• ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ১৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corona

রাজ্য

Covid Restrictions: ফের বাংলায় একাধিক কোভিড বিধিনিষেধ জারি, জানুন কী কী বন্ধ থাকছে

রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে চলে না যায় তার জন্য একাধিক বিধিনিষেধ জারি করল রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই গত কয়েক দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। রাজ্যের সাম্প্রতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বিশেষজ্ঞরা।এক ঝলকে দেখে নেওয়া কীকী ঘোষাণা করল রাজ্য-১। আপাতত দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বন্ধ থাকবে। পরিস্থিতি অনুকূল হলে দুয়ারে সরকার ১ ফেব্রুয়ারি চালু হবে।২। স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।৩। কর্পোরেশন, পুরসভায়, সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মী হাজির থাকবেন।৪। সুইমিংপুল, স্পা, জিম, বিউটিপার্লার সেলুন বন্ধ থাকবে।৫। চিরিয়াখানা সহ সমস্ত ট্যুরিস্ট প্লেস বন্ধ থাকবে।৬। শপিং মল ৫০ ক্যাপাসিটির লোক থাকবে।৭। রেস্তোরাও, সিনেমা হল, থিয়েটরেও ৫০ শতাংশ দর্শক থাকবে।৮। বিবাহ সব সমস্ত সামাজিক অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি লোক থাকবে না।৯। মৃতদেহ সৎকার অনুষ্ঠানে ২০ জনের বেশি থাকতে পারবে না।১০। লোকাল ট্রেন ৫০ শতাংশ সিটিং ক্যাপাসিটি নিয়ে চলতে পারে। তবে সন্ধ্যা ৭ টা অবধি ট্রেন চলবে। তারপর লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকবে।১১। মেট্রো ৫০ শতাংশ যাত্রী ক্যাপাসিটিতে নিয়ে চলবে।১২। সেফ হোম চালু করা হবে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

Lock Down: বড় খবর! ফের আংশিক লকডাউনের সম্ভাবনা রাজ্যে, আপাতত বাতিল 'দুয়ারে সরকার' কর্মসূচি

ফের আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটার সম্ভাবনা রাজ্যের। জারি হতে পারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবারও বিধিনিষেধ। বন্ধ হতে পারে রাজ্যের মেলাগুলি। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে এই বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই সূত্রের খবর। শনিবারই করোনা বাড়ায় আপাতত সব মামলা ভার্চুয়ালি হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। শুধু কলকাতা হাইকোর্ট নয়, রাজ্যের সমস্ত জেলার আদালতের জন্যই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এমনকী জলপাইগুড়ির যে সার্কিট বেঞ্চ রয়েছে তাও আপাতত বন্ধ থাকছে।যেভাবে ওমিক্রন থাবা বসাচ্ছে গোটা দেশে, যে হারে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে সেইদিকে খেয়াল রেখে এবার কিছুটা রাশ টানার সম্ভাবনা রয়েছে নবান্নের। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। শনিবারই সামনে এসেছে রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর।১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্টুডেন্টস উইক ঘোষণা করেছে রাজ্যে সরকার। তারই অঙ্গ হিসেবে ৩ জানুয়ারি নেতাজি ইন্ডোরে এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও থাকার কথা ছিল। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই কর্মসূচি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। তাহলে কি ফের আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে বিভিন্ন মহলে।শুধু স্টুডেন্টস উইক-এর অনুষ্ঠানই বাতিল নয়। রবিবার থেকে দুয়ারে সরকারের কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল রাজ্য সরকারের। রাজ্য সরকার আপাতত দুয়ারে সরকার কর্মসূচিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তা এই মুহূর্তে এই ধরনের শিবির শুধু মারাত্মক নয় প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে বলেই মত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে-# বন্ধ হতে পারে স্কুল, কলেজ।# বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বার, রেস্তোরাঁ, সিনেমা হল।# কমানো হতে পারে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা।# নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে রাজ্যের মেলাগুলিতে।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

Mamata Bannerjee: পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত, করোনা উদ্বেগে বার্তা মমতার

রাজ্যে করোনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা না করে এখনই সব কিছু বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে নন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার গঙ্গসাগর থেকে কলকাতায় ফেরার আগে করোনার নয়া রূপ ওমিক্রন যে ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার জন্য অর্থনীতি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। আবার নতুন করে সব কিছু বন্ধের পথে গেলে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি হবে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তবেই এ ব্যাপারে সিন্ধান্ত নেওয়া হবে। কেন পর্যালোচনা প্রয়োজন তা ব্যাখা করে তিনি বলেন, কোভিড তো প্রায় ছমাস-আট মাস ছিল না। তাই অনেক জায়গায় কোভিড হাসপালগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সার্বিক ভাবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। লোকাল ট্রেন এবং স্কুল-কলেজ বন্ধ নিয়ে সরকার এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।কোভিডের অন্য রূপগুলির তুলনায় ওমিক্রন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিটেন থেকে বিমানে যাঁরা আসছেন, তাঁদের বেশি ওমিক্রন ধরা পড়েছে। অনেকে টেস্ট করাতে বিরক্ত হচ্ছেন। কিন্তু বিরক্ত হলে চলবে কী করে।সামনেই বর্ষ বিদায় এবং বর্ষবরণের উৎসব। সেই সময় বহু মানুষ রাস্তায় নামবেন। ফলে করোনা সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্ষবরণের উৎসব আটকাব কী করে! তবে আমরা বর্ষবরণের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Sourav Ganguly: চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে স্থিতিশীল সৌরভ, স্বাভাবিক খাবার খাচ্ছেন

করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে আপাতত ভাল আছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, নতুন করে আর জ্বর আসেনি সৌরভের। কাশিও নেই। তবে সর্দি রয়েছে বিসিসিআই সভাপতির।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সর্দি থাকায় মাঝে মধ্যে স্টিম দেওয়া হচ্ছে সৌরভকে। কিন্তু কাশি না থাকায় আপাতত তাঁর সিটি স্ক্যান করা হবে না। স্বাভাবিক ভাবে খাবার খাচ্ছেন তিনি। কথাও বলছেন। বুধবার দুপুরে সৌরভের শারীরিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন চিকিৎসকরা। তার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।সৌরভের চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার তিন সদস্যের চিকিৎসক দল গঠন করা হয়েছে। সেই দলে রয়েছেন সরোজ মণ্ডল, সপ্তর্ষি বসু ও সৌপ্তিক পণ্ডা। এ ছাড়াও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে চিকিৎসক দেবী শেঠি ও আফতাব খানের।কোভিডের জন্য যে চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন অনুসরণ করা হয়, সেই মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ককটেল থেরাপি সৌরভের জন্য সোমবার রাতেই শুরু করা হয়েছে। তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে জিনের পরীক্ষার জন্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে সেই রিপোর্ট পাওয়া যেতে পারে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে বোঝা যাবে তাঁর ওমিক্রন সংক্রমণ হয়েছে কি না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Junior Doctor: ওমিক্রন আক্রান্ত কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের এক ইনটার্ন

কলকাতায় ফের মিলল ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ। এবার করোনার এই প্রজাতিতে আক্রান্ত কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের এক ইনটার্ন। কোনও বিদেশ সফর ছাড়াও এই ভাইরাসে আক্রান্ত ওই জুনিয়র চিকিৎসক। রাতেই তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। বিষয়টি মাথাব্যথার কারণ ছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের। ফলে কলকাতায় করোনা আক্রান্তদের জিনোম সিকোয়েন্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বাস্ত্য দপ্তর। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের যে ইনটার্নের ওমিক্রন ধরা পড়েছে গত বৃহস্পতিবার থেকে তাঁর জ্বর-সর্দি ছিল। গত ২০ ডিসেম্বর ওই ইনটার্ন তার কোভিড টেস্টা করান। তাতে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারপরই তার নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়। তাতে দেখা যায় তিনি ওমিক্রন আক্রান্ত।এদিকে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ওই জুনিয়র চিকিৎসক থাকেন কলকাতাতেই। বাড়ি কৃষ্ণনগরে। সম্প্রতিককালে তিনি বাইরে যাননি বা বিদেশ থেকে যারা এসেছেন তাদের সংস্পর্শ্বে আসেননি। ফলে একটা উদ্বেগ তৈরি হচ্ছেই।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Omicron: আগামী বছরই আছড়ে পড়বে ওমিক্রনের ঢেউ! পূর্বাভাস বিজ্ঞানীদের

কয়েক মাস আগেই গবেষক-বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, দেশে করোনার শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। বছর শেষে সংক্রমণের হার কম থাকলেও, ক্রমশ বাড়ছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ ডেকে আনতে পারে ওমিক্রনই, এমনটাই ধারণা বিজ্ঞানীদের। তাদের দাবি, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসেই সংক্রমণের নতুন ঢেউ আছড়ে পড়বে।বিজ্ঞানী-গবেষকদের মতে, আমেরিকা ও ব্রিটেনে সংক্রমণ, মৃত্যুহার ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা নিয়ে যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তা যদি মিলে যায়, তবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই ভারতে ওমিক্রনের ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। মহামারির সময়কাল গণনার জন্য তৈরি সূত্র মডেল অনুসারেই এই পূর্বাভাস দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই মডেলের আবিস্কারকর্তা মণীন্দ্র আগরওয়াল ও এম বিদ্যাসাগর জানান, আগামী বছরই ফেব্রুয়ারি মাসে করোনার নতুন একটি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। তবে এটি ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারবে না, সংক্রমণের হারও সামান্যই হবে।সূত্র মডেলের আবিস্কারকর্তা দুই বিজ্ঞানী বলেন, খুব খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হলে, ফেব্রুয়রি মাসে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১.৫ লাখ থেকে ১.৮ লাখ হতে পারে। তাও এটা তখনই সম্ভব, যদি ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সম্পূর্ণরূপে টিকা বা পূর্ব সংক্রমণ থেকে তৈরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সম্পূর্ণরূপে ফাঁকি দেয়।যে হারে টিকাপ্রাপ্ত মানুষেরা ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাতে প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা টিকার মাধ্যমে প্রাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কতটা ফাঁকি দিতে সক্ষম এই ভ্যারিয়েন্ট।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Journalist Demise: প্রয়াত বর্ষীয়ান সাংবাদিক বিনোদ দুয়া

প্রয়াত বর্ষীয়ান সাংবাদিক বিনোদ দুয়া। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উপসর্গজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি। আজ দিল্লির এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। বিনোদ দুয়ার কন্যা মল্লিকা দুয়া আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।৬৭ বছর বয়সী বর্ষীয়ান সাংবাদিক বিনোদ দুয়াকে গত সপ্তাহেই চিকিৎসকদের পরামর্শে দিল্লির এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এরপর আজ দুপুরে তাঁর মেয়ে মল্লিকা দুয়া ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানিয়েছেন, আমাদের শ্রদ্ধেয়, নির্ভীক বাবা, বিনোদ দুয়া প্রয়াত হয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামিকাল দুপুরে রাজধানীর লোধি শ্মশানে প্রয়াত সাংবাদিকের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।বিনোদ দুয়া দীর্ঘদিন দূরদর্শনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এরপর দূরদর্শন থেকে বেরিয়ে অন্যান্য টেলিভিশন সংবাদ মাধ্যমের জগতে যাত্রা শুরু। হিন্দি সাংবাদিকতার দুনিয়ায় যাঁরা অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বিনোদ দুয়া। টেলিভিশন সংবাদ মাধ্যমে নিজের কর্মজীবনের একটি দীর্ঘ সময় কাটানোর পর অতি সম্প্রতি, তিনি ডিজিটাল খবরের দুনিয়াতেও পা রেখেছিলেন। বেশ কয়েকটি ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যমে তাঁর ওয়েব শো এবং রাজনৈতিক টিপ্পনি যথেষ্ট চর্চায় উঠে আসে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
দেশ

Omicron Modi: ওমিক্রন নিয়ে আধিকারিকদের কী বার্তা দিলেন মোদি?

দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনা ভাইরাসের নয়া রূপ ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে ইউরোপ এবং আমেরিকায়। উদ্বিগ্ন ভারতও। শনিবার বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্তত ৫০ বার জিনের বিন্যাস বদল করে তৈরি হওয়া এই রূপ সম্পর্কে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের থেকে বিশদে খোঁজ খবর নিয়ে আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দিলেন তিনি।এখনও পর্যন্ত যে সব দেশে এই রূপের হদিশ মিলেছে, সেখানকার যাত্রীদের কোভিড পরীক্ষা যাতে সঠিক ভাবে হয় এবং তাঁদের স্বাস্থ্যের উপরেও যাতে নজর রাখা হয়, তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়াও বিদেশে যাতায়াত আগামী দিনে কতটা শিথিল করা হবে, সেই বিষয়টি আধিকারিকদের পর্যালোচনা করে দেখতে বলেছেন তিনি। সরকারি আধিকারিকদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, জেলা স্তরে কোভিড পরীক্ষা এবং নজরদারি বাড়াতে রাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। শনিবারের ২ ঘণ্টার বৈঠকে করোনা টিকাকরণ নিয়েও খোঁজখবর নেন মোদি। বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে আরও বেশি করে সজাগ থাকার প্রয়োজন আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে যে দেশগুলিকে ঝুকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেই দেশগুলি থেকে আগত যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে আরও জোর দিতে বলা হয়েছে।এর পাশাপাশি বাড়ি থেকে বাইরে বেরোলেই মাস্ক পরা, নিয়মিত হাত স্যানিটাইজ করা এবং শারীরিক দূরত্ব বিধি বজায় রাখা-সহ যাবতীয় কোভিড সুরক্ষা বিধি মেনে চলা এইসময় ভীষণভাবে দরকার বলে মনে করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে ওই পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব, স্বাস্থ্য সচিব এবং কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান-সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা। একটি বৈঠকের সভাপতিত্ব করেছেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bikram Ghosh : করোনায় আক্রান্ত বিক্রম ঘোষ, বাড়িতেই চলছে চিকিৎসা

টলিউডের কোনও তারকা বা পরিচিত মুখ কেউ এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যায়নি। তবে এই ভালো খবরের মধ্যেই আমার করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এল। করোনায় আক্রান্ত হলেন পণ্ডিত বিক্রম ঘোষ। প্রখ্যাত তবলা বাদক ও সঙ্গীত পরিচালক বিক্রম ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়াতে জানিয়েছেন,আমার আজ কোভিড পজিটিভ হয়েছে। যারা আমার সংস্পর্শে এসেছেন তারা যেন উপযুক্ত সতর্কতা অবলম্বন করেন। বিক্রম ঘোষের কোভিড হওয়ার খবর পেয়ে চিন্তার ভাঁজ তাঁর অনুরাগীদের কপালে।পুজোর সময় থেকেই বাংলায় করোনা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। দিন দিন বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। বাংলা জুড়ে রাতের কার্ফুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একের পর এক পুজোর প্রস্তুতিতে গা ভাসিয়েছে সকলেই। সঙ্গে কোভিড বিধি উঠেছে শিকে। তার জেরেই এবার আবারও ভয়ানক পরিস্থিতির মুখে এগিয়ে চলেছে সাধারণ মানুষ। ভ্যাকসিনের পাশাপাশি মানতে হবে বিধি নিষেধ, কিন্তু অনেকেই দুটি ভ্যাকসিন হয়ে যাওয়াতে করোনাকে নিয়ে ভাবতে নারাজ। ফলে আগামী দিনে আমরা আরও কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে চলেছি।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
বিদেশ

China Corona: চিনে ফের শুরু লকডাউন, গৃহবন্দি হাজারো মানুষ

করোনার প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠে পুরোপুরি ছন্দে ফিরে এসেছিল চিন। ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সে দেশের অর্থনীতিও। কিন্তু এখন নতুন করে সেখানে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে করোনা। রাজধানী বেজিং-ও ছড়িয়েছে করোনা। এদিকে আগামী বছরের শুরুর দিকেই শীতকালীন অলিম্পিক্সের আয়োজক চিন। সব মিলিয়ে এই নতুন করে করোনা গ্রাফ চিন্তা বাড়াচ্ছে শি চিনপিংয়ের প্রশাসনের।চিনের ইনার মঙ্গোলিয়ার এজিনে লকডাউন জারি হয়েছে। সোমবার থেকে ওই এলাকার ৩৫ হাজার ৭০০ বাসিন্দাকে বাড়ি থেকে বেরতে নিষেধ করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে ওই অঞ্চলেই সংক্রমণের হটস্পট। গত সপ্তাহে ওই এলাকায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১৫০ জন। চিনের ন্যাশনাল হেল্থ কমিশনের তরফ থেকে সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, এ ভাবে চলতে থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। চিনের ১১ টি প্রদেশে নতুন করে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে।চিন থেকেই শুরু হয়েছিল কোভিডের দাপট। ২০১৯-এর শেষের দিকে সেই আতঙ্কের শুরু। লকডাউনের ছবি দেখা গিয়েছিল চিনের একাধিক শহরে। এরপর প্রায় গোটা বিশ্ব দেখেছে ভাইরাসের দাপট। তবে নতুন করে সেই ভাইরাসের আতঙ্কে প্রহর গুনছে চিন। ইতিমধ্যেই চিনের একাধিক শহরে ছড়াতে শুরু করে সংক্রমণ। কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই নতুন করে শুরু হচ্ছে লকডাউন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

covid update west bengal: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে রাজ্যে আক্রান্ত হাজার ছুঁই ছুঁই

বাংলার উৎসবের মরসুমে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এবার আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এরাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৮৯। তার মধ্যে কলকাতায় ২৭৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, ১৪৬ জন আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় হুগলিতে ৮৯, হাওড়াতে ৮৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৪জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। মোটের ওপর এভাবে সব জেলাতেই বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় স্যাম্পল টেস্ট করা হয়েছে ৪২,৬২২ জনের। এদিন করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৮২৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। উৎসবের দিনগুলো ঢালাও ছাড় দেওয়ার ফল ভোগ করতে হতে পারে রাজ্যবাসীকে। বিশেষজ্ঞরা বারে বারে সতর্ক করেছিলেন সরকারকে। কে শোনে কার কথা। তারওপর পুজোর আগে বাজারে ভিড়, পুজোতে মন্ডপে ও রাস্তায় থিকথিকে ভিড়। ফলত ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। অনেকে আবার ডবল ডোজ টিকা নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছিলেন। ঠিক ৭ দিন আগে অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর রাজ্যের পরিসংখ্যানটা একবার দেখে নেওয়া যাক। ওই দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪। কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯, উত্তর ২৪ পরগনায় ১২৮, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫৩, হাওড়ায় ৫১, হুগলিতে ৪৮ জন। ক্রমশ তা ধরাছোয়ার বাইরে চলে যেতে বসেছে। কমবার কোনও লক্ষণ নেই, বরং বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল শনিবার ও আজ, রবিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের কাছাকাছি। এর আগে তিন দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আটশোর ঘরে। তার আগে ১৯ অক্টোবর ছিল ৭শোর ঘরে। ৬শোর ঘরে ছিল তার আগের দুদিন। ২৩ অক্টোবর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭৪, ২২ অক্টোবর ৮৪৬ জন, কলকাতায় ২৪২। ২১ অক্টোবর রাজ্যে আক্রান্ত ৮৩৩। কলকাতায় ২৩৩। ২০ অক্টোবর ৮৬৭ আক্রান্ত, কলকাতায় ২৪৪। ১৯ অক্টোবর রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭২৬। কলকাতায় ১৮৩। ১৯ অক্টোবর ৬৯০। কলকাতায় ১৯৪। মানুষ সতর্ক না হলে তৃতীয় ঢেউও কিন্তু দোরগোড়ায়, একথা বারে বারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবু রাস্তা-ঘাটে-বাজারে মাস্কহীন মানুষজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কারও যেন কোনও হেলদোল নেই। এমনভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলে ফের লকডাউনের পথে যেতে হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Pujo Restrictions: এবারও পুজো মণ্ডপে বহাল 'নো এন্ট্রি'

এবারও পুজো মণ্ডপগুলোতে বহাল থাকছে নো এন্ট্রি। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানাল রাজ্য সরকার। রাজ্যের দাবি, গত বছর আদালতের রায় এবারও বহাল থাকবে। উল্লেখ্য, রাজ্যে করোনা বিধিনিষেধ ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। পুজোর দিনগুলিতে নৈশ কার্ফু শিথিল থাকবে। তবে লোকাল ট্রেন এখনই চলবে না বলেও জানানো হয়েছে।তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা এখনও উড়িয়ে দেননি চিকিৎসকরা। ফলে করোনাবিধি মেনে যাতে এবারও দুর্গাপুজো হয়, সেই জন্য কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের থেকে পরামর্শ চায় কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, এবারের পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি বহাল থাকছে। ২০২০-তে কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশিকা দিয়েছিল তা মেনেই পুজো হবে। সমস্ত কোভিডবিধি মেনেই পুজো হবে। কেন্দ্র আগেই বলেছে, উৎসব হোক। তবে নিয়ম মেনে। আদালতে রাজ্যের দাবি সেটাই হবে। আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল আরও জানান, পুজো কর্তৃপক্ষকে তালিকা দিয়ে জানিয়ে দিতে হবে তাঁদের কোন কোন স্বেচ্ছাসেবক পুজোর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। বড় পুজোর ক্ষেত্রে ২৫ জন এবং ছোট পুজোর ক্ষেত্রে ১২ জন স্বেচ্ছাসেবকের তালিকা তৈরি করতে হবে। বৃহস্পতিবার নবান্ন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, অক্টোবরে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নৈশ কার্ফু বহাল থাকবে। তবে ছাড় দেওয়া হয়েছে পুজোর দিনগুলিতে। ১০ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত রাতে যান চলাচল ও মানুষের যাতায়াতে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। ফলে রাত জেগে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে প্রতিমা দর্শন করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

অক্টোবর ০১, ২০২১
বিদেশ

Lockdown: তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণা

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্য কোভিড -১৯ ক্লাস্টার হিসাবে চিহ্নিত। সেখানকার স্বাস্থ্যমন্ত্রক ষষ্ঠবারের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে। সেই ঘোষণায় ইতিমধ্যেই সমলোচনার ঝড় উঠেছে। পরবর্তী কয়েক দিন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে ভিক্টোরিয়া সেরকমই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। সমলোচকদের অনেকেই বলছেন লকডাউন চাপিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল ডেমোক্রেটিক ভ্যালু পরীক্ষা করা হচ্ছে। যাই হোক, একটি যুক্তিসঙ্গত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে সুস্থ আলোচনা করা যেতেই পারে।ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য, এই রাজ্যকেই দেশের সর্বশেষ করোনাভাইরাস হটস্পটের কেন্দ্রস্থল ভাবা হচ্ছে। সোমবার গোষ্ঠী সংক্রামণ-র (কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের) ১১ টি নতুন ঘটনা ধরা পড়েছে এবং কতৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে আগামিদিনে এখানকার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। রাজ্য স্বাস্থ অধিকর্তারা জানিয়েছেন শেষ ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজন আক্রন্ত হয়েছেন। সোমবার এক সংবাদিক সম্মেলনে কতৃপক্ষ ঘোষণা করেছিল যে গভীর রাতে কাট-অফের পরে আরও ছয়টি কেস রেকর্ড করা হয়েছে, যা মঙ্গলবারের তথ্যে প্রতিফলিত হবে, যা বর্তমান ক্লাস্টারকে ৫১এ নিয়ে যাবে।আরও পড়ুনঃ দাদার বায়োপিক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মহারাজের দরবারের প্রেসিডেন্টপ্রাথমিকভাবে ঘোষিত সেপ্টেম্বরের পর লকডাউন বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ, এবং আগামী দিন কোভিড-এর প্রাদুর্ভাব আরও বেড়ে ভাল হওয়ার আগে আরও খারাপ হতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভারতে প্রথম সনাক্ত হওয়া সর্বশেষ কোভিড -১৯ নতুন ভেরিয়েন্টটি আসল স্ট্রেনের চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগের স্ট্রেনের তুলনায় অন্য ব্যক্তিকে সংক্রমিত করতে মাত্র এক দিন সময় নেয় যা আগে প্রায় পাঁচ বা ছয় দিন লাগত।করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে আটকাতে ভিক্টোরিয়ায় গত বছর বিশ্বের দীর্ঘতম ও কঠোর লকডাউন পালন করা হয়েছিল। সেই দ্বিতীয় ঢেঊ-এ রাজ্যে ৮০০ এরও বেশি নাগরিক মারা গিয়েছিলেন, যা অতিমারী শুরু হওয়ার পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার মোট মৃত্যুর ৯০%। ১০০র ওপর প্রবীণ ভিক্টোরিয়ান সেই সময় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মারা যান। অস্ট্রেলিয়া, সমগ্র বিশ্বের মধ্যে সামগ্রিকভাবে এই অতিমারী রুখতে অত্যন্ত সফল ভাবে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। তাঁরা মধ্যে রয়েছে দ্রুত যোগাযোগের সন্ধান, স্ন্যাপ লকডাউন এবং কঠোর সামাজিক দূরত্বের নিয়ম। যে কারণে সারা রাজ্যে মাত্র ২২,২৭৫ জন আক্রান্ত হন এবং ৯১০ জনের মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুরভাইরাসের বিস্তার যাতে আরও বৃদ্ধি না পায় সে কারণে, ভিক্টোরিয়া অঞ্চল জুড়ে সমস্ত কমিউনিটি স্পোর্টিং লিগকে অবিলম্বে তাদের সবরকম কার্যক্রম বাতিল করতে বলা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে ভীষণভাবে চিন্তিত। সেই উদ্দশ্যে তাঁরা উবার ইটস এবং ডোরড্যাশের মতো সংস্থাগুলিকে তাঁদের গ্রাহকদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।এটা সত্যিই একটি অসাধরণ সিদ্ধান্ত, ভিক্টোরিয়ান সরকার সেখানকার আঞ্চলিক মানুষদের স্বার্থে এবং স্থানীয় মানুষের কথা চিন্তা করে সকল জনসাধারণকে একটি গিফট ভাউচার দিচ্ছেন, সেই গিফট ভাউচার ব্যবহার করে তাঁরা যেকোনও আঞ্চলিক দোকান থেকে খাবার কিনতে পারেবেন। এই ব্যবস্থায় একই সঙ্গে সরকার সাধারণ মানুষের পাশেও থাকল এবং আঞ্চলিক ব্যবসাদাররাও টিকে রইলেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নামেলবোর্নের উত্তরে ব্রডমেডোতে একটি বহুসংস্কৃতিক যুব কেন্দ্রের সাথে সংযুক্ত শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র-তে নতুন করে ১৩ টি কোভিড আক্রান্ত হবার ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বৃদ্ধাশ্রমের পর রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রগুলি-ই উদ্বেগের প্রধান বিষয়।ভিক্টরিয়া-র স্বাস্থ্য দপ্তর প্রচন্ড উদ্বিগ্ন নিউপোর্ট এলাকায় কিছু আক্রান্ত মানুষকে নিয়ে। বেশ কিছু আক্রান্ত বা আক্রান্তদের সঙ্গে ছিলেন এমন কিছু মানুষকে স্বাভাবিক মেলামেশা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার নির্দেশ দেওয়া সত্বেও তাঁরা তা মানছেন না। অস্ট্রেলিয়ার উদার গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য বর্তমান যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে তা হল প্রতিবাদ। যা উদার গণতান্ত্রিকতার এক অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য।আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালাআমরা অতি সম্প্রতি মেলবোর্নে ভিক্টোরিয়া পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হতে দেখেছি। মেলবোর্নে হঠাৎ করে সাত দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণার পর সাধারন মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পরেন। সেখানে ষষ্ঠ বারের জন্য লকডাউন ঘোষণার পর সিবিডিতে শত শত মানুষ স্বতস্ফুর্ত বিক্ষোভের পর স্থানীয় পুলিশ অবস্থার নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৫ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁরা সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিটে জড়ো হয়ে সোয়ানস্টন স্ট্রিটের দিকে এগোতে থাকেন, সেখানে আগে থেকেই পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে জড়ো হয়েছিলেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছু মানুষ তাঁদের বক্তব্য লিখে প্লাকার্ড নিয়ে এসেছিলেন। লক্ষণীয় ভাবে অধিকাংশের মুখেই মাস্কের কোনও অস্ত্বিত্ত্ব ছিলনা।হেরাল্ড সান সূত্রে জানা যায়, সেখানে আগুন জ্বালানো হয়েছিল এবং উন্মত্ত জনতা আর লকডাউন নয় স্লোগান দিচ্ছিলেন, সেইসময় নিকটবর্তী অ্যাপার্টমেন্টগুলির বাসিন্দারা চিৎকার করে তদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলছিল। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের টুইটার ফিডের ভিডিওতে দেখানো হয়েছে যে সাধারন পদাতিক ও ঘোড়সাওয়ার পুলিস কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে বিক্ষোভকারীদের নিরস্ত করার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিট স্টেশনে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে দুই পুলিশ অফিসারকে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। বিক্ষোভের মাত্রা-ছাড়িয়ে গেলে সেই যন্ত্র দ্বারা বিক্ষোভকারীদের দিকে মরিচ স্প্রে করার জন্য।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহবিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন চিৎকার করে বলেছিলেন, কোভিড ভুয়ো, আরও একজন বলেছিলেন ভিক্টোরিয়ার ষষ্ঠ বারের লকডাউন ঘোষণায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছেন, শত শত মানুষ একটি বেআইনি বিক্ষোভে লিপ্ত এবং তারা ১৫ জন বিক্ষোভকারিকে গ্রেপ্তার করেছেন। নয়জনকে আটক করা হয়েছে, তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁদের জরিমানা করা হবে। দুইজন বিক্ষোভকারিকে নিয়ম ভঙ্গ এবং মিথ্যা নাম বলার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভিক্টোরিয়ার প্রিমিয়ার (রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান) ড্যান অ্যান্ড্রুজ জানিয়েছেন যে, গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লকডাউন চালু করা ছাড়া তার কাছে আর কোন বিকল্প ছিলনা। তিনি আরও জানিয়েছেন, তার কাছে ভিক্টোরিয়াকে বড়দিন পর্যন্ত বন্ধ রাখা ছাড়া আর কোনও নেই।ইহুদি আল্ট্রা-অর্থোডক্স প্রার্থনার সংগঠনগুলি গত বছর থেকেই নানাভাবে লকডাউন লঙ্ঘন করেছেন, এই অতিমারি পরিস্থিতিতে যেটা একেবারেই কাম্য নয়। আশ্চর্যের বিষয় তাঁরাই সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এবং আইন মেনে চলা সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বলেই গন্য হয়ে থাকেন। মেলবোর্নের ইহুদি সম্প্রদায়ের সিংহভাগ বাড়িতে উৎসব পালন করার সময় ভিক্টোরিয়ার লকডাউন নিয়ম লঙ্ঘন করে একদল উপাসক ভিতরে জড়ো হয়েছিল বলে খবর পেয়ে পুলিশ গ্লেন আইরা রোডের একটি ভবন ঘিরে ফেলে। দুর্ভাগ্যক্রমে, ভিক্টোরিয়া পুলিশকে রোশানা ইহুদি ধর্মীয় উৎসবের জন্য মঙ্গলবার অবৈধ সমাবেশে যোগদানকারী লোকদের ৫৪৫২ ডলার জরিমানা করতে হয়েছিল। এই ঘটনার আগে, ভিক্টোরিয়া পুলিশ কোফিল্ড নর্থে মেলবোর্নের এক বিশিষ্ট ইহুদি পরিবারের অবৈধ বিবাহের পার্টির নিমন্ত্রণকর্তা এবং অতিথিদের কাছে ৩০০০০০ ডলারেরও বেশি জরিমানা আদায় করেছে।আরও পড়ুনঃ পূজার ছলে ভুলে থাকিড্যানিয়েল অ্যান্ড্রুজ আরও বলেছেন যে তিনি রোশ হাশানাহ, দুই দিনের ইহুদি নববর্ষ উৎসবকে সেই সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তিনি মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, তবে আমরা যাই করি আমাদের প্রত্যেককেই এই মুহুর্তে নিরাপদ থাকতে হবে, ভালো থাকার জন্যই আমাদের নিজেদের অনুপ্রাণিত করতে হবে।অর্ণব ঘোষ রায়মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়াআইন স্নাতক (সম্মানিক)সদস্য, অস্ট্রেলিয়ান ল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ALSA)এক্সিকিউটিভ মেম্বার অফ ডিসিপ্লিন এন্ড গ্রিভেন্স কমিটি

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kohli and Shastri : শাস্ত্রী ও কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড, চাওয়া হবে কৈফিয়ত

জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও রবি শাস্ত্রীসহ তিন সাপোর্ট স্টাফ কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। কেউ কেউ মনে করছেন হোটেলের লিফটে চলাচলের সময় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে যেখানেই আক্রান্ত হোন না কেন, রবি শাস্ত্রী, বিরাট কোহলিদের ওপর বেজায় চটেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কেন বোর্ডের অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, তার কৈফিয়ত চাওয়া হবে। বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তা বলেছেন, ওই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের ছবি ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় বোর্ডের মুখ পুড়েছে। ওভালের ওই ঘটনার জন্য কোচ ও অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হবে। লন্ডনের যে হোটলে ভারতীয় দল রয়েছে, সেখানেই গত মঙ্গলবার রবি শাস্ত্রীর নিজের বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথি হাজির ছিলেন। অনেকেই মনে করছেন, সেই অনুষ্ঠান থেকেই কোনও ভাবে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন ভারতীয় দলের হেড কোচ। শাস্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দলের আরও যাঁরা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, সেই বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিয়ও নীতিন প্যাটেলও ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন।হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। শাস্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন কোহলি। অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য কেউই ভারতীয় বোর্ডের অনুমতি নেননি। দুজনের কাছেই কৈফিয়ত চাওয়া হবে বলে বোর্ডের একটা সূত্র থেকে জানা গেছে। দলের প্রশাসনিক ম্যানেজার গিরিশ ডোংরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানটি কোনও বোর্ডেরই অনুমোদিত ছিল না।এদিকে, আজই লন্ডন থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে পৌঁছে গেল ভারতীয় দল। রবি শাস্ত্রীসহ ৩ সাপোর্ট স্টাফ লন্ডনের হোটেলেই আইসোলেশনে রয়েছেন। ট্রেনে চড়ে ম্যাঞ্চেস্টার সফরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে। শুক্রবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপন

কোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য টিকা-কেন্দ্রগুলিতে এতদিন শুধুই দেখা গেছে ভিড়, হুড়োহুড়ি আর ধাক্কাধাক্কি। তবে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এই সবেরই ইতি ঘটতে চলেছে। এবার থেকে বাড়িতে বসেই কোভিডের টিকার কুপন পেয়ে যাবেন গ্রহীতারা। আশা ও অঙ্গনওয়ারী কর্মীরাই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দিয়ে আসবেন। একটি কেন্দ্রে একদিনে সর্বোচ্চ ২০০ জন পাবেন টিকা। সেই টিকার কুপন বিলির জন্যে মহকুমা ও ব্লকে বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। পরিকাঠামোর দিক থেকে উন্নত এমন স্কুলে একদিনে একাধিক শিবির করার বিষয়টি নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে চলছে ভাবনা চিন্তা।আরও পড়ুনঃ সবরকম সাহায্য করব, ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকেরকোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন টিকা-কেন্দ্রেও হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। তাতে কেউ কেউ আহতও হন। এছাড়াও টিকা পাওয়ার জন্য কোথাও আগের দিন থেকে আবার কোথাও ভোর রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেককে টিকা না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। টিকা নিতে আগ্রহীদের এমন পরিস্থিতি থেকে রেহাই দিতে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এক সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকেই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দেবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।আরও পড়ুনঃ জল্পনাই সত্যি হল, সিআইডির হাজিরা এড়ালেন শুভেন্দুজেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন, পৌরসভা এলাকায় মহকুমা শাসক ও ব্লকে বিডিও-র তত্ত্বাবধানে টিকা দেওয়া হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দুএকদিনের মধ্যেই আশা অথবা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা গ্রহীতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুপন দিয়ে আসবেন। এছাড়াও কো-উইন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যাঁরা টিকার জন্যে আবেদন করবেন,তাঁরাও স্বাভাবিক নিয়মে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে টিকা পাবেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক কাজল রায় জানান, ভিড় এড়াতে প্রতিটি টিকা গ্রহণ কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ২০০ জনকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একদিন আগে গ্রহীতাদের হাতে টিকার কুপন পৌছে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এতদিন পূর্ব বর্ধমান জেলায় দৈনিক ৩৮টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়েছে । ভিড় এড়াতে শিবিরের সংখ্যা আরও অনেক বাড়ানোর চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ২৯ এ পা পায়েলেরজেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের হিসাব অনুযায়ী এক লক্ষের মত টিকা মজুত রয়েছে।স্বাস্থ্য দপ্তর দ্বিতীয় ডোজ় গ্রহীতাদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রধিকারে রাখতে চাইছে বলে জানা গিয়েছে ।টিকার স্বাভাবিক যোগান থাকলে প্রতিদিন ন্যূনতম ২০ হাজার জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
বিদেশ

Corona: আমেরিকায় তিন সপ্তাহে করোনা আক্রান্ত পাঁচ লাখের বেশি শিশু

তিন সপ্তাহে আমেরিকায় করোনা-আক্রান্ত ৫ লক্ষেরও বেশি শিশু! যা সত্যিই খুব উদ্বেগজনক। বিশেষজ্ঞেরা বারবারই বলছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার ইঙ্গিত স্পষ্ট। তাঁরা আগেই বলে রেখেছেন, তৃতীয় ঢেউয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিশুরা। সেই পূর্বাভাসও মিলে যাচ্ছে। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস জানিয়েছে, তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী ৫ অগস্ট থেকে ২৬ অগস্ট পর্যন্ত ৫ লক্ষেরও বেশি শিশু সংক্রমিত হয়েছে। শুধু ১৯ অগস্ট থেকে ২৬ অগস্টের সপ্তাহে অন্তত ২ লক্ষ ৩ হাজার ৯৬২ শিশুর কোভিড ধরা পড়েছে। জুন মাসে শিশু-সংক্রমণ ছিল সপ্তাহে সাড়ে ৮ হাজার মতো। দুমাসে সংক্রমণ বেড়েছে ২৫ গুণ।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেই খুলে গেল বর্ধমানের কলেজআমেরিকার শীর্ষস্থানীয় এপিডিমিয়োলজিস্ট অ্যান্টনি ফাউচি বলেন, স্কুলগুলোতে কোভিডের টিকাকরণ বাধ্যতামূলক করা সব চেয়ে ভাল সিদ্ধান্ত। এটা কোনও কট্টরপন্থা নয়। আগেও এমন হয়েছে। দেশের বহু জায়গায় বহু স্কুলে এমন নিয়ম রয়েছে, বাচ্চাকে স্কুলে পাঠাতে হলে পোলিয়ো, হাম, মাম্পস, রুবেলা, হেপাটাইটিসের টিকা দিতে হবে। অতএব এই নিয়ম নতুন নয়। স্কুলে পাঠাতে হলে বাচ্চাকে এ বার করোনার ভ্যাকসিনও দিতে হবে।আমেরিকায় স্কুল খুলেছে বহু প্রদেশে। অন্য দেশগুলোতেও এক-এক করে স্কুল খুলছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে চিন্তায় বিশেষজ্ঞেরা। তাঁদের বক্তব্য, এক-এক করে বহু স্কুলই মাস্ক পরা আবশ্যিক করে দিয়েছে। মাস্ক অনেকটাই সংক্রমণ আটকে দেয়। কিন্তু সবটা তো নয়! বিশেষজ্ঞদের কথায়, যে সব বাচ্চার টিকাকরণ হয়নি, তাদের শরীরেই বেশি হামলা করছে ভাইরাস। কিন্তু যাদের জন্য টিকায় ছাড়পত্র রয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের সেই অংশের মধ্যেও টিকা নেওয়ায় অনীহা রয়েছে। আমেরিকায় কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে টিকা নেওয়ার হার বেশ কম। বিশেষজ্ঞদের কথায়, টিকা নেওয়া নেই মানে কোনও নিরাপত্তা নেই! নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোচুল ঘোষণা করেছেন, যে সব পড়ুয়ার টিকাকরণ হয়, প্রতি সপ্তাহে তাদের কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে। হোচুল বলেন, আমাদের একে অপরকে রক্ষা করতে হবে। টিকা নিতে হবে সকলকে। বদ্ধ জায়গায় মাস্ক পরতে ও অন্যান্য করোনা বিধি মেনে চলতে হবে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
দেশ

Janmashthomi: কোভিড বিধি মেনেই দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী

সারা দেশের সঙ্গে সঙ্গে নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরে আজ নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চলছে জন্মাষ্টমী উৎসব পালন। মথুরা থেকে মায়াপুর, নন্দালয় থেকে নবদ্বীপ উৎসবে ব্যস্ত সব দেবালয়ই। করোনাকালে এই প্রথম দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে মন্দির চত্বর। যদিও কোভিড বিধি মেনেই উৎসব পালিত হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ প্যারালিম্পিকে ডিসকাস থ্রোতে রুপো জিতলেন যোগেশ কাথুনিয়াজন্মাষ্টমী উপলক্ষে নয়ডার ইসকন মন্দিরে কৃষ্ণ নামে মেতেছেন ভক্তরা। নিয়ম মেনে দূরত্ববিধি বজায় রেখে প্রায় পুরনো মেজাজে জন্মাষ্টমী পালন হচ্ছে মায়াপুরে এমনটাই জানা গিয়েছে। পুষ্পবৃষ্টি দেখার জন্য মূল মন্দিরের বাইরে বসছে জায়েন্ট স্ক্রিন। তবে কাউকেই মূল মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এ বছর বিদেশি ভক্তদের প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। করোনা দাপট যেহেতু দেশে অব্যাহত রয়েছে সেই আবহে সংক্রমণ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান হয়েছে। রবিবার রাত থেকেই ইসকনে ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। তবে মন্দিরে প্রবেশের পথ রাখা রয়েছে একমুখী। জন্মাষ্টমীর এই উৎসবকে দেশের নানা প্রান্তে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী, গোকুলাষ্টমী, অষ্টমী রোহিনী এবং শ্রীকৃষ্ণ জয়ন্তী নামেও উদযাপন করা হয়। জন্মাষ্টমীর শুভ তিথিতে ভক্তরা দিনটা বিভিন্নভাবে পালন করেন। বিশেষত বৃন্দাবন ও মথুরাতে এই দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাহুল গান্ধি।

আগস্ট ৩০, ২০২১
দেশ

Afghan-Corona: তালিবানের থেকে বাঁচলেও করোনা থেকে শেষরক্ষা হল না

তালিবানের হাত থেকে রক্ষা পেলেও করোনার থাবা থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। নানা সতর্কতা সত্ত্বেও রক্ষা মিলল না করোনা-র হাত থেকে। মঙ্গলবার যে ৭৮ জন যাত্রীকে আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৬ জনের করোনা রিপোর্টই পজিটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে।করোনার চোখ রাঙানির মাঝেই উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে আফগানিস্তানে। সেখানে আটকে থাকা ভারতীয় ও বেশ কিছু আফগান বাসিন্দাদেরও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। যাত্রীরা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে, দেওয়া হয়েছে পোলিও টিকাও। মঙ্গলবারই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, আফগানিস্তান ফেরত সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ীই ৭৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। এদের মধ্যেই ১৬ যাত্রীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের সকলেই উপসর্গহীন।আরও পড়ুনঃ বুমরার বাউন্সারে কেমন অসহায় বোধ করেছিলেন অ্যান্ডারসন?সূত্রের খবর, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন গ্রন্থিও রয়েছেন, যারা শিখ ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিব কাবুল থেকে দিল্লিতে ফিরিয়ে এনেছিলেন। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী নিজে সেই ধর্মগ্রন্থগুলি সংগ্রহ করতে যান। তাঁর টুইট করা ছবিতে হাতে ধর্মগ্রন্থটিও দেখা যায়। যারা এই বইটি এনেছেন, তারাই করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আইসোলেশনে যেতে হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও। গত সপ্তাহে তালিবানরা কাবুল দখল করে নেওয়ার পর থেকেই আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই ৬২৬ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে ২২৮ জনই ভারতীয়। রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ আফগান নাগরিকদেরও ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। মোট ৭৭ জন আফগান শিখকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। হিন্দু ও শিখ ছাড়াও যারা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে আসতে চান, তাদের আশ্রয় দেওয়া হবে বলে আগেই জানানো হয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
বিদেশ

ICU: বেড পেতে গেলে "আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে"!

আসমুদ্র হিমাচল যখন অধীর আগ্রহে টিভির পর্দায় তাকিয়ে কে দখল নিলো আফগানিস্থানের? তালিবান না আফগান? সর্বদলীয় বৈঠক হচ্ছে বিদেশনিতী নিয়ে। ঠিক সেই সময়ে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বেসামাল আমেরিকা। ডালাস প্রদেশের কাউন্টি জজ ক্লে জেনকিন্স এক প্রেস বিবৃতীতে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কোভিড -১৯ আক্রান্ত শিশুদের জন্য তাঁদের কাছে একটিও শয্যা অবশিষ্ট নেই।তিনি ব্যখ্যা করে বলেন, এর মানে হল যদি আপনার সন্তান জন্মগত হার্টের ত্রুটি বা অন্য গভীর কোনও রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং তার আইসিইউ (ICU) বেডের প্রয়োজন হয়, অথবা যদি তার কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে আমাদের এখানে আপনার বাচ্চাকে ভর্তি করা অসম্ভব। খুব মর্মান্তিক কিন্ত বাস্তব সত্য এটাই যে, আরেকটি শিশুর মৃত্যুর জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। তিনি আরও জানান যে আপনি এই প্রদেশের যেকোনও জায়গায় আপনার বাচ্চা কে নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু সাধারণ বেড ছাড়া কোনও সুরাহা হবে না।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারক্লে জেনকিন্স জানান, হাসপাতালগুলিকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শয্যার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয় এবং বেশিরভাগ হাসপাতালই তাদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেডের সংখ্যার তুলনায় কিছু কম শয্যা ও কর্মচারী নেয়। তারা এমন শয্যা ব্যবহার করতে পারে না যেখানে পর্যাপ্ত সংখ্যায় কর্মী নেই। কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে হাসপাতালগুলিতেও পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মীর ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। যে শয্যাগুলির জন্য তারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত, সেইগুলিরও কর্মচারী পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে। বিভাগের মুখপাত্র লারা অ্যান্টন একটি ই-মেলে বলেন, রাজ্যের কর্মী সংস্থাগুলি সমগ্র আমেরিকা জুড়ে আপাতকালীন ভাবে স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগে কাজ করছে।সপ্তাহের শুরুর দিকে, টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট ঘোষণা করেন, যে হাসপাতালগুলিতে কোভিড -১৯ রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারনে সহায়তা করার জন্য রাজ্যের হাসপাতালে ২,৫০০ এরও বেশি মেডিকেল কর্মী মোতায়েন করা হবে। সেখানকার সরকারি তথ্য অনুসারে, টেক্সাসে এই মুহুর্তে ১১,২০০ এরও বেশি লোক কোভিড-১৯ (COVID-19) আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন,সারা প্রদেশ জুড়ে মাত্র ৩২৩টি প্রাপ্তবয়স্কদের আইসিইউ শয্যা পড়ে আছে।আরও পড়ুনঃ কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রীডালাস প্রদেশের কাউন্টি জজ ক্লে জেনকিন্স কিছু বিষয়ে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট সাথে মতপার্থক্য উল্লেখ করেছেন। জেনকিন্স অন্যান্য নির্বাচিত কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ওয়ার্কার্স ডিফেন্স অ্যাকশন ফান্ড এবং অন্যান্য গ্রুপের নেতাদের সাথে কথা বলেছিলেন তাঁরা জানিয়েছেন যে অতিমারীটি সঠিক ভাবে পরিচালনা করার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে এই প্রদেশের বাসিন্দাদের বিপদে ফেলছে অ্যাবট। জুলাই মাসে, কোভিড-১৯ (COVID-19) সংক্রান্ত কিছু আদেশে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন, সেখানে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে যারা সরকারী কাজের সাথে যুক্ত এবং জেলার স্কুল গুলিতে মাস্ক-এর কোন প্রয়োজন নেই।ডালাস সহ টেক্সাস কাউন্টির সদস্যরা এই মাসে গভর্নরের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন এবং ভাইরাসের বিস্তার রোধের জন্য মাস্ক পরার আদেশ পুনঃ কার্যকর করতে অনুরোধ করা হয়। এবং তাঁরা অ্যাবটের আদেশের বিরুদ্ধে স্টে-অর্ডারও চেয়েছিলেন। মঙ্গলবার, বিচারক টনিয়া পার্কার এই মর্মে নির্দেশ দেন যে, ডালাস কাউন্টির বাসিন্দারা অ্যাবটের আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং কিছু সময় ধরে হতে থাকবেন এবং তিনি রায়ে উল্লেখ করে দিয়েছেন যে, কাউন্টি বিচারক জেনকিন্সকে সাধারণ জনসাধরনকে সুরক্ষার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সমস্ত রকম সতর্কতামূলক ব্যবস্তা বাস্তবায়নের অনুমতি দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!উক্ত রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে জেনকিনস এক জরুরী আদেশ জারি করেছেন, কাউন্টির নির্দিষ্ট পাবলিক স্পেসে মাস্ক বাধ্যতামূলক করেছেন, এছাড়াও কাউন্টি অফিস, ভবন এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সহ সরাসরি জনসাধারণকে পণ্য বা পরিষেবা প্রদানকারী সকল ব্যক্তিদেরও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছেন। জরুরী আদেশটিতে আরও বলা হয়েছে টিকা প্রদানকারী স্বাস্থ্য কর্মী, কাউন্টি চাইল্ড কেয়ার সেন্টার, স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী এবং অবিভাবকদের জন্যও মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।রাজ্যে করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা উত্তোরত্তর বৃদ্ধির ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বৃদ্ধির আশঙ্কায় টেক্সাসের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে পাঁচটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত শববাহী মর্চারী ট্রেলারের জন্য অনুরোধ করেছেন। এজেন্সির মুখপাত্র ডগলাস লাভডে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অনুরোধটি করা হয়েছে। ট্রেলারগুলি সান আন্তোনিওতে রাখা হবে যদি কোন নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে করোনা আক্রান্ত শবদেহ রাখার জন্য অতিরিক্ত যায়গার প্রয়োজন হয়, আমেরিকার বিভিন্ন প্রদেশে এই ট্রেলারগুলির সম্ভাব্য প্রয়োজনের পূর্বাভাস বলে দিচ্ছে যে এই অতিমারির তৃতীয় ঢেউ কি ভয়ঙ্কর রুপ পেতে চলেছে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Covid Guidelines: ৩১ অগস্ট পর্যন্ত নয়া নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন

নয়া নির্দে্শিকা জারি করল নবান্ন। কিছু ছাড় দিয়ে রাজ্যে কোভিড বিধিনিষেধ চলবে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত। কিন্তু ১৬ অগস্টের পর থেকে যে নতুন দফার বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, তাতে সামান্য ছাড় দেওয়া হয়েছে রেস্তরাঁ, পানশালা খোলা রাখার বিষয়ে। এতদিন রাত্রি ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকত পানশালা ও রেস্তরাঁ। রাজ্যের নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এ বার থেকে এগুলি খোলা থাকবে দিনের শেষ পর্যন্ত, তবে রাত সাড়ে ১০টার পরে নয়। কারণ এরপরেই, রাত ১১টা থেকে কার্যকর হবে নৈশ কার্ফু।আরও পড়ুনঃ ফিল্মি কায়দায় দরজা ভেঙে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশএ ছাড়া সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সরকারি অনুষ্ঠান করতে হবে করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে। এ ছাড়াও ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে সিনেমা হলের পাশাপাশি খোলা থাকবে অন্য প্রেক্ষাগৃহগুলিও। ফলে ফের নাটক বা অন্য কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে। তবে সে ক্ষেত্রেও দর্শক সংখ্যা থাকবে মোট আসনের ৫০ শতাংশ। তা ছাড়া স্টেডিয়াম ও সুইমিং পুল খোলা যাবে ১৬ তারিখের পর থেকে। সেখানেও ৫০ শতাংশ দর্শকাসন পূর্ণ করা যাবে। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখনও লোকাল ট্রেন চালানোর বিষয়ে ছাড়পত্র দেয়নি রাজ্য সরকার। শুক্রবারের নির্দেশিকায়ও লোকাল ট্রেন নিয়ে আলাদা করে কোনও নির্দেশিকা ছিল না। বৃহস্পতিবারই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ৩১ অগস্টের পর লোকাল ট্রেন চালানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে, তার আগে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্ন ওঠে না।

আগস্ট ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

গল টেস্টে ভয়াবহ মুহূর্ত! রাহুলের শটে হেলমেটে বল, হাসপাতালে শ্রীলঙ্কার ওপেনার

ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই গলে তৈরি হল উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কেএল রাহুলের জোরালো সুইপ শটের বল সরাসরি গিয়ে আঘাত করল শ্রীলঙ্কার ওপেনার নিশান মধুশকার হেলমেটে। শর্ট লেগে ফিল্ডিং করার সময় এই আঘাত পান তিনি। ঘটনার পর দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও। কনকাশন পরীক্ষা করার পর মধুশকাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দশম ওভারে। প্রভাত জয়াসূর্যের করা ওভারের পঞ্চম বলটি রাহুল সুইপ করেন। বলটি ব্যাটের মাঝখান থেকে প্রচণ্ড গতিতে শর্ট লেগ অঞ্চলের দিকে ছুটে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মধুশকা বিপদ বুঝে দ্রুত মাথা নিচু করার চেষ্টা করলেও বলের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই বলটি তাঁর হেলমেটের মাঝামাঝি অংশে সজোরে আঘাত করে।আঘাতের পর বলটি ফাইন লেগের দিকে চলে যায়। ফলে রান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভারতের ব্যাটাররা রান সম্পূর্ণ করেন। রাহুল অবশ্য প্রথমে রান নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না। কিন্তু নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা যশস্বী জয়সওয়াল ইতিমধ্যেই দৌড় শুরু করে দেওয়ায় রানটি সম্পূর্ণ করতে হয়। রান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধুশকার দিকে ছুটে যান রাহুল। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।এরপর দ্রুত মাঠে প্রবেশ করেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও এবং চিকিৎসাকর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মধুশকার কনকাশন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার পর তাঁকে আর মাঠে রাখা হয়নি। ফিজিওর সঙ্গে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁর চোটের প্রকৃতি বা গুরুতরতা এবং তিনি পরবর্তীতে এই টেস্টে ব্যাট করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।মধুশকার চোটের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মাথায় সরাসরি বল লাগার ঘটনায় ক্রিকেটে কনকাশন প্রোটোকল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, প্রথম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছে ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুলের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় দল। প্রথম উইকেটে দুজনে ৬৬ বলে ৪৭ রান যোগ করেন।তবে ১১তম ওভারের শেষ বলে ছন্দপতন ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন জয়সওয়াল। ৩৭ বলে ৩২ রানের ইনিংসে তিনি মারেন পাঁচটি চার।জয়সওয়াল ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন রাহুল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। দুজনেই ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। পাড়িক্কল আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করার পাশাপাশি রাহুলও নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। ফলে প্রথম সেশনেই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।লাঞ্চের সময় ২৭ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১০১ রান। একদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট, অন্যদিকে মধুশকার চোটপ্রথম দিনের প্রথম সেশন তাই দুই দলের জন্য দুই ভিন্ন ছবি তুলে ধরল। এখন সকলের নজর নিশান মধুশকার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী আপডেটের দিকে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শতবর্ষের ঐতিহ্যে দেশপ্রেমের আবহ, দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তিতে দেশপ্রেম ও ঐতিহ্যের আবহে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে। শতবর্ষ প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। পতাকা উত্তোলনের পর বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের অঙ্গীকারই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল বার্তাএমনই আহ্বান জানান তিনি।বিদ্যালয়ের বরিষ্ঠ শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, বিবিধের মাঝে মিলন মহানএই আদর্শকে সামনে রেখে দেশভাগ ও পরাধীনতার গ্লানি পেরিয়ে স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ঐক্য, সম্প্রীতি ও দেশাত্মবোধের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।অনুষ্ঠানের সূচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর উদয়পল্লীর বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। ত্রিবর্ণ পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মনীষীদের বাণী, দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পাঠের মাধ্যমে স্বাধীনতার ইতিহাস ও চেতনাকে তুলে ধরা হয়। শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডলের পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় অঙ্কন, প্রবন্ধরচনা, কুইজ, নৃত্য ও সঙ্গীত-সহ একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিক্ষিকা সুনীতা সাহার ব্যবস্থাপনা এবং দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রতিযোগিতাগুলিতে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় ছাত্রছাত্রীরা। কুইজে প্রথম স্থানাধিকারী দলের সদস্য সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী শ্রাবণী ভট্টাচার্য জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকায় বিদ্যালয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।এদিন নবম শ্রেণির ছাত্রীদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় দেওয়াল পত্রিকা স্পন্দন-এর বিশেষ রঙিন সংখ্যা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিশু সংসদের প্রধানমন্ত্রী, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সায়ন্তিকা কর্মকারের নেতৃত্বে মন্ত্রী ও সহকারীরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলায়।পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে। সবুজ ভলেন্টিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে ইকো ক্লাবের উদ্যোগে জাম গাছ রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।শেষপর্বে শিক্ষাকর্মী প্রদীপ বিশ্বাসের দায়িত্বে এবং তরুণ দাসের নেতৃত্বে উপস্থিত সকলের মধ্যে লুচি, মিষ্টি-সহ নানা খাবার বিতরণ করা হয়। স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশপ্রেম, সাংস্কৃতিক চেতনা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তাকে একসূত্রে বেঁধে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা শুধু একটি দিন নয়, বারবার ফিরে আসে—জয়ের পতাকায়, গৌরবের মুহূর্তে

স্বাধীনতাশব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭-এর সেই ঐতিহাসিক সকাল। দীর্ঘ পরাধীনতার অন্ধকার পেরিয়ে ভারতবর্ষ সেদিন পেয়েছিল নিজের আকাশ, নিজের পতাকা, নিজের পরিচয়। কিন্তু স্বাধীনতা কি কেবল একটি তারিখ? কেবল একটি দিনের উদ্যাপন? কেবল লালকেল্লার প্রাচীর থেকে ভেসে আসা ভাষণ, জাতীয় পতাকার উত্তোলন আর জাতীয় সঙ্গীতের গর্বিত সুর?না।স্বাধীনতা আসলে ফিরে ফিরে আসে।কখনও তা আসে একটি ক্রিকেট মাঠে, কখনও অলিম্পিকের ট্র্যাকের ওপর, কখনও হকির সবুজ ঘাসে, কখনও কোনও বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে, কোনও সুরকারের সুরে। কখনও আবার আসে এমন এক ভারতীয়ের চোখের জলে, যে নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের মঞ্চে উঠতে দেখে বুকের ভিতর অদৃশ্য এক ঢেউ অনুভব করে।১৯৮৩ সাল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের সামনে তখন দাঁড়িয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিল দেবের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলা সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের জয় ছিল না। তা ছিল আত্মবিশ্বাসের বিস্ফোরণ। সেদিন যেন ভারত বুঝেছিলআমরাও পারি। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরাও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের গল্প লিখতে পারি। ১৯৪৭-এ যে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল, ১৯৮৩-তে তার আত্মবিশ্বাস যেন আরও একবার স্বাধীনতার স্বাদ পেল।তারও বহু আগে, ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের হকিতে ভারত প্রথম সোনা জিতেছিল। ধ্যানচাঁদের জাদুকাঠিতে ভারতীয় হকি তখন বিশ্বকে দেখিয়েছিল এক অন্যরকম শিল্প। পরপর বহু অলিম্পিকের মঞ্চে ভারতীয় হকি দলের সাফল্য দেশের ক্রীড়া-পরিচয়ের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠেছিল। তেরঙ্গা যখন বিদেশের মাটিতে উঠত, তখন মনে হতোএই তো স্বাধীনতা! বন্দুকের গর্জন নয়, স্টিক আর বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণেও একটি জাতি তার অস্তিত্বের ঘোষণা করতে পারে।তারপর আসে অ্যাথলেটিক্সের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতের অলিম্পিক সাফল্যের ইতিহাসে নীরজ চোপড়ার সোনার পদক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। টোকিও অলিম্পিকের সেই রাতএকজন ভারতীয় যখন জ্যাভলিন ছুড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখলেন, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ঘরে ঘরে যেন আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়ল। মাঠে একজন, কিন্তু গর্বে ছিল ১৪০ কোটিরও বেশি হৃদয়।ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের আর এক অমর নাম পি. টি. উষা। আশির দশকে এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে তাঁর দৌড় ভারতীয় মেয়েদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিল। ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার-সহ একাধিক পদক জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেনভারতের মেয়েরাও বিশ্বের দ্রুততম ট্র্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর পায়ের শব্দ শুধু একটি দৌড়ের শব্দ ছিল না; তা ছিল সামাজিক বাধা, সংশয় আর প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক তরুণীর স্বাধীনতার ঘোষণা।এরপর এল ক্রিকেটের আর একটি নতুন অধ্যায়। ২০০৭ এ প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে তরুণ ভারতীয় দল যখন ট্রফি হাতে তুলল, তখন ক্রিকেটের নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার স্বাদ যেন আরও একবার নতুন করে ধরা দিল। আর ২০১১ সালে ঘরের মাঠে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই ছক্কাআজও ভারতীয় ক্রীড়া-স্মৃতির অন্যতম আবেগঘন ছবি। একজন অধিনায়ক ট্রফি তুলেছিলেন, কিন্তু আসলে যেন কোটি কোটি মানুষ নিজেদের স্বপ্নকে তুলে ধরেছিল।স্বাধীনতার এই গল্প শুধু খেলাধুলায় থেমে নেই।ভারতীয় সংস্কৃতির বিশ্বজয়ের কথাও তো একইভাবে বলতে হয়। সত্যজিৎ রায়ের Pather Panchali কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিল। ১৯৯২ এ বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান ও অনন্য সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সত্যজিৎ রায়কে সম্মানসূচক অনারারি অস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি। এই পুরস্কার কোনো একটি নির্দিষ্ট ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর সমগ্র চলচ্চিত্র জীবন, শিল্পসত্তা এবং বিশ্বসিনেমায় তাঁর গভীর ও স্থায়ী প্রভাবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। অসুস্থ সত্যজিতের বিছানায় শুয়ে অস্কার হাতে নিয়ে যে বক্তব্য দেন তা আজও আপামোর চলচিত্রপ্রেমীর কানে বাজে। পরে ২০০৯ সালে এ. আর. রহমান Slumdog Millionaire চলচ্চিত্রের জন্য দুটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সুরের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেন। অস্কারের মঞ্চে তাঁর সুরের প্রতিধ্বনি যখন বিশ্ব শুনেছিল, তখন সেটিও ছিল এক ধরনের স্বাধীনতানিজের মাটির সুরকে পৃথিবীর কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বাধীনতা।বিজ্ঞানেও এমন অসংখ্য মুহূর্ত এসেছে। মহাকাশে ভারতের সাফল্য, চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণ, মঙ্গলযানের অসাধারণ অভিযানপ্রতিটি সাফল্যের মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে সেই একই অনুভূতি। একসময় যে দেশ নিজের মানুষের খাদ্য ও অর্থনীতির চিন্তায় সংগ্রাম করছিল, সেই দেশই একদিন মহাকাশের অজানা প্রান্তে নিজের পতাকা পৌঁছে দেয়। এই অগ্রযাত্রাও স্বাধীনতারই আর এক ভাষা।কারণ স্বাধীনতা মানে শুধু পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে শেখা।স্বাধীনতা মানেআমি পারব বলার সাহস।স্বাধীনতা মানেব্যর্থতার পরেও আবার উঠে দাঁড়ানো।স্বাধীনতা মানেবিশ্বের চোখে চোখ রেখে নিজের পরিচয় ঘোষণা করা।তাই ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করব কেন? আমরা মনে করব সেই সব দিনকে, যেদিন ভারত নতুন করে জিতেছিল। কোনও খেলোয়াড়ের হাতে যখন পদক উঠেছে, কোনও বিজ্ঞানীর অভিযানে যখন ভারতীয় পতাকা মহাকাশ ছুঁয়েছে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে যখন ভারত বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে, কোনও তরুণ-তরুণী যখন অসম্ভবকে সম্ভব করেছেসেই প্রতিটি মুহূর্তে স্বাধীনতা নতুন করে জন্ম নিয়েছে।স্বাধীনতার বয়স আজ ৭৯ বছর। কিন্তু স্বাধীনতা বৃদ্ধ হয়নি। বরং প্রতিটি নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে তার বয়স কমে আসে। কোনও শিশুর হাতে ক্রিকেট ব্যাটে, কোনও কিশোরীর দৌড়ের জুতোয়, কোনও তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর তুলিতে, কোনও সুরকারের যন্ত্রেস্বাধীনতা প্রতিদিন নতুন হয়ে ওঠে।১৫ই আগস্ট তাই শুধু অতীতের স্মৃতির দিন নয়। এটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিনও।যে তেরঙ্গা ১৯৪৭ সালে পরাধীনতার আকাশে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে উঠেছিল, সেই তেরঙ্গাই আজও ওঠেলর্ডসের মাঠে, অলিম্পিকের মঞ্চে, বিশ্বকাপের আসরে, অস্কারের মঞ্চে, মহাকাশযানের অভিযানে, কিংবা কোনও অচেনা ভারতীয়ের ছোট্ট সাফল্যের মুহূর্তে।সেখানেই স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্য।স্বাধীনতা একবার অর্জন করা কোনও স্মারক নয়স্বাধীনতা এমন এক অনুভূতি, যা প্রতিটি প্রজন্ম নিজের সাফল্য দিয়ে নতুন করে অর্জন করে।তাই ১৫ই আগস্ট শুধু একটি দিন নয়।স্বাধীনতা বারবার ফিরে আসে।জয়ের পতাকায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, করতালির শব্দে, স্বপ্নপূরণের হাসিতেআর কোটি কোটি ভারতীয়ের বুকের ভিতর নিঃশব্দে উচ্চারিত একটি শব্দেভারত।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষুদিরামের ফাঁসির মঞ্চ থেকে মাতঙ্গিনীর রক্তাক্ত পতাকা, বাঙালির হৃদয়ে অমর এই পাঁচ স্বাধীনতা সংগ্রামী

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাংলার মাটি যেমন জন্ম দিয়েছে ক্ষুদিরাম বসুর মতো কিশোর বিপ্লবীকে, তেমনই তাম্রলিপ্তের মাটিতে উঠে এসেছে মাতঙ্গিনী হাজরা, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রামী নেতৃত্ব। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার লড়াইকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছিল।মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ইতিহাসে অমর হয়ে যান ক্ষুদিরাম বসু। ১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক ডগলাস কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে বোমা হামলার ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হন। ১১ আগস্ট ১৯০৮ তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুর মুখেও তাঁর নির্ভীকতা ও হাসিমুখ বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে।অন্যদিকে, ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে পূর্ব মেদিনীপুরের মাতঙ্গিনী হাজরা হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। গান্ধীবুড়ি নামে পরিচিত এই বৃদ্ধা ২৯ সেপ্টেম্বর তমলুক থানার দিকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়েই তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর আত্মবলিদান বাংলার নারীশক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সুশীল ধারা-র। ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তিনি সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেন। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের যুদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বও সামলেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিদ্যুৎ বাহিনী, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।সতীশচন্দ্র সামন্ত ছিলেন তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রথম সর্বাধিনায়ক। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গঠিত এই সমান্তরাল সরকার তমলুক ও কাঁথি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্রিটিশ প্রশাসনের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী সংগঠন, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এই সরকারের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের নেতৃত্বে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্বাধীনতার পরও তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেমে থাকেনি। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান থেকে মাতঙ্গিনীর পতাকা হাতে মৃত্যুবরণ, আর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের সংগঠিত প্রতিরোধ, এই সমস্ত অধ্যায় প্রমাণ করে, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু কয়েকজন বিপ্লবীর কাহিনি নয়। এটি ছিল অসংখ্য মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের সম্মিলিত ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানের মাটিতে জন্ম বীর বিপ্লবীর, রাসবিহারী বসুর কর্মকাণ্ডে কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ শাসন

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে রাসবিহারী বসু এক অনন্য নাম। ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের অন্যতম প্রধান সংগঠক এই বিপ্লবীর জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-২ ব্লকের সুবলদহ গ্রামে। ১৮৮৬ সালের ২৫ মে বিনোদবিহারী বসু ও ভুবনেশ্বরী দেবীর ঘরে জন্ম তাঁর।সুবলদহেই কেটেছে রাসবিহারী বসুর শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়। গ্রামের পাঠশালায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার শুরু। ঠাকুরদা কালীচরণ বসুর তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার পাশাপাশি লাঠিখেলা, সাঁতার ও নৌকা চালনার মতো শারীরিক কসরতেও দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে দানা বাঁধে দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা। পরবর্তী সময়ে চন্দননগরে পড়াশোনা করার সময় বিপ্লবী চিন্তাধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয়।কর্মজীবনে দেরাদুনের ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হেডক্লার্কের কাজ করলেও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করা। বাংলার পাশাপাশি উত্তর ভারত ও পাঞ্জাবের বিপ্লবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তোলেন তিনি। ১৯১২ সালে দিল্লিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের উপর বোমা হামলার ষড়যন্ত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এরপর ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি জাপানে পালিয়ে যান।জাপানে গিয়েও থেমে থাকেননি রাসবিহারী। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগঠিত করতে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স লিগ গড়ে তোলেন। ১৯৪২ সালে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে সেই সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।১৯৪৫ সালের ২১ জানুয়ারি টোকিওতে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে সুবলদহের মাটিতে জন্ম নেওয়া এই বিপ্লবীর দেশমুক্তির স্বপ্ন ও সংগ্রাম আজও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।বর্ধমান মডেল স্কুলের নৃত্য বিভাগের প্রধান শিক্ষিকা প্রখ্যাত ওডিশি নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্র জানান, এবারের তাঁদের থিম The Rhythm of Togetherness এটি Dance ও Sociology বিভাগের এক অনন্য যৌথ উপস্থাপনা, যেখানে নৃত্য ও সমাজবিজ্ঞানের নিজস্ব ভাবনাগুলি সুন্দরভাবে একসূত্রে মিলিত হয়েছে। এই থিমের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরতে চেয়েছি ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের চিত্র। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতি, খাদ্য, পোশাক ,সংস্কৃতি ইত্যাদি নানান ক্ষেত্রে আমরা ভিন্ন হলেও আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়আমরা ভারতীয়। এই বৈচিত্র্যের মধ্যকার ঐক্যই আমাদের শক্তি ও গর্ব।বিভিন্ন মডেল ও চার্টের মাধ্যমে বিষয়টির ব্যাখ্যার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের লোকনৃত্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে।নৃত্যের ছন্দ এবং সমাজবিজ্ঞানের ভাবনাদুইয়ের অপূর্ব মেলবন্ধনে The Rhythm of Togetherness আমাদের মনে করিয়ে দেয় বৈচিত্র্য আমাদের পরিচয়, ঐক্য আমাদের শক্তি।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal