• ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

Supari Killer: মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় চেন্নাই থেকে গ্রেফতার সুপারি কিলার

তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার তিন মাস পর সুপারি কিলারকে গ্রেফতার করলো সিআইডি। ধৃতের নাম মহম্মদ সুরজ মানালি। তাঁর বাড়ি বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামে। সিআইডি দল চেন্নাই থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। সিআইডির দাবি, চলতি বছরের ১২ জুলাই গুলি করে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি আসীম দাসকে খুন করে চেন্নইয়ে পালিয়েছিল কুখ্যাত সুপারি কিলার সুরজ। সিআইডি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশকরে সিআইডি হেপাজতে নেওয়া হবে।সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস বাইকে চেপে পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময়ে স্থানীয় শিউর গ্রামের মোড়ে দুস্কৃতীরা খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে খুন করে পালায়। ঘটনার চার দিনের মাথায় এই খুনের ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি। তদন্তে নেমে সিআইডি আধিকারিকরা নিশ্চিৎ হন মঙ্গলকোটে অজয় নদে অবৈধ বালির কারবারে অসীম দাস বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার কারণেই তাঁকে খুন হতে হয়। গ্রেফতার হয় খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত তথা অবৈধ বালির কারবারি শেখ রাজু। তাকে জেরা করে সিআইডি গত ১৩ আগস্ট বীরভূম জেলার ঘিদহ গ্রামের বাসিন্দা পেশায় কাঠমিস্ত্রী শেখ খোকন ওরফে বাবুলকে গ্রেফতার করে। এবার গ্রেফতার হল সুপারি কিলার মহম্মদ সুরজ মানালি। এই নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে ধরা পড়লো আট জন।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: ১০০ কোটি টিকাকরণের পথে দেশ, ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করছে রাজ্য

বৃহস্পতিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে বাড়তে থাকা করোনা আবহে টিকাকরণ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বৃহস্পতিবার দেশে এক ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। ভারতের মতো পিছিয়ে পড়া দেশ নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে মাইলফলক গড়তে চলেছে। তিনি আরও বলেন, কেবলমাত্র নিজের দেশেই নয়, বাসুদৈব কুটুম্বকম নীতি মেনে বহু বন্ধু দেশকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এরপরেও যারা ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করেন তারা সঙ্কীর্ণ রাজনীতির শিকার বলে জানিয়েছেন দিলিপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপি ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের ১০০ কোটি জনগণকে করোনা টিকা দেওয়া হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে অক্টোবর শেষ হওয়ার আগেই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলার পথে তারা। মঙ্গলবারই দেশে টিকা প্রাপকের মোট সংখ্যা ছিল ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮২ হাজার ২৮৩।বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসাবে আজ একশো কোটি ভ্যাকসিন ডোজ পূর্ন করবে ভারত। আর এ নিয়েও রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ । ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াকে গিয়ে তাঁর মন্তব্য, এর পরেও রাজ্য বলে তারা টিকা পায় না।দেশের ১০০ কোটি মানুষের টিকাকরণ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, নিঃসন্দেহে এটা আমাদের কাছে গৌরবের। ভারতের মতো একটা পিছিয়ে থাকা দেশ বলে মনে করি যাকে, মেডিক্যাল সায়েন্সে হোক বা অন্য কারণে হোক সেই দেশ বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে। অনেক উন্নত দেশ যারা, মেডিক্যাল সায়েন্সে অনেক উন্নতি করেছে, তারাও পিছিয়ে গেছে। অন্যান্য দেশে একটা ভ্যাকসিন হচ্ছে, আমাদের দেশে দুটো করে ভ্যাকসিন হচ্ছে। দেশের একশো কোটি লোককে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও পঞ্চাশটা গরিব দেশের মানুষকে ভ্যাকসিন দিচ্ছি আমরা মানবতার খাতিরে।দিলীপ আরও যোগ করেন, সারা দেশের মানুষ আজ খুশি। আমি অন্যান্য রাজ্যেও গেলাম। দিল্লিতে আমি নিজে একটা ভ্যাকসিন নিয়েছি। কোথাও কোনও ঝগড়াঝাটি নেই। সাধারণ ভাবে মানুষ আসছেন, নিচ্ছেন। কিন্তু এখানে কোনও সিস্টেম নেই। মানুষকে ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে লাঠি খেতে হচ্ছে, মারা যাচ্ছে। এর থেকে দুর্ভাগ্যের কী আছে!দিলীপ ঘোষের আক্রমণ, রাজ্য সরকারের কোনও যোগ্যতা নেই। তাঁর অভিযোগ, গ্রামের দিকের মানুষ এখনও ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত। আবার কলকাতা শহরে সমস্ত কিছু দেওয়া হচ্ছে, তাও এখানেও মানুষ জানতে পারছেন না কোথায় এবং কীভাবে ভ্যাকসিন পাবেন, অভিযোগ দিলীপের।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Kojagori: নিশীথে বরদা লক্ষ্মীঃ জাগরত্তীতিভাষিণী

আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। শরৎ পূর্ণিমার দিনে বাংলার ঘরে ঘরে লক্ষ্মীপুজো করা হয়। দুর্গাপুজার কয়েকদিন বাদেই আশ্বিন মাসের শেষের পূর্ণিমাতে যে লক্ষ্মী পুজো পালিত হয়, তাকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো বলা হয়। এই পুজা কোজাগরী নামে প্রচলিত হলেও অনেকেই এই কোজাগরী / কোজাগর কথার অর্থ জানেন না।কোজাগরী মানে কি?শরৎ-কালের পূর্ণিমার রাত্রিই সাধারণ ভাবে বছরের সবচেয়ে উজ্জ্বল রাত্রি বলে ধরা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী এই রাত্রে ধনসম্পদ, প্রাচুর্য, সৌন্দর্য ও সমৃদ্ধির দেবী মা-লক্ষ্মী স্বর্গের বিষ্ণুলোক হতে ধরাধামে আসেন এবং মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কে জেগে আছ? এই প্রশ্ন করেন। নিশীথে বরদা লক্ষ্মীঃ জাগরত্তীতিভাষিণী।তস্মৈ বিত্তং প্রযচ্ছামি অক্ষৈঃ ক্রীড়াং করোতি যঃ।।নিশীথে বরদাত্রী লক্ষ্মীদেবী কে জেগে আছ বলে সম্ভাষণ করেন। যে সেই রাতে লক্ষ্মীব্রত করে জেগে থাকে দেবী তার কাছ থেকে সাড়া পান এবং তার গৃহে প্রবেশ করে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান করেন। আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথি এবং ঐ তিথিতে অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপূজাকে যথাক্রমে কোজাগরী পূর্ণিমা এবং কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা বলে অভিহিত করা হয়। কথিত আছে লক্ষ্মী দেবী ধরায় এলে, প্যাঁচা আনন্দিত মনে সারারাত কোলাহল করে বেড়ায় দেবীর সাথে। ভোরের আলো দেখে প্যাঁচা গাছের কোটরে ঢুকে পড়লে কাঠঠোকরা ওই কোঠর থেকে বেরিয়ে যায়। কাঠঠোকরাকে দেখে দেবী ভাবলেন ইনিই তাঁর বাহন। খুশি মনে মুকুট দিলেন কাঠঠোকরার মাথায়। জন্ম হলো এক চাকমা প্রবাদের- প্যাঁচায় কুড়কুড়ায়,খোড়ইল্যা সোনার তুক পায়।বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, কোজাগরী শব্দটির উৎপত্তি কো জাগতী থেকে। এর আক্ষরিক অর্থ কে জেগে আছো? আরও কথিত আছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনে ধন-সম্পদের দেবী লক্ষ্মী স্বর্গ থেকে মর্ত্যে অবতরণ করেন এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে সকলকে আশীর্বাদ দেন। কিন্তু যার বাড়ির দরজা বন্ধ থাকে, তাঁর বাড়িতে লক্ষ্মী প্রবেশ করেন না ও সেখান থেকে ফিরে চলে যান। তাই লক্ষ্মী পুজোর রাতে জেগে থাকার রীতি প্রচলিত আছে। সারারাত জেগে লক্ষ্মী আরাধনাই এই পুজোর বিশেষত্ব। আবার প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, শরৎ পূর্ণিমার রাতে যে জেগে অক্ষক্রীড়া অর্থাৎ পাশা খেলেন, লক্ষ্মী তাঁকে ধনসম্পদ দান করেন। আবার দক্ষিণবঙ্গের অনেক জায়গায় কিছু মানুষ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন অন্যের বাগান থেকে ফল বা শস্য চুরি করে থাকে। তাঁদের ধারণা, এর ফলে লক্ষ্মী তাঁদের আশীর্বাদ দেবেন।নানান রূপে লক্ষ্মী:লক্ষ্মীর মূর্তি পুজো ছাড়াও আরও নানান ভাবে লক্ষ্মীকে কল্পনা করে এদিন তাঁকে পুজো করা হয়। যেমন- আড়ি লক্ষ্মী। এ ক্ষেত্রে ধান ভর্তি ঝুড়ির ওপর কাঠের লম্বা দুটি সিঁদূর কৌটো লালচেলিতে মুড়ে মা লক্ষ্মীর রূপ দেওয়া হয়। আবার কলার পেটোর তৈরি নৌকা বানিয়ে লক্ষ্মী আরাধনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই প্রথাকে কে সপ্ততরী বলা হয়ে থাকে। বাণিজ্যিক নৌকার প্রতীক হল এই সপ্ততরী। অনেকেই পুজোর সময় এই সপ্ততরীতে টাকা, শস্য, হরিতকি, কড়ি, হলুদ রেখে মা লক্ষ্মীর উদ্দশ্যে নিবেদন করা হয়।আবার প্রকারভেদে সরায় (মাটির পাত্র) পটচিত্রের সাহায্যেও লক্ষ্মীপুজো করা হয়ে থাকে। যেমন-ঢাকাই সরা, ফরিদপুরি সরা, সুরেশ্বরী সরা ও শান্তিপুরি সরা। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় লক্ষ্মীসরা আঁকা হয়। অঞ্চল ভেদে এই সরায় তিন, পাঁচ, সাতটি পুতুল আঁকা হয়। এতে থাকে লক্ষ্মী, জয়া ও বিজয়া-সহ লক্ষ্মী, রাধাকৃষ্ণ, সপরিবার দুর্গা ইত্যাদি। সুরেশ্বরী সরায় মহিষাসুরমর্দিনী আঁকা থাকেন আর এই সরার নীচের দিকে থাকেন সবাহন লক্ষ্মী। আবার কলার বের ও লক্ষ্মীর মুখ সমন্বিত পোড়া মাটির ঘটকেও অনেকে দেবী লক্ষ্মী রূপে কল্পনা করে পুজো করে থাকেন। এই ঘটে চাল বা জল ভরে সেটিকে লক্ষ্মী মনে করে পুজো করা হয়ে থাকে।

অক্টোবর ২০, ২০২১
রাজ্য

LandSlide: ধসে বিচ্ছিন্ন পাহাড়, চরম ভোগান্তিতে আটকে থাকা পর্যটকরা

একদিকে টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দেবভূমী। অন্যদিকে বৃষ্টিতে অবরুদ্ধ পাহাড়। মাটি আলগা হয়ে ধস নেমেছে বহু জায়গায়। বন্ধ বেশ কিছু রাস্তা। দার্জিলিং, কালিম্পঙের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন। তার ফলে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকরা। হাজার হাজার পর্যটক আটকে পড়েছেন পাহাড়ে। কোনও ভাবেই সমতলে ফিরতে পারছেন না তাঁরা।আরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল উত্তরাখণ্ডে আটকে চুঁচুড়ার রায় পরিবারদার্জিলিং, কালিম্পং, লাভা, লোলেগাঁও, কোলাখাম, রিশপে আটকে রয়েছেন পাঁচ থেকে ছহাজার পর্যটক। টানা বৃষ্টিতে দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি যাওয়ার ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নেমেছে। তার ফলে গাড়ি চলাচল বন্ধ। বিকল্প রোহিণী রোড ধরে চলছে গাড়ি। ত্রিবেণীর কাছে রাস্তার উপর দিয়ে বইছে তিস্তার জল। চিত্রেতে ধস নেমে রাস্তায় বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। লাভা থেকে গোরুবাথান যাওয়ার রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ। শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর বালাসন সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সেতুর উপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।বিভিন্ন দিকের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাহাড় ছেড়ে বেরতে পারছেন না পর্যটকরা। পাহাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় গত দুদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই। ফলে মোবাইলে চার্জ নেই বেশির ভাগ পর্যটকের। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না পরিবারের অন্য সদস্যরা। শিলিগুড়ি পুলিশের তরফে টুইট করে বলা হয়েছে, ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে ২৯ মাইলের কাছে বড় ধস হয়েছে। রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগবে। তাই শিলিগুড়ি থেকে ছোট গাড়িগুলিকে করোনেশন সেতু, তিস্তা ও রংপোর দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।দার্জিলিঙের জেলাশাসক এস পুন্নমবলম বলেন, বহু জায়গায় বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় ছোট ছোট ধস নেমেছে। ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে একটি বড় ধস নেমেছে। যদিও বিকল্প রাস্তা খোলা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে যাতায়াত চলছে।এখন পর্যন্ত বিপর্যয়ে এক জনের মৃত্যুর খবর এসেছে।

অক্টোবর ২০, ২০২১
রাজ্য

Uttrakhand: বিপদসংকুল উত্তরাখণ্ডে আটকে চুঁচুড়ার রায় পরিবার

পুজোর পরেই উত্তরাখণ্ডের পথে পা বাড়িয়েছিলেন চুঁচুড়ার রায় পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু, সেখানে বিপদ যে এভাবে আসবে তা কী করে জানতেন তাঁরা। প্রবল বর্ষণে জায়গায় জায়গায় নেমেছে ধস। ভেসে গিয়েছে একাধিক এলাকা। ভারী বর্ষণে উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। সেখানে বেড়াতে গিয়ে রীতিমতো জীবন-মরণ সংকটে ওই বাঙালি পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, পরিস্থিতি এত ভয়াবহ হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কোনও সহযোগিতা করছে না।আরও পড়ুনঃ অবশেষে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বাবুলবিশ্বজিৎবাবুর স্ত্রী চুমকি ও মেয়ে অন্বেষাদের সঙ্গে ছিলেন অরিজিৎ শীল ও সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়। এদিকে গোটা উত্তরাখণ্ড জুড়ে শুরু হয়েছে ভারী বর্ষণ। নেমেছে ধসও। ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে চলছে ঝড়। বাধাপ্রাপ্ত উদ্ধারকার্য। কেদারনাথে যে হেলিকপ্টার সার্ভিস ছিল তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে, পাহাড়েই আটকে থাকতে বাধ্য হয়েছে রায় পরিবার। এদিকে তাঁদের সঙ্গী অরিজিৎ ও সত্যব্রত ঝুঁকি নিয়ে গৌরীকুণ্ডে পৌঁছতে পারলেও বিশ্বজিৎ বাবুর পরিবার তা পারেননি। কেদার থেকে বদ্রীনাথ, গুপ্তকাশী, লখনউ হয়ে আগামী ২৪ তারিখ ফেরার কথা ছিল বিশ্বজিতবাবুদের। কিন্তু, বাদ সেধেছে আবহাওয়া।চুমকিদেবীর কথায়, আমাদের এতক্ষণে এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, বৃষ্টির জন্য আর পেরে উঠিনি। বাংলায় যেরকম আমফানের ভয়াবহতা দেখেছি এখানেও তেমন ভয়ঙ্কর ঝড়। আম্ফানের চেয়েও বিপদজ্জনক! আমাদের হোটেল ছাড়তে বলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোথায় থাকব সেটাই বুঝতে পারছি না। নীচে না নামা পর্যন্ত সুরক্ষিত রয়েছি এমনটা বলতে পারব না। যে হারে ঝড় হচ্ছে কখন কী হবে তা জানা নেই। আমার স্বামী কোনওরকমে ঝুঁকি নিয়ে ঘর খুঁজতে বেরিয়েছেন। রেল সার্ভিসও বন্ধ। যদি পাওয়া যায় তবে ট্রেনেই ফিরব যেভাবেই হোক না কেন। পুলিশ কোনও সহযোগিতা করছে না। এত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি, আমরা বাইরে থেকে এসেছি, সব কিছু জানি না। অথচ,প্রশাসনকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। কোনওরকম সহযোগিতা পাইনি।এদিকে, বিশ্বজিৎবাবুদের আটকে যাওয়ার ঘটনায় কার্যত উদ্বিগ্ন চুঁচুড়ায় রায় পরিবার। বিশ্বজিৎ বাবুর দাদা কেদার রায় বলেন, প্রথমে তো ছবিটবি দিচ্ছিল। কিন্তু আচমকা আটকে পড়েছে। আমরা বুঝতে পারছি না কী করব। ওদের যেভাবে হোক ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। জানি না ফিরতে পারবে কিনা। ওখানে তো ইলেকট্রিসিটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মোবাইলেও যোগাযোগ করব যে সম্ভব হচ্ছে না। দেখা যাক কী হয়! আমরা এখানে থানাকে জানিয়েছি। রেলেও যোগাযোগ করছি।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Tragic Death: মৌমাছির কামড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বৃদ্ধের

মর্মান্তিক মৃত্যু বৃদ্ধের। মৌমাছির কামড়ে মৃত্যু হয়েছে এমএএমসি কলোনির বাসিন্দা ওই বৃদ্ধর। মৃতের নাম বিকে সিং। তাঁর বয়স আনুমানিক ৭০ বছর।সোমবার বিকেলের ঘটনা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই বৃদ্ধ রাস্তা দিয়ে হেটে পারাপার করার সময় দুর্গাপুরের একটি সরকারি মহাবিদ্যালয়ের কাছে তাঁকে এক ঝাঁক মৌমাছি ঘিরে ধরে। ঘটনার পরই তিনি ছুটে স্থানীয় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ির জলাশয় ঝাঁপ দেন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে।সোমবার গভীর রাতে হাসপাতালেই বৃদ্ধর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরিবারের সদস্যরা এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই রাস্তা দিয়ে পারাপার করতে হলে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে পারাপার করতে হয়। কারণ ওই মৌমাছির ঝাঁক। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধ অবসরপ্রাপ্ত বিওএইচএল কারখানার অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Central Force: উপনির্বাচনের বাংলায় ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগেই বলা হয়েছিল ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তবে এবার তা এক লাফে ৫৩ কোম্পানি বাড়িয়ে ৮০ কোম্পানি করা হল।আরও পড়ুনঃ শিষ্য খুনে যাবজ্জীবন সাজা রাম রহিমকেএই ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ, ও গোসবা কেন্দ্রের জন্য। এই বাহিনী মোতায়েনের মূল লক্ষ্যই হল নির্বাচনের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। তবে কোন কেন্দ্রের জন্য কত বাহিনী থাকবে সেটা স্থানীয় জেলা নির্বাচন আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করেই ঠিক হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি এসেছে, সেখানে বলা হয়েছে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আগেই ২৭ কোম্পানি বাহিনীর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার তা আরও ৫৩ কোম্পানি বাড়ানো হল। সিআরপিএফের পাশাপাশি বিএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপির জওয়ানরাও থাকবেন।খড়দহে তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির জয় সাহা। এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী দেবজ্যোতি দাসও লড়াই করছেন। দিনহাটায় তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। বিজেপির হয়ে লড়বেন অশোক মণ্ডল, বামেদের মুখ ফরওয়ার্ড ব্লকের আব্দুর রউফ। শান্তিপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী, বিজেপির প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাস, সিপিএমের প্রার্থী সৌমেন মাহাতো। গোসাবায় সুব্রত মণ্ডল তৃণমূলের মুখ। বিজেপির প্রতীকে লড়বেন পলাশ রানা, আরএসপির প্রার্থী অনিল চন্দ্র মণ্ডল।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

corona Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য

আশঙ্কাই সত্যি হল। দুর্গাপুজো শেষ হতেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। এ শহরের দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় প্রায় ২০০-র কাছে পৌঁছেছে। দুদিনের মধ্যেই কলকাতার নতুন সংক্রমণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।আরও পড়ুনঃ গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্যকলকাতা ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়ও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে নতুন আক্রান্ত বেড়ে প্রায় ৭০০ হয়েছে। সংক্রমণের দৈনিক হারও ঊর্ধ্বমুখী। সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯০ জন। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের নীচে রয়েছে দেশের কোভিড গ্রাফ। যেহেতু দেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছ উৎসবের মরশুম, সেই কারণে সংক্রমণে দাড়ি টানতে বারবার সতর্ক হতে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর বিগত কয়েকদিনের এই সংক্রমণ গ্রাফ অনেকটাই আশা জোগাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে আম-জনতাকে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৩ হাজার ৫৯৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৭০ জন।দেশের মৃত্যুর গ্রাফও নিম্নমুখী। গত একমাস আগেও ভয় ধরাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। কখনও ২০০ কখনও বা ৩০০-র গণ্ডি ছুঁইছুঁই ছিল সেই সংখ্যাটা। এরপর তা কমে দেড়শোর কম হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: দুর্যোগ চলবে দিনভর, লক্ষ্মীপুজোতেও রেহাই পাবে না দক্ষিণবঙ্গ

সোমবার রাতভর বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৪১.৭ মিলিমিটার। মঙ্গলবারও সারাদিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। অর্থাৎ লক্ষ্মীপুজোতেও বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই নেই। বুধবারের পর থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীপুজোর আগেই আগুন সবজি থেকে ফল, ধরলেই লাগছে ছ্যাঁকাশুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি চলবে এই কদিন। মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।মঙ্গলবার কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর। অর্থাৎ এই জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে। বুধবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে। এই দুই জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। বুধবার কলকাতায় ভারী বৃষ্টি না হলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।বৃষ্টি ছাড়াও উপকূলের জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ওডিশার উপরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। তার জেরে শক্তিশালী পূবালি হাওয়া ঢুকছে রাজ্যে। ফলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Market Price: লক্ষ্মীপুজোর আগেই আগুন সবজি থেকে ফল, ধরলেই লাগছে ছ্যাঁকা

লক্ষ্মীপুজোর আগেই বাজারদরের আগুনের ছ্যাঁকায় নাজেহাল গৃহস্থেরা।দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সোমবার সকাল থেকেই বৃষ্টির মধ্যেই বাজারে বেরিয়েছেন ক্রেতারা। তবে উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ বা পশ্চিম মেদিনীপুরফল, শাকসব্জি থেকে লক্ষ্মীপ্রতিমার দর শুনে আঁতকে উঠেছেন তাঁরা।আরও পড়ুনঃ সপ্তাহের শুরুতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি কলকাতায়গৃহস্থের মতোই স্বস্তিতে নেই দোকানি থেকে প্রতিমাশিল্পীরা। অসময়ের বৃষ্টিতে তাঁদের মাথায় হাত। লক্ষ্মীপুজোর আগের কদিন বিক্রিবাটা জমবে তো? বৃষ্টির চোখরাঙানিতে আশঙ্কায় বিক্রেতারা।করোনার আবহে গত বছর পুজোর বাজার তেমন জমেনি। চলতি বছর আশায় বুক বেঁধেছেন দোকানিরা। তবে নিম্নচাপের বৃষ্টি তাতেও জল ঢেলে দিয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বার লক্ষ্মীপ্রতিমার দাম বেশ বেড়েছে। ছোট মূর্তিই ১০০ টাকার আশপাশে। বড় আকারের সাজের প্রতিমার দাম ৬০০-৮০০। খড়ের মূর্তির দর আরও বেশি। তবে ফলের দর তেমন বাড়েনি বলে দোকানিদের দাবি। তাতেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। আপেল বা নাসপাতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। কলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা প্রতি ডজন। শাঁকালু প্রতি কেজি ১০০ টাকা। শশা এবং খেজুর কেজি প্রতি যথাক্রমে ৫০-৬০ ও ১২০ টাকা। সোমবার ফল-আনাজপাতির দর শুনে নামমাত্র বাজার সারছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

BJP Murder: উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির জেলা সহ সভাপতিকে খুন

বিজেপির যুব মোর্চার উত্তর দিনাজপুর জেলা সহ সভাপতি মিঠুন ঘোষকে গুলি করে খুন করল একদল দুষ্কৃতী। ইটাহারের দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের রাজবাড়ি এলাকার বাড়ির সামনে তিন দুষ্কৃতী ওই যুব নেতাকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে বাড়ির সামনে লুটিয়ে পড়ে ছিল ওই নেতা। শেষপর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের লোকজনেরা উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।@MedinipurSp (Purba) seems to be in a hurry to pass on judgement before conducting a conclusive investigation. If his assertion is true, why doesnt he release the CCTV footage to the Media?By the way, the twitter handle is unverified, keeping the door open for denial in future. pic.twitter.com/Qdckvb7AHn Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) October 18, 2021রবিবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, ইটাহারে খুন হওয়া ওই ব্যক্তি উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপির সহ- সভাপতি। কে বা কারা তাঁকে খুন করল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।Shri Mithun Ghosh, District Yuva Morcha Secretary was brutally shot dead by Trinamool goons.One after another opposition activist in West Bengal is being killed in a jihadist manner! Intellectuals are tight-lipped. Death of democracy in West Bengal! pic.twitter.com/FHrBi6UvWC BJP Bengal (@BJP4Bengal) October 18, 2021 ঘটনার নিন্দা করে টুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুরো ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গুন্ডার হাত রয়েছে বলে মত তাঁর। রাজ্য বিজেপির তরফেও নিজেদের টুইটার হ্যান্ডেলে ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।ফের একবার রাজ্যে দলীয় কর্মী হত্যার ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: সপ্তাহের শুরুতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি কলকাতায়

রবিবারের বিকেলেই বদলে গেল কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া। কালো মেঘে ঢাকল আকাশ। ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে বৃষ্টিতে সোমবারও ভিজবে তিলোত্তমা, এমনটাই খবর৷ ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এই বৃষ্টি হবে বলে জানান হয়েছে৷রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি সোমবার থেকে বাড়তে শুরু করেছে৷ সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। মঙ্গলবারও বৃষ্টি হবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে, হাওয়া অফিস সূত্রে এমনটাই খবর। সোমবার উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কোচবিহার, মালদা ও দুই দিনাজপুরে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে সোমবার খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত। উপকূলের জেলাগুলিতে বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস। সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের জন্য। রবিবারের মধ্যেই মাঝ সমুদ্র থেকে তাদের ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ, ন্যূনতম ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫.৭ মিলিমিটার।মৌসম ভবনের তরফে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে দুটি নিম্নচাপ রয়েছে। দক্ষিণ পূর্ব আরব সাগরে রয়েছে একটি নিম্নচাপ। অন্য নিম্নচাপটি পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ দক্ষিণ ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে অবস্থান। শক্তি হারাচ্ছে নিম্নচাপটি। অভিমুখ উত্তরপ্রদেশ। ফলে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল করোনার সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যুও। শনিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। রবিবারের বুলেটিনে দুক্ষেত্রেই পারদ উপরের দিকে উঠেছে। একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৬২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। একই সময়ের মধ্যে করোনা মুক্ত হয়েছেন ৬৩৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ১৪৮টি। পজিটিভিটি রেট ২.৩০ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যএক লাফে কলকাতার সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন। মারা গিয়েছেন চারজন। শনিবার ১০৮ জন কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছিলেন। একজনের মৃত্যু হয়েছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, দার্জিলিংয়েও একজনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা তিন করে। হুগলিতে দুজন করোনার বলি হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মারা গিয়েছেন একজন।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Durgapuja Vandalism: বাংলাদেশের পথেই এগোচ্ছে বাংলা – কেন এমন বললেন দিলীপ-শুভেন্দুরা?

একুশের নির্বাচনের সময় প্রচারে বিজেপি নেতারা বলেছিলেন বাংলায় দুর্গাপুজো করতে দেওয়া হয় না। এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক দাবি শুধু বাংলাদেশেই নয় বাংলাতেও প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডের ঘটনাকে সামনে এনেছেন। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতফেসবুকে নিজের ওয়ালে তিনি লিখেছেন যারা বাংলাদেশের দুর্গাপুজোর উপর হামলা নিয়ে খুব চিন্তিত, তারা কি জানেন যে খোদ পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডের একটি পুজোর দুর্গা প্রতিমা কিছু দুষ্কৃতী এসে ভেঙে দিয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে রাজ্যের পুলিশ ও তার উচ্চ আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তড়িঘড়ি প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করে। তবে কী পশ্চিমবঙ্গ এবার বাংলাদেশের দিকে এগোচ্ছে?একই সুরে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীইও। টুইট করে তিনি বলেছেন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশ সবটা দেখেছে। এখন কোথায় গেল সব বুদ্ধিজীবীরা?

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গে, রাত থেকে শুরু বৃষ্টি, সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া

দুর্গাপুজো শেষ হয়ে গেলেও বৃষ্টির বিরাম নেই। লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের দুর্যোগের ভ্রুকুটি। শনিবার মাঝরাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। রবিবারও বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তার সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা।উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরে আজ ভারী বৃষ্টিপাত হবে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি ওই নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার সন্ধে থেকে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়।কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টিপাতের ফলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় এরকমই আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ১৯ তারিখ থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আওয়া দপ্তর।টানা বৃষ্টিতে ফের দুর্যোগ, দুর্ভোগের আশঙ্কা। দ্বাদশীতে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো বাতাসও। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ওপর জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ভারী বৃষ্টি হলে লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। ক্ষতি হতে পারে ধানেরও।পুজোর আগে থেকেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ছিল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। কপালে ভাঁজ উপকূলবর্তী জেলাগুলির বাসিন্দাদের। পূর্বাভাস সত্যি করেই দশমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়। কলকাতায় বৃষ্টি নামে শুক্রবার সন্ধ্যা হতেই। এবার ফের জোড়া নিম্নচাপের জের। ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। এই মুহূর্তে নিম্নচাপটি মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর রয়েছে। যা ধীরে ধীরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ১৭ ও ১৮ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হবে। তবে তার থেকেও উল্লেখ্য, এই দুই দিন ঝোড়ো বাতাস বইবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Mother: দেবী পক্ষে অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দুর্দশায় ফেলে পালালো গুণধর ছেলে

দেবী পক্ষে বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালো গুনধর পুত্র। অসুস্থ বৃদ্ধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখন ভরসা পূর্ব বর্ধমানের গলসির নবখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা।নিজের ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কান্তি তাঁর বৃদ্ধা মাকে অসহায় অবস্থার মধ্যে বিসর্জন দিয়ে পালালেও বৃদ্ধাকে মাতৃস্নেহে আগলে রেখেছেন নবখন্ডের বাসিন্দারই। তাঁরা পুলিশের কাছে বৃদ্ধার নিষ্ঠুর ছেলে সুপ্রিয়র কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দারা পাশে থাকলেও নিজের গর্ভের সন্তানের এমন দুর্ব্যাবহার মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না বৃদ্ধা। তাই প্রতিনিয়ত চোখের জল মুছতে মুছতে বৃদ্ধা মমতাদেবী ঈশ্বরের কাছে মুক্তি প্রার্থনা করে চলেছেন। নবখন্ড গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, নবখন্ড গ্রামের বাড়িটি বৃদ্ধার দেশ বাড়ি। হাওড়ার বকুলতলা থানার দক্ষিণ বাকসারার কেঠোপুল এলাকায় বৃদ্ধার একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িতে বৃদ্ধার ছেলে ও বৌমা এখন থাকে। বৃদ্ধার ছেলে সুপ্রিয় বার্জার পেন্টস কোম্পানীতে মোটা টাকা মাস মাইনের চাকরি করেন। বৃদ্ধার স্বামী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যাওয়ার পর সুপ্রিয় সেই চাকরিতে যোগ দেয়। কয়েকবছর আগে দুর্ব্যবহার করে সুপ্রিয় নিজের বৃদ্ধা মাকে হাওড়ার বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর থেকে অসুস্থ শরীর নিয়ে এক প্রকার অনাহারেই নবখন্ড গ্রামের বাড়িতে থাকছিলেন বৃদ্ধা মমতাদেবী। বৃদ্ধার অসুস্থতা বাড়লে প্রতিবেশীরা বৃদ্ধার ছেলেকে ফোন করে বৃদ্ধার চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা কার কথা বলেন।চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গত ৫ অক্টোবর সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মাকে হওড়ায় নিয়ে যায়।চিকিৎসা করিয়ে সুপ্রিয় তাঁর বৃদ্ধা মায়ের শেষ সম্বল টুকুও হাতিয়ে নেয়। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে মাকে চাপিয়ে নিয়ে এসে সুপ্রিয় নবখন্ড এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স দাঁড় করিয়ে একটু আসছি বলে নেমে পড়ে গুনধর ছেলে সুপ্রিয় পালিয়ে যায়। রাত্রি দেড়টা পর্যন্ত ছেলে সুপ্রিয় আর ফিরে না আসায় অ্যাম্বুলেন্স চালক বৃদ্ধাকে তাঁর গ্রামের বাড়িতে পৌছে দেয়। পরদিন সকালে ওই বাড়ির বাইরে বৃদ্ধাকে কাতরাতে দেখে প্রতিবেশীরা তাঁকে পুুরসা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান।অ্যাম্বুলেন্স চালক অচিন্ত্যকুমার মন্ডল বলেন, হাওড়ায় চিকিৎসা করতে নিয়ে গিয়ে মমতা দেবীর পরনের কাপড়, নগদ টাকাকড়ি ও সোনা হাতিয়ে নিয়ে কেটে পরেছে তাঁর ছেলে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়। অমানবিক এই ঘটনার জানার পর প্রতিবেশীরা সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে গলসি থানায় লিখিত অভিযোগে দায়ের করেছেন। বৃদ্ধা মায়ের প্রতি এমন নির্মম ব্যবহারের কারণ জানতে সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Teachers at Doors: পূর্ব বর্ধমানে ’দুয়ারে শিক্ষক“-এ শিক্ষকদের মানবিকতা ও মাতৃভক্তির পাঠ মন্ত্রীর, তুঙ্গে বিতর্ক

দুয়ারে শিক্ষক শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিক্ষকদের মাানবিকতা ও মাতৃভক্তি সংক্রান্ত পাঠ বিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রবীন্দ্র পরিষদে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, করোনা অতিমারিতে শিক্ষকরা ঘরে বসেই প্রতি মাসের বেতন পেয়ে গেছেন। তাঁরা নিজের পরিবারের জন্য নিয়মিত বাজার করেছেন। কিন্তু অতিমারিতে দুঃস্থ মানুষের পাশে শিক্ষকরা সেভাবে দাঁড়াননি। এটা তিনি লক্ষ্য করেছেন বলে স্বপন দেবনাথ জানান। একই সঙ্গে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শিক্ষকরা মাটির দুর্গাকে প্রণাম করেন, পুষ্পাঞ্জলি দেন। কিন্তু নিজের বাড়িতে মাকে অভুক্ত রাখেন। বাড়িতে বসে থাকা জ্যান্ত মা কেন অভুক্ত থাকবেন? কেন অনাদরে পড়ে থাকবেন? মন্ত্রী দাবি করেন, নিজের মাকে অনাদরে রাখার সংখ্যা কম নয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন শিক্ষকদের উপদেশ দেন, দুর্গামাকে প্রণাম করুন। কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু গর্ভধারিণী মাকে যেন অভুক্ত রাখবেন না। জ্যান্ত মাকে হাসিখুশি রাখুন। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রীর করা এমন মন্তব্য শিক্ষক মহলে যেমন শোরগোল ফেলে দিয়েছে তেমনই তৈরি হয়ছে বিতর্ক।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যঅনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ পুজোর সময়ে শিক্ষকদের দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান। স্বপনবাবু বলেন, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক মিলিয়ে জেলায় ২০ হাজারের বেশী শিক্ষক রয়েছেন। প্রত্যেক শিক্ষক যদি দুটো করে জামা-প্যান্ট দুঃস্থ শিশুদের কিনে দেন তাহলে অনেক শিশু পুজোয় নতুন জামা পরতে পারবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকগণ মন্ত্রীর এই আবেদনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন ঠিকই। তবে মন্ত্রীর করা বাকি বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।আরও পড়ুনঃ রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহজেলা শিক্ষক সমিতির সম্পাদক বিশ্বনাথ সাহা এদিন দাবি করেন, করোনা অতিমারির সময়ে কাটোয়ার বিধায়কের উদ্যোগে কাটোয়ার শিক্ষকরা সর্বোতভাবে দুঃস্থ মানুষ জনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অন্যদিকে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির সদস্য কৌশিক দে দাবি করছেন, করোনা অতিমারি কালে শিক্ষকরা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নিজেদের সাধ্য মতো দান করেছেন। বহু শিক্ষক ব্যক্তিগত উদ্যোগেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারপরেও মন্ত্রী তাঁর মন্তব্যের মধ্য দিয়ে গোটা শিক্ষক সমাজকে ছোট করলেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Electric Shock: চাষের জমিতে ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মৃত কৃষক

ছিঁড়ে পড়া বিদ্যুতের তার দশদিন ধরে পড়েছিল চাষের জমিতে। সেই তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শুক্রবার মারা গেলেন এক প্রান্তিক চাষি। মৃতর নাম সুকান্ত বাগ (৫৮)। মর্মান্তিক এই মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার নবস্তা ১ পঞ্চায়েতের বেগুট গ্রামে। চাষির এমন অকাল মৃত্যুর জন্য বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতিকে দায়ি করে এদিন ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবার-পরিজন ও এলাকাবাসী।বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা ১১ হাজার ভোল্টেজ লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে সন্ধ্যার মুখে চাষির মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই চাষির মৃতদেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ চাষির মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাষি সুকান্ত বাগ এদিন সকালে চাষের জমিতে যান। তখনই তিনি মাঠে ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হন। মৃতর ছেলে উত্তম বাগ জানিয়েছেন, দশ দিন আগে ১১ হাজার ভোল্টেজ লাইনের বিদ্যুতের তার গ্রামের চাষ জমি এলাকায় ছিঁড়ে পড়ে। সেই ঘটনার কথা গ্রামবাসীরা বহুবার বিদ্যুৎ দফতরে জানায়। কিন্তু বিদ্যুৎ দফতর কোনও হেলদোল দেখায়নি। উত্তম বাগ বলেন, এদিন সকালে তাঁর বাবা ধান জমিতে কীটনাশক ছড়াতে যান। ছিঁড়ে পড়ে থাকা ওই বিদ্যুতের তার তখন কোনওভাবে তাঁর বাবার শরীর ঠেকে যায়। উত্তম বাগ দাবি করেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জমিতেই পড়ে থাকেন তাঁর মৃত বাবা। সেই কথা কেউ জানতেও পারেননি। অনেকটা দুপুর পর্যন্ত সুকান্তবাবু বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাঁর খোঁজ শুরু করেন। তখন জমিতে গিয়ে তাঁরা দেখেন সেখানেই তাঁর বাবা মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। এই ঘটনার কথা তিনি গ্রামবাসীদের জানালে গ্রামবাসীরা তৎক্ষণাৎ বিদ্যুৎ দফতরে খবর দেয়। বিদ্যুৎ দফতরকে খবর দেওয়ার পর প্রায় তিন ঘন্টা বাদ বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছায়। তারা ১১ হাজার ভোল্টেজ লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর সন্ধ্যার মুখে সুকান্ত বাবুর মৃতদেহ জমি থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে ছেলে উত্তম বাগ জানিয়েছেন। এলাকার অপর চাষি ধীরেন বাস্কে ও অনুজ হাজরা বলেন, বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতির জন্যই তাঁদের এলাকার এক চাষিকে অকালে প্রাণ খোয়াতে হল। তার ছিঁড়ে যাবার পর বিদ্যুৎ দফতর যদি দ্রুত ব্যবস্থা নিত তাহলে সুকান্ত বাগকে এইভাবে প্রাণ খোয়াতে হত না।এদিনের ঘটনার পর নবস্তার বিদ্যুৎ দফতরের অফিসে যোগাযোগ করা হলে কেউ সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে চাননি। তবে এলাকার বিধায়ক নিশীথ মালিক এদিন স্পষ্ট জানান, বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতিতেই ওই চাষির মৃত্যু হয়েছে। বিদ্যুৎ দফতরের অফিসাররা তাঁর কাছে এই গাফিলতির কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ দফতর ওই চাষি পরিবাকে সহায়তা প্রদানের আশ্বাসও তাঁকে দিয়েছে। ব্লক প্রশাসনও চাষি পরিবারকে সরকারি অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে বলে নিশীথ মালিক জানিয়েছেন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Murder: রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহ

রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হল নিখোঁজ এক যুবকের মৃতদেহ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শুক্রবার চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মৃতর নাম শাহাজান শেখ(৩৩)। তাঁর বাড়ি স্থানীয় নসরতপুর পঞ্চায়েতের পারুলডাঙ্গা গ্রামের পূর্বপাড়ায়। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। পরিবারের সদস্যরা আশঙ্কা করছেন যুবককে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ রেল লাইনের ধারে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ আরপিএফের বিরুদ্ধে জুলুমবাজির অভিযোগ, প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন পূর্বস্থলীর ব্যবসায়ীরাপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় তাঁত শ্রমিক ছিলেন শাহাজান শেখ। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও চার শিশু সন্তান ছাড়াও অন্য সদস্যরা রয়েছেন। পরিবার সদস্যরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে শাহাজান বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেনি। সারারাত নিখোঁজ ছিলেন। শুক্রবার সকালে রেল লাইনের ধারে শাহাজানের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পড়ে থাকে। সেই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন সেখানে ছুটে গিয়ে মৃতদেহ শনাক্ত করেন। মৃতের ভাই আহম্মদ শেখ জানান, সমুদ্রগড় স্টেশনের ৪ নম্বর লাইনের ধারে তাঁর দাদার মৃতদেহ পড়েছিল। ওই লাইন দিয়ে কোনও ট্রেন চলে না। সেই কারণে তাঁরা মনে করছেন কোনও দুর্ঘটনায় তাঁর দাদা শাহাজান শেখ মারা যায়নি। তাঁর দাদাকে প্রাণে মেরে দিয়ে কেউ ওই লাইনের ধারে দেহ ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। শাহাজানের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের দাবি করেছে পরিবার।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Allegations against RPF: আরপিএফের বিরুদ্ধে জুলুমবাজির অভিযোগ, প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন পূর্বস্থলীর ব্যবসায়ীরা

দাবি মতো টাকা দিতে অস্বীকার করায় এক ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠলো আরপিএফের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকালে ব্যাপক ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী স্টেশান এলাকায়। ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষজন আরপিএফের জুলুমবাজির প্রতিবাদে ট্রেন আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেন। তা নিয়ে স্টেশন চত্ত্বরে উত্তেজনা চরমে ওঠে। সেই খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার আইসির নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী ও পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌছে বিক্ষোভ সামাল দেন। আরপিএফের মারধরে জখম সেলুন মালিক জুয়েল শেখকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় পূর্বস্থলী ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। প্রতিবাদে এদিন দুপুর পর্যন্ত জারি থাকলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকে।পূর্বস্থলী স্টেশন বাজার এলাকার ব্যবসায়ী বিজন দত্ত এদিন বলেন, গত দুবছর ধরে রেল স্টেশন এলাকার ব্যবসায়ীদের উপরে চুড়ান্ত জুলুমবাজি চালানো শুরু করেছে আরপিএফ। দোকানে একটা পেরেক পুঁতলেও আরপিএফকে পয়সা দিতে হয়। এদিন পূর্বস্থলী স্টেশন বাজারে থাকা সেলুনের মালিক জুয়েল শেখ তাঁর দোকানের একটি ঝাঁপ সারানোর প্রস্তুতি নিতেই আরপিএফ পরিচয় দিয়ে কয়েকজন তাঁর কাছে এসে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে। জুয়েল শেখ তা দিতে অস্বীকার করায় আরপিএফ বাহিনী তাঁকে প্রচণ্ড মারধর শুরু করে। এমনকি জোরপূর্বক জুয়েল শেখকে সকালের আপ ট্রেনে চাপিয়ে নিয়ে আরপিএফ অফিসে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করে আরপিএফ বাহিনী। তা দেখে সমস্ত ব্যবসায়ীরা রুখে দাঁড়ায়। তাঁরা আপ ট্রেন অবরোধ করে রাখেন। মিনিট দশেক অবরোধ চলে। সেই খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার আইসি এবং পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌছান। তাঁদের সাথেও আরপিএফ বাহিনী বাকবিতণ্ডা শুরু করে দেয়। প্রতিবাদ চরম আকার নিলে শেষ পর্যন্ত জুয়েল শেখকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আরপিএফ।এর পর জুয়েলকে পূর্বস্থলী ব্লক হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করানো হয়। অপর বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা চাঞ্চল্যকর অভিযোগে এনেছেন আরপিএফের বিরুদ্ধে। তাঁদের অভিযোগ, এলাকার সবজি চাষিদের মান্থলি টিকিট করা থাকে। তবুও তাঁরা যখন সবজি অন্যত্র বিক্রি করতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রেনে তোলেন তখন চাষিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকার দাবি করে আরপিএফের লোকজন। টাকা না দিলে ট্রেনে সবজি তুলতে দেওয়া হয় না। আরপিএফের এমন কাজ-কারবারের জন্য চাষিদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এদিনের ঘটনার প্রতিবাদে স্টেশন এলাকার সবজি বাজার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্ধ রাখেন ব্যবসায়ীরা। এদিনের ঘটনা নিয়ে আরপিএফ বাহিনীর কোন সদস্য সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কোনও কথা বলতে চাননি। তবে পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় আরপিএফের বিরুদ্ধে এদিন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি জানান, আরপিএফ সাধারণ মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। তা জানার পর এদিন সকালে তিনি স্টেশন বাজারে এসেছিলেন। আরপিএফ বাহিনী তাঁর সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করেছে। আরপিএফ যে অরাজকতা চালাচ্ছে তা চলতে দেওয়া হবে না বলে বিধায়ক স্পষ্ট জানিয়েদেন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 133
  • ...
  • 188
  • 189
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

জমি দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! লাঠি হাতে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে পৌঁছলেন বৃদ্ধ দম্পতি

পৈতৃক জমিতে বহুতল তৈরির আশায় জমি তুলে দিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। প্রতিশ্রুতি ছিল, ফ্ল্যাট তৈরি হলে তিনিও একটি ফ্ল্যাট পাবেন। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই ফ্ল্যাট আজও মেলেনি। উল্টে ফ্ল্যাট চাইতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি ফ্ল্যাট পেতে আরও ১৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।অসহায় অবস্থায় শেষমেশ সোমবার জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হলেন অশীতিপর প্রবীর মুখোপাধ্যায়। হাতে লাঠি, পাশে স্ত্রীকে নিয়ে সকালেই সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস পেয়েছেন বলে জানান প্রবীরবাবু।জানা গিয়েছে, জয়দেব কামদারের ছত্রছায়ায় থাকা সোনা পাপ্পুদের হাতে পৈতৃক জমি তুলে দিয়েছিলেন প্রবীরবাবু। সেখানে বহুতল তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে জয়দেব কামদার এবং সোনা পাপ্পুরা জেলবন্দি। ফলে ফ্ল্যাট পাওয়ার সম্ভাবনাও এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাথার উপর ছাদ হারিয়ে আপাতত স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে দিন কাটছে বৃদ্ধ দম্পতির।প্রবীরবাবুর আশা, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে হয়তো আবার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পাবেন।এদিন জনতার দরবারে চাকরিহারারাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। চাকরিহারা সুমন বিশ্বাস জানান, আগের সরকারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার সুযোগ ছিল না। কিন্তু এখন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজেদের কথা বলা যাচ্ছে। তিনি বলেন, চাকরিহারাদের দাবি সংক্রান্ত চিঠিও মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।জানা গিয়েছে, প্রতি সোমবারই জনতার দরবারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার আগে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

নেপাল থেকে চাকরির টোপ, শেষে সোনাগাছিতে বিক্রি! কলকাতায় ভয়ঙ্কর নারী পাচার চক্র ফাঁস

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘ডিটেক, ডিলিট, ডিপোর্ট’ শুরু হতেই তৎপর প্রশাসন! মুর্শিদাবাদের হোল্ডিং সেন্টারে ৩ অনুপ্রবেশকারী

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘আনুগত্যের পুরস্কার’ থেকে ইস্তফা— তৃণমূলে বিস্ফোরণ, মমতাকে বার্তা: ভুঁইফোঁড়দের নয়, ফিরুন পুরনো সৈনিকদের কাছে

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিলেন বারাসতের সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। দলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি কার্যত শাসকদলের বর্তমান সাংগঠনিক রণকৌশল নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন। শুধু পদত্যাগ করেই থেমে থাকেননি কাকলি, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-র উদ্দেশে সরাসরি আবেদন জানিয়েছেন নতুন ভুঁইফোঁড় সংস্থা বা বাহ্যিক পরামর্শদাতাদের উপর নির্ভর না করে, দলের পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মীদের উপরেই আস্থা রাখা হোক।এই পদক্ষেপ ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, কয়েক দিন আগেই দলের সংসদীয় মুখ্যসচেতকের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কাকলিকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ( Kalyan Banerjee)-কে। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় কালীঘাটে হওয়া বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল।পদচ্যুত হওয়ার ঠিক পরের দিন সমাজমাধ্যমে কাকলির একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছিল ব্যাপক আলোচনা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ১৯৭৬ থেকে পরিচয়, ১৯৮৪-তে পথচলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছিল তাঁর ক্ষোভ ও অভিমান।তার পর নয় দিন কাটতে না কাটতেই রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী (Subrata Bakshi)-র কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ালেন তিনি।চিঠিতে কাকলি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন,নেত্রী যদি আগের মতো পুরনো, পরীক্ষিত ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে দল চালান, তবে দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। ভুঁইফোঁড় সংস্থার উপর ভরসা করে কঠিন রাজনৈতিক লড়াই জেতা সম্ভব নয়।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে পরোক্ষে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে যুক্ত পেশাদার সংস্থাগুলির ভূমিকাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। বিশেষ করে নির্বাচনকেন্দ্রিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাক (Indian Political Action Committee)-এর ভূমিকা নিয়ে ভোট-পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের একাংশের অসন্তোষের ইঙ্গিত আগেও সামনে এসেছিল। কাকলির বক্তব্য সেই ক্ষোভকেই আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এল বলে মনে করা হচ্ছে।ইস্তফাপত্রে তিনি রাজ্যের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে আশঙ্কা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে হলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি এবং মূল্যবোধকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।নিজের সাংগঠনিক ব্যর্থতার দায়ও এড়িয়ে যাননি কাকলি। বিধানসভা ভোটে তাঁর সাংগঠনিক এলাকায় দল প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি বলে স্বীকার করে নিয়েছেন। সেই নৈতিক দায় নিজের কাঁধে নিয়েই জেলা সভাপতির পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, কাকলির এই পদত্যাগ শুধুই ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরে জমতে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনী ধাক্কার পর দল যখন আত্মসমালোচনার পর্যায়ে, তখন এক প্রবীণ সাংসদের এমন প্রকাশ্য বার্তা নিঃসন্দেহে দলীয় নেতৃত্বের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ সতর্কবার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ফলতায় ঐতিহাসিক 'ফল', মোদীর বার্তা— ‘গণতন্ত্র জিতেছে, ভয়-হুমকি পরাজিত’

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে আর এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন। বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার রেকর্ড ব্যবধানের জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন আলোড়ন। এক লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে এই জয় শুধু একটি আসন দখলের সাফল্য নয়, বরং তা রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের উপর মানুষের সিলমোহর বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।ফলাফল ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, ফলতার মানুষ তাঁদের রায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে, ভয়ভীতি ও হুমকির রাজনীতি পরাজিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডাকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিপুল জয় পশ্চিমবঙ্গবাসীর বিজেপির প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থারই প্রতিফলন।এ বারের নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ ছিল স্পষ্ট। রাজ্যে সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের আবহে ফলতায় গেরুয়া শিবিরের জয় অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। তবে এত বিশাল ব্যবধান ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেককেই বিস্মিত করেছে। বিশেষ তাৎপর্যের বিষয়, তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ভোটের আগেই কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান থেকে সরে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত তৃণমূল নেমে যায় চতুর্থ স্থানে, আর দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে সিপিএম।রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের মাত্র দুসপ্তাহের মাথায় এই নির্বাচন হয়েছিল। গত ৯ মে, রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একাধিক জনমুখী প্রকল্প ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প চালু, সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে যাত্রা, এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের মতো সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বার্তায় এই পদক্ষেপগুলির উল্লেখ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছে, তা সাধারণ মানুষের নজর এড়ায়নি। তাঁর কথায়, মানুষ উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গবাসী আমাদের উপর আরও একবার আস্থা রেখেছেন। আমরা আগামী দিনেও তাঁদের উন্নয়নের জন্য নিরন্তর কাজ করে যাব।ফলতার এই ফলাফল বিধানসভার অঙ্কে খুব বড় পরিবর্তন না আনলেও রাজনৈতিক তাৎপর্য যথেষ্ট। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ২০৭ থেকে বেড়ে ২০৮ হয়েছে। তবে তার থেকেও বড় বার্তা হল সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের প্রতি জনসমর্থনের প্রাথমিক পরীক্ষায় গেরুয়া শিবির উতরে গেল স্বচ্ছন্দে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই জয় স্পষ্ট করে দিল পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি ইউরোপ সফরে নেদারল্যান্ডসে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী যে আবেগঘন বার্তা দিয়েছিলেন, তারই যেন বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল ফলতার ভোটবাক্সে।ফলতার রায় এখন শুধু একটি উপনির্বাচনের ফল নয়; তা পশ্চিমবঙ্গের আগামী রাজনৈতিক সমীকরণের দিকনির্দেশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিজেপির দাবি, এ জয় পরিবর্তনের পথে রাজ্যের আরও এক ধাপ অগ্রগতি।

মে ২৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়াই মাঠের তালা খোলা! বর্ধমানে বিজেপি বিধায়ককে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বহুদিন বন্ধ থাকা মোহনবাগান মাঠের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের তির উঠেছে বর্ধমান দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বা আনুষ্ঠানিক আলোচনা ছাড়াই তিনি সাধারণের ব্যবহারের জন্য মাঠ খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী রাজনৈতিক মহল যেমন প্রশ্ন তুলেছে, তেমনই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা ঐতিহ্যবাহী মোহনবাগান মাঠটি সাধারণের জন্য বন্ধ ছিল। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পরিদর্শনে এসে মাঠটি তালাবন্ধ অবস্থায় দেখতে পান বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। এরপর তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা কর্মীদের তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠ খুলে দেওয়া হয় এবং স্থানীয়দের প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধীরা। স্থানীয় কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, বিধায়ক এখনও বুঝে উঠতে পারেননি কোন বিষয় তাঁর প্রশাসনিক এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে আর কোনটা পড়ে না। তিনি ব্যঙ্গের সুরে বলেন, নতুন বই হাতে পাওয়া বাচ্চারা যেমন আগ্রহ নিয়ে পাতা উল্টে দেখে, ঠিক তেমনই নতুন বিধায়ক গলায় মালা পরে সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে প্রতিদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন।যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে সওয়াল করেছেন বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। তাঁর বক্তব্য, এত বড় একটি মাঠ বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, এই মাঠ এলাকার মানুষের সম্পদ। শিশু থেকে প্রবীণ সকলে এখানে এসে খেলাধুলা করতে পারবেন, হাঁটাচলা করতে পারবেন। মানুষের স্বার্থেই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্কর কুমার নাথ স্পষ্ট জানিয়েছেন, মাঠ খোলার বিষয়ে তাঁকে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়েই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে, যা সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এই মাঠে সকাল-বিকেল স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ চলে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীরাও এখানে নিয়মিত অনুশীলন করেন। ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষক এক অধ্যাপক বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক অধিকার ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ক্ষমতার সীমা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখন দেখার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ করে কি না এবং বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

মে ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal