• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

: India

খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‘‌ব্যাগ–পত্তর গুছিয়ে বাড়ি চলে যাব’‌, কেন এমন কথা বললেন রবীন্দ্র জাদেজা?

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম দুটি ম্যাচে পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে সেমিফাইনালের রাস্তা কঠিন করে ফেলেছে ভারত। পরপর দুটি ম্যাচে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে নেট রান রেট অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন বিরাট কোহলিরা। যদিও সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা মোটেই সুগম নয়। জটিল অঙ্কের ওপর নির্ভর করছে ভারতের সেমিফাইনালের ভাগ্য। রবিবার আফগানিস্তানের কাছে নিউজিল্যান্ড হারলে শেষ চারের ছাড়পত্র মিলবে বিরাট কোহলিদের। কারণ নেট রান রেটে আফগানিস্তানের থেকে এগিয়ে ভারত। আর নিউজিল্যান্ড জিতলে কোনও সম্ভাবনাই থাকবে না। ভারত কি শেষ পর্যন্ত পাবে সেমিফাইনালের টিকিট? স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে ম্যাচের সেরা রবীন্দ্র জাদেজার কাছে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল, আফগানিস্তানের কাছে নিউজিল্যান্ড হারলে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ এসে যাবে। আর নিউজিল্যান্ডের কাছে আফগানিস্তান হারলে কী করবেন? হাসতে হাসতে রবীন্দ্র জাদেজা উত্তর দেন, আবার ব্যাগপত্তর গুছিয়ে বাড়ি চলে যাব। এছাড়া আর কী করব। রবীন্দ্র জাদেজার এই জবাব সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনরাও যথেষ্ট মজা পেয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার কথা শুনে। পরপর দুটি ম্যাচে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। ৪ ম্যাচে কোহলিদের পয়েন্ট ৪। ৬ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে নিউজিইল্যান্ড। ৪ পয়েন্ট আফগানিস্তানের। নেট রান রেটে তারা ভারতের থেকে পিছিয়ে রয়েছে। পরপর দুটি ম্যাচে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে নেট রান রেটে নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে অনেকটাই পেছনে ফেলেছে ভারত। তবে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড জিতলে ভারতের সব প্রয়াস ব্যর্থ হয়ে যাবে। তবে এখনও আশা ছাড়ছে না ভারতীয় শিবির। যতই হোক ক্রিকেট মহান অনিশ্চয়তার খেলা। কখন অঘটন ঘটে যায়, কেউ বলতে পারবে না। সেই অঘটনের আশায় বসে আছে ভারতীয় শিবির। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে মজা করছিলেন মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরাআ, রবীন্দ্র জাদেজারা। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনেও জাদেজার সেই কৌতুক। জাদেজার স্পিনের সামনে দঁাড়াতেই পারেনি স্কটল্যান্ড। দুবাইয়ের আবু জায়েদ স্টেডিয়ামের বাইশ গজের সুবিধা দারুণ কাজে লাগিয়েছিলেন ভারতীয় বোলাররা। ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে স্কটল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনিই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন। ম্যাচের পর জাদেজা বলেন, দুবাইয়ের উইকেটে বোলিং দারুণ উপভোগ করেছি। বল যথেষ্ট ঘুরছিল। ব্যারিংটনের উইকেটটাই আমার কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এইভাবে খেললে কোনও দলই হারাতে পারবে না।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : রোহিত–রাহুলের সৌজন্যে স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে নেট রান রেটে এগিয়ে গেল ভারত

ভারত কি পারবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের ছাড়পত্র আদায় করতে? ভাগ্য ঝুলে রয়েছে সুতোর ওপর। সামনে অনেক জটিল অঙ্ক। শেষ ম্যাচে শুধু নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জিতলেই হবে না, নির্ভর করতে হবে নিউজিল্যান্ডআফগানিস্তান ম্যাচের দিকে। জটিল অঙ্কে ঢোকার আগে শুক্রবার স্কটল্যান্ডকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে নেট রান রেট অনেকটাই ভাল জায়গায় নিয়ে গেল। স্কটল্যান্ডের তোলা ৮৫ রান টপকে গেল মাত্র ৬.৩ ওভারে। নেট রান রেটে আফগানিস্তানকে টপকাতে ভারতকে জিততে হত ৭.১ ওভারে। আর নিউজিল্যান্ডকে নেট রান রেটে টেক্কা দিতে ভারতকে জিততে হত ৮.৫ ওভারে। দুই দলকেই টপকে গেল কোহলি ব্রিগেড।দুর্বল প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে যেভাবে জ্বলে উঠলেন লোকেশ রাহুলরোহিত শর্মারা, প্রথম দুটি ম্যাচে খেলতে পারলে সেমিফাইনাল ভাগ্য সুতোর ওপর ঝুলত না। তার ওপর টস ভাগ্যও এদিন কোহলি সহায় ছিল। এবারের টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম টস জিতলেন কোহলি। টস জিতে স্কটল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান। লক্ষ্য নেট রান রেটের কথা মাথায় রেখে অঙ্ক কষে খেলা।স্কটল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। তৃতীয় ওভারে তুলে নেন কাইল কোয়েৎজারকে (১)। ষষ্ঠ ওভারে জর্জ মুনসেকে (২৪) তুলে নেন মহম্মদ সামি। এরপরই শুরু হয় রবীন্দ্র জাদেজার ভেলকি। রিচি বেরিংটন (০), ম্যাথু ক্রস (২), জ্যাঁ লিয়াস্ককে (২১) তুলে নিয়ে স্কটল্যান্ডের মিডল অর্ডারে ধস নামান। ক্রিস গ্রেভসকে (১) ফেরান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ১৭তম ওভারে ৩ উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ১৭.৪ ওভারে মাত্র ৮৫ রানে গুটিয়ে যায়। রবীন্দ্র জাদেজা ও মহম্মদ সামি ১৫ রানে ৩টি করে উইকেট পান।নেট রান রেট বাড়ানোর লক্ষ্যে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। ১৬ বলে ৩০ রান করে পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আউট হন রোহিত। ভারতের রান তখন ৭০। পরের ওভারের শেষ বলে আউট হন লোকেশ রাহুল। ১৯ বলে ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। ৬.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৮৯ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

P‌ara Athlete Bhabnaben : ইতিহাস গড়েও নিজেকে বিশেষভাবে সক্ষম ভাবেন না ভাবনাবেন

টোকিও প্যারালিম্পিকের টেবিল টেনিসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে সেমিফাইনালে উঠে পদক নিশ্চিত করে ইতিহাস রচনা করেছিলেন ভাবনাবেন প্যাটেল। চীনের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে পৌঁছে গেছেন ফাইনালে। সামনে সোনা জয়ের হাতছানি। সোনা জিততে পারলে আরও এক ইতিহাস রচনা করবেন ভারতের এই প্যারা অ্যাথলিট। জীবনের প্রথম প্যারালিম্পিক্সের ফাইনালে উঠতে পারবেন, স্বপ্নেও ভাবেননি ভাবনাবেন। ইচ্ছে শক্তির জোরেই এই জায়গায় পৌঁছেছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। কোনও প্রত্যাশা নিয়ে টোকিও যাননি ভাবনাবেন। লক্ষ্য ছিল প্যারালম্পিক্সে নিজের সেরাটা দেওয়া। আর তাতেই ফাইনালে উঠে রুপো নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিট। সেমিফাইনালে চিনের ঝাং মিয়াওকে হারিয়েছেন ৩-২ ব্যবধানে।চীনের প্রতিপক্ষর বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে জেতার পর ভাবনাবেন বলেন, কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যেরকম খেলছি, ফাইনালে তেমন খেলতে পারলে সোনা জিতবই। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সময় কখনও ফাইনালে ওঠার কথা ভাবিনি। ১০০ শতাংশ দেওয়ার কথাই ভেবেছিলাম। ফাইনালে ১০০ শতাংশ দিতে পারলে পদক জিততে অসুবিধা হবে না। মানসিক ভাবে ফাইনালে সেরাটা দেওয়ার জন্য আমি তৈরি। শনিবার টোকিও প্যারালিপিক্সে মহিলা সিঙ্গলসের সেমিফাইনালে প্রথম গেমে ৭১১ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন ভাবনা। তারপর দুরন্তভাবে ফিরে আসেন। দ্বিতীয় গেম জিতে নেন ১১৭ ব্যবধানে। পরের গেম জেতেন ১১৪ ব্যবধানে। যদিও হাল ছাড়েননি বিশ্বের তিন নম্বর মিয়াও। ১১৯ ব্যবধানে চতুর্থ গেম জেতেন। পঞ্চম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত ১১৮ ব্যবধানে পঞ্চম গেম জিতে প্যারালিম্পিক্সের ফাইনালে পৌঁছে যান ভাবনা। সঙ্গে তৈরি করে ফেলেন ইতিহাস। প্রথম ভারতীয় হিসেবে টেবিল টেনিসে পদক নিশ্চিত করেছেন তিনি। মিয়াও জাংয়ের কাছে এর আগে টানা ১১ বার হেরেছিলেন ভাবনাবেন। সেই পরিসংখ্যানে দমে যাননি। বরং নিজের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চিনের মিয়াও জাংকে হারিয়ে দিয়েছেন ভাবনাবেন প্যাটেল। দুর্দান্ত জয়ের পর ভাবনা বলেন, কোনও কিছু অসম্ভব নয়, সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি। অনেকেই মনে করেন, চীনা খেলোয়াড়দের হারানো অসম্ভব। সেটাকেও সম্ভব করে দেখালেন ভাবনা। ম্যাচের পর বললেন, চীনা খেলোয়াড়কে হারানো অনেকেই অসম্ভব বলে মনে করেন। সেটা করতে পেরে আমি গর্বিত। যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে সবকিছুই সম্ভব। নিজেকে কখনও বিশেষভাবে সক্ষম মনে করি না।

আগস্ট ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

R‌avi Kumar : সোনা হাতছাড়া হলেও রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন রবি

দুর্দান্ত লড়াই করেও সোনা স্পর্শ করতে পারলেন না রবি কুমার দাহিয়া। পুরুষদের ফ্রিস্টাইল কুস্তির ৫৭ কেজি বিভাগের ফাইনালে রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটির জাউর উগুয়েভের কাছে হেরে রুপো জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল এই ভারতীয় কুস্তিগীরকে। দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জাউর উগুয়েভের কাছে ৭৪ ব্যবধানে হারতে হয়েছে রবি কুমারকে। যদিও তাঁর হাত ধরেই টোকিও অলিম্পিকে ভারতের পঞ্চম পদকটি নিশ্চিত হয়েছে। সোনা হাতছাড়া হলেও রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন রবি। ভারোত্তোলক মীরাবাঈ চানুর পর টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশকে দ্বিতীয় রুপো উপহার দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন হরিয়ানার এই কুস্তিগীর। সুশীল কুমারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় কুস্তিগীর হিসেবে অলিম্পিকে রুপো জিতলেন রবি কুমার দাহিয়া। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ৬৬ কেজির ফ্রিস্টাইল ইভেন্ট থেকে রুপো জিতেছিলেন সুশীল। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকেও একই ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সুশীল। দুই অলিম্পিকে পদক জয়ের বিরল নজির যে দুই ভারতীয় ক্রীড়াবিদের রয়েছে, সুশীল তার মধ্যে অন্যতম। রবি দাহিয়ার সেই নজির স্পর্শ করতে পারবেন কিনা, তা তো সময় বলবে। তার আগে টোকিও অলিম্পিক থেকে রুপো জিতে তিনি ইতিহাস গড়লেন। কোয়ার্টার ফাইনালে অনায়াস জয় হাসিল করা রবি কুমার সেমিফাইনালে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। ভারতীয় কুস্তিগীরের বিরুদ্ধে ওই ম্যাচের প্রথম থেকেই পয়েন্ট অর্জন করতে শুরু করেছিলেন কাজাখস্তানের নুরিসলাম সানায়েভ। একটা ৩৯ পয়েন্টে পিছিয়ে গিয়েছিলেন রবি কুমার। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল। ম্যাচের একদম শেষ মুহুর্তে দুর্দান্ত দক্ষতায় পয়েন্ট হাসিল করেন দাহিয়া। ম্যাচ শেষ হওয়ার ১০ সেকেন্ড আগে রবিকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। রবি কুমার দাহিয়া রুপো জিতলেও পদক হাতছাড়া করলেন আর এক কুস্তিগীর দীপক পুনিয়া। ৮৬ কেজির ফ্রিস্টাইল বিভাগে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে সান মারিনোর মিলেস আমিনের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহুর্তে পয়েন্ট হারিয়ে পদক হাতছাড়া করেন দীপক পুনিয়া। ৪২ ব্যবধানে তিনি হেরে যান।

আগস্ট ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lovelina : ‌সেমিফাইনালে হেরে ব্রোঞ্জেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাভলিনাকে

মেরি কম ব্যর্থ হওয়ার পর অলিম্পিকে মহিলাদের বক্সিংয়ে লাভলিনা বরগোঁহাইকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিল দেশবাসী। মহিলাদের ৬৯ কেজি ওয়েল্টারওয়েট বিভাগের সেমিফাইনালে উঠে স্বপ্নও দেখিয়েছিলেন। কিন্তু ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল লাভলিনা বরগোঁহাইয়ের কাছে। সেমিফাইনালে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা তুরস্কের বুসেনাজ সুরমেনেলির কাছে হেরে সোনা জয়ের স্বপ্ন শেষ ভারতের এই মহিলা বক্সারের।সেমিফাইনালে হরলেও মেরি কম, বিজেন্দ্র সিংয়ের মতো ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাভলিনা বড়গোহাঁইকে। কোয়ার্টার ফাইনালে যে দাপট নিয়ে তিনি বাউট জিতেছিলেন, সেমিফাইনালে শীর্ষ বাছাই বক্সারের বিরুদ্ধে তাঁর ধারেকাছেও পৌঁছতে পারলেন না লাভলিনা। ৫০ ব্যবধানে বুসেনাজ সুরমেনেলির কাছে উড়ে গেলেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মকভাবে এগোনোর চেষ্টা করেন লাভলিনা। ভারতীয় বক্সারকে পাল্টা জবাব দেন শীর্ষ বাছাই বুসেনাজ সুরমেনেলি। প্রথম রাউন্ডের শুরুতেই পরপর দুটি পাঞ্চ হজম করার পরই ব্যাকফুটে চলে যান লাভলিনা। ভারতীয় বক্সারের বিরুদ্ধে অনায়াসে পয়েন্ট অর্জন করতে থাকেন তুরস্কের বুসেনাজ। পরপর দুটি পাঞ্চ হজম করে চাপে পড়ে যান লাভলিনা। প্রতিপক্ষের কোনও আক্রমণেরই জবাব দিতে পারছিলেন না। এমনকি প্রতিরোধ ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন। কেন তিনি বিশ্বের ১ নম্বর, বুঝিয়ে দিলেন বুসেনাজ সুরমেনেলি। নিজের সব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে লাভলিনার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাতেই হতদ্যোম হয়ে পড়েন বড়গোহাঁই। শেষ দুই রাউন্ডে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন লাভলিনা। শেষে রাউন্ডে তো কার্যত হালই ছেড়ে দেন ভারতীয় বক্সার। সেমিফাইনালে হারলেও টোকিও অলিম্পিক থেকে ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে ফিরছেন লাভলিনা বড়গোহাঁই। মেরি কম, বিজেন্দ্র সিংয়ের পর তৃতীয় ভারতীয় বক্সার হিসেবে এই নজির গড়লেন তিনি। সেমিফাইনালে লাভলিনার পরাজয়ে হতাশ না হয়ে বরং এই কীর্তিকেই বড় করে দেখছে দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানু্ষ। অসমের এই বক্সারের লড়াইকে কুর্নিশ জানাচ্ছে গোটা দেশ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত টোকিও অলিম্পিক থেকে তিনটি পদক এসেছে ভারতের। ভারোত্তোলনে রূপো জিতেছিলেন মীরাবাঈ চানু। ব্যাডমিন্টনে ব্রোঞ্জ জিতেছেন শাটলার পিভি সিন্ধু। সেই তালিকায় যোগ হল লাভলিনা বড়গোহাঁইয়ের নাম।

আগস্ট ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Kumar : পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো–র ফাইনালে পৌঁছলেন নীরজ কুমার

পদক জয়ের সম্ভাবনা নিয়েই টোকিও অলিম্পিকে গিয়েছেন জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া। পদক জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল করলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট। পৌঁছে গেলেন পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোএর ফাইনালে। গ্রুপ এর যোগ্যতা অর্জন পর্বে তিনি ৮৬.৬৫ মিটার ছুঁড়ে ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছেন। অন্যদিকে, ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন আর এক জ্যাভলিন থ্রোয়ার শিবপাল সিং। এই প্রথম অলিম্পিকে নেমেছেন নীরজ চোপড়া। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে তাঁর কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেকটাই। সেই প্রত্যাশাপূরণের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ার। ফাইনালে যোগ্যতা অর্জনের জন্য মাপকাঠি ছিল ৮৩.৫০ মিটার। প্রথম প্রচেষ্টাতেই ৮৬.৬৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেন নীরজ চোপড়া। প্রথম থ্রো করার পরই তিনি নিশ্চিত হয়ে যান ফাইনালের ব্যাপারে। তারপরই প্রতিযোগিতার এরিনা ছেড়ে বেরিয়ে যান। নিজের সেরা দূরত্ব অতিক্রমের থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন। আশা করা যায় ফাইনালে নিজের সেরা পারফরমেন্স দেবেন। গ্রুপ এতে নীরজের সঙ্গেই নেমেছিলেন সোনা জয়ের অন্যতম দাবিদার জার্মানির জোহানেস ভেটের। তিনি যোগ্যতা অর্জন পর্বে ছুঁড়েছেন ৮৫.৬৪ মিটার। আর তৃতীয় হয়েছেন ফিনল্যান্ডের লাসি এটেলাটালো। তিনি ছোঁড়েন ৮৪.৫০ মিটার। অন্যদিকে, ফাইনালে যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ শিবপাল সিং। গ্রুপ বিতে তিনি তিনটি প্রচেষ্টাতেই যোগ্যতামান অতিক্রম করতে পারেননি। তিনটি প্রচেষ্টাতে তিনি ছোঁড়েন যথাক্রমে ৭৬.৪০, ৭৪.৮০ ও ৭৪.৮১ মিটার।নীরজ চোপড়া আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁকে ঘিরে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছে গোটা দেশ। টোকিও অলিম্পিকে নীরজ চোপড়া চমক দেখালে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বছর চারেক আগেই ভারতের এই অ্যাথলিট বড় আসরে সাড়ম্বরে আগমনের বার্তা দিয়েছিলেন। ২০১৬তে অনূর্ধ্ব ২০ আইএএএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে চমকে দিয়েছিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ৮৬.৪৮ মিটার ছুঁড়ে জুনিয়র বিশ্বরেকর্ডও গড়েছিলেন নীরজ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড বিভাগে সোনা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে। ২০১৭ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসেও দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন নীরজ চোপড়া।

আগস্ট ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kamlpreet Kaur : ‌পদক জিততে ব্যর্থ কমলপ্রীত, শেষ করলেন ষষ্ঠ স্থানে

আশা জাগিয়েও শেষরক্ষা হল না। পদক অধরাই থেকে গেল কমলপ্রীত কাউরের। টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের ডিসকাস থ্রোতে ১২ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে শেষ করলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট। ৬৩.৭০ মিটার ছুঁড়ে তিনি এই স্থান অর্জন করেছেন। যোগ্যতা অর্জন পর্বে সাড়া জাগিয়ে শুরু করেছিলেন কমলপ্রীত কাউর। জীবনের প্রথম অলিম্পিকে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। দুটি কোয়ালিফিকেশন রাউন্ড মিলিয়ে দ্বিতীয় হন ২৫ বছরের এই ভারতীয় অ্যাথলিট। ৬৪ মিটার দূরত্ব ছুঁড়ে ইভেন্টের দ্বিতীয় প্রতিযোগী হিসেবে সরাসরি ফাইনালে খেলার ছাড়পত্র পান কমলপ্রীত। কিন্তু ফাইনালে নিজের সেরা পারফরমেন্স করতে পারলেন না। বৃষ্টিবিঘ্নিত ইভেন্টে ফাউলের জন্য পাঁচটি থ্রোর মধ্যে কমলপ্রীতের তিনটি থ্রো বাতিল হয়ে যায়। বাকি দুটি প্রচেষ্টায় সর্বাধিক ৬৩.৭০ মিটারের দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হন এই ভারতীয় অ্যাথলিট। ফাইনালে কমলপ্রীত কাউরের কাছ থেকে যোগ্যতা অর্জন পর্বের থেকে ভাল ফলাফল প্রত্যাশা করেছিল দেশবাসী। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারলেন না পাঞ্জাবের এই অ্যাথলিট। ফাইনালে প্রথম প্রচেষ্টায় ৬১.৬২ মিটার দূরত্বে ডিসকাস ছোঁড়েন কমলপ্রীত। তাঁর দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ফাউলের জন্য বাতিল হয়ে যায়। তৃতীয় প্রচেষ্টায় ৬৩.৭০ মিটার দূরত্বে ডিসকাস ছোঁড়েন ভারতীয় অ্যাথিলট। তাঁর বাকি দুটি প্রচেষ্টা থেকে ভাল ফল প্রত্যাশা করলেও দুটি ক্ষেত্রেই তাঁর থ্রো বাতিল হয়ে যায়। ফলে তৃতীয় থ্রোয়ের বিচারে ষষ্ঠ স্থানে থেকে প্রতিযোগিতা শেষ করেন কমলপ্রীত। পদকের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায়। মহিলাদের ডিসকাস থ্রোতে সোনা জিতেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভালারি অলম্যান। প্রথম প্রচেষ্টাতে তিনি ৬৮.৯৮ মিটার ছোঁড়েন। তাঁর ৫টি প্রচেষ্টার মধ্যে সেটাই ছিল সেরা। রুপো পেয়েছেন জার্মানির ক্রিস্টিন পুডেঞ্জ। তিনি ৬৬.৮৬ মিটার দূরত্বে নিজের সর্বোচ্চ ডিসকাস নিক্ষেপ করেন। ব্রোঞ্জ জিতেছেন কিউবার ইয়াইমে পেরেজ। তিনি ছোঁড়েন ৬৫.৭২ মিটার ছোঁড়েন। এদিন বৃষ্টির জন্য বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে।যোগ্যতা অর্জন পর্বে প্রথম প্রচেষ্টায় ৬০.২৯ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেন কমলপ্রীত। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ৬৩.৯৭ মিটার অতিক্রম করে ভারতীয় অ্যাথলিটের ছোঁড়া চাকতি। তৃতীয় প্রচেষ্টায় আরও খানিকটা এগিয়ে চমকে দিয়েছিলেন কমলপ্রীত। তবে নিজেরই গড়া জাতীয় রেকর্ড তিনি ভাঙতে পারেননি। চলতি বছর পাতিয়ালায় হওয়া ভারতীয় গ্রাঁ পি-তে ৬৬.২৯ মিটার দূরত্বে চাকতি ছুঁড়ে টোকিও অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন ২৫ বছরের কমলপ্রীত। তার আগে গত মার্চে হওয়া ফেডারেশন কাপে ৬৫.০৬ দূরত্বে ডিসকাস ছুঁড়ে পুরনো জাতীয় রেকর্ড ভেঙেছিলেন দেশের প্রথম অ্যাথলিট হিসেবে ৬৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার অনন্য নজিরও গড়েছিলেন কমলপ্রীত। অলিম্পিকে নিজের সেরা পারফরমেন্স করতে পারলেন না।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরা

১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে শেষবার পদক এসেছিল ভারতের। ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরা। গ্রেট ব্রিটেনকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অলিম্পিক হকির সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ভারত। পদকের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হল মনপ্রীতদের। সেমিফাইনালে ভারতের সামনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম।রিও অলিম্পিকে কোয়ার্টার ফাইনালে আকাশদীপের করা গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। বেলজিয়ামের কাছে ৩১ ব্যবধানে হেরে পদকের স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল। এদিন গ্রেট ব্রিটেনকে হারিয়ে স্বপ্ন পূরণের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিত গ্রুপ লিগে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়া ছাড়া গোটা প্রতিযোগিতাতেই দারুণ খেলা উপহার দিয়ে এসেছে ভারত। গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন মনপ্রীতরা। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল ভারতের। ১ মিনিটেই ডি বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েছিলেন মনদীপ। কিন্তু গ্রেট ব্রিটেনের ডিফেন্ডাররা এমনভাবে ঘিরে ধরেন, গোলে শট নেওয়ার সুযোগ পাননি। ৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। সিমরনজিৎ সিংয়ের পাস থেকে দলকে এগিয়ে দেন দিলপ্রীত সিং। শুরুতে গোল পেয়ে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় মনপ্রীতদের। ১৬ মিনিটে শুটিং এরিয়ায় বল পেয়ে ২০ করেন গুরজন্ত সিং।আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারেরদ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে গ্রেট ব্রিটেন। বারবার আক্রমণে উঠে এলেও ভারতীয় ডিফেন্স ভেদ করতে পারছিল না। অবশেষে ৪৫ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে স্যামুয়েল ওয়ার্ড ব্যবধান কমান। ম্যাচের শেষ দিকে ভারতকে চেপে ধরে গ্রেট ব্রিটেন। একের পর আক্রমণ তুলে নিয়ে আসলেও রুপিন্দার সিংদের তৎপরতায় তিন কাঠি ভেদ করতে পারেনি। ৫৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখে অধিনায়ক মনপ্রীত সিং মাঠের বাইরে চলে গেলেও ছন্দ হারায়নি বারত। ৫৭ মিনিটে গ্রেট ব্রিটেনের ম্যাচে ফেরার আশা শেষ করে দেন হার্দিক সিং। প্রতিআক্রমণে উঠে এসে নীলাকান্ত শর্মার কাছ থেকে বল পেয়ে দুরূহ কোন থেকে ৩১ করেন হার্দিক। একই সঙ্গে ৪৯ বছর পর অলিম্পিক হকির সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় ভারত। শেষবার সেমিফাইনাল খেলেছিল ১৯৭২ সালে। মিউনিখ অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২০ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। আর ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে ৬টা দল অংশ নিয়েছিল। কোনও সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Satish Kumar : স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারের

অলিম্পিকে পুরুষদের বক্সিংয়ে স্বপ্ন শেষ ভারতের। পুরুষদের সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরিতে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা উজবেকিস্তানের বাখোদির জালোলভের কাছে হের পদকের স্বপ্ন শেষ ভারতীয় এই বক্সারের। মহিলাদের বক্সিংয়ে লাভলিনা বগোঁগাইয়ের হাত ধরে একটা পদক নিশ্চিত হয়েছে। সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরিতে ৯১ কেজি বিভাগে প্রথম রাউন্ডে বাই পেয়েছিলেন সতীশ কুমার। সরাসরি নেমেছিলেন প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে জামাইকার রিকার্ডো ব্রাউনকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন সতীশ কুমার। আর এক ধাপ এগোতে পারলে দেশের হয়ে পদক নিশ্চিত ছিল সতীশ কুমারের। কিন্তু শেষরক্ষা হল না উজেবেকিস্তানের বাখোদির জালোলভের কাছে হারায়। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দুবারের ব্রোঞ্জজয়ী সতীশ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে অলিম্পিকের সুপার হেভিওয়েট ক্যাটাগরির জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন সতীশ। তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখেছিলেন দেশবাসী। বক্সিংয়ে শনিবার তিনি জিতলেই আরও একটি পদক নিশ্চিত হত ভারতের। কিন্তু বাখোদির জালোলাভের কাছে ৫০ ব্যবধানে উড়ে গেলেন সতীশ। জালোলাভের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি এই ভারতীয় বক্সার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বাখোদির জালোলাভের বিরুদ্ধে প্রথম রাউন্ড থেকেই সুবিধা করতে পারেননি সতীশ। একবার তাঁর চোখে আঘাত লাগে। ম্যাচ ছেড়ে দিতে পারতেন। কিন্তু নাছোড়বান্দা মানসিকতা দেখিয়ে লড়াই চালিয়ে যান। যদিও পেরে ওঠেননি। সতীশ কুমারের থেকে বাখোদির জালোলাভের উচ্চতা অনেক বেশি। সেই উচ্চতাকে কাজে লাগিয়ে বাখোদির বার বার পাঞ্চ করে যান সতীশের ওপর। বিশ্বের ১ নম্বর তারকার পাঞ্চের জবাব দিতে পারেননি সতীশ। তাড়াচে বাখোদির জালোলাভকে দেখে মনে হচ্ছিল আত্মবিশ্বাসের শিখড়ে রয়েছেন। শুরু থেকেই জয়ের বিশ্বাস নিয়েই যেন কোর্টে নেমেছিলেন ৯১ কেজি বিভাগের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বক্সার। তাঁর খেলাতেও তারই ইঙ্গিত ছিল। সারাক্ষণ একটা হাত চালিয়ে সতীশকে ডিফেন্স করতে ব্যস্ত রাখেন। অন্য হাত দিয়ে ভারতীয় বক্সারের মুখে পাঞ্চ করে যান। তাতেই ব্যাকফুটে চলে যান সতীশ কুমার।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Deepika Kumari : তিরন্দাজিতে পদকের আশা জাগিয়ে রাখলেন দীপিকা কুমারী

তিরন্দাজিতে একের পর এক ব্যর্থতার পর আশার আলো দীপিকা কুমারী। মহিলাদের রিকার্ভ সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেলেন এই ভারতীয় তিরন্দাজ। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ৬৪ ব্যবধানে তিনি হারান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার মুসিনোফার্নান্ডেজকে। অলিম্পিকের শুরু থেকেই একের পর এক ব্যর্থতা ভারতের। মিশ্র বিভাগ, দলগত বিভাগে ব্যর্থতার পর ব্যক্তিগত বিভাগেও ব্যর্থ তরুণদীপ রাই ও প্রবীণ যাদবরা। দেশের সম্মানরক্ষার দায়িত্ব ছিল দীপিকা কুমারীর ওপর। যদিও শুরুটা ভাল হয়নি এই ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজের। আশা জাগিয়েও প্রথম সেট হেরে যান। ২৫ পয়েন্ট (৭+৯+৯) অর্জন করতে সক্ষম হন দীপিকা। অন্যদিকে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী ২৬ পয়েন্ট নিয়ে ওই সেট জিতে যান।পরের দুই সেটে দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন দীপিকা কুমারী। দ্বিতীয় সেটের প্রথম শট থেকে ৮ পয়েন্ট পেলেও দীপিকার পরের দুটি শট লক্ষ্যভেদ করে। মোট কুড়ি পয়েন্ট অর্জন করেন ভারতীয় তিরন্দাজ। ওই সেটে ২৫ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয় আমেরিকার তিরন্দাজ। তৃতীয় সেট থেকে ২৭ পয়েন্ট (১০+৯+৮) অর্জন করেন দীপিকা। সেখানে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে ওই মোকাবিলা হেরে যান মার্কিন তারকা।ম্যাচের শেষ দুই সেটে দুই প্রতিযোগীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। চতুর্থ সেটে ২৪ পয়েন্ট অর্জন করেন ভারতীয় তিরন্দাজ। তিন শট থেকে যথাক্রমে ৯, ৬ ও ৯ পয়েন্ট পান দীপিকা। অন্যদিকে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে ওই সেট জেতেন আমেরিকার তিরন্দাজ। পঞ্চম সেটে দীপিকার হাত থেকে যথাক্রমে ৯, ৯ ও ৮ পয়েন্ট আসে। ২৬ পয়েন্ট অর্জন করে ওই সেট জিতে যান ভারতীয় তিরন্দাজ। পৌঁছে যান কোয়ার্টার ফাইনালে।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Puja Rani : মহিলা বক্সিংয়ের ৭৫ কেজি বিভাগে কোয়ার্টার ফাইনালে পূজা রানি

অন্য ইভেন্টে যখন একের পর এক ব্যর্থতা, ভারতবাসীকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে বক্সিং। আগের দিনই টোকিও অলিম্পিকের শেষ আটে পৌঁছে গিয়েছিলেন লভলিনা বরগোঁহাই। বুধবার আরও এক ভারতীয় মহিলা বক্সার পৌঁছে কোয়ার্টার ফাইনালে। ৭৫ কেজি বিভাগের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে হরিয়ানার পূজা রানি বোরা দাপটের সঙ্গে উড়িয়ে দিলেন আলজেরিয়ার ইচরাক চাইবকে।পূজা রানি ও আচরিকা চাইবের কাছে এটাই প্রথম অলিম্পিক। আর মিডলওয়েট বক্সিংয়ে এদিন তাঁদের ছিল প্রথম বাউট। ৩০ বছরের পূজার চেয়ে চাইব বছর দশেকের ছোট। দুবারের এশিয়া চ্যাম্পিয়ন পূজা রানি শুরু থেকেই আধিপত্য বজায় রাখেন। তিনটি রাউন্ডেই তিনি পেছনে ফেলে দেন ইচরাক চাইবকে। চাইব জোরালোভাবে পাঞ্চ করতে চাইছিলেন। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পূজা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখায় চাইব সুবিধা করতে পারেননি। বরং পূজার কাউন্টার অ্যাটাক সামলাতে বারবারই বেগ পেতে হল চাইবকে। শেষে ৫-০ ব্যবধানে জিতে অলিম্পিকের শেষ আটে পৌঁছে গেলেন পূজা। কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার তাঁর সামনে চিনের লি কিয়ান।পরিবারের অমতেই বক্সিংয়ে আসা পূজা রানির। হরিয়ানার ভিওয়ানি জেলার নিমড়িওয়ালি গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন। বাবাকে না জানিয়েই ভর্তি হন হাওয়া সিং বক্সিং আকাদেমিতে। কারণ, তিনি জানতেন পুলিশ অফিসার বাবা কখনোই বক্সার হওয়ার অনুমতি দেবেন না। পূজা আগে জানিয়েছিলেন, তাঁরা বাবা চাননি তিনি বক্সার হোন। বাবা বলতেন, আচ্ছে বাচ্চে বক্সিং নেহি খেলতে। মার লাগ জায়েগি। অর্থাৎ ভাল বাচ্চারা বক্সিংয়ে খেলেনা। এই খেলায় চোট লাগবে! পূজার বাবার ধারণা ছিল, যাঁরা খুব আগ্রাসী মনোভাবসম্পন্ন তাঁদের জন্যই বক্সিং, কিন্তু পূজার মতো মেয়েদের জন্য নয়। কিন্তু পূজা তাঁর বাবামাকে বরাবরই বোঝানোর চেষ্টা করে গিয়েছেন, তিনি বক্সিংয়ে ভালো করবেন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বক্সিং রিংয়ে চোট পেলেও বাবা যাতে বুঝতে না পারেন, সে কারণে চোট না সারা অবধি বন্ধুর বাড়িতেও কাটিয়েছেন। বাবাকে রাজি করাতে না পারায় পেশাদার বক্সিংয়ে নামার জন্য প্রস্তুত হয়েও পূজাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে মাস ছয়েক! কিন্তু দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন যে আকাশকুসুম কল্পনা ছিল না সেটা পূজা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। পরিবারের আস্থা পূজা অর্জন করেছিলেন ২০০৯ সালে ৬০ কেজি বিভাগে জাতীয় যুব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জয়ের পর। এর দুই মাস পর হরিয়ানার নামি বক্সার প্রীতি বেনিওয়ালকে হারিয়ে দেন পূজা। এই জয়ের পর আর তাঁকে বক্সিং নিয়েই এগিয়ে যেতে পরিবার বাধা দেয়নি। হরিয়ানা সরকারের আয়কর অফিসারের চাকরিও পান পূজা। ২০১২ ও ২০১৫ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে যথাক্রমে রুপো ও ব্রোঞ্জ জেতেন মিডলওয়েটে। ২০১৪ সালের ইনচেয়ন এশিয়ান গেমসে জেতেন ব্রোঞ্জ। ২০১৯ সালে ব্যাঙ্ককে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে লাইট হেভিওয়েটে সোনা জেতার পর চলতি বছর দুবাইয়ে মিডলওয়েটেই সোনা জেতেন।তবে অলিম্পিকে আসার যাত্রা পথ একেবারেই মসৃণ ছিল না পূজা রানির কাছে। ২০১৭ সালে দেওয়ালির সময় বাজি ফাটাতে গিয়ে হাত পুড়ে যায়, তখনও ছয় মাস বক্সিং অনুশীলন চালাতে পারেননি। এই সময় নষ্টের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ট্রেনিংয়ে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে কাঁধে মারাত্মক চোট পান, যা তাঁর কেরিয়ার শেষ করে দিতে পারত। রানির ইচ্ছা ছিল ৮১ কেজি বিভাগে খেলা চালিয়ে যাওয়ার। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্যে। অলিম্পিকে নেমে পদক জয়ের লক্ষ্যে আপাতত পেরোলেন প্রথম বাধা। অভিজ্ঞতা, অদম্য মানসিকতা আর কৌশলের মেলবন্ধন ঘটিয়ে দেশের হয়ে পদক আনুন পূজা রানি, এটাই এখন কামনা।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sutirtha Mukherjee : অলিম্পিক টিটি–র দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় বঙ্গতনয়া সুতীর্থার

প্রথম রাউন্ডে সুইডেনের লিসা বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে চমক দিয়েছিলেন সুতীর্থা মুখার্জি। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের ফু ইউয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক থেকে বিদায় নিলেন এই বাঙালি টেবিল টেনিস তারকা। ৪০ ব্যবধানে সুতীর্থাকে উড়িয়ে জিতলেন ফু ইউ। বয়স যে কোনও বাধা নয়, প্রমাণ করে দিলেন এই পর্তুগালের প্যাডলার। অভিজ্ঞতা দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন ফু ইউ।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপ্রথম রাউন্ডে বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে দেশবাসীর প্রত্যাশা বাড়িয়েছিলেন সুতীর্থা। আরও একটা অঘটনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে একেবারেই জ্বলে উঠতে পারলেন না। পর্তুগালের ফু ইউয়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। বলতে গেলে অভিজ্ঞতার কাছে হারতে হল সুতীর্থাকে। তার ওপর জীবনের প্রথম অলিম্পিক। চাপ তো ছিলই। সেই চাপ থেকেও বেরিয়ে আসতে পারেননি এই বাঙালী টেবিল টেনিস তারকা।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল ফু ইউয়ের। প্রথম গেমে মাত্র ৩টি পয়েন্ট সংগ্রহ করতে সমর্থ হন সুতীর্থা। তাও আবার তিনটি পয়েন্টই এসেছিল ফু ইউয়ের ভুলের জন্য। প্রথম গেম ১১৩ ব্যবধানে জিতে নেন ফু ইউ। দ্বিতীয় গেমেও সুতীর্থাকে দাঁড়াতেই দেননি ৪২ বছর বয়সী চীনা বংশোদ্ভুত এই পর্তুগালের টেবিল টেনিস তারকা। ১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুকোচ সৌম্যদীপ রায়ের পরামর্শ নিয়ে তৃতীয় গেমে শুরুর দিকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সুতীর্থা। কিন্তু তাঁকে কোনও সুযোগ দেননি। ফু ইউ। ১১৫ ব্যবধানে জিতে ৩০ গেমে এগিয়ে যান। চতুর্থ গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন ফু ইউ। ১১৫ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান বর্ষীয়ান এই টেবিল টেনিস তারকা। সুতীর্থা বিদায় নেওয়ায় টেবিল টেনিসে ভারতের আশা শুধু শরথ কমল ও মনিকা বাত্রা। কিন্তু মনিকা যেভাবে বিতর্কে জড়িয়ে ফোকাস হারাচ্ছেন, কতদূর এগোবেন বলা কঠিন।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sania Mirza : টোকিও অলিম্পিক থেকে বিদায় সানিয়া মির্জার

টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের ডাবলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিল সানিয়া মির্জাঅঙ্কিতা রায়না জুটি। ইউক্রেনের যমজ বোন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক জুটির কাছে হারতে হল ০৬, ৭৬ (০৭), ৮১০ ব্যবধানে। প্রথম সেটে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়েও শেষরক্ষা হল না। এদিন আবার মহিলাদের সিঙ্গলসে বড় অঘটন ঘটল। মহিলাদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিলেন বিশ্বের ১ নম্বর তারকা অ্যাশলে বার্টি।দারুণভাবে শুরু করেছিলেন সানিয়া মির্জা ও অঙ্কিতা রায়না। যেভাবে শুরু করেছিলেন, মনে হচ্ছিল দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা শুধু সময়ের অপেক্ষা। ইউক্রেনের যমজ বোন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনকে প্রথম সেটে দাঁড়াতেই দেয়নি এই ভারতীয় জুটি। ৬০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয়। দ্বিতীয় সেটেও দারুণভাবে এগোচ্ছিলেন সানিয়া ও অঙ্কিতা। একসময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। জয় নিশ্চিত ধরেই সাময়িক মনসংযোগ হারিয়ে ফেলে ভারতীয় জুটি। আর সেই সুযোগেই ঘুরে দাঁড়ান নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক। সমতা ফিরিয়ে সেট টাইব্রেকারে নিয়ে যান। টাইব্রেকারে বাজিমাত করে ইউক্রেনের এই জুটি। শেষ পর্যন্ত ৭৬ (৭০) ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক।ম্যাচের ভবিষ্যত গড়ায় টাইব্রেকারে তৃতীয় সেটে। টাইব্রেকারে একসময় ৮০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউক্রেনের জুটি। সেখান থেকে দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন সানিয়া ও অঙ্কিতা। টানা ৭ পয়েন্ট জিতে স্কোর ৮৭ করে ফেলেন। কিন্তু ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না সানিয়াদের। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে তৃতীয় সেট ৮১০ পয়েন্টে হারতে হয়। ৩৪ বছর বয়সে নিজের চতুর্থ অলিম্পিক খেলতে নেমেছিলেন সানিয়া। গড়েছিলেন অনন্য নজির। কিন্তু স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না টোকিও অলিম্পিক। আর প্রথমবার অলিম্পিক খেলতে নেমে হতাশই হতে হলে অঙ্কিতা রায়নাকে। এদিকে, মহিলাদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিলেন বিশ্বের ১ নম্বর তারকা অ্যাশলে বার্টি। তাঁকে ৬৪, ৬৩ স্ট্রেট সেটে সারিয়ে চমক দেখালেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৪৮ নম্বরে থাকা স্পেনের সারা সরিবেস।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছেন প্রণতি নায়েক, সুতীর্থা মুখার্জিরা

সব জল্পনার অবসান। করোনার চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে অবশেষে শুক্রবার শুরু হচ্ছে টোকিও ২০২০ অলিম্পিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মার্চপাস্টে ভারতের পতাকা বহন করবেন পুরুষ হকি দলের অধিনায়ক মনপ্রীত সিং ও বক্সার মেরি কম। আর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের ২০ জন অ্যাথলিট ও ৬ জন কর্তা হাজির থাকবেন।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিগতবছরই অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার জন্য স্থগিত হয়ে যায়। এবছরও করোনার চোখরাখানি চলতে। তা সত্ত্বেও অলিম্পিক আয়োজন থেকে পিছিয়ে যায়নি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা। টোকিওতে অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে জাপানের স্থানীয় সময় রাত ৮.৩০ মিনিটে। ভারতীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টে। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই প্রতিযোগিতা শুরু হবে। ভারতীয় সময় ভোর ৫টায় তীরন্দাজির ব্যক্তিগত ইভেন্টে নামবেন দীপিকা কুমারী। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় নামবেন অতনু দাস, তরুণদীপ রাই, প্রবীণ যাদবরা।আরও পড়ুনঃ আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটিপ্রথমদিনই ইভেন্ট থাকায় অনেক ভারতীয় অ্যাথলিট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকতে পারবেন না। শনিবার পুরুষ হকি দলের খেলা থাকায় শুধুমাত্র অধিনায়ক মনপ্রীত সিং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকবেন। এছাড়া মার্চপাস্টে অংশ নেবেন মণিকা বাত্রা, শরথ কমল, জি সাথিয়ান ও সুতীর্থা মুখোপাধ্যায়- এই চার টেবিল টেনিস খেলোয়াড়। এছাড়া থাকবেন দেশের একমাত্র জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক, ফেন্সার ভবানী দেবী, সাঁতারু সজন প্রকাশের পাশাপাশি লাভলিনা বরগোঁহাই, অমিত পাঙ্ঘল-সহ আটজন বক্সার। জুডো, ব্যাডমিন্টন, ভারোত্তোলন, টেনিস, হকি ও শুটিংয়ের কেউ থাকছেন না পরের দিন ইভেন্ট কিংবা অনুশীলন থাকায়।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনভারত মার্চ পাস্টে রয়েছে ২১তম স্থানে। যে ছয় আধিকারিক মার্চ পাস্টে থাকবেন তাঁরা হলেন শেফ দ্য মিশন বীরেন্দ্র প্রসাদ বৈশ্য। ডেপুটি শেফ দ্য মিশন প্রেম ভার্মা, টিমের চিকিৎসক ডা. অরুণ বাসিল ম্যাথু, টেবিল টেনিস দলের ম্যানেজার এমপি সিং, বক্সিং কোচ মহম্মদ আলি কামার ও জিমন্যাস্টিক্স কোচ লক্ষ্মণ শর্মা।

জুলাই ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Deepika Kumari : দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?‌

টোকিও অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী অ্যাথলিটের সংখ্যা কম নয়। পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে মোট ১২৬ জন অ্যাথলিট প্রতিনিধিত্ব করবেন। অনেকের মধ্যেই পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় অ্যাথলিটদের মধ্যে পোস্টার গার্ল কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সম্ভাবনা বেশি দীপিকা কুমারীর। তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন দেশবাসী।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলএখনও পর্যন্ত ভারতের সবথেকে সফল তীরন্দাজ দীপিকা কুমারী। যেভাবে তিনি উঠে এসেছেন, তাঁকে কিংবদন্তীর আসনে বসিয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দারুণ সাড়া জাগিয়ে শুরু করেছিলেন এই ভারতীয় তীরন্দাজ। ২০১০ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে দুদুটি সোনা। একটা ব্যক্তিগত বিভাগে, অন্যটি । দলগত বিভাগে। ওই বছরই সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন দীপিকা কুমারী। বিশ্বকাপ ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। দ্রুত পৌঁছে গিয়েছিলেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে। তাঁর আগে কোনও ভারতীয় বিশ্বের শীর্ষস্থানে পৌঁছননি। কঠোর মনসংযোগ দেখিয়ে নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করেছিলেন দীপিকা কুমারী। যেভাবে নিজেকে তিনি শীর্ষস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাতে অনেকেই অনুপ্রাণীত হয়েছিলেন। ২০১০ সাল থেকে ভারতের মহিলা তীরন্দাজ দল রিকার্ভে যতগুলি পদক জিতেছে, প্রত্যেকটাতেই অংশীদার ছিলেন দীপিকা। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৫টি বিশ্বকাপ পদক দীপিকা কুমারীর ঝুলিতে, তার মধে ১১টি সোনার পদক। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই তীরন্দাজ সত্যিই প্রেরণার।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিদীপিকার মূল লক্ষ্য ছিল অলিম্পিক পদক। প্রথম অলিম্পিক খেলার সুযোগ পান ২০১২ সালে, লন্ডনে। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিতে হয়েছিল দীপিকা কুমারীকে। লর্ডসে গ্রেট ব্রিটেনের অ্যামি অলিভারের কাছে ৬২ ব্যবধানে হেরে হতাশায় ভেঙে পড়ছিলেন। ২০১৬ রিও অলিম্পিকেও সাফল্য আসেনি। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে চাইনিজ তাইপের ট্যান ইয়াটিংয়ের কাছে ৬০ ব্যবদানে হারতে হয়েছিল। ২০১৯ নভেম্বরে ব্যাঙ্ককে এশিয়ান কন্টিনেন্টাল কোয়ালিফায়ারে সোনা জিতে টোকিও অলিম্পিকের টিকিট পেয়ে যান দীপিকা। মাঝে শীর্ষস্থান হারালেও প্যারিসে অনুষ্ঠিত স্টেজ থ্রি বিশ্বকাপে তিনতিনটি সোনা জিতে জায়গা ফিরে পেয়েছেন। টোকিও অলিম্পিকে তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে দেশবাসী। সব প্রতিযোগিতায় সাফল্য আছে। এবার অলিম্পিকের পালা। দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?

জুলাই ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal