• ১৩ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

রাজ্য

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি , রণক্ষেত্র হাওড়া

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তপ্ত হল হাওড়া। শনিবার তার গ্রেফতারির দাবিতে হাওড়া সিটি পুলিশের পুলিশ কমিশনারের অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। তারা পথ অবরোধেও সামিল হয়। বিক্ষোভ সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহের বাংলা ছাড়ার পরই একাধিক সাহায্য নিয়ে বিভিষণ হাঁসদার দ্বারস্থ তৃণমূল সদস্যা জানা গিয়েছে , এদিন সকালে জগদীশপুর হাইস্কুলের মাঠে বিজেপির গ্রিন হাওড়া ক্লিন হাওড়া কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় জগদীশপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সদলবলে বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় লিলুয়া থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় বিজেপির তরফ থেকে। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ পুলিশ অভিযুক্তকে তো গ্রেফতার করেনি , উলটে তাদের দু জন কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। ওই দুই কর্মীর মুক্তি এবং পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরাকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে বসে পড়েন হাজার হাজার বিজেপি কর্মী ও সমর্থক। তাদের সামাল দিতে হিমশিম খায় পুলিশ। নামানো হয় বিশেষ পুলিশ বাহিনীকে। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিজেপির এই বিক্ষোভ। অবশেষে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে বলে পুলিশ কর্তারা আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা চলে যান।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর মহাশ্মশানে। এই ঘটনায় বিজেপি যুব মোর্চার দুজন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ , হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ দাহ করতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে এই দুই বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলি। শ্মশানে তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়ে দুজনই আপাতত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাবার শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও শান্তনু। আরও পড়ুন ঃ দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাতে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপর আচমকা চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আমরা বিজেপি যুব মোর্চার সদস্য, সেটাই আমাদের অপরাধ।এদিকে এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নদীয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । তিনি বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে । জনসমর্থন নেই। তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই। এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না। পুলিশকে বলে লাভ হবে না। বাঁচতে গেলে আমাদের পালটা দিতে হবে। তৃণমূলের তরফ থেকে অবশ্য বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

অমিত শাহের ভবিষ্যৎবাণী আগের নির্বাচনগুলিতে ভুল প্রমাণিত হয়েছে , টুইট তৃণমূলের

বাংলায় ২০০ আসন পাওয়ার ঘোষণা করেছেন অমিত শাহ। ওঁর ভবিষ্যৎবাণী কেমন, তা আগেই দেখেছে মানুষ। অতীতে, ২০১৫ সালে বিহার, ২০১৫ ও ২০২০ সালের দিল্লি নির্বাচন, গুজরাত, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগড়ে ওঁর ভবিষ্যৎবাণী , ওঁর সংখ্যা পুরোপুরি ভুল হয়েছে। শুক্রবার তৃণমূলের তরফ থেকে জারি করা এক প্রেস বিবৃতিতে এমনই দাবি করা হয়েছে। এরপরই বাংলা জয়ে শাহের টার্গেটকে একহাত নিয়ে তৃণমূলের দাবি, ২০২১ সালে বাংলায় ফের মানুষ দেখবে। বিশ্রাম নিন। ভারতকে রক্ষা করতে বাংলা বরাবরই এগিয়ে যাবে। আরও পড়ুন ঃ দলের তরফে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও কিছুই পূরণ হয়নি , অভিযোগ মিহির গোস্বামীর এই প্রেস বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে , আবারও মিথ্যার ঝুরি নিয়ে বাংলায় এলেন অমিত শাহ। বাংলাকে হেয় করার, অপমান করার মিশন অব্যাহত। বাংলার মানুষ লড়তে তৈরি। বাংলার মানুষ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে। উনি কেন বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভিযোগ করেন, যখন জানেন, তার কোনও ভিত্তি নেই? জয় শাহের কী এমন যোগ্যতা রয়েছে, যে উনি হঠাৎ ভারতে ক্রিকেট প্রশাসকের পদ পেলেন? কী ম্যাজিক ফর্মুলার জন্য উনি বিসিসিআই সচিব হলেন? এছাড়াও কেন তিনি এজেন্সিগুলির অপব্যবহার করছেন , সেই প্রশ্নও তোলা হয় রাজ্যের শাসক দলের তরফ থেকে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
কলকাতা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ -র বেশি আসনে জয়লাভ করবে বিজেপিঃ অমিত শাহ

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০০ -র বেশি আসনে জয়লাভ করবে বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ। শুক্রবার তাঁর সফরের দ্বিতীয় দিনে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করে বলেন, অনেক আশা নিয়ে ২০১০ সালে মা-মাটি-মানুষকে ক্ষমতায় এনেছিল বাংলার জনতা। মানুষের কোনও আশাই পূরণ করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার । মা-মাটি-মানুষের সরকারের স্লোগান এখন বদলে গিয়ে তুষ্টিকরণের স্লোগানে পরিণত হয়েছে। ১০ বছর ধরে শুধু তোষণের রাজনীতি হয়েছে। বাংলায় সঠিক পরিবর্তন আনতে পারে মোদির নেতৃ্ত্বাধীন বিজেপি সরকার। নরেন্দ্র মোদির দিকে আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে বাংলার মানুষ। যে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে , সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। সুযোগ পেলে ৫ বছরের সোনার বাংলা বানাবে বিজেপি। বাংলার মানুষের কাছে তাঁর আর্জি, আপনারা সবাইকে একটা করে সুযোগ দিয়েছেন। কমিউনিস্টদের সুযোগ দিয়েছেন, কংগ্রেসকে দিয়েছেন, তৃণমূলকেও দিয়েছেন। এবার মোদীজিকে একটা সুযোগ দিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মমতার আমলে প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে, রাজনীতির সঙ্গে অপরাধ জড়িয়ে গিয়েছে ও অবৈধ কাজকর্ম রাজ্যে প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আদিবাসী ও মতুয়া পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেননি অমিত শাহঃ অভিষেক অমিত শাহ আরও বলেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের রূপায়ণে সবথেকে খারাপ অবস্থায় রয়েছে রাজ্য। আয়ুষ্মান ভারত ও কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের সুবিধা পায়নি এই রাজ্যের মানুষ। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি -তে যোগদানের জল্পনাও জিইয়ে রাখলেন তিনি। বললেন, শুধুমাত্র দুজনের নামই না, তালিকা আরও অনেক বড় । তবে সরাসরি এই বিষয়ে কোনও উত্তর দেননি তিনি। তিনি আরও বলেন , করোনা পরিস্থিতি গেলেই দেশজুড়ে সিএএ চালু হবে। রাজ্যপাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , রাজ্যপাল তার সাংবিধানিক সী্মার মধ্যে থেকে কাজ করছে। এই রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন , রাজ্যপালের রিপোর্ট ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক বিষয়ের উপর ভিত্তি করে যে কোনও রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি করা হয়। সামনের বছরের এপ্রিল মাসে তো বিজেপি সরকার রাজ্যে আসবেই। তাই ৩৫৬ ধারা জারির কোনও প্রশ্ন নেই। এনসিআরবি রিপোর্ট নিয়ে তিনি বলেন, সব রাজ্য সেখানকার অপরাধের রিপোর্ট দিচ্ছে। বাংলা থেকে দেওয়া হচ্ছে না। ২০১৮ সালের পর আর রিপোর্ট পাঠাচ্ছে না রাজ্য । অ্যাসিড আক্রান্তে ঘটনায় বাংলা শীর্ষে । কতজন অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া সম্ভব হয়েছে ? পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে হবেন তা নিয়েও আজ দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। বলেন, বিজেপি বহু নির্বাচন কোনও মুখ ছাড়াই লড়েছে । বাংলায় বিজেপি-র মুখ শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করবে । তিনি আরও বলেন , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতি মাসে চিঠি লিখে টাকা চান। ওঁর হাতে অর্থ গেলে তৃণমূলের ক্যাডাররা খেয়ে নেবে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

বাগুইআটির মতুয়া পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহের

বাগুইআটির একটি মতুয়া পরিবারে শুক্রবার মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। মধ্যাহ্নভোজ সেরে গৃহকর্তা নবীন বিশ্বাসকে অমিত শাহ জানালেন , বাঙালিয়ানায় ভরপুর নিরামিষ খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেয়েছি। এদিন সকাল থেকে কয়েকটি কর্মসূচি সেরে বিকেলের দিকে আমিত শাহ পৌঁছে যান বাগুইআটির আদর্শনগরের গৌরাঙ্গপল্লিতে। আরও পড়ুন ঃ আমার দল মিউজিক পার্টি, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর প্রথমেই এলাকার হরিচাঁদ মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজো দিয়ে ঢোকেন নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে। সেখানেই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য। ভাত, রুটি, ডাল, পনির, শুক্তো, চাটনি, পায়েস-সহযোগে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া সারেন অমিত শাহ। অমিত শাহের সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা ও মুকুল রায়।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

‘আমার দল মিউজিক পার্টি’, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর

পূর্বঘোষণা মতো পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গীত প্রতিষ্ঠান শ্রুতিনন্দনে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে অমিত শাহের আসা প্রসঙ্গে অজয় চক্রবর্তী বলেন , অমিত শাহের মত একজন ব্যক্তি এসেছেন, এই সম্মান পাওয়ার জন্য আমি গুরুদের ধন্যবাদ দেব। তাঁর কথায়, রাজনীতি সংক্রান্ত কোনও কথা তাঁকে বলা হয়নি। আর তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি কোনও দলের সঙ্গে নেই। তাঁর দল একটাই, সঙ্গীত। তাছাড়া আমি মনে করি , দেশ সেবার জন্য রাজনীতি করতে হবে , তার কোনও মানে নেই। যে কোনও মানুষ তাঁর নিজের ক্ষেত্র থেকে দেশ সেবা করতে পারেন। আমি গানের মাধ্যমেই দেশ সেবা করতে চাই। দিল্লিতে অমিত শাহের বাসভবনে তাঁকে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেছেন , আমার গান খুব পছন্দ করেন। তাই কলকাতায় এসে একবার আমার বাড়িতে আসার ইচ্ছা ছিল। তাই আমার বাড়িতে আসা। আরও পড়ুন ঃ আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন একইসঙ্গে অজয় বাবু বলেন, শুধু অমিত শাহ নন , এর আগে অনেক রাজনীতিবিদ আমার বাড়িতে ঘুরে গিয়েছেন। দেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন এপিজে আবদুল কালাম আমার বাড়ি ঘুরে গিয়েছেন। তিনি নিয়মিত আমার গান শুনতেন। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে খুব সুসম্পর্ক ছিল। জ্যোতি বসু আমার বাড়িতে এসেছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য এই বাড়ি করার জন্য জমি দিয়েছেন। বাবুল সুপ্রিয় আমার ছাত্র। ওকে স্নেহ করি। দিলীপ ঘোষের সঙ্গেও কথা হয়। এছাড়াও তিনি বলেন , মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার খুব ভাল সম্পর্ক।আমার খুব ইচ্ছা ওনাকে একদিন আমন্ত্রণ করে বাড়িতে আনার।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ

বাংলায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার তিনি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর জন্য গোটা মন্দির চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মন্দিরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বঙ্গ বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। পুজো দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , পুজো দিয়ে আমি আপ্লুত। তিনি আরও বলেন , বাংলার এই পবিত্র ভূমি রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, প্রণবানন্দ ঠাকুর, শ্রী অরবিন্দের। কিন্তু এখানেই তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। তোষণের রাজনীতিতে ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আধ্যাত্মিক-ও ধর্মীয় চেতনায় দেশের শীর্ষে ছিল বাংলা। সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যবাসীকে বিচার-বিবেচনার উপর বিশেষ নজর দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাব। আরও পড়ুন ঃ বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের এছাড়াও তিনি আরও বলেন, মা কালীর কাছে গোটা দেশ তথা বাংলার মঙ্গল কামনা করেছি। মোদীর নেতৃত্বে দেশ এক নম্বরে পৌঁছক তাই চাই। দক্ষিণেশ্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ দিন ছিলেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয়, অনুপম হাজরা-সহ আরও অনেকে। এছাড়াও মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরে ছিলেন বিজেপির মহিলার মোর্চার সদস্যারাও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার

রাজ্য সফরে এসে পূর্বসূচি অনুযায়ী চতুরদিহি গ্রামে গিয়ে বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুপুর তিনটে নাগাদ তিনি বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। তিনি প্রথমে উঠোনে থাকা খাটিয়াতে বসেন। তারপর তাকে যখন খেতে দেওয়া হয় , তখন তিনি খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের উপর বসেন। কাঁসার থালার উপর কলাপাতায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। মেনুতে ছিল, ভাত, শাক, পটল বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ। তিনি অবশ্য মিষ্টি খাননি। তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিলেন বিভীষণ হাঁসদা , দিলীপ ঘোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা-সহ অন্য নেতারাও। খাওয়ার পর রান্নার প্রশংসা করতে ভোলেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টুইটে লেখেন, চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে চমৎকার বাঙালি খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনো শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবে না। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে রেঁধে খাওয়ানো গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য অবশ্য বিজেপি কর্মী বিভীষণ হাঁসদা বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী মণিকাকে নিয়ে আমাদের পরিবারে মোট ৬ জন সদস্য। দিনমজুরির কাজ করেই সংসার চলে। আমার একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। মেয়ে রচনা হাঁসদা বর্তমানে ক্লাস টুয়েলভ পড়ে। এমনিত পড়াশোনায় ভাল তবে মধুমেহ রোগের জন্য তাকে মাসে তিন বার ইনসুলিন নিতে হয়। এর জন্য প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা খরচ হয়। আমি ভেবেছিলাম আজ এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু, প্রচুর মানুষের ভিড় তাঁকে আর সেই কথা বলে উঠতে পারলাম না। তাই ভাবছি চিঠি লিখে মেয়ের চিকিৎসায় সাহায্য করার জন্য ওনার কাছে আবেদন জানাব।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

রাজ্য নেতৃত্বকে বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন অমিত শাহ

রাজ্য নেতৃত্বকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া শহরের রবীন্দ্র ভবনে দলীয় কর্মসূচিতে যান অমিত শাহ । সেখানে তিনি দলের নেতাদের বলেন , রাজ্যে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনমানসে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। আরও পড়ুন ঃ ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে কয়েক হাজার বাস-গাড়িতে লাখো অনুগামী-সমাগম এদিনের বৈঠকে উঠে আসে , লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে রাজ্যের ১২১ টি বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়েছিল বিজেপি। সেই ১২১ টি বিধানসভা কেন্দ্রে জয় নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও কোন ৬৯ টি কেন্দ্রে জয়ের সম্ভাবনা আছে বিজেপি প্রার্থীদের , সেই তালিকাও তৈ্রি করতে বলা হয়েছে দলের নেতা- কর্মীদের। দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃ্ত্বের তরফ থেকে গোপনে করা সমীক্ষা থেকেও উঠে এসেছে , রাজ্যে ২০২১ সালে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখন থেকে সংগঠনকে মজবুত করে জয়ের লক্ষ্যে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ , মুকুল রায় , অনুপম হাজরা , সৌ্মিত্র খান সহ বিভিন্ন নেতারা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ আসনে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এভাবেই বৃহস্পতিবার তৃণমূ্লের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । এদিন তিনি সাড়ে এগারোটা নাগাদ আকাশপথে বাঁকুড়ায় পৌঁছন । সেখানে তিনি মালদ্যান করেন বিরসা মুণ্ডার মূর্তিতে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন , বিরসা মুণ্ডাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা সফর শুরু করলাম। গতকাল রাত থেকে বাংলার যে প্রান্তেই ছিলাম সব জায়গায় মানুষের উৎসাহ দেখেছি। বিপুল অভ্যর্থনা পেয়েছি। এটা থেকেই স্পষ্ট, মমতা সরকারের প্রতি ভয়ংকর জন আক্রোশ তৈরি হয়েছে। আর মোদির প্রতি তৈরি হয়েছে আশা আর শ্রদ্ধা। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার এরপর পুয়াবাগান এলাকা থেকেও রাজ্যের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দেন শাহ। বলেন, মমতা সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। এদিন রাজ্যবাসীকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে কর্মসংস্থান হবে। বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরি পাবে। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারকে ছুঁড়ে ফেলুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন , মমতা সরকারের কারণেই কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না প্রান্তিক মানুষেরা। এছাড়াও তিনি বলেন , বাংলার সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িয়ে রয়েছে। আপনাদের সকলের কাছে আর্জি, বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। আগামী দিনে সোনার বাংলা গড়ব আমরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে পা রেখেই মদন ঘড়ুইয়ের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ

বুধবার রাতে কলকাতা শহরে পা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বুধবার দমদম বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, অনুপম হাজরা-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। পূর্বসূচি অনুযায়ী রাত ৯. ০৫ নাগাদ বিমানবন্দরে নামেন অমিত শাহ। পুষ্পবৃষ্টি ও ঢাকঢোল বাজিয়ে তাঁকে বরণ করা হয়। শহরে এসেই তিনি কথা বললেন মৃত বিজেপি কর্মী মদন ঘড়ুইয়ের পরিবারের সঙ্গে। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্তা ও লাগাতার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন মৃত ওই বিজেপি কর্মীর পরিবার। সব শুনে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ জানা গিয়েছে, এদিন অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাত করতে শঙ্কুদেব পণ্ডার সঙ্গে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন মদন ঘড়ুইয়ের ছেলে, বউ ও ভাই। অভিযোগ, বিধাননগর পুলিশ বাধা দেয় তাঁদের। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে কথা বললে তাঁদের শাহর সঙ্গে দেখা করানোর অনুমতি মেলে। শঙ্কুদেব পণ্ডার দাবি, অমিত শাহই মৃত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন বলেছিলেন। বৃহস্পতিবারও ময়নাতদন্ত না হলে তা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন , নিষ্ঠুরতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা আত্মত্যাগ করেছে , বিজেপি সবসময় সেই কার্যকর্তাদের কাছে ঋণী থাকবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

আজ দু'দিনের রাজ্য সফরে অমিত শাহ

বিধানসভা ভোটের লক্ষ্যে বুধবার রাতে দুদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুদিনের সফরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। আজ রাতে তিনি থাকবেন রাজারহাটের একটি হোটেলে। সেখানে তিনি বৈঠক করবেন মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেননের সঙ্গে। আগামীকাল তিনি বাঁকুড়ায় সাংগঠনিক বৈঠক করবেন নেতৃত্বের সঙ্গে। সেখানে বিরসা মুণ্ডার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আদিবাসী গ্রাম চতুর্দহীতে আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে নাঃ শুভেন্দু এছাড়াও শুক্রবার, ৬ নভেম্বর দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন অমিত শাহ। তারপর সল্টলেকে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে একুশের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক করবেন শাহ। এছাড়াও সল্টলেকের ইজেডসিসিতে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। শুক্রবারই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ২০০ জন প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করবেন শাহ। জানা গিয়েছে , উত্তর ২৪ পরগনার গৌরাঙ্গনগরে কর্মসূচি রয়েছে অমিত শাহের। রাজ্য সফরে এসে বৃহস্পতিবার রাজারহাটের মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে মাটিতে বসে ভাত-ডাল খাবেন অমিত শাহ। এছাড়াও তিনি পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গিয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

আগামী ৬ নভেম্বর পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর  বাড়িতে অমিত শাহঃ অর্জু্ন সিং

ক্যানিংয়ে আমাদের কোনও সংগঠন নেই যে আমাদের লোকেরা ওদের গুলি মারবে। নিজের নিজের ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে লড়ছে । ভাইপো বনাম পিসির লড়াই চলছে ওখানে। মঙ্গলবার তৃ্ণমূলের সমালোচনা করে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ অর্জু্ন সিং। তিনি বলেন , পশ্চিমবঙ্গে যারা রাজনৈতিক দলের লোক আছে , তাদের সবাইকে বলব , সাবধানে থাকুন। তৃ্ণমূলের গোষ্ঠী্দ্বন্ধের লড়াইতে সাধারণ মানুষ খুন হচ্ছে। আর দোষ চাপাচ্ছে বিজেপির উপরে। কখনও অন্য রাজনৈতিক দলের উপরে। ভো্ট যখন আসে , তখন তৃ্ণমূলের লোকেরা এসব করে থাকে। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এটা পুরোপুরি অরাজনৈতিক ব্যাপার। আগামী ৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওনার সঙ্গে দেখা করবেন। সে বিষয়ে ওনার কাছে আবেদন জানাতে গিয়েছিলাম। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ে গুরুংয়ের কোনও অস্তিত্ব নেইঃ বিনয় কৈলাস বিজয়বর্গীয় পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে বলেন , উনি বাংলা তথা দেশের গর্ব। আমি ওনাকে প্রণাম করতে গিয়েছিলাম। তৃ্ণমূলের যে গণ্ডগো্ল তা সিন্ডিকেট , কাট্মানি ও পয়সার জন্য হচ্ছে।কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, সকালে ও বিকালে বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দুটি বৈঠক করবেন অমিত শাহ। অনেকের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ

রাজ্যের রাজ্যপালের পাহাড় সফর নিয়ে যাঁরা বিরোধিতা করছেন তাদের পাহাড়ে ওঠার হিম্মত নেই। তাই তাঁরা রাজ্যপালকে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সমালোচনা করছেন। মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুর রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে চায়ে পে চর্চা কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যপালের স্বপক্ষে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন , রাজ্যপালের পাহাড় সফর যুক্তি সম্মত। রাজ্যপালের পাহাড়ে যাওয়াতে পাহাড়ের মানুষ সাহস পাবে, উৎসাহিত হবে। একজন রাজ্যপাল তার দায়িত্ব কর্তব্যকে বজায় রেখে কাজ করছেন। আরও পড়ুন ঃ বিমল গুরং আইনের ঊর্ধ্বে নয়ঃ বিনয় উল্লেখ্য , পাহাড় ইস্যুতে বুধবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বিনয় তামাংয়ের। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন , যাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী যাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ রয়েছে তাদের হাত ধরে মমতা ব্যানার্জী পাহাড়ে উঠতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই করুক পাহাড়ে তৃণমুলের ঝান্ডা উড়বে না। এদিনের এই কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

বিজ্ঞাপনে টাকা খরচ নিয়ে মোদির সমালোচনা তৃণমূলের

করোনাকালে অজস্র পরিযায়ী শ্রমিক ও চিকিৎসার সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন, তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । কোনও কিছু না ভেবেই বৃথ বিজ্ঞাপনের পিছনে টাকা খরচ করা হয়েছে , এটা ভয়ঙ্কর। সোমবার টুইট করে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে এভাষাতেই তোপ দাগলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার টুইটে লিখেছেন , নির্লজ্জভাবে জনগণের টাকা অপব্যবহার করছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। গরিব ও প্রান্তিক মানুষদের জন্য এই সঙ্কটজনক সময়ে অনেক কিছু করা যেত। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম টুইটে লেখেন, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে।নিজের সরকারের বিজ্ঞাপনের জন্য জনগণের টাকা নয়ছয় করছে। এটাই মোদির সুশাসন। আচ্ছে দিন ?

নভেম্বর ০২, ২০২০
দেশ

বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার আগে রাজনীতি থেকে অবসর নেবঃ মায়াবতী

বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার আগে রাজনীতি থেকে অবসর নেব। ভো্লবদল করে সোমবার একথা জানালেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। প্রসঙ্গত , সম্প্রতি তিনি বলেছিলেন, সপা প্রার্থীকে হারাতে প্রয়োজনে তিনি বিজেপিকে সমর্থন করবেন। বিএসপি নেত্রী এদিন বলেছেন , রাজনৈতিক ফায়দার জন্য তাঁর বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করেছে সমাজবাদি পার্টি ও কংগ্রেস। ভবিষ্যতে কোনও নির্বাচনেই বিজেপির সঙ্গে বিএসপির জোট হতে পারে না। আমাদের আদর্শ সর্বধর্ম সেবা। আর বিজেপি আপাদমস্তক সাম্প্রদায়িক দল। ওঁদের সঙ্গে জোট করার আগে আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেব। আরও পড়ুন ঃ বিহারের মসনদের জন্য লড়াই করা যুবরাজকে মানুষ ধরাশায়ী করে দেবেঃ মোদি মায়াবতী আরও বলেন, তিনি সপা প্রার্থীকে সমর্থন করবেন না বলে জানিয়েছিলেন। বহুজন সমাজবাদি পার্টির দিক থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের সমর্থন কেড়ে নিতেই তাঁকে বিজেপির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখ্য , মায়াবতীর বিজেপিকে সমর্থন করা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় দলের অন্দরে। তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে কংগ্রেসও। পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাই এদিন নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মায়াবতী।

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় বিজেপি কর্মী খুন

এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম বীরেন্দ্র সাউ (৪৪)। স্থানীয়রা জানান, গত ১০ অক্টোবর মিথ্যা বোমাবাজির জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পঞ্চমীর দিন বীরেন্দ্র জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিল। অভিযোগ , সপ্তমীর দিন রাতে ঠিক বাড়ির উল্টোদিকে বসেছিলেন বীরেন্দ্র সাউ। ঠিক সেই সময় বাবুয়া, মন্নু সাউ-সহ তৃণমূলের পাঁচ-ছয়জন এসে পিস্তলের বাট দিয়ে বেধড়ক পেটায় বীরেন্দ্রকে। মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকে কল্যাণী হোমে রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। ফের বুকে ব্যথা শুরু হলে শনিবার রাতে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আরও পড়ুন ঃ অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি অধীরের এই ঘটনা প্রসঙ্গে ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন কুমার সিং বলেন, পিস্তলের বাট দিয়ে চিপ্পাকে মারধোর করেছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। মাথায় আঘাত লাগায় ওকে কল্যাণীর একটি হোমে রেখে চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। শনিবার রাতে বুকে ব্যাথা শুরু হলে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পবনের দাবি, বাংলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। নিত্যদিন বাংলায় বিজেপি কর্মী খুন হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন উদাসীন।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

মল্লারপুরের ঘটনায় পুলিশের বক্তব্যে সিলমোহর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে

মল্লারপুরের বাসিন্দা শুভ মেহেনার পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি । পুলিশ প্রথন থেকেই বলে আসছিল , শুভ গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এবার ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে পুলিশের বক্তব্যকেই স্বীকৃ্তি দিল। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই রিপোর্টে নাবালকের গলায় দড়ির দাগ পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া অন্য কোনও ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন ঃ ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার উল্লেখ্য, চুরির অভিযোগে মল্লারপুরের বারুইপাড়ার বাসিন্দা শুভ মেহেনা নামে এক নাবালককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। গভীর রাতে মৃত্যু হয় শুভর। এরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার মল্লারপুরে বন্ধ ডাকে বিজেপি। মল্লারপুর বাজার থেকে থানা পর্যন্ত মিছিল করে গেরুয়া শিবির। তাতে নেতৃত্ব দেন সৌমিত্র খাঁ। মিছিল শেষে থানায় ঢুকতে গিয়ে বাধা পান বিজেপি নেতা। তারপর তুমুল অশান্তিও হয়। সৌমিত্র খাঁ ওসির শাস্তির দাবি জানান। সুবিচারের দাবিতে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হওয়ার কথাও বলেন তিনি।

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের

ওনারা ওকে বিজেপিতে পাঠিয়েই দেবেন? আমরা দরজা বড়ো করে খুলে রেখেছি সবাইকে নেওয়ার জন্য। ওনারা যদি কাউকে পাঠিয়ে দেন আমরা দলে নেব। রবিবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর সুলঙগুড়িতে চা চক্রে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত , ববি হাকিম বলেছিলেন , শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গিয়ে বিজেপি তাদের রাজ্য সদর দফতর মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বসাক। সেই কথার সূ্ত্র ধরেই এদিন এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, একজন রাজনীতিবিদ রাজনীতি করতে চাইলে বিজেপি সুযোগ দেবে। আমার সঙ্গে অবশ্য কারও কোনো আলোচনা এখনও হয়নি। ববি-শুভেন্দুর বাকযুদ্ধ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেটা ওদের পার্টির ভিতরে চলছে। আমার কিছু বলার নেই। তারাই মিটিয়ে নিক নিজেদের ব্যাপার। আরও পড়ুন ঃ আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর রেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এই নিয়ে এতদিন বসেনি কেন ? কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চিঠি লিখেছে। ওনাদের কানে জল ঢোকেনি। যখন মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে , পুলিশ লাঠি চালাচ্ছে। তখন এই সরকার নড়েচড়ে বসছে। এদের চামরা এত মোটা হয়ে গেছে। কানে তালা লেগে গেছে। মানুষের দুঃখ - কষ্ট শুনতে পায় না। যদি অন্যান্য রাজ্যে লোকাল ট্রেন চলতে পারে , এই রাজ্যে মেট্রো , টোটো , অটো , বাস , ট্রাম চলতে পারে। তাহলে লোকাল ট্রেন কেন চলবে না ? এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, জেদের জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই বিষয়ে তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

৬ নভেম্বর কলকাতায় অমিত শাহঃ দিলীপ

আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আমাদের হিসেব অনুযায়ী ৫ টা জোনের মধ্যে একটা জোনের বৈঠক হয়ে গেছে। রাঢ়বঙ্গ ও মেদিনীপুর জোনের বৈঠক ৫ তারিখ বাঁকুড়া জেলায় হবে। বাঁকুড়াতে রবীন্দ্র ভবনে অথবা সপ্তর্ষি হোটেলে এই সভা হবে। ৬ তারিখ নবদ্বীপ ও কলকাতা জোনের বৈঠক কলকাতায় হবে। কলকাতার ইজেডসিসিতে এই বৈঠক হবে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এই বৈঠক হবে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন। শনিবার ছিল বিজেপির সাংগঠনিক সভা। সেই সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের আগামীদিনের কর্মসূচি বিস্তারিত জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) শিবপ্রকাশ , জাতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন সহ আরও অনেকে। আরও পড়ুন ঃ নিম্নচাপের জের , বিকেলে কলকাতায় হালকা বৃষ্টিপাত এদিন তিনি আরও বলেন , মল্লারপুরের ওই নাবালক যদি তৃণমূলেরই হয় , তাহলে তাকে মারার অধিকার পুলিশের আছে নাকি ? ওখানে তো মরে গেলে সব টিএমসি হয়ে যায়। কার দলের মারা গেছে তা গৌণ। সে তো নাবালক ছিল , কোনও দলের সদস্যই সে ছিল না। তাকে তুলে নিয়ে এসে পুলিশ লক আপে মেরে ফেলা হল। সেটা নিয়ে আবার রাজনীতি খোঁজা হচ্ছে। তার মৃত্যুটা নিঃসন্দেহে খুব মর্মান্তিক। এটা আইনশৃঙ্খলাহীনতা।পুলিশ যে কি নির্মম হয়ে গেছে , কেবল রাজনৈ্তিক দলের কথা বলছে।তারপর তার পরিবারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বলানো হচ্ছে, আমরা টিএমসি করি। তাতে কি সাতখুন মাফ হয়ে গেল ? প্রশাসনের উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তোলে্ন তিনি। বিমল গুরুং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক নেই , উনি ঘোষণা করেছেন। আমরা কাউকে তাড়াইনি। এবার তাদের ওখানে জমি দখলের লড়াই হচ্ছে। সেটা ওনারা বুঝে নেবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে পূর্ব বর্ধমানে দিনভর কর্মশালা, উপস্থিত জেলার বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা

গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অর্থ বরাদ্দের নিয়ম, প্রযুক্তিগত প্রয়োগ ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনানিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান: গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজের ধারাকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যবহারের উপর জোর দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সোমবার, ২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এবং STARPARD-এর উদ্যোগে আয়োজিত হল একদিনের বিশেষ কর্মশালা। জেলার সমস্ত সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ব্লক তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিক-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।কালনা গেটের এগ্রিকালচার ফার্মে অবস্থিত জেলা পঞ্চায়েত প্রশিক্ষণ ও সম্পদ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায়।কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ কোন কোন ক্ষেত্রে এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি নির্দেশিকা মেনে অর্থ ব্যয়ের নিয়মকানুন, বরাদ্দ অর্থ ব্যবহারের প্রযুক্তিগত ও প্রায়োগিক দিক এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আধিকারিকদের অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জমা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিগুলির থিমভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ কীভাবে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও প্রশিক্ষকরা বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মশালায় উঠে আসে।বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে স্থানীয় উন্নয়নে জোর২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়ানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থ যাতে আরও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ দেন প্রশিক্ষকরা।কর্মশালার সভাপতি তথা জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায় বরাদ্দ অর্থের সঠিক, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী ব্যবহারের জন্য সকল আধিকারিকের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু আধিকারিক স্তরেই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও ধাপে ধাপে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার আওতায় আনা হবে।দিনভর চলা এই কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ও অর্থ ব্যবহারের নিয়মাবলি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং যথাযথ ব্যবহারের পর প্রয়োজনীয় শংসাপত্র প্রদানের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কাজে অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দীপাবলিতে বাজি না পোড়ানোর বার্তা দিতেই তীব্র আক্রমণ! মারাত্মক বিতর্কের মুখে বলি অভিনেত্রী দিয়া মির্জা

আদালতের নির্দেশে শব্দবাজি না পোড়ানোর বার্তা দেওয়াই যেন কাল হলো বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার জন্য। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে আমজনতার কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল বৃহ্নমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। কিন্তু সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্কের ঝড়। মুম্বই বিজেপির সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে দীপাবলি পালন করতে হবে তা নিয়ে কারোর কাছে কোনো জ্ঞান শুনতে চান না তিনি। চমকপ্রদ বিষয় হলো, একই ধরনের সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিত, অজিঙ্ক রাহানে এবং নিশিগন্ধা ওয়াডকে দিয়েও। কিন্তু বাকি তিন তারকার বিরুদ্ধে একটি কথাও না উঠলেও, আক্রমণের সমস্ত তির গিয়ে বিধেছে কেবল দিয়া মির্জার গায়েই।আসলে কিছু দিন আগেই পরিবেশ রক্ষা ও শব্দদূষণ রুখতে বম্বে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, দূষণমুক্ত উৎসব পালনে পরিচিত মুখদের দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাক প্রশাসন। দিয়া মির্জা দীর্ঘ দিন ধরেই পরিবেশ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সরব হন, সেই কারণেই হয়তো বিএমসি তাঁকে এই বার্তার জন্য বেছে নিয়েছিল। পুরনিগমের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে দিয়া সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাঁরা বাজি না ফাটান এবং উৎসবের নামে শব্দদূষণ থেকে বিরত থাকেন।কিন্তু এই ভিডিও সামনে আসার পরেই চরম ক্ষোভ উগরে দেন মুম্বই বিজেপির সভাপতি অমিত সাতনাম। সরাসরি দিয়াকে নিশানা করে তিনি স্পষ্ট জানান, কীভাবে উৎসব উদযাপন করা হবে তা অন্য কারো কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই, কারণ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গেই এই রীতিনীতিগুলি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। মজার বিষয় হলো, যে পুরনিগম ভিডিওটি তৈরি করেছে সেই বিএমসির দায়িত্বে বর্তমানে এই দলই রয়েছে। নিজেদের প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি ভিডিও হলেও বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করতেই তড়িঘড়ি দিয়া মির্জার বার্তাটি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়। ঠিক কী কারণে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলো তা নিয়ে বিএমসি মুখ খোলেনি, তবে মাধুরী বা রাহানের মতো অন্য তারকাদের ভিডিও কিন্তু এখনও পেজে বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই পুরো ঘটনাটি কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম শোরগোল মুম্বইয়ের রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাস কেলেঙ্কারিতে এবার ইন্দ্রনীল-কন্যা! স্ত্রীকে জেরার পর সোমবারই লালবাজারে তলব আভেরিকে, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর নাম করে ইউনেস্কোর লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার ও পাস বিক্রির বিরাট দুর্নীতি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। শনিবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রীকে জেরা করার পর, এবার লালবাজার গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে তাঁর মেয়ে আভেরি সেন। সোমবারই তাঁকে লালবাজারে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন তদন্তকারীরা। লালবাজার সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও মোটা টাকার অসংগতিপূর্ণ লেনদেনের চরম সূত্র পেয়েছেন সিটের আধিকারিকরা। আর সেই টাকার উৎসের খোঁজ পেতেই আভেরিকে সামনাসামনি বসিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রীকে গরাদে পুরার তিন দিনের মধ্যেই শনিবার তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে লালবাজারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। পাস বিক্রির দায়িত্বে থাকা মাস আর্ট নামক সংস্থার সভানেত্রী ছিলেন মধুছন্দাদেবী। সংস্থার নানা নথিপত্রে তাঁর সই যেমন রয়েছে, তেমনই ইউনেস্কোর লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পেছনেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। লালবাজারের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে প্রায় ৬৬ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছিল এই মাস আর্ট সোসাইটিকে। এরপর সেই টাকার একটা বড় অংশ, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকা ঘুরপথে চলে যায় আইস্কেপ ও মায়রা নামের দুটি সংস্থায়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই দুটি সংস্থার পুরোটাই পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন ইন্দ্রনীলের কন্যা আভেরি।সেই জটিল আর্থিক লেনদেনের জাল গুটিয়ে আনতেই এবার সেন বাড়ির মেয়েকে তলব করল লালবাজার। তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সংস্থার কর্মীদের উপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খুব দ্রুত তাঁদের প্রত্যেককেও একে একে ডেকে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় দুর্গোৎসবের উদ্যোক্তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে, ইউনেস্কোর লোগো দেখেই তাঁরা এই উদ্যোগে বিশ্বাস রেখেছিলেন। মাস আর্টের কর্মীরাই সরাসরি মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর সমস্ত বন্দোবস্ত করতেন। পরিবর্তে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য কিছু টাকা ও প্রবেশদ্বারে আলোর গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হতো। ওই বিজ্ঞাপনী গেট বাবদ দেড় থেকে দুলাখ টাকা হাতে পেলেও, কোটি কোটি টাকার পাস বেচে উদ্যোক্তাদের সামান্য কিছু টাকায় সন্তুষ্ট রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে লালবাজার। সোমবার ইন্দ্রনীল-কন্যার জেরার পর এই দুর্নীতিতে আরও বড় মাথার নাম সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি কার জন্য? দিল্লির ব্যবসায়ীদের অভিযোগের জবাব দিলেন রাহুল

দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের জনসভাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। ওই সভার কারণে এক দিনেই ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন। তাদের অভিযোগ, উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে এই সভার আয়োজন করায় শহরের বহু বাজার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ জারি ছিল। ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা থেকে শুরু করে পরিবহণ, হোটেল এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতি হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দাবি, রবিবার ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বড় সভার কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, দীপাবলির আগে এই সভা না করার জন্য রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। চিঠি লিখে তাঁদের অনুরোধ করা হয়েছিল, দীপাবলির পরে সভার আয়োজন করতে। কারণ, সভার জন্য যানজট এবং রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের।সংগঠনটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রামলীলা ময়দানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা একাধিক বড় বাজারে ব্যবসা বন্ধ ছিল। কাশ্মীরি গেট, মোরি গেট, চাঁদনি চক, চৌরি বাজার, খারি বাওলি, নয়া বাজার, সদর বাজার, আজমেরি গেট, দরিয়াগঞ্জ, পাহাড়গঞ্জ, কমলা মার্কেট, জামা মসজিদ, লাজপত রাই মার্কেট, তিলক বাজার, কনট প্লেস, গফ্ফর মার্কেট এবং করোল বাগের মতো এলাকার বাজারে এর প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির হিসাব বলছে, দিল্লির প্রায় তিন লক্ষ দোকানের মধ্যে আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল। এর ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসায় প্রায় ৮৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।শুধু দোকানপাট নয়, পরিবহণ এবং পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। রামলীলা ময়দানের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকায় পরিবহণ ও পণ্য সরবরাহে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এ ছাড়া হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তরাঁ এবং পর্যটন ক্ষেত্র মিলিয়ে আরও প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।সব মিলিয়ে এক দিনের জনসভার কারণে ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। এই ক্ষতির দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।অন্য দিকে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই অভিযোগের পাল্টা কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য বিরোধীদের সভাকে দায়ী করা ঠিক নয় বলেই তাঁর বক্তব্য।ব্যবসায়ী সংগঠনের অভিযোগ এবং রাহুল গান্ধীর পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি। এই অঙ্কের স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিনের সঙ্গীকেই আছড়ে দিল হাতি! আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মাহুত হীরা

দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। সেই হাতির হামলাতেই গুরুতর জখম হলেন মাহুত হীরা রাভা। সোমবার সকালে আলিপুরদুয়ারের পানিঝোরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর মেরুদণ্ডে চোট লেগেছে। শরীরের একাধিক হাড়েও চিড় ধরেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় বনকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আহত মাহুতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ইস্ট দমনপুর রেঞ্জের চেকো বিটের পানিঝোরা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। চন্দন নামে একটি হাতিকে জঙ্গলে ঘোরানোর পর ডিপোয় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাহুত হীরা। সেই সময় আচমকাই পিছন দিক থেকে হীরাকে ধাক্কা মারে হাতিটি। আচমকা এই আক্রমণে সামলে উঠতে পারেননি তিনি। গুরুতর জখম হন হীরা।ঘটনার পরেই ছুটে আসেন অন্য বনকর্মীরা। তাঁরা কোনও রকমে চন্দনকে ডিপোর ভিতরে আটকে রেখে আহত হীরাকে উদ্ধার করেন। এর পর তাঁকে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ অনিন্দ্য সাহা জানিয়েছেন, হীরার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর। তাঁর মেরুদণ্ডে সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া শরীরের একাধিক হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করছেন।দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনার মুখে পড়লেন হীরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ আহত মাহুতের চিকিৎসার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হীরার সঙ্গে দেখা করে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহুতের শারীরিক অবস্থার দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

অন্ধ্রের দিকে ধেয়ে আসছে মুরাসু, বাংলায় সোমবার থেকে মঙ্গলবার কোথায় কোথায় বৃষ্টি?

ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মুরাসু। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মাঝরাতের পর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের ওঙ্গোলের কাছে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার আবহাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কি রাজ্যে দুর্যোগ নামবে?আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে এক-দুটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।দক্ষিণবঙ্গেও সোমবার ও মঙ্গলবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।তবে ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার আশঙ্কা না থাকায় রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আপাতত নজর রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং উপকূলে আছড়ে পড়ার পরিস্থিতির দিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

মাঝরাতে মহাকরণের কাছে ভয়াবহ আগুন! পুড়ে ছাই অফিসের নথি, ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন

মাঝরাতে কলকাতার বুকে ফের অগ্নিকাণ্ড। মহাকরণের পিছনে বিবাদী বাগের লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় একটি বহুতলের অফিসে আগুন লাগল। রবিবার ভোররাতে এই ঘটনা নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আগুনে অফিসের বহু নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে গিয়েছে বলে খবর। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকরণের ঠিক পিছনে লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় ওই বহুতলটি রয়েছে। সেখানে চার থেকে পাঁচটি সংস্থার অফিস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৩টে নাগাদ বহুতলটি থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের বাসিন্দারা। এর পর দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।আগুনের উৎস খুঁজতে এবং ভিতরে জমে থাকা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে দমকল কর্মীরা বিশেষ যন্ত্র ও গ্যাস মাস্ক ব্যবহার করেন। সকালের দিকে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই বহুতলের চারতলায় থাকা অফিসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।দমকল কর্মীদের দাবি, আগুনে অফিসের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটারও ভস্মীভূত হয়েছে। সকাল ৮টার পরেও বহুতলের কিছু জায়গায় আগুনের ছোট ছোট অংশ জ্বলছিল। সেগুলি নেভানোর কাজ চালান দমকল কর্মীরা। এর পর শুরু হয় ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া, যাতে ফের আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। কী কী নথি নষ্ট হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দমকলের তরফে এখনও কোনও কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। আগুন পুরোপুরি নিভে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে অগ্নিকাণ্ডের উৎস খোঁজা হবে। পাশাপাশি, বহুতলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলে দমকল সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

দীর্ঘক্ষণ শৌচালয় থেকে বেরোলেন না, দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ! বিধানসভায় কী ঘটেছিল?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শৌচালয় থেকে এক ক্যান্টিন কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম উমেশ চন্দ্র। তাঁর বয়স ৪৬ বছর। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনে কাজ করছিলেন। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। তদন্তে পুলিশ কুকুরও নামানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ বিধানসভার শৌচালয় থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিদিনের মতো এ দিনও তিনি শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেননি। বিষয়টি নজরে পড়ে তাঁর সহকর্মীদের। তাঁরা ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। এর পর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে শৌচালয়ের দরজা ভেঙে ভিতর থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার করে।এর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, উমেশের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তা হলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।উমেশের এক সহকর্মীর দাবি, শৌচালয়ে গিয়ে কোনওভাবে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। পড়ে যাওয়ার সময় তাঁর মাথা বেসিনে লেগে থাকতে পারে বলেও জানান ওই কর্মী। তাঁর কথায়, উমেশের এক দাদা ও বৌদি রয়েছেন। তিনি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal