• ২০ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fire

দেশ

ফের শিরোনামে হাথরাস

ফের শিরোনামে বিতর্কিত হাথরাস। হাথরাস রয়েছে হাথরাসেই। গত বছর উত্তরপ্রদেশের এই জেলায় এক দলিত তরুণীকে গণধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে উত্তাল হয়েছিল দেশ। এক তরুণীর শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত যুবক গৌরব শর্মা গুলি করে মারল নির্যাতিতার বাবাকে! এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন ইতিমধ্যেই।আরও পড়ুন: বিজপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী২০১৮ সালে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। তরুণীর বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেপ্তারও করে গৌরবকে। কিন্তু মাসখানেক পরে জামিন পেয়ে যায় সে। সেই থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তি। যা চরম আকার নেয় গতকাল। সোমবার বিকেলে নির্যাতিতা তরুণীর গ্রামের মন্দিরে পুজো দিতে যান অভিযুক্তের স্ত্রী ও কাকিমা। সেই সময় সেখানে আসেন নির্যাতিতা ও তাঁর বোনও। শুরু হয় ঝগড়া। পরে সেখানে আসেন তরুণীর বাবা ও গৌরব। গৌরবের সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল বলে জানা গিয়েছে। ক্রমেই পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে ওঠে। তারপরই আচমকা গৌরব গুলি চালিয়ে দেয়। গুরুতর আহত হন তরুণীর বাবা। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ই তাঁর মৃত্যু হয়। এমন ঘটনায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ইতিমধ্যেই গৌরবের পরিবারের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মার্চ ০২, ২০২১
রাজ্য

সুতোর গুদামে আগুন, উত্তপ্ত তুফানগঞ্জ

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্যজুড়ে বাড়ছে হিংসার ঘটনা। কোথাও তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে চলছে গুলি, তো কোথাও আবার বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। এই হিংসার ঘটনায় তালিকায় নতুন সংযোজন তুফানগঞ্জ।বিজেপি করার অপরাধে দলীয় কর্মীর সুতোর গোডাউন জ্বালিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। মঙ্গলবার রাত দুটো নাগাদ তুফানগঞ্জের চিলাখানা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোগারকুঠি কালীবাড়ি এলাকায় বিজেপি কর্মী দীপক দাসের সুতোর গোডাউনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে যায় গোডাউন। স্থানীয়রা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে দোকানে থাকা সমস্ত জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে দাবি দীপক দাসের। বিজেপি কর্মী দীপক দাসের অভিযোগ, ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিজেপি করি বলে তৃণমূল আমার সুতোর গোডাউনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।মধ্যরাতের এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকে চিলাখানা এলাকায় কোচবিহার থেকে অসমগামী ৩১ নাম্বার জাতীয় সড়ক আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ফলে জাতীয় সড়কে গাড়িল লম্বা লাইন পড়েছে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। যদিও এই ঘটনার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।ঘটনা প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানান, এই এলাকায় বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। সেই অশান্তির জেরেই এই কাণ্ড ঘটেছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির জেলা সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
রাজ্য

সালিশি সভা চলাকালীন গুলি, মৃত ১

দশ বছর আগে পারিবারিক বিবাদের কারণে সালিশি সভা চলাকালীন খুন হয়েছিলেন বাবা । আর ঠিক একই ইস্যুতে আবারও সালিশি সভার মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হতে হল ছেলেকে। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মৃতের এক কাকাও। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। কাকা এবং ভাইপোর মধ্যেই পারিবারিক পুরনো বিবাদের এই গুলি চালানোর ঘটনাটি ঘটেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনাকে ঘিরে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে কালিয়াচক থানার মোজামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণপুর এলাকায়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ । যদিও কালিয়াচক থানার আইসি আশিস দাস এখনই পরিষ্কারভাবে এই ঘটনা সম্পর্কে মুখ খুলতে চাননি। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, পুরনো পারিবারিক শত্রুতার জেরকে ঘিরে এই গোলমালের ঘটনাটি ঘটেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , মৃত ভাইপোর নাম নওয়াজ শরিফ চৌধুরী (৩০)। জখম কাকার নাম সালাম চৌধুরী (৫০)। মৃতের মাথায় গুলি লেগেছে । জখম সালাম চৌধুরীর কোমরের ডানদিকে গুলি লেগেছে। তার চিকিৎসা চলছে মালদা মেডিক্যাল কলেজে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, পারিবারিক জমির দখলদারি নিয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই গোলমাল চলে আসছে কাকা ও ভাইপোর পরিবারের মধ্যে। দশ বছর আগে একইভাবে সালিশি সভা চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়েছিলেন শরিফ চৌধুরীর বাবা। আর এদিন এই বিবাদের মধ্যেই খুন হলেন ছেলে নওয়াজ শরিফ চৌধুরী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পত্তির দখলকে ঘিরে এদিন নারায়ণপুর এলাকায় কাকা ও ভাইপোর দুই গোষ্ঠীর সালিশি সভা বসেছিল। উভয়পক্ষের মধ্যে হঠাৎ করে গোলমাল বাঁধে। আর সেখানে দুই গোষ্ঠী একে অপরকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
কলকাতা

শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড, ভস্মীভূত বহু ঝুপড়ি

ফের শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সোমবার সকালে কলকাতার নারকেলডাঙার ঝুপড়িতে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। আগুনের জেরে খালপাড়ের ২৫-৩০টি ঝুপড়ি পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে বলে খবর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৫টি ইঞ্জিন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে নারকেলডাঙার ছাগলপট্টির ঝুপড়িতে আগুন লাগে। ঘিঞ্জি বসতি এলাকা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। একেবারে থানার উল্টোদিকে ঘটনাটি ঘটায়, দ্রুত চলে আসেন স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকরাও। এরপরই খবর দেওয়া হয় দমকলে। এরপরই আগুণ নিয়ন্ত্রণের কাজও শুরু হয়। আগুন নেভানোর কাজে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রাও। শেষ পাওয়া খবরে, আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণেও চলে এসেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, খবর পাওয়ার পর অনেকক্ষণ দেরিতেই আসে দমকল। আর সেকারণেই আগুন ছড়িয়েও পড়ে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দমকলের আধিকারিকরা।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
দেশ

পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ জনের মৃত্যু

ভারতে করোনা প্রতিষেধক তৈরির পরীক্ষাগার পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৫ জনের। বেশ কয়েকজনকে বিপদ থেকে উদ্ধার করা হলেও এই ৫ জনকে বাঁচানো যায়নি। বিকেলে পুণের মেয়র মুরলীধর মোহর টুইট করে দুঃসংবাদ জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইনস্টটিউটের টার্মিনাল ওয়ানের কাছে আগুন লাগে বলে খবর। বৃহস্পতিবার সেই বাড়িটিরই চতুর্থ ও পঞ্চম তলে আগুন লেগে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কালো ধোঁওয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। খবর পেয়েই দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। তবে এই আগুন লাগার ঘটনায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল যা নিয়ে, সেই টিকা তৈরি ও মজুত করার জায়গাটি নিরাপদেই আছে বলে আশ্বস্ত করেছেন পুণের পুলিশ কমিশনার।দমকলকর্মীদের সহায়তায় ইনস্টিটিউটে থাকা সব বিজ্ঞানীকে নিরাপত্তার স্বার্থে বাইরে বের করে আনা হয়। প্রথমে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এসে পৌঁছন সেরামের মঞ্জরীর কারখানার সামনে। তাঁদের সঙ্গে প্রথম থেকেই যোগাযোগ রাখছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। পরে তিনি নিজেই গিয়ে হাজির হন ঘটনাস্থলে। জানা গিয়েছে, দুপুরে ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবনে প্রথমে আগুন লেগে যায়। এখানেই রয়েছে মঞ্জরী প্ল্যান্ট অর্থাৎ বিসিজি ভ্যাকসিন তৈরির পরীক্ষাগার। তবে কোভিশিল্ড যেখানে তৈরি হয়, সেই জায়গা কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে দাবি সেরাম কর্তৃপক্ষের। আপাততত কোভিশিল্ড সুরক্ষিতই রয়েছে। কিন্তু কীভাবে আগুন লাগল, সে বিষয়ে এখনও কোনও ধারণা করতে পারছেন না দমকলকর্মীরা।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
রাজ্য

বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বর্ধমান-আসানসোল

বর্ধমানের ঘোড়দৌড় চটির জেলা বিজেপি কার্যালয়ে পুরনো এবং নতুন কর্মীদের মধ্যে ইটবৃষ্টি। মুহূর্তের মধ্যে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি গাড়িতেও। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সূত্রের খবর, বর্ধমান সদর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীর অপসারণের দাবিতে সরব বিজেপির একটি গোষ্ঠী। তাঁদের অভিযোগ, বর্ধমান সফরে এসে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার উদ্বোধন করা দলীয় কার্যালয়ে অনৈতিক কাজ হচ্ছে। সেই অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন বিজেপির পুরনো কর্মীরা। বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। অভিযোগ, নতুন কর্মীরা ওই দলীয় কার্যালয়ের ছাদ থেকে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়ে। বিক্ষোভকারীরাও পাল্টা ইট ছুঁড়তে থাকে। ভেঙে যায় পার্টি অফিসের জানলা। দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জিটি রোডে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। রাস্তার উপরে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গাড়িগুলো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। দমকল এসে অগ্নিকাণ্ড সামাল দেয়।উল্লেখ্য, বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ তারা পুরনো কর্মী। রক্ত দিয়েছেন। মার খেয়েছেন। কিন্তু যাদের সাথে লড়াই করে এসেছেন তাদের দলে নেওয়া হচ্ছে। তাদের কথা শোনা হচ্ছে না। দলে স্বেচ্ছাচারিতা চলছে। তারা বারবার সাংসদ থেকে দলীয় নেতৃত্ব সবাইকে জানিয়েছেন। কোনও ফল হয়নি। তাদের আরও অভিযোগ, আজ দলের অফিস থেকে অফিসিয়াল গ্রুপের লোকেরা তাদের প্রথম আক্রমণ করে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিজেপি ততটা সংগঠিত ছিলনা। কিন্তু লোকসভা ভোট থেকে সংগঠন বাড়তে থাকে। লোকসভায় বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রে জয়ী হয় দল। কয়েকদিন আগেই স্বয়ং জেপি নাড্ডার রোড শোয়ে মানুষের ঢল নামে। তারপর এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলকে অবাক করেছে।বিজেপি এই ঘটনার দায় চাপিয়েছ তৃণমূল ও পিকের টিমের উপর। দলের জেলা সহসভাপতি প্রবাল রায়ের অভিযোগ, কোনও বিজেপি কর্মী বা সমর্থক এদিনের ঘটনায় জড়িত না। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, সবাই দেখেছে কারা তান্ডব চালিয়েছে। বিজেপির পুরনো ও নতুনদের গন্ডগোল। পুলিশ না থাকলে ঝামেলা বাড়ত।অন্যদিকে, বিজেপির দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল হয় আসানসোলও। এদিন, বিজেপি জেলা কার্যালয়ে বারাবনি ও কুলটি মণ্ডলের কর্মীদের বৈঠক ছিল। উপস্থিত ছিলেন অরবিন্দ মেনন ও বাবুল সুপ্রিয়। তাঁদের সামনেই ফামেলায় জড়ান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। গেরুয়া শিবিরের একাংশের অভিযোগ, সম্প্রতি বিজেপি জেলা যুব মোর্চার ঘোষিত কমিটিতে বাদ পড়েছেন অনেকেই। যাঁরা বাদ পড়েছেন তাঁরা পুরনো বিজেপি কর্মী। কিন্তু তৃণমূল থেকে আসা কর্মীদের জায়গা দেওয়া হয়েছে। ফলে নব্য-পুরাতন বিজেপি যুব মোর্চার মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত মাইক হাতে নিয়ে বাবুল ও অরবিন্দ মেনন পরিস্থিতি সামাল দেন।শুরু হয় বৈঠক।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
দেশ

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে জখম ১৩ বাঙালি

হায়দরাবাদ, ২১ জানুয়ারি: বুধবার মাঝরাতে হায়দরাবাদে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ১৩ জন। জানা গিয়েছে, এঁরা সকলেই বাঙালি। সোনার কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এরা সকলেই। তাই থাকতেনও একসঙ্গে।স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার মাঝরাতে হঠাৎই তীব্র বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা।আর্তনাদে ঘুম ভেঙে যায় এলাকার সকলে্রই।বাড়ি থেকে বেরিয়েই সকলে ওই বাড়ি থেকে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় আসে মীর চক থানার পুলিশ। জখমদের কয়েকজনকে স্থানীয় ওসমানিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, জখমদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সোনার কাজ করার জন্য যে রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়, তা থেকেই অসতর্কতার কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। যদিও পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
রাজ্য

খেজুরিতে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি ও গুলির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি থানার খেজুরি ২ দক্ষিণ মণ্ডলের বোগা মোড়ে বিজেপির তরফে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জমায়েত করেন বিজেপি কর্মীরা। কিছুক্ষণ পরেই হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও গুলিও চলে। আরও পড়ুন ঃ টুইটে করে ফের রাজ্যের পাওনার দাবিতে সরব ডেরেক অভিযোগ, একের পর বিজেপি কর্মীদের বাইকে ভাঙচুর চালায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় খেজুরি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। বিজেপির অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই এই হামলা। যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বে। তাদের দাবি, এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্ধের ফল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

হাওড়া ব্রিজে মিনিবাসে অগ্নিকাণ্ড , উত্তেজনা

হাওড়া ব্রিজের ১৭ নং পিলারের কাছে একটি কলকাতাগামী একটি যাত্রীবোঝাই বাসে আগুন লেগে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে পলাতক বাসের চালক ও কন্ডাক্টর। জানা গিয়েছে , ধোঁয়া দেখতে পেয়েই যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। যাত্রী সহ সকলে বাস থেকে নিরাপদে নিচে নেমে আসেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ২টি ইঞ্জিন। আরও পড়ুন ঃ এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে তারা বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার সময় বাসের যাত্রী থাকলেও কোনো হতাহতের খবর নেই। বাসটিকে ব্রিজ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসে আগুন লাগার জেরে ব্রিজে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

বাংলা পক্ষের আন্দোলনের জের , ফের পাঁচ অস্থায়ী কর্মীকে পুনর্বহাল আয়কর দপ্তরে

কেন্দ্রীয় সরকারের আয়কর দপ্তরের কলকাতা শাখার পাঁচজন অস্থায়ী কর্মীকে ইংরেজি বলতে না পারার অজুহাত দেখিয়ে অন্যায় ভাবে চাকরি থেকে অপসারিত করা হয়েছিল। বাংলা পক্ষের প্রতিবাদ আন্দোলনের ফলে তাঁদের চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়েছে। এই পাঁচ অস্থায়ী টাইপিস্ট ও স্টেনোগ্রাফারকে গত অক্টোবরে হঠাৎ করেই অপসারিত করার নির্দেশ দেন আয়কর দপ্তরের কলকাতার অধিকর্তা। অভিযোগ করা হয় তাঁরা নাকি ইংরেজি বলতে স্বচ্ছন্দ নন। কিন্তু তাঁদের চাকরিতে ইংরেজি বলার প্রয়োজনও নেই আর চাকরির শর্তেও এমন উল্লেখ ছিল না। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজো ও ভাইফোঁটায় কম ট্রেন চালাবে মেট্রো এই ঘটনা জানা মাত্র বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ এই পাঁচ বাঙালি ভাইবোনের পাশে দাঁড়ায়। গত ১৬ ই অক্টোবর কলকাতায় আয়কর দপ্তরে বাংলা পক্ষ বিক্ষোভ সমাবেশ করে ও সংস্থার কর্তাদের স্মারকলিপি দিয়ে অবিলম্বে এবং নিঃশর্ত ভাবে এই পাঁচজনকে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানায়। সংস্থার তরফে দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। শুক্রবার জানা যায় , পাঁচ বাঙালি ভাইবোনকেই পুনর্বহাল করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করায় আক্রান্ত পুলিশ , ধৃত ৫

আবাসনের বাসিন্দাদের শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করেছিলেন কয়েকজন পুলিশকর্মী। তার পরিণাম হল ভয়ানক। এবার আবাসনের বাসিন্দাদের হাতেই মার খেতে পুলিশকে। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বালিতে। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন। তার মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি-র ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রচুর বাজি উদ্ধা্র করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে শব্দবাজিও। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল পুলিশ সূত্রে খবর , হাইকোর্টের নির্দেশ , করোনা পরিস্থিতিতে কোনওরকম বাজি ফাটানো যাবে না। সুপ্রিম কোর্টও হাইকোর্টের এই নির্দেশ বহাল রেখেছে। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে বেলুড়ের ওই আবাসনে বাজি ফাটানো হচ্ছিল বলে খবর পায় পুলিশ। বৃহস্পতি্বার রাত ৯টা নাগাদ আবাসনে হানা দেয় পুলিশ। অভিযোগ, এর পরই তাঁদের উপর চড়াও হন ওই আবাসনের বাসিন্দারা। পুলিশ কর্মীদের মারধরও করা হয়। ঘটনায় জখম হন ৭ পুলিশকর্মী। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ কর্মীদের উদ্ধার করে। আহতদের তড়িঘড়ি স্থানীয় টি এল জয়সওয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
দেশ

বাজি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

বাজি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট কালীপুজোয় রাজ্যজুড়ে আতসবাজির বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দেয়। কালীপুজোয় রাজ্যজুড়ে আতসবাজির বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দেয়। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। বাজি কেনাবেচার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সেটিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যান বাজি ব্যবসায়ীরা। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, উৎসব গুরুত্বপূর্ণ, তা আমরা বুঝতে পারছি। কিন্তু, এমন এক পরিস্থিতিতে আমরা আছি যখন জীবন এমনিতেই চরম বিপদে। জীবনের থেকে মূল্যবান কিছুই নয়। তাই জীবন রক্ষাই এখন একমাত্র অগ্রাধিকার। আরও পড়ুন ঃ বিহারে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এনডিএর প্রসঙ্গত , গত সপ্তাহেই কলকাতা হাইকোর্ট কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কোভিড পরিস্থিতির কারণেই এই নিষেধাজ্ঞা। আতস বাজি সংগঠনের তরফে বাংলায় দুদিন মোট চার ঘন্টার জন্য বাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার আবেদন করেছিল। কলকাতা হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

ডোমজুড়ে অগ্নিকাণ্ডের জেরে ভস্মীভূত ছয়টি কারখানা

অগ্নিকাণ্ডের জেরে পুড়ে ছাই হয়ে গেল ছয়টি কারখানা। ঘটনাটি ঘটেছে , হাওড়ার ডোমজুড় থানা এলাকার নারনায়। সোমবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ প্লাস্টিকের কারখানায় আগুন লাগে। সেখানে রাতে কাজ চলছিল। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় অন্য কারখানাগুলিও আগুন লেগে যায়। প্রায় ২০ হাজার বর্গ ফুট এলাকা জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আরও পড়ুন ঃ রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন , বার্তা ধনকড়ের কিন্তু তাতে আগুন আয়ত্তে না আসায় দমকলকে খবর দেওয়া হয়। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর কাজে হাত দেয়। প্রায় ৬ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার সময় আহত হন এক দমকল কর্মী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , অন্যান্য কারখানাগুলিতে জামাকাপড়, চানাচুর এবং পাইপ তৈরি হত।দমকল সূ্ত্রে জানা গিয়েছে , প্রায় ২০ হাজার স্কোয়ার ফুট এলাকা জুড়ে ১০ - ১২টি কারখানা এখানে ছিল। এর মধ্যে ৬টি কারখানায় আগুন ভয়াবহ আকার নিয়েছিল। দমকল কর্মীদের অনুমান, দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কারখানাগুলিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা আঁটসাঁট ছিল তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। তবে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ , এলাকায় আতঙ্ক

চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হল। স্থানীয়দের মতে, বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ আচমকাই বিস্ফোরণের শব্দ পান। দৌড়ে গিয়ে দেখেন বাজি কারখানাটি দাউদাউ করে জ্বলছে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চতুর্দিক। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আজ যারা বাজি কিনতে গিয়েছিলেন , সকলকে নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। এছাড়াও বারুইপুর থানার পুলিশ আধিকারিকরাও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। বেশ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আরও পড়ুন ঃ আজ দুদিনের রাজ্য সফরে অমিত শাহ প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে , কারখানায় মজুত থাকা বাজি থেকেই এই বিস্ফো্রণের ঘটনা ঘটেছে। বিপুল পরিমাণে বাজি থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার জেরে এলাকাবাসী ব্যাপক আতঙ্কে রয়েছেন। সামনেই কালীপুজো। তার আগে এই বিস্ফো্রণের ঘটনায় কয়েক লক্ষ টাকার বাজি নষ্ট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কারখানায় অবৈধভাবে বাজি মজুত ছিল কিনা ও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছিল কিনা , তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর বন্ধ রাখার আরজি রাজ্য সরকারের

কোভিড পরিস্থিতিতে কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর বন্ধ রাখার আরজি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আদালত নির্দেশিত নিষিদ্ধ বাজি তো বটেই, দয়া করে কেউ কোন বাজি ব্যবহার করবেন না। রোগীদের শরীরে বাজির ধোঁয়া থেকে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। তাই উৎসব সংযত এবং শান্তভাবে পালিত হবে। এছাড়াও ্জানানো হয় , কালীপুজোতে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যিক। কালীপুজোর বিসর্জনে শোভাযাত্রা করা যাবে না। আরও পড়ুন ঃ তৃ্ণমূলের গোষ্ঠী্দ্বন্ধের লড়াইতে সাধারণ মানুষ খুন হচ্ছেঃ অর্জু্ন সিং এদিন রাজ্যের তরফে আরও জানানো হয়, দুর্গাপুজোয় অনেকে রাস্তায় বেরিয়ে ছিলেন তা সত্ত্বেও কোভিড সংক্রমণ ক্রমশ কমছে। মৃত্যু হার কমছে। সুস্থতা বাড়ছে। এসব ঘটনা রাজ্য সরকারকে আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে। এমন আবহে যাতে রাজ্যবাসী সরকারকে সহযোগিতা করে সেই আবেদনও জানানো হয়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার-সহ নবান্নের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর

অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর। নিজের বাড়িতেই বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে মারা গেলেন তিনি। জানা গিয়েছে , রবিবার সকালে কেষ্টপুর সমর সরণিতে জয়ন্ত শাস্ত্রীর বাড়িতে আগুন লাগে। সেই সময় ঘরেই ছিলেন তিনি। প্রতিবেশীরা আগুন দেখতে পেয়ে দমকল ও কেষ্টপুর থানায় খবর দেয়। জয়ন্তবাবুর বাড়ির দরজায় ধাক্কা বা তাঁকে ডাকাডাকিতেও কাজ হয়নি। আরও পড়ুনঃ বিরাজমান শুভেন্দু, নেই অভিষেক! খোদ কলকাতায় ব্যানার ঘিরে চাঞ্চল্য কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন দমকল কর্মীরা। বেডরুম থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় জ্যোতিষীকে। বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

আগুন লেগে ভস্মীভূত এফডি ব্লকের পুজো মণ্ডপ

আগুন লেগে ভস্মীভূত হয়ে গেল সল্টলেকের এফডি ব্লকের পুজো মণ্ডপ। ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে দুর্গা প্রতিমাও। কী থেকে এই অগ্নিকাণ্ড তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। জানা গিয়েছে , বুধবার সকাল সাড়ে ৬ টা নাগাদ মণ্ডপ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয়রা।তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় দমকলে। ঘটনাস্থল পৌঁছয় দমকলের ৩ টি ইঞ্জিন। শুরু করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ। তবে ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে মণ্ডপ সহ প্রতিমা। আরও পড়ুনঃ করোনা-বিধি মেনেই চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব প্রসঙ্গত , এদিনই এফডি ব্লকের ওই মণ্ডপের প্রতিমার বিসর্জনের কথা ছিল। দমকল আধিকারিকদের কথায়, আগুন সম্পূর্ণভাবে নেভার পরই বিষয়টি জানা যাবে। ঘটনাস্থলে যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ । মণ্ডপের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তারা আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, আগুন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে লাগিয়ে দিয়েছে। ঘটনার ফরেন্সিক তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
দেশ

মুম্বইয়ের মলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , আহত ২

মুম্বইয়ের একটি মলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। বৃহস্পতিবার রাতে ওই অভিজাত শপিং মলে আগুন লাগে। এই শপিং মলটি মুম্বইয়ের নাগপাড়া এলাকায় অবস্থিত। জানা গিয়েছে , সে সময় মলে প্রায় ৫০০ লোক ছিলেন। ঠিক সময়ে তাঁদের বার করে নিয়ে আসায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সকালেও সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এদিকে আগুন নেভানোর কাজ করতে গিয়ে দুজন দমকলকর্মী আহত হয়েছেন । দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, মলের তিনতলায় একটি মোবাইলের দোকানে শর্ট সার্কিটের ফলে আগুন লাগে, তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা তলায়। চিকিৎসার জন্য তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন , বিহারের ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি বিজেপির স্থানীয় সূত্রে খবর, সিটি সেন্টার মলে প্রথম আগুন দেখা গিয়েছিল বৃহস্পতিবার রাত ৯টা নাগাদ। ওই সময় মলের একটি দোকানে আগুন লাগে। তারপর তা মলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলে ছড়িয়ে পড়ে। ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকায় ফলে ধোঁয়ায় ভরে যায় গোটা মল। ফলে দমকলকর্মীরা মলের কাচ ভেঙে ধোঁয়া বাইরে আনেন। ততক্ষণে আগুন বিধ্বংসী আকার নেয়। দমকলের বিশাল বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চালাচ্ছে। এপর্যন্ত দমকলের ২৪টি ইঞ্জিন, ১৬টি জাম্বো ট্যাঙ্ক নিয়ে প্রায় ২৫০ জন দমকলকর্মী আগুন নেভানোর কাজ করছেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
কলকাতা

গনেশ চন্দ্র অ্যাভিনিউয়ে বহুতলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , মৃত ২ , আহত ১

মধ্য কলকাতার গনেশ চন্দ্র অ্যাভিনিউয়ে বহুতলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হল দুজনের। জখম হয়েছেন মধ্যবয়স্ক এক ব্যক্তি। মধ্য কলকাতার গনেশ চন্দ্র অ্যাভিনিউয়ের একটি বহুতলে আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছে। আটতলা আবাসনটির বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কলকাতা পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা। প্রথমেই ওই বহুতলের বাসিন্দাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। আরও পড়ুনঃ জ্বর নেমেছে দিলীপ ঘোষের, কো মর্বিডিটি না থাকায় স্বস্তি দমকলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ ধর্মতলার খুব কাছেই গনেশ চন্দ্র এভিনিউয়ের একটি আটতলা বাড়িতে আগুন লাগে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে বাসিন্দারা চিৎকার করতে শুরু করেন। খবর পৌঁছায় দমকলের কাছে। যদিও দমকল পৌঁছানোর আগেই ওই আবাসনের বাসিন্দারা ও স্থানীয় মানুষ আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। কিন্তু তাদের পক্ষে আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি। বরং আগুন আরও দ্রুত বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আবাসনের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে হুড়োহুড়ি শুরু করেন। কিন্তু চারিদিক কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাওয়ায় বাসিন্দারা শ্বাসকষ্ট ভুগতে শুরু করেন। এই প্রবল আগুনে এবং ধোঁয়ায় অক্সিজেনের অভাবে দুজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে একজন বৃদ্ধা। আতঙ্কে এক কিশোর প্রাণ বাঁচাতে জানলা দিয়ে ঝাঁপ মারলে সে গুরুতর জখম হয়। তাকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। দমকলের অনুমান, শর্ট সার্কিটের কারণে একতলার মিটার বক্সে প্রথম আগুন লাগে। পরে সেই আগুন আবাসনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়ে। এদিন পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা দ্রুত ওই আবাসনের বাসিন্দাদের উদ্ধার করে বাইরে বের করে আনেন। বহুতলের উপর দিকে যে সমস্ত বাসিন্দা ছিলেন তাঁদের উদ্ধার করার জন্য হাইড্রোলিক ল্যাডার কাজে লাগানো হয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। মন্ত্রী দাঁড়িয়ে থেকে উদ্ধার কাজ তদারকি করেন। দমকল বাহিনী হাইড্রোলিক ল্যাডার ব্যবহার করে যেভাবে আবাসনের বাসিন্দাদের দ্রুত উদ্ধার করেছে তাতে অনেকেই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে প্রাণ বাঁচলেও ওই আবাসনের অনেকেই তাদের সর্বস্ব খুইয়েছেন। কেউ কেউ নিজেদের সম্বল বেশ কিছু জিনিস নিয়ে বাইরে এসেছেন। কিন্তু অনেকেই সেটা পারেননি। প্রথম দফায় আগুন নেভানোর কাজ শেষ হলেও ওই আবাসনের কিছু অংশে ফের আগুন জ্বলতে শুরু করে। ওই বহুতলের বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে এখনও ধোঁয়া বের হচ্ছে। তাই দমকলকর্মীরা ওই জায়গাগুলি ভাল করে খতিয়ে দেখছেন এবং আগুন নেভানোর কাজ করছেন। পুরো ঘটনাটির তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
কলকাতা

ইংরেজি বলতে না পারার অপরাধে আয়কর দফতরের পাঁচ কর্মীকে ছাঁটাই , ডেপুটেশন বাংলা পক্ষের

ইংরেজি বলতে না পারার অপরাধে আয়কর দফতর পাঁচজন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। এর প্রতিবাদে শুক্রবার বাঙালিদের জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষের তরফ থেকে শুক্রবার কলকাতার আয়কর দফতরে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হল। আয়কর দফতরের ভাইস চেয়ারম্যান এবং সম্পাদককে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ভাইস চেয়ারম্যান বাংলা পক্ষের এই দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী এবং সপ্তমীতে বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের স্মারকলিপিতে তাদের দাবি, অবিলম্বে বরখাস্ত হওয়া পাঁচ কর্মীকে পুনরায় চাকরিতে বহাল করতে হবে। কারণ, যখন এই পাঁচজনকে চাকরিতে নিয়োগ করা হয়েছিল, তখন কোথাও বলা ছিল না যে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজি জানা বাধ্যতামূলক। বাংলা পক্ষের প্রশ্ন, উত্তরপ্রদেশ, বিহারে তো সরকারি অফিসে সকলে হিন্দিতেই কথা বলে। সেখানে তো ইংরেজিতে কেউ কথা বলে না। আর পশ্চিমবঙ্গে সরকারি অফিসে বাংলা বললেই পাপ ? শেষ আদমসুমারী অনুযায়ী বাংলার ৮৩ শতাংশ মানুষ শুধু বাংলা বোঝেন, হিন্দি- ইংরেজি বোঝেন না। বাংলা না জানলে বরং বরখাস্ত করা উচিত। আরও পড়ুনঃ অনুদান কি শুধু দুর্গাপুজোতেই দেয় সরকার? প্রশ্ন হাইাকোর্টের এদিনের কর্মসূচিতে অনৈতিক ও বেআইনিভাবে ছাঁটাই হওয়া পাঁচজন কর্মীই উপস্থিত ছিলেন। তাদের দাবি, কাজ চালানোর মতো ইংরেজি তারা বলতে পারেন। চাকরির শর্ত ছিল না যে ইংরেজি বলতেই হবে। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অমিত সেন , জয়দীপ দে, কৌশিক মাইতি ও সম্রাট বোস সহ আরও অনেকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে জট ভেঙে নতুন পথ! যুদ্ধের মাঝেই তেলবাহী জাহাজের বিকল্প রুটে চাঞ্চল্য

ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হাজার হাজার জাহাজ আটকে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে একটি বিকল্প পথের খোঁজ। জানা গিয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করছে, ফলে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম এবং দূরসংবেদন তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, অন্তত চারটি বড় জাহাজ ইরানের জলপথ এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে হরমুজে ঢুকেছে। এই জাহাজগুলি ওমানের সামুদ্রিক সীমার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।সূত্রের খবর, হাব্রুট ও ঢালকুট নামে দুটি তেলবাহী জাহাজ এবং একটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ ওমানের জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে মুসানদাম উপকূলের কাছে গিয়ে তারা তাদের সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়। তিন এপ্রিল তাদের মাসকট উপকূল থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে দেখা গিয়েছিল।এই তেলবাহী জাহাজ দুটিতে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল সৌদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জাহাজগুলির পর একই পথে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজও প্রবেশ করেছে। এটি গত একত্রিশ মার্চ দুবাই থেকে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে ওমানের দিব্বা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে।এতদিন সংঘাতের মাঝেও ইরান কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছিল, তবে তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল। এখন বিকল্প পথ চালু হওয়ায় সেই অতিরিক্ত খরচ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে পারে জাহাজগুলি বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে! ভিনরাজ্যে পাঠানো হল অবজারভার হিসেবে

ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। ঘোষণার দিন রাতেই সরানো হয় মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকেও।এরপর ধাপে ধাপে একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে একের পর এক প্রশাসনিক বদলি রাজ্যের পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরের সামনে রণক্ষেত্র! ঘেরাও, সংঘর্ষ, মারামারি—একাধিক মামলা, আটক বহু জন

সিইও দফতরের সামনে ঘেরাও, সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হেয়ার স্ট্রিট থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুটি মামলাই পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।গত বুধবার দুপুরে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফর্ম ছয় জমা দেওয়া নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ধস্তাধস্তি চলে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন তৃণমূল কর্মীরাও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দিনভর উত্তেজনা চলার পর শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে আরও একটি মামলায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর, এক শিক্ষক নেতা-সহ মোট ছজনের নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সচিন সিংহ এবং শান্তি রঞ্জন কুণ্ডু। এছাড়াও বিএলও মঞ্চের মইদুল ইসলাম-সহ অন্যদের নামও রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই মামলার ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত আঠারো জনকে আগাম গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বারো জনকে নোটিস পাঠিয়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তেজনার ঘটনাতেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি আলিপুর থানায় এবং একটি কালীঘাট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal