• ১০ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman

রাজ্য

Galsi: গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম আনিসুর মণ্ডল ওরফে কালো, চণ্ডীচরণ দাস ও শেখ নূর আলম। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার বোলপুর গ্রামে চণ্ডীদাসের বাড়ি। অপর দুই ধৃত গলসির কড়কডাল গ্রামের বাসিন্দা। গলসি থানার পুলিশ বুধবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।আরও পড়ুনঃ বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম বিজেপি নেত্রীপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁশের তৈরি বসার মাচা ভেঙে দেওয়া নিয়ে বুধবার বিকালে কড়কডাল গ্রামে শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ৪ মহিলা-সহ উভয়পক্ষে ১০ জন জখম হন।জখমদের মধ্যে ৭ জনকে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। আঘাত গুরুতর থাকায় সেখান থেকে কয়েকজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।আরও পড়ুনঃ কেন দ্বিতীয় বিয়ে করলেন না পূজা ভাট!আক্রান্ত শেখ নূর আলম পুলিশকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বিকাল ৪টে নাগাদ লাঠি, রড, শাবল প্রভৃতি নিয়ে তাঁর বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁর বোন, মা, স্ত্রী ও অন্যান্য আত্মীয়দের মারধর করার পাশাপাশি তারা তাঁর বাড়িতে থাকা ২ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে পালায়। অপরদিকে সফিকুল মল্লিকের অভিযোগ, ঘটনার দিন বিকাল সাড়ে ৪টে নাগাদ তিনি বাড়ি থেকে খলসেগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। তাঁর আর্তনাদ শুনে ভাই ছুটে আসেন। তাঁকেও মারধর করা হয়। দুই পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে গলসি থানার পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

Bamboo Structure: বাঁশের তৈরি বসার মাচা দখল নিয়ে গলসিতে সংঘর্ষ, জখম ৪ মহিলা সহ ৮

বাঁশের তৈরি বসার মাচা ভাঙা নিয়ে গ্রামের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জখম হলেন ৪ মহিলা সহ ৮ জন। বুধবার বিকালে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির পারাজের করকডাল গ্রামে। খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় জারি রয়েছে পুলিশ টহল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গ্রামে থাকা বাঁশের তৈরি একটি মাচা ভেঙে দেওয়া নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত ঘটে। ওই দিন থেকেই উত্তপ্ত হয়েছিল গলসির পারাজ পঞ্চায়েতের করকডাল গ্রাম। ওই মাচা ভাঙা নিয়েই শেষ পর্যন্ত এদিন বিকালে দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষ মারপিটে জড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর দাবি, সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া ব্যক্তিদের এক পক্ষ ব্লক তৃণমূল সভাপতি জনার্দ্দন চট্টোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর লোক। অপর পক্ষ জেলা সংখ্যালঘু সেলের সহ সভাপতি মহম্মদ মোল্লা গোষ্ঠীর অনুগামী। মারপিটে জনার্দন গোষ্ঠীর ৪ মহিলা সহ ৬ জন জখম হয়েছেন। অন্যদিকে মহম্মদ মোল্লা গোষ্ঠীর দুজন জখম হয়েছেন। সকলকেই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্যে পাঠানো হয়।তৃণমূল নেতা জনার্দ্দন চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামী বলে পরিচিত সেখ মন্টু ও তাঁর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, তাঁদের গ্রামে থাকা বাঁশের তৈরী বসার মাচাটি ভেঁঙে দেয় মহম্মদ মোল্লার লোকজন। যারা ভাঙে তারা করকডাল, ভিমসারা, বোলপুর ও রানাডি এলাকার বাসিন্দা। এরপর ওরা এদিন বিকালে বাড়ির পাঁচিল টপকে ঢুকে তাঁদের বাড়ির মহিলা ও আত্মীয়দের বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয়। মারধরে পরিবারের দুজন পুরুষ ও চারজন মহিলা জখম হয়। যদিও মহম্মদ মোল্লার অনুগামী রাফিজুল মল্লিক দাবি করেন, পারিবারিক বিবাদের জেরে সেখ মণ্টুর পরিবারের সঙ্গে মারামারি হয়। মন্টুর পরিবারের লোকজনএদিন সশস্ত্র অবস্থায় তাঁদের উপর চড়াও হয়। তাঁকে ও তাঁর পরিবারের আরও একজনকে মেরে জখম করে । তাঁরা হামলা প্রতিরোধ করতে গেলে সংঘর্ষ বেঁধে যায় । রফিজুল দাবি করেন, তাঁরা রাজনীতি করলেও ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই । অপর পক্ষ অহেতুক এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি টেনে আনছেন । গলসির তৃণমূলের কোনও নেতা এদিনের ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেলে তাঁরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

Murdered: সম্পত্তি হাতাতে শ্বশুরকে খুনের অভিযোগ জামাইয়ের বিরুদ্ধে, ধৃত এক

শ্বশুরে সম্পত্তি ফিরিয়ে নেওয়ায় তাঁকে নৃশংস ভাবে খুনের অভিযোগ উঠলো জামাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার দীর্ঘনগর এলাকায়। মন্তেশ্বর থানার পুলিশ এদিনই মৃত শ্বশুর নূর আলম মিদ্দে (৬৫) এর মৃতদেহ বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠায়। মৃতর মেয়ে হাসিরা বেগম তাঁর বাবার মৃত্যুর জন্য তাঁর স্বামী নসরত শেখসহ তিন জনের নামে এদিনই মন্তেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু করে পুলিশ তদন্তে নেমে অভিযুক্তদের খোঁজ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার, কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট? জানুনপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,মন্তেশ্বরের দীর্ঘনগর এলাকাতেই বাড়ি নূর আলম মিদ্দের। এদিন সকালে বাড়ি সংলগ্ন সার্ভিসিং সেন্টারের মধ্যে ওই বৃদ্ধকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। মৃতদেহ খতিয়ে দেখে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষজন নিশ্চিৎ হয় ভারী কিছু বস্তু দিয়ে মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে দিয়ে নূর আলম মিদ্দেকে খুন করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রেমৃতর মেয়ে হাসিরা বেগম পুলিশকে জানিয়েছে, ৮ বছর আগে মন্তেশ্বরের আজহারনগর গ্রামের যুবক নসরত শেখের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের তিন সন্তান। একমাত্র মেয়ে হাসিরা ও জামাই নসরতের জীবন যাতে সুখের হয় তার জন্যে নূর আলমবাবু দীর্ঘনগরের বাড়ির সামনেই জামাইকে একটি গাড়ি সার্ভিসিং সেন্টারও করে দেন। পাশাপাশি কয়েকবছর আগে জমি বিক্রি করে কয়েক লক্ষ টাকা দিয়ে জামাইকে একটি পিকআপ ভ্যান গাড়িও কিনে দেন নূর আলম। এত কিছু দিয়েও জামাইকে সন্তুষ্ট করতে পারেননি নূর আলম। এরপর থেকে জমি, বাড়িসহ যাবতীয় সম্পত্তি তাঁর নামে করে দেওয়ার জন্য নসরত তাঁর শ্বশুরকে চাপ দেওয়া শুরু করে।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরমেয়ের ভবিষ্যৎতের কথা ভেবে নূর আলম তাঁর সব সম্পত্তি জামাইকে দিয়েও দেন। এর পর শ্বশুরের দেওয়া জমি ও বাড়ি বন্ধক দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা লোন নেওয়ার জন্য নসরত উঠেপড়ে লাগে। হাসিরা জানান, সম্প্রতি তাঁর বাবা নূর আলম জানতে পারেন সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার পর নসরত মোজাহারনগর গ্রামের অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করেছে। তা নিয়ে অশান্তি চরমে উঠলে হাসিরা তাঁর স্বামী নসরতের বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। সেই কথা জানতে পেরেই নসরত গা ঢাকা দেয়। জামাইয়ের কীর্তিকলাপ মেনে নিতে না পেরে নূর আলম জামাইকে লিখে দেওয়া সব সম্পত্তি ফিরিয়ে নেন নিজের মেয়ে হাসিরাকে দেবেন বলে। হাসিরা জানান, এই কথা জানতে পারার পর থেকেই নসরত ফেনে তাঁর বাবাকে হুমকি দেওয়া শুরু করে। হাসিরার উপরেও নির্যাতন চালানো শুরু করে নসরত। মেয়ের জীবন সংশয় হতে পারে আশঙ্কা করে হাসিরাকে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে চলে আসেন নূর আলম। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতেও ফোন করে নূর আলমকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় নসরত।তারপরেই এদিন সকালে নূর আলমের রক্তাত ক্ষত বিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয় । হাসিরা বলেন, আমি নিশ্চিৎ যে সম্পত্তি ফিরিয়ে নেওয়ার বদলা নিতেই তাঁর বাবাকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে । খুনের ঘটনায় তাঁর স্বামীই জড়িত।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটমৃত ব্যক্তির ভাইপো আব্বাস শেখ বলেন, জামাইকে দেওয়া সব সম্পত্তি নুর আলম তাঁর মেয়ের নামে ঘুরিয়ে নিয়েছে বলে মঙ্গলবার তিনি তাঁদের জানিয়েছিলেন। এরপর থেকে জামাই নসরত বারবার নূর আলমকে প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে। সেই কারণে নূর আলম কেসও করে দেন। জমি, সম্পত্তি লোভ ছাড়তে না পেরে জামাই নসরত-ই তাঁর বৃদ্ধ শ্বশুর নূর আলমকে খুন করেছে বলে দাবি করেছেন মৃতর ভাইপো। এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, বৃদ্ধ খুনের ঘটনায় তিন জনের নামে অভিযোগ জমা পড়েছে। একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

জুলাই ১৪, ২০২১
রাজ্য

Cruel Neighbour: কান্নাকাটির 'অপরাধে' একরত্তি শিশুকে মারধর, গ্রেপ্তার 'নিষ্ঠুর ' প্রতিবেশী

বাড়িতে গিয়ে কান্নাকাটি করায় ১৫ মাস বয়সী শিশুকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন প্রতিবেশী। ধৃতের নাম সঞ্জিৎ সাউ। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কেন্না গ্রামের সায়েরপাড়ায়। মেমারি থানার পুলিশ সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। শিশুকে মারধরের ঘটনায় জড়িত নিষ্ঠুর প্রতিবেশীর কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন সায়েরপাড়ার সকল বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ গুগল পিসেমশাই জন্মদিনের তারিখ ভুল বলছে মনামীরপুলিশ জানিয়েছে, শিশুর পরিবারের বসবাস কেন্না গ্রামের সায়েরপাড়াতেই। শিশুর বাবা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে শুক্রবার সকালে শিশুটি খুব কান্নাকাটি করছিল। কান্নাকাটি করতে করতে শিশুটি প্রতিবেশী সঞ্জিৎ সাউয়ের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। বাড়িতে ঢুকে শিশুটি কান্নাকাটি করায় সঞ্জিত শিশুটিকে প্রচণ্ড মারধর করে। এমনকি তিনি শিশুটিকে লাথি পর্যন্ত মারেন বলে অভিযোগ। মায়রধোর সহ্য করতে না পেরে শিশুটি আরও গলা ফাটিয়ে কাঁদতে শুরু করে। কান্নার শব্দ শুনে শিশুটির মা ওই প্রতিবেশীর বাড়িতে ছুটে যান। অভিযোগ, তাঁকেও মারধর করে সঞ্জিত। বাচ্চা নিয়ে চলে যেতে। হুমকি দেওয়া হয় কান্নাকাটি করা শিশুকে নিয়ে চলে না গেলে শিশুটিকে মেরে ফেলা হবে। অভিযোগ, মায়ের কোল থেকে শিশুটিকে কেড়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দেয় সঞ্জিত। শিশুর মা স্থানীয় হাসপাতালে শিশুটির চিকিৎসা করান।আরও পড়ুনঃ বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীশনিবার তিনি ঘটনার কথা জানিয়ে মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ সঞ্জিতকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তবে পুলিশ জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করায় সিজেএম ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Dilip Ghosh: "তোলাবাজ ও চামচাবাজদের নিয়ে দল চলছে", অভিযোগ বর্ধমানের বিজেপি নেতার

কার্যকারিনী সভায় যোগ দিতে গিয়ে ঘাড় ধাক্কা খেয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপির যুব নেতা। মঙ্গলবার বর্ধমান সদর জেলা বিজেপির যুব মোর্চার সহ-সভাপতি ইন্দ্রনীল গোস্বামী বলেন, বিজেপি দলটা অকৃতজ্ঞ হয়ে গিয়েছে। কতকগুলো তোলাবাজ ও চামচাবাজকে নিয়ে জেলা বিজেপির নতুন সভাপতি এখন দলটা চালাচ্ছে। ইন্দ্রনীলবাবু একইসঙ্গে দাবি করেন, বিজেপি এখন আদর্শ বিচ্যুত হয়েছে। তাই তিনি সংগঠন ছেড়ে দিয়ে দলের এই তেলাবাজি, নোংরামি ও ভ্রষ্টাচারির বিরুদ্ধে আলাদা মঞ্চ গড়ে আন্দোলনে নামবেন। বিধানসভা ভোটে পূর্ব বর্ধমানে বিজেপির ভরাডুবি হওয়ার পর ওই দলেরই এক যুব নেতার আনা এমন বিস্ফোরক অভিযোগ রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। বিজেপি যুব নেতা ইন্দ্রনীল গোস্বামীর এদিনের বক্তব্য প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, ভোটে ভরাডুবির পর এখন বিজেপি নেতারাই বিজেপির আসল স্বরূপ প্রকাশ্যে আনতে শুরু করে দিয়েছেন । যত দিন যাবে রাজ্যের মানুষ মিস কল পার্টি বিজেপি নেতাদের মুখ থেকে এমন আরও নানা বিস্ফোরক অভিযোগ শুনতে পাবেন। তার থেকেই পরিস্কার হয়ে যাবে রাজ্যের মানুষ কেন বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আগামী দিনে গোটা দেশের মানুষ মিস কল পার্টি বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করবেন।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কেরবর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় কার্যকারিনী সভা। সেই সভায় যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জেলা পার্টি অফিসে এদিন দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা করতে যান বর্ধমান সদর জেলা বিজেপি যুব মোর্চার সহ-সভাপতি ইন্দ্রনীল গোস্বামী। তাঁকে পার্টি অফিসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ইন্দ্রনীলবাবুর অভিযোগ, আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিদিলীপ ঘোষের সামনেই পার্টি অফিসে থাকা বিজেপি কর্মীরা আমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। এর পর জেলা বিজেপি পার্টি অফিস থেকে বাইরে বেরিয়ে এসেই ইন্দ্রনীল গোস্বামী জেলা বিজেপির সভাপতি, সহ- সভাপতির বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভ উগরে দেন। ইন্দ্রনীলবাবু এও বলেন, জেলা সভাপতি তাঁর কিছু পেটোয়া লোকেদের পদে রেখে দলের ক্ষতি করছেন। এমনকি তোলাবাজিও করছেন বলে ইন্দ্রনীল গোস্বামী অভিযোগ করেন।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরএদিকে ইন্দ্রনীল গোস্বামী প্রকাশ্যে সংবাদ মাধ্যমের কাছে এইসব অভিযোগ করার পরেই পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামেন জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক এস আর ব্যানার্জি। তিনি বলেন, ইন্দ্রনীল গোস্বামী দলের যুব সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন। এদিন দিলীপ ঘোষ দলের যে সকল কার্যকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করবেন বলেছিলেন তার তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে যুব মোর্চার কারও অংশগ্রহণ করার কথা ছিল না। সে কারণেই ইন্দ্রনীলকে মিটিংয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এস আর ব্যানার্জী একই সঙ্গে জানান, ইন্দ্রনীলবাবুর কাউকে তোলাবাজ মনে হতে পারে। কিন্তু তাঁর কোনও মাপকাঠি বা গ্রহনযোগ্যতা নেই। মিটিংয়ে যাদের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল তাঁদেরকেই শুধুমাত্র এদিন পার্টি অফিসে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ এ মাসেইজেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক এমনটা বললেও কার্যকারিণী সভা শেষে দিলীপ ঘোষ বিক্ষুব্ধ যুব নেতা ইন্দনীল গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের মধ্যে মিনিট খানেক আলোচনাও হয়। দিলীপবাবু মিটিং শেষে চলে যাবার পরেই ইন্দ্রনীল গোস্বামী ভোল বদলান। তিনি ফের সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন , আমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বার করে দেওয়ায় আমি আবেগের বসে সাংবাদিকদের কাছে দলের কিছু আভ্যন্তরীণ কথা বলে ফেলেছিলাম।কিন্তু দিলীপ দা আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এই সব নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ যদিও কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজ্য

Petrol Hike: পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ’ডোঙার' সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কের

জ্বালানির আঁচে জ্বলছে গোটা দেশ। ১০০ পেরিয়েছে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম। ডিজেলের দামও ১০০ ছুঁইছুঁই। জ্বালানির এই অগ্নিমূল্যের প্রভাবে সংকট তীব্র হবে রাজ্যের কৃষিক্ষেত্র। সেচের কাজে পাম্প মেশিন ছেড়ে চাষিদের ফের ডোঙা ব্যবহারেই ফিরতে হবে। সোমবার রথযাত্রার দিন ডোঙায় জল সেচ করে নিজের চাষজমি কর্ষণ কাজের শুভারম্ভ ঘটিয়ে সেই বার্তাই দিলেন বর্ধমান উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক নিশীথ মালিক। বিধায়কের এই বার্তা রাজ্যের শস্যগোলা বলে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান জেলার কৃষক মহলকেও ভাবিয়ে তুলেছে। তবে বিধায়কের এদিনের কর্মকাণ্ডকে নাটক বলেই মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্ব।বর্ধমান ২ ব্লকের গোবিন্দপুর পঞ্চায়েতের হাটকান্ডা গ্রামে বাড়ি বিধায়ক নিশীথ মালিকের। তাঁর পরিবারের সকলেই কৃষিজীবী। পরিবারের চাষবাস বিধায়ক নিজেই দেখেন । বরাবরই জমিতে নেমে চাষ-আবাদের কাজ তিনি নিজেই তদারকি করেন ।প্রতিবছরের মতো এবছরও রথযাত্রা উৎসবের দিন বিধায়ক নিশীথ মালিক তাঁদের পারিবাবিক চাষ জমির কর্ষণ কাজ শুরু করেন । এদিন বাড়িতে থাকা সাবেকি আমলের ডোঙা কাঁধে নিয়েই বিধায়ক জমির উদ্দেশ্যে রওনা নেন । বহুকাল পর ডোঙা নিয়ে নিশীথ মালিককে চাষের জমির দিকে যেতে দেখে এলাকার অন্য চাষিরা কার্যত তাজ্জব বনে যান । ডোঙা নিয়ে জমিতে পৌছে বিধায়ক নিশীথ মালিক প্রথমে ডোঙার সাহায্যে তাঁদের ধান জমিতে জল সেচ করেন। এর পরেই শুরু হয় তাঁর জমির কর্ষণ কাজ। কর্ষণ কাজ পুরোপুরি শেষ হবার পর জমিতে আউশ ধান রোয়ার কাজ শুরু হবে।বেশ কয়েক বছর ধরে পাম্প মেশিনের সাহায্যে জমিতে জল সেচ করে চাষাবাদের কাজ করে আসছেন নিশীথ মালিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাম্প মেশিন ছেড়ে বাবা ঠাকুরদার আমলের ডোঙা নিয়ে জমিতে কেন জল সেচ করতে হল? এই প্রশ্নের উত্তরে বিধায়ক নিশীথ মালিক বলেন, দেশে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাস এখন অগ্নিমূল্য। পেট্রোলের লিটার প্রতি মূল্য ১০০ পার হবার পর এখন ডিজেলও ১০০ ছুঁইছুঁই । অগ্নিমূল্য জ্বালানি তেল পাম্প মেশিনে ভরে জল সেচ করে ধান চাষ করতে গেলে চাষের খরচ বহুগুণ বেড়ে যাবে। খরচ বেড়ে গেলে চাষিরা চাষ করেও লাভের মুখ দেখতে পাবেন না। নিশীথ বলেন, পেট্রোপণ্যের এমন মূল্য বৃদ্ধির কারণে তিনি বাবা ঠাকুরদার আমলে সেচের কাজে ব্যবহৃত ডোঙা দিয়েই তাই জমিতে সেচের কাজ সারলেন ।একই সঙ্গে তিনি জেলার কৃষিজীবী মহলকে এই বার্তাও দিলেন, কেন্দ্রে মোদি সরকারের দৌলতে পেট্রোল, ডিজেলের দাম এখন যে জায়গায় পৌঁছেছে তাতে সবাইকেই এবার সেই ডোঙা নিয়েই চাষের কাজে ফিরতে হবে । ডোঙা নিয়ে জমিতে জল সেচ করাটা একপ্রকার তাঁর পেট্রৌপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ বলেও এদিন বিধায়ক নিশীথ মালিক মন্তব্য করেন। তৃণমূল বিধায়কের এমন প্রতিবাদকে নাটক বলে বলে কটাক্ষ করেছেন জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রবাল রায়। তিনি দাবি করেন, দেশের কৃষকদের স্বার্থের কথা কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার ভাবে বলেই কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠাচ্ছেন। কৃষকদের প্রতি দরদ থাকলে নাটক, প্রতিবাদ ছেড়ে এই রাজ্যের সরকার নিজেদের অংশের কর কমাচ্ছেন না কেন? পাল্টা সেই প্রশ্ন রেখেছেন জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজনীতি

Minister WB: বিজেপিকে রুখতে ঝাঁড়ফুক বা পানিপোড়া, নাহলে ৭০-৮০ ডিগ্রির দাওয়াই, হুঙ্কার রাজ্যের মন্ত্রীর

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়পেট্রোপণের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের কু-পুত্র বলে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। রবিবার নিজের বিধানসভা এলাকা পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রাম ও সাতগেছিয়া বাজার এলাকায় হওয়া দলের প্রতিবাদ কর্মসূচীতে যোগ দেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। সেই কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখতে উঠে নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে কার্যত তুলোধনা করেন গ্রন্থাগার মন্ত্রী। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সারা রাজ্যের পাশাপাশি এদিন পেট্রোপণ্যের লাগামছাড়া মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মন্তেশ্বরের সাতগেছিয়া ও কুসুমগ্রামে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় । সেই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী এদিন আরও বলেন, সেই সব গ্রাম আমি চিনি যেখানে বিজেপির কর্মীরা অনেক মুসলমান বাড়ির সামনে কাঁফন রেখেছিল। যারা রেখেছিল তারাও মুসলমান। তাদেরও টুপি আছে, দাড়িও আছে।নামাজ তারাও পড়ে। তবে তারা কুড়ি হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে গিয়েছে। সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ওইসব বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে এরপরেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা প্রথমে ওদের ঝাড়ফুঁক তেল ও পানি পোড়া দেব । তাতে যদি ঠিক হয়ে যায় তো ঠিক আছে। না হলে ৭০ ডিগ্রি বা ৮০ ডিগ্রির বিষয়টি পরে ভেবে দেখা হবে।পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে এইসব বিস্ফোরক মন্তব্য করার পাশাপাশি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের কু-পুত্র বলেও কটাক্ষ করেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী।বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংবিধানের শপথ নেওয়া রাজ্যের একজন মন্ত্রী যে ভাষায় দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আপমান করছেন তা কার্যত নজিরবিহীন। একই সঙ্গে কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্য থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে এই রাজ্যে বিরোধীদের নিকেশ করতে চায় শাসক দল।তারই ইঙ্গিত স্বরুপ মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ঝাড়ফুঁক, তেলপোড়া, পাণি পোড়া, ৭০ডিগ্রি, ৮০ডিগ্রির প্রসঙ্গ তুলেছেন। তবে এই সব হুঁশিয়ারী দিয়ে লাভ কিছু হবে না। কারণ দেশের আইনি শাসন ব্যবস্থা অনুযায়ী বিরোধীদেরও রাজনীতি করার ও মত প্রকাশের আধিকার রয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২১
রাজ্য

Memari: ঝাঁড়ফুকের নামে কুকীর্তি, মেমারিতে ধৃত ওঝা

ওঝা ঝাড়ফুঁক করে দিলেই শারীরিক অসুস্থতা থেকে নাবালিকা মেয়ে মুক্তি পাবে! এমন অন্ধবিশ্বাসে ভর করেই নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে ওঝার দ্বারস্থ হয়েছিলেন মা। কিন্তু অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাওয়া তো দূরের কথা, উল্টে ওঝার যৌন লালসার শিকার হয়ে চোখের জল মুছতে মুছতেই বাড়ি ফিরতে হল নাবালিকে। এমনই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার উলোরা গ্রামে । এমন কুকীর্তির নায়ক গুনধর ওঝা সুদেব মালিক অবশ্য পার পায়নি। ঝাড়ফুকের নাম অসুস্থ নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মেমারি থানার পুলিশ ওঝা সুদেব মালিককে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছে নাবালিকার পরিজন ও এলাকাবাসী।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৩ বয়সী নাবালিকার বাড়ি মেমারি থানার গেঁড়াঘাট গ্রামে। বেশ কিছুদিন যাবৎ সে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছে। নাবালিকার পরিবার এখনও কুসংস্কার মুক্ত হতে পারেনি। তাই ওঝা ঝাড়ফুঁক করে দিলেই মেয়ের শারীরিক অসুস্থতা সেরে যাবে এমনটা মনে করেন নাবালিকার মা। সেই মতো শুক্রবার বিকালে অসুস্থ নাবালিকা মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর মা উলরা গ্রামের সায়েরপাড় নিবাসী ওঝা সুদেব মালিকের কাছে যান। ওঝা সুদেব নাবালিকাকে দেখে তাঁকে সুস্থ কেরে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ঝাড়ফুঁক করার জন্যে ঘরের ভিতরে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। আধঘন্টা পেরিয়ে গেলেও ওঝা ওই ঘরের দরজা না খোলায় নাবালিকার মায়ের দুঃশ্চিন্তা বাড়ে। তিনি ওঝার ঘরের দরজা ধাক্কা দেওয়া শুরূ করেন। ওঝা ঘরের দরজা খুলে দেওয়ার পর ঘরের ভিতরে ঢুকে নাবালিকাকে কাঁদতে দেখেন মা। বিদ্ধস্ত অবস্থায় ওঝা সুদেবের ঘর থেকে বেরিয়ে নাবালিকা কাঁদতে কাঁদতে তাঁর মাকে জানায় ঝাড়ফুঁকের নামে ওঝা তাঁকে ঘরে ঢুকিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করেছে।মেয়ের মুখ থেকে এই ঘটনা শোনার পরেই নাবালিকাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে তাঁর মা পরিবারের লোকজনকে ওঝার কুকীর্তির কথা জানান। মেয়ের চিকিৎসা করিয়ে ওইদিনই ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে নাবালিকার মা মেমারি থানায় ওঝার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পকসো অ্যাক্টের ৪ ধারার মামলা রুজু করে পুলিশ রাতেই ওঝা সুদেব মালিককে গ্রেপ্তার করে । পাশাপাশি পুলিশ নাবালিকা ও ধৃতর পরণের পোষাকও বাজেয়াপ্ত করে। মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পুলিশ এরপর ওঝাকে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসক ধৃত ওঝাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজের ফরেন্সিক স্টেট মেডিসিন বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।ধৃত ওঝাকে শনিবার পুলিশ বর্ধমান আদালতে পশ করে। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতকে ৫ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চাওয়ার পাশাপাশি নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নথিভুক্ত করানোর জন্য আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতকে বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে আগামী সোমবার তাঁকে বর্ধমানে পকসো আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

জুলাই ১০, ২০২১
রাজ্য

Bomb Explosion: ভাতারের বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রহস্য কি?

বোমা বিস্ফোরণে আস্ত একটি মাটির বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে জেলা পুলিশের কর্তাদের। শুক্রবার ভোররাতে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বাণেশ্বরপুরের এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই বাড়ির সদস্য লালচাঁদের নামে এর আগেও থানায় নানা অভিযোগ আছে। কয়েকদিন আগে সে একটি ঝামেলায় জড়িয়ে ছিল। কেন বাড়িতে বোমা রাখা ছিল, কোথা থেকেই বা তা সংগ্রহ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ জামরুল মল্লিকের বাড়িতে তদন্তে যায়। সমস্তকিছু খতিয়ে দেখার পর পুলিশ কর্তারা একপ্রকার নিশ্চিৎ হন মাটির বাড়ির ভিতরেই মজুত রাখা ছিল বোমা। সেই বোমার বিস্ফোরণ ঘটাতেই গোটা মাটির বাড়িটি ভেঙে পড়েছে। আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানতদন্তের প্রয়োজনে ওই বাড়িটি ও তার চারপাশ পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাড়ির ভিতরে আর বোমা রয়েছে কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ভাতার থানার পুলিশ জামরুল ও তাঁর ছেলে লালচাঁদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার জন্য অনেকদিন আগেই পুলিশের খাতায় স্থান পায় লালচাঁদের নাম। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র রাখার অভিযোগে বছর দেড়েক আগে লালচাঁদ পুলিশের হাতে ধরাও পড়ে।যদিও পড়ে সে ছাড়া পায়। এছাড়াও কয়েকবছর আগে ভাতার কলেজে অশান্তির ঘটনাতেও লালচাঁদের নাম জড়ায়। তারপর সে কেরলে গিয়ে বাবা জামরুল মল্লিকের সঙ্গে নির্মাণ শ্রমিকের কাজে যোগ দেয়। দিন কুড়ি আগে বাবা ও ছেলে কেরল থেকে ভাতারের বাণেশ্বরপুর গ্রামের বাড়িতে ফেরে । তার পর এদিনই তাঁদের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো ।আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেতদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, লালচাঁদ বাড়ি ফেরার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে পাশের কুলনগর গ্রামের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে লালচাঁদ ও তাঁর বন্ধুদের বচসা হয়েছিল। কি নিয়ে বচসা হয়েছিল তা এখনও পরিস্কার জানা যায়নি। তবে ওই বোমা মজুতের সঙ্গে ওই গোলযোগের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে পুলিশ খোঁজ নেওয়া শুরু করেছে। বোমা বিস্ফোরণের তদন্তে ভাতার থানার পুলিশ বোম স্কোয়াডে ও ফরেনসিক বিভাগেরও সাহায্যা নিচ্ছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহরায় জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার তদন্ত শুর হয়েছে । ওই বাড়ির দুইজনকে আটক করে ঘটনা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলানো হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারএদিকে খবর পেয়ে এদিন দুপুর নাগাদ ঘটনাস্থলে আসে বোম্ব স্কোয়াড। আর কোথাও বোমা মজুত আছে কিনা তল্লাশি করে পুলিশ । শেষে ঘটনাস্থল থেকে কিছু নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় বোম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

১০০ দিনের কাজ না পাওয়ায় পঞ্চায়েত ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ বর্ধমানে

পঞ্চায়েতের কাজকর্ম নিয়ে নানা অভিযোগ এনে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর পঞ্চায়েতে। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা এদিন পঞ্চায়েত প্রধান বিনয়কৃষ্ণ ঘোষকে ঘিরে রেখে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে এদিন শিকেয় ওঠে পঞ্চায়েতের কাজকর্ম। খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ পঞ্চায়েত অফিসে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয় । সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা ছবি দাস, বন্দনা বাগদি অভিযোগে জানান, ১০০ দিনের কাজ পঞ্চায়েত এলাকার সবাই পাচ্ছেন না।এছাড়াও সরকারি আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে চরম অনিয়ম হচ্ছে। এলাকার বহু পরিবারের শৌচাগার নেই। এই সব কিছু পঞ্চায়েত প্রধানকে বারবার তাঁরা জানিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ওড়গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল শেখ বলেন, রাজ্য সরকার গ্রামীন এলাকার উন্নয়নের কথা বললেও সাহেবগঞ্জ ২ পঞ্চায়েত এলাকায় উন্নয়নের কোন উদ্যোগই নেই। গ্রামবাসীদের সমস্যা ও দাবিদাওয়ার বিষয় নিয়ে বিক্ষোভকারীদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় বসেন প্রধান । পরে দাবা দাওয়া মেটানোর আশ্বাস দেন। পঞ্চায়েত প্রধান বিনয় কৃষ্ণ ঘোষ যদিও দাবি করেন, এদিনের ঘটনা সব চক্রান্ত। এলাকার কয়েকজনকে উস্কে এদিন ঝামেলা করানো হয়েছে। ভাতার বিধানসভার বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন, বিক্ষোভ হয়নি। আলোচনার জন্য বসেছিল। বিধানসভা থেকে ফিরে তিনি আলোচনা করে সব সমাধানের ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

Rice Mill: সহায়ক মূল্যে কেনা ধান আত্মসাতের অভিযোগে রাইস মিলের বিরুদ্ধে এফআইআর

সহায়ক মূল্যে চাষিদের কাছ থেকে কেনা ধান আত্মসাতের অভিযোগে রাসমিলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করলো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহ দপ্তর। বুধবার দপ্তরের পূর্ব বর্ধমান জেলা ম্যানেজার রাজু মুখোপাধ্যায় গলসির পারাজের একটি রাসমিলের বিরুদ্ধে গলসি থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ প্রতারণা ও সরকারী সম্পত্তি আত্মসাৎতের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে । ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গলসির কৃষক মহলে।আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারঅত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গলসির পারাজের উত্তরপাড়ার সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির মাধ্যমে চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনে সরকার। সেই ধান পারাজের ওই মিলটিতে জমা দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সংগৃহীত ১২০৬.৫৮২ মেট্রিক টন ধান সরকার ওই মিলটিকে দেয় । সেই ধানের পরিবের্ত ৮২০.৫৭৬ মেট্রিক টন চাল সরকারকে দেওয়ার কথা ছিল রাইস মিলটির। ওই রাইস মিল কর্তৃপক্ষ সরকারকে সেই চাল আজও দেয়নি। এমনকি ধানও ফেরত দেয়নি।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারএই পরিস্থিতিতে চাল না দেওয়ার কারণ দর্শানোর জন্য সরকারের তরফে পারাজের ওই রাইসমিল কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি পাঠায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর । অভিযোগ তার পরেও রাইসমিল কর্তৃপক্ষ হেলদোলও দেখায়নি, চালও দেয়নি। রাইসমিল কর্তৃপক্ষের এমন কাজ কারবারের পরিপ্রেক্ষিতে এরপরেই এফআইআর দায়েরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় । সেই অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহ দপ্তর বুধবার এফআইআর দায়ের করে।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

Fake Sanitizer: বর্ধমানে নকল স্যানিটাইজারের রমরমা, গ্রেপ্তার ৪

ড্রাগ কন্ট্রোল ব্যুরো ও পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার হল শহর বর্ধমানের ৪ নকল স্যানিটাইজার কারবারী।উদ্ধার হয়েছে ৩০০লিটার নকল স্যানিটাইজার। এই ঘটনায় শহর বর্ধমানে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আরও পড়ুনঃ করোনার আসন্ন তৃতীয় ঢেউ, সৌজন্যে ডেল্টা প্লাসকোভিড অতিমারিতে চাহিদা বেড়েছে স্যানিটাইজারের। তারই সূযোগ নিয়ে শহর বর্ধমানে রমরমিয়ে চলছিল নকল স্যানিটাইজার বিক্রি। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌঁছায় ড্রাগ কন্ট্রোল ব্যুরো ও পূর্ব বর্ধমানা জেলা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্র্যাঞ্চে। এদিন এই দুই দপ্তরের আধিকারিকরা যৌথ ভাবে শহর বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। শহর বর্ধমানের কালিবাজার এলাকার প্রসেনজিৎ দাসের বাড়িতে অভিযান চালাতেই উদ্ধার হয় ২৫০ লিটার নকল স্যানিটাইজার। এর পর শহরের কল্যাণী মার্কেট সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় আরও ৫০লিটার নকল স্যানিটাইজার। উদ্ধার হওয়া স্যানিটাইজার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ টিকা না নিয়েই সার্টিফিকেট, সমস্যার সমাধানে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরড্রাগ কন্ট্রোল ইন্সপেক্টর কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদিন বর্ধমান শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় নকল স্যানিটাইজার বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রায় ৩০০ লিটার নকল স্যানিটাইজার উদ্ধার হয়েছে। তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওইসব স্যানিটাইজারের বোতল ও ড্রামে কোনও ব্যাচ নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ কিছুই নেই। এমন স্যানিটাইজার বিক্রির অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত হওয়া সমস্ত স্যানিটাইজার পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে। নকল স্যানিটাইজার বিক্রি বন্ধে এমন অভিযান জেলা জুড়ে চলবে বলেপ ড্রাগ ইন্সপেক্টর জানিয়েছেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজ্য

Minor Abducting: নাবালিকা বোনকে অপহরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার দিদি ও তাঁর প্রেমিক

নাবালিকা বোনকে অপহরনের অভিযোগে দিদি ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর খড়দত্ত পাড়ায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হলেন নাবালিকার দিদি রুমা খাতুন ও তাঁর প্রেমিক সুরজ বিশ্বকর্মা। রুমার বাড়ি খড়দত্ত পাড়ায় হলেও তাঁর প্রেমিক সুরজ ঝাড়খণ্ড রাজ্যের বাসিন্দা। এই দুজনকে গ্রেপ্তার করার পরেই পুলিশ বছর ষোল বয়সী নাবালিকাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার দুই ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীতে জেসিবি চালানোর কাজ করে ঝাড়খণ্ডের যুবক সুরজ বিশ্বকর্মা। খড়দত্ত পাড়া নিবাসী তরুণী রুমা খাতুনের সঙ্গে তাঁর ভাব-ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী হয়। তাঁদের সম্পর্কে পথের কাঁটা হয়েছিল রুমার নাবালিকা বোন। তাই পরিকল্পনা কষে কয়েকদিন আগে রুমা তাঁর বোনকে সঙ্গে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। তার পর থেকে নাবালিকা আর বাড়িতে না ফেরায় বাড়ির লোকজন চিন্তায় পড়ে যান। আত্মীয়,পরিচিত সাবার বাড়িতে খোঁজ চালিয়েও নবালিকার হদিশ পান না তাঁর অবিভাবকরা। বাড়ির মেয়ের হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নিয়ে রুমা ও তাঁর প্রেমিক সুরজের উপরে বাড়ির সবার সন্দেহ জাগে। মেয়েকে ফিরে ফেতে নাবালিকার মা এরপরেই রুমা ও তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে পূর্বস্থলী থানায় অভিযোগে জানান। অপহরনের মামলা রুজু করে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ মেমারি থানা এলাকার একটি ডেরা থেকে রুমা ও তাঁর প্রেমিক সুরজকে গ্রেপ্তার করে। এই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ নাবালিকার হদিশ জানতে পেরে তাঁকেও উদ্ধার করে। পুলিশের কাছে দুই ধৃত দাবি করেছে, অন্য যুবকের সঙ্গে ভাব ভালবাসা করিয়ে দেবে বলে কথা দিয়ে তাঁরা গোপনে নাবালিকাকে তাঁদের সঙ্গে নিয়ে চলে এসে লুকিয়ে রেখেছিল।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Student Stabbed: জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবক

পেটে ধারালো কাঁচি চালিয়ে দিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে জখম করার অভিযোগে যুবককে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতের নাম সত্যম দে ওরফে চিনা।তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার দেবীপুরের বটতলা এলাকায়। মেমারি থানার পুলিশ বুধবার ভোরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতের দেখানো জায়গা থেকেই পুলিশ এদিন রক্তমাখা কাঁচিটি উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া কাঁচিটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমারপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানিয়েছে, আক্রান্ত মেমারি কলেজের তৃতীয় বর্ষে ছাত্রী সান্তনা হাঁসদার বাড়ি মেমারি থানার জুঝাপুর গ্রামে। মেমারির দেবীপুরে প্রাইভেট টিউশন সেন্টারে অনলাইন পরীক্ষা দেওয়া শেষে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ টা নাগাদ স্কুটি চেপে ছাত্রীটি বাড়ি ফিরছিল। পথে আচমকা এক যুবক তাঁর পেটে ধারালো কাঁচি চালিয়ে দেয়। ছাত্রীর পেটে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ছাত্রীকে উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যান। আঘাত গুরুতর থাকায় সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই এখন ছাত্রীটি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তএই হামলার কথা জানিয়ে রাতে ছাত্রীর মা মেনকা হাঁসদা মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে ধারাল অস্ত্র দিয়ে জখম করার ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ হামলাকারীর খোঁজ চালানো শুরু করে। এদিন ভোরে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেতে সক্ষম হয়। ধৃতকে এদিনই পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Student Stabbed: দিনেদুপুরে মেমারিতে কলেজ ছাত্রীর পেটে ছুরি, দুষ্কৃতী পলাতক

অনলাইন পরীক্ষা দিয়ে স্কুটি চেপে বাড়ি ফিরতে থাকা কলেজ ছাত্রীর পেটে ছুরি মেরে পালাল এক দুস্কৃতী। মঙ্গলবার বিকাল ৫ টা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার দেবীপুর বেলতলা বাজার এলাকায়। ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম মেমারি কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী সান্তনা হাঁসদাকে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে মেমারিতে। তদন্তে নেমে পুলিশ হন্যে হয়ে ওই দুষ্কৃতীর খোঁজ চালাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কলেজ ছাত্রী সান্তনা হাঁসদার বাড়ি মেমারি থানার দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের জুঝারপুরে। ছাত্রীর মামাতো ভাই শ্রীমন্ত সরেন জানিয়েছেন, অনলাইনে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য এদিন তাঁর বোন সান্তনা দেবীপুর বেলতলা এলাকায় প্রাইভেট টিউশন সেন্টারে গিয়েছিল। সেখানে পরীক্ষা দিয়ে বিকাল ৫ টা নাগাদ সে স্কুটি চেপে নিজের বাড়িতে ফিরছিল । টিউশন সেন্টার থেকে কিছুটা দূরে রাস্তায় স্কুটি দাঁড় করিয়ে আচমকাই সান্তনার পেটে ছুরি মেরে দিয়ে পালায় বছর ৩৮-৪০ বয়সী ওই দুষ্কৃতী।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরসেই মুহূর্তে আশেপাশে কোন লোকজন না থাকায় ওই দুষ্কৃতী সহজেই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এক সহপাঠী ও সহপাঠীর ভাই রক্তাত অবস্থায় পথে সান্তনাকে আর্তনাদ করতে দেখে তাঁকে উদ্ধার করে । তারই মধ্যে এলাকার মানুষজনও ঘটনাস্থলে হাজির হয়েযায়। শ্রীমন্ত সরেন জানিয়েছে ,তার বোনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্যে প্রথমে মেমারি গ্রামীন হাহপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আঘাত গুরুতর থাকায় তাঁকে রাতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানেই সান্তনা চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে তাঁর ভাই শ্রীমন্ত সরেন জানিয়েছে ।পলাতক দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে তার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে কলেজ ছাত্রীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?মেমারি থানার পুলিশ জানিয়েছে ,ছাত্রীর পরিবারের তরফে কোন লিখিত অভিযোগ এখনও জমা পড়েনি। তবুও ঘটনার তদন্ত শুরু করে দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তেরও খোঁজ চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Job Fraud :বড় খবর: পুলিশের জালে বড়সড় চাকরির প্রতারণা চক্র, মেমারি থেকে গ্রেফতার ৮

ফিউচার ইন্ডিয়া সংস্থার নামে চারবছর ধরে চাকরি দেওয়ার প্রতারণা চক্র সক্রিয় ছিল। চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা চক্রের হদিশ মিলল পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পালসিট এলাকায়। সেখানকার একটি ধাবা থেকে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, রাজ্যজুড়ে এরা তিন হাজারেরও বেশি বেকার যুবক যুবতীর সঙ্গে প্রতারণা করেছে।আরও পড়ুনঃ গলসিতে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতিরবর্ধমান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহ রায় বলেন, পালসিটের ওই ধাবায় চাকরি প্রার্থীরাও হাজির ছিলেন। তাঁদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আটজনকে গ্রেফতার করেছে মেমারি থানার পুলিশ। ফিউচার ইন্ডিয়া নামে চলছিল সংস্থাটি। রোড সেফটি অর্গানাইজেশনের নামে এরা প্রশিক্ষণ দিয়েছে। নথি অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করছিল। এদের কাছ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতর ও রাজ্যপালের কাছে আবেদন করা চিঠি মিলেছে।দীর্ঘ দিন ধরেই এই প্রতারণা চক্রটি সারা রাজ্যে জাল বিস্তার করেছে। ২০১৮ থেকেই সক্রিয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১,১০,৫০০ টাকা। এছাড়া ৭ টি মোবাইল, ১ টি গাড়ি, বেশ কিছু স্ট্যাম্প ও নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে। ধৃতদের কয়কজনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চালানো হবে বলে পুলি জানিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Barakar: পুলিশি হেপাজতে যুবকের মৃত্যুতে রণক্ষেত্র বরাকর

কুলটির থানার বরাকরে এক 22 বছরের যুবককে থানায় নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়েছে, এই অভিযোগ কে ঘিরে রনক্ষেত্রের চেহারা নিল বরাকর বাজার এলাকা। বেগুনিয়া মোর থেকে শুরু করে হনুমান চড়ায় অবধি রাস্তা অবরুদ্ধ রেখে বিক্ষোভ চলে। ঘটনাস্থলে পুলিসের উচ্চপদস্থ কর্তারা, কমব্যাট ফোর্স। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ, দফায় দফায় বিক্ষোভ, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়। মৃত যুবকের আত্মীয় এম ডি সাকিল আনসারি বলেন, আমার ভাইপো আরমানকে রাতে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। মারধর করে। সকালে হাসপাতালে পাঠালে তাকে মৃত বলে জানান ডাক্তার। ঘটনার পরেই স্থানীয় মানুষ তুমুল বিক্ষোভ দেখায়। বরাকর বাজার জুড়ে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ। রাস্তার বেশ কয়েকটি জায়গায় টায়ার দিয়ে আগুন জেলে বিক্ষোভ চলতে থাকে। ঘটনাস্থল আসেন এসিপি অমর আলি মোল্লা। ডিসিসি অভিষেক গুপ্তা ও পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার ঠাকুর।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Accident: বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী

বরাত জোরে বেঁচে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের বিধায়ক বড়সড় পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সোমবার বিকেলে নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে মেমারি-কাটোয়া রোড ধরে কাটোয়ায় বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মেমারি থানার কামালপুর ব্রিজের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য বাড়ি যাচ্ছিলেন। আহত মন্ত্রীকে রাতে পৌছে দেওয়া হয় কাটোয়ার কবজগ্রামের বাড়িতে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, সাতগেছিয়ার আগেই বড়সড় বিপত্তি ঘটে। ওই সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি ডানদিকে ঘুরে যাওয়া মেমারি মুখী একটি বোলেরো পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মন্ত্রীর গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই দুর্ঘটনায় সামান্য জখম হয়েছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। মন্ত্রীর গাড়ির চালক এবং বোলেরো গাড়ির চালকও আহত হন । বোলেরো গাড়ির চালককে মেমারির পাহাড়হাটি স্বাস্থকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্যে নিয়ে যাওয়া হয় । আরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতাগ্রন্থাগারমন্ত্রী বলেন, বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি। দুটি আঙুলে সামান্য চোট রয়েছে। তবে সুস্থ রয়েছি। তাঁর মায়ের শরীর খারাপ। মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য তিনি তাঁর কাটোয়ার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান সদর(দক্ষিণ) এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানান, মন্ত্রীর গাড়ির চাকা পাংচার হয়ে এই বিপত্তি ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

Gang Rape: গলসিতে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির

গলসিতে বিধবা আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে সরব হল সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি। গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির রাজ্য সভনেত্রী ও প্রাক্তন মন্ত্রী অঞ্জু কর সহ সমিতির জেলা সম্পাদিকা সুপর্না ব্যানার্জী, জেলা সভানেত্রী মণিমালা দাস, স্থানীয় নেত্রী পুস্প দে, সদস্যা কাজী জবুন্নেসা ও পুতুল সেখ প্রমুখরা রবিবার পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানায় হাজির হন। তাঁরা গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সকল অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে এদিন থানায় স্মারকলিপি জমা দেন।নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়েও পাশে থাকার আশ্বাস দেন মহিলা সমিতির সদস্যরা। আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরগলসির সাঁকো গ্রামের ওই বিধবা আদিবাসী মহিলা গত বৃহস্পতিবার পাশের পাড়ায় বিয়ে বাড়িতে যান । অভিযোগ, ওইদিন রাতে যুবকের দল তাঁকে বিয়ে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। পরদিন সকালে এই বিষয়টি জানানানি হয়। তদন্তে নেমে গলসি থানার পুলিশ ওইদিনই এলাকা থেকে উত্তম বাউরি নামে অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেপ্তার করে । শনিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে হেপজতে নিয়ে পুলিশ ঘটনায় জড়িত বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূল কার্যালয়ে কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি, জল্পনা গোষ্ঠী দ্বন্দ্বেরমহিলা সমিতির জেলা সভানেত্রী মণিমালা দাসের অভিযোগ, আগেও গলসিতে একজন ছাত্রী, একজন তপশিলি জাতির মহিলা ও দুইজন আদিবাসী মহিলাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা ঘটেছে। পর পর হওয়া এই ঘটনা প্রমান করে যে গলসি থানা এলাকায় মহিলাদের নিরাপত্তা নেই। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ঠিক নেই গলসিতে। পূর্বেকার ওইসব ঘটনা বিষয়েও তাঁরা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন। কিন্তু দোষীদের শাস্তি হয়নি। এত কিছুর পরেও ফের সাঁকো গ্রামের বিধবা মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনা সেই গলসিতেই ফের ঘটলো।গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির নেত্রীরা এদিন গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সকল অভিক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

গলসিতে বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে অসুস্থ ১০ শিশু সহ ৪৪ জন

বিয়েবাড়িতে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন পরিবার পরিজন সহ কয়েকজন গ্রামবাসী। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানে গলসি থানার উচ্চগ্রামে। ১০ জন শিশুসহ ৪৪ জন অসুস্থকে ভর্তি করা হয়েছে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।আরও পড়ুনঃ সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণে সত্যি উল্লেখ ছিল না, তাই বাধাহাসপাতালে ভর্তি অসুস্থরা বলেন, অনুষ্ঠান বাড়িতে আমন্ত্রিত ও প্রতিবেশীরা সবাই এদিন বেলা দশটার সময় মুড়ি, কুমড়োর তরকারি, বোঁদে খান। তারপরেই তাঁদের বমি শুরু হয়। খবর পেয়ে গ্রামে স্বাস্থ্যে কেন্দ্রের টিম যায়। পৌঁছায় ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ফারুক হোসেন। গ্রামে যান গলসি থানার ওসি দীপঙ্কর সরকার সহ পুলিশকর্মীরা। স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পুলিশের উদ্দ্যোগে অসুস্থ ৪৪ জন স্থানীয় পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসক ডাঃ সৈফ আলি জানিয়েছেন, অসুস্থদের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন সবাই একটু সুস্থ রয়েছে । অসুস্থতার কারণ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে স্বাস্থ্য দপ্তরের টিম। আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশঅসুস্থদের আত্মীয় ক্ষেত্রনাথ বাগদী জানান, এই ঘটনার পরে গ্রামে আশেপাশের মানুষজনকে সেলাইন বিতরণ ও ওষুধ বিলি করা হয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় ব্লিচিং ছড়িয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়। এলাকায় ব্যবহৃত নলকুপটি বন্ধ করেদেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ ও স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকার পুকুরের জল ব্যবহার না করার জন্যে পোস্টার সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফিরে এল পাঁচ বছর আগের স্মৃতি! তৃণমূল কর্মীর বাইকে সওয়ার হলেন মুখ্যমন্ত্রী

প্রায় পাঁচ বছর আগে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বৈদ্যুতিক স্কুটারে চড়ে নজর কেড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ছবি ফের যেন ফিরে এল এবারের ভোট প্রচারে। শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার দমদম উত্তর কেন্দ্রে রোড শো করতে গিয়ে হঠাৎই দলীয় কর্মীর বাইকে চড়ে প্রচার সারলেন তিনি।দমদম উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সমর্থনে এদিন বিরাটির বণিক মোড় থেকে বিরাটি মোড় পর্যন্ত রোড শো ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে তিনি গাড়িতে করে বিরাটি মিনি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছন। তারপর কিছুটা রাস্তা হেঁটে এগোন। এরপর আচমকাই এক দলীয় কর্মীর বাইকে উঠে পড়েন তিনি। বাইকে চড়েই বাকি পথ পাড়ি দেন এবং সেইভাবেই জনসংযোগ করেন।এই দৃশ্য দেখে রাস্তার দুপাশে ভিড় জমে যায়। সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ে। অনেকেই বলছেন, এইভাবেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়াই মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা পরিচয়।দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচার জোরকদমে চলছে। তৃণমূল নেতৃত্ব একাধিক জেলায় ঘুরে ঘুরে প্রচার করছেন। কখনও হুগলি, কখনও উত্তর ২৪ পরগনা, আবার সন্ধ্যায় কলকাতাএভাবেই টানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন তাঁরা। তারই মাঝে এই বাইক যাত্রা নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।উল্লেখ্য, একুশ সালের আগে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি গাড়ি নয়, বৈদ্যুতিক স্কুটারে করে নবান্নে যাবেন। সেই মতো কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্কুটিতে চড়ে তিনি নবান্নে পৌঁছেছিলেন। এবার আবার ভোটের মাঝেই বাইকে চড়ে প্রচারে নামায় সেই পুরনো ঘটনার স্মৃতি উসকে দিল।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে মোদি-মমতা নিশানায়! শ্রীরামপুরে রাহুলের বিস্ফোরক আক্রমণ

রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। হুগলির শ্রীরামপুরে শনিবারের সভা থেকে তিনি দুর্নীতির ইস্যুতে একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপির উত্থানের জন্য তৃণমূলও দায়ী।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেমন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তেমনই বাংলার তৃণমূল সরকারও দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর কথায়, নরেন্দ্র মোদি যেমন হিংসার রাজনীতি করেন, তৃণমূলও বাংলায় একই কাজ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেন, তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন এবং তাঁর লোকসভার সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে। তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কত মামলা হয়েছে এবং তাঁকে কতবার জেরা করা হয়েছে।তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই করে না বলেও অভিযোগ করেন রাহুল। তাঁর দাবি, কংগ্রেসই নীতির ভিত্তিতে লড়াই করছে এবং সঙ্ঘের বিরুদ্ধেও তারা লড়ছে।সভায় তিনি আবারও সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই সব ঘটনায় সাধারণ মানুষের টাকা লুট হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রের অবনতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। রাহুলের দাবি, একসময় বাংলা ছিল শিল্পের কেন্দ্র, কিন্তু এখন সেই জায়গা হারিয়েছে এবং বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার অপরাধে আসানসোলে খুন! সিসিটিভিতে ধরা পড়তেই গ্রেফতার ৩, তীব্র চাঞ্চল্য

আসানসোলে (Asansol) কংগ্রেস কর্মী খুনের ঘটনায় শনিবার তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনা রাজনৈতিক হিংসার নয়। জেলা নির্বাচন আধিকারিক কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছেন, রাস্তায় গণ্ডগোলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সরাসরি তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। কংগ্রেস (Asansol) প্রার্থী প্রসেনজিৎ পুইতুণ্ডি দাবি করেছেন, নিহত যুবক দেবদীপ চট্টোপাধ্যায় তাঁর পরিচিত এবং তাঁর হয়েই প্রচার করেছিলেন।প্রসেনজিৎ জানান, শুক্রবার রাতে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে গাড়িতে ফিরছিলেন দেবদীপ। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। এরপর দেবদীপ গাড়ি থেকে নামলে তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয় (Asansol)। অভিযোগ, দেবদীপ তাঁর নাম করে অভিযোগ জানাবেন বলতেই দুষ্কৃতীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বেধড়ক মারধর শুরু করে। লাথি-ঘুষিতে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় তাঁকে। সেই আঘাতেই মৃত্যু হয় বলে দাবি কংগ্রেস প্রার্থীর। তাঁর অভিযোগ, এই দুষ্কৃতীরা তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল উত্তর বিধানসভা এলাকার একটি আবাসনে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতেই মারধরের ঘটনা ঘটে এবং শনিবার সকালে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ঘটনার পর কংগ্রেস প্রার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আসানসোল দক্ষিণ থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখান (Asansol)।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

দাউদাউ আগুনে ছাই বস্তি! একের পর এক সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

দক্ষিণ ২৪ পরগনার আক্রা-সন্তোষপুর এলাকায় একটি বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুনে বহু ঝুপড়ি পুড়ে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অন্তত ৪০টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মোট ৫০ থেকে ৬০টি ঘর আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।শনিবার আচমকা আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। আগুনের তীব্রতায় চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দূর থেকেও সেই ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। একের পর এক ঝুপড়ি আগুনের গ্রাসে চলে যায়। আতঙ্কে বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন।প্রথমদিকে স্থানীয়রাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। জল ঢেলে ও বিভিন্নভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হলেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।খবর পেয়ে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশও পৌঁছে উদ্ধারকাজে সাহায্য করছে।এই অগ্নিকাণ্ডে রেললাইনের ওভারহেড তার পুড়ে যাওয়ায় বজবজ-শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

গঙ্গায় নৌকাবিহার ঘিরে মোদিকে তোপ! মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষে তোলপাড় রাজনীতি

উত্তরপাড়ার জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গঙ্গায় নৌকাবিহার নিয়ে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি দাবি করেন, সেনাবাহিনীর বিশেষ নৌকায় চড়েই গঙ্গায় ঘুরেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই নৌকায় কোনও দুর্ঘটনার ভয় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন নৌকাবিহার করছেন এবং হুগলি নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। তাঁর কথায়, সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই এই সফর হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের ঘাটগুলি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে, সেগুলিও নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে অতীতের একটি ঘটনাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী । তিনি দাবি করেন, কোভিডের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে মৃতদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা পরে মালদহে পাওয়া যায়। সেই প্রসঙ্গ টেনেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন তিনি।এছাড়া দিল্লির যমুনা নদীর দূষণ নিয়েও প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, গঙ্গা পরিষ্কার রাখতে রাজ্য চেষ্টা করে, কিন্তু কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য মেলে না। ড্রেজিংয়ের জন্য অর্থ দেওয়া হয় না বলেও দাবি করেন তিনি। বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।শেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, দিল্লিতে যমুনার দূষণ কতটা বেড়েছে, তা একবার দেখে নেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, যমুনার জল এতটাই দূষিত যে সেখানে নামলে ক্ষতি হতে পারে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! ডায়মন্ড হারবারে ৫ পুলিশ অফিসার সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য রাজনীতিতে

ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পাঁচজন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশে তাঁদের অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার পুলিশ সুপার ড. ইশানি পালকে সতর্ক করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডিশনাল এসপি সন্দীপ গড়াই, এসডিপিও সাজিল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ এবং উস্তি থানার ওসি সুবেচ্ছা বাগ। কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে গাফিলতি এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, গত ২২ তারিখে নিযুক্ত পুলিশ অবজার্ভার এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।তবে ঘটনার মধ্যেই নতুন বিতর্কও সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, ওই পুলিশ অবজার্ভার নাকি এক বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে একটি হোটেলে বৈঠক করেছিলেন। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এর আগে পুলিশ পর্যবেক্ষক পি এস পুরুষোত্তম দাসকে অপসারণের দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না এবং ডায়মন্ড হারবার, ফলতা ও মগরাহাট অঞ্চলে পক্ষপাতমূলক ভূমিকা নিচ্ছেন। তৃণমূলের আইনজীবীর দাবি ছিল, বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে তিনি আলাদা করে হোটেলে বৈঠক করেছেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়।এই পুরো ঘটনার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপে ডায়মন্ড হারবারের প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের রাজনৈতিক আবহকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগেই বদলে গেল আবহাওয়া! বাংলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, কোথায় কতটা প্রভাব?

দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কয়েকদিন ধরে চলা তীব্র গরমের পর এবার রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ফলে ভোটের সময় আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এপ্রিলের শেষ ভাগে রাজ্যে কিছুটা স্বস্তির বৃষ্টি দেখা দিতে পারে। তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বহু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।কলকাতার আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকবে। দুপুর বা বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশেপাশে। বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রাও বেশি থাকবে, যা অস্বস্তি বাড়াতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকদিনের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর আশঙ্কাও রয়েছে, যা ভোটের সময় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে মৎস্যজীবীদের জন্যও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশার উপকূলে আগামী কয়েকদিন সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও ভিন্ন। সেখানে ইতিমধ্যেই প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ধূপগুড়ি, বানারহাট ও গয়েরকাটা এলাকায় ঝড়বৃষ্টিতে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। বহু জায়গায় গাছ পড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে, বাজার-হাটও প্রভাবিত হয়েছে। কৃষক ও শ্রমিকদের কাজেও বড় প্রভাব পড়েছে এবং ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে ভোটের মুখে বাংলার আবহাওয়া নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি এলেও ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা ভোটের দিনগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই হাবড়ায় ইডির হানা! একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভোররাতের তল্লাশি

দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগেই ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়ায় রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি।কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই এই অভিযান শুরু হয়। হাবড়ার জয়গাছি নেতাজি রোডে চাল ব্যবসায়ী সমীর চন্দের বাড়িতে প্রথমে হানা দেয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। অভিযোগ, রেশন বণ্টন দুর্নীতির মামলায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। কোথা থেকে চাল কেনা হয়, কী দামে বিক্রি হয় এবং বাজারে কীভাবে সরবরাহ করা হয়, সেই সমস্ত আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।একই দিনে হাবড়ার শ্রীনগর রোডে আরও এক চাল ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে পৌঁছে কিছু সময় বাইরে অপেক্ষার পর ভিতরে ঢুকে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। পরিবারের সদস্যদেরও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ইডি সূত্রে দাবি, এই মামলায় হাবড়ার অন্তত তিনজন চাল ব্যবসায়ীর নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই একাধিক দলে ভাগ হয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অভিযোগ, রেশন সামগ্রী কালোবাজারিতে বিক্রি করা হচ্ছিল এবং বিপুল আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার ঘটনাও সামনে এসেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগেই এই অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা রয়েছে, যেখানে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, যাঁকে এই একই মামলায় আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল।শনিবার ভোরের এই অভিযানের সময় অধিকাংশ পরিবারই ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বারবার দরজায় ধাক্কা দেওয়ার পর বাড়ির ভিতরে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন আধিকারিকরা। এখনও পর্যন্ত অভিযান চলছে বলে খবর।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal