• ২ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

High

কলকাতা

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হাইকোর্টে

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। আজই শুনানি হবে মামলাটির। বেলা ২টোয় শুনানি। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করে আদালত রামপুরহাট কাণ্ডকে কড়া ভাষায় নিন্দা করে। রামপুরহাটের ঘটনাকে শকিং, ঘোরতর অপরাধ বলে উল্লেখ করে আদালত। এই ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলে।প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই রামপুরহাট কাণ্ডে উপপ্রধান খুন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়, দুটি পৃথক মামলা রুজু হয়েছে। জোড়া মামলার তদন্ত করছে সিট। আজ সব মামলারই একসঙ্গে শুনানি হবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। এখনও পর্যন্ত রামপুরহাটে কাণ্ডে ইতিমধ্যেই মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ২২ জনকে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, উপপ্রধান খুনে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মার্চ ২৩, ২০২২
দেশ

বাধ্যতামূলক নয় হিজাব, জানাল কর্নাটক হাইকোর্ট

বড় ধাক্কা খেলেন হিজাবের পক্ষে আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। হিজাব পরা বাধ্যতামূলক ধর্মীয় অনুশীলন নয়, রায় দিল কর্নাটক হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল হিজাব পরা নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে হাইকোর্টে দায়ের হওয়া সমস্ত পিটিশন। এর ফলে হাইকোর্টে জয় হল রাজ্য সরকারেরই।গোলমালের আশঙ্কা করে কর্নাটক সরকার এক সপ্তাহের জন্য বেঙ্গালুরু শহরে বড় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ম্যাঙ্গালুরুতেও ১৫ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ সমস্ত বড় জমায়েত। হিজাব বিতর্কের ভরকেন্দ্র উদুপিতে মঙ্গলবার বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ।গত পয়লা জানুয়ারি কর্নাটকের উদুপিতে একটি প্রি-ইউনিভার্সিটিতে কয়েকজন হিজাব পরিহিত পড়ুয়াকে ক্লাসে বসতে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কলেজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি বিজেপি বিধায়ক রঘুপতি ভাট স্পষ্ট জানিয়ে দেন, হিজাব পরিহিতরা ক্লাসে ঢুকতে পারবেন না। সেই বিতর্ক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য জুড়ে। হিজাবের পাল্টা হিসেবে গেরুয়া উত্তরীয় পরে আন্দোলন শুরু করে একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। কয়েকটি জায়গায় হিজাবের পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলনকারীরা মুখোমুখি হয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গেও একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। শান্তির আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। সমস্ত স্কুল, কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাজ্য

আনিস-মৃত্যু তদন্তে রাজ্য পুলিশেই ভরসা হাইকোর্টের

ছাত্রনেতা আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের রিপোর্টও ইতিমধ্যেই এসেছে বলে সূত্রের খবর। সেখানে আনিসের মৃত্যুর কারণ খুব স্পষ্ট নয় বলে সূত্রের দাবি। এরইমধ্যে সোমবার রাজ্য পুলিশের হাতে এই ঘটনার তদন্তভার রাখার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সিটই এই ঘটনার তদন্ত করবে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এদিন বলেন, আপাতত রাজ্য পুলিশ আনিসের মৃত্যুর তদন্ত করবে।অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বিচারপতির, রাজ্যের পুলিশ পৃথিবীর কারও থেকে কম নয়, যদি কেউ তাদের বাধা না দেয়। নিজেদের প্রমাণ করার সময় এটা। তারাই এই ঘটনার তদন্ত করবে। আগামী একমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।এদিন আদালত জানিয়ে দিয়েছে, অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছাড়া এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে তদন্তের সময়সীমা বাড়ানো হবে না। একইসঙ্গে তদন্তকারীদের এক সপ্তাহের মধ্যে ফরেনসিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কোনওভাবে প্রভাবিত না হয়ে তদন্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

মার্চ ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

করোনার ভ্রুকুটি এড়িয়ে আবার মূল স্রোতে ফেরার লক্ষে দৌড় শুরু 'সুকুমার সেন কলেজে'

করোনার করাল দৃষ্টি এড়িয়ে আবার মূল স্রোতে ফেরার লক্ষে দৌড় শুরু হয়ে গেছে। সেই দৌড় আসতে আসতে স্কুল কলেজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আছড়ে পরে গমগম করছে ছাত্র ছাত্রীদের উপস্থিতিতে। বিদ্যালয়ের কলতান কলোড়িত হচ্ছে কচি কাঁচা দের ঐকতানে। আবার পার্থনা সভায় ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা... সুর ভেসে বেড়াচ্ছে আকাশে বাতাসে। সবুজ মাঠের ঘাস যেনো কচি কাঁচাদের পায়ের স্পর্শের-ই অপেক্ষায় ছিলো। দীর্ঘ্য দেড় বছর বন্দীদশা কাটিয়ে বুধবার ২ ফেব্রুয়ারি পুর্ব-বর্ধমান এর আচার্য সুকুমার সেন মহাবিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হল গোতান মনসাতলা মাঠে। করোনা অতিমারির প্রোকোপে ২০২১-এর বার্ষিক ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠিত কারা যায়নি। কলেজের ছেলে-মেয়েদের উপস্থিতির হার ও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত।আচার্য সুকুমার সেন কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ জয়ন্ত কুমার মুখোপাধ্যায় জনতার কথাকে জানান, হাইজাম্প, লংজাম্প, ডিসকাস, শটপুট, স্বল্প ও মাঝারী দূরত্ত্বের দৌড় প্রতিযোগীতা সহ মোট কুড়িটি ইভেন্ট অনুষ্টিত হয়। সমস্ত ইভেন্ট মিলিয়ে প্রায় দুশো জন ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেছে। কলেজের কর্মী এবং প্রাক্তনীদের জন্যও বিশেষ ইভেন্টের আয়োজন করা হয়। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী কোভিড বিধি মেনে সকাল সাড়ে নটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলেছে এবারের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।বার্ষিক ক্রীড়া উৎসববিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং কলেজ পরিচালন সমিতির সদস্য মোতিয়ার রহমান চৌধুরী এবং সুকুমার ঘোষ মহাশয়। মশাল প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে শুভ সূচনা করা হয়। কলেজের প্রাক্তনী এলাকার জনপ্রিয় যোগা বিশেষজ্ঞ ও জিমন্যাস্ট সাবির আলি মির্জা জনতার কথা জানান, আমি নিজে যেহেতু একজন ক্রিড়াবিদ, সে কারনেই মাঠই আমাদের জীবন, আমি মনে করি ছেলে মেয়েরা যত বেশী মাঠে থাকবে, তত বেশী মানসিক ভাবে স্ট্রং হবে। Sportsman Sprit বলে ইংরাজিতে একটা কথা আছে, আমার কাছে যার অর্থ, পরিস্থিতি বিবেচনা করে জীবনযাত্রা কে এগিয়ে নিয়ে চলা। কলেজের অধ্যক্ষ থেকে শুরু করে সমস্ত স্টাফ ও ছাত্র ছাত্রী মিলে এই বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আমরা খুব আনন্দ উপভোগ করেছি।

মার্চ ০৪, ২০২২
রাজ্য

জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণে নয়ানজুলি বোজানোয় ডিভিসির জলে ডুবলো আলু জমি, অবরোধ ক্ষুব্ধ চাষীদের

জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণ কাজের জন্য নয়ানজুলি বুজে থাকায় ভিভিসি (Damodar Valley Corporation) জল ছাড়তেই জলে ডুবলো আলু চাষের জমি। এরই প্রতিবাদে মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন ক্ষুব্ধ চাষীরা। ঘন্টা খানেকের অবরোধ বিক্ষোভের জেরে এদিন সকালের দিকে জাতীয় সড়কে যানবাহন চলাচল একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে যায়। দূর পাল্লার বাস সহ বিভিন্ন যানবাহন জাতীয় সড়কে যানজটে আটকে পড়ে। খবর পেয়ে শক্তিগড় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষিদের সঙ্গে কথা বলে । পরে প্রশাসন ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন চাষিরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে শক্তিগড় এলাকায় জোরকদমে চলছে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণের কাজ। সেই কাজ করতে গিয়ে চাষের জমিতে সেচের জল যাবার জন্য জাতীয় সড়কের ধারে থাকা নয়ানজুলি বুজিয়ে দেওয়া হয়। এরই মধ্যে বোরোধান চাষের জন্য ডিভিসির সেচ খালে জল ছাড়া হয়। নয়ানজুলি বুজে থাকার জন্য সেই জল প্রবাহিত হতে না পেরে বদ্ধ নয়ানজুলি থেকে উপচে গিয়ে সোমবার রাতে অসপাশের ফলন্ত আলু জমিতে ঢুকে পড়ে। তার কারণে শক্তিগড়, আমড়া ও বড়শুল এলাকার বিঘের পর বিঘে আলুর জমি জলে ডুবে যায়। মঙ্গলবার সকালে ফলন্ত আলু জমি জলে ঢুবে থাকতে দেখে কার্যত মাথায় হাত পড়ে যায় আলুচাষীদের। ফসলের এই ক্ষতি মেনে নিতে না পেরে ক্ষিপ্ত চাষিরা এর পরেই ২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেন।ক্ষতিগ্রস্ত আলুচাষী সেখ নজরুল ইসলামআমড়া এলাকার বাসিন্দা আলুচাষী সেখ নজরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে জমিতে আলুচাষ করার পর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে চাষীরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রবল বর্ষণে আলুর জমি ডুবে যায়। পচে যায় আলুগাছ। তারপর ফের তারা জমি তৈরি করে আলু চাষ করেন। আর এখন নয়ানজুলি বুজে থাকার জন্য ডিভিসির সেচখালে ছাড়া জল আলুর জমিতে ঢুকে গিয়ে পাকা আলু জমির অপূরণীর ক্ষতির করে দিল। তিনি দাবী করেন আমড়া, শক্তিগড় ও বড়শুল নিয়ে কম করে একশো বিঘে আলু জমিতে জল ঢুকেছে। সমস্ত আলু জমি এরজন্য ক্ষতিগ্রস্ত হল।এলাকার অপর আলুচাষী বাবুল মণ্ডল বলেন, এখন সবেমাত্র জমি থেকে আলু তোলার মরশুম শুরু হয়েছে। আলু জমি জলে ঢুবে যাওয়ায় এখন চাষীরা চরম সংকটে পড়লেন। এবছর আলুর দামও এমনিতে উর্দ্ধমুখী। বর্তমানে একবস্তা (৫০ কেজি) আলুর দাম ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। এই অবস্থায় জমিতে জল দাঁড়িয়ে গেলে পাকা আলু পচে যাবে। চাষীরা এবছর এমনিতেই সমস্যায় জেরবার। শীতে বারে বারে অকাল বর্ষণে দুবার করে আলু চাষ করতে হয়েছে। তাতে বাজারে ও মহাজনী ধারদেনা হয়েছে। প্রশাসন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না করলে চাষীরা মহা সংকটে পড়বে।জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, চাষীদের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভাবতে হবে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে। আমরা এই বিষয়ে ওদের সঙ্গে আলোচনা করছি। চাষীদের ক্ষতি মেনে নেওয়া যাবে না।

মার্চ ০১, ২০২২
কলকাতা

পুলিশি ঘেরাটোপে কাল ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ

রবিবার রাজ্যের ২০টি জেলায় ছড়িয়ে থাকা ১০৮টি পুরসভায় নির্বাচন হতে চলেছে। বিজেপি-সহ বিরোধী দলগুলি সেই নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে করাতে চাইলেও রাজ্য নির্বাচন কমিশন আস্থা রেখেছে পুলিশের ওপরেই। বিজেপি তার জেরে কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে মামলা করে।কিন্তু হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কোর্টেই বল ঠেলে দেয়, আর সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি মামলা খারিজ করে দেয়। এই অবস্থায় আগামিকাল ৪৪ হাজার পুলিশ মাঠে নামিয়ে ১০৮ পুরসভায় নির্বাচন করাতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আর সেই কারনেই প্রতিটি বুথের নিরাপত্তায় থাকছে কড়া পুলিশি ঘেরাটোপ। যে ভোটকেন্দ্রের বুথের সংখ্যা যত বেশি সেই সেই জায়গায় তত বেশি পুলিশি নিরাপত্তা থাকছে।ইতিমধ্যেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্রে বুথের সংখ্যা যাই হোক না কেন প্রতিটি বুথের জন্য থাকবে সশস্ত্র পুলিশকর্মী ও আধিকারিক। সেই সঙ্গে থাকছেন ১৭ জন বিশেষ পর্যবেক্ষক। এছাড়াও ভোট পরিচালনার বিষয়ে অভিজ্ঞ এইরকম ১০ জন আইএএস আধিকারিক থাকবেন মাঠে যারা পুলিশ এবং সাধারণ ও বিশেষ পর্যবেক্ষকদের ওপর নজরদারি করবেন। আগামিকাল ১০৮টি পুরসভার ২ হাজার ২৭৬টি বুথে থাকছে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা। প্রতিটি বুথকে ইতিমধ্যেই স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা যেমন করা হয়েছে তেমনি থাকছে প্রতিটি বুথে সিসিটিভির ব্যবস্থাও। দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর ও বীরভূম জেলায় থাকছে বাড়তি নজরদারি। ওই সব জেলায় অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পুলিশকে ব্যবস্তাহ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি সব বুথ ধরে ধরে পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।যে ভোটকেন্দ্রে ১টি করে বুথ থাকবে সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন একজন এএসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ এবং ১ জন লাঠিধারী পুলিশ। যেখানে ২টি বুথ থাকবে সেখানে ১ জন এসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ২ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৩টি বুথের জায়গায় থাকবেন ১ জন এসআই, ১ জন এএসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৩ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৪টি বুথের ক্ষেত্রে থাকবেন ১ জন এআই, ১ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৪ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৫টি বুথের ক্ষেত্রে ১ জন এসআই, ১ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৫ জন লাঠিধারী পুলিশ। ভোটকেন্দ্রে ৬ এর বেশি বুথ থাকলেই সেখানে থাকবেন একজন করে ইন্সপেক্টর পদমর্দার পুলিশ আধিকারিক। ৬টি বুথের ক্ষেত্রে ওই ইন্সপেক্টর ছাড়াও থাকবেন ১ জন এসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৬ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৭টি বুথের ক্ষেত্রে ইন্সপেক্টর ছাড়াও থাকবেন ১ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৭ জন লাঠিধারী পুলিশ। যে ভোটকেন্দ্রে ৮টি বুথ আছে সেখানে একজন ইন্সপেক্টর, ২জন এএসআই, ৪জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৮ জন লাঠিধারী পুলিশ থাকবেন। ৯টি বুথের ক্ষেত্রে থাকবেন ১ জন ইন্সপেক্টর, ৩ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৯ জন লাঠিধারী পুলিশ। যে ভোটগ্রহণকেন্দ্রে ১০টি বুথ থাকবে সেখানে ১ জন ইন্সপেক্টর ছাড়াও থাকবেন ৪ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ১০ জন লাঠিধারী পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

আনিস হত্যায় সিটের হাতেই তদন্তভার বহাল রাখল হাইকোর্ট, দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ

আনিস হত্যা-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি, রাজ্যের দাবি মেনে ছাত্রনেতার দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। তবে তা হাওড়ার জেলা আদালতের বিচারকের তত্ত্বাবধানে হবে।শুক্রবার মধ্যরাতে হাওড়ার আমতায় আনিস খানের মৃত্যুতে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভের আবহে সোমবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই মামলা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা রাজ্যের থেকে তিন দিনের মধ্যে আনিসের মৃত্যুর ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছিল। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আনিস-মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, ওই সিটের সদস্যেরা প্রত্যেকেই অভিজ্ঞ। তাঁদের প্রত্যেকের সিআইডি-তে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এরই সঙ্গে তিনি জানান, ওই দলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের আরও সাত জন রয়েছেন।এর পরেই বিচারপতি মান্থা জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আনিসের দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করা হবে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন হাওড়া জেলা আদালতের বিচারক। দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের সময় ওই বিচারক বা তাঁর মনোনীত কোনও ব্যক্তিকে উপস্থিত থাকতে হবে।আদালতের তরফে জানানো হয়, তদন্তের স্বার্থে আনিসের পরিবারের থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে হায়দরাবাদে পাঠানো হবে। সেখানে সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে মোবাইল ফোনটির পরীক্ষা করা হবে। মোবাইল পরীক্ষার সময় উপস্থিত থাকতে হবে ন্যাশনাল ইনফর্মেটিক সেন্টারের এক জন প্রতিনিধিকে। জেলা বিচারকদের পর্যবেক্ষণে মোবাইলের তথ্য বন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, এই মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে বলেছে আদালত। হাইকোর্টের নির্দেশ, সিটকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ ডি মামলায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব

গ্রুপ সি-র পর এবার এসএসসি-র গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলাতেও সিবিআই অনুসন্ধানে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলার রিপোর্ট কমিটিকে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে।স্কুলের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে প্রায় ৮০০ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও নির্দেশ দেয় একক বেঞ্চ। তবে রাজ্য একক বেঞ্চের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতি মামলাটিতেও স্থগিতাদেশ দেয়।প্রসঙ্গত, গ্রুপ ডি পদে যে ৫৭৩ জনের নিয়োগ দুর্নীতির মামলা হয়েছে তাতে অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ শুক্রবার পর্যন্ত বজায় রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।আদালতের আরও নির্দেশ, আদালতের কাছে জমা পড়া ভুয়া নিয়োগ সুপারিশপত্র সঙ্গে বাগ কমিটির কাছে থাকা নথি মিলিয়ে দেখতে চায় ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার কমিটির কোনও প্রতিনিধি তাদের কাছে জমা পড়া নিয়োগ সুপারিশপত্রের কিছু নমুনা মুখবন্ধ খামে জমা দেবে আদালতে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

আনিস খান হত্যা মামলা এবার হাইকোর্টে

ছাত্রনেতা আনিস খান হত্যাকাণ্ডের জল গড়াল কলকাতা হাইকোর্টেও। রহস্যমৃত্যুর আসল কারণ কী, তা জানতে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার আরজি জানিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচি। দুপুর ২টোয় লিখিত পিটিশন জমা দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের। এদিকে, ঘটনার তদন্তে আমতায় ছাত্রনেতার বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি ডিএনটি সুব্রত ভৌমিক। নিহতের বাবা সালাম খানের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এদিকে এই ঘটনায় এবার হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী পুলক রায়ের মাধ্যমে আনিসের বাবাকে নবান্নে ডেকে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার দুপুর তিনটে নাগাদ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন আনিসের পরিজনেরা।সোমবার আনিসের বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি সুব্রত ভৌমিক। আমতা থানার ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজ্য সরকারের চাকরির প্রস্তাব তাঁর বাবাকে দেওয়া হয়। যদিও তিনি আগে বিচার চেয়ে বসেছেন। দুদিন কেটে গেলেও এখনও অধরা অভিযুক্ত। এই ঘটনায় হয়নি কেউই। উল্লেখ্য, সোমবার আনিসের বাড়িতে ভর্তি পুলিশ। আনিস আগে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। তিনি হুমকি পাচ্ছিলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে কোনও গুরুত্বই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

উঠল কোভিড ছাড়, এখন থেকে পুরো বেতন দিতে হবে বেসরকারি স্কুলগুলোকে

করোনা আবহ কেটে গিয়েছে। তাই এবার স্কুলগুলির টিউশন ফি-র উপর থেকে ছাড় দেওয়াও শেষ। আগামী মাস থেকেই এই টিউশন ফি ছাড়ে ইতি পড়তে চলেছে। ১ মার্চ থেকে টিউশন ফি ঠিক করবে সংশ্লিষ্ট স্কুলই। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে স্কুলগুলি আবার নিজেদের মতো করে বেতন চাইতে পারবে পড়ুয়াদের অভিভাবক-অভিভাবিকাদের থেকে। শুক্রবার এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ইন্দ্র প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।কোভিডের বাড়বাড়ন্ত নিয়ন্ত্রণ আনতে রাজ্য সরকার লকডাউন ঘোষণা করে। সেই সময় বন্ধ থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি স্কুলগুলি ফি নিতে থাকে। এর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করেন অভিভাবকরা। ২০২০ সালে ওই মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল বেসরকারি স্কুলগুলির পড়ুয়ারা ৮০ শতাংশ বেতন দেবে। একই সঙ্গে আদালত বলে, বেসরকারি বেতন নিয়ে যত বিতর্ক থাকুক, কোনও পড়ুয়াকে স্কুল থেকে বিতাড়িত করা যাবে না। এই সঙ্গে প্রতিটি পডুয়াকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে।পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হাওয়ার ফলে শুক্রবার আদালত নির্দেশ দিয়েছে পড়ুয়াদের এখন থেকে ফি ও অন্যান্য চার্জ-সহ পুরো বেতনই দিতে হবে। এর সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, বকেয়া ফি-র ৫০ শতাংশ অভিভাবকদের স্কুলগুলিকে দিতে হবে। আগামী ২৫ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি।হাইকোর্টের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলিই নিজেদের মতো করে স্থির করতে পারবে টিউশন ফি। এ ক্ষেত্রে আদালত জানিয়েছে, করোনা পরিস্থিতি অতিক্রম করে এসে স্কুলগুলি খুলে গিয়েছে। সেই জন্য এবার থেকে আগের মতোই পুরো ফি স্কুলগুলিকে দিতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল হাইকোর্ট

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার সেই মামলা খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানায়, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে রক্ষাকবচ দিয়েছে সংবিধান। সংবিধানের ৩৬১ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজ্যপালকে নোটিস দেওয়া যায় না। আদালতের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন রাজ্যপাল। তাই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ করে দিল আদালত।রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলাটি করেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। তাঁর বক্তব্য ছিল, এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল সংবিধান বহির্ভূত কাজ করছেন বলেও আদালতে জানান মামলাকারী।অন্যান্য কাজের থেকে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় তাঁর বেশি আগ্রহ। এদিন আদালত সেই মামলাই খারিজ করে দিয়েছে।প্রসঙ্গত, রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে এর আগে একাধিকবার সরব হয়েছে এ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। রাজ্যপালকে সরানোর দাবিতে সংসদে স্বতন্ত্র প্রস্তাবও আনা হয়। আপাতত এই স্বতন্ত্র প্রস্তাব নিয়ে এগোনোর জন্য রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের সম্মতি প্রয়োজন। তিনি যদি এতে সম্মতি দেন তারপরই এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। এই চিঠির মুখ্য বিষয়ই হল, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে যেন ফিরিয়ে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতিই যেহেতু এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাই চিঠিতে তাঁর কাছেই সে আবেদন জানানো হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানেও স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় এখনই সিবিআই অনুসন্ধান নয়। এখনই কারও চাকরিও যাচ্ছে না। শুক্রবার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথাও একটা দুর্নীতি হয়েছে ঠিকই। তবে এখনই সিবিআই অনুসন্ধান বা কারও চাকরি যাওয়ার নির্দেশ বহাল রাখছে না আদালত। আগামী মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।চলতি সপ্তাহে ৩৫০ জন গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন ওঠে আদালতে। ৩৫০ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একইসঙ্গে এই নিয়োগ ঘিরে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। এর আগে গ্রুপ ডি নিয়োগের মামলাতেও একই ধরনের নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মূলত, ৩৫০ জনের নিয়োগ ভুয়ো বলে মামলা দায়ের হয়। অবিলম্বে তাঁদের বেতন বন্ধ করার কথা বলেন বিচারপতি।সরকারি আইনজীবী অনির্বাণ রায় বলেন, মামলার আবেদনপত্রে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। এই মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং পর্ষদকে যুক্ত করা হয়নি। তাদের যুক্ত করতে বলেছে আদালত। অন্যদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত আবেদন করেন, মামলাটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য রাখা হোক। এই মুহূর্তে স্থগিতাদেশে তাঁদের কোনও আপত্তিও নেই বলেই জানান তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। এদিন বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন বলেন দুর্নীতি হয়েছে। তবে আপাতত স্থগিতাদেশ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

নজিরবিহীন নির্দেশ হাইকোর্টের, ৩৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি

৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী এক মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল হাইকোর্ট। শারীরিক সমস্যার কারণেই এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট এই নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার বেঞ্চে ছিল এই মামলার শুনানি। গর্ভপাতের জন্য নিজেই আবেদন করেছিলেন ওই মহিলা। তাঁর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী সুতপা সান্যাল। রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই এই গর্ভপাতে অনুমোদন দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপরই ওই মহিলা আদালতের দ্বারস্থ হন।আদালতের নির্দেশে এ ভাবে গর্ভপাত করানোর ঘটনা নতুন নয়। যদিও ৩৫ সপ্তাহ পর এই অনুমতি অনেকটাই নজিরবিহীন। গর্ভবতী মহিলার সম্মত্তি নিয়েই বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা।উত্তর কলকাতার বাসিন্দা এক মহিলা এই আবেদন জানিয়েছিলেন। বিয়ের পর থেকেই শারীরিক সমস্যা ছিল তাঁর। বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও সন্তান হয়নি তাঁর। অবশেষে অনেক চিকিৎসার পর তিনি গর্ভবতী হন। কিন্তু সন্তান গর্ভে ধারণ করার পর থেকেই শুরু হয় ফের সমস্যা। সময় যত বাড়তে থাকে সমস্যাও তত বাড়তে থাকে।মামলাকারী বর্তমানে ৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী। বহু বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে তাঁর। যদি না এই মুহূর্তে গর্ভপাত করানো হয়, তাহলে মায়ের জীবনের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। গর্ভস্থ সন্তানেরও শারীর সমস্যা রয়েছে। তাই গর্ভপাতের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা।২০২১ সালের গর্ভপাত আইন সংশোধনী অনুযায়ী, ধর্ষিতা, নাবালিকা, শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে অথবা স্বামী মারা গিয়েছেন বা ডিভোর্স হয়েছে, এমন প্রসূতিদের গর্ভপাত করানো যাবে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে। গর্ভস্থ ভ্রূণের বিশেষ ত্রুটি থাকলেও করানো যাবে গর্ভপাত। জীবনের ঝুঁকি থাকলেও এই আইন প্রযোজ্য। সব ক্ষেত্রেই একটি মেডিক্যাল বোর্ড শারীরিক অবস্থা দেখে চূড়ান্ত অনুমতি দেবে। সেই অনুসারেই ৩৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে এদিন গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

সমস্ত ব্যাংকে বাংলায় পরিষেবার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করল বাংলা পক্ষ

রিজার্ভ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটা ব্যাংককে সেই রাজ্যের ভাষাতেও পরিষেবা দিতে হবে। অর্থাৎ বাংলার সমস্ত ব্যাংকে বাংলা পরিষেবা দেওয়াই আইন। না দেওয়া বেআইনি। অথচ বাংলায় ব্যবসা করা অধিকাংশ ব্যাংকই বাংলা ভাষায় পরিষেবা দেয় না। ২০১১-র আদমশুমারী অনুযায়ী বাংলায় ৮৬% বাঙালি এবং বাঙালিদের মধ্যে ৮২% বাঙালি বাংলা ছাড়া অন্য ভাষা জানে না। ব্যাংকগুলো শুধুমাত্র হিন্দি ও ইংরেজিতে পরিষেবা দেয়, সমস্যায় পড়ে সাধারণ বাঙালি। নিজের মাটিতে কেন বঞ্চিত হবে বাঙালি? বাংলায় পরিষেবার দাবিতে গত চার বছরে প্রায় ৮০০ ব্যাংকে ডেপুটেশন দিয়েছে বাংলা পক্ষ।যাতে সমস্ত ব্যাংকে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যায়, সেই দাবিতে আজ ১৭ ই ফেব্রুয়ারী বাংলা পক্ষর তরফে শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনস্বার্থ মামলা দাখিল করল কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির কোর্টে। বাংলা পক্ষর লিগ্যাল টিম এই বিষয়ে কাজ করেছে, নেতৃত্বে হাইকোর্টের আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবনাথ। আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবনাথ, সাগ্নিক ভট্টাচার্য ও পুনম বসু এই মামলা দায়ের করেন। কোর্টে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় ও শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি ও অন্যান্যরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

১০৮ পুরসভার ভোট গণনা ২ মার্চ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

২ মার্চ ১০৮ টি পুরসভার ভোটগণনা। বিজ্ঞপ্তিতে জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্ক্রুটিনির জন্য আরও এক দিন বরাদ্দ। ২৭ ফেব্রুয়ারি যে ১০৮ পুরসভার ভোট, তার গণনার দিন আগে ঘোষণা করা হয়নি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, ২ মার্চ ১০৮ পুরসভার ভোটগণনা হবে।এক্ষেত্রে যদি চার পুরসভার ভোটের কথা উল্লেখ করা যায়, তাহলে দেখা যাবে ১২ ফেব্রুয়ারির পর ১৪ ফেব্রুয়ারি, মাত্র এক দিন পরই গণনার দিন স্থির হয়েছিল। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছিল, যে দিন ভোট হল, সেই রাতেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে স্ক্রুটিনি করা সম্ভব? কারণ যদি পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা থাকে, তাহলে সেটা একদিন পরই করতে হবে। কোথাও হয়তো পুনর্নির্বাচনের ভাবনা নেই, তাই কমিশন এই ধরনের পদক্ষেপ করেছে। এমনও অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের আগের দাবি মেনে স্ক্রুটিনির জন্য এক দিন সময় বাড়াল।এদিকে, ১০৮ পুরসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় কি না, জানাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপির দায়ের করা মামলায় নির্দেশ প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের। একই সঙ্গে দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধান প্রকল্প ওই পুরএলাকায় বন্ধ রাখা যায় কিনা, তাও জানাতে হবে রাজ্যকে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। তার মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বিরোধীদের অভিযোগ সম্পর্কে কী ভাবছে রাজ্য সরকার, তা মামলার শুনানিতে জানতে চায় আদালত। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা আছে? দুয়ারে সরকার পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি বন্ধ রাখা যায়? সে বিষয়ে তথ্য চায় হাইকোর্ট। রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়। আগামী সোমবার মামলার শুনানি। ওইদিনই হলফনামা জমা দিতে হবে। এছাড়াও রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোটকেন্দ্রগুলির সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
দেশ

লখিমপুর-কাণ্ডে জামিন পেল মূল অভিযুক্ত মন্ত্রিপুত্র আশিস!

জামিন পেলেন লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ির চাকায় পিষে মারার ঘটনায় ধৃত আশিস মিশ্র। বৃহস্পতিবার ইলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির ছেলে আশিসের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। গত ৯ অক্টোবর আশিসকে গ্রেপ্তার করেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তার কয়েক দিন পরেই উদ্ধার করা হয় তাঁর বন্দুক। লখিমপুর-কাণ্ডের তদন্তে ঢিলেমির জন্য গত ২০ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে তুলোধনা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট।নভেম্বরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) আদালতে পেশ করা রিপোর্টে জানায়, লখিমপুরের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। ওই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার বিদ্যারাম দিবাকর তাঁর রিপোর্টে বলেছেন, এটা কোনও দুর্ঘটনা নয়। আগে থেকে পরিকল্পনা করেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সিট-এর পেশ করা চার্জশিটে আশিস এবং তাঁর ড্রাইভার-সহ তিন জনকে কৃষক হত্যায় অভিযুক্ত করা হয়। এই পরিস্থিতিতে বিধানসভা ভোটপর্বের মাঝে প্রভাবশালী ব্রাহ্মণ নেতা টেনির ছেলের জামিন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।গত বছরের ৩ অক্টোবর লখিমপুর খেরিতে আশিসের গাড়ির তলায় চাপা পড়ে কৃষি আইন বিরোধী বিক্ষোভকারী চার কৃষক এবং এক মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরবর্তী হিংসায় আরও চার জনের প্রাণ যায়। যদিও অজয়ের দাবি, ঘটনার সময় ওই গাড়িতে ছিলেন না আশিস। ওই ঘটনায় আশিস এবং তাঁর সঙ্গী অঙ্কিতের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী কৃষকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও অভিযোগ ওঠে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত জারি রাখতে নির্দেশ হাইকোর্টের

বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তদন্ত জারি রাখতে সিবিআইকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে মামলার শুনানি হয়। তখন বিচারপতি এই নির্দেশ দেন সিবিআইকে। একই সঙ্গে তিনি জানান, অনুব্রত মণ্ডল প্রধান অভিযুক্ত নন। তাঁর নাম এফআইআর-এ নেই। তবে তাঁকে বোলপুর বা দুর্গাপুরে ডেকে জিজ্ঞাসা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।গত ২ মে একুশের নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন বীরভূমের গোপালনগর গ্রামে খুন হন বিপ্লব সরকার নামে এক বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, বাড়ির অদূরেই তাঁর ওপর হামলা চালায় কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে চলে হামলা। রাস্তায় ফেলে বেপরোয়া মারধর করা হয় তাঁকে। মাথায়, বুকে পিঠে একাধিক ক্ষত তৈরি হয় বিপ্লব সরকারের। মাথায় অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয় তাঁর। চিকিৎসকরা তেমনই জানিয়ে দেন রিপোর্টে। ঘটনায় উঠে আসে বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নাম। ঘটনার তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয় দিলীপ মৃধা নামে এক ব্যক্তিকে। তদন্ত যত এগোয়, উঠে আসে একাধিক তৃণমূল নেতার নাম। নোটিস পাঠানো হয় ইলামবাজারের তৃণমূলের সম্পাদককে। অনুব্রত মণ্ডলের নামেও জারি হয় নোটিস।গত শুক্রবার ২৮ জানুয়ারিও অনুব্রত মণ্ডলকে তলব করে সিবিআই। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে সেই হাজিরা এড়িয়ে যান অনুব্রত। সিবিআইকে চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, শারীরিকভাবে তিনি অসুস্থ। তিনি সিবিআই-এর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তাঁর নেই। হাজিরা দেওয়ার জন্য বেশ কিছুটা সময় চেয়ে নেন তিনি।এর পরই বুধবার গ্রেপ্তারি থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। আদালতকে তিনি জানান, তদন্তে সিবিআইকে সমস্ত রকম সহায়তা করতে রাজি। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ যেন না করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য সরকারের মতামত জানাতে নির্দেশ হাইকোর্টের, বেধে দিল সময়

করোনা আবহে স্কুল খোলা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত বাংলায়। তারই মধ্যে নানান মাহল থেকে স্কুল চালু করার দাবি উঠেছে। শুক্রবার হাইকোর্টের নির্দেশ, স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য কী ভাবছে তা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবিস্তারে তা আদালতে জানাতে হবে। রাজ্যে স্কুল চালু নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার স্কুল খোলা সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানি ছিল উচ্চ আদালতে। এই মামলার দিকে তাকিয়ে আছে শিক্ষামহল।রাজ্যে করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় দুবছর ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ-সহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাঝে দিন কয়েকের জন্য নবম শ্রেণি থেকে স্কুল খুলেছিল। তবে গত দুবছর বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী স্কুলের মুখই দেখেনি। এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যে কোভিড বিধি মেনে স্কুল চালু হয়েছে।এদিন মামলাকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। দিনের পর দিন রাজ্যের স্কুল বন্ধ। তাই পড়ুয়ারা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। করোনা বিধি মেনে অবিলম্বে রাজ্যে স্কুল চালু করে দেওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন বিকাশরঞ্জনবাবু। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, রাজ্য সরকার এই পরিস্থিতিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে চায়। রাজ্য সরকারও যে স্কুল খোলার বিষয়ে উৎসাহী তা আদালতে জানান তিনি। তিনি জানান, ইতিমধ্যে কম বয়সীদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলছে রাজ্যে।বিরোধীরা ইতিমধ্যে স্কুল চালুর জন্য রাস্তায় নেমে দাবি জানিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তি হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিকাশভবনের সামনে। তাঁকে ও তাঁর সঙ্গী বিধায়কদের পথ আটকে ছিল পুলিশ। পুলিশের দাবি, ওই স্থানে ১৪৪ ধারা জারি ছিল।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
দেশ

রেলে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক, অবরুদ্ধ একাধিক হাইওয়ে! সকাল থেকেই রণক্ষেত্র বিহার

রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সপ্তাহের শুরু থেকেই উত্তপ্ত গোটা বিহার। আজ রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে ছাত্র সংগঠন। সেই বনধ ঘিরে সকাল থেকেই উত্তপ্ত বিহার। বনধ সমর্থকরা সকাল থেকেই বিভিন্ন রাস্তা, হাইওয়ে অবরোধ করেছে। একাধিক জায়গায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের খবর পাওয়া গিয়েছে।Bihar: Protesters block roads in Patna in support of bandh called by various political parties over alleged discrepancies in RRB NTPC results pic.twitter.com/BKXMH3Kaxl ANI (@ANI) January 28, 2022চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা। রেলওয়ে নিয়োগ বোর্ডের ২০২১ সালের নন-টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরির পরীক্ষার এখনও ফল প্রকাশ না হওয়ায় তারা বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে। তবে বিক্ষোভ ভয়ঙ্কর আকার নেয় সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন। গয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ।বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতেই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠনের তরফে আজ বিহারজুড়ে বনধের ডাক দেওয়া হয়। এদিন সকাল থেকেই থমথমে পরিস্থিতি চোখে পড়ে রাজ্যজুড়ে। একাধিক সড়ক ও হাইওয়ে বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্র ও পরীক্ষার্থীরা। জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন দোকান। টায়ার ও রেলমন্ত্রীর কুশপুতুল জ্বালিয়েও রাস্তা আটকে দেয় অবরোধকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যজুড়েই কড়া পুলিশি পাহারা মোতায়েন করা হয়েছে। ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি, তদন্তকারী কমিটি গঠন করে রেলের নিয়োগ উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন না হওয়া অবধি পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।রাজ্যজুড়ে হিংসা, বিশৃঙ্খলার ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবারই রেলওয়ে বোর্ডের তরফে আপাতত নন-টেকনিক্যাল পপুলার বিভাগ ও লেভেল-১ পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের যাবতীয় বক্তব্য শোনার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। দুই পক্ষের বয়ান শোনার পর ওই কমিটি রেল মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে। অন্যদিকে, রেল মন্ত্রকের তরফে অপর একটি নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা ভাঙচুর ও বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তারা রেলের চাকরি পাবেন না।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

প্রজাতন্ত্র দিবসে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা

নিউ মার্কেট, পার্কস্ট্রিট থেকে বড়বাজার প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই শহরজুড়ে চলেছে পুলিশের তল্লাশি। হোটেল, গেস্ট হাউজগুলিতেও কড়া নজরদারি পুলিশের। বিভিন্ন রাস্তায় চলছে নাকা চেকিং। মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। শহরের আনাচে-কানাচে চলছে নজরদারি। মূল অনুষ্ঠানের জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।রেড রোডে যেখানে প্যারেড রয়েছে, সেখানে আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে ১১০০ পুলিশ রয়েছে রেড রোডে। অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার কর্তারা রয়েছেন। রেড রোডে ১১টি জোন প্রস্তুত করা হয়েছে। দায়িত্বে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার কর্তারা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। তার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে পুলিশ পিকেটিং রয়েছে।যে যে পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের তরফে করা হয়েছে কোভিডের কারণে এবারও দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ভিআইপি সংখ্যাও কমানো হয়েছে, যাতে কোভিডবিধি ভঙ্গ না হয়। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানের জায়গা কড়া নিরাপত্তার মোড়কে। শহরজুড়ে চলছে নজরদারি। নিরাপত্তার জন্য রেড রোড সংলগ্ন এলাকাকে ১১ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক জোনের দায়িত্বে একজন করে ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। প্রত্যেক জোনকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। রেড রোডের চারপাশে ৫ টি স্যান্ড ব্যাংকার রয়েছে। ৯ ডিভিশনে ২৬ টি পিসিআর ভ্যান থাকছে। ১২ টি এইচআরএফএস গাড়ি থাকছে। মোটরবাইক পেট্রোল টিম রয়েছে ৮ টি। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার। মোতায়েন রয়েছে ৩ টি কুইক রেসপন্স টিম। রেড রোডে বিশেষ কন্ট্রোল পোস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরে ঢোকা বেরোনোর প্রত্যেকটি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে জনসমুদ্র না ফাঁকা চেয়ার? মোদীর সভা ঘিরে শুরু তুমুল রাজনৈতিক তরজা

বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। সভায় ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের স্লোগান তুলেছে। তাদের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ভিড়ের সংখ্যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ব্রিগেডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দূর চোখ যাচ্ছে শুধু মানুষ আর মানুষ। এই দৃশ্য তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, এই ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সভার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এবং মানুষের উপস্থিতির প্রশংসা করেন।বিরোধী দলনেতার দাবি, ব্রিগেডের সভায় আট থেকে দশ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, গোটা ব্রিগেড ময়দান কানায় কানায় ভর্তি ছিল এবং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায়ও মানুষের ভিড় ছিল।বিজেপি নেতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে মঞ্চে গলা থেকে উত্তরীয় খুলে ঘোরাতে দেখা যায়। সেই ভিডিও তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। দলের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও কর্মীদের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, বাংলার প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসেছেন। তাঁর কথায়, কলকাতা যেন গেরুয়া সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং এই উচ্ছ্বাসই বুঝিয়ে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে।তবে এই দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, ব্রিগেডে বিজেপির সভায় তেমন ভিড় হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বিজেপিকে গ্রহণ করেননি।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও কটাক্ষ করে বলেন, একটি অংশের ছবি দেখিয়ে বড় সভা বলা যায় না। তাঁর দাবি, এর থেকেও বড় সমাবেশ অন্য রাজনৈতিক দল আগে করেছে।এদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কর্মীদের ব্রিগেডে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা শেষ হলেও ভিড় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও জোরদার। ভোটের আগে এই সভা যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে, তা বলাই যায়।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে আসছে বকেয়া ডিএ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন বহু সরকারি কর্মচারী।মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ করছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন।তিনি আরও জানান, রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী রোপা দুই হাজার নয় অনুযায়ী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। মার্চ মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয় এবং তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ভাতা মেটানো হয়নি। পরে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে।আদালত জানায়, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ দুই দফায় পরিশোধ করতে হবে এবং তা মে মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে একত্রিশে মার্চের মধ্যে।এর পর বাকি কত টাকা দেওয়া হবে এবং কত সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য তিন লক্ষ সতেরো হাজারেরও বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। দুই হাজার ষোলো সালের আগের অনেক তথ্য এখনও ডিজিটাল নয়, সেগুলি হাতে লেখা সার্ভিস বুক আকারে রয়েছে। সেই সব নথি ডিজিটাল করতে সময় লাগছে বলেও জানানো হয়।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কাজের চাপ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল রাজ্য সরকার। তবে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ না মেলায় সরকারি কর্মীদের একাংশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। সম্প্রতি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছিল। যদিও সেই ধর্মঘট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।এর মধ্যেই রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পরিষ্কার হয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ চলতি মাসেই কর্মীদের দেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ল

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার পরিমাণ আগেই বাড়ানো হয়েছিল। যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণাও করা হয়েছে। তবে বাজেট ঘোষণার সময় পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের জন্য আলাদা কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই তাঁদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল চারটের সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার কিছু আগেই দুপুর দুটো চল্লিশ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানান।এতদিন পর্যন্ত পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমরা মাসে এক হাজার পাঁচশো টাকা করে ভাতা পেতেন। সেই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়িয়ে এখন থেকে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জেম হিসেবে ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনও রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সমাজের সব সম্প্রদায় যেন সম্মান পায় এবং সব সংস্কৃতি যেন সমান মর্যাদা পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই ঘোষণা ঘিরে বিরোধীদের তরফে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এখন পুরোহিত ভাতা বাড়িয়ে বাংলার মানুষকে পাঁচশো টাকা দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভোটের ঠিক আগে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal