• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

রাজ্য

কৈলাস-দিলীপের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে শিলিগুড়ি-ফুলবাড়ি এলাকা। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির সময়ই ভাঙচুর হয় বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র গাড়ি। অন্যদিকে উত্তরকন্যা অভিযান চলাকালীন তাদের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। তাদের আঙুল পুলিশের দিকে। এমনকি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় ছড়রা গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। উত্তরকন্যা অভিযানে দলীয় কর্মীর মৃত্যুর অভিযোগে আসরে নামে বিজেপি। বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বনধে গতকালও ধুন্ধুমার বাঁধে শিলিগুড়িতে। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ঠান্ডা পড়বে রাজ্যে এই পরিস্থিতিতে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের। দুই বিজেপি নেতা সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে উত্তরকন্যা অভিযানে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ২টি অভিযোগ হয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি থানায়। শিলিগুড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হিংসা ছড়ানো, অশান্তি সৃষ্টি, ট্রাফিক গার্ড ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে নিগ্রহ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ঠান্ডা পড়বে রাজ্যে

ঘন কুয়াশার দাপট রাজ্যে। আগামী কয়েকদিন এই কুয়াশার দাপট থাকবে বলে জানানো হয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে। বেলা বাড়লে অবশ্য কুয়াশা সরে যাবে। কিন্তু আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে কলকাতা সহ সমগ্র দক্ষিণবঙ্গে ঠান্ডা পড়বে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। সোমবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৬ শতাংশ। এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগরে বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তার জেরে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। এছাড়া রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকায় সকাল থেকেই কুয়াশা দেখা যাচ্ছে রাজ্যে। এদিন দমদম , ডায়মন্ড হারবার সহ কয়েকটি এলাকায় দৃশ্যমানতা ১০০ থেকে ২০০ মিটারে নেমে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ উলেন রায়ের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে তাপমাত্রার পরিবর্তন হবে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কমে যাওয়ায় উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করবে। তার ফলে নামতে শুরু করবে পারদ। তারপর থেকে ঠান্ডা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন তারা। উত্তরবঙ্গে অবশ্য ঠান্ডা পড়েছে। তেমন জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও হাল্কা বৃষ্টি হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এখন কয়েকদিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বলে আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি

বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়ল। পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ি এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সামনেই বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। কোচবিহার শহরে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার টার্মিনাসে বিজেপি কর্মীরা পিকেটিং শুরু করেন। সরকারি বাস আটকে দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। মাথাভাঙায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। এদিন শিলিগুড়িতে সকাল থেকে বেশ কিছু দোকানপাট বন্ধ ছিল। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ার শহরে সরকারি বাস ডিপোর গেট বন্ধ করে পিকেটিং শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। অসমের বারোবিশা সীমানায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শিলিগুড়িতে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়। এমজি মোড়ে যুব মোর্চা মিছিল করতে গেলে রাস্তা আটকানো হয়। প্রতিবাদে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় যুব মোর্চা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টারে। ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও কোচবিহার জেলা পরিষদ দপ্তরে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। বালুরঘাটে এনবিএসটিসি স্ট্যান্ডের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ কৃষক সংগঠনগুলোর ডাকে ভারত বনধে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে রেল ও রাস্তা অবরোধ প্রসঙ্গত, বিজেপির অভিযান ঘিরে গতকাল রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শিলিগুড়ি। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা এগোনোর চেষ্টা করলে পাল্টা জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। হয় লাঠিচার্জও। ফুলবাড়িতে পুলিশের মারে তাদের কর্মী উলেন রায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি বিজেপির। ই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধের ডাক দেয় বিজেপি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির

আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধ ডাকল বিজেপি। উত্তরকন্যা অভিযানে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বন্ধ ডাকা হয়েছে। তাঁদের দাবি, আহত হয়েছে ৪০ জন কর্মী। ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি। প্রত্যেকের গায়ে গুলির দাগ রয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। একজন মারা গেছেন। আহতদের দেখতে দিলীপ ঘোষ ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় হাসপাতালে গেছেন। আরও পড়ুন ঃ আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের এদিকে রাজভবনে রাজ্যপালের কাছে গেলেন বিজেপি প্রতিনিধি দল। ছিলেন লকেট এবং জয়প্রকাশ এবং ভারতী ঘোষ, শোভন এবং বৈশাখী। সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা জানালেন, আগামিকাল রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ করবে বিজেপি। যদিও প্রশাসনের দাবি, পুলিসের মারে মৃত্যু হয়নি ওই ব্যক্তির। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। এদিন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আশপাশের বাড়ির ছাদ থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তৃণমূল কর্মীরা পাথর ছুঁড়েছে। একেবারে নন্দীগ্রামের কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

দিদিমণিকে দেখে মায়া হয়ঃ দিলীপ

মোদিজি কৃষকদের কষ্ট বোঝেন। সেই কারণেই আলুর সহায়ক মূল্য বাড়িয়েছেন। রবিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের মুকুন্দপুরে কিষাণ মোর্চার সভায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে এদিন ফের তিনি বলেন, আলুর কাটমানির টাকা যাচ্ছে কালীঘাটের টালির ছাদের নিচে। সব ওখানে জমছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে বলেন, দিদিমণি সব কিছুরই বিরোধিতা করেন। কারণ উনি মানুষের কথা ভাবেন না। তিনি বলেন, যেখানে যা হচ্ছে উনি চিংড়ি মাছের মতো লাফাচ্ছেন। চিন্তায় দিদিমণি শুকিয়ে যাচ্ছেন। দেখে মায়া হয়। উনি ক্ষমতায় থেকেও এই অবস্থা। আর আমরা ক্ষমতায় না থেকেও দিব্যি আছি। সব পাচার বন্ধ। কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্তে নেমেছে। সব সত্য এবার প্রকাশ্যে আসবেই। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবেঃ রাজীব এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুরে চা চক্রের আসরে শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, অনেক আম পেকেছে তৃণমূলে। শুধু পাড়ার অপেক্ষা। গাছ পাকা আমই ভাল। কার্বাইডে পাকানো আম ভাল নয়। এদিন সকালে চা চক্রে সুদীপ্ত সেনের চিঠি নিয়ে তিনি বলেন, যে চিঠি দিয়েছেন, সিবিআই তার সত্যতা যাচাই করবে দিল্লিতে। সবটাই সিবিআইএর হাতে। তাতে যদি কেউ দোষী হয়ে থাকেন তবে তার বিচার হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে বলেন, লোকজন হবে না মুখ্যমন্ত্রীর সভায়। সেরকম হলে আমরা লোক পাঠিয়ে সহযোগিতা করতে পারি। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। বলেন , তৃণমূল হারছে। বিদায় হয়ে যাচ্ছে। তাই শেষ কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে। সুশান্ত ঘোষ কোর্টের নির্দেশে ঘরে ফিরছেন। আগে যা হয়েছে, সেটা ভুলে লোকের কাছে প্রায়শ্চিত্ত করুক। ক্ষমা চান, নতুন করে রাজনীতি শুরু করুন।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বি আর আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগদীপ ধনকড় বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনওদিন তার উত্তর মেলে না রাজ্যের থেকে। আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না। বরং সংবিধানের উলটো পথে চলছেন। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার বারবার তলব সত্ত্বেও কারও তরফে কোনও জবাব মিলছে না। পুলিশ রাজনৈতিক নেতাদের মতো করে কাজ করছেন। এদিনই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে টুইটও করেন রাজ্যপাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে লেখেন, সংবিধান মেনে শাসনব্যবস্থা পরিচালনা হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হতে চললেও দেখা নেই শীতের

আগামী চার-পাঁচদিন তাপমাত্রা কমার কোন সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে রবিবার এমনটাই জানানো হয়েছে। রাতের তাপমাত্রাও একইরকম থাকবে। তবে সকালের দিকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় কুয়াশা থাকবে। কলকাতায় রবিবার সকালে ছিল মেঘমুক্ত আকাশ। পরে আকাশ আংশিক মেঘলা হওয়ার সম্ভাবনা। সকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৯ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাও ছিল স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে সর্বোচ্চ জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ জল্পনা খারিজ করে তৃণমূলেই থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন মৌসম আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরে ঢোকা পশ্চিমি ঝঞ্ঝা হিমালয়ের পূর্ব এলাকায় সরে যাবে। তাই বৃষ্টি এবং তুষারপাতের পরিস্থিতি তৈরির সম্ভাবনা। পশ্চিমি ঝঞ্ঝা সরে গেলে মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি কমবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারীঃ দিলীপ

পূর্ব মেদিনীপুর থেকেই বাংলায় পরিবর্তনের সূত্রপাত হবে বলে দাবি করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে বালিঘাইতে প্রাতঃভ্রমণ ও চা চক্র করেন তিনি। সেখানে দিলীপবাবু বলেন, বিজেপিতে অনেকে এসেছেন। এসে পদ পেয়েছেন। এমএলএ, এমপি করেছি। মুকুল রায়কে এমপি সহ অনেক পদ দেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে বেশি লাফালাফি করলে ওখানে চাকরবৃত্তি করতে হবে। একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, মেদিনীপুর থেকেই রাজ্যে প্রতিনিধিত্ব করবেন শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২ এদিন নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, কোলে চড়া নেতারা ছড়ি ঘোরাবে, তা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। এদিন দিলীপবাবু এগরায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করেন। পরে পাঁচটি বাড়িতে গৃহসম্পর্ক অভিযান করেন তিনি। এদিকে , এদিন সকালে দিলীপ ঘোষের চা চক্র উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছিল একটি মঞ্চ। তার উপর দাঁড়িয়ে দলীয় পতাকা হাতে নিতেও দেখা যায় তাঁকে। সেই সময় তাঁকে মঞ্চের উপরে ছিলেন বেশ কিছু স্থানীয় নেতা। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করেই দেখা যায় সবাইকে নিয়ে নীচের দিকে বসে পড়েছে মঞ্চ। যদিও মঞ্চ খুব উঁচু না হওয়ায় তেমন কেউ চোট পাননি। এই ঘটনার পরই মাইক হাতে নিয়ে বসে যাওয়া মঞ্চে দাড়িয়েই দিলীপের কটাক্ষ, আজ মঞ্চ ভাঙল। মে মাসে সরকারটাই ভেঙে যাবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে দলে নিয়ে আসবঃ দিলীপ

দুয়ারে সরকারের নামে বাইক মিছিল বের করা হচ্ছে। সরকারি প্রতিনিধিদের খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন নাকি তারা দুয়ারে দুয়ারে যাবেন। শুক্রবার জোকায় চা চক্রে হাজির হয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন এক সভা থেকে তিনি আরও বলেন, কলকাতায় বিজেপি নেই যারা বলছে তাদের চোখে ন্যাবা হয়েছে। এবার কোনও চালাকি খাটবে না। সব ঔষধ তৈরি আছে। দিদিমনি এবার হারবে। গঙ্গার ওপারে তৃণমূল কে ঝান্ডা তুলতে দেব না। পুরসভার ভোট আমাদেরই করতে হবে। প্রার্থী পাবেন না। এজেন্ট পাবেন না। আমাদের সাথে যা যা করেছেন আমরা তাই তাই করব। দিদিকে ৫০ টা সিটে আটকে রাখব। আরও পড়ুনঃ ফের মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ দিলীপ ঘোষের তিনি দাবি করেন, বিজেপি শক্তিশালী হচ্ছে তাই সিন্ডিকেট বন্ধ হচ্ছে। নতুন সময় নতুন বাংলা আমরা গড়ব। যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে বিজেপিতে নিয়ে আসব। অভিষেকের নাম না করে তিনি বলেন, খোকাবাবু আমাকে গুন্ডা বলেছে। এই সমস্ত বন্ধ করতে গুন্ডামি করব। তার দাবি, অর্ধেক কাউন্সিলর লাইন দিয়ে রেখেছে বিজেপিতে আসার জন্য। পুলিশও এখন বিজেপিকে চাইছে। পুলিশকে আমরা তাঁদের সন্মান ফিরিয়ে দেব। উর্দির সন্মান ফিরিয়ে দেবে বিজেপি। যোগ্য সন্মান ও প্রতিষ্ঠা দেবে বিজেপি। তার দাবি, বিজেপির চিৎকার- চেঁচামেচির পর ডিএ বেড়েছে। কৃষক প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, কৃষকদের শোষণ করা হচ্ছে এ রাজ্যে। কৃষকদের প্রধানমন্ত্রী ৬ হাজার টাকা করে দিচ্ছে। কিন্তু এই রাজ্যের কৃষকরা তা পাচ্ছে না। চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে তার মন্তব্য, হাসপাতালে শুধু বিল্ডিং হয়েছে। কোনও ডাক্তার, নার্স নেই। আয়ুস্মান প্রকল্প চালু করলে মানুষ চিকিৎসা করাতে সুবিধা পেত। বাইরে গিয়েও চিকিৎসা করাতে পারত। দিদিমনির কাছে টাকা এলে গরিব মানুষ সেই টাকা পাবে না।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে দলে নিয়ে আসবঃ দিলীপ

দুয়ারে সরকারের নামে বাইক মিছিল বের করা হচ্ছে। সরকারি প্রতিনিধিদের খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন নাকি তারা দুয়ারে দুয়ারে যাবেন। শুক্রবার জোকায় চা চক্রে হাজির হয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন এক সভা থেকে তিনি আরও বলেন, কলকাতায় বিজেপি নেই যারা বলছে তাদের চোখে ন্যাবা হয়েছে। এবার কোনও চালাকি খাটবে না। সব ঔষধ তৈরি আছে। দিদিমনি এবার হারবে। গঙ্গার ওপারে তৃণমূল কে ঝান্ডা তুলতে দেব না। পুরসভার ভোট আমাদেরই করতে হবে। প্রার্থী পাবেন না। এজেন্ট পাবেন না। আমাদের সাথে যা যা করেছেন আমরা তাই তাই করব। দিদিকে ৫০ টা সিটে আটকে রাখব। আরও পড়ুনঃ ফের মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ দিলীপ ঘোষের তিনি দাবি করেন, বিজেপি শক্তিশালী হচ্ছে তাই সিন্ডিকেট বন্ধ হচ্ছে। নতুন সময় নতুন বাংলা আমরা গড়ব। যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে বিজেপিতে নিয়ে আসব। অভিষেকের নাম না করে তিনি বলেন, খোকাবাবু আমাকে গুন্ডা বলেছে। এই সমস্ত বন্ধ করতে গুন্ডামি করব। তার দাবি, অর্ধেক কাউন্সিলর লাইন দিয়ে রেখেছে বিজেপিতে আসার জন্য। পুলিশও এখন বিজেপিকে চাইছে। পুলিশকে আমরা তাঁদের সন্মান ফিরিয়ে দেব। উর্দির সন্মান ফিরিয়ে দেবে বিজেপি। যোগ্য সন্মান ও প্রতিষ্ঠা দেবে বিজেপি। তার দাবি, বিজেপির চিৎকার- চেঁচামেচির পর ডিএ বেড়েছে। কৃষক প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, কৃষকদের শোষণ করা হচ্ছে এ রাজ্যে। কৃষকদের প্রধানমন্ত্রী ৬ হাজার টাকা করে দিচ্ছে। কিন্তু এই রাজ্যের কৃষকরা তা পাচ্ছে না। চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে তার মন্তব্য, হাসপাতালে শুধু বিল্ডিং হয়েছে। কোনও ডাক্তার, নার্স নেই। আয়ুস্মান প্রকল্প চালু করলে মানুষ চিকিৎসা করাতে সুবিধা পেত। বাইরে গিয়েও চিকিৎসা করাতে পারত। দিদিমনির কাছে টাকা এলে গরিব মানুষ সেই টাকা পাবে না।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে রাজ্যে বাধা পাচ্ছে উত্তুরে হাওয়া

ডিসেম্বর মাস পড়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও শীতের দেখা নেই রাজ্যে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই সপ্তাহের তাপমাত্রা এরকমই থাকবে। শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। রাতে ও সকালে শীতের আমেজ থাকলেও বেলা বাড়লে শীতের আমেজ কমবে। বিকেলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৮ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয়বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৯৯ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল কর্মচারী ফেডারেশনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল শুভেন্দুকে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই আগামী ৪৮ ঘণ্টায়। আজ একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকছে জম্মু-কাশ্মীরে। এর প্রভাবে জম্বু-কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচলপ্রদেশ, উত্তরাখন্ড, উত্তরপ্রদেশ এবং অরুণাচলে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা নতুন করে ঢুকবে সোমবার। একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার মাঝে সময় না থাকায় উত্তরে হাওয়া বাধা পাবে। এর কারণে তাপমাত্রা নামার কোন লক্ষণ দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

ফের মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

ফের বেলাগাম বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার বালিগঞ্জে দলীয় সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে দিলীপ বলেন, আমি নিউটাউনে থাকি। রোজ প্রাতঃভ্রমণে বেরোই। একদিন ভাবলাম সিলিকন ভ্যালিতে যাই। সিলিকন ভ্যালিতে গিয়ে দেখে এসেছি দিদিমণির কাটআউট উল্টে পড়ে রয়েছে। ঘাস হয়ে রয়েছে। ছাগল চড়ছে। ঢপের চপ খেয়ে খেয়ে আমাদের পেট ফুলে গেল। আপনার কথা আর কেউ বিশ্বাস করে না। আরও পড়ুন ঃ আর কোনও কথা নয়, শুভেন্দুকে হোয়াটসঅ্যা্পে জবাব সৌগতর এখানে পুজো হয়, মেলার উদ্বোধন হয়। কারখানার উদ্বোধন করেছেন? খেলা, মেলা, লীলা দিদির দায়িত্ব। তিনি বলেন, ২০২০ শেষ হলে করোনা আর তৃণমূল দুই মহামারীই যাবে। তৃণমূলের বহিরাগত তত্ত্বের জবাব দিতে গিয়ে এদিন ফের প্রশান্ত কিশোর, শাহরুখ খানের প্রসঙ্গ টানেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। বলেন, এরা বহিরাগত নয়।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
দেশ

কৃষকদের সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ অধীরের

আমাদের দেশকে যাঁরা খাবার জোগান দেন, তাঁদের অবশ্যই যথাযোগ্য সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া উচিত। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের সমর্থনে টুইট করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী। এদিন কৃষকদের সমর্থনে টুইট করে অধীর চৌধুরী লিখেছেন, হাজারে হাজারে কৃষক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সপ্তাহের উপর ধরে তাঁরা দিল্লীগামী বিভিন্ন রাস্তার উপর বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। আমাদের দেশকে যাঁরা খাবার জোগান দেন, তাঁদের অবশ্যই যথাযোগ্য সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া উচিত। আরও পড়ুন ঃ নয় বছরে দিদির বাংলায় কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ বেড়েছেঃ ডেরেক তিনি লিখেছেন, খোলা আকাশের নীচে তাঁরা বসে রয়েছেন। দিনের পর দিন ধরে তাঁরা সমস্তরকম অসুবিধার মধ্যে দিল্লির হাড়কাঁপানো ঠান্ডা সহ্য করে চলেছেন। আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যত দ্রুত সম্ভব কৃষকদের সমস্যার সমাধান করুক। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় পথে নেমেছেন কৃষকরা। তাঁরা অবিলম্বে নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। আইন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে সেমসাইড গোল হয়ে গেছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

সাইডলাইনের বাইরে ছিলেন। এখন সেমসাইড গোল হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের। শুভেন্দুকে নিয়ে মাস্টারমশাই এমন ঝটকা খেয়েছেন যে চুপ মেরে গিয়েছেন। প্রাইভেট কোম্পানির চেয়েও খারাপ অবস্থা টিএমসির। শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে সৌগত রায়ের নাম না করে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার তিনি ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন। এদিন শুভেন্দু প্রসঙ্গে দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে কিছু বলার নেই। বৈঠকেরও এখনও পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, এখানে দাঁড়িয়ে আল্টিমেটাম দিচ্ছি, মানুষকে অত্যাচার করবেন না, শুধরে যান। মে মাসের পর সব হিসেব হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিচ্ছে হাসপাতাল সেই কার্ড নেয় না। হাসপাতাল হয়েছে, কিন্তু সেখানে আগে টাকা পরে ডাক্তার। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, এখানে কোথাও চাকরি নেই সব যাচ্ছে বাংলার বাইরে। দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি নিয়ে তার বক্তব্য, দুয়ারে সরকার করছে। বিডিও নাকি বাড়িতে আসবে? কেউ বিশ্বাস করে এই কথা? কত রকম সাথী কত রকম শ্রী! টাকা আসছে কোথা থেকে? কেন্দ্র নাকি টাকা দেয় না! এরা বাড়ি এলে ছাড়বেন না নারকেল গাছে বেঁধে জবাব চাইবেন! তার কটাক্ষ, জঙ্গলমহলে তিনদিন বসেছিল দিদিমণি। কেউ খেতে ডাকেনি কেউ দেখা করতেও আসেনি। এবার বসার জন্য অন্তত একটা খাটিয়া পেয়েছে এরপরে চাটাই ও পাবেন না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল অভিষেককে কটাক্ষ করে তার মন্তব্য, ভাইপোকে কি ভাগ্নে বলব? আদর করে বলতাম এত রাগ করার কী আছে? তিনি তৃণমূল নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, প্রত্যেক নেতা রাত হলেই পার্টি, বোতল। সবকটা নেতার চেহারা দেখুন, টাকা কোথা থেকে এলো? হয় সিন্ডিকেটের টাকা না হলে পঞ্চায়েতের ঝাড়া টাকা। সবকটাকে কোমরে দড়ি পরিয়ে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাব। সব নেতাদের নীল-সাদা বাড়ি গাড়ি। এই বাড়ি গাড়ি মে মাসের পরে ভোগ করতে দেব না। সব অকশন করব। কে কিনবেন ভেবে রাখুন। বুধবার থেকেই ইকো পার্কে তৃণমূল কর্মীরা সব বেচে দে টি-শার্ট পরে শরীরচর্চা করতে শুরু করেন। ঠিক দিলীপ ঘোষ যেখানে রোজ হাঁটতে যান, তার উল্টো দিকে দাঁড়িয়েই তৃণমূল এই কর্মসুচি পালন করছে। আজ দিলীপবাবু বলেন, এটা রাজনীতি করার জায়গা নয়, শরীরচর্চা করার জায়গা। ওরা সব সিন্ডিকেট করে। মোদীজির ফিট ইন্ডিয়া আহ্বানে অনুপ্রাণিত হয়ে ওরা শরীরচর্চা করছেন। যদিও ইকো পার্কে রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে ঘোরা উচিত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিউটাউনের যে অঞ্চলে দিলীপ ঘোষ আজ চা-চক্র করেন, সেই এলাকায় সিন্ডিকেটের রমরমা বলে বারবার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাই দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে বারবার সিন্ডিকেট ইস্যু ঘুরে ফিরে এসেছে। অন্যদিকে মিহির, নিশীথকে নিয়ে দিলীপ জানান, ওরা গতকাল রাতে এসেছিলেন। দিল্লি থেকে ফিরে উনারা আমার সঙ্গে কথা বলেন। দলীয় কাজকর্ম শুরু করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, আপার প্রাইমারি আন্দোলনকারীদের নিয়ে তুলে দেওয়া নিয়ে তার বক্তব্য গোটা রাজ্যে ১৪৪ করা হচ্ছে। কাউকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। মাদ্রাসার টিচারদেরও আন্দোলনের আগে তুলে নেওয়া হয়। মদন মিত্রের প্যাক আপ পোস্ট নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, সন্তুষ্ট করতে এসব কাজ করছেন। পার্টি ও সরকারে নতুন পদ তৈরি করা হচ্ছে। আগে এই কারণে পুরষ্কার চালু করেছিলেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা বিজেপির

রাজ্য সরকারের দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচির পালটা আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা করল বিজেপি। বুধবার রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সাংবাদিক সম্মেলনে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করে বলেন, সকলের সামনে তৃণমূলের দুর্নীতি, অত্যাচার, স্বৈরাচারের কথা তুলে ধরা হবে। জানালেন, ৫ তারিখ থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। ওইদিন থেকে সব বুথে বুথে এই অভিযান শুরু হবে। ১ কোটির বেশি মানুষের কাছে যাবে বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন তিনি বলেন, আমফানের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। সাধারণ মানুষ ত্রাণের টাকা পায়নি, শুধুমাত্র তৃণমূলের লোকেরাই ত্রাণের টাকা পেয়েছে। তেমনি করোনার সময় মাস্ক, স্যানিটাইজার নিয়েও দুর্নীতি করেছে এই সরকার। এছাড়াও ২০০৯ সালে আয়লা এসেছিল তখন পাঁচ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্র থেকে আসে কিন্তু তখনও সেই টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়। দিলীপের দাবি, আমফানের তদন্তের সাথে সাথে আয়লারও তদন্ত করা হোক। আরও পড়ুন ঃ ভাতা নয় চাকরি চাই , এই দাবিতে যুবশ্রীদের বিক্ষোভ বর্ধমানে দুয়ারে একুশের ভোট। তাই ডিসেম্বরের পয়লা তারিখ থেকেই মানুষের দুয়ারে সরকার। নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত ১২ প্রকল্প-সহ অভাব, অভিযোগ, সমস্যা শুনতে মঙ্গলবার থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত এই প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে। রাজ্যের সমস্ত পঞ্চায়েত এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লকের সমস্ত পরিকাঠামো নিয়ে প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আগামী দুমাস ধরে চারটি পর্যায়ে হবে শিবির। এখান থেকে ১২টি পরিষেবা সংক্রান্ত প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা কার্যত ঘরের দুয়ারে গিয়ে হাতে হাতে পৌঁছে দেবে প্রশাসন। সেই সঙ্গে জনসাধারণের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যার কথাও শুনবেন প্রশাসনের কর্মীরা। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর হোয়াটসঅ্যাপ প্রসঙ্গে সৌগত রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দুকে খুশি করতে বুড়ো খোকারা নেমেছিলেন। কাল রাতে আমার কাছে ফোন এল শুনলাম সব ঠিক হয়ে গেছে। সকলের হাসিমুখ। আবার শুনছি এসব। যুবকরা কিছুতেই তৃণমূলের বুড়ো খোকাদের কথা শুনছে না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি, বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপের

বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি রয়েছে। বুধবার এমনই মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে রোজগারের জন্য বাইরে থেকে বাংলায় আসছেন মানুষ। গঙ্গার পাড়ে জুটমিলে বেশিরভাগ বাংলার বাইরের মানুষ কাজ করতেন। বাংলায় যা উন্নয়ন হয়েছে তাতে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের অবদান বেশি। রাজ্যে কাজ করা বিহারীরা যদি বহিরাগত হয় তাহলে পিকে কে? প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি তিনি শাহরুখ খান বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসডর হওয়া নিয়েও রাজ্যকে কটাক্ষ করেন। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল এছাড়াও এদিন ক্যানিং স্ট্রিটের চায়ে-পে-চর্চায় দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন তৃণমূলে গৃহযুদ্ধ চলছিল, এখন মানভঞ্জন চলছে। এখানেই শেষ নয়, সরকারি মঞ্চ থেকে দুয়ারে সরকারের নামে দলের প্রচার হলে আইনের দ্বারস্থ হতে হবে। নির্বাচন কমিশনেও যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি বাবুয়া বলে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, কে গুন্ডা , সবাই জানে। এছাড়াও প্রতিদিনের মতো এদিন সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে তিনি যখন যোগাভ্যাস করছিলেন ঠিক সেই সময় কিছুটা দূরে রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি মহম্মদ আফতাবউদ্দিন কয়েকজন কর্মী নিয়ে সব বেচে দে গেঞ্জি পরে অভিনব কায়দায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখান। এই প্রতিবাদের বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন দিদির অনুপ্রেরণায় সবকিছু কেনাবেচা করছিলেন, এখন দাদার অনুপ্রেরণায় যোগাভ্যাস করছেন। আমি বলছি ওয়েলকাম, খুব ভালো কথা। কে কাকে বেচছে সে তো সবাই জানে। ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার আগে সব বেচে দে। চলুন সব বিক্রি করুন। এরপর হবে সব কিনে নে। এই যে কেনা বেচার যে ব্যবসা , এটা পশ্চিমবাংলায় আর চলবে না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার পাহাড় থেকে শহরে ফিরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। স্টেশনে তাঁকে স্বাগত জানায় পুলিশ। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিনের টুইটে পুলিশের প্রশংসা করেন তিনি। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতার তকমা এবার পুলিশের গা থেকে ঘুচতে দেখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসটা দার্জিলিংয়ের রাজভবনে ছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। সেখান থেকেই যাবতীয় দায়দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেখানেও একাধিকবার রাজ্য ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পুলিশ। কিন্তু এদিন তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করায় স্বাভাবিকভাবে অবাক প্রত্যেকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল নেতৃ্ত্বকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

তৃণমূল এখন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়েদের মতো বুড়ো খোকাদের বার করেছেন সোনার বাক্স থেকে। ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ ফের শাসক দলের নেতৃত্বের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মাঝখানে যত নেতা ছিল হয় পালিয়েছে, নয় চুপ করেছে, আর সবে মুখ খুলতে শুরু করেছে। দিন কয়েক আগে তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় বলেছিলেন, যাঁরা দল (তৃণমূল) ছেড়ে পালাচ্ছেন তাঁরা ইঁদুর। এই প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদের খোঁচা, বাকিরা ইঁদুর হলে সৌগতবাবু কি মোষ? ওঁকে কেউ দলে নেবে না। তাই উনি তৃণমূলে পড়ে রয়েছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কলকাতায় জিততে পারেননি বলে কাঁথি গেছেন। তৃণমূল অর্থবদের দলে পরিণত হয়েছে। যাঁরা নেতা ছিল তাঁরা হয় পালিয়ে গিয়েছেন, নয়তো চুপ করে গিয়েছেন। যাঁদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তাঁরাই ওই দলে পড়ে রয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় আমদানি করা গব্বর সিংদের মানুষ মেনে নেবে নাঃ ইন্দ্রনীল সেন আজ, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তৃণমূল সরকারের দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি- সরকার এই ধরণের অনেক প্রকল্প ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাস্তবে মানুষ কিছু পায়নি। পার্টির লোকেরা কাটমানি পেয়েছেন। এগুলো সব স্ট্যান্ট। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্টান্ট হচ্ছে। আর কিছু না। একবার রাস্তায় নেমে জিজ্ঞেস করুন কে স্বাস্থ্যসাথী সুবিধা পেয়েছে, সব লোককে বোকা বানানোর রাস্তা। বাংলার লোক আর বোকা হতে রাজি নন। আগের যে সমস্ত কার্ড দিয়েছিল সেগুলো কোথায় গেল তার হিসাব দিতে হবে আর কেউ ভুলবে না। এদিন তাঁর নিশানায় ছিল ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরও। তিনি বলেন, বাইরে থেকে লোক এসে কোন নেতা কী পড়বেন, কী খাবেন, কখন ওষুধ খাবেন-সব ঠিক করে দিচ্ছেন। বাংলায় এমন রাজনীতি আগে ছিল না। এই রাজনীতি বাংলার মানুষ মানতে পারবেন না। তিনি জানান, গুণ্ডা মন্তব্যের জেরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে তার কোনও জবাব এখনও মেলেনি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ দিলীপ ঘোষের আইনজীবীর

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ পাঠালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের আইনজীবী। তাঁর পক্ষের আইনজীবী পার্থ ঘোষ সোমবার আইনি নোটিশ পাঠিয়ে তৃ্ণমূল সাংসদকে মন্তব্য প্রত্যাহার করতে বলেছেন। আগামী তিনদিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলেছেন। অন্যথায় অন্য পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। পার্থ ঘোষ আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে তাঁর মক্কেলের সম্মানহানি করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ আলুর দাম বাড়িয়ে মানুষের পকেট কেটে নির্বাচনী টাকা তুলছে তারাঃ দিলীপ প্রসঙ্গত, রবিবার সাতগাছিয়ার সভা থেকে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, মাফিয়া। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছিলেন ক্ষমতা থাকলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার। এরপর সোমবার দিলীপ ঘোষ হুঁশিয়ারি দেন, আমি সাধারণ মানুষের জন্য আমি কাজ করছি। এটা যদি গুন্ডামো হয়, তাহলে তা আরও করব।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

ভাইপোকে খোকাবাবু বলে কটাক্ষ দিলীপের

কে গুন্ডা সে তো পঞ্চায়েত নির্বাচনেই আমরা দেখেছি। সোমবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে অভিষেকের গতকালের মন্তব্যের পালটা আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অভিষেক ৭ কোটি টাকার বাড়িতে থাকে, কনভয়ে ২৫টা গাড়ি ও আরও অনেক কিছু থাকে তাই কে মাফিয়া বোঝাই যাচ্ছে। হতাশা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বলে এসব বলছেন। আদর করে ভাইপো বললে আপত্তি কোথায়। আমি ভাইপো বলি না। আমি খোকাবাবু বলছি। ওঁকে খোকাবাবু বলব না তো কী! উনি কোলে চড়ে রাজনীতিতে এসেছেন, এখনও কোলেই আছেন। দিল্লিতে যুবরাজকে পাপ্পু বলা হয়। পাপ্পু বলা হবে। ভাইপো বললে ক্ষতি কি হয়েছে? চিৎকার চেঁচামিচি করে কিছু হবে না। লোক জানেন সব কিছু। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত তিনি আরও বলেন, যে লোকেরা পার্টির জন্য প্রাণ দিল তারা আজ ব্রাত্য আর উনি কোলে চড়ে এসে সাংসদ হয়ে গেলেন। বিগত ১০ বছরে প্রাইভেট প্রপাটি বানানো হয়েছে। বাসিন্দাদের কালিঘাট থেকে বের করে জায়গা দখল করা হয়েছে। আমাকে গুন্ডা, মস্তান বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য যা করছি তা যদি গুন্ডামি হয় তবে তাই। আমি সবে গুন্ডামি শুরু করেছি। গুন্ডামির কিছুই দেখেননি এখনও। অভিষেকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা তা আইনজীবীরা দেখছেন। তবে ক্ষমতায় এসে এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। মানুষ সব দেখছেন ও বুঝছেন। মানুষ তুলতেও পারে-ফেলতেও পারেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • 59
  • 60
  • 61
  • 62
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

‘কোনও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না', জন্মদিনে মোদীর গ্যারান্টিতে উচ্ছ্বাস মহিলাদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলায় পালিত হল অন্নপূর্ণা দিবস। এই উপলক্ষে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১.৫৮ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য মহিলা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এদিন কলকাতার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তির টাকা ১.৫৮ কোটি উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেও বৃহস্পতিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন, বার্তা মোদিরঅনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গত ১২ বছরে রাজ্যের মানুষের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো তাঁদের কাছে পৌঁছত না। আগের তৃণমূল সরকারের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন দরিদ্র পরিবারগুলি। তবে বর্তমানে বিজেপি সরকার আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।মোদির কথায়, বাংলার মহিলাদের হাতে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, তেমনই এগিয়ে যাওয়ার সাহসও থাকা দরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে অন্নপূর্ণা যোজনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনও মায়ের কাছে এই ৩ হাজার টাকা সন্তানের পড়াশোনার খরচ হতে পারে। কোনও বোনের কাছে তা ওষুধ কেনা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার কাজে লাগতে পারে। পরিবারের ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি মহিলারা সংসারের একাধিক দায়িত্ব সামলান। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চিন্তা কমলে তাঁদের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মা, বোন ও মেয়েদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের জীবনে নতুন শক্তি যোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই প্রকল্পে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা কাটমানি নেই বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, একজন যোগ্য মহিলাও যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরন্তর কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির ঘোষণাএদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলায় এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পের আওতায় তৈরি হতে চলা সমস্ত নতুন বাড়ির মালিকানা থাকবে মহিলাদের হাতে।মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে কমিশন গঠনের দাবি মুখ্যমন্ত্রীররাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধ ও অত্যাচারের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, গত চার মাসে রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।রাজ্যের কোনও মহিলাকে যাতে অত্যাচারের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, নেশামুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগরাজ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরী মাতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তাঁর সরকারের আমলে ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও মেয়ের বিয়ে হতে দেওয়া হবে না। যাঁরা এই ধরনের বিয়ে দিয়েছেন বা বিয়েতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রদীপের আলোয় তৈরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি! মোদীর জন্মদিনে বাংলার বুকে এলাহি আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ পুরুলিয়ায়। এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হল। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে পুরুলিয়া ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।প্রায় ২,৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বিশাল প্রতিকৃতি। ঝাড়খণ্ডের ১১ জন শিল্পী তিন দিন ধরে পরিশ্রম করে বিভিন্ন রঙের এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। প্রদীপ দিয়ে তৈরি এই প্রতিকৃতি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।শিল্পী সুজয় কুমার জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের বোকারো, গিরিডি ও হাজারিবাগের ১১ জন শিল্পী এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত বিভিন্ন উপকরণ কিংবা বর্জ্য সামগ্রী ব্যবহার করে মোজাইক শিল্প তৈরি করা হয়। তবে এবার প্রায় এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পুরুলিয়ায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এ বছর পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। সেবা সংকল্প অভিযান-এর অধীনে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি ঘিরে পুরুলিয়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দায়িত্ব বাড়লেও বদলায়নি শিকড়ের টান! ১৫০ বছরের মনসা মেলায় পুতুলের দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা

বিধায়ক হয়েছেন, বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি আর পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুরনো ঐতিহ্য আজও অমলিন। বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মনসা পুজোর মেলায় পরিবারের সঙ্গে পুতুলের দোকানে বসে সেই কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলাতে দেখা গেল তাঁকে।বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাছে এই মেলা শুধুমাত্র পুজো বা উৎসবের জায়গা নয়। তাঁর শৈশবের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মেলার সঙ্গে। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে দেউচা রঘুনাথপুরের এই মেলায় আসতেন তিনি। মেলায় তাঁর বাবা দোকান বসাতেন। বাবার সঙ্গে সেই দোকানে বসে খদ্দের সামলানো, মেলার ভিড় দেখা সবই ছিল তাঁর ছোটবেলার পরিচিত অভিজ্ঞতা।সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন। শৈশবের সেই দিনগুলি পেরিয়ে বর্তমানে সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। বেড়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বও। তবে সেই পরিবর্তনের মধ্যেও পুরনো মেলার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন তিনি।এবার মনসা পুজো উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় ফিরে পুতুলের দোকানে বসেন বিধায়ক। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলানোর সময় তাঁকে দেখতে ভিড় জমান মেলায় আসা মানুষজন। কেউ দূর থেকে তাঁকে দেখেন, আবার কেউ এগিয়ে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে পরিবারের সঙ্গে তাঁর এই উপস্থিতি নজর কাড়ে স্থানীয়দের।কৃষ্ণকান্ত সাহার বক্তব্য, দায়িত্ব ও পদ একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু শিকড় এবং শৈশবের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলি এখনও তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই মেলায় পরিবারের দোকান আর শৈশবের স্মৃতি যেন ফের একসূত্রে বাঁধল বিধায়ককে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরেও পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের জন্য মোদীর বড় বার্তা! বললেন, ‘আপনাদের ভরসাই আমার শক্তি’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। বাংলার মা-বোনেরা তাঁকে যে ভাবে ভালবাসা ও ভরসা দিয়েছেন, সেই কথাই নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বাংলার মহিলাদের ভরসা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মা-বোনেরা সবসময় তাঁকে ভালবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মীয়তার অনুভূতি তাঁকে সবসময় শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার মহিলাদের ভরসাই তাঁর শক্তি। পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলার মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাও উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কর্মসূচি রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৩ হাজার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বার প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসারে মহিলাদের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। পরিবারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনও রয়েছে। হাতে কিছু অর্থ থাকলে জরুরি খরচ নিয়ে তাঁদের চিন্তা কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি কাজ করা এবং কম কথা বলা। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের পরিশ্রম ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প নিয়েও বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। কলকাতায় এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত কারিগর ও শিল্পীরা প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম কেনার সহায়তা এবং ঋণের সুবিধা পেতে পারেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য উপভোক্তাদের প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং পরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রয়েছে। ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ।ফলে মোদীর জন্মদিনে বাংলায় একদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা, অন্য দিকে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বর্ষপূর্তিদুই কর্মসূচিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা এবং কারিগরদের জন্য প্রকল্পের সুবিধা ঘিরে এ দিন রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের অর্থসাহায্য এবং বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কর্মসূচিদুই ক্ষেত্রেই সরকারি ঘোষণাই এখন মূল বিষয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পথ খরচ নিতে গিয়েই ফাঁদে! চার দশক পর কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেতা আকাশ

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ওরফে তিমির ওরফে মনোজকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে পটাশপুর এলাকার কোনও একটি জায়গা থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, এক পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পথ খরচ নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্সের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁর কাছ থেকে দুটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই ব্যাগে মাওবাদী সংগঠনের বই, পুস্তিকা এবং কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ফুলচক এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ছাত্রজীবন থেকেই অতি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে তিনি পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। সারেঙ্গা, গোয়ালতোড়-সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের কাজ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার গুড়াবান্দা এলাকাতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ।২০০৪ সালে সিপিআই মাওবাদী সংগঠন তৈরি হওয়ার পর জঙ্গলমহলে ফিরে সক্রিয় ভাবে সংগঠনের কাজ শুরু করেন অসীম। লালগড় আন্দোলনের সময়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কিষানজির মৃত্যুর পর মাওবাদী সংগঠনে তাঁর সক্রিয়তা আগের মতো ছিল না বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর জঙ্গলমহল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেন আকাশ। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর ফের বাংলায় আসার চেষ্টা করেন তিনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পুলিশের অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের কয়েক জন সদস্য গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক জন আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়। এরপর বাংলার মাওবাদী সংগঠনের সশস্ত্র কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে বলে তদন্তকারীদের দাবি।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আকাশ দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকার পর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোমরের ব্যথার কারণে প্রায় চার দশক পর তিনি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। জঙ্গলে একটি একে-৪৭ এবং কিছু নথিপত্র রেখে তিনি গাড়িতে করে বাইরে বেরিয়েছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।এর পর আরও কয়েক জন মাওবাদী সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ আত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। বরং কিছুদিন বাইরে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের জঙ্গলমহলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, আত্মগোপনের জন্য পরিচিত এবং আত্মীয়দের কয়েক জনের কাছে আশ্রয় নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আকাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্দেহ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। কখনও জায়গা বদল, কখনও ছদ্মবেশসব রকম ভাবে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর কাছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ ছিল বলেও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে।আকাশের স্ত্রীও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তিনিও মাওবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।আকাশের গ্রেপ্তারের পর বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় মাওবাদী দমনে যুক্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এক মাওবাদী নেতার গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি থেকে সংগঠনের বর্তমান বা অতীত কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর ফের খুলবে মহাকরণের দরজা? মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষের পথে

পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনের ঠিকানায় বড় বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ফের মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক জন আমলার জন্যও ঘর তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর আগেই মহাকরণে প্রশাসনিক কাজকর্মের একটি বড় অংশ শুরু হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।মহাকরণে সংস্কারের কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। সূত্রের খবর, বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর এবং আরও পাঁচ মন্ত্রীর ঘর প্রস্তুত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দারের জন্য মহাকরণে ঘর তৈরির কাজ চলছে। মহাকরণের তৃতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।শুধু মন্ত্রীদের ঘর নয়, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও মহাকরণে জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফের ঐতিহ্যবাহী এই ভবন থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মহাকরণ সংস্কারের সামগ্রিক দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং কী ভাবে সংস্কারের কাজ এগোবে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।মহাকরণের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক দফতর মহাকরণ থেকে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই ঐতিহাসিক ভবনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েই সেই সময় প্রশাসনের মূল কেন্দ্র সরানো হয়েছিল।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকরণ সংস্কারের কাজ চললেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৩ বছর পরেও সংস্কারের একটি বড় অংশ অসম্পূর্ণ রয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহাকরণকে ফের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর থেকেই মহাকরণে তাঁর জন্য ঘর তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল।এখন সেই প্রস্তুতিতেই আরও গতি এসেছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘরগুলির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, পুজোর আগেই কি নবান্নের বদলে মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী ও আমলাদের ঘর তৈরির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বহু বছর পর ফের মহাকরণে রাজ্য প্রশাসনের ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal