• ১৩ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrest

রাজ্য

জামাত জঙ্গি-যোগে বাঁকড়া থেকে গ্রেপ্তার স্কুল শিক্ষক

জামাত-উল-মুজাহিদিন (জেএমবি) জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর হাতে গ্রেপ্তার এক শিক্ষক। পাশাপাশি গ্রেপ্তার করা হয় ওই দুই জঙ্গিকে। ধৃত শিক্ষক আনিরুউদ্দিন আনসারির বাড়ি পুরুলিয়ার পাড়ায়। তিনি হাওড়া জেলার বাঁকড়ার মুন্সিডাঙ্গায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। তিনি স্থানীয় মসজিদের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গত ১৪ মার্চ রাতে তাঁকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করে। আনিরুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুজন জেএমবি জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ছিল।পুরুলিয়ায় নয়, হাওড়ার বাড়িতেই জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত শিক্ষককে বুধবার হাও়ড়া আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তকে হেপাজতে নেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে। ওই দুই জঙ্গি কবে থেকে ধৃতের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল এবং এই দুজন ছাড়া আর কেউ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে এসটিএফ। ওই শিক্ষক নিজেও জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বেঙ্গল এসটিএফ সূত্রে খবর, সম্প্রতি ভোপালে চারজন জঙ্গিকে সেখানকার দুটি জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করে সেই রাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (এটিএস)। তাদের সূত্র ধরেই আনিরুদ্দিনের নাম উঠে আসে গোয়েন্দাদের কাছে। দীর্ঘদিন ধরে বেঙ্গল এসটিএফ-এর গোয়েন্দাদেরও নজরে ছিল এই জঙ্গি। গতকাল রাত্রে তাকে ইউএপিএ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।এরপর আজ আনিরুদ্দিনকে হাওড়া জেলা আদালতে তোলা হয়।

মার্চ ১৬, ২০২২
কলকাতা

বইমেলায় কেপমারিতে অভিযুক্ত অভিনেত্রীর জেল হেপাজত

বইমেলা থেকে কেপমারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিনেত্রী রূপা দত্ত। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা বইমেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। একদিনের জেল হেপাজত হয়েছে রূপা দত্তের। তাঁর আইনজীবী এদিন এজলাসে ১৪ দিনের জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু তা খারিজ করে দেন বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক। গ্রেপ্তারের পরই রূপার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা, একাধিক পার্স উদ্ধার করে পুলিশ।তবে এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এসেছে। টেলি দুনিয়ায় বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন রূপা দত্ত। মুম্বইয়েও যোগাযোগ ছিল বলেই তদন্তে উঠে এসেছে। সেলুলয়েডের দুনিয়ায় যাঁর এত পরিচিতি, এভাবে চুরির অভিযোগে তাঁর নাম কেন জড়াল? অন্যদিকে এদিন এজলাসেও বিচারক মামলাটি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিজার লিস্টে দুজন সাক্ষীর নাম ছিল। একজন এর মধ্যে মহিলা কনস্টেবল। প্রশ্ন উঠেছে, দ্বিতীয় জনের জবানবন্দি কেন নেওয়া হল না? অন্যদিকে রূপা দত্ত কেন ডাস্টবিনের পার্সের দিকে হাত বাড়াতে গেলেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

জাল দলিল চক্রের নাগাল পেতে গ্রেফতার দুই অভিযুক্তকে হেপাজতে নিল পুলিশ

জমির মিউটেশন করানোর জন্য ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া দুই ব্যক্তিকেই হেপাজতে নিল পুলিশ। জাল দলিল তৈরি চক্রের পাণ্ডাদের নাগাল পেতেই পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে,কালনা ১ ব্লক ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দিয়ে জমির মিউটেশনা করাতে এসে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন পিন্টু খাঁ ও তুষারকান্তি সরদার। দুজনেরই কালনা ১ ব্লকের বেগপুরের পশ্চিম সাহাপুরে। ব্লক ভূমি আধিকারিক সৈয়দ মাসুদুল আনোয়ারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার পুলিশ পিন্টু ও তাঁর সহযোগী তুষার কে গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ দুই ধৃতকে বুধবার কালনা মহকুমা আদালতে পেশ করে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। বিচারক দুই ধৃতকেই ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ মনে করছে, হেপাজতে নেওয়া ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালালেই মিলবে জাল দলিল তৈরি চক্রে জড়িতদের হদিশ।ভূমি দফতরের আধিকারিক সৈয়দ মাসুদুল আনোয়ার জানিয়েছেন, মৃত বাবার নামে থাকা জমিজমা নিজের নামে মিউটেশন করানোর জন্য পশ্চিম সাহাপুর নিবাসী পিন্টু খাঁ কালনা ১ ব্লক ভূমি দফতরের অফিসে একটি দলিল সহ বেশ কিছু নথি জমা দেন।এদিন ছিল মিউটেশনের আবেদনের শুনানির দিন। শুনানির সময়ে পিন্টুর জমা দেওয়া দলিলে থাকা স্বাক্ষর দেখে ভূমি দফতরের রেভিনিউ অফিসারের সন্দেহ হয়। এর পর তিনি সরকারি অফিসিয়াল সাইট খুলে দলিলের নম্বর খতিয়ে দেখেন। তখনই তাঁর চোখ কপালে ওঠে। ওই দলিলে থাকা স্বাক্ষর ও তথ্য কোনও কিছুই সরকারি অফিসিয়াল সাইটে মেলে না। তার পরিপ্রেক্ষিতেই দফতরের আধিকারিকরা সবাই নিশ্চিত হয়ে যান মিউটেশন করানোর জন্য ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দেওয়া হয়েছে। এরপরই ভূমি দফতরের আধিকারিকরা পিন্টু ও তাঁর সঙ্গে থাকা সহযোগী তুষারকে ধরে ফেলে থানায় খবর দেয়। জাল দলিল জমা দেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়ে ধৃতরা মুচলেখাও দেয়। এরপর পুলিশ এলে দুই অভিযুক্তকে আধিকারিকরা পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। কালনা এসডিএলআরও তরুণ মন্ডল জানিয়েছেনএই ধরনের কাজের সাথে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদের কাউকেই রেয়াত করা হবেনা। জালিয়াতিতে ধরাপড়া দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও ধৃতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২২
রাজ্য

জাল দলিল করে মৃত বাবার সম্পত্তি হাতাতে গিয়ে গ্রেফতার ছেলে-সহ সাকরেদ

জমির মিউটেশন করানোর জন্য ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দুই ব্যক্তি। ধৃতদের নাম পিন্টু খাঁ ও তাঁর সহযোগী তুষারকান্তি সরদার। দুজনেরই বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা ১ ব্লকের বেগপুরের পশ্চিম সাহাপুরে। মঙ্গলবার ব্লকের ভূমি দফতরের আধিকারিকরা ওই দুই জালিয়াতকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ব্লক ভূমি আধিকারিক সৈয়দ মাসুদুল আনোয়ারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পিন্টু ও তাঁর সহযোগীকে রাতে গ্রেফতার করেন। এই ঘটনা জানাজানি হতেই কালনার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁরা মনে করছেন মোটা টাকার বিনিময়ে জাল দলিল তৈরি করে দেওয়ার চক্র জেলায় সক্রিয় হয়েছে।ভূমি দফতরের আধিকারিক সৈয়দ মাসুদুল আনোয়ার জানিয়েছেৌন, মৃত বাবার নামে থাকা জমিজমা নিজের নামে মিউটেশন করানোর জন্য পশ্চিম সাহাপুর নিবাসী পিন্টু খাঁ কালনা ১ ব্লক ভূমি দফতরের অফিসে একটি দলিল সহ বেশ কিছু নথি জমা দেন। এদিন ছিল মিউটেশনের আবেদনের শুনানির দিন। শুনানির সময়ে পিন্টুর জমা দেওয়া দলিলে থাকা স্বাক্ষর দেখে ভূমি দফতরের রেভিনিউ অফিসারের সন্দেহ হয়। এর পর তিনি সরকারী অফিসিয়াল সাইট খুলে দলিলের নম্বর খতিয়ে দেখেন। তখনই তাঁর চোখ কপালে ওঠে। ওই দলিলে থাকা স্বাক্ষর ও তথ্য কোন কিছুই সরকারী অফিসিয়াল সাইটে মেলে না। তার পরিপ্রেক্ষিতেই দফতরের আধিকারিকরা সবাই নিশ্চিত হয়েযান মিউটেশন করানোর জন্য ভূমি দফতরে জাল দলিল জমা দেওয়া হয়েছে।এর পরপরই ভূমি দফতরের আধিকারিকরা পিন্টু ও তাঁর সঙ্গে থাকা সহযোগী তুষারকে ধরে ফেলে থানায় খবর দেয়। জাল দলিল জমা দেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়ে ধৃতরা মুচলেখাও দেয়। এরপর পুলিশ এলে দুই অভিযুক্তকে আধিকারিকরা পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। কালনা এসডিএলআরও তরুণ মন্ডল জানিয়েছেন, এই ধরনের কাজের সাথে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদের কাউকেই রেয়াত করা হবেনা।জালিয়াতিতে ধরাপড়া দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মার্চ ০৮, ২০২২
রাজ্য

শেষমেশ অপরাধীদের চিহ্নিত করতে উলুবেড়িয়া জেলে হাজির আনিস খানের বাবা

টিআই প্যারেডে অপরাধীদের চিহ্নিত করতে উলুবেড়িয়া জেলে গিয়েছেন আনিস খানের বাবা সালেম খান। আনিস খুনের সঙ্গে পুলিশ জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন সালেম খান। একজন বন্দুকধারী পুলিশ ও তিনজন সিভিক পুলিশ রাতে আমতার সারদা দক্ষিণখান পাড়ায় আনিসদের বাড়িতে গিয়েছিল। বন্দুকধারী পুলিশ নীচে সালেম খানকে আটকে রাখে। বাকি তিনজন ওপরে গিয়ে ছেলে খুন করে ফেলে নীচে ফেলে দিয়েছে। এমনই অভিযোগ করেছেন সালেম খান। ওই অভিযোগেই অনড় রয়েছেন আনিসের বাবা।এরইমধ্যে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে টিআই প্যারেডে সালেম খান যাবেন কীনা তা নিয়ে সন্দেহ ছিল। পরে অবশ্য সিটের দল এদিন দুপুরে দক্ষিণখান পাড়ায় আনিসদের বাড়িতে যায়। পরে অবশ্য আইনজীবী আসার পর উলুবেড়িয়া রওনা দেন সালেম খান। পুলিশের গাড়িতে যাননি সালেম খান। তাঁর আইনজীবীর গাড়িতে তিনি উলুবেড়িয়া যান। এখন ঘটনার একমাত্র প্রত্য়ক্ষদর্শী টিআই প্যারেডে গ্রেফতার দুজনকে চিনতে পারেন কীনা বা এরাই তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল কীনা সেটাই এখন দেখার। তবে সালেম খানের বক্তব্য ছিল বন্দুকধারী পুলিশ কর্মীকে তাঁর স্পষ্ট মনে রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

আনিসকাণ্ডে এসএফআইয়ের ভবানী ভবন অভিযানে রাসবিহারীতে ধুন্ধুমার, মিছিল শুরুতেই বাধা

ছাত্র নেতা আনিস খানের খুনিদের শাস্তির দাবিতে ও রাজ্য পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদ জানাতে ভবানী ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল এসএফআই। শুক্রবার মিছিল শুরুর আগেই থেকে রাসবিহারী এলাকা প্রায় দুর্গে পরিণত করে পুলিশ। বিশাল পুলিশ বাহিনী পুরো এলাকার দখল নেয়। সাদা পোষাকের পুলিশও ছিল যথেষ্ট সংখ্যক। মিছিলে শুরু হওয়ার আগেই হাজির এসএফআই নেতৃত্বকে প্রিজন ভ্যানে তুলে নেয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় আন্দোলনকারীদের। ধুন্ধমার কান্ড ঘটে রাসবিহারী মোড়ে।গ্রেফতার ছাত্রনেতা সৃজন ভট্টাচার্যআলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র আনিস খানকে আমতার সারদা দক্ষিণ খানপাড়ার বাড়িতে গিয়ে পুলিশ খুন করে বলে অভিযোগ তোলে তাঁর বাবা সালেম খান। ইতিমধ্যে ওই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পর দিন থেকে আন্দোলন শুরু করে ছাত্র সংগঠনগুলো। এসএফআই ও বাম ছাত্র সংগঠনগুলো পথে নামে আনিসের খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে। রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এসএফআই। এদিন রাসবিহারীতে রীতিমতো আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের খন্ডযুদ্ধ বেধে যায়। দেখা যায় এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাটার্যকে চ্যাংদোলা করে পুলিশ প্রিজন ভ্যানে তুলছে। মিছিল শুরুই করতে দেয়নি পুলিশ। ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা হাজির হতেই তাঁদের গ্রেফতার করে পুলিশ।সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, পুলিশ বলেছিল, এক পাও মিছিল করতে দেবে না। আমরা ওই হুমকি ফু্ঁ দিয়ে উড়িয়ে মিছিল করেই ভবানীভবন যাচ্ছিলাম। মাঝপথে পুলিশের আক্রমণ, আহত একাধিক ছাত্র৷ পুরুষ পুলিশ আক্রমণ করেছে ছাত্রীদের৷ আটক করে লালবাজার নিয়ে যাচ্ছে। প্রতীকউরদা ও যুব নেতৃত্ব আমতায় আছে। মিছিল করবে। থামানো যাবে না আক্রমণ করে আমাদের। কাল হাওড়া জেলা গ্রামীণ এসপি ঘেরাও। তার আগে আজ বিকেল থেকে সর্বত্র আরেক দফা রাস্তা অবরোধ৷

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

ওসির নির্দেশে গিয়েছিলাম, আমরা বলির পাঁঠা, দাবি ধৃত দুই পুলিশকর্মীর

ওসি-র নির্দেশ পেয়েই শুক্রবার রাতে ছাত্রনেতা আনিস খানের বাড়িতে গিয়েছিলেন, জানালেন আনিস-হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে ধৃত দুজন পুলিশকর্মী। তাঁদের দাবি, গোটা ঘটনাটিতে তাঁদেরকে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে। আসলে আনিস-হত্যার আগুনে জল ঢালা হচ্ছে এই ভাবে।বুধবারই আনিস-হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে। বৃহস্পতিবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁরা জানান, শুক্রবার আনিসের বাড়িতে গেলেও আনিসের মৃত্যু কী ভাবে হয়েছে তা তাঁদের জানা নেই। তাঁদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন সেই রাতে আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন তাঁরা? কেউ কি তাঁদের যেতে বলেছিল? জবাবে ধৃত দুই পুলিশকর্মী জানান, তাঁরা ছাত্রনেতার আমতার বাড়িতে গিয়েছিলেন ওসি-র নির্দেশে। এই ওসি আমতা থানার ওসি কি না তা অবশ্য ধৃতরা জানাননি।এখানেই শেষ নয়, সরাসরি ওসি-র বিরুদ্ধে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেন তাঁরা। এই বিষয়ে আনিস খানের দাদা সাবির খান বলেন, আমরা এজন্যই প্রথম থেকে বলছিলাম পুলিশ নাটক করছে। এই নাটক আমাদের পছন্দ হচ্ছে না। এ জন্য আমরা পুলিশকে মানি না। পুলিশকে পছন্দ করি না। সিটের উপর ভরসা নেই। আমরা সিবিআই চাইছি। ওসি-কে জিজ্ঞেস করুক। ওসি-কে তুলছে না কেন?

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

পুলিশকে দিয়ে কারা আনিস খানকে খুন করাল? প্রশ্ন তুলে তৃণমূল নেতৃত্বকে বিঁধলেন রাহুল

পুলিশকে দিয়ে কারা আনিস খানকে খুন করাল তার তদন্ত হলে অনেক তৃণমূল নেতা জড়িয়ে যাবে। বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে বুধবার কাটোয়ায় প্রচারে এসে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তৃণমূল নেতৃত্ব যদিও রাহুল সিনহার এইসব বক্তব্যকে কোন গুরুত্বই দিতে চাননি। তাঁদের বক্তব্য, রাহুল সিনহা বোধহয় যোগী রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে গুলিয়ে ফেলছেন। কাটোয়ায় রোড শো শেষ করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল সিনহা আরও বলেন, আনিস খানকে খুনের ঘটনার ভিতরে লুকিয়ে আছে অনেক রহস্য। পুলিশ হত্যা করেছে ঠিকই, কিন্তু পুলিশকে দিয়ে কারা হত্যা করিয়েছে? অনেক তৃণমূল নেতা জড়িয়ে যাবে। সিট গঠন করে আসল সত্য সামনে আসবে না। একমাত্র সিবিআই তদন্ত হলেই সব সত্য বেড়িয়ে আসবে। চারটে পুলিশকে সাসপেন্ড করে ন্যাকামি দেখানোর দরকার নেই। আনিসের পরিবার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে বলে এখন তাঁদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এবার মিথ্যা মামলা দেওয়া হবে। গ্রেফতার পর্যন্ত করা হতে পারে । এইসবই শাসকদলের এক একটা ফর্মুলা। আগে চাকরির লোভ দেখিয়ে পরিবারকে বসে আনার চেষ্টা করা। যখন পারবে না তখন হুমকি দেখানো হবে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

সিট অনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় নীচু তলার দুই পুলিশ কর্মীকে বলির পাঁঠা করলো, বললেন সজল ঘোষ

আনিস খানকে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে দুই পুলিশ কর্মী। আর এই গ্রেফতারি নিয়ে বুধবার সিটের তদন্তকারী অফিসার ও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। পুর ভোটের প্রচারে এদিন সন্ধ্যায় বর্ধমানে সভা করতে এসে সজলবাবু দাবি করেন, আনিসের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে যা হওয়ার ছিল সেটাই হয়েছে। বলির পাঁঠা করা হল নীচু তলার দুই পুলিশ কর্মীকে। এই প্রসঙ্গে সজলবাবু স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আমরা আনিসের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্ত চাইছি। আনিসের বাবাও তাঁর ছেলের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্তই চাইছেন। বর্ধমান পুরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে এদিন সন্ধ্যায় শহর বর্ধমানের কার্জনগেট এলাকায় একটি সভা হয়। সেই সভায় যোগ দেন বিজেপির মুখপত্র তথা কলকাতা পুরসভার বিরোধী দলনেতা সজল ঘোষ। সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সজল ঘোষ আরও বলেন, সিটের মাথা করে দেওয়া হয়েছে জ্ঞানবন্ত সিংকে। তিনি রিজওআনুর কেসের আসামী। সজল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন তপসী মালিকের মৃত্যুর তদন্ত হয়েছে?২১ শে জুলাইয়ের ঘটনায় কেউ শাস্তি পেয়েছে? নন্দীগ্রাম ঘটনায় দোষীদের সাজা কি হয়েছে? কেউ শাস্তি পায়নি। বরং পুরস্কার পেয়েছে। মণিশ গুপ্তকে বিধায়ক করে দেওয়া হয়েছিল। এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিন রিজওয়ানুরের সময়ে বলেছিলেন, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ। এখন তারাই যদি তদন্ত করে সেই তদন্তের কি ফল বেরুবে। আমি তো তার কথাই বলছি। সিবিআই গ্রেফতার না করলে উনিও তো করতে পারতেন। আজকে উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সিবিআই চান না । কারণ ওনার জায়গা পাওয়া হয়ে গিয়েছে। উনি ভাইপো ছাড়া আর কিছুই চেনেন না । আবার ভাইপো বেশী লাফালে ভাইপোকেও চেনেন না।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
দেশ

দাউদ যোগে ইডির হাতে গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা নবাব মালিক

দাউদ যোগে গ্রেপ্তার করা হল এনসিপি নেতা নবাব মালিককে। ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করল ইডি। বুধবার সকালেই নবাব মালিকের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। তারপর ইডি আধিকারিকরা তাঁকে জেরার জন্য দপ্তরের দিকে নিয়ে যান। কুখ্যাত ডন দাউদ ইব্রাহিম ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নবাবকে নিজেদের দপ্তরে নিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। সকাল ৭ টা নাগাদ এনসিপি নেতাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সকাল ৮ টা থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অবশেষে টানা ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর মহারাষ্ট্রের দোর্দণ্ডপ্রতাপ এনসিপি নেতা নবাব মালিককে।সূত্রের খবর, এনসিপি নেতা নবাব মালিক দাউদের সংযোগীদের সঙ্গে লেনদেন এবং জমি লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। ইডি জানিয়েছে তদন্তের ক্ষেত্রে তিনি কোনও সহযোগিতা করেননি এবং এড়িয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি এই মামলায় ইডি দাউদ ইব্রাহিমের ভাই ইকবাল কাসকারের বাড়িতে অভিযান চালান এবং তাঁকে হেপাজত নেওয়া হয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন নবাব মালিকের কেনা কিছু সম্পত্তির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মহা বিকাশ আগাধি সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের চলতে থাকা চাপা লড়াইয়ের মধ্যে ইডির হাতে গ্রেপ্তার হলেন ৬২ বছরের মন্ত্রী নবাব মালিকের।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

Big Breaking: আনিস হত্যায় গ্রেফতার দুই পুলিশ কর্মী, নবান্নে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সিট তদন্ত শুরু করার দুদিনের মাথায় আনিস খুনে দুজন গ্রেফতার হল। গ্রেফতার করা হয়েছে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা ও সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে। আমতা-কান্ডে ২ জন পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইন আইনের পথে চলবে। পুলিশের নামে অভিযোগ এসেছে। যাতে নিরপেক্ষে তদন্ত হয় তাই দুজনকে পুলিশকে কাষ্টডিতে রাখা হয়েছে। জানি না প্রমানিত হবে কীনা। সরকার কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এদিন নবান্নে একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগে আনিস কান্ডে তিনজন পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে চার পুলিশ কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভবানীপুরে তলব করা হয়েছে। সিট তদন্তে নেমে আমতায় আনিসের বাড়িতে গেলেও তাঁদের তদন্তে সহযোগিতা করেনি আনিসের পরিবার।আনিস-খুনে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। তাঁরা সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন। রাজ্যের পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করতে পারবে না বলেই আনিসের পরিবারের দাবি। এদিকে আনিস হত্যার অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই বিক্ষোভ চলছে রাজ্যে। উত্তাল হয়েছে কলকাতা।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

পিয়াঁজ চাষের আড়লে জমিতে পোস্ত চাষের রমরমা, গ্রেফতার চার

জমিতে বেআইনী ভাবে পোস্ত চাষ করার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন চার ব্যক্তি। ধৃতদের নাম চিন্ময় বিশ্বাস,পরিমল বিশ্বাস, সমীর বিশ্বাস ও উত্তম বিশ্বাস। ধৃতদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের মাজিদা পঞ্চায়েতের বড়ধামাস ও ছোটধামাস এলাকায়। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্বস্থলী থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে আবগারি দফতর ওই দুই গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে ব্লক প্রশাসনের কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। জমিতে থাকা প্রচুর পোস্ত গাছ নষ্ট করে দেওয়ার পাশাপাশি বেআইনি ভাবে পোস্ত চাষ করার দায়ে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ ও আবগারি দফতরের এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার মানুষজন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়াঁজ চাষের আড়ালে জমিতে বেআইনী ভাবে পোস্ত চাষের কথা গোপন সূত্র মাধ্যমে জানতে পারে পুলিশ ও আবগারি দফতর।এরপরেই এদিন পুলিশ ও আবগারি দফতরের লোকজন বড়ধামাস ও ছোটধামাস গ্রামে অভিযানে যায়। এই দুই গ্রামের যে চারটি জমিতে পোস্ত চাষ হয়েছিল সেই পোস্ত গাছ তারা নষ্ট করে দেন।পূর্বস্থলী থানার আই সি সন্দীপ কুমার গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ধৃত চার জনের জমিতে থাকা প্রায় সাড়ে ৬ হাজারের বেশী পোস্ত গাছ কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তিরা বেআইনী ভাবে জমিতে পিয়াঁজ চাষের আড়ালে পোস্ত চাষ করেছিলেন। তার জন্য ওই চারজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি ক্যামেরায় বন্দি করে বিয়ের জন্য পিস্তল দেখিয়ে প্রেমিকের হুমকি! কালনায় আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী

প্রেমিকের ব্ল্যাকমেল ও হুমকি শাসানির জেরে আত্মহত্যার পথ বেছেনিতে বাধ্য হলেন এক কলেজ ছাত্রী।মৃতার নাম গঙ্গা সেন (১৯)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার শাসপুর পশ্চিমপাড়ায়। রবিবার কালনা মহকুমা হাসপাতাল পুলিশ মর্গে ছাত্রীর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। তারপর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছে প্রেমিক। এইঘটনা নিয়ে জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শাসপুর এলাকায়। প্রেমিক যুবকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর পরিবারের আনা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে কালনা থানার পুলিশ। পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানা গিয়েছে, গঙ্গা সেন নামে ওই ছাত্রীটি কালনা কলেজের প্রথম বর্ষে পড়াশুনা করতো। ছাত্রীর বাবা নগেন সেন জানান, কয়েক বছর হল তাঁর মেয়ে গঙ্গা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু মনে কু-উদ্দেশ্য থাকায় ওই যুবক কোন এক সময়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের বেশ কিছু ছবি মোবাইল ফোনের ক্যামেরা বন্দি করে নেয়। পরে সেই ছবি দেখিয়েই গঙ্গাকে ব্ল্যাকমেল করেচলে তাঁর প্রেমিক। এরই মধ্যে গঙ্গা জানতে পারে যে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে একাধিক মেয়ের সম্পর্ক রয়েছে। এরপর থেকে গঙ্গা তাঁর প্রেমিকে সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে মনস্থির করে নেয়। নগেন বাবুর অভিযোগ, তাঁর মেয়ে প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইছে জানতে পেরে ওই প্রেমিক যুবক মাঝেমধ্যেই তাঁদের বাড়িতে এসে পিস্তল দেখিয়ে হুমকি শাসানি দিয়ে যেত।ছাত্রীর মা বিশাখা সেন বলেন, আমার মেয়েকে বিয়ে করবে বলে ওই যুবক বাড়িতে এসে চাপ দেওয়া শুরু করে। কিন্তু অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় আমার মেয়ে ওই যুবককে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। তার জন্য ওই যুবক পিস্তল উঁচিয়ে আমাদের বাড়ির সবাইকে প্রাণে মেরে দেবে বলে কিছুদিন আগে হুমকি দিয়ে যায়। এইসব নিয়ে মেয়ে গঙ্গা মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। রবিবার সকালে তিনি ও তাঁর স্বামী কোভিডের ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তার পরেই বাড়ির একটি ঘরে গলায় দড়ি ফাঁস দিয়ে গঙ্গা ঝুলেপড়ে। বাড়িতে তখন ছোট মেয়ে ছিল। সে তাঁর দিদিকে গালায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলতে দেখে আমাদের জানায়। এই খবর পেয়েই দ্রূত বাড়িতে ফিরে এসে মেয়েকে উদ্ধার করে আমরা কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক গঙ্গাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নগেন সেন ও তাঁর স্ত্রী বিশাখাদেবী দুজনেই তাঁদের মেয়ে গঙ্গার মৃত্যুর জন্য ওই প্রেমিক যুবককেই দায়ী করেছেন। সেন দম্পতি দাবি করেন, প্রেমিক যুবকের ব্ল্যাকমেল ও হুমকি শাসানির জেরেই তাঁদের মেয়ে গঙ্গা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। সেই অভিোগের কথা পুলিশকেও এদিন মৌখিক ভাবে জানিয়ে এসেছেন। দাহকার্য শেষ করে সোমবার থানায় গিয়ে লিখিত ভাবে যুবকের বিরূদ্ধে অভিযোগ জমা দেবেন বলে নগেন সেন জানিয়েছেন। কালনা থানার পুলিশ জানিয়ছে, লিখিত অভিযোগ জমা পড়লে তার ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৃতার পরিবার ও তাঁর সহপাঠীদের প্রত্যাশা পুলিশ যুবকের দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

প্রচুর গাঁজাসহ চার মহিলা গাঁজা পাচারকারী গ্রেফতার বর্ধমানে

চল্লিশ কেজির বেশী গাঁজা সহ চার মহিলা গাঁজা পাচারকারীকে গ্রেফতার করলো বর্ধমান জিআরপি। ধৃতদের নাম রুবি বিবি, শকুন্তলা রাজবংশী, ঝর্না দাস ও রানু দাস। ধৃতদের মধ্যে রুবির বাড়ি বর্ধমান থানার সরাইটিকর এলাকায়। বাকি ধৃতরা বর্ধমান শহরের তিনকোনিয়া গুডসশেড রোড এলাকার বাসিন্দা। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজে করে জিআরপি চার মহিলা গাঁজা পাচারকারীকে রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে। তদন্তের প্রয়োজনে জিআরপির তদন্তকারী অফিসার রুবিকে ৩ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক রুবির ২ দিনের জিআরপি হেপাজত ও বাকি ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে সোমবার বর্ধমানের মাদক সংক্রান্ত বিশেষ আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।জিআরপি জানিয়েছে, চার মহিলা প্রচুর গাঁজা নিয়ে ট্রেনে চড়ে বর্ধমান শহরের বিভিন্ন বিক্রির জন্য আনছে বলে বিশেষ সূত্র মাধ্যমে খবর আসে। সেই খবর পাবার পরেই জিআপি শনিবার বর্ধমান স্টেশনে নজরদারি বাড়ায়। ওইদিন দুপুরে তিনপাহাড়ি লোকাল ট্রেনটি বর্ধমান স্টেশনের ৭ নম্বর প্লাটফের্ম দাঁড়ালে চার মহিলা দুটি বড় ব্যাগ নিয়ে ট্রেন থেকে নামেন। মহিলাদের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় জিআরপি তাঁদের আটকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় জিআরপি ওই মহিলাদের কাছে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালায়। তল্লাশীতে দুটি ব্যাগ থেকে ৪০কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়েছে বলে জিআরপির দাবি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জিআরপি আরো জেনেছে, ওই মহিলারা দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা পাচারের সঙ্গে জড়িত। শনিবার তাঁরা উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে গাঁজা নিয়ে আসছিল। এই কারবারে আরও কয়েকজন তাঁদের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে বলেও জিআরপি আধিকারিকরা জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

বাংলা রঞ্জি ও কেকেআর দলে বাঙ্গালি খেলানোর দাবীতে গ্রেপ্তার ও লকআপে বাংলা পক্ষ সদস্য-র হাত ভেঙ্গে দেওয়া হয়

রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে অভাবনীয় ভাবে বরোদাকে পরাজিত করেছে বাংলা ঠিক সেই দিনই ইডেনের সামনে অহিংস প্রতিবাদে অংশগ্রহন করার উদ্দশ্যে যাত্রা শুরু করে বাংলা পক্ষ। তাঁরা ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি নিয়ে ইডেনে সামনে জমায়েত করেছিল। তাঁদের আজকের প্রতিপাদের মূল দাবি, বাংলা যে কোনও শ্রেনির ক্রিকেট সহ রঞ্জি দল ও বিনদনমূলক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে বাঙালি খেলোয়াড়রা বঞ্চিত কেন? ঠিক দাবি নিয়ে বাংলা পক্ষর নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচী রবিবার দুপুর তিনটে থেকে ইডেনের সামনে শুরু হয়।এই প্রতিবাদ কর্মসুচী তে অংশগ্রহণ করেন বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, বাংলা ক্রীড়া পক্ষর প্রধান জয়দীপ দে, অপর শীর্ষ পরিষদ সদস্য সোয়েব আমিন সহ অন্যান্যরা। তাঁরা দাবি তোলেন বাঙ্গালি বলেই কি ঋদ্ধিমান সাহা উপেক্ষিত? শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি অভিযোগ করেন। তাঁদের এই নীরব প্রতিবাদের উদ্দশ্যে প্রেস ক্লাব থেকে যাত্রা শুরু হতেই কলকাতা পুলিস তাঁদের প্রিজন ভ্যানে তুলে লালবাজার সেন্ট্রাল লক আপে নিয়ে আসে।তাঁদের কৌশিক মাইতি জানান গ্রেফতারের করেও বাংলা পক্ষকে থামান জাবেনা। তাঁরা এই প্রতিবাদ কর্মসুচী থেকে সরে আসছেন না। তাঁরা জানান বাঙালি খেলোয়াড়দের স্বার্থে বাংলা পক্ষ লড়ছে, লড়বে। কৌশিক মাইতি আরও জানান, এটাই প্রথম নয়, ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি নিয়ে এর আগেও বাংলা পক্ষ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি) সদর দফতরে স্মারকলিপি দিয়ে এসেছেন। শুধুমাত্র রঞ্জি ট্রফি নই, তাঁদের দাবি ঘরোয়া ক্লাব খেলা গুলোতেও ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি তুলেছিল বাংলা পক্ষ। এবং বাংলা ক্রিকেটের সদর দপ্তর ইডেন গার্ডেন্সের সামনে গিয়ে রীতিমত বিক্ষোভ দেখিয়ে এসেছিল তাঁদের সদস্যরা।কৌশিক মাইতি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রধান শহর কলকাতার নাম ভাঙিয়ে দল করেছে মুম্বাইয়ের চিত্রতারকা শাহরুখ খান, সেই দলে বর্তমানে একজনও বাঙ্গালি ক্রিকেটার নেই। তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাংলা রঞ্জি দলে প্রায় ৭ থেকে ৮ জন ভিন রাজ্যের ক্রিকেটার। আমাদের জেলার ক্রিকেটারদের বঞ্চিত করে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা খেলোয়াড় দের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে আমাদের বাংলার ছেলেরা সেইভাবে অন্য রাজ্যে সুযোগ পাচ্ছে না শুধুমাত্র বাঙ্গালি বলে। কৌশিক মাইতি জানান, বাংলা পক্ষের এর আগের আন্দোলনের প্রভাবে সিএবির বয়স ভিত্তিক খেলায় প্রচুর ভুয়ো আধার কার্ড ও জন্মপঞ্জী ধরা পড়েছে।তাঁরা জানাই কলকাতা পুলিশ যাদের আটক করেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদের সদস্য কৌশিক মাইতি, সোহাইব আমিন, হাওড়া বাংলা পক্ষ সম্পাদক জয়দীপ দে, উত্তর 24 পরগানা গ্রামীণ বাংলা পক্ষ সম্পাদক দেবাশিস মজুমদার, কাকলি মজুমদার, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সিটিজেন অরুণ সেন এবং অন্যান্য সদস্য যথা, অভিজিৎ কুন্ডু, অভিজিত বার, সুমিত বকুলী ছাড়াও আরও অনেকে। তাঁরা আরও জানাই দেবাশীষ মজুমদারকে নির্দয়ভাবে মারধর করা হয় এবং লকআপে বহিরাগত অপরাধীরা তাঁর হাত ভেঙে দেয়। বাংলা পক্ষ সদস্যদের পরে ব্যক্তিগত জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।বাংলা পক্ষ দাবি তোলে কেকেআর যদি বাঙ্গালি ক্রিকেটার দলে না নেই তাঁরা যেনও তাঁদের দল থেকে কলকাতা নামটা মুছে দেয়, আর শাহরুখ খান কে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার থেকে সড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা জানিয়েছে এই আন্দোলন থেকে সরছে না যতদিন না তাঁদের দাবি না মেনে নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেপ্তার এনামুল হক

গোরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করা হল এনামুল হককে। ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন গোরু পাচারকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এনামুল। শনিবারই দিল্লির রাউজ এভিনিউ আদালতে তোলা হবে তাঁকে। সূত্রের খবর, এদিন এনামুলকে নিজেদের হেপাজতে চাইতে পারে ইডি। এর আগে ২০২০ সালে সিবিআই এনামুলকে গ্রেপ্তার করেছিল।ইতিমধ্যেই এনামুল হকের কলকাতার বেশ কয়েকটি ঠিকানা এবং মুর্শিদাবাদের কয়েকটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। সিবিআইয়ের দাবি ছিল, এনামুল শুধু গোরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত এমনই নয়। চালকল, আবাসন ও নির্মাণ শিল্প, পাথর খাদান, বালির কারবার-সহ একাধিক বেআইনি কারবারেও এনামুল যুক্ত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১০০ কোটির বেশি টাকা পাওয়া গিয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এছাড়াও তাঁর নামে-বেনামে বহু সম্পত্তিরও খোঁজ মেলে। বাংলা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে এনামুলকে। এখান থেকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে আদালতে তোলা হবে শনিবারই।এর আগে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে সিবিআই তাঁকে হেপাজতে নিয়েছিল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের হাতে একটি ডায়েরি উঠে এসেছে। সেটি এনামুলের কাছ থেকেই পাওয়া গিয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই ডায়েরি অনুযায়ী গোরু পাচারকাণ্ডে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কে বা কারা এই টাকা পেয়েছেন, কোথা থেকে সেই টাকা এল, এর পিছনে আরও বড় কোনও মাথা রয়েছে কি না সমস্ত কিছু জানতেই এনামুলকে হেপাজতে নিয়ে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান বলেই দাবি সূত্রের।সম্প্রতি এই এনামুল হকের সূত্র ধরেই তৃণমূল সাংসদ-অভিনেতা দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সিবিআই নিজাম প্যালেসে তাঁকে জেরা করেন। সূত্রের খবর, এনামুলের কাছ থেকে দেব নগদ টাকা এবং দামী ঘড়ি উপহার নিয়েছেন। যদিও দেব এই বিষয়টি ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেন। একইসঙ্গে দেবের দাবি ছিল, তিনি এনামুল হককে চেনেনই না। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই গোরু পাচারের টাকার একটা অংশ চলচ্চিত্র জগতেও লগ্নি হয়েছে। দেবকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পিন্টু মণ্ডল নামে টলিউডের এক প্রযোজককেও তলব করে সিবিআই।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
দেশ

শরীরে চিপ লাগানো আছে, অজিত ডোভালের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করে গ্রেপ্তার ব্যক্তি

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে ডোভালের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন অভিযুক্ত। তখনই নিরাপত্তাকর্মীরা ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন।পুলিশ সূত্রে খবর, ধরা পড়ার পর ওই ব্যক্তি আপন মনেই বকে যাচ্ছিলেন। এমনকী পুলিশের কাছে দাবি করেন, তাঁর শরীরে চিপ লাগানো আছে। বাইরে থেকে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এর পরই পুলিশ ধৃত শরীরের এমআরআই করানো হয়। দিল্লি পুলিশের দাবি, ধৃতের শরীরে কোনও চিপই মেলেনি। ধৃত ব্যক্তি বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা। তাঁকে দিল্লি পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কেন ঢোকার চেষ্টা করছিলেন তিনি। এই ঘটনার পিছনে কোনও চক্রান্ত রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।অজিত দোভালের বাসভবনের সামনে রয়েছে বিশাল নিরাপত্তা বাহিনী। সেই নিরাপত্তা এড়িয়েই এ দিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বাড়িতে প্রবেশ করার চেষ্টা করেছিলেন ওই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। কেন্দ্রের জেড প্লাস নিরাপত্তা পান অজিত দোভাল। তাঁর বাড়িতে রয়েছে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের নিরাপত্তা। পুলিশ জানিয়েছে সামনের গেট দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন ওই ব্যক্তি। এ দিন ছুটি নিয়ে বাড়িতেই ছিলেন অজিত দোভাল। পুরো ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশের বিশেষ সেল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

শতাধিক কচ্ছপসহ বর্ধমান স্টেশন থেকে গ্রেফতার ভিন রাজ্যের দুই মহিলা

কচ্ছপ পাচার করতে গিয়ে রেল পুলিশের হাতে ধরা পড়ল ভিন রাজ্যের দুই মহিলা। রবিবার সকালে বর্ধমান স্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি ও আরপিএফ আলাদা আলাদা ভাবে অভিযানে নেমে কচ্ছপ উদ্ধার করে।কচ্ছপ পাচারের ঘটনার জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে দুই মহিলা। ধৃতদের নাম পান্নি ও সিমা। তাঁদের বাড়ি উত্তরপ্রদেশের পাকড়ী থানার সুলতানপুরে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে এদিনই ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতো পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আরপিএফের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সকালে আরপিএফ বর্ধমান স্টেশনে রুটিন তল্লাশি চালানোর সময় ডাউন হাওড়া-চম্বল এক্সপ্রেসের এস-১ কম্পার্টমেন্টে দুটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে। সন্দেহ হওয়ায় আরপিএফ দুটি ব্যাগ উদ্ধার করে। ব্যাগগুলির মুখ খোলা হলে তার ভিতর থেকে উদ্ধার হয় ৩৯ টি কচ্ছপ।অন্যদিকে এদিন সকালে জিআরপি বর্ধমান স্টেশনে স্পেশাল চেকিং চালানোর সময় ৪ ও ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের হাওড়ার দিকে দুটি থলি ও পিটব্যাগ নিয়ে থাকা দুই মহিলাকে দেখে। সন্দেহ হওয়ায় জিআরপি ওই মহিলাদের কাছে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিতে ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় ৭২টি কচ্ছপ। কচ্ছপ পাচারের অভিযোগে জিআরপি দুই মহিলাকে গ্রেপ্তার করে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

কাটারি দিয়ে নিজের দাদাকে কোপানোর অভিযোগে গ্রেফতার ভাই

কাটারি দিয়ে নিজের দাদাকে কোপানোর অভিযোগে গ্রেফতার হল ভাই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কেন্না গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম জামির আলি মল্লিক ওরফে পল্টু।কেন্না গ্রামেই তার বাড়ি। মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার ভোর রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি কাটারিটিও সেখান থেকে উদ্ধার করেছে। দাদা জামশেদ আলি মল্লিকের অভিযোগের ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে শুক্রবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জমির মল্লিকের দাদা হলেন জামশেদ আলি মল্লিকের বনিবনা নেই। গত বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির সামনের ঢালাই রাস্তায় জামশেদের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। ওইসময় জামির ও তাঁর স্ত্রী সেখানে হাজির হয়। অভিযোগ, উভয়ের মধ্যে বচসা চলাকালীন জামির আচমকাই তাঁর দাদার মাথা লক্ষ্য করে ধারালো কাটারি চালিয়ে দেয়। কাটারির কোপে জামশেদের কপালে গভীর ক্ষত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জামশেদকে উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর কপালে কয়েকটি সেলাই হয়। ঘটনার কথা জানিয়ে পরের দিন জামশেদ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার জামিরকে গ্রেপ্তার করে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
কলকাতা

'সেক্স র‍্যাকেটে নাম জড়িয়েছে', পুলিশ পরিচয়ে ফোন করে টাকা তোলার ছক, গ্রেপ্তার ৫

ফের জালে ভুয়ো পুলিশ। পুলিশ ইনস্পেক্টর পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগে সাপুরজি কমপ্লেক্স থেকে এক নাবালক-সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছেন কলকাতা পুলিশের সাইবার থানার তদন্তকারীরা।অভিযোগ, ধৃতেরা কলকাতা পুলিশের ইনস্পেক্টর পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তিকে ফোন করেছিল। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে ফোন করে বলা হয়, তাঁর নাম সেক্স ব়্যাকেটে জড়িয়েছে। গ্রেপ্তারি এড়াতে তাঁকে মোটা টাকা দিতে হবে পুলিশকে। ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন, তাঁকে প্রতারণার ফাঁদের ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি কলকাতা পুলিশের সাইবার থানায় অভিযোগ জানান। তার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয় পাঁচ জনকে।পুলিশ জানিয়েছে ধৃতরা আপাতত জেরায় নিজেদের দোষ স্বীকার করেছে। পুলিশ মনে করছে, এর পিছনে একটা চক্র কাজ করছে। ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের হদিশ পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতরা সাপুরজি কমপ্লেক্সে বাড়ি ভাড়া নিয়ে ছিল। তারা প্রত্যেকেই বিহারের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে একজন নাবালক রয়েছে। তারা সম্প্রতি কলকাতার বাসিন্দা ওই ব্যক্তিকে ফোন করে। ওই ব্যক্তির বয়ান অনুযায়ী, ফোনে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁর নাম সেক্স ব়্যাকেটে জড়িয়ে গিয়েছে। গ্রেপ্তারি এড়াতে চাইলে তাঁকে মোটা টাকা দিতে হবে পুলিশকে।পুলিশ ইন্সপেক্টর পরিচয় দিয়ে তাঁকে ফোন করা হয়েছিল বলে জানান ওই ব্যক্তি। মোবাইলে কথা বলার সময়েই তিনি বুঝতে পেরে যান, প্রতারক ফোন করেছে তাকে। কথাবার্তাতেই সন্দেহ হয়েছিল ওই ব্যক্তির। তৎক্ষণাৎ তিনি কলকাতার সাইবার ক্রাইম থানার দ্বারস্থ হন। তদন্তে নামে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বিতর্কে কড়া হাইকোর্ট! রাজ্যকে বেঁধে দেওয়া হল সময়

বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘ দিন ধরেই কাঁটাতার বসানো নিয়ে সমস্যা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য সরকার জমি না দেওয়ায় সীমান্তের বড় অংশ এখনও সুরক্ষিত করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর করা মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই জমি আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য কেন নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি অধিগ্রহণ করছে না। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি নেওয়া যায়। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত, সেখানে কেন সেই ধারা প্রয়োগ করা হবে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিচারপতি পার্থসারথী সেন বলেন, একটি রাজ্য যদি আন্তর্জাতিক সীমান্তের অংশীদার হয়, তা হলে তারা নিজেরা কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না, তা সত্যিই আশ্চর্যের।আদালত জানায়, যে জমির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছে এবং অধিগ্রহণও হয়েছে, সেই জমি যত দ্রুত সম্ভব হস্তান্তর করতে হবে। এই ক্ষেত্রে এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।রাজ্য এখনও জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে ক্যাবিনেটের অনুমোদন পায়নি বলে জানিয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী জানান, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িত থাকলে জেলা শাসক সরাসরি আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবীও জানান, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে।মামলায় ২০১৬ সাল থেকে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের প্রসঙ্গও তোলা হয়। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিকবার রাজ্যকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত রাজ্য ক্যাবিনেট কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জোর করে জমি অধিগ্রহণ রাজ্য সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া ৪০ ধারা প্রয়োগ করা যায় না বলেই রাজ্যের অবস্থান। রাজ্য আরও জানায়, যেসব জমির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে, সেগুলি ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। কিছু জেলায় এক-দু মাস সময় বেশি লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুন মাসে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসে জমি হস্তান্তরের কাজ শেষ হবে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩০ শতাংশের ইঙ্গিত করে সতর্কতা! কাদের উদ্দেশে বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

ভোটের আগে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সরাসরি সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পরে প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলায় কেউ কেউ ইচ্ছে করেই গোলমাল পাকাতে চাইছে। সেই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করেন। যদি কোনও একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে ঝগড়া শুরু করে, তা হলে প্রতিদিন অবরোধ, বিক্ষোভ হবে। তাঁর কথায়, এতে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করা অসম্ভব হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তফশিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীদের ওপর সামান্য কিছু ঘটলেও ট্রেন অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু তিনি চান না এমন কিছু হোক। তাঁর ইচ্ছা, সবাই নিজের মতো শান্তিতে থাকুক, কেউ কারও বিষয়ে নাক না গলাক।ভোটের সময় কিছু মানুষ ইচ্ছে করে অশান্তি ছড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোট আসে আর যায়, কিন্তু তাঁকে তো সারা বছর রাজ্য চালাতে হয়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ৩০ শতাংশের কথা বললেও, কোনও সম্প্রদায়ের নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনি সংখ্যালঘুদের কথাই ইঙ্গিতে বলেছেন। কারণ বাংলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টিতে সংখ্যালঘু ভোট বড় ভূমিকা নেয়। এই ১৪৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৩১টি, বিজেপির ১৪টি এবং আইএসএফের একটি আসন। আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৪০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে, আর ৭২টি বিধানসভায় তা ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ।এর মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে নেতৃত্ব বদলের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি সংখ্যালঘুদের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিম ভোট চান না। তিনি শুধু বলেছেন যে তিনি সংখ্যালঘুদের ভোট পান না। তাঁর দাবি, অপরাধীর কোনও জাত বা ধর্ম হয় না, আর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁকে নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, যদি পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলকে দেখলে ভয় পায়, তাহলে অশান্তি কে আটকাবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই ধর্ম ও জাতের রাজনীতি করছে, আর তার ফলেই রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ জেনারেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কাঁপছে বেজিং

চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কার্যত গোটা চিনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চিনা সেনার পরমাণু বোমা সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন নথি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চিনা সেনার এক শীর্ষ জেনারেল গোপনে সেই টপ সিক্রেট নথি আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। এর ফলে চিনের পরমাণু অস্ত্র তৈরির বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নাকি পৌঁছে গিয়েছে ওয়াশিংটনের কাছে।অভিযুক্ত ওই সেনাকর্তার নাম ঝ্যাং ইউঝিয়া। বয়স ৭৫। তিনি চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ, চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প সংক্রান্ত কোর টেকনিক্যাল ডেটা তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমেরিকাকে পাচার করেছেন। শুধু তাই নয়, জেনারেল থেকে আরও উঁচু পদে পৌঁছতে উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।একসময় ঝ্যাং ছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ ওঠায় বেজিংয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিন সরকার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানালেও, আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, এই তদন্ত আসলে লোকদেখানো। ভিতরে ভিতরে ঝ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা চলছে বলেও জল্পনা।ঝ্যাং সেই সরকারি সংস্থার শীর্ষকর্তা ছিলেন, যারা চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পের দেখভাল করে। ওই সংস্থাই পরমাণু বোমার গবেষণা, উন্নয়ন এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের দায়িত্বে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঝ্যাং এই সমস্ত গোপন তথ্য আমেরিকার হাতে তুলে দেন। সেই অর্থ আবার নিজের পদোন্নতির জন্য ঘুষ হিসেবেও ব্যবহার করতেন।চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক বা চিনা দূতাবাস এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে বিবিসির দাবি, ঝ্যাংকে ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের ওই কমিশনে এখন নাকি মাত্র দুজন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় তাঁদের সাময়িকভাবে সরানো হয়েছে।এই কমিশনের আর এক সদস্য লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ঝ্যাং এবং লিউএই দুই শীর্ষ জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় চিনা সেনার উচ্চমহলে ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই প্রথম শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোনও সেনাকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তদন্ত শুরু হল।ঝ্যাং এবং লিউ দুজনেই সত্তর ও আশির দশকে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে ৬১ বছরের লিউ পিপলস লিবারেশন আর্মির জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন। এই বিভাগই চিনা সেনার প্রশিক্ষণ, অপারেশন এবং গোয়েন্দা কাজের দায়িত্বে থাকে।গত দুবছর ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অভিযান চলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, সেই অভিযানের ফলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতির পর্দাফাঁস হয়েছে। ১৯৮০ সালে গঠিত সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। লক্ষ লক্ষ সেনার উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু সেই কমিশনের সদস্য সংখ্যা এখন মাত্র দুজনে নেমে আসায়, তাইওয়ান প্রশ্নে চিনের সামরিক পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! তিন আধিকারিকের বদলি ঘিরে কড়া চিঠি, বেঁধে দেওয়া সময়

নবান্ন এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত আরও তীব্র হল। রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে কেন তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে এই বদলির নির্দেশ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে রাজ্যকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব ছিল রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর। অথচ সেই সময়েই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করেছে, যা কমিশনের মতে সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, অশ্বিনী কুমার যাদব, যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দেখতেন, এবং রণধীর কুমার, যাঁর দায়িত্বে ছিল উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর। এই তিন আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রেই কমিশনের কাছ থেকে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বদলি তাদের স্পষ্ট নির্দেশের লঙ্ঘন। সেই কারণেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান জানাতে হবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal