• ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata

বিনোদুনিয়া

পেন মহোৎসবে উপস্থিত তারকারা

কিশলয় ইভেন্ট এন্ড অ্যাডভার্টাইজমেন্ট এবং পেন ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে কলকাতার আইসিসিআর এ উদ্বোধন হয়ে গেল পেন মহোৎসব ২০২২ । এই পেন উৎসব। তিনদিন ব্যাপী এই পেন মহোৎসবে ১৫ এপ্রিল শুরু হয়ে চলে ১৭ই এপ্রিল পর্যন্ত। এই অভিনব পেন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যারা তারা হলেন অধ্যাপক ড: সুরঞ্জন দাস,ভাইস চ্যান্সেলর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়,শুভ্র কমল মুখার্জি,মাননীয় বিচারপতি, ড: স্বাথী গুহ,ডিরেক্টর ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজ স্টাডিস এন্ড রিসার্চ, শিউলি রামানী গোমস, চিত্র পরিচালক,সুরঞ্জন দে,চিত্র পরিচালক, হুসেন মুস্তাফি, বিশিষ্ঠ ফুটবলার,নাসির আহমেদ, বিশিষ্ট ফুটবলার, বিমল দে, সেক্রেটারি EIMPADA, নুপুর মুখার্জি, ড্যান্স থেরাপি, অনিন্দিতা সিনহা, ইমন কর্নধর, সুরভি দাস,মডেল,মৌমিতা সাহা,ফ্যাশন ডিজাইনার, সায়নদ্বীপ রায়,ফটোগ্রাফার। এই অভিনব পেন উৎসবের আয়োজক ছিলেন সুব্রত দাস, শায়ক কুমার আঢ্য, এবং প্রসেনজিৎ গুছাইত।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
ব্যবসা

সরকারের ই-কমার্স নীতি শক্তিশালী করার আবেদন এআইএমআরএ-র

অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্মগুলির অর্থনৈতিক এবং একচেটিয়া ব্যবসায়িক নীতি দেশের দেড় লক্ষ সাধারণ মোবাইল বিক্রেতার ভবিষ্যতে বিপদ ডেকে এনছে বলে দাবী করেছে দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল বিক্রেতাদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া মোবাইল রিটেলার অ্যাসোসিয়েশন। তাই তারা সতর্কও করছে। সারা দেশে ১.৫ লক্ষের বেশি মোবাইল বিক্রেতাদের যৌথ মঞ্চ এই সংগঠনের সদস্য গোটা দেশের শত শত খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতা এবং সংগঠনের শীর্ষ কর্তারা ১৬ ও ১৭ এপ্রিল কলকাতায় সংগঠনের বার্ষিক সভায় অংশ নেন। এই বছরের বার্ষিক সাধারণ সভায় খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের সামনে উদ্ভূত অস্ত্বিতের সংকট এবং তার মোকাবিলা পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। এই বিষয়ে এআইএমআরএ-র পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি মোহন বাজোরিয়া বলেছেন, আমরা বৃহৎ প্রযুক্তি সংস্থা ও পোর্টালের অনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশলের সঙ্গে অস্ত্বিত্ব রক্ষার জন্য নিরন্তর লড়াই করে চলা দেশের দেড় লক্ষ তৃণমূল স্তরের মোবাইল বিক্রেতা সুরক্ষার দাবী নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিস্তারিত দাবী সনদ পেশ করতে চলেছে। বড় বড় সংস্থাগুলির এই অর্থনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশল রুখতে সরকারের কাছে আমরা নতুন নিয়ন্ত্রণ বিধি তৈরি অথবা কমপক্ষে বর্তমান বিধিনিষেধগুলোকে আরও শক্তিশালী করার দাবী জানাচ্ছি।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে টেক্কা দিতে চলেছেন সচিব জয় শাহ!‌

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরে কি কোনঠাসা বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি? বিরাট কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর বিতর্ক থেকে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি আরও জোরালো হতে চলেছে আইপিএলের প্লে অফ ও ফাইনালের স্থান নির্বাচন নিয়ে। এই ব্যাপারেও বোর্ড প্রেসিডেন্টকে পেছনে ফেলে লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে বোর্ড সচিব জয় শাহ। বেশ কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবারের আইপিএলের তিনটি প্লে অফ ম্যাচ ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু হঠাৎ করে কলকাতাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে লখনউ ও আমেদাবাদ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটা ঘনিষ্ট সূত্র থেকে এমনই জানা গেছে। করোনার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ঠিক করেছিল আইপিএলের লিগ পর্বের ম্যাচগুলি মহারাষ্ট্রের চারটি স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে। এই স্টেডিয়ামগুলি হল মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন, ওয়াংখেড়ে, ডিওয়াই পাতিল ও পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম। তখন প্লে অফ ও ফাইনালের স্থান চূড়ান্ত হয়নি। পরে বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, কলকাতার ইডেন গাডেন্সে প্লে অফের ম্যাচগুলি ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু বোর্ডের একটি সুত্র জানিয়েছে, লখনউ ও আমেদাবাদকে প্লে অফ ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এই দুটি ভেনুতে প্লে অফ আয়োজনের যুক্তি হল, যেহেতু এই দুটি শহর এবছর আইপিএলে প্রথম খেলছে, তাই এই দুটি শহরে প্লে অফ আয়োজন করা হোক। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে লখনউকে প্রথম কোয়ালিফায়ার এবং এলিমিনেটর ম্যাচ দুটি আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, আহমেদাবাদকে দেওয়া হতে পারে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার এবং ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্ব। আসলে বোর্ড সচিব জয় শাহ চান, তাঁর নিজের শহর আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইপিএলের ফাইনাল হোক। বোর্ডের ওই সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, যেহেতু লখনউ এবং আহমেদাবাদ এই বছর প্রথম আইপিএল খেলছে, তাই প্লে অফ ম্যাচগুলি এই দুটি শহরে আয়োজিত হলে দারুণ ব্যাপার হবে। এই নিয়ে আমরা কয়েকদিন আগে আলোচনায় বসেছিলাম। বোর্ডের বেশ কয়েকজন কর্তা এই ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি আবার আমরা বৈঠকে বসব। সেই বৈঠকেই সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আশা করছি লখনউ ও আমেদাবাদেই প্লে অফ ম্যাচগুলি এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। মূলত বোর্ড সচিব জয় শাহর জন্যই ফাইনাল আমেদাবাদ পেতে পারে। এক্ষেত্রে বোর্ড প্রেসিডেন্টকে পেছনে ফেলে দিতে চলেছেন তিনি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

কলকাতা বইমেলা'য় প্রথমবার অংশগ্রহণেই জমজমাট বাংলা পক্ষ'র স্টল, আজ প্রকাশিত হবে ম্যাগাজিন 'একদিন সব বাঙালির হবে'

সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক মাঠে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২২র শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মেলার উদ্বোধন করেন। বিশ্বের বৃহত্তম অ-বাণিজ্যিক বই মেলার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর ছাড়াও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, মন্ত্রী সুজিত বসু, সাংসদ মালা রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।প্রায় ৬০০টি বইয়ের স্টল এবং ২০০ লিটল ম্যাগাজিন প্রকাশক নিয়ে মেলার মাঠ প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। ১৯৭৬ থেকে শুরু হওয়া কলকাতা বইমেলা তার সূচনালগ্ন থেকেই বাংলার সংস্কৃতি ও আবেগের এক বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে।প্রতি বছর-ই বইমেলা এক বিশেষ থিমের ওপর গড়ে ওঠে। এবছর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫0 তম বছর। সেই কারনে বইমেলার এই সংস্করণে মেলার আয়োজক পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলারস গিল্ড বাংলাদেশকেই এবছরের থিম হিসাবে বিবেচনা করে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে আমাদের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে। দুই বাংলাকে কখনই সীমান্ত দিয়ে আলাদা করা যায় না। বাংলা ও বাংলাদেশের মধ্যে মানসিকতাই কোনও পার্থক্য নেই। বাংলাদেশের সকলকে আমার শুভেচ্ছা।মেলায় প্রথম বার অংশগ্রহণ করেই বাঙালির মন জয় করে নিয়েছে বাংলা পক্ষ। বুধবার উদ্বোধনী দিনে তাঁদের স্টলে উপস্থিত ছিলেন বাঙালীর প্রাণপুরুষ ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের উত্তরসূরী অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাংলা ও বাঙালির পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেন। অমিতাভ বাবু জানান তিনি বাংলা পক্ষের একজন একনিষ্ঠ সমর্থক। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, তাঁদের স্টলে বাংলা পক্ষ বার্তা, বই, টিশার্ট, ক্যালেন্ডার, কাপ, ব্যাজ, উত্তরীয়, স্টিকার পাওয়া যাচ্ছে।বাংলা পক্ষর স্টলে মনোরঞ্জন ব্যাপারী, রাঘব চট্টোপাধ্যায়কৌশিক মাইতি আরও বলেন, আমাদের স্টলে সাধারণ মানুষের সমাগম চোখে পড়ার মত। প্রথমবার অংশগ্রহণেই এতটা আশা আমরা করিনি। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বহু বিশিষ্ট মানুষ-ও আসছেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মনোরঞ্জন ব্যাপারী, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বংশধর অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়, নানা রাজনৈতিক নেতা, সাহিত্যিক, চলচ্চিত্র পরিচালক স্টলে আসছেন। আরও অনেক আসবেন কথা দিয়েছেন। সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায় এসেছিলেন। বুধবার বাংলা পক্ষ স্টলে এসেছিলেন নতুন প্রজন্মের বাঙালি ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম পরিচিত মুখ সায়ন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, পাহাড় থেকে মোহনা, বাঙালির মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বইমেলায় বাংলা পক্ষর ৫২৯ নম্বর স্টল।কৌশিক মাইতি আরও জানান, আমাদের স্টলে লেখক রনজিৎ রায়ের লেখা ধ্বংসের পথে পশ্চিমবঙ্গ ও জনম মুখার্জীর লেখা ক্ষুধার্ত বাংলা পাওয়া যাচ্ছে। ধ্বংসের পথে পশ্চিমবঙ্গ বইটি হু হু করে বিক্রি হচ্ছে। শনিবার বাংলা পক্ষের ম্যাগাজিন একদিন সব বাঙালির হবে প্রকাশিত হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য আপামর বাঙালির কাছে বাংলা পক্ষর আদর্শ পৌঁছে দেওয়া। বাংলা পক্ষর সাথে অনেকে যুক্ত হতে চান, কিন্তু কিভাবে যুক্ত হবেন সেটা জানেন না; সেক্ষেত্রে বইমেলায় বাংলা পক্ষের স্টল খুব সাহায্য করছে।তিনি জানান, বিভিন্ন জেলা ও বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাঙালিরা আসছেন, দেখা করছেন, তাঁদের সমস্যার কথা মন খুলে বলছেন। বইমেলায় বাংলা পক্ষর মুখপত্র বাংলা পক্ষ বার্তা আমরা মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে পারছি। বইমেলায় বাংলা পক্ষর স্টলে ভিড় সকলের নজর কাড়ছে। বাংলা পক্ষের স্টল নং- ৫২৯। এটি বইমেলার ২ নং গেটের বামদিকে, ৩ নং গেটের ডানদিকে।

মার্চ ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় ইন্ট্রিগুই হোম এর উদ্বোধন করলেন লোপামুদ্রা

বাঙালিরা একটু ঘুমকাতুরে হয়। সারাদিনের ক্লান্তির পর বা দুপুরে ছুটি থাকলে ঘুমানোর সময় পেলে আমরা সেটা হাতছাড়া করি না। সেরকমই আমাদের ঘুমটা যাতে ভালো হয় তার জন্য দারুণ ভাবনা নিয়ে এসেছে ইন্ট্রিগুই হোম। হোম ইস হোয়ার দ্য হার্ট ইস। এই ইন্ট্রিগুই হোম নিয়ে এল বিভিন্ন কালেকশনের বিছানার সামগ্রী। যেটা মানুষকে আরো বেশি আরাম দেবে। ইন্ট্রিগুই হোম ২৫ বছর ধরে তাদের ব্যবসা চালাচ্ছে। তাদের নতুন ভাবনায় অ্যাট্রাক্টিভ কুশনস থেকে শুরু করে আরো অনেক চমক রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন কর্ণধার বিপুল দুগার। বিশেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন জগতের পরিচিত নাম লোপামুদ্রা মণ্ডল। তিনি জানালেন, কলকাতায় ইন্ট্রিগুই হোমের ব্র্যান্ড লঞ্চ করতে পেরে আমার সত্যিই খুব ভালো লাগছে। যারা ভালো মানের বিছানার চাদর থেকে পর্দা ইত্যাদির খোঁজ করছেন তাদের জন্য ইন্ট্রিগুই হোম আদর্শ। মন পছন্দ লাক্সারি ব্র্যান্ডের খোঁজ করলে ইন্ট্রিগুই সকলের ভরসা।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

আনিস হত্যায় সিটের হাতেই তদন্তভার বহাল রাখল হাইকোর্ট, দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ

আনিস হত্যা-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি, রাজ্যের দাবি মেনে ছাত্রনেতার দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। তবে তা হাওড়ার জেলা আদালতের বিচারকের তত্ত্বাবধানে হবে।শুক্রবার মধ্যরাতে হাওড়ার আমতায় আনিস খানের মৃত্যুতে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভের আবহে সোমবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই মামলা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা রাজ্যের থেকে তিন দিনের মধ্যে আনিসের মৃত্যুর ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছিল। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আনিস-মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, ওই সিটের সদস্যেরা প্রত্যেকেই অভিজ্ঞ। তাঁদের প্রত্যেকের সিআইডি-তে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এরই সঙ্গে তিনি জানান, ওই দলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের আরও সাত জন রয়েছেন।এর পরেই বিচারপতি মান্থা জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আনিসের দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করা হবে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন হাওড়া জেলা আদালতের বিচারক। দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের সময় ওই বিচারক বা তাঁর মনোনীত কোনও ব্যক্তিকে উপস্থিত থাকতে হবে।আদালতের তরফে জানানো হয়, তদন্তের স্বার্থে আনিসের পরিবারের থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে হায়দরাবাদে পাঠানো হবে। সেখানে সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে মোবাইল ফোনটির পরীক্ষা করা হবে। মোবাইল পরীক্ষার সময় উপস্থিত থাকতে হবে ন্যাশনাল ইনফর্মেটিক সেন্টারের এক জন প্রতিনিধিকে। জেলা বিচারকদের পর্যবেক্ষণে মোবাইলের তথ্য বন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, এই মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে বলেছে আদালত। হাইকোর্টের নির্দেশ, সিটকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

আনিস-কাণ্ডে উত্তাল কলকাতা, শাস্তির দাবিতে পথে আলিয়া-র পড়ুয়ারা, পা মিলিয়েছে যাদবপুরও

আনিস-কাণ্ডের জেরে কলকাতায় ধুন্ধুমার। আনিস মৃত্যু-রহস্যকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ কলকাতার রাজপথ জুড়ে। জায়গায় জায়গায় ছাত্রনেতা আনিসের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা। রাস্তায় নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা। তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কিনারা হয়নি আনিস মৃত্যু-রহস্যের। অধরা অভিষুক্তরাও। তাই অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার দাবিতেই রাস্তায় নেমেছেন পড়ুয়ারা।কলেজ স্ট্রিটে গার্ডরেল সরিয়ে মিছিল এগোনোর চেষ্টা করে পড়ুয়ারা। বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ আন্দোলনকারীদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যা ফ নামানো হয়। আনা হয় জলকামান। বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।আনিস-কাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল করে মহাকরণ অভিযানে নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। এই মিছিল নবান্নের দিকে যেতে পারে আশঙ্কা করে পার্ক সার্কাসেই পড়ুয়াদের আটকে দেয় পুলিশ। ডোরিনা ক্রসিং-এ পড়ুয়াদের আটকাতে ত্রিস্তরীয় ব্যারিকেড দিয়ে আগে থেকেই তৎপর হয় পুলিশ। কিন্তু তার আগেই পার্ক সার্কাসে পুলিশি প্রতিরোধের মুখে পড়েন পড়ুয়ারা। পথ আটকানোর কারণে পার্ক সার্কাস-এ পৌঁছে রাস্তায় শুয়ে পড়ে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভও দেখান পড়ুয়ারা। মল্লিক বাজার, মৌলালি হয়ে মহাকরণের দিকে যাওয়ার কথা এই মিছিলের। এই মিছিলের ফলে তীব্র যানজটের মুখেও পড়েন নিত্যযাত্রীরা।আনিস খানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় গোটা বাংলা। অভিযুক্তদের হদিশ পেতে গঠন করা হয়েছে সিট। এরই মাঝে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের মহাকরণ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল খাস কলকাতা। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্বসূচি অনুযায়ী পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট থেকে মিছিল শুরু করে আন্দোলনকারীরা। আনিস কাণ্ডের বিচারের দাবিতে বহু পড়ুয়া সামিল হন অভিযানে। ছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। প্রথমে মৌলালিতে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন আন্দোলনকারীরা। সেখানে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। পরবর্তীতে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। মৌলালি হয়ে ডোরিনা ক্রসিংয়েরর দিকে আসার কথা ছিল মিছিলটির। সেখানে জলকামান নিয়ে প্রস্তুত ছিল পুলিশ।ডোরিনা ক্রসিং-এর পাশাপাশি এসএন ব্যানার্জি রোডেও ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা ঘিরে রাখে পুলিশ। মিছিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সাউথ-ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ নিজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন।পাশাপাশি আনিস মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরও। মঙ্গলবার এসএফআই-এর ডাকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দ ভবনের কাছে আন্দোলনে শামিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। আন্দোলনে নেমে দফায় দফায় তৃণমূল সংগঠনের ছাত্র এবং কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। পরিস্থিতি ক্রমশই উত্তাল হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আরো ভালো ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করতে চান সোমা সাহা

বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিং ও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনেক নতুন নতুন মডেল গকলকাতায় কাজ করছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ অনেকটাই বেড়েছে। সেরকমই কলকাতার অন্যতম পরিচিত মডেল হিসাবে বর্তমানে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন মডেল সোমা সাহা। বেশ কয়েকবছর ধরে তিনি মডেলিং করছেন। তবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে তিনি কাজ করছেন তিন বছর ধরে। আভামা জুয়েলার্স, ট্র্যাফিক রেস্টুরেন্ট, হোটেল গোল্ডেন টিউলিপ, মিনু শাড়ি, ইন্ডিয়ান সিল্ক হাউসের মতো বড় বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন সোমা।সোমা জানিয়েছেন, আমি আরও ভালো ভালো কাজ করতে চাই। মডেল হওয়ার স্বপ্ন ছিল। আমি তিন বছর ধরে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করছি। তবে মডেলিং শুরু করেছি বেশ কয়েকবছর হল। সোমা জানালেন কোভিড এর মধ্যে কাজের একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে আগের থেকে পরিস্থিতি অনেকটা ভালো এখন। আগামী দিনে তিনি আরও ভালো ভালো কাজ করতে চান।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রয়াত সুরজিৎ সেনগুপ্ত, বিখ্যাত গোলের সঙ্গে তিনিও ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে থাকবেন

মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে তিনি মারা যান। সুরজিৎ সেনগুপ্তর প্রয়াণে ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩ জানুয়ারি পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি হন। মাঝে মাঝে চিকিৎসায় সারা দিচ্ছিলেন। পরের দিকে শারীরিক অবস্থার খুবই অবনতি হয়। ২৯ জানুয়ারি থেকে তাঁকে ভেন্টিলেশনে বিশেষ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে থেকেই শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রয়াত হন এই প্রাক্তন ফুটবলার।১৯৫১ সালের ৩০ আগস্ট জন্ম সুরজিৎ সেনগুপ্তর। মফঃস্বল থেকে উঠে এসে কলকাতা ময়দানে পদার্পন করেন। কলকাতা ময়দানে প্রথম খিদিরপুর ক্লাবে ফুটবলজীবন শুরু করেন। খিদিরপুরের হয়ে কলকাতা লিগে যথেষ্ট নজর কাড়েন। মোহনবাগান কর্তাদের নজরে পড়ে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭২ সালে খিদিরপুর থেকে মোহনবাগানে সই করেন। দুমরশুম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপানোর পর ১৯৭৪ সালে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে দাপটের সঙ্গে খেলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৮ সালে ইস্টবেঙ্গলের লিগজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। পরের বছর তাঁর জায়গায় লালহলুদের অধিনায়ক করা হয় শ্যামল ঘোষকে। সেবছরও ইস্টবেঙ্গল লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়।১৯৭৯ মরশুম শেষে লালহলুদ কর্তারা বাঙালী ফুটবলারদের কোনঠাসা করার জন্য বাইরের কয়েকজন ফুটবলারদের সই করান। কর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ৮ জন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারকে নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি মহমেডানে যোগ দেন। মোহনবাগান থেকে নিয়ে যান একজন ফুটবলারকে। ১ বছর সাদাকালো জার্সি গায়ে কাটানোর পর ১৯৮১ সালে মোহনবাগানে যোগ দেন। ফুটবলজীবনের শেষ ৩ বছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।১৯৭৩ সালে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পরেই ভারতীয় দলে সুযোগ পান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বিভিন্ন সময়ে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে খেলেন। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮ এশিয়ান গেমসে তিনি ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ১৯৭৪ সালে মারডেকা কাপ, ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্টস কাপেও তিনি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন। বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন সন্তোষ ট্রফিতে খেলেন। ১৯৭৬ সালে বাংলার অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৯ সালে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সংযুক্ত দলের বিরুদ্ধে কর্ণার থেকে তাঁর বাঁক খাওয়ানো শটে গোল আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। পরলোকে চলে গেলেও তিনিও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"আভি রাত বাকি হ‍্যায়" রঙ্গকর্মীর এই নতুন নাটক জীবন কে এক গভীর সঙ্কট এর মুখোমুখি দাঁড় করায়

আমরা সকলেই কম বেশি জীবনের নানা সমস্যায় জর্জরিত। অর্থনৈতিক, সামাজিক সমস্যার পাশাপাশি ব্যক্তি জীবনেও নানা ঘাত প্রতিঘাতে আমাদের মন ভালো নেই। বর্তমান সময়ে প্রতিটা পরিবারে কিছু না কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যা যখন আরো বাড়তে থাকে তখন সেই পরিবারটা শেষ হয়ে যায় তিলে তিলে। ১৯৮০ সালে বোম্বের মিল ওয়ার্কার দের নিয়ে বিখ্যাত মারাঠি নাট্যকার জয়ন্ত পাওয়ার লিখেছিলেন তার জনপ্রিয় নাটক আধান্তর। রঙ্গকর্মীর প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত নাট্য নির্দেশক ও অভিনেত্রী উষা গাঙ্গুলীর অনুপ্রেরণায় সেই নাটক মারাঠি ভাষা থেকে হিন্দি অনুবাদ করেছেন কৈলাশ সিঙ্গার। সেই হিন্দি নাটক অভি রাত বাকি হ্যায় একাডেমি হলে মঞ্চস্থ হলো। নাট্যরূপ ও নির্দেশনা সৌতি চক্রবর্তী।এই নাটকটি একটা অতি সাধারণ গরীব পরিবার কে কেন্দ্রকরে মঞ্চস্থ হয়েছে। যে পরিবারে রয়েছে তিন ভাই, এক বোন আর মা। বড় ভাই বাবা স্বপ্ন দেখে বিরাট সাহিত্যিক হবার। মেজো ভাই নাড়ুর স্বপ্ন মস্তান বা ডন হবার। আর পরিবারের ছোট ছেলে মোহন সারাদিন রেডিওতে ক্রিকেট শোনে।তার দিশাহীন জীবন। বোন মঞ্জুর বিয়ে হয়েছে কারখানার এক লেভার রানের সাথে। রানে ইউনিয়ান লিডার। সে সবসময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করে। কিন্তু মঞ্জু একটা কারখানায় কাজ করলেও ঠিকমত টাকা পায়না, তাই শে পাড়ার একজনের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, পেটে আসে সন্তান।পরিবারের সবাই তাকে প্রশ্ন করলে মঞ্জু উত্তর দেয় বাঁচতে গেলে লাগে পয়সা। কে দেবে টাকা, কারখানায় ঠিকমত টাকা দেয়না, তাইসে এই পথে গেছে। বড় ছেলে বাবা চেয়েছিল তার লেখা উপন্যাস কাগজে ছাপাতে। পারেনি সে। সামান্য টাকায় সে প্রকাশক কে দিয়ে দেয়।সেই শোক ভুলতে প্রতিদিন নেশা করে।মেজো নাড়ু প্রায়দিন মস্তানী করে পাড়ায়। সংসারে সে কিছুই দেয়না, মায়ের থেকে এসে টাকা চায়, আর খেতে আসে। ছোটো মোহন রেডিও তে ক্রিকেট শুনে কাটায়। দিশাহীন,লক্ষহীন জীবনের এক বেকার যুবক। বাড়িতে প্রতিদিন অশান্তি, পরিবারে আর্থিক অভাব, গালিগালাজ এসব রোজকের ঘটনা। এই চলতে চলতে মঞ্জুর সাথে যে লোকের অবৈধ সম্পর্ক ছিলো সেই লোক কে খুন করে নাড়ু। পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। এই পরিবারের ছেলে মেয়েদের যে পিতা সে অনেক আগে মারা যায়। তার এল এই সি মাত্র ১৫ হাজার টাকা পায়। পাশাপাশি মঞ্জুর স্বামী রানের কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। তাদের মালিক মাত্র ২৫ হাজার টাকা দেয়। শেষমেষ পরিবারের সকলেই মাকড়সার জালের মতন নিজেদের জীবনে আর্থিক অনটন, মানহানিকর ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে, এখান থেকে কোনো ভাবে বেরিয়ে আসার উপায় নেই।অসহায় এক পরিবার লক্ষ বিহীন,দিশাহীন এক অজানা অন্ধকারে তলিয়ে যায় সকলেই। করোনার পরবর্তী সময়ে বহু পরিবারের এই অবস্থার স্বীকার। অসাধারণ একটি নাটক আভি রাত বাকি হ্যায়। রঙ্গকর্মীর নতুন নাটকটি এখন কার সময় উপযোগী নাটক। চমৎকার উপস্তাপনা। এই নাটকে দারুন অভিনয় করেছেন (বড় ছেলে বাবা) শুভম, (মেজো ছেলে নাড়ু) দিপেস রজক, (ছোট ছেলে মোহন) ওম তেওয়ারী, (মেয়ে মঞ্জু) স্নেহা রায়, (জামাই রানে) অনিরুদ্ধ সরকার, (মা) রঞ্জিনী ঘোষ, (নাড়ুর সঙ্গী বাটার) রহত নাদিম, (বড় ছেলের বন্ধু সতীশ) শঙ্কর দে, (মামি) শ্রেয়া খৈতান। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিষেক, বাপ্পা, অরিজিৎ ও সুভাষ। এই নাটকে সৌমেন চক্রবর্তী র আলো, সৌতি চক্রবর্তীর মঞ্চ নজর করেছে। সবমিলিয়ে এক ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিটের রঙ্গকর্মীর এই নতুন হিন্দি নাটক আভি রাত বাকি হ্যায় এক কথায় জীবনের গল্পগাথা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য সরকারের মতামত জানাতে নির্দেশ হাইকোর্টের, বেধে দিল সময়

করোনা আবহে স্কুল খোলা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত বাংলায়। তারই মধ্যে নানান মাহল থেকে স্কুল চালু করার দাবি উঠেছে। শুক্রবার হাইকোর্টের নির্দেশ, স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য কী ভাবছে তা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবিস্তারে তা আদালতে জানাতে হবে। রাজ্যে স্কুল চালু নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার স্কুল খোলা সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানি ছিল উচ্চ আদালতে। এই মামলার দিকে তাকিয়ে আছে শিক্ষামহল।রাজ্যে করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় দুবছর ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ-সহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাঝে দিন কয়েকের জন্য নবম শ্রেণি থেকে স্কুল খুলেছিল। তবে গত দুবছর বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী স্কুলের মুখই দেখেনি। এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যে কোভিড বিধি মেনে স্কুল চালু হয়েছে।এদিন মামলাকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। দিনের পর দিন রাজ্যের স্কুল বন্ধ। তাই পড়ুয়ারা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। করোনা বিধি মেনে অবিলম্বে রাজ্যে স্কুল চালু করে দেওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন বিকাশরঞ্জনবাবু। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, রাজ্য সরকার এই পরিস্থিতিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে চায়। রাজ্য সরকারও যে স্কুল খোলার বিষয়ে উৎসাহী তা আদালতে জানান তিনি। তিনি জানান, ইতিমধ্যে কম বয়সীদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলছে রাজ্যে।বিরোধীরা ইতিমধ্যে স্কুল চালুর জন্য রাস্তায় নেমে দাবি জানিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তি হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিকাশভবনের সামনে। তাঁকে ও তাঁর সঙ্গী বিধায়কদের পথ আটকে ছিল পুলিশ। পুলিশের দাবি, ওই স্থানে ১৪৪ ধারা জারি ছিল।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

প্রজাতন্ত্র দিবসে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা

নিউ মার্কেট, পার্কস্ট্রিট থেকে বড়বাজার প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই শহরজুড়ে চলেছে পুলিশের তল্লাশি। হোটেল, গেস্ট হাউজগুলিতেও কড়া নজরদারি পুলিশের। বিভিন্ন রাস্তায় চলছে নাকা চেকিং। মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। শহরের আনাচে-কানাচে চলছে নজরদারি। মূল অনুষ্ঠানের জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।রেড রোডে যেখানে প্যারেড রয়েছে, সেখানে আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে ১১০০ পুলিশ রয়েছে রেড রোডে। অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার কর্তারা রয়েছেন। রেড রোডে ১১টি জোন প্রস্তুত করা হয়েছে। দায়িত্বে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার কর্তারা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। তার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে পুলিশ পিকেটিং রয়েছে।যে যে পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের তরফে করা হয়েছে কোভিডের কারণে এবারও দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ভিআইপি সংখ্যাও কমানো হয়েছে, যাতে কোভিডবিধি ভঙ্গ না হয়। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানের জায়গা কড়া নিরাপত্তার মোড়কে। শহরজুড়ে চলছে নজরদারি। নিরাপত্তার জন্য রেড রোড সংলগ্ন এলাকাকে ১১ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক জোনের দায়িত্বে একজন করে ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। প্রত্যেক জোনকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। রেড রোডের চারপাশে ৫ টি স্যান্ড ব্যাংকার রয়েছে। ৯ ডিভিশনে ২৬ টি পিসিআর ভ্যান থাকছে। ১২ টি এইচআরএফএস গাড়ি থাকছে। মোটরবাইক পেট্রোল টিম রয়েছে ৮ টি। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার। মোতায়েন রয়েছে ৩ টি কুইক রেসপন্স টিম। রেড রোডে বিশেষ কন্ট্রোল পোস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরে ঢোকা বেরোনোর প্রত্যেকটি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
কলকাতা

Kolkata Police: ঘরে বসেই অভিযোগ দায়ের করা যাবে থানায়, অভিনব পন্থা কলকাতা পুলিশের

ওমিক্রনের ধাক্কায় বেসামাল সাধারণ মানুষ থেকে ক্রেতা বিক্রেতা। প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে। সারা দেশ-ই এর আতঙ্কে প্রহর গুনছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, ভয়ঙ্কর ছোঁয়াচে করোনার নয়া রূপ ওমিক্রনের কারনেই সংক্রমণের এত বাড়বাড়ন্ত।এর করাল গ্রাস থেকে কেউ পার পাচ্ছেন না। সে কবি, সাহিত্যিক, নায়ক-নায়িকা, সরকারি কর্মী, চিকিৎসক থেকে শুরু করে পুলিস। একের পর এক থানা করোনার থাবায় ধরাশায়ী। দিনে দিনে থানার লোকবল কমতে থাকায় কলকাতা পুলিস এক অভিনব পন্থার কথা তাদের সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করলো। এখন থেকে কোনও অভিযোগ করার জন্য সশরীরে থানায় হাজির হতে হবে না।প্রতিটি থানার জন্য একটি নির্দিষ্ট নম্বর-এ ডায়াল করে পুলিস আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা যাবে। এই বিশেষ নম্বরে ভিডিও কল করেও অভিযোগ জানানো যাবে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমের অভিযোগের সপেক্ষে নথি পাঠানো যাবে নির্দিষ্ট থানায়।রাজ্য পুলিস ও কলকাতা পুলিসের উচ্চপদস্ত আধিকারিকসহ সিভিক ভলেন্টিয়ার অবধি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এক উচ্চ পদস্ত আধিকারিক-এর কথায়, অতিমারির জন্য তো ল-আন্ড-অর্ডার থেমে থাকতে পারে না। তাই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প পথ বেছে নিতে হচ্ছে। এখন থেকে আর থানায় সশরীরে না এলেও, অভিযোগ জানানো যাবে। ডিপার্টমেন্ট থেকে সামাজিক মাধ্যমে সবিস্তারে কোন থানায় কোন নম্বরে ফোন করতে হবে, সমস্ত থানার এই সমস্ত নম্বর তালিকায় দেওয়া আছে।কলকাতা মহানগরে যে ভাবে হু-হু করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে, তখন সাধারণ মানুষের অনেকেই প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী বলে সাধুবাদ জানিয়েছেন । এতে যেমন অহেতুক সংক্রমণ শঙ্কা থেকে বাঁচবেন পুলিশকর্মীরা, ঠিক তেমনই সংক্রামণের প্রকোপ থেকে নিরাপদ থাকতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

Mahamrityunjay Mantra: আজ শহরে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রপাঠ, কার জন্য জানুন

প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য কামনায় বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে হয়েছে পুজো ও হোম যজ্ঞ। এবার কলকাতায় মহিলা মোর্চার তরফে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হল। প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষা কামনা করে এবার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করবে মহিলা মোর্চা।সকাল ১০টায় যাদবপুর ত্রিকোণ পার্ক শিব মন্দিরে মন্ত্রপাঠ হবে। এটি ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। সকাল ১১টায় ভূকৈলাশ শিব মন্দির, খিদিরপুরে হবে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ। অন্যদিকে, বেলা ১২টা নাগাদ ভবানীপুর শিবমন্দিরেও এই মন্ত্রপাঠ হবে।বৃহস্পতিবার মোদির সুরক্ষা কামনা করে দেশের একাধিক জায়গায় পুজো হয়। অসমে আয়োজিত পুজোয় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মুখ্যমন্ত্রীর গুয়াহাটির উগ্রতারা মন্দিরে আয়োজন করা হয় পুজো ও হোম যজ্ঞের। উল্লেখ্য, পঞ্চাবের এই ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গলদ নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। যে কমিটির নেতৃত্বে আছেন ক্যাবিনেট সুরক্ষা সচিব সুধীর কুমার সাক্সেনা। দ্রুত কমিটিকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গত বুধবার পঞ্জাবের ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেই গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Covid-19 Graph: করোনা ঝড়ে তোলপাড় রাজ্য, ছাড়িয়ে গেল ১৫ হাজারের গন্ডি

করোনা সংক্রমণের ঝড় উঠেছে বাংলায়। গত ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৩৯। ১০ দিন পার করে আজ, বৃহস্পতিবার সেই সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৫,৪২১-এ। বিশেষজ্ঞদের মতে এই তুফান এখন থামার কোনও লক্ষ্মণ নেই। মুখ্যমন্ত্রী আগামি ১৫ দিন রাজ্যবাসীকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হাবড়া স্টেশনে কেন ভেঙে দেওয়া হল এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালির দোকান?রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বৃহস্পতিবারের বুলেটি অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় ১৫,৪২১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিড ১৯ পরীক্ষা করা হয়েছিল ৬২,৪১৩ জনের। পজিটিভিটি রেট ২৪.৭১ শতাংশ। বুধবার একধাক্কায় ১৪ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার এই সংখ্যাটা ছিল ৯ হাজারের কিছু বেশি। আগামিতে এই সংখ্যা কোথায় গিয়ে থামবে তা নিয়ে শঙ্কায় চিকিৎসক মহল।আরও পড়ুনঃ ১৫ দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ, প্রয়োজনে আরও কড়া ব্যবস্থার ইঙ্গিত মমতারএদিনও আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী মহানগরে আক্রান্তের সংখ্যা ৬,৫৬৯জন। এরপরেই রয়েছে কলকাতা লাগোয়া জেলা উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা শেষ ২৪ ঘণ্টায় ২,৫৬০জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার হাল তুলনামূলক ভালো। এই জেলায় ৭৮৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন গত ২৪ ঘন্টায়। হাওড়ায় ১২২৮ জন কোভিড ১৯-এ সংক্রমিত হয়েছেন। রাজ্যের অন্য জেলাতেও বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পূর্ব বর্ধমানে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৩৯৪-এ। পশ্চিম বর্ধমানে ৯১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন গত ২৪ ঘন্টায়। রাজ্যজুড়ে করোনা ঝড় চলছে।আরও পড়ুনঃ শহরে ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন মোদিগত ২৪ ঘন্টায় করেনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। মৃতের সংখ্যাটাও ক্রমশ বাড়ছে। সচেতন নাহলে সমস্যা আরও বাড়বে। এখন বিধিনিষেধ জারি করে সংক্রমণ রোখার চেষ্টা চলছে। এরপর কড়া পদক্ষেপ করতে দ্বিধা করবে না রাজ্য সরকার, এদিনই জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

Covid-Doctors: মুম্বইয়ে তিন দিনে কোভিড আক্রান্ত দু’শোর বেশি চিকিৎসক, বঙ্গে আক্রান্ত স্বাস্থ্য অধিকর্তা-সহ বহু

ওমিক্রন আবহে দেশজুড়ে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বিপুলভাবে বাড়তে শুরু করেছে। কোনও হাসপাতালে এক সঙ্গে ৭০ জন, তো কোনও হাসাপাতলে তারও বেশি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে এর মধ্যে মুম্বইয়ের ছবিটা বোধহয় সবচেয়ে ভয়াবহ। গত তিন দিনের মধ্যে শহরের সরকারি হাসপাতালগুলির ২২০ জন চিকিৎসক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন।এদিকে করোনায় আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। তবে কেবল স্বাস্থ্য অধিকর্তা নন, আক্রান্ত হয়েছেন ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশনের ৮৭ জন। মোট ১৩৫ জনের ৮৭ জনই করোনা আক্রান্ত। প্রথমে সংখ্যাটা ছিল ৬৬। সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়ে হয় ৮৭। পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যাচ্ছে, স্বাস্থ্যভবনে কার্যত থাবা বসিয়ে দিয়েছে করোনা। স্বাস্থ্য ভবনের মূল প্রশাসনিক কার্যালয়ে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত হয়েছেনে অনেকেই। স্বাস্থ্য ভবনে মোট কতজন আক্রান্ত, সেই পরিসংখ্যান এখনই নির্দিষ্টভাবে বলতে পারছেন না দপ্তরের কেউই।মহারাষ্ট্রের চিকিৎসক সংগঠন সূত্রে খবর, জেজে হাসপাতালে গত ৭২ ঘণ্টায় ৭৩ জন চিকিৎসকের কোভিড ধরা পড়েছে। কিং এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালে আক্রান্ত ৬০ জন চিকিৎসক। লোকমান্য তিলক মিউনিসিপ্যাল জেনারেল হাসপাতালে এক সঙ্গে ৮০ জন চিকিৎসক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া আর এন কুপার হাসপাতালে সাত জন এবং থানের ছত্রপতি শিবাজি হাসপাতালের আট চিকিৎসকের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যে ভাবে দেশজুড়ে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন তাতে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে দেশজুড়ে একটা আশঙ্কার মেঘ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Modi: শহরে ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন মোদি

শহরে ক্যানসার হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট-এর দ্বিতীয় ক্যাম্পাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুক্রবার এই হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন মোদি।PM Narendra Modi to inaugurate the second campus of Chittaranjan National Cancer Institute in Kolkata tomorrow: PMO pic.twitter.com/gFPUpZv9Ig ANI (@ANI) January 6, 2022নিউ টাউনে চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীন এই হাসপাতালে থাকছে ক্যানসার চিকিৎসার অত্যাধুনিক সব সুযোগসুবিধা। থাকবে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সুবিধাও। সঙ্গে থাকার কথা রোগীর আত্মীয়দের থাকার জন্য অতিথিনিবাস, চিকিৎসকদের আবাসন। ১০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই হাসপাতালে থাকছে ৭৫০টি শয্যা। শুক্রবার ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে তারই উদ্বোধন করবেন মোদি। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন হলে শহরের ক্যানসার চিকিৎসায় বড় সুবিধা হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Safe Home: কলকাতা কাবু কোভিডে, ফের খুলছে সেফ হোম

কলকাতা ফের কাবু কোভিডে। ক্রমেই জাল ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। পরিসংখ্যান বলছে, একধাক্কায় প্রায় ৩ হাজার বৃদ্ধি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৯ হাজার ৭৩। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬ জন করোনা রোগীর। কলকাতার সঙ্গে সংক্রমণে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বীরভূম, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা।যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে ফের খোলা হচ্ছে সেফ হোমগুলি। তিনটি সেফ হোমের শয্যা সংখ্যা ৩৫০। কলকাতার তিনটি সেফ হোম। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হল বাইপাস সংলগ্ন সেফ হোম। এখানে রয়েছে ২০০ টি শয্যা। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দুই কর্তা ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি পরিদর্শন করেছেন। বেডগুলির পরিকাঠামো, কাজের গুণগত মান, পরিচ্ছন্নতা-সব খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। পরিদর্শনে গিয়েছেন রাজ্য দপ্তরের এক জন হেলথ অফিসারও।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত শ্রীজাত আরেকটি সেফ হোম হয়েছে কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে। এই সেফ হোমটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ আবার বৃদ্ধি পাওয়ায়, তা খোলা হয়েছে। সেগুলিকে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুর প্রশাসন। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে ১০০ টি শয্যা রয়েছে। ইতিমধ্যেই তা পরিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্যভবনের তরফে চিকিৎসক ও নার্সরা এই সেফ হোমের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। কলকাতার তৃতীয় সেফ হোমটি রয়েছে উত্তর কলকাতায়। সেখানে ৫০টি শয্যা রয়েছে।তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ওমিক্রনের ক্ষেত্রে উপসর্গ অনেক হালকা। চিকিৎসক বলছেন, ভাগ্য ভালো আক্রান্তদের বেশিরভাগই ৫-৭ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। হয়তো হোম আইসোলেশনের যে লম্বা ১৭ দিনের পিরিয়ড, সেটাকেও কমিয়ে আনা হবে। যদি সেটা কমিয়ে আনা হয়, তাহলে ওয়ার্ক টার্নওভার বা অর্থনীতির ক্ষেত্রে অনেকটা উপকারী হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bright Enobakhare: কলকাতায় ফিরছেন ব্রাইট এনবাখারে? কোন ক্লাবে জানতে পড়ুন

আবার আইএসএলে খেলতে দেখা যাবে ব্রাইট এনবাখারেকে? তেমন সম্ভাবনা প্রবল হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে পুরনো ক্লাব এসসি ইস্টবেঙ্গলে নয়, লালহলুদের চিরশত্রু এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যেতে পারে ব্রাইট এনবাখারেকে। একই সঙ্গে সন্দেশ ঝিংঘানেরও এটিকে মোহনবাগানে ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে।অনেক প্রত্যাশা নিয়ে ফিনল্যান্ডের জনি কাউকোকে দলে নিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে মোহভঙ্গ হয়েছে সবুজমেরুন কর্তাদের। দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে তাঁকে ছেড়ে দিয়ে ব্রাইট এনবাখারেকে দলে নিতে চায় এটিকে মোহনবাগান। এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডের ক্লাব কোভেন্ট্রি সিটিতে খেলছেন ব্রাইট। উলভারহ্যাম্পটনের প্রাক্তন ফরওয়ার্ডকে পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইয়ান এফসি এবং এফসি গোয়াও। এই তিন দলকে পেছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগান।ব্রাইটের প্রতি আগেও নজর ছিল এটিকে মোহনবাগানের। গত মরসুমেও পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে ছিল এটিকে মোহনবাগান। পরফরম্যান্স ভাল হলে চুক্তি বাড়িয়ে ২০২৪ পর্যন্ত করা হবে বলে নাইজেরীয় ফরওয়ার্ডের এজেন্টকে জানিয়েছেন সবুজমেরুন কর্তারা।এসসি ইস্টবেঙ্গলের হাত ধরে ভারতীয় ফুটবলে পা রেখেছিলেন ব্রাইট। তাঁর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল লালহলুদের। সঙ্গে দুবছরের চুক্তি ছিল তাঁর। এই মরসুমে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলবে কিনা, ঠিক ছিল না। তাই লালহলুদের কাছ থেকে রিলিজ নিয়ে কোভেন্ট্রি সিটিতে যোগ দেন ব্রাইট। কিন্তু সেখানে খেলার সুযোগ না পেয়ে রিলিজ নিয়ে নেন।এদিকে চলতি বছরের আগস্টে এটিকে মোহনবাগান ছেড়ে ক্রোয়েশিয়ার এইচএনকে সিবেনিকে যোগ দিয়েছিলেন সন্দেশ ঝিঙ্গান। চোটের জন্য মাঠে নামার সুযোগ পাননি। চোট সারাতে তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁকে ফেরানোর জন্য বাগান কর্তারা প্রস্তাব দিয়েছেন। সবুজমেরুন কর্তাদের প্রস্তাব ভাবাচ্ছে সন্দেশকে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
কলকাতা

Omicron: কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত

কোভিডের বিপদ! বর্ষশেষের আনন্দে সতর্ক থাকুন। কী করবেন, কী করবেন না? স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলে দিয়েছেন, বর্ষশেষের আনন্দ ভুলে যান, শুধু কথা হোক কোভিড নিয়ে! আর চিকিৎসকরা সর্বদা বলে যাচ্ছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। প্রত্যেকেই ফিরেছেন বিদেশ থেকে। আপাতত তাঁরা প্রত্যেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।রাজ্যের ক্ষেত্রেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। কলকাতার ১০টি ওয়ার্ড হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যকর্তারা বলছেন, পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উল্লেখ্য, কত স্যাম্পেল পাঠানো হচ্ছে আর কত স্যাম্পেল পরীক্ষার পর পজিটিভ হয়ে আসছে? বৃহস্পতিবার দেখা গিয়েছে, ৬টি স্যাম্পেল পাঠানোর পর ৫টি পজিটিভ হয়ে এসেছে। কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত স্পষ্ট। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ধীরে ধীরে সরিয়ে ওমিক্রন তার থাবা বসাচ্ছে। কলকাতায় টেস্ট ও পজিটিভিটি রেটও সমান হারে বাড়ছে।ওমিক্রনের রাজ্যের তরফে বেশ কয়েকটি বিষয় কড়াভাবে নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তা।নির্দেশগুলো নিম্নরূপ1. সন্দেহভাজন হোম আইসোলেশন মানছেন কিনা, তা কড়া ভাবে নজর দিতে হবে।2. প্রয়োজনে জিও ট্যাগিংয়ের সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ।3. ওমিক্রন সংস্পর্শে আসা এলাকায় মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।4. নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন কলকাতা পুর এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে।5. সন্দেহভাজনেরা ফোন না ধরলে প্রয়োজনে বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।প্রাথমিকভাবে ঠিক রয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে ৩ জানুয়ারি থেকে কনটেইনমেন্ট জোনের দিকে হাঁটতে হবে। সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কলকাতার ১০ টি ওয়ার্ড- উত্তর থেকে দক্ষিণ ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় অস্বাভাবিক হারে কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের দিন কালীঘাটে কড়া নিষেধাজ্ঞা! মন্দিরে গেলেই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন আপনি

ভোটের আর বেশি দেরি নেই। তার আগেই গোটা রাজ্যে কড়া প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তা জোরদার করতে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছে এবং আগেই সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কালীঘাট মন্দির এলাকাকে ঘিরেও বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। কালীঘাট মন্দির-এ প্রতিদিন বহু ভক্ত পুজো দিতে আসেন এবং লম্বা লাইনও দেখা যায়। তবে ভোটের দিন সেই চিত্র থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মন্দিরের সামনে বা আশেপাশে কোনও ধরনের জমায়েত করতে দেওয়া হবে না।কমিশন জানিয়েছে, কালীঘাট মন্দিরে অন্য বিধানসভা এলাকার মানুষ জমায়েত করতে পারবেন না। গোটা এলাকা থাকবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এবং নজরদারিও থাকবে সর্বক্ষণ। ভোটের দিন কেউ অন্য বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এখানে এলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হতে পারে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের দিনে এক বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার অন্য কেন্দ্রে যেতে পারেন না। কেউ যদি অন্য এলাকা থেকে কালীঘাটে আসেন, তা হলে নিরাপত্তার কারণে তাঁকে আটকে রাখা হতে পারে। এমনকি প্রয়োজন হলে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত বসিয়েও রাখা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি আসেন, তা হলে নিজের দায়িত্বেই আসতে হবে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে ফলতায় তীব্র উত্তেজনা! আইপিএস বনাম তৃণমূল, স্লোগানে উত্তাল এলাকা

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্র এখন রাজ্যের অন্যতম চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই এলাকায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা-কে। তাঁর সঙ্গে ছিল বড়সড় কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাতে ছিল দাগিদের তালিকা, আর সেই তালিকা ধরে এলাকায় নজরদারি চালাতে দেখা যায় তাঁকে।সোমবার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়িতেও গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার সকালেও একই ভঙ্গিতে তাঁকে এলাকায় ঘুরতে দেখা যায়। তবে এদিন পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।সকালে প্রথমে ফলতার খানপাড়া এলাকায় প্রবেশ করেন অজয় পাল শর্মা। সেখান থেকে স্থানীয় কয়েক জনকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী এগিয়ে যায়। যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের খোঁজ চালানো হচ্ছিল বলে জানা যায়। সেই এলাকা থেকে বেরোনোর সময় বিক্ষোভের মুখে পড়ে তাঁর কনভয়।কাছেই ছিল জাহাঙ্গীর খানের কার্যালয়। সেখান থেকে তাঁর অনুগামীরা বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে শুরু করেন। অজয় পালের গাড়ি এগিয়ে গেলেও তাঁর কনভয়ের পিছনে থাকা সিআরপিএফের কয়েকটি গাড়ি আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অনেকেই এই ঘটনার সঙ্গে সাম্প্রতিক অন্য ঘটনার মিল খুঁজে দেখছেন।এর আগে সোমবার জাহাঙ্গীর খানের বাড়িতে গিয়ে অজয় পাল শর্মা সতর্ক করে বলেছিলেন, এভাবে মানুষকে ধমকানো হলে পরে সমস্যা হতে পারে। এর পাল্টা জবাবে মঙ্গলবার জাহাঙ্গীর খান বলেন, তাঁরা কোনও অবস্থাতেই মাথা নত করবেন না। তিনি দাবি করেন, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁদের দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকার মানুষও এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তাঁর মন্তব্য।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কলকাতায় অস্ত্রভাণ্ডার ফাঁস! চিৎপুরে পুলিশের বড় অভিযান

ভোটের আগে কলকাতায় ফের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিৎপুর থানা এলাকার বিটি রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে শামিম আলম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স। ধৃত ব্যক্তি বিহারের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।সোমবার বিকেলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল কার্তুজ। উদ্ধার হয়েছে তিনটি এক নল বন্দুক, একটি পিস্তল, কয়েকটি খালি ম্যাগাজিন এবং বহু রাউন্ড গুলি।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তিনি সন্তোষজনক কোনও উত্তর দিতে পারেননি। উদ্ধার হওয়া সব অস্ত্র ও গুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই অস্ত্র কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং এর পিছনে কোনও বড় চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ভোটের আবহে কেন এই অস্ত্র আনা হচ্ছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। ধৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে তোলা হবে।এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে অশান্তি রুখতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোথাও কোনও বেআইনি কাজ চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে। ভোটের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সর্বতোভাবে তৎপর রয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ় খুলতে ইরানের শর্ত! ট্রাম্পের অস্বস্তি বাড়িয়ে নতুন সঙ্কট

শুরু হলে তার শেষও হয়, কিন্তু ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলতে থাকা এই সংঘাতের শেষ কোথায়, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আদৌ এই যুদ্ধ থামবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। হরমুজ় প্রণালী ঘিরে জটিলতা এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে (Strait of Hormuz)।এই পরিস্থিতিতে ইরান জানিয়েছে, তারা হরমুজ় প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলতে প্রস্তুত। তবে তার জন্য আমেরিকাকে তিনটি শর্ত মানতে হবে। জানা গিয়েছে, ইরান চাইছে তাদের বন্দরগুলির উপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে। পাশাপাশি পারমাণবিক আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া ইরান ও লেবাননের উপর হামলা বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমান (Strait of Hormuz) ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকের সময় এই তিন দফা প্রস্তাব দেন এবং আলোচনা আবার শুরু করার উদ্যোগ নেন।অন্যদিকে, আমেরিকার পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। ট্রাম্প এবং তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দল এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন বলেই জানা গিয়েছে। যদিও ঠিক কোন কারণে আপত্তি, তা স্পষ্ট নয়। তবে ট্রাম্প বারবার জানিয়েছেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দেওয়া হবে না।মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পারমাণবিক ইস্যু বাদ দিয়ে কোনও চুক্তি সম্ভব নয়। যদিও এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে সূত্রের খবর, ইরানের দেওয়া তিনটি শর্তই মানতে রাজি নন ট্রাম্প। ফলে এই পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

রোজভ্যালি কাণ্ডে বড় স্বস্তি! অবশেষে ফেরত মিলল কোটি কোটি টাকা

রোজভ্যালি গোষ্ঠীর প্রতারিত আমানতকারীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর সামনে এল। হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটি প্রায় একশো সাতাশ কোটি ঊনসত্তর লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছে। এই টাকা এক লক্ষ তিয়াত্তর হাজার তিনশো পঞ্চাশ জন আমানতকারীর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে, সমস্ত নথি যাচাইয়ের পর।সূত্রের খবর, রোজভ্যালি গোষ্ঠীর বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে সেই টাকা সাধারণ মানুষের মধ্যে ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় নজর রাখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দিলীপকুমার শেঠের নেতৃত্বে এই কমিটি কাজ করছে। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই তারা ধাপে ধাপে টাকা ফেরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকও আমানতকারীদের জন্য পাঁচশো পনেরো কোটির বেশি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছিল। যাঁরা এখনও তাঁদের দাবির অবস্থা জানতে চান, তাঁরা কমিটির নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে তা দেখতে পারবেন।এছাড়াও জানা গিয়েছে, আরও প্রায় চারশো পঞ্চাশ কোটি টাকা ফেরানোর অনুমতি পেয়েছে এই কমিটি। তদন্তে উঠে এসেছে, রোজভ্যালি সংস্থা প্রতারিত আমানতকারীদের টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্কে স্থায়ী আমানত হিসেবে রেখে দিয়েছিল। পরে তদন্ত চলাকালীন তিনশো বত্রিশ কোটি ছিয়াত্তর লক্ষ টাকার স্থায়ী আমানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেই আমানত ভাঙার অনুমতি মেলার পরই এবার টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।এই পদক্ষেপে বহু আমানতকারীর দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হল বলে মনে করা হচ্ছে, যদিও এখনও অনেকেই তাঁদের পাওনা ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
দেশ

আবার ট্রেন লাইনচ্যুত! এবার বন্দে ভারত, অল্পের জন্য বড় বিপদ এড়াল যাত্রীরা

ফের ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার দুর্ঘটনার মুখে পড়ল বন্দে ভারত ট্রেন। পুনে রেলওয়ে স্টেশনে ঢোকার সময় ট্রেনের একটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও যাত্রীর মৃত্যু বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে বড়সড় বিপদ থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেনটি মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস থেকে সোলাপুরের দিকে যাচ্ছিল। পুনে স্টেশনের একটি অংশে তখন কাজ চলছিল। সেই সময় স্টেশনে ঢোকার মুখেই একটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়।ঘটনার পরপরই রেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয় এবং আতঙ্কিত যাত্রীদের সাহায্য করা হয়। যাত্রীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থাও করা হয়েছে। অন্য ট্রেনে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।স্টেশনে অতিরিক্ত রেলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে এলে তবেই জানা যাবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাইক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইক চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট । সোমবার থেকে বাইক মিছিল এবং একসঙ্গে একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।এর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাইক চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না । এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বাইরে বেরোনোর উপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুল থেকে আনা, সেই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বাইকের পিছনে যাত্রী বসানো নিয়েও কড়াকড়ি করা হয়েছিল।তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা হলে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নিয়মে পরিবর্তন আনে। তিনি ৭২ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন।এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। নতুন নির্দেশে আদালত জানায়, দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কেউ যদি একা বা স্বাভাবিকভাবে বাইক নিয়ে বেরোন, তাতে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।এই নির্দেশের ফলে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কড়া নজরদারি চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal