• ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

Bus Accident: কাদায় চাকা স্লিপ করে ধান জমিতে উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১২ যাত্রী

যাত্রী বোঝাই একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধান জমিতে উল্টেপড়ায় আহত হলেন ১২ জন যাত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের বাবুরবাঁধ বাস স্ট্যান্ড মোড় এলাকায় ।খবর পেয়ে আউসগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশ ও এলাকার মানুষজন বাসটির সামনের অংশে থাকা কাচ খুলে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে স্থানীয় বন নবগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলে। পরে ক্রেনের সাহায্যে বাসটিকে জমি থেকে রাস্তায় তোলা হয়। বাসটি আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেসরকারী যাত্রীবাহী বাসটি গলসির পারাজ থেকে বোলপুর যাচ্ছিল।বাসটিতে ১৮- ২০ জনের মত যাত্রী ছিল। পথে আউসগ্রামের বাবুরবান্ধ বাস স্ট্যান্ডের কাছে বাঁক কাটানোর সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে জোরে ব্রেক কষেন। তখনই বাসের চাকা কাদায় স্লিপ করলে বাসটি পাল্টি খেয়ে রাস্তার পাশের ধান জমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় বাসে থাকা মহিলা সহ ১২ জন যাত্রী আহত হন। তাঁদের মধ্যে ৪ জন একটু বেশী চোট পেয়েছেন।উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাসপ্রত্যক্ষদর্শী সবির হেসেন মোল্লা, একরাম আলী খাঁন বলেন, বুধবার রাতে হালকা বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তা ভিজে ছিল। তার উপর চাষের জমির কাদা ট্র্যাক্টর থেকে রাস্তায় পড়তে পড়তে যাওয়ায় রাস্তাও পিচ্ছিল হয়েছিল। সেই কারণে বাস চালক ব্রেক কষার সাথে সাথেই কাদায় চাকা হড়কে গিয়ে বাসটি রাস্তা থেকে ধান জমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে। তবে বরাত জোরে বাসের কোন যাত্রীর প্রাণহাণির ঘটনা ঘটেনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

X-Mas: পার্কস্ট্রিটের আক্ষেপ মেটাচ্ছে আলোক ঝলমলে বিজয় তোরণ

বাঙালির বড়দিন মানেই পার্কস্ট্রীট। ডিসেম্বর ২৪র সন্ধ্যা থেকেই তাঁরা ভিড় জমাতে থাকেন এই বিশেষ জায়গায়। তাঁদের মধ্যে অনেকেরই যিশু-র জন্মস্থান স্বমন্ধে কোনও সম্যক ধারনা না থাকলেও আনন্দের ভাগ নিতে ছাড়েননি। গুরুগম্ভীর কিছু মানুষ প্রত্যুতপন্নমতিতার পরিচয় দিয়ে বললেন খাবার তৈরির মশালা জানার কি দরকার সে পদটিকে আস্বাদন করার জন্য।বড়দিন বা ক্রিসমাস আসলে একটি বাৎসরিক খ্রিস্টীয় উৎসব। প্রত্যেক বছর ২৫ ডিসেম্বর যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে এই উৎসব পালিত হয়। জেরুজালেম শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বেথলেহেম শহরে তাঁর জন্ম হয়েছিলো বলে ধরা হয়। এই দিনটিই যিশুর প্রকৃত জন্মদিন কিনা তা জানা না থাকলেও, আদিযুগীয় খ্রিস্টানদের বিশ্বাস অনুসারে, এই তারিখের ঠিক নয় মাস পূর্বে মেরির গর্ভে প্রবেশ করেন যিশু। সম্ভবত, এই হিসাব অনুসারেই ২৫ ডিসেম্বর তারিখটিকে যিশুর জন্মতারিখ ধরা হয়।আদ্যান্ত এক খৃষ্টীয় উৎসব বাঙ্গালি আপন করে নিয়েছে। উপরি পাওনা সপ্তাহান্তে নতুন বছরের সুচনা। বাকি বছরটা যে ভাবেই যাক, আশা করতে তো মানা নেই। নতুন বছরে ভালো কিছু ঘটুক সেই আশায় সেজে উঠেছে শহর বর্ধমান। বর্ধমান পৌরসভার নব গঠিত প্রশাসক মণ্ডলীর উদ্যোগে বড়দিন ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে আলোক সজ্জায় সেজে উঠেছে দক্ষিণবঙ্গের এই প্রাণকেন্দ্র। রঙ্গীন হয়ে উঠেছে সারা শহর।শহরের দুই প্রান্ত নবাবহাট ও উল্লাস সহ শহরের কেন্দ্রস্থল বিজয়তোরণ (কর্জন গেট) সেজে উঠেছে চন্দননগরের আলোয়। এ যেন অকাল দীপাবলি। বাজছে জিঙ্গেল বেল, নিজস্বী তুলতে ভিড় জমাচ্ছেন কচি কাঁচা থেকে বয়স্করা। পৌরসভার উপ- পৌর প্রশাসক এবং বর্ধমান শহরকে হাতের তালুর মত চেনা পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান আইনুল হক জানান, নবগঠিত প্রশাসক মণ্ডলী আসার পর থেকেই তাঁরা শহরের নানাবিধ সমস্যা সমাধানের সঙ্গে সঙ্গে সৌন্দার্যায়নের দিকেও নজর দিয়েছেন। বর্তমান প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে তাঁরা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে নিজস্বী জোন বানিয়ে এলইডি আই লাভ বর্ধমান (I Love Burdwan) বোর্ড লাগিয়েছেন।আইনুল হক আরও বলেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছায় বড়দিন ও ইংরাজী নববর্ষের প্রারম্ভে বর্ধমান পৌরএলাকা আলোকিত করা হয়েছে। এই আলোকসজ্জা ইংরাজী নববর্ষের প্রথম সপ্তাহ অবধি থাকবে। এছাড়াও তিনি জানান, আগামী সময়ে বিজয় তোরণে (কর্জন গেট) লাইট এন্ড সাউন্ড ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মানুষের যাতে একঘেয়ে না লাগে, সেই জন্য সারা বছর বিভিন্ন পার্বনে তাঁর আলকসজ্জা পালটে পালটে যাবে। বদলাবে রংয়ের ছটা। যে সমস্ত বর্ধমানবাসী বড়দিনে পার্কস্ট্রিটে যেতে পারেননি তাদের কিছুটা হলেও আক্ষেপ মিটবে শহরটা আলো ঝলমলে দেখে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Theft of money: অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়ি থেকে টাকা, সোনার গয়না ও ডলার চুরি, গ্রেফতার এক

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়ি থেকে টাকা, সোনার গয়না ও ডলার চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ধৃতের নাম সত্যেন্দর রায়। তাঁর বাড়ি বুদবুদ থানার হরিনারায়ণপল্লীতে। পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার পুলিশ মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, চুরির কথা ধৃত ব্যক্তি কবুল করেছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ এও জানতে পেরেছে চুরির ঘটনায় আরও একজন জড়িত রয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ, বুধবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। চুরির মালপত্র ও টাকা উদ্ধার এবং অপর জড়িতের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতের তিনদিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।পুলিশ জানিয়েছে, আউশগ্রাম থানার মাজুড়িয়ার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হিমাংশু চক্রবর্তী কিছুদিন আগে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সপরিবারে বাঁকুড়ায় গিয়েছিলেন। তাঁর ঘর তালাবন্ধ ছিল। এক মহিলাকে ঘর দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি। রাতে দরজা ও আলমারির তালা এবং লক ভেঙে সোনার গয়না, টাকা ও দুটি ইউএস ডলার নিয়ে পালায় চোর। দেখভালের দায়িত্বে থাকা মহিলা পরেরদিন সকালে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। বাড়ি ফিরে হিমাংশুবাবু চুরির ঘটনা নিয়ে আউসগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Ex-MLA: বর্ধমানে দলীয় কর্মীর বাড়ি তৈরিতে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধরের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে

বিধায়ক পদে থাকুন বা না থাকুন সর্বদাই তিনি থাকেন রণংদেহী ভাবমূর্তি নিয়েই, এমন বিতর্ক রয়েছে। বিধানসভার ভিতরে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিধায়ককে কুকথা বলা কিংবা থানায় ঢুকে পুলিশ আধিকারিকদের চমকানো সবেতেই মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের নাম জড়িয়েছে। এবার সেই নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার এক তৃণমূল কর্মীর বাড়ি তৈরির কাজে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধোরের অভিযোগ উঠলো। এই ঘটনা নিয়ে বুধবার সকালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয় পড়ে। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাক্তন বিধায়কের এমন আচরণের নিন্দায় সরব হয়েছেন বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার সকল তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক। বর্ধমান শহরের পীরবাহারাম ডাঙাপাড়া এলাকায় বাড়ি তৃণমূল কর্মী সেখ আনোয়ারের। তাঁর বাড়ির পাশেই রয়েছে মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের বাড়ি। সেখ আনোয়ার এদিন জানান, তাঁর বসত বাড়ির অবস্থা খারাপ থাকায় তিনি সরকারের কাছে একটি পাকা বাড়ির জন্য আবেদন করেন। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। কয়েকদিন ধরে তাঁর পাকা বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। আনোয়ার বলেন, নার্গিস বেগমের বাড়ির জানালার সোজা আমার বাড়ির জানালা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে নার্গিস বেগম এদিন আমার বাড়িতে কর্মরত রাজমিস্ত্রীদের উপর চড়াও হয়। ইট নিয়ে রাজমিস্ত্রিদের উপর হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ পৌছায়। সেখ আনোয়ারের আরও অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রাক্তন বিধায়কের কথায় উল্টে তাঁদেরই শাসায়। এমনকি তাঁদের কোনও কথাই পুলিশ শুনতে চায়নি বলে আনোয়ারবাবু অভিযোগ করেছেন। যদিও এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন নার্গিস বেগম।এলাকার তৃণমূল নেতা সেখ ভীম জানান, নার্গিস বেগম ও তার পরিবারের সদস্যারা মিলে রাজমিস্ত্রীদের মারধর করেছে। যার বাড়িতে কাজ হচ্ছিল সেও একজন তৃণমূল কর্মী। নার্গিস বেগম যে ঘটনা ঘটালেন সেটা সত্যি লজ্জার বিষয়। দলের প্রাক্তন বিধায়কয়ের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে এলাকার লোকজনও। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,কি হয়েছে জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। তবে আইনের উর্ধে কেউ নন।সবাইকেই নিয়ম মেনেই কাজ করতে হবে। দলের নেতা-নেত্রী বলে আইন আলাদা হবে না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Contaminated Mustard Oil: রাসায়নিক মেশানো ভেজাল সরষের তেল তৈরির ডেরার পর্দা ফাঁস পূূর্ব বর্ধমানে, গোডাউন মালিক বেপাত্তা

চোরাই রাইস অয়েলের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি করা হত ভেজাল সরষের তেল। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে ছিনুই এলাকায় গজিয়ে ওঠা ওই ভেজাল সরষের তেলের কারবারী ডেরায় হানা দেয়। সেখান থেকে পুলিশ ভেজাল সরষের তেল তৈরিতে যুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি ৫২টি টিনের ড্রামে ভর্তি ভেজাল সরষের তেল ও রাসায়নিক দ্রব্য উদ্ধার করেছে। এছাড়াও রাইসয়েল তেল সমেত একটি ট্যাঙ্কারও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশ নড়ে-চড়ে বসাতেই ভেজাল সরষের তেলের কারবারী চক্রের পর্দাফাঁস হল বলে মনে করছেন মেমারির বাসিন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম অসীম মিত্র, গোবিন্দ সরকার ও পঙ্কজ সিং। অসীম ও গোবিন্দর বাড়ি মেমারির ছিনুই গ্রামে। অপর ধৃত পঙ্কজ সিং বাজেয়াপ্ত হওয়া ট্যাঙ্কারটির চালক। তাঁর বাড়ি হাওড়ার বালি এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার তিন ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের ৫ জানুয়ারী পর্যন্ত পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহরায় বলেন, ভেজাল সরষের তেল তৈরি চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে এবং চক্রে আরও কারা করা যুক্ত রয়েছে তা ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। বাজেয়াপ্ত হওয়া সমস্ত সামগ্রীও ল্যাব টেস্টিংয়ে পাঠানো হবে। যে গোডাউনে ভেজাল সরষের তেল তৈরি করা হত সেই গাডাউনের মালিক কে সেই বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। মেমারির ছিনুই শীতলাতলা এলাকায় ভেজাল সরষের তেল তৈরি হওয়ার খবর মঙ্গলবার গোপন সূত্রে পায় মেমারি থানায় পুলিশ। ওই এলাকায় হানা দিতেই পুলিশের নজরে আসে একটি ট্যাঙ্কার থেকে তেল বের করে ড্রামে ভরা হচ্ছে। পুলিশ ওই ট্যাঙ্কারের চালককে ধরার পাশাপাশি ট্যাঙ্কারটি বাজেয়াপ্ত করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্যাঙ্কার থেকে রাইসয়েল ড্রামে ভরে নিয়ে গোডাউনে রাখা হত। এই রাইসয়েলও চুরি করা রাইসয়েল। এছাড়াও আরও বিভিন্ন জায়গা থেকে রাইসয়েল সংগ্রহ করতো কারবারীরা। তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, গোডাউনের মধ্যে ওই রাইসয়েল প্রথমে একটি বড় পাত্রে ঢালা হত। পরে তাতে সরষের তেলের রঙ আনার জন্য কাঠ পালিশে ব্যবহৃত কামধেনু রঙ সহ নানা ভেজাল দ্রব্য মেশানো হত। এছাড়াও সরষের তেলের ঝাঁজ আনার জন্য ওই রাইসয়েলে ক্ষতিকারক রাসায়নিকও মেশানো হত। এইসব ভেজাল দ্রব্য মিশিয়ে কারবারীরা রাইসয়েলকে সরষের তেলের রুপ দিত। পরে সেই তেল ১৫ কেজির খালি টিনের ড্রামে ভরে টিনের ছিপি দিয়ে শিল করে দেওয়া হত। এরপর ওই টিনের ড্রামে বিভিন্ন নামি দামি কোম্পানির স্টিকার আঠা দিয়ে এঁটে কারবারীরা বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করতো। মেমারি থানার পুলিশ দাবি করেছে, ভেজাল সরষের তেলের এই কারবারির ডেরা থেকে ৫২ ড্রাম ভর্তি ভেজাল সরষের তেল, ৭৪টি খালি টিনের ড্রাম ও নগদ ৫০ হাজার টাকা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে। এছাড়াও ভেজাল তেল তৈরিতে ব্যবহৃত সমস্ত উপকরণ ও রাইসয়েল সমেত ট্যাঙ্কারটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে মেমারি থানার পুলিশ জানিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

MA English Chaiwali-Tuktuki Das : হাবড়া স্টেশনে কেন ভেঙে দেওয়া হল ‘‌এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি’‌র দোকান?‌

বাবা ভ্যান চালক। মা ছোট্ট মুদির দোকান চালান। বাবা চেয়েছিলেন মেয়ে পড়াশোনা করে শিক্ষকতা করুক। বাবার স্বপ্নপূরণ করার আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন টুকটুকি দাস। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দূরশিক্ষা বিভাগে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তরও পাশ করেন। কিন্তু কালের ফেরে চাকরি জোটেনি।চাকরি জোটাতে না পেরে সংসারের হাল ধরতে এই বছর নভেম্বরের শুরুতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া স্টেশনের দুনম্বর প্ল্যাটফর্মে চায়ের দোকান খোলেন। দোকানের নাম দেন এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি। চায়ের দোকান খোলার ব্যাপারে টুকটুকি দাস অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন ইউ টিউবে প্রফুল্ল বিল্লোরের এমবিএ চাওয়ালা দেখে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল টুকটুকি দসের এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি। সংবাদমাধ্যমেও তাঁকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি হয়। মিডিয়ার দৌলতে দ্রুত খ্যাতি লাভ করেন টুকটুকি। দোকানকে আস্তে আস্তে বড় করেন।কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তা অনেকের চক্ষুশূল হয়। বুধবার সকালে হঠাৎই রেল প্রশাসন ও আরপিএফ কর্মীরা টুকটুকি দাসের নতুন দোকান ভাঙচুর করে। স্থানীয় হকার্স ইউনিয়নের অভিযোগ, বিজেপি নেতৃত্বের অঙ্গুলি হেলনে রেল প্রশাসন টুকটুকি দাসের দোকান ভেঙে দিয়েছে। রেল আধিকারিকরা অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। রেল আধিকারিকদের দাবি, হাবড়া স্টেশনে টুকটুকি দাসের পুরনো দোকান রয়েছে। সেটা বাদ দিয়ে তিনি আবার নতুন দোকান তৈরি করেছেন। স্টেশনের জায়গা কম থাকায় কাউকে আর নতুন করে দোকান তৈরি করার অনুমতি দেওয়া হয় না। সেই কারণেই টুকটুকি দাসের দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যেসব দোকান আগে থেকে রয়েছে, সেগুলিই থাকবে। টুকটুকি দাসের দোকান ভাঙা নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Corona: রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় আবার ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের তরফে ক্রমাগত সতর্কবাণী সত্ত্বেও ভোটপুজো থেকে বড়দিন বিধি ভাঙার কোনও সুযোগই ছাড়েনি জনতার একটি বড় অংশ। ফল-ও মিলছে, যেমন মিলেছিল দুর্গাপুজো থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত মহোৎসবে লাগামছাড়া মাতনের পরে। গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যে দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ থেকে ৫০০-র ঘরে ঘোরাফেরা করলেও মঙ্গলবার রাতে স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে কার্যত দ্বিগুণ হয়েছে। সংখ্যাটি এক ধাক্কায় পৌঁছে গিয়েছে ৭০০-র ঘরে।২ দিন পরেই বর্ষবরণ। বর্ষশেষের নিশিযাপন আর ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনটি উদ্যাপনের তাগিদে কলকাতা ৩১ ডিসেম্বরের রাত থেকে শৃঙ্খলা ভেঙে, অতিমারি বিধি উড়িয়ে ওমিক্রনকে স্বাগত জানাতে হামলে পড়বে কি না, তা নিয়েও মহা উদ্বেগে আছেন চিকিৎসকেরা।ওমিক্রন পশ্চিমবঙ্গ-সহ সারা দেশে থাবা বসাতে থাকায় বার বার বিধি মানার কথা বলে স্বাস্থ্য শিবির মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বছর শেষের উৎসবে প্রশাসন রাশ আলগা করার কারণেই এক শ্রেণির মানুষের বেপরোয়া আচরণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে মানুষের আত্মিক সচেতনতা ও বোধের উপরেই ভরসা রাখতে চাইছেন চিকিৎসকদের একাংশ। নতুন বছরের আনন্দ ষোলো আনা অনুভব-উপভোগ করেও পথে নেমে ভিড় করে উচ্ছ্বাস প্রকাশে লাগাম টানারই আবেদন জানাচ্ছেন তাঁরা।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচ জন। আর কারও খোঁজ মেলেনি, যাঁকে ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা যায়। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবকের আজ, বুধবার পুনরায় কোভিড পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষার রিপোর্টও যদি নেগেটিভ আসে, তা হলে তাঁকে ছুটি দেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস, বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ

বড়দিনের আগে থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে উধাও হয়েছে শীতের কনকনানি। বুধবার সকালে উত্তপ্ত কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে সাড়ে ১৭ ডিগ্রির কাছাকাছি। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আকাশ রয়েছে মেঘলা। জেলার কোথাও কোথাও কুয়াশাও দেখা গিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে।আকাশ মেঘলা থাকার কারণে শীতের আমেজ উধাও হতে পারে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৪ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পেরোতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ষশেষে শীতের আমেজ উধাও হলেও ঝঞ্ঝা কেটে যাওয়ার পর নতুন বছরের শুরুতে ফের জাঁকিয়ে ঠান্ডা ফিরতে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারতে হাজির হওয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উত্তুরে হাওয়া বাধা পেয়েছে। সেই ঝঞ্ঝা ক্রমশ পূর্ব ভারতের দিকে বয়ে আসার ফলে রাতের পারদ পতনেও বাধা সৃষ্টি করছে। এই ঝঞ্ঝার জেরেই বুধবার এবং বৃহস্পতিবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, কলকাতা, দুই পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়ায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আগামী ২৪ ঘণ্টায়। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমানে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Illegally Entering: অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে গ্রেফতার বাংলাদেশী যুবক

অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে গ্রেফতার হল এক বাংলাদেশী যুবক। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ সোমবার রাতে ভাতারের এওরা গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। ধৃত যুবক পুলিশকে জানিয়েছে, তাঁর নাম অজিত বিশ্বাস। বাড়ি বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলার সাহিলকোপা এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতকে জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারী বছর ৩০ বয়সী যুবক সোমবার রাতে ভাতারের এওড়া গ্রামের কাছে ঘোরাঘুরি। যুবককে দেখে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন ওই যুবক স্বীকার করে সে আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। সাড়ে ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে দালাল মারফত পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছে বলে যুবক জানায়। যুবক আরও বলে ভারতে অনুপ্রবেশের পর সে কোনওভাবে ভাতার থানা এলাকায় চলে এসেছে। যুবক তাঁর যে নাম ঠিকানা জানিয়েছে তা সঠিক কিনা সেটা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি কি উদ্দেশ্যে ওই যুবক ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Fuchka: কামড় দিলেই তেতুল জলের বদলে বাটারস্কচ আইসস্ক্রিম, ভিন্ন স্বাদের ফুচকায় মেতেছে বর্ধমান

ফুচকা অতি জনপ্রিয় সুস্বাদু মুখরোচক খাদ্যবস্তু। সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে জনপ্রিয় হলেও জানা যায় এর সৃষ্টি মুলত বাংলা এবং ওড়িশা-য়। খাদ্যবস্তুটি বাংলাদেশ এবং ভারতে শহর থেকে শহরতলি হয়ে গ্রামাঞ্চলেও সমান জনপ্রিয়। বিভিন্ন জায়গায় এটিকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। যেমন পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় এর নাম ফুচকা, উত্তর ভারতে গোল-গাপ্পা নামে জনপ্রিয়। মুম্বাই সহ সমগ্র মহারাষ্ট্রতে এর জনপ্রিয়তা পানি-পুরি। আবার আমাদের বাংলাতেই পশ্চিম-বর্ধমানের আসানসোল, বরাকরে এটিকে গুপচুপ বলা হয়ে থাকে।আরও পড়ুনঃ নগিডি, রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন, তৃতীয় দিন কেন ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের?সাধারণভাবে আটা এবং সুজি দিয়ে তৈরি একটি গোলাকৃতি পাপড়ির মধ্যে নানাবিধ মসলামিশ্রিত সেদ্ধ আলুর পুর (ছোলা, ধনেপাতা, মটর,কাঁচা লঙ্কা) ভরে তেঁতুলজল সহযোগে পরিবেশন করা হয় ফুচকা। বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরণের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় মানুষের খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী মশালারও প্রকারভেদ হয়। নানারকমের নামের পাশাপাশি ফুচকা পরিবেশনের রীতিটিও বিভিন্নতা লাভ করেছে। কোনও কোনও অঞ্চলে তেঁতুলজলের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় পুদিনামিশ্রিত জল। আবার পশ্চিমবঙ্গে ফুচকার পুর হিসেবে ব্যবহৃত আলুতে পেঁয়াজের প্রচলন কম থাকলেও, ওড়িশাতে পেঁয়াজ ছাড়া ফুচকার কথা ভাবাই যায় না। এছাড়াও সারা ভারতেই দই-ফুচকা জনপ্রিয়তা প্রবল, এটি সাধারনত এলিট শ্রেনী-র পদ হিসাবেই বিবেচনা হয়।আরও পড়ুনঃ রোগীদের চিকিৎসা করছেন ডাক্তার বিডিও, গর্বের অন্ত নেই ভাতারবাসীরফুচকার ইতিহাস ঘেঁটে গ্রহণযোগ্য আর প্রমাণসাপেক্ষ যা জানা যায় তা হল, এর সৃষ্টি মহাভারতের দ্রোপদীর হাতে। কথিত আছে দ্রোপদী বিয়ে পর পান্ডবদের কাছে আসার পরে তাঁর শাশুরি মাতা কুন্তি তাঁকে আগের রাতের বেচে যাওয়া আলুর সব্জি আর আটার মন্ড দিয়ে বলেছিল তাঁর স্বামীদের (পান্ডব) জন্য খাবার বানাতে। তখন দ্রোপদী আটা দিয়ে একটি গোলাকৃতি পাপড়ির মধ্যে মসলা মিশিয়ে সেদ্ধ আলুর পুর ভরে তেঁতুলজল সহযোগে পরিবেশন করেন এই পদটি। কুন্তি পরে দ্রোপদীর বানানো খাবারকে অমরত্বের আশীর্বাদ দান করেন। সেই থেকে মগধে এই পদটিকে ফুলকি নামে ও পরে কালক্রমে নাম পরিবর্তন হয়ে ফুচকার নামে রূপান্তর হয়।শ্রীনাথ ও নিহা রায়ফুচকার নাম মনে পড়লেই তেঁতুল জলের কথা মনে আসবেই। কচি-কাঁচা থেকে অশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদেরও জিভে জল এসে যায় এই পদের নাম শুনলে। কালান্তরে এর প্রকারভেদ হতে হতে হালের আধুনিক প্রগতিশীলদের হাতে পরে ফুচকার কর্পোরেটাইজেশন হয়ে গিয়েছে। অতিমারী কোভিড-র প্রকোপে লকডাউনে কলকাতায় কাজ হারান বর্ধমানবাসী শ্রীনাথ। তিনি জনতার কথা কে জানান, আমি বর্ধমান সেন্ট জেভিয়ার্স-এ স্নাতক স্তরের পড়াশোনা চলিয়ে যাবার সাথে সাথেই আমার ড্রিম ফুলফিলমেন্টের জন্য নানা ধরনের কাজে যুক্ত হতে শুরু করি। স্নাতক পড়াশনার মাঝেই কলকাতা পাড়ি দিয়ে একটা কলসেন্টারে জব জয়েন করি। পাশ করার পর তিনি কলকাতার গড়িয়াতে একটি স্পোকেন-ইংলিস সেন্টারে শিক্ষকতা শুরু করেন। কিন্তু বিধি বাম! শ্রীনাথের সুখ বেশি দিন স্থায়ী হল না। সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তড়িঘড়ি বর্ধমানে ফিরে আসেন। দু-মাস ওয়ার্ক ফ্রম হোম করার পর কলকাতা থেকে চাকরী যাবার ফোন আসে।আরও পড়ুনঃ আগ্নেআস্ত্র নিয়ে দাদাগিরি করার দায়ে বর্ধমানে গ্রেফতার যুবকসদ্য বিবাহিত মানুষটি দিশেহারা হয়ে পড়েন, দুমাস বসে থাকার পর এক বন্ধুর পরামর্শে ডেলিভারি বয়ের কাজে লেগে পড়েন। তিনি বলেন কাজের সঙ্কোচ কোনওদিন-ই আমি করিনি, যে-কোনোও কাজকেই আমি সন্মান করি। কোনও কাজই আমার কাছে ছোটো নয়। কিছুদিন যেতেই তিনি বুঝতে পারেন এই কাজ করে তাঁর স্বপ্নপুরন স্বম্ভব নয়। তিনি বলেন, সেই কারনে আমার স্ত্রী নিহা কে নিয়ে আমি নিজে কিছু করার উদ্যোগ নিতে শুরু করি, আমি নিজে খেতে খুব ভালো বাসি, আমার এবং আমার স্ত্রী দুজনেই বাড়িতে লোকজন এলেই নানা রকম পদ রান্না করে খাওয়ানোর চেষ্টা করি। আমাদের দুজনে মিলেই সিদ্ধান্ত নিই যে আমরা খাবারের ব্যবসা-ই করবো।ভাবনার রুপদান করতে লেগে পড়েন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাঁকে সঙ্গ দেন তাঁর স্ত্রী নিহা। বর্ধমান শহরের এক প্রান্তে বিজয়রাম-এ খুলে ফেলেন তাঁর স্বপ্নের ঝাঁপি, নাম দিলেন জিভে জল। সত্যি-ই ফুচকা নামেই সাধারণ মানুষের জিভে জল আসবেই। তাঁর রেশ ধরেই এই নামকরণ বলে মনে করছেন স্থানীয় মানুষজন। বিভিন্ন প্রকারের সম্ভার এই কাফেতে। জল ফুচকা, ধনিয়া জল ফুচকা, মিষ্টি জল ফুচকা, চিকেন ফুচকা,আইসক্রিম ফুচকা, আগুন ফুচকা, দই ফুচকা,পনির ফুচকা আরও অনেক রকমের ফুচকা। আরও পড়ুনঃ এবার বিজেপিতে বিদ্রোহী পাঁচ মতুয়া বিধায়কখেতে খেতে হটাৎ যদি শোনেন What else can I do for you? বা Will you eat anything else! অবাক হবেন না, প্রথাগত ফুচকা ওয়ালা দের থেকে স্পোকেন-ইংলিস টিচার-র আদব কায়দা একটু হলেও আলাদা। সেটা দেখতেই কিশোর-কিশোরী থেকে কলেজ পড়ুয়ারা ভিড় জমাচ্ছে তাঁর এই কাফেতে। সেখানে আসা কয়েক জনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল তাঁরা ফুচকার সঙ্গে সঙ্গে এই শিক্ষিত ইংরাজি বলা মানুষটিকে চাক্ষুষ করতেই ভিড় জমাচ্ছেন। শ্রীনাথ জনতার কথা কে জানান আপাতত আপনারা জিভে জলএ গেলে ২২ রকমের ফুচকা, ৮ রকমের লস্যি, ৮ রকমের সরবত, ১০ রকমের চা, ও ভেজ ও চিকেন ফ্রাইড এবং ষ্টীম মোমো পাবেন, এই ভরা ক্রিসমাস ও নতুন বছরের প্রাক্কালে বর্ধমানবাসীরা ভিড় জমাচ্ছেন এই স্পোকিং ইংলিশ-বলা ফুচকার দোকানে।আরও পড়ুনঃ সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানেশুধু ফুচকা নয়, এখানে আপনি চাএর ভ্যারাইটি পাবেন যেমন, মিল্ক টি, মসালা টি, লবঙ্গ টি, এলাচি টি, ব্ল্যাক টি, লেমন টি, মালাই টি। পাবেন নানা রকমের মোমো, ঠান্ডা পানীয়। বছরের শেষ লগ্নে ঘুরতে ঘুরতে একবার স্পোকেন-ইংলিস টিচারর জিভে জল-এ ঘুরে যেতেই পারেন। উপাদেয় নানা ধরনের খাবার তো পাবেন-ই আর যেটা অতিরিক্ত পাবেন সেটা হল আত্মবিশ্বাস, তাঁকে দেখে কবির সুমনের একটা গান আপনার মনে পরবেই হাল ছেড়োনা বন্ধু...

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: দক্ষিণবঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা, হতে পারে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি

সপ্তাহখানেক আগেও হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছিল দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি। সেখানে এখন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ১৪ ডিগ্রির কাছাকাছি। কলকাতার তাপমাত্রা তো আরও বেড়েছে। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেড়ে মঙ্গলবার সকালে তা পৌঁছে গিয়েছে ১৭ ডিগ্রির কাছাকাছি। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্ত মেঘও রয়েছে আকাশে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মঙ্গলবারের সকাল ঢেকেছে কুয়াশায়। মঙ্গলবার সকালে মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। সোমবার আসানসোলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৬ ডিগ্রি। বর্ধমানে ১৬ ডিগ্রি, উলুবেড়িয়ায় ১৬ ডিগ্রি, ক্যানিংয়ে ছিল ১৪.৬ ডিগ্রি। উত্তরবঙ্গের পাহাড় এবং তরাইয়ে অবশ্য স্বাভাবিক ভাবেই দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় ঠান্ডা বেশি রয়েছে। সোমবার রাতের তাপমাত্রা দার্জিলিঙে ৩ ডিগ্রি, কোচবিহারে ৭.৬ ডিগ্রি, কালিম্পংয়ে ৮ ডিগ্রিতে নেমেছে।আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারতে হাজির হওয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উত্তুরে হাওয়া বাধা পেয়েছে। সেই ঝঞ্ঝা ক্রমশ পূর্বভারতের দিকে বয়ে আসার ফলে রাতের পারদ পতনেও বাধা সৃষ্টি করছে। এই ঝঞ্ঝার জেরে মঙ্গলবার, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণাবর্ত ও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তর ও দক্ষিণ, দুই বঙ্গেরই বেশ কিছু জেলায় শীতের মাঝে বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পঙে মঙ্গলবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি চলবে আগামিকাল পর্যন্ত। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া,পশ্চিম বর্ধমান বীরভূম হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বছরের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে বছরের শেষে শীত ফিরবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। আবহবিদদের অনুমান, চলতি বছরের শেষ দিন থেকেই তাপমাত্রা নামতে পারে। তবে ফের শীতের কাঁপুনি মিলতে পারে নতুন বছরের দুদিন পেরনোর পরেই। আগামী শনিবার বছরের প্রথম দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Firearms: আগ্নেআস্ত্র নিয়ে দাদাগিরি করার দায়ে বর্ধমানে গ্রেফতার যুবক

আগ্নেআস্ত্র হাতে নিয়ে পাড়ার বাসিন্দাদের ভয় দেখানোর অভিযোগ গ্রেফতার হল এক যুবক। ধৃতের নাম শেখ রফিকুল ওরফে কচি। তাঁর বাড়ি বর্ধমান শহরের বড়নীলপুর এলাকায়। বর্ধমান সদর থানার পুলিশ সোমবার রাতে বড়নীলপুর বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ধৃতের কাছ থেকে একটি দেশি পাইপগান, বেলুন ফাটানোর একটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার হয়েছে। যুবক কোথা থেকে আগ্নেআস্ত্র পেল তার তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে বলে আইসি জানিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কচি প্রায়ই এলাকায় দাদাগিরি করতো। কেউ প্রতিবাদ করলে আগ্নেআস্ত্র দেখিয়ে তাঁদের ভয় দেখাতো কচি। নিজের ন্ত্রীকে মারধর করার পশাপাশি সে এলাকার সাধারণ মানুষকেও হুমকি দিত বলে অভিযোগ। এদিন সন্ধ্যায় সে একইরকম ভাবে বড়নীলপুর বাজার এলাকায় দাদাগিরি শুরু করলে স্থানীয় বাসিন্দা মহলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে কচিকে ধরে ফেলে। তল্লাশিতে তার কাছ থেকে আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার হয়। এলাকার বাসিন্দা প্রতিমা দে বলেন, বোমা বন্দুক নিয়ে কচি প্রায়সই সবাইকে ভয় দেখায়। ধৃতের নিজের ভাই শেখ সফিকুল জানান, তিনি আলাদা বাড়িতে থাকেন। তাঁর ভাই একটি মেয়েকে নিয়ে রবিবারও মদ্যপান করছিল। ভাইয়ের কাছে আগেও আগ্নেআস্ত্র দেখেছেন বলে সফিকুল এদিন জানান। কচির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: বাংলা পক্ষর আন্দোলনে বড় সাফল্য, পোস্ট অফিসে পাওয়া যাবে বাংলা ভাষায় পরিষেবা

বাংলা পক্ষ-র পশ্চিম বর্ধমান জেলার লড়াইয়ের ফলে বড়ো সাফল্য এল। এখন থেকে পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে। বাংলা পক্ষ কিছুদিন আগেই আসানসোল ও রানিগঞ্জ পোস্ট অফিসে ডেপুটেশন জমা দেয়। আজ পোস্ট বিভাগ বাংলায় পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে রানিগঞ্জ শাখার সম্পাদক দীপায়ন মুখার্জী, আসানসোল উত্তর শাখার সম্পাদক ঋষিক গাঙ্গুলি এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়।সমস্ত ব্যাংক, পোস্ট অফিস এবং বীমা পরিষেবায় বাংলা চাই, এই দাবিতে বাংলা পক্ষ-র লড়াই চলছে বাংলা জুড়ে। বাংলা পক্ষর পশ্চিম বর্ধমান জেলার এই সাফল্য, পুরো বাংলা পক্ষ সংগঠনকে আরও উজ্জীবিত করবে লড়াইয়ের ময়দানে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Doctor BDO: রোগীদের চিকিৎসা করছেন ডাক্তার বিডিও, গর্বের অন্ত নেই ভাতারবাসীর

ছোট বয়স থেকেই সরকারি আমলা হওয়ার স্বপ্ন ছিল। তাই ডাক্তারি পাশ করে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক হওয়ার পরেও অরুণ কুমার বিশ্বাস সরকারী আমলা হওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যান। তাঁর সেই স্বপ্নও পূরণ হয়। তবে রোগীর চিকিৎসা করা থেকে তিনি নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখেননি। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ব্লকের বিডিও অরুণ বিশ্বাস এখন ডাক্তার বিডিও নামেই স্বনামধন্য হয়েছেন। তাঁকে নিয়ে ভাতারবাসীর গর্বের অন্ত নেই।আরও পড়ুনঃ মন্দির দর্শনে এসে পানা পুকুরে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু শিশু পুত্রেরমালদার মঙ্গলপুরে বাড়ি অরুণ কুমার বিশ্বাসের। তিনি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ থেকে ২০০৯ সালে ডাক্তারি পাশ করেন।তারপর এক বছর মানবাজার ২ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি করেন।অরুণবাবু জানান, চিকিৎসক হিসাবে মানবাজারের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি করলেও আমলা হওয়ার বাসনা তিনি ত্যাগ করতে পারেননি। তাই হাসপাতালের চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি ইউপিএসসি পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। তবে ইউপিএসসি না পেলেও ১০১৭ সালে ডাব্লুবিসিএস পরীক্ষায় পাশ করেন। ২০১৯ সালে কাজে যোগ দেন। প্রথম পুরুলিয়ার ঝালদা ২ ব্লকের বিডিও হন। এখন তাঁর ঠিকানা ভাতার ব্লক। আমলা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ঠিকই তবে ছুটির দিনে তিনি রোগীদের চিকিৎসা করার কাজটাও সমানতালে করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। ২০০২ সালে ২৬ ডিসেম্বর বিডিও সাহেবের মা হেমালিনিদেবী মারা যান। রবিবার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনেই ভাতারের ব্লক অফিসের একটি ঘরে বসে রোগীর চিকিৎসা করার কাজ শুরু করেন বিডিও অরুণ বিশ্বাস। ওই দিন তিনি ২৬ জনের চিকিৎসা করেন। এখন থেকে সরকারি ছুটির দিনে রোগীর চিকিৎসায় আত্মনিয়োগ করবেন বলে বিডিও মনস্থির করেছেন। বিডিও অরুণ বাবু এদিন বলেন, প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব সামলে তবেই চিকিৎসা করবেন। যতটুকু সময় মিলবে ততটুকু সময় তিনি সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ব্যয় করতে চান। তাতে সাধারণ মানুষের উপকার হবে।আরও পড়ুনঃ শেষ হল জতুগৃহ-র শুটিংভাতারের কাঁচগোরিয়া গ্রামের মামনি ঘোষ ও বামশোর গ্রামের জিলাই শেখ এদিন বলেন, বিডিও সাহেব চিকিৎসা করবেন জেনে ব্লক অফিসে ছুটে গিয়েছিলেন। বিডিও সাহেব ওষুধ লিখে দিয়েছেন। ডাক্তার বিডিও সাহেব চিকিৎসা করা শুরু করায় ভাতারবাসীর প্রভূত উপকার হবে বলে জিলাই শেখ মন্তব্য করেন।আরও পড়ুনঃ ২০ জন কাউন্সিলরেই পুরসভা বিধায়কের কব্জায়! বর্ধমানে কর্মীসভায় তৃণমূল নেতার বক্তব্যে ব্যাপক শোরগোলভাতার পঞ্চায়েত সমিতি সহ-সভাপতি সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁদের কর্মীদের শারীরিক অসুস্থতা হলে কাজের ফাঁকে বিডিও সহেব চিকিৎসার পরামর্শ দিতেন। এ বার তিনি ব্লকের রোগীদের চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া শুরু করায় অনেকেই উপকৃত হবেন। এর ফলে বিডিও সাহেবের ডাক্তারি-বিদ্যাতেও মরচে পড়বে না। মহকুমাশাসক (বর্ধমান উত্তর) তীর্থঙ্কর বিশ্বাস বলেন, প্রশাসনিক কাজ সামলে বিডিও তাঁর শিক্ষা প্রয়োগ করে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এটা সত্যি ভালো উদ্যোগ।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Burdwan Municipality: ২০ জন কাউন্সিলর চাই বিধায়কের, বর্ধমানে কর্মীসভায় তৃণমূল নেতার বক্তব্যে ব্যাপক শোরগোল

কলকাতা পুরসভার নির্বাচন সম্পন্ন। সোমবার বাকি চার পুরনিগমের ভোট ঘোষণা হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ধমান পুরসভায় ঘর গোছানো শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যে চরমে তা তৃণমূলের প্রতিটি কর্মীসভায় নেতৃত্বের বক্তব্যে একেবারে স্পষ্ট। রবিবার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, দলের জেলা যুব সভাপতি তথা জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝির সামনেই বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেতা ইফতিকার আহমেদ।কর্মীসভায় প্রাক্তন আইএনটিটিউসি সভাপতি ইফতিকার আহেমদ বলেন, যাঁরা নিজের ওয়ার্ডে হেরে গেল-গোহারা, তাঁরা পুরস্কৃত হল বর্ধমানে প্রশাসকরূপে। আমি আমাদের বিধায়কের কাছে জানতে চাইব ফর্মূলা কী আছে ভাই। আমরা লড়াই করলাম। আমরা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তোমাকে জেতালাম। শঙ্খশুভ্র ঘোষ ৫ বছর কাউন্সিলর হয়ে কোনও কাজ করেনি, ওয়ার্ডটা হেরে গেল, উমা সাঁইয়ের ওয়ার্ডে লোকসভায় হার, বিধানসভায় হার, অথচ পুরস্কৃত হচ্ছে পুরপ্রশাসক হিসাবে। ১৬ নম্বরে যুব লিডারের ওয়ার্ডেও হেরেছে। এভাবেই দলের বিরোধী গোষ্ঠীকে সরাসরি আক্রমণ শানানো হয় বিধায়ক ও জেলা যুব সভাপতিকে মঞ্চে বসিয়ে।বর্ধমানে পুরপ্রশাসকদের নিয়োগ করার পর থেকেই বিরোধিতা করে এসেছেন স্থানীয় বিধায়ক খোকন দাস। তিনি সরাসরি পুরসভার কাজ নিয়েও নানা সভায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। এদিন বিধায়কপন্থী তৃণমূল নেতা বলেন, আমি বলব খোকনদাকে ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩৫টা কাউন্সিলর দরকার নেই। আপনি ২০টা কাউন্সিলর বের করে আনুন। বর্ধমান পুরসভা আপনার অঙ্গুলি হেলনে হিলবে। বর্ধমান পুরসভা আপনার কথায় চলবে। এই সময় অন্য কোনও আলোচনায় যেতে চাই না।বিধায়কপন্থী নেতার বক্তব্যে বিতর্ক ছড়িয়েছে জেলা তৃণমূলের অন্দরে। পুর-প্রশাসক নিয়ে লাগাতার বিধায়ক সহ তাঁর অনুগামীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জনৈক জেলা নেতার মন্তব্য, বর্ধমান পুরসভায় প্রশাসকদের কে নিয়োগ করেছে? বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম পরিচালিত রাজ্যপ্রশাসন! এখন ক্ষমতায় তো তৃণমূলই। তাহলে এভাবে পুরপ্রশাসকদের বিরোধিতা করার অর্থ কি? দলের একাংশের বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচনে খোদ বিধায়ক নিজের এলাকার ওয়ার্ডে ব্যাপক ভোটে পিছিয়ে ছিলেন। এর জবাব কে দেবে? তাছাড়া ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে দল অল্প ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। বিধায়কের সঙ্গে থেকে যাঁরা এখন দৌড়ঝাঁপ করছেন তাঁদের বহু ওয়ার্ডেই বিধানসভায় পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। তৃণমূলের গোষ্ঠীকলহ কোন পর্যায়ে পৌঁছালে বিধায়কের ঝুলিতে ২০ জন কাউন্সিলর-এর দাবি ওঠে, সেই চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে। এই অংশের বক্তব্য, এখনকার পুরপ্রশাসক সংঘমিতা চৌধুরীও তো লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

child died: মন্দির দর্শনে এসে পানা পুকুরে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু শিশু পুত্রের

খেলার মাঠ ভেবে কচুরিপানা ভর্তি জলাশয়ে নেমে পড়ায় তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল এক শিশুর। মৃত শিশুর নাম প্রহ্লাদ মণ্ডল (৮)। তাঁর বাড়ি বীরভূমের লাভপুরের মহদরী গ্রামে। রবিবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের কালনার উঁচু জাপটের ভবা পাগলা মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। রাতে ওই জলাশয় থেকে শিশুর দেহ উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু পুত্রকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কি ভাবে শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো তার তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বীরভূমের মহদারী গ্রাম থেকে একদল পর্যটক রবিবার কালনার বিভিন্ন মঠ ও মন্দির পরিদর্শনে আসেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শিশুপুত্র প্রহ্লাদ মণ্ডলও কালনার ভবা পাগলা মন্দির ও বাড়ি দর্শন করতে যায়। সন্ধ্যার প্রাক্কালে সেখান থেকে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎই ওই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও শিশুটির কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে গার্ডওয়াল বিহীন ভবা পাগলার বাড়ি লাগোয়া পানা পুকুরের মধ্য থেকে মেলে শিশু প্রহ্লাদের দেহ। ভবা পাগলার মন্দির দর্শনে আসা সকলের অনুমান সবুজ পানায় ঢাকা পুকুরটিকে খেলার মাঠ মনেকরে সেখানে যেতে গিয়ে শিশুটি জলে তলিয়ে যায়। তার কারণেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Municipal Elections: বাদ রইল হাওড়া, চার পুরনিগমে ভোট ঘোষণা কমিশনের, ফল ২৫ জানুয়ারি

হাওড়াকে বাদ দিয়েই আপাতত হবে পুরনিগমের ভোট। জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানান রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস। মঙ্গলবার এই ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। শিলিগুড়ি, বিধাননগর, আসানসোল, চন্দননগরে ভোট হচ্ছে ২২ জানুয়ারি। এবারও সব বুথে থাকছে সিসিক্যামেরা।২৫ জানুয়ারি ভোটের গণনা। ২৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হবে। পুনর্নির্বাচনের দাবি থাকলে তা ২৪ জানুয়ারি হবে। সোমবার থেকেই জারি হয়ে গেল আদর্শ আচরণ বিধি। শুধুমাত্র যেখানে ভোট হবে সেই পুরনিগম এলাকায় আদর্শ আচরণ বিধি বলবৎ থাকবে।অন্যদিকে হাওড়ার ভোট যে এবারও ঝুলে রইল তাও স্পষ্ট। এখনও হাওড়া বিলে সই করেননি রাজ্যপাল। ফলে এ ভোটের জট যে কবে কাটবে তা কেউ জানে না। এদিন পুরভোট নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সর্বদল বৈঠক ছিল। মাঝপথে সেই বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে যায় সমস্ত বাম শরিক দল। অন্যদিকে কংগ্রেস, বিজেপিও এই বৈঠক বয়কট করে সোমবার। এদিন ১১১টি পুরসভার ভোট প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক ডেকেছিল নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের দাবি, তৃণমূল যাতে এক চেটিয়া ভোট করতে পারে সেই কারণে এই ভাবে নির্বাচন করতে চাইছে।১ নভেম্বর ২০২১ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী নির্বাচন হবে। ভোট হবে ইভিএমে। ২৮ ডিসেম্বর থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩ জানুয়ারি ২০২২। স্ক্রুটিনি ৪ জানুয়ারি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ৬ জানুয়ারি। কোথাও পুনর্নির্বাচন হলে তা হবে ২৪ জানুয়ারি। ২৮ জানুয়ারির মধ্যে ভোটপর্ব সমাপ্ত হবে।১ নভেম্বরের তালিকা অনুযায়ী ভোট হলে জানুয়ারিতে যিনি ভোটার হবেন তাঁরা তালিকাভুক্ত হবেন না। এ বিষয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস বলেন, আইন মোতাবেক আমি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তালিকাকেই গ্রহণ করতে পারি। এই ভোটার তালিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই একটা বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিরোধীদের দাবি, ৫ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে। কেন কিছুদিন অপেক্ষা না করেই ভোট করাচ্ছে কমিশন। এতে প্রচুর ভোটার বঞ্চিত হবেন বলেও দাবি তোলে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন পাশের দাবিতে ও বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষ উত্তর ২৪ পরগনা শিল্পাঞ্চল শাখার পথসভা

বর্তমান ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিটা রাজ্যই তাদের রাজ্যের ভূমিপুত্রদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে সমস্ত কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের পথে হাঁটছে। কর্নাটক, গোয়া, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, এমনকি গুজরাতেও ভূমিপুত্র সংরক্ষণের আইন পাশ হয়েছে বা আইন পাশের ঘোষণা হয়েছে। সমস্ত পরিসংখ্যান বলে বাংলায় কাজ আছে, বাঙালি-সহ ভূমিপুত্রদের কাজ নেই।পাশাপাশি, বিজেপি সাংসদ জন বার্লা, বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা, সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি বিধায়ক গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা-সহ একাধিক নেতা বারবার বাংলা ভাগের পক্ষে সওয়াল করেছেন ও ক্রমাগত উস্কানি দিয়েছেন। তাই অন্যান্য রাজ্যের মতো বাংলাতেও অবিলম্বে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন পাশের দাবিতে এবং বাংলা ভাগের ঘৃণ্য চক্রান্তের বিরুদ্ধে ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ যে লড়াই লড়ছে তারই অংশ হিসেবে বাংলা পক্ষ উত্তর ২৪ পরগণা শিল্পাঞ্চল শাখার উদ্যোগে ২৬শে ডিসেম্বর, ২০২১( রবিবার )বেলা ২-৩০ টেয় সোদপুর স্টেশনের ১ নং প্ল্যাটফর্মের দিকে সংহতি ক্লাবের সামনে থেকে শুরু করে আগরপাড়া ঘোষপাড়া মোড় পর্যন্ত একটি মিছিল ও মিছিল শেষে এক পথসভার আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।এই সভায় বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদের অন্যতম সদস্য ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, মনন মণ্ডল-সহ বিভিন্ন জেলা সংগঠনের সম্পাদক ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।উক্ত সভায় বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলার সব চাকরিতে বাঙালী-সহ ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকার আছে। কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক সভায় বাংলার কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু শুধু মুখের কথায় কাজ হবে না, বাংলা পক্ষ ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন পাশ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই থামাবে না। তিনি আরো বলেন, অন্যান্য রাজ্যের মত বাংলার সব সরকারি চাকরিতে অবিলম্বে বাংলা ভাষার লিখিত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদের অন্যতম সদস্য মনন মণ্ডল বলেন, বাংলা ভাগের সমস্ত চক্রান্তের বিরুদ্ধে বাঙালীকে একজোট করে এই চক্রান্ত ব্যর্থ করবে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, উত্তর ২৪ পরগণা শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে ভূমিপুত্র কে কাজে নেওয়া হয় না, বাইরের রাজ্য থেকে কর্মী নিয়ে আসা হয়। তাই ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন চালু না হওয়া পর্যন্ত বাংলা পক্ষ উত্তর ২৪ পরগণা শিল্পাঞ্চল লড়াই চালিয়ে যাবে। আগামীতে আরো বড় কর্মসূচির পরিকল্পনা আছে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: বর্ষবরণের আগে আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা

শীতের লম্বা ইনিংসকে আপাতত রুখে দিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলা। যার জেরে ক্রমেই বাড়ছে তাপমাত্রা। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শহরের তাপমাত্রার সূচক এসে থামল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বাড়ল তাপমাত্রা।পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজ্যে শীতের দাপট গত কয়েক দিন ধরেই কিছুটা কমের দিকে। সোমবার সকালে একধাক্কায় আরও এক ডিগ্রি বাড়ল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সকালে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রাজ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস থাকলেও সোমবার আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।শনিবারই আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছিল, সোমবার থেকেই আকাশ মেঘলা থাকবে। বিহারের ঘূর্ণাবর্ত এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝর প্রভাবে সমুদ্র থেকে রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যার প্রভাবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাপমাত্রা দুএক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছিল হাওয়া অফিস।হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছিল। সোমবার আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা এবং হাওড়ায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। সে ক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শহরের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Dog Show: সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানে

রবিবার পুর্ব-বর্ধমানের মেমারি তে মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এবং শিক্ষা বিকাশ সেবা ফাউন্ডেশন-র ঐশী সিংঘ রায়-র উদ্যোগের এক সারমেয়-র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী তে নানা প্রকারের সারমেয় নিয়ে উপস্থিত হন দূর-দুরান্ত থেকে আগত সারমেয় প্রেমী-রা। এই শো দেখতে ঢল নামে মেমারি শহর সংলগ্ন বি-এড কলজের মাঠে। একপ্রকার মেলা বসে যায়।মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে-র প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও পশু-প্রেমী শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর সারমেয় প্রেম বহুজনবিদিত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই পথ সারমেয় ভালোবাসা নিয়ে বহুবার তাঁকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। শ্রীলেখা মিত্র-র সামাজিক মাধ্যম ফলো করলেই মানুষ জানতে পারবে তিনি কোনও তথাকথিত নামজাদা সারমেয় পালন করেন না। তিনি পথ চলতি সারমেয় দের কেই তাঁর বাড়ির অন্দরমহলে স্থান দেন। তাদের লালন পালন করেন।আজকের এই অনুষ্ঠানে আসার পথে জাতীয় সড়কের পাসে এক ধাবা তে দাঁড়িয়ে সেখানকার কয়েকটি সারমেয় সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে উল্লেখ করেন বর্ধমানে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে তার মাঝে আমার বন্ধুদের শুভেচ্ছা। এর থেকেই তাঁর সারমেয় প্রেম সমন্ধে কিছুটা ধারনা পাওয়া যায়।এ-হেন মানুষ কেই এই ধরনের অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি হিসাবে আমন্ত্রন যতার্থ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত-এ গলা মেলালেন, এবং শো-তে উপস্থিত থাকা এক সারমেয়-র জাতীয় সঙ্গীত কে সন্মান জানানোর মুহুর্তটি মনে রাখার মত। যদিও যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে জাতীয় সঙ্গীত-র ছন্দ পতন হয়। অভিনেত্রী কোনও রকমে সামলে নেন।আজকের এই শোয়ে প্রধান অকর্ষন ছিলো এক ট্রেন দুর্ঘটনায় চলশক্তিরহিত পথভ্রষ্ট সোনামনি, সঞ্চিতা নামের এক গর্বিত কুকুর অভিভাবক এই অবলা পথভ্রষ্ট সারমেয় কে পালন করে জীবনদান করেন। অভিনেত্রী বলেন আমি এটা দেখে আরো অভিভূত কারণ এই সমস্ত মানুষ আমাদের লোমশ বন্ধুদের সম্পর্কে যে সচেতনতা ছড়াচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের অদের প্রতি ভালোবাসা কিছুটা হলেও বাড়বে। সঞ্চিতা বলেন হোক প্রতিবাদ, সবাই যেনো সতর্ক থাকে, ওদের ওপর কেউ যেন কেউ অত্যাচার করতে না পারে, সারমেয়দের ভালো রাখার আবেদন রাখেন।এই অনুষ্ঠানে বহু প্রজাতির সারমেয় অংশগ্রহন করে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জার্মান শেফার্ড, গ্রে হাউন্ড, ল্যাব্রেডার, তোসা ইনু, আমেরিকান বানডগ, কেনে কর্সো, রোডেশিয়ান রিংব্যাক, ডগো আর্জেন্টিনা, বোয়ের বোয়েল, গাল ডং, সেন্ট বার্নাড, আমেরিকান বুলডগ, বক্সার ইত্যাদি। এই সমস্ত সারমেয়রা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে।আয়োজক সংস্থা জনতার কথা কে জানান এই ধরণের অনুষ্ঠান করার উদ্দশ্যে একটাই যাতে সামান্য হলেও মানুষের এই সমস্ত অবলা পশুদের প্রতি সহমর্মিতা একটু হলেও বৃদ্ধি পায়। তখনই এই আয়োজনটাকে স্বার্থক বলে মনে করবো আমরা। মেমারি এলাকাই এই ধরণের আয়োজন এই প্রথম। প্রথম বারেই বেশ সাড়া ফেলে দেয়। বিশিষ্ট এক সাহিত্যিক বলেছিলেন কাউকে অমুকের বাচ্ছা বলে সেই পশু / জন্তু টার অপমান করবেন না। আর সাহিত্যিক দুলেন্দ্র ভৌমিকের বাজা তোরা রাজা যায় তে এক যায়গায় লিখেছেন, এক মানুষ দ্বারা আহত বাঘ তাঁর বাচ্ছা বাঘ কে বলছেন আমাদের বীরত্ব ফলাতে গেলে মানুষের চামড়া দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখতে হয় না। এর থেকে সপাট থাপ্পড় বোধহয় হাত দিয়েও মারা যায় না। তাই মানুষকে ডগ-শো করে সারমেয় / পশু প্রেম বাড়াতে হয়। যাক মুঠো টা তো খুলুক।।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 132
  • ...
  • 195
  • 196
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal