• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

AC

নিবন্ধ

Mysterious Palace :রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্ব

বীরভূমের এক প্রত্যন্ত গ্রামে উজানের মামার বাড়ি। ওনারা ওখানকার জমিদার ছিলেন। আজও তার প্রতীক হিসাবে বিশাল রাজবাড়ি দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্য বহণ করে। যদিও উজানের বড়ো মামা-মামি ছাড়া কেউই আজ ওখানে থাকেনা। অন্যান্য তিন মামা বিদেশে থাকেন। যদিও পারিবারিক দুর্গা পুজোয় বছরে একবার আসেন। উজানের মা ঐ বাড়ির একমাত্র মেয়ে। তাই উজানের আদরও খুব মামার বাড়িতে।এবার তাই ১২ ক্লাস বোর্ড এক্সামএর পরে উজানের বন্ধুরা যখন বলে সবাই মিলে কোথাও বেড়াতে যাবে আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে, তখন উজান ওর মামার বাড়ি যাবার প্রস্তাব দেয়। ওর এই বন্ধুরা অনেকদিন ধরেই ওর মামার বাড়ি দেখ্তে চেয়েছিল।রাশি, হিয়া, দিয়া, অত্রি আর উজান সেই নার্সারি থেকে আজ পর্যন্ত একসঙ্গে পড়ছে। এবার যে যার মতো আলাদা হয়ে যাবে। তাই তার আগে ওরা শুধু নিজেরা কোথাও যেতে চায়। উজানের মামার বাড়ি যাবার কথায় কারো বাড়ি থেকেই কোনো আপত্তি হয়নি।ওরাও খুব excited এই প্রথম শুধুমাত্র বন্ধুরা মিলে কোথাও বেড়াতে যাবে। ওদের মধ্যে হিয়া দিয়া যমজ বোন, হিয়াটা খুব চঞ্চল দিয়া একটু শান্ত; আর রাশি মেয়েটা একটু যেন বেশিই চুপচাপ। যদিও তাতে ওদের বন্ধুত্বের কোনো অসুবিধা নেই। রাশির একটা ব্যাপার ওরা ছোট থেকেই দেখে আসছে যে ও মাঝে মাঝেই কেমন উদাস হয়ে যায়। ছোটোবেলায় তার কারণ অবশ্য একটা বলতো,এখন বড়ো হয়ে গেছে এখন আর কিছু বলেনা কিন্তু সেই উদাস হয়ে যাওয়া আজও আছে। ওরা সবাই সবাইকে খুব ভালো করে জানে। তাই রাশিকে কোনো রকম বিরক্ত করেনা। যাইহোক সবাই খুব খুশি বেড়াতে যাওয়া নিয়ে। সারা দিন ফোনে শুধু প্ল্যান হয়ে যাচ্ছে কি করবে না করবে, কে কি পোশাক নেবে, কতো দিন থাকবে, আশেপাশে কোথায় কি আছে দেখবে এইসব করে যাচ্ছে সারাদিন।এইসব করতে করতে যাবার দিন চলে এলো। সবাই মিলে বিশ্বভারতী এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরায় উঠে বসল। সবাই খুব হৈচৈ করে আনন্দ করতে লাগল যেন মুক্ত বিহঙ্গ। ট্রেন ছেড়ে দিলে ওদের আনন্দ যেন আর ধরে না। সে কি উত্তেজনা সবার কিন্তু রাশি যেন একটু বেশি চুপচাপ। কি হয়েছে জানতে চাইলে বলবে না ওরা জানে তাই ওকে বিরক্ত করে না। রাশি জানালা দিয়ে দেখ্তে দেখ্তে চলে। আর ওরা চড়ুই পাখির মত কিচির মিচির করতে থাকে। কু ঝিকঝিক ট্রেন চলতে থাকে।ট্রেন অবশেষে যখন পৌঁছল তখন বেশ খানিকটা রাত হয়েছে। স্টেশনের বাইরে ওদের জন্য গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। ওরা মামার বাড়ির গাড়িতে মালপত্র উঠিয়ে বসল। রাত হয়ে যাওয়ার কারণে কিছুই বুঝতে পারলো না ওরা পথের সম্বন্ধে। মামার বাড়ি যেহেতু গ্রামে তাই খুব তাড়াতাড়ি চুপচাপ হয়ে যায়।তবুও শুক্লপক্ষের রাত বলে চারিদিকে রূপোলি জ্যোত্স্নায় ভেসে যাচ্ছে। ওদের খুব ভালো লাগছে, কারণ কলকাতায় এই ব্যাপারটা ওরা অনুভব করতেই পারে না। রাশির মন যেন উচাটন হয়ে যায়; ও বলে কি সুন্দর লাগছে দেখেছিস চল আমরা কিছুটা হেঁটে যাই ,কি উজান চিনতে পারবি না পথ।ওদের সবাই হৈ হৈ করে বলে উঠলো চল চল চল সবাই মিলে হেঁটেই যাবো। অগত্যা উজান রাজী হয়। সবাই গাড়ি থেকে নেমে হাঁটতে থাকে; যদিও রাস্তা অল্পই বাকি ছিল। তবুও ওরা বেশ উপভোগ করতে লাগল। সব থেকে বেশি যেন রাশি আনন্দিত হলো। সবাই রাশির এই স্বভাবের সঙ্গে পরিচিত তাই ওরা অবাক হলো না।মামার বাড়ির সামনে এসে যেন রা। ওদের পৌঁছোনোর আওয়াজ পেয়ে মামা-মামি আর বোন দিশা বেরিয়ে এলো। দিশা তো হৈ হৈ করে উঠলো। কিন্তু মামা-মামি যেন রাশিকে দেখে একটু চমকে গেলো সেটা উজানের চোখে পড়ল। কিন্তু ও কাউকে কিছু বললো না। ওদের ভিতরে নিয়ে গেলো, তারপর পরিচয় পর্ব সারার পর মামি বললো ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে চলে আয় খেয়ে নিবি।সবাই মামির কথামতো ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হতে লাগল একে একে। রাশি, তিয়া আর রায়া একটা ঘরে আর উজান আর অত্রি একটা ঘরে থাকবে এরকম ব্যবস্থা হলো। রায়া তো খুব এক্সাইটেড; তিয়াও তাই। শুধু রাশি যেন একটু বেশিই চুপচাপ হয়ে গেছে বাড়িতে ঢোকার পর। সবাই সেটা বুঝেছে কিন্তু কেউ কিছু বলেনি। আসলে রাশি তো ঐরকম তাই। তিয়া আর রায়া দুজনে যখন এতো বড়ো রাজবাড়ির অতিথি হয়ে থাকার কথা নিয়ে আলোচনা করছে তখন হটাত রাশি বলে উঠলো আপন মনে আমি সব চিনি, আমার মনে হচ্ছে এসেছি এখানে, কিন্তু কবে? তিয়া আর রায়া অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে ওর দিকে।ক্রমশ....লেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাত

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

Fire: কুণ্ডলী পাকিয়ে বেরোচ্ছে কালো ধোঁয়া, ফের বিধ্বংসী আগুন শহরে!

ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড তারাতলায়। একটি গুদামে এই আগুন লাগে শনিবার সকালে। প্রাথমিকভাবে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। গোটা এলাকা ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। দাহ্য বস্তুর মজুতের কারণে ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে আগুনের লেলিহান শিখা। ইতিমধ্যেই সাত থেকে আটটি গোডাউনে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আরও পড়ুনঃ ৯/১১-র ভয়াবহ স্মৃতির ২০ বছরতারাতলায় এফসিআই -এর যে গোডাউনে আগুন লেগেছে, সেখানে বন্দরের বিভিন্ন সামগ্রী মজুত রয়েছে। কী ভাবে এই আগুন লাগল তা এখনই স্পষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। এলাকায় ঢোকার বিভিন্ন রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এই গোডাউনে প্রচুর দাহ্য বস্তু মজুত, তাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে দমকল কর্মীদের। যে এলাকায় এই আগুন লেগেছে, তার আশেপাশে কোনও বাড়ি নেই ঠিকই। তবে যেহেতু শতাধিক গোডাউন রয়েছে এই চত্বরে, স্বভাবতই বাড়ছে উদ্বেগ। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, আমাদের সিনিয়র অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। খবর সবই আসছে। আমরা আশা করছি সবরকম ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনব। আমি যা জানতে পেরেছে ওখানে প্রায় ১০০টা গোডাউন রয়েছে, পাঁচটি গোডাউনে ছড়িয়েও গিয়েছে।তারাতলার ময়লা ডিপোতে পর পর ফুড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া-এর বেশ কিছু গোডাউন রয়েছে। শনিবার সেখানেই আগুন লাগে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সাত থেকে আটটি গোডাউনে আগুন লেগে যায়। দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে সেটি। এই গোডাউনগুলির মধ্যে কোথাও কোথাও বৈদ্যুতিন সামগ্রীও মজুত রয়েছে। ফলে এই আগুন লাগার ফলে দাহ্য বস্তুগুলি জ্বলতে শুরু করে। ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নেয় এই আগুন।অগ্নিকাণ্ডের জেরে পাশ্ববর্তী তারাতলা রোডে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। গোটা এলাকা ঠেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। দমকল সূত্রে খবর, গুদামে দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। ফলে আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে। পাশাপাশি গুদামে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা আদৌ কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
বিদেশ

9/11 Terrorists attack: ৯/১১-র ভয়াবহ স্মৃতির ২০ বছর

১১ সেপ্টেম্বর ২০০১-র সকাল। ছবির মত গোছানো শহরের উঁচু উঁচু ইমারতগুলো কেঁপে উঠল আচমকাই। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনে পরপর হামলা চালায় জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার অপহৃত তিনটি বিমান। যা দেখে স্তম্ভিত হয়েছিল গোটা বিশ্ব। ইতিহাসের ভয়ঙ্করতম ওই জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৩০০০ মানুষের। আহত হয়েছিলেন ২৫ হাজারেও বেশি মানুষ। ২০২১-এর ১১ সেপ্টেম্বর। ২০ বছর পর সেই ভয়াবহ জঙ্গি হামলার কিছু স্মৃতির কোলাজ আজও রয়ে গিয়েছে বিশ্বের মানুষের মনে।বিশেষত, সাম্প্রতিক আফগানিস্তানের তালিবানি তাণ্ডবের মধ্যে সেই স্মৃতি যেন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।সেদিন জঙ্গি হামলার ভয়াবহতা প্রথমে বুঝে উঠতে পারেননি পথচলতি সাধারণ মানুষ। সকলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অবাক দৃষ্টিতে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে অট্টালিকা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের অহঙ্কার যে এভাবে হিংসার অন্ধকারে তলিয়ে যাবে, কেউই ভেবে উঠতে পারেনি প্রথমে। আরও পড়ুনঃ পঞ্জশীর দখল নিচ্ছে তালিবান? নৃশংসভাবে খুন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির ভাইওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়লে, প্রাণ বাঁচাতে তখন দৌড় লাগান সাধারণ মানুষ। সকলের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ।বিল্ডিংয়ের উপর থেকে ঝাঁপ দিলে নীচে নিশ্চিত মৃত্যু, তা জেনেও কেবল প্রাণরক্ষার তাগিদে শেষ চেষ্টা করে সাধারণ মানুষ। উপর থেকেই ঝাঁপ দেন অনেকেই। সময়ের কালে ২০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। ৯/১১-র ভয়াবহতার রেশ কমে এসেছে মানুষের মনে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনেও ফিরে এসেছেন সাধারণেরা। কিন্তু বছর ঘুরে এই দিনটি এলেই সেই ভয়াবহতা যেন পিছু তাড়া করে সেদিনের ঘটনার সাক্ষী থাকা, কপালের জোরে বেঁচে ফেরা মানুষগুলোর। ঘটনার ভয়াবহতা থেকে বেরিয়ে আসতে অনেককেই চিকিৎসকের পরামর্শ পর্যন্ত নিতে হয়েছিল। আজ আবার সেই স্মৃতি একবার টাটকা হয়ে উঠল।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Jotugriho : জতুগৃহে অন্য লুকে পরমব্রত

জতুগৃহ সিনেমার টিজার মুক্তি পেল। মুক্তির পরেই হইহই করে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে গেছে নেটিজেনদের মধ্যে। হবেই বা না কেন। কারণ পরম্ব্রতর লুক। অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় কে দেখা যাচ্ছে পূর্ণবয়স্ক চরিত্রে। ৭০ এর কাছাকাছি বয়সী একজন যাজকের লুকে পরম্ব্রতকে দেখতে পাবেন দর্শকরা। তার সাথে উপরি পাওনা হিসাবে রয়েছে কালিম্পং এর মনোরম দৃশ্য। এছাড়া মিউজিক ডিরেক্টর ডাব্বুর রোমহর্ষক ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। অতএব বলাই চলে বাংলা সিনেমায় অনেকদিন পরে লোকে গা ছমছমে ব্যাপারটা অনুভব করবে।পরিচালক সপ্তাশ্ব বসু সিনেমাটি নিয়ে খুবই আশাবাদী বিশেষ করে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্র নিয়ে। এরকম চরিত্রে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় আগে কখনো অভিনয় করেনি। পরম ছাড়াপ অভিনয় করতে দেখা যাবে বনি সেনগুপ্ত ও নবাগতা নায়িকা পিয়ালী চ্যাটার্জীকে। এই ছবিটি করার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তারা। এছাড়া অংশু বচ কে অন্যধরণের একটা চরিত্রে দেখতে পাবেন দর্শকরা। যদিও এই ছবিতে পায়েল সরকারের চরিত্রের ভূমিকা এখনো পরিচালক রিভিল করেননি।এই ছবির বিষয়ে জানা যাচ্ছে ছবিটি আগামী বছর মুক্তি পাবে। নেক্সট জেন এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজনায় জতুগৃহ একটি অন্যধারার সাইকো ভৌতিক ছবি। এখন অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শকরা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Teacher Hanged: ঘরের দরজা ভেঙে শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

দরজা বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ। মৃতার নাম সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্য বয়স্ক শিক্ষিকার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের প্রফেসার কলোনিতে। বুধবার রাতে কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার বাড়ির একটি ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায় কালনার একটি মাদ্রাসা স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্বামী কয়েক বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন। দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া মৃতার ছেলে সম্ভ্রম বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানায়, সে পড়াশোনা গাফিলতি করায় গত মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর মা রেগে যায়। মায়ের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। তার পরেই তাঁর মা ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। সম্ভ্রম বলেন ,এই ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর ঘরের দরজা খুলে আর বাইরে হয় না। তাঁর মা কোন সাড়া শব্দও দিচ্ছিল না। এই ভাবে মঙ্গলবার রাত পেরিয়ে যাবার পর বুধবার সাকালে ফের দরজা ধাক্কাধাক্কি করও সম্ভ্রম তাঁর মায়ের সাড়া পায়নি। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে সম্ভ্রম কলকাতায় তাঁর মামার বাড়িতে গিয়ে পুরো ঘটনা মামাদের খুলে বলে। বুধবার রাতে মামাদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভ্রম কালনা থানায় গিয়ে পুলিশকে ঘটনার কথা জানায়। কালনা থানার পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সুনন্দাদেবীর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। প্রাথমিক ভাবে এটি একটি আত্মহত্যায় ঘটনা বলেই পুলিশের অনুমান। তবে পাড়া প্রতিবেশীকে কিছু না জানিয়ে সম্ভ্রম কেন কলকাতায় মামার বাড়িতে গেল তাঁদেরকে ঘটনার কথা জানালো সেই বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: উপনির্বাচন নিয়ে ফের তৃণমূলকে বিঁধলেন দিলীপ

ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে ফের একবার সরব হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার এই উপনির্বাচন নিয়ে একের পর এক কটাক্ষ শানালেন দিলীপ। ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ বলেন, আগে ভাগে প্রার্থী দিলেই কি ভোটে জেতা যায়? ওনারা তো দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। কী হল? আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিলেন। দু মাস আগে থেকে প্রার্থী দিয়েছিলেন। অথচ ফলাফল তো দেখে নিয়েছে সকলেই। লড়াই করেন, দৌড়োদৌড়ি করেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ লোকসভাতেও আগে প্রার্থী দিয়েছিলেন। তারপর ঝটকাটা খেলেন। নির্বাচনটা তো মাঠে হয়। সেটা ভুলে গেলে চলবে কী করে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, যে কোনও সময়ই প্রার্থী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি বুধবার ত্রিপুরায় সিপিএমের বিভিন্ন কার্যালয়ে দুষ্কৃতী হামলার বিষয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ বলেন, এখান থেকে নেতা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এখান থেকে মিডিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখান থেকে লোক নিয়ে গিয়ে যোগদান করানো হচ্ছে। ওখানে উৎপাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ওখানকার লোকজন এটা পছন্দ করছে না।একই সঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ আবারও শুধুমাত্র ভবানীপুরে উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ভবানীপুর নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে সে প্রসঙ্গে বলেন, স্বাভাবিকভাবেই ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন। আদালতই যা বিচার করার করবে। সমস্ত দিক গুলো আলোচনা হবে। অন্যান্য রাজ্যেও তো উপনির্বাচন। তারা এখন বলছে উপনির্বাচন করার পরিস্থিতি নেই। পশ্চিমবঙ্গে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে না। কলকাতা সব সময় স্পর্শকাতর। যারা বিধানসভা নির্বাচনে চেঁচিয়ে বলেছিল, করোনার মধ্যে ভোট হলে মানুষের জীবনের ঝুঁকি হচ্ছে, তারা এখন সে সব ভুলে মুখ্যমন্ত্রীকে ধরে রাখার জন্য অন্য কথা বলছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যান, তা হলে কি সংকট তৈরি হবে না? তাই স্বাভাবিকভাবেই মানুষ জানতে চাইছেন নির্বাচন কমিশন কেন এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলেন। কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাউকে বিধায়ক বা মুখ্যমন্ত্রী করা তো নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব না।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতার

চেতলার কর্মিসভার মঞ্চ থেকে বিজেপিকে কয়েক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ পরোক্ষে টেনে খুনের মামলায় তথ্য রয়েছে, তাও এফআইআর করা যাবে না, বলে আক্রমণ শানান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। বুধবার মমতা নিজের ভাষণে কারও নাম না নিলেও তাঁর লক্ষ্যবস্তু শুভেন্দুই ছিলেন, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেভবানীপুরে প্রার্থী ঘোষণার পর এ দিন অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা করল জোড়াফুল শিবির। ওই মঞ্চ থেকেই মমতা বলেন, আমাদের কাছে মার্ডার কেসে তথ্য থাকলেও এফআইআর করা যাবে না? কেন এফআইআর করা যাবে না? ভগবানের জ্যেষ্ঠপুত্র?২০১৮ সালে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যু-মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ভবানীভবনে শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তিনি হাজির হননি। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কলকাতা-সহ রাজ্যের পাঁচটি থানায় দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলায় ওই দিনই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, শুভেন্দুকে আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না। নতুন এফআইআর হলে শুভেন্দুকে জানাতে হবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হার নিয়েও বুধবার সুর চড়ালেন মমতা। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে লড়তে গিয়েছিলাম, অপরাধ তো করিনি৷ আমার একটা আবেগ ছিল। অনেকে অনুরোধও করেছিলেন৷ বুথ অফিসার, আইসি, পর্যবেক্ষক বদলে দিয়ে খালি ছাপ্পা মারা হয়েছে৷ বাধ্য হয়ে এক জায়গায় গিয়ে বসে থেকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছি৷ এঁদের ষড়যন্ত্রের জন্য ফের নির্বাচনে আবার দাঁড়াতে হল৷ কিন্তু আমি ভবানীপুরে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পেরেছি৷ আমি নিশ্চিত, ভবানীপুরের মানুষও চেয়েছিলেন আমি এখানেই থাকি৷

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Literacy Day: সাক্ষরতা দিবসে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের শিক্ষার পাঠ দিলেন পুলিশ কর্তা

কোন বিদ্যালয়ের শিক্ষক তিনি নন। তিনি আইনের রক্ষক। কিন্তু তাতে কি যায় আসে। শুধু শিক্ষকরাই শিক্ষা দান করতে পারবেন এমনটা তো আর কোথাও বলা নেই। আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের দিনে তাই একেবারে শিক্ষকের ভূমিকা নিয়েই আদিবাসী পরিবারের শিশুদের পাঠ দান করলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার অফিসার ইনচার্য সৈকত মণ্ডল। আদাবাসী পরিবারের শিশুরা শিক্ষার আলোকে আলোকিত হোক এই অভিপ্রায়ে এদিন সৈকতবাবু শিশুদের হাতে তুলে দিলেন সিলেট ও চক পেন্সিল। দিলেন উপহার সামগ্রীও।শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে পুলিশ কর্তা শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার ভূয়সী প্রশসা করেছেন ভাতারের শিক্ষাপ্রেমী মানুষজন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশভাতার থানার ওড়গ্রাম লাইনডাঙ্গা এলাকাটি আদিবাসী অধ্যুষিত। করোনা অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় একটু মনমরাই ছিল এই আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামের শিশুরা। স্কুল না যেতে পাারর জন্য শিশুদের আক্ষেপের অন্ত ছিল না। তা জানতে ফেরে বুধবার সাক্ষরতা দিবসের দিন সকালে ভাতার থানার ওসি সৈকত মণ্ডল তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে ওই গ্রামে পৌছে যান। গ্রামের সবুজে ঘেরা জায়গায় খোলা আকাশের নিচে অনেকটা শান্তিনিকেতনের আঙ্গিকে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের পাঠ দানের বন্দোবস্ত করা হয়।পুলিশ পোষাকেই সেখানে শিক্ষকের গুরু দায়িত্বে অবতীর্ণ হন ওসি সৈকত মণ্ডল । শিশুদের হাত ধরে তিনি সেখানে বসেই তাঁদের অ,আ,ক,খ লেখা শেখালেন। পাঠ দান শেষে পুলিশের পক্ষ থেকে দেড় শতাধিক শিশুর হাতে পুলিশ আধিকারিকরা তুলে দেন স্কুল ব্যাগ, বই, সিলেট, পেন্সিল সহ উপহার সামগ্রী। শিশুদের পড়াশোনা শেখার ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলার জন্য ওসি শিশুদের অভিভাবকদের পরামর্শও দেন। লেখাপড়া শেখায় আগ্রহী শিশুদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন ওসি। পুলিশবাবুর এমন সহৃদয়তা মুগ্ধ করে আদিবাসী মহল্লার বাসিন্দাদের।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেসাক্ষরতা দিবসের দিনে শিশুদের শিক্ষাদানে পুলিশের আসরে নামার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ওড়গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক তারাপদ পাল। তিনি বলেন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ শিক্ষাদানে অগ্রণী ভূমিকা নিলে আখেরে সমাজ উন্নত হবে।শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি পুলিশ কর্তারা শিশুদের শিক্ষার আলোকে আনার ব্যাপারে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা এক কথায় অনবদ্য। এমন উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে বলে শিক্ষক তারাপদ পাল মন্তব্য করেছেন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌SC East Bengal : রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বে

রবি ফাউলারের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কয়েকদিন আগেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছিল, চলতি মাসের শেষেই গোয়াতে দলের সঙ্গে সরাসরি যোগ দেবেন রবি ফাউলার। কিন্তু রবি ফাউলার আসছেন না। এই মরশুমে তিনি লালহলুদকে কোচিং করাবেন না। তাঁর পরিবর্তে স্পেনের ম্যানুয়েল দিয়াজ বা মানোলো দিয়াজ এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিংয়ের দায়িত্বে। এই স্প্যানিশ কোচের সঙ্গে বুধবার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। আইএসএলের গত মরসুমে এসসি ইস্টবেঙ্গকে কোচিং করিয়েছিলেন লিভারপুল কিংবদন্তী রবি ফাউলার। লালহলুদে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন। গত মরসুমে আইএসএলে অষ্টম স্থান দখল করতে সক্ষম হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। রবিই ফাউলারের দল জিতেছিল মাত্র তিনটি ম্যাচে। ৮টি ম্যাচ হেরেছিল। ৯টি ম্যাচ ড্র করে মোট ১৭ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল রবি ফাউলারের দল। তাঁর পরফরমেন্সে সন্তুষ্ট ছিলেন না এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। যেহেতু রবি ফাউলারের সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল, তাই তাঁকে ছেঁটে ফেলতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষের সম্মতিতে বিচ্ছেদ হল। ফাউলারের জায়গায় ২০২১-২০২২ মরসুমের জন্য এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন হেড কোচ হলেন ম্যানুয়েল দিয়াজ বা মানোলো দিয়াজ। বুধবার ক্লাবের তরফে এক বিবৃতি জারি করে এ খবর জানানো হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের যুব, বি ও সি দলকে কোচিং করানো এই স্প্যানিশ কোচ ২০ বছর ধরে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ফুটবলার হিসেবে মানোলো কেরিয়ার গ্রাফ খুব একটা উর্ধ্বমুখী না হলেও কোচ হিসেবে তাঁর সফলতা এবং অভিজ্ঞতা বেশ উল্লেখযোগ্য। কোচ হিসেবে ৩২৮টি ম্যাচ খেলানো মানোলোর জয়ের হার ৪১.৭৭ শতাংশ। ২০১৮-২০১৯ মরসুমে রিয়াল মাদ্রিদ কাস্তিলার কোচ হিসেবে জয়ের হার ৪৬.৬৬ শতাংশ।এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ম্যানুয়েল দিয়াজ। তিনি বলেছেন, বড় ক্লাবে কোচিং করানোর ক্ষেত্রে চাপ ও প্রত্যাশা সামলানোর অভিজ্ঞতা আমার আছে। এই রকম চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। কম সময়ের মধ্যে ঘর গুছিয়ে অনেকটা রাস্তা পেরোতে হবে। এসসি ইস্টবেঙ্গল ফ্যানদের স্বার্থে ফুটবলারদের থেকে সেরাটা বের করে আনা আমার প্রধান কাজ।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
নিবন্ধ

Kazi Nazrul Islam: পূজার ছলে ভুলে থাকি

তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পরেই ওই পাহাড় মরুভূমি ঘেরা দেশের মেয়েরা বুঝেছেন, এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়। তালিবানের মুরুব্বিরা বলছেন দেশ শৃঙ্খলমুক্ত হলো। আর আফগান মেয়েরা ও মুক্তমনারা বুঝতে পারছেন তাঁদের পায়ে বেড়ি পড়ল। তাঁরা স্বাধীনতা হারালেন। এই স্বাধীনতা-পরাধীনতার প্রশ্নে পৃথিবী জুড়ে মতামতের ঝড় বইছে। নেট মাধ্যমে সেই ঝড়ে বাঙালিদের সদম্ভ উপস্থিতি। দূর দেশে স্বাধীনতার মৃত্যুতে বাঙালি যখন সরব ঠিক তখনই গত সপ্তাহে স্বাধীনতা র পুজারী এক বাঙালির পঁয়তাল্লিশ তম মৃত্যুবার্ষিকী বড় নিঃশব্দে চলে গেল। স্বাধীনতার সঙ্গে যাকে সমার্থক করেছেন আর এক বাঙালি সামসুর রহমান। বাংলা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের কবির অজেয় কলম লিখেছেস্বাধীনতা তুমি কাজি নজরুলঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো মহান পুরুষস্বাধীনতা যার আকন্ঠ তৃষ্ণার কারণ ছিল সেই কাজি নজরুল ইসলামের ২৯ এ অগাস্ট, পঁয়তাল্লিশতম মৃত্যু বার্ষিকী র দিনটি বড় অবহেলায়, অনাদরে চলে গেল। প্রায় একশ বছর আগে ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা র যুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনে নজরুলের শানিত কলম তাঁর মাথায় পরিয়ে দিল বিদ্রোহী কবির মুকুট। শুধু তো কবিতা নয় এই অসাধারণ প্রতিভাধর মানুষ টি প্রায় তিন হাজার গান লিখেছেন যা বাংলা গানের চালচিত্রে নজরুল গীতি হিসেবে ভিন্নধারার পরিচিতি পেয়েছে। পরাধীন ভারতবর্ষের উপনিবেশবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে নজরুলের কলম কখনও ক্লান্ত হয়নি। বাঙলার এক প্রত্যন্ত গ্ৰাম থেকে অজানার পথে পা বাড়ানো বালক ই পরবর্তী কালের নাট্যকার, কবি, ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী। উত্তর কলকাতার যে অঞ্চলে আমার বাড়ি, সেই পাইকপাড়ায় থাকতেন নজরুলের কনিষ্ঠ পুত্র কাজী সব্যস্যাচি। ছেলেবেলায় তাঁকে দেখলে কানে বাজতো মেঘমন্দ্র স্বরের প্রতিধ্বনি, বল বীর বল উন্নত মম শির। সেই বড় হবার দিনে পুজো প্যান্ডেলে, রাজনৈতিক মিছিলে, দেওয়াল লিখনে নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল। স্কুলে, পাড়ায়, আবৃত্তি প্রতিযোগিতাতেও এই কবিতার শরীর ঝলসে উঠতো। গত তিন দশকে কবি ও তার কবিতাকে অগস্ত্য যাত্রায় পাঠিয়েছে বাঙালি। রবীন্দ্রনাথ অপঠিত হলেও ২৫শে বৈশাখ ও বাইশে শ্রাবনে স্মরনীয় আছেন।বর্তমান সময়ে দেশ, সমাজ, সংস্কৃতি সবই অবশ্য রাজনীতির আখড়ায় গন্যমান্যতা পায়। এর প্রমাণ বঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা ভোট। সেই ভোটে বাংলা বিজয়ের স্বপ্নে বিজেপি র গায়ে বঙ্গ সংস্কৃতির চাদর জড়ানোর তাগিদ ছিল। অতএব ডাক পড়েছিল রবীন্দ্রনাথের, রামমোহন রায়ের, বিদ্যাসাগরের। ভোট বড় বালাই। তাই বিস্মৃতির অতল থেকে তুলে আনা হয়েছিল মধ্যযুগের এক বাঙালি কবি কেও। সংস্কৃতির সেই রাজনৈতিক আবাহনে বাদ পড়েছিলেন নজরুল ইসলাম। হিন্দুত্ববাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিতে নজরুল অপাংক্তেয় বলে তখন সরব হয়েছিল বুদ্ধিজীবী থেকে সাধারণ বাঙালি। ভোট মিটৈ যাওয়ার একশ একত্রিশ দিন পর বঙ্গ জীবনে সেই নজরুল সম্পর্কে অপার নৈঃশব্দ।১৮৯৯ এ আসানসোলের চুরুলিয়া গ্ৰামে এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে নজরুলের জন্ম। ধর্মীয় শিক্ষায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা। স্থানীয় মসজিদে কিছুদিন মোয়াজ্জিন থাকার পরে স্কুলে প্রবেশ নজরুলের। স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত তাঁর শিক্ষা। এরপরে বাড়ির পরিচারক। বেকারিতে জোগাড়ের কাজ করে পেট চালাতে হয় তাঁকে। শেষে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন নজরুল। পরবর্তী কালে আরবি ও ফার্সি র পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত সাহিত্য নিয়ে গভীর পড়াশোনা করেন বিদ্রোহি কবি । নজরুলের বাঙালিয়ানা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলেন তাঁদের জানাই বঙ্গললনা প্রমিলা দেবী কে বিবাহ করেছিলেন তিনি। নজরুল ভাগ্যবান তখন লাভ জেহাদের জন্ম হয়নি। নজরুল তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের নাম রেখেছিলেন কৃষ্ণ মহম্মদ ও অরিন্দম খালেদ। দুই সন্তানের-ই অল্প বয়সে মৃত্যু হয়। পরে যে দুই ছেলের জন্ম হয় তাদের নাম কাজী সব্যস্যাচি ও কাজী অনিরুদ্ধ। নজরুলের সৃষ্টিতে ও দুই ধর্মের মধ্যে অবাধ যাতায়াত। তাঁর গানে কবিতায় ঈশ্বর আল্লাহ দুইয়ের নামই জপ করেছেন। তাঁর এই মেলবন্ধনের সফর খুব মসৃন হয়নি। টিকি - দাড়ি দু পক্ষই তাঁকে ছেড়ে কথা কয়নি। সমালোচনা শুধুমাত্র মুখের গন্ডীতেই থাকেনি, শারীরিক আক্রমন ও সইতে হয়েছিল কবিকে। দুই ধর্মের কারবারিদের এই আঘাতে কবির কলম লিখেছে, নর বলে আমি বড় নারী ঘেঁষা, নারী বলে আমি নারী বিদ্বেষী। তৎকালীন বামপন্থী পত্রিকা গণবানীতেও নজরুল গদ্যে এই অচলায়তন ভেঙে মুক্ত মনের জানালা দরজা খুলতে চেয়েছেন। তবে ধর্মান্ধদের এই আক্রমন কে ভোঁতা করে দিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী রা ও স্বাধীনতা প্রিয় মানুষ। তারা নজরুল কে আলোর পথযাত্রী হিসেবেই দেখেছিলেন। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে কলম ধরে কবি-কে একবছর জেলে থাকতে হয়েছিল। আমরা ভুলে থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি তে নজরুল অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। সিডিশন অর্থাৎ দেশদ্রোহের অপরাধে তাঁর গারদ বাস করতে হয়েছিল। বর্তমান ভারতে এই সিডিশনে অভিযুক্ত হয়ে বহু মানবাধিকার কর্মী, অধ্যাপক ও লেখকের জেল খাটার ভুরিভুরি উধাহরন রয়েছে। আমি অনেক মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিজীবীর হাতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ফিদেল কাস্ত্রোর সওয়ালের বিবরণ On Trial বইটি দেখেছি। কিন্তু সেদিন ইংরেজদের আদালতে দাঁড়িয়ে নজরুলের আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য রাজবন্দীর জবানবন্দী নিয়ে আলোচনা কখনো শুনিনি। যদিও নজরুলের সাম্যবাদী ও উদার ভাবধারা যাঁর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়েছিল তিনি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মুজফ্ফর আহমেদ। নজরুল ও মুজফ্ফর আহমেদ যৌথভাবে প্রকাশ করেছিলেন বামপন্থার পত্রিকা লাঙ্গল।বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পরে নজরুলের কবিতা স্কুলপাঠ্যতে অন্তর্ভুক্ত হয়। তৈরি হয় নজরুল অ্যাকাডেমি ও মঞ্চ। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এসে তৈরি করেছে কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ও নজরুল তীর্থ। আসানসোলে তৈরি হয়েছে নজরুল গবেষনা কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠান রয়েছে, কিন্তু কবির প্রতি বাঙালির মন নেই। বাঙালির মন থেকে নির্বাসিত বিদ্রোহী কবি। অবশ্য বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ নজরুল কে তাঁর ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর পদ অনুসারে হাবিলদার কবি বলে ই মনে করেন। তারা খুশি ই হবেন। যদি বাঁশি আর না বাজে প্রবন্ধে কবি লিখেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাকে প্রায়ই বলতেন, দেখ উন্মাদ তোর জীবনে শেলির মত, কিটসের মত খুব বড় একটা ট্র্যাজেডি আছে, তুই প্রস্তুত হ কিন্তু জীবনের সেই ট্র্যাজেডি দেখার জন্য। সেই ট্র্যাজেডি দেখার আগে ই দূরারোগ্য মস্তিষ্কের ব্যাধিতে চলাফেরা, কথাবলার, অনুভব করার শক্তি হারিয়েছিলেন। মৃত্যুর পরে এই নির্বাসনেও তাই ট্র্যাজেডি থাকলেও কবির ছবির অনুভূতি নেই।বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য(রাজনৈতিক বিশ্লেষক)

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pori Moni : নিজের দেশেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিমণি

পরিমণি কে বিতর্ক কোনোভাবেই ছাড়ছে না। তার জীবনটা এখন খুবই খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। মধুচক্রে জড়িয়ে পুলিশের জালে বাংলাদেশি অভিনেত্রী পরীমণিকে গ্রেফতার করা হলেও বর্তমানে জামিনে ছাড়া পেয়েছেন অভিনেত্রী। কিন্তু এবার নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন পরীমণি। নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাহায্য চাইলেন অভিনেত্রী। কিছিদিন আগেই মধুচক্র, মাদক কারবারিতে নাম জড়িয়ে পুলিশের জালে নাম জড়ায় বাংলাদেশি অভিনেত্রী পরীমণির। অভিযোগ অভিনেত্রী পরীমণির বাড়ি থেকে প্রচুর এলএসডি জাতীয় মাদক এবং মদের বোতল উদ্ধার হয়। এমনকি তার বিরুদ্ধে উঠেছে মধুচক্র চালানোরও অভিযোগ। এলিটবাহিনী র্যাব পরীমনির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করলেও বর্তমানে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশী অভিনেত্রী।মাদক কাণ্ডে জামিনে ছাড়া পাওয়ার পরও নিজের দেশেই নিজেকে নিরাপদ মনে করছেন না পরীমণি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাহায্য চেয়ে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পরীমণি লেখেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন। রাস্তায় মানুষগুলোও এতো অনিরাপদ না। একবার একটু দেখেন না আমার দিকে, কি করে বেঁচে আছি।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: অভিষেককে টানা ৯ ঘণ্টা জেরার পর কী বললেন দিলীপ?

কয়লা পাচার-কাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দপ্তরে ৯ ঘণ্টা জেরার পর বেরিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি করেছিলেন, ২৫ জন বিজেপি বিধায়ক যোগদান করতে চাইছেন। তৃণমূল নিচ্ছে না। মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গেই অভিষেককে একহাত নিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, ৯ ঘণ্টা ইডি জেরা করলে তখন অনেকেই আবলতাবোল বকে। তৃণমূলের অনেক নেতারাই কয়লা, বালি লুট, পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ওনাদের রাজত্বকালে কয়লা, বালি, পাথর, লুট হয়েছে গোরু পাচার হয়েছে। একটা দল অফিশিয়ালি এই কাজগুলো করছে, তাদের সব নেতা জড়িত। পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। এখন সিআইএসএফ দেখানো হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ ইডি দপ্তরে ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর বিস্ফোরক অভিষেক বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন অভিষেকের ২৫ জন বিজেপি বিধায়কের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জানি না পঁচিশ না পঞ্চাশ। আমাদের পার্টিতে অনেক নেতা এসে বলেছিলেন একশো আছে দেড়শো আছে। আগে তো ওনাদের বিধায়ক সাংসদরা ইডি, সিবিআই থেকে বাঁচুক, তারপর আমাদের বিধায়ক সম্পর্কে ভাববেন। অভিষেক হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, যা করার করে নিন। বিজেপি অনেক শক্তিশালী হতে পারে, লিখে রাখুন আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে হারাবে তৃণমূল। ২০২৪ সালে হারাব। জীবন দিয়ে দেব। কিন্তু মাথানত করব না। রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হিম্মত নেই এদের।এদিন সেই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে দিলীপের মন্তব্য, জীবন কোথায় দিচ্ছেন। জীবন নিয়ে তো পালিয়ে গেল নেতারা। এতদিন এই অভিযোগ করতে করতে আদালতও শুনেছে। তারা কোনও না কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে। তাই তাদের নেতারা বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে। গায়েব হয়ে যাচ্ছে। অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে নিচ্ছেন, কতটা সৎ ছিল ওরা বোঝাই যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

CBI: বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রামে খুন হন বিজেপি নেতার মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। হাইকোর্টের নির্দেশে এই খুনের মামলার তদন্তে নেমে ধৃতদের বাড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করলো সিবিআই। অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার কথা সিবিআই রবিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছে। সিআইয়ের দাবি, তল্লাশীতে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে তরোয়াল, কাস্তে ও কাটারি। এরআগে পুলিশও বেশকিছু জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সহ সব কিছু নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে সোমবার বর্ধমান আদালতে আবেদন জানিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী ইন্সপেক্টার অরুন কুমার সিং। বিজেপি কর্মীর মা-কে খুনের মামলায় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে সিবিআইয়ের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই নবগ্রাম এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ ৩ মে দুপুরে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে। আশিসের বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি টাঙি দিয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। হামলাকারীদের হাত থেকে স্বামী অনিল ক্ষেত্রপালকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি ক্ষেত্রপালও আক্রান্ত হন। নির্মম মারধর ও ভোজালির আঘাতে কাকলিদেবী মারাত্মক জখম হন। একই হামলায় জখম হন আশিস ক্ষেত্রপালেরকাকা মানস ক্ষেত্রপালও। জখমদের সকলকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাকলি ক্ষেত্রপালকে মৃত ঘোষণা করেন। জখম আশিসের বাবা ও কাকাকে স্থানান্তর করা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিজেপি শক্তিপ্রমুখের বাড়িতে হামলা-আক্রমণের খবর পাওয়া মাত্রই আশপাশ থেকে বিজেপির কর্মীসমর্থকরা ঘটনাস্থলে পৌছে তৃণমূলের লোকজনকে ঘিরে ফেলে। ওই সময়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘের্ষ তৃণমূলের দুই কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু ও বিভাস বাগ গুরুতর জখম হন।তাঁদের ওইদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করার কিছু সময় পর তাঁরাও মারা যান।আরও পড়ুনঃ আইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?রাজনৈতিক হিংসায় একই দিনে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই তরফের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুর থানার পুলিশ পৃথক দুটি মামলা রুজু করে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর থেকে যদিও বাড়ি ছাড়া থাকে আশিস ক্ষেত্রপাল পাল। পুলিশ পরের দিন ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্ত সম্পূর্ণ করে পুলিশ গত ৩ অগস্ট আদালতে চার্জশিটও পেশ করে দেয়। পুলিশি তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে বিজেপি নেতা আশিস ক্ষেত্রপাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোটপরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। তদন্তের জন্য সিবিআই আধিকারিক দল ২৯ আগষ্ট প্রথম নবগ্রামে পা রাখে। তাঁর পর থেকে বেশ কয়েকদিন ধরে সিবিআই দল নবগ্রাম এলাকাচষে বেড়ায়। সিবিআইয়ের ফরেন্সিক টিমও নবগ্রামে তদন্তে যায়। কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সকল সদস্যের পাশাপাশি এলাকার বেশ কয়েকজনের বয়ানও সিবিআই আধিকারিকরা নথিুভুক্ত করেন। তারই মাঝে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়েও এদিন আদালতে দাবি জানালো সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপন

কোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য টিকা-কেন্দ্রগুলিতে এতদিন শুধুই দেখা গেছে ভিড়, হুড়োহুড়ি আর ধাক্কাধাক্কি। তবে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এই সবেরই ইতি ঘটতে চলেছে। এবার থেকে বাড়িতে বসেই কোভিডের টিকার কুপন পেয়ে যাবেন গ্রহীতারা। আশা ও অঙ্গনওয়ারী কর্মীরাই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দিয়ে আসবেন। একটি কেন্দ্রে একদিনে সর্বোচ্চ ২০০ জন পাবেন টিকা। সেই টিকার কুপন বিলির জন্যে মহকুমা ও ব্লকে বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। পরিকাঠামোর দিক থেকে উন্নত এমন স্কুলে একদিনে একাধিক শিবির করার বিষয়টি নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে চলছে ভাবনা চিন্তা।আরও পড়ুনঃ সবরকম সাহায্য করব, ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকেরকোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন টিকা-কেন্দ্রেও হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। তাতে কেউ কেউ আহতও হন। এছাড়াও টিকা পাওয়ার জন্য কোথাও আগের দিন থেকে আবার কোথাও ভোর রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেককে টিকা না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। টিকা নিতে আগ্রহীদের এমন পরিস্থিতি থেকে রেহাই দিতে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এক সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকেই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দেবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।আরও পড়ুনঃ জল্পনাই সত্যি হল, সিআইডির হাজিরা এড়ালেন শুভেন্দুজেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন, পৌরসভা এলাকায় মহকুমা শাসক ও ব্লকে বিডিও-র তত্ত্বাবধানে টিকা দেওয়া হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দুএকদিনের মধ্যেই আশা অথবা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা গ্রহীতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুপন দিয়ে আসবেন। এছাড়াও কো-উইন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যাঁরা টিকার জন্যে আবেদন করবেন,তাঁরাও স্বাভাবিক নিয়মে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে টিকা পাবেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক কাজল রায় জানান, ভিড় এড়াতে প্রতিটি টিকা গ্রহণ কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ২০০ জনকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একদিন আগে গ্রহীতাদের হাতে টিকার কুপন পৌছে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এতদিন পূর্ব বর্ধমান জেলায় দৈনিক ৩৮টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়েছে । ভিড় এড়াতে শিবিরের সংখ্যা আরও অনেক বাড়ানোর চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ২৯ এ পা পায়েলেরজেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের হিসাব অনুযায়ী এক লক্ষের মত টিকা মজুত রয়েছে।স্বাস্থ্য দপ্তর দ্বিতীয় ডোজ় গ্রহীতাদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রধিকারে রাখতে চাইছে বলে জানা গিয়েছে ।টিকার স্বাভাবিক যোগান থাকলে প্রতিদিন ন্যূনতম ২০ হাজার জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Payel : ২৯ এ পা পায়েলের

জন্মদিন মানেই একটা বিশেষ দিন। আর এই বিশেষ দিন বিশেষভাবে উদযাপন করলেন অভিনেত্রী পায়েল মিঠাই সরকার। এই বিশেষ দিনে লাল গাউনে সত্যিই অন্যরকম লাগছিল পায়েল কে। ২৯ বছরের জন্মদিনটা রঙিনভাবে সাজালেন তিনি।কিছুক্ষণ আগেই ফেসবুকে রাত ১২ টার পর জন্মদিনের কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন পায়েল। ক্যাপশনে লেখেন,গতকাল রাত ১২টার কিছু মুহূর্ত। চারিপাশে বেলুন দিয়ে, হার্টস দিয়ে খুব সুন্দরভাবে সবকিছু সাজানো হয়েছিল। এছাড়া রাত ১২টার পর ফেসবুক লাইভ করতেও দেখা যায় টলিউডের এই অভিনেত্রীকে। রাত থেকেই ফেসবুক ওয়াল, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপে অনেক জন্মদিনের শুভেচ্ছা পেতে থাকেন পায়েল। জন্মদিনের দিন পায়েল জানালেন,আমি খুবই এক্সাইটেড। এত ভালোভাবে জন্মদিন কাটছে সত্যিই খুব ভালো লাগছে।চারিদিকে করোনার আবহে যখন চারপাশটা ফ্যাকাশে লাগছে তখন এই বিশেষ দিনে আলো খুঁজে পেলেন অভিনেত্রী। জনতার কথা টিমের পক্ষ থেকে জন্মদিনে পায়েলের জন্য রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ভালো থেকো সুস্থ থেকো।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপ

গোটা দেশে শুধুমাত্র ভবানীপুরে কেন উপনির্বাচন? নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর প্রশ্ন তুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীরা । সাংবিধানিক সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আর এবার এই সাংবিধানিক সংকট তৈরির জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার দুর্গাপুরে এক বেসরকারী হাসপাতালে এক মহিলা বিজেপি কর্মীকে দেখতে এসে তৃণমূলের পাশাপাশি উপনির্বাচন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নিলেন দিলীপ ঘোষ।রাজ্যের উপনির্বাচনগুলিকে নিয়ে আইনের পথে যেতে তারা প্রস্তুত হচ্ছেন বলে ফের একবার জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, একজন মুখ্যমন্ত্রী হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন,উনি আবার যে জিতবেন এর নিশ্চয়তা কোথায়?আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরকরোনা পরিস্থিতিতে অন্য জায়গায় উপনির্বাচন হচ্ছে না। অথচ ব্যতিক্রম ভবানীপুর। কমিশনের এই দ্বি-নীতিই আদালতে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি।এই প্রসঙ্গে ইঙ্গিত দিয়ে দিলীপ বলেন, রাজ্যের কমিশন বলছে, পুরভোটের মতো পরিস্থিতি নেই। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিল। অন্য রাজ্য বলছে ভোট করতে পারব না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এর পিছনে কোনও রহস্য নেই তো? বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ভবানীপুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বেন বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে এরকম পক্ষপাতমূলক আচরণ করতো না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: দুর্নীতি প্রমাণের চ্যালেঞ্জ দিয়ে আজ দিল্লিতে ইডি-র মুখোমুখি অভিষেক

আজ ইডি-র অফিসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবারই দিল্লির উদ্দেশে উড়ে গিয়েছিলেন তিনি। আজ দিল্লিতে খান মার্কেটে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেবেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে অভিষেক বলে গিয়েছেন, আমার পিছনে ইডি-সিবিআই লাগানোর প্রয়োজন নেই। দশ পয়সার দুর্নীতিও যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে, তাহলে ফাঁসি মঞ্চে দাঁড়াব। তবে কলকাতার কেসে দিল্লিতে তলব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পিছনে প্রতিহিংসা পরায়ণ রাজনীতিই কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেররবিবার বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরেই তিনি বলেন, বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা পাঁচ মিনিটের জন্যও যদি আমার সঙ্গে বসেন, তাহলে গত পাঁচ বছরে কোন কেন্দ্রীয় সংস্থা কীভাবে কাজ করেছে আমি সব দেখিয়ে দেবো। আর তা যদি প্রমাণ করতে না পারি তো রাজনীতি ছেড়ে দেবো।উল্লেখ্য, ১ সেপ্টেম্বর অভিষেক-পত্নী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে হাজিরা দেননি রুজিরা। কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আর্জি জানিয়েছিলেন রুজিরা। কিন্তু অভিষেক আর সে পথে হাঁটেননি। রবিবারই তিনি দিল্লি উড়ে গিয়েছেন।উল্লেখ্য, কয়লা-কাণ্ডে ফের সক্রিয় হয়েছে ইডি। সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে ইডি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা এবং ৬ সেপ্টেম্বর অভিষেককে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সরব হন তৃণমূল নেতারা। আর তার প্রেক্ষিতে আগে অভিষেকের মুখে শোনা যায় আক্রমণের সুরও।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
টুকিটাকি

Neck Black spot: ঘাড়ে কালো দাগ? নির্মূল করবেন কী করে? রইল ঘরোয়া টিপস

নিজের সৌন্দর্য নিয়ে আপনি বরাবরই সচেতন ! কিন্তু হঠাৎ করেই লক্ষ্য করছেন ঘাড়ে খেয়াল করছেন অযাচিত কালো দাগ। জনসমক্ষে বেরোতে অস্বস্তি হচ্ছে তাই। পিঠ কাটা জামা পড়তে গেলে ভাবতে হচ্ছে দশ বার। কীভাবে মুক্তি পাবেন এই অযাচিত কালো দাগ থেকে? রইল কিছু ঘরোয়া উপায়।অ্যালোভেরা জেলযে কোনও ত্বক ঘটিত সমস্যা হলে অ্যালোভেরা জেল অব্যর্থ। অ্যালোভেরা জেল খুব সহজেই ত্বকের ডার্কনেস দূর করে। অ্যালোভেরা জেলে থাকা মিনারেল, ভিটামিন ত্বকের পিগমেন্টেশন দূর করতে সাহায্য করে। ঘাড়ের কালো দাগ দূর করতে সামান্য জেল নিন দিয়ে ঘাড়ে স্ক্রাব করুন দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন । আধ ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন।অ্যাপেল সিডার ভিনিগারত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। ত্বক থেকে ডেড সেল সরাতেও সাহায্য করে এই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। একটি পাত্রে ২টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে তাতে অল্প জল মিশিয়ে নিন। এবার তুলোতে ভিজিয়ে ঘাড়ের কালো অংশে লাগান আর কিছুক্ষণ রেখে দিন এবং জলে ধুয়ে নিন।দইত্বককে পরিষ্কার করতে আরও এক অব্যর্থ জিনিস হল দই। দই যেমন খেলেও উপকার। ত্বকের জন্যও সমান উপকারি। দুচামচ দই নিয়ে ঘাড়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। প্রায় পনেরো মিনিট রেখে দেওয়ার পর ধুয়ে ফেলুন তাহলেই দেখবেন চমক।আলুব্লিচের জন্য আলু খুবই ভাল। আলুটা ভাল করে গ্রেট করে নিন। তারপর আলু থেকে চেপে রস বের করুন। সেই রস ঘাড়ের কালো অংশে লাগান। পনেরো মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললেই দেখতে পাবেন পার্থক্য।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Prantik Banerjee : 'জনতার কথা'-র মুখোমুখি অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়

গতবছর ১৫ই নভেম্বর আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন আমাদের সকলের প্রিয় অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তবে তাঁর অভিনীত কয়েকটি প্রোজেক্ট এখনও রিলিজ হওয়া বাকি। যার মধ্যে রয়েছে ওয়েব সিরিজ আনন্দ আশ্রম। যেটি একটি ভৌতিক গল্পের ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে। আর এই ওয়েবেই মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় কে। আর এই ওয়েবেই প্রান্তিকের বিপরীতে দেখা যাবে বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ স্বস্তিকা দত্তকে। এটা স্বস্তিকার প্রথম ওয়েবে কাজ। আনন্দ আশ্রম এবং আগামী প্রোজেক্ট নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি প্রান্তিক।জনতার কথাঃ এই ওয়েব সিরিজে কোন ক্যারেক্টারে আমরা তোমাকে দেখতে চলেছি?প্রান্তিকঃ ক্যারেক্টারটা বেসিক্যালি ছবি বানায়। একজন ডকুমেন্ট্রি ফিল্মমেকার। সে এই ছবি বানানোর দৌড়ে একটা পুরনো বাড়ির গল্প খুঁজে পায়। এই গল্পের সার্চের সাথেই বাকি বিষয়টা আছে। ভৌতিক বিষয়টাও এখানে ইমোশনাল স্পেসে ভৌতিক। ভয়াবহ বিষয়টা নয়। এখানে ফিল্মমেকার হিসাবে আমি বাড়ির পুরো তথ্যগুলো বার করি। পাবলিকের সামনে নিয়ে আসি। জনতার কথাঃ স্বস্তিকার সঙ্গে অভিনয় করছো। প্রথম ওয়েবে কাজ করছে স্বস্তিকা। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?প্রান্তিকঃ আমার তো খুবই ভাল এক্সপিরিয়েন্স। এক্টুও দেখে মনে হয়নি যে ওর ওয়েবে ফার্স্ট কাজ। সি ইজ অ্যা ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। টেলিভিশনে তার কাজ দেখেছি। এখানেও খুবই ভাল কাজ করেছে। আমাদের দুজনের একসাথে এত ভাল বন্ডিং হয়েছে সেটা প্রচন্ডভাবেই ওয়ার্ক করেছে। জনতার কথাঃ সৌমিত্রবাবুর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ারের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? প্রান্তিকঃ প্রথমত বলতে চাই উনার মতো ব্যক্তিত্বের সাথে আমি কোনও কাজ করে উঠতে পারিনি। একটা থিয়েটারের দৌলতে তাঁর সাথে আলাপ ছিল। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এটা আমার কাছে বিরাট প্রাপ্য তাঁর শেষ কাজটাতে অন্তত এক্টুখানি পাশে থাকতে পারছি। এরকম একজন মানুষের সান্নিধ্যে আমি কোনোওভাবে আসতে পারছি এটাই আমার কাছে একটা বড় পাওয়া। জনতার কথাঃ আপকামিং কি কি কাজ আসছে?প্রান্তিকঃ বড়পর্দার জন্য রিলিজ বলতে হৃদপিণ্ড এবং সিন্ডিকেট। হইচই তে একটা ভূতের সিরিজের ওপর কাজ আছে। সেটা নিয়ে কিছু রিভিল করা যাবেনা। পোস্টমর্টাম বলে একটা ইন্টারেস্টিং শর্ট ফিল্ম করলাম। একটা শর্ট ফিল্মের ডাবিং শেষ করলাম। প্লাস টেলিভিশনে দুটো শো চলছে। কড়ি খেলা জি তে এবং মন ফাগুন স্টারে। এদিক-ওদিক মিলিয়ে মোটামুটি চলছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bengal Hero : দেশের সবথেকে সুদর্শন বাংলার এই নায়ক!, জানালেন বলিউড অভিনেতা

যশ দাশগুপ্ত। টলিউডের অন্যতম হ্যান্ডসাম অভিনেতা তিনি। মহিলা মহলে তাঁর আলাদাই একটা ক্রেজ রয়েছে। তবে এবার সবকিছু ছাড়িয়ে যশের মন কাড়লেন এক বলিউড অভিনেতা। সম্প্রতি বেশ কিছু ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন যশ। সেরকমই একটি ছবিতে কমেন্ট করেছেন বলিউড অভিনেতা রোহিত রায়। লিখেছেন, বর্তমানে কলকাতার সবচেয়ে সুদর্শন নায়ক হলে তুমি! রোহিত রায়ের প্রশংসা শুনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ধন্যবাদও জানান যশ। তারপর যশের মন্তব্যের তলায় রোহিত রায় লেখেন, আমি আসলে লিখতে চেয়েছিলাম গোটা দেশে তুমি সব চেয়ে সুদর্শন। কিন্তু তার পর ভাবলাম আমার বলিউডের বন্ধুরা অসন্তুষ্ট হতে পারে। ভাল থেকো। ছবিতে রোহিত এবং যশের কথোপকথন, বলাই, বাহুল্য, দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সকলের।প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে শুরু হওয়া হিন্দি ধারাবাহিক বন্দিনী-তে ছিলেন যশ। যেখানে রোহিতের দাদা রণিতের ছেলের চরিত্রে দেখা গেছে যশকে। যদিও তারপর বলিউড ছেড়ে সোজা চলে আসেন টলিউডে। বোঝেনা সে বোঝেনা ধারাবাহিক দিয়ে তার টলিউডে অভিনয় যাত্রা শুরু হয়, বিরসা দাশগুপ্তর গ্যাংস্টার হল তার অভিনীত প্রথম ছবি। এরপর একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • ...
  • 74
  • 75
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

এনআইএ আদালতে বিস্ফোরক দাবি! শাকির আলির বাড়ি থেকে উদ্ধার গুলি, জামিন চাইলেন প্রাক্তন সাংসদের স্বামী

রামনবমী সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী শাকির আলিকে বুধবার আদালতে তোলা হয়। শুনানির সময় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে, এই ঘটনায় শাকির আলি অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী। যদিও আদালতে দাঁড়িয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি এবং যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন জানান।আদালতে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, রামনবমীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোট ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের উপর হামলা চালানো হয় এবং তদন্তে উঠে এসেছে, এই ঘটনায় শাকির আলি উস্কানির ভূমিকা পালন করেছিলেন। তদন্তকারীদের আরও দাবি, তাঁর বাড়ি থেকে ছত্রিশ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়।তবে শুনানির সময় বিচারক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, দুই হাজার তেইশ সালে শুরু হওয়া মামলায় এতদিন পর কেন গ্রেপ্তার করা হল শাকির আলিকে। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, এতদিন পরে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কী।এর জবাবে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, আগে এই গ্রেপ্তার সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় পদক্ষেপ করা যায়নি। বর্তমানে তদন্তের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিক আদালতে আরও জানান, বিভিন্ন রাস্তা এবং বাড়ির নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযোগ, শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি, অথচ আশপাশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর সেই গাড়িতেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে তদন্তকারীদের দাবি। আরও অভিযোগ, পরে ওই গাড়ি বিক্রিও করে দেওয়া হয়।অন্যদিকে শাকির আলির আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল এই মামলায় এর আগেও দুবার তদন্তে হাজিরা দিয়েছেন। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়। শাকির আলিও আদালতে বলেন, যাঁরা শোভাযাত্রা করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথচ যাঁরা পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মামলার অন্য অভিযুক্তরা ইতিমধ্যেই জামিনে মুক্ত।শাকির আলি আদালতে জানান, তাঁর নামে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল। পরে সেই অস্ত্র বিক্রি করে দিলেও গুলি বিক্রি করা যায় না। পাশাপাশি তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও আদালতের নজরে আনেন। তাঁর দাবি, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং ক্যানসারের আশঙ্কায় চিকিৎসাধীন। সেই কারণেই যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন জানান।এই মামলায় শাকির আলিকে দুই দিনের জন্য তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলেও জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

চিকেনস নেকে বড়সড় নিরাপত্তা আতঙ্ক! পানের দোকানের আড়ালে কী চলছিল? গ্রেপ্তার যুবক

পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি সিকিমে বড়সড় অভিযানে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে ধৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপ, উগ্রপন্থী প্রচার এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্যাংটকের নাং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া উনিশ বছরের মহম্মদ আরজু একটি পানের দোকানের আড়াল থেকে এই কার্যকলাপ চালাতেন বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আরজু তাঁর বাবার সঙ্গে গ্যাংটকের লোয়ার এমজি মার্গ এলাকায় একটি পানের দোকান পরিচালনা করতেন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচার চালাতেন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করতেন। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তারা একটি সামাজিক মাধ্যমের গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়েছে, যার মাধ্যমে দেশবিরোধী প্রচার এবং উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই মহম্মদ আরজুর নাম সামনে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবকের আচরণে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেই পরীক্ষায় বিভিন্ন কথোপকথন, সন্দেহজনক তথ্য আদান-প্রদান এবং ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থানকারী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না।সিকিম পুলিশের অপরাধ দমন শাখা এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন সিকিমের বিধায়ক কলা রাই। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর কড়া নজরদারি চালানো প্রয়োজন।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! আগাম জামিন খারিজের পর গ্রেপ্তার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী

রাজ্য রাজনীতিতে ফের বড় চাঞ্চল্য। বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। পুরুলিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এর আগে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন দেবরাজ। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপরই তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।দেবরাজ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর চব্বিশ পরগনার রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। যুব তৃণমূলের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু হলেও পরে দলীয় টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। বিধাননগর পুরনিগমের সাত নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে জয়ও পান। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন। তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিও পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হন।বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের আগে বিপুল মূল্যের সম্পত্তি আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তির প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও তোলাবাজি, সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও তদন্ত শুরু হয়।গ্রেপ্তার এড়াতে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত চার মাসের শিশুসন্তানের কথা বিবেচনা করে অদিতি মুন্সিকে আগাম জামিন দিলেও তাঁর বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পাশাপাশি পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাগুইআটি থানা এলাকায় প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।অন্যদিকে দেবরাজ চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশও দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, মামলার তদন্তে এই গ্রেপ্তার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেবে।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলকে! আগাম জামিন খারিজ, এবার কি গ্রেপ্তার?

অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ে বড় ধাক্কা। ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল সিউড়ির জেলা আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানির পর বিচারক আবেদন নাকচ করে দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আইনজীবীদের একাংশের মতে, আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা নেই। ফলে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনের।তবে এখানেই আইনি লড়াই শেষ হচ্ছে না। সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। তার আগেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর। অভিযোগ, বোলপুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করা হয়। অভিযোগ, একশোটি ট্রাক্টরে করে সেই ইট নিয়ে যাওয়া হয়।ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল অভিযোগ করেন, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখ ও তাঁর অনুগামীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তদন্তে অনুব্রত মণ্ডলের নামও উঠে আসে। অভিযোগে তাঁকে এই ঘটনার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যদিও সেই সময় পুলিশের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর পুরনো একাধিক মামলার তদন্তে গতি এসেছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় মামলাটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এখন সকলের নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং উচ্চ আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ের দিকে।

জুলাই ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সিএবি-তে বড় বিতর্ক! প্রণব রায়ের বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, পাল্টা ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব পঙ্কজ-পুত্রের

ভুয়ো ক্লাবের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে অ্যাপেক্স কাউন্সিলে আবেদন; সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি প্রাক্তন ক্রিকেটারের।বাংলা ক্রিকেটে ফের নতুন বিতর্ক। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা কিংবদন্তি পঙ্কজ রায়ের পুত্র প্রণব রায়। তাঁর বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-এর অ্যাপেক্স কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন শ্যামল দাস নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, একটি অস্তিত্বহীন বা ভুয়ো ক্লাবের নামে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে, যার অন্যতম সহায়ক ছিলেন প্রণব রায়।তবে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর কথায়, পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে।কী অভিযোগ উঠেছে?সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩ পাতার অভিযোগপত্রে গত বছরের সিএবি ওম্বুডসম্যানের একটি নির্দেশিকার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মোহনলাল ক্লাব-র একটি কলকাতার বাগবাজারের ঠিকানার পাশাপাশি গৌরীবাড়ি এলাকার একই নামে একটি অস্তিত্বহীন সংস্থার কথাও উল্লেখ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ওই ক্লাবের নামে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই আর্থিক লেনদেনের একাধিক চেকে প্রণব রায়ের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অভিযোগপত্রে সেই চেক নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীর দাবিপ্রণব রায়কে অবিলম্বে সিএবি-র সমস্ত কমিটি থেকে অপসারণ করতে হবে।তাঁর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অডিটের নির্দেশ দিতে হবে।আত্মসাৎ হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করতে হবে।গোটা ঘটনায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হোক।অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন প্রণব রায়অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমার ব্যক্তিগত সম্মান ও পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।তিনি আরও দাবি করেন, তিনি মোহনলাল ক্লাবের কেবলমাত্র একজন সাধারণ সদস্য ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সময়কালে ক্লাবের কোনও প্রশাসনিক পদে তিনি ছিলেন না। ফলে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।প্রণব রায়ের বক্তব্য, অভিযোগের বেশ কিছু বিষয় ইতিমধ্যেই আদালতে বিচারাধীন। সেই কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছেও বিষয়টি জানাবেন।নজরে সিএবিক্রীড়া মহলের ধারণা, নতুন এই অভিযোগ সামনে আসার পর ফের চাপে পড়তে পারে সিএবি প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে অ্যাপেক্স কাউন্সিল কী পদক্ষেপ করে, আদৌ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় কি না, কিংবা অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী অডিট বা এফআইআর-এর পথে হাঁটে কি না এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেট মহলের।অন্যদিকে, প্রণব রায়ের স্পষ্ট দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। ফলে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও জটিল মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে ক্রিকেটমহল।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ‘বিশেষ বৈঠক’! আম-সন্দেশ উপহার, ১১ হাজার শূন্যপদ থেকে পঞ্চায়েত উন্নয়ন—কী কী আলোচনা হল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলার আম ও সন্দেশ। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শূন্যপদ পূরণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজকে আরও গতিশীল করতে দিলীপ ঘোষকে একাধিক দিকনির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দিলীপ জানান, বর্তমানে তাঁর দপ্তরে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য। এই বিপুল শূন্যপদের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়েও দুজনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। দেশের যেসব রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সফলভাবে কাজ করছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে কাজ পর্যবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত প্রশাসনে নতুন কর্মপদ্ধতি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সংযোজন ঘটতে পারে।নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রসঙ্গদিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই এই খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে অর্থের অভাব যাতে কোনও বাধা না হয়, সেদিকে কেন্দ্র নজর রাখবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।রেলমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎদিল্লি সফরের শেষপর্বে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও ওই বৈঠকের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবুও রাজ্যের পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের ইঙ্গিত।রাজনৈতিক মহলে জল্পনাএকদিনেই প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই দিল্লি সফর আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকৌশল ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জুলাই ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার জন্য নতুন ধাক্কা? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ডাকে ঋতব্রত, জোর জল্পনা রাজনীতিতে

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের বড় মোড়। তৃণমূলের ভাঙনের আবহে এবার দিল্লি থেকে তলব করা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আলাদা ব্লক গঠন করেন। সেই ব্লকের নেতৃত্বে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। নতুন ব্লকের দাবি, তারাই প্রকৃত তৃণমূল এবং দলীয় প্রতীকের অধিকারও তাদের প্রাপ্য।এই দাবিকে সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে নতুন ব্লক। প্রতীক সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন।এরপর নতুন ব্লকের কর্মসমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, সন্দীপন সাহা এবং জাভেদ খানের মতো নেতাদেরও রাখা হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়।এরপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঋতব্রত জানিয়েছেন, তিনি আরও নয়জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হবেন। এই বৈঠকের পর প্রতীক এবং দলীয় স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal