• ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

Bypoll Result: ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশ আজ, চলছে গণনা

আজ চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফল। খড়দা, গোসাবা, শান্তিপুর, দিনহাটায় প্রেস্টিজ ফাইট। গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা। খড়দহে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজের জয় নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। খড়দহের গণনাকেন্দ্রে ১৫০র বেশি ভোটকর্মী রয়েছেন। আজ চারটি কেন্দ্রের মধ্যে খড়দা অন্যতম নজরকাড়া কেন্দ্র। স্ট্রং রুমের সামনে কড়া নিরাপত্তা। এখানে ২২টি টেবিলে ১৬ রাউন্ড গণনা হচ্ছে। শেষ হাসি হাসবে কে? অপেক্ষা সময়ের।প্রসঙ্গত, ভবানীপুরে ভোটের ঠিক এক মাস পরেই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়। ভোটের ফল ঘোষণার আগেই করোনা সংক্রমণে মারা যান উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা। সেখানে জিতেছিল তৃণমূল। সেখানে এবার তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জয় সাহা। ভোটের দিন এই কেন্দ্রে টানটান উত্তেজনা ছিল। বাংলাদেশী ভুয়ো ভোটার বিতর্ক থেকে প্রয়াত কাজল সিনহার নাবালক পুত্রের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়া বিজেপি প্রার্থী, সব মিলিয়ে এই কেন্দ্রের ভোটের ফলের দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, খড়দহ বিধায়ক নয়, মন্ত্রীকে নির্বাচিত করে।অন্যদিকে বিধায়ক পদে শপথ নেওয়ার পরেই মারা যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। এ ছাড়া বিধানসভায় জিতেও সাংসদ পদে থেকে যাবেন বলে কোচবিহারের দিনহাটা ও নদিয়ার শান্তিপুরের বিধায়ক-পদ ছেড়েছেন বিজেপি-র দুই সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার। মোট চার কেন্দ্রে ভোট হয়েছে ৩০ অক্টোবর।এদিকে ভোটের ফলাফলের উত্তেজনার পারদে ফুটছে কোচবিহার জেলার দিনহাটা। এই কেন্দ্রের বিধায়ক নিশীথ প্রামানিক জয়ী হলেও তিনি বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচন হচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র ৫৭ হেরে যাওয়া উদয়ন গুহ এবার জয়ের ব্যাপারে খুবই আত্মবিশ্বাসী ।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Bijaya Sanmilani: বিজয়া সম্মিলনীর পাল্টা, জামালপুরে ব্লক তৃণমূল সভাপতিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন পঞ্চায়েত প্রধান

নামেই বিজয়া সম্মেলন। বাস্তবে সেই সম্মেলনকে হাতিয়ার করে নিজের নিজের সাংগঠনিক ক্ষমতা প্ররদর্শনের লড়াইয়ে নেমে পড়েছেন তৃণমূলের নেতারা। যেমনটা রবিবার বিকালে দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের চকদিঘীতে।ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন গত বুধবার চকদিঘী অঞ্চলের একটি মাঠে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করে তাঁর সাংগঠনিক শক্তির প্রদর্শন করেছিলেন। সেই একই মাঠে রবিবার পাল্টা বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করে নিজের সাংগঠনিক ক্ষমতা জাহির করলেন চকদিঘী পঞ্চায়েতের প্রধান গৌরসুন্দর মণ্ডল। এমনকি তিনি সম্মেলন মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দিলেন মেহেমুদ খাঁন কে। তৃণমূলের যুযুধান দুই নেতার লড়াই ঘিরে এখন সরগরম জামালপুর বিধানসভা এলাকা।আর এই লড়াই দেখে বেজায় উল্লশিত বিরোধী শিবির।তৃণমূল কংগ্রেস দল প্রতিষ্ঠার পর থেকে মেহেমুদ খাঁনের অন্যতম বিশ্বস্ত সঙ্গী ছিলেন চকদিঘী অঞ্চলের দাপুটে তৃণমূল নেতা গৌরসুন্দর মণ্ডল ।বাম আমলে এই দুই নেতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন। গত বিধানসভা নির্বাচনের সময়েও তাঁদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হওয়ার মত কিছু প্রকাশ্যে আসেনি। যা প্রকাশ্যে চলে এল রবিরার চকদিঘীতে অনুষ্ঠিত বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানের আয়োজন থেকে।জামালপুর ব্লক তৃণমূলের ব্যানারে গত বুধবার বিজয়া সম্মিলনীর অনু্ষ্ঠান হয় চকদিঘিতে। সেই অনুষ্ঠানে ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন ছাড়াও এলাকার বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক সহ ব্লকের অন্য শাখা সংগঠনের নেতৃত্ব উপস্থিত থাকেন। কিন্তু ওই দিনের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকেন চকদিঘী পঞ্চায়েতের প্রধান গৌরসুন্দর মণ্ডল ও তাঁর অনুগতরা। ওই দিন সম্মেলন মঞ্চ থেকে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখেন মেহেমুদ খাঁন। তিনি বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের সময় অনেকে পাঁচিলের উপরে উঠে দাঁড়িয়েছিল। পাঁচিলে দাঁড়িয়ে দূর থেকে দেখছিল। তাঁরা ভেবেছিল তৃণমূল আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। যাঁরা পাঁচিলে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন তাঁদের বলে দিতে চাই আপনারা সজাগ থাকুন। পাঁচিলে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে শেষ করা যায় না। ২০২৪ সালে বাংলার মা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা দেশের প্রধানমন্ত্রী করবোই।মেহেমুদ খাঁনের এই বক্তব্যের সূত্র ধরেই রবিবার বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চ থেকে পাল্টা ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখেন চকদিঘী পঞ্চায়েতের প্রধান। দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য ও অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি কাশিনাথ সরকারকে পাশে নিয়ে গৌরুসুন্দর মণ্ডল নাম না করে মেহেমুদ খানের বিরুদ্ধে হুংকার ছাড়েন। গৌরবাবু বলেন, তিনি ছাত্র জীবন থেকে তৃণমূল কংগ্রেস দলের হয়ে লড়ে আসছেন। অন্য কোনও দল করার কথা তিনি ভাবতেই পারেন না। ২০২৪ শে তিনিও তাঁদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান। এরপরেই গৌর বাবু বলেন, তিন দিন আগে একই মাঠে তাঁরা ব্লকের বিজয়া সম্মিলন দেখেছেন। গৌরবাবু দাবি করেন, সেই সম্মেলনে তাঁদেরই দেখা গেল যাঁরা গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে দাপিয়ে বেড়িয়ে ছিল, তৃণমূলের পতাকা ছিঁড়ে তাতে প্রস্রাব করে দিয়েছিল। গৌর বাবু আরও বলেন, তিন দিন আগের সম্মেলনে আমরা এমন একজনকে দেখতে পাই যিনি আগের ভোটে চকদিঘীতে সিপিএমের বিরোধী দলনেতা ছিলেন। উনি দশ আঙুলে ১০ টি সোনার আঙটি, গলায় ১ ভরির মোটা চেন পরে থাকেন। তিনি আবার রাতারাতি তৃণমূলের নেতা হয়ে গেলেন। উনি আবার সম্প্রতি বিজেপির ছেলেদেরকে তৃণমূলে জয়েন করিয়েছেন। আর যিনি ওই সম্মেলন মঞ্চ থেকে বলে যান যাঁরা গত বিধানসভা নির্বাচনে পাঁচিলের উপর থেকে জল মাপছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে নাকি দল ব্যবস্থা নেবে। পাল্টা প্রশ্ন তুলে গৌর মণ্ডল বলেন, তাহলে যাঁরা ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জল মেপেছিল তাঁদের কি হবে? ২০১৬ সালে দলের সঙ্গে যাঁরা ব্ল্যাকমেলিং করেছিল তাঁদেরও চিহ্নিত করার দাবি তোলেন গৌরসুন্দর মণ্ডল।বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে একে অপরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুঁড়ি নিয়ে প্রশ্ন করা বলে জামালপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন এদিন কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় জানান , ঘটনা বিষয়ে তিনি বিস্তারিত খোঁজ খবর নেবেন। দলের শৃঙ্খলা বিরোধী কিছু হয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Examination Schedule: মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক নির্ঘণ্ট ঘোষণা, পরীক্ষার সূচি জানুন

আগামী বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ৭ মার্চ থেকে শুরু হবে ২০২২ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে ১৬ মার্চ পর্যন্ত। অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিক শুরু হবে ২ এপ্রিল থেকে। চলবে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত। উচ্চ মাধ্যমিক হবে হোম সেন্টারে। অর্থাৎ স্কুলেই হবে পরীক্ষাগ্রহণ।২০২২ সালের মাধ্যমিকের সূচি-৭ মার্চ বাংলা৮ মার্চ ইংরেজি৯ মার্চ ভূগোল১১ মার্চ ইতিহাস১২ মার্চ জীবনবিজ্ঞান১৪ মার্চ অঙ্ক১৫ মার্চ ভৌত বিজ্ঞান১৬ মার্চ ঐচ্ছিক বিষয়পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানান, মাধ্যমিক শুরু হবে সকাল ১১টা ৪৫ থেকে। চলবে বেলা ৩টে পর্যন্ত। প্রথম ১৫ মিনিট প্রশ্নপত্র পড়ুয়ারা পড়বে। পরের তিন ঘণ্টা থাকবে লেখার জন্য। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছেন ৯ হাজার ৯৯১ টি স্কুলের পড়ুয়ারা। আমাদের হোম সেন্টার হবে না। কোভিড বিধি মেনে যতখানি পারব পরীক্ষাকেন্দ্র বাড়াব। সেই হিসাবে পরীক্ষা হবে। এখনও অবধি সিদ্ধান্ত টেস্ট আমরা নেব। তবে সবটাই নির্ভর করবে কোভিড পরিস্থিতির উপরে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে স্কুলগুলিতে টেস্ট পরীক্ষার ব্যবস্থা করা যাবে বলে আশাবাদী পর্ষদ সভাপতি।অন্যদিকে ২ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। মোট ৫৬ টা বিষয়ের উপর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে। একাদশে রয়েছে ৬০টি বিষয়ে পরীক্ষা। কারণ এ বছর একাদশে আরও চারটি ভোকেশনাল কোর্স বেড়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশের পরীক্ষা হবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা ১৫ পর্যন্ত। একই দিনে একাদশের পরীক্ষা হবে বেলা ২টো থেকে বিকেল ৫টা ১৫ পর্যন্ত। উচ্চমাধ্যমিকের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা শুরু হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মার্চ। প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষাগুলো স্কুলগুলিই পরিচালনা করবে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

High Court: কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজোয় উপচে পড়বে ভিড় ! মামলা হাইকোর্টে

দূরত্ববিধি বজায় রেখে বাঙালিকে দুর্গাপুজোয় আনন্দ করার অনুমতি দিয়েছিল বলেছিল হাইকোর্ট। সেই নির্দেশে না মেনে উৎসবপ্রেমী মানুষের ভিড়ের ঢল নেমেছিল রাস্তায়।রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ গত কয়েক সপ্তাহে বেশ কিছুটা উর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চালু হওয়ায় পর কালীপুজো, ছট, জগদ্ধাত্রী পুজোর মতো উৎসব আসন্ন। এখন কী হবে প্রশ্ন তুলে উদ্বেগের কথা জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন অজয় দে নামে এক ব্যক্তি। দুর্গাপুজোর মাত্রাছাড়া ভিড়ের প্রসঙ্গ টেনে আসন্ন কালীপুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণ করার আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। সেই আবেদনের শুনানিতেই দুর্গাপুজোয় ভিড়ের কারণ জানতে চেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। সোমবার আবেদনটির শুনানি ছিল বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদ এবং বিচারপতি আনন্দকুমারের অবকাশকালীন বেঞ্চে। বেঞ্চ ওই ব্যক্তিকে ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মামলা করার অনুমতি দিয়েছে।বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদ। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি আবেদনের শুনানিতে তিনি রীতিমতো বিরক্তির সুরেই বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশ মানা দরকার বলেই মনে করেনি কেউ। দুর্গাপুজোয় যথেচ্ছ ভিড় হয়েছে। সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করাও হয়নি। হাইকোর্টের নির্দেশ এ ভাবে প্রকাশ্যে অমান্য করার কারণ কী?

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Winter: উত্তুরে হাওয়ায় বঙ্গে শীতের আমেজ

রাজ্যে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কেটে গিয়েছে। যার জেরে সুগম হয়েছে উত্তুরে হাওয়ার প্রবেশ পথ। আর তাই সূর্যাস্তের পরেই শীতের আমেজ কিছুটা হলেও অনুভব হচ্ছে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে পড়বে না শীত। তবে আবহাওয়া ক্রমশ শুষ্ক হতে থাকবে।এখন হেমন্তের পরিবেশ সারা বাংলাজুড়ে। শুরু হয়েছে উত্তরের হাওয়ার দাপট। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার নীচে থাকার কারণে এই হালকা শীতের আমেজ উপভোগ করতে পারছেন বঙ্গবাসী। তবে,খুব সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা দেখা দিচ্ছে।তবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলেছে। পাশাপাশি থাকবে শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া। দার্জিলিং,কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টির পর বুধবার থেকে দার্জিলিং-এর তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যাওয়ার সম্ভাবনা। আগামী কয়েকদিনে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। শীতের আমেজ কিছুটা বাড়বে সঙ্গে সকালের দিকে কুয়াশার দাপটও বাড়বে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Local Train: লোকাল চালু হলেও শিকেয় দূরত্ববিধি, চিন্তায় যাত্রীরা

দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর রবিবার থেকে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে শুরু হয়েছে পরিষেবা। সোমবার সপ্তাহের প্রথমদিন কার্যত সবথেকে বড় পরীক্ষা রেলের জন্য। কিভাবে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এবং কিভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ প্রশাসন এবং রেল সেই দিকে নজর রয়েছে সকলের।বিভিন্ন যাত্রী জানিয়েছেন, ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে কোভিড বিধি মানার কথা থাকলেও বেশিরভাগ মানুষই সেই বিধি মানছেন না বলে অভিযোগ যাত্রীদের। অনেকেই মনে করছেন যে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সময়ে ট্রেন চালানো এবং ১২ বগির ট্রেন চালানোর মধ্য দিয়ে এই বিধি মানা তুলনামূলক বেশি সহজ হবে। সোমবার অফিস টাইমে কিভাবে কোভিড প্রোটোকল মানা হবে সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে শহরবাসী। যদিও প্রথমদিন অর্থাৎ রবিবারে অনেক মানুষই স্টেশনে মাস্ক নিয়েই আসেননি। সোমবারেও বহু স্টেশনে চোখে পড়ার মত ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। অনেকের মুখেই দেখা যায়নি মাস্ক। অনেকেই পকেটে ঢুকিয়ে রেখেছেন মাস্ক এবং এই প্রবণতাই ক্রমশ দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Raina: পূর্ব বর্ধমানে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার সুপারি কিলার সহ ২

হেলমেটে মুখ ঢেকে দামি হাইস্পিড মোটর বাইকে চড়ে আগে আগে যাচ্ছে দুই যুবক। তাঁদেরই পিছন পিছন যাচ্ছে একটি চারচাকা গাড়ি। গত ২২ অক্টোবর বিকালে তাঁরা যাওয়ার সময়ে কেউ ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি ওই চারচাকা গাড়িতেই সওয়ার রয়েছে সুপারি কিলাররা। যে সুপারি কিলাররা ওইদিন সন্ধ্যায় নৃশংসভাবে খুন করে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার দেরিয়াপুরের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসা কলকাতার ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। ঘটনাস্থলের কয়েক কিলোমিটার অদূরে জামালপুরের হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল সেই ছবি। তারই সূত্র ধরে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনার তদন্ত চালিয়ে এক সুপারি কিলার সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদেরও নাগাল পেতে চাইছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শনিবার রাতে কলকাতার নারকেলডাঙা এলাকা থেকে পুলিশ দুই জনকে ধরে। তাঁদের নাম জনিসর আলম ওরফে রিকি ও মহম্মদ সাদ্দাম। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, দুজনকে আটক করে প্রথমে রায়না থানায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার দুপুরে তাঁদের দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, নিহত ব্যবসায়ীর বাবার অভিযোগই সত্য। পারিবারিক শত্রুতার জেরেই খুন হতে হয়েছে ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। সেই কারণেই সব্যসাচীকে খুনের ঘটনায় রিকি ৫০ লক্ষ টাকা সুপারি পেয়েছিল। খুনের ঘটনার পর রিকি নারকেলডাঙার বদলে আনন্দপুরের গুলশন কলোনীতে ডেরা নিয়েছিল।পুলিশ সেখান থেকেই তাঁকে ধরে। এরপরে ধরা হয় মহম্মদ সাদ্দামকে। এই সাদ্দামের চারচাকা গাড়িতে চেপেই অভিযুক্তরা ঘটনার দিন গিয়েছিল রায়নার দেরিয়াপুরে ব্যবসায়ী সব্যসাচীর দেশবাড়িতে। যে গাড়িটি গত দুমাস আগে সাদ্দাম কিনেছিল। সাদ্দাম ওই চারচাকা গাড়িটির ১৯তম মালিক। পুলিশ আরও জেনেছে গত ২২ অক্টোবর সব্যসাচীকে খুনের ঘটনার দিন ওই গাড়িতে সুপারি কিলার ও সাদ্দাম সহ আরো কয়েকজন ছিল।ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজেই হাইস্পিড মোটর বাইকের পিছন পিছন চারচাকা ওই গাড়িটি যাওয়ার ছবি ধরা পড়ে। একই ছবি পুলিশ জামালপুরের মসাগ্রামের একটি দেকানের ও জানকুলির এক বাসিন্দার বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও দেখতে পায়। পুলিশ পালসিট ও ডানকুনি টোল প্লাজা থেকেও ঘটনার দিনের রাতের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে।হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার দিন দুপুর ২ টো ৩৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চেপে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পার হয়ে সোজা রায়নার দিকের রাস্তা ধরে চলে যায়। এরপর ওইদিন বিকাল ৪ টে ৫৯ মিনিটে বাইক আরোহীদের পিছন পিছন একটি চারচাকা গাড়ি হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোলট্যাক্স অফিসের সামনে এসে দাঁড়ায়। সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চড়ে রায়নার দিকে সোজা চলে গেলেও ওই চারচাকা গাড়িটি সেই পথে যায় না। গাড়িটি টোল ট্যাক্স অফিসের ডান দিকে ঘুরে কালড়াঘাট ও জানকুলি গ্রামের রাস্তা ধরে এগিয়ে যায় দেরিয়াপুরের দিকে। এর খানিকটা বাদ সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিট নাগাদ রায়নার দিক থেকে এসে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পেরিয়ে শুধুমাত্র বাইক আরোহীরা জামালপুরের দিকে সোজা চলে যায়। তারপর ওই সন্দেহজনক চারচাকা গাড়িটি রাত ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্রুত গতিতে কালাড়াঘাট গ্রামের দিক থেকে ফিরে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের পিছনের রাস্তা দিয়ে রায়নার দিকে চলে যায়। তার খানিকটা বাদেই রাত ৮ টা ৫৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী মণ্ডলের গাড়িটি প্রচণ্ড গতিতে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তা দিয়ে জামালপুরের দিকে চলে যায়।সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া বাইকের পিছন পিছন চলা চারচাকা গাড়িটির বিষয়ে পুলিশের সন্দেহ তৈরি হয়। ওই গাড়িটির বিষয়ে খোঁজ চালাতে চালাতেই পুলিশ গাড়িটির মালিক মহম্মদ সাদ্দাম ও সুপারি কিলার রিকির কাছে পৌছে য়ায়।তদন্তকারীরা জেনেছেন, ঘটনার দিন রিকি সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বাকি যারা ওই চারচাকা গাড়িতে চড়ে গিয়েছিল তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে সব্যসাচীকে খুন করে।নিহতের বাবা দেবকুমার মণ্ডল রায়না থানায় অভিযোগে জানিয়ে ছিলেন, তাঁর ছোট ভাই ও ভাইপোরা লোক লাগিয়ে সব্যসাচীকে খুন করিয়েছে। সুপারি কিলার ধরা পড়ার পর নিহতের বাবার সেই দাবি জোরালো হচ্ছে। তবে বহিরাগত সুপারি কিলারদের কারা রাস্তা দেখিয়ে সব্যসাচীর দেশবাড়ি রায়না দেরিয়াপুরে নিয়ে গেল? এই প্রশ্ন পুলিশকেও ভাবিয়ে তুলেছে। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তদন্ত এখনও চলছে। সব প্রশ্নের উত্তর মিলে যাবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজ্য

Khardah By Poll: খড়দহে দফায় দফায় উত্তেজনা, কাজল সিনহার ছেলেকে মারধর

খড়দহে ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় শনিবার। মুড়াগাছায় জাল ভোটার ধরতে গাড়ি থেকে নেমে ধাওয়া করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, শশীভূষণ জুনিয়র বেসিক স্কুলে ভোট দিতে আসেন কয়েকজন জাল ভোটার। একজনকে ধরে ফেলেন বলে দাবি করেন বিজেপি প্রার্থী। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে ভয়ে পালাচ্ছিলেন বলে দাবি অভিযোগকারীর।এ দিন খড়দায় ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। আইডিয়াল অ্যাকাডেমির সামনে তীব্র উত্তেজনা। অন্যের ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে আসার অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দেন ওই ব্যক্তি। এই সংবাগদ প্রকাশিত হওয়া মাত্রই ঘটনার রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশনের। অন্যদিকে, এদিন খড়দহে প্রয়াত বিধায়ক কাজল সিনহার ছেলে আর্যদীপ সিনহাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে খড়দহ বিটি রোড অবরোধ করে তৃণমূল। বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার গাড়ি ঘিরেও বিক্ষোভ দেখানো হয়।উল্লেখ্য, ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন সম্পন্ন হল আজ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনহাটায় ভোট পড়েছে ৭০%। শান্তিপুরে ভোট পড়েছে ৭৬%। খড়দায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৬৪%। গোসাবায় ভোট পড়েছে ৭৬%।ভোট শুরু হওয়ার একঘণ্টার মধ্যেই বিলকান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের যুগবেড়িয়ায় তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পড়েন খড়দহর বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা। তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, প্রতীক লাগানো গাড়িতে চড়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন বিজেপি প্রার্থী। এই অভিযোগে যুগবেড়িয়া এলাকায় বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা। বুথের বাইরে বেআইনি জমায়েত করে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূলই, পাল্টা অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজ্য

By Election: আপাতত শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে চার কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ

শান্তিপূর্ণভাবে কিছুটা ধীর লয়েই চলছে রাজ্যের চার কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ। শান্তিপুর এবং গোসাবায় বেলা ১১টা অবধি ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়লেও দিনহাটা এবং খড়দহে তা ৩০ শতাংশের কম। বেলা ১১টা চার কেন্দ্রে ভোটের হার যথাক্রমে-খড়দহ: ২৩.৬০ শতাংশশান্তিপুর: ৩২.৩১ শতাংশগোসাবা: ৩৩.৮৭ শতাংশদিনহাটা: ২৮.৭৩ শতাংশএদিকে খড়দহ বিধানসভার ৪৯ নম্বর বুথের ভিতরে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিআরপিএফ-এ বিরুদ্ধে। অভিযোগ তৃণমূলের। খড়দহের ১০৫ এবং ১০৫এ নম্বর বুথে মোবাইল নিয়ে ভোটারদের বুথে ঢুকতে সিআরপিএফ বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।অন্যদিকে গোসাবার ৪৮এ এবং ৪৯এ বুথে সিআরপিএফ অযথা ভোটারদের বিরক্ত করছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। দিনহাটার ২৯৬ নম্বর বুথেও সিআরপিএফ-এ বিরুদ্ধে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসকদল।শনিবার সকালে ভোট দিয়েছেন প্রয়াত তৃণমূল নেতা কাজল সিন্হার স্ত্রী নন্দিতা সিন্হা। গত নির্বাচনে খড়দহ থেকে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন কাজল। কিন্তু ভোটের ফলপ্রকাশের আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় কাজলের। ২ মে ফল প্রকাশের দিন দেখা যায় ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শীলভদ্র দত্তকে ২৮ হাজার ১৪০ ভোটে পরাজিত করেছেন কাজল। কিন্তু তিনি বেঁচে না থাকায় ফের ভোট হচ্ছে এই কেন্দ্রে। এ বারের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজ্য

By Poll: শুরু ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন

ভবানীপুরের পর এ বার বাকি চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন। কোচবিহারের দিনহাটা, নদিয়ার শান্তিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা আসনে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। এর মধ্যে খড়দহ ও গোসাবায় তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা ও জয়ন্ত নস্কর জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু ফল প্রকাশের আগেই মৃত্যু হয় কাজলের। গোসাবার বিধায়ক মারা যান ফলপ্রকাশের পরে। অন্যদিকে, দিনহাটা ও শান্তিপুরে জিতেছিলেন বিজেপি-র নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার। দুজনেই লোকসভার সাংসদ। বিধানসভা ভোটে জেতার পর তাঁরা বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে সাংসদই থেকে যান। এই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে শনিবার। মঙ্গলবার অর্থাৎ ২ নভেম্বর চার কেন্দ্রেরই ফল ঘোষণা।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Commit Suicide: ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে প্রেমিকা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু

ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠলো প্রেমিকা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে। মৃত ছাত্রের নাম সৈকত মাঝি(১৯)।তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার কাঁশড়া গ্রামে। সৈকত দুর্গাপুরের বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়তো। গত ১৫ অক্টোবর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ। ছাত্রের এই মৃত্যুর ঘটনার জন্য দোষীদের শাস্তিদানের ব্যাপারে পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় শুক্রবার বর্ধমান সিজেএম আদালতের দ্বারস্থ হন ছাত্রের দাদা সৌমেন মাঝি। মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য শুনে সিজেএম আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা জন্য জামালপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে সৌমেন মাঝি জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ি জামালপুর থানার কাঁশড়া গ্রামে। তাঁর ভাই সৈকত মাঝি দুর্গাপুরের বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে মেকানিক্যাল বিভাগের ছাত্র ছিল। কাঁশড়া এলাকার এক যুবতীর সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এই সম্পর্কের বিষয়টি যুবতীর পরিবার মেনে নেয়নি। ঘটনার মাস দুই আগে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য যুবতীর পরিবার সৈকতকে নানা ভাবে হুমকি দেয়। এইসবের কারণে তাঁর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ভাই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিল। ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করতো না।উদাস থাকতো। সেই কারণে সব ভুলে গিয়ে ভাল করে পড়াশুনা করার জন্য তিনি তাঁর ভাইকে বলেন।সৈকত তখন তাঁদের জানায় ,যুবতী অন্য একজনের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পের্ক লিপ্ত হয়েছে। তাই নানা কটুক্তি করে তাকে ভুলে যাওয়ার কথা যুবতী তাঁর ভাই সৈকতকে বলছে। এমনকি চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে যুবতী সৈকতকে তার সঙ্গে দেখা করার জন্য ডেকে পাঠায়। সৈকত দেখা করতে গেলে যুবতী ও তার নব্য প্রেমিক তাকে অপমানজনক কথাবার্তা বলে। তাতে সৈকত মানসিকভাবে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমন অবস্থার মধ্যেই গত ১৫ অক্টোবর রাত দেড়টা নাগাদ মদ্যপ অবস্থায় কয়েকজন তাঁদের বাড়িতে এসে দরজায় ধাক্কাধাক্কি করে। তারা তাঁর ভাইকে ডাকাডাকি করে। তা শুনে সৈকত বাইরে বেরিয়ে এলে তাকে তাঁরা পুনরায় কটূক্তি করে। এমনকি গুলি করে মেরে দেওয়ারও হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়। এরপর সৈকত ঘরে শুতে যায়। সৌমেন জানিয়েছেন, পরের দিন সকালে ঘরের সিলিং ফ্যানের হুকে লেপের কভার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সৈকতকে ঝুলতে দেখা যায়। জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক সৈকতকে মৃত ঘোষণা করেন।মামলাকারী মৃতের দাদার আইনজীবী শর্মিষ্ঠা সামন্ত জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনার কথা থানায় জানানো হয়েছিল। থানা কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে ছাত্রের পরিবারকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। বিষয়টি জেলার পুলিশ সুপারকেও জানানো হয়। তারপরও পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে সিজেএম আদালতে মামলা করা হয়েছে। সিজেএম তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। জামালপুর থানার এক অফিসার বলেন, সম্ভবত কেউ এই ধরণের অভিযোগ জানাতে থানায় আসেন নি। তবে আদালত নির্দেশ দিলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Raids for Crackers: পূর্ব বর্ধমানে অভিযান চালিয়ে প্রচুর বাজি উদ্ধারের পাশাপাশি গ্রেপ্তার ৪

কালীপুজো ও দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো ও বিক্রি রুখতে লাগাতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রচুর শব্দবাজি উদ্ধার করার পাশাপাশি ৪ জন বাজি বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার রাজ্যের সর্ব্বোচ্চ আদালত যে কোনও ধরণের বাজি বিক্রি ও পোড়ানো নিষিদ্ধ করছে। শুধুমাত্র প্রদীপ অথবা মোমবাতি জ্বেলে দীপাবলি পালন করায়ছাড় দিয়েছে আদালত। আদালতের সেই নির্দেশ কার্যকর করতে শুক্রবার অভিযান আরও জোরদার করলো পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার মেমারি থানার পুলিশ মেমারির গৌরীপুরের একটি বাজি কারখানায় হানা দিয়ে দুটি বস্তায় মজুত করে রাখা ৫০ কেজি শব্দ ও আতসবাজি উদ্ধার করেছে।এছাড়াও ওই কারখানা থেকে ৫০ কেজির বেশি বাজি তৈরির উপকরণও পেয়েছে। উদ্ধার হওয়া সবকিছু বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ অবৈধভাবে বাজি তৈরির অভিযোগে ওই কারখানার মালিক বাদল মুর্মুকে গ্রেপ্তার করেছে। একই দিনে শক্তিগড় থানার পুলিশ একটি দোকানে হানা দিয়ে ৫ কেজি শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে। নিষিদ্ধ বাজি বিক্রির অভিযোগে পুলিশ জগন্নাথ খাঁ ও বনমালি হালদার নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়াও জেলার মাধবডিহি থানার পুলিম বৃহস্পতিবার রাতে বিনোদপুর এলাকার নিতাই মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিয়ে ২ কেজি লঙ্কা বাজি, ১০টি গাছ বাজি, ২৫০টি শব্দবাজি ও ১৫টি তুবড়ি বাজি উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি, বাজি বিক্রি সংক্রান্ত বৈধ কোনও নথিপত্র ধৃতদের কেউই দেখাতে না পারার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হওয়ায় সিজেএম যদিও ধৃত সকলের জামিন মঞ্জুর করেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

School Reopen: স্কুল খোলা নিয়ে একগুচ্ছ নির্দেশিকা-সহ বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য

১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্যে খুলছে স্কুল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন শুরু হবে স্কুলে। এবার রাজ্য সরকারের তরফে স্কুলের সময়সীমা ধার্য করা হল।রাজ্যের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে ৩:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে ৯:৩০ টার মধ্যে। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১১ টা থেকে। চলবে ৪:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রীছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে। এই মর্মে রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্কুলগুলিকে তা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। তবে অতিমারি পরিস্থিতিতে স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার্থে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করে ওয়েস্ট বেঙ্গল সেকেন্ডারি বোর্ড। সেগুলো কী, আসুন জেনে নেওয়া যাক।১. সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, সোম থেকে শনিবার পর্যন্তই স্কুল হবে। তবে কিছুটা সময় সীমার পরিবর্তন করা হয়েছে।২.এক-একটি ক্লাসকে দুটি বা তার বেশি শ্রেণি কক্ষে ভেঙে বসাতে হবে। পড়ুয়াদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।৩. থিওরি ক্লাসের পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলি নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই শর্ত প্রযোজ্য।৪. নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে ৩:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে ৯:৩০ টার মধ্যে। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১১ টা থেকে। চলবে ৪:৩০ পর্যন্ত।৫. ক্লাস শুরু হওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা আগে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে।করোনার বিষয়ে অভিভাবক ও পড়ুয়াদের সতর্ক করার দায়িত্বও স্কুলকেই দিয়েছে রাজ্য। করোনা সম্পর্কে অবহিত হতে হবে। কী করা যাবে এবং কী করা যাবে না সে বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। ডু অ্যান্ড ডোন্টস-এরও একটি তালিকা রয়েছে বিকাশ ভবনের স্কুল রিওপেন বুকলেটে। সেখানে বলা হয়েছে, জ্বর হলে কোনও অভিভাবক যেন পড়ুয়াকে স্কুলে না পাঠান। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, ক্লাস চলাকালীন একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর পর ক্লাসরুম, ল্যাব বা অন্যান্য ঘরগুলি স্যানিটাইজ করতে হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Covid Infection: উৎসব মিটতেই কোভিড সংক্রমণ উর্ধমুখী, বর্ধমানে নেওয়া হল কড়া পদক্ষেপ

শারদোৎসব মিটতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায ক্রমশ উর্ধ্বমুখী হচ্ছে কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ। নতুন করে বুধবার জেলায় ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৭ জন বর্ধমান শহরেই বাসিন্দা। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখতে ফের আগের মতোই কড়া পদক্ষেপ নিল জেলার পুলিশ ও প্রশাসন।রাস্তায় নাকা চেকিং শুরু করার পাশাপাশি পুলিশ মাস্ক পড়ার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামলাল এলাকার একাংশ গণ্ডিবদ্ধ এলাকা হিসাবে ঘোষণা করেন জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকায় বিধি লাগু করতে এদিন আশরে নামেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা।বিধি মেনে ওই গণ্ডিবদ্ধ এলাকায় আগামী ৭ দিন সমস্ত দোকাণপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে প্রশাসন। বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস ;বর্ধমান পৌরসভার সহ পুর-প্রশাসক আইনুল হক ,বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী সহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরাএদিন গণ্ডিবদ্ধ এলাকা পরিদর্শে যান। তাঁরা সেখানকার মানুষকে সচেতন করেন। মাস্ক পড়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন। এছাড়াও এলাকার সব দোকানপাট আগামী সাতদিন বন্ধ রাখার কথাও জানিয়ে দেন প্রশাসনের কর্তারা। প্রশাসন সূত্রে খবর,এই মুহূর্তে বর্ধমান শহরে ৫৮ জন অ্যাক্টিভ কোভিড রোগী আছেন। তার মধ্যে ১৭ জনই শ্যামলাল এলাকার। তাই কঠোর ব্যবস্থা বলবত করার দিকেই যেতে হল প্রশাসনকে।বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিধি লাগু হওয়া এলাকা স্যানিটাইজ করা হবে। বাইরে থেকে লোক আসা যাওয়া নিয়ন্ত্রণে রুখতে এলাকায় পুলিশ পোস্টিং থাকবে । পৌরসভার সহ-প্রশাসক আইনুল হক জানিয়েছেন, আশাকর্মীরা এই এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবেন। প্রয়োজনে বাসিন্দাদের আর টি পি সি আর টেস্ট করা হবে। কোন ভাবেই এলাকায় ভিড়বাড়তে দেওয়া হবে না। দোকান বাজার বন্ধ থাকলেও বাসিন্দাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কোনও জিনিসের অভাব হবে না। কোভিড আক্রান্তদের কাছে দুবেলা খাবার যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও এলাকার আক্রান্তদের বাড়ি থেকে বর্জ্যপদার্থ নিয়ে যাবে পুরসভার কর্মীরা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Firecrackers Ban: সবরকমের বাজি নিষিদ্ধ করে কী জানাল হাইকোর্ট?

দীপাবলি ও ছটে সব ধরনের বাজি নিষিদ্ধ করল কলকাতা হাইকোর্ট। সব ধরনের বাজিতেই এবার নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। এমনকী শব্দবাজি না হলেও তা পোড়ানো যাবে না। কোনও ধরনের ফায়ার ক্র্যাকার্সই ব্যবহার করা যাবে না।পরিবেশ বান্ধব সবুজ বাজিও এবার নিষিদ্ধই বলে জানাল আদালত। কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো, ছটপুজোতে কোনওরকম বাজিই ফাটানো যাবে না বলে নির্দেশ আদালতের।শুক্রবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের অবকাশকালীন বেঞ্চে উৎসবের মরশুমে বাজি পোড়ানো নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, সবুজ বাজি বা গ্রিন ক্র্যাকার্স কোনও রকম ক্ষতি করে না, এমন প্রমাণ মেলেনি। সবুজ বাজি পরীক্ষা সম্ভবও নয়। তাই অতিমারিকে মাথায় রেখে এবং এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের কথা ভেবে এবার পুজোয় সবরকমের বাজিই নিষিদ্ধ করা হল।একই সঙ্গে আদালতের নির্দেশ, বাজি যে ব্যবহার হচ্ছে না সেটা দেখবে রাজ্য। কালীপুজো, দীপাবলি, জগদ্ধাত্রী পুজো, ছটপুজোর পাশাপাশি ক্রিসমাস কিংবা নিউ ইয়ারেও বাজি ব্যবহার চলবে না। তবে অবশ্যই প্রদীপ জ্বালানো যাবে। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের অবকাশকালীন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।গতবারও বলা হয়েছিল, বাজিও ফাটানো যাবে না পুজোয়। হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল কোনও বাজি বিক্রিও করা যাবে না। অর্থাৎ রাজ্যজুড়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল বাজি। কালীপুজো, দীপাবলির পাশপাশি ছটপুজোতেও বাজি ফাটানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আদালত। এবারও সেই পথেই হাঁটল কলকাতা হাইকোর্ট।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Local Train: উঠে গেল বিধিনিষেধ, রাজ্যে কবে থেকে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন?

করোনা পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছিল এই রাজ্যে। দীর্ঘ দিন লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় তা চালু করার দাবিও উঠেছিল। স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে উঠতে না পেরে অবরোধের ঘটনাও ঘটে। ক্ষোভ-বিক্ষোভে ফেটে পড়ে যাত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে ছিলেন কলকাতা সংলগ্ন জেলায় ৫০ শতাংশ টিকাকরণ হলে ট্রেন চালু করা হবে। যদিও পরে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলে স্টাফ স্পেশাল ও বিশেষ ট্রেন চলাচলে ছাড় দেয় রাজ্য।স্পেশাল বললেও লোকাল ট্রেনের টাইম টেবিলেই বেশ কিছু ট্রেন চলাচল শুরু করে। হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন যাত্রীরা। তবে পরবর্তী ক্ষেত্রে ট্রেনের টিকিট দেওয়া শুরু হওয়ায় যাত্রী হয়রানি কিছুটা কমে। এবার অবসানের পথে সেই কষ্ট। লোকাল ট্রেন চলাচলে ছাড় ঘোষণা করল নবান্ন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে কোভিড বিধি মেনে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন। আগামী রবিবার থেকেই রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Road Rollers : চারটে রোড রোলার গায়েব, ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান পৌরসভার অন্দরে

এক আধটা নয়। গায়েব হয়ে গিয়েছে বর্ধমান পৌরসভার চার চারটে রোড রোলার। যা জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমান পৌরসভার প্রশাসনিক মহলে। বর্ধমান পৌরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান প্রণব চট্টোপাধ্যায়ও রোড রোলার গায়েব হয়ে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। কারা গায়েব করলো পৌরসভার রোড রোলার? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে পৌরসভার অন্দরে।নতুন প্রশাসকমণ্ডলী বর্ধমান পৌরসভার দায়িত্ব নেয় মাস দুয়েক আগে। তারপর থেকে শহর জুড়ে শুরু হয়েছে বকেয়া থাকা বেশ কিছু কাজ। শুধু তাই নয়। পৌরসভার অনেক আর্থিক হিসেবনিকেশ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবারের বারবেলায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে খবর পৌছায় পুরসভার গোডাউনে থাকা চারটি রোলারই গায়েব হয়ে গিয়েছে।পুর প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান প্রণব চট্টোপাধ্যায় এদিন চারটি রোলার গায়েব হয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে নেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রোড রোলার তো আর পকেটে ভরে নিয়ে যাওয়ার জিনিস নয়। আইনি পথেই এর বিহিত করা হবে। চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, আগামী শনিবারের মধ্যেই এর তত্বতালাশ তাঁরা করে ফেলবেন।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন প্রশাসক বোর্ড দায়িত্ব নেবার আগে প্রায় তিনবছর সরকারি আধিকারিক বর্ধমান পৌরসভা চালিয়েছেন। এর আগে পাঁচ বছর বর্ধমান পৌরসভার ক্ষমতায় ছিল শাসকদলের বোর্ড।এই বিষয়ে জেলার বিজেপি নেতা সন্দীপ নন্দী কটাক্ষ করে বলেন, এরপর বর্ধমান শহরের নাগরিকরা কোনওদিন শুনবেন গোটা বর্ধমান পৌরসভাটাই গায়েব হয়েগেছে। বর্ধমান পৌরসভায় দীর্ঘদিন যাবৎ দুর্নীতিরাজ চলছে। এখন আবার রোড রোলারও চুরি হয়ে যাচ্ছে। পৌর নির্বাচনে বর্ধমানের মানুষ এইসব ঘটনার যোগ্য জবাব দেবেন বলে সন্দীপবাবু দাবি করেছেন।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Ferry Service: কালনা-শান্তিপুর ফেরিঘাট দিয়ে মালবাহী গাড়ি পারাপারের চাপ বাড়ছে, বেড়েছে শঙ্কাও

ফাটল ধরা পড়ায় বন্ধ রয়েছে নদীয়ার গৌরাঙ্গ সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল। তাবলে ঘুর পথে মালবাহী গাড়ি নিয়ে গন্তব্যে পৌছানোর আগ্রহ দেখাচ্ছেন না কোন চালক। ডিজেলের দাম সেঞ্চুরী পার করায় চালকরা তাই পূর্ব বর্ধমানের কালনার ফেরিঘাটে থাকা ভেসেলে তাঁদের মালবাহী গড়ি চাপিয়ে ভাগীরথী পেরিয়ে গন্তব্যে যাতায়াত করছেন। এই ভাবে নদী পথেই কোন চালক তাঁর মালবাহী ট্রাক নিয়ে যাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমান। আবার কেউ যাচ্ছেন নদীয়ায়। বিগত কয়েকদিন যাবৎ কালনা-শান্তিপুর ফেরিঘাট দিয়ে মালবাহী গাড়ি পারাপারের চাপ অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হল ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ। ফেরিঘাট পরিষেবার মাধ্যমে কালনা থেকে শান্তিপুর যাওয়ার ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে। এই ফেরিঘাট দিয়ে ভেসেলে মালবাহী ট্রাক ও লরিও পারাপার করা হয়। তবে এতদিন তা ছিল হাতেগোনা। মালবাহী গড়ির চালক সাইদুল সেখ , স্বপন দে প্রমুখরা এদিন বলেন, গৌরাঙ্গ সেতুতে ফাটল ধরা পড়ার পর থেকে ওই সেতু দিয়ে আর মালবাহী ভারী গাড়ি যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে না । তার কারণে তাঁরা এখন কালনা-শান্তিপুর ফেরিঘাট দিয়ে ভেসেলে মালবাহী ট্রাক ও লরি পারাপার করিয়ে নিয়ে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন । তার কারণে ফেরিঘাট দিয়ে সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি ভারী গাড়ি পারাপার করানোর চাপ অনেকাংশেই বেড়ে গিয়েছে। এখানকার ফেরিঘাটের সামনে এখন প্রতিদিনই থাকছে মালবাহী ট্রাক ও লরির লম্বা লাইন। মালবাহী গাড়ি ও সাধারণ যাত্রী দুইয়ের ভিড় বাড়ায় ফেরিঘাটে পুলিশের কড়াকড়িও বেড়েছে। পাশাপাশি নেওয়া হয়েছে সব ধরনের সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা। তবুও বিপদের আশঙ্কা পিছু তাড়া করে বেড়াচ্ছে অনেকেরই মনে। কারণ কয়েক বছর আগে এই ফেরিঘাট দিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ভাগীরথী পারাপারের সময় নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটলে ১৮ জনের মৃত্যু হয়। কালনা-শান্তিপুর ফেরিঘাটে এখন যেভাবে চাপ বেড়েছে তা সেই স্মৃতিকেই উস্কে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন যাত্রীদের অনেকে। ফেরিঘাটের ম্যানেজার জয়গোপাল ভট্টাচার্য যদিও এদিন জানিয়েছেন, বড় লোহার ভেসেলে করে মালবাহী ভারী যানবাহন ভাগীরথী পারাপার করা হয়। তবে গত চারদিন হল ভারী গাড়ি পারাপার করানোর চাপ অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় কোন ঝুঁকি না নিয়ে সবরকম সাবধানতা মেনে ৩০ টন ওজনের নীচে থাকা যানবাহন ফেরিঘাট দিয়ে ভেসেলে পারাপার করা হচ্ছে।নবদ্বীপের গৌরাঙ্গ সেতুর উপর দিয়ে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রনের জন্যই এই চাপ নিতে হচ্ছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস বঙ্গে, ভাসতে পারে একাধিক জেলা

বৃষ্টির রেশ এখনই পিছু ছাড়ছে না রাজ্যের। আপাতত দক্ষিণবঙ্গেই বৃষ্টির এই দাপট থাকবে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ প্রধানত মেঘলা থাকবে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে জেলায় জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানান হয়েছিল, সপ্তাহান্ত থেকেই হালকা শীতের আমেজ টের পাওয়া যাবে বাংলায়। মনে করা হচ্ছে বৃষ্টির পরই হয়তো একলাফে নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ। ইতিমধ্যেই ভোরের দিকে হেমন্তের হিমেল হাওয়ার পরশ গায়ে মাখতে শুরু করেছে রাজ্যবাসী। হাওয়া অফিসের তরফে জানান হয়েছিল, দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়ার শুরু হতে পারে চলতি সপ্তাহ থেকেই। দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও, ক্রমে ক্রমে কমবে রাতের তাপমাত্রা।জানা গিয়েছে, শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে তেমন বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই এখনই। তবে বৃষ্টি কমলেই বাংলায় পারদ পতনের সম্ভাবনা রয়েছে। কালীপুজোর আগেই হিমেল পরশ উপভোগ করতে পারবেন রাজ্যবাসী।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Corona: ফের বাড়ল রাজ্যের করোনা সংক্রমণ, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৫

দুর্গাপুজোর পর উর্ধ্বমুখী রাজ্যের করোনা গ্রাফ। বেশ কয়েকদিন ধরে হাজারের দোরগোড়ায় ঘোরাফেরা করছে করোনার দৈনিক সংক্রমণ। রাজ্যে করোনার এই ছবি স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা চিন্তায় রাখছে স্বাস্থ্য ভবনকে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে বুধবার সকাল ৯ টার মধ্যে রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৬ জন। গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ৮০৬। এক লাফে দেড়শোরও বেশি বেড়েছে রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ। এদিকে করোনা সংক্রমণের হার আগের থেকে অনেকটাই কমলেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে একদিনে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ জন। পাশাপাশি সুস্থও হয়ে উঠছেন অনেকে। রাজ্যে শেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৩৭ জন।রাজ্যে বর্তমানে সবথেকে খারাপ পরিস্থিতি কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায়। দুই জেলাতেই করোনার সংক্রমণ নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। কলকাতায় প্রতিদিনই দুশো-র উপর দিয়েই যাচ্ছে সংক্রমণের গ্রাফ। শেষ ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৭২। উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্ত হয়েছে ১৫৯ জন। করোনায় মৃত্যুও সবথেকে বেশি এই দুই জেলাতেই।মৃতের সংখ্যার নিরিখে ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কলকাতা ও উত্তরে জলপাইগুড়িতে। দুই জেলাতেই ৪ জন করে প্রাণ হারিয়েছেন করোনায়। অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনায় ৩ জন, নদিয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২ জন করে প্রাণ হারিয়েছেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 132
  • ...
  • 190
  • 191
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চেয়ার নিয়ে বিধানসভায় নাটক! মমতার আসনে বসতে রাজি নন ঋতব্রত, কেন?

বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আবহে বুধবার বিরোধী দলনেতার ঘর ঘিরে তৈরি হল এক অন্যরকম পরিস্থিতি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার সচিবালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তাঁকে ঘরের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘরে ঢোকার পর একটি ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।ঘরে থাকা একটি চেয়ারে বসতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, সেটি একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত চেয়ার। সেই কথা শুনেই ওই আসনে বসতে অস্বীকার করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিতদের কাছে তিনি অন্য একটি চেয়ার আনার অনুরোধ জানান। পরে তাঁর জন্য বিকল্প আসনের ব্যবস্থা করা হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। অনেকের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কারণেই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাবুধবারের সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন ঋতব্রত। তিনি জানান, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং বর্তমান পরিষদীয় লড়াইয়ের লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা নয়। বরং দলের ভবিষ্যৎ পথচলায় তিনি চাইলে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, বিধানসভায় যে নতুন পরিষদীয় গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কিছু নেতার মতপার্থক্য থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সম্মান অটুট রয়েছে। তিনি আরও জানান, দলের ভবিষ্যৎ দিশা নিয়ে মমতার সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁদের।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একাধিক বিধায়কের অবস্থান বদল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জোর জল্পনা। সেই আবহেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাবুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের রাজনৈতিক যাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, দল এবং দলের নেতৃত্বের পাশে এখনও বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন।সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনাই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

'হেভিওয়েট'-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের 'কাকা'

বর্ধমানের রাজনীতিতে একসময় যাঁর নাম উচ্চারণ করতেই বিরোধী শিবিরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হতো, সেই খোকন দাসের বর্তমান পরিস্থিতি যেন একেবারেই ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। তোলাবাজি, হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তাঁকে এমন এক অবস্থায় দেখা গেল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে, পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হল বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।একসময় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় খোকন দাসের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে ধরা হতো। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।গত ২৯ মে বর্ধমান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো, মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করা, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর ঘটনাতেও খোকন দাসের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে নেমে বর্ধমান থানার পুলিশ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে তাঁর অবস্থানের খোঁজ পায়। এরপর গত ৩১ মে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ট্রানজিট রিমান্ডে সোমবার রাতে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়, যাতে অভিযোগগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগটি ২০২৫ সালের ৮ জুনের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় একটি বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় খোকন দাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে গিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে পরবর্তী ঘটনাকে ঘিরে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাঁদের উপর পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু মারধরই নয়, ১০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভয় দেখাতে আগ্নেয়াস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছিল।এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযোগগুলির গুরুত্ব বিচার করে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, খোকন দাসের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে আদালতে এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।মঙ্গলবার আদালতে তাঁকে পেশ করা ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আদালত চত্বর ও বর্ধমান থানা এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।সব মিলিয়ে, যে নেতা একসময় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন, আজ তাঁকেই জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে আদালতে যেতে হওয়ায় বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সকলের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভা, সিআইডির পর এবার অভিষেকের বাড়িতে ইডি! নতুন করে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তদন্তসব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।সূত্রের খবর, বিকেল নাগাদ দুই ইডি আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের হাতে একটি সমন সংক্রান্ত নথি ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য একটি ঠিকানায় যান। পরে জানতে পারেন তিনি সেখানে থাকেন না। এরপর তাঁরা কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথি পৌঁছে দেন বলে সূত্রের দাবি।তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অতীতে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁদের নাম উঠে এসেছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেও অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাঁর সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা আইন মেনেই সমস্ত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।বুধবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সমনের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

'মূল' উপড়ে 'তৃণ' ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বুধবারের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল। দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিধানসভার সই-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী শিবিরের হাতে চলে গেল। বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর জন্য নির্ধারিত কক্ষও খুলে দেওয়া হয়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রতের হাতে।বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৬০ জন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে ৫৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন তাঁদের হাতে রয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও দুই বিধায়ক রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই হিসেবে তৃণমূল পরিষদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই এখন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন বলে তাঁর বক্তব্য।নতুন বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন যে, বিধানসভায় মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। পাশাপাশি ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সমর্থনের চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।তবে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেও ঋতব্রত এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, তাঁদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দূরত্ব এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ঋতব্রতের বক্তব্যে উঠে আসে বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখাও। তিনি বলেন, সরকারের ভুলের সমালোচনা যেমন করা হবে, তেমনই জনস্বার্থে গৃহীত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করা হবে। তাঁর কথায়, মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করব।এই নাটকীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ, এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে নতুন করে আবেদন জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত শিবিরের দাবি মেনে নেওয়ায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।অন্যদিকে, যখন বিধানসভায় ঋতব্রত নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা করছেন, ঠিক সেই সময় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ফলে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব হারানো শুধু সাংগঠনিক ধাক্কাই নয়, বরং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করল। এখন নজর থাকবে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি কতটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা যায়, তার উপর।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে সব তথ্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে চলা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পত্তির কোন কোন অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কোথায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরনিগমকে।বুধবার বিচারপতি স্মিতা দাস দে নির্দেশ দেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে পুরনিগমকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তির কোন অংশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, কতটা এলাকা সেই অভিযোগের আওতায় পড়ছে এবং কী ধরনের আপত্তি রয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ জমা দিতে হবে।আদালত আরও জানিয়েছে, পুরনিগমের রিপোর্ট জমা পড়ার পর সম্পত্তির মালিকপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে। এরপর চার সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জানা গিয়েছে, এই মামলায় শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন নয়, তাঁর মায়ের নামে থাকা কালীঘাটের একটি সম্পত্তিও আলোচনায় এসেছে। পুরনিগমের দাবি, ওই সম্পত্তির কিছু অংশে নির্মাণ সংক্রান্ত অনিয়ম থাকতে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। তা সত্ত্বেও পুরনিগম নোটিস পাঠিয়েছে। সেই কারণেই নোটিস বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে।আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলার শুনানি চলাকালীন বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুরনিগম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে।এই নির্দেশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত মামলাটি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিগমের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে এবং আদালত পরবর্তী শুনানিতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ, কালীঘাটে কী হল ভিতরে ভিতরে?

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়।দিনভর রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার আগে তিনি নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন। এরপর কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কিছুদিন ধরেই মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং পুরসভার বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও আলোচনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই কারণেই তিনি একাধিকবার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়।মঙ্গলবারই কলকাতা পুরসভার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর ইস্তফার পর রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়ে যায়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যও বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও একসঙ্গেই নেন। এরপর থেকেই তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।বুধবার শেষ পর্যন্ত কালীঘাটে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ইচ্ছা জানান তিনি। প্রথমে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন ফিরহাদ। পরে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাতৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে কাজ করতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই তিনি সম্মানের সঙ্গে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েছে।ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের ফলে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব আপাতত পুর কমিশনারের হাতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এদিকে চলতি বছরের শেষের দিকে পুরভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

‘মমতা আমাদের পরামর্শদাতা হোন’! বিধানসভা কাঁপানো মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দাবি করা একদল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে দেখতে চান। তাঁর কথায়, মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি জানান, গঠনমূলক বিরোধী রাজনীতি করতে গেলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ প্রয়োজন এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমান বিধানসভার কার্যক্রমের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই বলে তাঁদের মত। ঋতব্রতের দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত বহু বিধায়কের সমর্থন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁরা নিজেদের প্রকৃত পরিষদীয় প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী বলে মনে করছেন।সাংবাদিক বৈঠকে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা বলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরা বিধানসভার ভিতরে গঠনমূলক বিরোধিতার পথেই হাঁটবেন। কোনও বিল বা প্রস্তাবের সঙ্গে মতভেদ থাকলে তাঁরা তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্য সভা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটবেন না।ঋতব্রতের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করতে চান তাঁরা। মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারের সমালোচনা যেমন করবেন, তেমনই ভালো উদ্যোগকে সমর্থনও জানাবেন।এই মন্তব্যের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসেবে চাওয়ার বার্তা এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal