• ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

কলকাতা

Abhishek Bannerjee: বিপুল জয়ে কলকাতাবাসীকে ধন্যবাদ অভিষেকের

সকাল থেকেই শহরজুড়ে ঝোড়া ব্যাটিং করছে তৃণমূল। ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুরনিগমে তৃণমূলের বোর্ড গঠন এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বিজয়োল্লাসে মেতেছেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। আর এরই মধ্যে কলকাতাবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুইট করলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।People of Kolkata have once again proven that politics of HATE VIOLENCE have NO PLACE in BENGAL!I thank everyone for blessing us with such a huge mandate. We are truly humbled and shall always remain committed in our goals towards YOUR BETTERMENT!Thank you Kolkata 🙏 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) December 21, 2021তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক টুইটে লেখেন, কলকাতার মানুষ আবারও প্রমাণ করে দিয়েছেন, বাংলায় ঘৃণা এবং হিংসার রাজনীতির কোনও জায়গা নেই। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের রায়ের জন্য আমি প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের উন্নয়নের যে লক্ষ্য আমরা নিয়েছি, তার প্রতি আমরা সবসময় নিয়োজিত থাকব এবং কখনও এই পথ থেকে বিচলিত থাকব না।ভোটে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় মোটামুটি নিশ্চিত হতেই কলকাতার মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৩শে ডিসেম্বর নতুন মেয়রের নাম প্রস্তাব করা হবে। সেদিন দুপুরে কলকাতায় মহারাষ্ট্র ভবনে এই অনুষ্ঠান হবে। কলকাতা বিমানবন্দরে এ কথা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

TMC: লালবাড়ি দখলে বিশাল জয় তৃণমূলের, একনজরে দেখে নিন কোন ওয়ার্ডে কে জিতলেন

পুরসভা নির্বাচনে রীতিমতো রেকর্ড গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি করে ছোট লালবাড়ি দখল করেছে ঘাসফুল শিবির। বিধানসভা ভোটের হিসেবে, কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ড অঞ্চলে তৃণমূলের ভোট ছিল ৫৯.০৩ শতাংশ। সেখানে বিজেপির ভোট ছিল ৩২.৯২ শতাংশ। কলকাতা পুরভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের ভোট বেড়ে হয়েছে ৭১ শতাংশ এবং বিজেপির ভোট কমে হয়েছে ৮.৯ শতাংশ। অর্থাৎ বিজেপি-র ভোট কমেছে প্রায় ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ। এই ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ ভোটের একটা সিংহভাগ অংশ তৃণমূলের দিকে গেলেও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে বামেদের দিকে। ফলত বামেদের ভোট ৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১১.৪ শতাংশ।কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরোর ১৪৪টি ওয়ার্ডের ভোট গণনা। রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে সাড়ে ৯০০ প্রার্থীর। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ওয়ার্ডে জিতেছেন কোন প্রার্থী-১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কার্তিক মান্না।২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কাকলি সেন।৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবীকা চক্রবর্তী ।৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের গৌতম হালদার।৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তরুণ সাহা ।১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অতিন ঘোষ।১২ নম্বর বরোর সব ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস।১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অনিন্দ রাউত।১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অমল চক্রবর্তী।২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজয় উপাধ্যায়।২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মীরা হাজরা।২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিত।২৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী বিজয় ওঝা।২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তারক চক্রবর্তী ।২৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অয়ন চক্রবর্তী ।২৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ইকবাল আহমেদ।৩০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস।৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পরেশ পাল।৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অলকানন্দা দাস।৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শচিন সিং।৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা চৌধুরী ।৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মহম্মদ জসিমুদ্দিন।৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সুপর্ণা দত্ত।৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রীতা চৌধুরী ।৪২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী মহেশ শর্মা।৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী আয়েশা কানিজ।৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক।৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিমল সিং।৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিশ্বরূপ দে।৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়।৫০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ।৫১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল কুমার।৫২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোহিনী মুখোপাধ্যায়।৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সবিতারানি দাস।৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন।৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুস্মিতা ভট্টাচার্য চট্টোপাধ্যায়।৬৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী শাম্মি জাহান বেগম।৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের নিবেদিতা শর্মা।৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজনলাল মুখোপাধ্যায়।৭২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সন্দীপ বক্সী।৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬,৪৯৩ ভোটে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়।৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবলীনা বিশ্বাস।৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নিজামুউদ্দিন শামস।৭৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ষষ্ঠী দাস।৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শামিমা রেহান খান।৭৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা দাস।৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রামপেয়ারে রাম।৮০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী আনোয়ার খান।৮১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী জুঁই বিশ্বাস।৮২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৪,৮৬৭ ভোটে জয়ী ফিরহাদ হাকিম।৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী প্রবীর মুখোপাধ্যায়।৮৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী পারমিতা চট্টোপাধ্যায়।৮৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের দেবাশিস কুমার।৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সৌরভ বসু।৮৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মালা রায়।৮৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মমতা মজুমদার।৯১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।৯২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সিপিএম প্রার্থী মধুছন্দা দেব।৯৬ ওয়ার্ডে জয়ী বসুন্ধরা গোস্বামী।১০১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৬ ভোটে জয়ী সিপিএম প্রার্থী নন্দিতা রায়।১০৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তারকেশ্বর চক্রবর্তী ।১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অরিজিৎ দাস ঠাকুর।১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের লিপিকা মান্না।১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুশান্ত কুমার ঘোষ।১১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী স্বরাজ মণ্ডল।১১২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী গোপাল রায়।১১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অনিতা কর মজুমদার।১১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ মণ্ডল১১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না শূর।১১৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণা সিং।১১৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অমিত সিং।১১৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের তারক সিং।১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কাকলি বাগ।১২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সুশান্ত ঘোষ।১২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের রূপক গঙ্গোপাধ্যায়।১২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সোমা চক্রবর্তী।১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়।১৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী রুবিনা নাজ।১৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেসের ওয়াসিম আনসারি।১৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের আবু মহম্মদ তারিক।১৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী পূর্বাশা নস্কর।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
রাজনীতি

Municipal Election: কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে, বিরোধীদের ত্রিফলা আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা পুরভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডই তৃণমূল কংগ্রেসের ল্যান্ডস্লাইড ভিকট্রির ইঙ্গিত দিচ্ছে। একটা বিষয় স্পষ্ট যে কলকাতা কর্পোরেশনে ফের বোর্ড গঠন করতে চলেছে শাসকদল। গুয়াহাটি সফরের আগে এই ফলাফলের জন্য মানুষকে ধন্যবাদ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Heartiest congratulations to all candidates for your victory in the KMC elections. Remember to serve people with utmost diligence and gratitude!I wholeheartedly thank every single resident of KMC for putting their faith on us, once again. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) December 21, 2021তৃণমূল নেত্রী বলেন, আমি সকল মানুষ ও ভাই-বোনদের প্রণাম, অভিনন্দন এবং সেলাম জানাই। গণ উৎসবের মতো করে এই নির্বাচন হয়েছে। এটা গতন্ত্রের জয়। উৎসবের মতো করে ভোট হয়েছে। গণ উৎসবে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। আমরা মা-মাটি-মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনারা যত আশীর্বাদ দেবেন, তত মাথা নত করে কাজ করব। কলকাতা আমাদের গর্ব। বাংলা আমাদের গর্ব। কলকাতা এবং বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে।একযোগে বিজেপি, কংগ্রেস এবং বামেদের কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম মানুষের ভোটে হেরেছে। এই রায় আমাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে আরও সাহায্য করবে। আমরা মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষ। তাই এই ফলাফল। বিজেপি ভোকাট্টা। সিপিএম নোপাত্তা। কংগ্রেস স্যান্ডউইচ হয়ে গিয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
রাজনীতি

Municipal Election Result: নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে তৃণমূল, শুরু আবির খেলা

রবিবার কলকাতা পুর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়েছে। আজ ফল ঘোষণা। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। শুরুতে হয় ইডি (ইলেকশন ডিউটি) ভোট গণনা। ইভিএম গণনা শুরু হবে তার পর।মঙ্গলবার সকাল ৭টায় খোলা হয়েছে স্ট্রং রুমে। রবিবার থেকে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তায় রয়েছে কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। ভোট গণনার জায়গায় ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। প্রত্যেক গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। কমিশন সূত্রে খবর, দুপুর ২টোর মধ্যেই ফল প্রকাশ হয়ে যেতে পারে।মুখে রঙিন মুখোশ, বাহারি চুলের রঙ, হাতে খেলা হবে পোস্টার। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখন কলকাতা পুরনির্বাচনের গণনার ৩ ঘণ্টা পেরিয়েছে। তারই মধ্যে তৃণমূলের জয়ের ধ্বজা উড়তে শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়ির সামনে ভিড় উচ্ছ্বসিত কর্মী সমর্থকদের। আবির খেলা, খেলা হবে গান আর সঙ্গে দেদার নাচ।প্রত্যাশা মতোই প্রায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়ের পথে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী। তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ১১৯, বিজেপি ৩, বাম ৩, কংগ্রেস ২, নির্দল ১ ওয়ার্ডে এগিয়ে। শহর কলকাতায় ফের উঠল সবুজ ঝড়।৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী প্রবীর মুখোপাধ্যায়, ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ফৈয়াজ আহমেদ খান, ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়ের উল্লাস তৃণমূল শিবিরে। প্রথম দু ঘণ্টাতেই একশোর বেশি আসনে এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল৷ফিরহাদ জানিয়েছেন, ১৩৪ টি আসনে জিতবে তৃণমূল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ৫২ শতাংশের আশেপাশে থাকতে পারে তৃণমূলের ভোটের হার এবং বিজেপির থাকতে পারে প্রায় ২৪ শতাংশ। বাকি বিরোধীরা মোটামুটি ৭ শতাংশের মতো ভোট পেতে পারেন। উল্লেখ্য, গত পুরভোটে বিজেপি ৭ টি আসন পেয়েছিল, এবার তা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বামেরা পেতে পারেন একটি আসন।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

BJP: সন্ত্রাসের প্রতিবাদে পথে বিজেপি, রণক্ষেত্র সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ

পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বিজেপির মিছিল। সেই মিছিলকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনে। কলকাতা পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সোমবার পথে নামে বিজেপি। দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল বের করতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার অভিযোগ ওঠে। পাল্টা একের পর এক বিজেপি কর্মীকে চ্যাংদোলা করে পুলিশের তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠছে। পুলিশের বক্তব্য, এই মিছিলের কোনওরকম অনুমোদন ছিল না। তাই একের পর এক বিজেপি নেতাকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। প্রিজন ভ্যানের সংখ্যাও বাড়ানো হয়। পাশাপাশি আটকে দেওয়া হয় মিছিল।রবিবারের ভোটে সন্ত্রাস ও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে বিজেপির এদিনের প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিল। এদিকে পুলিশের দাবি, তারা এই মিছিলের জন্য কোনওরকম অনুমতি দেয়নি। ফলে ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেন থেকে মিছিল বের হতেই তা আটকায় পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের সঙ্গে কয়েকজন বিজেপি নেতা কথা বলেন। কিন্তু পুলিশ জানিয়ে দেয়, এ মিছিল করতে দেওয়া হবে না। তারপরই বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী শশী গণের অভিযোগ, আমাদের অনুমতি ছিল কিছুটা দূর অবধি মিছিল করার। আমরা তাই বেরোই। এরপরই পুলিশ আক্রমণ করল আমাদের উপর। ধরপাকড়, মারামারি, ধাক্কাধাক্কি। আমাকে ধরে গাড়িতে ওঠানোর সময় আমাকে পুলিশ ঘুঁষি মারে মাথায়। চোখেও লেগেছে। একটাও মহিলা পুলিশ নেই। ছেলে পুলিশ মেরেছে। এই অবস্থা দিদির! পুলিশকে তৃণমূলে নিয়ে গিয়ে রাখুন। পুলিশ তো তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। যদিও পুলিশের তরফে দাবি, পর্যাপ্ত মহিলা পুলিশ সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে রয়েছে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
কলকাতা

BJP: পুরভোট বাতিলের দাবিতে বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে প্রতিবাদ মিছিল

শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ। রবিবার দিনভর উত্তপ্ত ছিল কলকাতা। বেলা গড়াতেই পথে নামেন বিরোধীরা। চলে বিক্ষোভ-অবরোধ। দেখা যায় বেনজির বিরোধী ঐক্যও। বড়তলা থানার সামনে একসঙ্গে বসে পড়ল বাম-কংগ্রেস-বিজেপিও। সোমবারও প্রতিবাদে সামিল বিজেপি। আজ, সোমবার বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বার করা হবে। সমস্ত রাজ্য পদাধিকারী ও রাজ্য কমিটি সদস্যদের এবং জেলা সভাপতিরা এই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেবেন।এদিন বেলা দুটোয় বের হবে প্রতিবাদ মিছিল। অন্যায়ভাবে নির্বাচনের প্রতিবাদে শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হবেন তাঁরা। তবে নির্বাচন কমিশনের তরফে দাবি করা হচ্ছে অন্য। কোথাও ভোটে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। কোনও বুথে ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়নি। বিরোধীদের দাবি নস্যাৎ করে জানায় কমিশন। পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন নেই, দাবি কমিশনের।নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বিরোধীদের দরবার সত্ত্বেও পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা কম। বিজেপি ১৪৪টি ওয়ার্ডেই ফের ভোট চেয়েছে। বাম ও কংগ্রেসও পুনর্নির্বাচন চেয়েছে একগুচ্ছ ওয়ার্ডে। সেসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে সূত্রের খবর, কোনও ওয়ার্ডেই সম্ভবত ফের ভোট নেওয়া হবে না। কমিশনের বক্তব্য, বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া পুরভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে। ৪৫৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৯৫ জনকে। বোমাবাজি হয়েছে দুই জায়গায়। সিসিটিভি নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে কমিশন। তাদের বক্তব্য, কোথাও সিসিটিভি অচল ছিল না।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
কলকাতা

Election Commission: বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, জানাল কমিশন

বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া কলকাতা পুরসভার ভোট পর্ব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে, রাজ্য নির্বাচন কমিশন।বিকেল ৫টা পর্যন্ত কলকাতা পুরভোটে ভোটদানের হার ৬৩.৬৩ শতাংশ। চূড়ান্ত হিসাবে যা আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে।কমিশনের সচিব নিলাঞ্জন শাণ্ডিল্য জানিয়েছেন, সারা দিনে মোট ৪৫৩ অভিযোগ এসেছে। এন্টালী এবং আমাস্টিট থানা এলাকায় তিনটে বোমা পড়ার ঘটনা ঘটেছে এতে তিনজন আহত হয়েছেন। বিভিন্ন অশান্তির ঘটনায় ১৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটেনি। কমিশনের দাবি, প্রত্যেকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে ৫৫ টি ইভিএম খারাপ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেখানে দ্রুতই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে ১৪৪ টি ওয়ার্ডের কোনও বুথে এর জেরে ভোট প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়নি। সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনা করতে কমিশনের তরফে কোনও গাফিলতি হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। যেখানে যেখানে গন্ডগোলের খবর পাওয়া গেছে পুলিশ সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিশের কাজে কমিশন সন্তুষ্ট।এই মুহূর্তে কোনও বুথে পুনঃনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কমিশনের সচিব। পর্যবেক্ষক এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের রিপোর্টের ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerejee: সব নাটক করছে, বিরোধীদের খোঁচা মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা পুরসভার সব কটি ওয়ার্ডে প্রার্থী দিতে না পেরে অশান্তির নাটক করছে বিজেপি। রবিবার বিজেপি-র নাম না করে এই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরভোটে শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছে বিজেপি। তবে বিরোধী দলের সে দাবি নাকচ করে দিয়েছেন মমতা। তাঁর মতে, শান্তিপূর্ণভাবে কলকাতায় পুরভোট হয়েছে।রবিবার দুপুর ৩টে নাগাদ মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তাঁর দাবি, কলকাতায় শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হচ্ছে। পুরভোটে গন্ডগোল হচ্ছে বলে বিজেপি-র দাবি নস্যাৎ করেছেন তিনি। বিজেপি-কে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, কেউ যদি ১৪৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করতে পারে, তা হলে তাঁরা নাটক করবে। ওদের পাত্তা না দেওয়াই ভাল। আমি খুশি যে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে।People in Bengal are celebrating the festival of Democracy with pride!Our Chairperson @MamataOfficial has always ensured free fair elections across the state and we will continue to protect Democracy and uphold the values principles of this nation. pic.twitter.com/HWLvLs3VhB All India Trinamool Congress (@AITCofficial) December 19, 2021যদিও মমতার এ দাবি মানতে নারাজ রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দক্ষিণ দিনাজপুরে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তাঁর দাবি, আমরা এই নির্বাচনকে নির্বাচন বলেই মনে করছি না। সে পরিবেশ নেই। সব ওয়ার্ডে পুনর্নির্বাচন হওয়া উচিত! কলকাতা তথা রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, গোটা রাজ্যজুড়ে আমাদের প্রতিবাদ চলছে। যে ধরনের অগণতান্ত্রিক পদ্ধতি বা পরিবেশ তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ করে কলকাতায়, তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা আগেও বলেছিলাম, কলকাতা পুলিশ তথা রাজ্য পুলিশকে দিয়ে সুষ্ঠু ও অবাধ পুরভোট করানো সম্ভব নয়। সে জন্যই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পুরভোট করানোর জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছিলাম।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Bannerjee: অভিষেকের আশ্বাস, পুরভোটে অশান্তিতে তৃণমূল জড়িত প্রমাণ দিলে ২৪ ঘণ্টায় ব্যবস্থা

কলকাতা পুরভোটের আগে তৃণমূলের প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করে জিততে ভাবে। কোনও অবস্থাতেই ভোটে জেতার জন্য প্রভাব খাটানো চলবে না। রবিবার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি এবং বিরোধীদের তোলা অনিয়ম প্রসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, অশান্তিতে তৃণমূল জড়িত আছে প্রমাণ দিতে পারলে দল ব্যবস্থা নেবে।রবিবার ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিউশনের বুথে ভোট দিয়ে পুর নির্বাচনে অশান্তির অভিযোগ প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, অশান্তির ভিডিও ফুটেজ থাকলে আনুন। তৃণমূলের কেউ, কোথাও, কোনও জড়িত আছে প্রমাণ দিতে পারলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দল ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি, প্রশাসনিক স্তরেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।পুরভোটে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি-র তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে, বিভিন্ন বুথে তৃণমূলের সন্ত্রাসে এজেন্ট দেওয়া যায়নি। এ প্রসঙ্গে অভিষেকের মন্তব্য, বিজেপি কোথাও এজেন্ট দিতে না পারলে তার দায় তৃণমূলের নয়। তাঁর কটাক্ষ, পুরভোটের ফল কী হতে পারে তার আঁচ পেয়ে মুখ বাঁচাতে সন্ত্রাসের অজুহাত দিচ্ছে বিজেপি। অভিষেক বলেন, পরশু গণনায় যদি তৃণমূল ১৩০-এর উপর আসন পায়, একা অজুহাত তো (বিজেপি-কে) দিতে হবে। কলকাতা পুরভোটের সঙ্গে ত্রিপুরার ভোটেরও তুলনা করেছেন অভিষেক।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

BJP: পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ মীনাদেবী পুরোহিতের, রিপোর্ট তলব কমিশনের

২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের উপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সকালে জোড়াবাগানে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন পাঁচবারের কাউন্সিলর মীনাদেবী। তাঁর শাড়ি ধরে টানাটানি করা হয় বলে অভিযোগ। মীনাদেবী বলেন, তাঁর ব্লাউজও ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, মাহেশ্বরী ভবনের বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অবৈধ জমায়েত হচ্ছিল। প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর হামলা হয়। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। মীনাদেবী পুরোহিত বলেন, মারামারি করেছে, ধাক্কাধাক্কি করেছে, গুন্ডা নিয়ে এসেছে। ভোটই করতে দিচ্ছে না। হেনস্থা করছে। শাড়ি খুলে দিয়েছে, ব্লাউজ ছিঁড়ে দিয়েছে। অন্যদের ধাক্কাধাক্কি করছে। সকাল থেকে বুথ জ্যাম করে দিয়েছে। ভোট করতে দিচ্ছে না।মীনাদেবী বলেন, ১০০ জন ছেলেকে নিয়ে এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। অথচ পুলিশ কিছুই করছে না। মাহেশ্বরী ভবনে যে বুথ, সেখানে ভোট কেমন হচ্ছে তা দেখতে এদিন পৌঁছন মীনাদেবী পুরোহিত। অভিযোগ, এসে দেখেন লোকজনের জমায়েত। তার প্রতিবাদ করায় হামলা করা হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একজন মহিলা প্রার্থীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কমিশন।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Municipal Election: বুথ থেকে কলার ধরে প্রার্থীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ বিজেপির, উত্তেজনা বাগবাজারে

রাজ্য পুলিশের সাহায্যেই শান্তিপূর্ণ ভোট করানো সম্ভব বলেই আদালতে দাবি করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন । রবিবার সকালে ভোট শুরু হতেই শহরের একাধিক ওয়ার্ডে ধরা পড়ল উত্তেজনার ছবি। এ দিন ভোট শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাগবাজারে । বুথ থেকে নির্দল প্রার্থীকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি প্রার্থীর ধস্তাধস্তির ছবিও ধরা পড়ে এই বুথে।৭ নম্বর ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন রূপা চৌধুরী। জানা গিয়েছে এ দিন তিনি নিজেই পোলিং এডেন্ট হিসেবে বুথে বসতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁকে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি প্রার্থী ব্রজেশ ঝা আসেন ঘটনাস্থলে। তাঁর দাবি, তৃণমূল ছাপ্পা দিতে পারবে না বলেই অন্যান্য দলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার দাবি করেছেন যে নিয়ম জানতেন না বলে রূপা চৌধুরীকে বলতে বসতে দিয়েছিলেন। পরে তাঁকে বের করে দেওয়া হয়। কেন একজন প্রার্থীকে এজেন্ট হিসেবে বসতে দেওয়া হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। ঘটনাস্থলে যায় শ্যামপুকুর থানা ওসি। কোনও ক্রমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। বিজেপি প্রার্থী দাবি করেন, পুলিশ কলার ধরে বের করে দিচ্ছে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের। কেন অবাধ ভোট হবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী ব্রজেশ ঝা বলেন, অন্যান্য দল থাকলে তৃণমূলের ছাপ্পা দিতে অসুবিধা হবে, তাই তাঁদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিলেও চাপা উত্তেজনা ছড়ায় বাগবাজার চত্বরে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Vote: ভোট শুরুর আগেই উত্তপ্ত ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড, কংগ্রেস এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ

মকপোল শুরু হওয়ার আগেই কংগ্রেসের এজেন্ট বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড। টাকি বয়েজ ও টাকি গার্লস স্কুলে দফায় দফায় গোলমালের অভিযোগ উঠেছে রবিবার সকালে। এই ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী নন্দন ঘোষের দাবি, তাঁদের এজেন্টকে বসাতে গেলে বাধা দেয় তৃণমূল। এমনকী তাঁদের এজেন্টকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ নিয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।কলকাতা পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে টাকি বয়েজ স্কুল। সেখানে সিসিক্যামেরা অচল করে রাখার অভিযোগ ঘিরে রবিবার সকালে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। ভোটগ্রহণ পর্ব শুরুর আগেই গোলমাল বাধে সেখানে। পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেস প্রার্থী নন্দন ঘোষের বচসার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কংগ্রেসের অভিযোগ মক পোলিংয়ের জন্য কংগ্রেসের এজেন্ট বুথে বসতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এমনকী বাধা উপেক্ষা করে বুথের ভিতরে গিয়ে বসতে চাইলে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। এই অভিযোগকে সামনে রেখেই বুথের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে কংগ্রেস প্রার্থী ও তাঁর পোলিং এজেন্টরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টদের ভিতরে ঢোকার ব্যবস্থা করে দেন।এদিকে টাকি গার্লস স্কুলের সামনেও উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কংগ্রেসের অভিযোগ, পুলিশ এই ঘটনায় কোনও গুরুত্বই দেয়নি। তবে এই ঘটনা ঘিরে তুমুল উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী যে পরিমাণ পুলিশ কর্মী থাকার কথা বুথে, সেই পুলিশ থাকা সত্ত্বেও এই ঝামেলার পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ কংগ্রেস প্রার্থীর।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজনীতি

BJP-Supreme Court: পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিজেপির আবেদন গ্রহণ সুপ্রিম কোর্টে, শুনানি আজই !

রাত পেরোলেই কলকাতা পুরসভার ১৪৪ইট ওয়ার্ডে ভোট। তার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে লড়াইয়ের শেষ দেখে ছাড়ল। পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে বিজেপি-র মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। জরুরি ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। শনিবার বিজেপি-র তরফে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এর আগেও একই দাবি নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় বিজেপি-র। কিন্তু, সেই মামলা হাই কোর্টে ফিরিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের একক বেঞ্চের পর ডিভিশন বেঞ্চেও বিজেপি-র কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি খারিজ হয়ে গিয়েছে।উল্লেখ্য, পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রায় দেয়। ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে না করে দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বেঞ্চ। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির পক্ষ থেকে একটা স্পেশ্যাল রিট পিটিশন দাখিল করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। যেখানে ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। ভ্যাকেশন রেজিস্টার সেই আবেদন গ্রহণ করে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠিয়েছেন। কাল রবিবারই রয়েছে ভোট। তাই জরুরি ভিত্তিতে আজই সম্ভবত শীর্ষ আদালতে পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মামলার শুনানি হতে চলেছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Sensitive Booth: ১১৩৯ টি বুথ স্পর্শকাতর, একটি বরোতেই ২৫০ টি বুথ স্পর্শকাতর! ঘোষণা করল কমিশন

কলকাতা পুরসভার রবিবারের ভোটে সব রাজনৈতিক দল এবং পুলিশ-প্রশাসনের জন্য একগুচ্ছ বিধি স্থির করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিধি অমান্য করলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন। সেই সঙ্গে শহরের ১১৩৯টি বুথকে স্পর্শকাতর বলে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করেই ভোট পরিচালনা করতে চলেছে কমিশন।পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভা এলাকার ১৬টি বরোতেই কমবেশি স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত হয়েছে। ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪৯৫৯টি বুথের ব্যবস্থা হয়েছে। সব চেয়ে বেশি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে সাত নম্বর বরোয় ২৫০টি। স্পর্শকাতর বুথ সব চেয়ে কম ১৩ নম্বর বরোয়, ২২টি।কমিশনের নির্দেশ, রুটমার্চের পাশাপাশি ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে হবে পুলিশকে। সিল করে দিতে হবে কলকাতা পুরসভা এলাকার সীমানা। কোনও গাড়ি পুর এলাকায় প্রবেশ করলে তা যাচাই করতে হবে। নজরদারি চালাতে হবে নির্মীয়মাণ বাড়ি, কমিউনিটি হল, বিয়েবাড়ি, লজ, গেস্ট হাউস ও হোটেলের উপরে। চিহ্নিত দুষ্কৃতীদের ভোটের আগেই হেপাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন। ভোটারদের প্রভাবিত করার প্রবণতা ঠেকাতে প্রার্থীদের ক্যাম্পের উপরেও নজর রাখতে হবে পুলিশকে। অনুমতি ছাড়া কোনও রাজনৈতিক দল গাড়ি ব্যবহার করলে সেটি বাজেয়াপ্ত করার কথা বলা হয়েছে।কমিশন তাদের নিয়মবিধিতে জানিয়েছে, যে-সব রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের নিরাপত্তারক্ষী থাকেন, প্রচার শেষের পরে নিজের ভোটাধিকার থাকা কেন্দ্রের বাইরে তাঁরা থাকতে পারবেন না। ভোটের দিন নিজেদের নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন। ভোট দিয়েই সেখান থেকে চলে যেতে হবে। ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তাকর্মীদের প্রবেশাধিকার থাকবে না। ভোটদানের আগে বা অব্যবহিত পরে যত্রতত্র ঘুরে বেড়াতে পারবেন না। প্রার্থীদের ক্ষেত্রে অবশ্য এই বিধি বলবৎ হচ্ছে না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Bannerjee: পুরভোটে কটি আসন পাবে, তৃণমূল প্রচারের শেষবেলায় জানালেন অভিষেক

কলকাতা পুরভোটে প্রচারের শেষ লগ্নে দক্ষিণ কলকাতায় রোড শো করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার উত্তর কলকাতায় বড়বাজার থেকে বউবাজার পর্যন্ত রোড শো করেছিলেন। শুক্রবার করলেন দক্ষিণ কলকাতার ১০ ওয়ার্ডে। বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে রাসবিহারী হয়ে কালীঘাট মোড়, দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সারলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। সবকটি ওয়ার্ডেই তৃণমূলকেই দেখতে চান অভিষেক। এদিন শেষবেলার প্রচারে পুরভোটে তৃণমূল কটি আসন পাবে তা একপ্রকার বলেই গেলেন তিনি।রোড শোয়ের পর কালীঘাট দমকল কেন্দ্রের কাছে সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, দক্ষিণ কলকাতায় বিজেপি-র এক-দুটো আবর্জনার জামানত জব্দ হবে। এটা ভারতবর্ষের মানচিত্রে কলকাতাকে সর্বশ্রেষ্ঠ করার নির্বাচন। ২০১০ সালের কলকাতা আর এখনকার কলকাতার মধ্যে অনেক ফারাক রয়েছে। তুলনা করেই ভোট দেবেন। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটের দিন নাটক করতে পারে বিজেপি, সিপিএম। আপনারা সতর্ক হয়ে ভোট দেবেন।গত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল টেনে বিজেপি-কে কটাক্ষ করে অভিষেক বলেন, ভোটের আগে যাঁরা বড় বড় কথা বলেছিল, আট মাস পর তাঁদের টিকি খুঁজে পাওয়া যায় না। বিজেপি-র বাস ৭০-এ আটকে গিয়েছে। তৃণমূল খেলাতেও আছে, মেলাতেও আছে, আন্দোলন-উন্নয়নেও আছে। কালীঘাটে টালির ছাদের নীচে যে মহিলা থাকেন, সারা দেশ এখন তাঁর দিকে তাকিয়ে। সব ওয়ার্ডের প্রার্থী একজনই। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অভিষেক আরও বলেন, তৃণমূল এখন আর শুধু বাংলায় রাজনৈতিক দল নেই। গোটা দেশের পার্টি। সামনের বছরই গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। ওই নির্বাচনেও তৃণমূল ভাল করবে বলে দাবি করে তিনি বলেন, গোয়ায় তৃণমূল হয় সরকার গড়বে, নইলে প্রধান বিরোধী দল হবে। মাত্র তিন মাসের মধ্যে ত্রিপুরায় প্রধান বিরোধী দল হয়েছি।বাংলার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ায় বৃহস্পতিবারই বাঘাযতীন আর বেহালার সভা থেকে নাম না করে বিজেপি-কে বিঁধেছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছিলেন, যারা বলত মমতাজি দুর্গাপুজো করতে দেয় না, আজ তাদের মুখে চুনকালি পড়েছে। শুক্রবার অভিষেকও বলেন, বিজেপি শুধু মিথ্যে কথা বলে। বাংলার দুর্গাপুজোকে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। অথচ বিজেপি বলেছিল, বাংলায় নাকি দুর্গাপুজো করতেই দেওয়া হয় না। বিজেপি-র মতো দুনম্বরি দল সারা ভারতে নেই। তাঁর কথায়, ২০১০-এর আগের কলকাতা আর ২০২০-র পরের কলকাতা, তুলনা করে ভোট দিতে হবে। মনে রাখবেন, সব কেন্দ্রেই প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৪৪ ওয়ার্ডে যেন জেতে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

High Court: খারিজ বিজেপির আবেদন, কেন্দ্রীয় বাহিনী নয় কলকাতা পুরভোটে

আসন্ন কলকাতা পুরভোটে বিজেপির করা কেন্দ্রীয় বাহিনীর আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। কেন্দ্রীয় বাহিনীর চেয়ে বিজেপির করা আবেদন খারিজ করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আগেই এই আবেদন খারিজ করেছে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্জ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল বিজেপি।আদালতের তরফে জানান হয়েছে, এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের মতো পরিস্থিতি নেই। কমিশন দায়িত্বশীল হয়ে নির্বাচন পরিচালনা করবে। রাজ্য প্রশাসন যথাযথ ভাবে কমিশনকে সাহায্য করবে। যদি কোনও ঘটনা ঘটে তাহলে যাঁরা দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের উপরই দায়ভার বর্তাবে। এছাড়া নির্বাচনের পর কমিশনকে বিস্তারিত রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে। ২৩ ডিসেম্বর হবে পরবর্তী শুনানি।উল্লেখ্য কলকাতায় পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তোলে বিজেপি। বৃহস্পতিবার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল এবং নির্বাচন কমিশন যে বক্তব্য কোর্টে পেশ করেছে, তাতে আদালত মনে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন নেই। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করে বিজেপি । এদিন মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।শুনানিতে কমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সাম্প্রতিক অশান্তি প্রেক্ষিতে ভোটারদের মনোবল বাড়াতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? এলাকায় কি রুটমার্চ হচ্ছে? যেখানে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা বেশি, সেখানে পুলিশ কম কেন? সূত্রের খবর, কোনও প্রশ্নেরই যথাযথ উত্তর মেলেনি। এরপর আসরে নামে রাজ্য সরকার। অ্যাডভোকেট জেনারেলের সওয়াল, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি জন্য মিথ্যা মামলা করা হয়। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটেছে মানে এই নয় যে, রাজ্য পুলিশকে দিয়ে ভোট করানো যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীই লাগবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

High Court: কলকাতা পুরভোটে বাহিনী পাঠাবে কেন্দ্র, অপেক্ষা হাইকোর্টের নির্দেশের

কলকাতা পুরভোটে কি কেন্দ্রীয় বাহিনী নামবে, শনিবারের মধ্যেই তা জানাবে আদালত। শুক্রবার এই মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে।কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলকে (এএসজি) প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, এখন কি বাহিনী আনা সম্ভব? তার উত্তরে এএসজি বলেন, ৬ ঘণ্টার মধ্যে বাহিনী আনা সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি জানান, তবে এখনই বিশাল সংখ্যক বাহিনী আনা সম্ভব নয়। সিআরপিএফ-সহ বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি তিনি বলতে পারবেন। এর পরই এএসজি বলেন, চাহিদা মতো কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে আমরা প্রস্তুত। নির্বাচনের কাজে সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যুক্ত করা না হলেও, এলাকা টহলদারিতে মোতায়েন করা যেতে পারে।অন্য দিকে, বাহিনী নিয়ে সঠিক তথ্য দিতে না দিতে পারায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে তিরস্কার করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, বিগত ভোটের পরিস্থিতি দেখে ভোটাররা ভোট দিতে এগিয়ে না এলে, তার জন্য আপনারা কী ব্যবস্থা করেছেন? এ প্রসঙ্গে কমিশনের আইনজীবী জানান, প্রচুর সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ১০ হাজারের কিছু বেশি। কিন্তু কমিশনের এই উত্তরে সন্তুষ্ট হয়নি আদালত। এ প্রসঙ্গে সঠিক তথ্য দিতে না পারায় কমিশনকে ভর্ৎসনা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা কি এই মামলাটিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন না?

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: পুরভোটের প্রচারে ওমিক্রন নিয়ে সতর্কবাণী শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী

বুধবার পুরভোটের প্রচারে ফুলবাগানে জনসভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোয়া থেকে ফিরেই এই জনসভা থেকে ওমিক্রন নিয়ে রাজ্যবাসীকে সাবধান করলেন তিনি। তাঁর কথায়, এবার ওমিক্রণ শুরু হয়েছে। আবু ধাবি থেকে একজন হায়দরাবাদ হয়ে কলকাতা এসেছে। একজন রোগী বিমানে থাকলে বাকি প্যাসেঞ্জাররা তাঁর সংস্পর্শে আসছে। তার পর তারা বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিশছে। তবে করোনার নয়া স্ট্রেইন নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার বদলে সতর্কতার বার্তা দেন মমতা।রাজ্যে হদিশ মিলেছে প্রথখম ওমিক্রন আক্রান্তের। যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে আতঙ্ক শুরু হয়েছে। দ্রুত সংক্রামক এই স্ট্রেইন নিয়ে রাজ্যবাসীকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ওমিক্রণ খুব বেশি ভয়ঙ্কর নয়। তবে আপনারা সকলে সতর্ক থাকুন। মমতার কথায়, ওমিক্রন মারাত্মক কিছু না। কিন্তু এটা ছোঁয়াচে বেশি। খুব বেশি ছড়িয়ে পড়ে। তবে আমরা কোভিড মোকাবিলা করেছি। ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু- সবকিছু মোকাবিলা করেছি। শুধু এটাই বলব, আপনারা সতর্ক থাকুন।প্রসঙ্গত, এ রাজ্যে এদিন প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে মুর্শিদাবাদে। মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ওই ওমিক্রন আক্রান্তের বয়স মাত্র সাত বছর। সম্প্রতি সে আবু ধাবি থেকে হায়দরাবাদ হয়ে সে পরিবারের সঙ্গে মুর্শিদাবাদে নিজের বাড়িতে ফিরেছে বলে খবর।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
কলকাতা

High Court: কলকাতা পুরভোটে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, জানাল হাইকোর্ট

নির্দিষ্ট সময়েই হবে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। ভোটে স্থগিতাদেশ না দিয়ে এ কথা জানিয়ে দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি বকেয়া পুরভোটগুলিও যত দ্রুত সম্ভব করাতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিল আদালত। বুধবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ পুরভোট মামলার শুনানির রায় ঘোষণা করে এ কথা জানিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৩ ডিসেম্বর।রাজ্যে সব পুরসভায় একসঙ্গে ভোট করার দাবিতে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিল বিজেপি। সেই সঙ্গে তাদের দাবি ছিল, কলকাতা-সহ রাজ্যের পুরভোটে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট রাখতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। গত শুনানিতে প্রধান বিচারপতি রাজ্যের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বাকি পুরসভার ভোট কত দফায় এবং কবে ঘোষণা করা হবে? উত্তরে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতে জানিয়েছিলেন, ১৯ ডিসেম্বরের পর তাঁরা এ নিয়ে সম্ভাব্য দিন ক্ষণ আদালতকে জানাতে পারবেন। এই প্রেক্ষিতে আইনজীবীদের একাংশ মনে করছেন, কলকাতার ভোট মিটলেই বাকি পুরসভায় কবে, কত দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে তা আদালতকে জানানোর কথা রাজ্যের। ফলে ২৩ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানি হবে এ কথা বলার মাধ্যমে, বাকি পুরসভায় ভোট নিয়ে রাজ্যকে নিজের সিদ্ধান্তের সময়সীমা বেঁধে দিল আদালত।অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মামলার শুনানিও পিছিয়ে গেল। বৃহস্পতিবার ফের ওই মামলার শুনানি হবে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার একক বেঞ্চে সেই শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
কলকাতা

CCTV: পুরভোটে সব বুথে রাখতে হবে সিসিটিভি, কমিশনকে নির্দেশ হাইকোর্টের

আসন্ন কলকাতা পুরভোটে সমস্ত বুথে সিসিটিভি ব্যবহারের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বুথের পাশাপাশি স্ট্রং রুমেও সিসিটিভি ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কলকাতা পুরসভায় ৪ হাজার ৮৪২ প্রধান বুথ এবং ৩৬৫টি অতিরিক্ত বুথ রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো এই সব বুথ এবং স্ট্রং রুমে ব্যবহার করতে হবে সিসিটিভি ক্যামেরা। কলকাতা পুরভোটে ২৫ শতাংশ বুথে সিসিটিভি ব্যবহারের কথা জানিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। এই মামলকারী আবেদনে জানান, গত নির্বাচনের পর এখানে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তা ছাড়া গত বার পুরসভার নির্বাচনে এক জন এসআই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। এখানে কলেজ নির্বাচনেও পুলিশ আহত হয়। তাই অশান্তি এড়াতে পুলিশ বাহিনী বাড়ানো এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার জরুরি।এই মামলার শুনানি ছিল মঙ্গলবার। মামলাটি উঠেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, নির্বিঘ্নে ভোট করাতে সব রকম পদক্ষেপ করেছে কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক, যিনি রিটার্নিং অফিসার, তাঁর রিপোর্টের ভিত্তিতেই স্পর্শকাতর ২৫ শতাংশ বুথে সিসিটিভি লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যদিও হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তে কোনও আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করছে। তারা সব বুথে সিসিটিভি ব্যবহার করতে চাইলে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীও আদালতে বলেছেন, মামলাকারীর আবেদন মতো সব বুথে সিসিটিভি লাগাতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 32
  • 33
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

জাহাঙ্গির বিতর্কে ফুঁসছে তৃণমূল! কুণাল-ঋতব্রতদের ডেকে জরুরি বৈঠক মমতার

ভোটে ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে জাহাঙ্গির খানের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাকে ঘিরে দলের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের তিন বিধায়ক কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। তাঁদের প্রশ্ন, দলের কঠিন সময়ে এমন আচরণের পরও কেন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে দলের অন্দরের ক্ষোভ সামাল দিতে উদ্যোগী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে ডেকে পাঠানো হয় কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে। তিনজনই সেখানে উপস্থিত হন এবং দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর।তবে বৈঠকের পরেও জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে আদৌ কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার ফলতায় পুনর্নির্বাচন। তার আগে মঙ্গলবার ছিল প্রচারের শেষ দিন। সেদিনই জাহাঙ্গির খান ঘোষণা করেন, তিনি এই ভোটে লড়বেন না। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।কালীঘাটের বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে সেই কথাই মনে করিয়ে দেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, বৈঠকে কুণাল ঘোষ নিজের ক্ষোভ স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করেন। একইভাবে প্রতিবাদের সুর চড়ান সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নাম না করেই তাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। জাহাঙ্গির খানকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নেতা বলেও খোঁচা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।কুণাল ঘোষদের বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র ঘরোয়া বৈঠক করে নয়, দলের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা করার সুযোগ দিতে হবে। যদিও এর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কারও অভিযোগ থাকলে তা লিখিত আকারে জমা দিতে হবে। কিন্তু সেই বার্তায় বিশেষ কাজ হয়নি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মঙ্গলবারের বৈঠকে কুণাল, ঋতব্রত এবং সন্দীপনদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসার পরেই বুধবার তাঁদের আলাদা করে ডেকে পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের অন্দরের বিদ্রোহ থামাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

রাজনৈতিক প্রভাবে চাপা পড়েছিল অভিযোগ? অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি

রাজ্যে সরকার বদলের পর কলকাতার একাধিক নির্মাণ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ শুরু করেছে পুরনিগম। শহরের বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ তুলে পাঠানো হচ্ছে নোটিস। সেই তালিকায় উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নামও। তাঁর একাধিক সম্পত্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গিয়েছে। নোটিস পাঠানো হয়েছে অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও। এছাড়াও শান্তিনিকেতন নামে পরিচিত একটি বাড়ির ঠিকানাতেও নোটিস গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই কালীঘাট রোডে ফুটপাথ দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ি ও অফিস নিয়েও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে থাকা কিছু সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল আগেই।পুরনিগম সূত্রে খবর, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই অতীতে এই সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগের ফাইল চাপা পড়ে যায়। জানা গিয়েছে, অন্তত ১৫ বার বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছিল। তবে সেই সময় কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, যে কোনও অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রেই পুরনিগম নোটিস পাঠাচ্ছে। সরকারকে না জানিয়ে বা অনুমতি ছাড়া কোনও নির্মাণ করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেই নোটিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও যেতে পারে, আবার অন্য কারও কাছেও যেতে পারে।সম্প্রতি ১৮৮এ হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়িতে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ তুলে নোটিস পাঠানো হয়েছে। শান্তিনিকেতন নামে পরিচিত ওই বাড়ির মালিকানা রয়েছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে। এছাড়াও কালীঘাট রোডের একটি ঠিকানায়, যা অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে রয়েছে, সেখানেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।পুরনিগমের নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বাড়িগুলির যে অংশ বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ, তা ভেঙে ফেলতে হবে। যদি তা না করা হয়, তাহলে কেন ভাঙা হবে না, সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দিতে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধীদের দাবি, এতদিন রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিষয়গুলি চাপা ছিল। অন্যদিকে তৃণমূলের অন্দরে এই নোটিস নিয়ে অস্বস্তিও বাড়ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি বিতর্কে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মমতার রোষের মুখে ফিরহাদ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অবৈধ অংশ ভাঙাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় তৃণমূলের অন্দরও। মঙ্গলবার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন আগে থেকে নোটিসের বিষয়টি জানানো হয়নি, তা নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও ভর্ৎসনা করেন তিনি বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে এই বিষয় নিয়ে বিস্তর চাপানউতোরও হয়।এই বিতর্কের মাঝেই মুখ খুলেছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় বা নোটিস সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না। ফিরহাদের বক্তব্য, কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারব না। কেএমসি-র বিল্ডিং বিভাগ কাকে নোটিস দেবে বা দেবে না, কোন ধারায় নোটিস পাঠানো হবে, সেটা মেয়রের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। আমাকে জানানোও বাধ্যতামূলক নয়।তিনি আরও বলেন, আমি কোনও ইজারা নিইনি। নিয়ম অনুযায়ী যা হওয়ার, সেটাই হয়েছে। পুরসভার আইন অনুযায়ী এই ধরনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পুর কমিশনারের রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে সেই দায়িত্বে রয়েছেন স্মিতা পাণ্ডে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও কমিশনার স্তর থেকেই নেওয়া হয়েছে।এদিকে এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও। তিনি বলেন, দলের মুখপাত্র হিসেবে আমরা যা মনে করি, সেটাই বলি। কিন্তু কার বাড়িতে কতগুলি নোটিস গিয়েছে বা কী নোটিস দেওয়া হয়েছে, সেটা আমাদের জানার কথা নয়। সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তাঁর আইনজীবীরাই সঠিক তথ্য দিতে পারবেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে এই বিতর্কে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা এই ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা করতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি ক্রমশ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় আজ থেকেই চালু ‘পুশব্যাক’ আইন! অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

রাজ্যে পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ রুখতে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি সরকার। বুধবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করা হল পুশব্যাক আইন। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari জানান, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২৫ সালেই রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু তৎকালীন তৃণমূল সরকার সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি। এবার বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় এবং বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আইন চালু করা হয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী জানান, এবার থেকে রাজ্যে ধরা পড়া অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ফেরত পাঠানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এর ফলে দ্রুত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলা থেকে সরানো সম্ভব হবে।তবে এই ঘোষণার পরেই বাংলাদেশ থেকে আসা মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন, তাঁদেরও কি রাজ্য ছাড়তে হবে? সেই জল্পনার জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় থাকা কোনও হিন্দু বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না।শুভেন্দু বলেন, সিএএ-র আওতায় থাকা সাতটি সম্প্রদায়ের মানুষ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন। যাঁরা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে বা বাংলায় এসেছেন, তাঁদের পুলিশ কোনওভাবেই হেনস্তা বা আটক করতে পারবে না।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, যাঁরা সিএএ-র আওতায় পড়েন না, তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই দেখা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন মেনে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। এরপর বিএসএফের মাধ্যমে বিজিবি-র সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নতুন আইন চালুর ফলে পরিস্থিতির বদল হবে বলেই মনে করছে রাজ্যের শাসক দল।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর! “ঘুরতে নয়, কাজ করতে আসব” মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

শিলিগুড়িতে পৌঁছেই উত্তরবঙ্গের মানুষকে প্রণাম জানালেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari। বুধবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামার পরই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শুধু প্রশাসনিক বৈঠক নয়, উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে উত্তরকন্যায় বসবেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী Nisith Pramanik।উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি বলেন, ঘুরতে নয়, এখানে কাজ করতে আসব। কথা কম বলব, কাজ বেশি করব। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-কেই পরোক্ষে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।এদিন উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলার বিধায়ক, পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বর্ষার আগে বন্যা, হড়পা বান, ভূমিধস, নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা, চিকিৎসা পরিষেবা, চা বাগানের সমস্যা, বেআইনি নির্মাণ, জমি দখল এবং বালি-পাথর মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথাও জানানো হয়েছে।বেলা ১১টার কিছু পরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ। বিমানবন্দরের বাইরে বেরিয়ে হাতজোড় করে সকলকে নমস্কার জানান তিনি। উত্তরবঙ্গে বিজেপিকে বিপুল ভোটে জেতানোর জন্য মানুষকে ধন্যবাদও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পাশে ছিলেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ Raju Bista এবং নিশীথ প্রামাণিক।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, উত্তরবঙ্গের পবিত্র ভূমিকে প্রণাম জানাই। ২০০৯ সাল থেকেই উত্তরবঙ্গ ও পাহাড় বিজেপিকে জায়গা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi এবং বিজেপি যে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের মানুষের ঋণ শোধ করবে সরকার।তিনি আরও জানান, প্রতি মাসে মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা উত্তরবঙ্গে আসবেন। প্রতি সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উত্তরকন্যায় বসে সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং উন্নয়নের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গেও আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।উত্তরকন্যাকে পুরোপুরি সক্রিয় করার বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।উত্তরকন্যায় যাওয়ার আগে শিলিগুড়ির বিজেপি জেলা কার্যালয়েও যান শুভেন্দু অধিকারী। পথে একাধিক জায়গায় থামে তাঁর কনভয়। গাড়ি থেকে নেমে সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তিনি। ছোট শিশুদের কোলে নিতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছলে দলীয় কর্মীরা তাঁকে সংবর্ধনা জানান। সেখানে সংগঠন আরও শক্তিশালী করার বার্তাও দেন শুভেন্দু।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal