতি ওপরের বিশ্লেষন অনুযায়ী রাজ্যে শাসন ক্ষমতায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রবল। রাজ্যের জনতা মনে করছে বিজেপি ১৬০-১৮০টি আসন পেতে পারে। তৃণমূল পেতে পারে ১০০-১১০টি আসন। সংযুক্ত মোর্চার জুটতে পারে ২০-২৫টি। এটা জনতার কথা, তাঁদের মতামত। এবার অনেক রথী-মহারথীর আসন টলে যাবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এইসব পরিসংখ্যান নির্ভুল হবে তার গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে না। তবে আগাম রাজনৈতিক বিশ্লেষণ তো থাকবেই। নেতা-নেত্রীরা ভোট ঘোষণার পর থেকে রোজ বলছে কোন দফায় কত আসন পাবে। তাহলে মোট আসন সংখ্যা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে।হুইল চেয়ারে মমতা ম্যাজিক দেখার জন্য বসে আছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। অভিজ্ঞমহলের মতেএটাও এবার খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক অঙ্ক ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
কলকাতা

আধাসেনাদের অশ্লীল আক্রমণ ফিরহাদের! ভাইরাল ভিডিও

এবার পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনল বিজেপি। একটি ভাইরাল ভিডিওকে হাতিয়ার করে বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য দাবি করলেন, বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গালিগালাজ করেছেন তিনি। সুর চড়ালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। যদিও পুরমন্ত্রীর পালটা দাবি, তিনি কোনওরকম গালিগালাজ করেননি। তাঁর মুখে কথা বসানো হয়েছে। বিজেপি ফেক নিউজ ছড়াচ্ছে।অমিত মালব্যর পোস্ট করা ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, প্রচারে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাম নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করছেন ফিরহাদ। বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের দল এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও গালিগালাজ করেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী। ভিডিওটি পোস্ট করে অমিত মালব্য অভিযোগ করছেন,মমতা নিজেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছেন, তাঁর দলের মন্ত্রীরাই বা পিছিয়ে থাকবেন কীভাবে? বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের আবার দাবি, হতাশা থেকে এই ধরনের মন্তব্য করছেন তৃণমূল নেতারা। সংখ্যালঘুদের ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে তৃণমূল। দিলীপের বক্তব্য, চাষির গরু হারিয়ে গেলে যা হয়, সেটাই হচ্ছে তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রী যা ইচ্ছা বলছেন, তাঁর মন্ত্রীরা যা ইচ্ছা বলছেন, সংখ্যালঘুদের উসকানি দিচ্ছেন। কিন্তু কেউ রাস্তায় নেই। বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অভিযোগও জানানো হয়েছে।Ye election ho jaane do, suar ke bache CISF ke against action lenge... says Firhad Hakim, TMC leader and ex-Mayor of Kolkata.If Mamata Banerjee is constantly instigating her cadres to indulge in violence against central para military forces, how can her minions be behind? pic.twitter.com/ceL1Di7xvK Amit Malviya (@amitmalviya) April 20, 2021যদিও এই ভিডিও ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ফিরহাদ নিজে। রাজ্যের পুরমন্ত্রীর দাবি, তাঁকে এবং তাঁর দলকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করছিল এক বিজেপি কর্মী। তাঁর মুখে সেই কথা বসানো হয়েছে। তা সম্পূর্ণ ভুয়ো। ফিরহাদের কথায়,আমি গালাগালি কেন দেব? প্রত্যেকবার ভোটের আগে একটা করে এমন ফেক ভিডিও বিজেপি-র আইটি সেল ছড়ায়। এডিট করে দিয়েছে, বিজেপির আইটি সেল চরিত্র হনন করে। ফেক নিউজ, ফেক ভিডিও ছড়াচ্ছে।

এপ্রিল ২০, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মরশুমে কালনায় ফের খুন বিজেপি কর্মী

নদিয়ার চাকদহের পর এবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু। সোমবার সকালে বাড়ির পাশের বাগান থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল গেরুয়া শিবিরের ওই কর্মীকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দিয়ে গিয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের পালটা দাবি, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁকে বিজেপি কর্মী হিসেবে মানতেও নারাজ তৃণমূল। এই ঘটনায় এলাকার উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে কালনা থানার পুলিশ। তবে দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। শান্তিপূর্ণভাবেই মিটেছে রাজ্যের ভোটপঞ্চমী। কিন্ত তার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের পরদিন অর্থাৎ রবিবার সকালে নদিয়ার চাকদহ বিধানসভার অন্তর্গত শিমুরলিয়া গ্রামে এক বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ করা হয়েছিল, পিটিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে। ঘটনার জন্য তৃণমূলকেই দায়ি করেছিল বিজেপি শিবির। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই কালনায় আরেক বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল।স্থানীয় সূত্রে খবর, কালনার কল্যাণপুরে নিজের বাড়ির পাশেই এক বাগান থেকে অখিল প্রামাণিকের (৪৫) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর ভাই দেবু প্রামাণিকের অভিযোগ, গত কয়েকমাস ধরেই আমাকে আর আমার ভাইকে হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল কর্মীরা। ওরাই আমার ভাইকে খুন করল। পরিবার সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অখিল। এদিন সকাল হতেই তাঁর খোঁজে বের হন স্ত্রী ও ভাই। তখনই বাড়ি থেকে দুশো-তিনশো মিটার দূরে অখিলের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতদেহটির পা মাটিতে ঠেকেছিল। মাটিতে কয়েক ফোঁটা রক্তও পড়েছিল। তা দেখেই পরিবার ও বিজেপি কর্মীদের দাবি অখিলকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

রামনবমীর মিছিল মানেই কড়া বিধি! নজরে ড্রোন, সর্বত্র পুলিশি ঘেরাটোপ

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে কোনও রকম অশান্তি এড়াতে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় রামনবমীর মিছিল বের হবে। তার আগেই বুধবার নবান্ন থেকে ভিডিও বৈঠকের মাধ্যমে সমস্ত জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা করেন মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালা। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, মিছিল যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সেই জন্য পুলিশকে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাওড়া, চন্দননগর এবং ইসলামপুরের মতো এলাকাগুলিতে বাড়তি নজরদারি রাখা হবে। অতীতে এই সব এলাকায় মিছিলকে ঘিরে অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রশাসন বিশেষ সতর্ক।সারা রাজ্যে প্রায় তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে কলকাতায় থাকবে প্রায় এক হাজার পুলিশ। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্যও নেওয়া হতে পারে। একইসঙ্গে উসকানিমূলক বার্তা বা পোস্ট ছড়ানো বন্ধ করতে সাইবার নজরদারিও চালানো হচ্ছে। ২৬ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত এই বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই মিছিল করতে হবে। কোনওভাবেই অস্ত্র নিয়ে শোভাযাত্রা করা যাবে না। নির্দিষ্ট সময় ও রুট মেনে মিছিল করতে হবে এবং কোনও মিছিলে পাঁচশোর বেশি মানুষ থাকতে পারবেন না। এই নিয়ম ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নবান্নে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষও খোলা থাকবে, সেখান থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হবে।কলকাতা পুলিশও বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে। শহরে প্রায় ষাটটি মিছিল বের হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বড় মিছিল শুরু হবে এন্টালি, পিকনিক গার্ডেন, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, হেস্টিংস এবং কাশীপুর এলাকা থেকে। প্রতিটি মিছিলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।পুলিশকর্মীদের সুরক্ষার জন্য বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক পোশাক রাখা হবে। কোথাও কোনও সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিছিলগুলির উপর ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে এবং পুলিশ সেই ফুটেজ নজরে রাখবে।পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে, বাইক নিয়ে মিছিল করা যাবে না এবং শুধুমাত্র নির্দিষ্ট রুটেই শোভাযাত্রা করতে হবে। প্রতিটি মিছিলের আগে ও পরে পুলিশ থাকবে এবং আশপাশের এলাকাতেও টহলদারি চালানো হবে। পুলিশকর্মীদের পোশাকে বডি ক্যামেরাও থাকবে, যাতে পুরো পরিস্থিতি রেকর্ড করা যায়।সব মিলিয়ে রামনবমীকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও রকম অশান্তি না ঘটে এবং উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বড় লড়াই! শুভেন্দুর ঘাঁটিতে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, ‘ডি জে বাজবে’ বার্তায় তোলপাড়

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে নজরকাড়া কেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। শুভেন্দু অধিকারীর এই কেন্দ্রে এবার তাঁরই প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে সামনে রেখে লড়াই করছে তৃণমূল। শুভেন্দু নিজের ঘাঁটি ধরে রাখতে পারবেন, নাকি পুরনো সঙ্গীর কাছে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন, সেই প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক মহলে ঘুরছে।বুধবার নন্দীগ্রামে গিয়ে দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পবিত্র করকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২৫ দিনের দায়িত্ব কর্মীদের নিতে হবে এবং তারপরের পাঁচ বছরের দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমনভাবে লড়াই করতে হবে যাতে একটি বুথ থেকেও বিজেপি মাথা তুলতে না পারে।অভিষেক জানান, নন্দীগ্রামে প্রায় উনিশ হাজারের বেশি যুবসাথীর আবেদন জমা পড়েছে এবং সকলেই সেই সুবিধা পাবেন। তিনি আশ্বাস দেন, প্রয়োজন হলে তিনি বারবার নন্দীগ্রামে আসবেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেউ ভয় দেখালে বা চাপ সৃষ্টি করলে মানুষকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে হবে এবং যে ভাষায় বোঝে, তাকে সেই ভাষাতেই জবাব দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, চার তারিখের পর নন্দীগ্রামে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হবে এবং রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে ডি জে বাজানো হবে। মানুষের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।শুভেন্দু অধিকারীকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ছিল এবং এখনও আছে। তিনি অভিযোগ করেন, এলাকার বর্তমান বিধায়ক মানুষের জন্য কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। কেন্দ্রের সহায়তায় কী প্রকল্প আনা হয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি নিয়ে কাজ না করে শুধু ধর্মের রাজনীতি করা হচ্ছে।দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মধ্যে নন্দীগ্রামকে সেরা করতে হবে। পবিত্র কর জিতলে প্রতিটি বুথে সেবাশ্রয় প্রকল্প চালু করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানান, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা যেমন চলবে, তেমনই স্থানীয় স্তরেও উন্নয়ন হবে।সব মিলিয়ে স্পষ্ট, নন্দীগ্রামকে কেন্দ্র করে এবারের নির্বাচন আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে এবং এই কেন্দ্রের দিকে সবার নজর থাকবে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে নতুন মোড়! বিজেপির প্রার্থী অভয়ার মা, উত্তাল সোশ্যাল মাধ্যম

জল্পনাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। পানিহাটি কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হল অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম। বুধবার সন্ধ্যায় দলের তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। মোট ১৯ জনের এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি চমক দেখা যায় পানিহাটি কেন্দ্রে। অভয়ার মাকে প্রার্থী করে আর জি কর ঘটনার আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভোটে সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।দিল্লির নির্ভয়ার ঘটনার সঙ্গে মিল রেখে আর জি করের নির্যাতিতার নাম দেওয়া হয়েছিল অভয়া। সেই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় ছিলেন তাঁর পরিবার। নির্ভয়ার মায়ের মতো তিনিও রাজনীতির বাইরে থাকেননি। অভয়ার মা এবং বাবা বিজেপিতে যোগ দেন। গত সপ্তাহে পানিহাটির বাড়িতে তিনি নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, মেয়ের জন্য সুবিচার পেতে তিনি ভোটে লড়বেন।তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। অন্য দলগুলি তাঁদের বিষয়টি নিয়ে শুধু রাজনীতি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সুবিচার পাওয়া যাবে বলে তাঁর বিশ্বাস। এই মন্তব্যের পরই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই অভিযোগ করেন, মেয়ের মৃত্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।শুধু বিরোধীদের মধ্যেই নয়, বিজেপির অন্দরেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল বলে খবর। দলের একাংশের মত ছিল, অভয়ার মা নিজে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও, তাঁকে প্রার্থী করলে খুব বেশি রাজনৈতিক লাভ হবে না। কারণ এই ঘটনা শুধু একটি কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, গোটা রাজ্যের বিষয়।দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তবে সমস্ত বিতর্কের মাঝেই শেষ পর্যন্ত বিজেপি তাঁকেই প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার প্রকাশিত তালিকায় পানিহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম ঘোষণার পর নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

এক ঝটকায় বাদ ১৩ লক্ষ নাম! সামনে এল চমকে দেওয়া পরিসংখ্যান

অবশেষে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া নামের পরিসংখ্যান সামনে আনল নির্বাচন কমিশন। এতদিন ধরে যে বিপুল সংখ্যক নাম বিচারাধীন ছিল, সেই বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, প্রায় ৬০ লক্ষ নাম যাচাইয়ের জন্য রাখা হয়েছিল এবং সেই প্রক্রিয়া এখনও চলছে ।মঙ্গলবার প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হলেও সেখানে ঠিক কত নাম রয়েছে, তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল । প্রায় দেড় দিন পর কমিশন সূত্রে জানা গেল, এখন পর্যন্ত ৩২ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। অর্থাৎ নতুন করে প্রায় ১৩ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। তার আগে খসড়া তালিকাতেই প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়ে। পরে চূড়ান্ত তালিকায় আরও প্রায় ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭৬ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে বলে হিসেব উঠে এসেছে।কমিশন সূত্রে আরও জানা গেছে, মঙ্গলবার যে প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে প্রায় ১০ লক্ষ নাম রয়েছে। তবে এই তালিকার মধ্যে কতজনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এদিকে, আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় সম্পূরক তালিকা প্রকাশিত হতে পারে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। যদিও নির্বাচন কমিশন এখনও তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। প্রতিদিন নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে কি না, সেটাও বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে তীব্র সংঘাত! মমতা ও শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তাল রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়ে কমিশনের কাছে গিয়েছে তৃণমূল। দুই শিবিরের এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির অভিযোগ, আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার পরেও ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ছবি এবং কাটআউট এখনও লাগানো রয়েছে। এই বিষয়টিকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে তারা এবং সেই কারণেই কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।এর মধ্যে আরও একটি বিষয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। জানা যায়, ভোটে প্রার্থী হওয়ার আগে নিয়ম মেনে একাধিক লাভজনক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে খবর আসে তিনি ২৬ থেকে ২৮টি পদ ছেড়েছেন। তবে পরে জানা যায়, সেই ইস্তফা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে এবং পরে নতুন করে জমা দেওয়া হবে।অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। বুধবার নন্দীগ্রামে একটি সভায় তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করকে উদ্দেশ্য করে বিজেপি কর্মীরা অসম্মানজনক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে দুই শিবিরের এই সংঘাতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কমিশন এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

মার্চ ২৫, ২০২৬
বিদেশ

পদ্মায় মৃত্যুফাঁদ! নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা জলে বাস, এখনও নিখোঁজ বহু যাত্রী

বাংলাদেশের ফরিদপুরে পদ্মা নদীতে এক ভয়ংকর দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভেসেলে ওঠার সময় একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে উলটে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল পাঁচটার কিছু পরে বাসটি দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে পৌঁছায়। পদ্মা নদী পারাপারের জন্য সেটি ভেসেলের অপেক্ষায় ছিল। প্রায় দশ থেকে পনেরো মিনিটের মধ্যে ভেসেলটি ঘাটে আসে। সেই সময় ভেসেলে ওঠার সময়ই বাসটির নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায় এবং সেটি সোজা নদীতে পড়ে যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসটি জলের তলায় চলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় হইচই শুরু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। নদীতে ডুবুরি নামিয়ে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের এক আধিকারিক মহম্মদ মনির হোসেন বলেন, তাঁদের চোখের সামনে বাসটি নদীতে উলটে পড়ে যায় এবং কিছু করার সুযোগই পাননি। তিনি জানান, বাসে নারী ও শিশু সহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। কয়েকজন কোনওভাবে প্রাণে বাঁচতে পারলেও অনেকেই বাসের ভিতরে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এখনও পর্যন্ত কতজনকে উদ্ধার করা গেছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে উদ্ধারকাজ জোরদারভাবে চলছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক এবং শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
বিদেশ

প্যারিসে বাম ঝড়! দক্ষিণপন্থীদের উড়িয়ে বিপুল জয়ে নতুন ইতিহাস

ফ্রান্সের পুরসভা নির্বাচনে বামপন্থীদের বড় জয় সামনে এল। রাজধানী প্যারিসে ডানপন্থীদের হারিয়ে আবারও জয় পেল বাম শিবির। প্যারিসের মেয়র নির্বাচনে সোশালিস্ট দলের নেতা এমানুয়েল গ্রেগোয়ার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। তিনি প্রায় একান্ন থেকে তিপ্পান্ন শতাংশ ভোট পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিদা দাতিকে হারিয়েছেন।শুধু প্যারিস নয়, ফ্রান্সের একাধিক বড় শহরেও বামপন্থীদের ভালো ফল দেখা গিয়েছে। এই নির্বাচনে ডানপন্থীদের হারাতে বাম দলগুলি একজোট হয়ে লড়াই করে। ফল ঘোষণার আগেই বুথফেরত সমীক্ষায় বামেদের এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত মিলেছিল। শেষ পর্যন্ত সেই পূর্বাভাসই সত্যি হয়েছে।ফ্রান্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইতেও বামেদের জয় প্রায় নিশ্চিত। সেখানে সোশালিস্ট মেয়র বেনেই পায়ান প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশ ভোট পেয়ে ফের নির্বাচিত হওয়ার পথে। জয় নিশ্চিত হওয়ার পর সোশালিস্ট দলের নেতৃত্ব জানায়, এই ফল প্রমাণ করে মানুষ উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাঁদের দাবি, বামপন্থীরাই দেশের উন্নয়নের সঠিক পথ দেখাতে পারে।এছাড়াও লিও এবং লিল শহরেও বামেরা নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশের বড় শহরগুলিতে বামেদের দাপট স্পষ্ট। বিশেষ করে প্যারিসের জয় আলাদা করে নজর কাড়ছে। সোশালিস্ট, গ্রিন, কমিউনিস্ট সহ একাধিক বামপন্থী দলের জোট এই জয় নিশ্চিত করেছে।তবে সব জায়গায় একই চিত্র দেখা যায়নি। নিস শহরে ডানপন্থী নেতা এরিক চিত্তত্তি জয় পেয়েছেন। এছাড়া উগ্র ডানপন্থী দল জাতীয় র্যালি বড় শহরে জয় পায়নি ঠিকই, তবে ছোট কিছু পুরসভায় তারা কিছুটা সাফল্য পেয়েছে।এই নির্বাচনের ফল ফ্রান্সের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী রাষ্ট্রপতি এবং সংসদ নির্বাচনে এই ফলের প্রতিফলন দেখা যেতে পারে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

নতুন বিলে বদলে যাবে পরিচয়! রূপান্তরকামীদের জন্য কড়া নিয়মে দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক

লোকসভায় শীঘ্রই পেশ হতে চলেছে রূপান্তরকামী ব্যক্তি অধিকার সুরক্ষা সংশোধনী বিল। এই বিল পাশ হলে কোনও ব্যক্তি আর নিজের ইচ্ছেমতো নিজেকে রূপান্তরকামী হিসেবে ঘোষণা করতে পারবেন না। এর জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রক্রিয়ার পর মেডিক্যাল শংসাপত্র জমা দিতে হবে।বিল সামনে আসতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। একদিকে কেন্দ্রের সমাজকল্যাণ মন্ত্রকের দাবি, রূপান্তরকামীদের সঠিক সংজ্ঞা না থাকায় অনেক ভুয়ো দাবি সামনে আসছে। এর ফলে প্রকৃত রূপান্তরকামী ব্যক্তিরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই এই সংশোধন প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।অন্যদিকে রূপান্তরকামীদের সংগঠনগুলির অভিযোগ, এই বিল তাদের অধিকার খর্ব করবে। তাঁদের মতে, এই নিয়ম চালু হলে নিজের পরিচয় নির্ধারণের স্বাধীনতা কমে যাবে। অনেক সংগঠনই বলছে, এতে লিঙ্গ পরিচয়ের বিষয়টি সহজ হওয়ার বদলে আরও জটিল হয়ে উঠবে।এই বিলের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই আইন কার্যকর হলে রূপান্তরকামী মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকার আরও সংকুচিত হবে।বাংলাতেও এই ইস্যুতে প্রতিবাদের ছবি সামনে এসেছে। আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়ায় প্রায় পঞ্চাশজন রূপান্তরকামী অধিকারকর্মী পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা এই প্রস্তাবিত বিলের কপি পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই আন্দোলন।আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারকে এই বিল নতুন করে ভাবতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে রূপান্তরকামীদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।সব মিলিয়ে সংসদে বিল পেশ হওয়ার আগেই বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে উত্তেজনা এবং উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal