• ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ৩০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

West Bengal

কলকাতা

ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বড় পদক্ষেপ, সকাল ১১টা থেকে কলকাতায় শুনানি

রাত পোহালেই শুরু হতে চলেছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপ। শনিবার সকাল ১১টা থেকে কলকাতায় শুরু হবে শুনানি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ধাপে প্রায় ৩২ লক্ষ ভোটারকে ডাকা হতে পারে। প্রথম পর্যায়ে মূলত যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নো ম্যাপিং হিসেবে চিহ্নিত, তাঁদের কাছেই নোটিস পাঠানো হয়েছে।শুনানির সময় ভোটারদের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হবে। জমা দেওয়া নথি দেখে সন্তুষ্ট না হলে সেগুলি আরও ভালো করে খতিয়ে দেখবেন আধিকারিকরা। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় আটটি করে জায়গায় শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একাধিক স্কুল ও সরকারি অফিসে এই শুনানি হবে।শুনানির দায়িত্বে থাকবেন ইআরও এবং এইআরও পদমর্যাদার আধিকারিকরা। একটি ভেন্যুতে এক দিনে সর্বাধিক ১৫০ জন ভোটারের শুনানি নেওয়া হবে। কলকাতায় বেলতলা গার্লস স্কুল, আলিপুর মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুলে শুনানি হবে। এছাড়াও লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ, লরেটো ডে স্কুল, মর্ডান হাইস্কুল ফর গার্লস, মৌলনা আজাদ মেমোরিয়াল গার্লস হাইস্কুল, ভবানিপুর গার্লস হাইস্কুল এবং হরিমোহন ঘোষ কলেজে শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতেও একইভাবে শুনানি চলবে। তবে কোনও পৌরসভা বা পঞ্চায়েত অফিসে শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়নি।শুনানিতে হাজির হওয়ার সময় ভোটাররা কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে পারবেন। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার দেওয়া পরিচয়পত্রও গ্রহণযোগ্য। এছাড়া পেনশন পেমেন্ট কার্ড, ১৯৮৭ সালের আগে ইস্যু হওয়া পরিচয়পত্র বা শংসাপত্র, জন্মের সার্টিফিকেট, ভারতের পাসপোর্ট, মাধ্যমিক স্তরের সার্টিফিকেট, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত নথি, রাজ্যের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র, জাতিগত শংসাপত্রও দেখানো যেতে পারে। যেখানে এনআরসি চালু হয়েছে, সেখানকার শংসাপত্রও গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি রাজ্য বা স্থানীয় প্রশাসনের তৈরি ফ্যামিলি রেজিস্টার, সরকারি জমির নথি বা বাড়ির দলিলও দেখানো যেতে পারে।নির্দিষ্ট দিনে কোনও ভোটার যদি শুনানিতে হাজির হতে না পারেন, সে ক্ষেত্রে চিন্তার কারণ নেই। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, উপযুক্ত এবং বিশ্বাসযোগ্য কারণ দেখাতে পারলে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজ্য

শোভনদেবকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে চাওয়ায় ফের আলোচনায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

কখনও তৃণমূলের মন্ত্রীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম আবার কখনও প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য....। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির আয়োজিত রক্তদান শিবিরেও ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এলেন তিনি। অনুষ্ঠানের মঞ্চে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি প্রণাম জানানোর প্রসঙ্গ তুলতেই শুরু হয় নতুন বিতর্ক।মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপাচার্য জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্কে শুনে আসছেন, কিন্তু কখনও কাছ থেকে সাক্ষাতের সুযোগ হয়নি। সেই আবেগ থেকেই তিনি প্রকাশ্যে মন্ত্রীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিতে চান বলে জানান। বক্তব্য থামিয়ে তিনি এগিয়ে যেতেই মুহূর্তে পরিস্থিতি ঘুরে যায়।উপাচার্যের সৌজন্যমূলক উদ্যোগের জবাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজেই এগিয়ে এসে তাঁর হাত ধরে ফেলেন। মন্ত্রী বলেন, তাঁর পরিবারে বহু শিক্ষক রয়েছেনস্ত্রী, পুত্রবধূ থেকে শুরু করে প্রয়াত বাবাও শিক্ষক ছিলেন। সেই কারণে তিনি শিক্ষকদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধাশীল। পায়ে হাত না দিয়ে হাতজোড় করেই প্রণাম জানানো যায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রীর কথাতেই উপাচার্য হাতজোড় করে প্রণাম করেন এবং শোভনদেবও একইভাবে সৌজন্য প্রদর্শন করেন।তবে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথ। এক অনুষ্ঠানে ক্রিকেট আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে করা মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। সেই সময় সৌরভ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁর জীবনে মা, স্ত্রী ও কন্যার ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়াও তাঁর কার্যকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফর্মে ধর্মের উল্লেখ, সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্য, রাজ্য সরকারের মনোনীত রেজিস্ট্রারকে অপসারণ, শাসকদলের বিধায়কের প্রশংসা কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গণেশ পুজোর আয়োজনপ্রতিটি বিষয়ই কমবেশি বিতর্ক তৈরি করেছে।সব মিলিয়ে মঙ্গলবারের এই প্রণাম-প্রসঙ্গ নতুন করে উপাচার্যের ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিতর্কের তালিকায় আরও একটি অধ্যায় যোগ হলো বলেই মনে করছেন অনেকে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান পৌরসভার পৌরপতি পরেশ চন্দ্র সরকার সহ তৃণমূলের বিশেষ পদাধিকারিকেরা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
কলকাতা

৫৮ লক্ষ ভোটার বাদ! প্রকাশ্যে বাংলার খসড়া তালিকা, দেখে নিন আপনার নাম আছে তো?

প্রকাশিত হল বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের খসড়া তালিকা। একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে নাম বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার নাগাদ এই খসড়া প্রকাশ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই, সকাল সোয়া ৯টার মধ্যেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া হয়।খসড়া তালিকা এবং নাম বাদের তালিকাদুটিই একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। অনেকটা ২০০২ সালের ভোটার তালিকার মতোই এবারও নিজেদের নাম খুঁজতে পারবেন ভোটাররা। নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গেলেই জানা যাবে কার নাম রয়েছে, আর কার নাম বাদ পড়েছে।নাম বাদের তালিকা দেখতে হলে ভোটারদের যেতে হবে ceowestbengal.wb.gov.in/asd_SIR ওয়েবসাইটে। সেখানে ঢুকলেই তিনটি আলাদা অপশন দেখা যাবে। প্রথমটি এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ, দ্বিতীয়টি বিধানসভা ভিত্তিক নাম বাদের তালিকা এবং তৃতীয়টি বিএলও ও বিএলএ সংক্রান্ত তথ্য।যাঁরা এপিক নম্বর দিয়ে খোঁজ করতে চান, তাঁদের ভোটার কার্ডে থাকা নম্বরটি দিতে হবে। যদি নাম বাদ না গিয়ে থাকে, তাহলে সার্চের পর কোনও তথ্য দেখা যাবে না। তবে নাম বাদ পড়ে থাকলে সেই তথ্য স্ক্রিনে উঠে আসবে।বিধানসভা ভিত্তিক তালিকা দেখতে হলে প্রথমে নিজের জেলা এবং তারপর বিধানসভা কেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলির তালিকা দেখা যাবে। সেখানে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করলেই জানা যাবে কোন ভোটকেন্দ্র থেকে কাদের নাম বাদ পড়েছে এবং কী কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খসড়া তালিকা থেকে আপাতত প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২ জন। নিখোঁজ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন। স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন। ভুয়ো ভোটার হিসেবে বাদ পড়েছেন ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন। এছাড়া অন্যান্য কারণে বাদ গিয়েছে আরও প্রায় ৫৭ হাজার নাম।এছাড়াও ভোটাররা চাইলে নির্বাচন কমিশনের আরেকটি ওয়েবসাইট voters.eci.gov.in-এ গিয়েও নিজেদের নাম যাচাই করতে পারবেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

কাঁপুনি ধরাচ্ছে শীত! কলকাতা থেকে দার্জিলিঙে তাপমাত্রা নামছে আরও

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পৌঁছতেই দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শীতের আমেজ স্পষ্ট। সকাল ও রাতের দিকে ঠান্ডা হাওয়ায় কাঁপছে শহর থেকে জেলা। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে শীত আরও তীব্র আকার নিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন রাজ্য জুড়েই একই রকম আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাপমাত্রা আরও সামান্য নামতে পারে।ডিসেম্বরের শুরু থেকেই বাংলায় শীতের উপস্থিতি টের পাওয়া যাচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মাসের তৃতীয় সপ্তাহেও এই শীতের আমেজ অটুট থাকবে। আগামী সাত দিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত বড় কোনও তাপমাত্রা পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। কলকাতার আকাশ বেশিরভাগ সময় পরিষ্কার থাকবে। সকালে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে, তবে বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশপাশে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।শনিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৩ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৮ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.২ ডিগ্রি কম। আপাতত রাজ্যে বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট আরও বেশি। শৈলশহর দার্জিলিঙে তাপমাত্রা নেমেছে ৪ ডিগ্রির ঘরে। উত্তরবঙ্গের পাঁচটি জেলায় ঘন কুয়াশার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের নিচের জেলাগুলি যেমন মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

শীত হানা দিল! কলকাতায় পারদ নামল ১৪-তে, উত্তরবঙ্গে টেক্কা কোচবিহারের—কুয়াশায় ঢাকছে গোটা বাংলা

বছর শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শীত যেন আরও জাঁকিয়ে বসছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগে থেকেই জানিয়েছিল, সপ্তাহের শেষদিকে তাপমাত্রা কমবে গোটা বাংলায়। শুক্রবার সেই পূর্বাভাস মিলল হুবহু। কলকাতায় সকালে জমাট ঠান্ডা অনুভূত হলো, আর পারদ নেমে এল ১৪.৮ ডিগ্রিতে।আজ শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরেই ঘুরপাক খাবে। দমদমেও নেমেছে ১৪ ডিগ্রি। শ্রীনিকেতন ও বহরমপুরে তাপমাত্রা নামছে ১১ ডিগ্রির কাছে। উত্তরের জেলাগুলিতে ঠান্ডা আরও কড়াকালিম্পং যেখানে ৯.৫ ডিগ্রি, সেখানে তাকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে কোচবিহার, পারদ নেমেছে ৯.২ ডিগ্রিতে। আবহাওয়া অফিস বলছে, আপাতত ৪-৫ দিন রাজ্যে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। উত্তর ভারত থেকে আসা ঠান্ডা হাওয়া প্রবল হওয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থাকবে। আগামী সাত দিনে তাপমাত্রা খুব বেশি বদলাবে না, সর্বোচ্চ ওঠানামা ১ ডিগ্রি।কলকাতায় আজ আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সকালবেলায় হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশা দেখা যাবে, পরে সূর্য উঠতেই মিলিয়ে যাবে। সারাদিন শুষ্ক ঠান্ডা আবহাওয়া বজায় থাকবে, বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। সকাল-সন্ধ্যায় বাড়তি শীত অনুভূত হবে। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৮ ডিগ্রি, আর সর্বোচ্চ ২৫.২ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৪৩ থেকে ৯৩ শতাংশ।দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে থাকতে পারে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতে কুয়াশার ঘনঘটা বেশি থাকবে। উপকূলের জেলাগুলিতেও সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দৃশ্যমানতা কিছু জায়গায় কমবে ঠিকই, তবে ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই। পুরো সপ্তাহই উত্তুরে হাওয়ার দাপটে শীত থাকবে, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গে শীত আরও কড়া। চারটি জেলায় ঘন কুয়াশার চাদর নামতে পারে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় আগামী কয়েক দিনে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ মিটারে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের ও উপকূলবর্তী কিছু জেলাতেও হালকা-মাঝারি কুয়াশা থাকবে পরপর কয়েকদিন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

‘বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই’—ভোটার তালিকায় নাম চান রাজ্যপাল, আলোড়ন রাজ্যে

রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বাংলার ভোটার হতে শেষ মুহূর্তে আবেদন করলেন। বৃহস্পতিবার এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিনেই লোকভবনে গিয়ে বিএলও এবং সুপারভাইজারদের হাতে আবেদনপত্র তুলে দেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, তিনি বাংলার দত্তক সন্তান হতে চান। রবীন্দ্রনাথের বাংলায়, নেতাজির আদর্শে বড় হওয়া বাংলার সঙ্গে মানসিক ভাবে যুক্ত থাকতে চান তিনি। নিজে বোস পদবীর মানুষএই বাংলার ভোটার হওয়ার ইচ্ছা তাঁর অনেক দিনের।চৌরঙ্গী বিধানসভার ১৬২-র ৩৮ নম্বর পার্টের ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর নাম তোলা হবে। আজ সকালে ওই এলাকার বিএলও গৌরাঙ্গ মালাকার রাজ্যপালের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি ও ফর্ম নেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সুপারভাইজার অশোক তিওয়ারি ও জয়ন্ত ঘোষ। গৌরাঙ্গবাবু জানান, আগেই তাঁরা ফর্ম দিয়ে গিয়েছিলেন। এবার রাজ্যপাল নিজে নতুন ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছেন।রাজ্যপাল হয়ে বাংলায় এসে আনন্দ বোস বারবারই জানিয়েছেন, বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর গভীর টান আছে। বাংলা শেখার চেষ্টা করেছেন, সরস্বতী পুজোয় রাজভবনে হাতে খড়িও নিয়েছেন। তাঁর দায়িত্বের শুরুতে রাজনৈতিক মহলের ধারণা ছিল, রাজভবন ও রাজ্যের সম্পর্ক হয়তো স্বাভাবিক থাকবে। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় এবং সেই সম্পর্কে ভাঙন দেখা দেয়।প্রথমে শোনা গিয়েছিল, তিনি কেরলের ভোটার হওয়ায় বাংলার ভোটার হতে চান না। কিন্তু পরে মত বদলে তিনি আগ্রহ দেখান। নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্যপাল চাইলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভোটার হতে পারেন। শুধু লোকভবন থেকে নির্বাচন কমিশনে একটি চিঠি গেলেই তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যোগ হয়। সাধারণ নাগরিকের মতো যাচাইপ্রক্রিয়াও নেই।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

ঘরে ঘরে গিয়ে কাজ, ভয় পাচ্ছেন বিএলওরা! রাজ্যকে কড়া সতর্কতা সুপ্রিম কোর্টের

বাংলার বিএলও-দের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, কোনও বিএলও বিপদে পড়লে রাজ্যকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজন হলে তাঁরা সরাসরি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে বিষয়টি ওঠে। মামলাকারীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, মাঠে কাজ করতে গিয়ে বিএলও-রা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পাচ্ছেন না। তাঁদের ওপর রাজনৈতিক চাপও রয়েছে। সিআরপিএফ মোতায়েনের দাবিও জানানো হয়।নির্বাচন কমিশন আদালতে জানায়, বিএলও-দের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্যের। এ সময় বিচারপতি বাগচী বলেন, কমিশনের চাপে বিএলও-রা আন্দোলন পর্যন্ত করছেন। সিইওর অফিস ঘেরাও হয়েছে। শুধু কাগজপত্রের কাজ নয়, বাড়ি বাড়ি ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে, ফলে তাঁদের ওপর চাপ অনেক বেশি।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তও বলেন, বিএলও-রা হুমকির মুখে রয়েছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর, তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।বিএলও-দের অতিরিক্ত চাপ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের দাবি, প্রতিদিন গড়ে মাত্র ৩৭ জন ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে। দিনে ৭৮টি বাড়ি গেলেই সেই কাজ শেষ হয়ে যায়। তবে বিচারপতি বাগচী মন্তব্য করেন, বিএলও-দের ওপর বাড়তি চাপ দেওয়া যাবে না। তাঁরা মাঠে নেমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেনপ্রয়োজনে বিএলও-র সংখ্যা বাড়ানো উচিত।নির্বাচন কমিশন জানায়, বিএলও-দের নিরাপত্তা নিয়ে তারা তৎক্ষণাৎ রাজ্যের কাছে চিঠি পাঠাবে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

ডেডলাইনের ঠিক আগে তুমুল দৌড়—কেন্দ্রীয় পোর্টালে উঠে এল লক্ষ লক্ষ ওয়াকফ সম্পত্তির খতিয়ান

৬ ডিসেম্বর ছিল শেষ তারিখ। তার মধ্যেই দেশের সব রাজ্যকে কেন্দ্রীয় পোর্টাল উমিদ-এ নিজেদের রাজ্যের ওয়াকফ সম্পত্তির খতিয়ান নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই এই বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই মতে গত ৬ জুন পোর্টাল চালু করে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক। ছমাস সময়সীমা শেষ হওয়ার পর কেন্দ্র জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই গোটা দেশ মিলিয়ে ৫ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি উমিদ পোর্টালে নথিভুক্ত হয়েছে।মন্ত্রকের রিপোর্টে বলা হয়েছে, নথিভুক্ত হওয়া সম্পত্তির মধ্যে ২ লক্ষ ১৬ হাজার ৯০৫টি সম্পত্তি ইতিমধ্যেই অনুমোদন পেয়েছে। যাচাইয়ের সময়ে বাতিল হয়েছে ১০ হাজার ৮৬৯টি নথিভুক্তি। আরও জানা গিয়েছে, সময়সীমার শেষ দিকে নথিভুক্তির গতি অনেক বেড়ে যায়। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার কারণেই কাজ দ্রুত এগিয়েছে বলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দাবি।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি নথিভুক্ত হয়েছে উত্তরপ্রদেশেমোট ৯২ হাজার ৮৩০টি। এর মধ্যে ৮৬ হাজার ৩৪৫টি সুন্নি এবং ৬ হাজার ৪৮৫টি শিয়া ওয়াকফ সম্পত্তি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র, যেখানে নথিভুক্ত হয়েছে ৬২ হাজার ৯৩৯টি সম্পত্তি। তৃতীয় স্থানে কর্নাটক, মোট ৫৮ হাজার ৩২৪টি সম্পত্তি নিয়ে।পশ্চিমবঙ্গে নথিভুক্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৮৬টি ওয়াকফ সম্পত্তি। যদিও রাজ্য সরকারের ওয়াকফ দফতরের ওয়েবসাইটে বলা আছে, বাংলায় মোট ওয়াকফ সম্পত্তির সংখ্যা ৮২ হাজার ৬১৬টি। ফলে নথিভুক্তির এই ব্যবধান নিয়েও নতুন প্রশ্ন উঠছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
কলকাতা

কাজ না হলেও প্রচার চাই! জেলাশাসকদের ‘বিশেষ নির্দেশ’—বোমা ফাটালেন শুভেন্দু, ভোটের মুখে দলে ঢল বিজেপিতে

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, জেলায় জেলায় উন্নয়নমূলক কাজ না হলেও সরকারের তরফে জেলাশাসকদের প্রচার বাড়ানোর বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যজুড়ে ৯১১৪টি প্রকল্পে সাত হাজার কোটি টাকার টেন্ডার করা হচ্ছে, অথচ সেই টাকার মাত্র দশ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সরকার জানে বাকি টাকা দেওয়া সম্ভব নয়, তাই জেলাশাসকদের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের মাধ্যমে প্রচার বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুভেন্দুর অভিযোগ, কাজ না হলেও এলাকায় দৃশ্যমান প্রচার চালিয়ে যেতে হবে বলে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের শিলান্যাসের পরে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরেও মিটিং করতে বলা হয়েছে। সেখানে অন্তত ৫০০ জনকে উপস্থিত রাখতে হবে এবং তার অর্ধেকই হতে হবে মহিলাএমন নির্দেশ এসেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।এদিন শুভেন্দু আরও বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বহু মানুষ বিজেপিতে যোগ দিতে আগ্রহী। বিজেপির লক্ষ্য৩৯ শতাংশ ভোটকে বাড়িয়ে ৫১ শতাংশে নিয়ে যাওয়া। এই দিনই তিনজন বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী অধ্যাপক অজয় কুমার দাস, যিনি আগে আইএসএফের প্রার্থী ছিলেন। যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক সঞ্জীব হাঁসদা, যিনি আদিবাসী সমাজ নিয়ে কাজ করেন। আরও যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন পুলিশ অফিসার বঙ্কিম বিশ্বাস, যিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে পদত্যাগ করেছেন।ভোটের আগে সরকারের নির্দেশ, প্রশাসনের ভূমিকা এবং দলে যোগদানসব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

হঠাৎ ঠান্ডার কামড়! কুয়াশায় ঢাকবে রাজ্য, তাপমাত্রা নামবে আরও নিচে

আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল, সপ্তাহান্তেই কলকাতার তাপমাত্রা নেমে যাবে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৪ ডিগ্রি, যা তখন পর্যন্ত মরসুমের সবচেয়ে ঠান্ডা দিন হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু রবিবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়াল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৪ ডিগ্রি কম।আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, আকাশও পুরোপুরি পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।শুধু কলকাতা নয়, আশপাশের জেলাগুলিতেও ঠান্ডা আরও বাড়বে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১১ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে নামতে পারে, ফলে সেখানকার শীত হবে আরও কনকনে। রাজ্যের বহু জায়গায় ভোর ও সকালবেলা ঘন কুয়াশা দেখা যাবে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি হলেও বৃষ্টি একেবারেই নেই।উত্তরবঙ্গেও শীতের দাপট চলছে জোরকদমে। দার্জিলিংয়ে গত কয়েক দিনে তাপমাত্রা কখনও ৮, কখনও আবার ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গিয়েছে, তাতে খুশি শীতপ্রেমী পর্যটকেরা। আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের শীর্ষ জেলাগুলিতে একই আবহাওয়া চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দুই বঙ্গেই আগামী শুক্রবারের পর থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর! রবিবার থেকে শীতের জাঁকিয়ে ঠান্ডা, কম্বল বের করুন

অবশেষে বাংলায় শীতের আসল রূপ ফিরে এল। ঘূর্ণাবর্তের বাধা কেটে গিয়েছে, পশ্চিম থেকে শীতল হাওয়া এখন অবাধে ঢুকছে রাজ্যে। তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। উইকেন্ডের মধ্যে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আগামী কয়েকদিন আরও এক থেকে তিন ডিগ্রি পারদ পড়তে পারে। শীতের আমেজ জাঁকিয়ে বাড়বে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী সাতদিন আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনাই নেই। সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে, বিশেষ করে উপকূলের জেলাগুলোতে। দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে আসতে পারে। দিনের বেলায় আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সকাল-সন্ধ্যায় শীতের অনুভূতি স্পষ্ট হবে।আজ শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৭ ডিগ্রি। কয়লকাতা ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও শীতের আমেজ বেড়েছে। দার্জিলিং-কার্শিয়াংয়ে পারদ ৫ ডিগ্রির কাছাকাছি। মালদহেও নেমেছে ১৬ ডিগ্রিতে।আবহাওয়াবিদদের কথায়, উত্তর-পশ্চিম ভারতে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকায় শীতল হাওয়া বইছে। আজ আরও একটি শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করবে। তার জেরে আগামী পাঁচ-সাতদিন তাপমাত্রা আর বড় বাড়বে না। বরং ধীরে ধীরে আরও কমবে। উইকেন্ড থেকেই কম্বল-চাদর বের করার সময় এসে গেল বাংলার মানুষের।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
কলকাতা

করদাতা কমল বাংলায়! অমিতের খোঁচা—অভিষেকের কড়া পালটা

পশ্চিমবঙ্গেই করদাতার সংখ্যা কমে গিয়েছেএই তথ্য ঘিরে সরাসরি আক্রমণ করেছেন বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, রাজ্যে শিল্প নেই, কাজের সুযোগ কম এবং তাই আয়ও কম হচ্ছে; মোদী সরকারের আয়কর ছাড়ের সুবিধা গ্রহণ করায় বাংলায় করদাতা কমেছেএটাকে তিনি মোদী সরকারের উপহার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বিষয়টি সামনে চলে আসার পর বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি সাংবাদিক বৈঠক করে এ নিয়ে কথা বলেন।বিধায়ক অশোক দাবি করেন, ২০২৪-২৫ সালের অ্যাসেসমেন্টে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি মাত্র ২ লাখ হয়েছে, আগের বছরে যা ছিল ৩ লাখঅর্থাৎ বাড়তি সংখ্যা কমেছে। তিনি বলেন, মোদী সরকার ইনকাম ট্যাক্সে ছাড় দেয়ায় মধ্যবিত্তদের কর কমেছে, তাই ট্যাক্স রিলিফ পাওয়া নিয়েই এই পতন হয়েছে।দুইপাশেই পালটা দাবি ও প্রতিক্রমা তুঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এসকল হিসেব তুলে ধরে বলেছেন, গত সাত বছরে কেন্দ্রীয় সরাসরি ও পরোক্ষ কর যোগ করে বাংলা থেকে বিপুল অঙ্কের রাজস্ব সংগ্রহ করা হয়েছেমোট প্রায় ৬ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, ওই সময়ে কেন্দ্র থেকে বাংলায় ফেরত দেওয়া বকেয়া প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা। অভিষেকের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০১৭১৮ থেকে ২০২৩২৪ অর্থবর্ষ পর্যন্ত কন্ট্রিবিউশন ক্রমানুসারে বেড়েছে; ২০১৭১৮ সালে রাজ্য দিয়েছে ৬৩,৪০৭ কোটি, ২০১৮১৯ এ ৮৪,৪১৯ কোটি, ২০১৯২০ এ ৮৪,০১৫ কোটি, ২০২০২১ এ ৮০,০০৪ কোটি, ২০২১২২ এ ১,০১৭৬৭৩ কোটি, ২০২২২৩ এ ১,১৩,৬২১ কোটি এবং ২০২৩২৪ এ ১,২২,৯৮৮ কোটি টাকা।অভিষেকের তথ্যে ফের অমিত মালব্য রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেনআর এতে রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূলের রাজ্য সহসভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার পালটা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাকে পিছিয়ে রাখার চেষ্টাই করছে; বাংলায় শিল্প প্রতিষ্ঠা না করতে নানা কৌশল চালানো হচ্ছে। তিনি যুক্তি দেখান যে অনেক ক্ষেত্রে এমএসএমই-তে বাংলা এগিয়ে আছে এবং অমিতবাবুর আঙুল তোলা তথ্য মিথ্যা মন্তব্যের ওপর ভিত্তি করে। তাঁর শব্দে, বাংলা থেকে কত ট্যাক্স নেওয়া হচ্ছে, সেটা আগে খতিয়ে দেখতে হবে।রাজনৈতিক তর্ক-ঝগড়ার মাঝেই সাধারণ মানুষ, শিল্প এবং চাকরির বাজার নিয়েও যে প্রশ্ন তুলেছে এই বিতর্ক, তা স্পষ্ট। আগামী দিনে কর-সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যান এবং কেন্দ্ররাজ্য আর্থিক লেনদেন নিয়ে আরও তৎপরতার সম্ভাবনা দেখছেন সব পক্ষই।

ডিসেম্বর ০২, ২০২৫
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে আজ কমিশনের দরবার, সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন ঘিরে বাংলায় যখন একের পর এক অভিযোগ উঠছে, সেই অবস্থায় সরাসরি মানুষের কথা শোনার জন্য দরবার বসাল নির্বাচন কমিশন। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এই বিশেষ শুনানি চলছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের দোতলায় বসে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ শুনছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।সম্প্রতি বাংলার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১৯৯০ ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার সুব্রত গুপ্তকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে বাংলার এসআইআর-এর দায়িত্ব দেন। রবিবার থেকেই পুরো দমে কাজে নেমে পড়েছেন এই পর্যবেক্ষক।কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে যে কোনও অভিযোগ, অনুযোগ বা সমস্যা সরাসরি এসে জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। শাসক দল থেকে বিরোধী দলসবারই নানা অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও আতঙ্ক ও ক্ষোভ রয়েছে। সেই সব কথাই সরাসরি শোনা হচ্ছে এই দরবারে।শুধু কলকাতায় বসে কাজ নয়, সোমবার থেকেই জেলায় জেলায় নেমে পড়েছে কমিশনের বিশেষ দল। মোট ১৩ জন পর্যবেক্ষক একসঙ্গে কাজ শুরু করেছেন। এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সুব্রত গুপ্ত। ইতিমধ্যেই তিনি ফলতা এলাকা ঘুরে এসেছেন। বাকি ১২ জন পর্যবেক্ষকও নিজেদের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলাগুলিতে গিয়ে একেবারে তৃণমূল স্তরে ভোটার তালিকার কাজ খতিয়ে দেখবেন। কোথাও ভুল বা অনিয়ম হলে তা সরাসরি কমিশনকে জানানো হবে বলেই সূত্রের খবর।ভোটার তালিকার এই বিশেষ পরিমার্জন ঘিরে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। সেই আবহেই কমিশনের এই সক্রিয় ভূমিকা নতুন করে কৌতূহল বাড়িয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
দেশ

লক্ষদ্বীপ প্রথম, উত্তর প্রদেশ একেবারে শেষে! ভোটার তালিকায় বড় ফাঁকফোকরের ইঙ্গিত

দেশের ৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের কাজ। প্রথম দফায় পরীক্ষামূলক ভাবে এই কাজ শুধু বিহারেই শুরু হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় তা একসঙ্গে একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয়েছে। এই কাজ ঘিরেই শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক। কোথাও আতঙ্ক, কোথাও অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। কোনও কোনও রাজ্যে আত্মঘাতী হয়েছেন বিএলও-ও। এই পরিস্থিতির মধ্যেই নিজের গতিতে চলছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। সোমবার সেই কাজের বর্তমান অবস্থা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত লক্ষদ্বীপে ১০০ শতাংশ ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে এখন শুধুই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের অপেক্ষা। লক্ষদ্বীপে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫৭ হাজারের একটু বেশি। সেখানে কাজ করেছেন ৫৫ জন বিএলও।লক্ষদ্বীপের পরেই রয়েছে গোয়া। সেখানে এখনও পর্যন্ত ৯২ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। গোয়ায় মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লক্ষ ৮৫ হাজার। কাজ করেছেন ১ হাজার ৭২৫ জন বিএলও। তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজস্থান। সেখানে ৮৯ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। রাজস্থানে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৪৬ লক্ষেরও বেশি। কাজ করেছেন ৫২ হাজার ২২২ জন বিএলও।এর পরেই চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলা। বাংলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮৮ শতাংশ ভোটার তালিকার ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে মধ্যপ্রদেশ। সেখানে ৮৬ শতাংশ কাজ হয়েছে। রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৭৪ লক্ষ। কাজ করেছেন ৬৫ হাজার ১৪ জন বিএলও।ষষ্ঠ স্থানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। সেখানে ৮৩ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। মোট ভোটার ১০ লক্ষ ২১ হাজার। কাজ করছেন ৯৬২ জন বিএলও। সপ্তম স্থানে রয়েছে গুজরাট। সেখানে এখনও পর্যন্ত ৮১ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। সেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ কোটি ৮ লক্ষেরও বেশি। কাজ করছেন প্রায় ৫০ হাজার বিএলও।অষ্টম স্থানে রয়েছে ছত্তিশগড়। সেখানে ৭৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর পরেই রয়েছে আন্দামান ও নিকোবর। সেখানে ৭৬ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। দশম স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। সেখানে ৭৫ শতাংশ কাজ হয়েছে।এই তালিকার একেবারে নীচে রয়েছে কেরল ও উত্তর প্রদেশ। কেরলে এখনও পর্যন্ত মাত্র ৬৪ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে। আর উত্তর প্রদেশে সবচেয়ে কম, প্রায় ৫৫ শতাংশ কাজই শেষ হয়েছে। কমিশনের এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

শ্রীলঙ্কায় তাণ্ডবের পর ভারতের দিকে ঘূর্ণিঝড়! বাংলায় কী প্রভাব পড়বে দিতওয়াহার?

শ্রীলঙ্কার উপকূলে তাণ্ডব চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহা এখন ভারতের দিকে এগোচ্ছে। তবে আবহাওয়া দফতর স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ঝড়ের সরাসরি কোনও প্রভাব বাংলায় পড়বে না। ঝড়টি তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূলের কাছাকাছি এসে সমুদ্রের মধ্যেই শক্তি হারাবে। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে হাওয়ার গতিপথ বদলাচ্ছে, যার ফলে বাংলায় তাপমাত্রার ওঠানামা শুরু হয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে কমছে রাতের তাপমাত্রা। রাতের দিকে সামান্য উষ্ণতা থাকলেও সকালবেলা হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দু-একটি জায়গায় দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারের কাছাকাছি নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে কলকাতার তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ ১৫ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবারের পর ধীরে ধীরে আরও নামবে তাপমাত্রা। শুক্র ও শনিবার নাগাদ কলকাতায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রিতে এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১১ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে। উইকেন্ডে শীতের আমেজ ফের জোরালো হতে পারে।উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় আপাতত তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে। তবে মালদহ ও দুই দিনাজপুরে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সপ্তাহের মাঝামাঝি আবার পারদ নামতে শুরু করবে।দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দিতওয়াহা উপকূলের কাছে এলেও সমুদ্রেই শক্তি হারাবে। ঝড়টি স্থলভাগ থেকে ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে। এর প্রভাবে দক্ষিণ ভারতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে হরিয়ানার উপর একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনাও আছে।কলকাতায় আগামী কয়েকদিন সকালে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা একটু বেশি থাকায় সকাল-সন্ধ্যায় শীতের আমেজ কিছুটা কম থাকবে। দিনের বেলাতেও শীত বিশেষ অনুভূত হবে না। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে, কোথাও আংশিক মেঘ দেখা যেতে পারে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৪৮ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে।দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা তাপমাত্রার খুব একটা বদল হবে না। মঙ্গলবারের পর থেকে পরের দু-তিন দিনে প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। শুক্রবার নাগাদ কলকাতা ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভালো রকম ঠান্ডা পড়তে পারে। আগামী কয়েক দিন রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে ভোরের দিকে। উপকূলের জেলাগুলিতে কুয়াশার প্রভাব বেশি হতে পারে। তবে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ থাকবে, কিন্তু দিনের দিকে শীত অনেকটাই কম অনুভূত হবে। দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রির কাছে থাকতে পারে। মালদহে পারদ থাকবে প্রায় ১৭ ডিগ্রির ঘরে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। উইকেন্ডে পাহাড়ি এলাকাতেও কুয়াশা বাড়তে পারে

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

দু’টি নিম্নচাপের ধাক্কা, শীত কি তবে বিদায় নিচ্ছে? বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদল

একসঙ্গে দুটি নিম্নচাপের প্রভাবে ফের বদলাচ্ছে বাংলার আবহাওয়া। দক্ষিণবঙ্গে সামান্য বেড়েছে তাপমাত্রা। এই রকম আবহাওয়া সোমবার পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মঙ্গলবার থেকে আবার তাপমাত্রা নামতে শুরু করবে। আপাতত কলকাতার তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির আশপাশেই ঘোরাফেরা করবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১৪ ডিগ্রির ঘরে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে। তবে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকেও নিচেই থাকবে। অনেক জেলায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। সোমবার পর্যন্ত কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ১৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। শনিবার ও রবিবার কুয়াশার সম্ভাবনাও বাড়বে। তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশা দেখা যেতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে কুয়াশার প্রভাব বেশি হতে পারে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।মঙ্গলবার থেকে আবার ঠান্ডা বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবারের মধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শনিবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য কম। গতকাল বিকেলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেটিও স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা নিচে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই শীতের জাঁকিয়ে উপস্থিতি। পাহাড়ি শহর দার্জিলিং-এ তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৬ ডিগ্রির ঘরে। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সকাল ও রাতের দিকে শীতের প্রভাব স্পষ্ট। দিনের বেলায় অবশ্য শীতের তীব্রতা কিছুটা কম অনুভূত হচ্ছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
কলকাতা

ঔপনিবেশিক নামের অবসান, বাংলার রাজভবন এখন জনগণের ‘লোক ভবন’

বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস-এর আবেদনে এবার সিলমোহর দিল কেন্দ্র। দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক ছাপ সরিয়ে রাজভবনের নতুন নাম ঠিক হল লোক ভবন। কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদনের পর ইতিমধ্যেই রাজভবনের এক্স হ্যান্ডেলের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে লোকভবন। সেই এক্স হ্যান্ডেল থেকেই নতুন নামকরণের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় যোগ তৈরি করতেই এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঔপনিবেশিক নাম ছেড়ে এবার মানুষের রাজভবন হিসেবেই পরিচিত হতে চলেছে লোক ভবন।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
দেশ

‘ভুয়ো ভোটারে সরকার বৈধ?’ কমিশনের সামনে বিস্ফোরক প্রশ্ন তৃণমূলের

একুশ জুলাই শহিদ মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারিই দিয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা SIR ঘিরে সমস্যা তৈরি হলে বাংলা ছেড়ে দিল্লি যেতে এক মুহূর্তও দেরি হবে না। কয়েক মাসের ব্যবধান। বাংলায় SIR শুরু হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই সেই হুঁশিয়ারি বাস্তবে রূপ নিল। শুক্রবার সকালে দিল্লির বুকে নির্বাচন কমিশনের দরজায় হাজির হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল।দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন-এর নেতৃত্বে মোট ১০ জন সাংসদ কমিশনের দফতরে যান। উল্লেখযোগ্যভাবে, সোমবার ভার্চুয়াল বৈঠক থেকেই এই প্রতিনিধি দল গঠন করে দিয়েছিলেন অভিষেক নিজেই। সেই দলে ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, দোলা সেন, মহুয়া মৈত্র, প্রকাশ চিক বরাইক, সাজদা আহমেদ, মমতাবালা ঠাকুর, প্রতিমা মণ্ডল এবং সাকেত গোখলে।শুক্রবার প্রায় দুঘণ্টা ধরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর সঙ্গে বৈঠক করেন ডেরেকরা। বৈঠক শুরুর আগেই কমিশনারের হাতে একটি তালিকা তুলে দেন তৃণমূল সাংসদরা। সেই তালিকামৃতের তালিকা। ডেরেকের দাবি, SIR-এর জেরে এখনও পর্যন্ত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই তালিকাই আমরা কমিশনারের হাতে তুলে দিয়েছি। ওদের হাতে রক্ত লেগে আছে।বৈঠকে মোট পাঁচটি প্রশ্ন তুলে ধরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। প্রথম প্রশ্ন ছিল, ভুয়ো ভোটার এবং অনুপ্রবেশকারীদের বাদ দিতেই যদি শুধু SIR শুরু হয়, তা হলে ত্রিপুরার মতো রাজ্য বাদ কেন? দ্বিতীয় প্রশ্নযাঁদের আজ কমিশন ভুয়ো বলছে, তাঁদের ভোটেই তো গঠিত হয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার, তা হলে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারও কি অবৈধ? তৃতীয় প্রশ্নে বিএলও-দের মৃত্যুর দায় কারসেই প্রশ্ন তোলা হয় কমিশনের সামনে। চতুর্থ প্রশ্নে তৃণমূল দাবি করে, বাংলায় বিজেপির নেতারা যখন প্রকাশ্যে বলছেন ১ কোটি ভোটার বাদ যাবে, তখন মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে কেন এবং কেন তা থামানো হচ্ছে না। পঞ্চম প্রশ্ন ছিল, বিহারে ভোটের আগে মহিলাদের ১০ হাজার টাকা দেওয়া হল, অথচ বাংলায় সহায়তা কেন্দ্রের কর্মীদের দিয়ে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের কাজ পর্যন্ত করাতে রাজি নয় কমিশনএর কারণ কী?তৃণমূল সাংসদদের দাবি, এই পাঁচটি প্রশ্নের কোনওটারই সরাসরি উত্তর কমিশন দেয়নি। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক থেকে ডেরেক বলেন, তৃণমূল SIR-এর বিরোধী নয়। আমরা চাই এটা সঠিকভাবে হোক। কিন্তু আমরা যে প্রশ্নগুলি করেছি, তার কোনওটারই উত্তর দেওয়া হয়নি। নানা কথা বলা হয়েছে, শুধু মূল বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। শতাব্দী রায় যখন মৃতের তালিকাটি কমিশনারের হাতে দেন, তখন তাঁর মুখে বিস্ময় ধরা পড়ে বলেও দাবি তৃণমূল নেতাদের।রাজনৈতিক মহলের মতে, SIR ঘিরে রাজ্য-দিল্লি সংঘাত এবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। একুশ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে যে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়েছিল, তারই বাস্তব রূপ দেখা গেল শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের দরজায়। এই সংঘাত আগামী দিনে আরও তীব্র আকার নেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক শিবির।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

অঙ্গ-কলিঙ্গের পর এবার ‘বঙ্গ মিশন’! ডিসেম্বরে বাংলায় আসছেন মোদী ও শাহ?

অঙ্গ, কলিঙ্গ জয় হয়েছে। এবার নজর একটাইবঙ্গ। বিজেপির রাজনৈতিক ব্লুপ্রিন্টে এখন কার্যত এটাই সবচেয়ে বড় টার্গেট। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে সমস্ত কৌশল কাজে লাগাতে শুরু করেছে গেরুয়া শিবির। তারই অঙ্গ হিসেবে ডিসেম্বর থেকেই বাংলায় টানা কর্মসূচি শুরু করতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী। বঙ্গ বিজেপির অন্দরমহলের খবর, নির্বাচনী বিধি চালু হওয়ার আগেই রাজ্যে বাকি থাকা সব কর্মসূচি সেরে ফেলতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী।দলের শীর্ষ সূত্রের দাবি, ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে বাংলায় মোট ১০টি বড় কর্মসূচির আবেদন জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে। তার মধ্যে আলিপুর, দমদম ও দুর্গাপুর মিলিয়ে ইতিমধ্যেই তিনটি কর্মসূচি হয়ে গিয়েছে। বাকি রয়েছে আরও সাতটি। ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকেই সেই কর্মসূচিগুলি একের পর এক সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু তাই নয়, এই সময়কালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই মঞ্চে কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।পরের বছর একযোগে তিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনঅসম, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ। দক্ষিণে বিজেপির সংগঠন এখনও তুলনায় দুর্বল। অসমে গেরুয়া শিবিরের ভিত যথেষ্ট মজবুত। ফলে রাজনৈতিক লড়াইয়ের আসল ময়দান হয়ে উঠছে বাংলা। এখানেই সবথেকে কঠিন পরীক্ষা। সেই কারণেই কোনও খামতি রাখতে রাজি নয় বিজেপি নেতৃত্ব।বৃহস্পতিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা-র বাসভবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈশভোজ বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিহারের নির্বাচনী কৌশল রচনার নেপথ্যের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠকেরা। অঙ্গ জয়ের সাংগঠনিক মডেল যাঁরা দাঁড় করিয়েছিলেন, এবার তাঁদেরই দায়িত্ব আরও বাড়তে চলেছে বলে সূত্রের খবর। বিহারের পর বাংলা ও তামিলনাড়ুতেও জয় ছিনিয়ে আনার লক্ষ্যেই এবার ওই অভিজ্ঞ নেতাদের নামানো হচ্ছে নির্বাচনী ময়দানে।রাজনৈতিক মহলের মতে, অঙ্গ-কলিঙ্গের পর বাংলাকেই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বিজেপি। সরাসরি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তত্ত্বাবধানে গোটা নির্বাচনী রণকৌশল সাজানো হচ্ছে। ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে চলা টানা কর্মসূচির মাধ্যমেই এই লড়াইয়ের সূচনা করতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
কলকাতা

শুভেন্দুর অভিযোগের মাঝেই পুলিশে রুটিন ট্রান্সফার? বদলি বহু শীর্ষ আধিকারিক

রাজ্যে এই মুহূর্তে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া। আর ঠিক তিন মাস পরেই শুরু হবে নির্বাচনী বিধি। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়েই রাজ্য পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যের তিন জন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে সরাসরি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠিও দেন। এই আবহেই রাজ্যে পুলিশের উচ্চপদে বড়সড় রদবদল করল নবান্ন।এক ধাক্কায় বদল হয়েছে একাধিক জেলার পুলিশ সুপার। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার অরিজিৎ সিনহাকে মেদিনীপুর রেঞ্জের ডিআইজি পদে পাঠানো হয়েছে। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারিকে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদলি করে মালদহের পুলিশ সুপার পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতদিন মালদহের পুলিশ সুপার থাকা প্রদীপ কুমার যাদবকে পাঠানো হয়েছে উত্তর দিনাজপুর ট্র্যাফিক বিভাগে।আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশীকে জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার করা হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকারকে রাজ্যের এসএসআইবি পদে উন্নীত করা হয়েছে। জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত উপেশ জ্ঞানপতকে আলিপুরদুয়ারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার মহম্মদ সানা আখতারকে বদলি করে আসানসোলদুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ডেপুটি কমিশনার করা হয়েছে। এসএসআইবি পদে থাকা ড. সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশকে রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার সৌমদীপ ভট্টাচার্যকে পাঠানো হয়েছে বাঁকুড়ায়। নিউটাউন বিধাননগর কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার মনভ সিংলাকে ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার করা হয়েছে। বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শুভেন্দ্র কুমারকে বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই রাজ্য পুলিশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের একটি অনুষ্ঠানে কয়েক জন পুলিশ আধিকারিক প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান বলে মন্তব্য করেন। সেই ভিডিও সামনে এনে শুভেন্দু অধিকারী পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। সেই ঘটনার পরেই এই রদবদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোরদার জল্পনা শুরু হয়েছে।তবে নবান্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, পুরো বিষয়টি সম্পূর্ণ রুটিনমাফিক প্রশাসনিক রদবদল। এর সঙ্গে রাজনৈতিক ঘটনার কোনও যোগ নেই বলেই জানানো হয়েছে। তবুও ভোটের আগে এই ব্যাপক বদলি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজ্য রাজনীতিতে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 26
  • 27
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা কাকলির, "ভালো তৃণমূল" নিয়ে জোর চর্চা

তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে লেখা চিঠিতে তিনি মহিলা শাখার জাতীয় সভাপতির পদ-সহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় ভালো তৃণমূল নিয়ে। ইস্তফাপত্রে কাকলি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেছেন। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং দলের ওপর ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। চিঠিতে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার বিবেক গভীরভাবে পীড়িত।আরজি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী হিসেবে সেখানে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান কাকলি। তবে সাংগঠনিক পদ ছাড়লেও আপাতত দল ছাড়ছেন না তিনি। সাধারণ কর্মী হিসেবেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন বারাসাতের সাংসদ।উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলীয় আপত্তি উপেক্ষা করে সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এর মধ্যেই তাঁর ইস্তফা তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ২৮, ২০২৬
রাজনীতি

সোশাল মিডিয়া তোলপাড় ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলে, এই তত্বে ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা

ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূলে তোলপাড় সোশাল মিডিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসে ভালো কিছু আছে বলে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা কোনওভাবেই মানতে নারাজ। তাই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে কোনও ভাবে সমর্থন করছে না তাঁরা। তৃণমূলের যাঁরা দুর্নীতি বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা যুক্ত নন তাঁরা কবে দড়জায় কড়া নাড়বেন, সেকথাই বলেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাতেই ভালো তৃণমূল তত্ব ভেসে ওঠে। বিগত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর। খুন, ধর্ষণ থেকে বাড়ি-ঘর ভেঙে তছনছ করে পুড়িয়ে দেওয়ার মত আক্রমণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল বাংলা। এমনকী গত পাঁচ বছরে ৩২১ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের হাতে শহিদ হয়েছেন বলে রাজ্য বিজেপির দাবি। বগটুই থেকে আরজিকরের মতো নারকীয় ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন মন্ত্রী থেকে নেতারা। শেষমেশ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্যে গিরগিটিও যেন হার মানবে। টিভি শো থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের যে নেতৃত্ব বিজেপিকে গালমন্দ না করে মুখে অন্ন তোলেনি তারা এখন মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। ভাবটা এমন যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থেকেও তারা অত্যাচারিত ছিল। অথচ দিনের পর দিন তারা ক্ষমতার অলিন্দে থেকে সবরকম ভোগ বিলাস করেছেন। তৃণমূল জমানার কোনও ঘটনা নিয়ে টু শব্দটি করেননি। বরং বিজেপিকে যতটা বেশি কোনঠাসা করা যায় ততটাই করেছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূল সাজতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। সঙ্গে আরও বহু সামগ্রী। এরা এখন পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মন ভোলানো সুর তুলেছেন। কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে এদের এই রূপ কিছুতেই দেখতে পেত না বাংলার মানুষ। টিভি চ্যানেলে দিনের পর দিন বিজেপি বক্তাদের অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমান করেছেন, ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূলের দৌড়ে অংশ নিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সর্থকরাই বলছেন এভাবে ভালো তৃণমূল বাছলে তারা আবার খারাপ না হয়ে যান। তাঁদের বক্তব্য়, ২০২৬-এর ভোটে জয় বিজেপির লড়াই ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণেই সম্ভব হয়েছে। ওই ভালো তৃণমূলীরা বিজেপিকে পদদলিত করতে চেয়েছিল। নির্বাচনে হেরে গেলে জীবন বিপন্ন হয়ে যেতে নীচুতলার বিজেপি কর্মীদের। তাই তারা বিজেপি নেতৃত্বের কাছে আবেদন করছেন, এই ভালো তৃণমূল খোঁজার নামে দলকে বিপদগামী করবেন না। বাস্তবে একটা পচা আলু গোটা বস্তার আলুকে পচিয়ে দেয়। তাতে দলের কর্মীরা হতাশ তো হবেনই পাশাপাশি সামনের দিন বাংলায় বিজেপির শাসন দরকার। ভোট বলে বিষয়বস্তু কিন্তু থাকবে। সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, বিজেপি আগামী ২৫ বছর থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতেন আগামী ৫০ বছর তৃণমূল থাকবে। মানুষ কিন্তু সব মনে রাখে। সময়ের অপেক্ষায় থাকে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, বিজেপি সাধারণের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে অথবা পরবর্তীতে যাতে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ না থাকে তার জন্য এই তত্ব ছেড়েছে। এখন দেখার বিষয় বিজেপির কাছে ভালো তৃণমূল কারা, খারাপ তৃণমূল কারা।

মে ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal