• ২২ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CBI

কলকাতা

রাজাবাজার থেকে বেলেঘাটা, ৫০ বেআইনি বহুতল! কালো টাকার অভিযোগে এবার সিবিআই তদন্ত

কলকাতায় বেআইনি বহুতল নির্মাণের আড়ালে কোটি কোটি টাকার কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের তদন্তে এবার সরাসরি সিবিআইকে দায়িত্ব দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে।রাজাবাজার, মানিকতলা, বেলেঘাটা থেকে ক্যানাল স্ট্রিটকলকাতার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৫০টি বেআইনি বহুতল নির্মাণের বিষয় আদালতের নজরে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এই নির্মাণগুলিকে ঘিরেই এ দিন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে একের পর এক গুরুতর প্রশ্ন ওঠে।আদালতের পর্যবেক্ষণ, বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে বিপুল অঙ্কের কালো টাকার লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।শুধু তাই নয়, কলকাতা পুরসভা এই বেআইনি নির্মাণ সম্পর্কে কিছু জানত কি না, জানলেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও তুলেছে আদালত। পুরসভার কোনও আধিকারিকের প্রত্যক্ষ যোগসাজশ ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে হাই কোর্ট।আদালতে এ দিন সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, মামলাকারী সরাসরি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু আগের রাজ্য সরকারের তরফে তদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে সিবিআই আদালতে জানায়। সেই কারণে তখন কোনও পদক্ষেপ করা সম্ভব হয়নি বলেও জানানো হয়।তবে বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে বিপুল অঙ্কের কালো টাকার লেনদেন এবং একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেছে হাই কোর্ট। তাই বিষয়টি আর ফেলে রাখা যায় না বলেই আদালতের পর্যবেক্ষণ।এই পরিস্থিতিতে আদালতের নির্দেশে সিবিআই সরাসরি তদন্ত করতে পারবে বলে স্পষ্ট করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।এখন কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত বেআইনি বহুতলগুলির নেপথ্যে কারা রয়েছেন, নির্মাণের জন্য কী ভাবে অনুমোদন মিলেছিল, আর্থিক লেনদেনের কোনও অনিয়ম হয়েছিল কি না এবং পুরসভার কোনও আধিকারিকের ভূমিকা ছিল কি না, সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখবে সিবিআই।আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে। ফলে সিবিআইয়ের তদন্তে বেআইনি নির্মাণ ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে কী তথ্য উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরের নিয়োগে ‘বড় গরমিল’! সিবিআই তদন্ত চেয়ে উপাচার্যকে চিঠি সঙ্ঘঘনিষ্ঠ অধ্যাপক সংগঠনের

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল। নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এবার সিআইডি, সিবিআই অথবা কোনও নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাল সঙ্ঘঘনিষ্ঠ অধ্যাপক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ। বৃহস্পতিবার এই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে।সংগঠনের অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের সময় প্রার্থীদের যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা ঠিক ভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার জন্যই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।চিঠিতে ডেপুটি রেজিস্ট্রার-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ফেটের সচিব পদে ভোটের বিধিনিষেধ চলাকালীন কী ভাবে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি।অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নিয়োগের ক্ষেত্রে পক্ষপাত, স্বজনপোষণ, প্রভাব খাটানো এবং আর্থিক অনিয়মের মতো অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই সমস্ত অভিযোগকেই তদন্তের আওতায় আনা হোক। তবে অভিযোগগুলি এখনও প্রমাণিত নয়।সংগঠনের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগে গত ১৫ মে এবং ১২ জুনও একই বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে উপাচার্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ফের সেই দাবি জানানো হল।বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, যেদিন বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ প্রশাসন এবং নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিল, ২০২৬ পেশ হয়েছে, সেদিনই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়ে নতুন করে তদন্তের দাবি সামনে এল। সংগঠনের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নিয়োগের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।এরই মধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি নিয়েও বৃহস্পতিবার প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সংগঠনের সদস্যদের অতীত এবং বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানান, তাঁদের সমস্ত ইতিহাস বের করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই যাদবপুরের নিয়োগ নিয়ে তদন্তের দাবিতে উপাচার্যের কাছে চিঠি যাওয়ায় রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।এখন উপাচার্য এই চিঠির পর কী পদক্ষেপ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে কোনও তদন্ত হয় কি না এবং হলে কোন সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

আর কতদিন অপেক্ষা? আর জি কর মামলায় সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

আর জি কর মামলার তদন্ত নিয়ে ফের সিবিআইকে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা হাই কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় বিচারপতিরা স্পষ্ট প্রশ্ন তোলেন, আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৮ আগস্ট।শুনানিতে নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, গত দুবছরে সিবিআই তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে, তার কোনও স্পষ্ট চিত্র এখনও সামনে আসেনি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং অতিরিক্ত হলফনামা থাকা সত্ত্বেও সেই দিকগুলি যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। শেষ রাতে উপস্থিত কয়েকজনের বয়ানও এখনও সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলা হয়, যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন ছিল, তাঁদের এখনও কেন ডাকা হয়নি।এর জবাবে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, তদন্ত এখনও চলছে এবং প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আদালতকে জানান, কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর বয়ান এখনও নেওয়া বাকি রয়েছে। তাই তদন্ত শেষ করতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন।এই বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি শম্পা সরকার বলেন, সিবিআইয়ের আগের রিপোর্টেই তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। আদালতের আগের নির্দেশও ঠিকভাবে মানা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিচারপতি স্পষ্ট জানান, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নতুন করে সব তথ্য খতিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে আগের তদন্তের সীমাবদ্ধতা সরিয়ে আবার তদন্ত করতে হবে। বিচারপতির প্রশ্ন, এভাবে আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? আদালতের এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি সিবিআই।উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। এই ঘটনায় এক অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলেও নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত। সেই কারণেই সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। আগামী ২৮ আগস্ট ফের এই মামলার শুনানি হবে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের! এবার কাদের বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্ত করতে পারবে সিবিআই? প্রকাশ্যে নতুন নির্দেশিকা

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, আধিকারিক বা কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কোনও অভিযোগের তদন্ত করতে গেলে আর রাজ্যের আগাম অনুমতির প্রয়োজন হবে না। তবে রাজ্য সরকারের কর্মী বা আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে হলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে আগের মতোই রাজ্যের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। সোমবার প্রকাশিত এক নতুন নির্দেশিকায় এই বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা অথবা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও অভিযোগ বা অপরাধের তদন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সরাসরি করতে পারবে। এমনকি কোনও মামলায় কেন্দ্রীয় কর্মী বা কেন্দ্রীয় সংস্থার যোগসূত্র থাকলে সেই মামলায় যুক্ত বেসরকারি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চালানোর ক্ষমতা থাকবে তদন্তকারী সংস্থার।তবে রাজ্য সরকারের কোনও কর্মী, আধিকারিক বা রাজ্যের অধীনস্থ সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার ক্ষেত্রে রাজ্যের অনুমতি বাধ্যতামূলক থাকবে। অর্থাৎ এই ধরনের তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে আগে রাজ্য সরকারের সম্মতি নিতে হবে।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, দুর্নীতির বিভিন্ন মামলায় আমলা এবং আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র অতীতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি এ-ও বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি, সমবায় সমিতির অর্থ তছরূপ এবং আদালতের নির্দেশে শুরু হওয়া বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।সেই ঘোষণার পরই স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা শাখা এই নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে, কোন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সরাসরি তদন্ত করতে পারবে এবং কোন ক্ষেত্রে রাজ্যের অনুমতি নিতে হবে।নির্দেশিকায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দিল্লি স্পেশ্যাল পুলিশ এস্টাবলিশমেন্ট আইন অনুযায়ী রাজ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত পরিচালিত হয়। সেই আইনের বিধান মেনেই এই সম্মতি ও শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে।নবান্ন সূত্রে খবর, এই নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়টি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারকেও প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, এই নতুন নির্দেশিকা ভবিষ্যতে দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। ফলে রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক স্তরে যথেষ্ট আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ০৮, ২০২৬
দেশ

চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়! উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যা মামলার তদন্তে বড় সাফল্য পেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলা থেকে গোলু সিং ওরফে টাইগার নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। তদন্তকারীরা তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসার প্রস্তুতি শুরু করেছেন।সূত্রের খবর, চন্দ্রনাথ রথ হত্যা মামলায় এর আগেও উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার বাসিন্দা রাজকুমার সিংকে মুজফফরনগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন রাজকুমারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মোনুও একটি পুরনো মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই গোলু সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়।চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর নতুন করে মামলা রুজু করেছে সিবিআই। পাশাপাশি একজন উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দলও গঠন করা হয়েছে। এই দলই মামলার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে।তদন্তে উঠে এসেছে, ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক অপরাধমূলক মামলা ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, এই মামলার সঙ্গে জড়িতদের একটি বড় অংশ পেশাদার অপরাধচক্রের সদস্য হতে পারে। বিশেষ করে বিহার এবং উত্তর ভারতের কিছু অঞ্চলের ভাড়াটে শ্যুটারদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত রাজ সিংকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর গ্রেপ্তারের পর তদন্তে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসেছে বলে সূত্রের দাবি। সেই সূত্র ধরেই একের পর এক অভিযুক্তকে চিহ্নিত করছে সিবিআই।উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগেই নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে। সেই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই। তদন্তকারীদের আশা, সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারগুলির ফলে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের পুরো চক্র সম্পর্কে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

নিট কেলেঙ্কারির ভয়ংকর ফাঁস! “৫০০-৬০০ নম্বর নিশ্চিত”, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে বিস্ফোরক তথ্য

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, মূল অভিযুক্ত শুভম খয়েরনার পরীক্ষার্থীদের ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিত। তার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই ফাঁস হয়েছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।নিট ২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্তভার এখন সিবিআইয়ের হাতে। ইতিমধ্যেই জাতীয় পরীক্ষাকর্তা সংস্থা পরীক্ষা বাতিল করেছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দিনও ঘোষণা করা হয়েছে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, নাসিক থেকে গ্রেফতার হওয়া শুভম খয়েরনার গত এপ্রিল মাসেই তার সাপ্লায়ার যশ যাদবকে জানিয়েছিল যে প্রশ্নপত্রের কপি জোগাড় হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, ২৯ এপ্রিল ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি হয়। তারপর থেকেই শুরু হয় পরীক্ষার্থীদের টার্গেট করে প্রলোভন দেখানো।অভিযুক্তরা পড়ুয়াদের বোঝাত, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিলে তারা নিশ্চিতভাবে বেশি নম্বর পাবে এবং দেশের নামী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ চলত মূল অভিযুক্তদের মধ্যে। সেখানে পরীক্ষার্থীদের ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হত।সিবিআই ইতিমধ্যেই শুভমের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। চ্যাটের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের কপিও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে হরিয়ানার গুরুগ্রাম, রাজস্থানের জয়পুর ও শিকর-সহ দেশের বিভিন্ন বড় কোচিং কেন্দ্রে এই প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, জম্মু-কাশ্মীর, বিহার এবং কেরলেও ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।শুভম খয়েরনার বয়স ৩০ বছর। নাসিকের ইন্দিরানগরের বাসিন্দা সে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্র হলেও কখনও ডাক্তারি পাশ করতে পারেনি। তদন্তে জানা গিয়েছে, ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে নিটের প্রশ্নপত্র কিনে পরে তা ১৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেয় সে।এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কারণ, লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে কীভাবে বড় চক্র কাজ করছিল, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে তদন্তে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ আদালতের! দেওয়া হল কড়া নির্দেশ

আরজি করের চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তার পরিবারের তরফে শিয়ালদহ আদালতে করা নতুন আবেদনের শুনানিতে আদালত সিবিআইয়ের তদন্তের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালত জানিয়েছে, পরিবারের আবেদন বিবেচনার মধ্যে না থাকলেও এটি গ্রহণ করে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, তদন্তের গতি শ্লথ হয়েছে এবং দ্রুততা আনা প্রয়োজন।পরিবারের আবেদনে কয়েকজন ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, সিবিআই এই বিষয়টি সঠিকভাবে দেখার বিষয়টি এড়িয়েছে। ১৫ মাস ধরে তদন্ত চললেও এখনও পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি।তিলোত্তমা ছাত্রী নিহতের পরিবারের তরফে গত মঙ্গলবার আদালতে নতুন আবেদন দাখিল করা হয়। এতে কলকাতা পুলিশের এএসআই অনুপ দত্ত, কয়েকজন চিকিৎসক, কলকাতা পুলিশের অন্যান্য অফিসার এবং রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়কে গ্রেফতারি ও হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।পরিবারের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয়। প্রথম এবং পরবর্তী রিপোর্টে বড় পার্থক্য রয়েছে, যা কোর্টকে বিভ্রান্ত করছে। পাশাপাশি ১৫ ঘন্টা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য আবেদন করা হয়। আইনজীবীরা আরও দাবি করেছেন, সিবিআই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার।সিবিআই-এর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, যাদের গ্রেফতারির আবেদন করা হয়েছে, তাদের কোন ধারায় গ্রেফতার করা হবে, কারণ অনেককে ইতিমধ্যেই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
দেশ

আরজি কর মামলার তদন্তকারী অফিসারই পাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার, তীব্র বিতর্ক

আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্ত যাঁর নেতৃত্বে হয়েছিল, সেই সিবিআই অফিসার ভি চন্দ্রশেখর এ বার সাধারণতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন। তিনি বর্তমানে সিবিআইয়ের জয়েন্ট ডিরেক্টর পদে কর্মরত। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রের তরফে দেখানো হয় বিশেষ অবদান রাখা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। দুধরনের পদক দেওয়া হয়একটি বিশেষ পরিষেবার জন্য এবং অন্যটি উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য। এ বছর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মোট ৩১ জন অফিসার রাষ্ট্রপতি পদক পাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন ভি চন্দ্রশেখর।তবে আরজি কর মামলার তদন্ত ঘিরে শুরু থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে সিবিআই। আদালতেও একাধিকবার তদন্ত নিয়ে ভর্ৎসনা শুনতে হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে। এমনকি নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মাও সিবিআইয়ের তদন্তে আস্থা রাখতে পারেননি। সম্প্রতি ধর্ষণ ও খুনের মামলায় শিয়ালদহ আদালতে অষ্টম স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। সেই রিপোর্ট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের দাবি, ওই রিপোর্টে কোনও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নেই।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার হল থেকে ওই মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা পুলিশ সঞ্জয় রায় নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যায়। যদিও তদন্তে আর কোনও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সংস্থা। শেষ পর্যন্ত শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয় রায়কেই দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।এই বিষয়টি নিয়েই বারবার প্রশ্ন তুলেছে নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, সিবিআই তদন্তে গাফিলতি হয়েছে বলেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্য কেউ ধরা পড়েনি। আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর শিয়ালদহ আদালত চত্বরে এক সিবিআই তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন নির্যাতিতার বাবা। পরিস্থিতি সামাল দেন পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা।এ দিকে, সঞ্জয় রায়ের সর্বোচ্চ সাজা বা প্রাণদণ্ড চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই। সেই মামলা বর্তমানে ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন। পাশাপাশি আরজি কর হাসপাতালের দুর্নীতির অভিযোগেও তদন্ত করছে সিবিআই। তবে সেই মামলাতেও এখনও পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

হাঁসখালি কাণ্ডে তৃণমূল নেতার ছেলে সহ তিনজনের যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা আদালতের

নদিয়ার হাঁসখালি গণধর্ষণ, খুন ও প্রমান লোপাটের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করে আদালত। গতকাল, সোমবার মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা সহ মোট ৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর আজ রাণাঘাট আদালত অভিযুক্তদের সাজা ঘোষণা করে। মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার ছেলে ব্রজ গয়ালী, প্রভাকর পোদ্দার ও রঞ্জিত মল্লিক তিনজনকে যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। বাকিদের সাজাও ঘোষণা করেছে আদালত। তৎকালীন পঞ্চায়েত সদস্য সমরেন্দ্র গয়ালীর পাঁচ বছর কারবাসের সাজা হয়েছে।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্তদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং তদন্তকারী সংস্থার পেশ করা নথি ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই এই রায় দেওয়া হয়েছে। মামলায় সরকারি কৌঁসুলি সওয়ালে জানান, অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে অপরাধে যুক্ত ছিল এবং তা প্রমাণ করতে পর্যাপ্ত তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশ প্রথমে গ্রেফতার করেছিল ২ জনকে। তারপর হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার হাতে যায় সিবিআইয়ের ওপর।রায় ঘোষণার সময় আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। রায় শোনার পর দোষী সাব্যস্ত হওয়া অভিযুক্তদের সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। আদালতের এই সিদ্ধান্তে হাঁসখালি সহ গোটা নদিয়া জেলায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এই মামলাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ ছিল, অভিযুক্তদের মধ্যে শাসকদলের নেতা থাকায় তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হয়েছে। উচ্চতর আদালতে যাবেন বলে আসামী পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫
রাজ্য

মালদা মেডিক্যাল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজার সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার, বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ

এবার সরকারি হাসপাতালে দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে মালদা মেডিক্যাল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। মঙ্গলবার তিনজন সিবিআই আধিকারিক হানা দেয়। মালদা মেডিক্যাল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজার অভিজিৎ দাসকে গ্রেফতারের পর ইংরেজবাজার থানায় নিয়ে যায়। পরে সিবিআই কর্তারা সেখান থেকেই পুলিশি সহযোগিতা নিয়ে মালদা আদালতের ট্রানজিট রিমান্ডের মাধ্যমে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে। এদিকে এদিন মালদা মেডিকেল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজার অভিজিৎ দাস গ্রেপ্তার হওয়াতেই নতুন করে শোড়গোল পড়ে গিয়েছে ।মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত চার মাস আগে আলিপুরদুয়ার সরকারি হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মালদা মেডিকেল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজার হিসেবে যোগদান করেন অভিজিৎ দাস। আলিপুরদুয়ারের আগে তিনি কামারহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের বরানগর হাসপাতালে ওয়ার্ড মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে মোটা টাকার আর্থিক দুর্নীতিতে বিগত দিনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন অভিজিৎ দাস। কলকাতার আলিপুরেই মূলত আর্থিক দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল অভিজিৎ দাস। পরবর্তীতে জামিন পেলেও মামলা চলতে থাকে। এরপর অভিজিৎ দাসের বিরুদ্ধে একাধিকবার আদালতে হাজিরা না হওয়া সমন জারি হয়। এবার সিবিআই অভিজিৎ দাসকে গ্রেফতার করেছে। এদিন মালদা মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ প্রসেনজিৎ কুমার বর জানিয়েছেন, একটি পুরনো মামলায় মেডিকেল কলেজের ফেসিলিটি ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই কর্তারা। তিনি চার মাস আগে মেডিক্যাল কলেজে যোগদান করেছিলেন। এর আগে তিনি আলিপুরদুয়ার এলাকায় ছিলেন।

মার্চ ১১, ২০২৫
রাজ্য

প্রাক্তন সিবিআই অফিসার উপেন বিশ্বাসের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ। বিক্ষোভ দেখালো বেশ কিছু আইনজীবী।

আইনজীবীদের দাবী.......আমাদের আন্দোলনের তিনটে ইস্যু এবং সোসাইটিকে একটি বার্তা দিতে চাই যে ওপেন বিশ্বাস আমাদের কাছে পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের আইকন বলে আমরা মনে করতাম। কিন্তু দিনের শেষে যেটা উপলব্ধি করলাম দীর্ঘদিন উনি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মন্ত্রী থাকাকালীন, উনি চেয়ারম্যান থাকাকালীন পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য কোন কাজ করেননি। পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের লোকেদের উনি ব্যবহার করে খির খেয়েছেন বাড়ি বসে। তিনি ফোন ধরেন না দেখা করতে এলে দেখা করেন না। কিন্তু মহান ভগবতকে বাড়িতে ডেকে ভুরিভোজ খাওয়াচ্ছেন। পরবর্তীকালে প্রত্যেকটা লোক যারা ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসের নাম করে ক্ষীর খাচ্ছেন তাদের প্রত্যেকের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ হবে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মিছিল হবে।

মার্চ ০২, ২০২৫
দেশ

ইডি অফিস ও আধিকারিকের বাড়িতে সিবিআইয়ের তল্লাশি, উদ্ধার কোটি টাকা

আর্থিক তছরুপ সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সে ইডির এক আধিকারিকের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই! উদ্ধার করা হয়েছে কোটি টাকারও বেশি। শুধু তাই নয়, ইডির অফিসেও হানা দিয়েছিল সিবিআই। এই ঘটনা ঘটেছে হিমাচল প্রদেশের শিমলায়।ইডির সহকারি ডিরেক্টরের পদে রয়েছেন অভিযুক্ত অফিসার। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষের টাকা বাড়িতে এবং অফিসে গচ্ছিত রাখার অভিযোগ উঠেছে। সিবিআই হানায় অফিসারের বাড়ি থেকে ১.১৪ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত অফিসার এখন পলাতক। তবে তাঁর ভাইকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তিনিও এই ঘটনায় জড়িত বলে মনে করছে তাঁরা। কয়েকদিন আগে চণ্ডীগড়ের সিবিআই দফতরে একটি দুর্নীতির মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলায় তদন্ত শুরু করেই এই ইডি অফিসারের খোঁজ পায় সিবিআই। তারপরই শিমলায় ইডি অফিস এবং তাঁর বাড়িতে হানা দেয় তাঁরা। সিবিআই এও জানিয়েছে, এই ইডি কর্তা এবং তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে তিন বছর আগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। ইডি অফিসারের বাড়ি থেকে প্রথম দফায় প্রায় ৫০ লক্ষ এবং দ্বিতীয় দফার তল্লাশিতে আরও ৫৪ লক্ষ টাকার মতো উদ্ধার হয়েছে। শিমলায় ইডির অফিসে গিয়ে ওই অফিসারের কেবিন থেকেও বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। এখন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে তাঁর খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে সিবিআই এবং চণ্ডীগড় পুলিশের যৌথ দল।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ড, ময়নাতদন্ত নিয়ে ভয়ঙ্কর হুমকি দিয়েছিল কে?

আরজি কর কাণ্ডে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ হাসপাতালের ফরেন্সিক মেডিসিনের প্রফেসর অপূর্ব বিশ্বাসের। তাঁর অভিযোগ, ময়নাতদন্ত করার ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর চাপ দেওয়া হয়েছিল। ঘটনার রাতের মধ্যেই যদি ময়নাতদন্ত না হয় তাহলে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দেওয়ারও হুমকি দেন নির্যাতিতার এলাকার কোনও এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। তিনি হুমকি দিয়েছিলেন আজ রাতের মধ্যেই ময়না তদন্ত করতে হবে। প্রায় সাড়ে ছঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সিবিআই দফতর থেকে বেরোনোর সময় জানালেন অপূর্ব বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার টালা থানার ওসি

টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরজি কর প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষকে এই মামলাতেও গ্রেফতার করল সিবিআই। এর আগে দুর্নীতি মামলায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি এখন জেল হেফাজতে আছেন। এর আগে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল টালা থানার ওসিকে। মাঝে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের নার্কো টেষ্টের অনুমতি দিল না আদালত

আরজি কর কাণ্ডে নার্কো টেস্টে রাজি হল না ধৃত সঞ্জয় রায়। ধৃত সঞ্জয় রায়ের নার্কো টেস্ট করাতে চেয়ে শিয়ালদহ আদালতের দ্বারস্থ হয় CBI। তবে সঞ্জয় নার্কো পরীক্ষা করাতে রাজি না হওয়ায় সিবিআইয়ের আবেদন মঞ্জুর করেনি শিয়ালদহ আদালত। আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়ের নার্কো পরীক্ষার আবেদন করে সিবিআই। এর আগে সঞ্জয়ে পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানো হয়েছিল। সেই সময় ওই হাসপাতালের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষ সহ আরও কয়েকজনের পলিগ্রাফ টেষ্ট হয়। সমস্ত পলিগ্রাফ টেস্টের রিপোর্ট দিল্লি পাঠানো হয়েছে। সিবিআই সূত্রের দাবি, এর আগে পলিগ্রাফ পরীক্ষায় সঞ্জয় যে প্রশ্নগুলির উত্তর দিয়েছে, সেগুলি সঠিক কিনা তা জানতেই এবার নার্কো পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল সিবিআইয়ের তরফে।শুক্রবার সঞ্জয় রাজি না থাকায় নার্কো পরীক্ষায় সায় দেয়নি শিয়ালদহ আদালত। আরজি কর মেডিক্যালে চিকিৎসক খুনে সঞ্জয় ছাড়া এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ইতিমধ্যেই সঞ্জয় রায়ের লালারস ও কামড়ের নমুনা কিংবা টিথ ইম্প্রেশন সংগ্রহ করেছে সিবিআই।তরুণী চিকিৎসকের শরীরে যে কামড়ের দাগ মিলেছে, সেগুলির সঙ্গে ওই কামড়ের নমুনা এবং লালারস মিলিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। আপাতত সঞ্জয় রায়ের কামড়ের নমুনা সংগ্রহ করে তা কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

ভেস্তে গেল নবান্নের বৈঠক, "বিচার নয়, চেয়ার চায়", মন্তব্য মমতার, পাল্টা চিকিৎসকরা

টানা তৃতীয় দিনেও বৈঠকের আয়োজনই ব্যর্থ। বৃহস্পতিবারও রাজ্য সরকারের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকই হল না। নবান্নে পৌঁছেও জুনিয়র চিকিৎসকরা সভা ঘরে ঢুকলেন না। বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবি জানিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই দাবি মানেনি রাজ্য সরকার। শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ৪টে ৪৫ মিনিট থেকে অপেক্ষা করছি। এখন ৭ টা বাজতে ৫ মিনিট বাকি। আন্দোলনকারীরা সভা ঘরে এলেন না। তিন দিনের প্রচেষ্টায় বৈঠক হল না। লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, ওরা বিচার চায় না, চেয়ার চায়। পাল্টা দিয়েছেন চিকিৎসকরাবৃহস্পতিবারর রাজ্যের সঙ্গে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের আলোচনা শেষমেষ হল না। নবান্নের বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং না হলে কোন ভাবেই আলোচনা নয়। রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। এদিকে সরকারের তরফে কোন ভাবেই লাইভ সম্প্রচার হবে না বলে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও একই কথা জানান। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের প্রসঙ্গ টেনে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে টানা ২ ঘন্টার বেশি সময় ধরে চলেছে টানটান স্নায়ুযুদ্ধ। বৈঠক না হওয়ায় টানা তৃতীয় দিনেও মিলল না কোন সমাধান সূত্র। এ বিষয়ে মুখ্যসচিব বলেন, আজকে ইমেল করেছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিপ্তে ওরা এখানে এসেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ৫টা থেকে অপেক্ষা করছেন। ওরা ৩২ জন এসেছে। আমরা ওদের আসতে অনুমতি দিয়েছি। ওদের একটা ইস্যু আছে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের। আমরা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের কথা বলেছিলাম। ওরা লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অনড়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাইছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অপেক্ষা করছেন। এখনও ওরা মিটিং হলে আসেনি। ওদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে। ওদের যা দাবি আছে, সুপ্রিম কোর্টের যা নির্দেশ আছে সবকিছুই আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আমরা অনুরোধ করব ওরা মিটিংয়ে আসুক। যাই হোক জুনিয়র চিকিৎসকরা মিটিংয়ে যাননি।এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে আন্দলনরত চিকিৎসকরা। বাতিল হয় আজকের বৈঠক। এরপর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পৌনে ৫টা থেকে প্রায় সাতটা বাজে! আমরা ২ ঘন্টা ১০ মিনিট অপেক্ষা করেছি, আমার ভেবেছিলাম তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। আমরা প্রথমে চিঠি দিয়েছিলাম, মুখ্যসচিব, ডিজি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-সহ হোম সেক্রেটারি আমার সঙ্গে ছিলেন। আমরা বলেছিলাম খোলা মনে আসুন, কোনও একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে নয়। আলোচনার মাধ্যমে পাঁচটা নতুন কথা আসতে পারে। কথা বললে সমাধান হয়। এর আগেও গতকাল ও গত পরশু অপেক্ষা করেছিলাম তাঁরা আসেনি।মমতা আরও বলেন, আমাদের কাজ হচ্ছে তাঁদের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে ক্ষমা করে দেওয়া। আজকেও মুখ্যসচিব তাদের চিঠি দিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। আগের বার ঘটনা ছিল ভিন্ন। সুপ্রিম কোর্ট বা সিবিআইয়ের কাছে ছিল না। আমরা আজকের বৈঠকে রেকর্ডিংয়ের সুযোগ রেখেছিলাম। সুপ্রিম কোর্ট যেটা পারে আমরা তা পারি না। এই নিয়ে কোন আলোচনা আইনত সঠিক নয়। যেহেতু তদন্ত বিচারাধীন, আগামী ১৭ তারিখ শুনানি। তাই লাইভ সম্প্রচারে আমাদের কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। আমরা ভিতরে যখন সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে, সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তখন রেকর্ডিং করার ব্যবস্থা রেখেছিলাম। আমরা ওনাদের ৪.৪৫ মিনিটে আসতে বলেছিলাম। তারা অনেকটা দেরি করে এসেছেন। তাতেও আমরা কিছু মনে করিনি। বাংলার মানুষের একটা আবেগ আছে। আমরা সবাই চাই নির্যাতিতা বিচার পাক। এটা আমাদের হাতে নেই। সিবিআই তদন্ত করছে বলে আমি কোন মতামত জানাবো না। আজ আমাদের আলোচনা ছিল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে গঠনমূলক উন্নতি, তাদের সেফটি ও সিকিউরিটি। টেলিকাস্টের বিষয়েও আমরা ওপেন মাইন্ড, কিন্তু এই মামলা বিচারাধীন। আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে। আমরা চিঠিতে উল্লেখ করেছিলাম। আমরা খোলা মন নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলাম। যদি মিটিংটা সফল হত আমরা যৌথভাবে প্রেস মিট করতে পারতাম। আমরা ভেবেছিলাম খোলামেলা আলোচনায় রাগারাগি না করে ডাক্তার ও রোগীদের স্বার্থে মানবিক ভাবে আলোচনা করবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ছোটদের ক্ষমা করা আমাদের সৌজন্য। সেটা আমরা মেনে চলছি। ১৫ জন বলার পরও ওরা ৩৪ জন এসেছেন তাও মেনে নিয়েছি। কেন ঢুকলেন না আমরা জানি না। ওদের সাহায্য করার জন্য আমি চন্দ্রিমা ছাড়া কাউকে ডাকিনি। যাতে তাঁরা খোলামেলা আলোচনা করতে পারে। আমি ৩ বার চেষ্টা করলাম। ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে ২৭ জন মারা গিয়েছেন, সাত লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাননি, দেড় হাজার সিরিয়াস রোগী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। ১১ বছরে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ঢালাও উন্নতি করেছি। কর্মবিরতির জেরে যাদের মৃত্যু তাদের জন্য আমরা সহানুভুতি জানাবো না? আমার হৃদয় কাঁদছে সবার জন্য। বিনা চিকিৎসায় কত রোগী মারা গেছেন তার পরিসংখ্যান নেওয়ার কাজ করছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্ট সময় দিয়ে দিয়েছে। তারপরও কোন অ্যাকশন নিইনি। অনেক সিনিয়ার ডাক্তার কষ্ট করেও কাজ করছেন। তাদের অভিনন্দন। ডাক্তারদের কাছে আবেদন কাজে যোগ দিন, রোগীদের সেবা দিন। এরপরও বসতে চাইলেও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। ধৈর্য্য ধরাটাও একটা পরীক্ষা। আমাকে অনেক অপমান অসম্মান করা হয়েছে। অনেকে জানতেন না এর মধ্যে রঙ আছে, ওরা বিচার নয় ওরা চায় চেয়ার, আমি পদত্যাগ করতেও রাজি। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক, সাধারণ মানুষ বিচার পাক। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছে, এখানে চেয়ারের কোনও প্রশ্নই নেই। লাইভ না করে কি লুকোতে চাইছে সরকার, প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসারা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

বিক্ষোভের জেরে মালদা মেডিক্যাল কলেজে এদিনও যোগ দিতে পারলেন না আরজি করের চিকিৎসক

মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপালের অফিস ঘরে বসে রয়েছেন আরজিকর থেকে বদলি হয়ে আসা চিকিৎসক অরুণাভ দত্ত চৌধুরী। আর তাঁকে মালদা মেডিকেল কলেজে কোনওভাবেই দায়িত্ব নিতে দেওয়া হবে না বলে দাবি জানিয়ে আন্দোলন শুরু করেছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপালের ঘরে নিজেকে আটকে রেখেই কোনরকমে আন্দোলনকারীদের থেকে রেহাই পেয়েছেন আরজি কর থেকে আসা চিকিৎসক অরুণাভ দত্ত চৌধুরী। কিন্তু জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ও আন্দোলন যেন আবার নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করে দিয়েছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে এমন ঘটনায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে মালদা মেডিকেল কলেজে। যদিও মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ পার্থপ্রতিম মুখার্জি জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা কাজ করবো। ওই চিকিৎসক আরজি কর থেকে মালদা মেডিকেল কলেজে দায়িত্ব নিতে এসেছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। পাশাপাশি যাতে কোন সমস্যা না হয়, সেব্যাপারে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গেও আলোচনা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসক ছাত্রীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর তোলপাড় গোটা দেশ। রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীরা কর্মবিরতি ও আন্দোলন করেছেন। প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমেছে সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতির মধ্যে আরজি কর মেডিকেল কলেজের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অরুনাভ দত্ত চৌধুরীকে আপাতত মালদা মেডিকেল কলেজে কর্মক্ষেত্রে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই ডাক্তার যাতে মালদা মেডিকেল কলেজে যোগ না দেন, তার জন্যই নতুন করে চিকিৎসক পড়ুয়াদের আন্দোলন প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এদিন কয়েক ঘন্টা ধরে মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে প্রতিবাদ বিক্ষোভে সোচ্চার হন জুনিয়র ডাক্তারেরা। বিক্ষোভকারী জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, আরজি করে ওই চিকিৎসকের অধীনে মৃত ওই ছাত্রী পাঠরত ছিল। ওই মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তার অরুনাভ দত্ত চৌধুরীকে আমরা কোনভাবেই মালদা মেডিকেল কলেজে কাজ করতে দেব না। আরজি করে চিকিৎসক ছাত্রী খুনের ঘটনায় ইনিও হয়তো জড়িত রয়েছেন বলে আমাদের ধারণা। তাই প্রতিবাদ জানিয়েছি। অবস্থান বিক্ষোভ চলছে। মালদা মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ পার্থপ্রতিম মুখার্জি বলেন, জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে আরজি কর থেকে আসি ওই চিকিৎসক অরুনাভ দত্ত চৌধুরীর জয়েনিং-এর বিষয়টি দেখা হচ্ছে। প্রায় দুঘণ্টা অপেক্ষা করার পর জয়েন না করে খালি হাতে ফিরে গেলেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ থেকে বদলি হয়ে আসা অরুণাভ দত্ত চৌধুরী। আরজিকর আবহে অরুণাভ দত্ত চৌধুরীকে যোগদান করতে দেওয়া হবে না। আরজিকর ঘটনার পর দোষীরা চিহ্নিত হোক শাস্তি পাক ,তারপর তাকে আমরা ওয়েলকাম জানাবো, স্পষ্ট বক্তব্য মালদা মেডিকেল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারদের।

আগস্ট ২৯, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করে অডিও ক্লিপ ভাইরাল, তিন বার ফোনে তিনরকম কথা

আরজি করে মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে চাঞ্চল্যকর অডিও ক্লিপ ভাইরাল। ফোনে তিনবার তিন রকম কথা বলা হয় মেয়েটির বাবা-মাকে, এমনই দাবি তাঁদের। তিনবার ফোন করে একবারও সে তাঁর নাম প্রকাশ করেনি। একবার বলেছেন তিনি অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল অডিও ক্লিপ ঘিরেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে দেখেনি জনতার কথা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস খুনের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছুদিন। এখনও মেয়ের ভয়ানক পরিণতির বিচারের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে বাবা-মা। গোটা রাজ্য উত্তাল আরজি কর কাণ্ডের বিচারের দাবিতে। এরই মধ্যে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস মৃত্যুর পর পরই তাঁর পরিবারের কাছে তিনবার ফোন যায়, অন্তত ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপে এমনই দাবি জোরালো হচ্ছে। তিনবার ফোনে তিন রকম কথা বলা হয় হাসপাতালের তরফে, এমনটাই দাবি করছেন পরিবারের সদস্যরা।প্রথমে ফোন করে বলা হয়, মেয়ের শরীর খারাপ। দ্বিতীয়বার অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের পরিচয় দিয়ে করে ফোন করা হয় নিহতের পরিবারে। সেই ফোনে হাসপাতালে যেতে বলা হয় নিহত নির্যাতিতার মা-বাবাকে। তৃতীয়বার ফোন করে বলা হয়, তাঁদের মেয়ে হয়তো আত্মহত্যা করেছে। হয়তো মারা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই অডিও ক্লিপ। সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে দেখা হয়নি। তবে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে এভাবেই তিনবার ফোন করা হয়েছিল। ওদিকে ছিল মহিলার কন্ঠস্বর। সে তাঁর নাম বলেনি। শুধু একবার অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার বলেছেন। তিনি যে চিকিৎসক নন তাও বলেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা যে তুমুল হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিকে আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে জোরদার তৎপরতা চালাচ্ছে সিবিআই। তরুণীকে নৃশংস খুনের প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে গোটা বাংলা। এদিন হাসপাতালে মর্গে গিয়েছে সিবিআইয়ের একটি দল। যত দিন গড়াচ্ছে প্রতিবাদের সুর আরও চড়া হচ্ছে। তবে নির্যাতিতার মা-বাবা এখনও বিচারের অপেক্ষায় দিন গুণছেন।

আগস্ট ২৯, ২০২৪
রাজ্য

নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার, জলকামান, লাঠিচার্জ, ইঁট বৃষ্টি, গ্রেফতার বহু

তরুণী চিকিৎসকের খুনীদের বিচারের দাবিতে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার কাণ্ড কলকাতা ও হাওড়ায়। জলকামান থেকে পুলিশের লাঠিচার্জ, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট বৃষ্টি সবই চলল কয়েক ঘন্টা ধরে। নবান্ন অভিযানে পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে আগামিকাল ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের ডাক দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এদিনের ঘটনায় ৯৪ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।নবান্ন অভিযানে অশান্তির অভিযোগে ৯৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ভিডিও ফুটেজ দেখে আরও অনেককে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের কর্তারা। এ়ডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার জানান, অশান্তিপূর্ণ, দুষ্কৃতীদের আন্দোলন হয়েছে নবান্ন অভিযানের নামে। পুলিশ রক্তাক্ত হয়েও ধৈর্য হারায়নি। বিক্ষোভকারীদের হামলায় বহু পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ছাত্রসমাজ নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু কোনও ছাত্র এমন গুন্ডামি-অসভ্যতা করতে পারে বলে পুলিশের জানা নেই। এদিকে, নবান্ন অভিযানে পুলিশি সন্ত্রাসের অভিযোগে মঙ্গলবার বিকেলে লালবাজার অভিযান করে রাজ্য বিজেপি। আর সেই কর্মসূচিতেও উত্তেজনা ছড়ায়। নবান্ন অভিযানে যাঁদের আটক করা হয়েছে তাঁদের মুক্তির দাবিতে এদিন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে লালবাজার অভিযান করে বিজেপি। সেই কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়, পুলিশের গার্ডরেল ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। কিন্তু পুলিশের বাধা পান তাঁরা। ফিয়ার্স লেনে বিজেপির লালবাজার অভিযান আটকাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটাল পুলিশ। ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন সুকান্ত মজুমদার এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়। কাঁদানে গ্যাসের জেরে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের কর্তারা। এ়ডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার জানান, অশান্তিপূর্ণ, দুষ্কৃতীদের আন্দোলন হয়েছে নবান্ন অভিযানের নামে। পুলিশ রক্তাক্ত হয়েও ধৈর্য হারায়নি। বিক্ষোভকারীদের হামলায় বহু পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ছাত্রসমাজ এই অভিযানের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু কোনও ছাত্র এমন গুন্ডামি-অসভ্যতা করতে পারে বলে পুলিশের জানা নেই।

আগস্ট ২৭, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সোনার দামে ভূমিকম্প! কৌশিকী অমাবস্যার দিনে হলুদ ধাতুর দরে বাজারে সুনামি

Gold Price Today: ফের বাড়ল সোনা-রুপোর দাম। ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া বুলিয়ন অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (IBJA)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ৫৪২ টাকা বেড়ে প্রায় ১.৫৪ লক্ষ টাকায় পৌঁছেছে। একইসঙ্গে এক কেজি রুপোর দামও বেড়েছে ৩,৩০৭ টাকা। ফলে প্রতি কেজি রুপোর দাম দাঁড়িয়েছে প্রায় ২.৩৯ লক্ষ টাকা।চলতি বছরে সোনা ও রুপোর দামে একাধিকবার ওঠানামা দেখা গিয়েছে। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল প্রায় ১.৩৩ লক্ষ টাকা। সেখান থেকে বর্তমানে দাম বেড়ে হয়েছে প্রায় ১.৫৪ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ বছরের শুরু থেকে ১০ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ২১ হাজার টাকা বেড়েছে।অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রতি কেজি রুপোর দাম ছিল প্রায় ২.৩০ লক্ষ টাকা। বর্তমানে সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২.৩৯ লক্ষ টাকা।জানুয়ারিতে তৈরি হয়েছিল রেকর্ডএর আগে ২৯ জানুয়ারি সোনা ও রুপোর দামে সর্বকালীন রেকর্ড তৈরি হয়েছিল। সেই সময়ে ১০ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ১.৭৬ লক্ষ টাকা এবং প্রতি কেজি রুপোর দাম প্রায় ৩.৮৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। পরে অবশ্য দুই মূল্যবান ধাতুর দাম কিছুটা কমে যায়।বাজার বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ১.৭০ লক্ষ টাকা এবং প্রতি কেজি রুপোর দাম প্রায় ৩ লক্ষ টাকায় পৌঁছতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি, অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি এবং বিনিয়োগকারীদের চাহিদার মতো একাধিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে সোনা ও রুপোর প্রকৃত দাম পরিবর্তিত হতে পারে।আজ শহরভেদে ২৪ ক্যারেট সোনার দামগুডরিটার্নসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ দেশের বিভিন্ন শহরে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দামে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।দিল্লি ও লখনউয়ে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৪,৪৫০ টাকা। ভোপাল ও আহমেদাবাদে একই পরিমাণ সোনার দাম ১,৫৪,৩৫০ টাকা। কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং রায়পুরে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৪,৩০০ টাকা।২২ ক্যারেট সোনার দাম২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রেও শহরভেদে সামান্য ফারাক রয়েছে। দিল্লি ও লখনউয়ে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪১,৫৯০ টাকা। ভোপাল ও আহমেদাবাদে দাম ১,৪১,৪৯০ টাকা।অন্যদিকে, কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং রায়পুরে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪১,৪৪০ টাকা।১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত?১৮ ক্যারেট সোনার দামেও শহরভেদে পার্থক্য রয়েছে। দিল্লি ও লখনউয়ে ১০ গ্রাম ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ১,১৫,৮৭০ টাকা। ভোপাল ও আহমেদাবাদে দাম ১,১৫,৭৭০ টাকা।মুম্বই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং রায়পুরে ১০ গ্রাম ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ১,১৫,৭২০ টাকা। তবে চেন্নাইয়ে ১৮ ক্যারেট সোনার দাম তুলনামূলক বেশি, ১,১৯,১৪০ টাকা।অর্থাৎ, ২৪ ও ২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে আজ দিল্লি ও লখনউয়ে দাম সবচেয়ে বেশি। আর ১৮ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে চেন্নাইয়ে দাম সর্বোচ্চ।গয়না কেনার আগে কী কী দেখবেন?সোনার গয়না কেনার সময় প্রথমেই তার বিশুদ্ধতা যাচাই করা জরুরি। BIS বা ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের হলমার্কযুক্ত সোনা কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়। হলমার্কের মাধ্যমে সোনার বিশুদ্ধতা ও ক্যারেট সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।গয়না কেনার আগে একাধিক উৎস থেকে সেই দিনের সোনার দাম যাচাই করে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। ২৪, ২২ এবং ১৮ ক্যারেট সোনার দাম আলাদা হওয়ায় কোন ক্যারেটের গয়না কিনছেন, তা নিশ্চিত করুন। পাশাপাশি গয়নার ওজনও ভালোভাবে যাচাই করে নিন।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে মেকিং চার্জ। সোনাকে গয়নায় রূপান্তরের জন্য নেওয়া এই অতিরিক্ত চার্জ দোকানভেদে আলাদা হতে পারে। তাই গয়না কেনার আগে মেকিং চার্জ কত, তা জেনে নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে দরদাম করে নেওয়া ভালো।এছাড়া সোনার দামের সঙ্গে GST, মেকিং চার্জ এবং অন্যান্য প্রযোজ্য খরচ যোগ হতে পারে। ফলে দোকানে গিয়ে গয়নার চূড়ান্ত দাম অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া উচিত।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচ ঘিরে হঠাৎ অনিশ্চয়তা! কেন সূচি বদলের আবেদন দিল্লি পুলিশের?

নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকস সম্মেলন হওয়ার কথা। সেই সম্মেলনের মধ্যেই ১৩ সেপ্টেম্বর অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের কারণে ম্যাচটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।ব্রিকস সম্মেলনে বিদেশি প্রতিনিধি এবং ভিভিআইপি-দের যাতায়াত থাকবে। তাঁদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য দিল্লিতে বিশেষ ট্র্যাফিক ব্যবস্থা করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে একই দিনে কয়েক হাজার দর্শককে নিয়ে ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশ।এই কারণেই ম্যাচের দিন বদলের জন্য দিল্লি ক্রিকেট সংস্থাকে অনুরোধ করেছে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় রেঞ্জের উপ-পুলিশ কমিশনার ডিডিসিএ-কে একটি চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্র্যাফিক ব্যবস্থা থাকবে।পুলিশের আশঙ্কা, ১৩ সেপ্টেম্বরের ম্যাচ দেখতে প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ হাজার দর্শক অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আসতে পারেন। ফলে বিদেশি প্রতিনিধি এবং ভিভিআইপি-দের যাতায়াতের সঙ্গে সাধারণ দর্শকদের বিপুল ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে উঠতে পারে।অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম এবং তার আশপাশের এলাকাতেও এমনিতেই যানবাহন ও পথচারীদের চাপ থাকে। ম্যাচের সময় অতিরিক্ত গাড়ি চলাচল এবং বিভিন্ন জায়গায় পার্কিংয়ের চাপ বাড়লে রাস্তার জায়গা আরও কমে যেতে পারে। ফলে যানজটের আশঙ্কাও বাড়বে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বিশেষ করে বিএসজেড মার্গ, মাতা সুন্দরী কলেজ, রাজঘাট এবং বাল ভবনের আশপাশে অতিরিক্ত পার্কিং হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। পাশাপাশি অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম, ডিডিইউ মার্গ, মিন্টো রোড, কমলা মার্কেট এবং সংলগ্ন এলাকাতেও যান চলাচলের উপর বাড়তি চাপ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শুধু যানজট নয়, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও পুলিশের কাছে বড় চিন্তার বিষয়। ব্রিকস সম্মেলনের কারণে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশের বহু কর্মীকে বিদেশি প্রতিনিধি এবং ভিভিআইপি-দের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ, রাস্তা পরিষ্কার রাখা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন জায়গায় পথ পরিবর্তনের ব্যবস্থা সামলাতে হবে। তার মধ্যে হাজার হাজার দর্শকের ক্রিকেট ম্যাচ হলে বাড়তি চাপ তৈরি হবে বলে মনে করছে পুলিশ।এই পরিস্থিতিতে ডিডিসিএ-কে ১৩ সেপ্টেম্বরের ম্যাচটি পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। ব্রিকস সম্মেলন শেষ হওয়ার পর সুবিধামতো অন্য কোনও দিনে ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, ম্যাচের সূচি বদলানো হলে সীমিত সংখ্যক কর্মী দিয়েই নিরাপত্তা ও যান চলাচল আরও ভালো ভাবে সামলানো সম্ভব হবে।এখন ডিডিসিএ এই অনুরোধে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর ক্রিকেটমহলের। ম্যাচের দিন বদলাবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে ব্রিকস সম্মেলনের কারণে ১৩ সেপ্টেম্বরের ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচ ঘিরে যে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর উৎকণ্ঠায় আকুল মুকুল পুত্র, ভ্রমণ সংস্থার ভূমিকা নিয়েও এবার সরব শুভ্রাংশু

নেপালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে এখনও বহু পর্যটকের খোঁজ মিলছে না। সেই নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের কাঁচরাপাড়ার বাসিন্দা তথা প্রয়াত তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার আশায় দুই সন্তানকে নিয়ে অপেক্ষা করছেন প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। এই পরিস্থিতিতে নেপালে নিখোঁজ পর্যটকদের সন্ধান এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে ভ্রমণ সংস্থা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্টে শুভ্রাংশু রায় দাবি করেছেন, তাঁর স্ত্রী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায় চলো যাই নামে একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে নেপালে গিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নেপালে পৌঁছনোর পর পর্যটকদের দায়িত্ব নেয় সম্রাট ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস। এরপর তিব্বত সীমান্ত এলাকায় দায়িত্বে ছিল লাসা নামে একটি চিনা ভ্রমণ সংস্থা।ভ্রমণ সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নশুভ্রাংশুর অভিযোগ, কিছু সংবাদমাধ্যম এবং ভ্রমণ সংস্থা নিখোঁজ পর্যটকদের জীবিত না থাকার বিষয়ে প্রচার চালাচ্ছে। যদিও এই দাবি সত্যি ধরে নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ্যে আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।বিশেষ করে সম্রাট ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস এবং লাসা সংস্থার মধ্যে শেষ কী কথোপকথন হয়েছিল, তা প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছেন শুভ্রাংশু। পাশাপাশি যে বাসে নিখোঁজ পর্যটকদের থাকার কথা বলা হচ্ছে, সেই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়োর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বাসে থাকা প্রত্যেক পর্যটকের পাসপোর্ট ও ছবি প্রকাশ করে তাঁদের পরিচয় যাচাই করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।ভারত সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিনিখোঁজ পর্যটকদের সন্ধানে ভারত সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপের আবেদন করেছেন শুভ্রাংশু রায়। তাঁর দাবি, চিন-তিব্বত সীমান্তে ওই দিন কতজন ভারতীয় পর্যটক ইমিগ্রেশন করেছিলেন, সেই তথ্য প্রকাশ করা হোক। এ বিষয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।শুভ্রাংশুর আশঙ্কা, ভারতীয় পর্যটকের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় ঘটনাটিকে হয়তো যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। দুর্গাপুজোর মরশুম সামনে রেখে পর্যটন ব্যবসার ক্ষতি এড়াতে যাতে ঘটনার প্রকৃত তথ্য কোনওভাবে চাপা না পড়ে, সেই বিষয়েও সতর্ক করেছেন তিনি।ডিএনএ পরীক্ষা নিয়েও উদ্বেগনিখোঁজ পর্যটকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে তা নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখার দাবিও তুলেছেন শুভ্রাংশু। তাঁর বক্তব্য, পরীক্ষা হলে তা অন্তত দুবার এবং ভারত সরকারের উদ্যোগে করা উচিত। চিন ও নেপালের ব্যবস্থাপনায় ডিএনএ পরীক্ষা হলে প্রক্রিয়াটি নিয়ে প্রশ্ন থেকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।এর পাশাপাশি, বিপর্যয়ের সঠিক সময় নিয়েও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন শুভ্রাংশু। ভারত, নেপাল না কি তিব্বত সীমান্ত কোন সময় ও কোথায় মূল ঘটনা ঘটেছিল, তা পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি। চিনে ফেসবুক ও টুইটারের মতো সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহার সীমিত থাকায় সেখানকার প্রকৃত পরিস্থিতি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সামনে আনারও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।৩২ জনই সুস্থ আছেন, আশাবাদী শুভ্রাংশুসমস্ত অনিশ্চয়তার মধ্যেও স্ত্রী-সহ নিখোঁজ ৩২ জন পর্যটককে নিয়ে আশাবাদী শুভ্রাংশু রায়। তাঁর বিশ্বাস, নিখোঁজ ৩২ জনই হয়তো চীন-তিব্বত সীমান্তের কোনও অজানা এলাকায় নিরাপদে রয়েছেন।নিজের পরিবারের পাশাপাশি নিখোঁজ বাকি পরিবারগুলির কথাও উল্লেখ করে সকলের কাছে তাঁদের জন্য প্রার্থনা করার আবেদন জানিয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
কলকাতা

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় যাত্রী পরিষেবায় রেলের বিরাট উদ্যোগ, একাধিক স্টেশনে সম্পূর্ণ নয়া কাজ

দৈনন্দিন যাত্রীদের যাত্রা আরও আরামদায়ক, সুবিধাজনক ও ঝঞ্ঝাটমুক্ত করতে শিয়ালদহ ডিভিশন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন যাত্রী পরিষেবার উন্নয়নে কাজ করে চলেছে। এরই অংশ হিসেবে শিয়ালদহ দক্ষিণ সেকশনের বিভিন্ন স্টেশনে সম্প্রতি একাধিক যাত্রীবান্ধব উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।বাঘাযতীন স্টেশনে বুকিং অফিসের সামনে একটি নতুন যাত্রী শেড স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে টিকিটের জন্য লাইনে অপেক্ষারত যাত্রীরা বিশেষ করে বৃষ্টি ও প্রবল রোদের সময় যথেষ্ট স্বস্তি পাবেন। এছাড়াও, প্ল্যাটফর্ম নং ১ ও ২-এ স্পষ্ট ও সুদৃশ্য প্ল্যাটফর্মের নামের বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে যাত্রীরা সহজেই তাঁদের নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করতে পারবেন।সুভাষগ্রাম স্টেশনে ফুট ওভার ব্রিজ (FOB)-এর শেড নির্মাণের কাজও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে আরও ভালো সুরক্ষা পাবেন এবং দৈনন্দিন যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে।এই সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ স্টেশনগুলিতে যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে শিয়ালদহ ডিভিশনের নিরন্তর প্রচেষ্টার প্রতিফলন। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উন্নত আশ্রয়, সহজ পথনির্দেশ এবং আরও সুবিধাজনক যাত্রার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবরকম প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজো ঘিরে রণক্ষেত্র ইউআইটি, বর্ধমানের ইউআইটিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ক্লাস

বিশ্বকর্মা পুজোকে কেন্দ্র করে দুই ছাত্রগোষ্ঠীর বিবাদ চরমে উঠল বর্ধমানের ইউআইটিতে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজের সমস্ত ক্লাস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ইউআইটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুনীল কারফর্মার। একই সঙ্গে কলেজের ভিতরে থাকা দুটি ছাত্রাবাসও খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের ঘরে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিন নির্দিষ্ট ছাত্রের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অধ্যক্ষ। ঘটনায় জখম ছাত্ররাও পৃথক অভিযোগ করেছেন। দুটি অভিযোগ একত্র করে তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কলেজ চত্বরে চলছে পুলিশি টহল।ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দাবি, ইউআইটিতে সরকারি ভাবে কোনও ছাত্র সংসদ নেই। তবে যে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘাত, উভয় পক্ষই নিজেদের এবিভিপি-র সঙ্গে যুক্ত বলে কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। বিশ্বকর্মা পুজো আয়োজনের জন্য দুই পক্ষই পৃথক ভাবে আবেদন করেছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষ দুটি আবেদনই মঞ্জুর করে।অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যায় এক পক্ষ তাঁকে ঘেরাও করে দাবি করে, তাদের পুজোটিই একমাত্র পুজো হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। বিষয়টি নিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশকে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কলেজ চত্বরে দুই গোষ্ঠীর শতাধিক করে সদস্য মুখোমুখি হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া নিরাপত্তারক্ষীদের পক্ষে সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ।এরপরই অধ্যক্ষের ঘরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং আক্রান্ত ছাত্রদের দাবি, দুই পক্ষের সঙ্গেই এবিভিপির যোগ রয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজন সংগঠনের সাংগঠনিক পদেও রয়েছেন। অভিযোগ, বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে পিস্তল, বাঁশ ও লাঠি হাতে হামলা চালানো হয়। অধ্যক্ষের ঘরের পিছনের দরজা ভেঙে ঢোকারও অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্তদের দাবি, পিস্তলের বাঁট এবং পেরেক লাগানো লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। পরিস্থিতির চাপে কয়েকজন শৌচাগারের ভিতর আশ্রয় নেন বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, আক্রান্ত ছাত্রদের একাংশের দাবি, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের তরফে বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করতে চাওয়া হলেও তাঁদের পুজো স্থগিত রাখতে বলা হয়েছিল। সেই বিষয়টি জানতে তাঁরা অধ্যক্ষের কাছে গিয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, সেই সময় সপ্তম সিমেস্টারের এক সক্রিয় এবিভিপি সদস্য অধ্যক্ষের ঘরে ঢুকে তাঁকে মারধরের অভিযোগ করেন। তবে মারধরের কোনও চিহ্ন দেখাতে না পারায় অধ্যক্ষ তাঁর অভিযোগকে গুরুত্ব দেননি বলে দাবি আক্রান্তদের।যদিও গোটা ঘটনায় এবিভিপির যোগ অস্বীকার করেছেন সংগঠনের বর্ধমান মহানগরের সম্পাদক সুশোভন চৌধুরী। তাঁর দাবি, ইউআইটিতে এবিভিপির কোনও সংগঠনই নেই। যে প্যাড ব্যবহার করে পুজোর অনুমতি চাওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, তার সঙ্গেও এবিভিপির কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর কথায়, প্যাড যে কেউ বানাতে পারে। ওই প্যাড আদৌ এবিভিপির অনুমোদিত কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলেও দাবি করেছেন তিনি।ঘটনার জেরে ইউআইটির পঠনপাঠন আপাতত বন্ধ। কলেজ চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
রাজ্য

শেষ বার কথা হয়েছিল ২৫ আগস্ট রাতে, তারপরই নিখোঁজ! শর্মিষ্ঠাকে নিয়ে বড় দাবি শুভ্রাংশুর

নেপালের বিপর্যয়ের পর প্রায় পনেরো দিন কেটে গেলেও এখনও কোনও সন্ধান মেলেনি মুকুল রায়ের পুত্রবধূ এবং শুভ্রাংশুর স্ত্রী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ের। তাঁকে নিয়ে পরিবারের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। তবে শুভ্রাংশুর দাবি, শর্মিষ্ঠা সুস্থই রয়েছেন। তাঁর অনুমান, চিন-তিব্বত সীমান্তের কোনও এলাকায় হয়তো রয়েছেন তাঁর স্ত্রী। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, শর্মিষ্ঠাকে নিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় নিখোঁজদের পরিবারগুলির মধ্যে অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।গত ২১ আগস্ট হাওড়া থেকে একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। নেপালে পৌঁছনোর পর কয়েক বার স্বামীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছিল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৫ আগস্ট রাতে শেষ বার শুভ্রাংশুর সঙ্গে কথা হয়েছিল শর্মিষ্ঠার। তার পরের দিন, ২৬ আগস্ট সকাল থেকেই হড়পা বানের কারণে নেপালের পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে শুরু করে। খবর পাওয়ার পর থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন শুভ্রাংশু। কিন্তু আর কোনও ভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।শর্মিষ্ঠার খোঁজে পরিবারের তরফে থানায় যোগাযোগ করা হয়। ভবানী ভবন, বিদেশ মন্ত্রক এবং দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালানো হলেও তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। এর মধ্যেই শর্মিষ্ঠার ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফলে পরিবারের মধ্যে আরও বড় দুশ্চিন্তা তৈরি হয়।এর মধ্যেই গত সোমবার রাতে শুভ্রাংশুর ফেসবুকের ডিসপ্লে ছবি ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়। দেখা যায়, স্ত্রী শর্মিষ্ঠার সঙ্গে নিজের একটি ছবি ব্যবহার করেছেন তিনি। তবে ছবিটি ছিল সাদা-কালো। নিখোঁজ শর্মিষ্ঠার কোনও খবর না পাওয়ার মধ্যে এমন ছবি কেন ব্যবহার করা হল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। অনেকে এটিকে অশুভ ইঙ্গিত বলেও মনে করতে থাকেন।এই বিষয়ে শুভ্রাংশুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস বলেন, এখনও শর্মিষ্ঠার কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কেন শুভ্রাংশু ওই ছবি দিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারবেন না বলেও জানান।এর পর অবশ্য শুভ্রাংশু আবার তাঁর ডিসপ্লে ছবি বদলে দেন। ফলে শর্মিষ্ঠাকে ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনা আরও বেড়ে যায়। যদিও পরিবারের তরফে এখনও কোনও দুঃসংবাদের কথা নিশ্চিত করা হয়নি।শুভ্রাংশুর বক্তব্য অনুযায়ী, শর্মিষ্ঠা সুস্থ রয়েছেন এবং চিন-তিব্বত সীমান্তের কোনও এলাকায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর দাবি, নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ্যে আসার কারণেই নিখোঁজদের পরিবারগুলির মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাই অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তাই দিয়েছেন তিনি। শর্মিষ্ঠার প্রকৃত অবস্থান কোথায়, তিনি নিরাপদে রয়েছেন কি না এবং কবে তাঁর সন্ধান মিলবে, এখন সেই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছে পরিবার।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
দেশ

ফের পাহাড় ভাঙল সিকিমে! রিম্বি-ইউকসম সড়কে নামল বিশাল ধস, ভারী বৃষ্টিতে বাড়ছে আতঙ্ক

সিকিমের পাহাড়ে যেন বিপদ কাটতেই চাইছে না। রবিবার সকালে উত্তর সিকিমে ভূমিধসের জেরে চ্যাকুং চু এবং তিস্তা নদীর গতিপথ আটকে গিয়ে হড়পা বানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই আতঙ্ক পুরোপুরি কাটার আগেই পশ্চিম সিকিমের রিম্বিতে ফের বড়সড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটল। রিম্বি-ইউকসম প্রধান সড়কের উপর পাহাড়ের একটি বিশাল অংশ ধসে পড়ায় ওই পথে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যেই শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি। ফলে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।সিকিম প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউকসম-তাশিডিং এলাকার রিম্বি গ্রামে বিশাল ভূমিধস নেমেছে। পাহাড় থেকে মাটি ও পাথর নেমে এসে রিম্বির সঙ্গে ইউকসম এবং খেচুপরিকে যুক্ত করা প্রধান সড়কটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। রাস্তার উপর দিয়ে কাদার স্রোতও বয়ে যায়। বিপুল পরিমাণ মাটি, পাথর এবং ধ্বংসস্তূপে রাস্তার একটি বড় অংশ ঢেকে গিয়েছে।ভূমিধসের জেরে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি এমনই যে ওই এলাকা দিয়ে হেঁটেও যাতায়াত করা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ের পাদদেশ এবং আশপাশের কয়েকটি বাড়িও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বৃষ্টি আরও বাড়লে নতুন করে ভূমিধস হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।রিম্বি-ইউকসম সড়কটি স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পর্যটকদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হল, ধস নামার পরও পাহাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত ঢাল পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। তাই রাস্তার কাছাকাছি থাকা বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিশেষজ্ঞদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢাল পরীক্ষা করা হোক এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাঁদের অভিযোগ, প্রতি বর্ষাতেই এই এলাকায় একই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই শুধু ধসের মাটি-পাথর সরিয়ে রাস্তা খুলে দিলেই স্থায়ী সমাধান হবে না।স্থানীয়দের মতে, ভবিষ্যতে ভূমিধসের ঝুঁকি কমাতে পাহাড়ের ঢাল সুরক্ষিত করা, পাহাড় সংরক্ষণ এবং স্থায়ী নিরাপত্তা পরিকাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন। প্রশাসন বর্তমানে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। তবে আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ের ঢাল নিরাপদ ঘোষণা না করা পর্যন্ত ওই এলাকায় যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ থাকতে পারে।অন্যদিকে রবিবার সকালে চ্যাকুং চু-তে ভূমিধসের কারণে তিস্তা নদীর গতিপথ যে অংশে আটকে গিয়েছিল, সেটি পরে খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে তাতেও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। আরও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার ওই এলাকা পরিদর্শন করে প্রশাসনের একটি দল।চুংথাংয়ের মহকুমা শাসক অরুণ ছেত্রীর নেতৃত্বে ওই দলটি এলাকা ঘুরে দেখে। পরিদর্শনের সময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সীমান্ত সড়ক সংস্থার আধিকারিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রবিশ অত্রি, ক্যাপ্টেন সুরজ এবং রাজস্ব বিভাগের কর্মীরা। দলটি ভূমিধসের উৎসস্থল এবং ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ের ঢাল পরীক্ষা করে। পাশাপাশি ওই এলাকায় আরও ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে কি না এবং টুং-পারটেম সড়ক নির্মাণের কাজে এর প্রভাব পড়তে পারে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হয়।ফলে উত্তর সিকিমে তিস্তার গতিপথ আটকে যাওয়ার আতঙ্কের পর পশ্চিম সিকিমে রিম্বির ভূমিধস নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তার উপর চলছে ভারী বৃষ্টি। ফলে পাহাড়ের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আরও ধস নামার আশঙ্কা নিয়ে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
বিদেশ

গালওয়ানের ক্ষত এখনও তাজা, তার মধ্যেই দিল্লিতে শি! মোদির সঙ্গে বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে চর্চা

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ব্রিকস সম্মেলন। এই সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বৃহস্পতিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শির ভারত সফরের কথা নিশ্চিত করেছে বেজিং।ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে চিনের প্রেসিডেন্টের। ফলে সাত বছর পর ফের ভারতে আসছেন শি জিনপিং। তাঁর এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এটাই হতে চলেছে শির প্রথম ভারত সফর।সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। যদিও এমন বৈঠক হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, দীর্ঘদিনের সামরিক উত্তেজনা, কূটনৈতিক দূরত্ব এবং অর্থনৈতিক টানাপড়েনের পর দুই দেশই সম্পর্কের উন্নতির রাস্তা খুঁজতে পারে।ভারত ও চিনের সম্পর্কে অবিশ্বাসের ইতিহাস দীর্ঘ। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন রয়েছে। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষ সেই সম্পর্কে আরও বড় ধাক্কা দেয়। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান নিহত হন। চিনও তাদের বাহিনীর চার জনের মৃত্যুর কথা সরকারি ভাবে স্বীকার করেছিল।গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের সম্পর্কে দ্রুত অবনতি ঘটে। সীমান্তে সেনা মোতায়েন, অরুণাচল প্রদেশ সংলগ্ন এলাকা নিয়ে টানাপড়েন এবং একাধিক কূটনৈতিক বিরোধ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের দিল্লি সফরকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, ব্রিকসের মঞ্চে কি মোদি এবং শি জিনপিংয়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে? যদি বৈঠক হয়, তবে সীমান্ত সমস্যা, সামরিক উত্তেজনা এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসতে পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তবে বৈঠকের বিষয়বস্তু বা তার সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এর আগে কিরগিজস্তানের বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে একই মঞ্চে দেখা গিয়েছিল মোদি এবং শি জিনপিংকে। সেখানে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে করমর্দন হয়েছিল। তবে তাঁদের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়নি।এবার দিল্লির ব্রিকস সম্মেলনে পরিস্থিতি কতটা বদলায়, সেদিকেই নজর থাকবে। গালওয়ানের পর প্রথম বার ভারতে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য বৈঠক ভারত-চিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন কোনও বার্তা দেয় কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal