• ১২ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Attack

রাজ্য

Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা, মোদিকে কেন চিঠি দেবেন শুভেন্দু?

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি দায়ী রাজ্য সরকার। দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও রাজ্যের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এই নিয়ে একটি চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তিনি নালিশ জানাবেন বলে নিজেই জানিয়েছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি দিকে অভিযোগের আঙুল তুলুন না কেন, শুভেন্দু এ দিনের চিঠিতে লিখেছেন, রাজ্যের সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।ডিভিসি-র অতিরিক্ত পরিমাণ জল ছাড়া নিয়ে বুধবার প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু এ দিন বলেন, আমিও আরেকটা চিঠি দেব। মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য তিনি বলেন, গত ২৭ জুলাই ডিভিসি আপনাকে সাবধান করেছে। কিন্তু আপনার প্রশাসন কোথাও মাইকিং করে কি কাউকে সতর্ক করেছে? কোনও পদক্ষেপ করা হয়েছে? ডিভিসি-র মনিটরিং কমিটিতে সেচ দফতরের সচিব রয়েছেন। ডিভিসি তো রাজ্য সরকারেরও অংশীদার।উনি প্রধানমন্ত্রীকে লিখেছেন, আমি আজ পালটা আরেকটা চিঠি পাঠাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীকে। সেই চিঠিতে আমি লিখছি, এই বন্যা এবং জল দুর্ভোগের জন্য একমাত্র দায়ী রাজ্য সরকার। কলকাতার সল্টলেকে উনি চালু করেছেন দুয়ারে নর্দমার জল প্রকল্প। এর জন্য দায়ী একমাত্র দায়ী এই রাজ্যের অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর প্রশাসন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কটিকাকরণ হোক বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজ্যের যে কোনও পরিস্থিতিতেই রাজনৈতিক টানাপড়েনের ঘটনা নতুন নয়। এ বারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মমতা যথারীতি দুষেছেন কেন্দ্রীয় সরকার অধীনস্থ ডিভিসিকে। কিন্তু শুভেন্দু সেই অভিযোগের তির পালটা ঘুরিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের দিকে। মোদিকে দেওয়া চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ডিভিসি-র বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বন্যা পরিস্থিতির জন্য দায়ী রাজ্য সরকার। পাশাপাশি নিজের চিঠিতে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, একটা সময়ের পর বাঁধগুলো থেকে জল ছাড়তেই হবে। নয়তো ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। রাজ্য সরকার জল ছাড়ার বিষয়ে পুরোটা জানলেও সতর্কতামূলক কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি, যে কারণে আজ কলকাতার পাশাপাশি একাধিক জেলার ডুবুডুবু পরিস্থিতি।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Babul Supriyo: বাবুলের ইস্তফা নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা

বাবুল সুপ্রিয়ের সাংসদ-পদে ইস্তফা আটকাতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মরিয়া। বাবুল শনিবার ফেসবুকে রাজনীতি এবং সাংসদ পদ ছাড়ার ঘোষণা করেছেন। তার পরে শনিবার রাতেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডার ডাকে দলের সদর দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বাবুল। সূত্রের খবর, তিনি নাড্ডাকে দল সম্পর্কে নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে। বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও বাবুলের কথা হয়ে থাকতে পারে। এরপর রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফেও বাবুলকে বোঝানোর চেষ্টা হয়েছে বলে খবর। এরমধ্যে তথাগত রায়, রাজু ব্যানার্জিরা রয়েছেন। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল। এদিকে, বাবুলের ইস্তফা নিয়ে সোমবার সকালে ফের একবার খোঁচা দিয়ে টুইট করেন কুণাল ঘোষ। তিনি লেখেন, ইস্তফা দেবেন? নাকি ফ্লপ নাটকের প্রত্যাশিত দৃশ্যে বলবেন অমুক অমুকের অনুরোধে ছাড়লাম না? নানারকম কথা লেখার দরকার নেই। এটা রাজনৈতিক প্রশ্ন। ইস্তফা, নাকি নাটক? আপনার গানের আমি ভক্ত। নাটক হিসেবে বড় কাঁচা। হয় ইস্তফা দিন। না হলে বলুন দিল্লির নজর টানতে নাটক করেছেন।.@SuPriyoBabul ইস্তফা দেবেন? নাকি ফ্লপ নাটকের প্রত্যাশিত দৃশ্যে বলবেন অমুক অমুকের অনুরোধে ছাড়লাম না? নানারকম কথা লেখার দরকার নেই। এটা রাজনৈতিক প্রশ্ন। ইস্তফা, নাকি নাটক? আপনার গানের আমি ভক্ত। নাটক হিসেবে বড় কাঁচা। হয় ইস্তফা দিন। না হলে বলুন দিল্লির নজর টানতে নাটক করেছেন। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) August 2, 2021বিজেপি সূত্রের খবর, বাবুল যাতে সাংসদ পদ না ছাড়েন, দলের শীর্ষ মহল সে ব্যাপারে সক্রিয় হয়েছে। মন্ত্রিত্ব চলে যাওয়ায় নিজের ক্ষোভের কথা আগেই ফেসবুকে জানিয়েছিলেন বাবুল। দলীয় সূত্রের দাবি, নাড্ডাকেও শনিবার রাতে সে কথা ফের বলেছেন তিনি। বিজেপিকে বাঙালি বিরোধী দল বলে প্রচার করে বিরোধীরা। সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভা থেকে তাঁর অপসারণের সূত্রে বাবুল এই বিষয়টিকেও যুক্ত করেছেন।বিজেপির অন্য এক সূত্রে বলা হচ্ছে, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে বাবুলকে বলা হয়েছে, অভিযোগ জানানোর জন্য দলের ভিতরে নির্দিষ্ট মঞ্চ রয়েছে। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তা জানানো কার্যত দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের সমান। পাশাপাশি, তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা হয়েছে, গত ৭ বছর তিনি টানা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। প্রথম বার লোকসভায় জিতে আসার পরই তাঁকে মন্ত্রী করা হয়েছিল। কিন্তু দল ক্ষমতায় থাকলেই কাউকে চিরতরে মন্ত্রী করে রাখা হবে, তা হতে পারে না। আর মন্ত্রী না থাকলেই রাজনীতিতে সব শেষ হয়ে যায় না। তাঁকে সাংগঠনিক গুরুদায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। রবিশঙ্কর প্রসাদ বা প্রকাশ জাভড়েকরকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরানোর উদাহরণও বাবুলকে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

আগস্ট ০২, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: তড়িঘড়ি উপনির্বাচন নিয়ে দিলীপের খোঁচা

ফের একবার উপনির্বাচন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কটাক্ষ, লোকাল ট্রেন চালাতে পারছেন না, অথচ ভোট করাতে চাইছেন। দিলীপের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ধরে রাখতেই তড়িঘড়ি উপনির্বাচনের পথে হাঁটতে চাইছেন। যদিও তৃণমূলের তরফে একাধিকবার দাবি করা হয়েছে, মূল নির্বাচন পর্ব যে সময় হয়েছিল, তখন সংক্রমণের হার শীর্ষে ছিল। সে তুলনায় এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তাই ভোট করাতে কোনও বাধা থাকার কথা নয়। উল্লেখ্য, রাজ্যে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন বাকি রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম ভবানীপুর কেন্দ্র। নন্দীগ্রামে হারের পর ছ মাসের মধ্যে কোনও একটি বিধানসভা থেকে জয়ী হয়ে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন, তাড়াতাড়ি উপনির্বাচন করতে। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ জয়ের হ্যাটট্রিক, দ্বিতীয় স্থানে থেকে অলিম্পিক হকির শেষ আটে ভারতশনিবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, উপনির্বাচন হওয়া উচিত। আমার মনে হয় যথা সময়েই তা হবে। বাংলায় কার্যত লকডাউন চলছে। দু বছর ধরে পুরসভার ভোট আটকে রয়েছে। অথচ মুখ্যমন্ত্রী খালি উপনির্বাচন নিয়ে বলছেন। ওনার যদি মনে হয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে তা হলে বিধিনিষেধ তুলে দিন। আসলে উনি নিজে মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন বলেই উপনির্বাচন নিয়ে এতটা সরব। এর আগে এই একই বিষয়ে কটাক্ষ করতে শোনা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকেও। তিনিও বলেছিলেন, রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতি ও টিকাকরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উপনির্বাচনের পরিস্থিতি নেই।

জুলাই ৩১, ২০২১
কলকাতা

Suvendu: শহরের জলযন্ত্রণা নিয়ে খোঁচা শুভেন্দুর

টানা বৃষ্টিতে শহরের জল যন্ত্রণা নিয়ে রাজ্য সরকারকে ফের একবার খোঁচা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে নাগাড়ে বর্ষণের জেরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য বর্তমান শাসকদলকের একহাত নেন বিরোধী দলনেতা। শহরবাসী তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার কারণেই এই ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলেও ঘুরিয়ে কটাক্ষ করেন তিনি। খোঁচার সুরে শুভেন্দু বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালুর আগেই রাজ্যে দুয়ারে নর্দমা প্রকল্প চালু হয়েছে। কলকাতা তো লন্ডন হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। শাসকদল এখানে ১১ টা আসনই জিতেছে। কলকাতার মানুষই সব দেখুন, কাদেরকে ভোট দিয়ে তাঁরা জেতালেন। কলকাতাকে আদর্শ নগরী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি তো প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলেন। সেই মানুষই তৃণমূলের উপর আস্থা রেখে ১১ টা আসন জিতিয়েছে, তাই কলকাতার মানুষজনই দেখুন। যশ-এর পর বলা হচ্ছিল দুয়ারে গঙ্গা। এখন সবাই বলছে, দুয়ারে নর্দমার জল। হয়তো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু হওয়ার আগে এই প্রকল্প চালু হয়েছে।উল্লেখ্য, মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগ নিয়ে শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের শুনানি ছিল বিধানসভায় স্পিকারের ঘরে। সেই শুনানি শেষ করে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু জানান, অধ্যক্ষ আগামী ১৭ অগস্ট পরবর্তী শুনানির দিনক্ষণ নির্ধারিত করেছেন। তবে অনির্দিষ্টকাল ধরে যাতে এই শুনানি না চলে সেই বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত হতে ফের একবার আইনের পথ হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন তিনি।

জুলাই ৩০, ২০২১
কলকাতা

BJP: আচমকাই মত্যু বিজেপি যুব মোর্চার সহ-সভাপতি রাজু সরকারের

বিজেপির যুব মোর্চার বৈঠকের শেষে বড় দুর্ঘটনা। এদিনের বৈঠকে কথা কাটাকাটি হয় বেশ কিছু বিষয় নিয়ে। বৈঠক শেষে দরুণ বিজেপি যুব মোর্চা সহ সভাপতি রাজু সরকার আচমকাই বুকে ব্যাথা অনুভব করেন। তাঁকে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান বলে খবর সূত্রের।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াহেস্টিংসের দপ্তরে দুদিনের বৈঠক চলছিল যুব মোর্চার। সেই বৈঠকের শেষের উত্তেজিত বাক্য বিনিময় হয় এবং বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন যুব মোর্চার-সহ সভাপতি রাজু সরকার। এরপর আলোচনা শেষে তিনি অফিস থেকে বেরিয়েও যান। পরে নিজের ফেলে যাওয়া ডায়েরি নিতে ফের অফিসে আসেন। তখনই বেরিয়ে আসার সময় তিনি অসুস্থ বোধ করেন। তৎক্ষণাৎ তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে কোনও শয্যা মেলেনি। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ইএম বাইপাসের ধারে অ্যাপেলো হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। বিজেপি সূত্রে খবর, দমদমের নাগেরবাজার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন রাজু। তাঁর মৃত্যুতে যুব মোর্চায় নেমে এসেছে শোকের আবহ।এই বিষয়ে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২৬, ২০২১
দেশ

Pak Drone: আইইডি ভর্তি পাক ড্রোনের হামলার ছক বানচাল

সীমান্তে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র পাচারের ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে ফের একবার ড্রোনের মাধ্যমে হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় পুরো ছক বানচাল হয়ে যায়। জম্মুতে হামলার আগেই গুলি করে নামানো হয় একটি পাকিস্তানি ড্রোন। উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। আরও পড়ুনঃ বালি খাদান নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীরজানা গিয়েছে, জম্মুর আখনুর সেক্টরে বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম ড্রোনটি চোখে পরে। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয় পুলিশ। ড্রোনটিকে গুলি করে নামানো হয়। দেখা যায় ড্রোনটি পাকিস্তানের এবং তাতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক আইইডি। জম্মু বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার মতোই কোনও বড়সড় নাশকতার ছকে ড্রোনটিতে বিস্ফোরক ভরে ভারতে পাঠান হয়েছিল বলে একপ্রকার নিশ্চিত সেনা ও পুলিশ। The Hexacopter was shot down around six kilometres inside the border, approximately 5 kilograms of explosives recovered: Jammu and Kashmir Police pic.twitter.com/Nw6mn3X1gv ANI (@ANI) July 23, 2021প্রথমে জম্মুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা। এরপর উপত্যকার আকাশে দেখা যাচ্ছে একের পর এক সন্দেহজনক ড্রোন। সেনার বিভিন্ন অতি স্পর্শকাতর এলাকার কাছেও ধরা পড়ছে চালকবিহীন এই সমস্ত উড়ো যান। মাটির পাশাপাশি এবার উপত্যকার আকাশেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে সেনা। ফলে গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটি ড্রোনকে নষ্ট করা হয়েছে। এমনকী, দিল্লিতেও জারি হয়েছে ড্রোন হামলার সকতর্কতা।

জুলাই ২৩, ২০২১
প্রযুক্তি

Pegasus: পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?

২০২১-র বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন দুই প্রধান বিরোধী দলের মুখ্য-কান্ডারিদের প্রতিনিয়ত ফোন কল সংবাদমাধ্যমের কাছে চলে আসাটা নিয়মিত ভাবে ঘটছিল। প্রত্যেক দলই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে দায়ী করছিলেন তাঁদের ফোনকল ট্যাপ হওয়ার জন্য। অতিসম্প্রতি আমরা প্যাগাসাস স্পাইওয়্যারের নাম শুনলাম। যার দ্বারা অতি সহজেই যেকোনও মোবাইল ফোন হ্যাক করা এবং তাদের ম্যাসেজ এবং কললিস্ট পড়া যায়। এই স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ সাংবাদিক, সরকারি আমলা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের ফোনে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে বলে জানা গেছে। তবে, ভারত সরকার জানিয়েছে যে, এই ধরণের মন্তব্য ভারতীয় গণতন্ত্র এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলিকে কলুষিত করার জন্য অতিরঞ্জিত করে অনুমানভিত্তিক একটা চক্রান্ত চলছে।২০১৯ সাল থেকে ১৬টি সংবাদমাধ্যম মিলে পেগাসাস প্রোজেক্ট নামে একটি তদন্ত করেছিল। রবিবার সেই রিপোর্টের কিছু অংশ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯-এর অক্টোবরে ফেসবুকের মালিকানাধীন সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, চারটি মহাদেশের অনুমানিক ১৪০০ জনের মোবাইল এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে হ্যাক করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে সেই তালিকায় ছিলেন কংগ্রেসের প্রিয়ঙ্কা গাঁধী, এনসিপি-র প্রফুল্ল পটেল, একাধিক সমাজকর্মী, আইনজীবী ও সাংবাদিকরা। আসুন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পেগাসাস স্পাইওয়্যার কি? এর থেকে কি ভাবেই বা সাবধানে থাকব।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কী?পেগাসাস হল এনএসও গ্রুপের তৈরি একটি বিশেষ স্পাইওয়্যার। এনএসও গ্রুপ একটি ইজরায়েলি সংস্থা যারা সাইবার হানা দেওয়ার জন্য এই ধরণের স্পাইওয়্যার ও ম্যালওয়্যার বানাতে সিদ্ধহস্ত। এটি সর্বপ্রথম ২০১৬ তে আলোচনাতে আসে, যখন আরবের এক ব্যাক্তি তাঁর মোবাইলে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে পেগাসাস আইফোন (iOS) ব্যবহারকারীদের টার্গেট করছে। এটা জানতে পেরে অ্যাপল আইওএসের (iOS) একটি আপডেট সংস্করণ প্রকাশ করেছিল। আইওএসের (iOS) সুরক্ষা বলয়ে যে যে ত্রুটি ছিল, যেখান দিয়ে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ফোন হ্যাক করার সুযোগ নিচ্ছিল সেই জায়গাগুলি সঠিক ভাবে আটকাবার জন্য এই আপডেট।আইওএসের (iOS) আপডেটের এক বছর পরে দেখা গেল পেগাসাস অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করতেও সমানভাবে সক্ষম। ফলস্বরূপ, সমস্ত মোবাইল ফোন সংস্থা তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা আপডেট করতে মাঠে নেমে পড়ল। ২০১৯ এ ফেসবুক পেগাসাস তৈরির জন্য এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে। একই সাথে হোয়াটসঅ্যাপ ও একটি বার্তার মাধ্যমে ভারতীয় ব্যবহারকারীদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে অবহিত করেছিল।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কীভাবে কাজ করে?পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি মেলিসিয়াস ওয়েবসাইট লিঙ্কের মাধ্যমে গোপনে মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা হয়। মোবাইল ব্যবহারকারী এই লিঙ্কে ক্লিক করলে স্পাইওয়্যারটি ফোনে অটোমেটিক ইনস্টল হয়ে যায়। এটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল করে সুরক্ষা বাগের মাধ্যমেও ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যারটি এতটাই উন্নত যে, কেবল মোবাইল ব্যবহারকারীর কাছে মিস কল দিয়ে ফোনে ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যার সফ্টওয়্যারটি কল লগ এন্ট্রি মুছে দেয়, যাতে মোবাইল ব্যবহারকারী জানতেও পারবে না যে তাদের ফোন হ্যাক করা হয়েছে।একবার ফোনে স্পাইওয়্যার ইনস্টল হয়ে গেলে এটি তার প্রয়োজনীয় মডিউলগুলি অটোম্যাটিক ভাবে ডাউনলোড করে নেয়, যাতে এটি ডেটা অ্যাক্সেস করতে সহায়তা করে। সাধারণভাবে জানা যায় পেগাসাস স্পাইওয়্যারটির কি-লগিং এবং অডিও রেকর্ডিং ক্ষমতা রয়েছে যার দ্বারা এটি কল শুনতে এবং এনক্রিপ্ট করা বার্তাগুলি পড়তে সক্ষম হয়।পেগাসাস স্পাইওয়্যার সম্পর্কে আরও একটি আকর্ষণীয় তথ্য হল, এটি ফোনে সম্পূর্ণ লুকিয়ে থাকতে পারে। যদি এটি এর কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল (CC) সার্ভারের সাথে ৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে যোগাযোগ করতে সক্ষম না হয় বা একটি ভুল ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে থাকে তাহলে স্পাইওয়্যার নিজেই নিজেকে ডিস্ট্রাক্ট করে দেয়।আপনার ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডার কি সুরক্ষিত?পেগাসাস স্পাইওয়্যার যে মোবাইলে ইন্সটল হয়, তার সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য সে অ্যাক্সেস করতে পারে এবং ফোনটি হ্যাক করতে সমর্থ হয়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এনক্রিপ্টেড করা চ্যাটগুলিও পড়তে পারে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, এই পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি আপনার ফোনের ম্যাসেজ পড়তে, আপনার করা কলগুলি ট্র্যাক করতে, বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আপনি কি কি করলেন তার উপর নজরদারি চালাতে সক্ষম। এটি আপনার গতিবিধির উপরও নজরদারী চালায় জিপিএস এর মাধ্যমে এবং অজান্তে আপনার ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারে। এতেই শেষ নয়, হ্যাকার প্যাগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে আপনার মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আপনার ব্যাক্তিগত কথোপকথন শুনতেও সক্ষম।সাধরণ মানুষের দুশ্চিন্তা করা উচিত?২০২১ প্রজেক্ট পেগাসাস রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, বর্তমানে পেগাসাসের যে ভার্সনটি আছে তাতে আইওএস ১৪.৬ (iOS 14.6) পর্যন্ত সমস্ত ফোন হ্যাক করতে সক্ষম। তবে আশার কথা গুগল, অ্যাপল, ফেসবুকের মতো সংস্থাগুলি তাদের গ্রাহকের মোবাইল ফোন হ্যাক করা আটকাতে তাঁদের নিজেদের ভুলভ্রান্তির জায়গাগুলি ঠিক করার জন্য সদা সতর্ক থেকে নিয়মিত ভাবে তাদের সফ্টওয়্যার আপডেট করার চেষ্টা করে চলেছেন। সুতরাং, আপনি কারও নির্দিষ্ট লক্ষ্য না হয়ে থাকলে আপনার ফোন এই স্পাইওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম। এছাড়াও, পেগাসাস হল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এক স্পাইওয়্যার যা বড় সংস্থা বা সরকার অপরাধী এবং অসামাজিক উপাদানগুলির উপর নজরদারি রাখতে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষের দিকে এদের লক্ষ্য নেই বলেই সাইবার বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

BJP woman Leader: বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম বিজেপি নেত্রী

প্রাতঃভ্রমণ করতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন এক বিজেপি নেত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়া ডুমুরজলায় এই ঘটনা ঘটে। তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা মারা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপির রাজ্য মহিলা মোর্চার সদস্য প্রিয়াঙ্কা শর্মা। আরও পড়ুনঃ ধর্মঘটে ন্যাশনাল মেডিক্যালের গ্রুপ ডি কর্মীরাবৃহস্পতিবার ভোর ৫টা নাগাদ, হাওড়ার দাসনগরের বাসিন্দা বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা শর্মা ডুমুরজলার রিং রোডে এক সঙ্গীর সঙ্গে যখন প্রাতঃভ্রমণ করছিলেন, সেই সময়ে হঠাৎই একটি কালো রঙের আইটেন গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে পিছন থেকে তাঁকে ধাক্কা মারে। বিজেপি নেত্রীর দাবি, তিনি রাস্তার ধার দিয়েই হাঁটছিলেন, তাঁকে পিছন থেকে এসে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ছিটকে রাস্তায় পড়েন তিনি। অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে পর পর দুবার গাড়িটি তাঁকে ধাক্কা মেরে দ্রুতগতিতে চম্পট দেয়। আশেপাশে থাকা অন্য প্রাতঃভ্রমণকারীদের সাহায্যে তিনি হাসপাতালে যান। ডান হাতে ও পায়ে চোট লেগেছে তাঁর। স্থানীয় চ্যাটার্জিহাট থানায় ঘটনার বিবরণ দিয়ে অভিযোগ জানান প্রিয়াঙ্কা। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত, নাকি দুর্ঘটনা তা জানতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে পুলিশ।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজনীতি

Assembly: বিধানসভার স্পিকারকে বেনজির আক্রমণ শুভেন্দুর

বিজেপির আনা মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ করায় তুমুল হট্টগোল বিধানসভায়। রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে বলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করলেন বিজেপি বিধায়করা। মঙ্গলবার বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর জবাবি ভাষণ দেন বিধায়করা। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অধিবেশন শুরু করতেই বিরোধী দলের তরফে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনার কথা বলা হয়। যদিও অধ্যক্ষ সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন। রাজ্যপালের ভাষণের পর এই প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়ে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরই বিধানসভার ভিতরে বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভ শুরু হয়। সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন দলদাস স্পিকার আগে দেখিনি। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছেন। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।আরও পড়ুনঃ ফের শহরে গ্রেপ্তার ভুয়ো অফিসারবিধানসভার অধিবেশনের বয়কট করার পর স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিক সম্মেলন তিনি বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছেন। তাঁর দল জিতেছে। যিনি তাঁকে হারিয়েছেন, তিনি বিরোধী দলনেতা হয়েছে। একথা বিধানসভায় বলা যাবে না! মমতার চোখে ইশারায় রে রে করে উঠলেন তৃণমূল বিধায়করা। শুভেন্দুর কথায়, আইনমন্ত্রী কানে কানে গিয়ে বলল। তারপর স্পিকার বলছে, বিষয়টি সাব জুডিস। কিন্তু কোনও অন্তর্বর্তীকালীন রায় নেই। প্রশ্ন তুললেন, তাহলে আমি এখানে থাকব কেন? আমাকে বের করে দিন।বিরোধী দলনেতার আরও বক্তব্য, বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের হইচই, আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতা বিজেপি বিধায়কের আছে। তাহলে ওয়াকআউট কেন? শুভেন্দুর সাফ কথা, স্পিকার বিরোধীদের সংরক্ষণ দেবেন, আইন মেনে চলবেন। তাঁর শাসকদলের প্রতি, যে দলের প্রতীকে জিতেছেন, সেই দলের প্রতি দূর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। সেকারণেই আমরা বিধানসভা বয়কট করলাম। আমরা সাধারণ মানুষকে জানাতে চাই, বিধানসভায়ও বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা হচ্ছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
কলকাতা

TMC-Tushar Mehta: বিজেপির 'সিক্রেট জেনারেল' তুষার, অভিষেকের টুইট তোপ

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ও শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎ ঘিরে ইতিমধ্যেই তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল। তুষার মেহতার অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার কথাও তৃণমূল শিবিরের। এরইমধ্যে সোমবার টুইট করে সলিসিটর জেনারেলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তুষারকে বিজেপির সিক্রেট জেনারেল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আরও পড়ুনঃ বাড়ির পোষা কুকুরের নীরবতাই কাল হল ডাকাতদলেরটুইটে অভিষেক লেখেন, ৭২ ঘণ্টা পরেও নিজের মন্তব্যের সমর্থনে ২০ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করতে পারেননি তুষার মেহতা। মিস্টার এসজি, এই দুর্বল রক্ষণ নিয়ে আপনি বিজেপি-র সিক্রেট জেনারেল হিসাবে কাজ করতে পারবেন, ভারতের সলিসিটর জেনারেল হিসাবে নয়। এর আগে রবিবার দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনও রবিবার সকালে টুইট করে কাঠগড়ায় দাঁড় করান সলিসিটর জেনারেলকে।Even after 72 hours, Mr Tushar Mehta, Honble SG of India, has failed to release the 20 mins of CCTV footage of his OWN HOUSE to corroborate his OWN STATEMENT.Mr SG, with such weak defence you can continue serving as @BJP4Indias SECRET GENERAL, not INDIAS SOLICITOR GENERAL. Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) July 5, 2021বৃহস্পতিবার তুষারের দিল্লির বাড়িতে শুভেন্দু গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন কুণাল। শনিবার তৃণমূল দলীয় ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে এই ঘটনার জন্য সলিসিটার জেনারেলের অপসারণ দাবি করে। সেই সময়ও তুষারের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছিলেন অভিষেক। যদিও তুষার জানিয়েছেন, শুভেন্দু তাঁর বাড়িতে এলেও সাক্ষাৎ হয়নি। একই দাবি করেছেন শুভেন্দুরও। যদিও তা মানতে নারাজ তৃণমূল।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

BJP MLA: সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক

রাজ্যে ফের আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক। রবিবার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিফায়ক দিবাকর ঘরামি। জানি গিয়েছে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা দিবাকরবাবুর গাড়ির উপর লাঠি নিয়ে হামলা করে। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় রক্ষা পান বিজেপি বিধায়ক। যদিও দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন বিজেপি কর্মী। জখম সকলকেই সোনামুখী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। যথারিতি এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধেবেলা মানিকবাজারের কাষ্ঠসাঙা গ্রামের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সোনামুখীর (Sonamukhi) বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। তিনি সেখানে কথাবার্তা বলার পর ফেরার পথে মানিকবাজারের কাছে দুষ্কৃতী হামলার মুখে পড়েন।চলে গো ব্যাক স্লোগান।দুপক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে অনেকের মাথা ফেটে যায়, কেউ বা হাতে-পায়ে চোট পেয়েছেন। ঘটনার পরও রাতভর সেখানে উত্তেজনা জারি ছিল। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের খবর মিলেছে একাধিকবার। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূলের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, সবটাই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ঘটনার কথা টুইট করে তীব্র নিন্দা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একজন বিধায়কও অবিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর জঙ্গলরাজে নিরাপদ নন।Sonamukhi MLA Dibakar Gharami attacked by TMC goons today at Manikbajar Panchayat area.7 BJP party members accompanying him were seriously injured alongside others had to be referred to Bankura Medical College.An MLA is not even safe in the Non-MLA CMs jungle raj. Horrific pic.twitter.com/Q8UpJqVeTP Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 4, 2021উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে একের পর এক বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ার, ঘরছাড়া হওয়ার খবর আসছে রাজ্যজুড়ে। এই নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে দরবারও করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে এসেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। হামলার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদেরও। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার আক্রান্ত হলেন বিজেপি বিধায়ক।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

Jadavpur: কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের উপর হামলা, রণক্ষেত্র যাদবপুর

ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুললেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যেরা। পাল্টা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ করল তৃণমূল। দুপক্ষের এই সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল যাদবপুর। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশনমঙ্গলবার যাদবপুরের নীলসঙ্ঘ এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার পর্যবেক্ষণ করতে যায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি দল। তাদের সঙ্গে ঘরছাড়াদের একাংশও ছিলেন। কমিশনের রিপোর্টে উঠে আসে ওই এলাকায় ৩০টির বেশি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন কমিশনের অধিকারিকরা। এ নিয়ে নীলসঙ্ঘ এলাকায় কেন্দ্রীয় সদস্যদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় কিছু বাসিন্দা। তাঁরা তৃণমূলের কর্মী বলেই দাবি বিজেপি-র। দুপুর ৩টে নাগাদ দুপক্ষের মধ্যে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের দাবি, ওই দুষ্কৃতীরা তাঁদের উপর আক্রমণ করেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় তাঁরা রেহাই পান। আবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিনা কারণে কমিশনের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকার মহিলাদের উপর আক্রমণ চালিয়েছে। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। যাঁর মধ্যে ৫ জন মহিলা রয়েছেন। আহতরা এখন বাঘাযতীন রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কমিশনের এক সদস্যের অভিযোগ, হাইকোর্টেট নির্দেশেই তাঁরা ঘটনাস্থলে আসেন। কিন্তু স্থানীয় পুলিশের সামনেই তাঁদে্র উপর হামলা চালানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের কী অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়। A Court directed investigation being conducted by the National Human Rights Commission (NHRC) team, was attacked at Jadavpur. Democracy is going to the ruins in Bengal.The State apparatus is hell bound on establishing dictatorship in WB. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) June 29, 2021এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপি-র মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাদবপুরে তদন্ত করতে গিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আক্রান্ত হয়েছেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে ওই এলাকায় ৪০টির বেশি বাড়ির ভাঙার যে অভিযোগ করা হয়েছিল তা সত্য। এবং আমরাও গুণ্ডাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলাম। টুইট করে ঘটনার নিন্দা করেছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। আজ যাদবপুরে ভোট পরবর্তী হিংসার পর্যবেক্ষণ করতে এসে যে ভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দলের ওপর হামলা হলো, তার তীব্র নিন্দা জানাই। যারা মানবাধিকার নিয়ে বিচার করেন, আজ তারাই নিগৃহীত। এ কোন বাংলায় বসবাস করছি? এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কঠিনতম পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। Locket Chatterjee (@me_locket) June 29, 2021

জুন ২৯, ২০২১
কলকাতা

CM-Dhankhar: অতীত টেনে রাজ্যপালকে পালটা দুর্নীতিগ্রস্ত বললেন মমতা

উত্তরবঙ্গ সফর শেষে কলকাতায় ফেরার আগেই জিটিএ-কে দুর্নীতির আখড়া বলে চিহ্নিত করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। ক্যাগ (CAG) অডিট করানোর কথাও বলেছিলেন। এবার তারই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আর তা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তীব্র আক্রমণ শানালেন। বলেন, উনি নিজে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত। হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে কার নাম উল্লেখ ছিল? তারপর কীভাবে পার পেয়েছেন? জিটিএ-র দুর্নীতির কথা বলার আগে উনি কাদের নিয়ে, কত খরচ করে দার্জিলিং গেলেন, রাজভবনে কত খরচ হলো, সেসব নিয়ে তদন্ত হোক। আর ক্যাগ (CAG) দিয়ে জিটিএ-র অডিটের বিরোধিতায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্য সরকার নিজেই তার অডিট করছে, ক্যাগ (CAG) অডিট প্রয়োজন নেই।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ কবীর সুমনএদিন অতীত টেনে এনে রাজ্যপালকে বিদ্ধ করার পাশাপাশি ফের রাজ্যপালের অপসারণের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, যতদিন এ রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছেন, ততদিন কাজ করব একসঙ্গে। এটা সৌজন্য, কর্তব্য। ওঁকে সরানোর জন্য তিনটে চিঠি দিয়েছি কেন্দ্রকে। তাদের এবার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে মনে হয়। এখনও কেন্দ্রের তরফে কোনও উত্তর পাইনি। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত বাংলার পরিচিত ছবি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সঙ্গে রাজভবনের একটা দ্বন্দ্ব চলছে বরাবর। এমনকী তৃতীয়বার রাজ্যের ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই তাঁর সমালোচনা করেন। তা নিয়েও বেশ জলঘোলা হয়েছিল। এবার দুর্নীতির মতো ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীও কড়া ভাষায় তাঁকে পালটা আক্রমণে নামলেন।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

Terrorists attack: পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ সপরিবার পুলিশ আধিকারিক

জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে ড্রোন হামলার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বড়সড় বিপত্তি। জঙ্গিদের গুলিতে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় শহিদ স্পেশ্যাল পুলিশ অফিসার (Special Police Officer)। প্রাণ গেল তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েরও। ওই আধিকারিকের বাড়িতে ঢুকে জঙ্গিরা এলোপাথাড়ি গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। তাতেই মৃত্যু হয় তিনজনের। আরও পড়ুনঃ রাজেশ বিন্দলের অপসারণের চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি রাজ্য বার কাউন্সিলের কাশ্মীর জোনের পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ফৈয়জ আহমেদ নামে ওই পুলিশ আধিকারিক পুলওয়ামায় (Pulwama) কর্মরত। স্ত্রী রাজা বেগম এবং ২৩ বছর বয়সি মেয়ে রাফিয়াকে নিয়েই সংসার ছিল তাঁর। রবিবার রাতে অবন্তীপোরার হরিপারিগ্রামের বাড়িতেই ছিলেন তিনি। আচমকাই জঙ্গিরা বাড়িতে ঢুকে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগে চলতে শুরু করে এলোপাথাড়ি গুলি। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান পুলিশ আধিকারিক। তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েকে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ আধিকারিকের স্ত্রীকে মৃত বলে জানান চিকিৎসক। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন পুলিশ আধিকারিকের মেয়ে। সোমবার সকালে শেষ হয় তাঁর জীবনযুদ্ধ। চিকিৎসকরা জানান, শত চেষ্টাতেও কোনও লাভ হয়নি। প্রাণ গিয়েছে তাঁর। এই ঘটনার পর থেকে এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। চলছে জঙ্গিদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি। কোনও জঙ্গি (Terrorist) সংগঠন এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনিআরও পড়ুনঃ মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার, বললেন মমতাএর আগে শনিবার রাতে জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে বিস্ফোরণ হয়। জখম হন ২জন। পরে জানা যায় চিনা ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এই প্রথমবার, ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ব্যবহৃত হল ড্রোন (Drone Strike)। এতদিন সীমান্ত পার করে অস্ত্র পাচারে ব্যবহার হত এই যন্ত্র। এবার সরাসরি বিস্ফোরক ছুঁড়ে বিস্ফোরণ ঘটাতেও ব্যবহৃত হল এই ছোট্ট যন্ত্রটি। জঙ্গিদের বড় কোনও নাশকতার ছক ছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তৎপরতায় সেই ছক বানচাল হয়ে গিয়েছে। আর রাতে স্পেশ্যাল পুলিশ অফিসারের বাড়িতে ঢুকে জঙ্গি হামলার ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই উপত্যকার নিরাপত্তা নিয়ে ফের একবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২১
রাজ্য

Covid-19 Vaccine: ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

তিনদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ কলকাতা পুরসভার ভ্যাকসিন-কাণ্ডে শাসক দলের জড়িত থাকার বিষয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন। শনিবার কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামেন তিনি। সেখান থেকে তাঁর সোজা কোচবিহারের তিনবিঘা করিডর এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা।ফেক ভ্যাকসিন নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এক বছর ধরে ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেব কোভিড সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছে। এই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা ফেক ভ্যাকসিনকাণ্ডে যুক্ত। কলকাতা পুরসভাও যুক্ত। অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে ছবিতে। কী করে নেতারা বলছে তাঁকে চেনে না?আগামী পুরসভা নির্বাচন নিয়ে বিজেপি তৎপর হয়ে উঠেছে। শনিবার এনজেপিতে ট্রেন থেকে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সভাপতি জানান, উত্তরবঙ্গে পাঁচ জেলার কর্মসূচিতে অংশগ্রহহ করে আগামী পুরসভা নির্বাচনে ও দলের আগামী দিনের রনকৌশল ঠিক করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।রাজ্যে দলত্যাগ নিয়ে জল্পনা অব্যাহত আছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী বিধায়কদের দল পরিবর্তন নিয়ে জল্পনার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, যাঁরা যাওয়ার তাঁরা চলে গিয়েছে, কাজের লোক যাঁরা আছেন তাঁরা বিজেপি ছাড়বেন না। মুকুল রায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসেই জানিয়েছিলেন বহু বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদ দল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দেবেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘোষণা করেছন বিজেপির নেতা-নেত্রীরা দলে আসার জন্য পা বাড়িয়ে আছেন।

জুন ২৬, ২০২১
বিদেশ

Religious Slogan: জার্মানিতে পথচারীদের উপর জেহাদি হামলায় হত ৩

ফের সন্ত্রাসবাদী হামলায় কেঁপে উঠল ইউরোপ। এবার জার্মানিকে (Germany) রক্তাক্ত করল এক জেহাদি। শুক্রবার ছুরি হাতে নিরীহ মানুষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তিনজনকে কুপিয়ে খুন করল এক সোমালি ব্যক্তি।আরও পড়ুনঃ সাঁতরাগাছির বহুতল আবাসনে গুলিবিবিসি সূত্রে খবর, দেশটির বাভারিয়া অঞ্চলের উজবুর্গ শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সোমালিয়ার এক নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। তার বয়স ২৪ বছর। জানা গিয়েছে, আচমকা পথচারীদের উপর আল্লাহু আকবর ধ্বনি তুলে ঝাঁপিয়ে পড়ে হামলাকারী। তিনজনকে কুপিয়ে খুন করে সে। ওই হামলায় আরও বেশ কয়েকজন মানুষ আহত হয়েছেন। অবশেষে পায়ে গুলি করে ওই জঙ্গিকে বাগে এনে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আপাতত সেখানে আর কোনও হামলার আশঙ্কা নেই। এদিকে ডয়েচভেলের খবরে বলা হয়েছে, হামলার পর বাভারিয়ার অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী জোয়াকিম হেরমান জানিয়েছেন, হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের অবস্থা গুরুতর ও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম। এ ছাড়া হামলায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।নিজেদের টুইটার হ্যান্ডেলে উজবুর্গ পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে। এই হামলায় আর কেউ জড়িত নয় বলেই আপাতত মনে করা হচ্ছে। সোমালিয়ার ওই ব্যক্তি ২০১৫ সাল থেকে ওই উজবুর্গ শহরে বসবাস করছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামিক জেহাদি সংগঠনগুলির প্রচারে প্রভাবিত হয়ে লোন উলফ হামলার ঘটনা বেড়েছে ইউরোপে। উল্লেখ্য, লোন উলফ মানে একাকী শিকারি। এই পদ্ধতিতে কোনও ব্যক্তি বিশেষকে মগজ ধোলাই করে একা আত্মঘাতী হামলা চালাতে উৎসাহী করে তোলা হয়। এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির সরাসরি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে কোন যোগ থাকে না। ইন্টারনেট বা জিহাদি বইপত্রের মাধ্যমে তার মধ্যে পরোক্ষে ধর্মীয় উন্মাদনা জাগিয়ে তোলা হয়।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

PAC: পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র (PAC) সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপি-র বিধায়ক এবং অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বুধবার বিধানসভায় চিঠি পাঠিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন তিনি। বিষয়টিকে পাত্তা না দিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বুধবারই দাবি করলেন, বিধায়ক থাকলে তবে তো পিএসি-র চেয়ারম্যান হবেন উনি।আরও পড়ুনঃ ফের ভাঙন বিজেপিতেশুভেন্দু জানিয়েছেন, আগামী ১৬ জুলাই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের প্রথম শুনানি স্পিকারের কাছে। সেখানে শুভেন্দু সব তথ্য ও নথি তুলে ধরবেন তাঁর যুক্তির স্বপক্ষে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের কথায়, সদ্য তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এখন আবার তৃণমূলই তাঁর নাম পিএসি কমিটিতে প্রস্তাব করেছে। গত বৃহস্পতিবার আমি ৬৪ পাতার একটি অভিযোগ জমা দিয়েছিলাম স্পিকারের কাছে। বুধবার আমার সেই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়ে গেল। ওঁর বিধায়ক পদই থাকবে না। বিধায়ক না থাকলে পিএসি-র চেয়ারম্যান হওয়ার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে! শুভেন্দুর আরও বলেন, স্পিকার আমাকে ১৬ তারিখে ডেকেছেন শুনানির জন্য। আমি সেই শুনানিতে আসব, সব তথ্য নথি জমা দেব। তার পর তো আর বেশি দিন অপেক্ষা করব না। আদালতে চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বিধায়কই থাকবেন না, তা হলে আর বিধায়ক কী? আর পিএসি কী?এ প্রসঙ্গে বিধানসভার উপ মুখ্য সচেতক তাপস রায় বলেন, পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি-সহ বিধানসভার সমস্ত কমিটির চেয়ারম্যান ঠিক করার অধিকার রয়েছে স্পিকারের। এখানে সরকার পক্ষের কোনও হাত নেই। তৃণমূল যদিও দাবি করেছে, মুকুলের মনোনয়নে তাদের কোনও হাত নেই। যদিও, প্রস্তাবক হিসেবে মুকুলের মনোনয়নে সই করেছেন কার্শিয়াঙের তৃণমূল সমর্থিত মোর্চার বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচা ও এগরার বিধায়ক তরুণ মাইতি।এ নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্য, ভাবের ঘরে বসে চুরি করে লাভ নেই। খুব সুন্দর কাজ করেছেন ওঁরা। কালীদাসের মতো কাজ করেছেন। তাই আমার কাজ অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমার লড়াই আইনগত, বিধায়ক পদ খারিজের লড়াই। সেই লড়াইয়ে আরও এক ধাপ আমি এগিয়ে গেলাম। সেই সুযোগটা করে দিয়েছে শাসকদল।

জুন ২৩, ২০২১
কলকাতা

Maldah Murder: দিলীপের নিশানায় রাজ্য সরকার

দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করে মালদহের কালিয়াচকের আট মাইল এলাকার আসিফ মহম্মদ। নিজেদের হেপাজতে নিয়ে অভিযুক্তকে জেরা করছে পুলিশ। তারই মাঝে হাড়হিম করা এই হত্যাকাণ্ডে এবার লাগল রাজনীতির রং। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিকে,মালদা-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আসিফের বাড়ি বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মাইলের দূরেই বাস খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত জিয়াউলের। বর্তমানে সে জেলবন্দি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিন দুষলেন দিলীপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সস্ত্রীক রাজ্যপালতিনি বলেন, রাজ্য দিনে দিনে উগ্রপন্থীদের গড় হয়ে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুই করতে পারছে না। তার কারণ ওদের ভোটে ক্ষমতায় তিনি। এ রাজ্যকে আফগান, সিরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও একবার সোনার বাংলা গড়ার ডাকও দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) আগেও বিজেপি নেতা-নেত্রীদের মুখে একাধিকবার সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান শোনা গিয়েছিল।

জুন ২১, ২০২১
দেশ

CoronaVirus: চিকিৎসকদের হেনস্তা করলেই এফআইআর

করোনা আবহে চিকিৎসকদের (Doctors) হেনস্তা করলেই হতে পারে জেল। হেনস্তাকারীর বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। করোনা আবহে লড়াই করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। অখচ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের হেনস্তার (Assualt) খবর সামনে আসছে। যার জেরে ক্ষোভ বাড়ছে ডাক্তারদের মধ্যেও। সেই ক্ষোভ প্রশমিত করতেই কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।শনিবার এ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি দেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছ, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী হেনস্তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে স্বাস্থ্য পরিষেবায়। হুমকি দেওয়া বা হামলার ঘটনা তাঁদের মনোবলকে ম্লান করে দিতে পারে। তৈরি করতে পারে নিরাপত্তাহীনতা। যা স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আরও লেখেন, বর্তমানের কিছু ঘটনা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে FIR করতে হবে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, এ ধরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআর-গুলির অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মহামারি রোগ (সংশোধনী) আইন, ২০২০ প্রয়োগ করার কথাও বলেছেন তিনি। উল্লেখ্য, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় ঘটনা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাবাস এবং পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। তবে অভিযোগের উপর নির্ভর করে এ ধরনের শাস্তির বহর আরও বাড়তে পারে। মহামারি আইন প্রয়োগ করলে শাস্তি স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।চিঠিতে সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজর রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন ভাল্লা। লিখেছেন, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্তায় উৎসাহ জোগাতে পারে এমন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের উপরেও কড়া নজর রাখতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হাসপাতাল, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি জায়গায় প্রচার চালাতে হবে।

জুন ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত

প্রয়াত অভিনেত্রী স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত (Swatilekha Sengupta)। দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ছোট পর্দার পাশাপাশি থিয়েটারের মঞ্চে দাপিয়ে অভিনয় করে গিয়েছেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। বিখ্যাত থিয়েটার শিল্পী রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তর স্ত্রী ছিলেন তিনি। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।১৯৮৪ সালে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পর্দায় অভিনয়ের যাত্রা শুরু স্বাতীলেখার। সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত ছবি ঘরে বাইরে-র বিমলা অভিনয় নিয়ে আজও প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাংলা ছবির দর্শক। সেই থেকে সৌমিত্র ও স্বাতীলেখার জুটিকে পছন্দ করেছিলেন অনুরাগীরা। কিন্তু তার পরে মঞ্চের বাইরে দেখা যায়নি তাঁকে। দীর্ঘ ৩১ বছর পরে সৌমিত্রর সঙ্গেই পর্দায় ফিরলেন তিনি। প্রযোজক-পরিচালক নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে বড় পর্দায় দেখা যায় তাঁকে। বেলা শেষে ছবিতে সৌমিত্র-স্বাতীলেখার রসায়ন দেখে আপ্লুত দর্শকদের জন্য ফের বেলাশুরু-তে অভিনয় করেন তাঁরা। কিন্তু ছবি মু্ক্তি পাওয়ার আগেই চলে গেলেন নায়ক-নায়িকা। গত বছর নভেম্বর মাসে মৃত্যু হয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার চলে গেলেন স্বাতীলেখাও।১৯৭০ সালে ইলাহাবাদে মঞ্চজীবন শুরু তাঁর। মঞ্চজীবনে পেয়েছেন বিভি করন্থ, তাপস সেন এবং খালেদ চৌধুরীর মতো ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য। ১৯৭৮ সালে নান্দীকার নাট্যদলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। সেখানেই আলাপ ও প্রেম হয় নাট্যব্যক্তিত্ব রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তের সঙ্গে। তার পরে বিয়ে এবং সংসার। ভারতীয় নাট্যজগতে তাঁর অবদানের জন্য সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কারও পেয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেত্রী। তাঁর কন্যা সোহিনী সেনগুপ্তও একই ভাবে নাট্য ও পর্দার জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। মঞ্চে শঙ্খপুরের সুকন্যা, মাধবী, পাতা ঝরে যায় ইত্যাদিতে তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখাছিলেন স্বাতীলেখা। নান্দীকার-এর বেশ কিছু নাটকের সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

জুন ১৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal