• ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Asha

রাজ্য

টাকার বিনিময়ে চাকরির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে প্রতারনার অভিযোগ শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে

আশাকর্মী পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে ৫৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠলো শাসকদলের এক পঞ্চায়েত সদস্যার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মনিকা রায় পূর্ববর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা।তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আশাকর্মীর চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ৫৫ হাজার টাকা নেয়। পাশাপাশি এলাকার তৃণমূল কর্মী শুভঙ্কর মজুমদারের নাম জড়িয়েছে এই ঘটনায়।মেমারির বড়োর এলাকার বাসিন্দা রাজকুমার হাজরা ওরফে ভোম্বল হাজরা তিনি নিজের স্ত্রীর চাকরীর জন্য মনিকা রায় ও শুভঙ্কর মজুমদারকে ৫৫ হাজার টাকা দেন। তার অভিযোগ স্ত্রী আশাকর্মী পদে চাকরি পায় নি। আবার টাকাও ফেরত পান নি। মঙ্গলবার প্রতারিত রাজ কুমার হাজরা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।ঘটনার পরই মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। রাজ কুমার হাজরা বলেন, একটি বেসরকারি সংস্থার কাছে চড়া সুদে ঋণ করে তিনি শুভঙ্কর মজুমদার ও মনিকা রায়কে টাকা দেন। অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যা মনিকা রায় জানান, এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত, রাজনৈতিকভাবে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। একই কথা বলেন তৃণমূল কর্মী শুভঙ্কর মজুমদারও। রাজ কুমার হাজরা মেমারি থানায় অভিযোগ করেন গোটা বিষয়টি নিয়ে। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি আসলে কি ঘটনা হয়েছে।

আগস্ট ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয় ছেড়ে নতুন কাজ শুরু করলেন তিয়াশা, এখন কি করছেন তিনি?

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক কৃষ্নকলি তে শ্যামার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জিতে নিয়েছেন অভিনেত্রী তিয়াশা রায়। তবে ধারাবাহিক শেষ হওয়ার পর তাকে আর নতুন ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে না। ভক্তদের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছিল আবার কবে তিনি অভিনয়ে ফিরবেন। কবে অভিনয়ে ফিরবেন সেই উত্তর সকলের অজানা। তবে এর মধ্যে অন্য একটা খুশির খবর দিলেন অভিনেত্রী। ইউটিউব চ্যানেল খুললেন তিয়াশা। তিয়াশার ইউটিউব চ্যানেলের নাম Explore Tiyasha। ইতিমধ্যে তিনটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। সাবস্ক্রাইবার ১০০০ এর কাছাকাছি। মিষ্টি হাবে গিয়ে খাওয়া থেকে শুরু করে তার শারমেয়কে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া, বাংলা নববর্ষের ভুরিভোজ সবকিছুই রয়েছে ইউটিউব ভ্লগে। আগামী দিনে তার চ্যানেলে আরও ইউটিউব ভ্লগ দেখার অপেক্ষায় রয়েছে তিয়াশার ভক্তরা।

মে ১৩, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিক পাশে রাজ্য আশা কর্মী নিয়োগ

আশাকর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। মাধ্যমিক পাশ মহিৃলারা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবে। বয়স কত, কীকী যোগ্যতা থাকা আবশ্যিক তার বিস্তারিত পাবেন এই প্রতিবেদনে।মোট শূন্যপদ ৭১। আশা কর্মী পদে নিয়োগ হবে। স্থানীয়রা সুযোগ পাবে। আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ০১,০১, ২০২১-এ ৩০-৪০ বছর। প্রার্থীদের মাধ্যমিক পাশ হতে হবে। শুধু বিবাহিত, বিধবা ও বিবাহবিচ্ছিন্নরা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবে।আবেদন করতে হবে অফলাইনের মাধ্যমে। আবেদনপত্রটি নির্ভুল ভাবে ফিলাপ করতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি খামের ভিতরে দিতে হবে। খামের ওপর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নাম ও আবেদন করা পদের নাম লিখতে হবে। যে এলাকার জন্য আবেদন করবেন প্রার্থীদের সেই এলাকার বাসিন্দা হতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিডিও অফিসের ড্রপ বক্সে ফেলতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৮ মে ২০২২। পুরুলিয়ার ৫টি ব্লকে ৭১ জন আশাকর্মী নিয়োগ করা হবে। মোট ১০০ নম্বরের মূল্যায়ন করা হবে। তাতে মাধ্যমিকের ৯০ শতাংশ{ ইন্টারভিউয়ের ১০ শতাংশ{ফরমটি ডাউনলোড করুন ও বিস্তারিত জেনে নিন। রইল লিংক।এই লিঙ্কে ক্লিক করুনআবেদন পত্র ডাউনলোড করুন

মে ০৩, ২০২২
দেশ

কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন প্রশান্ত কিশোর?

কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। শনিবার দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধী, মল্লকির্জুন খাড়গে সহ কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন পিকে। সম্প্রতি পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফল করেছে কংগ্রেস। ক্ষমতা হারিয়েছে পঞ্জাবে। এছাড়া সামনেই নির্বাচন রয়েছে গুজরাটে, তাছাড়া ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন, নানা কারণেই এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় খারপ ফল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তখন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রশান্ত কিশোরে দ্বারস্থ হয়েছিল। তারপরই তৃণমূলের কৌশল রচনার দায়িত্ব নেন পিকে। আই প্যাকের সঙ্গে জনসংযোগের নানান পন্থা অবলম্বন করে তৃণমূল। তার ফল পায় ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে। ২১৩টি আসনে জয় পেয়ে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। পরবর্তীতে ফের আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তি হয়েছে। সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে হাজির ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। তৃণমূলের সঙ্গে পিকের মত-বিরোধের জল্পনার অবসান হয়। সেই ভোটকুশলী এবার দিল্লিতে বৈঠক করছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কী তিনি কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন? নাকি আগামি নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেসের হয়ে ভোটের কৌশল রচনা করার দায়িত্ব নিচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর? আগামিদিন এই প্রশ্নের জবাব মিলবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
দেশ

নীতীশ কুমারের সঙ্গে নৈশভোজে পিকে!

বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের জল্পনার মধ্যেই এ বার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে নৈশাহারে দেখা গেল প্রশান্ত কিশোরকে। যা দিল্লিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে।ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর নিজেকে এক জন ব্যর্থ রাজনীতিবিদ বলে প্রকাশ্যে দাবি করেন। বাংলার বিধানসভা ভোটের পর তিনি নির্বাচনী পরামর্শদাতার কাজ ছেড়ে পুরোদস্তুর রাজনীতিতে পুনঃপ্রবেশ করবেন, তা-ও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। তা হলে এ বার কি তিনি নিজের পুরনো দল সংযুক্ত জনতা দল (জেডিইউ)-এই ফিরতে চলেছেন? এই জল্পনার জন্ম দিয়েছে রাজধানী দিল্লির কিছু খণ্ডচিত্র।প্রশান্ত কিশোর সাংবাদিকদের বললেন, এই সাক্ষাৎ স্রেফ সৌজন্যমূলক। রাজনৈতিকভাবে আমরা এখন দুই গোলার্ধের মানুষ। তিনি জানান, নীতীশ করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর স্বাস্থ্যের হাল জানতে ফোন করেছিলেন। তখনই নীতীশ তাঁকে এক দিন নিমন্ত্রণ করেন। যা ঘটনাচক্রে শুক্রবার সম্পন্ন হল।এমনিতে প্রশান্ত কিশোর রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা বৈঠকের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রাখেন। কিন্তু শুক্রবার নীতীশের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারটি তিনি গোপন রাখেননি। বরং দুপক্ষের ইচ্ছাতেই সেটি প্রকাশ্যে এসেছে। যাতে গুঞ্জনের অবকাশ আরও বেড়ে গিয়েছে। হঠাৎ কেন নীতীশের সঙ্গে প্রকাশ্যে সাক্ষাৎ করলেন পিকে? কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কি এ বার নিজের পুরনো দল জেডিইউ-এর সঙ্গে সম্পর্ক ঝালাই করতে উদ্যোগ নিচ্ছেন পিকে। সাম্প্রতিক কয়েকটি সাক্ষাৎকারে নীতীশকে নিয়ে তাঁর বলা কিছু কথা থেকে অন্য রকম ইঙ্গিত পাচ্ছিল রাজনৈতিক মহল। এ বার নীতীশ-পিকের নৈশভোজ সেই জল্পনায় ঘি ঢালল।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Tokhon Kuyasha Chilo : বড়পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে শৈবাল মিত্র'র ছবি 'তখন কুয়াশা ছিল'

পরিচালক শৈবাল মিত্রর নতুন ছবি তখন কুয়াশা ছিল। সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের উপন্যাস তখন কুয়াশা ছিল ছিল থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এই ছবি নির্মাণ করছেন পরিচালক। তখন কুয়াশা ছিলর ট্রেলার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল। উপস্থিত ছিলেন শাশ্বত চ্যাটার্জী, বাসবদত্তা চ্যাটার্জী, সুকৃতি লাহিড়ী, অঙ্কিতা মজুমদার সহ আরও অন্যান্যরা। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এই ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক জনতার কথা কে জানালেন,সইদ মুস্তাফা সিরাজের গল্প তখন কুয়াশা ছিল তে যা ছিল এখানেও সেটাই লক্ষ্য করা যাবে। প্রেমের গল্প। কি ঘটছে না ঘটছে। তার ঘাত-প্রতিঘাতে। এটাই বিষয়। সমসাময়িক সময়টা একটু অন্যভাবে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। তিনি আরও জানান,নভেম্বরে ছবিটি মুক্তি পাবে। প্রথম সপ্তাহটা নন্দন ও নজরুল তীর্থ তে ছবিটি রিলিজ হবে। এরপর আরও অন্যান্য হলে ছবিটি দেখা যাবে। শুটিং কোথায় কোথায় হয়েছে উত্তরে জানালেন,ইলামবাজার, দুবরাজপুর, বর্ধমান, ইলামবাজারে জঙ্গলের মধ্যে একটা বাড়ি আছে সেখানে শুটিং হয়েছে। আর ইন্ডোর হয়েছে কলকাতার টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে।এই ছবির মাধ্যমেই অনেকদিনের বিরতির পর অভিনেত্রী হিসাবে দর্শকরা দেখতে পাবেন অঙ্কিতা মজুমদার কে। জনতার কথা কে তিনি জানালেন,এই ছবির শুটিং ৪ বছর আগে ২০১৭ তে করা। তবে অনেকদিন পর ফাইনালি ছবিটি রিলিজ করছে। সকলের মতো আমারও ভালো লাগছে। একটা লম্বা গ্যাপের পর আবার আমি কাজে ফিরতে পারছি।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bipasha Basu : বিপাশা বসু কি প্রেগন্যান্ট?

কোনও বিবাহিত মহিলার ওজন বাড়ছে? ব্যাস শুরু হয়ে গেল আলোচনা। তাহলে কি তিনি প্রেগন্যান্ট? এই নিয়ে অনেক প্রশ্ন শুনতে হয়। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রেই শুধু নয়। অভিনেত্রীরাও রেহাই পান না এই প্রশ্নের হাত থেকে। এবার এই প্রশ্নের হাত থেকে রেহাই পেলেন না বিপাশা বসুও। বিয়ের পর থেকে ওজন বাড়লেই তাঁকে এ হেন প্রশ্ন শুনতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রীর দাবি এই প্রশ্নের সঙ্গে নাকি রীতিমতো লড়াই করতে হয়েছে তাঁকে।এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি কোনও রাখঢাক না করেই বলেছেন, আমার পরিবার আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি জানি, ওজন বাড়লেই আমার প্রেগন্যান্সি নিয়ে শুরু হয় নানান জল্পনা। তিনি আরও জানান যে ইন্ডাস্ট্রি এবং এই শো বিজনেস দুনিয়ার অংশ হওয়া সত্বেও তাঁর শরীরের ওপর সম্পূর্ণ অধিকার একমাত্র তাঁরই। তিনি শরীরের ওজন বাড়াবেন কি না সে ব্যাপারেও নির্ণায়ক একমাত্র তিনি নিজেই। বিপাশা বলেন, আমি ফিটনেস অ্যাম্বাসেডার সেটা জানি। কিন্তু কখনও কখনও ফিটনেসের কথা ভাবি না। তাঁর মনে এই নয় যে যা তা ভাবে নিজের জীবনটা কাটাচ্ছি আমি কিংবা কোনও অস্বাস্থ্যকর কিছুর মধ্যে ডুবে রয়েছি। কিন্তু এটাও পরিষ্কারভাবে বুঝে গেছি যতক্ষণ আমার সন্তানকে না দেখছেন সবাই, ততক্ষণ আমার প্রেগন্যান্সি নিয়ে নিরন্তর এই জল্পনা চলবে!

অক্টোবর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sindur Khela : দশমীতে সিঁদুরখেলায় মাতলেন টলি তারকারা

আজ বিজয়া দশমী। দশমী মানেই বিষাদের সুর বাজতে শুরু করে। আবার এক বছরের অপেক্ষা। তবে আবার দশমী মানেই সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন মেয়েরা। যার মধ্যে আবার আলাদা একটা আনন্দ রয়েছে। লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠাতে বাদ জাননা টলি তারকারাও। এই বছর কোভিড বিধি মেনে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠলেন নুসরত জাহান, শুভশ্রী, দেবলীনা কুমার, কোয়েল মল্লিক, ফালাক রশিদ রায়, রাইমা সেন সকলেই। সিঁদুরখেলায় না মাতলেও দেবীকে বরণ করলেন মিমি চক্রবর্তী। তবে সিঁদুরখেলায় যে বিবাহিতরাই মাতেন এমনটা নয়। সিঁদুরখেলায় মেতে উঠলেন ঋতাভরী চক্রবর্তী ও সোহিনী সরকার। বিয়ের পর প্রথম সিঁদুর খেলায় দেবলীনা কুমারকে বেশ ভালো লাগছিল। সঙ্গে ছিলেন গৌরব। নিয়ম-রীতি মেনে মা-কে বরণ করে নিলেন অভিনেত্রী। দশমীর দিন লাল শাড়িতে ধরা দিলেন কোয়েল। মা দুর্গাকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দিতে দেখা গেল কবীরের মা-কে, সেই সিঁদুর নিজের সিঁথিতেও ছুঁইয়ে নিলেন নিসপাল সিং ঘরনি।এদিন সকলের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। সঙ্গে হাসি মুখে জানান, আসছে বছর আবার হবে। অগ্নিদের চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির দুর্গাপুজো অনেকেই জানেন। তাদের বাড়ির ঠাকুর দেখতে অনেক টলি তারকা ভিড়। অগ্নিদেব ও সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায় বিগত বছরগুলোর মত ধূমধাম করে না হলেও একসঙ্গে সিঁদুরখেলায় মেতে উঠলেন। সুদীপা চট্টোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
বিদেশ

Tom Cruise: চিকেন টিক্কা মশলা'য় ফিদা মিশন ইম্পসিবল খ্যত হলিউডি অভিনেতা

চিকেন টিক্কা মশলায় ফিদা মিশন ইম্পসিবল খ্যত হলিউডি অভিনেতা। স্বয়ং টম ক্রুজ ভারতীয় মশালার টানে সটান হাজির সুরের রানি আশা ভোঁসলের আশাস এ। যে কোনও গানে আশাজির সুরের সঠিক প্রয়োগ-ই ছিলো তাঁর মূল ইউএসপি (USP)। সেফদের প্রতি তাঁর একটা উপদেশ একটা ছোট্ট সুরের ভুলে যেমন একটা গোটা গান নষ্ট হয়ে যায়, ঠিক সেরকমই সামান্য মশালার এদিক ওদিক রান্নার বারোটা বাজিয়ে দেয়। মশালার দাদাগিরিতে যেন সুর না কেটে যায়, এটাই তাঁর রেস্তরাঁ ব্যবসার মূল মন্ত্র। অনেকেই জানেন আশাজীর গানের পর সবচেয়ে প্রিয় কাজ ছিল রান্না করা। তিনি বিভিন্ন পদ রান্না করতে খুব পছন্দ করতেন। বহু বিখ্যাত সুরকার, গায়ক, নায়ক তাঁর হাতের রান্নায় গুনমুগ্ধ।আরও পড়ুনঃ লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ভিখারি বললেন দিলীপ ঘোষটম ক্রুজ মার্কিন চলচ্চিত্রে এক প্রথম সারির নাম। একাধারে অভিনেতা ও প্রযোজক। তিনি তিনবার একাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন লাভ করেছিলেন এবং তিনবার গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জয় করেছেন। এহেন অভিনেতা অতিসম্প্রতি ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে আশা ভোঁসলে র আশাস এ খেতে এসে একেবারে দু-প্লেট মাশালাদার চিকেন টিক্কা মশলা খেয়ে ফেললেন। প্রথম প্লেটটি নিমেষে শেষ করেই আরেক প্লেট আনার অনুরোধ করেন। আমাদের গড়পরতা ধারণা ভেঙে দিয়ে তিনি দ্বিতীয় প্লেটটিতে মশালা বেশী দেওয়ার অনুরোধ জানান।২০০২-র শুরুতে দুবাই এ প্রথম রেস্তরাঁ চালু করেন আশাজি। দেখতে দেখতে এখন তাঁর চেন-এ ১৮টিরও বেশী রেস্তরাঁ সারা পৃথীবী জুড়ে। তাঁর রেস্তরাঁতে এর আগেও অনেক বিখ্যাত মানুষজন খেতে এসেছেন। টম ক্রুজ ঘুরে যাবার পরের দিন-ই মিশন ইম্পসিবল টিমের সদস্যরা দল বেঁধে হাজির হন সেখানে। এছাড়াও বিশ্বখ্যাত পপ গায়ক এড শিরান এবং দ্য রোলিং স্টোনস ব্যান্ডের সদস্যরাও এসেছিলেন আশার রেস্তরাঁয়।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানরেস্তরাঁ চেনের তরফে সামাজিক মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে হলিউডি নায়কের রেস্তঁরা ভ্রমণের ছবি পোস্ট করে একথা জানানো হয়। তাঁর চিকেন টিক্কা মশালা প্রীতির কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Asha worker: আশাকর্মী মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি কর্মী ইউনিয়নের, বিক্ষোভ-মিছিল

মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে আশা কর্মী মণিকা বোসকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে তাঁর সৎ ছেলে ও বৌমা। এই দুই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সকল আশা কর্মীরা।নিহত মণিকা বোসের ছবি দেওয়া ফ্লেক্স হাতে নিয়ে এদিন র্যালি করে জামালপুর ব্লক হাসপাতাল থেকে জামালপুর থানায় পৌছান কয়েক শো আশা কর্মী। সেখানে দাঁড়িয়েই শ্লোগান তুলে তাঁরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি জানান। পরে দাবির বিষয়টি নিয়ে আশা কর্মীরা থানায় স্মারকলিপিও জমা দেন। মৃত আশা কর্মীর বাবা কাশীনাথ নন্দীও এদিন থানা চত্ত্বরে হাজির থেকে চোখের জল মুছতে মুছতেই তাঁর মেয়ের খুনিরদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশপশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের পূর্ব বর্ধমান জেলা ইনচার্য ঝর্ণা পাল জানিয়েছেন,তাঁদের সহকর্মী বছর ৪৫ বয়সী মণিকা বোস জামালপুর ব্লক হাসপাতাল অধীনে কাজ করতেন। প্রকৃত অর্থেই মণিকা ছিলেন একজন করোনা যোদ্ধা। জামালপুর থানা সংলগ্ন কালাড়াঘাট গ্রামে তাঁর স্বামীর বাড়ি। বাবার বাড়ি কালাড়াঘাটের অনতি দূরে জামালপুরের হাওয়াখানা পাড় এলাকায়। ঝর্না পাল বলেন, কালাড়াঘাট নিবাসী দিলীপ বোষের স্ত্রী তাঁর পুত্রসন্তান সুভাষকে জন্ম দেওয়ার কয়েক বছর পর মারা যান। এরপর সংসার সামলানো ও নাবালক সন্তান সুভাষকে প্রতিপালনের জন্য ব্যবসায়ী দিলীপ বোস পুনর্বিবাহের মনস্থির করেন। বছর ১৬ আগে দিলীপ বোসের সঙ্গে মণিকার সঙ্গে বিয়ে হয়। মণিকা নিজে নিঃসন্তান থেকে গিয়ে সুভাষকে পুত্র স্নেহে বড় করে তেলেন। বছর ১০-১১ আগে দিলীপ বোস মারা যান। তারপরেও সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। মণিকার সংসারে অশান্তি শুরু তাঁর সৎ ছেলে সুভাষ ছয় মাস আগে মণিকার মতামতকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে নিছের ইচ্ছায় বর্ধমানের বড়শুলের তরুণী আল্পনাকে বিয়ে করার পর থেকে। মণিকা এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। তাই গত সোমবার মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে করোনা যোদ্ধা মণিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁরই সৎ ছেলে ও বৌমার বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দী জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে মণিকার সৎ ছেলে সুভাষ বোস ও তার স্ত্রী আল্পনা বোসকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের নির্দেশে তারা এখন জামালপুর থানার পুলিশি হেপাজতে রয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভবিনিসুতোয় প্রসঙ্গে অনিন্দিতা সরকারএদিন থানায় স্মারকলিপি প্রদান করে সকল আশা কর্মীরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সৎ ছেলে সুভাষ ও বৌমা আল্পনার দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করার দাবি এদিন পুলিশকে জানান। একই দাবি থানার পুলিশ কর্তাদের কাছে রাখেন আশা কর্মী মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দীও। থানায় হাজির হওয়া আশা কর্মী শম্পা দাস, মিতা বিশ্বাস প্রমুখরা বলেন, আমাদের সহকর্মী মণিকাকে এই ভাবে খুন হতে হবে তা আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি। আমরা চাই মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর সাজা।যথাযথ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আশা কর্মীদের আশ্বস্ত করেছেন জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারা।

আগস্ট ২০, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Prashant: ভরসার পাত্র ভোটকুশলীকে এখনই ছাড়তে নারাজ মমতা

বাংলায় বড় জয়ের পিছনে কৌশল ছিল ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের। ফল ঘোষণার পরই ভোটকুশলী পদ ছেড়ে দেওয়ার দাবিও করেন। কিন্তু, এত সহজে যে তাঁকে ছাড়া যাবে না তা প্রমাণ করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভরসার পাত্র প্রশান্তকে সম্ভবত এখনই ছাড়তে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার দু্পুরে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে প্রায় ৩ ঘণ্টা বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সপ্তাহে জেলাস্তরের সাংগঠনিক রদবদলের আগে ভোটকৌশলীর সঙ্গে নেত্রীর আলোচনা হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর। আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত ৫২ভোটের পর এক নেতা এক পদ নীতি চালু শুরু করেছে তৃণমূল। জেলাতেও সেই হিসেবে সংগঠনে বদল আনা হচ্ছে। তার আগে প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা (Mamata Banerjee)। সূত্রের খবর, ঘণ্টা তিনেক ধরে চলে বৈঠক। জেলার সংগঠন নিয়ে প্রশান্তের মত জানতে চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নিয়েও কথা হয়েছে দুজনের।২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে বাংলায় প্রথমবার ১৮টি আসন জিতে তৃণমূলকে চাপে ফেলে দিয়েছিল বিজেপি। ভোটের পরই প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) রণনীতি তৈরি হয়। আইপ্যাকের কাজকর্ম নিয়ে তৃণমূল নেতাদের একাংশ আপত্তি করলেও আগাগোড়া প্রশান্তের পাশে ছিলেন অভিষেক। ভোটকৌশলীর মস্তিষ্কপ্রসূত বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়, বাংলার গর্ব মমতা, দিদিকে বলোর মতো কর্মসূচিতে নতুন উদ্যম পায় শাসক দল। সেই সঙ্গে নবান্নের তরফে দুয়ারে সরকার প্রকল্প। অমিত শাহ ২০০টি আসনপ্রাপ্তির দাবি করলেও বিজেপি একশোও পেরোবে না বলে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন প্রশান্ত। কার্যক্ষেত্রে হলও তাই। বিজেপি থমকে যায় ৭৭ আসনে। দুশোর বেশি আসন পেয়ে হ্যাটট্রিক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইপ্যাকের সঙ্গে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ায় তৃণমূল। এদিনের বৈঠকের পর ভোটকুশলীর বৈঠকের পর রাজ্যে ফের বড়সড় রদবদল হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজনীতি

I-PAC: ২০২৬ পর্যন্ত তৃণমূলের সঙ্গে গাঁটছড়া আইপ্যাকের

প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আই-প্যাকের (I-PAC) সঙ্গে দীর্ঘকালীন গাঁটছড়া বাঁধল তৃণমূল কংগ্রেস। একুশের অভাবনীয় সাফল্যের পর তৃণমূল নেতাকর্মীরা চেয়েছিলেন আগামী দুটি বড় নির্বাচনেও পিকে স্যারের সংস্থা তাঁদের পাশে থাকুক। আর হলও তেমনটাই।একুশে যেভাবে প্রশান্ত কিশোরের হাতে বাংলা দখলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই চব্বিশের লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) এবং ছাব্বিশের বিধানসভাতেও প্রশান্ত কিশোরকেই নির্বাচনী পরামর্শদাতা হিসেবে পেতে চলেছে তৃণমূল। তাঁদের যুক্তি এই দুই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে দলের সাফল্যের গতি ধরে রাখতে পিকেকে (PK) দলের প্রয়োজন। সেজন্যই I-PAC-এর সঙ্গে গাঁটছড়ায় তৃণমূল। আসলে একুশের সাফল্যের পর ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন এবং ২০২৬-এর বিধানসভা (West Bengal Assembly Election 2026) নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই ঘুঁটি সাজানো শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। যদিও এতে বেশ কয়েকটি সমস্যা আছে। তৃণমূলের ক্ষেত্রে দলনেত্রী কী চাইছেন, সেটা সবচেয়ে জরুরি। তাছাড়া গত ২ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরই পিকে ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, আই-প্যাকের সঙ্গে আর সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকতে চান না তিনি। তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতার যুক্তি ছিল, আই প্যাকে আমি ছাড়াও আরও অনেকে কঠোর পরিশ্রম করেন। আর সুনাম শুধু আমার হয়। তাই সময় এসেছে নিজে পিছিয়ে এসে অন্যদের এগিয়ে দেওয়ার। যদিও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট নয়, তিনি পুরোপুরি I-PAC ছাড়বেন, নাকি আড়ালে থেকে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করবেন।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

'বঙ্গে আসছে বিজেপিই'! পিকে-র অডিও টেপ ফাঁস

চতুর্থ দফার ভোটপর্ব শুরুর আগেই প্রশান্ত কিশোরের (পিকে) একটি অডিও টেপ সামনে আনলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ভোট কুশলীকে বলতে শোনা গিয়েছে, রাজ্যের ভোটে নরেন্দ্র মোদি, হিন্দুত্ব, মেরুকরণ, অবাঙালি ভোট বড় ফ্যাক্টর। বলতে শোনা গিয়েছে, মতুয়া ভোটের দুই তৃতীয়াংশ এবং সামগ্রিক হিন্দু ভোটের অর্ধেক বা তার বেশি বিজেপি-র পক্ষে পড়বে। অমিতের দাবি, ওই অডিওটি পিকের ক্লাবহাউস চ্যাটের অংশ। পিকে অবশ্য কার্যত মেনে নিয়েছেন চ্যাটের কণ্ঠস্বরটি তাঁরই।এ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রশান্ত শনিবার টুইটারে লিখেছেন, আমি খুশি, বিজেপি তাদের নেতার কথার চেয়ে আমার চ্যাটকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। কথার নির্দিষ্ট কিছু অংশ তুলে ধরে উত্তেজিত না হয়ে তাদের পুরো চ্যাটটি প্রকাশ্যে আনা উচিত। আমি আগেও বলেছি, আবার বলছি, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ১০০ পেরোবে না। তিনি দাবি করেছেন, অডিও ক্লিপটিতে তাঁর ক্লাবহাউস চ্যাটের অংশবিশেষ কেটে নিয়ে প্রকাশ করেছে। পুরো চ্যাটটি প্রকাশ করা হলে পরিষ্কার হবে তিনি ঠিক কী বলতে চেয়েছিলেন।অডিও ক্লিপে প্রশান্তকে বলতে শোনা গিয়েছে, ভোট থাকলে তা মোদির নামে রয়েছে। ভোট থাকলে হিন্দুত্বের নামে রয়েছে। মেরুকরণ, মোদি, হিন্দিভাষী, দলিত এগুলোই ফ্যাক্টর। শুভেন্দু গেল, কী প্রশান্ত কিশোর এল, তা এখানে ধর্ত্যব্যের বিষয়ই নয়। মোদি এখানে জনপ্রিয়। ১ কোটি হিন্দিভাষী এবং ২৭ শতাংশ দলিত ভোটার পুরোপুরি বিজেপি-র সঙ্গে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ধর্মীয় মেরুকরণের গুরুত্বের কথাও।সেই সঙ্গে চ্যাটে একটি প্রশ্নের উত্তরে মতুয়া ভোটের গুরুত্বের কথা জানিয়ে প্রশান্ত বলেছেন, আমাদের সমীক্ষার হিসেব বলছে, লোকসভা নির্বাচনের মতো একতরফা না হলেও এখনও মতুয়া ভোটের ৭৫ শতাংশ বিজেপি-র পক্ষে এবং ২৫ শতাংশ তৃণমূলের পক্ষে যাবে।তাঁদের সমীক্ষার ফল সম্পর্কে প্রশান্ত বলেন, আমরা ভোটারদের কাছে মূলত দুটি বিষয় জানতে চেয়েছিলাম প্রথমত, আপনি কাকে ভোট দেবেন। দ্বিতীয়ত, কে সরকার গড়বে। কে সরকার গড়বে এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে অধিকাংশই উত্তর দিয়েছেন, বিজেপি। কেন এমন উত্তর এসেছে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রশান্ত। তাঁর কথায়, যাঁরা বিজেপি-কে ভোট দেবেন, তাঁরা তো বলছেনই, এমনকি বামেদের পক্ষে যে ১০-১৫ শতাংশ ভোটদাতা রয়েছেন তাঁদেরও দুই-তৃতীয়াংশ মনে করেন, বিজেপি সরকার গড়তে চলেছে। ওই বাম ভোটদাতাদের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর প্রশ্নটাই প্রধান বলে দাবি প্রশান্তের। কারণ, ওই বাম ভোটদাতারা মনে করেন,বিজেপি সরকার গড়লে বামেদের সুদিন ফিরবে।চ্যাটে তিনি বলেছেন, তৃণমূল স্তরে বিজেপি-র প্রচুর নিষ্ঠাবান কর্মী আছেন। হতে পারে তাঁরা বাম থেকে বিজেপি-তে এসেছেন। কিন্তু এখন তাঁরা একনিষ্ঠ ভাবে বিজেপি-র হয়েই কাজ করছেন। একটি-দুটি জায়গা বাদ দিলে পশ্চিমবঙ্গের এমন কোনও এলাকা নেই, যেখানে বিজেপি-র প্রচুর নিষ্ঠাবান কর্মী নেই। কিন্তু এমন পরিস্থিতি হলে তৃণমূল কত ভোট পেতে পারে? প্রশান্তের জবাব, আমার হিসেবে বিজেপি ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ হিন্দু ভোট পাবে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজনীতি

দলিত ভোটে থাবা বসাতে বাংলায় ২৯৪ আসনেই লড়বে লোক জনশক্তি পার্টি

লোক জনশক্তি পার্টি আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪টি বিধানসভাতে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। লোক জনশক্তি পার্টির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি মীরা চক্রবর্তী শুক্রবার প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে ব্রাহ্মণ, কায়স্থ, বৈশ্যর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১৭%, ওবিসি, তপসিলি জাতি ও উপজাতির সংখ্যা প্রায় ৫৩% আর মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষ আছেন প্রায় ৩০%। কিন্তু বিধায়ক সংখ্যার বিচারে এই বিপুল সংখ্যক দলিত সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করার সংখ্যাটা খুবই নিতান্ত। আমাদের স্বর্গীয় রামবিলাস পাশোয়ানজি চেয়েছিলেন দলিত উত্থান সমগ্র ভারতবর্ষে। পশ্চিমবঙ্গে যা আজ অবধি হয়ে উঠতে পারেনি।মীরা চক্রবর্তী ছাড়াও এ দিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পার্টির সভাপতি পরিমল চন্দ্র বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক রিক যাদব, সেলিম মোল্লা, যুবসভাপতি জয় রায়, মহিলা সভানেত্রী কল্পনা সেন, মাইনরিটি প্রেসিডেন্ট ইকবাল মোল্লা, পার্টির সোহো সভাপতি চন্দন রানা, সাধারণ সম্পাদক ভীম পাত্র এবং প্রদীপ দাস। কোষাধ্যক্ষ অসিত ঝা, বিনীত চক্রবর্তী ইত্যাদি, জেলা সভাপতিগণ। এই কনফারেন্সে রামবিলাস পাশোয়ানজিরও লোক জনশক্তি পার্টির মত ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন দল ও সমাজসেবী সংগঠন বিভিন্ন জেলা হতে প্রায় শতাধিক নেতা ও কর্মীবৃন্দ যোগদান করেছে।আমরা লোক জনশক্তি পার্টি চেয়েছিলাম পশ্চিমবঙ্গে দলিত নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ যাতে খেয়ে পরে বেঁচে থাকেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল হয়েছে। তাতে ৫,২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। যেখানে চাকরি হয়েছে মাত্র ৮০০ জনের। তারমানে ১৩ কোটি টাকার বিনিময়ে একটা মানুষের চাকরি হয়। কিন্তু আমরা যদি বলি স্মলস্কেল ইন্ডাস্ট্রি বা মিডিয়ামস্কেল ইন্ডাস্ট্রি করা হয় তাহলে এক কোটি টাকার বিনিময়ে ৩ জনের চাকরি হয়। পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার এক কোটি ৮৭লক্ষ মানুষ বেকার। জানালেন মীরা চক্রবর্তী।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

অভিমান মেটাতে রাজীবকে দলে বাড়তি দায়িত্ব দিতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব

অভিমান মেটাতে এবার বেসুরোমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল সূত্রে রবিবার এই তথ্য জানা গিয়েছে। রাজীবকে দলের নতুন প্রজন্মের মুখ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, রবিবার দুপুরে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলা বাড়িতে পার্থ-রাজীব-পিকের যে বৈঠক হয়েছে তা সফল। এই বৈঠকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাবতীয় অভিমানের কথা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। এর পরেই আলোচনার সমস্ত বিষয় বস্তু জানানো হয় দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সমস্ত কিছু আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অভিমান মেটাতে রাজীবকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হবে। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই ভালো সংগঠক, কাজের মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁর দাবি মেনে তাঁকে দলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, দলের ভিতরের দুর্নীতি এবং স্তাবকতা নিয়ে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজীব। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় তিন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনের জন্য তলব যদিও বৈঠকের পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু জানাননি। তিনি শুধু বলেছিলেন, আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও আলোচনা হবে। অন্যদিকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে ডোমজুড় এবং বালি হল্টে রবিবারও প্রচুর পোস্টার লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাতে লেখা ছিল,আমরা সবাই রাজীব পরিবার,আমরা রাজীব দার অনুগামী। এ বিষয়ে মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান,আমি আমার ব্যক্তিগত প্রচারে বিশ্বাসী নই। কারা এসব পোস্টার লাগাচ্ছে তা আমার জানা নেই। এইসব কাজকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সমর্থন করিনা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

পিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বৈশালী ডালমিয়া

বঙ্গ জননী কর্মসূচি নিয়ে বালি বিধানসভা এলাকার ১৬ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরের সঙ্গে বুধবারে বেলুড় অগ্রসেন ভবনে বৈঠক করছিলেন পিকের টিম। সকাল এগারোটা নাগাদ বৈঠক শেষ হওয়ার সময় বালির প্রাক্তন তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি বিজয়লক্ষী রাও উপস্থিত হন। তিনি সেখানে প্রশ্ন তোলেন, বিধায়ককে বাদ দিয়ে কেন মিটিং করা হচ্ছে। কেন মিটিং সম্পর্কে জানানো হয়নি বিধায়ককে। এ বিষয়ে পিকের টিমের প্রতিনিধি ও উপস্থিত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। এরপরেই দু পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পিকের টিমের সামনেই চলে বচসা। হাতাহাতি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলর পরিস্থিতি সামাল দেন। গোটা ঘটনা টিম পিকে-র সামনে হলেও আশ্চর্যজনকভাবে তাঁরা নীরব ছিলেন বলেই অভিযোগ বৈশালী ডালমিয়ার। ফলে পিকে-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক। টিম-পিকে আদৌ দলের ভাল করতে চান কিনা তা নিয়ে ঘনিষ্ট মহলে প্রশ্ন তোলেন বৈশালী। আরও পড়ুন ঃ কোচবিহারে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার তাকে না জানিয়ে কেন বৈঠক করা হচ্ছে, এটা জানতে চাওয়ায় বিজয়লক্ষী রাওকে তৃণমূল কর্মীরা মারধর করে বলে অভিযোগ। পালটা ক্ষোভ উগরে দেন বালির তৃণমূল নেতা তফজিল আহমেদ। তিনি বলেন, কোনও মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বালির বিধায়ক ও ঘনিষ্ঠরা সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য এখানে এসেছেন। এদেরকে বহিষ্কার না করলে দলটাই থাকবে না। এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবা উচিত।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

সমস্যা মিটেছে বলে তৃণমূল দাবি করলেও এখনও চুপ শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে যে জল্পনা চলছিল রাজ্য রাজনীতিতে , তাতে আপাতত ইতি পড়ল। মঙ্গলবার উত্তর কলকাতার একটি বাড়িতে গোপন বৈঠকের শেষে এমনই দাবি করলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য এখনও এই বৈঠকে্র বিষয়ে মুখ খোলেননি। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে সৌগত রায়, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর ও শুভেন্দু বৈঠকে মিলিত হন। সেই বৈঠকে সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে শুভেন্দুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌগত বাবুর দাবি, শুভেন্দু-অভিষেক-পিকে-কে নিয়ে মুখোমুখি বসার প্রয়োজন ছিল। আলোচনা সদর্থক হয়েছে। এ বৈঠকেই মিটে গেছে সমস্ত সমস্যা। দু-একদিনের মধ্যেই পুরো বিষয়টি জানাবেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, আমি তো বলেছিলাম শুভেন্দু দল ছেড়ে যাবেন না। সেটাই সত্যি বলে প্রমাণিত হল। বৈঠকের বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বাবা তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শিশির অধিকারী বলেন, সমস্যা মিটে গেলে ভাল। পার্টির জন্য মঙ্গল। আরও পড়ুন ঃ পিকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পরেও নিজের অবস্থানে অনড় শীলভদ্র উল্লেখ্য, সদ্য মন্ত্রিত্ব ছাড়লেও বিধায়ক পদ ও দল ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বিভিন্ন অরাজনৈ্তিক সমাবেশে কারও নাম না করে বিভিন্ন মন্তব্য করছিলেন। এর পালটা তৃণমূলের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও সাংসদও শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছিলেন। তৃণমূলের তরফ থেকে সৌগত রায়কে শুভেন্দুর সঙ্গে কথা বলার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু তাঁকে জানিয়েছিলেন, যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্স্বীর হাতে দলের দায়িত্ব ছিল, তখন কোনও সমস্যা ছিল না। কিন্তু এখন অভিষেক ও প্রশান্ত কিশোর যেভাবে দল চালাচ্ছেন , তা তিনি মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। এদিন সেই অভিষেক ও প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে বৈঠকে্র পর বরফ গলল বলে মত তৃণমূল নেতৃ্ত্বের।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজনীতি

পিকে'র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পরেও নিজের অবস্থানে অনড় শীলভদ্র

শীলভদ্র দত্তের বাড়ি গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন প্রশান্ত কিশোরের প্রতিনিধিরা। কিন্তু বরফ গলল না। অনড় রইলেন নিজের অবস্থানে। জানিয়ে দিলেন, আর তৃণমূলের হয়ে নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। তবে ২০২১-এ দলের জয় নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী । বলেন, তৃণমূল ২০০টি আসন পাবে। প্রশান্ত কিশোরের দুই প্রতিনিধিকে তিনি জানিয়ে দেন, আমি দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলব। আরও পড়ুনঃ আমিও বাংলা হরফে লিখে গুজরাতি ভাষা বলতে পারি, নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার প্রশান্ত কিশোরের প্রতিনিধিরা তাঁকে তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়ানোর কথা বলতেই তিনি সরাসরি সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। তিনি বলেন, অনেকে মনে করছেন জাহাজ ডুবতে চলেছে। কিন্তু আমি মনে করি ২০২১-এর নির্বাচনে তৃণমূল ২০০টি আসন পাবে। কারণ তৃণমূলের আসল মানুষ তো দলে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
দেশ

শারীরিক অবস্থার অবনতি, ভেন্টিলেশনে তরুণ গগৈ

শারীরিক অবস্থার অবনতি হল অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের। জানা গিয়েছে, একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে তিনি আপাতত গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শ্বাসকষ্টের প্রবল সমস্যা রয়েছে। তরুণ গগৈর স্বাস্থ্য সম্পর্কে খবর নিশ্চিত করেছেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। গত আগস্টে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা থাকায় হাসপাতালে ভরতি হতে হয়। প্রায় দুমাস সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন অসমের তিনবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। করোনা জয়ের পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন অক্টোবরের শেষদিকে। কিন্তু নভেম্বরের শুরুতেই করোনা পরবর্তী একাধিক উপসর্গ নিয়ে তাঁকে ভরতি করাতে হয় গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজে। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মোদি সরকার গরিবদের জন্য কোনও কাজ করেনিঃ রাহুল তবে শনিবার বিকেল থেকে দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মাল্টি-অর্গ্যান ফেলিওরের পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ে। ধীরে ধীরে অচৈতন্য হয়ে পড়েন। তাঁকে দিতে হয় ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে। খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান তাঁর সাংসদ পুত্র গৌরব গগৈ। তাঁর পাশে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব জিষ্ণু বড়ুয়া। এদিকে, অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে নিয়মিত হাসপাতালে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর খোঁজ নিচ্ছেন।

নভেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

এনামূলের ল্যাবরেটরিতে অনুব্রত মণ্ডল সহ অনেকেরই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছেঃ সায়ন্তন

অনুব্রতকে দিয়ে শুরু করে এরপর যে যে তৃণমূল নেতার ভাইরাস রয়েছে তাঁদের টিকাদান কর্মসূচী নেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। রবিবার দুর্গাপুরের মায়াবাজারে চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আইটি , এনামূলের ল্যাবরেটরিতে অনুব্রত মণ্ডল সহ অনেকেরই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে। অনুব্রত মণ্ডলের মতো কয়েকশো ভাইরাস আছে তাঁদের উপর প্রয়োগ করা হবে। আর ছয় মাস অপেক্ষা করুন। আরও পড়ুন ঃ পারদ অনেকটাই নেমে ফিরল শীতের আমেজ বহিরাগত ইস্যুতে এদিন সায়ন্তনবাবু পালটা প্রশ্ন করেন, পিকে কোন রাজ্যের বাসিন্দা? এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমাদের সর্বভারতীয় দল। কেন্দ্রীয় নেতারা আসবেন। আমাদের রাজ্য নেতারাও ভিন রাজ্যে যান। তৃণমূলের ভোটের প্রচারে বাংলাদেশ থেকে চিত্র তারকা আসতে পারেন কিংবা জামাত, রোহিঙ্গারা তারা বহিরাগত নয় প্রধানমন্ত্রী এখানে বহিরাগত? তৃ্ণমূল সাংসদদের বিজেপিতে যোগদানের প্রসঙ্গে সায়ন্তনবাবু বলেন, এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

নভেম্বর ২২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal