• ২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিচ্ছেন অরিন্দম ভট্টাচার্য?‌ ঝাঁপালেন কর্তারা

এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যর জন্য ঝাঁপালেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ইতিমধ্যেই সবুজমেরুণের এই গোলকিপারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে অরিন্দম শেষ পর্যন্ত লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলতে পারবেন কিনা সেটা নির্ভর করছে এটিকে মোহনবাগান কর্তাদের ওপর। তাঁরা যদি অরিন্দমকে রিলিজ দেন, তবেই তিনি এসসি ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলতে পারবেন। গত মরশুমে আইএসএলে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন অরিন্দম। তাঁর সঙ্গে এটিকে মোহনবাগানের আরও একবছর চুক্তি রয়েছে। তা সত্ত্বেও কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের সুপারিশে এবছর মুম্বই সিটি এফসির গোলকিপার অমরিন্দার সিংকে দলে নিয়েছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। এরফলে এই মরশুমে আইএসএলে অরিন্দমের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এএফসি কাপেও অরিন্দমকে রিজার্ভ বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছিলেন হাবাস। তিনটি ম্যাচেই অমরিন্দার সিংকে খেলিয়েছিলেন সবুজমেরুণ কোচ। অরিন্দম নিজেও বুঝে গেছেন প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া কঠিন। তিনিও দল ছাড়তে আগ্রহী। এই মুহূর্তে শঙ্কর রায় ছাড়া তেমন কোনও গোলকিপার এসসি ইস্টবেঙ্গলে নেই। অরিন্দম এলে তিনিই হবেন প্রথম গোলকিপার।আইএসএলে খেলার জট কাটতেই দলগঠনের ব্যাপারে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে ফুটবলারদের তালিকা চেয়েছিলেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। লালহলুদ কর্তারা সেই তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। মূলত দুধরনের দল গড়ার দিকে নজর দিচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। একটা দল গড়া হবে কলকাতা লিগের জন্য, আর একটা দল মূলত আইএসএলের কথা মাথায় রেখে। কলকাতা লিগে যারা ভাল খেলবে, তাদের আইএসএলের দলে রাখা হবে। স্থানীয় ফুটবলারদের বাছাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেনেডি সিংকে। এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আপাতত লক্ষ্য আইএসএলে অন্য দলে যেসব ফুটবলাররা খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না, তাঁদের লোনে নেওয়া। এফসি গোয়ার তরুণ ডিফেন্ডার সেরিনিও ফার্নান্ডেজের দিকে নজর রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। রোমারিও জেসুরাজের সঙ্গেও কথা বলেছেন কর্তারা। এছাড়া কেরল ব্লাস্টার্সের স্ট্রাইকার শুভ ঘোষকেও নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মহম্মদ রফিক এবং বিকাশ জাইরুকে চূড়ান্ত করে ফেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। সৌরভ দাস, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়দেরও রেখে দেওয়া হচ্ছে। হীরা মণ্ডলকেও নিশ্চিত করে ফেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। শোনা যাচ্ছে প্রবীর দাস এবং প্রণয় হালদারও লালহলুদে খেলতে চাইছেন। প্রণয় হালদারকে আগেই ছেড়ে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। তিনি জামশেদপুর এসসির সঙ্গে কথা বলেছিলেন। সুযোগ পেলে তিনি এসসি ইস্টবেঙ্গলে খেলতে চান। ইতিমধ্যেই ফুটবলারদের তালিকা কোচ রবি ফাউলারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোচের অনুমোদনের ভিত্তিতেই ফুটবলারদের সই করানো হবে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

High Court: নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা

নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগে ঘটনায় রাজ্য সরকারকে একহাত নিল হাইকোর্ট। প্রয়োজনীয় নথি না থাকা সত্ত্বেও এক ব্যক্তি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের চাকরি পেয়েছিলেন। পরে ত্রুটি ধরতে পারে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। ওই শিক্ষককে টেটের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বললেও তিনি তা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ অসমে বড়সড় জঙ্গি হামলায় মৃত কমপক্ষে ৫আদালতে শুনানি চলাকালীন হাইকোর্ট প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করে। নথি না দেখে চাকরি দেওয়ার ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে। কিন্তু পরে নথি না পেয়ে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। এর পরই ওই অভিযুক্ত শিক্ষক আরও ১২ জনের নামের তালিকা আদালতের কাছে জমা দেন। অভিযোগ, এই ১২ জনের কারও প্রয়োজনীয় নথি না থাকা সত্ত্বেও তাঁরা এখনও চাকরি করছেন স্কুল শিক্ষক হিসাবে।এ রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ। প্রাথমিক থেকে উচ্চ প্রাথমিক কিংবা বৃত্তিমূলক শিক্ষাক্ষেত্র, এমনকী শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগ নিয়েও চূড়ান্ত অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে এ রাজ্যে। কিছুদিন আগেই মেডিক্যাল কলেজগুলিতে শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগে ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যে। এমডিএমএসদের এড়িয়ে এমবিবিএসরা নিয়োগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। চিকিৎসা সংগঠনের একাংশ দাবি করে, এমবিবিএসকে সুযোগ করে দিতেই এই পথ অবলম্বন করেছে নিয়োগ সংক্রান্ত বোর্ড। এ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।

আগস্ট ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : বিদেশি বাছাইয়ের দায়িত্ব ফাউলারকে, দল গঠনে নেমে পড়লেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা

বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বৈঠকে জটিলতা কেটেছে। এই মরশুমে আবার আইএসএলে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন লালহলুদ সদস্যসমর্থকরা। স্বস্তির পাশাপাশি আশঙ্কাও রয়েছে। ৩১ আগস্ট ট্রান্সফার উইন্ডোর সময়সীমা শেষ। এত কম সময়ে আদৌও ভাল দল গড়া সম্ভব? এসসি ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা অবশ্য ভাল দল গড়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করছেন। যদিও দলগঠন নিয়ে লালহলুদ কর্তাদের কোনও ভুমিকা নেই। পুরোটাই দেখাশোনার দায়িত্ব শ্রী সিমেন্টে। বুধবার আইএসএলে খেলার ব্যাপারে জট কাটতেই শ্রী সিমেন্ট কর্তারা দলগঠনের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে টালবাহনা থাকলেও বেশকিছু ফুটবলারের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা বলে রেখেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দুএকদিনের মধ্যেই চুক্তি করা হবে। মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখার্জিরা গতমরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। এটিকে মোহনবাগান থেকে কয়েকজনকে নিতে পারে। প্রবীর দাসদের সঙ্গে কথা বলছেন লালহলুদ কর্তারা। অরিন্দম ভট্টাচার্যকেও প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছেন।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনিবেশ কয়েকজন বিদেশি ফুটবলারের বায়োডাটা আগেই দেখে রেখেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কোচ রবি ফাউলারের ওপর বিদেশি ফুটবলার বাছাইয়ের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে শ্রী সিমেন্ট। গতমরশুমে খেলে যাওয়া ব্রাইট এনবাখারে, মাত্তি স্টেইনম্যানরা অন্য ক্লাবে সই করলেও জাক মাঘোমা এখনও কোনও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হননি। তাঁর সঙ্গে চুক্তি করার কথা ভাবছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কোচ রবি ফাউলার বাকি বিদেশিদের সঙ্গে নিয়েই আসবেন।আরও পড়ুনঃ ঔদ্ধত্য ভেঙে চুরমার, লজ্জাজনক আত্মসমর্পন কোহলিদেরএদিকে, লালহলুদ কর্তারাও দল গঠনে শ্রী সিমেন্ট কর্তাদের সাহায্য করতে তৈরি। বুধবার রাতেই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে, দল গঠনের কাজে শ্রী সিমেন্টকে সর্বোতভাবে সাহায্য করা হবে। ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা স্থানীয় ফুটবলারদের একটা তালিকাও তৈরি করেছেন। যাতে এই ফুটবলারদের নিয়ে কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগে খেলা যায়। যদিও কলকাতা লিগে খেলার ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কিছু বলেননি শ্রী সিমেন্ট কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সমর্থকরা আবেগে ভাসলেও ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে কি ভাল দল গড়া সম্ভব?কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের নতুন সূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার প্রথম ম্যাচে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে খেলার কথা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। তবে হাতে সময় মাত্র ৫ দিন। এর মধ্যে দল গঠন করে মাঠে নামা খুবই কঠিন। যদিও ক্লাবের অন্যতম ক্লাব কর্তা অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কাছে দল তৈরি আছে। আমরা সাহায্য করতে তৈরি। তবে এই ব্যাপারে আগে থেকে হস্তক্ষেপ করব না। যদি সাহায্য চায়, এগিয়ে যাব।

আগস্ট ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : সমর্থকরা আবেগে ভাসলেও ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে কি ভাল দল গড়া সম্ভব?‌

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের নবান্নে বৈঠকে ডেকেছিলেন, তখনই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল, এবছর আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল। সেই সম্ভাবনাই বাস্তবে রূপ পেল। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ মেনে শ্রী সিমেন্ট মেনে নিলেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে কি ভাল দল গড়া সম্ভব? প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। তবে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার খবর পেয়ে সন্ধেবেলা ক্লাবে হাজির ছিলেন বেশ কিছু সমর্থক। লালহলুদ পতাকা, মশাল, স্লোগানে মেতে ওঠে ক্লাবের সামনে। তবে যে বিষযয়ে সমস্যা ছিল, সেই চূড়ান্ত চুক্তিপত্র আপাতত স্বাক্ষরিত হচ্ছে না।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনি৩১ অগাস্ট ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। হাতে মাত্র ৬ দিন সময়। এত কম সময়ের মধ্যে ভাল দল গড়া যে সম্ভব নয়, সেকথা বোঝার জন্য ফুটবল বোদ্ধা হওয়ার দরকার নেই। লালহলুদ আইএসএলে খেললেও কতটা শক্তিশালী দল গড়া যাবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। স্বদেশি ভাল ফুটবলাররা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলেছে। যেসব ফুটবলাররা পড়ে রয়েছেন আর যাইহোক তাঁদের নিয়ে ভাল দল গড়া সম্ভব নয়। তবে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের দাবি, আইএফএ প্রেসিডেন্ট অজিত ব্যানার্জি ভাল মানের স্বদেশি ও বিদেশি ফুটবলারের কথা ভেবে রেখেছেন। দল গঠনের ব্যাপারে অবশ্য ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কোনও হাত নেই। শ্রী সিমেন্ট দল গঠনে লালহলুদ কর্তাদের কতটা নাক গলাতে দেবেন, সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।আরও পড়ুনঃ আজ নবান্নেই ঠিক হবে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যতদেবব্রত সরকার ব্যাপারটা নিয়ে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। তিনি বলেছেন, দল গঠনের ব্যাপারে শ্রী সিমেন্টের কাজে হস্তক্ষেপ করব না। তবে যে কোনও সহযোগিতার জন্য আমরা তৈরি। হাতে সময় কম থাকলেও ভাল দল গড়া সম্ভব। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেললেও চুড়ান্ত চুক্তিপত্র নিয়ে জট থেকেই গেছে। অর্থাৎ যে শর্তগুলো নিয়ে লালহলুদ কর্তাদের বিরোধিতা ছিল, তা রয়েই গেছে। পুরনো চুক্তিপত্রেই ইস্টবেঙ্গল খেলবে। তবে ক্লাব হস্তান্তরের বিষয়টা নাকি মিটে গেছে। এই ব্যাপারে লালহলুদের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, অবশেষে ফুটবল বাঁচল। ক্লাবকেও হস্তান্তরের হাত থেকে বাঁচানো গেল। আগের চুক্তিতেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলবে। লক্ষ লক্ষ সমর্থকের কথা ভেবে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জট খুলল। লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানা গেছে, তারা চান এবছর দল গঠন করে আইএসএল খেললেও ভবিষ্যতে ক্লাবের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হোক। ক্লাবের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলা হয়নি। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র ইস্যুতে সমস্যা থেকেই গেল। এদিকে, ইস্টবেঙ্গলের কলকাতা লিগে খেলার ব্যাপারে আশাবাদী আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি। তিনি বলেন, আমরা আশাবাদী এসসি ইস্টবেঙ্গল কলকাতা লিগ খেলবে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

E‌ast Bengal : মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনি

দীর্ঘদিনের টালবাহনার অবসান। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সমস্যা মিটল ইস্টবেঙ্গলের। কেটে গেল ক্লাবের সঙ্গে লগ্নিকারী শ্রী সিমেন্টের চুক্তি সংক্রান্ত যাবতীয় জটিলতা। এবছর আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল। অবশেষে সদস্যসমর্থকদের মুখে হাসি।ইস্টবেঙ্গল ও লগ্লিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে বৈঠকে ছিলেন কোম্পানি সেক্রেটারি এস এস খাণ্ডেলওয়াল, চিফ ফিনান্স অফিসার এস জাজু ও সিনিয়র ম্যানেজার সন্দীপ কুমার। বৈঠকে অবশ্য আসেননি শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর। ইস্টবেঙ্গলের তরফে ছিলেন সদানন্দ মুখোপাধ্যায়, দেবব্রত সরকার ও অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক ২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড চলার পরেই শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দেয় এবছর আইএসএলে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। বৈঠকে শ্রী সিমেন্টের কর্তা মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, টার্মশিটে স্বাক্ষর হলেও এক বছর ধরে চেষ্টা করেও চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করা গেল না। যেহেতু আপনি অনুরোধ করেছিলেন, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই বছর আইএসএল খেলব।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানবৈঠকের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের বলেন, মোহনবাগান আইএসএলে খেলছে। শ্রী সিমেন্টের উদ্যোগে ইস্টবেঙ্গলও গত বছর আইএসএলে খেলেছে। এবছর একটা অনিশ্চয়তা ছিল যে খেলতে পারবে কিনা। আমিও হস্টাইল হয়ে পড়েছিলাম। পরে শ্রী সিমেন্টকে অনুরোধ করি। ওদের বলেছিলাম, শেষ মুহূর্তে খেলা বন্ধ হলে কোটি কোটি সমর্থক কোথায় যাবে? আমরা চাই ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান আইএসএল খেলুক, পরে মহমেডানও খেলুক। সারা বিশ্বজুড়ে এই দলগুলির ব্র্যান্ড ভ্যালু রয়েছে। শ্রী সিমেন্টের কর্তারা আশ্বাস দিতেই মুখ্যমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খেলা হবে। ইস্টবেঙ্গল খেলবে। শেষ মুহূর্তে অনুরোধ মেনে নেওয়ায় আপনাদের ধন্যবাদ। অন্য কিছু বিষয় নিয়ে পরে আলোচনা হবে। শ্রী সিমেন্ট বাংলায় সিমেন্ট শিল্পে বিনিয়োগ করছে। সব ভাল যার শেষ ভাল।আরও পড়ুনঃ তপসিলি জাতি-উপজাতি উন্নয়নে উদারনীতি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরএবছর ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলা নিশ্চিত হলেও যে শর্তগুলি নিয়ে চুক্তিপত্রে সই করা আটকে রয়েছে, সেই শর্তগুলি সমাধানের রাস্তা এখনও বার হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধেই শ্রী সিমেন্ট নমনীয় হয়েছে। শ্রী সিমেন্টের প্রতিনিধি যে এই বছর শব্দ ব্যবহার করেছেন, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ও রিলায়েন্স কর্তাদের কথাতেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলতে পারছে। যে শর্তগুলি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, সেগুলি নিয়ে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা কিছু বলতে চাননি। দেবব্রত সরকার বলেন, এবছর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকে দিদি উতরে দিলেন। শ্রী সিমেন্টকেও অজস্র ধন্যবাদ।

আগস্ট ২৫, ২০২১
দেশ

Pegasus: পেগাসাস ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা রাজ্যের

পেগাসাস ইস্যুতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এমবি লোকুরের নেতৃত্বে ২ সদস্যের তদন্ত কমিশন তৈরি করেছিল রাজ্য সরকার। তাকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছিল। এবার সেই ২ সদস্যদের কমিশনকে চ্যালেঞ্জ ইস্যুতে হলফনামা জমা দিল সরকার। নিরপেক্ষভাবে পেগাসাস ইস্যু খতিয়ে দেখতেই তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে বলে শীর্ষ আদালতে স্বপক্ষে যুক্তি দিল রাজ্য।আরও পড়ুনঃ কর্মরত মহিলাদের আপাতত বাড়িতে থাকার পরামর্শ তালিবানেরসুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ রাজ্যকে নোটিস দেয়। হলফনামায় রাজ্য বলে, তারা চায় পেগাসাসকাণ্ডে রাজ্য গঠিত কমিটিই তদন্ত করুক। রাজ্যের অভিযোগ, জনস্বার্থ মামলাকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আরএসএস যোগ আছে। গত ১৮ অগস্ট এই মামলার শুনানি হয়। প্রসঙ্গত, পেগাসাস ইস্যুতে রাজ্য সরকার যে বিচারবিভাগীয় প্যানেল তৈরি করেছে তা তৈরি করার সাংবিধানিক অধিকার রাজ্যের রয়েছে বলেই হলফনামায় দাবি করা হয়েছে। পেগাসাস ইস্যুতে যখন গোটা দেশ উত্তাল তখন কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে তদন্তের উদ্যোগ না নেওয়ায় রাজ্য সরকার তার সাংবিধানিক ক্ষমতার আওতায় প্যানেল গঠন করেছে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের আপত্তির কারণেই এই মামলা করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে হলফনামায় রাজনৈতিক উদ্দ্যেশের কথাই বলা হয়েছে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : আজ নবান্নেই ঠিক হবে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যত

এটিকে মোহনবাগান পৌঁছে গেল এএফসি কাপের নক আউটে। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল পৌঁছে গেল নবান্নে। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলড হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্র জট এমন জায়গায় পৌঁছেছে, ট্রোলড হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই পরিস্থিতি থেকে কি বেরিয়ে আসতে পারবে লালহলুদ? ইস্টবেঙ্গলের অগনিত সমর্থক তাকিয়ে নবান্নের দিকে। চুক্তিপত্র জট কাটতে নবান্নে আজ বিকেলে ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসতে পারে, মনে করছে লালহলুদ সমর্থকরা। সমর্থকদের আশা বাড়িয়ে দিয়েছেন শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, চুক্তিপত্র জট কাটাতে মুখ্যমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তাকে আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। আশা করছি এই বৈঠক থেকেই সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবে। আজ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি হাজির থাকবেন কিনা, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি হরিমোহন বাঙ্গুর। তবে সূত্রের, খবর তিনি বৈঠকে যেতে পারেন। এই মুহূর্তে তিনি কলকাতায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানশ্রী সিমেন্ট কর্তাদের মতো ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও মনে করছেন আজকের বৈঠকে জট কেটে যেতে পারে। ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আলোচনার জন্য ডেকেছেন। আমাদের সমস্যার কথা তুলে ধরব। উনি যা বলবেন, সেইমতো আমরা এগোব। মুখ্যমন্ত্রী যা চাইবেন, সেটাই করব। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে ক্লাবের মালিকানা হস্তান্তরের সমস্যার কথা তুলে ধরা হবে। তবে শ্রী সিমেন্টকে ক্লাব তাঁবু স্বাধীনভাবে ব্যবহার করার ব্যাপারে রাজি হতে পারে ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে, শ্রী সিমেন্ট মালিকানা হস্তান্তরের শর্তের ব্যাপারেও কিছুটা নমনীয় হতে পারে সূত্র মারফত জানা গেছে।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেআজ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যদি জট কেটে যায়, দ্রুত দল গঠনে নেমে পড়বেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। হাতে বেশি সময় নেই। যদিও জানা গেছে অনেক ফুটবলারের সঙ্গে আগে থেকেই প্রাথমিক কথা সেরে রেখেছেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। বেশ কয়েকজন বিদেশির সঙ্গেও কথা বলেছেন। যদি আজ নবান্নে বৈঠকের পর চুক্তিপত্রে সই করে দেন লালহলুদ কর্তারা, তাহলে কাল থেকেই ফুটবলারদের সই করাবে শ্রী সিমেন্ট। তবে সবকিছু নির্ভর করছে আজ নবান্নের ওপর।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি দিতে আসছে ঝাপিয়ে বৃষ্টি

দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি না হলেও আজ বজ্রবিদ্যুৎ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি বাড়বে তাপমাত্রা ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া। উত্তরবঙ্গে রয়েছে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, মহানগরের আকাশ আংশিক মেঘলাই থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়। আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৭ ডিগ্রির আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯২ শতাংশ, ন্যূনতম ৬৬ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ করোনা নিয়ে সুখবর শোনালেন হু-র প্রধান বিজ্ঞানীআবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থান থেকে গোরক্ষপুর ও পুর্ণিয়া হয়ে অসম পর্যন্ত বিস্তৃত। তার প্রভাবেই উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদা, দুই দিনাজপুরে৷ এছাড়াও, উত্তরাখণ্ডে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। মেঘালয়ে হতে পারে প্রবল বৃষ্টিপাত। এছাড়াও সিকিম, বিহারেও রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শক্তিশালী দক্ষিণা বায়ু কিংবা দক্ষিণ পশ্চিমা বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে যাচ্ছে একেবারে উত্তর-পূর্বে। এই সক্রিয়তা বজায় থাকবে আগামী ২৫ অগস্ট পর্যন্ত।আরও পড়ুনঃ লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ভিখারি বললেন দিলীপ ঘোষঅন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে গরম বাড়ছে, বাড়ছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কিছুটা বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। ভারী বৃষ্টি হবে পশ্চিমের বেশকিছু জেলাতে। বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Lakshi Bhandar: লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ’ভিখারি’ বললেন দিলীপ ঘোষ

বাংলা ভাগের কথা অস্বীকার করে রাজ্য সরকারের লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে ফের অপ্রীতিকর মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলীয় কর্মসূচীতে যোগ দিতে মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, ৫০০ টাকা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলারা ভিখারি নয়তো কি? একই সঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, ১০ বছরের তৃণমূল সরকার মানুষকে ভিখারি বানিয়ে ৫০০ টাকার জন্য লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতৃত্ব।রাঢ় বঙ্গের কার্যকর্তাদের নিয়ে এদিন বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বর্ধমানের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে। সেই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা শিবপ্রকাশ, বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া , রাজু বন্দোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শুরুর আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ১০ বছর সরকার চালানোর পর মানুষকে ভিখারি বানিয়ে দিয়ে ৫০০ টাকার জন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না। ভিড় করার জন্যেই এই সময়ে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প করা হচ্ছে। যাঁরা লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন তাঁদের ভিখারি বলছেন কেন? দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট জবাব, ৫০০ টাকার জন্য যারা লাইনে দাড়াচ্ছেন তাঁরা ভিখারি নয় তো কি? এটাকে কি উন্নয়ন বলে? দেশের কোটি কোটি লোক বাড়িতে বসেই হাজার হাজার টাকা ভাতা-অনুদান পেয়ে যাচ্ছেন। মোদিজি কৃষকদের ৬০০০ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। বাড়িতে বসেই তিন কিস্তিতে কৃষকরা সেই টাকা নিচ্ছেন। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন সবাইকে রাস্তায় দাঁড় করাচ্ছেন? বয়স্ক মানুষেরা চাপা পড়ে মরে যাচ্ছে।এই সব কোথাও শুনেছেন? মোদিজীকে দেখে ওঁরা শিখুক । অশোকনগরের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, টিএমসি নেতারা সব জায়গায় দাদাগিরি করছে। সরকারি যোজনার সুবিধা পেতে এত ভিড় করার কি দরকার আছে। একাউন্টে দিলেই তো পারতো।বাংলা ভাগের প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে এদিন ভিন্ন সুর শোনা যায় তাঁর গলায় । দিলীপ ঘোষ এদিন জানান, বিজেপি কখনই বঙ্গভঙ্গের কথা বলেনি। তাঁদের দলের প্রতিষ্ঠাতা পাকিস্তানকে ভাগ করে এই বাংলা নিয়ে এসেছে। সেই বাংলা যাতে সোনার বাংলা তৈরি হয় সেই চেষ্টাই তাঁরা করছেন বলে দিলীপ বাবু এদিন জানান।জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে বিহার বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলি যে মত দিয়েছে তার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সমাজের প্রতিটি লোকের নিজের মত বলার অধিকার আছে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন, সেন্সাস বোর্ড ও সরকার আছে। তাঁরা সবার সঙ্গে কথা বলে সহমত হয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে।আদালতের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে সিবিআই বিভিন্ন জেলায় যাবে ।এই বিষয়ে বিজেপির অবস্থান কি হবে তা জানতে চাওয়া হলে দিলীপ ঘোষ বলেন ,আমাদের ডাকলে আমরা যাবো, সব তথ্য দেব।লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলাদের ভিখারি বলা নিয়ে দিলীপ ঘোষকে বাংলা দ্রোহী বলে আখ্যা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু । তিনি আরও বলেন, এইসব খারাপ কথা বলে বাংলার মেয়েদের ও মায়েদের অপমান করছেন দিলীপ ঘোষ।বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মহিলারা ওঁদের যোগ্য জবাব দিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এই কু-মন্তব্যের জবাব বাংলার মহিলারা আগামী লোকসভা নির্বাচনেও দিয়ে দেবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : এ কী করল শ্রী সিমেন্ট!‌ চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গল

শ্রী সিমেন্টের আচরণে চরম সঙ্কটে পড়ল ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আইএসএলে খেলা নিয়েও তৈরি হল অনিশ্চয়তা। লালহলুদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়ে দিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। তবে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সরাসরি তারা কিছু জানায়নি। সোমবার সন্ধে পর্যন্ত কোনও চিঠি দেয়নি কিংবা ইমেল করেনি। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা নবান্নে জানিয়ে দিয়েছে শ্রী সিমেন্ট।আরও পড়ুনঃ পুজোর পর কি খুলবে স্কুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে কয়েক মাস ধরে লগ্নিকারী শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের চাপানউতোর চলছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোরে ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবসে জানিয়েছিলেন, জটিলতা কাটিয়ে ইস্টবেঙ্গলের খেলতে কোনো অসুবিধা হবে না। তারপর লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠানো হয়। সেই সংশোধিত চুক্তিপত্রের বেশ কয়েকটা শর্ত নিয়ে আবার আপত্তি জানান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এরপর মধ্যস্থতাকারীদের সক্রিয়তায় কয়েকটা শর্তে নমনীয় হয় শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু তাঁবু সংক্রান্ত বিষয়ে জটিলতা কাটছিল না।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবসংশোধিত চুক্তিপত্র আসার পরও ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতি তাতে সই করতে রাজি ছিলেন না। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের তরফে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলা হয়। মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছিলেন, শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের রাস্তা খোঁজার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণে তিনি বিরক্ত। তাই লালহলুদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চান।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!আজ, সোমবার নবান্নে চিঠি পাঠিয়ে শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দেয়, ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তবে স্পোর্টিং রাইটস ফেরানো নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। বিকেল পর্যন্ত লাল হলুদের শীর্ষ কর্তারা লগ্নিকারীদের পদক্ষেপ সম্পর্কে ধোঁয়াশায় ছিলেন। তাঁরা নবান্ন থেকেই শ্রী সিমেন্টের সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানতে পারেন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে দেবব্রত সরকার জানান, আমাদের ক্লাবেও এরকম কোনও ইমেল এখনও আসেনি। তবে শুনেছি, ওরা আর থাকছে না। নতুন করে জটিলতা বাড়ানোর জন্য অনেকে মধ্যস্থতাকারী শ্রেনিক শেঠের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন। দেবব্রত সরকারও বলেন, যিনি মধ্যস্থতা করছিলেন, সেই শ্রেনিক শেঠ যদি আর একটু সহযোগিতা করতেন, সমস্যা মিটে যেত।আরও পড়ুনঃ অভিষেক বচ্চন হাসপাতালে, চিন্তায় পরিবার থেকে অনুরাগীরাশোনা যাচ্ছিল, কোনও ক্ষতিপূরণ ছাড়াই শ্রী সিমেন্ট স্পোর্টিং রাইটস ফেরত দেবে। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এরকম কিছু জানানো হয়নি। শ্রী সিমেন্টের সিইও শিবাজি সমাদ্দার বলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে কোনও ইমেল তিনি পাঠাননি। এখন প্রশ্ন, স্পোর্টিং রাইটস ফেরত পেলেও ৩১ অগাস্ট ট্রান্সফার উইন্ডো শেষের আগে কি দল গঠন করতে পারবে ইস্টবেঙ্গল? ভাল মানের ফুটবলারও পড়ে নেই। কলকাতা প্রিমিয়ার লিগেও খেলতে পারবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা। চলতি মরশুমে আইএসএল খেলাও বিশ বাঁও জলে। শোনা যাচ্ছে, বিনা শর্তে লাল হলুদকে শ্রী সিমেন্ট ছেড়ে দিলে আম্বানি গ্রুপ ইস্টবেঙ্গলে লগ্নি করতে পারে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Binisutoy: 'বিনিসুতোয়'-এর জার্নি শেয়ার করলেন অর্পণা

সদ্য মুক্তি পেয়েছে অতনু ঘোষের পরিচালিত ছবি বিনিসুতোয়। এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্পণা চৌধুরী। এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।চরিত্র নিয়ে তিনি জানিয়েছেন,আমি জয়া ম্যামের অফিস এমপ্লয়ির চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটি খুব বড় না হলেও বেশ ভালো একটি চরিত্র। অতনু ঘোষের প্রসঙ্গ তুলতেই বললেন, ভীষণ ভালো একটা এক্সপিরিয়েন্স। স্যার খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে দেন জিনিসটা। স্যারের সাথে কাজ করে মনেই হয়নি তিনি এত বড়ো একজন ডিরেক্টর।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?তিনি আরও জানান, কোনো চরিত্র গঠনে সমস্যা হলে স্যার বারবার দেখিয়ে দিচ্ছিলেন। ধৈর্য্য হারাননি কখনো। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি আমার প্রথম বাংলা ফিচার ফিল্ম থেকে। উনি খুব কুললি সবকিছু হ্যান্ডেল করেন। আমি ব্লেসড যে স্যারের সাথে ডেবিউ করতে পেরেছি।অর্পণা আরও জানান অতনু ঘোষের সঙ্গে নতুন ছবিতে অভিনয় করতে মুখিয়ে আছেন তিনি। তাঁর কথায় অতনুদা তাঁকে নতুন ছবিতে নতুন ক্যারেক্টার দেবেন যেটার জন্য মুখিয়ে আছেন।

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে শ্রী সিমেন্ট?‌ সম্ভাবনা প্রবল

ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক কি ছিন্ন করতে চলেছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট? তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। লালহলুদের কর্তাদের টালবাহনা আর মেনে নিতে পারছেন না শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। ক্ষতির সামনে পড়েও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণে তিতিবিরক্ত হয়ে স্পোর্টিং রাইটস ফেরত দিতে চলেছেন। দুএকদিনের মধ্যেই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রিলায়েন্সের এক মধ্যস্থতাকারী। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়। সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের কোন কোন জায়গায় আপত্তি রয়েছে, তা মধ্যস্থতাকারীদের জানান লালহলুদ কর্তারা। বৈঠক থেকেই মধ্যস্থতাকারী ফোন করেন শ্রী সিমেন্ট কর্তাদের। লালহলুদ কর্তাদের আপত্তির কথা জানান। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে কোনও সদুত্তর না পাওয়ায় সেদিনের সন্ধের কার্যকরী কমিটির বৈঠক স্থগিত করে দেয় ইস্টবেঙ্গল। মধ্যস্থতাকারী শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন। সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?এদিকে, লালহলুদ কর্তাদের আচরণে রীতিমতো তিতিবিরক্ত শ্রী সিমেন্টের কর্তা হরিমোহন বাঙ্গুর। শোনা যাচ্ছে তিনি আর অপেক্ষা করতে রাজি নন। লালহলুদ কর্তাদের আচরণে অপমানিত বোধ করছেন শ্রী সিমেন্টের কর্তা। এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে এগোতে চান। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আর সুযোগ দিতে নারাজ তিনি। গতবছর প্রাথমিক চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ৫০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে শ্রী সিমেন্ট। আর টাকা ঢালতে নারাজ শ্রী সিমেন্টের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারী৩১ আগস্টের মধ্যে ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনও ঘনিয়ে আসছে। তাই শ্রী সিমেন্ট আর সময় দিতে রাজি নয়। বিচ্ছেদের রাস্তা বেছে নিতে চলেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইস্টবেঙ্গলকে স্পোর্টিং রাইটস ফিরিয়ে দিয়ে সম্পর্ক ছিন্ন করবে। তবে গত মরশুমে যে অর্থ লগ্নি করেছিল, সেই অর্থ হয়তো ফেরত চাইবে না। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা যদি শেষ মুহূর্তে সই করতে রাজি হয়, তাহলেও হয়তো মেনে নেবে না শ্রী সিমেন্ট। কারণ দল গড়ার মতো পর্যাপ্ত সময় পাবে না।

আগস্ট ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bengali Serial: নতুন বাংলা ধারাবাহিক সাগরজ্যোতি আসছে

নতুন বাংলা চ্যালেন এন্টার ১০ বাংলা। এই চ্যানেলে নতুন বাংলা ধারাবাহিক আসছে সাগরজ্যোতি। এই ধারাবাহিকে সাগরের চরিত্রে অভিনয় করবেন রাহুল দেব বোস, জ্যোতির চরিত্রে দেখা যাবে নবনীতা মালাকার কে। এছাড়া অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন নির্মল সেন, চান্দ্রেয়ী ঘোষ, শ্রীতমা, আইভি, অভিজিত সরকার সহ আরও অনেকে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরএই ধারাবাহিকেরই সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে অন্যান্য কলাকুশলীরা। রাহুল জানালেন,নতুন একটা চ্যানেল খুলেছে। নতুন অনেক ভালো ভালো কাজ হবে। আমি খুবই এক্সাইটেড। নবনীতা জানালেন,আমি এই ধারাবাহিকে একজন গরীব ঘরের মেয়ে। আমার লক্ষ্য বড় কিছু করার। তখনই আমার সঙ্গে সাগরের দেখা হয়। সাগর আসার পর আমার জীবনে কী কী পরিবর্তন আসবে সেটা জানার জন্য সাগরজ্যোতি দেখতে হবে। পরিচালক পাভেল ঘোষ জানালেন,নতুন চ্যালেন, নতুন শো, দারুণ একটা এক্সাইটমেন্ট কাজ করছে। আর এসভিএফের ব্যানারে পুরো কাজটা হচ্ছে। সেটার আলাদা উন্মাদনা তো রয়েছেই।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীনতুন ধারাবাহিক নিয়ে সকলের মধ্যেই আলাদা আবেগ কাজ করছে। নতুন চ্যানেলে দর্শকরা সাগরজ্যোতিকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করবেন এই বিষয়ে আশাবাদী সকল কলাকুশলীরা।

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: বার্লার পাশে দাঁড়িয়ে সুর বদল দিলীপের

ঘুরপথে হলেও, জন বার্লার পাশে দাঁড়ালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আলাদা উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবি অন্যায্য নয় বলে বিতর্কে বাড়ালেন দিলীপ। এমনকী, পৃথক জঙ্গলমহল রাজ্যের দাবিকেও সমর্থনই জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। শনিবার জলপাইগুড়িতে দাঁড়িয়েই উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্যে করার দাবিতে নিজের সমর্থন জানালেন দিলীপ। সেটাও আবার এই দাবি তুলে বিতর্কে জড়ানো আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লার উপস্থিতিতে। বললেন, মানুষের কথা বললেই কি বিচ্ছিন্নতাবাদী বলতে হবে নাকি!আরও পড়ুনঃ মনোজ-সামান্থার সেরা পুরস্কারবার্লা উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য করার দাবি তোলার সময়েও দিলীপ তার বিরোধিতা করেননি। আবার এ ভাবে সমর্থনও জানাননি। তবে সেই দাবি ওঠার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল সরকারকেই দায়ি করেছেন তিনি। শনিবার দিলীপ বলেন, আজ যদি জঙ্গলমহল এবং উত্তরবঙ্গ আলাদা হতে চায় তার সমস্ত দায়িত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ৭৫ বছর ধরে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন হয়নি। কেন এখানকার মানুষকে চিকিৎসা, শিক্ষা, চাকরি, স্বাস্থ্য ইত্যাদির জন্য বাইরে যেতে হবে। কেন হাসপাতাল, ভাল, স্কুল নেই? কেন কল কারখানা, জীবিকার ব্যবস্থা নেই? জঙ্গলমহলেও সেই অবস্থা। মা, বোনেরা শালপাতা, কেন্দুপাতা নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। কেন তাঁদের চাকরির জন্য রাঁচি, ওডিশা, গুজরাতে যেতে হচ্ছে? এই দেশের স্বাধীনতা, উন্নয়নের লাভ পাওয়ার অধিকার নেই তাঁদের? তাই তাঁরা যদি এই দাবি তুলে থাকেন তা হলে সেটা নাজায়েজ নয়।শনিবার বিজেপি-র উত্তরবঙ্গে বার্লার শহিদ সম্মান যাত্রা কর্মসূচিতে যোগ দেন দিলীপ। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে দিলীপ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জন বার্লা এক জন জনপ্রতিনিধি। যাঁরা তাঁকে জিতিয়েছেন তাঁদের কথা শোনাটা তাঁর দায়িত্ব। তিনি তাই বলেছেন। সেই সঙ্গে পাহাড়ে আলাদা রাজ্যের দাবি প্রসঙ্গে দিলীপ মমতার নাম না করেও খোঁচা দেন। বলেন, উনি তো গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে জিইয়ে রেখে জিটিএ-তে সই করেছিলেন। তখন প্রশ্ন ওঠেনি? যখন লোকের আওয়াজকে আমরা তুলে ধরেছি, তখন আমরা বিচ্ছিন্নতাবাদী হয়ে গেলাম?

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলের

তারিখের পর তারিখ। বৈঠকের পর বৈঠক। একের পর এক চিঠি চালাচালি। তবুও জট কাটার লক্ষন নেই ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্কে। শুক্রবার রিলায়েন্সের মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না লালহলুদের।প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। পরে সোমবার সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠায় শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। কিন্তু সংশোধিত চুক্তিপত্রেও দুটি শর্ত নিয়ে আপত্তি জানান লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিলালহলুদ কর্তাদের পক্ষ থেকে আবার চিঠি দেওয়া হয় শ্রী সিমেন্টকে তাদের মতামত জানার জন্য। তারপর কর্মসমিতির বৈঠকে সই করার বিষয়টি অনুমোদন করানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের কোনও উত্তর না পাওয়ায় পরপর দুদিন কর্মসমিতির বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়েছে। আমরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছি। যথাযথ জায়গায় আলোচনা করে মধ্যস্থতাকারীরা সিদ্ধান্ত জানাবেন। বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানান চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে কোন কোন বিষয়ে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মধ্যস্থতাকারী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে পরের পদক্ষেপ জানাবেন। তারপর ক্লাব নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে। তাই শুক্রবার সন্ধ্যার কার্যকরী সমিতির বৈঠক বাতিল করে ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশলালহলুদ সূত্রের খবর, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে নো অবজেকশন দেওয়ার শর্তে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ক্লাবের দাবি, লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হোক, ক্লাব তাঁবুর কোন অংশ ক্লাবের অধীনে থাকবে। বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে এই ব্যাপারে ইস্যুতে তাদের দাবি মানা না হলে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবে না। অন্যদিকে শুক্রবার ইনভেস্টর শ্রীসিমেন্টের প্রতিনিধি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, শেষ চুক্তিপত্রের কোন রকম পরিবর্তন হবে না। নতুন কোনও শর্ত মানা সম্ভব নয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

MImi Chakraborty : নতুন ছবির প্রস্তুতি শুরু মিমির

টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক অরিন্দম শীল। তার নতুন সিনেমা আসছে। বেশ কিছু বড় কাস্টও রয়েছে এই ছবিতে।বৃষ্টিভেজা সকাল। মেকআপহীন লুক। শপিং মলে হাজির মিমি চক্রবর্তী। পরনে হলুদ কুর্তি আর সাদা চুড়িদার। এমন লুকে মিমিকে খুব বেশি দেখা যায় না, কিন্তু এমনই অবতারে মঙ্গলবার অরিন্দম শীলের নতুন ছবি খেলা যখন-এর শ্যুটিং শুরু করবেন মিমি। শ্যুটিং ফ্লোরে মুখোমুখি হলেন মিমি ও সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। মিমি জানিয়েছেন, এই চরিত্রের জন্য (উর্মি।) তাঁর গালে হাল্কা কাটা দাগ আর চোখের নীচে কালির রং মেকআপ আর্টিস্ট তৈরি করে দিয়েছে, বাকি কোনও মেক-আপের ঝামেলা নেই। গত সপ্তাহেই ছবির শুভ মহরত সুসম্পন্ন হয়েছিল, আর এদিন থেকে পুরোদমে শ্যুটিং শুরু হল। দীর্ঘদিন নানান জটিলতার জেরে আটকে অরিন্দম শীলের এই ড্রিম প্রোজেক্ট। এদিন ইনস্টাগ্রামে শ্যুটিংয়ের ফাঁকের একটি ছবি পোস্ট করে মিমি লেখেন, অনিন্দম শীল এই ছবির জন্য আড়াই বছর অপেক্ষা করেছেন. অবশেষে এটা শুরু হল, আপনাদের সকলের অনেক ভালোবাসা আর আর্শীবাদ চাই।আরও পড়ুনঃ বিপদের দিনে আফগান হিন্দু ও শিখদের পাশে ভারতসুস্মিতাকে এর আগে দর্শকরা প্রেম টেম সিনেমায় অভিনয় করতে দেখেছেন। মিমি-অর্জুন-সুস্মিতা ছাড়াও খেলা যখন-এ থাকবেন অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, করণ হরিহরণ এবং আরজে জিনিয়া। আগামী ডিসেম্বরে এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। অবশেষে সোমবার সন্ধেয় ইমেল করে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। এখন দেখার লালহলুদ কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সই করার বিষয়ে সম্মতি দেন কিন। চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হন। বেশ কয়েকটি শর্ত থেকে পিছিয়ে আসেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারাও কয়েকটি শর্ত নিয়ে নমনীয় মনোভাব দেখান। শ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। তবে, সূত্র মারফত জানা গেছে ক্লাবের সদস্যদের নথি লগ্নিকারী সংস্থার কাছে জমা রাখার এবং ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের জন্য নো অবজেকশনের শর্ত, এই দুটি পরিবর্তন করেনি শ্রী সিমেন্ট। তবে ক্লাবের সদস্যদের নথি জমা রাখার শর্তে লালহলুদ কর্তারা রাজি হয়েছেন। ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের শর্ত নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কারণ, ক্লাব তাঁবু যেহেতু মিলিটারির অধীনে, তাই লালহলুদ কর্তাদের বক্তব্য এই ব্যাপারে তাঁরা সম্মতি দিতে পারবেন না। এখন দেখার, সবকিছু মেনে নিয়ে সই করেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Horror Stories : মুক্তি পেল হরোর স্টোরিস

সিনেমা হল খুলে গেছে। আর হল খোলার পরেই প্রথম যে বাংলা সিনেমা মুক্তি পেল সেটা হরোর স্টোরিস। অ্যাক্রোপলিস মলে এই ছবির প্রিমিয়ারও হয়ে গেল। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা, অভিনেত্রী থেকে শুরু করে অন্যান্য কলাকুশলীরা। এছাড়া এই বিশেষ দিনে হাজির হয়েছিলেন টলিউডের পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রীরা। প্রিমিয়ারে হাজির হয়ে যান পরিচিত ইউটিউবার স্যান্ডি সাহা।আরও পড়ুনঃ ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসকে বিশেষভাবে স্মরণ করতে নতুন উদ্যোগপরিচালক এই ছবি নিয়ে কতটা এক্সাইটেড সেটা জনতার কথাকে রিলিজ হওয়ার আগেই জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন,হরোর স্টোরিস রিলিজ নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। সকাল থেকে শো রয়েছে। এতদিন দিন লকডাউনের পর ছবি খুলছে, হল খুলছে, আমাদের সিনেমা প্রথম রিলিজ। তাই টেনশনও হচ্ছে। আমার মনে হয় মানুষ দেখবে বাংলা ছবি। সিনেমা তো হলে দেখতেই ভালো লাগে। সেই এক্সাইটমেন্ট ছবি মুক্তির পরেও পাওয়া গেল। হরোর স্টোরিসের একটা পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে একটা ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি। ক্যাপশনে লেখা,দারুণ অনুভূতি।আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতিমুক্তির পর এখনও পর্যন্ত এই ছবি দর্শকদের থেকে ভালো ফিডব্যাকই পেয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি মানুষ হরোর স্টোরিসের ভৌতিকতার স্বাদ নিতে আসবে বলে আশাবাদী ইউনিটের সকলেই।

আগস্ট ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Snehashis Ganguly : অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সিএবি সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলি

অসুস্থ হয়ে আবার হাসপাতালে ভর্তি সিএবি সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের লোকজনের সঙ্গেও কথা বলেছেন। স্নেহাশিসের অসুস্থতার খবর পেয়েই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন ভাই সৌরভ গাঙ্গুলি। লন্ডন থেকে ফোনে দাদার খোঁজখবর নিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতিশুক্রবার রাতে হঠাৎই বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্নেহাশিস। পরিবারসূত্রে জানা গেছে, প্রচন্ড জ্বর আসার পাশাপাশি বুকে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করেন তিনি। সাময়িকভাবে কথাবার্তাও বন্ধ হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে স্নেহাশিসকে রাতেই তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা কোনও ঝুঁকি না নিয়ে জরুরী পরিষেবা বিভাগে ভর্তি করে দেন। অন্যান্যদের সঙ্গে স্নেহাশিসকে নিয়ে হাসপাতালে যান সৌরভ গাঙ্গুলির মেয়ে সানা। খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতলে ছুটে যান সৌরভের ঘনিষ্ট বন্ধু। তাঁরা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে স্নেহাশিসের শারীরিক অবস্থার খুঁটিনাটি জানান সৌরভকে। আরও পড়ুনঃ ক্রিকেটের মক্কাতে কলুষিত ক্রিকেটরাতেই স্নেহাশিসের নানা রকম শারীরিক পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকদের অভিমত, হজমের সমস্যা থেকেই সিএবি সচিব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। আপাতত কিছুটা সুস্থ হওয়ায় জরুরী বিভাগ থেকে সরিয়ে হাসপাতালের সাধারন বেডে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। স্নেহাশিসের কোভিড ১৯ রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলেও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। তবে তাঁকে আরও কয়েকদিন হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?গত বছর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন স্নেহাশিস গাঙ্গুলি। কয়েক মাস আগে হৃদযন্ত্রেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সিএবি সচিবের হৃদযন্ত্রেও স্টেন্ট বসাতে হয়েছিল। তারপর থেকে সবকিছু নিয়মমাফিক চললেও আবার শুক্রবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। লন্ডন থেকেই ফোনে ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। সচিবের অসুস্থতার খবর পেয়ে খোঁজখবর নেন সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়াও।

আগস্ট ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌পরিমার্জিত চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে শ্রী সিমেন্ট, আজই খুলতে পারে লালহলুদের জট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনেই কি খুলে যাবে লালহলুদের চুক্তিজট? সম্ভাবনা প্রবল। আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে নতুন চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার চুক্তিপত্রে সই করে দেবেন লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হয়েছেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা চাইছেন আজই পরিমর্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গলের কাছে পাঠাতে।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরশ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠাব। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইএদিকে, আজই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসছে ইস্টবেঙ্গলে। বৈঠকের আগে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাতে সই করা হবে কিনা বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লালহলুদ কর্তারা আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না। অনেক কর্তাই চুক্তিপত্রে সই করার জন্য মত দিয়েছেন। প্রাক্তন কর্তাদের নিয়ে যে ১১ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিও সই করার কথা বলেছে। ১৬ আগস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। তার আগেই বিতর্ক মেটাতে চাইছে দুই পক্ষ। এর মধ্যেই যদি চুক্তিপত্রে সই হয়ে যায়, তাহলে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে কলকাতা লিগে নেমে পড়বে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে শুধু স্বদেশি ফুটবলারদের নিয়ে দল গঠন করা হবে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • ...
  • 61
  • 62
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal