• ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Anubrata Mondal

রাজ্য

এবারের পুজোটা জেলেই কাটবে অনুব্রত মন্ডলের, জামিন না-মঞ্জুর

সেই প্রভাবশলী তকমা। এবার দুর্গাপুজোটা জেলেই কাটাতে হবে গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে। বুধবার ফের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল অনুব্রত মন্ডলের। এদিন ফের এই তৃণমূল নেতাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত দিল আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। জামিনের আবেদন খারিজ করেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৫ অক্টোবর, দশমীর দিন। তাই পুজোর কটা দিন জেলেই কাটাতে হবে অনুব্রতকে।বুধবার আসানসোলের বিশেষ আদালতে অনুব্রতর মন্ডলের আইনজীবী সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় এবং অনির্বাণ গুহঠাকুরতা মক্কেলের জামিনের আবেদন করেন। তাঁরা যুক্তি দেন, গরুপাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্তদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে। কেউ মাসখানেকের ওপর জেল খেটেছেন কেউ জেল না খেটেই জামিন পেয়েছেন। একইসঙ্গে অনুব্রতর শারীরিক অবস্থা খারাপ বলেও আদালতে জানান তাঁর আইনজীবী। সিবিআই আইনজীবীর তরফে প্রভাবশালী তকমা দেওয়া হয় অনুব্রতকে। তিনি বাইরে থাকলে মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

মঙ্গলকোট হত্যা কান্ডে হাজিরা দিতে কলকাতা যাওয়ার সময় শক্তিগড়ে কি খেলেন অনুব্রত?

ধৃত বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোল থেকে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে তার গাড়ি শক্তিগড়ে দাঁড়ায়। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের শক্তিগড়ের একটি ল্যাংচার দোকানের সামনে তার গাড়ি দাঁড়ালেও অনুব্রত মণ্ডল গাড়ি থেকে নামেন নি। মিনিট দশেক তিনি গাড়ির মধ্যেই ছিলেন। তবে চারটি কচুরী, ছোলার ডাল প্যাকেট করে গাড়ির ভিতরে নিয়ে যায় পুলিশকর্মীরা। পাশাপাশি এক কাপ লিকার চা তিনি খান গাড়ির ভিতরে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

আসানসোলে সিবিআই আদালতে যাওয়ার পথে অনুব্রতের গাড়ি থামলো শক্তিগড়ে

আসানসোলে সিবিআই আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে অনুব্রতের গাড়ি থামলো শক্তিগড়ে। গরুপাচারের ঘটনায় ধৃত বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল চার দিন সিবিআই হেফাজতে থাকার পর বুধবার তাকে আসানসোলের সিবিআই আদালতে তোলা হয়। ২ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে কলকাতা থেকে আসানসোল যাওয়ার পথে অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে যাওয়া সিবিআইয়ের গাড়ি থামে জাতীয় সড়কের শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকান পরিয়ে। বর্ধমানের উল্লাসমোড় ঢোকার বেশ খানিকটা আগে( ১ কিলোমিটার) রাস্তার ধারে একটি ধাবার সামনে গাড়ি থামে। অনুব্রত মণ্ডল সিআরপিএফের একেবারে ঘেরাটোপে ঢোকেন ধাবার ভিতরে। তখন জাতীয় সড়কের ধারে বেশ কয়েকটি গাড়ি সহ গোটা এলাকাটি সিআরপিএফ জওয়ান ঘিরে রাখে। তিনি সটান ঢুকে যান ধাবার কেবিনে। তবে তিনি ল্যাংচা বা কোন মিষ্টি জাতীয় খাবার খান নি।দুটি ডালপুরি ও লিকার চা খেয়ে প্রাতঃরাশ সারেন।তিনি ওখানে আধঘন্টা ছিলেন। ধাবার কর্মীরা তাকে সেরামিকের কাপ ডিসে লিকার চা দেয়। অনুব্রত বরাবরই দুধ চা বা কফি এড়িয়ে চলেন চিকিৎসকদের নির্দেশে। বরং দলীয় অনুষ্ঠান, বাড়িতে বা পার্টি অফিসে সব সময়েই লিকার চা খান।তবে বিকালে বোলপুরের দলীয় কার্যালয়ে থাকলে লিকার চায়ের সঙ্গে গরম সিঙারা খেতে পছন্দ করতেন।সিএসএফ জওয়ান কেবিনের ভিতরে কার্যত মাছি গলতে দেয় নি এদিন ধাবায়।অনুব্রতের গাড়ি থামার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার বহু মানুষ ধাবার সামনে উপস্থিত হন।পথচলতি মানুষজন ও গাড়িও থেমে যায় থাবার সামনে।তারপর সিবিআইয়ের গাড়ি চলে যায় আসানসোলের উদ্দেশ্যে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআইয়ের

অনুব্রত মণ্ডলের আরও এক ঘনিষ্ঠর হদিশ পেল সিবিআই। সেই সঙ্গে কিছু সম্পত্তিরও হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সমস্ত সম্পত্তি কোনওটা মেয়ের নামে কোনটা বা তাঁর মৃত স্ত্রীর নামে। আবার কোনও সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডল কন্যা সুকন্যার দুই কোম্পানির নামে রয়েছে বলে জানতে পেড়েছে তদন্তকারী সংস্থা। স্থানীয়দের দাবি ওই সমস্ত সম্পত্তি বছর চারেক আগে কেনা হয়েছে।এবার অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই৷ অনুব্রত মণ্ডলের নামে ও বেনামে কত জমি কেনা হয়েছে, তা জানতেই রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালায় সিবিআই৷ গরু পাচারের টাকাতেই এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কেনা হয়েছে কিনা তা জানতে এই অভিযান চালানো হয়েছে৷ সিবিআই-এর আধিকারিকরা রেজিস্ট্রি অফিসের কম্পিউটার এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখছেন৷মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শান্তিনিকেতন পূর্বপল্লী গেস্ট হাউস থেকে বোলপুরের নেতাজী মার্কেটের বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যান সিবিআই আধিকারিকরা। প্রথমে দপ্তরে ঢুকে রেজিস্ট্রারের ঘরে যান সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানে প্রথমে রুদ্ধদার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পরে দফতরের কর্মীদের পাশে রেখেই কম্পিউটারে সব নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এদিন ঐ অফিসের বসে তাঁদের নিজস্ব ল্যাপটপে সব তথ্য লিপিবদ্ধ করতে থাকেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রে খবর, অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে কত জমি রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য জানতেই এই অভিযান বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, জমি দফতরের এই অফিসে তথ্য তলাশ করে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর একাধিক আত্মীয়ের নামে বহু সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। তেমনই তথ্য গত কয়েকদিনের তদন্তে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। কার নামে, কোথায়, কত জমি, বাড়ি বা সংস্থা রয়েছে, তা জানতে এ দিন রেজিস্ট্রি অফসে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। রেজিস্ট্রি অফিসের সব কম্পিউটার খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে একাধিক নথি আধিকারিকরা পেয়েছেন। কাগজপত্র ছাড়াও অনলাইনে নথিভিক্ত জায়গাজমি সম্পর্কেও তথ্যতালাশ করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যার নামে একাধিক জমির খোঁজ মিলেছে বলে খবর। বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি চলাকালীন সুকন্যার নামে জমির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআইয়ের একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বল্লভপুর এলাকায় ০.৬২ একর জমির সন্ধান মিলেছে সুকন্যার নামে। এছাড়াও বোলপুর বাইপাসে ইংরেজিতে সিএম এবং ব্যাকেটে মানা লেখা তিনটি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সম্পত্তি গুলি আড়াই থেকে ৫ বিঘার মধ্যে। সিবিআই আধিকারিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠদের নামেও কী পরিমাণে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার খোঁজ চলছে বলেও সিবিআইয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে।অনুব্রতের দেহরক্ষী সহেগল হোসেনের নামেও কোনও জমি আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। সহেগল এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। পাশাপাশি বীরভূমের একাধিক চালকলের লিজের কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সহেগল হোসেনের ঘনিষ্ঠ মাধব কৈবর্ত্যের নামেও কোনও জমিজমা আছে কি না সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কিছু দিন আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন এই মাধব। এছাড়া অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আমোদপুরের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য এবার সিবিআই নজরে এসেছে। কারণ ২০১৯ সালে অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সেই হাসপাতালে ৬৬ লক্ষ টাকা মিটিয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। ওই টাকার উৎস কি তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সিবিআই আমোদপুরে বেশ কয়েকটি রাইসমিল এবং কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে। যার কয়েকটির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। মোবাইল বন্ধ থাকায় রাজিব ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।প্রসঙ্গত, আগামিকাল তৃতীয় দফায় অনুব্রত মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হবে। গরু পাচার মামলায় এই মুহূর্তে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তারই মাঝে গত কয়েকদিনে বোলপুর এবং তার আশেপাশে একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। গরু পাচারের টাকায় কোথায়, কত সম্পত্তি রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর আত্মীয়দের নামে। এ বার সেই তথ্য জানতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই। শুরুটা হয়েছিল অনুব্রতর মেয়ের নামে থাকা রাইস মিল দিয়ে। মাঝে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বোলপুর পৌরসভার গাড়ির খালাসি বিদ্যুৎবরণ গায়েনের বিপুল সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এর পর গতকাল বীরভূম জেলা সভাপতির দিদির নামে থাকা রাইস মিলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা।বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসের হেড ক্লার্ক সামসের আলি বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে কোনও জমি কেনা হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দলিল সংক্রান্ত তথ্য এবং কোনও সম্পত্তি লিজ নেওয়া হয়েছে কি না সে সম্পর্কেও তথ্য নেয় ওরা। অনুব্রতের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত বিদ্যুৎবরণ। রবিবার বোলপুরের কালিকাপুরের বাসিন্দা এই বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। বোলপুর পুরসভার গ্রুপ ডি কর্মী তিনি। সামসের আলি আরও বলেন, রেজিস্ট্রি হওয়া যে দলিল আমাদের সিস্টেমে আছে তা আমরা দিলাম। ওরা যাদের নাম করে জমি সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছেন সেই তালিকায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম আছে।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

'অপেক্ষা করলে হয়ত আরও কিছু পাওয়া যেতে পারে' অনুব্রত প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি

বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের চারদিনের সিবিআই হেফাজতকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন চালকল থেকে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। সিবিআই হেফাজতে থাকলে আরো অনেক কিছু জানা যাবে। আরও অনেক সম্পত্তির হদিস মিলবে। অন্যদিকে ক্যানিংয়ে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। সেইজন্যই এইসব ঘটছে। হয়তো দেখা যাবে ওই তৃণমূল নেতা চাকরীর নামে টাকা নিয়েছিল। তবে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হবে। বোলপুরে মলয় পিটের মেডিকেল কলেজ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, গরুর টাকায় অনুব্রত মণ্ডল মেডিকেল কলেজ বানিয়েছেন। উল্লেখ্য মলয় পিট অনুব্রত মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার আগের দিন অনুব্রতের বাড়িতে দেখা করতে আসেন।শনিবার রাজ্য কিষাণমোর্চার বৈঠকে বর্ধমানের টাউনহলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, পূর্ব-বর্ধমান জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিত তা।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

'তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে রাইসমিলে চালের বদলে গাড়ি উৎপাদন হয়' কটাক্ষ বিজেপি রাজ্য নেত্রীর

শুক্রবার বর্ধমান সদর জেলা কার্যালয়ে দলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার সাংসদ তথা বেজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের রাইসমিলের ভিতর দামী চারচাকা গাড়ি উদ্ধার হওয়া নিয়ে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।শুক্রবার সকালে ধৃত বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বোলপুরের একটি রাইসমিলে সিবিআই আধিকারিকরা তল্লাশি চালিয়ে বেশ কয়েকটি দামী বিলাসবহুল গাড়ির সন্ধান পায়। এই নিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই রাজ্যে ফ্ল্যাটে কোটি কোটি টাকা মেলে, রাইসমিলের ভিতরে গাড়ি উদ্ধার হয়। তাই বাংলার মানুষ হিসেবে নিজেদের লজ্জা হয়। এই সব গাড়ি করেই বিভিন্ন জায়গায় জিনিস পাচার হত। অপকর্ম করা হত। এখন তার প্রমাণ মিলছে। অন্যদিকে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে তিনি বলেন এসব প্রতিহিংসা। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমরা প্রস্তুত তদন্তের মুখোমুখি হতে।অন্যদিকে বিজেপি নেতা জিতেন্দ্রনাথ তেওয়ারি বলেন,সাধারণ মানুষের মধ্যে ধারণা হয়েছে রাজনৈতিক নেতারা দুর্নীতিগ্রস্থ। তাই আমরা চাই তদন্তে সামনে দাঁড়াতে। কিন্তু যারা অভিযোগ করছে তারাই তো দুর্নীতিতে ঢেকে গেছে।

আগস্ট ১৯, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর নাম করে পেট্রলপাম্প হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে, বর্ধমান থানায় ব্যবসায়ী

বির্তক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না অনুব্রত মণ্ডলের। বর্তমানে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হেফাজতে। তবুও তার নাম উঠে আসছে। তার নাম করে প্রভাব খাটিয়ে জোর করে পেট্রোল পাম্প নিজের নামে লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠলো প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, আইনের সাহায্য নিলে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে অস্ত্র নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছে, শ্লীলতাহানি করা হয় ব্যবসায়ীর স্ত্রীকেও। প্রাণহানির আশঙ্কায় পুলিশের দ্বারস্থ ওই ব্যবসায়ীর পরিবার।বর্ধমান শহরের কচিপুকুর চাঁদমারি লেনের বাসিন্দা অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০০৬ সাল থেকে বীরভূমের ইলামবাজারের ঘুড়িষা এলাকায় একটি ইণ্ডিয়ান অয়েলের পেট্রোল পাম্পের মালিকানা রয়েছে। বিভিন্ন কারণে পেট্রোল পাম্পটি নিয়ে তিনি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েন। অরিন্দম বাবুর অভিযোগ সেই সময় ইলামবাজারের প্রাক্তন বিধায়ক নরেশ বাউরি তাকে সাহায্যের নাম করে এগিয়ে আসেন এবং পেট্রোল পাম্পটির শেয়ার নেওয়ার নাম করে বিভিন্ন কাগজপত্রে সই করিয়ে মালিকানা নিজের নামে করিয়ে নেয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে অরিন্দমবাবু বিএলআরও অফিসে গিয়ে মালিকানা পরিবর্তন হওয়া আটকে দেন।ব্যবসায়ী অরিন্দমবাবুর অভিযোগ, এর পর থেকে জোর করে নরেশ বাউরি ও তার লোকজনেরা পেট্রোল পাম্পটি দখল নিয়েছে। পেট্রোল পাম্পে থাকা ১৩ হাজার লিটার ডিজেল তারা চুরি করে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন অরিন্দমবাবু। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৩ লক্ষ টাকা বলে জানান তিনি । বিষয়টি নিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। বোলপুর কোর্টে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।অরিন্দম বাবুর অভিযোগ, গত মাসের (জুলাই) ১০ তারিখে নরেশ বাউরি, নরেশ বাউরির স্ত্রী তাপসী বাউড়ি দলবল নিয়ে ভোর পাঁচটা নাগাদ তার বাড়িতে যায়। অরিন্দমের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে পেট্রল পাম্পের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। স্ত্রী বাধা দিতে এলে তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। অরিন্দম বাবুর বাড়িতে থাকা ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় নরেশ বাউরি। মাথায় রিভলবার ঠেকিয়ে রাখায় কোনওরকম চিৎকার চেঁচামেচি করতে পারেননি বলে জানান অরিন্দম। নরেশ বাউরি ক্রমাগত অনুব্রত মণ্ডলের নাম করে হুমকি দিতে থাকে এবং কেউ তার কিছু করতে পারবেন না বলে জানান। এরপর বারাবাড়ি করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন অভিযুক্তরা। গোটা বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার। এই পরিবারকে আতঙ্ক এতটাই গ্রাস করেছে যে ছেলেমেয়েদের টিউশন পড়তে বাইরে যেতে দিচ্ছে না তাঁরা। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের নাম করেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে বর্ধমান থানার দ্বারস্থ হয়েছে অরিন্দম বাবু। নরেশ চন্দ্র বাউরি, তাপসি বাউরি সহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।এই বিষয়ে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে নরেশ বাউরী কিছু বলতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন বলেই ফোন কেটে দেন প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেশ বাউরী।

আগস্ট ১৪, ২০২২
রাজ্য

সিবিআইয়ের জালে কেষ্টর পাশেই মমতা, গ্রেফতার নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির তিন দিনের মাথায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেহালার ম্যানটনে স্বাধীনতা দিবসের এক অনুষ্ঠানে বীরভূমের কেষ্টর গ্রেফতার নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন, কেন কেষ্টকে গ্রেফতার হল।বেহালায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরশু কেষ্টকে গ্রেফতার করা হল, কী করেছিল ও? ইলেকশনে তো ওকে ঘরবন্দি করে রাখা হয়েছিল। একটা ইলেকশনেও ওকে বেরতে দেয়নি। কিন্তু কেষ্টকে আটকালে কী হবে? ছেলেটা গত দুবছর খুব কষ্ট পেয়েছে। ওর স্ত্রী, তার আগে মা মারা গেছে। আমি ওকে এমপি, এমএলএ হতে বললেও ও বলত হব না। রাজ্যসভায় যেতে বললেও যায়নি। মমতার হুঙ্কার, এক কেষ্টকে ধরলে লক্ষ কেষ্ট তৈরি হবে। গরু পাচারের অভিযোগে অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হলেও মমতা প্রকাশ্যেই জানিয়ে দিলেন তিনি কেষ্টর পাশে আছেন। কেষ্টর বাড়িতে গিয়ে সিবিআই তান্ডব করেছে বলে দাবি করেছেন মমতা।

আগস্ট ১৪, ২০২২
রাজ্য

গরুপাচার মামলায় অনুব্রতর ১০ দিনের পুলিস হেপাজত, আদালতের নির্দেশে নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হচ্ছে

গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে ২০ আগস্ট অবধি সিবিআই হেপাজতের নির্দেশ দিল আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর বোলপুরের বাসভবনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার রাতেই সিবিআই আধিকারিকদের একটি দল ও প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী হাজির হয় বোলপুরে। সেখান থেকে তাঁকে আটক করে প্রথমে আসানসোল ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে নিয়মমাফিক শারীরিক পরীক্ষা করান।আসানসোল ইএসআই হাসপাতাল তাঁর শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তাঁকে কুলটি থানার অন্তর্গত শীতলপুরের ইসিএল গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিলো দূর্গাপুরে এনআইটিতে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে নিয়ে যাওয়া হবে বীরভূমের দোর্দন্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে। অনুব্রত মন্ডলকে আদালতে পেশ করার পর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শুনানি চলে। শুনানির শেষে অনুব্রতকে ২০ অগস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতেহেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ আদালত। বৃহস্পতিবার রাতেই তাঁকে কলকাতার নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হচ্ছে। অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী সঞ্জীব দাঁ জানান, হেফাজতে থাকাকালীন অনুব্রত মণ্ডল অসুস্থ হলে তাঁকে কলকাতার সেনাবাহিনীর কম্যান্ড হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করা হবে। তিনি আরও জানান ইতিমধ্যেই ওই হাসপাতালে একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২২
রাজ্য

জনদরদী ‘এক টাকার ডাক্তার’-এর প্রয়াণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অনুব্রত

এক টাকার ডাক্তার বলে খ্যাত পদ্মশ্রী সুশোভন বন্দোপাধ্যায় প্রয়াত। মঙ্গলবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মানবদরদী চিকিৎসক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বীরভূম জেলাজুড়ে। লাখো মানুষ এই চিকিৎসকের সেবায় উপকৃত।বিশিষ্ট চিকিৎসক সুশোভন বন্দোপাধ্যায়ের মানুষের সেবা করাই ছিল একমাত্র ব্রত। বোলপুর, বীরভূম ছাড়িয়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায়। পরবর্তীতে এক টাকার ডাক্তার-এর পরিচিতি হয় সারা দেশে। সমাজে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করেন কেন্দ্রীয় সরকার। বোলপুরের বিধায়কও ছিলেন ডাঃ সুশোভন বন্দোপাধ্যায়।জনদরদী চিকিৎসকের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন। রুমাল দিয়ে বারে বারে মুছলেন চোখের জল। বললেন, সুশোভবনবাবুর সঙ্গে তাঁর হৃদয়ের সম্পর্কের কথা। অনুব্রতের কথায়, খুব ভাসবাসতেন আমাকে। এরকম মানুষ আর পাওয়া যাবে না। অন্যায় করলে বলতেন অন্যায় করিস না।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু দুজনের, সিবিআই তদন্ত দাবি অনুপমের

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। গতকাল রাতে বীরভূমের ইলামবাজারে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষীর গাড়ির সঙ্গে ডাম্পারের ধাক্কা লাগে। মৃত্যু হয় শিশু কন্যাসহ দুজনের। ঈদের বাজার সেরে ওই দেহরক্ষী বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সায়গল হোসেন। গরুপাচার কাণ্ডে এই দেহরক্ষীও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই।অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। এদিন টুইটে বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক লিখেছেন, আশা করব সিবিআইয়ের সঙ্গে লুকোচুরি খেলাকালীন ওনার আর কোনও খুবই কাছের দেহরক্ষীর এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। অতিশীঘ্রই সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবিতে আমার চিঠি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পৌঁছাবে।গরুপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্য়ে সিবিআই ৬ বার তলব করেছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে। পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁকে সিবিআই তলব করেছে। এর আগে সিবিআই তলবের দিন অনুব্রত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর চিনার পার্কে নিজের ফ্লাটে যান। তাঁর আইনজীবী সিবিআইকে জানিয়ে দেয় তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। তারপর ফের অনুব্রতর তরফে জানানো হয় মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তিনি সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন। সেখানে তিনি কয়েকটি শর্তও আরোপ করেছেন। এসবের মধ্যেই তাঁর দেহরক্ষীর গাড়ি গতকাল, মঙ্গলবার দুর্ঘটনার কবলে পরে। মৃত্যু হয় তার এক শিশু সহ দুজনের। দেহরক্ষীর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক।pic.twitter.com/jhRl42VtXD Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 27, 2022এদিন অনুপম হাজরা টুইটে আরও লেখেন, গতকাল রাতে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে। সায়গলের মেয়ে মারা যায় ঘটনাস্থলেই। সায়গল হোসেনের অবস্থা সংকটজনক। যতদূর জানি, ওনার সবথেকে বিশ্বস্ত এবং কাছের দেহরক্ষী হলেন সায়গল হোসেন ....যাঁর ঘারে হাত রেখে বেশিরভাগ সময় উনি হাঁটাচলা করতেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজনীতি

অনুব্রতর আইনজীবীর ইমেইল সিবিআইকে, হাজির হলেই ভয় কেটে যাবে, কটাক্ষ সুকান্তর

বারংবার সিবিআই তলব করলেও এবারও হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডল। জানা গিয়েছে, বিকেলের দিকে ইমেইল করে অনুব্রত মন্ডলের আইনজীবী সিবিআইকে জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল হাঁটতে পারছেন না। তাঁকে চিকিৎসকরা ৪ সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। তাই আপাতত তিনি সিবিআই দফতরে হাজির হতে পারছেন না। এদিকে অনুব্রত সিবিআইতে হাজিরা না দেওয়ায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি ও সিপিএম। এদিন জোড়া নোটিশ দিয়েছে সিবিআই। একদিকে গরুপাচার কাণ্ডে বিকেলের মধ্যে হাজিরা দিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আর একটি নোটিশে সিবিআই বলেছে ভোটপরবর্তী হিংসার মামলায় আগামিকাল রবিবার সকাল ১১টার মধ্যে তাদের দফতরে হাজির হতে। নোটিশ দিতে চিনারপার্কে অনুব্রত মন্ডলের ফ্লাটে যান সিবিআই। এদিকে অনুব্রতর সিবিআই দফতরে হাজির না হওয়ায় কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন,ওনার সিবিআই দফতরে যাওয়া উচিত। কিন্তু উনি বিভিন্ন অজুহাতে উডবার্নে ভর্তি হচ্ছেন। তবে ওনার রোগ নিয়ে লোকে যা বলছে তাতে মনে হয় ওনারও সম্মানে লাগে। এত আছিলা না করে ওনার সিবিআই-এর সম্মুখীন হওয়া দরকার। উনি কত পেয়েছেন, অন্যরা কত পেয়েছে সব বলে দেওয়াই উচিত। একবার গেলেই তো হল। একবার গেলে ওনার ভয় কেটে যাবে, তখন বারাবার যেতে ইচ্ছে করবে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, কংগ্রেসের বরিষ্ঠ নেতা পি চিদাম্বরমকে ধরতে পাঁচিল টপকে ঢুকেছিল সিবিআই। এখন চিনারপার্কে যেতে পারছে না সিবিআই। এসবই নাটক।এনিয়ে গরুপাচার কাণ্ডে ৬ বার সিবিআইয়ের তলবে হাজির হলেন না অনুব্রত মন্ডল। সঙ্গে যোগ হয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলা। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়ে দিয়েছেন, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে সিবিআই তলব করছে। গতকালই হাসপাতাল থেকে ছেড়েছে অনুব্রত মন্ডলকে। তিনি কলকাতায় চিনারপার্কের ফ্লাটেই তো আছেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডল ছাড়া পাচ্ছেন হাসপাতাল থেকে, থাকবেন কলকাতাতেই

সিবিআই তলবের দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মণ্ডল৷ হাসপাতাল সূত্র জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়ার সতেরো দিন পর এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত। গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতিকে ৬ এপ্রিল নিজাম প্যালেসে তলব করেছিল সিবিআই। আগের দিন কলকাতায় চিনারপার্কে নিজের ফ্লাটে এসেও ছিলেন অনুব্রত। কিন্তু পরের দিন নিজাম প্যালেসে না গিয়ে শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। এদিকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণে সিবিআই-এর সামনেও হাজিরা দেননি অনুব্রত মণ্ডল৷ সিবিআইকে চিঠি দিয়ে অনুব্রতর আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের অনুমতি নিয়ে তাঁদের মক্কেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডলের হৃদযন্ত্রের দুটি ধমনীতে ব্লকেজ রয়েছে৷ আপাতত তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এখন তিনি বীরভূম যাচ্ছেন না। চিনারপার্কের ফ্লাটেই তিনি থাকবেন।গরু পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মণ্ডলকে ৫ বার তলব করেছিল সিবিআই৷ প্রতিবারই কোনও না কোনও কারণে সিবিআয়ের তলব এড়িয়ে গিয়েছেন দোর্দন্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা। এবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন।

এপ্রিল ২২, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর সিবিআইয়ে গরহাজিরা, 'খোঁচা' খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণালের

গরুপাচার কান্ডে এবারও সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ এড়ালেন অনুব্রত মন্ডল। এবার বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডে। তাঁর আইনজীবীরা সিবিআইকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন অনুব্রত অসুস্থ তাই আসতে পারছেন না। এদিকে অনুব্রতর সিবিআই হাজিরা নিয়ে খোঁচা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি কখনও জেরা এড়িয়ে যাননি বলে স্পষ্ট দাবি করেছেন।অনুব্রতর সিবিআইতে হাজির না হওয়া প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, ওনার শরীর অসুস্থ বা কেন সিবিআইতে যাননি তা তাঁর আইনজীবীরা বলতে পারবেন। তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। তবে আমি বলতে পারি, সিবিআই, ইডি, এসএফআইও, থানা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যখনই ডেকেছে গিয়েছি। বরং নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট আগে হাজির হয়েছি। কারণ আমি কোনও অন্য়ায় করিনি। আমাদের দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইডি দফতরে হাজির হচ্ছেন। মাথা উঁচু করে বেরিয়ে আসছেন।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সরাসরি কিছু না বললেও অনেক কিছুই স্পষ্ট করে দিয়েছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, অনুব্রত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি শুধু ওই বিষয়টা বলেই থেমে যেতে পারতেন। সেখানে কুণাল পাঁচ মিনিট আগে হাজির হওয়ার কথা, নিজে অন্যায় না করার কথা ঘোষণা করেছেন, পাশাপাশি অভিষেকের মাথা উঁচু করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিস থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। কেন অনুব্রতর সিবিআই-হাজিরা নিয়ে নিজের ও অভিষেকের প্রসঙ্গ টানলেন কুণাল ঘোষ, তা নিয়েই জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

এবার ডিভিশন বেঞ্চে 'রক্ষাকবচ'-এর আবেদন খারিজ, অস্বস্তি বাড়ল অনুব্রতর

গরু পাচার মামলায় অস্বস্তি কাটছে না তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মণ্ডলের। প্রথম দফায় হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অনুব্রতর আবেদন নাকচ করে দিয়েছিল। এবার রক্ষাকবচ-এর আবেদন খারিজ করল ডিভিশন বেঞ্চেও। একাধিকবার বীরভূম জেলা তৃণমূবল কংগ্রেসের সভাপতিকে তলবি নোটিশ পাঠায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। শেষ নোটিশ পাঠায় গত ৪ মার্চ। সিবিআইয়ের দেওয়া নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অনুব্রত। দুবারই রক্ষাকবচের আর্জি খারিজ হওয়ায় দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতার সমস্যা বাড়ল বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।গরু ও কয়লা পাচার নিয়ে সিবিআই তদন্ত করছে। বেআইনি ভাবে কোটি কোটি টাকার কারবার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বিনয় মিশ্র বিদেশে আত্মগোপন করেছেন। সেখান থেকে এদেশে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে সিবিআই। গরু ও কয়লা পাচার চক্রের কোটি কোটি টাকা ঘুর পথে প্রভাবশালীদের কাছে যায়। জিজ্ঞাসাবাদে নাম উঠে আসে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাঁকে বারে বারে ডেকে পাঠালেও আদালতের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। এদিন সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ বহাল রাখে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।বোলপুরে বা তাঁর বাড়ির কাছাকাছি কোনও জায়গায় যাতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সেই ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন অনুব্রত মণ্ডল। এমনকী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও তিনি জিজ্ঞাসাবাদে হাজির থাকতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন। সিবিআই মনে করছে, সর্বত্র অনুব্রত যাতায়াত করছেন। অথচ সিবিআই দফতরে তিনি আসতে চাইছেন না। সেটাই তো বড় প্রশ্ন। আদালতে রক্ষাকবচ খারিজ হওয়ায় ফের অস্বস্তিতে পড়েছেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজনীতি

বগটুই কাণ্ডঃ 'অনুব্রত মন্ডলের কল রেকর্ড আগে ধরা উচিত,' দাবি শুভেন্দুর

সিবিআই তদন্তের নির্দেশের পরও রামপুরহাট কাণ্ডে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। শনিবার রামপুরহাটে এসডিও অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করে বিজেপি। চলবে রবিবারও। এদিন অবস্থানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুব্রত মন্ডল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বীরভূমের অশান্তির জন্য দুজনকে দায়ী করেছেন তিনি।শুভেন্দু বলেন, প্রশাসনিক সভাতে একজন অশিক্ষিত তোলাবাজ, একজন গুন্ডা সর্দার জেলা সভাপতি হাজির থাকেন। প্রশাসনিক সভাতে তাঁকে বসিয়ে আইসি, ওসি, বিডিও, এসডিও, ডিএম, এসপিকে তিনি নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশ, এই লোকটার কথা আপনাদের শুনে চলতে হবে। এভাবে গোটা জেলাতে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতাকে ধংস করে দেওয়া হচ্ছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তার ফল এই বগটুইয়ের মর্মান্তিক ঘটনা। শুভেন্দু বলেন, সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। এখন আমাদের দুটি দাবি আছে। পুলিশমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। গোটা বীরভূম জুড়ে বছরের পর বছর ধরে যে খুন-সন্ত্রাস-লুটের রাজনীতি করছে তাঁদেরকে কঠিনতম শাস্তি দিতে হবে। মূলত এই দুই দাবিতে আমাদের অবস্থান। গত সোমবার বাড়শালের উপপ্রধান ভাদু শেখকে খুন করে দুষ্কৃতীরা। তারপর বগটুই গ্রামে ৮ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। শুভেন্দুর দাবি, উপপ্রধানকে খুন করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা। বখড়ার গন্ডগোল নিয়ে বিবাদ। পরবর্তী সময়ে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পুরো বাইকবাহিনী ব্যবহার করে। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধী শূন্য করা হয়েছিল এই বাহিনী দিয়ে। এদের দিয়ে এবার পুরভোট লুঠ হয়েছে। পাথর ও বালু নিয়ে গোটা জেলা জুড়ে লুটের ব্যবসা চলছে। ভাদু শেখ ও আনারুলের মতো অজস্র বাড়ি আজ সর্বত্র তৈরি হয়েছে। তারা আগে ফাটা জামা পড়ত, সাইকেলে চড়ত, বিড়ি নিভিয়ে নিভিয়ে খেত, রাস্তার পাশে বসে তাস খেলত। মুখ্যমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে এসেছেন। তাঁর নাম এখন আকাশরাণী। বাম জমানায় সূচপুরে ১১ জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে। শুভেন্দু বলেন, সুচপুরের ঘটনায় সিপিএম শেষ হয়ে গিয়েছে, রামপুরহাটের ঘটনায় বীরভূম শুধু নয় বাংলা থেকে শেষ হয়ে যাবে তৃণমূল। শুধু খুনীদের ধরলে হবে না, শুধু বাইকবাহিনীকে ধরলে হবে না, যাঁরা ফোন করেছেন তাঁদের কল রেকর্ড ধরতে হবে। অনুব্রত মন্ডলের কল রেকর্ড আগে ধরা উচিত। তারপর পশ্চিমবঙ্গের পুলিশমন্ত্রীর কতবার কথা হয়েছে সেটা প্রকাশ্যে আসা উচিত। তিনি কী নির্দেশ দিয়েছিলেন সেটাও আসা উচিত। আমরা দাবি করব, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের ধরতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের জয়জয়কারের মধ্যেও কাটোয়ায় রবির গড়ে কুপোকাত বীরভূমের কেষ্টর অনুগত প্রার্থী

বিধানসভা ভোটের পর পুর ভোটেও রাজ্য জুড়ে দাপট অব্যাহত রাখলো ঘাসফুল শিবির। যার ব্যতিক্রম ঘটেনি পূর্ব বর্ধমানেও। এই জেলার ছয়টি পুরসভাতেও নিরঙ্কুশ জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল। একমাত্র কালনা পুরসভায় বামেরা অস্তিত্ব জানান দিতে পেরেছে । তবে এতকিছুর মধ্যেও রবির গড় কাটোয়া পুরসভার ভোটে নজরকাড়া পরিজয় ঘটেছে বীরভূমের কেষ্ট মণ্ডলের অনুগামী তৃণমূল প্রার্থীর।যা নিয়েই এখন সরগরম কাটোয়ার রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা ভোটের ফলাফল বুধবার ঘোষনা হতেই রাজ্যজুড়ে বইতে শুরু করে সবুজ আবিরের ঝড়। হোলির আগেই এদিন সবুজ আবিরে মাখামাখি হয়ে অকাল হোলিতে মাতোয়ারা হয় বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া,দাঁইহাট,মেমারি ও গুসকরা পৌরসভা এলকার তৃণমূল কর্মীরা। বর্ধমান পুরসভায় বিরোধীরা খাতাই খুলতে পারেনি। এমনকি ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান পুরসভার যে যে ওয়ার্ডে বিজেপি ভাল ফল করেছিল সেই সব ওয়ার্ড সহ ৩৫ টি ওয়ার্ডেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীরা।একই ভাবে গুসকরা পুরসভার ১৬ টি ওয়ার্ড ও দাঁইহাটের ১৪ টি ওয়ার্ডে একচ্ছত্র আধিপত্য লাভ করেছে তৃণমূল।এই তিন পুরসভায় বিরোধীরা খাতা খুলতে না পারলেও মেমারির ঘাসফুলের খেতে অপ্রত্যাশিত ভাবেই হাত তুলে বসেছে কংগ্রেস ।কিন্তু কোনভাবেই অস্তিত্ব জানান দিতে না পেরে বিনয় কোঙারের গড়ে হারিয়েই গেল কাস্তে হাতুড়ি তারা। মেমারি পৌরসভায় মোট ওয়ার্ড ১৬ টি।এরমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ১৫ টি ওয়ার্ডে।শুধুমাত্র ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী মিঠু সরকার। ভোট প্রাপ্তির হিসাব অনুয়ায়ী মেমারিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বামেরা। কালনা পৌরসভায় ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭ টি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীরা।শুধুমাত্র কালনার ২ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী শর্মিষ্ঠা নাগ সাহা তাঁর প্রতিদ্বন্দি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তনুশ্রী বাগকে ১৮১ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন। ঘাসফুলের দখলে গিয়েছে কাটোয়া পুরসভা। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টপাধ্যায় ওরফে রবি ববুর গড় হিসাবেই পরিচিত কাটোয়া। এই পুরসভার ২০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫ টি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থীরা। ৪ টি ওয়ার্ডে কংগ্রেস প্রার্থী ও ১ টি ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। কাটোয়ায় পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীদের মধ্যে যাঁকে নিয়ে সব থেকে বেশী চর্চা হচ্ছে তিনি হলেন অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও ওরফে কেষ্টর অনুগত অরিন্দম বাবু কাটোয়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এদিন ফল বের হতেই দেখাযায় তিনি কংগ্রেস প্রার্থী রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ১১০ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। পরাজয়ের জন্য নিজের দলের লোকজনকেই দায়ী করেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,দলের চক্রান্তের জন্যই হেরেছি। অরিন্দমবাবু অভিযোগে বলেন,তৎকাল তৃণমূল কর্মীরা চক্রান্ত করে আমাকে হারিয়েছে। আমি সমস্ত ঘটনা রাজ্য নেতৃত্বকে জানাব। কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে তৃণমূলের প্রার্থীকে হারিয়ে জঘন্য রাজনীতি করেছে। কেষ্ট মণ্ডলের ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতা অরিন্দম বন্দ্যেপাধ্যায়ের এইসব অভিযোগ নিয়ে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি । তবে অরিন্দমের বক্তব্য নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে দেরি করেননি জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন ,যে প্রার্থী তাঁর নিজের দলের জেলা সভাপতিকে হরিদাস পাল,চোরের সর্দার বলে তাচ্ছিল করেন তাঁর এমন পরিণতি কথা আগে থেকেই ভেবে রেখে ছিলেন কটোয়াবাসী। সেই মতই কাটোয়ার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জিতেয়েছে।আমাকে কোন দল সাহায্য করেনি। কোটোয়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে হেবি ওয়েট তৃণমূল প্রার্থীর পরাজয়ের জেরে কাটোয়ার নতুন গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব মাথা চাড়া দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২২
রাজ্য

গোরু পাচারকাণ্ডে অনুব্রতকেও তলব সিবিআইয়ের

ফের সিবিআই তলব বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। ভোট পরবর্তী সময়ে বিজেপিকর্মী খুনের মামলায় তাঁকে আগে তলব করেছিল ওই তদন্তকারী সংস্থা। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত স্বস্তিতে তিনি। সেই আবহে ফের অনুব্রতকে তলব করল সিবিআই। এ বার তাঁকে ডাকা হয়েছে গোরু পাচারকাণ্ডে।আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতার নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে অনুব্রতকে। বুধবারই জানা গিয়েছিল, গোরু পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তৃণমূল সাংসদ দেবকেও তলব করেছে। তাঁকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তলব করা হল অনুব্রতকে। সিবিআই সূত্রে দাবি, গোরু পাচারকাণ্ডে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজনীতি

অনুব্রত কি সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের থেকেও বড় নেতা? প্রশ্ন খোদ তৃণমূলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলারের

অনুব্রত মণ্ডল কি সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের থেকেও বড় তৃণমূল নেতা হয়ে গেল নাকি? এই প্রশ্ন তুলেই রবিবার বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর মল্লিকা চোঙদার। পৌরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরেও নাম বাদ যাওয়ায় তিনি যে অপমানিত হয়েছেন তাও এদিন স্পষ্ট করে দেন মল্লিকা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বলিষ্ঠ নেতা সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই থাকা তালিকায় প্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁর নাম বাদ দেওয়া করিয়ে বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল নিজের পছন্দের লোককে প্রার্থী করা করিয়েছেন।মল্লিকা চোঙদারের এমন বক্তব্য বিরোধী মহলের পাশাপাশি তৃণমূল শিবিরেও যথেষ্ট শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পৌরসভা নির্বাচনে যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সেই সব প্রার্থীদের নামের তালিকা শুক্রবার প্রকাশ করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তারপর দলের ওয়েবসাইটে একটি প্রার্থী তালিকা আপলোড হয়। সেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে ক্ষোভ বিক্ষোভ। তা দেখে দলীয় নেতৃত্ব ফের নতুন করে পার্থী তালিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেন, যে প্রার্থী তালিকায় দলের দুই বলিষ্ঠ নেতা সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই রয়েছে সেটাই দলের নির্দিষ্ট প্রাথী তালিকা। এই তালিকাও আপলোড করে দেওয়া হয় দলের ওয়েবসাইটে। দলীয় নেতৃত্বতারপর ঘোষণা করেন দলীয় ওয়েবসাইটে প্রথম আপলোড হওয়া প্রাথী তালিকাটি দলের নির্দিষ্ট প্রার্থী তালিকা নয়। সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ে সই থাকা প্রার্থী তালিকাটাই দলের সঠিক প্রার্থী তালিকা । এদিন সেই রকমই গুসকরা পৌরসভার একটি প্রার্থী তালিকা সংবাদ মাধ্যমকে দেখান মল্লিকা চোঙদার। সেই প্রার্থী তালিকা দেখিয়ে তিনি দাবী করেন, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়েবসাইটেও এই প্রার্থী তালিকা আপলোড হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে গুসকরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দীতা করার জন্য তাঁর নাম পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সির সই করা তালিকায় উল্লেখ থাকে। তার পরেও তাঁর নাম আবার বাদ চলে যায়। এই ভাবে তালিকায় নাম ওঠা ও নাম বাদ যাওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কাউন্সিলার মল্লিকা চোঙদার এদিন সরাসরি অনুব্রত মণ্ডলকেই দায়ী করেন। মল্লিকা জানান, পর পর পাঁচ বার তিনি গুসকরা পৌরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। এমনকি একবার ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন। যেহেতু তাঁর সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের মতের মিল হয় না, তাই অনুব্রত মণ্ডলের পছন্দের তালিকাতেও তিনি নেই।সেই কারণে তাঁর নাম বাদ দেওয়া করিয়েছেন বীরভূমে বসে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা চালানো অনুব্রত মণ্ডল বলে মল্লিকা চোঙদার অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে নিজের অসন্তোষের কথা দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন বলে মল্লিকা এদিন দাবী করেন।একই সঙ্গে এদিন তিনি বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সির থেকেও অনুব্রত মণ্ডল বড় নেতা হয়ে গেলেন কিনা তাও তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না! মল্লিকা চোঙদারে এমন অভিযোগের বিষয়ে বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তবে পূর্ব বর্ধমান জেলা বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন বলেন, তৃণমূলে এখন সার্কাস চলছে। তাই ওদের সার্কাস নিয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। তবে জেলার মানুষ তৃণমূলে সার্কাস দেখছেন। পৌরসভা ভোটে জেলার মানুষই এর যোগ্য জবাব দিয়ে দেবেন বলে কল্লোল নন্দন মন্তব্য করেছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজ্য

Arrest: তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় পুলিশের জালে আরও এক দুস্কৃতি

তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার পুলিশের জালে ধরা পড়লো আরও এক দুস্কৃতি। ধৃতের নাম আয়ুব খান। তার বাড়ি আউসগ্রামের ভাতকুন্ডা গ্রামে। সোমবার রাতে পুলিশ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আউশগ্রামের দেবশালা অঞ্চলের প্রাক্তন যুব তৃণমূলের সভাপতি চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় এই নিয়ে গ্রেপ্তার হল চারজন। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। বিচারক ধৃতকে ৬ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল যুব নেতার খুনের ঘটনায় ভয়ঙ্কর নিদান অনুব্রতরপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হন আউসগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েত প্রধান শ্যামল বক্সীর ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। এই ঘটনার তদন্তে নেমে আউসগ্রাম থানার পুলিশ রবিবার দেবশালা পঞ্চায়েতের দুই তৃণমূল সদস্য আসানুল মোল্লা, মনির হোসেন মোল্লা ও দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি হিমাংশু মণ্ডলের ছেলে বিশ্বরূপ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে। এরাই সুপারি কিলারদের দিয়ে চঞ্চল বক্সীকে খুন করায় বলে পুলিশ এক প্রকার নিশ্চিৎ হয়ে গিয়েছে। সুপারি কিলারদের নাগাল পেতে পুলিশ সোমবার ওই তিন ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে ৭ দিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। তিন ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনার পর থেকে আয়ুব খান খুনের ঘটনার মূল চক্রীদের সব খবরা খবর জানাচ্ছিল। এমনকি ঘটনার পর সুপারি কিলারদের পালাতে সাহায্য করার ব্যাপারেও আয়ুবের ভূমিকা ছিল বলে পুলিশ মনে করছে। আয়ুব সহ চার ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ খুনের ঘটনার বাকি ষড়যন্ত্রকারীদের জালে ভরার তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ নিহতের বাবার আশঙ্কাই সত্যি, তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার গ্রেপ্তার দলেরই তিন কর্মী

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ভারতের বিশ্বজয় মানতে পারছেন না অনেকে! প্রতিবেশী দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভারত আবার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জেতার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব। বিভিন্ন জায়গায় ফাটছে বাজি, চলছে উদযাপন। কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকেই ভারতের এই সাফল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন।বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে আসা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। নানা আলোচনার পরও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে রাজি হয়নি বলে খবর ছড়ায়। অনেকেই মনে করেন, সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবই এর পেছনে কাজ করেছিল।অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভারত ম্যাচ নিয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছিল। এমনকি এক সময় ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি খেলা হয় এবং পাকিস্তান সেই ম্যাচে পরাজিত হয়।পাকিস্তানের কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহম্মদ আমির। তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, ভারত নাকি এই বিশ্বকাপ জিততে পারবে না।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয় বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জিতে নেয়। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দল।এই জয়ের পর পাকিস্তানের প্রাক্তন দ্রুতগতির বোলার শোয়েব আখতার একটি মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ভারতের আচরণ নাকি এমন, যেন ধনী পরিবারের ছেলে গরিব ছেলেকে খেলতে ডাকে এবং শেষে নিজেই জিতে যায়। তিনি দাবি করেন, এই ভাবে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে।অন্যদিকে মহম্মদ আমিরও ভারতের জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ভারত জিতেছে, ট্রফি তাদের দেশেই যাবে। তবে তা তাঁর বাড়িতে তো আসবে না।তবে সব প্রতিক্রিয়া সমালোচনামূলক ছিল না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তিনি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে অনেকেই পুরনো একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দশ বছর আগে এক বিশ্বকাপে ভারত পরাজিত হলে সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই পুরনো প্রসঙ্গও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর তাই শুধু আনন্দই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও এই সাফল্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া কি অপরাধ? কমিশনের বৈঠকের পর প্রশ্ন তৃণমূলের

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠককে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের কথা শুনতেই চাননি। উল্টে তাঁদের উপর চিৎকার করেছেন বলেও দাবি করেছেন দলের প্রতিনিধিরা।এর আগেও দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এবার কলকাতাতেও প্রায় একই অভিযোগ তুলল তৃণমূল।পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে আদালতে গিয়েছিলেন। সোমবার কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকে নাকি বারবার শীর্ষ আদালতের মামলার প্রসঙ্গ তুলেছেন তিনি।সূত্রের খবর, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও জ্ঞানেশ কুমার বলেন, যখন আপনারা শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে।পরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও একই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, শীর্ষ আদালতে মামলা করার বিষয়টি নিয়ে কমিশনার নাকি রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উচ্চস্বরে কথা বলেন।সোমবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রিমা বলেন, তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে কমিশনার উল্টে চিৎকার করেছেন।চন্দ্রিমার অভিযোগ, বৈঠকে বারবার বলা হয়েছে যে তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া তাঁদের অধিকার। মানুষের স্বার্থে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন এবং তাতে কোনও ভুল নেই।তিনি আরও বলেন, যদি সব বিষয়ই আদালতে রয়েছে, তাহলে তাঁদের বৈঠকে ডাকার প্রয়োজন কী ছিল। ডাকা হলে অন্তত তাঁদের বক্তব্য শোনা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বৈঠক এবং তার পরের অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় উত্তেজনা, ধরনা মঞ্চের কাছে লিফলেট বিতরণ নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ মমতার

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনের চতুর্থ দিনে ধরনা মঞ্চ থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি। তাঁর দাবি, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির পক্ষ থেকে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে।সোমবার সকালে ধরনা মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি এজেন্সির মাধ্যমে এই কাজ করাচ্ছে। তিনি দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেন, যারা এই লিফলেট বিলি করছে তাদের হাতেনাতে ধরতে হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। যারা এই কাজ করছে তাদের ধরতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে নির্দেশ দেন দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই জায়গায় এমন কাজ করার কোনও অধিকার তাদের নেই। অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনে উপস্থিত নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেন এবং আশেপাশের এলাকা নজরে রাখতে নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, যারা এই কাজ করেছে তারা হয়তো পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাই দ্রুত তাদের খুঁজে বের করতে হবে।এরপর ধর্মতলা চত্বরে খোঁজ চালানো হলে একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এলাকার একটি দোকান থেকে বিজেপির ব্রিগেডে যাওয়ার আহ্বান জানানো লিফলেট উদ্ধার হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ধর্মতলায় এই ধরনা চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাতেও ধরনা মঞ্চেই থাকছেন। এদিন বিকেলে ধরনা মঞ্চে আসার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।ভোটের আগে এই আন্দোলন ও নতুন অভিযোগ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের বৈঠকেই চরম উত্তেজনা, চিৎকার করে কথা বললেন জ্ঞানেশ কুমার? বিস্ফোরক অভিযোগ চন্দ্রিমার

ভোটার তালিকা ও এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকেই তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সোমবার নিউটাউনে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম এবং রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ করেন চন্দ্রিমা।তিনি দাবি করেন, বৈঠকে তাঁদের কথা শোনার পরিবর্তে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজেই একটানা কথা বলেছেন। চন্দ্রিমার অভিযোগ, কোনও বক্তব্য শোনার আগ্রহ না দেখিয়ে জ্ঞানেশ কুমার শুধু চিৎকার করেই কথা বলছিলেন।সোমবার দুপুর প্রায় বারোটা দশ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকের শুরুতেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অনুরোধ করেন, যেন কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাননি জ্ঞানেশ কুমার।চন্দ্রিমা জানান, কমিশনার একাই কথা বলছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি নাকি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন, আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিক হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা প্রশ্ন তোলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া কি কোনও অপরাধ। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আদালতে যাওয়ার অধিকার সবারই আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈঠকের সময় তাঁকে চুপ করতে বলা হয় এবং বলা হয় চিৎকার না করতে। চন্দ্রিমার কথায়, একজন মহিলার সঙ্গে এভাবে কথা বলা মানে মহিলাদের প্রতি সম্মানের অভাব দেখানো।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্যেও গরমিল রয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়েও তাঁদের বক্তব্য শোনার আগ্রহ দেখাননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বৈঠক শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেন, বিজেপি রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ধারণা তৈরি করেছে। কিন্তু বাস্তবে কতজনকে চিহ্নিত করা গেছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।ফিরহাদের অভিযোগ, এই অজুহাতে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত তা স্বীকার করা এবং নিশ্চিত করা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার যেন খর্ব না হয়।তিনি আরও দাবি করেন, নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্যই তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। আদালতে যাওয়ার আগে বহুবার নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কিন্তু তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।এদিন নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও বৈঠক করেন। তাঁদের পক্ষ থেকেও ভোট এক বা সর্বাধিক দুই দফায় করার দাবি জানানো হয়েছে। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই উত্তপ্ত বৈঠক রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, দিনহাটায় অনশনে বসলেন উদয়ন গুহ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই ইস্যুতে কোচবিহারের দিনহাটায় গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার তাঁর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।উদয়ন গুহ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির ইঙ্গিতে নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। অনেক ভোটারের নাম আবার অমীমাংসিত তালিকায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই দিনহাটায় গণ অনশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে বহু ভোটারের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী দিনহাটায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তার উপর আরও বহু নাম এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে দুই লক্ষ সাতত্রিশ হাজারেরও বেশি নাম। এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদয়ন গুহ।অনশন শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের নেতা কর্মীরা অবস্থান করছেন। বিজেপির চাপে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে অথবা তাঁদের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রেখে মানসিক চাপ তৈরি করছে। বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কবে হবে, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। সেই কারণেই দিনহাটায় এই গণ অনশন শুরু করা হয়েছে।বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই তাদের সবচেয়ে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এত পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন তিনি কখনও দেখেননি বলেও দাবি করেন।উদয়ন গুহর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধা হবে কি না সেই দিকেই নজর রেখে কমিশন কাজ করছে। তবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। এই ধরনের চক্রান্তকে কীভাবে প্রতিহত করতে হয় তা বাংলার মানুষ জানে।রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যে দাবি করছে, সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, যাঁরা এই দেশে জন্মেছেন তাঁদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। যদি সত্যিই রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু সেই অজুহাতে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেখানে বিজেপি দুর্বল সেখানে পরিকল্পনা করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই তাঁদের আন্দোলন। অনশন কতক্ষণ চলবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে উদয়ন গুহ বলেন, শরীরে যতক্ষণ শক্তি থাকবে ততক্ষণ তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে এই বিতর্ক ও আন্দোলন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, সরাসরি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ! নতুন করে বিতর্কে এসআইআর

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ল। এসআইআর ইস্যুতে আবারও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন একদল আবেদনকারী। সোমবার কলকাতায় যখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, ঠিক সেই সময় দিল্লিতে শীর্ষ আদালতে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।যাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের পক্ষ থেকেই এই মামলা করা হয়েছে। তাঁদের হয়ে আইনজীবী হিসেবে আবেদন করেছেন মেনকা গুরুস্বামী। তিনি দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছেন।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণত সরাসরি আবেদন করা যায় না। তখন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী আদালতে জানান, আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের জমা দেওয়া নথিও গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।আদালত জানিয়েছে, মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই আবেদনটিও শোনা হবে।এদিকে রবিবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার সকাল থেকেই তিনি একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বামফ্রন্ট, বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।বৈঠকে বিভিন্ন দল নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। সূত্রের খবর, আলোচনার সময় বারবার শীর্ষ আদালতের প্রসঙ্গ তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় জ্ঞানেশ কুমার নাকি বলেন, আপনারাই যখন শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন।তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ভোটার তালিকায় যে অসঙ্গতি রয়েছে তা এখনও পুরোপুরি সংশোধন করা হয়নি। আনম্যাপড ভোটারদের বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের পক্ষ থেকে কমিশনকে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না যায়।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও দাবি করেন, এই বিষয়গুলি শুনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন।ভোটের আগে এসআইআর ইস্যু ঘিরে এই আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal