• ২০ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BCCI

খেলার দুনিয়া

টেস্ট ক্রিকেটেও শেষ বিরাট অধ্যায়, নেতৃত্ব ছাড়লেন কোহলি

ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে আর কোনও ধরণের ফরম্যাটে নেতৃত্বে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও এবার সরে দাঁড়ালেন তিনি। টুইট করে তিনি টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নতুন নেতা বেছে নিতে হবে।গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের আগে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। গত বছর ডিসেম্বরে কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করতে চেয়েছিলেন কোহলি। তিনি বলেছিলেন, তাঁর নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সব জানতেন। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলি পরে বিবৃতি দেন, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে তিনি একেবারেই অন্ধকারে ছিলেন। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।🇮🇳 pic.twitter.com/huBL6zZ7fZ Virat Kohli (@imVkohli) January 15, 2022বোর্ড সচিব জয় শাহ থেকে শুরু করে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা পর্যন্ত সৌরভের পক্ষে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দেন। কোহলি টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় নির্বাচকরা চাননি সাদা বলের ক্রিকেটে দুজন নেতা রাখতে। তাই একদিনের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ভারতীয় ক্রিকেটে ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়েন কিং কোহলি। তাছাড়া রাহুল দ্রাবিড়কে কোচ করে কোহলিকে অন্য বার্তাও দিতে চেয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলির সরে দাঁড়ানোটা যে শুধু সময়ের অপেক্ষা, সেটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারার পরপরই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি।টুইটারে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করে কোহলি লিখেছেন, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও উদ্যমের সাথে দলকে সঠিকভাবে চালনা করার চেষ্টা করেছি। সততা বজায় রেখেই নিজের কর্তব্য পালন করেছি। সব কিছুরই পরিসমাপ্তি থাকে। আমার ক্ষেত্রেও ছিল। আমার এই যাত্রাপথে নিশ্চিতভাবেই ওঠানামা ছিল। কিন্তু প্রয়াসে কোনও কমতি ছিল না। সবসময় লক্ষ্য থাকে ১২০ শতাংশ দেওয়া। সবসময় স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলেছি। সততার প্রশ্নে কখনও আপোষ করিনি।গত ৭ বছর ধরে তাঁর ওপর আস্থা রাখায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কোহলি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্বের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সতীর্থ, সাপোর্ট স্টাফদের জন্যই আমার এই সফর স্মরণীয় ও সুন্দর হয়েছে। দেশের টেস্ট ক্রিকেট যে জায়গায় পৌঁছেছে তার জন্য প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফদের বড় ভুমিকা রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ধন্যবাদ।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL : ‌চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠী

ভারতচীন রাজনৈতিক টানাপোড়েনে একসময় ভারতীয় ক্রিকেট থেকে ব্রাত্য হয়েছিল ভিভো। পরে আবার ফিরে আসে আইপিএলের টাইটেল স্পনসর হিসেবে। এবার থেকে আর আইপিএলে দেখা যাবে না ভিভোকে। তার জায়গায় আইপিএলের নতুন টাইটেল স্পনসর টাটা। টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তির কথা জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল।আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের নির্দেশে শুভেন্দুকে ছাড়াই গঙ্গাসাগরের নতুন কমিটি২০১৫ সালে আইপিএলের স্পনসর হিসেবে যুক্ত হয়েছিল ভিভো। প্রাথমিকভাবে ২ বছরের চুক্তি ছিল। পরে চুক্তি বাড়ানো হয়। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চুক্তি ছিল। স্পনসরশিপের জন্য ভিভো ভারতীয় বোর্ডকে দেয় ২২০০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে ভারতচীন সীমান্তে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিবাদের জন্য গোটা ভারত উত্তাল হয়ে ওঠে। চীনের পন্য বর্জনের জন্য চারিদিকে রব ওঠে। সেই সময় রাজনৈতিক চাপে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ভিভোর সঙ্গে সাময়িকভাবে চুক্তি ছিন্ন করে। সেই সময় ভিভোর পরিবর্তে ড্রিম ইলেভেন আইপিএলের মূল স্পনসর হিসেবে দায়িত্ব নেয়। ২০২১ সালে আবার আইপিএলে ফিরে আসে চীনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা। ২০২২ আইপিএল পর্যন্ত তাদের সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি ছিল। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সরে দাঁড়াল ভিভো।আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, ভর্তি আইসিইউ-তেভিভো সরে গেলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে না। ভিভোর কাছ থেকে ২০২২ আইপিএলের জন্য বোর্ডের পাওনা ৪৪০ কোটি টাকা। নতুন স্পনসর টাটার কাছ থেকে এই অর্থ পাওয়া যাবে। আপাতত টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি হচ্ছে। অর্থাৎ ২০২২ ও ২০২৩ দুটি মরশুমে আইপিএলের টাইটেল স্পনসর হিসেবে থাকবে। ২০২৪ মরশুম থেকে পরবর্তী বছরের জন্য নতুন স্পনসরের জন্য আবার নতুন করে টেন্ডার ডাকবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, চীনের জিনিসের প্রতি মানুষের মনে খারাপ ধারণা তৈরি হয়েছে। ভিভোর উপস্থিতিও লিগের পক্ষে ভাল ছিল না। ওদের সরে যাওয়া ছাড়া রাস্তা ছিল না।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ranji Trophy : ‌রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড?‌ বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘ

করোনার বাড়বাড়ন্তে এবছরও স্থগিত হয়ে যাবে না তো রনজি ট্রফি? দেশের এই কুলীন প্রতিযোগিতা ঘিরে তৈরি হয়েছে আশঙ্কার বাতাবরণ। যেভাবে বিভিন্ন রাজ্যে করোনার প্রকোপ বাড়তে তাতে চিন্তার ভাঁজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের কপালে। চিন্তা আরও বাড়িয়েছে বাংলা রনজি দলের ৭ জন ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে।রনজির জন্য বেশ কয়েকদিন আগেই বাংলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠে অনুশীলন করছিল বাংলা শিবির। এর মাঝেই বাংলা দলের সব সদস্যের করোনা পরীক্ষা করা হয়। রবিবার রাতে রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে দেখা যায় ৬ জন ক্রিকেটার ও একজন সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। এই ৬ ক্রিকেটারের মধ্যে রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার, সুদীপ চ্যাটার্জি, কাজি জুনাইদ সইফি, গীত পুরি, প্রদীপ্ত প্রামানিক, সুজিত যাদব। এদের সঙ্গে সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ীর রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই জরুরি ভিত্তিতে রবিবার রাতেই বৈঠকে বসেন সিএবি কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আপাতত প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ক্রিকেট, জেলা ক্রিকেট স্থগিত রাখা হবে। পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে মঙ্গলবার অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকেই স্থানীয় ক্লাব ক্রিকেটের ভবিষ্যত ঠিক করা হবে।অনুষ্টুপ মজুমদার, সৌরাশিস লাহিড়ীদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলেও কারও কোনও উপসর্গ নেই। শনিবার সব ক্রিকেটারই প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। কারও সমস্যা দেখা যায়নি। কিন্তু আরটিপিসিআর(RTPCR) পরীক্ষার পর জানা যায় দলের ৭ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত। বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় চিন্তায় পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর আগে বিজয় হাজারে ট্রফি শুরুর আগে মুম্বই দলের কয়েকজন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের বাদ দিয়েই বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে গিয়েছিল বাংলা।রনজির ট্রফির প্রস্তুতির জন্য বাংলা দলের সঙ্গে প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলাতে আজই কলকাতায় আসার কথা ছিল মুম্বইয়ের। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা। প্রথমটা ৪৫ জানুয়ারি, দ্বিতীয়টা ৬৭ জানুয়ারি। কিন্তু বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় মুম্বই প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল করেছে। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে কিনা, তা এখনও মুম্বইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।এবছর রনজি শুরু হতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি। দেশে হু হু করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় আদৌও রনজি ট্রফি আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। কলকাতাতেও একটা গ্রুপের খেলা হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার বেশকিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় রনজি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত বোর্ড কর্তারাও।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : অবশেষে মুখ খুললেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট, কোহলির মন্তব্য নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি?‌

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে বিরাট কোহলির সঙ্ঘাত নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করে বুধবারই বিবৃতি দিয়েছেন কোহলি। বেশ কিছুদিন আগে সৌরভ দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি কোহলিকে টি২০ নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, কেউ তাঁকে নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেননি। কোহলির এই বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে।কোহলির মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সকলেই তাকিয়ে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতিক্রিয়ার দিকে। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত সৌরভ কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। নিজের বেহালার বাড়ি থেকে বার হলেও সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বার হওয়ার সময় অবশ্য আর সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যাননি সৌরভ। এদিন কোহলির মন্তব্যের ব্যাপারে মুখ খুলেছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট। সৌরভ বাড়ি থেকে বার হতেই একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। শেষ পর্যন্ত সৌরভ বলেন, বিষয়টা খুবই স্পর্শকাতর। কোহলির মন্তব্য নিয়ে আলোচনা চলছে। বিষয়টা নিয়ে যা ব্যবস্থা নেওয়ার, বোর্ড সঠিক সময়েই নেবে। এরপর প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হলেও সৌরভ কোনও উত্তর না দিয়ে নিজের অফিসে ঢুকে যান। সৌরভের এই ছোট্ট জবাবেই পরিস্কার, উল্টোপাল্টা মন্তব্য করে তিনি আর আগুনে ঘৃতাহুতি দিতে চান না। বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারতীয় দলের এইরকম সঙ্ঘাত নজিরবিহীন। অতীতে কখনও এই ধরণের ঘটনা ঘটেননি। কোনও অধিনায়ক সরাসরি বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করেননি। কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, টেস্ট দল নির্বাচনের বৈঠক শুরুর দেড় ঘন্টা আগে নির্বাচক কমিটির প্রধান তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানোর কথা বলেছিলেন। নেতৃত্ব হারিয়ে কোহলি যে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন, তাঁর কথাতেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অনেক কর্তাই দাবি করেছেন, কোহলি মিথ্যে কথা বলছেন। তাঁদের কাছে নাকি উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। বোর্ড কর্তাদের মতে, অধিনায়ক হিসেবে কোহলি সঠিক কাজ করেননি। সবমিলিয়ে বল কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলির কোর্টে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : ‌কোহলি প্রসঙ্গে সৌরভকেই জবাব দিতে হবে, কেন একথা বললেন গাভাসকার?‌

এইরকম নেতৃত্ব নিয়ে টানাপোড়েনের ঘটনা ভারতীয় ক্রিকেটে আগে কখনও ঘটেছে কিনা জানা নেই। কোনও অধিনায়কও নেতৃত্ব হারিয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্টকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করেছেন কিনা তাও জানা যাচ্ছে না। সৌরভ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ভাবে অভিযোগ তুলেছেন বিরাট কোহলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌরভ গাঙ্গুলির প্রতি ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, ভারতীয় বোর্ড ইচ্ছে করলেই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারত। সৌরভ বলেছিলেন, বিরাট কোহলিকে টি২০র নেতৃত্ব ছাড়তে তিনি নিষেধ করেছিলেন। কোহলি সৌরভের এই বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি এও দাবি করেছেন, আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে না পারায় তাঁকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিরাট কোহলির কথায় সৌরভের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও বুধবার রাত পর্যন্ত সৌরভের কিংবা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলির বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।ভারতীয় বোর্ড ও বিরাট কোহলির মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। তিনি মনে করছেন, কোহলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলে যাবতীয় বিষয় পরিস্কার করে দেওয়া। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভাসকার বলেন, কোহলি যে মন্তব্য করেছে, তাতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে অহেতুক টেনে নিয়ে আসার দরকার নেই। ও তো শুধু সৌরভের নাম করে অভিযোগ করেছে। সৌরভ দাবি করেছিল, ওর সঙ্গে নেতৃত্ব ছাড়ার ব্যাপারে বিরাট কোহলির কথা হয়েছিল। সৌরভ যেহেতু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, তাই ওকেই জিজ্ঞেস করা উচিত কেন কোহলির সঙ্গে ওর বক্তব্যের অসঙ্গতি রয়েছে। শুধু সৌরভের কাছে জবাবদিহি চেয়ে ক্ষান্ত থাকেননি সুনীল গাভাসকার। নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে দাবি করেছেন, কেন কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল তা সর্বসমক্ষে জানাতে। গাভাসকার বলেন, কারও মনে যাতে কোনও রকম সংশয় তৈরি না হয়, তারজন্য স্বচ্ছ বার্তা দেওয়া দরকার। কোনও ক্রিকেটারকে কেন নেতৃত্ব থেকে সরানো হচ্ছে, কিংবা কোনও ক্রিকেটারকে কেন বাদ দেওয়া হচ্ছে, এই ব্যাপারে নির্বাচক কমিটির চেয়্যারম্যানকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। বোর্ডের এক কর্তা দাবি করেছেন, কোহলিকে না জানিয়ে ওকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়নি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌সৌরভকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন কোহলির!‌ নেতৃত্ব হারানোর কথা জানতে পারেন দেড় ঘন্টা আগে

ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি কী মিথ্যাবাদী? দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে বিরাট কোহলি যেরকম কথা বললেন, তাতে এটাই প্রমাণ হয় যে সৌরভ গাঙ্গুলি মিথ্যা কথা বলেছেন। তাঁকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সঙ্ঘাত লেগেই গেল বিরাট কোহলির। টি২০ ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি যে দাবি করেছিলেন, তা উড়িয়ে দিয়েছেন কোহলি।বিরাট কোহলি টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার পর সৌরভ দাবি করেছিলেন, কোহলিকে তিনি নেতৃত্ব ছাড়তে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু কোহলি তাঁর সেই অনুরোধ রাখেননি। সেই প্রসঙ্গে কোহলি এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের টি২০র নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে না ছাড়ার কথা কেউ বলেলনি। সবাই আমার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিল। তখনই আমি বোর্ড কর্তাদের বলেছিলাম, টেস্ট ও একদিনের ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দিতে চাই।তাঁকে যে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে ঘূর্ণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি বিরাট কোহলি। টেস্ট দল নির্বাচনের মাত্র দেড় ঘন্টা আগে কোহলি জানতে পারেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এভাবে সরিয়ে দেওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না কোহলি। তিনি বলেন, একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্বর ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমার কোনও কথা হয়নি। টেস্ট দল নির্বাচনের ৯০ আগে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা আমাকে ফোন করেন। বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়। ফোন ছাড়ার আগে তিনি জানান আমাকে আর একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্বে রাখা হবে না। তার উত্তরে আমি বলি, ঠিক আছে।কেন তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরানো হয়েছে, বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন কোহলি। তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারছি কেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে আমাকে সরানো হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমার কোনও কাজ দলের ক্ষতির কারণ হয়নি। আশা করছি ভবিষ্যতেও হবে না। রোহিত শর্মা ও হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় আমার পূর্ণ সহযোগিতা পাবে। সেরাটা দিয়ে দেশকে আরও উঁচু জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। সব জল্পনা উড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে খেলবেন বলেও জানিয়েছেন কোহলি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : রোহিতের নেতৃত্বে খেলবেন না?‌ বোর্ডের কাছে নাকি বিশ্রাম চেয়েছেন বিরাট কোহলি

দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় ড্রেসিংরুমের অভ্যন্তরে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। ক্রিকেটাররাও দুটি শিবিরে বিভক্ত। যদিও এই কোহলিরোহিতের খারাপ সম্পর্ক কখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে ভারতীয় দলের একাধিক সদস্য এবছর ইংল্যান্ড সফর থেকেই কোহলির নামে বোর্ড কর্তাদের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। একটি বিশেষ মহলের দাবি, সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটাররা নাকি রোহিত ঘনিষ্ট। রবি শাস্ত্রী কোচ থাকার সময়ে দুজনের খারাপ সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসেনি। কোহলির হাত থেকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কেড়ে নিয়ে রোহিত শর্মার হাতে দিতেই সম্পর্কের অবনতির বিষয়টা প্রকাশ্যে এসেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন বিরাট কোহলি।রোহিতকে একদিনের দলের অধিনায়ক করাটা কোহলি যে মেনে নিতে পারেননি, দিনের আলোর মতোই পরিস্কার। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড রোহিতের নাম ঘোষণা করার পরেও কোহলি তাঁকে শুভেচ্ছা জানাননি। এমনকি রোহিতের মুখোমুখি যাতে না হতে হয়, তারজন্য মুম্বইয়ে টিম হোটেলে কোয়ারেন্টিনেও যাননি কোহলি। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন রোহিত। ফলে টেস্টে সিরিজে মুখোমুখি হতে হবে না। আবার কোহলি যদি একদিনের সিরিজ থেকে সরে দাঁড়ান, সেক্ষেত্রে রোহিতের নেতৃত্বে আপাতত খেলতে হবে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মেডিকেল টিমের ধারণা ৩ সপ্তাহের মধ্যে ফিট হয়ে যাবেন রোহিত।বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ না খেলে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে চান বিরাট কোহলি। বোর্ডের কাছে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য অনুরোধও জানিয়েছেন। যদিও ভারতীয় বোর্ডের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। একদিনের সিরিজ এখনও অনেক দেরি আছে। তাই এই ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করে কিছু ঘোষণা করতে চায় না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে কোহলির সিদ্ধান্ত নিয়ে চর্চা অব্যাহত। অনেকেই মনে করছেন রোহিতের নেতৃত্বে না খেলে সাদাবলের ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে পারেন কোহলি।একদিনের সিরিজ বিরাট কোহলি খেলবেন না বলে যে কথা জানা যাচ্ছে তাকে মান্যতা দিচ্ছে না বিসিসিআই। বোর্ডসূত্রে দাবি, এখনও বিরাটের কাছ থেকে এমন কোনও অনুরোধ বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বা সচিব জয় শাহর কাছে যায়নি। ফলে এখনও অবধি ঠিক আছে, তিনি ওয়ান ডে সিরিজ খেলবেন। তবে পরে বিরাট এমন অনুরোধ জানাবেন কিনা বা চোট পেলে তিনি ওই সিরিজ থেকে সরে দাঁড়াবেন কিনা কিংবা জৈব সুরক্ষা বলয়ের ক্লান্তির কারণে বিরতি নিতে চাইবেন, তা এখনই বলার সময় আসেনি। দেশে ফিরে ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ খেলবে। সেক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে খেলে ফিরে বিরাট দেশের মাটিতে সীমিত ওভারের সিরিজগুলি থেকে সরে দাঁড়ান কিনা সেটাও দেখার।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : রাজনীতির শিকার কোহলি?‌ ভারতীয় ক্রিকেটের ঐতিহ্য অব্যাহত

সম্প্রতি বিরাট কোহলিকে সরিয়ে ভারতীয় একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে রোহিত শর্মার হাতে। কোহলির হাত থেকে যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড একদিনের নেতৃত্ব কেড়ে নেবে, ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফেরার পর বিরাট কোহলি জানিয়েছিলেন, ২০২১ বিশ্বকাপের পর টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। তিনি এও বলেছিলেন, বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি এইরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিসহ অন্য কর্তারা কোহলির হঠাৎ করে এই নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টা ভালভাবে নেননি। পরে তাঁরা কোহলিকে অনুরোধ করেছিলেন নেতৃত্ব থেকে না সরতে। কিন্তু কোহলি বোর্ড কর্তাদের অনুরোধ রাখেননি। তখন থেকেই কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড কর্তারা। তাই কোহলিকে একদিনের নেতৃত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হল। মাঠের বাইরে চরম রাজনীতির শিকার বিরাট কোহলি। ভারতীয় ক্রিকেটে রাজনীতি নতুন নয়। প্রাক স্বাধীনতা যুগ থেকে এই রাজনীতি চলে আসছে। কখনও নির্লজ্জভাবে সামনে চলে আসে। কখনও আবার পর্দার অন্তরালেই থেকে যায়। বোর্ড কর্তার নির্বাচকদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে কেটে পড়েন। কখনও আবার বোর্ড কর্তারা সরাসরি অধিনায়ক নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেন। একজন অধিনায়ককে শুধু মাঠের ভেতরে খেলতে হয় না, নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে মাঠের বাইরেও খেলতে হয়। না হলে চরম রাজনীতির শিকার হতে হয়ে হয়। যেমন বিরাট কোহলি। আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতায় দলকে হয়তো চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি, কিন্তু সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সাফল্য ঈর্ষানীয়। ৯৫ ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতিয়েছেন ৬৫ ম্যাচে। হার ২৭ ম্যাচে জয়ের শতকরা হার ৭০.৪৩। বিরাট কোহলির থেকেও ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে লজ্জাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ১৯৪৬ সালে। ১৯৩৬ সালে জাতীয় নির্বাচকের ভুমিকা পালন করা ইফতিকার আলি খান পতৌদিকে ১৯৪৬র ইংল্যান্ড সফরে নেতা বানিয়ে দিয়েছিল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রভাবশালী কর্তাদের সৌজন্যেই এমন ঘটনা ঘটেছিল। অতীতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের নেতা বাছার ক্ষেত্রে ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ করতে দেখা গেছে। গড ফাদার ছাড়া খুব কমজনই নেতৃত্বে থাকতে পেরেছেন। সে সৌরভ গাঙ্গুলিই বলুন, কিংবা মহেন্দ্র সিং ধোনি। সৌরভ গাঙ্গুলির মাথায় যেমন জগমোহন ডালমিয়ার হাত ছিল, তেমনই মহেন্দ্র সিং ধোনির মাথায় ছিল শ্রীনিবাসনের হাত। শ্রীনিবাসনের আগে বোর্ড প্রেসিডেন্ট শশাঙ্ক মনোহরের অত্যন্ত স্নেহভাজন ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ভারতীয় ক্রিকেটে নেতৃত্ব নিয়ে সবথেকে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছিল ১৯৫৮ সালে। সেই সময় নেতা হিসেবে সবথেকে যোগ্য ছিলেন পলি উমরিগড়। কিন্তু তাঁকে অধিনায়ক না করে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল দত্তাজিরাও গায়কোয়াড়কে। নব্বইয়ের দশকে যোগ্যতা না থাকে সত্ত্বেও তৎকালীন বোর্ড প্রেসিডেন্ট রাজ সিং দুঙ্গারপুর নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিনকে।এবারও বিরাট কোহলিকে সরিয়ে রোহিত শর্মাকে একদিনের ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়ার পেছনে মাঠের বাইরের রাজনীতিই প্রকট হয়ে উঠেছে। বিরাট কোহলি বোর্ড কর্তাদের উপেক্ষা করে টি২০র দায়িত্ব ছেড়েছেন। প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিসহ, সচিব জয় শাহ বিষয়টা ভালভাবে নেননি। তাই কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দায়িত্ব তুলে দিলেন রোহিতের হাতে। বলা যেতে পারে উপেক্ষার প্রতিশোধ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে কোহলির যদি কোনও গডফাদার থাকত, তাহলে এই পরিস্থিতিতে পড়তে হত না। টি২০, একদিনের পর বছরখানেকের মধ্যে কোহলির হাত থেকে টেস্টের নেতৃত্ব গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : কোহলির পরিবর্তে টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দিতে চলেছেন এই তারকা

গতবছর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর হাত ধরেই সিরিজে জয় এসেছিল। আবার সেই অজিঙ্কা রাহানের হাতেই উঠতে চলেছে ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে কানপুরে প্রথম টেস্টে রাহানেকে অধিনায়ক করার কথা ভেবে রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে স্থায়ীভাবে তাঁর হাতে নেতৃত্ব উঠছে না। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের বিশ্রামের জন্য তাঁকে ক্যাপ্টেন করা হচ্ছে।একটানা ক্রিকেট খেলে শারীরিকভাবে ক্লান্ত বিরাট কোহলি। দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে মানসিকভাবেও ক্লান্ত। তাই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। কানপুরে প্রথম টেস্টেও খেলবেন না। এই ব্যাপারে তিনি নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছেন। কোহলি আগেই ঘোষণা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের পর তিনি আর এই ফরম্যাটে দলকে নেতৃত্ব দেবেন না। সেইমতো রোহিত শর্মাকে টি২০ ক্রিকেটের জন্য অধিনায়ক করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে রোহিত শর্মাকেও বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভাবছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য বারবার উঠে এসেছে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার ক্লান্তির কথা। দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে মানসিকভাবে ক্লান্ত ক্রিকেটাররা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও ক্রিকেটারদের ক্লান্তির দিকটা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে চাইছে। তাই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের কথা মাথায় রেখে টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরাদের। কয়েকদিন আগেই টি২০ সিরিজের দল নির্বাচন করা হয়েছে। টি২০ দলে অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে। সামি, বুমরাদের পাশাপাশি শার্দূল ঠাকুর, ঋষভ পন্থদেরও টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। টেস্ট সিরিজেও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিশ্রাম দেওয়া হবে। কোহলিকে আগেই বিশ্রামের সিদ্ধান্ত হওয়ায় অজিঙ্কা রাহানে প্রথম টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেবেন। রোহিত শর্মাকেও প্রথম টেস্টে বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভেবে রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। প্রথমে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পরিকল্পনা করেছিল টি২০ সিরিজ খেলার পর রোহিত শর্মাকে পুরো টেস্ট সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হবে। কিন্তু পরে পরিকল্পনা বদলেছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে খারাপ ফল হলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্ট কমে যাবে। তাই রোহিতকে একটা টেস্টে বিশ্রাম দেওয়া হবে। কানপুরে প্রথম টেস্টে না খেললেও ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়েতে দ্বিতীয় টেস্টে আবার রোহিতকে দেখা যাবে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : ‌ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে আইপিএলে কোন দলের হয়ে খেলবেন ধোনি?‌

এবছর আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মহেন্দ্র সিং ধোনি বলেছিলেন চেন্নাইয়ের দর্শকদের সামনে খেলেই চিরতরে ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে তাঁর সামনে সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে। সামনের বছর আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসেই দেখা যেতে পারে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে।আগামী মরশুমের আইপিএলের আগে মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। কোন দল কোন ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে পারবে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। একজন করে ক্রিকেটার ধরে রাখার নিয়ম হলে সমস্যায় পড়ত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। বোর্ড যে নিয়ম তৈরি করতে চলেছে, তাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সূত্র থেকে জানা গেছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সর্বাধিক চারজন করে ক্রিকেটারকে রাখতে পারবে। নিলামের আগে তিনজন করে ক্রিকেটার বেছে নিতে পারবে আইপিএলের নতুন দুটি দল আমেদাবাদ ও লক্ষ্ণৌ।বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, রাইট টু ম্যাচ কার্ড থাকে তাহলে তিনজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা যাবে। আর যদি রাইট টু ম্যাচ কার্ড ফ্র্যাঞ্চাইজিদের হাতে না থাকে তাহলে সর্বাধিক চার ক্রিকেটার ধরে রাখা যাবে। সেটা হতে পারে তিন ভারতীয় ও এক বিদেশি অথবা দুজন করে ভারতীয় ও বিদেশি।যদি ৩ জন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা যায় তাহলে ঋতুরাজ গায়কোয়াণ, মহেন্দ্র সিং ধোনি ও শার্দূল ঠাকুরকে ধরে রাখবে চেন্নাই সুপার কিংস। তেমন সম্ভাবনার কথাই জানিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্তা। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স যে তিনজনকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে, তাঁরা হলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা ও কায়রন পোলার্ড। হার্দিক পান্ডিয়াকে ধরে রাখার ব্যাপারে ততটা আগ্রহী নয় বলে জানিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে জড়িত এক কর্তা। চারজন ক্রিকেটার রাখা গেলে কিশান কিষাণ ও সূর্যকুমার যাদবের মধ্যে কোনও একজনকে ধরে রাখবে মুম্বই।ঋষভ পন্থকেই নেতৃত্বে রাখতে চায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শ্রেয়স আয়ারকেও ধরে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসে থাকবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ, অন্য কোনও দলে যোগ দিয়ে শ্রেয়স নেতৃত্ব দিতে চান। কলকাতা নাইট রাইডার্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পাঞ্জাব কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস নতুন অধিনায়ক নিতে পারে। এই দলগুলির যে কোনও একটিতে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে শ্রেয়স আয়ারের।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rahul Dravid : টি২০ বিশ্বকাপের পর দ্রাবিড়ের হাতেই যাচ্ছে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব

টি২০ বিশ্বকাপের পরপরই শেষ হচ্ছে ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর মেয়াদ। তাঁর পরিবর্তে কে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব পাবেন, তা নিয়ে চলছিল জোর কল্পনা। ভেসে উঠছিল একাদিক নাম। সেই তালিকায় যেমন ভারতীয় কোচদের নাম ছিল, তেমনই ছিল বিদেশি কোচদের নাম। শেষ পর্যন্ত সবাইকে টপকে রবি শাস্ত্রীর স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন রাহুল দ্রাবিড়। শুক্রবারই তঁার হাতে ভারতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। রাহুল দ্রাবিড়ও শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছেনদীর্ঘদিন অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়। পাশাপাশি ভারতীয় এ দলের দায়িত্বও তাঁর ওপর অর্পন করা হয়। পরে তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকডেমির দায়িত্ব দেওয়া হয়। কয়েকমাস আগে শ্রীলঙ্কা সফরে তঁাকে শিখর ধাওয়ানদের কোচ করে পাঠানো হয়েছিল। তখন থেকেই সিনিয়র দলের হেড কোচ হিসেবে রাহুল দ্রাবিড়ের নাম ভেসে উঠেছিল। কয়েকটা সূত্র থেকে জানা গিয়েছিল, তিনি নাকি বিরাট কোহলিদের কোচ হতে রাজি নন। এরপর অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণ, মাহেলা জয়বর্ধনে, টম মুডিদের নাম উঠে আসে। টম মুডি নিজেও ভারতীয় দলের হেড কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত দ্রাবিড়ই হতে চলেছেন।শুক্রবার দুবাইয়ে আইপিএল ফাইনাল চলাকালীনই আলোচনায় বসেছিলেন ভারতীয় বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা। বৈঠক থেকেই রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনিই দ্রাবিড়কে রাজি করান। প্রাথমিকভাবে ভারতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব নিতে রাজি ছিলেন না দ্রাবিড়। তিনি জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ডিরেক্টরের দায়িত্বই সামলাতে চেয়েছিলেন। অনেক টালবাহনার পর শেষ পর্যন্ত তিনি রাজি হন। তঁার সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দ্রাবিড়কে বছরে ১০ কোটি টাকা দেওয়া হবে বলে বোর্ডের এক সূত্র থেকে জানা গেছে।দ্রাবিড়কে হেড কোচ করার পাশাপাশি পরশ মামরেকেও সিনিয়র দলের দায়িত্বে নিয়ে আসা হচ্ছে। ভরত অরুণের পরিবর্তে তাঁকে বোলিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাহুল দ্রাবিড় ও পরশ মামরে জুটি বেঁধে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেছেন। সেই জুটিকেই আবার ভারতীয় সিনিয়র দলে দেখা যাবে। হেড কোচ ও বোলিং কোচ পরিবর্তন হলেও ব্যাটিং কোচে কোনও বদল ঘটছে না। বিক্রম রাঠোরের সঙ্গে পুনরায় চুক্তি করার পথে হাঁটছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Indian Coach: সৌরভ চাইলেও বাকি বোর্ড কর্তারা কুম্বলেকে কোচ হিসেবে চান না

টি২০ বিশ্বকাপের পরেই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর জায়গায় নতুন কোচ নেওয়ার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শাস্ত্রীর উত্তরসূরি হিসেবে অনিল কুম্বলেকে পছন্দ বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির। শোনা যাচ্ছে ভিভিএস লক্ষণের নাম। অনিল কুম্বলেকে সৌরভের পছন্দ হলেও বাকি বোর্ড কর্তারা কুম্বলেকে হেড কোচ হিসেবে চান না। কুম্বলেও নাকি বিরাট কোহলিদের কোচ হতে রাজি নন।রবি শাস্ত্রীর আগে অনিল কুম্বলের হাতেই ভারতীয় দলের দায়িত্ব ছিল। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি চেয়েছিলেন কুম্বলে জাতীয় দলের কোচিং চালিয়ে যান। কিন্তু ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর কুম্বলে কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। সৌরভ এবারেও চেয়েছিলেন শাস্ত্রীর পর আবার একবার জাতীয় দলের কোচিংয়ের ব্যাটন তুলে নিন তাঁর একদা সতীর্থ। তবে সৌরভ বাদে বোর্ডের অন্যান্য কর্তারা কুম্বলেকে ফেরাতে আগ্রহী নন। বোর্ডের এক কর্তা বলেছেন, সৌরভ বাদে বাকি বোর্ডের সদস্যরা যেমন কুম্বলেকে ফেরাতে চান না, তেমনই কুম্বলে নিজেও আর জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী নয়। বোর্ডের অন্য কর্তারা শাস্ত্রীর জায়গায় বিদেশি কোচ নিয়োগ করতে চায়। কুম্বলে জানে, কোহলিসহ জাতীয় দলে সেই পুরনো মুখদেরই কোচিং করাতে হবে। নতুন মুখ তেমন নেই। তাহলে আবার কেন ফিরবে? সবথেকে বড় কথা, সৌরভ কুম্বলের নাম সুপারিশ করলেও বোর্ডের বাকিরা এতে সম্মত হয়নি।সৌরভ ছাড়া বোর্ডের বাকি সদস্যরা কুম্বলেকে কোচ হিসেবে না চাওয়ার অন্যতম কারণ হল কুম্বলের ট্র্যাক রেকর্ড। অতীতে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে সাফল্য পাননি। আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের দায়িত্বে রয়েছেন। একবারও নিজের ফ্র্যাঞ্চাইজিকে প্লে অফেও তুলতে পারেননি। তাই অন্য বোর্ড কর্তাদের তাঁকে নিয়ে আপত্তি রয়েছে। কুম্বলের সঙ্গেই সম্ভাব্য কোচ হিসেবে ভেসে উঠেছিল ভিভিএস লক্ষ্মণের নাম। তবে জানা গিয়েছে, লক্ষ্মণও কোচ হচ্ছেন না। তাই বিদেশি কোচের পথেই হাঁটতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনেকে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নাকি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনিও নাকি রাজি নন।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর

বুধবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস ও রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। দু-দলের কাছেই এই ম্যাচ ছিল oiগুরুত্বপূর্ণ। রাজস্থানের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে যেত কোহলিদের। অন্যদিকে প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখতে রাজস্থান রয়্যালসকে জিততেই হত। ৭ উইকেটে জিতে প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।আরও পড়ুনঃ রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকারটস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বিরাট কোহলি। দুই দলেই একটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। চোট সরিয়ে প্রথম একাদশে ফেরেন রাজস্থানের কার্তিক ত্যাগী। আর রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলে অভিষেক জয় জর্জ গার্টনের। আগের ম্যাচে লিগ তালিকার সবথেকে নিচে থাকা সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হেরে প্লে অফের লড়াইয়ে পড়ে রাজস্থান। তাই এদিনের ম্যাচ তাদের জিততেই হত। চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নেমেছিল সঞ্জু স্যামসন ব্রিগেড।ভাল শুরু করেছিল রাজস্থানের দুই ওপেনার এভিন লুইস ও যশস্বী জয়সোয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৭। ২২ বলে ৩১ রান করে ক্রিশ্চিয়ানের বলে আউট হন লুইস ৩৭ বলে ৫৮ রান করেন। লুইস যখন আউট হন তখন রাজস্থানের রান ১১ ওভারে ১০০। এরপরই ধস নামে রাজস্থানের ইনিংসে। ১১৭ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় রাজস্থানের। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন করেন ১৯। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান তোলে রাজস্থান। হর্শল প্যাটেল ৩টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ও শাহবাজ আমেদ ২টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?জয়ের জন্য ১৫০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪৮। দেবদত্ত পড়িক্কল ১৭ বলে ২২ রান করে মুস্তাফিজুরের বলে বোল্ড হন। এরপর অধিনায়ক বিরাট কোহলি ২০ বলে ২৫ রান করে রান আউট হন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান এস ভরত ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৩৫ বলে ৪৪ রান করে আউট হন ভরত। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পোঁছে দেন ম্যাক্সওয়েল। ৩০ বলে ৫০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ১৭.১ ওভারে ১৫৩/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Captain: রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলির

ঝুলি থেকে এবার আস্তে আস্তে বিড়াল বার হতে শুরু করেছে। ভারতীয় শিবিরের অন্দরমহলে ঠান্ডা লড়াই যে অনেকদিন ধরে চলছিল, আগেই বোঝা গিয়েছিল। এবার সেই অন্দরমহলের খবর বাইরে আসতে শুরু করেছে। বিরাট কোহলির সংসারে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছিলেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে নিজের আধিপত্য আরও কায়েম করতে বিরাট কোহলি নির্বাচকদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রোহিত শর্মাকে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরানোর জন্য। যেটা একেবারেই ভালভাবে নেননি নির্বাচকরা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা।টি২০ বিশ্বকাপের আগে বিরাট কোহলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন নির্বাচকরা। সেই বৈঠকের আগে কোহলি নির্বাচকদের ও বোর্ড কর্তাদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে ঋষভ পন্থকে সহ অধিনায়ক করা হোক। আর একদিনের ক্রিকেটে লোকেশ রাহুলকে। নির্বাচক ও বোর্ড কর্তারা কোহলির কোনও প্রস্তাবই মেনে নেননি। টি২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বোর্ড কর্তারা কোহলিকে পরিস্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনিই শেষ কথা নন। নিজের ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার কথা বললেও আসলে ভবিষ্যত বুঝতে পেরেই টি২০ বিশ্বকাপের পর এই ফরম্যাটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোহলি।সবকিছু ঠিকঠাক চললে টি২০ বিশ্বকাপের পর রোহিত শর্মার হাতেই নেতৃত্ব তুলে দিতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। স্টপগ্যাপ অধিনায়ক হিসেবে দেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন রোহিত শর্মা। আইপিএলে তিনি সবচেয়ে বেশি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। অনেকদিন ধরেই রোহিতকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়ক করার কথা আলোচিত হচ্ছিল ভারতীয় ক্রিকেটে। কিন্তু রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে বিরাট কোহলির সম্পর্কর জন্যই কোহলি নেতৃত্বে থেকে গেছেন। গত অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই চাকা ঘুরতে শুরু করে বিরাটের বিপক্ষে।আরও পড়ুনঃ মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্কভারতীয় ড্রেসিংরুমে বিরাট বিরোধী হওয়ায় প্রবল। প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও অনেকেই কোহলির আচরণে অসন্তুষ্ট। যদি কোনও সফরে অনুষ্কা শর্মা সঙ্গে থাকেন, তাহলে তো কথাই নেই। অন্য সময়ও যখন তখন কোহলির সঙ্গে মাঠের বাইরে দেখা করা, কথা বলা বা হাল্কা মেজাজে সময় কাটাতে পারেন না সতীর্থ ক্রিকেটাররা। কোচ, নির্বাচক, সাপোর্ট স্টাফ ও বিসিসিআই কর্তাদের আস্থা অর্জন করে বিরাট ভারতীয় দলে একনায়কতন্ত্র বা স্বেচ্ছাচারিতাও শুরু করেন বলে অভিযোগ। তিনি এমন কৌশল নিয়েছিলেন যাতে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর উত্তরসূরী কেউ তৈরি হতে না পারেন। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে পাকাপাকিভাবে চার নম্বর পজিশনের ব্যাটসম্যান হিসেবে কাউকে তৈরি করতে চাননি বিরাট। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দুই স্পিনার নিয়ে খেলতে নামা কিংবা ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে এক নম্বর স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বসিয়ে রাখাও বিরাটেরই স্বেচ্ছাচারিতার নমুনা বলে জানা যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সফরে এডিলেড টেস্টের আগেও বিরাটের হাতেই ছিল নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু তা আলগা হতে শুরু করে ৩৬ রানে অল আউট হয়ে টেস্ট হারার পর। এরপর পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বিরাট দেশে ফিরতেই এককাট্টা হয়ে গোটা দল অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জয় নিশ্চিত করে। এতেই বিরাটের প্রতি দলের অনাস্থা প্রকাশ্যে আসতে থাকে।আরও পড়ুনঃ খড়ের পালুইয়ে বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য রায়নায়কোহলি নিশ্চিতভাবেই বুঝছিলেন, আজ নয় কাল তাঁর সাদা বলের অধিনায়কত্ব চলে যাচ্ছেই। একটিও আইসিসি ইভেন্টে দলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি কোহলি। টি ২০ বিশ্বকাপেও খারাপ কিছু হলে এমনিতেই অধিনায়কত্ব যেত। আগেভাগেই সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করে কিছুটা মুখরক্ষা করলেন এবং নিজের উপর চাপ কমালেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kohli and Shastri : শাস্ত্রী ও কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড, চাওয়া হবে কৈফিয়ত

জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও রবি শাস্ত্রীসহ তিন সাপোর্ট স্টাফ কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। কেউ কেউ মনে করছেন হোটেলের লিফটে চলাচলের সময় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে যেখানেই আক্রান্ত হোন না কেন, রবি শাস্ত্রী, বিরাট কোহলিদের ওপর বেজায় চটেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কেন বোর্ডের অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, তার কৈফিয়ত চাওয়া হবে। বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তা বলেছেন, ওই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের ছবি ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় বোর্ডের মুখ পুড়েছে। ওভালের ওই ঘটনার জন্য কোচ ও অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হবে। লন্ডনের যে হোটলে ভারতীয় দল রয়েছে, সেখানেই গত মঙ্গলবার রবি শাস্ত্রীর নিজের বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথি হাজির ছিলেন। অনেকেই মনে করছেন, সেই অনুষ্ঠান থেকেই কোনও ভাবে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন ভারতীয় দলের হেড কোচ। শাস্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দলের আরও যাঁরা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, সেই বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিয়ও নীতিন প্যাটেলও ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন।হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। শাস্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন কোহলি। অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য কেউই ভারতীয় বোর্ডের অনুমতি নেননি। দুজনের কাছেই কৈফিয়ত চাওয়া হবে বলে বোর্ডের একটা সূত্র থেকে জানা গেছে। দলের প্রশাসনিক ম্যানেজার গিরিশ ডোংরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানটি কোনও বোর্ডেরই অনুমোদিত ছিল না।এদিকে, আজই লন্ডন থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে পৌঁছে গেল ভারতীয় দল। রবি শাস্ত্রীসহ ৩ সাপোর্ট স্টাফ লন্ডনের হোটেলেই আইসোলেশনে রয়েছেন। ট্রেনে চড়ে ম্যাঞ্চেস্টার সফরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে। শুক্রবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌IPL : ২০২২ আইপিএলের দুটি নতুন দল কারা?‌ টেন্ডার ডাকল বোর্ড

২০২২ আইপিএলের জন্য দুটি নতুন দল নেওয়া হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অবশেষে নতুন দল নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। নতুন দল নেওয়ার জন্য মঙ্গলবার টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। ৫ অক্টোবরের মধ্যে আগ্রহী সংস্থাগুলিকে টেন্ডার জমা দিতে বলা হয়েছে। ঠিক হয়েছে, একটা সংস্থা একটামাত্রই টেন্ডার জমা দিতে পারবে।আরও পড়ুনঃ কেন ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানালেন ডেল স্টেন?আইপিএলের নতুন দল কিনতে গেলে কী যোগ্যতা থাকতে হবে, টেন্ডার জমা দেওয়ার নিয়ম, প্রস্তাবিত নতুন দলের অধিকার সম্পর্কিত তথ্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেওয়া ইনভাইটেশন অফ টেন্ডারএ পাওয়া যাবে। অফেরৎযোগ্য ১০ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার পর ইনভাইটেশন অফ টেন্ডার পাওয়া যাবে। এই ১০ লক্ষ টাকার সঙ্গে সার্ভিস ট্যাক্স যুক্ত হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, আগামী বছর আইপিএলে যে নতুন দুই দল অন্তর্ভূক্ত হবে, তাদের বেস প্রাইজ ২ হাজার কোটি টাকা করা হচ্ছে। টেন্ডারের মাধ্যমে দুটি নতুন দল বিক্রি করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি আয় হবে।আরও পড়ুনঃ সৌরভের চমক, ইডেনে রনজি ফাইনাল ১৬ মার্চনতুন দলের জন্য প্রথমে ১৭০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। পরে তা বাড়িয়ে ২ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। যে সংস্থা বার্ষিক ৩ হাজার কোটি টাকা ও তার বেশি আর্থিক লেনদেন করে থাকে, একমাত্র তাদেরই আইপিএলের নতুন দল কেনার বিডে অংশ নিতে দেওয়া হবে। দেশের দুটি বড় শহরের নামে আইপিএলের নতুন দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়া হবে। শোনা যাচ্ছে আমেদাবাদের নামে একটা দলের অন্তর্ভূক্তি ঘটতে চলেছে। দ্বিতীয় দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি শহর হওয়ার দৌড়ে পুনে ও লক্ষ্মৌ। একসময় পুনে রাইজিং স্টার দলের মালিক ছিলেন শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। তিনি আবার ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার জন্য ঝাঁপাতে চলেছেন। আমেদাবাদ দল কেনার জন্য শিল্পপতি গৌতম আদানি ঝাঁপাতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG‌ Test : হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রথম থেকেই আধিপত্য দেখিয়ে আসছে ভারত। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও নটিংহাম টেস্টে জয় আসেনি। নটিংহামের হতাশা কাটিয়ে লর্ডসে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। হেলিংলেতে কি ব্যবধান বাড়াতে পারবেন বিরাট কোহলিরা? আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। তবে যতই চেতেশ্বর পুজারা, রবীন্দ্র জাদেজাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠুক, তৃতীয় টেস্টে প্রথম একাদশে কোনও পরিবর্তন করছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?শুধু কি পুজারা কিংবা রাহানে? অধিনায়ক বিরাট কোহলির ব্যাটেও রান নেই। ভারতকে হেডিংলেতে দাপট দেখাতে গেলে রানে ফিরতেই হবে ভারতীয় অধিনায়ককে। নিজের ফর্মের চেয়েও দলের স্বার্থের দিকে বেশি তাকিয়ে কোহলি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ফর্ম নিয়ে ভাবছি না। ইংল্যান্ডে একজন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সেট হওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং। প্রথম ২০ রানের জন্য যেভাবে লড়াই করতে হয়, গোটা ম্যাচে সেভাবেই খেলতে হয়। কোনও অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগে না। যে কোনও ব্যাটসম্যানের জন্য ইংল্যান্ডের পরিবেশ সবচেয়ে কঠিন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানতৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড বেশ কয়েকজন সেরা ক্রিকেটারকে পাবে না। বোলিং শক্তি একেবারে বিপর্যস্ত। বিষয়টাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোহলি। তিনি বলেন, ওদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা থাকলেও আমরা ম্যাচ জয়ের পরিইকল্পনা করেই মাঠে নামতাম। বিপক্ষের দুর্বলতার অপেক্ষায় আমরা বসে থাকি না। যে কোনও পরিস্থিতিতে বিশ্বের যে কোনও দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখি। প্রতিপক্ষর শক্তি আমাদের কাছে গুরুত্ব পায় না। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামতে পারেননি ইংল্যান্ডের জোরে বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড। টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন জোফ্রা আর্চার। অলি স্টোন এবং ক্রিস ওকস চোটে কাবু। ব্যক্তিগত ও মানসিক স্বাস্থ্যের কারণ দর্শীয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অনুপস্থিত বেন স্টোকসও। কনকাশনে থাকায় হে়ডিংলে টেস্টে ক্রেগ ওভারটনকেও খেলাতে পারবে না ইংল্যান্ড। কাঁধে চোটের কারণে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন জোরে বোলার মার্ক উডও।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেলর্ডসের উইনিং কম্বিনেশন না ভাঙার পরিকল্পনা রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার। তবে অশ্বিনকে খেলানোর ক্ষীণ সম্ভাবনার কথাও শুনিয়ে রেখেছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, চোটআঘাত সমস্যা না থাকলে উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার প্রশ্ন ওঠে না। লর্ডসে সাফল্যের পর সকলে উত্তেজিত। রোহিতরাহুল দুর্দান্ত শুরুটাই দুটো টেস্টে সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিল। সিরাজকে দেখে ভাল লাগছে। তবে হেডিংলের পিচ দেখে বেশ অবাক কোহলি। যতটা ঘাস থাকবে আশা করেছিলেন, ততটা নেই।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

D‌omestic Cricket : সিএবি–র আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফি

সিএবিসহ বেশ কয়েকটি রাজ্য সংস্থা রনজি ট্রফির সূচি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। তাদের সেই আপত্তি মেনে নিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচিতে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। সেই সিদ্ধান্ত অনুসারে পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পিছিয়ে যাচ্ছে রনজি ট্রফি। অক্টোবরের পরিবর্তে রনজি শুরু হবে ২০২২এর জানুয়ারি থেকে। আরও পড়ুনঃ দেশের সাধারন মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহে নেমেছেন আফগান ক্রিকেটার রশিদ খানভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে যে নতুন সূচির ঘোষণা করা হয়েছে, সেই অনুযায়ী সূচি ২০২২এর ৫ জানুয়ারি থেকে রনজি ট্রফি শুরু হবে। চলবে ২০ মার্চ পর্যন্ত। ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হবে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতা। আইপিএল খেলে দেশে ফিরে আসা সব ক্রিকেটার যাতে ঘরোয়া টি২০ টুর্নামেন্ট খেলতে পারেন সে কথা মাথায় রেখেই এই সূচিতে পরিবর্তন করা হয়েছে। ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে বিজয় হাজারে ট্রফি, চলবে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসনপরের বছর জানুয়ারিতে রনজি শুরু হলেও সেপ্টেম্বর থেকেই বোর্ডের বিভিন্ন টুর্নামেন্ট শুরু হয়ে যাবে। মহিলাদের ক্রিকেট দিয়ে এবছর ঘরোয়া মরশুম শুরু হবে। তবে পুরুষদের ক্রিকেট শুরু হবে অক্টোবরেই। ভারতীয় পুরুষ ও মহিলা দলের ক্রিকেটাররাও যাতে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারেন সে কথা মাথায় রেখেই ক্রীড়াসূচি হয়েছে। সিনিয়র পর্যায়ে মহিলা ক্রিকেটাররা ঘরোয়া মরশুম অভিযান শুরু করবে একদিনের প্রতিযোগিতা দিয়ে। ২০ অক্টোবর এই প্রতিযোগিতা শুরু হবে। চলবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত। তার আগে পুরুষ ও মহিলাদের অনূর্ধ্ব ১৯ একদিনের ক্রিকেট দিয়েই শুরু হবে ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুম। ভিনু মানকড় ট্রফি শুরু হবে সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখ থেকে। পুরুষ ও মহিলা অনূর্ধ্ব ১৯ দলের চ্যালেঞ্জার ট্রফি শুরু হবে যথাক্রমে ২৬ ও ২৫ অক্টোবর। অনূর্ধ্ব ২৫ একদিনের টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৯ নভেম্বর থেকে, চলবে ডিসেম্বরের ১০ তারিখ অবধি। অনূর্ধ্ব ২৫ ক্রিকেটের টুর্নামেন্ট হয়ে সিকে নাইডু ট্রফি শুরু ৬ জানুয়ারি থেকে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশরঞ্জি ট্রফি, বিজয় হাজারে ট্রফি ও সৈয়দ মুস্তাক আলি টি ২০-র জন্য ৩৮ দলকে ভাগ করা হচ্ছে ৬টি গ্রুপে। পাঁচটি এলিট গ্রুপে থাকবে ৬টি করে দল এবং একটি প্লেট গ্রুপে থাকবে আটটি দল। অনূর্ধ্ব ২৫ বিভাগের ক্রিকেটে ৬ দলের পাঁচটি এলিট ও সাত দলের একটি প্লেট গ্রুপ থাকবে বলে বিসিসিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে। এবার সৈয়দ মুস্তাক আলি টি ২০, তারপর ৫০ ওভারের বিজয় হাজারে ট্রফি ও সবশেষে রঞ্জি ট্রফি আয়োজন করে গোটা ক্রীড়াসূচিতে সামঞ্জস্য আনা হয়েছে। এলিট গ্রুপের শীর্ষে থাকা পাঁচটি দল পৌঁছে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। এলিট গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাঁচটি দল ও প্লেট গ্রুপের জয়ী দলকে নিয়ে তিনটি প্রি কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ হবে। এই তিনটি ম্যাচে জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Dilip Vengsarkar : লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিল

লর্ডস টেস্টে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে চমকে দিয়েছে বিরাট কোহলির ভারত। ২০০৩ সালে এই লর্ডসেই ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জিতেছিল সৌরভ গাঙ্গুলির টিম ইন্ডিয়া। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মহারাজের ঔদ্ধত্য অবাক দৃষ্টিতে দেখেছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। কিন্তু লর্ডসে দেশের টেস্ট জয়ের শুভ সূচনার নায়ক কে জানেন? দিলীপ বেঙ্গসরকার। তাঁর হাত ধরেই লর্ডসে টেস্টে ভারতের প্রথম জয়ে এসেছিল ১৯৮৬ সালে। দিলীপ বেঙ্গসরকার এমন একটা কৃতিত্ব লর্ডসে স্থাপন করেছেন, আজও অমিল হয়ে আছে।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান১৯৮৬ সালে লর্ডস টেস্টে ডেভিড গাওয়ারের ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ২৯৪। জবাবে ভারত তুলেছিল ৩৪১। দিলীপ বেঙ্গসরকার ১২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ভারতের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ১৩৪। ৫ উইকেট হারিয়ে ৪২ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন বেঙ্গসরকার। লর্ডসে ভারতের প্রথম টেস্ট জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। সেই জয়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৮৬ সালে লর্ডস টেস্টের শেষদিনে চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য আমাদের দরকার ছিল ১৩৪। দ্রুত ৫ উইকেট পড়ে গেলেও আমরা ৪২ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিলাম। ওই জয়টা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ ওটাই ছিল লর্ডসে দেশের প্রথম টেস্ট জয়।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলালর্ডস অনেক কীর্তির সাক্ষী। অনেক রেকর্ড এই মাঠে হয়েছে। আবার ভেঙেছে। কিন্তু দিলীপ বেঙ্গসরকার যে রেকর্ড লর্ডসে গড়েছেন, আজও অমলিন হয়ে রয়েছে। লর্ডসে টানা তিনটি সেঞ্চুরি করার অনন্য নজির রয়েছে বেঙ্গসরকারের। ১৯৭৯ সালে তিনি প্রথম লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন। লর্ডসে পরের টেস্ট খেলেন ১৯৮২ সালে। সেই টেস্টেও সেঞ্চুরি করেছিলেন বেঙ্গসরকার। ১৯৮৬র সিরিজেও লর্ডসের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যাটসম্যান লর্ডসে টানা তিনটি সেঞ্চুরি করতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ হিন্দোলের তবলার দোলায় মাতোয়ারা শিকাগোচলতি সিরিজে ভারতীয় বোলিং সংস্কৃতির পরিবর্তন দেখে মুগ্ধ দিলীপ বেঙ্গসরকার। পরপর দুটি টেস্টে ভারতীয় জোরে বোলিংয়ের বিপ্লব হিসেবে দেখে মুগ্ধ দেশের এই প্রাক্তন অধিনায়ক। তিনি বলেছেন, এই প্রথম আমরা চারজন জোরে বোলার নিয়ে টেস্ট খেললাম। আগে আমরা কখনও এই ধরনের বোলিং কম্বিনেশনের কথা চিন্তাভাবনা করিনি। ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে আমি যখন প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলি, তিনজন স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। এখন মানসিকতার বদল ঘটেছে। চারজন জোরে বোলার খেলানোর পরিকল্পনা কাজে দিয়েছে। লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের ২০টা উইকেটের মধ্যে ১৯টা তুলে নিয়েছে জোরে বোলাররা।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌‌‌লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?‌

লর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিন ঋষভ পন্থ আউট হতেই মাথায় হাত দিয়ে লর্ডসের ব্যালকনিতে চেয়ারে বসে পড়েছিলেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ বাঁচবে তো? আশঙ্কায় দুলছিলেন। মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরার অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে ম্যাচে ফেরে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরই বদলে যায় ছবিটা। মাত্র দুটো সেশনেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনকে গুঁড়িয়ে অবিস্মরণীয় জয় তুলে নেই ভারত। লর্ডসের এই জয়কে বিদেশের মাটিতে অন্যতম সেরা জয় বলে অভিহিত করেছেন বিরাট কোহলি। সতীর্থদের এই পারফরমেন্সে তিনি গর্বিত বলেও জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ মুখে বিষ ঢেলে সৎ মাকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার ছেলে ও বৌমাম্যাচের পর বিরাট কোহলি বলেন, বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডসের এই জয় অন্যতম সেরা। সতীর্থরা যেরকম একাগ্রতা ও মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল, এককথায় অসাধারণ। দলগত প্রচেষ্টায় এই জয় এসেছে। দলের প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। কোথায় খেলছি, সেটা নিয়ে মাথাব্যাথা ছিল না। বিদেশের মাটিতে অনেকগুলো ভাল জয় পেয়েছি। লর্ডসের এই জয় তাদের সঙ্গে এক আসনে রাখব।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদল২০১৪র টেস্ট সিরিজে লর্ডসে জিতলেও, ২০১৮র সিরিজে হারতে হয়েছিল। আগের সিরিজের সেই হারের কথা মাথায় রাখেনি শিবির। সেই কথাই ম্যাচের পর তুলে ধরেছেন কোহলি। তিনি বলেন, ২০১৪তে আমরা লর্ডসে জিতেছিলাম। কিন্তু ২০১৮তে খুবই খারাপভাবে হারতে হয়েছিল। তবুও আমাদের বিশ্বাস ছিল, লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারব। সতীর্থদের এই পারফরমেন্স আমাকে গর্বিত করেছে। বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডস তাদের মধ্যে ওপরের দিকেই থাকবে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান পুরসভায় ৫ জনের পুরপ্রশাসক বোর্ড, দায়িত্বে প্রণব, আইনুলদ্বিতীয় ইনিংসে সামিবুমরা জুটি অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করলেও জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। প্রথম ইনিংসে বড় রানের মূলে এই জুটি। দুজনকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন কোহলি। তবে সামিবুমরার ইনিংসকে অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছেন। কোহলির কথায়, রাহুল ও রোহিত প্রথম ইনিংসে ভিত তৈরি করে দিয়েছিল। সামি ও বুমরার পার্টনারশিপ তো অবিশ্বাস্য। ঋষভের ওপর আরও প্রত্যাশা ছিল। ওর কাছ থেকে আরও কিছু রানের আশা করেছিলাম। ভেবেছিলাম ২০০ রানের লিড নিলেই লড়াই করতে পারব। ২৭১ রানের লিড হবে ভাবিনি। সামি ও বুমরা অসাধারন ব্যাটিং করেছে। ওরাই ইংল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। জানতাম ইংল্যান্ড ম্যাচ বাঁচানোর জন্য লড়াই করবে। আশা ছিল ওদের ৬০ ওভারের মধ্যে আউট করতে পারব। সেটাই হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal