• ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

High

কলকাতা

প্রেসিডেন্সির বন্দি নিখোঁজের তদন্ত করবে ডিজিপি মর্যাদার আধিকারিক, নির্দেশ হাইকোর্টের

সংশোধনাগার থেকে বন্দি নিখোঁজ মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সংশোধনাগারের ক্যামেরা চলছে। লাইভ ছবি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) থেকে সেই রেকর্ড সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। অভিজ্ঞ, পেশাদারদের দেখানো হলেও, তারাও ওই রেকর্ড উদ্ধার করতে পারেননি। কিন্তু প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের এই রিপোর্টে মোটেই খুব একটা সন্তুষ্ট নয় আদালত। রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালতের মন্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কি রাতেই ছাড়তে হল? তিনি কোথায় আছেন? ভিডিও ফুটেজ নেই। খাতায় কোনও রেকর্ড নেই।রাজ্যের তরফে আরও বলা হয়েছে, যখন তাকে আনা হয়েছিল তখন ওয়ার্ড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি দেখার জন্য রাজ্যের তরফে রাজীব কুমারের নাম প্রস্তাব দেওয়া হয়। মামলাকারীর আইনজীবী জানিয়ে দেন, তাঁর হাতে দায়িত্ব না দিতে। বরং মামলাকারীর আইনজীবী সওয়াল করেন, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল বা এএসজিকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য শোনার পর আদালতের নির্দেশ, পুলিশকে দায়িত্ব দেব না, সরাসরি যার নিয়ন্ত্রণে জেল আছে।পাশাপাশি এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের যে গাফিলতি ছিল তা-ও উঠে এসেছে। সেই প্রেক্ষিতেই ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এমন পুলিশ আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না, যিনি সরাসরি জেলের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী অমিতেশ বন্দোপাধ্যায় বলেন, জেলের ক্যামেরা চলছিল। লাইভ ছবিও উঠেছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) কাজ না করায় রেকর্ড হয়নি। ওই বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের দেখানো হলে তাঁরাও ফুটেজ উদ্ধার করতে পারেননি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ ফেব্রুয়ারি।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

টেট উত্তরপত্র দেখাতে হবে পর্ষদকে, নির্দেশ হাইকোর্টের

শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নিয়ে জট যেন আর কিছুতেই পর্ষদের পিছু ছাড়ছে না। এবার টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট বা টেট -এর ওএমআর সিট প্রকাশের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার এক মামলার শুনানি চলাকালীন এই নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। দ্রুত এই ওএমআর দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শান্তনু সিট আদালতে গিয়ে দাবি করেন, টেটের ওএমআর সিট বা উত্তরপত্র দেখাতে হবে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এই ওএমআর সিট দেখানো হয় না। শান্তনুর পাশাপাশি আরও ২৭ জন আদালতে এই একই দাবি করেন। তাঁদের দাবি, ওএমআর সিট দেখালেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কে কেমন পরীক্ষা দিয়েছেন।এই মামলার প্রেক্ষিতেই শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, মামলাকারীদের ওএমআর সিট দিতে হবে।প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদও জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনে ওএমআর শিট দেখাতে তাদের কোনও সমস্যা নেই। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষা নিয়ে এর আগেও একাধিক মামলা হয়েছে। সেই তালিকায় আরও এক মামলার সংযোজন হল এবার। শান্তনু সিট নামে এক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা পুরোপুরি বাতিল করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। তাঁর বক্তব্য, টেটের ফল নিয়ে সংশয় রয়েছে তাঁর মনে।প্রাথমিক পর্ষদকে এই প্রথমবার কোনও মামলার প্রেক্ষিতে ওএমআর সিট দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হল। যদিও পর্ষদের ওএমআর দেখাতে কোনও আপত্তি নেই বলেই জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের দাবি, স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হচ্ছে। স্পিড পোস্টের মাধ্যমে যথাযথ আবেদন এলে ওএমআর-এর প্রতিলিপি দিয়ে দেওয়া হবে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

শুভেন্দু-কাণ্ডে রাজ্যের হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

নেতাইয়ের শহিদ স্মরণ কর্মসূচিতে শুভেন্দু অধিকারীকে যোগ দিতে পুলিশি বাধা এবং কাঁথিতে তাঁর বাড়ির সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে নজরদারির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের হলফনামা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে বক্তব্য জানাতে হবে রাজ্যকে।হাইকোর্টে দায়ের করা মামলায় শুভেন্দুর অভিযোগ ছিল, তাঁর কাঁথির বাড়ির সামনে রাত ২টো পর্যন্ত উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর উপর নজরদারির জন্য বাড়ির দরজা, জানালা লক্ষ্য করে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে বলেও অভিযোগ জানান তিনি। এমনকী, নিরাপত্তাজনিত দিক থেকে তাঁর বাড়ি স্পর্শকাতর এলাকা হলেও সেখানে রাজ্যের শাসকদলের কর্মী সমর্থকেরা যখন-তখন মিছিল-সমাবেশ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, ২০২০-র ডিসেম্বরে বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে ২০২১-এর জানুয়ারিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবিতেও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরে গত জুন মাসে হাইকোর্টে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার তাঁকে একজন পূর্ণমন্ত্রীর সমতুল নিরাপত্তা দেয়নি। সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী যা তাঁর প্রাপ্য। এখনও তাঁকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অভিযোগ প্রসঙ্গে, বিচারপতি মান্থা বৃহস্পতিবার জানান নিরাপত্তার স্বার্থে কোথায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসবে তা শুভেন্দুর সুরক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিআরপিএফ বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ আলোচনার ভিত্তিতে স্থির করতে পারে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
কলকাতা

স্বজনপোষণের অভিযোগ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে, ক্ষোভের আঁচ পৌঁছল হাইকোর্টেও!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তাঁর তির্যক মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জেলায় জেলায় তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কটাক্ষ চলছিলই। এবার আইনজীবী-সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আঁচ পৌঁছল কলকাতা হাইকোর্টেও। মঙ্গলবার শ্রীরামপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের সামনে বিক্ষোভ করেন তৃণমূলের আইনজীবীরা। তাঁদের অভিযোগ, স্বজনপোষণ ও দুর্নীতি করে নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করেছেন আইনজীবী কল্যাণ। এছাড়া আরও একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে স্লোগান দেন আইনজীবীরা। হাইকোর্টের সামনে এমন বিক্ষোভে স্বাভাবিকভাবেই হইচই শুরু হয়ে যায়। তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার হাইকোর্ট চত্বরে বিক্ষোভ দেখালেন আইনজীবীদের একাংশ। কল্যাণের দাদাগিরি মানব না, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিপাত যাক পোস্টার হাতে বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাঁরা সকলেই তৃণমূলের লিগ্যাল সেলের সদস্য।এদিন বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আইনজীবী অচিন্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ক্রমাগত দুর্নীতি, লাঞ্চনার জন্য এই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা। তৃণমূল লিগাল সেলকে কখনও সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাহায্য করেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই আইনজীবীর কথায়, উনি বাড়ির জন্যই কাজ করে থাকেন। এমনকী অবৈধভাবে হাইকোর্টে পরিবারের সদস্যের জন্য চেম্বারও করে দিয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। তাঁদের আর্জি কল্যাণের বিরুদ্ধে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেন ব্যবস্থা নেন। এতে তাদের লিগাল সেল ভাল ভাবে এগিয়ে যাবে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

১০০ দিনের কাজে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ, জেলা শাসককে তিন মাসের মধ্যে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

কেন্দ্রীয় সরকারের মনরেগা (MGNREGA) প্রকল্পে অর্থাৎ, ১০০ দিনের কাজে আর্থিক দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারের বিডিও ও প্রধানের বিরুদ্ধে। সেই নিয়ে আদালতে মামলাও করা হয়েছিল। এবার সেই নিয়ে বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসে তদন্ত শেষ করে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে।কেন্দ্রীয় সরকারের ১০০ দিনের কাজের প্রচুর টাকা দুর্নীতি হয়েছে এই অভিযোগ তুলে উচ্চ আদালতের মামলা করেন আইনজীবী আত্মরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, মনরেগার কাজে মৃত ব্যক্তি ও জেলে থাকা অভিযুক্তদের নামেও প্রচুর টাকা জাল করে তুলে নেওয়া হয়েছে। বিডিও-র কাছে বারং বার অভিযোগ করার পরও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে জানা যায় তিনিও এই ঘটনায় জড়িত। দীর্ঘ দিন ধরেই পরিকল্পনামাফিক এই বেআইনি কার্যকলাপ চলছে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অভিযোগ জানিয়ে কোনও লাভ না হওয়ায়, অবশেষে আদালতের দ্বারস্থ হন আত্মরূপ। সোমবার ওই মামলার শুনানিতে উচ্চ আদালত তদন্তের নির্দেশ দিল। উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ রাজ্যের শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেছিলেন, ১০০ দিনের কাজে সবথেকে বেশি টাকা পায় রাজ্য। কিন্তু সেখানেও ভুড়ি ভুড়ি দুর্নীতির অভিযোগ। অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই হয়ত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে।এদিকে আবাস যোজনা ও ১০০ দিনের কাজের বাস্তব চিত্র খতিয়ে দেখতে পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না ব্লকে আবাস যোজনা এবং ১০০ দিনের কাজ পরিদর্শন করেন তাঁরা। সোমবার সকালে এই প্রতিনিধি দল প্রথমে জেলা শাসকের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা ময়না ব্লক অফিস, গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। এর পাশাপাশি কাজের জায়গায়ও পরিদর্শন করেন তাঁরা। কথা বলেন ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের সঙ্গেও। কর্মরত সমস্ত শ্রমিকদের জব কার্ড খতিয়ে দেখেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

আদালতের নির্দেশ মেনে গঙ্গাসাগর মেলা করার বার্তা মমতার

গঙ্গাসাগরের মেলা করার ক্ষেত্রে কলকাতা যে নির্দেশ দিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম আরটি-পিসিআর পরীক্ষা। মেলার প্রত্যেক পুণ্যার্থীর আরটি-পিসিআর টেস্ট করার কথা বলেছে আদালত। বুধবার বাবুঘাটে গঙ্গাসাগর মেলার যাত্রীদের বার্তা দিতে গিয়ে মমতা বলেন, নিজেদের স্বাস্থ্যের ওপর নজর দিতে হবে। বাকি সব কাজ আমরা করে দিয়েছি।হাইকোর্ট মেলা নিয়ে যে নির্দেশ দিয়েছে, তা আমাদের মেনে চলতে হবে। এমনটাই বলেন মমতা। তিনি উল্লেখ করেন, বাইরে থেকে যারা আসছেন, তাঁদের ওপর নজর দিতে হবে। কেউ করোনা আক্রান্ত হলে, তাঁকে আলাদা করে রাখতে হবে, প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী পুণ্যার্থীদের বুঝিয়ে বলেন, একটা গাড়িতে একজন করোনা আক্রান্ত হলে, বাকি সবাই আক্রান্ত হয়ে যাবেন, তাই তাঁদের নিজেদেরই এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দেন, এবার বেশি হই-হুল্লোড় করার মতো পরিস্থিতি নেই বলেও সতর্ক করেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, মেলায় কাজ করার মতো স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরও অভাব রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এত পুণ্যার্থীর আরটি-পিসিআর টেস্ট করানো কার্যত অসম্ভব। মমতা মনে করিয়ে দেন, কুম্ভমেলায় যে সব পুণ্যার্থীর যান তাঁরা মূলত সড়কপথে যান। কিন্তু গঙ্গাসাগরের ক্ষেত্রে অনেকেই জলপথে আসেন, তাই সবার আরটি-পিসিআর টেস্ট করানো সম্ভব নয় বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গঙ্গাসাগরে ২০-৩০ লক্ষ মানুষ আসেন, তাঁদের প্রত্যেকের আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করা কঠিন।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Gangasagar Mela: সুপারস্প্রেডারের ভয়ে গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ করতে আদালতে আর্জি ডক্টর্স ফোরামের

কোভিড পরিস্থিতিতে মেলা নিয়ে আগেও সতর্ক করেছেন রাজ্যের চিকিৎসকেরা। সব পক্ষের শুনানির পর শর্ত সাপেক্ষে মেলা করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। সেই মতো মেলার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে ফের সেই মেলা বন্ধ করার আর্জি জানালেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের দাবি, এখনও যদি না বন্ধ হয়, তাহলে রাজ্য বিপদসীমায় পোঁছে যাবে। সোমবার গঙ্গাসাগর মেলা সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি ছিল। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বেঞ্চে এ দিন আর্জি জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এ দিন মামলার শুনানি শেষের পর রায়দান স্থগিত রাখল আদালত।করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে গঙ্গাসাগর মেলা চলতে পারে বলে শুক্রবার জানিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে তিন সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করে বলেছিল, কমিটি চাইলে মেলা বন্ধের নির্দেশ দিতে পারে। আবার ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে চালুও রাখতে পারে। কিন্তু আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সোমবার ফের পাঁচটি মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। যার বক্তব্য মূলত দুটিপ্রথমত, অবিলম্বে মেলা বন্ধ করা হোক। কেন না কমিটির রিপোর্ট পেয়ে তা কার্যকর করতে করতে ক্ষতি আরও বাড়বে। দ্বিতীয়ত, আদালতের কাছে আইনজীবীরা জানতে চেয়েছেন, নজরদারি কমিটিতে কোনও চিকিৎসক বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞকে রাখা হয়নি কেন? যাঁরা কমিটিতে রয়েছেন, তাঁদের পক্ষে কি রাজ্যের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি বিচার করা সম্ভব?সোমবার আদালত মামলাকারীদের আইনজীবীদের পরামর্শ দেয়, রাজ্যে এই মুহূর্তে যে করোনা পরিস্থিতি সেখানে দাঁড়িয়ে, এতটা ঝুঁকি না নেওয়াই ভাল। তাই মেলা বন্ধ করা হোক। ডক্টর্স ফোরামের তরফে আদালতকে অনিরুদ্ধ জানান, কলকাতা থেকে ডায়মণ্ড হারবার ব্যস্ত রাস্তাগুলির মধ্যে অন্যতম। করোনার সাম্প্রতিক স্ফীতির দিকে নজর রেখে এখনই মেলা বন্ধ করা না হলে তা সুপার স্প্রেডার-এর রূপ নিতে পারে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

কাটলো গঙ্গাসাগর মেলার জট, শর্তসাপেক্ষে অনুমতি কলকাতা হাইকোর্টের

শেষমেশ আদালতের অনুমতি মিলল। কাটলো জট। প্রায় ৫ লক্ষ মানুষের সমাগমে হবে গঙ্গাসাগর মেলা। করোনা পরিস্থিতিতে শর্তসাপেক্ষে গঙ্গাসাগর মেলার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের এবং বিচারপতি কেসাং ডোমা ভুটিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে। তবে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছে হাইকোর্ট। নজরদারি চালাবে এই কমিটি। রাজ্য়ের মুখ্যসচিব, বিরোধী দলনেতা ও মানবাধিকার কমিশনের এক সদস্যকে নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হবে।বৃহস্পতিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজারের গন্ডি ছাড়িয়েছে। এরইমধ্যে চলচ্চিত্র উৎসব, সহ একাধিক মেলা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধের জন্য কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন চিকিৎসক অভিনন্দন মণ্ডল। আবেদনকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, লক্ষ লক্ষ মানুষ গঙ্গাসাগরে আসেন। এবছর রাজ্য সরকার অনুমান করছে সেখানে ৫ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে। সংক্রমণ রোধে রাজ্য সরকারই ধর্মীয় সভায় ৫০ জনের বেশি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সেখানে গঙ্গাসাগরে মেলা কী করে সম্ভব?গতকাল, বৃহস্পতিবার রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতে জানিয়েছিলেন, সম্পূর্ণ কোভিড বিধিকে মান্যতা দিয়ে গঙ্গাসাগর মেলার আয়োজন করা হয়েছে। চিকিৎসাসহ স্যানিটাইজার, মাস্ক ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সমস্ত রকম ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার। শর্তসাপেক্ষে মেলার অনুমতি দিলেও কোভিড বিধি অনুসরণ করা হচ্ছে কীনা তা দেখবে আদালতের নির্দেশে গঠিত কমিটি।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
কলকাতা

Congress: পুরভোটের দিন কংগ্রেস প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মার, হাইকোর্টে মামলা

পুর ভোটের দিন নগ্ন করে রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ। নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে কংগ্রেস প্রার্থী। আদালতের দ্বারস্থ হলেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী রবি সাহা। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা। উল্লেখ্য, রবিবারের পুরভোটে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে সব বিরোধী দলগুলি। রবিবাবুর হয়ে আদালতে লড়ছেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। তিনি পুলিশি নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন। দুষ্কৃতীরা এখনও কেন গ্রেফতার হয়নি সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।ভোটের রাতে আক্রান্ত হন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রাথী রবি সাহা। তাঁকে রাস্তায় ফেলে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মারধরের সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, মার খেতে খেতে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। ইতিমধ্যে বটতলা থানার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে তিনি লিখেছেন, রাত ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ তিনি লোহাপট্টি এলাকায় জিনিস কিনতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই তাঁকে আক্রমণ করে এলাকার কিছু যুবক। রবিবাবুর অভিযোগ, ভোট চলাকালীন বুুুুথের কাছে ভিড় হটিয়ে দিচ্ছিলাম পুলিশকে জানিয়ে। সেই ভিডিও তুলেছি। এই রাগে আমার ওপর আক্রমণ করা হয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান অধীর চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় গণতন্ত্র নয়, চলছে বর্বর দিদিতন্ত্র। একজন মানুষকে জনসমক্ষে নগ্ন করে বেধড়ক পেটানো হল কলকাতার রাজপথে। কী তাঁর অপরাধ? তাঁর অপরাধ তিনি কংগ্রেসের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন? ছিঃ দিদি ছিঃ। ধিক্কার।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

High Court: খারিজ বিজেপির আবেদন, কেন্দ্রীয় বাহিনী নয় কলকাতা পুরভোটে

আসন্ন কলকাতা পুরভোটে বিজেপির করা কেন্দ্রীয় বাহিনীর আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। কেন্দ্রীয় বাহিনীর চেয়ে বিজেপির করা আবেদন খারিজ করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আগেই এই আবেদন খারিজ করেছে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্জ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল বিজেপি।আদালতের তরফে জানান হয়েছে, এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের মতো পরিস্থিতি নেই। কমিশন দায়িত্বশীল হয়ে নির্বাচন পরিচালনা করবে। রাজ্য প্রশাসন যথাযথ ভাবে কমিশনকে সাহায্য করবে। যদি কোনও ঘটনা ঘটে তাহলে যাঁরা দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের উপরই দায়ভার বর্তাবে। এছাড়া নির্বাচনের পর কমিশনকে বিস্তারিত রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে। ২৩ ডিসেম্বর হবে পরবর্তী শুনানি।উল্লেখ্য কলকাতায় পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তোলে বিজেপি। বৃহস্পতিবার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল এবং নির্বাচন কমিশন যে বক্তব্য কোর্টে পেশ করেছে, তাতে আদালত মনে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন নেই। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করে বিজেপি । এদিন মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।শুনানিতে কমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সাম্প্রতিক অশান্তি প্রেক্ষিতে ভোটারদের মনোবল বাড়াতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? এলাকায় কি রুটমার্চ হচ্ছে? যেখানে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা বেশি, সেখানে পুলিশ কম কেন? সূত্রের খবর, কোনও প্রশ্নেরই যথাযথ উত্তর মেলেনি। এরপর আসরে নামে রাজ্য সরকার। অ্যাডভোকেট জেনারেলের সওয়াল, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি জন্য মিথ্যা মামলা করা হয়। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটেছে মানে এই নয় যে, রাজ্য পুলিশকে দিয়ে ভোট করানো যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীই লাগবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

High Court: কলকাতা পুরভোটে বাহিনী পাঠাবে কেন্দ্র, অপেক্ষা হাইকোর্টের নির্দেশের

কলকাতা পুরভোটে কি কেন্দ্রীয় বাহিনী নামবে, শনিবারের মধ্যেই তা জানাবে আদালত। শুক্রবার এই মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে।কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলকে (এএসজি) প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, এখন কি বাহিনী আনা সম্ভব? তার উত্তরে এএসজি বলেন, ৬ ঘণ্টার মধ্যে বাহিনী আনা সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি জানান, তবে এখনই বিশাল সংখ্যক বাহিনী আনা সম্ভব নয়। সিআরপিএফ-সহ বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি তিনি বলতে পারবেন। এর পরই এএসজি বলেন, চাহিদা মতো কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে আমরা প্রস্তুত। নির্বাচনের কাজে সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যুক্ত করা না হলেও, এলাকা টহলদারিতে মোতায়েন করা যেতে পারে।অন্য দিকে, বাহিনী নিয়ে সঠিক তথ্য দিতে না দিতে পারায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে তিরস্কার করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, বিগত ভোটের পরিস্থিতি দেখে ভোটাররা ভোট দিতে এগিয়ে না এলে, তার জন্য আপনারা কী ব্যবস্থা করেছেন? এ প্রসঙ্গে কমিশনের আইনজীবী জানান, প্রচুর সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ১০ হাজারের কিছু বেশি। কিন্তু কমিশনের এই উত্তরে সন্তুষ্ট হয়নি আদালত। এ প্রসঙ্গে সঠিক তথ্য দিতে না পারায় কমিশনকে ভর্ৎসনা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা কি এই মামলাটিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন না?

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Modi: ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

অতিমারি পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সাহায্যকে সম্মান জানাতেই ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করা হল নরেন্দ্র মোদিকে। শুক্রবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কথা জানান।এ দিন ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খেরলো সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। করোনা পরিস্থিতিতে ভারত যেভাবে চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে ভুটানকে সাহায্য করেছিল, সেই সাহায্যের ধন্যবাদ জানাতেই এই সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে।Bhutan confers the countrys highest civilian award - Ngadag Pel gi Khorlo upon Prime Minister Narendra Modi. pic.twitter.com/MDFpOAN8i3 ANI (@ANI) December 17, 2021ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে সেরিং নিজেই টুইট করে লেখেন, মোদিজির অসাধারণত্বকে সম্মান জানাতে ভুটানের সর্বোচ্চ সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খোরলো ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় অত্যন্ত খুশি।ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও ফেসবুক পোস্টেও লেখা হয়, বছরের পর বছর ধরে, বিশেষ করে করোনা অতিমারির সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিজি যেভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাকেই তুলে ধরেছেন মহামান্য রাজা। যথাযোগ্য ব্যক্তিকেই সম্মান দেওয়া হচ্ছে! ভুটানের সমস্ত মানুষের পক্ষ থেকে অনেক অভিনন্দন। বিগত সমস্ত আলাপচারিতাতেই একজন অসাধারণ, আধ্যাত্মিক মানুষ হিসাবে আপনাকে মনে হয়েছে। সশরীরে এই সম্মান উদযাপনের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।আজ ভুটানের জাতীয় দিবস। এই বিশেষ দিন উপলক্ষে দেশের সমস্ত মানুষকে অভিবাদন জানান সে দেশের প্রধানমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

High Court: কলকাতা পুরভোটে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, জানাল হাইকোর্ট

নির্দিষ্ট সময়েই হবে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। ভোটে স্থগিতাদেশ না দিয়ে এ কথা জানিয়ে দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি বকেয়া পুরভোটগুলিও যত দ্রুত সম্ভব করাতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিল আদালত। বুধবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ পুরভোট মামলার শুনানির রায় ঘোষণা করে এ কথা জানিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৩ ডিসেম্বর।রাজ্যে সব পুরসভায় একসঙ্গে ভোট করার দাবিতে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিল বিজেপি। সেই সঙ্গে তাদের দাবি ছিল, কলকাতা-সহ রাজ্যের পুরভোটে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট রাখতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। গত শুনানিতে প্রধান বিচারপতি রাজ্যের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বাকি পুরসভার ভোট কত দফায় এবং কবে ঘোষণা করা হবে? উত্তরে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতে জানিয়েছিলেন, ১৯ ডিসেম্বরের পর তাঁরা এ নিয়ে সম্ভাব্য দিন ক্ষণ আদালতকে জানাতে পারবেন। এই প্রেক্ষিতে আইনজীবীদের একাংশ মনে করছেন, কলকাতার ভোট মিটলেই বাকি পুরসভায় কবে, কত দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে তা আদালতকে জানানোর কথা রাজ্যের। ফলে ২৩ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানি হবে এ কথা বলার মাধ্যমে, বাকি পুরসভায় ভোট নিয়ে রাজ্যকে নিজের সিদ্ধান্তের সময়সীমা বেঁধে দিল আদালত।অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মামলার শুনানিও পিছিয়ে গেল। বৃহস্পতিবার ফের ওই মামলার শুনানি হবে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার একক বেঞ্চে সেই শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
কলকাতা

SSC: গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি, নয়া হলফনামা জমার নির্দেশ এসএসসি-কে

গ্রুপ ডি-র পর এবার গ্রুপ সি। তৃতীয় শ্রেণির কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। স্কুলে গ্রুপ-সি বা তৃতীয় শ্রেণির কর্মীদের জন্য কতগুলি পদ ফাঁকা ছিল, তাতে কজনকে নিয়োগ করা হয়েছে বা এই মুহূর্তে প্যানেলে কজনের নাম রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য কমিশনের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এ সব তথ্য জানিয়ে নতুন করে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে আদালতে হলফনামা দিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, এসএসসি-র কাছ থেকে সুপারিশপত্র পেয়েই তারা নিয়োগ-প্রক্রিয়া কার্যকর করেছিল। এই আবহে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, পর্ষদের এই হলফনামার পর নিয়োগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় এসএসসি-র ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তৃতীয় শ্রেণির কর্মী-নিয়োগ নিয়ে যাবতীয় তথ্য দিতে এসএসসি-কে নতুন করে একটি হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।কমিশনের পাশাপাশি রাজ্য সরকারকেও হলফনামা দিতে বলেছেন বিচারপতি। এই দুর্নীতির পিছনে কারা জড়িত, সে প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি। আগামী ২৩ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

BSF-High Court: বিএসএফ-মামলায় কেন্দ্রের হলফনামা চায় হাইকোর্ট

বিএসএফ মামলায় কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চাইল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সম্প্রতি বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ানো নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে যে তরজা শুরু হয়েছে নিঃসন্দেহে এই মামলা সেখানে নতুন মোড় আনল। মঙ্গলবারই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।মামলাকারীর বক্তব্য, বিএসএফের যে নির্দিষ্ট আইন আছে সেখানে স্পষ্ট করে বলা রয়েছে তাদের কতটা এলাকায় এক্তিয়ার। কেনই বা এই সীমানা নির্দিষ্ট করা হয়েছে তা নিয়েও ব্যাখ্যা রয়েছে। বিএসএফ অ্যাক্ট অনুযায়ী ১৩৯ ধারার প্রসঙ্গ তুলে মামলাকারী বলেন, এভাবে আজ ১৫ কিলোমিটার, কাল ৫০ কিলোমিটারে বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়াতে থাকলে একদিন এটা বেড়ে গোটা দেশ হতে পারে বলে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস হয়ে যাবে বলে জানান মামলাকারী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি জানতে চান আর কোন রাজ্যে এই ধরনের মামলা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে এজি জানান, পঞ্জাবে একই ধরনের একটি মামলা হয়েছে।একই সঙ্গে কেন্দ্রের পদক্ষেপ কী, তাও জানতে চায় আদালত। কেন্দ্রের আইনজীবী ওয়াই যে দস্তুর বলেন, শুধু সীমানা বাড়ানো হয়েছে এমনই নয়, এমন রাজ্যও রয়েছে যেখানে সীমানা কমানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উদাহরণ টানেন গুজরাতের। জানান, সে রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কার্যক্ষমতা সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করা হয়েছে। এই বিষয়গুলি হলফনামায় উল্লেখ করতে চান বলে জানান তিনি। এই ধরনের কোনও মামলা কোনও রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করেছে কি না তাও জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

CCTV: পুরভোটে সব বুথে রাখতে হবে সিসিটিভি, কমিশনকে নির্দেশ হাইকোর্টের

আসন্ন কলকাতা পুরভোটে সমস্ত বুথে সিসিটিভি ব্যবহারের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বুথের পাশাপাশি স্ট্রং রুমেও সিসিটিভি ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কলকাতা পুরসভায় ৪ হাজার ৮৪২ প্রধান বুথ এবং ৩৬৫টি অতিরিক্ত বুথ রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো এই সব বুথ এবং স্ট্রং রুমে ব্যবহার করতে হবে সিসিটিভি ক্যামেরা। কলকাতা পুরভোটে ২৫ শতাংশ বুথে সিসিটিভি ব্যবহারের কথা জানিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। এই মামলকারী আবেদনে জানান, গত নির্বাচনের পর এখানে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তা ছাড়া গত বার পুরসভার নির্বাচনে এক জন এসআই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। এখানে কলেজ নির্বাচনেও পুলিশ আহত হয়। তাই অশান্তি এড়াতে পুলিশ বাহিনী বাড়ানো এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার জরুরি।এই মামলার শুনানি ছিল মঙ্গলবার। মামলাটি উঠেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, নির্বিঘ্নে ভোট করাতে সব রকম পদক্ষেপ করেছে কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক, যিনি রিটার্নিং অফিসার, তাঁর রিপোর্টের ভিত্তিতেই স্পর্শকাতর ২৫ শতাংশ বুথে সিসিটিভি লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যদিও হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তে কোনও আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করছে। তারা সব বুথে সিসিটিভি ব্যবহার করতে চাইলে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীও আদালতে বলেছেন, মামলাকারীর আবেদন মতো সব বুথে সিসিটিভি লাগাতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

SSC Group D: সিবিআই তদন্ত নয়, গ্রুপ ডি মামলায় তদন্ত করবে সিট, নির্দেশ হাইকোর্টের

স্কুল সার্ভিস কমিশনের চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগ মামলায় সিবিআই তদন্ত হবে না। বদলে গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগে বেনিয়ম হয়েছিল কি না বা হলে কী ভাবে হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখবে বিশেষ অনুসন্ধানকারী দল। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। একই সঙ্গে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতিকে মাথায় রেখে বিশেষ অনুসন্ধানকারী দল গড়ে এই মামলার অনুসন্ধান করতে হবে।এসএসসি-র গ্রুপ ডি নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগ নিয়ে এর আগে সিবিআইকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দিয়েছিল হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ। রাজ্য সরকার সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পাল্টা আবেদন করে। সোমবার তারই শুনানি ছিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। শুনানিতে একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, গ্ৰুপ-ডি নিয়োগ মামলার অনুসন্ধান করবে বিশেষ অনুসন্ধানকারী দল। প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগের নেতৃত্বে ওই দলে থাকবেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের আশুতোষ ঘোষ, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সহ-সচিব( প্রশাসন) পারমিতা রায় এবং হাইকোর্টের আইনজীবী অরুণাভ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন সদস্যের এই অনুসন্ধানকারী দল গঠন করে আদালত জানিয়েছে, দলের সমস্ত ব্যয়ভার বহন করবে রাজ্য। একই সঙ্গে দুমাসের মধ্যে অনুসন্ধানের কাজ শেষ করতে হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে হাইকোর্ট।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

SSC Group C: এসএসসি গ্রুপ সি-তেও ৩৫০ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

এবার গ্রুপ সি মামলাতেও ধাক্কা খেল কমিশন। ভুয়ো নিয়োগের অভিযোগে ৩৫০ জনের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কত জনের ভুয়ো নিয়োগ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে ছিল সেই মামলার শুনানি। নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ৩৫০ জন চাকরি পেয়েছেন, এমন অভিযোগ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। আগেই এই মামলায় এক জনের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার বাকিদেরও বেতন বন্ধ করার কথা বলল আদালত। মামলাকারীদের দাবি ছিল প্যানেল বহির্ভূত ভাবে চাকরি পেয়েছেন অন্তত ৩৫০ জন। এদের মধ্যে যাঁরা চাকরিতে যোগ দিয়েছেন তাঁদের সবার বেতন বন্ধ করতে কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।স্কুল সার্ভিস কমিশনকে বলা হয়েছে, তারা খতিয়ে দেখবে যে, প্যানেলের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পরও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে কি না। কমিশন দেখে চার দিনের মধ্যে ডি আই-কে বেতন বন্ধ করে দিতে বলবে।এ দিকে এই মামলায় ফের একবার সামনে এসেছে রাজ্য সরকারের দুই দফতরের কাজিয়া। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দাবি, স্কুল সার্ভিস কমিশনের সুপারিশেই ওই ৩৫০ জনের চাকরি হয়েছে। কিন্তু কমিশনের দাবি, তারা সুপারিশ করেনি। গ্রুপ ডি-র ক্ষেত্রেও একই ছবি সামনে এসেছিল।এর আগে গ্রুপ ডি-তেও ভুয়ো নিয়োগের অভিযোগ ওঠে। প্যানেলের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পরও নিয়োগ করার অভিযোগ ওঠে। সে ক্ষেত্রেও ৫৪২ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
কলকাতা

Municipal Election: ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই রাজ্যের সব পুরসভায় ভোট

আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সব পুরসভার ভোটপর্ব শেষ হবে। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে পুরভোট সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস আগামী ১৯ ডিসেম্বর কলকাতার পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। রাজ্যের সব পুরসভায় কেন এক সঙ্গে ভোট না হয়ে পৃথকভাবে কলকাতা পুরসভার জন্য নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারি হল, পুরভোট সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানির সময় হাইকোর্টে সে প্রশ্ন তোলে বিজেপি।সপ্তাহ দুয়েক আগে কলকাতা হাইকোর্টে পুরভোট নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা করেন বিজেপি নেতা প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১৬ নভেম্বর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্ত হাইকোর্টকে জানিয়েছিলেন, জনস্বার্থ মামলার শুনানি যত দিন চলবে, তত দিন পুরভোট সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে না। বৃহস্পতিবার প্রতাপের এবং পুরভোট সংক্রান্ত অন্য একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি-পর্বে বিজেপি-র আইনজীবী পিঙ্কি আনন্দ বলেন, কমিশন জানিয়েছিল, কোভিড পরিস্থিতির জন্য তারা এক সঙ্গে ভোট করতে চাইছে না। ত্রিপুরায় ভোট হচ্ছে। ভোটে আপত্তি নেই। কিন্তু এমন কথা বলার পরেও বিজ্ঞপ্তি কেন প্রকাশিত হল? কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতাদেশ জারিরও দাবি জানান তিনি।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
কলকাতা

SSC-CBI: এসএসসি নিয়ে এখনই সিবিআই তদন্ত নয়

স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় আপাতত তদন্ত শুরু করতে পারছে না সিবিআই। এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চ যে রায় দিয়েছিল, তাতে তিন সপ্তাহের জন্য স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ।স্কুলে গ্রুপ-ডি বা চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগ মামলায় সিবিআইয়ের হাতে প্রাথমিক তদন্ত ভার দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য, স্কুল সার্ভিস কমিশন ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। বুধবার বিচারপতি হরিশ টন্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত শুনানির প্রয়োজন। তাই তিন সপ্তাহের জন্য ওই নির্দেশ স্থগিত থাকবে। এখন এসএসসি ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে সমস্ত তথ্য মুখবন্ধ খামে আদালতের কাছে জমা দিতে হবে। একক বেঞ্চের নির্দেশ মোতাবেক যা সিবিআইয়ের কাছে জমা দেওয়ার কথা ছিল।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal