• ১৯ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

রাজনীতি

বহিরাগত রয়েছেন তৃণমূলেওঃ দিলীপ

তৃণমূল রাজনীতি করতে গিয়েই বহিরাগত তত্ত্ব আমদানি করছে। শনিবার বহিরাগত ইস্যুতে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূলেও সে অর্থে বহিরাগত রয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি দুই রাজ্য সভার সাংসদ কেডি সিং এবং আহমেদ হাসান ইমরানের প্রসঙ্গ তুলে আনেন। সঙ্গে টানেন পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গও। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে যেসব লোক পরিযায়ী হয়ে বাইরে যায়, তাদের কি বহিরাগত বলা হয়? তারা ফিরে এলে কি চাকরি দিতে পারবে বর্তমান সরকার? দিন কয়েক আগে তিনি বাংলাকে গুজরাট বানানোর কথা বলায় রাজ্য জুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আজও নিজের মন্তব্যেই অনড় থেকেই দিলীপ বলেন, বাংলাকে গুজরাট বানাব। বাঙালি সেখানে গিয়ে কোটিপতি হয়েছে। হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ বাঙালি শ্রমিক ওখানে কাজ করছে। আরও পড়ুন ঃ শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যপালের চিঠি দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, রাজ্যপালকে উত্তর না দিলেও চলে যাবে। কিন্তু বাংলার মানুষকে উত্তর দিতেই হবে। আর তা না হলে তৃণমূলকে গলাধাক্কা দেবে বাংলার মানুষ। পাশাপাশি দিলীপবাবুর দাবি, বিজেপি তৃণমূলের লোক ভাঙানোর চেষ্টা করছে না। বরং তৃণমূলকে উচ্ছেদ করেই নতুন সরকার গড়বে বিজেপি। শনিবার বিবেকানন্দ পার্কে ছটপুজোর অনুষ্ঠানে সামিল হয়ে সেকথাই বলেন তিনি। বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, আমি কিংবা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি শাসন চাইলে হবে না। সাধারণ মানুষ ঠিক করবেন কী হবে আর না হবে। রাজ্যপাল আছেন। তিনি কেন্দ্রকে জানাবেন। দিলীপবাবু বলেন , আত্মবিশ্বাস কমে গিয়েছে বলেই রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরের সামনে এত বেশি পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করেছে রাজ্য সরকার। তিনি আরও বলেন, বিয়ে, অন্নপ্রাশন সবকিছুতে রাজনীতি হয় বাংলায়। একটা দল সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চায় বাংলায়। এভাবে কাউকে আটকানো যায় না।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। এরমধ্যেই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, সৌগত রায়-সহ অন্তত ৫ জন তৃণমূল সাংসদ যে কোনও সময়ে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুত। এটা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। শনিবার সকালে ছটপুজো উপলক্ষে নৌকায় করে গঙ্গা ভ্রমণের সময়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপিতে স্বাগত। উনি যেদিন বিজেপিতে যোগ দেবেন সেদিই সরকার ভেঙে যাবে। রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ বলেছেন, শুভেন্দু একজন জননেতা। সচেতন মানুষ। ওনাকে তৃণমূলে ক্রমাগত অপমান করা হচ্ছে। ওনার তৃণমূল ছেড়ে চলে আসা উচিত। বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানাতে সবসময় প্রস্তুত। যদিও অর্জুনের দাবি খণ্ডন করে সৌগত রায় জানিয়েছেন, রাজনীতি ছেড়ে দেব, মরে যাব, তবু বিজেপিতে যাব না। রাজ্যে এসে এসব শিখিয়ে দিয়ে গেছেন অমিত মালব্যরা।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ

আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি করিনি। বাংলার মানুষ যদি চায় , তাহলে আমাদের ভাবতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন চাওয়া প্রসঙ্গে শুক্রবার এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, রাজ্যে যেভাবে বিরোধীদের কন্ঠ রোধ করা হচ্ছে , গ্রেফতার করা হচ্ছে , শেষকৃ্ত্যে সামিল হতে গেলে বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের মামলা দেওয়া হচ্ছে , তাতে অনেকেই মনে করছেন রাজ্যে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা হোক। আরও পড়ুন ঃ খুনের রাজনীতি বন্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ বাবুল দিলীপবাবু এদিন আরও বলেন, আমরা আমাদের দলের লোকদের নিয়ে কাজ করছি। যারা আসছেন , তারা আমাদের সহযোগিতা করতে আসছেন তৃণমূল বলুক , পিকে বহিরাগত না দলের? তার কথাতেই দল চলছে। তার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত দলের বহু নেতা। কই আমাদের দলে তো তা নয়। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যে বক্তব্য রাখছেন , সে বিষয়ে তিনি বলেন , মন্ত্রীদের বক্তব্যের ক্ষেত্রে সীমা থাকা উচিত। তিনি আরও বলেন , নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। বাংলার মানুষকে পুলিশ ও গুন্ডা দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। শুভেন্দু প্রসঙ্গে তিনি বলেন , মুষলপর্ব শুরু হয়েছে তৃণমূলে। ওদের দলে যে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে , পরে তা আরও বাড়বে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, বাংলাকে গুজরাত বানাবই। ওরা পারলে আটকে দেখাক। এদিন বিভিন্ন দল থেকে বিজেপিতে কয়েকশো কর্মী যোগ দেন। যারা এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন তারা হলেন , নন্দীগ্রাম ২ নং ব্লক বয়াল ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পবিত্র কর , উপপ্রধান বিশ্বজিৎ ভুইয়্যা , তুহীন জানা । এছাড়াও বিভিন্ন বিভিন্ন অঞ্চলের বুথ সভাপতিও তৃণমূলে যোগ দেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

বিস্ফোরণস্থলে বিজেপির প্রতিনিধিদলকে ঢুকতে বাধা পুলিশের

সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার তদন্তে নামল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করেন, ঘটনাস্থলের ছবি তোলেন। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের যাওয়ার কথা থাকলেও, এদিন যাননি তাঁরা। এনআইএ এখনও সেখানে যাবে কি না, তা স্থির হয়নি। এ বিষয়ে মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়ার বক্তব্য, কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ধরেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তা স্পষ্ট হলে তবেই নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের হবে। অন্যদিকে , শুক্রবার বেলায় সেখানে হাজির হয় কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদল। দলে ছিলেন কংগ্রেসের ছয় বিধায়ক। তাঁরা প্রত্যেক মৃতের পরিবারের কাছে যান। দলের তরফে প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আহতদের পরিবারপিছু ১০ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়।কংগ্রেসের তরফে বিজেপি ও রাজ্যপালের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর এদিকে , মালদহের সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানার বিস্ফোরণস্থলে বিজেপি প্রতিনিধিদল যেতে বাধা দেওয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে এলাকাটি দ্বিস্তরীয় বলয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ফলে সেই ব্যারিকেড পেরতে বাধা দিয়েছে পুলিশও। আর তাতেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ওখানে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তার কারণ, বিজেপি প্রতিনিধিরা গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথাবার্তা বলে আসল সত্যটা জানত, তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে এখন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃ্ত্বে ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেত্রী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরি। বিজেপি প্রতিনিধিরা কারও সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। পাড়ারই কয়েকজন যুবক তাঁদের ঘিরে ধরে জিজ্ঞেস করেন, এমন অসময়ে কেন এসেছেন তাঁরা? কার সঙ্গেই বা কথা বলবেন? কথা না বলতে পারলে আসল ঘটনা জানবেনই বা কীভাবে? এসব প্রশ্নে জর্জরিত করে বিজেপি প্রতিনিধিদলকে কার্যত এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি এনআইএ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

খুনের রাজনীতি বন্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ বাবুল

ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। শুক্রবার বাবুল সুপ্রিয় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন , হিংস্র সরকারকে থামানোর পথ কিন্তু সংবিধানে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ভাবেন, ভয় দেখিয়ে মানুষকে ভোট দিতে যেতে দেবেন না, বিরোধীদের ওপর আক্রমণ করবেন, তা হলে সংবিধানে এসব থামানোর ব্যবস্থা আছে। আগামী ছমাসে নিজেকে শুধরে নিন মমতা। এভাবে হিংসার রাজনীতি কিন্তু চলবে না। আমরা এই নিয়ে বারবার রাস্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছি। হিংসার রাজনীতি, খুনের রাজনীতি কিন্তু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনমতা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলার মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ক্ষমতায় আসেন তবে ধরে নিতে হবে তা পুলিশ, প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়েই হয়েছে। আমরা আশাবাদী কমপক্ষে ২০০ আসন পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় আসব। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসলে রাজ্যবাসী সবকিছুই পাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ যদিও সাংসদ সৌগত রায় পালটা প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, বাবুল গানবাজনা নিয়ে থাকতেন। তাই তিনি রাজনীতির কিছুই বোঝেন না। এসব কথা বলে তৃণমূলকে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের

অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার গলব্লাডারে অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। সেই অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে বাইপাসের একটা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে এসেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও তাঁকে দেখতে আসেন রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মুকুল রায়কে দেখে এসে দিলীপবাবু বলেন, মুকুলদা এখন ভালো আছেন। তিনি খুব শীঘ্রই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ তিনি। আজ সকালে তরল জাতীয় খাবার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। দু-একদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছুটিও দেওয়া হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন দলীয় নেতা - কর্মীরা।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি বিস্ফো্রণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছেঃ ফিরহাদ

কালিয়াচক থানার সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মালদা এসেই মৃত ও আহতদের পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা এবং ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। এদিন বিকেলে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর হেলিকপ্টারে মালদায় আসেন ফিরহাদ হাকিম। মালদার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কনভয় নিয়ে চলে যান সুজাপুরের স্কুলপাড়া এলাকায় । সেখানে মৃত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এর পাশাপাশি সুজাপুর থেকে ফিরে মালদা মেডিকেল কলেজে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার বিকালে সুজাপুরে বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন , বিজেপি সব কথাতেই এনআইএর তদন্তের দাবি তোলে। অথচ এই পরিস্থিতির পর ওদের দলের কোনও নেতৃত্বকেই দেখা যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে মালদা এসেই সেই আর্থিক ক্ষতিপূরণ ওই পরিবারগুলির হাতে তুলে দিয়েছি। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সমবেদনা জানানো উচিৎ। কিন্তু এখন বিজেপি রাজনীতি করছে। এদিকে সুজাপুরে প্লাস্টিকের কারখানায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে বিজেপির উত্তর মালদা সাংসদ খগেন মুর্মু এনআইএর তদন্তের দাবি জানিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন। যদিও বিজেপি সাংসদের এই বক্তব্যকে তুলোধনা করে তৃণমূল সাংসদ তথা দলের জেলা সভাপতি মৌসুম নূর বলেন , এই মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে বিজেপি এখন রাজনীতি করতে ময়দানে নেমে পড়েছে। পুলিশ প্রশাসন যেখানে বলছে প্লাস্টিকের কারখানায় কাটিং মেশিন বিস্ফোরণ হয়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানে বিজেপি সাংসদ এরকম কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত এবং আহতদের সঙ্গে দেখা করতে আসেননি বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। অথচ তারা ঘরে বসে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছেন। তৃণমূল সাংসদ মৌসুম নূর আরও বলেন, এদিন বিস্ফোরণকাণ্ডে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম । আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম । মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এই ঘটনায় আহতদের সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ছিলেন সাংসদ মৌসুম নূর সহ জেলা পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

মালদা বিস্ফোরণের ঘটনায় সরকারের কড়া সমালোচনা রাজ্যপাল - দিলীপের , পালটা প্রতিক্রিয়া রাজ্যের

মালদায় প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় টুইট করে মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। তিনি লেখেন , এবার তো বোমা তৈরির কারখানাগুলি বন্ধ করুন।নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। অন্যদিকে , বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিসের বিরুদ্ধে উস্কানিসূচক বক্তব্য মামলায় বর্ধমান আদালতে জামিন নিতে গিয়ে বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদ, মালদা সহ গোটা রাজ্যেই বোমা আর অস্ত্রের কারখানা তৈরি হয়েছে। পুলিস প্রশাসনের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। সুজাপুরে বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবিও জানান তিনি। আরও পড়ুন ঃ কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে রণক্ষেত্র তুফানগঞ্জ রাজ্যপালের এই টুইটের পরই পাল্টা বিবৃতি জারি করেছে স্বরাষ্ট্র দফতর। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, দায়িত্বজ্ঞানহীনের মত কথা বলছে কেউ কেউ। সুজাপুরের ঘটনার সঙ্গে বোমা তৈরির কোনও সম্পর্ক নেই। একটা প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছে। এটা একটা দুর্ঘটনা। জেলাশাসক ও পুলিস সুপার ঘটনাস্থলে আছেন। তাঁরা ঘটনার তদন্ত করছেন। রাজ্য সরকারের এক মন্ত্রীও ঘটনাস্থলে উড়ে গিয়েছেন। দুর্গত পরিবারগুলির পাশে সরকার আছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে রণক্ষেত্র তুফা্নগঞ্জ

দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে উত্তপ্ত তুফা্নগঞ্জ। বিজেপির অভিযোগ , তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বন্ধ ব্যর্থ করতে না পেরে তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। জোড়াই মোড়ে বিজেপির দুই কর্মী রবীন্দ্র দাস ও বিমল পাল জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ বিজেপির। দুজনকে তুফা্নগঞ্জ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি , জোর করে রাস্তা বন্ধ ও দোকানে হামলার জেরে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপি সমর্থকদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়। তুফা্নগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় , বন্ধে গোলমাল এড়াতে দোকান - বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। তবে সরকারি বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল। আরও পড়ুন ঃ মালদার কালিয়াচকে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু ৫ জনের , ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রাজ্যের অভিযোগ নাককাটিগাছ এলাকার পূর্ব শিকারপুরে বুধবার সকালে খুন হন বিজেপির ৯/১৯৮ নম্বর বুথের বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকার। এই ঘটনায় আহত হন আরও দুজন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত কালাচাঁদকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। মৃতের পরিজনদের দাবি, বিজেপি করার অপরাধেই তাঁদের উপরে এই আক্রমণ। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির জেলা নেতৃত্বেরও। যদিও পুলিশের দাবি কালীপুজোর ভাসানকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাতে পূর্ব শিকারপুরের ২টি ক্লাবের মধ্যে গণ্ডগোলকে কেন্দ্র করেই অশান্তির সূত্রপাত। বিবাদ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হন ৫৫ বছরের কালাচাঁদ কর্মকার। এই ঘটনায় বিজেপি রাজনৈতিক রং লাগানোর অভিযোগ করছে বলে পাল্টা দাবি করছে তৃণমূলও।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে মান-অভিমান চলছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের মোদির উপর ভরসা আছে। মোদি তো বাংলার লোক নন। আমরা সর্বভারতীয় পার্টি আমাদের সিস্টেম অনুযায়ী পার্টি চলে। বৃহস্পতিবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যাদের নেতারা আজকে ভয় পাবলিকের সামনে যাচ্ছে না, তারাই একথা বলবে। তাদের কোন মুখ নেই। সব মুখে কালি লেগে গিয়েছে। তারা এ কথা বলবে বাংলার বিজেপি কর্মীরা লড়াই করছে বলে একশ কুড়িজন বিজেপি কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। আজও আমি বর্ধমান যাচ্ছি একটা কেসের জামিন নিতে। আমরা লড়াই করছি তাতে তৃণমূলের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চয়ই দেখতে আসবেন। আমাদের সারাদেশে পার্টি চলে। বাংলার বিজেপি সঙ্গে সারাদেশের বিজেপি আছে, বাংলায় পরিবর্তন হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায় এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারীর মানভঞ্জনের প্রসঙ্গে টেনে দিলীপ ঘোষ বলেন, কে কাকে বোঝাবে এটা ওদের ঘরের ব্যাপার। মান অভিমান চলছে। আজকে কেন বোঝাতে হচ্ছে? পার্টির যারা বফাদার সৈনিক প্রাণ হাতে করে লড়াই করেছে তাদের মন বদলে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের ভাবনা চিন্তা বদলে যাচ্ছে। ধোঁকা দিয়ে বেশি দিন চলে না। এই রাজনীতি সারা ভারতে বন্ধ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে দেব। এদিন ছটপুজো প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এই সব জায়গাতেই ছটপুজো একটাই বড় উৎসব হিন্দি ভাষীদের। বহু মানুষ নিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজো পালন করেন। এতদিন সরকারের ছট নিয়ে কোন চিন্তা ছিল না। কোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছে সরোবরে ছট পুজো বন্ধ করা নিয়ে, তাই সরকার এই সব দেখাচ্ছে। আসলে হিন্দিভাষী ভোটের জন্য এই সব করছে। ছট পুজো যাঁরা করেন তাঁরা বহু বছর ধরে পূজো করে আসছেন। এতদিন সামাজিকভাবে লোকেরাই ব্যবস্থা করত। আজ সরকারের কেন মাথা ব্যথা হয়েছে? হিন্দি ভাষীদের ভোটের দরকার আছে। এতদিন হিন্দি ভাষীদের কথা মনে পড়েনি। এতদিন তাদেরকে বাইরের লোক বলে চালিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠেলার নাম বাবাজি ভোট বড় বালাই তার জন্যই এত কিছু করছেন। প্রসঙ্গত গতবছর ছট পূজাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রসরোবরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেও সরব হন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সরকার সফল নয় সব জায়গায়। সরকারের ধারণা থাকা উচিত কত মানুষ সেখানে আসেন। তাতে ধর্মীয় ভাবাবেগে যাতে আঘাত না আসে সেটা দেখা উচিত। এত বছর ধরে এই পরম্পরা আমরা করে আসছি। হঠাৎ করে বললে মানুষ এগুলো মেনে নেবে না বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। ছট পূজাতো হবেই। সেটা ভালো করে ব্যবস্থা করা করার দায়িত্ব সরকারের। অন্যান্য জলাশয়কে পরিস্কার করে সেখানে ব্যবস্থা করা উচিত। আমরা চাই যাঁরা এই পুজো করেন তাঁরা যেন নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করতে পারেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় খুন তৃণমূল কর্মী

গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম আকাশ প্রসাদ। তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত আকাশ। উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থানার পাল ঘাট রোড এলাকার ঘটনা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী অশোক সাউ ও তাঁর দলবল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও আগ্নেয়াস্ত্রর বাঁট দিয়ে মেরে আকাশকে হত্যা করে ৷ তারপর বোমাবাজি করতে করতে এলাকা ছাড়ে তারা। আরও পড়ুন ঃ বৃদ্ধ দম্পতির দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ছেলে যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের দাবি , এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এতে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। অন্যদিকে, সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, আকাশ প্রসাদ একজন দুষ্কৃতী ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানতাম। কিন্তু তৃণমূল কর্মী বলে জানতাম না। এই ঘটনায় বিজেপি-র কোনও যোগ নেই ৷ একথা আকাশের পরিবারই বলছে ৷ তৃণমূল তাদের গোষ্ঠীকোন্দল বিজেপি-র উপর চাপানোর চেষ্টা করছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের কাজে হাত মেলাতে চান , তারা চলে আসুনঃ দিলীপ

পশ্চিমবাংলায় মহিলাদের ধর্ষণ হওয়ার পর তো এফআইআর নেওয়া হয় না। রোজ মহিলাদের দেহ উদ্ধার হচ্ছে। তার কোনও তদন্ত হয় না , বিচারও হয় না। বুধবার দিল্লিতে স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকের পর এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।গরু পাচার কাণ্ডে বিএসএফ আধিকারিক গ্রেফতার নিয়ে তিনি বলেন , মাথাগুলি ধরা পড়েছে , অনেক দূর অব্দি হাত যাবে। এক - দেড় মাসের মধ্যে আরও অনেক মাথা গ্রেফতার হয়েছে , তা দেখতে পাব। তিনি আরও বলেন , পুলিশ টিএমসি ক্যাডারের মতো কাজ করছে। তাদের দলের বিধায়ক খুনের ঘটনায় তো নিজের দলের লোকের হাত ছিল , তবুও বিজেপির এমপির বিরুদ্ধে কেস করেছে। আরও পড়ুন ঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদির যারা যারা পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের কাজে হাত মেলাতে চান , তারা চলে আসুন। আমি তো সিলিন্ডার নিয়ে বসে আছি , যারা আসতে চান , তারা চলে আসুন। তৃণমূলের প্রতি প্রতিদিনই বিভিন্ন নেতারা অনাস্থা প্রকাশ করছে। এর থেকে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে , তৃণমূল রাজ্যে আর ক্ষমতায় আসবে না। বহিরাগত প্রসঙ্গে তিনি বলেন , বহিরাগত আবার কি? সর্বভারতীয় দলের নেতারা যে কোনও রাজ্যে আসতেই পারে। চিন থেকে এসছি নাকি আমরা! বাংলাদেশিদের তো স্বাগত জানান এবং আমাদের বহিরাগত বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নরেন্দ্র মোদি তো গুজরাতের লোক , তিনি রাজ্যে আসবেন না ? প্রশ্ন তোলেন দিলীপবাবু।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

রাঢ়বঙ্গ বিজেপিকে ক্ষমতায় আসার জন্য পথ দেখাবেঃ রাজু

বিহারের পর বাঙালিকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানালেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য কমিটির নেতাদের উপস্থিতিতে শুরু হল আলোচনাসভা। তার আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন , কংগ্রেস , সিপিএম , তৃণমূল সব এক। তাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে মিম। সকলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। তিনি আরও বলেন, রাঢ়বঙ্গের ৫০টি আসনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে বিজেপি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রাঢ়বঙ্গই বিজেপিকে ক্ষমতা দখলের পথে অনেকটা এগিয়ে দেবে দাবি করেন বিজেপির রাঢ়বঙ্গের পর্যবেক্ষক রাজু ব্যানার্জী। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে সাতটি সাংগঠনিক জেলাকে নিয়ে তৈরি রাঢ়বঙ্গ বিজেপিকে ক্ষমতায় আসার জন্য পথ দেখাবে। বুধবার দুর্গাপুরে গুরুত্বপূর্ণ এক সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে এসে এই দাবি করলেন বিজেপির রাঢ় বঙ্গের পর্যবেক্ষক রাজু ব্যানার্জী। দিদি নয় ভোটটা এবার দাদা করাবে। তাই মানুষ ভোট দেবে আর তাতেই মিলবে ৫০টির মতো আসন। এমনই দাবি রাজ্য বিজেপির নেতা রাজু ব্যানার্জীর। এই রাঢ়বঙ্গে ৫৭টি বিধানসভা আছে,আর রাঢ়বঙ্গের এই সাতটি সাংগঠনিক জেলা থেকে গত লোকসভা নির্বাচনে পাঁচ জন সাংসদ পেয়েছে বিজেপি। আরও পড়ুন ঃ সংখ্যালঘুদের জন্য কিছু করেনি তৃণমূলঃ দিলীপ বিজেপি নেতা রাজু ব্যানার্জীর দাবি , লোকসভার নিরিখে ৩৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি, তাই ৫০টি আসনে এবার জয় নিশ্চিত বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। বুধবার সিটিসেন্টারে এক বেসরকারী অতিথিশালায় বিজেপির রাঢ় বঙ্গের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বিনোদ সনকার দলের সাতটি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও পদাধিকারীদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন, যেখানে দলের কেন্দ্রীয় দল ওয়ান টু ওয়ান বৈঠক করেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব ও পদাধিকারীদের সাথে জানতে চান কোথায় সমস্যা হচ্ছে, আর কোথায় বা প্লাস পয়েন্টে রয়েছে দল। এখন একুশে বাংলা জয়ের লক্ষ্যে বিজেপির রাঢ়বঙ্গের টার্গেট আসন কতটা বাস্তব রূপ পায় সেটাই এখন দেখার বিষয়। আর যার উত্তর সময় ছাড়া আর কেউ দিতে পারবে না।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম কালাচাঁদ কর্মকার। তিনি বিজেপির বুথ সম্পাদক পদে ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার জেরে বুধবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তুফানগঞ্জের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের চামটা গ্রামের কর্মকারপাড়ায়। খবর পেয়ে তুফানগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। মৃতের পরিবারের তরফ থেকে লক্ষ্মী বর্মন বলেন, বুধবার সকালে কালাচাঁদবাবুকে রাস্তায় ফেলে মারছিল কয়েকজন। সেই সময় বাড়ির লোকরা বাঁচাতে যায়। ওই সময়ই কালাছাঁদের পেটে লাথি মারা হয়েছে। তখই জ্ঞান হারান তিনি। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কালাচাঁদকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরিবারের তরফ থেকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রঞ্জিত বর্মন, কমল বর্মন, সঞ্জিত বর্মন, নারায়ণ বর্মন ও দিলীপ বর্মনকে এই মারধরের জন্য দায়ী করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে ফের বচসা বাধে। শুরু হয় হাতাহাতি। ঘরের সামনে অশান্তি দেখে তা মেটাতে বের হন কালাচাঁদবাবু। অভিযোগ, তখনই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুই ক্লাবের বচসার জেরেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তি অশান্তি মেটাতে গিয়েছিলেন। আপাতদৃষ্টিতে এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ কমল বর্মন নামে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি আভাস ভট্টাচার্য্য বিজেপির তরফে টুইটে বলা হয়েছে, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। রক্তের রাজনীতি করে বাংলার মানুষের সমর্থন পাওয়া যায় না মমতা ব্যানার্জী। আপনার দিন গোনার পালা শুরু! অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছে, কিন্তু প্রশাসন চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে। খুব শীঘ্রই মানুষ এর জবাব দেবে এই অহংকারী সরকারকে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

প্রতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডাঃ দিলীপ

সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং অমিত শাহ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রতি মাসেই আসবেন। বুধবার দিল্লি যাওয়ার আগে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এমনটাই জানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরবর্তী দিনক্ষণ কী হবে, তা এখনও জানাননি। তবে জেনে যাব আমরা। অন্যদিকে , বাম-কংগ্রেস জোটকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওঁরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগেও একবার লড়াই করেছেন। কিন্তু মানুষ সঙ্গ দেয়নি। মানুষ পুরনো কাসুন্দি আর ঘাঁটবে না। বাংলার মানুষ নতুন বিকল্প খুঁজছে।আর বাংলার মানুষের নতুন বিকল্প ভারতীয় জনতা পার্টি। বিজেপির হাত ধরে উন্নয়ন হোক এটাই সাধারণ মানুষ চাইছে। আরও পড়ুন ঃ প্র্য়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত গত লোকসভায় জোট নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। আগে তাও ৩০-৩২ শতাংশ ভোট ছিল এখন সেটা ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলার মানুষ পিছনে তাকাতে রাজি নয়।বাংলার মানুষ সবাইকে সুযোগ দিয়েছেন, সবাই স্বপ্নপূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। এবার বিজেপির পালা। বিজেপির কর্মসূচিতে ভিড় দেখেই তা বোঝা যাচ্ছে। দিলীপবাবু আরও জানান , দলীয় কর্মসূচি নয়, দিল্লিতে সংদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠক আছে। এর আগে একাধিকবার বৈঠক বাতিল হয়েছে। তাছাড়াও শারীরিক অসুস্থতার কারণে যাওয়া হয়নি।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদির

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪০ নাগাদ ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। ইন্দো-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের দৃঢ় সংকল্পে জোর দিলাম। করোনা মহামারী, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতার মতো বিষয়ে দুপক্ষের অগ্রাধিকার এবং উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ দিল্লিতে ধৃত দুই জইশ জঙ্গি এছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি টুইটারে লেখেন , নব-নির্বাচিত মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকেও উষ্ণ অভিনন্দন জানানোর কথা বলেছি। ভারতীয়-মার্কিনদের কাছে তাঁর সাফল্য অত্যন্ত গর্বের এবং অনুপ্রেরণামূলক। উল্লেখ্য , বাইডেন-হ্যারিস ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক কোন দিকে বাঁক নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

সংখ্যালঘুদের জন্য কিছু করেনি তৃণমূলঃ দিলীপ

মিম কি করবে আমাদের হাতে নেই। মুসলিম ভোট আমরা নিয়ন্ত্রণও করি না। এখনও মুসলিম ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গে আমাদের ভোট দেননি। যদি এখানকার মুসলিম ভোটাররা তৃণমূল , কংগ্রেস , সিপিএমকে ভোট না দিয়ে অন্য দলকে ভোট দেয় , তাহলে বুঝতে হবে ওরা মুসলিমদের ধোঁকা দিয়েছে। তাদের জন্য কিছু করেননি।তাই তারা বিকল্প খুঁজছেন। বিজেপিকে বিকল্প মনে করছে ওরা। মঙ্গলবার এই মন্তব্য করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিরসা মুন্ডার মূর্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওখানে একটা বিরসা মুন্ডার ছোট মূর্তি ছিল , জেলা প্রশাসন ওটাকে সরিয়ে দিয়ে নতুন মূর্তি লাগিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ রিঙ্কু নস্করের তখন আদিবাসী ভাইয়েরা কোনও প্রতিবাদ করেননি কেন ? প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। বিরসা মুন্ডাকে কেউ দেখেননি। অমিত শাহ যখন মালা দিয়েছেন , ওটা বিরসা মুন্ডার মূর্তি। তিনি আরও বলেন , বিজেপির আইটি সেল কুৎসা প্রচার করলে আদালতে যান তারা। দিলীপবাবু আরও বলেন , তৃণমূলে থাকবেন না বিজেপিতে যাবেন , তা স্পষ্ট করে বলুন শুভেন্দু অধিকারী।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ রিঙ্কু নস্করের

সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন রিঙ্কু নস্কর। তিনি কলকাতা পুরসভার ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর। বর্তমানে দলের তরফে ওয়ার্ড কোর্ডিনেটরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তাঁর বহু অনুগামীও এদিন বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ রিঙ্কু নস্করের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। ২০১৫ সালের পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূল কলকাতার অন্যান্য জায়গায় বিরোধীদের ধরাশায়ী করলেও ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে দাঁত ফোটাতে পারেনি। প্রসঙ্গত , মঙ্গলবারই বাম ও কংগ্রেস আগামী বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল ঠিক করার জন্য বৈঠকে বসেছে। তার আগেই কাউন্সিলরের দলত্যাগ সিপিএম-এর কাছে বড় ধাক্কা বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের। রিঙ্কু নস্কর জানান , কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের জোট মানতে না পারায় তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর স্বামী মানস মুখোপাধ্যায় আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দিলীপবাবু বলেন , যাঁদের কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে , কিন্তু অন্য দলে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছেন তাঁদের জন্য বিজেপির দ্বার খোলা রয়েছে। অন্যন্যা দল থেকে প্রায় প্রায় ৩০০ কর্মী এদিন বিজেপিতে নাম লিখিয়েছে। আরও অনেকেই যোগাযোগ করছেন বিজেপিতে যোগদানের জন্য। আরও পড়ুন ঃ একুশের লড়াইয়ে বাংলায় বিজেপির দায়িত্বে ৫ কেন্দ্রীয় নেতা প্রসঙ্গত , কাউন্সিলর হওয়ার আগেই লোকসভা ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর কেন্দ্র থেকে রিঙ্কুকে প্রার্থী করেছিল সিপিএম। তবে, চৌধুরী মোহন জাটুয়ার কাছে হারতে হয় তাঁকে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

একুশের লড়াইয়ে বাংলায় বিজেপির দায়িত্বে ৫ কেন্দ্রীয় নেতা

রাজ্যের ৫ সাংগঠনিক জোনের দায়িত্ব দেওয়া হল ৫ কেন্দ্রীয় নেতাকে। মঙ্গলবার হেস্টিংসে দলের কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতা এবং রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের সহকারি পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় সাংগঠনিক নেতা বি এল সন্তোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, দিলীপ ঘোষ , মুকুল রায় , রাহুল সিনহা , অনুপম হাজরা প্রমুখ। মোট ৬ জন কেন্দ্রীয় নেতার উপস্থিতিতে বৈঠকে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, দলের পাঁচ সাংগঠনিক জোনে রাজ্য নেতাদের উপরে পর্যবেক্ষক ও আহ্বায়কের দায়িত্ব থাকবেন পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতা। ঠিক হল, মেদিনীপুর, হুগলি ও হাওড়া দেখবেন সুনীল দেওধর, রাঢ়বঙ্গ দেখবেন বিনোদ সনকার, কলকাতা দেখবেন দুষ্ম্যন্ত গৌতম, নবদ্বীপ দেখবেন বিনোদ তাওরে এবং উত্তরবঙ্গ দেখবেন হরিশ দ্বিবেদী। আরও পড়ুন ঃ এই দল আমার নয়, হতে পারে নাঃ মিহির গোস্বামী এই পাঁচটি জোনের নতুন দায়িত্বে আসা নেতারা আগামী ১৮ থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জোনের জেলা নেতৃ্ত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসে গোটা পরিস্থিতি বুঝে নেবেন। সেইমতো পরবর্তী পরিকল্পনা তৈ্রি হবে। বৈঠক শেষে অনুপম হাজরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন , প্রত্যেকটি বুথে সপ্তাহে একটা করে অন্তত কর্মসূচি যাতে হয় , সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যারা মান - অভিমান করে দলের থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন , তাদের সামনের সারিতে নিয়ে এসে লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছে এদিনের বৈঠকে। এছাড়াও এদিনের বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসে কোথায় কোথায় দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা আছে। সেখানে তা দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ

বিধানসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সব আসন ছিনিয়ে নেব, কীভাবে রুখবেন ভাবুন। ফের রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন দিলীপবাবু। সেখানে তিনি আরও বলেন , একুশে বাংলার দায়িত্ব পাবে বিজেপিই। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন , বিজেপি ভোটের জন্য বাংলায় অস্ত্র আনছে। খাদ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বলেন, উনি নিজে যা যা করেছেন, এখন সে সবই বলছেন। লোক জানে কে কী করছে, হিসেব হবে একুশ সালে। আমরা সাধারণ মানুষের উপর ভরসা করি। তাঁদের সিদ্ধান্তই ঠিক। সবার চরিত্র তাঁরা জানে। আমরা পরীক্ষা দিতে রাজি আছি। ওনারাও পরীক্ষা দিক। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবেঃ অমিত মালব্য আবগারি দপ্তর থেকে কাটমানি আসে বিজেপির দপ্তরে! জ্যোতিপ্রয় মল্লিকের এই অভিযোগের পালটা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, যেমন নেত্রী, তেমন তাঁর চ্যালা! ওনার নেত্রী সেনাকে তোলাবাজ বলেছিলেন। যারা দেশের সেনাকে বিশ্বাস করে না, পুলিশে বিশ্বাস করে না। মানুষ তাঁদের বিশ্বাস করে না। হুমকির সুরে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের জেলার দুটো আসন বিজেপি ইতিমধ্যেই দখল করেছে। বাকি গুলোও করব। প্রাতঃভ্রমণ সেরে এদিন রুরির কাছে চা চক্রে যোগ দেন সাংসদ। আলোচনা করেন বাংলার রাজনীতি নিয়ে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে জট ভেঙে নতুন পথ! যুদ্ধের মাঝেই তেলবাহী জাহাজের বিকল্প রুটে চাঞ্চল্য

ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে হাজার হাজার জাহাজ আটকে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে একটি বিকল্প পথের খোঁজ। জানা গিয়েছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করছে, ফলে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম এবং দূরসংবেদন তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, অন্তত চারটি বড় জাহাজ ইরানের জলপথ এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে হরমুজে ঢুকেছে। এই জাহাজগুলি ওমানের সামুদ্রিক সীমার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে।সূত্রের খবর, হাব্রুট ও ঢালকুট নামে দুটি তেলবাহী জাহাজ এবং একটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী জাহাজ ওমানের জলসীমায় প্রবেশ করে। পরে মুসানদাম উপকূলের কাছে গিয়ে তারা তাদের সিগন্যাল বন্ধ করে দেয়। তিন এপ্রিল তাদের মাসকট উপকূল থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে দেখা গিয়েছিল।এই তেলবাহী জাহাজ দুটিতে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল সৌদি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জাহাজগুলির পর একই পথে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজও প্রবেশ করেছে। এটি গত একত্রিশ মার্চ দুবাই থেকে রওনা দিয়েছিল এবং বর্তমানে ওমানের দিব্বা বন্দরের কাছাকাছি রয়েছে।এতদিন সংঘাতের মাঝেও ইরান কিছু দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছিল, তবে তার জন্য মোটা অঙ্কের শুল্ক নেওয়া হচ্ছিল। এখন বিকল্প পথ চালু হওয়ায় সেই অতিরিক্ত খরচ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে পারে জাহাজগুলি বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার সরানো হল সুপ্রতিম সরকারকে! ভিনরাজ্যে পাঠানো হল অবজারভার হিসেবে

ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। ঘোষণার দিন রাতেই সরানো হয় মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। একই সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকেও।এরপর ধাপে ধাপে একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদেরও বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটের মুখে এভাবে একের পর এক প্রশাসনিক বদলি রাজ্যের পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চমক! শুভেন্দুর মনোনয়ন ঘিরে তুমুল অশান্তি, একসঙ্গে ৩৮ জনকে তলব পুলিশের—চাপ বাড়ল রাজনীতিতে!

শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তৎপর হয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ এবং পুলিশের নিজস্ব উদ্যোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় মোট ৩৮ জনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, আলিপুর থানায় নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন তৃণমূল কর্মীকে তলব করা হয়েছে। সার্ভে বিল্ডিংয়ের সামনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এছাড়াও এই অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলিপুর ও কালীঘাট থানায় পুলিশের তরফে দায়ের হওয়া দুটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তৃণমূল ও বিজেপি মিলিয়ে আরও ৩২ জনকে তলব করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন কীভাবে অশান্তি ছড়িয়েছিল, কারা এতে জড়িত ছিল এবং আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করার পেছনে কারা ভূমিকা নিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। তদন্তের স্বার্থে সকলকেই নির্দিষ্ট সময়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের নিয়ে হুমকির সুরে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরের সামনে রণক্ষেত্র! ঘেরাও, সংঘর্ষ, মারামারি—একাধিক মামলা, আটক বহু জন

সিইও দফতরের সামনে ঘেরাও, সংঘর্ষ এবং বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হেয়ার স্ট্রিট থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুটি মামলাই পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।গত বুধবার দুপুরে বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফর্ম ছয় জমা দেওয়া নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ধস্তাধস্তি চলে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পাল্টা আক্রমণের মুখে পড়েন তৃণমূল কর্মীরাও।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দিনভর উত্তেজনা চলার পর শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে আরও একটি মামলায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর, এক শিক্ষক নেতা-সহ মোট ছজনের নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সচিন সিংহ এবং শান্তি রঞ্জন কুণ্ডু। এছাড়াও বিএলও মঞ্চের মইদুল ইসলাম-সহ অন্যদের নামও রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই মামলার ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত আঠারো জনকে আগাম গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি বারো জনকে নোটিস পাঠিয়ে থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তেজনার ঘটনাতেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি আলিপুর থানায় এবং একটি কালীঘাট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal