• ৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP Candidate,

রাজ্য

জন্মের আগেই মাধ্যমিক! নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হলফনামা নিয়ে এবার আদালতে প্রশ্ন

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের নির্বাচনী হলফনামা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর বয়স এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। বুধবার কলকাতা হাই কোর্টে বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মামলা দায়েরের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে হাসিরানি রথের নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হলফনামায় তাঁর বয়স ৬০ বছরের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই নথিতে ১৯৬৫ সালে চৌখালি গঙ্গা পদ্মা মিলন কন্যা বিদ্যাপীঠে দশম শ্রেণিতে পড়ার তথ্য রয়েছে। এই দুই তথ্যের মধ্যে কীভাবে সামঞ্জস্য রয়েছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী ঋজু ঘোষাল আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি করেন, হলফনামায় জন্ম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এমন তথ্য রয়েছে যা পরস্পরের সঙ্গে মেলে না। তাঁর বক্তব্য, বয়সের হিসাব অনুযায়ী ১৯৬৫ সালের কাছাকাছি হাসিরানি রথের জন্ম হয়ে থাকলে, সেই একই বছরে কীভাবে তিনি দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন বা মাধ্যমিক পাশ করেছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।শুধু বয়স এবং পড়াশোনার সাল নয়, সংশ্লিষ্ট স্কুল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কংগ্রেসের দাবি, চৌখালি গঙ্গা পদ্মা মিলন কন্যা বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালে এবং সেই সময় সেখানে দশম শ্রেণির পাঠদানের সরকারি অনুমোদন ছিল না। পরবর্তী সময়ে দশম শ্রেণির অনুমোদন পাওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। ফলে ১৯৬৫ সালে ওই স্কুলে দশম শ্রেণির পড়াশোনা কীভাবে সম্ভব হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।এর আগে মঙ্গলবারই প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে হাসিরানি রথের হলফনামার তথ্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। কংগ্রেসের বক্তব্য ছিল, নথিতে থাকা বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রার্থিতা বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছিল।তবে বিজেপি এই অভিযোগ মানতে নারাজ। বিজেপির বক্তব্য, হাসিরানি রথ ১৯৮০ সালে দশম শ্রেণিতে পড়তেন। হলফনামায় যে তথ্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা ছাপার ভুলের কারণে হয়েছে বলে দাবি করেছে দলটি। তাঁর জন্মের শংসাপত্রও প্রকাশ্যে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজেপি, যেখানে জন্মতারিখ ১৯৬৫ সালের ৮ জুন বলে উল্লেখ রয়েছে।হাসিরানি রথের নির্বাচনী দফতরের তরফেও দাবি করা হয়েছে, তিনি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় থেকেই সেই সময়ের ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, তখন পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষা চালু হয়নি এবং ওই স্কুলের দশম শ্রেণির তথ্য পুরনো শিক্ষাব্যবস্থার প্রেক্ষিতে দেখা প্রয়োজন। হলফনামায় দেওয়া তথ্য স্কুল থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।এখন কলকাতা হাই কোর্টে এই বিষয়টি নিয়ে কী শুনানি হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। হাসিরানি রথের হলফনামায় থাকা বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যের মধ্যে সত্যিই কোনও অসঙ্গতি রয়েছে কি না, নাকি এটি নথিগত বা মুদ্রণগত ভুলতা আদালতের শুনানিতে আরও স্পষ্ট হতে পারে।নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনকে সামনে রেখে এই বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। তবে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা কোনও সরকারি তদন্তের ফল সামনে না আসা পর্যন্ত হলফনামার তথ্য নিয়ে ওঠা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে শেষ মুহূর্তের চমক! প্রয়াত চন্দ্রনাথের মাকেই প্রার্থী করছে বিজেপি?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে হাসি রানি রথের নাম ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসি রানি রথ আজ মনোনয়ন জমা দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই তাঁর নামে পোস্টার পড়েছে। সূত্রের খবর, মনোনয়ন ঘিরে বড় কর্মসূচিরও প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র ছেড়ে এসেছেন, সেই আসনেই আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন। ফলে শুরু থেকেই এই কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা ছিল। বিজেপির তরফে একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসি রানি রথের নাম নিয়েই সবচেয়ে বেশি জল্পনা ছিল। সূত্রের খবর, শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হতে চলেছে।জানা গিয়েছে, আজ মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নন্দীগ্রাম বিধানসভার জানকীনাথ মন্দিরে পুজো দেবেন হাসি রানি রথ। ইতিমধ্যেই দলের কর্মী-সমর্থকেরা সেখানে জমায়েত হতে শুরু করেছেন। পুজোর পর প্রায় ২০ হাজার কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে মিছিল করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। হলদিয়ার কদমতলা মোড় থেকে জেলা শাসকের দফতর পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।দলের তরফে আস্থা রাখায় খুশি হাসি রানি রথ। তিনি জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামের মানুষের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন। এর আগে একটি সাক্ষাৎকারেও তিনি জানিয়েছিলেন, দল যদি তাঁকে কোনও গুরুদায়িত্ব দেয়, তা হলে তিনি সেই দায়িত্ব যথাসাধ্য পালন করবেন।তখন হাসি রানি রথ বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের পরিবারের অভিভাবক। তিনি কোনও গুরুদায়িত্ব দিলে তা মাথা পেতে নেবেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি রাজনীতিতে রয়েছেন। দুবার পঞ্চায়েত সদস্য এবং তিন বার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন।নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরএই দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ইতিমধ্যেই কালীঘাট তৃণমূল, ঋতব্রত তৃণমূল, বাম এবং কংগ্রেস নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে।নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন চাকরিহারা শিক্ষিকা সঞ্চিতা প্রধান দে। তাঁকে প্রার্থী করার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রামে লড়তে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনায় ইতি টেনে নতুন মুখের উপরেই ভরসা করেছে কালীঘাট তৃণমূল। অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক। বামেদের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিআই-এর শান্তিগোপাল গিরিকে।এই পরিস্থিতিতে বিজেপির তরফে হাসি রানি রথের নাম সামনে আসায় নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের লড়াই আরও জমে উঠেছে। যদিও দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা এখনও রয়েছে। আজকের মনোনয়ন এবং তার আগে বড় মিছিলের দিকে তাই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে চাঞ্চল্য, প্রাণনাশের হুমকি বিজেপি প্রার্থীকে

ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, তার আগেই বসিরহাট দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, প্রচারে বেরোনোর সময় তাঁকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয় এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনি বসিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও বিষয়টি জানিয়েছেন।বুধবার অন্যান্য দিনের মতোই প্রচারে বেরিয়েছিলেন শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা এলাকায় প্রচার শেষে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সময় তাঁর কাছে একটি ফোন আসে বলে অভিযোগ। ফোনে এক ব্যক্তি নিজেকে দীপ্তেশ দে বলে পরিচয় দেয়। এরপরই ওই ব্যক্তি অশালীন ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন এবং শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী। এরপরই তিনি স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানান এবং নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় এবং অবস্থান খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বসিরহাট দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ মিত্র, যিনি বাদল নামে পরিচিত, এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনও প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের এই ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনা বসিরহাটে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে নতুন মোড়! বিজেপির প্রার্থী অভয়ার মা, উত্তাল সোশ্যাল মাধ্যম

জল্পনাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। পানিহাটি কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হল অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম। বুধবার সন্ধ্যায় দলের তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। মোট ১৯ জনের এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি চমক দেখা যায় পানিহাটি কেন্দ্রে। অভয়ার মাকে প্রার্থী করে আর জি কর ঘটনার আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভোটে সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।দিল্লির নির্ভয়ার ঘটনার সঙ্গে মিল রেখে আর জি করের নির্যাতিতার নাম দেওয়া হয়েছিল অভয়া। সেই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় ছিলেন তাঁর পরিবার। নির্ভয়ার মায়ের মতো তিনিও রাজনীতির বাইরে থাকেননি। অভয়ার মা এবং বাবা বিজেপিতে যোগ দেন। গত সপ্তাহে পানিহাটির বাড়িতে তিনি নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, মেয়ের জন্য সুবিচার পেতে তিনি ভোটে লড়বেন।তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। অন্য দলগুলি তাঁদের বিষয়টি নিয়ে শুধু রাজনীতি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সুবিচার পাওয়া যাবে বলে তাঁর বিশ্বাস। এই মন্তব্যের পরই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই অভিযোগ করেন, মেয়ের মৃত্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।শুধু বিরোধীদের মধ্যেই নয়, বিজেপির অন্দরেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল বলে খবর। দলের একাংশের মত ছিল, অভয়ার মা নিজে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও, তাঁকে প্রার্থী করলে খুব বেশি রাজনৈতিক লাভ হবে না। কারণ এই ঘটনা শুধু একটি কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, গোটা রাজ্যের বিষয়।দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তবে সমস্ত বিতর্কের মাঝেই শেষ পর্যন্ত বিজেপি তাঁকেই প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার প্রকাশিত তালিকায় পানিহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে অভয়ার মা রত্না দেবনাথের নাম ঘোষণার পর নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির দ্বিতীয় তালিকায় বড় চমক! কে কোথা থেকে লড়ছেন জানলে অবাক হবেন

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এর আগে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার আরও ১১১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঠিক করেছে দল। বাকি রয়েছে আরও ৩৯টি আসন।বুধবার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব একাধিক বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠক হয়। আগে শোনা যাচ্ছিল প্রায় ৪৫টি আসনে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি।এই তালিকায় একাধিক চমক রয়েছে। হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে, তবে খড়গপুর সদর থেকে নয়। সেখানে আগে থেকেই দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল হিরণ আদৌ টিকিট পাবেন কি না। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে।এগরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারীকে। মানিকতলা থেকে তাপস রায় এবং টালিগঞ্জ থেকে পাপিয়া অধিকারীকে প্রার্থী করা হয়েছে।লোকসভা নির্বাচনের পর আবারও বিধানসভা ভোটে সুযোগ পেলেন রেখা পাত্র। আগে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে লড়লেও তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এবার তাঁকে হিঙ্গলগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জমে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামছেন তিলোত্তমার মা? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় চাঞ্চল্য

তিলোত্তমার মাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তে পারেন। দলের তরফে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে সম্মতিও জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে যান। সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সাক্ষাতের পর থেকেই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, পানিহাটি কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে।তিলোত্তমার বাবা জানিয়েছেন, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির উপরই তাঁদের ভরসা রয়েছে। তাঁর মতে, এই দলই ক্ষমতায় এসে পরিবর্তন আনতে পারে এবং রাজ্যে নারী সুরক্ষার পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।অন্যদিকে তিলোত্তমার মা জানিয়েছেন, নিজের গভীর দুঃখ ও যন্ত্রণার মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর মেয়ের ঘটনাকে কেউ যেন ভোটের স্বার্থে ব্যবহার না করে, সেই কারণেই তিনি নিজে সামনে আসতে চান।এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, তিলোত্তমার বিচার সবাই চান, কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ানো তার একমাত্র পথ নয়। তাঁর মতে, ভোটে জয় বা পরাজয়ের সঙ্গে বিচার পাওয়ার সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।সব মিলিয়ে তিলোত্তমার মায়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
দেশ

রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীকে ইঙ্গিতে সমর্থন দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো শুক্রবার বলেন, বিজেপি প্রার্থীর নাম আগে জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি একসঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলে ভালই হত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীরা রেরে করে উঠেছেন। বিজেপির দাবি, বিরোধীদের প্রার্থী হেরে যাবেন বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন মন্তব্য করেছেন।রাষ্ট্রপতি ভোটে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ প্রার্থী হয়েছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু। বিরোধীদের যৌথ প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতি যশবন্ত সিনহা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই বিরোধী দলগুলি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাই করতে দিল্লিতে বৈঠকে বসেছিল। পরে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বিরোধীরা যশবন্ত সিনহাকেই লড়াইতে মনোনীত করে।আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করে জঙ্গলমহলে প্রচারও শুরু করে দেয় বিজেপি। গেরুয়া শিবির যে আদিবাসীদের জন্য চিন্তাভাবনা করে সেকথা প্রচার হতে থাকে। কিছুটা চাপে পড়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধী শিবিরের নেতারা। হুল দিবসে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গলমহলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আদিবাসীদের পাশে সবসময় রয়েছে বিজেপি। জয়ী হওয়ার পর দ্রৌপদী মুর্মু জঙ্গলমহলে আসবেন বলেও তিনি ঘোষণা করেন।এদিকে এদিন রথযাত্রার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি আগে প্রার্থীর নাম জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলেই ভাল হত। এখন বিরোধীরা যা সিদ্ধান্ত নেবেন আমি সেটাই মানব। মাঝখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারি না। আদিবাসী, দলিত সকলেই আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলেই মনে করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুলাই ০২, ২০২২
কলকাতা

BJP: পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ মীনাদেবী পুরোহিতের, রিপোর্ট তলব কমিশনের

২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের উপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সকালে জোড়াবাগানে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন পাঁচবারের কাউন্সিলর মীনাদেবী। তাঁর শাড়ি ধরে টানাটানি করা হয় বলে অভিযোগ। মীনাদেবী বলেন, তাঁর ব্লাউজও ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, মাহেশ্বরী ভবনের বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অবৈধ জমায়েত হচ্ছিল। প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর হামলা হয়। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। মীনাদেবী পুরোহিত বলেন, মারামারি করেছে, ধাক্কাধাক্কি করেছে, গুন্ডা নিয়ে এসেছে। ভোটই করতে দিচ্ছে না। হেনস্থা করছে। শাড়ি খুলে দিয়েছে, ব্লাউজ ছিঁড়ে দিয়েছে। অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করছে। সকাল থেকে বুথ জ্যাম করে দিয়েছে। ভোট করতে দিচ্ছে না।মীনাদেবী বলেন, ১০০ জন ছেলেকে নিয়ে এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। অথচ পুলিশ কিছুই করছে না। মাহেশ্বরী ভবনে যে বুথ, সেখানে ভোট কেমন হচ্ছে তা দেখতে এদিন পৌঁছন মীনাদেবী পুরোহিত। অভিযোগ, এসে দেখেন লোকজনের জমায়েত। তার প্রতিবাদ করায় হামলা করা হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একজন মহিলা প্রার্থীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কমিশন।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Post Poll Violence: ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত মগরাহাটের বিজেপি প্রার্থীর মৃত্যু

ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গণনা কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। সেই থেকেই অসুস্থ ছিলেন। অবশেষে বুধবার ঠাকুরপুকুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যরা ভোট পরবর্তী হিংসার দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।আরও পড়ুনঃ হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী-র সিক্যুয়েল বানাচ্ছেন দেব?২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্র থেকে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন মোল্লার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সহ- সভাপতিও ছিলেন মানস সাহা। চলতি বছরের মে মাসের ২ তারিখে ডায়মন্ড হারবার মহাবিদ্যালয়ের ভোট গননা কেন্দ্রে থেকে ফেরার পথে তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন মানস সাহা সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক। সেই দিন থেকেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। বুধবার সকালের দিকে আচমকা অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে পরিবারের সদস্যরা ঠাকুরপুকুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যান। সেখানেই বুধবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার পরিজন। পরিবারের সদস্য ও এলাকার বিজেপি নেতাদের দাবি তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণেই মৃত্যু হয়েছে মানস বাবুর। যদিও সে কথা মানতে চাননি গিয়াসউদ্দিন মোল্লা।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজনীতি

BJP Candidate: ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা

শেষমেশ ভবানীপুর উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। ওই কেন্দ্রে রাজ্য বিজেপি-র যুবনেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালকে প্রার্থী করল গেরুয়াশিবির।মমতার বিরুদ্ধে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে একটা দোলাচল সৃষ্টি হয় দলের অন্দরে। বিজেপি-র অনেক বড় নেতাই মুখ ফিরিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। যাঁদের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে মিঠুন চক্রবর্তীও ছিলেন। কিন্তু তিনি মমতার বিরুদ্ধে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল। ফলে কাকে দাঁড় করানো হবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার আইনজীবী প্রিয়াঙ্কাকেই প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করল বিজেপি। যদিও প্রিয়াঙ্কাকে ওই পদে প্রার্থী করা হতে পারে বলে একটা জল্পনা চলছিল। ঘটনাচক্রে প্রিয়াঙ্কা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। সেই জল্পনাকে সত্যি করেই নাম ঘোষণা করল পদ্মশিবির।আরও পড়ুনঃ ১৬ বছর বাদে দোষী সাব্যস্ত মূল অভিযুক্ত২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেয়াল। একসময়ে বাবুল সুপ্রিয় আইনি পরামর্শদাতা ছিলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে এন্টালি থেকে প্রার্থী করা হলেও সেখানে প্রায় ৫৮ হাজার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী স্বর্ণকমল সাহার কাছে হেরে যান বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্তের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। হাইকোর্টও তাতে মান্যতা দেয়। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁকে দাঁড় করানো একপ্রকার পুরস্কারস্বরূপই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
কলকাতা

আক্রান্ত কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়

পঞ্চম দফার ভোটে অব্যাহত বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। এ বার আক্রান্ত হলেন কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি-র অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই রাজুর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেয়। এমনকী, বোমাবাজিও করে। এই ঘটনায় রাজু আহত হয়েছেন বলেও গেরুয়া শিবিরের তরফে দাবি করা হয়েছে। রাজুর ইঙ্গিত, কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রই এই হামলার পিছনে রয়েছেন। যদিও এ সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল। শনিবারই নির্বাচন কমিশনের কাছে এই হামলার অভিযোগ করেছেন রাজু।বিজেপি সূত্রের খবর, শনিবার ভোট চলাকালীন বেলঘরিয়া ব্রিজের উপরে রাজুর গাড়িতে ইট মারা হয়। অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করেছে। এই ঘটনায় রাজুর গাড়ির সামনের দিকের কাচ ভেঙে গিয়েছে। রাজুর ডান হাতে চোট লেগেছে বলেও দাবি বিজেপি-র। ঘটনার পর রাজু বলেন, সকাল থেকে কামারহাটির ভোটে অশান্তি ছড়াচ্ছেন মদন মিত্র। তাঁর দাবি, বহিরাগতদের এনে এলাকায় হামলা করানো হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

বরানগরে পার্নো মিত্রের মিছিলে হামলা

বরানগরে বিজেপি প্রার্থী পার্নো মিত্রের মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে বরানগর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সতীন সেন নগর এলাকায় প্রচারে গিয়েছিলেন পার্নো-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। তাঁরা বাইক নিয়ে রোড শো করার সে সময়ই তৃণমূলের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকেরা হামলা চালান বলে অভিযোগ।শনিবার পঞ্চম দফায় বরানগরে ভোট হবে। বুধবারই প্রচারের শেষ দিন। পার্নো হামলার ঘটনার পরে বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমাদের প্রচারে হামলা করেছে তৃণমূল।আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে আক্রমণ করা হয়েছে। মহিলাদের মারা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের তৃণমূল হুমকি দিচ্ছে, ২ মের পরে দেখে নেওয়া হবে।ঘটনার প্রতিবাদে বিটি রোড অবরোধ করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বরানগর থানায় বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপি-র তরফে।বরানগরে পার্নোর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক তাপস রায় অবশ্য হামলার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ভোটে পরাজয় নিশ্চিত বুঝে গিয়ে বিজেপি নাটক করছে। বরং ১ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি-র হামলায় আমাদের এক মহিলা নেত্রী আহত হয়েছেন।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজ্য

প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত ডায়মন্ডহারবারের বিজেপি প্রার্থী, ভর্তি হাসপাতালে

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রার্থী হয়েছেন। এবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার। শুক্রবার সকালে তিনি প্রচার করতে বেরিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার ১ নং ব্লকের হরিদেবপুর এলাকায়। সেখানেই মহিলা-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে থাকা দলবলকে তাড়া করে বলে অভিযোগ। এঁরা সকলে তৃণমূল সমর্থক বলে পরিচিত। আচমকা আক্রমণের মুখে পড়ে দীপক হালদার আহত হন। বুকে চোট নিয়ে তাঁকে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি আরও ১৫ জন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। ১১৭ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।ফেব্রুয়ারি মাসেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের দুবারের বিধায়ক দীপক হালদার। একুশের নির্বাচনে তিনি ফের নিজের কেন্দ্র থেকে লড়বেন। তবে ঘাসফুলের বদলে পদ্মশিবিরের সৈনিক তিনি। আগামী ৬ তারিখ, তৃতীয় দফায় ভোট ডায়মন্ডহারবারে। তার আগে প্রচার চলছে জোরকদমে। শুক্রবার সেই প্রচারে বেরিয়েই আক্রান্ত হলেন দীপকবাবু। তাঁর সঙ্গে থাকা ৩৫ জনের উপরও হামলা চলে বলে অভিযোগ। এঁদের মধ্যে ১৫ জনের আঘাত গুরুতর। সকলেই ভর্তি হাসপাতালে। বিজেপি জেলা সভাপতি দেবাংশু পণ্ডার অভিযোগ, তৃণমূল এখানে হেরে যাবে, তা বুঝেই প্রার্থীর উপর হামলা চালিয়েছে।মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল ব্লক সভাপতি গৌতম অধিকারীর পাল্টা দাবি, ওঁর বিরুদ্ধে ওই এলাকায় জনরোষ ছিলই। আজ তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এদিকে, প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। তাঁরা হাসপাতালের সামনে ১১৭ নং জাতীয় সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন, বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতির জেরে হাসপাতালে রোগী, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রবেশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। খবর পেয়ে পারুলিয়া উপকূল থানা ও ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব়্যাফ নামানো হয়। বিক্ষোভ হঠাতে গেলে বিজেপি কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত হন ডায়মন্ডহারবারের আইসি সুজন রায়। এরপরই বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে তাঁদের হটিয়ে হাসপাতালের সামনের রাস্তা পরিষ্কার করে দেয় পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজ্য

ভোট প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত অশোক দিন্দা

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটপ্রচারের শেষলগ্নে আক্রান্ত হলেন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দা। মঙ্গলবার সভা সেরে ফেরার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে তিনি আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। যদিও ওই ঘটনাকে বিজেপি-র আদি এবং নব্য-র দ্বন্দ্বের ফলাফল বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে তৃণমূল।অশোকের দাবি, মঙ্গলবার তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এলাকায় ৪টি সভা করেন। কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে ময়না বাজার এলাকায় তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। ইট দিয়ে তাঁর কাঁধেও আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। আচমকা হামলায় প্রাথমিক ভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পরে আরও লোকজন সঙ্গে করে এনে বিজেপি কর্মীরা পাল্টা চড়াও হলে হামলাকারীরা চম্পট দেয় বলে গেরুয়াশিবিরের দাবি। অশোকের দাবি, বিজেপি-কে আটকাতেই মঙ্গলবার পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

তমলুক থানার সামনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, হাসপাতালে দেখতে গেলেন দিলীপ ঘোষ

সোমবার রাতে পুলিশের সামনে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী ড. হরেকৃষ্ণ বেরাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তমলুক জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলায় তমলুকের হাসপাতাল মোড় অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের দাবি, সোমবার রাতে তাঁদের এক কর্মীকে মারধর করেছিল বিজেপি কর্মীরা। সেই ঘটনার অভিযোগ জানাতে তমলুক থানায় গিয়েছিল দলীয় কর্মীরা। সেই সময় বিজেপি প্রার্থী তাঁদের সামনে পড়ে যান। তখনই জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা আতেআর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজই তাকে তমলুকের জেলা আদালতে তোলা হবে। এদিন সকালবেলা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ জানান, গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করেছে দিদির সরকার। আসুন গর্জে উঠি। ইভিএমে জবাব দিই। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। থানার সামনেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রার্থীর উপর হামলার প্রতিবাদে পথ অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রথম দফার নির্বাচনের পর তৃণমূল বুঝে গিয়েছে তাঁরা হারছে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে মানুষকে ভয় দেখাতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

মনোনয়ন দিতে বাধা, কার্যালয়ে আত্মহত্যার হুমকি বিজেপি প্রার্থীর!

শ্লীলতাহানির মামলা চলায় গলসির বিজেপি প্রার্থীকে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়াতে বলেছিলেন দলের স্থানীয় নেতারা। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। জোর করে ভোটের ময়দান থেকে সরানো হলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিলেন তিনি। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। অস্বস্তিতে পড়েছে দল।১৭ মার্চ বিজেপির তরফে পূর্ব বর্ধমানের গলসি বিধানসভা আসনের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় তপন বাগদির। স্বাভাবিকভাবেই এরপর পুরোদমে ভোটপ্রচারে নামেন তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে গতকাল অর্থাৎ ২৬ মার্চ তপন বাগদিকে ডেকে পাঠান পূর্ব বর্ধমানের বিজেপির জেলা সভাপতি ও বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। তাঁর নামে শ্লীলতাহানির মামলা থাকায় তপনকে প্রার্থীপদ থেকে সরে যাওয়ার কথা বলেন জেলা সভাপতি। কিন্তু তা মানতে নারাজ প্রার্থী। তাঁর কথায়, বহু প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ রয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে মামলাও চলছে। তাঁরা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে। আমি কেন পারব না।এই ঘটনার জেরেই আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তপন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা ঠিক মনে করেছেন বলেই আমার উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ইতিমধ্যেই এবিষয়ে রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কেন্দ্রকে চিঠিও পাঠিয়েছি। ২৯ মার্চ মনোনয়ন জমা দেব। ওই দিন যদি কোনও বাধা দেওয়া হয় বা শেষ পর্যন্ত আমাকে সরে যেতে বাধ্য করা হয় তবে জেলা কার্যালয়ে আত্মহত্যা করব।

মার্চ ২৮, ২০২১
রাজনীতি

প্রচারে 'গো ব্যাক' স্লোগান, ক্ষুব্ধ বাবুল

প্রচারে বেরিয়ে ভবানীপুরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন টালিগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। দীর্ঘক্ষণ তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিডিও টুইট করে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাবুল।বৃহস্পতিবার রাতে নিজের এলাকা অর্থাৎ টালিগঞ্জে প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। নিজের বিধানসভা এলাকার বহু মানুষের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রচারের মাঝে ভবানীপুর এলাকার একটি ধাবায় চা খাওয়ার জন্য গাড়ি দাঁড় করান বাবুল। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে ফেলেন। গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।পাশাপাশি চলে তৃণমূলের স্লোগানও। একসময়ে বাধ্য হয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন বাবুল সুপ্রিয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে এলাকা ছাড়েন বিজেপি প্রার্থী।শুক্রবার সকালে এই ঘটনার ভিডিও টুইট করেন বাবুল। সেখানেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে গণতন্ত্র কোথায়? পাশাপাশি লেখেন, ২ মে সবকিছু শেষ হবে। খেলা নয়, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এবার উন্নয়ন হবে।

মার্চ ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

বিজেপির সংগঠন থেকে সরলেন রাজ্যের মন্ত্রীরা, বর্ধমান-সহ ৭ জেলায় সভাপতি বদল

রাজ্য বিজেপিতে রদবদল নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছিল। শুক্রবার রাজ্যের শীর্ষ পদ থেকে জেলা সভাপতিসহ বেশ কিছু পদে ব্যাপক রদবদল করল বঙ্গ বিজেপি। সামনেই রাজ্যে পুরসভা নির্বাচন। তার আগে এই রদবদল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এমনকী দলের মহিলা, যুব, এসসি এবং ওবিসি মোর্চার সভাপতিও বদল করা হয়েছে। বিজেপি দলের ঘোষিত নীতিই হল দলে এক ব্যক্তি, এক পদ। সেই অনুযায়ী রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, ইন্দ্রনীল খান, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং অগ্নিমিত্রা পলকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চমকে দেওয়ার মতো খবর অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু বিজেপির মহিলা মোর্চার নতুন রাজ্য সভানেত্রী হয়েছেন। এই পদে ছিলেন ফাল্গুনী পাত্র। যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খানকে সরিয়ে বিধায়ক অমিত সামন্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওবিসি মোর্চার সভাপতি হয়েছেন ধনঞ্জয় ঘোষ, এসসি মোর্চার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্বজিৎ বিশ্বাসকে।পাশাপাশি লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এই পদে রয়েছেন আরও তিন জন। পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, বিজন গোস্বামী ও শশী অগ্নিহোত্রী।এদিন রাজ্যের সাতটি সাংগঠনিক জেলা বর্ধমান, কাটোয়া, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, বারাসত, বনগাঁ, মেদিনীপুরে নয়া জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বর্ধমান জেলায় সভাপতি হয়েছেন আইনজীবী আশিষ পাল। এর আগে সভাপতি ছিলেন অভিজিৎ তা। কাটোয়ায় সভাপতি হয়েছেন মানিক রায়। বাকি পাঁচ জেলার সভাপতিরা হলেন, বণগাঁ নৃপেন বিশ্বাস, বারাসাত দীপঙ্কর চক্রবর্তী, শ্রীরামপুর শশী সিং, আরামবাগ প্রশান্ত দীগর, মেদেনীপুর সৌমেন তিওয়ারী। এছাড়া এদিন দলীয় সংগঠনের ৯টি বিভাগে ১৫ জনকে দায়িত্ব দিয়েছেন সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সর্বমঙ্গলার চরণে পুষ্পার্ঘ্য, করলেন আরতি, বর্ধমানে নতুন নজির শুভেন্দুর?

এই প্রথমবার বর্ধমানের অধিষ্ঠার্থী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দিলেন রাজ্যের কোনও মুখ্যমন্ত্রী। নতুন ইতিহাস তৈরি হল। শুক্রবার শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু পুজোই দিয়েই মন ভরেনি দেবীর সামনে আরতিও করেন তিনি। পরে মায়ের কাছে মাথা নত করে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে এলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আগমন উপলক্ষে এদিন বিশেষভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল মন্দির চত্বর। মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বর্ধমানের রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে মন্দির চত্বরেও বহু মানুষের ভিড় জমে যায়। শুক্রবার বেলা ১২টার কিছু পর হেলিকপ্টারে বর্ধমানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রথমে পুলিশ লাইন মাঠে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে শক্তিগড়ে তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নামার পর তিনি সরাসরি চলে যান সর্বমঙ্গলা মন্দিরে।মন্দিরে পৌঁছে পুজারি অরুণ কুমার ভট্টাচার্যের সঙ্গে গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র এবং আর এক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। তাঁরাও পুজোয় অংশ নেন। গর্ভগৃহের মেঝেতে বসে পুজারি অরুণ কুমার ভট্টাচার্যের সহযোগিতায় সর্বমঙ্গলা দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পুজো সম্পন্ন করার পর দেবীর সামনে আরতি করেন তিনি। পুজো শেষে মাথা নত করে দেবীকে প্রণাম জানিয়ে গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রীর জন্য মন্দিরে ভোগ অন্নের আয়োজনও করা হয়েছিল। তবে একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার ব্যস্ততা থাকায় তিনি ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি। এরপর মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে গাড়িতে করে পুলিশ লাইন মাঠে পৌঁছে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেন তিনি।পুজারি অরুণ ভট্টাচার্য জানান, মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত ভক্তিভরে সর্বমঙ্গলা দেবীর কাছে পুজো নিবেদন করেছেন। তাঁর দাবি, শুভেন্দু অধিকারীই বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী, যিনি সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে এসে পুজো দিলেন। সেই কারণেই শুক্রবার বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে একটি নতুন ইতিহাস তৈরি হল বলে জানান পুজারি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
শিক্ষা

“মেয়েরা সুস্থ থাকলেই এগিয়ে যাবে সমাজ”—কাঞ্চননগর স্কুলে নারী স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা শিবির

নারী সুস্থ থাকলেই সুস্থ পরিবার, সুস্থ সমাজকাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতনতা শিবিরনারীর স্বাস্থ্য শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি পরিবার এবং বৃহত্তর সমাজের সুস্থতা। ঋতুকালীন পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, সংক্রমণ প্রতিরোধ, মানসিক সুস্থতা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধিনারী স্বাস্থ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ সচেতনতা শিবির।শিবিরে ছাত্রীদের সামনে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছোট বয়স থেকেই গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিজের শরীর ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বাড়ির পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও প্রত্যেকের রয়েছে।বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুনীতা সাহা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারীস্বাস্থ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি পরিবারের সুস্থতার সঙ্গে মেয়েদের স্বাস্থ্য সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বাড়িঘর এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও ছাত্রীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কথায়, পরিচ্ছন্নতা শুধু অভ্যাস নয়, সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম ভিত্তি।অন্যদিকে শিক্ষিকা নন্দিনী দে স্বাস্থ্যকে শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানসিক সুস্থতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুস্থ শরীরের পাশাপাশি সুস্থ মনও প্রয়োজন। তাই দৈনন্দিন জীবনে একটি সাধারণ পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। এই সময়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সংক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং শরীরের কোনও অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা অবহেলা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখা এবং অলসতা এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়।খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টিও উঠে আসে শিবিরে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। শরীরে ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে নিয়মিত পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ এবং খাদ্যতালিকায় উপযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক তথা জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত নারীস্বাস্থ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, অনেক ক্ষেত্রেই নারীর স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক পরিকাঠামো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অভ্যাসও নারীস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যেকেরই নিজের সুস্থতার পাশাপাশি অন্যের সুস্থতার কথাও ভাবতে হবে। কারণ, একটি সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেই সমাজের মেয়েরা সুস্থ, সচেতন এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।শিবিরে নারীস্বাস্থ্য নিয়ে এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাই যে সুস্থ ভবিষ্যতের অন্যতম চাবিকাঠিসেই বার্তাই উঠে আসে এই সচেতনতা শিবির থেকে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ গেল, এবার জামিনের আবেদন! মিলন প্রধানের মামলায় হাই কোর্টে বড় নির্দেশ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড়। সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া রক্ষাকবচের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চে যায়। সেই মামলায় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করে তাঁকে জামিনের আবেদন করতে বলেছে।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে নতুন মামলায় আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। ওই মামলায় তাঁকে নতুন করে গ্রেফতারও দেখানো যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত এই সুরক্ষা বহাল থাকার কথা ছিল। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য।ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির সময় মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য জানান, তাঁর মক্কেল নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী। তাঁর দাবি, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় এবং পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়। ভোটের আগে নতুন মামলায় জামিন চাওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় নেই বলেও আদালতে সওয়াল করেন তিনি।জবাবে প্রধান বিচারপতি জানান, এই ধরনের পরিস্থিতিতে জামিনের আবেদন করাই উপযুক্ত আইনি পথ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আগাম জামিন বা গ্রেফতারের পরে জামিনের আবেদন করা হয়নি কেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া আইনের বাইরে কোনও বিশেষ সুবিধা পাওয়ার কারণ হতে পারে না। আইন সকলের জন্য সমান।প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, নির্বাচনে লড়ার অধিকার থাকলেও আইন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। জামিনের আবেদন করা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আদালত দ্রুত শুনানির ব্যবস্থাও করতে পারে বলে তিনি জানান। ছুটির দিন হলেও প্রয়োজন হলে আদালত বসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্য দিকে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার আদালতে জানান, মিলন প্রধানকে যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেখানে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে রাজ্যের দাবি। নতুন যে মামলাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেখানেও ১৯ সেপ্টেম্বরই তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল বলে জানায় রাজ্য।রাজ্যের আরও দাবি, পুরনো মামলাগুলি আগের সরকার প্রত্যাহার করতে চেয়েছিল। সেই কারণে দীর্ঘ সময় ওই মামলাগুলিতে কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। রাজ্যের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে ২০২১ সাল থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই বর্তমানে পদক্ষেপ করা হয়েছে।মিলন প্রধানকে ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলন পর্বের পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, জমায়েত এবং লুটপাট-সহ একাধিক অভিযোগের মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর গ্রেফতারির পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।এদিকে মিলনের জামিনের আবেদন নিয়েও আলাদা করে শুনানি চলছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে সেই মামলায় মিলনকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয় এবং অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়ার বিষয়েও আদালত মত জানায়। ফলে মিলন প্রধানের ক্ষেত্রে রক্ষাকবচ এবং জামিনদুই আইনি প্রক্রিয়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন আগামী ৬ অক্টোবর। ভোটের আগে মিলন প্রধানের আইনি পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানি করতে পারব না গুরু’, বিজেপির টাকা বিতর্কে আচমকাই মুখ খুললেন বং গাই

বাংলার জনপ্রিয় ইউটিউবার কিরণ দত্ত, যিনি বং গাই নামে পরিচিত, ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক প্রচারে টাকা নেওয়া নিয়ে তৈরি বিতর্কের মধ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন। সমাজমাধ্যমে তিনি জানালেন, কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি কোনও দিন ভিডিও বানাননি এবং ভবিষ্যতেও তা করবেন না। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বিজেপির নির্বাচনী খরচের হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সমাজমাধ্যমে এই বিতর্ক শুরু হয়। সেই হিসাবে দেখা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কনটেন্ট তৈরির জন্য শমীক অধিকারীর নামে ১৩ লক্ষ টাকা এবং সায়ক চক্রবর্তীর নামে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর দুই কনটেন্ট নির্মাতাকে ঘিরে সমাজমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।এই বিতর্কের মধ্যেই কিরণ দত্ত নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় লেখেন, কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি কোনও দিন একটি ভিডিওও বানাননি। ভবিষ্যতেও এমন করবেন না বলে স্পষ্ট জানান তিনি। নিজের অনুরাগীদের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য, তাঁকে তাঁরা যে জায়গা দিয়েছেন এবং খারাপ সময়ে যেভাবে পাশে থেকেছেন, তার সঙ্গে তিনি বেইমানি করতে পারবেন না।কিরণ আরও লেখেন, তিনি নদিয়ার একটি ছোট জায়গার ছেলে। সেখান থেকে তাঁকে যে জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন দর্শকেরাই, সেই সম্পর্ক তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, তিনি যা পেয়েছেন, তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। তাই এভাবেই ভালো থাকতে চান তিনি।বিজেপির নির্বাচনী খরচের হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর শুধু কিরণ দত্তই নন, আরও কয়েক জন পরিচিত মুখ এই বিতর্কে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিকও দাবি করেছেন, বিজেপির হয়ে প্রচারের জন্য তিনি কোনও টাকা নেননি। অন্য দিকে, সমাজমাধ্যমে শমীক অধিকারী এবং সায়ক চক্রবর্তীকে নিয়ে সমালোচনা ও পাল্টা মন্তব্যও শুরু হয়েছে।শমীক অধিকারীর বাটন নামে ভিডিওটি নির্বাচনের আগে ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছিল। অন্য দিকে, সায়ক চক্রবর্তী একটি রেস্তরাঁয় গোমাংস পরিবেশন নিয়ে তৈরি বিতর্কের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন। এখন নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া খরচের হিসাব সামনে আসায় সেই পুরনো ঘটনাগুলিও নতুন করে আলোচনায় ফিরেছে।তবে কোনও নির্দিষ্ট ভিডিও বা ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক দলের অর্থ থাকার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট নথি, বক্তব্য এবং প্রেক্ষাপট দেখা জরুরি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া খরচের হিসাবে কারও নামে টাকা দেখানো হয়েছে মানেই সেই ব্যক্তির প্রতিটি রাজনৈতিক বক্তব্য বা প্রতিটি ভিডিও ওই অর্থের বিনিময়ে তৈরি হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত সরাসরি টানা যায় না।এই পরিস্থিতিতে কিরণ দত্তের বক্তব্যের মূল কথা হল, তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভিডিও তৈরি করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক অবস্থান, অর্থের বিনিময়ে প্রচার এবং দর্শকের প্রতি তাঁদের দায়এই তিনটি বিষয় নিয়েই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
বিদেশ

ভয়াবহ বন্যার পর রাষ্ট্রপুঞ্জে বড় বার্তা বলেন্দ্রর! হিমালয় বাঁচাতে ভারত-চিনকে একসঙ্গে চান নেপালের প্রধানমন্ত্রী

নেপালের ভয়াবহ হড়পা বন্যা ও তার পরবর্তী বিপর্যয়ের প্রভাব নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় সরব হলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার অধিবেশনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিপর্যয় শুধু নেপালের সমস্যা নয়, গোটা বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা।সাম্প্রতিক বন্যায় নেপালের পার্বত্য অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই প্রায় ১,৪০০ ছাড়িয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ। নেপালের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধার ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে দশ হাজার মৃত্যু এখনও নিশ্চিত সংখ্যা নয়, সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আশঙ্কা হিসেবেই তা উল্লেখ করা হয়েছে।এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের প্রসঙ্গ তুলে বলেন্দ্র জানিয়েছেন, হিমালয়ের পরিবেশ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হিমবাহ গলছে, পাহাড়ের ঢাল আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে এবং নদীগুলির আচরণও আগের তুলনায় অনিশ্চিত হচ্ছে। এর ফলে বন্যা, ধস এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ছে।বলেন্দ্রর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোনও দেশের সীমান্ত মেনে চলে না। হিমালয়ের এক প্রান্তে বিপর্যয় শুরু হলে তার প্রভাব অন্য দেশেও পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বন্যার ক্ষেত্রেও নেপাল থেকে নেমে আসা জলের প্রভাব ভারত পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চ থেকেই ভারত ও চিনকে নিয়ে একটি নতুন যৌথ ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রস্তাব, নেপাল, ভারত ও চিনের নেতৃত্বে একটি হিমালয় জলবায়ু সহনশীলতা ব্যবস্থা তৈরি করা হোক। এর মাধ্যমে উপগ্রহের তথ্য ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতা ভাগ করে নেওয়া, বিপজ্জনক হিমবাহ ও হিমবাহ-হ্রদ পর্যবেক্ষণ, আগাম সতর্কবার্তা জোরদার করা এবং বিপর্যয়ের সময় সীমান্ত পেরিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণে সমন্বয় করা যেতে পারে।বলেন্দ্র আরও বলেন, হিমালয় যেন শুধু বিভিন্ন দেশের মধ্যে সীমান্ত হয়ে না থাকে। বরং এই অঞ্চলকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, তিন দেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিপর্যয়ের আগে সতর্কতা এবং বিপর্যয়ের পরে উদ্ধারদুই ক্ষেত্রেই প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।বিপর্যয়ের পর নেপালকে দ্রুত সাহায্য করার জন্য ভারত ও চিনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক দুর্যোগের পর দুই দেশই উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে সহযোগিতা করেছে বলে তিনি রাষ্ট্রপুঞ্জে জানান।হিমালয় অঞ্চলে প্রায় ২০০ কোটি মানুষের জল, কৃষি, জীবিকা এবং পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বলেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য, হিমালয়ের পরিবেশগত পরিবর্তন তাই শুধু নেপাল, ভারত বা চিনের বিষয় নয়, এর প্রভাব অনেক বড় এলাকায় পড়তে পারে।সাম্প্রতিক বিপর্যয়কে সামনে রেখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু দুর্যোগের পরে উদ্ধারকাজ করলেই হবে না। আগাম সতর্কতা, তথ্য আদানপ্রদান, বিপর্যয় মোকাবিলার পরিকাঠামো এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর জোর দিতে হবে। হিমালয় অঞ্চলে ভবিষ্যতের বিপর্যয় মোকাবিলায় ভারত, চিন এবং নেপালকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানই তাঁর বক্তব্যের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজো মিটলেই পুরভোটের দামামা! কলকাতা-সহ সাত পুরসভায় কবে ভোট, সামনে এল সম্ভাব্য দিন

পুজোর মরসুম শেষ হলেই রাজ্যে পুরভোটের আবহ তৈরি হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াংএই সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। তবে এখনও ভোটের দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি। সাম্প্রতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হতে পারে এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই গোটা প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।এই সাতটি পুরসভায় মোট ৬৩০১টি বুথে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। ভোটের পরিকাঠামো চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্ত। কোথায় কত বুথ, কত ইভিএম এবং কত সংখ্যক ভোটকর্মী ও নিরাপত্তাকর্মী প্রয়োজন, সেই বিষয়গুলি নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহ থেকেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর কাজ শুরু হতে পারে।প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুজোর পর অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। তার পর নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ২৭ থেকে ২৯ নভেম্বরের মধ্যে ভোট হতে পারে। তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ কমিশনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই নিশ্চিত হবে।এই পুরভোটে সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে কলকাতা ও হাওড়ার দিকে। হাওড়া পুরসভায় শেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৩ সালে। ২০১৮ সালে সেই পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে সেখানে নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসকের মাধ্যমে পুর পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে দীর্ঘ ১৩ বছর পর হাওড়ায় পুরভোট হতে পারে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসক বসিয়ে সেখানে পুর পরিষেবা চালানো হচ্ছে। হাওড়া ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন হয়নি এমন পুরসভাগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্গাপুর, ডোমকল, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, কার্শিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কুপার্স ক্যাম্প, নলহাটি, বালি এবং ধূপগুড়ি।এর পাশাপাশি আগামী বছরের শুরুতেই রাজ্যের আরও বেশ কিছু পুরসভার বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত বোর্ড না থাকা পুরসভা এবং মেয়াদ শেষ হতে চলা পুরসভাগুলিকে নিয়ে আগামী কয়েক মাসে বড় আকারের পুরভোটের প্রস্তুতি নিতে হবে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে।নির্বাচন কমিশনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় কাজ হল সময়মতো ভোটের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করা। ভোটার তালিকা, বুথ, ইভিএম, ভোটকর্মী এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থাপ্রতিটি বিষয়েই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সাত পুরসভার ভোটের প্রস্তুতি শেষ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচন কী ভাবে করা যায়, সেই পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।ফলে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পরেই রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কলকাতা ও হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভা-সহ সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হলে ডিসেম্বরের শুরুতেই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সূচির জন্য এখন অপেক্ষা করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
দেশ

গাঁজার পর এবার মদ! বিমান ওড়ানোর আগেই পরীক্ষায় ধরা পড়লেন এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট

জুরিখ থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান ওড়ার ঠিক আগে মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়লেন সংস্থার এক পাইলট। উড়ানের আগে নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতেই তাঁর শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই তাঁকে বিমান চালানোর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সাময়িক ভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে।ঘটনাটি গত ৪ সেপ্টেম্বরের। জুরিখ বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটির। উড়ানের আগে পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষাতেই তাঁর শরীরে নির্ধারিত সীমার বেশি অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বিষয়টি সামনে আসার পরই পাইলটকে বিমান চালানো থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর পরিবর্তে অন্য এক পাইলট বিমানটি নিয়ে দিল্লি রওনা দেন। চূড়ান্ত চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট এবং সংস্থার অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই পাইলট সাসপেন্ড থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, যাত্রী নিরাপত্তা এবং সংস্থার নির্ধারিত নিয়ম মানার ক্ষেত্রে তারা কোনও আপস করে না। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পাইলটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। সমস্ত বিমানকর্মীকে নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার আগে এয়ার ইন্ডিয়ার আরও একটি বিমানকে ঘিরে পাইলটের মাদক পরীক্ষার বিষয়টি সামনে এসেছিল। গত ৪ আগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা হারায়। ঘটনায় যাত্রী এবং বিমানকর্মী মিলিয়ে ২৪ জন আহত হন। প্রাথমিক তদন্তে বিমানের তিনটি জলচাপ ব্যবস্থা সাময়িক ভাবে বিকল হয়ে যাওয়ার কথা উঠে এসেছে।ওই ঘটনার তদন্তের সময় বিমানের চালকের মাদক পরীক্ষাতেও নিষিদ্ধ মনঃপ্রভাবকারী পদার্থের উপস্থিতি ধরা পড়ে। পরবর্তী পরীক্ষায় ওই ফল নিশ্চিত হয় এবং পরে এয়ার ইন্ডিয়া সংশ্লিষ্ট পাইলটের চাকরি বাতিল করে। তবে বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ওই পাইলটের মাদক গ্রহণের মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা তদন্তে এখনও নিশ্চিত হয়নি।ফুকেত-দিল্লি বিমানের ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া তাদের পাইলটদের মাদক পরীক্ষার ব্যবস্থাও আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জুরিখে আরও এক পাইলটের শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ায় বিমানকর্মীদের শারীরিক সক্ষমতা এবং উড়ানের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।বিমান চালানোর ক্ষেত্রে পাইলটের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই উড়ানের আগে পরীক্ষায় কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নিয়ম রয়েছে। জুরিখের ঘটনাতেও সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।এখন চূড়ান্ত চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট এবং অভ্যন্তরীণ তদন্তে কী উঠে আসে, সেদিকেই নজর। তার পরেই ওই পাইলটের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal