• ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

: India

খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‘‌ব্যাগ–পত্তর গুছিয়ে বাড়ি চলে যাব’‌, কেন এমন কথা বললেন রবীন্দ্র জাদেজা?

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম দুটি ম্যাচে পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে সেমিফাইনালের রাস্তা কঠিন করে ফেলেছে ভারত। পরপর দুটি ম্যাচে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে নেট রান রেট অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন বিরাট কোহলিরা। যদিও সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা মোটেই সুগম নয়। জটিল অঙ্কের ওপর নির্ভর করছে ভারতের সেমিফাইনালের ভাগ্য। রবিবার আফগানিস্তানের কাছে নিউজিল্যান্ড হারলে শেষ চারের ছাড়পত্র মিলবে বিরাট কোহলিদের। কারণ নেট রান রেটে আফগানিস্তানের থেকে এগিয়ে ভারত। আর নিউজিল্যান্ড জিতলে কোনও সম্ভাবনাই থাকবে না। ভারত কি শেষ পর্যন্ত পাবে সেমিফাইনালের টিকিট? স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে ম্যাচের সেরা রবীন্দ্র জাদেজার কাছে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল, আফগানিস্তানের কাছে নিউজিল্যান্ড হারলে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ এসে যাবে। আর নিউজিল্যান্ডের কাছে আফগানিস্তান হারলে কী করবেন? হাসতে হাসতে রবীন্দ্র জাদেজা উত্তর দেন, আবার ব্যাগপত্তর গুছিয়ে বাড়ি চলে যাব। এছাড়া আর কী করব। রবীন্দ্র জাদেজার এই জবাব সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনরাও যথেষ্ট মজা পেয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার কথা শুনে। পরপর দুটি ম্যাচে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। ৪ ম্যাচে কোহলিদের পয়েন্ট ৪। ৬ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে নিউজিইল্যান্ড। ৪ পয়েন্ট আফগানিস্তানের। নেট রান রেটে তারা ভারতের থেকে পিছিয়ে রয়েছে। পরপর দুটি ম্যাচে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে নেট রান রেটে নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে অনেকটাই পেছনে ফেলেছে ভারত। তবে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড জিতলে ভারতের সব প্রয়াস ব্যর্থ হয়ে যাবে। তবে এখনও আশা ছাড়ছে না ভারতীয় শিবির। যতই হোক ক্রিকেট মহান অনিশ্চয়তার খেলা। কখন অঘটন ঘটে যায়, কেউ বলতে পারবে না। সেই অঘটনের আশায় বসে আছে ভারতীয় শিবির। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে মজা করছিলেন মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরাআ, রবীন্দ্র জাদেজারা। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনেও জাদেজার সেই কৌতুক। জাদেজার স্পিনের সামনে দঁাড়াতেই পারেনি স্কটল্যান্ড। দুবাইয়ের আবু জায়েদ স্টেডিয়ামের বাইশ গজের সুবিধা দারুণ কাজে লাগিয়েছিলেন ভারতীয় বোলাররা। ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে স্কটল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনিই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন। ম্যাচের পর জাদেজা বলেন, দুবাইয়ের উইকেটে বোলিং দারুণ উপভোগ করেছি। বল যথেষ্ট ঘুরছিল। ব্যারিংটনের উইকেটটাই আমার কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এইভাবে খেললে কোনও দলই হারাতে পারবে না।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : রোহিত–রাহুলের সৌজন্যে স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে নেট রান রেটে এগিয়ে গেল ভারত

ভারত কি পারবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের ছাড়পত্র আদায় করতে? ভাগ্য ঝুলে রয়েছে সুতোর ওপর। সামনে অনেক জটিল অঙ্ক। শেষ ম্যাচে শুধু নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জিতলেই হবে না, নির্ভর করতে হবে নিউজিল্যান্ডআফগানিস্তান ম্যাচের দিকে। জটিল অঙ্কে ঢোকার আগে শুক্রবার স্কটল্যান্ডকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে নেট রান রেট অনেকটাই ভাল জায়গায় নিয়ে গেল। স্কটল্যান্ডের তোলা ৮৫ রান টপকে গেল মাত্র ৬.৩ ওভারে। নেট রান রেটে আফগানিস্তানকে টপকাতে ভারতকে জিততে হত ৭.১ ওভারে। আর নিউজিল্যান্ডকে নেট রান রেটে টেক্কা দিতে ভারতকে জিততে হত ৮.৫ ওভারে। দুই দলকেই টপকে গেল কোহলি ব্রিগেড।দুর্বল প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে যেভাবে জ্বলে উঠলেন লোকেশ রাহুলরোহিত শর্মারা, প্রথম দুটি ম্যাচে খেলতে পারলে সেমিফাইনাল ভাগ্য সুতোর ওপর ঝুলত না। তার ওপর টস ভাগ্যও এদিন কোহলি সহায় ছিল। এবারের টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম টস জিতলেন কোহলি। টস জিতে স্কটল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান। লক্ষ্য নেট রান রেটের কথা মাথায় রেখে অঙ্ক কষে খেলা।স্কটল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। তৃতীয় ওভারে তুলে নেন কাইল কোয়েৎজারকে (১)। ষষ্ঠ ওভারে জর্জ মুনসেকে (২৪) তুলে নেন মহম্মদ সামি। এরপরই শুরু হয় রবীন্দ্র জাদেজার ভেলকি। রিচি বেরিংটন (০), ম্যাথু ক্রস (২), জ্যাঁ লিয়াস্ককে (২১) তুলে নিয়ে স্কটল্যান্ডের মিডল অর্ডারে ধস নামান। ক্রিস গ্রেভসকে (১) ফেরান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ১৭তম ওভারে ৩ উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ১৭.৪ ওভারে মাত্র ৮৫ রানে গুটিয়ে যায়। রবীন্দ্র জাদেজা ও মহম্মদ সামি ১৫ রানে ৩টি করে উইকেট পান।নেট রান রেট বাড়ানোর লক্ষ্যে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। ১৬ বলে ৩০ রান করে পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আউট হন রোহিত। ভারতের রান তখন ৭০। পরের ওভারের শেষ বলে আউট হন লোকেশ রাহুল। ১৯ বলে ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। ৬.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৮৯ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

P‌ara Athlete Bhabnaben : ইতিহাস গড়েও নিজেকে বিশেষভাবে সক্ষম ভাবেন না ভাবনাবেন

টোকিও প্যারালিম্পিকের টেবিল টেনিসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে সেমিফাইনালে উঠে পদক নিশ্চিত করে ইতিহাস রচনা করেছিলেন ভাবনাবেন প্যাটেল। চীনের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে পৌঁছে গেছেন ফাইনালে। সামনে সোনা জয়ের হাতছানি। সোনা জিততে পারলে আরও এক ইতিহাস রচনা করবেন ভারতের এই প্যারা অ্যাথলিট। জীবনের প্রথম প্যারালিম্পিক্সের ফাইনালে উঠতে পারবেন, স্বপ্নেও ভাবেননি ভাবনাবেন। ইচ্ছে শক্তির জোরেই এই জায়গায় পৌঁছেছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। কোনও প্রত্যাশা নিয়ে টোকিও যাননি ভাবনাবেন। লক্ষ্য ছিল প্যারালম্পিক্সে নিজের সেরাটা দেওয়া। আর তাতেই ফাইনালে উঠে রুপো নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিট। সেমিফাইনালে চিনের ঝাং মিয়াওকে হারিয়েছেন ৩-২ ব্যবধানে।চীনের প্রতিপক্ষর বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে জেতার পর ভাবনাবেন বলেন, কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যেরকম খেলছি, ফাইনালে তেমন খেলতে পারলে সোনা জিতবই। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সময় কখনও ফাইনালে ওঠার কথা ভাবিনি। ১০০ শতাংশ দেওয়ার কথাই ভেবেছিলাম। ফাইনালে ১০০ শতাংশ দিতে পারলে পদক জিততে অসুবিধা হবে না। মানসিক ভাবে ফাইনালে সেরাটা দেওয়ার জন্য আমি তৈরি। শনিবার টোকিও প্যারালিপিক্সে মহিলা সিঙ্গলসের সেমিফাইনালে প্রথম গেমে ৭১১ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন ভাবনা। তারপর দুরন্তভাবে ফিরে আসেন। দ্বিতীয় গেম জিতে নেন ১১৭ ব্যবধানে। পরের গেম জেতেন ১১৪ ব্যবধানে। যদিও হাল ছাড়েননি বিশ্বের তিন নম্বর মিয়াও। ১১৯ ব্যবধানে চতুর্থ গেম জেতেন। পঞ্চম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত ১১৮ ব্যবধানে পঞ্চম গেম জিতে প্যারালিম্পিক্সের ফাইনালে পৌঁছে যান ভাবনা। সঙ্গে তৈরি করে ফেলেন ইতিহাস। প্রথম ভারতীয় হিসেবে টেবিল টেনিসে পদক নিশ্চিত করেছেন তিনি। মিয়াও জাংয়ের কাছে এর আগে টানা ১১ বার হেরেছিলেন ভাবনাবেন। সেই পরিসংখ্যানে দমে যাননি। বরং নিজের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চিনের মিয়াও জাংকে হারিয়ে দিয়েছেন ভাবনাবেন প্যাটেল। দুর্দান্ত জয়ের পর ভাবনা বলেন, কোনও কিছু অসম্ভব নয়, সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি। অনেকেই মনে করেন, চীনা খেলোয়াড়দের হারানো অসম্ভব। সেটাকেও সম্ভব করে দেখালেন ভাবনা। ম্যাচের পর বললেন, চীনা খেলোয়াড়কে হারানো অনেকেই অসম্ভব বলে মনে করেন। সেটা করতে পেরে আমি গর্বিত। যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে সবকিছুই সম্ভব। নিজেকে কখনও বিশেষভাবে সক্ষম মনে করি না।

আগস্ট ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

R‌avi Kumar : সোনা হাতছাড়া হলেও রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন রবি

দুর্দান্ত লড়াই করেও সোনা স্পর্শ করতে পারলেন না রবি কুমার দাহিয়া। পুরুষদের ফ্রিস্টাইল কুস্তির ৫৭ কেজি বিভাগের ফাইনালে রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটির জাউর উগুয়েভের কাছে হেরে রুপো জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল এই ভারতীয় কুস্তিগীরকে। দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জাউর উগুয়েভের কাছে ৭৪ ব্যবধানে হারতে হয়েছে রবি কুমারকে। যদিও তাঁর হাত ধরেই টোকিও অলিম্পিকে ভারতের পঞ্চম পদকটি নিশ্চিত হয়েছে। সোনা হাতছাড়া হলেও রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন রবি। ভারোত্তোলক মীরাবাঈ চানুর পর টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশকে দ্বিতীয় রুপো উপহার দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন হরিয়ানার এই কুস্তিগীর। সুশীল কুমারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় কুস্তিগীর হিসেবে অলিম্পিকে রুপো জিতলেন রবি কুমার দাহিয়া। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ৬৬ কেজির ফ্রিস্টাইল ইভেন্ট থেকে রুপো জিতেছিলেন সুশীল। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকেও একই ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সুশীল। দুই অলিম্পিকে পদক জয়ের বিরল নজির যে দুই ভারতীয় ক্রীড়াবিদের রয়েছে, সুশীল তার মধ্যে অন্যতম। রবি দাহিয়ার সেই নজির স্পর্শ করতে পারবেন কিনা, তা তো সময় বলবে। তার আগে টোকিও অলিম্পিক থেকে রুপো জিতে তিনি ইতিহাস গড়লেন। কোয়ার্টার ফাইনালে অনায়াস জয় হাসিল করা রবি কুমার সেমিফাইনালে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। ভারতীয় কুস্তিগীরের বিরুদ্ধে ওই ম্যাচের প্রথম থেকেই পয়েন্ট অর্জন করতে শুরু করেছিলেন কাজাখস্তানের নুরিসলাম সানায়েভ। একটা ৩৯ পয়েন্টে পিছিয়ে গিয়েছিলেন রবি কুমার। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল। ম্যাচের একদম শেষ মুহুর্তে দুর্দান্ত দক্ষতায় পয়েন্ট হাসিল করেন দাহিয়া। ম্যাচ শেষ হওয়ার ১০ সেকেন্ড আগে রবিকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। রবি কুমার দাহিয়া রুপো জিতলেও পদক হাতছাড়া করলেন আর এক কুস্তিগীর দীপক পুনিয়া। ৮৬ কেজির ফ্রিস্টাইল বিভাগে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে সান মারিনোর মিলেস আমিনের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহুর্তে পয়েন্ট হারিয়ে পদক হাতছাড়া করেন দীপক পুনিয়া। ৪২ ব্যবধানে তিনি হেরে যান।

আগস্ট ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lovelina : ‌সেমিফাইনালে হেরে ব্রোঞ্জেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাভলিনাকে

মেরি কম ব্যর্থ হওয়ার পর অলিম্পিকে মহিলাদের বক্সিংয়ে লাভলিনা বরগোঁহাইকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিল দেশবাসী। মহিলাদের ৬৯ কেজি ওয়েল্টারওয়েট বিভাগের সেমিফাইনালে উঠে স্বপ্নও দেখিয়েছিলেন। কিন্তু ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল লাভলিনা বরগোঁহাইয়ের কাছে। সেমিফাইনালে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা তুরস্কের বুসেনাজ সুরমেনেলির কাছে হেরে সোনা জয়ের স্বপ্ন শেষ ভারতের এই মহিলা বক্সারের।সেমিফাইনালে হরলেও মেরি কম, বিজেন্দ্র সিংয়ের মতো ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাভলিনা বড়গোহাঁইকে। কোয়ার্টার ফাইনালে যে দাপট নিয়ে তিনি বাউট জিতেছিলেন, সেমিফাইনালে শীর্ষ বাছাই বক্সারের বিরুদ্ধে তাঁর ধারেকাছেও পৌঁছতে পারলেন না লাভলিনা। ৫০ ব্যবধানে বুসেনাজ সুরমেনেলির কাছে উড়ে গেলেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মকভাবে এগোনোর চেষ্টা করেন লাভলিনা। ভারতীয় বক্সারকে পাল্টা জবাব দেন শীর্ষ বাছাই বুসেনাজ সুরমেনেলি। প্রথম রাউন্ডের শুরুতেই পরপর দুটি পাঞ্চ হজম করার পরই ব্যাকফুটে চলে যান লাভলিনা। ভারতীয় বক্সারের বিরুদ্ধে অনায়াসে পয়েন্ট অর্জন করতে থাকেন তুরস্কের বুসেনাজ। পরপর দুটি পাঞ্চ হজম করে চাপে পড়ে যান লাভলিনা। প্রতিপক্ষের কোনও আক্রমণেরই জবাব দিতে পারছিলেন না। এমনকি প্রতিরোধ ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন। কেন তিনি বিশ্বের ১ নম্বর, বুঝিয়ে দিলেন বুসেনাজ সুরমেনেলি। নিজের সব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে লাভলিনার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাতেই হতদ্যোম হয়ে পড়েন বড়গোহাঁই। শেষ দুই রাউন্ডে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন লাভলিনা। শেষে রাউন্ডে তো কার্যত হালই ছেড়ে দেন ভারতীয় বক্সার। সেমিফাইনালে হারলেও টোকিও অলিম্পিক থেকে ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে ফিরছেন লাভলিনা বড়গোহাঁই। মেরি কম, বিজেন্দ্র সিংয়ের পর তৃতীয় ভারতীয় বক্সার হিসেবে এই নজির গড়লেন তিনি। সেমিফাইনালে লাভলিনার পরাজয়ে হতাশ না হয়ে বরং এই কীর্তিকেই বড় করে দেখছে দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানু্ষ। অসমের এই বক্সারের লড়াইকে কুর্নিশ জানাচ্ছে গোটা দেশ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত টোকিও অলিম্পিক থেকে তিনটি পদক এসেছে ভারতের। ভারোত্তোলনে রূপো জিতেছিলেন মীরাবাঈ চানু। ব্যাডমিন্টনে ব্রোঞ্জ জিতেছেন শাটলার পিভি সিন্ধু। সেই তালিকায় যোগ হল লাভলিনা বড়গোহাঁইয়ের নাম।

আগস্ট ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Kumar : পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো–র ফাইনালে পৌঁছলেন নীরজ কুমার

পদক জয়ের সম্ভাবনা নিয়েই টোকিও অলিম্পিকে গিয়েছেন জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া। পদক জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল করলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট। পৌঁছে গেলেন পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোএর ফাইনালে। গ্রুপ এর যোগ্যতা অর্জন পর্বে তিনি ৮৬.৬৫ মিটার ছুঁড়ে ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছেন। অন্যদিকে, ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন আর এক জ্যাভলিন থ্রোয়ার শিবপাল সিং। এই প্রথম অলিম্পিকে নেমেছেন নীরজ চোপড়া। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে তাঁর কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেকটাই। সেই প্রত্যাশাপূরণের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ার। ফাইনালে যোগ্যতা অর্জনের জন্য মাপকাঠি ছিল ৮৩.৫০ মিটার। প্রথম প্রচেষ্টাতেই ৮৬.৬৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেন নীরজ চোপড়া। প্রথম থ্রো করার পরই তিনি নিশ্চিত হয়ে যান ফাইনালের ব্যাপারে। তারপরই প্রতিযোগিতার এরিনা ছেড়ে বেরিয়ে যান। নিজের সেরা দূরত্ব অতিক্রমের থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন। আশা করা যায় ফাইনালে নিজের সেরা পারফরমেন্স দেবেন। গ্রুপ এতে নীরজের সঙ্গেই নেমেছিলেন সোনা জয়ের অন্যতম দাবিদার জার্মানির জোহানেস ভেটের। তিনি যোগ্যতা অর্জন পর্বে ছুঁড়েছেন ৮৫.৬৪ মিটার। আর তৃতীয় হয়েছেন ফিনল্যান্ডের লাসি এটেলাটালো। তিনি ছোঁড়েন ৮৪.৫০ মিটার। অন্যদিকে, ফাইনালে যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ শিবপাল সিং। গ্রুপ বিতে তিনি তিনটি প্রচেষ্টাতেই যোগ্যতামান অতিক্রম করতে পারেননি। তিনটি প্রচেষ্টাতে তিনি ছোঁড়েন যথাক্রমে ৭৬.৪০, ৭৪.৮০ ও ৭৪.৮১ মিটার।নীরজ চোপড়া আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁকে ঘিরে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছে গোটা দেশ। টোকিও অলিম্পিকে নীরজ চোপড়া চমক দেখালে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বছর চারেক আগেই ভারতের এই অ্যাথলিট বড় আসরে সাড়ম্বরে আগমনের বার্তা দিয়েছিলেন। ২০১৬তে অনূর্ধ্ব ২০ আইএএএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে চমকে দিয়েছিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ৮৬.৪৮ মিটার ছুঁড়ে জুনিয়র বিশ্বরেকর্ডও গড়েছিলেন নীরজ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড বিভাগে সোনা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে। ২০১৭ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসেও দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন নীরজ চোপড়া।

আগস্ট ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kamlpreet Kaur : ‌পদক জিততে ব্যর্থ কমলপ্রীত, শেষ করলেন ষষ্ঠ স্থানে

আশা জাগিয়েও শেষরক্ষা হল না। পদক অধরাই থেকে গেল কমলপ্রীত কাউরের। টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের ডিসকাস থ্রোতে ১২ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে শেষ করলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট। ৬৩.৭০ মিটার ছুঁড়ে তিনি এই স্থান অর্জন করেছেন। যোগ্যতা অর্জন পর্বে সাড়া জাগিয়ে শুরু করেছিলেন কমলপ্রীত কাউর। জীবনের প্রথম অলিম্পিকে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। দুটি কোয়ালিফিকেশন রাউন্ড মিলিয়ে দ্বিতীয় হন ২৫ বছরের এই ভারতীয় অ্যাথলিট। ৬৪ মিটার দূরত্ব ছুঁড়ে ইভেন্টের দ্বিতীয় প্রতিযোগী হিসেবে সরাসরি ফাইনালে খেলার ছাড়পত্র পান কমলপ্রীত। কিন্তু ফাইনালে নিজের সেরা পারফরমেন্স করতে পারলেন না। বৃষ্টিবিঘ্নিত ইভেন্টে ফাউলের জন্য পাঁচটি থ্রোর মধ্যে কমলপ্রীতের তিনটি থ্রো বাতিল হয়ে যায়। বাকি দুটি প্রচেষ্টায় সর্বাধিক ৬৩.৭০ মিটারের দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হন এই ভারতীয় অ্যাথলিট। ফাইনালে কমলপ্রীত কাউরের কাছ থেকে যোগ্যতা অর্জন পর্বের থেকে ভাল ফলাফল প্রত্যাশা করেছিল দেশবাসী। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারলেন না পাঞ্জাবের এই অ্যাথলিট। ফাইনালে প্রথম প্রচেষ্টায় ৬১.৬২ মিটার দূরত্বে ডিসকাস ছোঁড়েন কমলপ্রীত। তাঁর দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ফাউলের জন্য বাতিল হয়ে যায়। তৃতীয় প্রচেষ্টায় ৬৩.৭০ মিটার দূরত্বে ডিসকাস ছোঁড়েন ভারতীয় অ্যাথিলট। তাঁর বাকি দুটি প্রচেষ্টা থেকে ভাল ফল প্রত্যাশা করলেও দুটি ক্ষেত্রেই তাঁর থ্রো বাতিল হয়ে যায়। ফলে তৃতীয় থ্রোয়ের বিচারে ষষ্ঠ স্থানে থেকে প্রতিযোগিতা শেষ করেন কমলপ্রীত। পদকের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায়। মহিলাদের ডিসকাস থ্রোতে সোনা জিতেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভালারি অলম্যান। প্রথম প্রচেষ্টাতে তিনি ৬৮.৯৮ মিটার ছোঁড়েন। তাঁর ৫টি প্রচেষ্টার মধ্যে সেটাই ছিল সেরা। রুপো পেয়েছেন জার্মানির ক্রিস্টিন পুডেঞ্জ। তিনি ৬৬.৮৬ মিটার দূরত্বে নিজের সর্বোচ্চ ডিসকাস নিক্ষেপ করেন। ব্রোঞ্জ জিতেছেন কিউবার ইয়াইমে পেরেজ। তিনি ছোঁড়েন ৬৫.৭২ মিটার ছোঁড়েন। এদিন বৃষ্টির জন্য বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে।যোগ্যতা অর্জন পর্বে প্রথম প্রচেষ্টায় ৬০.২৯ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেন কমলপ্রীত। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ৬৩.৯৭ মিটার অতিক্রম করে ভারতীয় অ্যাথলিটের ছোঁড়া চাকতি। তৃতীয় প্রচেষ্টায় আরও খানিকটা এগিয়ে চমকে দিয়েছিলেন কমলপ্রীত। তবে নিজেরই গড়া জাতীয় রেকর্ড তিনি ভাঙতে পারেননি। চলতি বছর পাতিয়ালায় হওয়া ভারতীয় গ্রাঁ পি-তে ৬৬.২৯ মিটার দূরত্বে চাকতি ছুঁড়ে টোকিও অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন ২৫ বছরের কমলপ্রীত। তার আগে গত মার্চে হওয়া ফেডারেশন কাপে ৬৫.০৬ দূরত্বে ডিসকাস ছুঁড়ে পুরনো জাতীয় রেকর্ড ভেঙেছিলেন দেশের প্রথম অ্যাথলিট হিসেবে ৬৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার অনন্য নজিরও গড়েছিলেন কমলপ্রীত। অলিম্পিকে নিজের সেরা পারফরমেন্স করতে পারলেন না।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরা

১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে শেষবার পদক এসেছিল ভারতের। ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরা। গ্রেট ব্রিটেনকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অলিম্পিক হকির সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ভারত। পদকের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হল মনপ্রীতদের। সেমিফাইনালে ভারতের সামনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম।রিও অলিম্পিকে কোয়ার্টার ফাইনালে আকাশদীপের করা গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। বেলজিয়ামের কাছে ৩১ ব্যবধানে হেরে পদকের স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল। এদিন গ্রেট ব্রিটেনকে হারিয়ে স্বপ্ন পূরণের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিত গ্রুপ লিগে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়া ছাড়া গোটা প্রতিযোগিতাতেই দারুণ খেলা উপহার দিয়ে এসেছে ভারত। গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন মনপ্রীতরা। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল ভারতের। ১ মিনিটেই ডি বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েছিলেন মনদীপ। কিন্তু গ্রেট ব্রিটেনের ডিফেন্ডাররা এমনভাবে ঘিরে ধরেন, গোলে শট নেওয়ার সুযোগ পাননি। ৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। সিমরনজিৎ সিংয়ের পাস থেকে দলকে এগিয়ে দেন দিলপ্রীত সিং। শুরুতে গোল পেয়ে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় মনপ্রীতদের। ১৬ মিনিটে শুটিং এরিয়ায় বল পেয়ে ২০ করেন গুরজন্ত সিং।আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারেরদ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে গ্রেট ব্রিটেন। বারবার আক্রমণে উঠে এলেও ভারতীয় ডিফেন্স ভেদ করতে পারছিল না। অবশেষে ৪৫ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে স্যামুয়েল ওয়ার্ড ব্যবধান কমান। ম্যাচের শেষ দিকে ভারতকে চেপে ধরে গ্রেট ব্রিটেন। একের পর আক্রমণ তুলে নিয়ে আসলেও রুপিন্দার সিংদের তৎপরতায় তিন কাঠি ভেদ করতে পারেনি। ৫৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখে অধিনায়ক মনপ্রীত সিং মাঠের বাইরে চলে গেলেও ছন্দ হারায়নি বারত। ৫৭ মিনিটে গ্রেট ব্রিটেনের ম্যাচে ফেরার আশা শেষ করে দেন হার্দিক সিং। প্রতিআক্রমণে উঠে এসে নীলাকান্ত শর্মার কাছ থেকে বল পেয়ে দুরূহ কোন থেকে ৩১ করেন হার্দিক। একই সঙ্গে ৪৯ বছর পর অলিম্পিক হকির সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় ভারত। শেষবার সেমিফাইনাল খেলেছিল ১৯৭২ সালে। মিউনিখ অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২০ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। আর ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে ৬টা দল অংশ নিয়েছিল। কোনও সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Satish Kumar : স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারের

অলিম্পিকে পুরুষদের বক্সিংয়ে স্বপ্ন শেষ ভারতের। পুরুষদের সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরিতে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা উজবেকিস্তানের বাখোদির জালোলভের কাছে হের পদকের স্বপ্ন শেষ ভারতীয় এই বক্সারের। মহিলাদের বক্সিংয়ে লাভলিনা বগোঁগাইয়ের হাত ধরে একটা পদক নিশ্চিত হয়েছে। সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরিতে ৯১ কেজি বিভাগে প্রথম রাউন্ডে বাই পেয়েছিলেন সতীশ কুমার। সরাসরি নেমেছিলেন প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে জামাইকার রিকার্ডো ব্রাউনকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন সতীশ কুমার। আর এক ধাপ এগোতে পারলে দেশের হয়ে পদক নিশ্চিত ছিল সতীশ কুমারের। কিন্তু শেষরক্ষা হল না উজেবেকিস্তানের বাখোদির জালোলভের কাছে হারায়। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দুবারের ব্রোঞ্জজয়ী সতীশ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে অলিম্পিকের সুপার হেভিওয়েট ক্যাটাগরির জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন সতীশ। তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখেছিলেন দেশবাসী। বক্সিংয়ে শনিবার তিনি জিতলেই আরও একটি পদক নিশ্চিত হত ভারতের। কিন্তু বাখোদির জালোলাভের কাছে ৫০ ব্যবধানে উড়ে গেলেন সতীশ। জালোলাভের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি এই ভারতীয় বক্সার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বাখোদির জালোলাভের বিরুদ্ধে প্রথম রাউন্ড থেকেই সুবিধা করতে পারেননি সতীশ। একবার তাঁর চোখে আঘাত লাগে। ম্যাচ ছেড়ে দিতে পারতেন। কিন্তু নাছোড়বান্দা মানসিকতা দেখিয়ে লড়াই চালিয়ে যান। যদিও পেরে ওঠেননি। সতীশ কুমারের থেকে বাখোদির জালোলাভের উচ্চতা অনেক বেশি। সেই উচ্চতাকে কাজে লাগিয়ে বাখোদির বার বার পাঞ্চ করে যান সতীশের ওপর। বিশ্বের ১ নম্বর তারকার পাঞ্চের জবাব দিতে পারেননি সতীশ। তাড়াচে বাখোদির জালোলাভকে দেখে মনে হচ্ছিল আত্মবিশ্বাসের শিখড়ে রয়েছেন। শুরু থেকেই জয়ের বিশ্বাস নিয়েই যেন কোর্টে নেমেছিলেন ৯১ কেজি বিভাগের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বক্সার। তাঁর খেলাতেও তারই ইঙ্গিত ছিল। সারাক্ষণ একটা হাত চালিয়ে সতীশকে ডিফেন্স করতে ব্যস্ত রাখেন। অন্য হাত দিয়ে ভারতীয় বক্সারের মুখে পাঞ্চ করে যান। তাতেই ব্যাকফুটে চলে যান সতীশ কুমার।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Deepika Kumari : তিরন্দাজিতে পদকের আশা জাগিয়ে রাখলেন দীপিকা কুমারী

তিরন্দাজিতে একের পর এক ব্যর্থতার পর আশার আলো দীপিকা কুমারী। মহিলাদের রিকার্ভ সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেলেন এই ভারতীয় তিরন্দাজ। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ৬৪ ব্যবধানে তিনি হারান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার মুসিনোফার্নান্ডেজকে। অলিম্পিকের শুরু থেকেই একের পর এক ব্যর্থতা ভারতের। মিশ্র বিভাগ, দলগত বিভাগে ব্যর্থতার পর ব্যক্তিগত বিভাগেও ব্যর্থ তরুণদীপ রাই ও প্রবীণ যাদবরা। দেশের সম্মানরক্ষার দায়িত্ব ছিল দীপিকা কুমারীর ওপর। যদিও শুরুটা ভাল হয়নি এই ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজের। আশা জাগিয়েও প্রথম সেট হেরে যান। ২৫ পয়েন্ট (৭+৯+৯) অর্জন করতে সক্ষম হন দীপিকা। অন্যদিকে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী ২৬ পয়েন্ট নিয়ে ওই সেট জিতে যান।পরের দুই সেটে দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন দীপিকা কুমারী। দ্বিতীয় সেটের প্রথম শট থেকে ৮ পয়েন্ট পেলেও দীপিকার পরের দুটি শট লক্ষ্যভেদ করে। মোট কুড়ি পয়েন্ট অর্জন করেন ভারতীয় তিরন্দাজ। ওই সেটে ২৫ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয় আমেরিকার তিরন্দাজ। তৃতীয় সেট থেকে ২৭ পয়েন্ট (১০+৯+৮) অর্জন করেন দীপিকা। সেখানে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে ওই মোকাবিলা হেরে যান মার্কিন তারকা।ম্যাচের শেষ দুই সেটে দুই প্রতিযোগীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। চতুর্থ সেটে ২৪ পয়েন্ট অর্জন করেন ভারতীয় তিরন্দাজ। তিন শট থেকে যথাক্রমে ৯, ৬ ও ৯ পয়েন্ট পান দীপিকা। অন্যদিকে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে ওই সেট জেতেন আমেরিকার তিরন্দাজ। পঞ্চম সেটে দীপিকার হাত থেকে যথাক্রমে ৯, ৯ ও ৮ পয়েন্ট আসে। ২৬ পয়েন্ট অর্জন করে ওই সেট জিতে যান ভারতীয় তিরন্দাজ। পৌঁছে যান কোয়ার্টার ফাইনালে।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Puja Rani : মহিলা বক্সিংয়ের ৭৫ কেজি বিভাগে কোয়ার্টার ফাইনালে পূজা রানি

অন্য ইভেন্টে যখন একের পর এক ব্যর্থতা, ভারতবাসীকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে বক্সিং। আগের দিনই টোকিও অলিম্পিকের শেষ আটে পৌঁছে গিয়েছিলেন লভলিনা বরগোঁহাই। বুধবার আরও এক ভারতীয় মহিলা বক্সার পৌঁছে কোয়ার্টার ফাইনালে। ৭৫ কেজি বিভাগের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে হরিয়ানার পূজা রানি বোরা দাপটের সঙ্গে উড়িয়ে দিলেন আলজেরিয়ার ইচরাক চাইবকে।পূজা রানি ও আচরিকা চাইবের কাছে এটাই প্রথম অলিম্পিক। আর মিডলওয়েট বক্সিংয়ে এদিন তাঁদের ছিল প্রথম বাউট। ৩০ বছরের পূজার চেয়ে চাইব বছর দশেকের ছোট। দুবারের এশিয়া চ্যাম্পিয়ন পূজা রানি শুরু থেকেই আধিপত্য বজায় রাখেন। তিনটি রাউন্ডেই তিনি পেছনে ফেলে দেন ইচরাক চাইবকে। চাইব জোরালোভাবে পাঞ্চ করতে চাইছিলেন। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পূজা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখায় চাইব সুবিধা করতে পারেননি। বরং পূজার কাউন্টার অ্যাটাক সামলাতে বারবারই বেগ পেতে হল চাইবকে। শেষে ৫-০ ব্যবধানে জিতে অলিম্পিকের শেষ আটে পৌঁছে গেলেন পূজা। কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার তাঁর সামনে চিনের লি কিয়ান।পরিবারের অমতেই বক্সিংয়ে আসা পূজা রানির। হরিয়ানার ভিওয়ানি জেলার নিমড়িওয়ালি গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন। বাবাকে না জানিয়েই ভর্তি হন হাওয়া সিং বক্সিং আকাদেমিতে। কারণ, তিনি জানতেন পুলিশ অফিসার বাবা কখনোই বক্সার হওয়ার অনুমতি দেবেন না। পূজা আগে জানিয়েছিলেন, তাঁরা বাবা চাননি তিনি বক্সার হোন। বাবা বলতেন, আচ্ছে বাচ্চে বক্সিং নেহি খেলতে। মার লাগ জায়েগি। অর্থাৎ ভাল বাচ্চারা বক্সিংয়ে খেলেনা। এই খেলায় চোট লাগবে! পূজার বাবার ধারণা ছিল, যাঁরা খুব আগ্রাসী মনোভাবসম্পন্ন তাঁদের জন্যই বক্সিং, কিন্তু পূজার মতো মেয়েদের জন্য নয়। কিন্তু পূজা তাঁর বাবামাকে বরাবরই বোঝানোর চেষ্টা করে গিয়েছেন, তিনি বক্সিংয়ে ভালো করবেন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বক্সিং রিংয়ে চোট পেলেও বাবা যাতে বুঝতে না পারেন, সে কারণে চোট না সারা অবধি বন্ধুর বাড়িতেও কাটিয়েছেন। বাবাকে রাজি করাতে না পারায় পেশাদার বক্সিংয়ে নামার জন্য প্রস্তুত হয়েও পূজাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে মাস ছয়েক! কিন্তু দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন যে আকাশকুসুম কল্পনা ছিল না সেটা পূজা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। পরিবারের আস্থা পূজা অর্জন করেছিলেন ২০০৯ সালে ৬০ কেজি বিভাগে জাতীয় যুব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জয়ের পর। এর দুই মাস পর হরিয়ানার নামি বক্সার প্রীতি বেনিওয়ালকে হারিয়ে দেন পূজা। এই জয়ের পর আর তাঁকে বক্সিং নিয়েই এগিয়ে যেতে পরিবার বাধা দেয়নি। হরিয়ানা সরকারের আয়কর অফিসারের চাকরিও পান পূজা। ২০১২ ও ২০১৫ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে যথাক্রমে রুপো ও ব্রোঞ্জ জেতেন মিডলওয়েটে। ২০১৪ সালের ইনচেয়ন এশিয়ান গেমসে জেতেন ব্রোঞ্জ। ২০১৯ সালে ব্যাঙ্ককে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে লাইট হেভিওয়েটে সোনা জেতার পর চলতি বছর দুবাইয়ে মিডলওয়েটেই সোনা জেতেন।তবে অলিম্পিকে আসার যাত্রা পথ একেবারেই মসৃণ ছিল না পূজা রানির কাছে। ২০১৭ সালে দেওয়ালির সময় বাজি ফাটাতে গিয়ে হাত পুড়ে যায়, তখনও ছয় মাস বক্সিং অনুশীলন চালাতে পারেননি। এই সময় নষ্টের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ট্রেনিংয়ে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে কাঁধে মারাত্মক চোট পান, যা তাঁর কেরিয়ার শেষ করে দিতে পারত। রানির ইচ্ছা ছিল ৮১ কেজি বিভাগে খেলা চালিয়ে যাওয়ার। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্যে। অলিম্পিকে নেমে পদক জয়ের লক্ষ্যে আপাতত পেরোলেন প্রথম বাধা। অভিজ্ঞতা, অদম্য মানসিকতা আর কৌশলের মেলবন্ধন ঘটিয়ে দেশের হয়ে পদক আনুন পূজা রানি, এটাই এখন কামনা।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sutirtha Mukherjee : অলিম্পিক টিটি–র দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় বঙ্গতনয়া সুতীর্থার

প্রথম রাউন্ডে সুইডেনের লিসা বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে চমক দিয়েছিলেন সুতীর্থা মুখার্জি। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের ফু ইউয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক থেকে বিদায় নিলেন এই বাঙালি টেবিল টেনিস তারকা। ৪০ ব্যবধানে সুতীর্থাকে উড়িয়ে জিতলেন ফু ইউ। বয়স যে কোনও বাধা নয়, প্রমাণ করে দিলেন এই পর্তুগালের প্যাডলার। অভিজ্ঞতা দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন ফু ইউ।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপ্রথম রাউন্ডে বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে দেশবাসীর প্রত্যাশা বাড়িয়েছিলেন সুতীর্থা। আরও একটা অঘটনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে একেবারেই জ্বলে উঠতে পারলেন না। পর্তুগালের ফু ইউয়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। বলতে গেলে অভিজ্ঞতার কাছে হারতে হল সুতীর্থাকে। তার ওপর জীবনের প্রথম অলিম্পিক। চাপ তো ছিলই। সেই চাপ থেকেও বেরিয়ে আসতে পারেননি এই বাঙালী টেবিল টেনিস তারকা।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল ফু ইউয়ের। প্রথম গেমে মাত্র ৩টি পয়েন্ট সংগ্রহ করতে সমর্থ হন সুতীর্থা। তাও আবার তিনটি পয়েন্টই এসেছিল ফু ইউয়ের ভুলের জন্য। প্রথম গেম ১১৩ ব্যবধানে জিতে নেন ফু ইউ। দ্বিতীয় গেমেও সুতীর্থাকে দাঁড়াতেই দেননি ৪২ বছর বয়সী চীনা বংশোদ্ভুত এই পর্তুগালের টেবিল টেনিস তারকা। ১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুকোচ সৌম্যদীপ রায়ের পরামর্শ নিয়ে তৃতীয় গেমে শুরুর দিকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সুতীর্থা। কিন্তু তাঁকে কোনও সুযোগ দেননি। ফু ইউ। ১১৫ ব্যবধানে জিতে ৩০ গেমে এগিয়ে যান। চতুর্থ গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন ফু ইউ। ১১৫ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান বর্ষীয়ান এই টেবিল টেনিস তারকা। সুতীর্থা বিদায় নেওয়ায় টেবিল টেনিসে ভারতের আশা শুধু শরথ কমল ও মনিকা বাত্রা। কিন্তু মনিকা যেভাবে বিতর্কে জড়িয়ে ফোকাস হারাচ্ছেন, কতদূর এগোবেন বলা কঠিন।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sania Mirza : টোকিও অলিম্পিক থেকে বিদায় সানিয়া মির্জার

টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের ডাবলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিল সানিয়া মির্জাঅঙ্কিতা রায়না জুটি। ইউক্রেনের যমজ বোন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক জুটির কাছে হারতে হল ০৬, ৭৬ (০৭), ৮১০ ব্যবধানে। প্রথম সেটে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়েও শেষরক্ষা হল না। এদিন আবার মহিলাদের সিঙ্গলসে বড় অঘটন ঘটল। মহিলাদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিলেন বিশ্বের ১ নম্বর তারকা অ্যাশলে বার্টি।দারুণভাবে শুরু করেছিলেন সানিয়া মির্জা ও অঙ্কিতা রায়না। যেভাবে শুরু করেছিলেন, মনে হচ্ছিল দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা শুধু সময়ের অপেক্ষা। ইউক্রেনের যমজ বোন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনকে প্রথম সেটে দাঁড়াতেই দেয়নি এই ভারতীয় জুটি। ৬০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয়। দ্বিতীয় সেটেও দারুণভাবে এগোচ্ছিলেন সানিয়া ও অঙ্কিতা। একসময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। জয় নিশ্চিত ধরেই সাময়িক মনসংযোগ হারিয়ে ফেলে ভারতীয় জুটি। আর সেই সুযোগেই ঘুরে দাঁড়ান নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক। সমতা ফিরিয়ে সেট টাইব্রেকারে নিয়ে যান। টাইব্রেকারে বাজিমাত করে ইউক্রেনের এই জুটি। শেষ পর্যন্ত ৭৬ (৭০) ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক।ম্যাচের ভবিষ্যত গড়ায় টাইব্রেকারে তৃতীয় সেটে। টাইব্রেকারে একসময় ৮০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউক্রেনের জুটি। সেখান থেকে দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন সানিয়া ও অঙ্কিতা। টানা ৭ পয়েন্ট জিতে স্কোর ৮৭ করে ফেলেন। কিন্তু ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না সানিয়াদের। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে তৃতীয় সেট ৮১০ পয়েন্টে হারতে হয়। ৩৪ বছর বয়সে নিজের চতুর্থ অলিম্পিক খেলতে নেমেছিলেন সানিয়া। গড়েছিলেন অনন্য নজির। কিন্তু স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না টোকিও অলিম্পিক। আর প্রথমবার অলিম্পিক খেলতে নেমে হতাশই হতে হলে অঙ্কিতা রায়নাকে। এদিকে, মহিলাদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিলেন বিশ্বের ১ নম্বর তারকা অ্যাশলে বার্টি। তাঁকে ৬৪, ৬৩ স্ট্রেট সেটে সারিয়ে চমক দেখালেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৪৮ নম্বরে থাকা স্পেনের সারা সরিবেস।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছেন প্রণতি নায়েক, সুতীর্থা মুখার্জিরা

সব জল্পনার অবসান। করোনার চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে অবশেষে শুক্রবার শুরু হচ্ছে টোকিও ২০২০ অলিম্পিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মার্চপাস্টে ভারতের পতাকা বহন করবেন পুরুষ হকি দলের অধিনায়ক মনপ্রীত সিং ও বক্সার মেরি কম। আর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের ২০ জন অ্যাথলিট ও ৬ জন কর্তা হাজির থাকবেন।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিগতবছরই অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার জন্য স্থগিত হয়ে যায়। এবছরও করোনার চোখরাখানি চলতে। তা সত্ত্বেও অলিম্পিক আয়োজন থেকে পিছিয়ে যায়নি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা। টোকিওতে অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে জাপানের স্থানীয় সময় রাত ৮.৩০ মিনিটে। ভারতীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টে। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই প্রতিযোগিতা শুরু হবে। ভারতীয় সময় ভোর ৫টায় তীরন্দাজির ব্যক্তিগত ইভেন্টে নামবেন দীপিকা কুমারী। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় নামবেন অতনু দাস, তরুণদীপ রাই, প্রবীণ যাদবরা।আরও পড়ুনঃ আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটিপ্রথমদিনই ইভেন্ট থাকায় অনেক ভারতীয় অ্যাথলিট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকতে পারবেন না। শনিবার পুরুষ হকি দলের খেলা থাকায় শুধুমাত্র অধিনায়ক মনপ্রীত সিং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকবেন। এছাড়া মার্চপাস্টে অংশ নেবেন মণিকা বাত্রা, শরথ কমল, জি সাথিয়ান ও সুতীর্থা মুখোপাধ্যায়- এই চার টেবিল টেনিস খেলোয়াড়। এছাড়া থাকবেন দেশের একমাত্র জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক, ফেন্সার ভবানী দেবী, সাঁতারু সজন প্রকাশের পাশাপাশি লাভলিনা বরগোঁহাই, অমিত পাঙ্ঘল-সহ আটজন বক্সার। জুডো, ব্যাডমিন্টন, ভারোত্তোলন, টেনিস, হকি ও শুটিংয়ের কেউ থাকছেন না পরের দিন ইভেন্ট কিংবা অনুশীলন থাকায়।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনভারত মার্চ পাস্টে রয়েছে ২১তম স্থানে। যে ছয় আধিকারিক মার্চ পাস্টে থাকবেন তাঁরা হলেন শেফ দ্য মিশন বীরেন্দ্র প্রসাদ বৈশ্য। ডেপুটি শেফ দ্য মিশন প্রেম ভার্মা, টিমের চিকিৎসক ডা. অরুণ বাসিল ম্যাথু, টেবিল টেনিস দলের ম্যানেজার এমপি সিং, বক্সিং কোচ মহম্মদ আলি কামার ও জিমন্যাস্টিক্স কোচ লক্ষ্মণ শর্মা।

জুলাই ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Deepika Kumari : দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?‌

টোকিও অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী অ্যাথলিটের সংখ্যা কম নয়। পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে মোট ১২৬ জন অ্যাথলিট প্রতিনিধিত্ব করবেন। অনেকের মধ্যেই পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় অ্যাথলিটদের মধ্যে পোস্টার গার্ল কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সম্ভাবনা বেশি দীপিকা কুমারীর। তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন দেশবাসী।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলএখনও পর্যন্ত ভারতের সবথেকে সফল তীরন্দাজ দীপিকা কুমারী। যেভাবে তিনি উঠে এসেছেন, তাঁকে কিংবদন্তীর আসনে বসিয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দারুণ সাড়া জাগিয়ে শুরু করেছিলেন এই ভারতীয় তীরন্দাজ। ২০১০ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে দুদুটি সোনা। একটা ব্যক্তিগত বিভাগে, অন্যটি । দলগত বিভাগে। ওই বছরই সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন দীপিকা কুমারী। বিশ্বকাপ ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। দ্রুত পৌঁছে গিয়েছিলেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে। তাঁর আগে কোনও ভারতীয় বিশ্বের শীর্ষস্থানে পৌঁছননি। কঠোর মনসংযোগ দেখিয়ে নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করেছিলেন দীপিকা কুমারী। যেভাবে নিজেকে তিনি শীর্ষস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাতে অনেকেই অনুপ্রাণীত হয়েছিলেন। ২০১০ সাল থেকে ভারতের মহিলা তীরন্দাজ দল রিকার্ভে যতগুলি পদক জিতেছে, প্রত্যেকটাতেই অংশীদার ছিলেন দীপিকা। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৫টি বিশ্বকাপ পদক দীপিকা কুমারীর ঝুলিতে, তার মধে ১১টি সোনার পদক। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই তীরন্দাজ সত্যিই প্রেরণার।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিদীপিকার মূল লক্ষ্য ছিল অলিম্পিক পদক। প্রথম অলিম্পিক খেলার সুযোগ পান ২০১২ সালে, লন্ডনে। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিতে হয়েছিল দীপিকা কুমারীকে। লর্ডসে গ্রেট ব্রিটেনের অ্যামি অলিভারের কাছে ৬২ ব্যবধানে হেরে হতাশায় ভেঙে পড়ছিলেন। ২০১৬ রিও অলিম্পিকেও সাফল্য আসেনি। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে চাইনিজ তাইপের ট্যান ইয়াটিংয়ের কাছে ৬০ ব্যবদানে হারতে হয়েছিল। ২০১৯ নভেম্বরে ব্যাঙ্ককে এশিয়ান কন্টিনেন্টাল কোয়ালিফায়ারে সোনা জিতে টোকিও অলিম্পিকের টিকিট পেয়ে যান দীপিকা। মাঝে শীর্ষস্থান হারালেও প্যারিসে অনুষ্ঠিত স্টেজ থ্রি বিশ্বকাপে তিনতিনটি সোনা জিতে জায়গা ফিরে পেয়েছেন। টোকিও অলিম্পিকে তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে দেশবাসী। সব প্রতিযোগিতায় সাফল্য আছে। এবার অলিম্পিকের পালা। দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?

জুলাই ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

রেজিনগরে হার হুমায়ুন-পুত্রের, কলকাতার বিজয় মিছিল থেকে ভাগীরথী নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর!

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে জয়ের পর কলকাতায় বিজয় মিছিল করল বিজেপি। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিছিলের পরে আয়োজিত সভা থেকে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। হুমায়ুনের ভাগীরথী মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ৩০ ভাগকে ভাগীরথীর জলে ভাসাবে বলেছিল। এখন নিজেই নাকের জলে চোখের জলে ভাসছে। একই সঙ্গে রেজিনগরের ফলকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে বিজেপির অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। নিয়ম অনুযায়ী, পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থী করেন ছেলেকে। ভোটের প্রচারে রেজিনগর থেকেই হিন্দুদের কেটে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন হুমায়ুন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।কিন্তু রেজিনগরের উপনির্বাচনে জয় পায় বিজেপি। প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার থাকা এই কেন্দ্রে হুমায়ুনের ছেলে পরাজিত হন। ফলাফলে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ৭৫ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হন বলে দাবি করা হয়েছে। হারের আশঙ্কায় ফল প্রকাশের আগেই রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন হুমায়ুন। পরে তাঁকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা যায়। সেই প্রসঙ্গ টেনেই কলকাতার সভা থেকে তাঁকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু।রেজিনগরের ফলকে বিজেপির রাজনৈতিক সাফল্য হিসাবেই তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সংখ্যালঘুদের ভোট পায় নাএই ধারণা ভেঙে দিয়েছে রেজিনগরের মানুষ। শুভেন্দুর দাবি, সংখ্যালঘু ভোটারদের একাংশও এখন বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। তাঁর কথায়, সংখ্যালঘুরা দেখেছেন, তাঁদের ভোট ছাড়াও মোদির জয়রথ চলছে। তাই মূলস্রোতে থাকতে তাঁরাও বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন।এ দিনের সভা থেকে হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা নির্বাচন নিয়েও দলের পক্ষে প্রচার করেন শুভেন্দু। আগামী দিনে এই দুই পুরসভায় বিজেপিকে জেতানোর জন্য মানুষের কাছে আবেদন জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, এ বার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার লক্ষ্য নিতে হবে। হাওড়া ও কলকাতার মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করবেন কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুহাত পেতে ভোট চাওয়ার কথা বলে আগামী নির্বাচনের জন্য জনসমর্থন চান শুভেন্দু।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল-মমতা, পাল্টা বিজেপির তোপ, দিল্লিতে মোতায়েন ২০ হাজার আধাসেনা!

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই অভিযানে যোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা, বাম নেতারা এবং সমাজবাদী পার্টির কর্মীরা। অন্য দিকে, একই সময়ে সাংবাদিক বৈঠক করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, বিরোধীরা বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে কাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে ২০ হাজার আধাসেনা মোতায়েন রয়েছেন। আরও এক মাস তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।রবিবারই সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল বিরোধী জোট। পরিকল্পনা ছিল, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব-সহ বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেবেন। কিন্তু রবিবার রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সময় দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীরা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। সেগুলি নিয়ে শুনানিও চলছে। আদালতকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না বলেও বার্তা দেন তিনি।তবে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ না মেলায় অভিযান বাতিল করেনি বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথমে বাসে যাত্রা শুরু হলেও পরে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পায়ে হেঁটে এগোতে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বাম যুবনেত্রী নেহা বোরাকও।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের জন্যই তাঁরা বিচার চাইছেন। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা না হলেও সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিরোধীদের। সিপিআই নেতা ডি রাজার বক্তব্য, বিরোধী নেতারা আদালত চত্বর পর্যন্ত যাবেন। পরে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল পিটিশন জমা দেবে।অন্য দিকে, বিরোধীদের এই কর্মসূচির পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি। দলের নেতা শিবরাজ সিং চৌহান অভিযোগ করেন, বিরোধীরা দেশের সংবিধানকে অসম্মান করছেন। তাঁর দাবি, ইন্ডিয়া জোট বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে উঠেছে। রাহুল গান্ধী অতীতে বিজেপির পাশাপাশি রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধেও লড়াইয়ের কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করে শিবরাজের কটাক্ষ, এই ধরনের কাজের জন্যই এক দিন কংগ্রেস মুছে যাবে।এ দিকে, সমাজমাধ্যমে রাহুল গান্ধীও পাল্টা বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, শিবের তাণ্ডব শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মিছিল শিবের মিছিল, এখানে যে কেউ যোগ দিতে পারেন। কাউকে আটকানো হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে ঘিরে ভোট চুরির অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং বিরোধীদের সুপ্রিম কোর্ট অভিযানসব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে দিল্লিতে। এক দিকে আদালতে পিটিশন জমার প্রস্তুতি, অন্য দিকে বিজেপির পাল্টা আক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি আরও এক মাস বজায় রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতাতেও ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! হাঁটতে পারেন মমতা, নজর পুলিশের অনুমতিতে

দিল্লির রাজনৈতিক আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার মিছিলের ডাক দিল কালীঘাট তৃণমূল। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা। এই কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। তবে শেষ পর্যন্ত মিছিল হবে কি না, তা নির্ভর করছে পুলিশের অনুমতির উপর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কেন্দ্র করে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। সেই অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল।প্রকাশিত প্রচারপত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে সেখানে। এই সব ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আয়োজকেরা। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।মিছিলের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি। তিনি আদৌ এই কর্মসূচিতে হাঁটবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আয়োজকদের তরফে প্রকাশিত প্রচারপত্রে মিছিলের কথা জানানো হলেও, পুলিশের অনুমতি না মেলা পর্যন্ত কর্মসূচির চূড়ান্ত ছবি স্পষ্ট হচ্ছে না।এ দিকে, পুজোর মরসুম শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতার একাধিক বড় পুজোমণ্ডপ ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মিছিল হলে ওই এলাকায় যান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। অনুমতি না মিললে কালীঘাট তৃণমূল কী পদক্ষেপ করবে, তা এখনও জানা যায়নি।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মাধ্যমে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিরোধী জোট। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সেই কর্মসূচিতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, একাধিক বাম নেতা এবং সমাজবাদী পার্টির নেতাকর্মীরাও যোগ দেন।দিল্লির পর এ বার কলকাতায় এই ইস্যুতে তৃণমূলের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার মিছিলের অনুমতি মেলে কি না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে যোগ দেন কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের পীঠস্থান’, আন্দোলনের দিন ঠিক করতে পুলিশকে চরম বার্তা সিজেপির

যন্তর-মন্তরেই আন্দোলন করতে চায় ককরোচ জনতা পার্টি। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে এ বার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিল সিজেপি। সোমবার পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যায়। থানায় ঢোকার আগে সিজেপি নেতারা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যন্তর-মন্তর ছেড়ে অন্য কোথাও আন্দোলন করতে তাঁরা রাজি নন। তাঁদের দাবি, যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান জায়গা। সেখানে বিক্ষোভের দিন ও সময় পুলিশকেই ঠিক করে দিতে হবে।সিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, আন্দোলনের দিনক্ষণ ঠিক করার দায়িত্ব দিল্লি পুলিশের হাতেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে সিদ্ধান্ত জানাতে বেশি সময় নেওয়া যাবে না। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশকে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, আন্দোলনের তারিখ জানতে তাঁরা দিল্লি পুলিশের কাছে যাচ্ছেন। পুলিশই তাঁদের বিক্ষোভের দিন জানাবে। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে তাঁরা পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সৌরভ দাসের বক্তব্য, তাঁরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চান। শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার সকলের রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, আগে পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি চাইতে গেলে অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন করার কথা বলত। এ বার তাঁরা পুলিশের কাছেই আন্দোলনের দিন ও সময় জানতে চাইছেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে রাজি নন তাঁরা।উল্লেখ্য, শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন দলের তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তাঁদের অভিযোগ, দিল্লিতে পৌঁছনোর আগেই বিমানের ভিতর থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।মুক্তি পাওয়ার পরেও আন্দোলন থেকে সরে আসার কোনও ইঙ্গিত দেননি সিজেপি নেতারা। বরং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা। সেই মতো সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান দলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল।যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহার করা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সাম্প্রতিক নির্দেশিকার পরেই এই টানাপড়েন আরও বেড়েছে। সিজেপির দাবি, যন্তর-মন্তরেই তাঁদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সুযোগ দিতে হবে। অন্য দিকে, পুলিশ কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই বিষয়ে কোনও ঘোষণা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
বিদেশ

জ্বালানি সঙ্কট থেকে বাজারের ওঠানামা, অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের গবেষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদএমনই দাবি করা হয়েছে প্রকাশের জন্য দেওয়া খবরে। সেখানে বলা হয়েছে, সোমবার রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস চলতি বছরের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় রয়েছেন রবার্ট ই হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে ব্যষ্টিক অর্থনীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য তাঁদের এই সম্মান দেওয়া হয়েছে বলে খবরটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।রবার্ট ই হল আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। অন্য দিকে, মাইকেল উডফোর্ড নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত।দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণার মূল বিষয় হল, কী ভাবে একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা যায়। ব্যক্তি, পরিবার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কী ভাবে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, তা ব্যষ্টিক অর্থনীতির আলোচ্য বিষয়। এই সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গে সামগ্রিক অর্থনীতির ওঠানামার সম্পর্ক বুঝতে তাঁদের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করা হয়েছে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং সরকার অর্থনীতি পরিচালনার জন্য নানা ধরনের মডেল ব্যবহার করে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মডেলগুলির তাত্ত্বিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণা সাহায্য করেছে। বাজারের পরিবর্তন, অর্থনৈতিক ওঠানামা এবং আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলায় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও তাঁদের কাজের গুরুত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই গবেষণার ফলে জ্বালানি সঙ্কট কিংবা সাধারণ মানুষের খরচের অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তনের মতো অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর প্রস্তুতি আরও ভাল ভাবে নেওয়া সম্ভব। অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কী ভাবে পরিবর্তন ঘটে, তা বুঝতে পারলে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির পক্ষে উপযুক্ত নীতি তৈরি করা সহজ হতে পারে।গত বছর ব্যবসায়িক উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সম্পর্ক নিয়ে গবেষণার জন্য তিন জন গবেষক অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন। নতুন পণ্য ও উদ্ভাবন কী ভাবে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতিতে সাহায্য করে, তা ব্যাখ্যা করেছিলেন তাঁরা।এর আগে গত সপ্তাহে চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সাহিত্য এবং শান্তিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল বলে দেওয়া খবরে উল্লেখ রয়েছে। অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে চলতি বছরের নোবেল ঘোষণা পর্ব শেষ হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম এবং পুরস্কারের কারণ সরকারি সূত্র থেকে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
রাজ্য

আন্দোলনে যোগ দিলেই দৈনিক সাড়ে ৯ হাজার টাকা! আরামবাগের পড়ুয়াদের নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বিজেপি বিধায়কের

ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দিলেই মিলবে টাকা! দৈনিক ১০০ ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন পরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ। তাঁর আরও অভিযোগ, আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাজে অংশ নিলে মাসে ৯৬ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছে। আরামবাগের প্রান্তিক এলাকার কলেজ পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে এই প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। এই অভিযোগের সমর্থনে কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশটও দেখিয়েছেন বিধায়ক। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।বিমান ঘোষের দাবি, রবিবার পরশুড়া বিধানসভা এলাকার এক কলেজ পড়ুয়া তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। ওই পড়ুয়া তাঁকে কিছু তথ্য ও হোয়াটসঅ্যাপের বার্তা দেখান। সেই সূত্রেই বিষয়টি তাঁর নজরে আসে বলে জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ওই পড়ুয়ার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি। পাশাপাশি, সম্পূর্ণ কথোপকথনও প্রকাশ্যে আনেননি।বিমান ঘোষের অভিযোগ, ককরোচদের আন্দোলনের নামে পড়ুয়াদের টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, এই সংগঠনের মাধ্যমে দেশের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি এবং ভারতবিরোধী কাজকর্ম চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আন্দোলনের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং সিপিএমের একাংশের যোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগগুলির পক্ষে এখনও কোনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ সামনে আসেনি।বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য, বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাঁর কাছে আসা তথ্য ও নথি সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ে জানানোর প্রস্তুতি চলছে। খুব শীঘ্রই সমস্ত নথি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে ককরোচদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে একাধিক বিক্ষোভ হয়েছে। কখনও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি, আবার কখনও ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনের পিছনে বিদেশি অর্থের জোগান রয়েছে বলেও বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানা যায়নি। ফলে বিমান ঘোষের দাবি এবং দেখানো হোয়াটসঅ্যাপের বার্তাগুলি ঘিরে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত বা সরকারি তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা’, তা হলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন না কেন? জানালেন প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা। সোমবার এই মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। কিন্তু তা হলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হলেন না কেন? এই প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি জানালেন, কেন তিনি সাক্ষাৎ করতে পারবেন না, তা চিঠিতেই জানিয়েছেন। তবে সেই চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আনতে চাননি তিনি।প্রধান বিচারপতি জানান, রাহুল গান্ধীর চিঠি তিনি আগের দিন পেয়েছিলেন। সে দিন রাতেই তার জবাবও দিয়েছেন। তাঁর কথায়, চিঠিতে এমন কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, যার জন্য তিনি রাহুলের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।কী সেই কারণ? এই প্রশ্নের উত্তরে সূর্য কান্ত বলেন, চিঠিতে কী লেখা রয়েছে, তা রাহুল গান্ধীর কাছেই জানতে চাওয়া উচিত। তিনি চিঠির গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।তবে সাধারণ নাগরিক থেকে জনপ্রতিনিধিসকলেরই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, যে কোনও ভারতীয় নাগরিক আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আসতে পারেন। তিনি সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, আইন মেনেই তাঁদের বক্তব্য শোনা হবে এবং তাঁদের অধিকার রক্ষা করা হবে।দিল্লির পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রধান বিচারপতি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে চেয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সোমবার তাঁদের এই আবেদন ঘিরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়।তবে আগের দিন রাতেই তাঁদের আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী নেতারা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী, সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করার প্রশাসনিক ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।ফলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হলেও আদালতের দরজা সকলের জন্য খোলাএই বার্তাই দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তবে চিঠিতে সাক্ষাৎ না করার যে কারণগুলি উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

মোদি সরকারের অন্দরে ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ! সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক দাবি রাহুলের

মোদি সরকারের অন্দরমহলের খবর কি পৌঁছে যাচ্ছে রাহুল গান্ধীর কাছে? সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মরত অন্তত ২০০ জন আধিকারিক নিয়মিত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তাঁদের কাছ থেকেই সরকারের নানা খবর পান বলে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পুলিশের একাংশও বিরোধীদের আন্দোলনকে সমর্থন করছে বলে দাবি রাহুলের। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে ভোট চুরি এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে সরব হন রাহুল। সেই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তত ২০০ জন আধিকারিকের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং বিদেশমন্ত্রক-সহ বিভিন্ন দফতর থেকে তিনি তথ্য পাচ্ছেন। তবে কোন আধিকারিকেরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি কংগ্রেস নেতা।দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল। তাঁর দাবি, পুলিশের প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী তাঁদের জানিয়েছেন যে বিরোধীরা যা করছেন, তা ঠিক এবং সেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া উচিত। পুলিশ, আধাসেনা এবং দেশের সাধারণ মানুষ বিরোধীদের পাশে রয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও তাঁর এই দাবির সমর্থনে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।শনিবারের বিক্ষোভে ধরপাকড়ের প্রসঙ্গেও কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, ভোট চুরির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলেও দিল্লিকে কার্যত জেলখানায় পরিণত করা হয়েছে। তাঁর মতে, আন্দোলন দমনের চেষ্টা করে মোদি সরকার বড় ভুল করছে।ব্যঙ্গের সুরে রাহুল বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করতে সরকার চাইলে ২০ থেকে ৩০ হাজার পুলিশকর্মীও মোতায়েন করতে পারে। তাঁর দাবি, গত ১২ বছর ধরে মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসছে। সরকার যত বেশি বাধা দেবে, বিরোধীরা ততই তাদের লক্ষ্যের কাছে পৌঁছবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাহুলের বক্তব্য, শুধু রাজনৈতিক দল নয়, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন জমায়েত থেকেও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। ভোট চুরির অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের আন্দোলন চলবে বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।তবে কেন্দ্রীয় সরকারের ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং পুলিশের একাংশের সমর্থন নিয়ে রাহুলের দাবিগুলি তাঁর নিজের বক্তব্য হিসাবেই সামনে এসেছে। এই দাবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal