• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের পর এবার পাকিস্তানের নাটক, বিশ্বকাপ খেলবে কি না ঠিক করবে সরকার!

বাংলাদেশের পর এবার বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন নাটক শুরু করল পাকিস্তান। ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের অবস্থান ঘিরে জটিলতা আরও বাড়ছে। নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতে খেলতে না আসার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়েছে আইসিসি। তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। আর সেই সিদ্ধান্তের রেশ কাটতে না কাটতেই, বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক দুসপ্তাহ আগে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর তাদের পাশে দাঁড়ানোর ভান করে এবার সরব হলেন পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি। হঠাৎ করেই তিনি জানালেন, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান সরকার। অর্থাৎ বিশ্বকাপে খেলার বিষয়টি তিনি ঠেলে দিলেন প্রধানমন্ত্রীর কোর্টে।পাক বোর্ড প্রধানের কথায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফিরলে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নকভি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার অনুমতি না দিলে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলতে নাও যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আইসিসি চাইলে অন্য কোনও দেশকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এখানেই থামেননি নকভি। তিনি দাবি করেন, এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পিসিবির কাছে একাধিক বিকল্প পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর কথায়, পিসিবির কাছে প্ল্যান এ, বি ও সি তৈরি আছে এবং প্রয়োজন হলে তা ব্যবহার করা হবে। আগেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময় এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে পাকিস্তানের এই অবস্থান ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেটমহলের একাংশের মতে, বাংলাদেশের বাদ পড়ার পর তৈরি হওয়া পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে আইসিসির উপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং পাকিস্তান বিশ্বকাপে নামে কি না।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
বিদেশ

স্ত্রীকে মেরেছি ঠিকই, কিন্তু খুনি নই! অস্ট্রেলিয়ার আদালতে বিস্ফোরক দাবি ভারতীয় যুবকের

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবক বিক্রান্ত ঠাকুর। বয়স ৪২ বছর। অ্যাডিলেডের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে তিনি স্বীকার করেছেন, স্ত্রী সুপ্রিয়া ঠাকুরের মৃত্যু তাঁর হাতেই হয়েছে। তবে তাঁর দাবি, তিনি খুনি নন। অর্থাৎ তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রীকে খুন করেননি বলে আদালতে জানিয়েছেন বিক্রান্ত।ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২১ ডিসেম্বর। সেদিন রাত সাড়ে আটটা নাগাদ পুলিশের কাছে একটি জরুরি ফোন আসে। অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। অ্যাডিলেডের একটি বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ৩৬ বছরের সুপ্রিয়া ঠাকুর অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। তখন সেখানেই উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্বামী বিক্রান্ত। পুলিশ ও চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করলেও সুপ্রিয়ার জ্ঞান ফেরানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ওই রাতেই বিক্রান্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।২২ ডিসেম্বর প্রথমবার বিক্রান্তকে আদালতে তোলা হয়। তবে তদন্ত শেষ না হওয়ায় শুনানি মুলতুবি রাখা হয় ১৬ সপ্তাহের জন্য। পুলিশ জানায়, ডিএনএ পরীক্ষা, ময়নাতদন্তের পূর্ণ রিপোর্টসহ আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে। সেই কারণেই মামলার পরবর্তী শুনানি অস্ট্রেলিয়ার সুপ্রিম কোর্টে আগামী এপ্রিলে হওয়ার কথা। তার আগেই এদিন অ্যাডিলেডের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করানো হয় বিক্রান্তকে।আদালতেই বিক্রান্ত বলেন, স্ত্রীকে তিনি মেরেছেন ঠিকই, কিন্তু সেটা ইচ্ছাকৃত ছিল না। তদন্তকারীদের ধারণা, বিক্রান্ত আসলে আদালতে বলতে চেয়েছেন যে ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে এবং তিনি খুনের উদ্দেশ্যে কিছু করেননি। সেই কারণেই তিনি নিজেকে খুনি মানতে নারাজ এবং খুন নয়, মানস্লটার বা অনিচ্ছাকৃত হত্যার দায় স্বীকার করতে চাইছেন।এদিকে সুপ্রিয়া ঠাকুরের মৃত্যুর পর তাঁর নামে একটি গো ফান্ড মি পেজ খোলা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, সুপ্রিয়া ছিলেন একজন কর্মপ্রাণ নারী। নার্স হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুতে তাঁর ছোট ছেলে মাতৃহারা হয়েছে। রাতারাতি বদলে গিয়েছে তার জীবন। যে মানুষটি তাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন, সেই মাকে হারিয়ে এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি সে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঘরের মাঠে লজ্জার হার! ভারতের ‘ভিলেন’ কে, ইঙ্গিত দিলেন সানি

শুভমান গিলের নেতৃত্বে এখনও পর্যন্ত ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি ভারত। এবার ঘরের মাঠেই প্রথমবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ হারতে হল টিম ইন্ডিয়াকে। বিরাট কোহলি একা লড়াই করলেও দলকে জেতাতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কোথায় ভুল হল? এই সিরিজ হারের জন্য দায়ী কে? নাম না করেই সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর।গাভাসকর বলেন, তিনি কারও নাম নিতে চান না। তবে তাঁর মতে, ভারতের ফিল্ডিংয়ে বড় ঘাটতি ছিল। কয়েকজন ক্রিকেটার বিপক্ষকে খুব সহজে সিঙ্গল নিতে দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, রোহিত শর্মা খুব দ্রুত ফিল্ডিং করেন, বিরাট কোহলি যে কত বড় অ্যাথলিট তা সবাই জানে। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে ফিল্ডিং আরও ভালো হতে পারত। সেই কারণেই ড্যারিল মিচেল এবং গ্লেন ফিলিপসদের চাপে রাখা যায়নি। তাঁরা অনায়াসেই বড় রান করে যান।এখানেই থামেননি গাভাসকর। তিনি বলেন, যতক্ষণ না বিরাট কোহলি কাউকে পাশে পাচ্ছেন, ততক্ষণ তাঁর পক্ষে ম্যাচ জেতানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এই ম্যাচেও কোহলি খুব কম সাহায্য পেয়েছেন। গোটা সিরিজে ভারতের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ম্যাচের শুরু। ভালো শুরু না হলে বড় রান তাড়া করা কঠিন হয়ে যায়। এই সিরিজে বারবার খারাপ শুরু করেছে ভারত, যার ফলেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে।সিনিয়র ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে গাভাসকর তরুণদের মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, তরুণ ক্রিকেটারদের কোহলির কাছ থেকে শেখা উচিত। কোহলি শুধু একটাই কাজ জানেন, রান করা। তাঁর লড়াকু মানসিকতাই তাঁকে আলাদা করে তোলে। তিনি কখনও হার মানেন না। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান।কোহলির ১০৮ বলে ১২৪ রানের ইনিংসকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন গাভাসকর। তিনি বলেন, এই ইনিংস থেকে তরুণরা শিখতে পারে কীভাবে চাপ সামলাতে হয় এবং কীভাবে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা যায়। ৩৭ বছর বয়সেও যেভাবে দ্রুত স্ট্রাইক রোটেট করেছেন কোহলি, তার তুলনা পাওয়া কঠিন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তিনি কাউকে পাশে পাননি। আর তার ফলেই ম্যাচ এবং সিরিজ দুটোই হারতে হল ভারতকে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় নতুন মোড়, মৃত পাইলটের আত্মীয়কে তলব ঘিরে তোলপাড়

এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান পাইলটস বা এফআইপি বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরোকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছে। অভিযোগ, তদন্তের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ ক্যাপ্টেন আনন্দকে জানিয়েছে যে, তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছে।পাইলট সংগঠনের দাবি, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দের সঙ্গে ওই দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের কোনও যোগ নেই। তিনি না তো ওই ফ্লাইটের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, না দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি তিনি কোনও তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিগত বা বিশেষজ্ঞ সাক্ষীও নন। তবু তাঁকে ডাকা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।এফআইপি জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে শুধুমাত্র এই কারণে যে তিনি মৃত পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সভারওয়ালের আত্মীয়। ক্যাপ্টেন সভারওয়ালই ছিলেন ওই বিমানের প্রধান পাইলট। পাইলট সংগঠনের আশঙ্কা, এর মাধ্যমে দুর্ঘটনার দায় মৃত বিমানকর্মীদের উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নিয়মের উল্লেখ করা হয়েছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ডাকা বেআইনি। আরও অভিযোগ, তলবের নোটিসে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি কেন তাঁকে ডাকা হচ্ছে, কোন আইনি ভিত্তিতে ডাকা হচ্ছে বা তিনি কোন ভূমিকায় তদন্তে হাজির হবেন।ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দ বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মরত পাইলট এবং এফআইপির সদস্য। তাঁকে ১৫ জানুয়ারি হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। পাইলট সংগঠনের মতে, এই সিদ্ধান্ত অপ্রয়োজনীয় এবং এতে তাঁর মানসিক ও পেশাগত ক্ষতি হয়েছে। যদিও ক্যাপ্টেন আনন্দ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তদন্তে অংশ নিতে রাজি হয়েছেন।প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমান আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। বিমানটি একটি হস্টেল ভবনে আছড়ে পড়ে। ওই দুর্ঘটনায় ২৬০ জনের মৃত্যু হয়। বিমানে থাকা ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনই প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিও। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে এখনও তদন্ত চালাচ্ছে বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে আর নয়! ভারতীয়দের জন্য বড় নিষেধাজ্ঞা, ফিরতে বলল কেন্দ্র

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারত সরকার। নাগরিক গণআন্দোলনে উত্তাল ইরানে আপাতত ভারতীয়দের যেতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা এই মুহূর্তে ইরানে রয়েছেন, তাঁদেরও যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানে কোনও ভারতীয় নাগরিকের যাত্রা নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে পর্যটক, পড়ুয়া, ব্যবসায়ী-সহ ইরানে থাকা সমস্ত ভারতীয়কে যে কোনও উপায়ে ভারত ফিরে আসতে বলা হয়েছে। যে সব এলাকায় বিক্ষোভ চলছে, সেগুলি এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।ইরানে থাকা ভারতীয়দের নিজেদের পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং জরুরি নথি সব সময় সঙ্গে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেও বলা হয়েছে। যাঁরা এখনও দূতাবাসে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেননি, তাঁদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই জরুরি যোগাযোগের জন্য বিশেষ ফোন নম্বর এবং ইমেল পরিষেবাও চালু করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইরানে তীব্র আন্দোলন চলছে। ভেঙে পড়া অর্থনীতি, চরম আর্থিক সঙ্কট এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভ দমন করতে কড়া পদক্ষেপ করেছে ইরান সরকার। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ফাঁসির হুমকিও দেওয়া হয়েছে। খবর অনুযায়ী, আজই প্রথম কোনও আন্দোলনকারীকে ফাঁসি দেওয়া হতে পারে।এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের ঘটনায় মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বিক্ষোভকারীদের পিছু না হটার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সাহায্য আসছে। তবে সেই সাহায্য কী ধরনের, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে! যে কোনও মুহূর্তে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এমন অবস্থায় যে কোনও মুহূর্তে ইরানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় নয়াদিল্লি।গত বছরের শেষ দিকে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ থেকেই ইরানে এই আন্দোলনের শুরু। মাত্র দুসপ্তাহের মধ্যেই তা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় নেমেছেন প্রায় ১৫ থেকে ১৮ লক্ষ মানুষ। সরকার বিরোধী এই বিক্ষোভে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সরকার কড়া দমন নীতি নিয়েছে বলে অভিযোগ।দেশ জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনেক এলাকায় ব্ল্যাকআউট জারি রয়েছে। বিমান পরিষেবাও কার্যত বন্ধ। ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাইরের দুনিয়ার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। সেখানে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। প্রয়োজন হলে কীভাবে তাঁদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, সেই বিষয়েও পরিকল্পনা শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।এদিকে নরওয়ের একটি বেসরকারি সংগঠন রবিবার একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে, বিক্ষোভ ও সরকারি দমন-পীড়নের জেরে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে মৃতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এছাড়াও ইরানের বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্র ও ত্রাণ শিবিরে হামলার খবর সামনে এসেছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি এখন কার্যত অগ্নিগর্ভ অবস্থায় রয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘জাতীয় অপমান হলে বিশ্বকাপ নয়’, ভারত নিয়ে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের

ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে কি না, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল বাংলাদেশ। দেশটির সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আজিফ নজরুল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ দল। তাঁর কথায়, জাতীয় মর্যাদার বিনিময়ে ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয়।সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্কের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আইপিএল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় সেই উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট মহলে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছে আবেদন জানায়, যাতে ভারতের বদলে অন্য কোনও দেশে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করা হয়। যদিও আইসিসি সেই আবেদন খারিজ করে দেয় বলে খবর, কারণ তাদের কাছে কোনও নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সতর্কতার তথ্য ছিল না।আজিফ নজরুল জানান, আইসিসি থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেলেও তারা ভারতের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির গুরুত্ব ঠিকভাবে বুঝতে পারেনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটপ্রেমী দেশ এবং বিশ্বকাপ খেলতে চায়। কিন্তু ক্রিকেটার, সাংবাদিক, সমর্থক এবং দেশের সম্মান যদি বিপন্ন হয়, তাহলে সেই বিশ্বকাপ খেলার কোনও মানে নেই।বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও একই সুরে কথা বলেন। তিনি জানান, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ক্রিকেটার নয়, প্রচুর সাংবাদিক, সমর্থক ও স্পনসরও ভারতে যাবেন। তাঁদের সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে কি না, তা নিয়েই সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি প্রয়োজন, তাই সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতেই তাঁরা এসেছেন।বুলবুল আরও বলেন, আগে একাধিকবার হাইব্রিড বিশ্বকাপ হয়েছে শুধুমাত্র নিরাপত্তার কারণেই। তাই বাংলাদেশের দাবি অযৌক্তিক নয়। আইসিসির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে জানানো হয়েছে, সূচি ও ভেন্যু বদলানো হবে না এবং না খেললে পয়েন্ট কাটা যেতে পারে। যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দাবি করেছে, এমন কোনও চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পায়নি।এর মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মোস্তাফিজ বিতর্কের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার ও প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ৫ জানুয়ারি জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইপিএল সংক্রান্ত কোনও অনুষ্ঠান বা প্রচার দেখানো যাবে না।বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের চারটি লিগ ম্যাচই ভারতের মাটিতে হওয়ার কথা। এই পরিস্থিতিতে আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে ক্রিকেট দুনিয়া।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে নিশানা ট্রাম্পের? ফের শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি আমেরিকার

ভারতের উপর চাপ আরও বাড়াতে পারে আমেরিকা। দ্বিগুণ শুল্ক বসানোর পর এবার আরও শুল্ক চাপানোর ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা নিয়ে যে তিনি মোটেও খুশি নন, তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভালভাবেই জানতেন বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।রবিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী খুব ভাল মানুষ, কিন্তু তিনি জানতেন যে রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিষয়টি নিয়ে আমেরিকা অসন্তুষ্ট। ট্রাম্পের কথায়, তাঁকে খুশি রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য করে এবং আমেরিকা চাইলে যে কোনও সময় শুল্ক বাড়াতে পারে।উল্লেখ্য, গত বছর ভারতের উপর প্রথমে পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চাপিয়েছিল আমেরিকা। পরে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর আরও ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক বসানো হয়। এর ফলে মোট শুল্কের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে, যা ছিল সর্বোচ্চ। এবার ফের সেই শুল্ক আরও বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প।গত সপ্তাহেই ফোনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই সময় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। শুল্ক নিয়েও কথাবার্তা হয় বলে জানা গিয়েছিল। কিন্তু রবিবার ট্রাম্পের মন্তব্যে সম্পূর্ণ উল্টো সুর ধরা পড়ে।এখন প্রশ্ন, আমেরিকা কি আবার ভারতের উপর নতুন করে শুল্ক চাপাবে, আর যদি চাপায়, তবে ভারতের প্রতিক্রিয়া কী হবে। এর আগেও রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে শুল্ক আরোপের সময় নয়া দিল্লির পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর শুনানিতে কেবল ২০১০-এর আগের ওবিসি শংসাপত্রই বৈধ, স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার জনশুনানিতে কোন কোন ওবিসি শংসাপত্র গ্রহণযোগ্য হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, ২০১০ সালের আগে ইস্যু হওয়া ওবিসি শংসাপত্রই কেবল এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে যেসব ওবিসি শংসাপত্র বাতিল হয়েছে, সেগুলি কোনওভাবেই ব্যবহার করা যাবে না।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সার্টিফিকেটগুলি যেন এসআইআরের কাজে গ্রহণ না করা হয়, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসনগুলিকে।প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ মে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে ২০১০ সালের পর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত ইস্যু হওয়া সব ওবিসি শংসাপত্র বাতিল ঘোষণা করে। আদালতের মতে, ওই সময়কালে ওবিসি তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে যথাযথ সামাজিক, আর্থিক ও পেশাগত সমীক্ষা করা হয়নি।হাই কোর্টের রায় অনুযায়ী, ২০১০ সালের আগে পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৬টি জনগোষ্ঠীকে ওবিসি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। পরে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ২০১০ সালে ৪২টি এবং তৃণমূল সরকারের সময় ২০১২ সালে আরও ৩৫টি জনগোষ্ঠীকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আদালত সেই পরবর্তী সংযোজনগুলিকেই অবৈধ ঘোষণা করে।রায়ে আরও বলা হয়, নতুন করে সমীক্ষা চালিয়ে ওবিসি তালিকা প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত চাকরি বা শিক্ষা ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ২০১০ সালের আগের ওবিসি শংসাপত্রই বৈধ বলে গণ্য হবে। সেই নির্দেশের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়ায় একই নীতি অনুসরণ করছে বলে সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, জনশুনানি পর্ব শুরুর আগে নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে তফসিলি জাতি (এসসি), তফসিলি জনজাতি (এসটি), অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি) এবং জন্ম শংসাপত্র সংশ্লিষ্ট নথি জেলা প্রশাসনগুলির কাছে চেয়ে পাঠিয়েছিল। চলতি বছরের ১২ জুন রাজ্য সরকার যে সংশোধিত ওবিসি তালিকা প্রকাশ করেছে, সেটিও কমিশন বিবেচনায় নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

ফের ভারতকে নিশানা! শাহবাগ থেকে ২৪ দিনের আল্টিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের

আবার ভারতকে লক্ষ্য করে কড়া সুরে সরব হল বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চ। গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ওসমান হাদির স্বপ্ন পূরণ করতেই তারা এই পথে নেমেছে বলে দাবি সংগঠনের। রবিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ ঢাকার শাহবাগ মোড়ে সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি থেকে একাধিক দাবি ঘোষণা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাব। সেই সঙ্গে এই দাবিগুলি পূরণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ২৪ দিনের সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।ইনকিলাব মঞ্চের প্রধান দাবি, হাদির হত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত প্রত্যেককে অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আবদুল্লাহ আল জাবের বক্তব্য, যারা হাদিকে খুন করেছে, যারা এই হত্যার পরিকল্পনা করেছে কিংবা যারা সহায়তা করেছে, তাদের সকলের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।এই দাবির পাশাপাশি ইনকিলাব মঞ্চের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে ভারতবিরোধী অবস্থান। ঢাকার বুকে নিহত ওসমান হাদি তাঁর বক্তব্যে যেভাবে বারবার ভারতবিরোধিতা তুলে ধরতেন, ঠিক সেই সুরই শোনা গিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের দাবির মধ্যেও। সংগঠনের দাবি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে দেশে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের ওয়ার্ক পারমিট বা কাজের অনুমতি বাতিল করতে হবে।তৃতীয় দাবিতে আরও একধাপ এগিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে দাবি জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লিগের যেসব নেতা-কর্মী বর্তমানে নয়াদিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের যদি ফেরত না দেওয়া হয়, তা হলে আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হবে।চতুর্থ দাবিতে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে থাকা হাসিনা-পন্থীদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে সংগঠনটি। এই চার দফা দাবি পূরণের জন্য ইউনূস সরকারকে মোট ২৪ দিনের সময় দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।উল্লেখ্য, ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে গত শুক্রবার দুপুর থেকেই শাহবাগ মোড়ে টানা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার রাতে আবদুল্লাহ আল জাব এই আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ডাক দেন। সেই আহ্বানের জেরে সোমবার দুপুর দুটো থেকে শাহবাগের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
দেশ

কাশ্মীরে গা-ঢাকা ৩০-র বেশি পাক জঙ্গি! শীতের মধ্যেই বড় অপারেশন সেনার

শীত নামার আগেই সীমান্ত এলাকায় তৎপরতা বাড়ায় ভারতীয় সেনা। কারণ, শীত পড়ার আগেই বিপুল সংখ্যায় জঙ্গিদের ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়। শীতের সময় বরফে ঢাকা সীমান্ত পেরিয়ে কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এ বছর শীতের শুরুতেই কাশ্মীরে ৩০ জনেরও বেশি পাক জঙ্গির উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছে।গোয়েন্দাদের দাবি, এই জঙ্গিরা মূলত মাঝারি ও উঁচু পাহাড়ি এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে। ওই সব এলাকায় সাধারণ মানুষের বসবাস খুব কম। কিশ্তওয়ার ও ডোডা এলাকায় জঙ্গিদের আনাগোনা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রবল ঠান্ডাকে কাজে লাগিয়ে তারা উপত্যকায় নাশকতার ছক কষছে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই তথ্য সামনে আসার পরই বড়সড় অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। শীতের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। বরফে ঢাকা দুর্গম এলাকায় নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ড্রোন ও সেন্সর। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের লক্ষ্য জঙ্গিদের এমন জায়গায় কোণঠাসা করা, যেখানে রসদ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।সেনা কর্তাদের বক্তব্য, পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের জন্য এই অভিযান একটি স্পষ্ট বার্তা। শীতের সুযোগ নিয়ে আর জঙ্গিদের ভারতে লুকিয়ে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না। গোয়েন্দাদের অনুমান, চিল্লাই কালানের ৪০ দিনের প্রবল শীতের সময় জঙ্গিরা লুকিয়ে থেকে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাতে চাইছে। সেই কারণেই আগেভাগে অভিযান শুরু করা হয়েছে।এই জঙ্গি দমন অভিযানে সেনার পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, বন দপ্তর-সহ একাধিক নিরাপত্তা বাহিনী একযোগে অংশ নিয়েছে। জঙ্গিদের গতিবিধির উপর নজর রেখে দ্রুত এবং কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

হরমনপ্রীত কৌরের রেকর্ড জয়ের ধারা! মহিলাদের টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস গড়ল ভারত

ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর এবার টি-টোয়েন্টিতেও মেয়েদের ক্রিকেটে ভারতের জয়যাত্রা অব্যাহত। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তৃতীয় ম্যাচেও জয় পেয়ে সিরিজ নিজেদের পকেটে ভরিয়েছে ভারতীয় দল। আর এই জয়যাত্রার মধ্যে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর।ভারতীয় মেয়েদের ক্রিকেটে হরমনপ্রীত ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার মধ্যে ৭৭টি ম্যাচ জিতেছেন। অর্থাৎ জয়ের হার ৫৮.৪৬ শতাংশ। এটি মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি জয়ের রেকর্ড। আগের রেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক লেগ ল্যানিংয়ের নামে ছিল, যিনি ১০০টি ম্যাচে ৭৬টি জিতেছিলেন। যদিও ভারতের ঝুলিতে এখনও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসেনি, হরমনপ্রীতের নেতৃত্বে ভারতীয় দল যে পারফরম্যান্স দেখাচ্ছে, তাতে ভক্তরা আশা করছেন টি-টোয়েন্টিতেও সাফল্য আসবে।পুরুষদের ক্রিকেটেও এই রেকর্ড এখনও কারও নেই। রোহিত শর্মা ৬২ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৪৯টি জয় পেয়েছেন। মহেন্দ্র সিং ধোনি ৭২ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৪১টি জয় পেয়েছিলেন।শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন দীপ্তি শর্মা। মাত্র ১৮ রান দিয়ে তিনটি উইকেট তুলে নেন তিনি। এই জয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট উইকেট সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩৩। এর ফলে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এলসি পেরিকে (৩৩১ উইকেট) ছাপিয়ে গেছেন। সব ফরম্যাট মিলিয়ে বর্তমানে দীপ্তি তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী, শীর্ষে রয়েছেন ঝুলন গোস্বামী, যাঁর উইকেট সংখ্যা ৩৫৫।মহিলাদের ক্রিকেটে এই রেকর্ড ও পারফরম্যান্স ভারতের খেলা ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়াচ্ছে, এবং আশা জাগাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাফল্যের।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
দেশ

জম্মুর পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে ৩০-৩৫ পাক জঙ্গি, তল্লাশি শুরু সেনার

জম্মুর উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে আছে প্রায় ৩০-৩৫ পাক জঙ্গি। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় সেনা তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে। উপত্যকার কিস্তওয়ার ও দোদা জেলায় শুরু হয়েছে জঙ্গিদমন অভিযান।সূত্রের মতে, চলতি বছরের এপ্রিলে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর সেনার অভিযান বাড়ায় পাক জঙ্গিদের স্থানীয় নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই কারণে তারা পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়েছে। শীতকালে সেই সব জায়গা বরফে ঢাকা থাকে এবং জনবসতিও নেই। তাই জঙ্গিরা নিরাপদে লুকোনোর জন্য পাহাড়ি এলাকা বেছে নিয়েছে।সেনা সূত্রে খবর, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ, ফরেস্ট গার্ড ও ভিলেজ ডিফেন্স গার্ড যৌথভাবে এই অভিযান চালাচ্ছে। যৌথ বাহিনীর লক্ষ্য লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের কোণঠাসা করে দ্রুত নিধন করা। নইলে তারা সুযোগ পেলে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ঢুকে হামলা চালাতে পারে।প্রসঙ্গত, এপ্রিলে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর সেনা পাল্টা অভিযান চালিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডে নটি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল অপারেশন সিঁদুর। ভারতীয় সেনার এই অভিযানের পর পাকিস্তানি সেনাও ভারতে হামলা চালায়, তবে দুদেশ সীমান্তে দিন দুয়েকের টানাপড়েনের পর সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
কলকাতা

ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বড় পদক্ষেপ, সকাল ১১টা থেকে কলকাতায় শুনানি

রাত পোহালেই শুরু হতে চলেছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপ। শনিবার সকাল ১১টা থেকে কলকাতায় শুরু হবে শুনানি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ধাপে প্রায় ৩২ লক্ষ ভোটারকে ডাকা হতে পারে। প্রথম পর্যায়ে মূলত যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নো ম্যাপিং হিসেবে চিহ্নিত, তাঁদের কাছেই নোটিস পাঠানো হয়েছে।শুনানির সময় ভোটারদের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হবে। জমা দেওয়া নথি দেখে সন্তুষ্ট না হলে সেগুলি আরও ভালো করে খতিয়ে দেখবেন আধিকারিকরা। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় আটটি করে জায়গায় শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একাধিক স্কুল ও সরকারি অফিসে এই শুনানি হবে।শুনানির দায়িত্বে থাকবেন ইআরও এবং এইআরও পদমর্যাদার আধিকারিকরা। একটি ভেন্যুতে এক দিনে সর্বাধিক ১৫০ জন ভোটারের শুনানি নেওয়া হবে। কলকাতায় বেলতলা গার্লস স্কুল, আলিপুর মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুলে শুনানি হবে। এছাড়াও লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ, লরেটো ডে স্কুল, মর্ডান হাইস্কুল ফর গার্লস, মৌলনা আজাদ মেমোরিয়াল গার্লস হাইস্কুল, ভবানিপুর গার্লস হাইস্কুল এবং হরিমোহন ঘোষ কলেজে শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতেও একইভাবে শুনানি চলবে। তবে কোনও পৌরসভা বা পঞ্চায়েত অফিসে শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়নি।শুনানিতে হাজির হওয়ার সময় ভোটাররা কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে পারবেন। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার দেওয়া পরিচয়পত্রও গ্রহণযোগ্য। এছাড়া পেনশন পেমেন্ট কার্ড, ১৯৮৭ সালের আগে ইস্যু হওয়া পরিচয়পত্র বা শংসাপত্র, জন্মের সার্টিফিকেট, ভারতের পাসপোর্ট, মাধ্যমিক স্তরের সার্টিফিকেট, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত নথি, রাজ্যের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র, জাতিগত শংসাপত্রও দেখানো যেতে পারে। যেখানে এনআরসি চালু হয়েছে, সেখানকার শংসাপত্রও গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি রাজ্য বা স্থানীয় প্রশাসনের তৈরি ফ্যামিলি রেজিস্টার, সরকারি জমির নথি বা বাড়ির দলিলও দেখানো যেতে পারে।নির্দিষ্ট দিনে কোনও ভোটার যদি শুনানিতে হাজির হতে না পারেন, সে ক্ষেত্রে চিন্তার কারণ নেই। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, উপযুক্ত এবং বিশ্বাসযোগ্য কারণ দেখাতে পারলে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

এশিয়া কাপ ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ, দুবাইয়ে পাকিস্তানের কাছে লজ্জার হার ভারতের

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ল ভারত। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩৪৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আয়ুষ মাত্রের দল গুটিয়ে গেল মাত্র ১৫৬ রানে। ফলে ১৯১ রানের বড় ব্যবধানে হার স্বীকার করেই শিরোপা হাতছাড়া করতে হল টিম ইন্ডিয়াকে।টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। কিন্তু শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় পাকিস্তান। দলের হয়ে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন সামির মিনহাস। মাত্র এক ইনিংসেই তিনি করে ফেলেন ১৭২ রান। উসমান খানের সঙ্গে ৯২ রানের এবং আহমেদ হুসেনের সঙ্গে ১৩৭ রানের দুটি বড় জুটিতে ভর করে দ্রুত ৩০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় পাকিস্তান।বিশেষজ্ঞদের মতে, একসময় পাকিস্তানের ইনিংস ২৭০২৮০ রানের মধ্যেই থামতে পারত। কিন্তু মিনহাসের ব্যাটে ভর করেই ৪৩ ওভারের মধ্যেই ৩০০ ছুঁয়ে ফেলে তারা। পরে তাঁর আউট হওয়ার পর পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। ৩০২/৩ থেকে ৩২৭/৮ মাত্র ২৫ রানের মধ্যে পাঁচ উইকেট হারালেও ততক্ষণে ম্যাচ কার্যত একপেশে হয়ে গিয়েছিল।লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ভারতীয় ব্যাটিং সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুষ মাত্রে, অভিজ্ঞান কুণ্ডুর মতো পরিচিত নাম থাকলেও কেউই দায়িত্ব নিতে পারেননি। আশ্চর্যজনকভাবে দলের সর্বোচ্চ রান আসে ১০ নম্বর ব্যাটার দীপেশ দেবেন্দ্রনের ব্যাট থেকে। তিনি মাত্র ১৬ বলে ৩৬ রান করে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও তা যথেষ্ট ছিল না।এই হার যেন সাম্প্রতিক সিনিয়র দলের বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল। সেবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে, এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মঞ্চ ফাইনাল, ফলাফলও প্রায় একই রকম হতাশাজনক।উল্লেখযোগ্যভাবে, ফাইনালে ওঠার আগে টুর্নামেন্টে একমাত্র অপরাজিত দল ছিল ভারত অনূর্ধ্ব-১৯। গ্রুপ পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানকে হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে পাকিস্তান গ্রুপে ভারতের কাছেই একমাত্র হেরেছিল। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে ধরা দেয় তারা। শেষ পর্যন্ত দুবাইয়ে দাপটের সঙ্গে জয় ছিনিয়ে নিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ নিজেদের ঝুলিতে ভরল পাকিস্তান। আর ফাইনালে বারবার হোঁচট খাওয়ার প্রবণতা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন থেকে গেল ভারতীয় যুব দলের সামনে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
দেশ

সংবাদমাধ্যমে আগুন, ভারত-বিরোধী স্লোগান—ঢাকা পরিস্থিতিতে কড়া নজর দিল্লির

ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ফের তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ঢাকাসহ একাধিক শহরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের অফিসে আগুন লাগানো হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হয়েছে এবং কট্টরপন্থীদের একাংশ প্রকাশ্যে ভারত-বিরোধী মন্তব্য করছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে কড়া নজর রাখছে ভারত।সূত্রের খবর, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় যেখানে ভারতীয় হাইকমিশনের অফিস রয়েছে, সেখানে কর্মরত ভারতীয় আধিকারিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে নয়া দিল্লি। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির জেরে একাধিক জায়গায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র ইতিমধ্যেই বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে কট্টরপন্থীদের বিক্ষোভ চলে। কয়েকটি ক্ষেত্রে সেই বিক্ষোভ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ চট্টগ্রামে ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনারের বাসভবন ঘিরে ধরার ডাক দেওয়া হয়েছে বলে খবর আসে। বিভিন্ন দিক থেকে অফিস ঘেরাওয়ের আহ্বান জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে গোটা ঘটনার উপর নজর রাখছে ভারত সরকার। সূত্রের খবর, নিরাপত্তার কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় আজও ভিসা কেন্দ্র বন্ধ থাকতে পারে।উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক মিছিলে ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে আলাদা করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন এনসিপি নেতা হাসনাত। সেই মন্তব্যের পরই দিল্লি কড়া অবস্থান নেয়। বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহম্মদ রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে স্পষ্ট জানানো হয়, এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য ভারত কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনার পর স্পষ্ট, সেই বার্তা এখনও পুরোপুরি কার্যকর হয়নি বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউতেই গ্রেফতার! ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় থাকা ভারতীয় মহিলাকে আইসিই-র ধাক্কা

ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতির আবহে দুঃস্বপ্নের মধ্যে পড়েছে আমেরিকার লং বিচ শহরের পরিচিত কৌর পরিবার। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় বসবাস করা ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাব্বলজিৎ বাবলি কৌরকে হঠাৎ গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউয়ের শেষ ধাপে গ্রেফতার করল আইসিই। ৬০ বছরের বাবলি কৌরকে ১ ডিসেম্বর বায়োমেট্রিক স্ক্যানের সময় আটক করা হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট।পরিবারের দাবি, গ্রিন কার্ডের আবেদন আগেই অনুমোদিত হয়েছিল। বাবলির মার্কিন নাগরিক মেয়ে ও জামাইয়ের স্পনসরশিপেই সেই আবেদন জমা পড়েছিল। অথচ কোনও আগাম সতর্কতা ছাড়াই অফিসে ঢুকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বাবলির মেয়ে জোতির কথায়, গ্রেফতারের পর তাঁর মাকে হাত-পা শিকল পরিয়ে পুরুষদের ভরা একটি ভ্যানে তোলা হয়। সেই অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। পরিবার আশঙ্কায় ছিল, কারণ এমন অনেক ঘটনার কথা তারা শুনেছে যেখানে মানুষ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়।১৯৯৪ সালে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে আমেরিকায় আসেন বাবলি কৌর। প্রথমে ল্যাগুনা বিচে বসবাস শুরু করেন তাঁরা। প্রায় দুই দশক ধরে লং বিচে নটরাজ কুইজিন অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড নেপাল নামে একটি জনপ্রিয় রেস্তরাঁ চালাতেন বাবলি ও তাঁর স্বামী। কোভিডের সময় সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি রয়্যাল ইন্ডিয়ান কারি হাউসে কাজ করছিলেন। স্থানীয় সমাজে যথেষ্ট পরিচিত ও সম্মানিত ছিলেন কৌর পরিবার।বাবলির মেয়ে জানান, গ্রিন কার্ডের শেষ ধাপের অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন থেকেই তাঁর মায়ের মনটা অশান্ত ছিল। অফিসে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুটি গাড়ি এসে দাঁড়ায়। কয়েক জন ফেডারেল এজেন্ট ভিতরে ঢুকে একটি ঘরে যান। তারপর বাবলিকেও সেই ঘরে ডাকা হয়। সেখানেই তাঁকে জানানো হয়, তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, বাবলির কোনও অপরাধমূলক ইতিহাস নেই।গ্রেফতারের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা পরিবার জানতেই পারেনি বাবলিকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে জানা যায়, তাঁকে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। সেখানে ২০ জনের বেশি বন্দির সঙ্গে একটি ঘরে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। পরিবার জানাচ্ছে, রাতে আলো নিভে না, চারপাশে সব সময় চিৎকার ও কান্নার শব্দ। ঠিকমতো ঘুমোতে পারছেন না বাবলি কৌর।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লং বিচের কংগ্রেসম্যান রবার্ট গার্সিয়া। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর অফিস বাবলিকে মুক্ত করতে সব রকম চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, কঠোর অভিবাসন নীতির নামে পরিশ্রমী ও সৎ মানুষদের এভাবে আতঙ্কিত করা মানবিকতার সম্পূর্ণ বিরোধী।এদিকে বাবলি কৌরের গ্রেফতারের কারণ এখনও স্পষ্ট করেনি মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতর। প্রশ্ন উঠছে, গ্রিন কার্ড প্রায় হাতে পৌঁছে যাওয়ার মুহূর্তে কেন এই পদক্ষেপ, তার উত্তর এখনও অধরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
বিদেশ

বন্ডি হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় যোগ! হায়দরাবাদের পরিবার বহু আগেই সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল জঙ্গির সঙ্গে

অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর এবার সামনে এল হামলাকারীদের ভারতীয় যোগের আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। বন্ডি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সাজিদ আক্রম ও তাঁর ছেলে নবিদ আক্রমের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বহু বছর আগেই তাঁদের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়েছিল। হায়দরাবাদের পুরনো শহরে থাকা পরিবারের সদস্যদের দাবি, সাজিদ একজন খ্রিস্টান মহিলাকে বিয়ে করার পর থেকেই পরিবারের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ ছিল না।ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাজিদ আক্রম আদতে পুরনো হায়দরাবাদের বাসিন্দা। এখনও সেখানে তাঁর দুই ভাইসহ কিছু আত্মীয় থাকেন। তবে পরিবারের দাবি, ২০০৯ সালে বাবার মৃত্যু হলেও সাজিদ ভারতে আসেননি। এমনকি অসুস্থ মায়ের খোঁজও নেননি তিনি।রবিবার সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ইহুদিদের উৎসব হানুকা চলাকালীন ভয়াবহ হামলা চালায় সাজিদ ও তাঁর ছেলে নবিদ। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ১৫ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়। নিহতদের মধ্যে ছিল ১০ বছরের এক শিশু এবং নাৎসি জার্মানির হলোকাস্ট থেকে বেঁচে যাওয়া ৮৭ বছরের এক বৃদ্ধ। এই হামলাকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গত ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ বলে মনে করা হচ্ছে।তদন্তে জানা গেছে, হামলার কয়েক সপ্তাহ আগেই সাজিদ ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করে ফিলিপিন্সে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে তাঁর ছেলে নবিদ অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভেল ডকুমেন্ট ব্যবহার করছিলেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে একাধিকবার হায়দরাবাদে এসেছিলেন সাজিদ। শেষবার তিনি ভারতে এসেছিলেন ২০২২ সালে।ঘটনার দিন পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মারা যান সাজিদ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তাঁর ছেলে নবিদ। হায়দরাবাদে থাকা পরিবারের অন্য সদস্যদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই নজরদারি শুরু করেছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। পুরো ঘটনার আন্তর্জাতিক যোগ ও জঙ্গি নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal