• ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

জীবন বাজি রেখে শত চেষ্টা সত্বেও বৃদ্ধাকে বাঁচাতে পারলেন না রেল কর্মী, মেয়ের চোখের সামনেই দুর্ঘটনা

দূরন্ত গতিতে ধেয়ে আসছিল আপ সরাইঘাট এক্সপ্রেস। আর ঠিক ওই সময়েই রেল লাইন পার হতে যাচ্ছিলেন আশি উর্ধ্ব বৃদ্ধা গায়ত্রী ঘোষ। তা দেখে ছুটে যান রেলকর্মী পাঁচুগোপাল দাস। তিনি মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়েও শেষ পর্যন্ত হার মানেন। আর তারই মধ্যে সরাইঘাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বৃদ্ধার দেহ। চোখের সামনে মায়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে। সোমবার বিকালে রোমহর্ষক এমনই এই ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া- বর্ধমানের কর্ড শাখার মসাগ্রাম স্টেশনে। যা চাক্ষুষ করে কার্যত শিউরে ওঠেন মসাগ্রাম স্টেশনে থাকা রেল যাত্রী ও সাধারণ মানুষজন।রাতে ঘটনাস্থলে পৌছে রেল পুলিশ বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার করে।মসাগ্রাম স্টেশন আধিকারিকদের কথায় জানা গিয়েছে, বৃদ্ধা গায়ত্রীদেবী বাঁকুড়া জেলার ইন্দাসের বাসিন্দা।এদিন বিকালে কর্ড লাইনের ট্রেনে চড়ে বৃদ্ধা তাঁর মেয়ে জাইয়ের সঙ্গে মসাগ্রম স্টেশনে নামেন। আনুমানিক বৈকাল ৪ টে ৫০ মিনিট নাগাদ মসাগ্রাম স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে নেমে তারা সামনের বিডিআর রেলের স্টেশন প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার জন্য রেল লাইন পার হচ্ছিলেন।বৃদ্ধার মেয়ে ও জামাই রেল লাইন পার হয়ে গেলেও পিছনে পড়ে থাকেন বৃদ্ধা। ওই সময়েই আপ সরাইঘাট এক্সপ্রেস জোরে হর্ণ বাজাতে বাজাতে ওই লাইন ধরে ধেয়ে আসতে থাকে। তা দেখে মেয়ে ও জামাই বৃদ্ধাকে রেল লাইন পার না হয়ে দাঁড়িয়ে যেতে বলেন। কিন্তু কানে মাফলার জড়ানো থাকায় বৃদ্ধা তাঁর মেয়ে জাইয়ের কথা শুনতে পাননি। তিনি লইন পার হওয়ার জন্য আরও এগিয়ে আসেন। ওই সময়ে মসাগ্রাম স্টেশন প্ল্যাটফর্মে ডিউটি করছিলেন রেলকর্মী পাঁচুগোপাল দাস। পরিস্থিতি চাক্ষুষ করে তিনি বুঝতে পারেন বৃদ্ধা আর একটু এগোলেই দুর্ঘটনার কবলে পড়বেন। তৎক্ষনাৎ রেল কর্মী পাঁচুগোপাল বৃদ্ধাকে বাঁচানোর জন্য ওই লাইনের দিকে ছুটে যান। কিন্তু দ্রুত ছুটে বৃদ্ধার কাছে পৌছতে গিয়ে পাঁচুগোপালবাবু লাইনের আগে পড়ে যান। পায়ে চোট পেয়ে তিনি আর এগিয়ে যেতে পারেননি। তারই মধ্যে সবার চোখের সামনে সরাইঘাট এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ছিন্ন বিচ্ছিন হয়ে যায় বৃদ্ধার দেহ।প্রত্যক্ষদ্শী মনোজ সাহানি বলেন, রেল কর্মী পাঁচুগোপাল দাস নিজের জীবন বাজি রেখে বৃদ্ধাকে বাঁচানোর জন্য ছুটে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পড়ে গিয়ে পায়ে চোট পেয়ে যাওয়ায় তিন আর এগিয়ে যেতে পারেননি।পড়ে না গেলে তিনি হয়তো বৃদ্ধাকে বাঁচাতে পারতেন। তা আর হল না।সবার চোখের সামনেই ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধার দেহ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঘটনার কথা স্বীকার করে নিলেও মসাগ্রাম স্টেশন আধিকারিক এই বিষয়য়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে কিছু বলতে অস্বীকার করেন।বাঁকুড়ার ইন্দাস নিবাসী বৃদ্ধার মেয়ে শ্যামলী পাল ও তাঁর স্বামী অমল পাল জানিয়েছেন, সাবিত্রীদেবী তাঁদের কাছেই থাকতেন। শ্যামলী পাল বলেন, আমার ছেলে কর্মসূত্রে হুগলীর ডানকুনিতে থাকে। কিছুদিন আগে বৃদ্ধা মা কে সঙ্গে নিয়ে আমি ও তাঁর স্বামী ডানকুনিতে ছেলের বাড়িতে গিয়েছিলাম। এদিন সেখান থেকেই ফিরছিলেন। কর্ড লাইনের ট্রেনে চড়ে বিকালে মসাগ্রাম স্টেশনে নামার পর সামনে থাকা বিডিআর রেলের স্টেশন প্ল্যাটফর্মের যাবার জন্য সবাই রেল লাইন পার হচ্ছিলেন। শ্যামলীদেবী বলেন, ওই সময়ে আমি ও আমার স্বামী রেল লাইন পেরিয়ে যেতে পারলেও বৃদ্ধা মা লাইন পার হতে না পেরে পিছনে রয়ে যায়। তারই মধ্যে এক্সপ্রেস ট্রেনটিও দ্রুত গতীতে এগিয়ে আসতে থাকে। তা দেখে আমি ও আমার স্বামী চিৎকার করে মাকে দাঁড়িয়ে যেতে বলি। কিন্তু কানে মাফলার জড়ানো থাকায় আমার মা কিচ্ছু শুনতে না পেয়ে আরও এগিয়ে আসতে থাকেন। তারই মধ্যে এক্সপ্রেস ট্রেনটিও অনেকটি কাছাকাছি চলে আসে। ওই পরিস্থিতির মধ্যেই স্টেশন প্ল্যাটফর্মে থাকা এক রেল কর্মী নিজের জীবন বাজি রেখে আমার বৃদ্ধা মা কে বাঁচাতে দৌড় দেন। চোখের জল মুছতে মুছতে শ্যামলীদেবী এদিন বলেন,মায়ের ভাগ্য সহায় না থাকায় ওই রেলকর্মী পড়ে গিয়ে চোট পেয়ে যাওয়ায় আর এগিয়ে যেতে পারেন না। ট্রেনের ধাক্কায় আমার বৃদ্ধা মা মারা যায়। শাশুড়ি মায়ের এমন করুন পরণতির জন্য জামাই অমল পালও অদৃষ্টকেই দায়ী করেছেন।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

শিক্ষাগুরু বাম প্রার্থীর আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে বর্ধমানে পুরভোটের ময়দান চোষে বেড়াচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী

রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরোধ রয়েছে ঠিকই। তাবলে পুরভোটের যুদ্ধে নেমে শিক্ষাগুরু ও তাঁর ছাত্রের কেউই পারস্পরিক স্নেহ ভালবাসা ও শ্রদ্ধার সম্পর্ককে জলাঞ্জলি দিতে চান না। আর সেই কারণেই এবার বর্ধমান পৌরসভার ভোটে সবার নজর কেড়েছে গুরু শিষ্যের লড়াই।যে লড়াইয়ের শেষ ফল দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন বর্ধমান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।রাজ্যের যে কটি পৌরসভার নির্বাচন ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে তার সবকটাতেই তৃণমূলেরই জয়জয়কার। এমন ঘাসফুল ঝড়ের মধ্যেই আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে বর্ধমান পৌরসভা ৩৫ টি ওয়ার্ডের নির্বাচন। তার মধ্যে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন নুরুল আলম ওরফে সাহেব। আর তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দি সিপিআইএম প্রার্থী লুৎফর রহমান মুন্সী। যুজুধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর বাড়ি একই ওয়ার্ডে। সেই ওয়ার্ডেরই দুবরাজদিঘী এলাকার বাসিন্দা লুৎফর রহমান মল্লিক দুবরাজদিঘী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক।আর সেই বিদ্যালয়েই পড়াশুনা করে বড় হয়ে ওঠা ছাত্র নুরুল আলম আজ তাঁর প্রতিদ্বন্দি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। একজন বয়সে প্রবীন হলেও আপাদমস্তক কমিউনিষ্ট। অপর জন তৃণমূলের তরুণ তুর্কী নেতা।সে যাইহোক ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়ে দুজনের কেউ এই বিষয়টিকেই বেশী গুরুত্ব দিতে চান না। বরং দুজনেই চান ভোট যুদ্ধের ময়দানেও অটুট থাকুক গুরু ও শিষ্যের পারস্পরিক স্নেহ ও শ্রদ্ধার বন্ধন। তাই প্রতিদিন ভেটের প্রাচার নেমেই সতীর্থদের সঙ্গে নিয়ে শিষ্য নুরুল পৌছে গেলেন শিক্ষা গুরু লুৎফর রহমান মুন্সীর বাড়িতে। শিক্ষা গুরুর আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে গুরুর কাছেও ভোট ভিক্ষা চাইলেন ছাত্র। পাল্টা শিক্ষা গুরুও তাঁর শিষ্যকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে আশীর্বাদ ও শুভকামনা জানালেন। একই সঙ্গে শিক্ষক লৎফর রহমান সবাইকে শুনিয়ে বললেন ,আজকের দিনে রাজনীতিতে আমার ছাত্র নুরুলের মত যুবশক্তির উঠে আসা প্রয়োজন রয়েছে। ভোটের দিন লুৎফর রহমান মুন্সী কিংবা তাঁর পরিবারের কেউ হয়তো নুরুল আলমকে ভোট দেবেন না। তবুও রাজনৈতিক সৌজন্যতার এই দৃশ্য চাক্ষুষ করে কার্যতই অবিভূত দুবরাজদিঘীর বাসিন্দারা। শিক্ষা গুরুর আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে সোমবার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের অলি গলি ঘুরে নুরুল সারলেন ভোটের প্রচার।নুরুল আলম এদিন বলেন, আমার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সময়েই দলের সবাইকে রাজনৈতিক সৌজন্যতা বজায় রেখে চলার বার্তা দেন। নিজেকে বিনয়ী রেখে সাধারণ মানুষের সুখ দুঃখের সাথী হবার কথা বলেন। সেই আদর্শেই আমি দীক্ষিত।শিক্ষা গুরু আমার প্রতিদ্বন্দি হলেও তিনি আমার গুরুই। তাই ভোট যুদ্ধে শিক্ষা গুরুর আশীর্বাদ মাথায় থাকাটাও বড় প্রাপ্তি। বাকিটা বিচার করবেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জনতা জনার্দন। অন্যদিকে সিপিআইএম প্রার্থী লুৎফর রহমান মুন্সী বলেন, আমার ছাত্র নুরুল আলমের সৌজন্যতা বোধ আমায় মুগ্ধ করেছে। ওর ভবিষ্যৎ জীবন ভালো হোক এই শুভ কামনাই করছি। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস জানিয়েছেন, বর্ধমান পুরসভায় লড়াইটা মূলতই তাঁদের সঙ্গে সিপিএমেরই। তবে তিনি আশাবাদী বর্ধমান পৌরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরাই জয়ী হবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

বুধবার থেকে খুলছে প্রাথমিক-উচ্চ প্রাথমিক স্কুল, শিথিল হচ্ছে নৈশ কার্ফু, উঠছে কোভিড বিধিনিষেধ

কোভিডের নাগপাশ মুক্ত হয়ে অবশেষে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। সোমবার বিবৃতি প্রকাশ করে সিদ্ধান্তের কথা জানাল রাজ্য সরকার। আগামী ১৬ তারিখ অর্থাৎ বুধবার থেকে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খুলে দেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, স্কুল খোলার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এবং বিধি নিয়ম সহ আলাদা নির্দেশিকা প্রকাশ করবে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর। কোভিড বিধি মেনেই স্কুল চলবে বলে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।প্রায় ২ বছর পর রাজ্যে খুলতে চলছে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, রাজ্যে বিধিনিষেধ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকছে। রাত্রীকালীন কার্ফু রাত ১১ টার পরিবর্তে ১২ টা থেকে শুরু হবে, চলবে ভোর ৫ টা পর্যন্ত। স্কুল খোলা ছাড়াও সব আইসিডিএস সেন্টারও খোলা হচ্ছে আগামী বুধবার থেকে।কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে ছোটদের স্কুল খোলা হতে পারে। তবে কোভিড পরিস্থিতি বুঝে ছোটদের স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে একদম আগের মতো না হলেও পরিস্থিতি বুঝে রোটেশনে স্কুল খোলা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী স্কুল খোলার ব্যাপারে নির্দেশিকা এসেই গেল। আসলে সাম্প্রতিক অনেক রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল যে, রাজ্যের শিক্ষার মান এবং হার দুইই পড়ে গিয়েছে লাগাতার স্কুল বন্ধ থাকার কারণে। বহু পড়ুয়া অক্ষর চিনতে পারছে না, বাক্য গঠন করতে পারছে না। এমনকী পঞ্চম বা অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারা দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির অঙ্ক সমাধান করতেও অনেকাংশে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই দ্রুত স্কুল খোলার দাবি বাড়ছিল।রাজ্যে উল্লেখযোগ্য হারে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় অন্তঃদেশীয় বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্ত রকম নিয়ন্ত্রণ তুলে নিল রাজ্য সরকার। ফলে বেঙ্গালুরু থেকেও এবার তিন দিনের বদলে প্রতিদিন বিমান চলাচল করবে। স্বরাষ্ট্র সচিব বিপি গোপালিকা সোমবার অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের সচিব রাজীব বনসলকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে উড়ান এ রাজ্যে আসতে পারে। তবে যাত্রীদের হয় ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা আরটিপিসিআর পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। একইরকম ভাবে বিদেশ থেকেও এ রাজ্যে বিমান চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রেও একই শর্ত থাকছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হলো।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

স্কুলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট, তবুও এসেছে প্রায় লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন পুর্ব-বর্ধমানে রায়নার স্কুল

বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য বিদ্যালয়ে রয়েছে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ইউনিট। তা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ দফতর পূর্ব বর্ধমানের রায়না ২ ব্লকের একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছে প্রায় লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল। শুধু এত বিশাল পরিমান টাকার বিদ্যুৎ বিল পাঠানোই নয়।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই বিল সংশোধনের আবেদন করার পর উল্টে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগই বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।তার কারণে এখন বিদ্যালয়ে পঠন পাঠন জারি রাখার ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে চুড়ান্ত অচলাবস্থা। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ ও স্কুল দফতর সহ প্রশাসনের নানা মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিদ্যালের প্রধান শিক্ষক। কিন্তু সুরাহার কোনও ব্যবস্থা হয়নি। সামনেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। সেই কথা মাথায় রেখে প্রশাসন কি ব্যবস্থা করে সেই দিকেই এখন তাকিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পড়ুয়ার।বিদ্যালয় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ মইদুল হক জানান, প্রথম থেকেই রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরের দেওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল তাঁর বিদ্যালয়ে।পরবর্তী সময়ে রাজ্য সরকার বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎতের চাহিদা মেটাতে সৌরশক্তির উপর ভরসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।সেই মত ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ইউনিট চালু হয়। সেই সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট থেকে বিদ্যালয়ও বিদ্যুৎ সংযোগ পায়।তার পরেই বিদ্যুৎ দফতর বিদ্যালয়ে থাকা পূর্বের মিটার রিডিং যন্ত্রটি খুলে নিয়ে নেট মিটার যন্ত্র লাগিয়ে দেয়।প্রধান শিক্ষক তাঁর অভিযোগে বলেন, ওই নেট মিটার যন্ত্র লাগানো হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন কেটে গেলেও বিদ্যুৎ দফতরের কেউ মিটার রিডিং দেখতে আসেনি।তারই মধ্যে করোনা অতিমারির প্রভাব বেড়ে যায়। তার কারণে রাজ্য সরকার স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ও বন্ধ থাকে। এর পরেও ২০২১ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ দফতরের লোকজন মিটার রিডিং সংগ্রহ করতে আসেন না। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিদ্যুৎ দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তার পর বিদ্যুৎ দফতরের লোকজন মিটার রিডিং নিয়ে যায়। পরে তারা ৯৮ হজার ৭৮৮ টাকার বিদ্যুৎ বিল বিদ্যালয়ে পাঠায়।এত বিপুল পরিমাণ টাকার বিল সঠিক মনে না হওয়ায় এরপর তিনি বিল সংশোধনের জন্য বিদ্যুৎ দফতরে লিখিত আবেদন করেন।কিন্তু সেই আবেদন গ্রাহ্য না করে উল্টে বিদ্যুৎ দফতরের কোন নোটিশ না দিয়েই ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর লোকজন পাঠিয়ে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।এদিকে বিদ্যুৎ না থাকার তার কারণে এখন বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন চালু রাখা নিয়ে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা।পড়ুয়ারা জানিয়েছে, বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ না থাকায় তাঁরা কম্পিউটার ক্লাস করতে পারছে না।পাম্প চালাতে পারা না যাওয়ায় স্কুলে পানীয় জলও পাওয়া যাচ্ছে না।এমনকি জলের অভাবে সাফাই কাজ বন্ধ থাকায় স্কুলের শৌচাগার ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে গিয়েছে।মিড ডে মিল রান্না করার জন্য দূর থেকে জল আনাতে হচ্ছে। এছাড়াও পড়ুয়াডের সরকারী সূযোগ সুবিধা পাবার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষে অনলাইনে যে যে বিষয়ে আবেদন করতে হয় সেই কাজও করতে পারা যাচ্ছেন না বলে পড়ুয়ারা অভিযোগ করেছে।বিদ্যুৎ বিল সঠিক মনে না হওয়ার কারণ নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ মইদুল হক বলেন, বিদ্যালয়ে থাকা সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট থেকে কতটা বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় তার হিসাব নেট মিটার যন্ত্রে দেখা যায়।উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিদ্যালয় তার প্রয়োজন মত ব্যবহার করার পর বাকি সবটা বিদ্যুৎ দফতর নিয়ে নেয়।অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর ধরে বিদ্যালয় বন্ধ ছিল।তাহলে আমাদের বিদ্যালয় বিদ্যুৎ খরচ করলো কোথায়! প্রধান শিক্ষক এও দাবি করেন, অতিমারির কারণে তাঁদের বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সময়ে উৎপাদিত সমস্ত সৌরবিদ্যুৎ বিদ্যুৎ দফতরই গ্রহন করেছে।কিন্তু বিলে বিদ্যুৎ দফতর কতটা সৌরবিদ্যুৎ গ্রহন করেছে আর বিদ্যালয় কতটা বিদ্যুৎ খরচ করেছে তার কোন হিসাবও দেওয়া হয় নি। নেট মিটারে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎতের যে হিসাব ধরা পড়েছে তার সবটাই একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবহার করেছে দেখিয়ে মনগড়া বিল তৈরিকরে বিদ্যুৎ দফতর বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক দাবি করেন।প্রধান শিক্ষক আরও জানান, ওই বিল পাওয়ার পর তিনি সৌরবিদ্যুৎ বিভাগের (ডাব্লুবিআরইডিএ) সুপারেনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিয়ার পিসি রাউতকে বিস্তারিত জানান। উনি সবকিছু খতিয়ে দেখে জানান, নেট মিটার রিডিং ফলো করে ডাব্লু বি এ সি ডি সি এল বিল পাঠিয়েছে ঠিকই। কিন্তু সিস্টেম মেনে ওই বিলে উৎপাদিত সৌর বিদ্যুৎতের পরিমাণ ও স্কুল কতটা বিদ্যুৎ ব্যায় করেছে তার হিসাব আলাদা করা হয়নি। তার কারণেই এই সমস্যা তেরি হয়েছে।প্রধান শিক্ষক বলেন,সুপারেনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিয়ার তাঁকে জানিয়েছেন, এমন সমস্যা শুধু একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই তৈরি হয় নি। রায়না ও ভাতার এলাকার আরও তিনটি বিদ্যালয় সহ রাজ্যের ১৪ টি বিদ্যালয়ে এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে ।এই বিষয়ে যদিও বিদ্যুৎ দফতরের রায়নার সেহারাবাজারের স্টেশন ম্যানেজার জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যকে কোনকিছু জানাতে অস্বীকার করেন।তবে রায়না ২ ব্লকের বিডিও অনিষা যশ জানিয়েছেন, উদ্ভুত সমস্যার সমাধানে আগামী মঙ্গলবার তিনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ,বিদ্যুৎ দফতর ও পঞ্চায়েত সমিতির কার্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগে একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয় যাতে বিদ্যুৎ সংযোগ পায় সেই ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়ির মেয়র হবেন গৌতম দেব

এই প্রথম বার শিলিগুড়ি পুরনিগমে বোর্ড গঠন করবে তৃণমূল। সোমবার সকালে ভোটগণনা শুরুর কিছু ক্ষণের মধ্যেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়। সেই আবহেই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন শিলিগুড়ির মেয়র হবেন গৌতম দেব।ঘটনাচক্রে সোমবারই তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মমতা। ওই সফর শুরু হবে শিলিগুড়ি দিয়ে। মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের দিনেই প্রথম বার শিলিগুড়ির ভার পেল তৃণমূল, ফলে শাসক শিবিরে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস। খুশি মমতাও। তিনি বলেন, আমি খুশি। শিলিগুড়িতে জয়ের খবর নিয়ে যাচ্ছি। এটা আমার কাছে বড় ব্যাপার। গৌতম দেব মেয়র হবে শিলিগুড়ির। কারণ ও প্রবীণ নেতা। অন্য জায়গাগুলিতে দল সিদ্ধান্ত নেবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, শিলিগুড়িতে আজ কত উন্নয়ন হচ্ছে। শিলিগুড়ি থেকে ভুটান, নেপাল, বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ হয়। সেখানে রাস্তা, ফ্লাইওভার, ভোরের আলো এমন সব নানা প্রকল্প আমরা নিয়েছি।শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জিতেছেন গৌতম। জয়ের পর তিনি বলেন, শিলিগুড়ির মানুষের হয়ে আজ আমরা দিদিকে অর্ঘ্য নিবেদন করব। এই জয় শিলিগুড়ির মানুষকে উৎসর্গ করছি।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

৩ দিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনদিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে সোমবার বিকেলে তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন। রাতে শিলিগুড়িতে থাকবেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার কোচবিহার যাবেন। সেখানে সার্কিট হাইসে থাকবেন তিনি। বুধবার গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।অনন্ত মহারাজের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বলে জানা গিয়েছে। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের বানেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় বীর চিলা রায়ের ৫১২তম জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা। এরপর কোচবিহার শহর সংলগ্ন শিবযজ্ঞ মন্দিরে তাঁর যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

শতাধিক কচ্ছপসহ বর্ধমান স্টেশন থেকে গ্রেফতার ভিন রাজ্যের দুই মহিলা

কচ্ছপ পাচার করতে গিয়ে রেল পুলিশের হাতে ধরা পড়ল ভিন রাজ্যের দুই মহিলা। রবিবার সকালে বর্ধমান স্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি ও আরপিএফ আলাদা আলাদা ভাবে অভিযানে নেমে কচ্ছপ উদ্ধার করে।কচ্ছপ পাচারের ঘটনার জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে দুই মহিলা। ধৃতদের নাম পান্নি ও সিমা। তাঁদের বাড়ি উত্তরপ্রদেশের পাকড়ী থানার সুলতানপুরে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে এদিনই ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতো পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আরপিএফের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সকালে আরপিএফ বর্ধমান স্টেশনে রুটিন তল্লাশি চালানোর সময় ডাউন হাওড়া-চম্বল এক্সপ্রেসের এস-১ কম্পার্টমেন্টে দুটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে। সন্দেহ হওয়ায় আরপিএফ দুটি ব্যাগ উদ্ধার করে। ব্যাগগুলির মুখ খোলা হলে তার ভিতর থেকে উদ্ধার হয় ৩৯ টি কচ্ছপ।অন্যদিকে এদিন সকালে জিআরপি বর্ধমান স্টেশনে স্পেশাল চেকিং চালানোর সময় ৪ ও ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের হাওড়ার দিকে দুটি থলি ও পিটব্যাগ নিয়ে থাকা দুই মহিলাকে দেখে। সন্দেহ হওয়ায় জিআরপি ওই মহিলাদের কাছে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিতে ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় ৭২টি কচ্ছপ। কচ্ছপ পাচারের অভিযোগে জিআরপি দুই মহিলাকে গ্রেপ্তার করে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

মাছ নয়, দিঘির জল থেকে উদ্ধার হল আস্ত একখানি মোটরবাইক

মাছ নয়, দিঘির জল থেকে উদ্ধার হল আস্ত একখানি মোটরবাইক। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লকের আমরাল দিঘী এলাকায়। দীঘিতে মাছ ধরার জন্য জাল টানা হলে দিঘির জলে কোথাও একটা জায়গায় বারবার জাল আটকে যেত। শনিবার ফের জাল নামানোর আগে দিঘির চাষিরা নিজেরা জলের তলায় সেই জায়গাটিতে নেমে দেখেন কেন বারবার এই জায়গায় জাল আটকে যায়। তারপর তারা দেখেন কোন একটা ভারী বস্তু জলের তলায় পড়ে রয়েছে। চাষীরা সেই বস্তুটি সঙ্গে রসার দড়ি বেঁধে জলের তলা থেকে দিঘির পারে টেনে তোলে দেখেন আস্ত একটি মোটর বাইক জলের তলায় পড়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে চাষিরা খণ্ডঘোষ থানায় খবর দেন, খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ মোটরবাইকটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। তবে কিভাবে জলের তলায় মোটরবাইক এল, কেনই বা এল, সেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ।লকাই ঘোষ বলেন, মোটর বাইকটি কেন দিঘীর জলে ফেলে দিল তা নিয়ে রহস্য উন্মোচন হওয়া দরকার। স্থানীয় বাসিন্দা কৌশিক ঘোষ বলেন, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এখন দেখার বিষয় বাইকটি কার নামে আছে।তবে গ্রামের বাসিন্দাদের ধারণা এটা চোরাই বাইক।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

আসানসোলে বুথের সামনে পর পর গুলি

চার পুরনিগমে ভোটগ্রহণ চলাকালীন তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল আসানসোলের জামুড়িয়ায়। শনিবার জামুড়িয়ার শ্রীপুর হাইস্কুলের সামনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা একের পর এক বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় বলে দাবি সিপিএমের। তৃণমূলের পালটা দাবি, গুলি নয়, বাজি ফাটানোর শব্দ পাওয়া গিয়েছে।সিপিএমের অভিযোগ, শনিবার সকাল থেকেই জামুড়িয়ার ১১২ ও ১১৪ নম্বর বুথ দখলের চেষ্টা চালাচ্ছিল তৃণমূল। প্রতিরোধ গড়ে তোলেন স্থানীয়রা। বেলা বাড়তে বেশ কয়েকটি গাড়িতে করে দুষ্কৃতীদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসেন তৃণমূল প্রার্থী। দুষ্কৃতীদের হাতে ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। সিপিএম প্রার্থী দয়াময় বাউড়িকে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বুথ থেকে বার করে দেয় তারা। এর পর সশস্ত্র অবস্থায় বুথ ঘিরে রেখে শূন্যে গুলি চালাতে থাকে তারা। ওদিকে বুথের ভিতরে চলে দেদার ছাপ্পা। গোটা ঘটনার ফেসবুক লাইভ করেন আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থীর মেয়ে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

চার পুরনিগমে শুরু ভোটগ্রহণ

চার জেলার চার পুরনিগমে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি পুরনিগম , হুগলি জেলার চন্দননগর পুরনিগম , উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর পুরনিগম ও পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল পুরনিগমে ভোট। সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামী সোমবার ভোটের ফল ঘোষণা। প্রথমে ২২ জানুয়ারি এই চার পুরনিগমে ভোট হওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবারের ভোটে চার পুরনিগমের জন্য ৯ হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে সাড়ে আট হাজার থাকছে বুথের দায়িত্বে। বাকি ৫০০ বাহিনী থাকছে কুইক রেসপন্স টিম, নাকা চেকিং ইত্যাদির জন্য। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে চার পুরনিগমের নির্বাচনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী থাকবে, থাকবে লাঠিধারীও। সমস্ত পুলিশ কমিশনারেটই প্রস্তুত রয়েছে এদিনের ভোট শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করতে। ১০০ শতাংশ বুথেই থাকছে সিসিটিভি।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

বাড়িতে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী প্যারোলে মুক্তি পাওয়া বন্দি

কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন প্যারোলে মুক্তি পাওয়া এক বন্দি। মৃতর নাম উদয় মালিক (৪০)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার শ্যামসুন্দরে। বৃহস্পতিবার সকালে উদয় মালিক নিজের বাড়িতেই কীটনাশক খেয়ে নেন। আশঙ্কাজনক অবস্থা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিন রাতে সেখানেই তিনি মারা যান। এই ঘটনা জানার পরেই নড়েচড় বসেছে প্রশাসন ও সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,প্যারোলে মুক্ত থাকা বন্দির মৃতদেহের এদিন ময়নাতদন্ত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তও শুরু করেছে। পাশাপাশি বর্ধমানের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার জন্য ষষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দিয়েছেন।প্যারোলে মুক্তি পাওয়া বন্দির আত্মঘাতী হওয়ার বিষয়টি সম্বন্ধে রাজ্য ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। তা ছাড়াও সংশোনাগার কর্তৃপক্ষ কারাদফতরের উচ্চ মহলেও বিষয়টি জানিয়েছে। বর্ধমান থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের লালগোলা সংশোধনাগারে ছিলেন উদয় মালিক। কোভিড পরিস্থিতির জন্য তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

কালনায় প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল নিয়ে মামলার প্রস্তুতি শুরু সিপিএমের

পরপর দুবার সিপিএমের প্রার্থী হয়ে পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। এবারও সিপিএম পূর্ব বর্ধমানের কালনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করেছিল মণিপ্রভা ভাদুড়িকে। কিন্তু কালনা পৌরভার অস্থায়ী কর্মী হয়ে তাঁর ভেটে লড়াটা মেনে নেননি প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী। তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে কালনার মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানান। তার কারণে রাজ্য নির্বাচন কমিশন বৃহষ্পতিবার স্ক্রুটিনির দিনে সিপিএম প্রার্থী মণিপ্রভাদেবীর মনোনয়ন বাতিল করে দেয়। পৌরসভার একই কাজে যুক্ত থেকে ইতিপূর্বে দুবার ভেটে লড়ে কাউন্সিলার হওয়া মণিপ্রভাদেবীর মনোনয়ন এবার কমিশন বাতিল করায় বেজায় চটেছে সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁরা বিয়টি নিয়ে আদালের দ্বারস্থ হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিপিএমের হয়ে মণিপ্রভা ভাদুড়ী মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী কালনা মহকুমা শাসকের দফতরে অভিযোগ জানান। তার অভিযোগ, মণিপ্রভা ভাদুড়ী কালনা পৌরসভার বেতনভুক স্বাস্থ্যকর্মী। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বৃহস্পতিবার স্কুটিনির দিনে সিপিএম প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। পৌরসভা থেকে তিনি বেতন পান।সেই তথ্য মহকুমা শাসকের দফতরে তিনি দাখিল করে মণিপ্রভাদেবীর প্রার্থী হওয়ার বিষয়টিকে তিনি চ্যালেঞ্জ করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে পৌর নির্বাচন বিধি মেনে কমিশন যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়েছে। যদিও তৃণমূল প্রার্থীর আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে সিপিএম প্রার্থী মণিপ্রভা ভাদুড়ি বলেন, আসলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে চান। তাই তিনি এমন অভিযোগ করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে। মণিপ্রবাদেবী দাবি করেন, তিনি পৌরসভার স্বাস্থ্য কর্মী নন। তাই পৌরসভা থেকে বেতন পান না। তিনি একটি সংস্থার অধীনস্ত স্বাস্থ্যকর্মী। ওই সংস্থা থেকে তিনি বেতন পান। মণিপ্রভাদেবী বলেন, ভোটে লড়ে জিততে পারবেন না বলে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। আর সেটাকেই মান্যতা দিয়ে তাঁর মনোনয়ন কমিশন বাতিল করে দিয়েছে।এই বিষয়ে সিপিএমের পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক সৈয়দ হোসেন বলেন, আমরা আইনের পথে যাব। তার প্রস্তুতিও শুরে করে দেওয়া হয়েছে। কারণ একই কাজ করেও এর আগেও দুবার মণিপ্রভা ভাদুড়ী কাউন্সিলর ছিলেন। তাহলে এখন হঠাৎ করে আইনের কি পরিবর্তন হল? যদি পরিবর্তন হয়েও থাকে তাহলে তা সর্বদলীয় বৈঠকে প্রশাসন জানালো না কেন? যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, আইন তো সবার জন্য সমান। সিপিএম প্রার্থীর জন্য তো আলাদা আইন হতে পারে না। এদিকে মণিপ্রভাদেবীর মনোনয়ন বাতিল করা নিয়ে সিপিএমের নেতারা যখন সোচ্চার তখন পৌরভোট নিয়ে কি কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তা এদিন জানিয়ে দিল জেলা প্রশাসন। এদিন সর্বদলীয় বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে জেলাশাসক প্রিয়ংকা সিংলা বলেন, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, মেমারি ও গুসকরা পৌরসভার নির্বাচন হবে। ভোটে এই ছটি পুরসভার প্রতিটি বুথে সিসি ক্যামেরা থাকবে। সিসি ক্যামেরা ছাড়াও প্রতিটি বুথে থাকবে দুজন করে সশস্ত্র পুলিশ।এছাড়াও প্রতিটি পৌরসভার জন্য একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। জেলার জন্যেও বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আরও জানানো হয়েছে, ছটি পৌরসভার ১১৯টি ওয়ার্ডে ৪ লক্ষ ৬২হাজার ৮৪৮ জন ভোটার রয়েছেন। ২৪১টি চত্বরে ৫৭১টি বুথে ভোট নেওয়া হবে। সব ভোটার যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেই বিষয়টি সুনিশ্চিৎ করার জন্য এদিন সর্বদলীয় বৈঠকে জেলশাসক আবেদন রাখেন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় কাল চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ

কলকাতা পুরসভার ভোট পর্ব মিটেছে নির্বিঘ্নেই। দ্বিতীয় দফায় শনিবার রাজ্যের চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ। আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর ও চন্দননগরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে । ভোটের অনেক আগে থেকেই চলছে নাকা চেকিং এবং রুট মার্চ । বিশেষ করে, বিধাননগরে প্রতিটি প্রবেশ পথে চলছে কড়া নাকা চেকিং । প্রতিটি গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে ।এই পর্যায়ের ভোটে প্রতিটি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।৪ পুর নিগমে মোট ওয়ার্ড ২১৭টি । সবচেয়ে বেশি ওয়ার্ড রয়েছে আসানসোলে, ১০৬ টি। এছাড়াও শিলিগুড়িতে ৪৭, বিধাননগরে ৪১, এবং চন্দননগরে ৩৩টি। ৪ পুরনিগমে মোট ভোটার ১৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৬২ জন।প্রত্যেক পুরনিগমের জন্য ৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং ১জন বিশেষ পর্যবেক্ষক থাকছেন বলে কমিশন সূত্রে খবর। নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি বুথের ভিতরে এবং বাইরে চলবে সিসিটিভির নজরদারি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, চার পুরনিগমের ভোটের জন্য ৯ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। ভোট কেন্দ্রে থাকবে ৮ হাজার ৫০০ পুলিশ। বাকি ৫০০ পুলিশকর্মীকে নাকা চেকিং-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। কমিশন জানিয়েছে, সশস্ত্র পুলিশ থাকছে ৫ হাজার ৫৫৭ জন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই সশস্ত্র প্রহরী এবং লাঠিধারী কনস্টেবল থাকবেন। ৪ পুরসভার ২০৭৮টি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে কমিশন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা হাওড়াগামী সুপারফাস্ট ট্রেনের, প্রশংসিত গেটম্যান

চলন্ত ট্রেনের যাত্রী কামরার নীচে দাউদাউ করে জ্বলছিল আগুন। তা দেখে ট্রেনের গার্ড সহ স্টেশন কর্তৃক্ষকে সতর্ক করেন গেটম্যান। আর গেট ম্যানের এই তৎপরতার জেরেই শুক্রবার বড়সড় অঘটনের হাত থেকে রক্ষা পেলেন ডাউন শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসের যাত্রীরা।হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার ডাউন লাইন ধরে এদিন দুপুরে শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস হাওড়া যাচ্ছিল। পথে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানা এলাকার মসাগ্রাম স্টেশন পেরিয়ে ট্রেনটি এগিয়ে যেতে থাকে। ওই সময়ে মসাগ্রাম লেভেল ক্রশিংয়ে থাকা গেটম্যান সৌমেন সাঁতরা শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসের চালকের ইঞ্জিনের পরের যাত্রী কামরার নিচে আগুন জ্বলতে দেখেন। আগুন দেখেই গেটম্যান তৎক্ষণাৎ খবর দেন স্টেশন ম্যানেজারকে। এই খবর পাওয়ার পর এক মুহুর্ত আর দেরি না করে স্টেশন ম্যানেজার ট্রেনের চালককে সতর্ক করেন। তৎতক্ষণাৎ শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস ট্রেনের চালক ট্রেনটি রেলগেটের অদূরে দাঁড় করিয়ে দেন।আগুন লাগার খবর জানতে পেরে ট্রেন যাত্রীদের কামরা ছেড়ে লাইনে নেমে পড়ে। নিমিষে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। যদিও চালক ও রেল কর্মীদের তৎপরতায় আগুন ভয়াবহ রুপ নিতে পারেনি। মসাগ্রাম স্টেশন ম্যানেজার এ কে বালা জানিয়েছেন, এদিন দুপুর ২টা ৪০ মিনিট নাগাদ ডাউন ২৩৩৮ শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস মসাগ্রাম স্টেশন পার হয়।ট্রেনটি মসাগ্রাম লেবেল ক্রসিং পার হয়ে যাওয়ার সময় গেটম্যান সৌমেন সাঁতরা ট্রেনটির ইঞ্জিনের পরের যাত্রী কামরার নিচে আগুন জ্বলতে দেখেন। তা দেখেই গেটম্যান তাঁকে ঘটনার কথা জানায়। তৎক্ষণাৎ তিনি বিষয়টি ট্রেনের চালককে জানান। চালক মসাগ্রাম রেল গেটের অদূরে ট্রেন দাঁড় করিয়ে দিয়েই ইঞ্জিনে থাকা ফায়ার এক্সটিংগুইশার বের করে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। একে বালা আরও জানান, এর খানিক পরেই তিনি ও অন্য রেল কর্মীরা মিলে দুটি ফায়ার এক্সটিংগুইশার সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সবাই মিলে ফায়ার এক্সটিংগুইশার দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় রেল আধিকারিকদের পাশাপাশি রেল যাত্রীদেরও দুশ্চিন্তা কাটে। ঘটনার পর থেকে প্রায় এক ঘন্টা পর ৩ টে ১৩ মিনিট নাগাদ ডাউন শান্তি নিকেতন এক্সপ্রেস মসাগ্রাম থেকে হাওড়ার উদ্দেশ্যে ফের রওনা দেয় বলে স্টেশন ম্যানেজার জানিয়েছেন। আগুন লাগার কারণ প্রসঙ্গে স্টেশন ম্যাণেজার বলেন,হাইড্রোলিকের গা ঘেঁষে থাকা ট্রেনের চাকার ব্রেক জ্যাম হয়ে যাবার কারণে আগুন ধরে গিয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে এই বিষয়ে রেলের মেকানিকরা সঠিক কারণ জানাতে পারবে। স্টেশান ম্যাণেজার এও বলেন, আগুন নেভার পর বোঝা গিয়েছ ট্রেনটি নিরাপদেই হাওড়া যেতে পারবে। বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হওয়ার জন্য স্টেন কর্তৃপক্ষ গেটম্যান সৌরভ সঁতরার প্রশংসা করেছেন।গেটম্যান সৌরভ সাঁতরা বলেন, ডাউন শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস ট্রেনটি লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময়েই ইঞ্জিনের পিছনের বগির নীচে আগুন জ্বলতে দেখে ট্রেনটির গার্ডকে লাল পতাকা দেখান। পাশাপাশি স্টেশন ম্যানেজারকেও খবর দেন। চালক রেল গেট পার করেই ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেন। এরপর চালক সহ রেল কর্মীদের সবার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হওয়ায় বড় কোন অঘটন ঘটেনি। ট্রেনের যাত্রীরা একই ট্রেনে চড়ে নিরাপদেই গন্তব্যের উদ্দেশ্য রওনা হতে পেরেছেন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য পুলিশ দিয়েই চার পুরভোট, সিদ্ধান্ত কমিশনের

রাজ্য পুলিশ দিয়েই হবে ১২ ফেব্রুয়ারির চার পুরভোট। সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিজেপি-র মামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট জানতে চেয়েছিল বিধাননগর পুরভোট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করার বিষয়ে কী ভাবছে কমিশন। আদালতে কমিশন জানিয়ে দেয় এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা নিয়ে ফেলেছে। কমিশন সূত্রে খবর, বিধাননগর, শিলিগুড়ি, চন্দননগর এবং আসানসোল পুরভোট রাজ্য পুলিশের তত্ত্বাবধানেই করানো হবে।রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোট যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে হয় সে দিকে তারা বিশেষ নজর রাখবে। তবে বিরোধীদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি কার্যত নাকচ করে দিয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে, চার পুরভোটে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে থাকছে কমান্ডো, ইএফআর, এসটিএফ। তা ছাড়া শুক্রবার থেকে স্পর্শকাতর এলাকা ঘুরে দেখবে সিআইডি ও আইবি। ১২ ফেব্রুয়ারি চার পুরসভার ভোটের জন্য আলাদা করে এক জন আইজি অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবে রাজ্য পুলিশ। এ ছাড়া নিযুক্ত হচ্ছেন একজন আইএএস পদমর্যাদার বিশেষ পর্যবেক্ষক।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

বাসে চালকলের মালিকের ব্যাগ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা গায়েব, গ্রেফতার দুই মহিলা

যাত্রী সেজে বাসে উঠে এক চালকল মালিকের হাতে থাকা ব্যাগ থেকে দুই লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়ে পগারপাড় হয়ে যায় দুই মহিলা। তবে অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশের তৎপরতায় বুধবার রাতে ধরা পড়ে যায় কেপমারি চক্রের দুই মহিলা আয়েষা রায় ও এসবেরিয়া বেদি। তবে অবশ্য কেপমারি হওয়া চালকল মালিকের লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার হয়নি। এই ঘটনা যথেষ্টই শোরগোল ফেলে দিয়েছে ভাতারের ব্যবসায়ী মহলে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বছর ত্রিশ বয়সী আয়েষা রায় ও এসবেরিয়া বেদির বাড়ি বীরভূম জেলার আমোদপুর থানার সাহানিপুরে। কেপমারিতে জড়িত থাকার কথা ধৃতরা কবুল করেছে বলে পুলিশের দাবি। কেপমারি হওয়া টাকা উদ্ধার ও চক্রের চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে। বৃহস্পতিবার দুই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়।বিচারক ধৃতদের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, টাকা খোয়ানো চালকল মালিক অরূপ ভট্টাচার্যের বাড়ি জেলার রায়না থানার সেহারাবাজারে। ভাতারের নর্জায় তাঁর একটি চালকল রয়েছে। লিখিত অভিযোগে বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ভাতার থানায় জানান,অন্য ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে পাওনা টাকা আনতে ওইদিন দুপুরে তিনি বর্ধমান শহরে গিয়েছিলেন। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোট ২ লক্ষ ৪১ হাজার ২৩০ টাকা সেদিন সংগ্রহ করেন। একটি হাত ব্যাগে সেই টাকা ভরে নিয়ে তিনি বাসে চেপে মিলে ফিরছিলেন। বাসটি দেওয়ানদিঘি স্টপেজে দাঁড়াতেই কয়েকজন মহিলা শিশুসন্তান কোলে ওই বাসে ওঠে। মহিলারা তাঁর গা ঘেঁষে দাঁড়ায়। বাস ভিড়ে ঠাসা থাকার কারনে তিনি অন্যত্র সরতে পারেননি। ফলে গাদাগাদি সহ্য করেই বাসে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন। অরুপবাবু জানান, খানিক বাদে ওই মহিলা দলটি মাঝ রাস্তায় বাস থেকে নেমে পড়ে। ভিড় একটু খালি হতেই তিনি দেখেন তাঁর হাত ব্যাগের নিচের দিকের কিছুটা অংশ ধারালো কিছু দিয়ে কাটা। ব্যাগে যে টাকা রেখেছিলেন সেই টাকা আর ব্যাগে নেই। কেপমারির শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে অরূপবাবু নর্জায় আর না নেমে সোজা ভাতার থানায় চলে আসেন। থানার পুলিশ কর্তাদের কাছে তিনি সমস্ত ঘটনার কথা খুলে বলে অভিযোগ দায়ের করেন।চালকল মালিকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই ভাতার থানার পুলিশ নড়েচড়ে বসে। দেওয়ানদিঘির মুখে বর্ধমান-কাটোয়া রাজ্য সড়কে পুলিশ অভিযানে নামে। তখনই কর্জনার কাছে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় আয়েষা রায় নামে এক মহিলা। তাঁকে জেরা করে পুলিশ বীরভূমের আমাদপুরের এসবেরিয়া বেদির নাম জানতে পারে। রাতে পুলিশ আমাদপুর থেকে এসবেরিয়াকেও পাকড়াও করে। এরপর দুই মহিলাকে একসঙ্গে থানায় বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ভাতার থানার পুলিশ অফিসাররা। জেরায় ধৃতরা পুলিশকে জানায়, বেশ কিছু দিন ধরে তারা অরূপ ভট্টাচার্যের গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। এরপর তারা বুধবার পরিকল্পনা মাফিক স্বদলবলে বাস উঠে অপারেশন চালিয়ে চালকল মালিকের ব্যাগ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে পুরভোটের মুখে কেতুগ্রামে বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণ-গ্রেফতার তিন

ক্লাবঘরে বসে বোমা বাঁধার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় আহত হল এক দুস্কৃতী। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম-১ ব্লকের আনকোনা পঞ্চায়েতের ইছাপুর গ্রামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। তারা ঘটনাস্থল থেকে ১১ টি তাজা বোমা ও বেশ কিছু পরিমাণ বোমা তৈরির মশলা উদ্ধার করে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আহত একজন সহ মোট ৩ দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করে। এদিকে পুরভোটের সময়ে ঘটনা ক্লাবঘরে বসে বোমা তৈরির ঘটনা সামনে আসতেই বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর।পুলিশ জানিয়েছে, বোমা কাণ্ডে ধৃতদের নাম বিকাশ ঘোষ, অপূর্ব পাল ও উৎপল দাস। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি কেতুগ্রাম থানার ইছাপুর ও মহুলা গ্রামে। উৎপল মুর্শিদাবাদের সালার থানার মাখালতোড় উত্তর মাঝিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এলাকা সৃত্রে খবর, বোমা বিস্ফোরণে বিকাশ ঘোষের একটি হাতের তালু কার্যত উড়ে যায়। সঙ্গীসাথীরা তাঁকে লুকিয়ে স্থানীয় এক হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করায়। তারই মধ্যে এই খবর পৌছে যায় কেতুগ্রাম থানায়। পুলিশ তিন জনকেই ধরে ফেলে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বৃহস্পতিবার তিন ধৃতদের কাটোয়া মহকুমা এসিজেএম আদালতে পেশ করে। বিচারক ধৃতদের ১৪ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্ধার হওয়া বোমা এদিন নিস্কৃয় করে বোম স্কোয়াড। ঘটনার বিষয়ে কেতুগ্রামের তৃণমূলের বিধায়ক শেখ শাহনেওয়াজ দাবি করেছেন, ওই ক্লাবটি বিজেপি আশ্রিত দুস্কৃতিদের দ্বারা পরিচালিত হয়। অশান্তি পাকানোর জন্য বিধানসভা ভোটের আগে ওই ক্লাবঘরে বোমা মজুত করেছিল বিজেপির দুস্কৃতিরা। বিষয়টি জানতে পেরে তখন তিনি পুলিশকেও জানিয়ে ছিলেন। বাস্তবেই যে ওই ক্লাব ঘরে বসে বিজেপির দুস্কৃতিরা বোমা বাঁধে তা এবার প্রমাণ হয়ে গেল। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যের বিরোধিতা করে কেতুগ্রামের বিজেপি নেতা অনিল দত্ত বলেন, ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই । তৃণমূলের চক্রান্তেই এই ঘটনা ঘটেছে ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

বিষক্রিয়ায় মর্মান্তিক পরিণতি একই পরিবারের দুই শিশুর, হাসপাতালে ভর্তি ওই আরও চার

অজানা বিষক্রিয়ার ফলে মৃত্যু হল একই পরিবারের দুই শিশু সন্তানের। মৃতরা হল শুভঙ্কর ঘোষ (১২) ও রাহুল ঘোষ(৯)। তারা সম্পর্কে দুই ভাই। অসু্স্থ হয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন পরিবারের আরও চার সদস্য। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে শহর বর্ধমানের রথতলা এলাকায়। ঘটনা নিয়ে এলাকায় জনমানসে ব্যাপক চাঞ্চল্যও চড়িয়ে পড়েছে। প্রকৃত কি কারণে দুই শিশুর মৃত্যু হল তার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহর বর্ধমানের রথতলা এলাকায় বাড়ি মৃত শিশুদের পরিবারের। খাবারে বিষক্রিয়ার অসুস্থ হয়ে পড়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে মৃত দুই শিশুর বাবা রবি ঘোষ, দিদি শর্মিলা ঘোষ, ঠাকুরমা সন্ধ্যা ঘোষ ও পিসি শমিষ্ঠা ঘোষ। রবি ঘোষ বর্ধমান সিএমওএইচ অফিসের গাড়ির চালক। এদিন হাসপাতালের বেডে শুয়েই বাবা রবি ঘোষ বলেন, মঙ্গলবার রাতে তাঁদের বাড়িতে মাংস রান্না হয়। মাংস খাওয়ার পর থেকেই একে একে তাঁদের পরিবার সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বুধবার সবার চিকিৎসা হলেও বৃহস্পতিবার ভোর থেকে পরিবারের সবার অসুস্থতা বাড়ে। তাই সবাই এদিন সকালে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই পরিবারের দুই শিশু সন্তান শুভঙ্কর ও রাহুলের মৃত্যু হয়। মৃত শিশুদের দিদিমা আভা চন্দ্র বলেন, বাড়িতে ইঁদুরের উপদ্রব বাড়ায় ইঁদুর মারার বিষ দেওয়া হয়েছিল। আভাদেবীর অনুমান ইঁদুর মারার ওই বিষ কোনভাবে বাড়িতে রান্না হওয়া খাবারে মিশে যাওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে গেল। তার জেরে অকালে প্রাণ গেল তাঁর দুই নাতির। মৃতদের প্রতিবশী সৌরভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, অসুস্থ হয়ে পড়া ঘোষ পরবারের সদস্যদের তাঁরাই এদিন সকালে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু ওই পরিবারের দুই শিশু সন্তান মারা যাবে এটা তাঁরা কেউ কল্পনাও করতে পারেন নি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার তপস ঘোষ জানিয়েছেন, অজানা বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কি থেকে বিষক্রিয়া তা জানার জন্য এদিনই দুই শিশুর মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে আসলেই কি থেকে বিষক্রিয়া তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

মদ্যপ যুবকদের বেধরক পিটুনিতে মৃত্যু প্রতিবাদী যুবকের, ধৃতদের ফাঁসির দাবিতে ফুঁসছে কাটোয়া

চিকিৎসকরা প্রতিবাদী যুবককে প্রাণে বাঁচানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হল না। টানা পাঁচ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলেই ঢলে পড়লেন মদ্যপ যুবকদলের মারধরে গুরুতর জখম হওয়া পার্থপ্রতিম ঘোষ(৩৩)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া শহরের নন্দলাল বসু রোডে। সরস্বতী পুজোর রাতে মদ্যপ যুবকের দল এলাকায় তাণ্ডব শুরু করলে পার্থপ্রতিম তার প্রতিবাদ করে রুখে দাঁড়ায়। তার কারণে ওই মদ্যপ যুবকরা লাঠি-সোঁটা নিয়ে পার্থপ্রতিমের উপর চড়াও হয়ে তাঁকে ব্যাপক মারধর করে। মাথায় গুরুতর চোট নিয়ে সেই দিন থেকে পার্থপ্রতিম বর্ধমানের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এই খবর এদিন ছড়িয়ে পড়তেই কাটোয়া শহরজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পার্থপ্রতিমকে মারধোরের ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তদের সকলের ফাঁসির দাবিতে সরব হয়েছে কাটোয়াবাসী । কাটোয়া শহরের নন্দলাল বসু রোডের বাসিন্দারা এদিন জানান, পার্থপ্রতিম কাটোয়া পুরসভায় অস্থায়ী কর্মী ছিলেন। বছর ছয়েক আগে তাঁর বিয়ে হয়। বাড়িতে রয়েছেন পার্থপ্রতিমের বাবা, মা, স্ত্রী ও পাঁচ বছরের একটি পুত্রসন্তান। ক্রিকেট খেলাতেও পার্থপ্রতিম যথেষ্ট পারদর্শী ছিল। অত্যন্ত ভদ্র সভ্য এই যুবক কোথাও কোন অন্যায় দেখলেই রুখে দাঁড়াতন। সেই প্রতিবাদী যুবককে মদ্যপ যুবকের দল হত্যা করায় ক্ষোভে ফুঁষছেন কাটোয়াবাসী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সরস্বতী পুজোর রাতে ১০-১২ জনের মদ্যপ যুবকের একটি দল এলাকার দোকান ঘরের শাটার ও গৃহস্থের বাড়ির গেট ভাঙচুর করা শুরু করে। তা দেখে প্রতিবাদ না করে থাকতে পারেননি পার্থপ্রতিম। সে তাঁর দুই প্রতিবেশী বন্ধু অপরূপ চট্টোপাধ্যায় ও সঞ্জয় সিংকে সঙ্গে নিয়ে মদ্যপ যুবকদের তাণ্ডবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। ওই সময় মদ্যপ যুবকরা লাঠি-সোঁটা, ইঁট-পাটকেল নিয়ে পার্থপ্রতিম ও তার বন্ধুদের উপর হামলা চালানো শুরু করে। তখন প্রাণ বাঁচাতে দুই বন্ধু লুকিয়ে পড়লে মদপরা পার্থপ্রতিমকে একা পেয়ে তাঁকে ধরে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করে। মাথায় গুরুতর আঘাত লাগায় পার্থপ্রতিম ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। তখনও রেহাই মেলেনি। হামলাকারীদের একজন সরস্বতী পূজো মণ্ডপে সাজিয়ে রাখা একটি ভারি ফুলের টব তুলে এনে সজোরে পার্থপ্রতিমের মাথায় মারে। মাথা ফেটে ফিনকি দিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। পার্থপ্রতিম জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, মরে গেছে ভেবে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। অপরূপ ও সঞ্জয় এরপর চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে স্থানীরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পার্থপ্রতিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে।এই ঘটনা নিয়ে দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ স্থানীয় ছোট্ট চন্দ্র, বাবু রায়, হুলু পণ্ডিত, সোমনাথ থাণ্ডার, মানিক পণ্ডিত সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করে। দুদফায় কাটোয়া থানার পুলিশ ১২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। এখন জেল হেফাজতে থাকা ওই সকল ধৃতের বুরুদ্ধে খুনের ধারা সংযুক্ত করে তাদের ফাঁসির শাস্তির ব্যবস্থা করার দাবি করেছেন মৃতর পরিজন ও কাটোয়া শহরের বাসিন্দারা।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

গোরু পাচারকাণ্ডে অনুব্রতকেও তলব সিবিআইয়ের

ফের সিবিআই তলব বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। ভোট পরবর্তী সময়ে বিজেপিকর্মী খুনের মামলায় তাঁকে আগে তলব করেছিল ওই তদন্তকারী সংস্থা। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত স্বস্তিতে তিনি। সেই আবহে ফের অনুব্রতকে তলব করল সিবিআই। এ বার তাঁকে ডাকা হয়েছে গোরু পাচারকাণ্ডে।আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতার নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে অনুব্রতকে। বুধবারই জানা গিয়েছিল, গোরু পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তৃণমূল সাংসদ দেবকেও তলব করেছে। তাঁকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তলব করা হল অনুব্রতকে। সিবিআই সূত্রে দাবি, গোরু পাচারকাণ্ডে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 133
  • ...
  • 207
  • 208
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal