• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata

কলকাতা

গাড়ি চালকের অবসরের দিনে মেট্রোকর্তার অদ্ভুত সম্মান প্রদান, যা শুনে আপনারও মন ছুঁয়ে যাবে

কার্তিকচন্দ্র মন্ডল জীবিকা নির্বাহের জন্য পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন গাড়ি চালানোকে। চাকরি হিসেবে তিনি ড্রাইভার পদে যুক্ত হয়েছিলেন কলকাতা মেট্রো রেলে। সেখানেই তিনি কলকাতা মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডির গাড়ি চালাতেন। স্বাভাবিকভাবে এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষের গাড়ি চালানায় যে বাড়তি সতর্কতা কিংবা নিয়মানুবর্তিতার প্রয়োজন, সে বিষয়কে মাথায় রেখে নিজের কাজ দায়িত্বশীলতার সাথে পালন করেছেন নিজের কর্মজীবনে। ফলস্বরূপ মেট্রোরেলের বিভিন্ন অফিসার এবং সহকর্মীদের স্নেহ ও ভরসার পাত্র হয়ে উঠেছিলেন তিনি। বিশেষ করে জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডির কাছের পাত্র হয়েছিলেন প্রতিদিন একসাথে যাওয়া-আসার সুবাদে। সেই কার্তিক মন্ডল কর্মজীবন থেকে অবসর নিলেন আজ, মঙ্গলবার। এই অবসরের দিনে আনুষ্ঠানিক বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত হয় মেট্রো রেল ভবনে। এদিন কার্তিকবাবুর কর্তব্যনিষ্ঠা এবং সময়ানুবর্তিতাকে সম্মান জানিয়ে বিদায়লগ্নে তাঁকে জেনারেল ম্যানেজার পি উদয়কুমার রেড্ডি নিজে গাড়ি চালিয়ে - কার্তিকবাবুকে পেছনে বসিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেন। অবসরের দিন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার থেকে এহেন সম্মান পেয়ে হতবাক কার্তিকবাবু। আনন্দ এবং গর্ব অনুভব করার প্রতিফলন ধরা পড়ছিল কার্তিকবাবুর অশ্রুসিক্ত চোখের এক কোণে। এই সম্মান ও ভালোবাসা তাঁর অবসরযাপনকালে স্মৃতির মণিকোঠায় অম্লান হয়ে থাকবে। চালকের প্রতি বিশেষ সম্মান জানানোয় মেট্রো রেলের কর্মীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন পি উদয়কুমার রেড্ডিকে।মেট্রোরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী কৌশিক মিত্র এবিষয়ে জানিয়েছেন, কার্তিক চন্দ্র মন্ডল মেট্রোরেলের জেনারেল ম্যানেজার পি উদয় কুমার রেড্ডির গাড়ি চালানোর কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং তিনি তাঁর দায়িত্ব সাফল্যের সাথে পালন করেছেন। অবসরের দিন স্বয়ং জেনারেল ম্যানেজারের কার্তিকবাবুর প্রতি এহেন সম্মান প্রদর্শন এক দৃষ্টান্ত স্বরূপ।

নভেম্বর ০১, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কড়া নির্দেশ, নিজাম প্যালেস ছুটলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি

নির্দেশ ছিল। শেষমেশ সেই নির্দেশ কার্যকরী করতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে পৌঁছেও গিয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গৌতম পালকে সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নির্দেশ না মানলে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারিও ছিল। শেষমেশ নির্ধারিত সময়েই চতুর্থীর ভিড় ঠেলে নিজাম প্যালেসে পৌঁছান পর্ষদ সভাপতি।শুধু গৌতমবাবু নয়, পাশাপাশি পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে সিবিআই জেরা করতে পারেন বলে নির্দেশে উল্লেখ করা হয়।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি চলে। ওএমআর শিট সংক্রান্ত মামলায় এদিন সিবিআইকে আদালতে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। জানা গিয়েছে, সেই রিপোর্টে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। উল্লেখ রয়েছে, এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানি এমনভাবে ওএমআর শিট তৈরি করেছিল যাতে প্রার্থীর নাম, রোল নম্বর কোনও কিছু স্পষ্ট বোঝা না যায়। এমনকী পর্ষদের কাছে ওএমআর শিট সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হলেও তাঁরা নতুন প্রিন্ট করা কপিকেই ডিজিটাইজ ডাটা হিসাবে দাবি করছেন।এরপরই বিচারপতি জানান, সিবিআইয়ের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ওএমআর শিট দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন। এই দুর্নীতি সামনে আসার পরও বর্তমান বোর্ড সদস্যরা কীভাবে এস বসু রায় এণ্ড কোম্পানিকেই ওএমআর শিট তৈরির দায়িত্ব দিলেন? এ জন্যই পর্ষদ সভাপতিকে জিজ্ঞসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তারপরই পর্ষদের বর্তমান সভাপতি গৌতম পাল ও সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকে আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দেন বিচারপতি। ফলে গৌতম পালকে বুধবার সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে হবে। নির্দেশে বলা হয়েছে, সিবিআই চাইলে সেক্রেটারিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। তারপর বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। যদি বোর্ড সদস্যেদের কেউ সহযোগিতা না করেন তাহলে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই।

অক্টোবর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

শেষ দিনে ইডির দফতরে নথি জমা দিলেন অভিষেক

১০ অক্টোবরের মধ্যে ইডির কাছে সব নথি জমা করতে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের শীর্ষ নেতার পক্ষ থেকে একগুচ্ছ নথি কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাছে জমা দেওয়া হয়।আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নথি জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। এদিন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ নাগাদ দুজন ব্যক্তি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দপ্তরে আসে। তাঁরা আটটা নাগাদ বেরিয়ে যায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দপ্তর থেকে। তাদের প্রশ্ন করলে তারা কোন উত্তর দেয়নি। ED সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নথি জমা দিতেই তারা ED দপ্তরে এসেছিলেন। তাঁরা নথি জমা দিয়েছেন।নথি জমা দেওয়ার জন্য ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী রাত ১২টা পর্যন্ত অভিষেকের হাতে সময় ছিল। তার কিছু সময় আগে নথি জমা পড়ল। মঙ্গলবার বিকেলেই অভিষেকের নথি জমা সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতকে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জানা গিয়েছে, এই প্রসঙ্গে বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেছেন, আদালতের নির্দেশ পালন না করলে অভিষেকের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উঠেছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নাম। এই সংস্থার সিইও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটের কাকুকে জেরায় যা জানতে পারে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই সূত্রেই ইডি তলব করে অভিষেককে। নিয়োগ মামলায় ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদের কাছ থেকে কী কী নথি প্রয়োজন তা আদালতে বুঝিয়ে দেয় ইডি।এরপরই বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, নথি ১০ অক্টোবর অভিষেককে জমা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থেই সেসব নথির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে উল্লেখ ছিল, ১০ তারিখে নথি জমা দিলে, তা খতিয়ে দেখবে ইডি। তারপরও জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজনীয়তা থাকলে ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিয়ে তলব করতে হবে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে।এদিন নিয়োগ দুর্নীতি মামলা ফের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে ওঠে। ইডির আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলায় এখনও পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও নথি জমা দেননি। তখন বিচারপতি সিনহা জানতে চান ডিভিশন বেঞ্চ নথির হার্ড কপি নাকি সফট কপি চেয়েছিল। জবাবে ইডির আইনজীবী জানান, অভিষেককে হার্ড কপি দেওয়ার কথাই বলা হয়েছিল। সফট কপির বিষয়টি জানা নেই।এরপরই বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানান, আদালতের নির্দেশ না মানলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নথি জমা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ১০, ২০২৩
কলকাতা

সিবিআইয়ের দিনভর তল্লাশি চেতলার বাড়িতে, ক্ষোভ উগরে দিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম

এর আগে নারদাকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রবিবার পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই ১০ ঘণ্টা তল্লাশি চালালো ফিরহাদের চেতলার বাড়িতে। সেই বাড়ি থেকে সিবিআই আধিকারিকরা চলে যেতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র। তিনি বলেন, এভাবে আমার সম্মানহানি করা হচ্ছে। আজ আমার ভাইয়ের শ্রাদ্ধ ছিল। সেখানে আমাকে যেতে দেওয়া হল না। কেন এভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে হেনস্তা করা হবে? রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়িতে আচমকা হানা দেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। সেই অভিযান ১০ ঘণ্টা পর শেষ হয় সন্ধে সাড়ে ৬টায়। তদন্তকারীরা বাড়ি ছাড়তেই ফিরহাদ মেয়ে প্রিয়দর্শিনী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন যে, তাঁদের ওপর, মানসিক নির্যাতন চলছে।মেয়র ফিরহাদ হাকিম স্ত্রী রুবি ও কন্যা প্রিয়দর্শিনীকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সাংবাদিক বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম অভিযোগ করেন, দীর্ঘ বছর ধরে চেতলার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে আসছেন। তাঁরা আমাকে কাউন্সিলর বানিয়েছেন। বিধায়ক বানিয়েছেন। আজ অবধি কেউ বলতে পারেনি যে আমি দুর্নীতি করেছি। তার পরও কেন আমাকে এই ভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে? বিজেপিকে বলব, আমাকে জেলে রাখুন। কিন্তু, আমাকে এই ভাবে সম্মানহানি করবেন না। একটা অসভ্য, বর্বর দল। এদের কাছে মাথানত করব না।তাঁর বিরুদ্ধে নারদা মামলা প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন, ওই একটা মামলাতেই আমি অভিযুক্ত। জেলেও গেছি। কিন্তু, জেলে না-গিয়ে অসুস্থ বলে হাসপাতালে শুয়ে থাকিনি। কিন্তু, ওই একই মামলায় তো শুভেন্দু অধিকারীও অভিযুক্ত। কোথায়, ওকে তো ডাকাই হল না? আমি ২৫ বছর ধরে কাউন্সিলর। কখনও দুর্নীতির সঙ্গে হাত মেলাইনি। বামফ্রন্ট আমলেও মার খেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু, এভাবে আমাকে কখনও হেনস্তা করা হয়নি। এদিন সিবিআই তল্লাশি চালায় প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের বাড়িতেও।

অক্টোবর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইডিকে নথি জমা দিতে হবে অভিষেককে, পেলেন না আদালতের রক্ষাকবচও

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৯ অক্টোবর ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু, তাঁকে রক্ষাকবচও দিল না কলকাতা হাইকোর্টের ডিভেশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ইডির দাবি মত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১০ অক্টোবরের মধ্যেই সব নথি জমা করতে হবে। এর চেয়ে ১ ঘন্টাও বেশি সময় তাঁকে দিতে নারাজ কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই জমা করা নথিতে সন্তুষ্ট না হলে ইডি ফের অভিষেককে তলব করতে পারবে। তবে ৪৮ ঘণ্টা আগে সমন পাঠাতে হবে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে।ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ৯ অক্টোবর ইডি দফতরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতে হবে না। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে অভিষেককে সব নথি ইডির কাছে দিতে হবে। তিনি কোনও নথি জমা দিতে না পারলে ইডির সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু আদালত আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক ঘণ্টাও অতিরিক্ত সময় দেবে না। অভিষেকের জমা দেওয়া নথিতে সন্তুষ্ট না হলে তাঁকে হাজিরা দিতে বলতে পারে ইডি। এক্ষেত্রের সমন করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে উচ্চ আদালত। অভিষেককে সমন পাঠাতে হলে পুজোর আগে অর্থাৎ ১৯ অক্টোবরের আগে বা পুজোর পরে অর্থাৎ ২৬ অক্টোবরের পরে পাঠাতে হবে।তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৩ অক্টোবর ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। পরে বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চের নির্দেশ ছিল ওইদিন তদন্ত প্রক্রিয়া যেন ব্যাহত না হয় তা ইডিকে দেখতে হবে। অভিষেক অবশ্য ওইদিন ইডির দফতরে যাননি। বদলে তিনি সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন।অভিষেক আদালতকে জানিয়েছিলেন, একক বেঞ্চ ওই নির্দেশ দিতে পারে না। বুধবার অভিষেকের সেই আবেদনের শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে। ডিভিশন বেঞ্চ অবশ্য সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়নি। উল্টে একটি প্রস্তাব রাখে ইডির কাছে। যাতে বলা হয়, যা যা নথি চাওয়া হয়েছে অভিষেককে তা দিতে হবে। তাতে সন্তুষ্ট না হলে তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেককে তলব করতে পারবে ইডি। ১২ অক্টোবর অভিষেক নথি দেবেন ইডিকে। সব নথি খতিয়ে দেখে পুজোর পরে নয় নতুন করে সমন পাঠাবে ইডি। পাশাপাশি, অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতার কথা বলা হয়।বৃহস্পতিবার ইডির বক্তব্য শোনার পরই মামলাটির শুনানি শেষ হয় ডিভিশন বেঞ্চে। তবে রায়দান স্থগিত রয়েছে। এদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট। এবার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শেষ করতে ইডি-কে নির্দেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এই তদন্ত শেষ করতে হবে হবে বলে দির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতির স্পষ্ট কথা, তদন্তের নামে গড়িমসি চলবে না।

অক্টোবর ০৬, ২০২৩
রাজ্য

অভিষেককে ইডির তলব, কি নির্দেশ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের?

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বাবা-মা ও স্ত্রী রুজিরাকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এদিকে অভিষেকের জমা করা নথির তথ্যে সন্তুষ্ট না হলে তবেই তাঁকে ফের সমন পাঠানো হোক। বুধবার ইডিকে এই প্রস্তাব দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। তবে বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের উপরে কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ বুধবার অভিষেকের আবেদনে সাড়া দেয়নি ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে সম্পর্কহীন তদন্তে কেন তাঁকে ডাকা হচ্ছে সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন শোনার পর বিচারপতি সৌমেন সেনের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চান, ইডি শেষ যে সমন পাঠিয়েছিল, তাতে যা জানতে চাওয়া হয়েছিল, তা ইডিকে দিয়ে দিলেই হয়ে যায়। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে আপত্তি কোথায়? উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর বয়ানের ভিত্তিতে ইডির দাবি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের কর্ণধার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ও ওই সংস্থার ডিরেক্টর।বিচারপতির কথামত, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। এর সব তথ্য সামনে আসা উচিত। সিইও-র বিষয়ে যা জানতে চাওয়া হয়েছে তা-ও জনসমক্ষে আনা প্রয়োজন। এতে তো কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, একটা কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্তে ইডির অনেক ক্ষমতা রয়েছে। তারা ১৯ মাস ধরে কী করছে? কোনও আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকলে তা পরিষ্কার হোক।সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি ছিল, বিচারপতি সিনহার নির্দেশে তাঁকে মামলায় যুক্ত না করেও প্রভাবিত করা যেতে পারে।। এটা কি করে সম্ভব? ডিভিশন বেঞ্চের যুক্তি, এটা কোর্টের নজিরদারিতে তদন্ত চলছে। মাথায় রাখবেন, এটা কোনও সরাসরি তদন্ত নয়। তাই সিঙ্গল বেঞ্চ এটা করতে পারে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী সংস্থার কাছে জবাব চাইতেই পারে সিঙ্গল বেঞ্চ। এত দিন ধরে তদন্ত চলার পরে কিছু পাওয়া যায়নি। সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি তো এ নিয়ে জানতে চাইতেই পারেন। কোর্টের নজরদারিতে তদন্ত চললে যদি তদন্তকারী সংস্থার রিপোর্টে আদালত সন্তুষ্ট না হয়, তবে আবার নির্দেশ দিতেই পারে।এরপরই অভিষেকের আইনজীবীকে ডিভিশন বেঞ্চের প্রস্তাব, তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করতে হবে। যে নথি চাওয়া হয়েছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই তথ্য দেওয়া উচিত। ১২ অক্টোবর ইডির দফতরে সব নথি জমা দেওয়া দরকার। আগামিকাল দুপুর ২টোয় ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

ইডির তদন্তে স্বস্তিতে ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়, হাইকোর্টে শুনানি আগামীকাল

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ। এর আগে বিচারপতি সিনহা নির্দেশ দিয়েছিলেন, আজ ৩ অক্টোবরের তদন্ত ও অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে ইডিকেই। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। আগামিকাল ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেকের মামলার শুনানি হবে।উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে তল্লাশি অভিযানে গিয়েছিল ইডি। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে একগুচ্ছ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তারই ভিত্তিতে অভিষেককে ডেকে পাঠিয়ে কলকাতার অফিসে এর আগে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি।ফের একবার আজ ৩ অক্টোবর ফের তাঁকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যদিও পরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ ইডির তলবে যাবেন না বলে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন।অভিষেকের সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের পরেই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বিষয়টি আদালতের সামনে রেখেছিলেন। তারই ভিত্তিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা ইডিকে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, ৩ অক্টোবরের তদন্ত ও অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করবে হবে।যদিও এক্ষেত্রে সরাসরি কারও নাম নেননি বিচারপতি। বিচারপতি সিনহার সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই এবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০৩, ২০২৩
দেশ

আবর্জনা মুক্ত ভারত গড়ার অঙ্গীকার কলকাতার জিএসআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতরে

আবর্জনা মুক্ত ভারত-এর যুগের অঙ্গীকারে ভারতের জিওলজিক্যাল সার্ভে, পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তর, কলকাতা, রবিবার এক ঘন্টা শ্রমদানের মাধ্যমে Swacchata Hi Seva 2023 অভিযান সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়। সল্টলেকের জিএসআই কার্যালয়ে ও আনন্দলোক হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার আবর্জনা অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতার প্রচারের প্রচেষ্টায় ৫০০ জন জিএসআই কর্মীবৃন্দ ও নাগরিক সমবেত হয়েছিলেন। গান্ধী জয়ন্তীর প্রাক্কালে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। জিএসআই, পূর্বাঞ্চল শাখার অ্যডিশেনাল ডিরেক্টার জেনারেল এবং এইচ ও ডি, শ্রীমতি বর্ষা অশোক আগলাওয়ের তত্ত্বাবধানে Ek Tarikh Ek Ghanta এক ঘণ্টার শ্রমদান অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অধ্যক্ষা সারা বছর নিয়মিত কার্যালয়ে ও সংলগ্ন এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার বিষয়ে জোর দেন। চিফ ইঞ্জিনিয়ার, সকল ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল, ডিরেক্টর, উচ্চপদস্থ কর্মচারী ও অন্যান্য কর্মীবৃন্দ এবং অস্থায়ী স্টাফ পূর্ণ উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করেন। প্রবীণ নাগরিকসহ স্থানীয় লোকজন ব্যাপকভাবে এই বৃহৎ পরিচ্ছন্নতা কর্মকাণ্ডে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন বিশিষ্ট জাতীয় ফুটবল খেলোয়াড় সন্দীপ নন্দী। তিনি একটি পরিষ্কার পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধির জন্য এই ধরনের আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সহমত প্রকাশ করেন।

অক্টোবর ০১, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির তলব অভিষেককে, সমন বাবা-মাকেও

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ৩রা অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে ডেকে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজেই এই তলবের বিষয়টি এক্সবার্তায় জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত ও মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদেরও তলব করেছে ইডি।সেপ্টেম্বরের শুরুতে বাংলাকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচি রয়েছে। ৩রা অক্টোবর ওই ধর্না কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির পূর্ব ঘোষিত দলীয় কর্মসূচি ফেলে কলকাতায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন কিনা সেটাই দেখার।এদিন এক্সবার্তায় অভিষেক লিখেছেন, এখন, আজ আবার তারা আমাকে তাদের সামনে হাজির হওয়ার জন্য আরেকটি সমন পাঠিয়েছে। যেদিন ৩রা অক্টোবর দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের ন্যায্য পাওনা আদায়ের জন্য প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হবে। এটাই প্রমাণ করছে যে কারা সত্যিকারের ভীত, সন্ত্রস্ত এবং কারা ভয়ে কাঁপছেন।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ৩রা অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে ডেকে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজেই এই তলবের বিষয়টি এক্সবার্তায়ন্ড হারবারের বিধায়ক।সেপ্টেম্বরের শুরুতে বাংলাকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচি রয়েছে। ৩রা অক্টোবর ওই ধর্না কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির পূর্ব ঘোষিত দলীয় কর্মসূচি ফেলে কলকাতায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন কিনা সেটাই দেখার।এদিন এক্সবার্তায় অভিষেক লিখেছেন, এখন, আজ আবার তারা আমাকে তাদের সামনে হাজির হওয়ার জন্য আরেকটি সমন পাঠিয়েছে। যেদিন ৩রা অক্টোবর দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের ন্যায্য পাওনা আদায়ের জন্য প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হবে। এটাই প্রমাণ করছে যে কারা সত্যিকারের ভীত, সন্ত্রস্ত এবং কারা ভয়ে কাঁপছেন।এই প্রথম নয়, এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছিল ইডি। সেদিন ছিল ইন্ডিয়া জোটের সমন্বয় কমিটির প্রথম বৈঠক। ওই কমিটির সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, দুর্নীতি মামলার তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সির ডাক পড়ায় সেদিন ওই বৈঠকে যোগ দেননি তৃণমূল সাংসদ। ইডির ডাকে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন।এদিনের এক্সবার্তাতেও সেই বিষয়টি জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, এই মাসের শুরুতে, দিল্লিতে ইন্ডিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়কারী বৈঠকের দিনই ইডি আমাকে তলব করেছিল। আমি দায়িত্বশীল হওয়ায় সমনে সাড়া দিয়ে হাজির হয়েছিলাম।তৃণমূল সূত্রে খবর, ওইদিন ইডি-র তলবে অভিষেকের সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কারণ, পূর্বঘোষণা মতই ২ ও ৩ অক্টোবর দিল্লিতে কেন্দ্র বিরোধী কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূলের। অভিষেকের নেতৃত্বেই হবে সেই কর্মসূচি। সেই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন কয়েক হাজার কর্মী। প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। শুক্রবারই থেকেই দিল্লিমুখী জনতা কলকাতায় জড়ো হবেন। তাই ওই কর্মসূচি ছেড়ে অভিষেক কলকাতায় হাজিরা দিতে আসবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে।এর আগে গত ১৯ মে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচি ফেলে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলবে সাড়া দিয়ে হাজিরা দিয়েছিলেন তৃণণূলের সেকেন্ডজ ইন কমান্ড। এরপর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পরপর দুবারই বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোট বা তৃণমূলের কর্মসূচির দিনই অভিষেককে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি।কেন বেছে বেছে দল বা বিরোধী শিবিরের কর্মসূচির দিনই তলব? তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের দাবি, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় পাচ্ছেন। অভিষেক ভীতিতে ভুগছেন ওরা। তাই তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মসূচির দিনই কেন্দ্রীয় এজেন্সি মারফৎ তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে।গত ১৩ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বল্ছিলেন যে, এই দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের নির্যাস শুধু শূন্য নয়, মাইনাস টু। শুধু সময় নষ্ট। আমাকে আবার ডাকলে আবার আসবো। আবারও সেদিন বলব জিজ্ঞাসাবাদের ফল মাইনাস ফোর হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৩
রাজ্য

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখেও 'ভাইপো' মন্তব্য, কি বললেন তিনি?

এবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখেও ভাইপো। কোভিড ক্ষতিপূরণের একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে ভাইপো মন্তব্য। চোলাই মদ খেয়ে মারা গেলে ২ লাখ, কোভিড মৃত্যুতে কত? প্রশ্ন বিচারপতির। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,কে একটা ভাইপো আছে, তাঁর বাড়ি ৪ তলা। কোটি টাকার বাড়ি, কোথা থেকে আসে এত টাকা? চোলাই মদ খেয়ে মারা গেলে ২ লাখ, কোভিডে মৃত্যুতে কত? আদৌ কি টাকা দেওয়া হয়?২০২০ সালের ১ অগাস্ট করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক বিভূতিকুমার সরকারের। ওই শিক্ষকের মৃত্যুর পরেও সরকারি চাকরি বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ মেলেনি বলে অভিযোগ তাঁর স্ত্রীর। শেষমেশ চাকরি না পেয়ে তাঁর স্ত্রী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শুক্রবার সেই মামলাটিই উঠেছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে।এই মামলার প্রেক্ষিতেই রাজ্য সরকারের আইনজীবীকে উপরোক্ত প্রশ্নগুলি করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এব্যাপারে রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩
কলকাতা

জোড়াসাঁকোর মাটি যাচ্ছে দিল্লি, স্থান পাবে আমার মাটি আমার দেশে

দিল্লির অমৃত উদ্দ্যানের জন্য মাটি সংগ্রহ কর্মসূচি বিজেপি। আজ, রবিবার রবীন্দ্রনাথের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করল রাজ্য বিজেপি। জোড়াসাঁকোর সেই সংগৃহীত মাটি পাঠানো হবে দিল্লিতে। বিজেপির এই মাটি সংগ্রহ অভিযান প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, ওনারা মাটি পাঠান, আমরা মা-মাটি মানুষের দল। আমরা মাটি পাঠানোর বিরোধী নই।জোড়াসাঁকোর পাশাপাশি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, কালীঘাট মন্দির থেকেও মাটি সংগ্রহ করা হবে। মোদীর স্বপ্নের আমার মাটি আমার দেশ উপলক্ষ্যে ভারতের প্রতিটি মহান ব্যক্তিত্বের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা হবে মাটি। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুর থানার সুভাষগ্রামে নেতাজির বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করা হয়।বিজেপি সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে আমার মাটি আমার দেশ নামে একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। দিল্লিতে তৈরি হচ্ছে অমৃত বাটিকা নামে একটি বাগান। গোটা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি সংগ্রহ করে সেই বাগানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্বাধীনতা সংগ্রামী, দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া পুলিশ বা সেনাদের বাড়ি থেকে এই মাটি সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেই উদ্দেশ্যেই আজকের এই মাটি সংগ্রহ অভিযান।এপ্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্নের অভিযান আমার মাটি আমার দেশ। রাজধানী দিল্লিতে অমৃত বাটিকা তৈরি হচ্ছে। সারা দেশ জুড়ে সেই মাটি সংগ্রহের কাজ চলছে। আমরা আজ রবীন্দ্রনাথের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করতে পেরে গর্বিত। সংগ্রহ করা মাটি আমরা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেব।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
উৎসব

দেশ-বিদেশের ১৫০০ বাঙালি ১২ দিন ধরে কলকাতায় সাহিত্য-সংস্কৃতির মহাযজ্ঞে সামিল

বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা ঘোষণার দাবিকে সামনে রেখে শেষ হলো ১২ দিন ব্যাপী যতদূর বাংলা ভাষা অনুষ্ঠান। ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা যুগসাগ্নিকের উদ্যোগে গত সাতাশে অগাস্ট গঙ্গা বক্ষে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ বারোদিনব্যাপী বঙ্গীয় সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে কলকাতার বিভিন্ন মঞ্চে কবিতাপাঠ, আবৃত্তি, গল্পপাঠ, শ্রুতিনাটক, সংগীত, নৃত্য, শিল্পকলা, ও নাট্যাভিনয় অনুষ্ঠিত হয়। গোটা অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজ্য সহ ৬টি দেশের বাংলা ভাষার ১৫০০ বেশি কবি, সাহিত্যিক অংশ গ্রহণ করেন।এ প্রসঙ্গে, যুগসাগ্নিক পত্রিকার সম্পাদক প্রদীপ গুপ্ত বলেন, সমগ্র ভূখণ্ডে যেখানেই বাংলাভাষা উচ্চারিত হয় আমরা সেখানেই পৌঁছাতে চাই। আর এই কার্যসিদ্ধি সম্ভব হয়েছে কবিতা-সাহিত্য-সংস্কৃতির হাত ধরে। যুগসাগ্নিক ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা ছাড়াও আরও কয়েকটি সাহিত্য পত্রিকার সহযোগিতায় বিগত তিন বছর ধরে হয়ে আসছে যতদূর বাংলা ভাষা শীর্ষক অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভারতের সমস্ত রাজ্যের বাংলা ভাষার কবি-সাহিত্যকদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলা ভাষার কবি-সাহিত্যকদের মিলনক্ষেত্র গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি আমরা। তবে বিগত বছরের তুলনায় এবারের অনুষ্ঠানসূচি আরও বৃহৎ আঙ্গিকে করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ১২ দিন ব্যাপী এই সূচি ভারতবর্ষে ইদানীংকালে সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম ও সর্ববৃহৎ বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতির মিলন মেলার চেহারা নিয়েছে। ভারতের ১২ টি রাজ্য ও বিশ্বের ছটি দেশের মোট ১৫০০ কবি-সাহিত্যিক ও সংস্কৃতি মনষ্ক মানুষ এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও অন্তোদয় অনাথ আশ্রমের শিশুদের বিশেষ অংশগ্রহণ ছিল সমগ্র অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠান থেকে সকল ভাষাকে সম্মান জানিয়েই বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা ঘোষণার দাবি তোলা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
কলকাতা

র‍্যাগিংয়ে মৃত ছাত্রের মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ মমতার, একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ছেলের অকাল মৃত্যুর শোক এখনও কাটেনি। দোষীদের সাজার দাবিতে সোচ্চার ছাত্রের বাবা মা। এরইমধ্যেই সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব়্যাগিংয়ে নিহত পড়ুয়ার মা, বাবা নবান্নে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। কথা বলতে বলতে এদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতের মা। শান্তনা দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। এরই মাঝে মৃতের মাকে তাঁর বাড়ির কাছে চাকরি এবং ভাইয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর তরফে মৃত ছাত্রের পরিবারকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, নিহতের স্মৃতিতে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালের নামকরণ করা হবে। ওই হাসপাতালেই বসানো হবে তার মূর্তি।গত ৯ আগস্ট রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের বারান্দা থেকে পড়ে দিয়ে স্নাতকস্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু হয়। যা ঘিরে শোরগোল পড়ে য়ায়। ব়্যাগিংয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই নাবালক পড়ুয়ার। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্তে নেমে বর্তমান ও প্রাক্তনী মিলিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরই ১৩ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তদের জেরায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের অনুমান, ব়্যায়গিংয়ের জেরেই ওই পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে।ইউজিসি গাইডলাইন মেনে কেন যাদবপুরে সিসি ক্যামেরা নেই তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আতসকাচে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভমিকাও। স্টুডেন্টস অফ ডিন ও রেজিস্ট্রারকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে লালবাজার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বাড়ল দুর্গা পুজোর আর্থিক সহযোগিতা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

১০ দিয়ে শুরু, ২৫, ৫০ থেকে ৬০ ছুঁয়ে এবছর ৭০ হাজার। ২০২২ এর দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান ছিল ৬০ হাজার টাকা। সেই পড়িমান বেড়ে ক্লাব পিছু ৭০ হাজার টাকা করল রাজ্য সরকার। আজ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দুর্গা পুজো নিয়ে একাধিক ছাড়ের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান যে, সরকারি বিভিন্ন দফতরের বিজ্ঞাপনও পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া হবে। বিজ্ঞাপন বাবদও কিছু টাকা ক্লাবগুলি পাবে।২০২৩ র এই বছর দুর্গাপুজোর বিসর্জন করারও দিন ধার্য করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজো কমিটিগুলিকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিমা নিরঞ্জন শেষ করে ফেলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী সেরা পুজোগুলিকে নিয়ে পূজা কার্নিভ্যাল রেড রোডে অনুষ্টিত হবে লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন, অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার সাথে সাথেই যেনো পুজো কমিটিগুলিতে বেজে উঠলো বাজলো তোমার আলোর বেণু...। তিনি এই অনুদানের ঘোষনার সাথে সাথেই সকলকে অনুরোধ করেন, সকলেই যেন সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখে, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শারদীয় উৎসব পালন করেন।আজ মঙ্গলবার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসন ও বাংলার পুজো কমিটিগুলো নিয়ে বৈঠকে বসেন। সারা রাজ্যের সমস্ত সরকারি অফিসে এই বৈঠক সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। সেখানেও স্থানীয় জেলাশাসক সহ এলাকার সাংসদ, মহকুমাশাসক, বিধায়ক সহ বিশিষ্ট সরকারি আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দফতরকে সতর্কতামূলক বিষয়ে নানা পরামর্শ প্রদান করে বলেন, স্কুল ছাত্রদের স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে যেন পুলিশের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। প্রত্যেক পূজা মণ্ডপের প্রবেশ ও বাহিরের পথ যেন আলাদা হয়। প্রাথমিক অগ্নি নির্বাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও মণ্ডপে রাখতে হবে। এছাড়াও প্রতিমা নিরঞ্জনের জায়গায় জলাশয়ের পাশে যেন আলো ও ব্যারিকেডের ব্যবস্থা করা হয়। যে সমস্ত জায়গায় দর্শক সমাগম বেশি হয় সেখানে জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সরকারি জরুরি বিভাগগুলির হেল্পলাইন নম্বরগুলো যেন পুজোর সময় কার্যকারি থাকে। পুজো কমিটিগুলিকে তাঁদের ভিড় নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রতিনিয়ত মাইকে ঘোষণা করতে হবে। সরকার প্রদত্ত জনকল্যাণমূলক হোর্ডিং সকলের দৃষ্টির সামনে লাগাতে হবে। এছাড়াও সরকারের বিভিন্ন দফতর বিজ্ঞাপন হিসাবে যে হোর্ডিং দেবে সেগুলিও সঠিক জায়গায় লাগাতে হবে। বাংলার আড়ম্বরপুর্ণ দুর্গাপুজো যে বহু মানুষের এক বিরাট রোজগারের দিশা সেই কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই পুজোকে কেন্দ্র করে বঙ্গে ৬০ হাজার কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়। তিনি প্রত্যেক পুজো কমিটিগুলির উদ্দশ্যে বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন লোকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের তাঁরা যেন তাঁদের পুজোয় জায়গা করে দেন। তাঁদেরও যাতে পুজোর সময় কিছু বাড়তি রোজগার হয় সেটাও আমাদের দেখতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার বারোয়ারিতে দুর্গা পুজো হয়। শহর কলকাতার তিন হাজার বাদ দিলে বাকি ৩৭০০০ পূজা হয় জেলায়। তিনি বিভিন্ন আবাসনের পুজোরও ভুয়াসী প্রশংসা করেন। তিনি পরিবহণ দপ্তর ও রাজ্য পুলিশকে পুজোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।২০১৮ তে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজোয় সরকারের তরফ পুজো কমিটিগুলির পাশে দাড়ানোর জন্য ১০হাজার টাকা অনুদান দেন। বছর গড়াতে গড়াতে সেই অনুদান ৭০ হাজারে পৌঁছে গেল। উল্লেখ্য ২০২২ এ পুজো কমিটি পিছু ৬০ হাজার অনুদান ছিল। গতবছর ২০২২ এ সারা রাজ্যে মোট ৪২ হাজার ২৮টি পুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। এ ছাড়াও এবছরে বিদ্যুতের বিলে ছাড়ের পরিমানও বাড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, গতবছর বিদ্যুতের বিলে ছাড় ছিল ২/৩ এবছরে তে বেড়ে হল ১/৪। তিনি এবিষয়ে সিইএসসি এবং রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদকে নির্দেশ দিয়ে দেন এই বৈঠকে।তিনি জানান, ২০২২ থেকেই অগ্নিনির্বাপক সংস্থার অনুমতি বাবদ কোনও টাকা দিতে হয় না। এবছরেও কোনও টাকা দিয়ে হবে না সেই সংক্রান্ত বিষয়ে। তাছাড়া তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার মহিলা পরিচালিত পুজোগুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট দফতর গুলিকে।

আগস্ট ২২, ২০২৩
কলকাতা

যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিপিএমের ছাত্র ইউনিয়নকে নিশানা মমতার

যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যু ইস্যুতে সিপিএমকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নেতাজি ইন্ডোরে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় যাদবপুরের সিপিএম অনুমোদিত ইউনিয়নকে আক্রমণ করেন। সমালোচনা করেন সিপিএম এবং তাদের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির। সম্প্রতি যাদবপুরে এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। যাদবপুর ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন সংগঠন ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। ঘটছে হাতাহাতি, সংঘর্ষের ঘটনা।সোমবার নেতাজি ইন্ডোরের সভায় যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদবপুর নিয়ে আগে আমরা গর্ববোধ করতাম। যাদবপুরে কীভাবে একটা ছাত্রকে সিপিএমের ইউনিয়ন মেরে ফেলল। এরা জীবনে বদলাবে না। এত রক্ত নিয়েও এরা বদলায়নি। বছরের পর বছর রক্ত নিয়ে খেলেও এদের শান্তি নেই।সভায় সিপিএমের পাশাপাশি বিজেপিকেও একহাত নেন। ডাক দেন, বিজেপি হঠাও ইন্ডিয়া বাঁচাও। কংগ্রেস বা সিপিএম তাঁকে যতই বিজেপিপন্থী বলুক না-কেন, গেরুয়া শিবিরকে তোপ দেগে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাকে ভাতে মারতে চায় মোদী সরকার। একদলের সরকারের নীতি চলবে না। আমরা সকলের উন্নতির পক্ষে। মোদী সরকার আর ৬ মাস থাকবে। আর একটু ৬ মাস কষ্ট করতে হবে আপনাদের, তারপর সব ম্যানেজ করে নেব।২৬টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের ইন্ডিয়া জোটে রয়েছে জোটে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেসও। কিন্তু, তারপরও জোটসঙ্গী বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসকে সোমবারের বক্তব্যে রেয়াত করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপির সঙ্গে তিনি এই দুই সর্বভারতীয় জোটসঙ্গী দলকেও এক আসনে নিশানায় রেখে বুঝিয়ে দেন, জোট শুধু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে। রাজ্যে তৃণমূল আছে তাদের একলা চলো নীতিতেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একসঙ্গে বোর্ড গঠন করছে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি। হিংসা লাগানোর জন্য টাকা দেওয়া হচ্ছে। বাংলায় সিপিএম-কংগ্রেসকে আমাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

আগস্ট ২১, ২০২৩
কলকাতা

যাদবপুর কাণ্ড: সমস্ত জায়গায় সিসি টিভির সিদ্ধান্ত ঝুলে, তবে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ ঘোষণা

যাদবপুরের মেন হস্টেলে সিসি ক্যামেরা নেই। এই নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত। ছাত্র মৃত্যুর পর সিসি ক্যামেরা নেই কেন তা নিয়ে বারেবারে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর এক সপ্তাহের বেশে অতিক্রান্ত হলেও কোন হেলদোল নেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। তবে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু হস্টেলে সিসি ক্যামেরা বসানো নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু। আপাতত শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটেই সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্যরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন।যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এদিনের সিদ্ধান্ত, রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে যেসব দু-চাকা বা চার-চাকা প্রবেশ করবে সেগুলোতে কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্টিকার তাকাও বাধ্যতামূলক। চালকদেরও কাছে থাকতে হবে নির্দিষ্ট পরিচয়পত্র। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে মাদক নেওয়ার সময় ধরা পড়লে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। তবে, ক্যাম্পাসে প্রবেশে কেন ২৪ ঘন্টা ক্যামেরায় নজরদারি থাকবে না তার কোনও উত্তর দিতে পারেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার।কেন হস্টেলে সিসি ক্যামেরা থাকবে না? প্রশ্নের জবাবে রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু বলেন, হস্টেলে রেজিস্টার খাতা বা লগ বুক থাকছে। হস্টেলের গেটে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে বসানো হবে সিসিটিভি। এ ব্যাপারে সিসিটিভি-র সংস্থার সঙ্গে কথাও বলা হচ্ছে। সিসি ক্যামেরা নিয়ে সব সিদ্ধান্ত নেবে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল।অন্যদিকে যাদবপুরের প্রথমবর্ষের ছাত্র-মৃত্যুর তদন্তে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করল রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতর। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই কমিটিকে।

আগস্ট ১৭, ২০২৩
নিবন্ধ

দুই বিপ্লবী কোনোমতে বেরোতে পেরেছিলেন সেই 'ডালান্ডা হাউস' র রৌরব নরক থেকে!

পি.জি.হাসপাতাল ছাড়িয়ে , বহুতল ট্রমা কেয়ার সেন্টার পেরোলেই কন্ডাক্টরদের সরব ঘোষণা পি.টি.এস .. পি.টি.এস! কিছু মানুষ নেমে যান বাস থেকে; আরো বেশী মানুষ হুরমুড়িয়ে উঠে আসেন সততজনঅধ্যুষিত স্টপেজটি থেকে।রাস্তার উল্টোদিকে সুবিশাল রেসকোর্সের দিকে শান্ত চোখে সারাবেলা চেয়ে থাকা বড় বড় গাছের ছায়ায় ঢাকা বাসস্টপটি আমাদের প্রায় সকলেরই অতিপরিচিত পুলিশ ট্রেনিং স্কুল বা পি.টি.এস। অবসরপ্রাপ্ত দুটি কামান দুপাশে নিয়ে যার প্রশস্ত তোরণ ঝাঁকিদর্শন দেয় ভিতরে বৃত্তাকার এক রহস্যময় সরকারী ভবনের, প্রকৃত নাম যার ডালান্ডা হাউস।পিছিয়ে যাওয়া যাক একশো আশি বছর। এই চত্বরেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল নেটিভদের জন্য বিশাল এক পাগলাগারদ। আগে রসাপাগলা অন্চলে ছিল এই পাগলাগারদ; সেখান থেকে তাকে তুলে আনা হয় এই প্রশস্ত পরিসরে। ১৯০৬ সালে ভবনটি চলে আসে স্ট্যাম্প অ্যান্ড স্টেশনারী দফ্তরের আওতায়। ১৯১৪ সালে এখানেই গড়ে তোলা হোলো এক আধুনিক পুলিশ ট্রেনিং কেন্দ্র, তদানীন্তন পুলিশ কমিশনার স্যার ফ্রেডেরিক হ্যালিডে-র উদ্যোগে। ১৭৫৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর হাতে আসা পন্চান্নটি গ্রামের অন্যতম ছিল ডালান্ডা (ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের ধারে পঞ্চান্নগ্রাম স্টপেজ আজো স্মৃতি বহন করছে হাতবদল হওয়া সেই পঞ্চান্নটি গ্রামের) সেই ডালান্ডা গ্রামের নামেই চিহ্নিত হলো ইংরেজ দার্শনিক জেরেমি বেন্থাম-এর উদ্ভাবিত প্যানপ্টিকন শৈলীতে নির্মিত এই পুলিশভবন। এই স্থাপত্যকৌশল তখন ব্যবহৃত হতো কারাগার - হাসপাতাল - পাগলাগারদ - উদ্ধারকেন্দ্র ইত্যাদিতে বৃত্তাকার অট্টালিকার কেন্দ্রে থাকতো নজরদারীর জন্য উঁচু এক নির্মান।বিপ্লবের আগুন তখন দাউদাউ করে জ্বলছে পরাধীন বাংলায়। শত শত অগ্নিযুগের বিপ্লবীদের সামলাতে জেরবার ব্রিটিশ রাজশক্তি। গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান কুখ্যাত চার্লস টেগার্ট প্রস্তাব দিলেন ডালান্ডা হাউস ব্যবহৃত হোক কারাগার ও জিজ্ঞাসাবাদ-কেন্দ্র হিসেবে। সেই শুরু সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের নামে ডালান্ডা হাউস পর্যবসিত হোলো পাশবিক নির্যাতনের এক নারকীয় মন্চে।সেই নরকযন্ত্রণার বিবরণ জানতে পারতো না বাইরের জগৎ। নিদারুণ নিষ্ঠুরতা-নিষ্পেষণ-নিপীড়নে নির্বাপিত হয়েছে কত স্বপ্নদর্শী তরুণ প্রাণ, উন্মাদ হয়ে গেছেন কতো উজ্জ্বল দেশপ্রেমী কে তার খোঁজ রাখে!নলিনীকান্ত ঘোষ আর প্রবোধকুমার বিশ্বাস দুই বিপ্লবী কোনোমতে বেরোতে পেরেছিলেন সেই রৌরব নরক থেকে, ১৯১৬ সালে। পরের বছর বেঁচে ফিরেছিলেন আরেক স্বাধীনতাসংগ্রামী প্রবোধ দাশগুপ্ত-ও। এঁদের মুখেই বিবরণ মেলে ভেতরকার ভয়ঙ্কর বিভীষিকার। সেই ভয়াবহ বর্ণনা ক্রমে ক্রমে জন্ম দেয় প্রবল বিরুদ্ধ জনমতের যা ব্রিটিশ রাজশক্তিকেও বাধ্য করে ১৯২০ সালে এই ফাটক তথা জিজ্ঞাসাবাদ-কেন্দ্র বন্ধ করতে। ডালান্ডা হাউস ফিরে যায় তার মৌলিক চরিত্রে পুলিশট্রেনিং কেন্দ্র হিসেবে।সম্প্রতি কলকাতা পুলিশ কয়েকটি পর্যায়ে মেরামত করেছে ডালান্ডা হাউসকে। বিস্তৃত ভবনটিতে এখনও কার্যালয় রয়েছে কলকাতা পুলিশের বিশিষ্ট কতকগুলি বিভাগের ডগ স্কোয়্যাড .. বম্ব স্কোয়্যাড .. RAF .. কম্যান্ডো ইউনিট .. বিপর্যয় নিয়ন্ত্রণ বিভাগ পুলিশ ট্রেনিং স্কুল চলে যাচ্ছে হাওড়া-র ডুমুরজলায়। ডালান্ডা হাউস জেগে থাকবে মৃত্যুন্জয়ী বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দীর্ঘশ্বাস-যন্ত্রণা-স্বপ্নভঙ্গ বুকে নিয়ে!

আগস্ট ১৭, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

৪ বছর বাদ ডার্বি জয় ইস্টবেঙ্গলের, মোহনবাগানের বিশ্বকাপার কোনও কাজে এল না

ইস্টবেঙ্গল: ১ (নন্দকুমার) মোহনবাগান: ০East Bengal vs Mohun Bagan match: দ্বিতীয়ার্ধের ৬০ মিনিট। তছনছ হয়ে গেল মোহনবাগান ডিফেন্স। নন্দকুমারের শট জাল কাঁপিয়ে দিল সবুজ মেরুনের। ওই এক গোলের ব্যবধান আর কমানো গেল না। যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে জ্বলল লাল হলুদ মশাল। ৪ বছর পর ডার্বি জয় পেল ইস্টবেঙ্গল।বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্কটিশ-অজি বিশ্বকাপারের পা পড়ল ডার্বির মেগা মঞ্চে। জ্বলে উঠল গ্যালারি। কিন্তু নিমিষেই তা উধাও হয়ে গেল নন্দকুমারের গোলে। মোহনবাগান গ্যালারিতে তখন শ্মশানের নিরবতা।ভারতীয় ফুটবলে উইঙ্গাররাও যে অনায়াসে খেলার ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারে তা শনিবার যুব ভরতীর ডার্বিতে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন নন্দকুমার। বোরহার থেকে বল রিসিভ করে যেভাবে নন্দকুমার চলতি ডুরান্ডের অন্যতম দর্শনীয় গোল করলেনন। তাও আবার ট্রান্সফার মার্কেটে ঝড় তোলা অনিরুদ্ধ থাপাকে মাটি ধরিয়ে। এবার আলোচনায় নন্দকুমার। শেষবার যুব ভারতী লাল-হলুদ আবির ভেসেছিল আইলিগে। আইএসএল জমানায় এবারই প্ৰথম।ম্যাচের আগেই লাল হলুদ বস কার্লেস কুয়াদ্রাত স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মোহনবাগানকে বধ করতেই মাঠে নামবে ইস্টবেঙ্গল। তা যে কেবল কথার কথা ছিল তা নয়। স্প্যানিয়ার্ড তা বুঝিয়ে দিলেন। এবার আইএসএল-এ খাতায় কলমে সর্বশ্রেষ্ঠ স্কোয়াড গড়েছে নাকি মোহনবাগান। এত শক্তিশালী স্কোয়াডের মালিক হয়েও ফার্নান্দোর ফ্লুইড পাসিং ফুটবল বন্ধ করে দিলেন কুয়াদ্রাত। স্রেফ দুটো প্ল্যানিংয়ে। লিস্টন কোলাসোকে সেভাবে নড়তে পারলেন না মাঝমাঠ থেকে সেভাবে বলের সাপ্লাই না পেয়ে। কোলাসোকে একেবারে বোতলবন্দি করলেন খাবরা। জেভিয়ের সিভেরিও, নন্দকুমার, মহেশরা টানা মোহনবাগান রক্ষণের উপর চাপ বাড়িয়ে গেলেন। শুভাশিস, হ্যামিল, আনোয়াররা টানা সেই চাপ ধরে রাখতে পারলেন না।ম্যাচের শুরুতে অবশ্য সাদিকু বেশ চনমনে ফুটবল উপহার দিচ্ছিলেন। ভয় ধরাচ্ছিলেন ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে। মাঝমাঠের দখল নিয়ে ইস্টবেঙ্গল খেলায় আধিপত্য কায়েম করে।ম্যাচের প্ৰথম পর্ব বাদ দিলে ডার্বি বেশিক্ষণ ধরেই ঘুম পাড়িয়ে দিল। কুশলী কুয়াদ্রাত ম্যাচ বেঁধে রাখতে চেয়েছিলেন মিডফিল্ডেই। জানতেন, লিস্টন, মনবীরদের কাছে বলের সাপ্লাই কমে গেলেই ভুলের বহর বাড়বে বাগানে। ঠিক সেটাই হল। খেলার শেষ দশ মিনিট যুবভারতীতে মুষলধারে বৃষ্টি।ইস্টবেঙ্গল প্ৰথম একাদশ: প্রভসুখন গিল, নুঙ্গা, খাবরা, নন্দকুমার, মন্দার রাও দেশাই, সাউল ক্রেসপো, বোরহা হেরেরা, সৌভিক চক্রবর্তী, নাওরেম মহেশ, জর্ডন এলসে, জেভিয়ের সিভেরিওমোহনবাগান প্রথম একাদশ: বিশাল কাইথ, ব্রেন্ডন হ্যামিল, আনোয়ার আলি, শুভাশিস বোস, আশিস রাই, গ্লেন মার্টিন্স, হুগো বুমোস, অনিরুদ্ধ থাপা, আর্মান্দো সাদিকু, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসো

আগস্ট ১২, ২০২৩
কলকাতা

সেক্টর ফাইভ-এ রোড ডাইভারসন, মেট্রোরেলের কাজের জন্য নয়া ঘোষণা

সম্ভবত শনিবার রাত থেকেই সেক্টর ফাইভ এর রোড ডাইভারশন হতে চলেছে। মেট্রোরেলের কাজের জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান বিধান নগর ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখার্জি। টেকনোপলিস মোড়ের আগেই কাজ হচ্ছে মেট্রোর। সেই কাজের জন্যই কলকাতা যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে আগামী ছয় মাসের জন্য। কলকাতা যাওয়ার জন্য আলাদা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করার আবেদন জানায় বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেট।বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখার্জি বলেন, টেকনোপলিস স্টেশনে মেট্রোর কাজ চলছে। এক সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে এখানে কাজ শুরু হয়েছে। এখনও রাস্তা বন্ধ করা হয়নি মেট্রো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। কিন্তু আগামীকাল থেকে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষর পক্ষ থেকে টেকনোপলিশের সামনের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই রাস্তাটা এয়ারপোর্ট-এর দিক থেকে সল্টলেকের দিকে আসে তাদের জন্য প্রযোজ্য। রাস্তা দিয়ে যারা যাবেন তাদের জন্য ড্রাইভারসশন করা হচ্ছে। নিউটাউন নারকেল বাগান মোড় থেকে এমআর ধরে চিংড়িঘাটার দিকে যেতে পারে। আবার সল্টলেকের দিকে যেতে গেলে যেতে পারবে। আর একটা বিকল্প রাস্তা তৈরী হয়েছে নারকেল বাগান মোড় থেকে নতুন ব্রিজ ধরে গোদরেজ ওয়াটার সাইট রিং রোড ধরে এসডিএফ হয়ে চিংড়িঘাটা যাওয়া যায়।মেট্রো স্টেশন এর কাজের জন্য টেকনোপলিশ-এর সামনে লাল বক্স করে দেওয়া হয়েছে যেটা কলকাতা লেন পুরো বন্ধ থাকবে। নিউটাউন বক্স ব্রিজ থেকে নেমে কেয়া মোটর্স হয়ে ফিলিপস মোড়, আরএ সফটওয়্যার মোড় হয়ে কলকাতার দিকে যেতে পারেন। যদি কেউ মনে করে এলবি রোড বা সল্টলেকের দিকে যাওয়া প্রয়োজন তাহলে কেয়া মোটর্স এর সামনে হয়ে টেকনোপলিস বিল্ডিংয়ের ব্যাক সাইড দিয়ে নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারেন। ট্রায়াল রান শুরু হয়েছিল। প্রথম প্রথম একটু ডিলে হয়েছিল একটু কনফিউশন হয়েছিল। রোড ড্রাইভারসেশন দেওয়া আছে তাতেও যদি কারও অসুবিধা হয়ে থাকে ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের রুটিন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। শুধুমাত্র কলকাতা বাউন্ডের জন্য। এয়ারপোর্ট বাউন্ডে কোনও চেঞ্জ হচ্ছে না। এয়ারপোর্ট বাউন্ডে যখন কাজ শুরু হবে তখন আমরা জানিয়ে দেব। আমাদের এক্সট্রা পুলিশি ব্যবস্থা রাখা আছে। শনিবার রাতে ডার্বি ম্যাচের পর থেকে রাস্তাটা বন্ধ করে দেওয়া হবে এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৩
কলকাতা

জনপ্রিয় হচ্ছে ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রো(গ্রিন লাইন), যাত্রী সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি

যাত্রীদের মধ্যে ক্রমশই জনপ্রিয় হচ্ছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো(গ্রিন লাইন)। বর্তমানে শিয়ালদহ থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত চালু এই মেট্রোয় চড়ে শহর ও শহরতলীর যাত্রীরা খুব সহজে ও নিরুপদ্রবে শিয়ালদহ থেকে সল্টলেকের যে কোনও জায়গায় যাতায়াত করতে পারছেন। এই নির্ঝঞ্ঝাট যাত্রায় তাদের সময়ও বাঁচছে অনেক, যা এই মেট্রোর বিপুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ। চলতি আর্থিক বছরের (২০২৩-২৪) প্রথম চার মাসে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর যাত্রী সংখ্যা গত আর্থিক বছরের(২০২২-২৩) প্রথম চার মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রো ০১/০৪/২০২৩ থেকে ৩১/০৭/২০২৩ পর্যন্ত মোট ৩৬.৯৭ লক্ষ যাত্রী পরিবহণ করেছে। গত বছরের একই সময়কালে এই মেট্রো ৬.৮৯ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করেছিল। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় চলতি আর্থিক বছরের প্রথম চার মাসে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় যাত্রী বৃদ্ধির পরিমাণ প্রায় ৪৩৬ %। ২০২৩ সালের জুন ও জুলাই মাসে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় যাত্রী হয়েছে যথাক্রমে ৯.১৬ লক্ষ ও ১০.০৯ লক্ষ। ২০২২ সালের জুন ও জুলাইতে কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইনে যাত্রী সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৬১ হাজার ও ৫.৩ লক্ষ। অর্থাৎ চলতি বর্ষার প্রথম দুমাসে ইস্ট-ওয়েস্ট-এ যাত্রী বেড়েছে লাফ দিয়ে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে , গত ১৪/০৭/২০২২ তারিখ থেকে শিয়ালদহ থেকে যাত্রী পরিষেবা শুরু হওয়ার পরেই ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রোয় যাত্রী বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। কলকাতা থেকে সল্টলেকের মধ্যে দ্রুততম এবং সবথেকে সুলভ পরিবহন মাধ্যম হওয়ার কারণেই যাত্রীরা ক্রমশই ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রোকে বেছে নিচ্ছেন। কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক, কৌশিক মিত্র যাত্রীদের মেট্রো রেলওয়ের ওপর ভরসা রাখার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইস্ট -ওয়েস্ট মেট্রোর হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড অংশে হুগলি নদীর নীচ দিয়ে মেট্রো পরিষেবা শুরু করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 19
  • 20
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal