• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

বিনোদুনিয়া

বিনোদুনিয়া

মাইকেল বোসের প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে নারীর যন্ত্রণা

শিল্পী মাইকেল বোস তার চিত্রশিল্পের মাধ্যমে বহু বিশিষ্ট মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন। চিত্রশিল্পী হিসাবে তাঁর একাধিক একক চিত্রপ্রদর্শনী হয়েছে।মাইকেল বোসের নতুন একক চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে একাডেমিতে। বুধবার ৮ জুন এই চিত্র প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়ে গেল উপস্থিত ছিলেন শিল্পী দেবব্রত চক্রবর্তী, শিল্পী বিমল কুন্ডু, শিল্পী মলয় দাস, শিল্পী পার্থসারথি নাথ, শিল্পী পৃথ্বীশ সিকদার, শিল্পী বাদল পাল, সমাজসেবী দেবলীনা রায় চৌধুরী, সমাজসেবী শ্যামাদাস, সমাজসেবী সুজিত কুমার ঘোষ, কবি ফুল্লোরা মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রী সুভদ্রা মুখার্জি প্রমুখ।এই একক চিত্র প্রদর্শনী নিয়ে মাইকেল বোস জনতার কথা কে জানালেন, এটা আমার ১৮ তম একক চিত্র প্রদর্শনী। ৮ তারিখ শুরু হয়েছে, ১৪ তারিখ পর্যন্ত প্রর্দশনীটি চলবে। মোট ২২টি পেন্টিং রয়েছে। সবকটা আঁকাতেই নারীদের কষ্ট তুলে ধরা হয়েছে। মর্ডান ইন্ডিয়ান আর্টিস্ট সিক্স বইটিরও আনুষ্ঠানিক প্রকাশ পেল।

জুন ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভক্তদেরে জন্য খুশির খবর, আসছে জোকারের সিকুয়েল

মনে পড়েছে সেই জোকার-এর কথা? ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী সাড়াজাগানো সিনেমা ছিল জোকার। এতটাই জনপ্রিয় হয় ছবিটি তার সিকুয়েল দেখার জন্য অনেকদিন ধরেই দাবী করেন ভক্তরা। কিন্তু পরিচালক জানান সেরকম পরিকল্পনা নেই। প্রথম সিনেমার মতো দারুণ আইডিয়া পেলে ভেবে দেখবেন। অবশেষে তিন বছর পর সিনেমার ক্লাইমেক্সের মতো হঠাৎ জোকার-ভক্তদের চমকে দিলেন পরিচালক টড ফিলিপস।টড ফিলিপস তাঁর ইনস্টাগ্রাম আইডিতে মেরুন রং-এর এক পাণ্ডুলিপি শেয়ার করেছেন। সেই পাণ্ডুলিপির কাভারের ওপর লেখা জোকার: ফোটি আ ডিউক্স। পরে আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, কালো চশমা আর সিগারেট মুখে চিরচেনা ভঙ্গিতে সিনেমাটির চিত্রনাট্য পড়ছেন হোয়াকিন ফিনিক্স। তিনিই জোকার সিনেমার মূল অভিনেতা। ছবি দুটি থেকেই বোঝা যাচ্ছে জোকার-এর সিকুয়েল আসছে। এটিই সিনেমার চিত্রনাট্য। স্টক সিলভার ও টড ফিলিপস এবারও যৌথভাবে সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন। সিকুয়েল হলেও এর গল্প কী হবে, কবে নাগাদ সিনেমার শুটিং শুরু হবে, আর কারা অভিনয় করবেন, তেমন কোনো আভাস পাওয়া যায়নি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্নার ব্রসের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, দর্শক জোকার-এর সিকুয়েল দেখতে পাবে। খবরটি জানার পরেই জোকার ভক্তদের উন্মাদনা বাড়তে শুরু করেছে।

জুন ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্গীতশিল্পীদের জন্য বিশেষ ভাবনা ইন্ডিয়ান পারফর্মিং রাইট সোসাইটি লিমিটেডের

ইন্ডিয়ান পারফর্মিং রাইট সোসাইটি লিমিটেড সবসময় তাদের সদস্যদের সুবিধা নিয়ে চিন্তিত। ১৯৬৯-এ এর সূচনা থেকে কম্পোজার, গীতিকার ও পাবলিশার্সের স্বত্ব রক্ষা করে আসছে। প্রতিভাবান ক্রিয়েটরদের তাদের স্বত্ব ও সুযোগ সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবের ফলে পীড়িত হওয়া দেখাটা সত্যিই অস্বস্তিকর এবং এই পরিস্থিতি সঠিক করতে সংশোধনমূলক প্রতিকারের প্রতি তাদের চিন্তাভাবনা জোগায় আইপিআরএস।একটি যৌক্তিক কপিরাইট সোসাইটি হিসেবে আইপিআরএস এর সদস্যরা মহামারি চলাকালীন কতটা আর্থিক দুর্বিপাকের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন সেই বিষয়ে তারা সচেতন ছিল। পাশাপাশি সোসাইটি পর্যবেক্ষণ করেছে তাদের সদস্যদের বহু সংশয় ও অনুসন্ধান এই দ্রুত রূপান্তরশীল মিউজিক ল্যান্ডস্কেপে।এই উদ্বেগের প্রেক্ষিতেই, একটি উদ্যোগ চালু করা কথা ভাবা হয়েছে এর সদস্যদের তথ্যাভিজ্ঞ, শিক্ষিত ও সবল করতে। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সদস্যদের কাছে পৌঁছনো হল আইপিআরএস-এর প্রধান উদ্দেশ্য।এই অভিমুখে যাত্রা শুরু করে আইপিআরএস সিদ্ধান্ত নেয় এর সদস্যদের জন্য একগুচ্ছ ওয়ার্কশপ চালু করবে।এসব প্যান-ইন্ডিয়া ওয়ার্কশপ হবে আইপিআরএস সদস্যদের চোখ-খোলার জন্য দুর্দান্ত বিষয়, যা তাদের সৃজনশীল যাত্রা ও কেরিয়ারে সুবিধা দেবে। এই নলেজ ওয়ার্সশপ যার নাম লার্ন অ্যান্ড আর্ন সফলভাবে শুরু হয়েছে কলকাতায়। এই ওয়ার্কশপ চেন্নাই ও হায়দরাবাদের মতো সঙ্গীতপ্রেমীদের শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে এরকম দুর্দান্ত লার্ন অ্যান্ড আর্ন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল মে মাসের প্রথমদিকে। শিল্পকলার অন্যান্য ফর্ম যেমন সাহিত্য, নাটকের পাশাপাশি কলকাতার রয়েছে উজ্জ্বল মিউজিক্যাল লিগ্যাসি, এজন্য কলকাতার মুকুটে যুক্ত হয়েছে ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানীর রঙিন পালক। বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক আইকন যেমন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সত্যজিৎ রায়ের মতো আইকনিক চরিত্র এই সিটি অব জয়-এর অসাধারণ আবেদনে অন্য মাত্রা যুক্ত করেছেন। যেমন প্রত্যাশিত, বাংলার ঋদ্ধ মিউজিক্যাল ঐতিহ্য একত্র হয়েছিল ক্লাসিক্যাল, ফোক, বাংলা রক মিউজিক প্রভৃতি জঁরের কয়েকজন সবচেয়ে শক্তিশালী মিউজিক্যাল ক্রিয়েটরের সৃষ্টি শুনতে এবং এঁদের সঙ্গে ছিলেন জঁর-নির্ধারিত স্বাধীন শিল্পীরা - যাঁরা এই গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টের জন্য এসেছিলেন। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির ক্রেমে ডে লা ক্রেমে শৈলী, বিশেষ করে বাংলা থেকে, যার অন্তর্ভুক্ত টপ-লাইন কম্পোজার, গীতিকার, পাবলিশার এবং আইপিআরএস-এর সব প্রখ্যাত সদস্যরা এই সাক্ষাৎকে করে তুলেছিল আরও তাৎপর্যপূর্ণ। ওয়ার্কশপের আলোচনার মূল বিষয়ের কেন্দ্রে ছিল মিউজিক ও এই সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কপিরাইট যেমন লাইসেন্সিং, উদিত প্রবণতা এবং ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, এবং ক্রিয়েটরদের স্বত্ব, অধিকার ও তাদের সঠিক বকেয়া সম্পর্কে আইপিআরএস-এর ভূমিকা।ক্যাম্পেনের প্রশংসা করে প্রখ্যাত গীতিকার ময়ূর পুরী জানিয়েছেন, আইপিআরএস হল মিউজিক সম্প্রদায়ের সবচেয়ে উচ্চ ও গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর। আজ, মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি যত দিন যাচ্ছে বিকেন্দ্রীকৃত হচ্ছে প্রতিদিন। যেমন আমাদের দূরদর্শী চেয়ারপার্সন জাভেদ আখতার সাব বলেছিলেন, আইপিআরএস-এ আমাদের সবার জন্য আমাদের বৈচিত্র্যময়তা ও ইনক্লুশন স্থির করা খুব জরুরি। লার্ন অ্যান্ড আর্ন হল পূর্ণ-দিনের একটি সিরিজ, বহু-শহরের ওয়ার্কশপ ডিজাইন করা হয়েছে আমাদের সদস্যদের সবল করতে শুধু বেঁচে থাকতে নয়, বরং এই ক্রিয়েটার সম্প্রদায়ে অংশ নিতে। এই প্রথম এই মাপের এবং ব্যাপক কনটেন্টের মহাকাব্যিক প্রচেষ্টার পরিকল্পনা করা হয়েছে সম্প্রদায়কে একত্র করতে এবং আমরা আশা করি এর থেকে হাজার হাজার মিউজিক ক্রিয়েটর লাভবান হবেন।

জুন ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ফের একসঙ্গে প্রসেনজিৎ-রচনা ব্যানার্জি, সৌজন্যে জি বাংলা

একসঙ্গে ৩৫টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একাধিক হিট ছবি। টলিউডের একসময়ের হিট জুটি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও রচনা ব্যানার্জি আবার ফিরছেন একসঙ্গে। ফেসবুক লাইভে এমনটা ঘোষণাও করেছেন দুজনে।নতুন কোনও শো-তে ফের জুটি বাঁধছেন তাঁরা? না কি অন্য কিছু? লাইভ থেকে জানা গেছে, ১৪ জুন জি বাংলার দিদি নম্বর ১-এ অংশ নিচ্ছেন প্রসেনজিৎ। সঙ্গে থাকবে আয় খুকু আয়-এর টিম। সোমবার লাইভ আড্ডায় তাই পাশাপাশি টলিউডের ইন্ডাস্ট্রি আর দিদি নম্বর ১। ৩৫টি ছবির নায়ককে বহু দিন পরে পাশে পেয়ে উচ্ছ্বসিত রচনা। লাল শাড়িতে প্রতিদিনের মতোই নজর কাড়লেন সঞ্চালিকা। অন্যদিকে আয় খুকু আয় এর নির্মল মণ্ডল সুপুরুষ কালো শার্ট, ধূসর ট্রাউজার, ওয়েস্ট কোটে মাতিয়ে দিলেন। এখন শুধু টেলিকাস্টের অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।

জুন ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ডাবল ডাউন-এ জন্মদিনে দেদার হুল্লোড়, সঙ্গে গান

দু বছর করোনার জন্য জীবন যেন থমকে দাঁড়িয়েছিল। এখন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস মিলেছে। সকলে করোনার চোখরাঙানি থেকে বেরিয়ে নিজেদের মতো করে জীবন উপভোগ করছেন। প্রিয় মানুষের সঙ্গে, বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি লাইভ ও কাটাচ্ছেন।এমনই এক পানশালা মধ্য কলকাতার শরৎ বোস রোডে। নাম ডাবল ডাউন। মিন্টো পার্কের উল্টোদিকে শরৎ বোস রোডে কয়েক পা এগোলেই আইডিয়াল প্লাজা।দুজনে নিভৃতে বা দল বেঁধে জীবন উপভোগ করতে আসা যায় ডাবল ডাউন লাউঞ্জে। যেমন সুস্বাদু খাদ্যের সম্ভার, তেমন বিশ্বের সেরা সুরার আয়োজন। উপরন্তু লাইভ মিউজিকের ব্যবস্থা। গায়কের সুমধুর কণ্ঠের গানে মেতে তৃপ্তির পেয়ালায় একটি চুমুক যেন স্বর্গীয় অনুভূতি। এখানে গানের চর্চা থাকলে বারের ব্যান্ডে গলাও মেলানোও যাবে। শহরের অনেক সেলিব্রেটির পছন্দের স্থান ডাবল ডাউন।এখানেই শহরের দুই বিশেষ অতিথি লুনা চট্টোপাধ্যায় এবং সুরজিৎ চক্রবর্তীর জন্মদিন পালিত হল। উপস্থিত ছিলেন সকলের প্রিয় ফুডকা। ফুডকার উপস্থিতি পরিবেশটা আরো রঙিন করে তোলে।এর পাশাপাশি ছিল লাইভ মিউজিক। হিন্দি গানে দর্শকদের মুগ্ধ করে লাইভ মিউজিকের সঙ্গে পারফর্ম করা মিউজিশিয়ানরা। দর্শকদের অনুরোধের গানও গাইলেন তারা। পাশাপাশি ছিল কেকে কে শ্রদ্ধা জানিয়ে গানের আয়োজন।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকের এনক্রিপটটেড নিয়ে উন্মাদনা

Klikk Originals এর আগামী ওয়েব সিরিজ এনক্রিপটটেড এরএর মিউজিক, টিজার ও পোস্টার মুক্তি পেল হাওড়ার অবনী মলে। ছবির পরিচালনা করেছেন সৌপ্তিক সি। সর্বপ্রথম বাংলা ওয়েব সিরিজের টাইটেল গান গেয়েছে এবং অভিনয় করেছে বাংলা রক ব্যান্ড ক্যাকটাস। এটি বাংলা ওটিটির ইতিহাসে সর্বপ্রথম সংযোজন। এর আগে নীল নির্জনে ছবিতেও ফিচার করা হয়েছিল ক্যাকটাস ব্যান্ডকে। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী ও সঙ্গীত পরিচালক অম্লান চক্রবর্তী সহ ক্যাকটাস ব্যান্ড। এদিন সদ্য প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাল ক্যাকটাস ব্যান্ড। ক্যাকটাসের লাইভ পারফরম্যান্স দেখতে মলে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল দেখার মতো। কলাকুশলীরা দর্শকদের নিজস্বীর আবদারও রাখেন। সবমিলিয়ে একটা জমজমাট সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল অবনী মল।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কালারফুল গাউনে দর্শকের মন কাড়লেন দিয়া রায়

কলকাতা শহরে হয়ে গেল ফ্যাশন ফেস্ট ২০২২। আর এই ফ্যাশন ফেস্ট ২০২২ এ দেখা গেল মডেল দিয়া রায় কে। সেখানে লাল ড্রেসে বেশ সুন্দরী লুকে ক্যামেরার সামনে ধরা পরলেন জনপ্রিয় মডেল দিয়া রায়। বিভিন্ন লুকে সাহসের সঙ্গে পা মিলিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছেন দিয়া।সাদা সবুজ ফুলের গাউনে সবার মন কেড়েছেন দিয়া রায়। বলাই বাহুল্য আগামী প্রজন্মের মডেলদের মধ্যে দিয়া নিজের জায়গা করে নিচ্ছেন। ঐদিন ফ্যাশন শো তে দেখা গিয়েছিল নতুন প্রজন্মের আরো বেশ কিছু জনপ্রিয় মডেলকে। এর আগেও দিয়া রায় মডেল জগতে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তার প্রতিভার দ্বারা। এবার আরও একবার নিজের প্রতিভা তুলে ধরলেন তিনি।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শেষ‌ হল 'মেয়েদের ব্রতকথা'-র শুটিং, স্মৃতিতে ভাসলেন কলাকুশলীরা

সদ্য শেষ হয়েছে আকাশ আট এর ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। ২৫ অক্টোবর ধারাবাহিকের জার্নি শুরু হওয়ার অবশেষে ধারাবাহিকের শেষ এপিসোড হয়ে গেল। শেষ মানেই একটা বিষাদের পরিবেশ। এই ধারাবাহিকের সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলীরা ধারাবাহিকের সঙ্গে জড়িত তাদের জার্নি শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।মেয়েদের ব্রতকথা ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্র মায়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা প্রামাণিক। এই ধারাবাহিকের জার্নি নিয়ে জনতার কথা কে অভিনেত্রী জানালেন, মেয়েদের ব্রতকথার জার্নিটা কতটা ভালো ছিল বলে বোঝাতে পারবো না। আমার প্রথম সিরিয়ালে আসা। প্রথম কিছু কোনোদিনও ভোলা যায় না। আমি অনেককিছুই জানতাম না। আমাকে আমার ডিরেক্টর হাতে ধরে শিখিয়েছে। আমাকে মায়া চরিত্রে সুযোগ দেওয়ার জন্য দীপায়ন দা ও সুমন দা কে অনেক ধন্যবাদ। শ্রেষ্ঠা আরও জানান, আমার কো-অ্যাক্টরদেরও কথা বলতে হয়। তাদেরকেও প্রতি মুহূর্তে পাশে পেয়েছি। পুরো সেটটাকে খুব মিস করছি। মেয়েদের ব্রতকথা-তে অভিনয় করে খুব ভালো একটা এক্সপিরিয়েন্স হয়েছে। যেটা অল্প কথায় বলে বোঝাতে পারবো না।

জুন ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কাঁচড়াপাড়া ফিনিকের নাটক " বন্ধনহীন গ্রন্থি "

কাঁচরাপাড়া কাজী নজরুল ইসলাম মঞ্চে কাঁচরাপাড়া ফিনিক প্রযোজিত নাটক বন্ধনহীন গ্রন্থি মঞ্চস্থ হলো। এক পৌঢ় দম্পতির নিঃসঙ্গ বেদনা নাটকের বিষয়বস্তু। দুই পুত্র বিদেশে ব্যাস্ত থাকার কারণে দীর্ঘ কয়েক বৎসর পুত্র, পুত্রবধু ও নাতি-নাতনীদের মুখদর্শনেবঞ্চিত দম্পতির অতীতচারণে উঠে আসে। নিজেদের স্বার্থপরতার কথা, পুত্রদের উচ্চশিক্ষা বিদেশে না হলে সমাজে সম্মান না থাকার কথা, আত্মীয় পরিজনদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় দূরত্ব তৈরি করা ইত্যাদি। এরই মধ্যে ধূমকেতুর মতো উদয় হয় পৌড়ের ভাগ্নে এবং ছোটবোন। বিনাপয়সায় চক্ষু অস্ত্রপচার শিবিরে মাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য সুদূর বর্ধমানের এক গ্রাম থেকে সটান চলে আসে সুধাময়ের বাড়িতে এক/দুদিনের জন্য থাকতে। প্রথমে বিরক্তি হলেও পরে ভাগ্নে কার্তিক এবং বোন মিনতির সাহচর্যে এবং কার্তিকের মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালনের প্রতি কর্তব্যকর্মে মুগ্ধ হয়ে ওঠে।পরিশেষে উপলব্ধি করে যে একা একা বাঁচা যায় না। নিঃসঙ্গতা কাটাতে হলে পরস্পর পরস্পরের হাত ধরে আনন্দের সঙ্গে বাঁচতে হবে। তাই প্রতিবেশী দীবাকর বাবুর কথা মত একটি সংস্থার সাথে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে নাটকের সমাপ্তি।নীল কৌশিকের মঞ্চ অন্যমাত্রা এনে দেয়। বাপ্পা সেনের আলো - দুঃখ, বেদনা, আনন্দ ও স্মৃতি রোমন্থনে দারুন ভাবে কাজ করেছে। সুজয় সেনগুপ্তর আবহ, দৃশ্যায়ন তৈরিতে সহায়তা করেছে। অভিনয়ে কনক মুখার্জি ও অমিতা সেন অনবদ্য। তপন মণ্ডল ও সুতপা দাস যথাযথ , তবে কার্তিক চরিত্রে গৌতম ঘোষের অনবদ্য অভিনয় অনেকদিন মনে থাকবে।এককথায় উপভোগ্য একটি প্রযোজনা। এই নাটকের পরিচালক কাবেরী মুখার্জি নাট্যকার অতনু মজুমদারের নাটকের বক্তব্যকে সহজ এবং সুন্দর ভাবে দর্শকের কাছে উপস্থাপিত করেছেন।

জুন ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের মহলা কক্ষে অনুষ্ঠিত হলো রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা। রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে মাল্যদান করেন সাংবাদিক বিপ্লব কুমার ঘোষ মহাশয়। এরপর নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে মাল্যদান করেন প্রদীপ কুমার সাহা। সংস্থার কর্ণধার জীবন অধিকারীর উদ্বোধনী সংগীতে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথমেই বিপ্লব কুমার ঘোষ কে সম্মান জ্ঞাপন করা হয়। তিনি নাবিক নাট্যমের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। তার বক্তব্য দর্শকদের রবীন্দ্র-নজরুল চেতনায় প্রভাবিত করে। এদিন উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবকও গোবরডাঙা পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর বাসুদেব কুন্ডু। তাছাড়াও ছিলেন গোবরডাঙা চিরন্তন, নাট্যয়ন, মৃদঙ্গম, মসলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টার, মুকুলিকা গানের স্কুল, চাঁদপাড়া এক্টর বন্ধুরা এবং এলাকার বিশিষ্ট সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষেরা।এই অনুষ্ঠানে নৃত্য প্রদর্শন করেন নিকিতা সরকার, রাখি বিশ্বাস, দেবাদৃতা ঘোষ, নবনীতা বিশ্বাস, দেবস্মিতা চক্রবর্তী, সৃজনী রায়চৌধুরী, অস্মিতা দত্ত প্রমুখ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন ঐশী মুখার্জি, ঋষভ চক্রবর্তী, চৈতি সিংহরায়। সংগীত পরিবেশন করেন নমিতা বিশ্বাস, সোনালী দাস, অনিমা মজুমদার। মনোগ্রাহী এই অনুষ্ঠানের বিশেষ মাত্রা যুক্ত করে সৌরজ্যোতি অধিকারী ও আঁকন মজুমদারের গানের যুগলবন্দী। কালাচাঁদ শীলের তবলার বোল দর্শকদের মাতিয়ে রাখে। আল্পনা সরকারের সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছিল।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ওয়েব সিরিজ ‘রক্তপলাশ’

কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ। প্রযোজনা করেছে ডার্ক এনার্জি।ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত, উৎসব মুখার্জি, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পন্ডিত, দিপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবী তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাসগুপ্ত ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই ওয়েব সিরিজের প্রিমিয়ার হয়ে গেল সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউটে।জঙ্গলমহলে অবস্থিত সুরম্য ফক্সহোল রিসোর্টে বেড়াতে আসা সমাজের সাতজন বিশিষ্ট উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় রক্তপলাশ সিরিজের গল্প। শুরুতে সবাই ভ্রমণবিলাসে মজে গেলেও, নৈশ আড্ডায় রিসোর্ট মালিকের প্ররোচনায় গল্পের পরতে পরতে সেই বিশিষ্টজনেদের অতীত জীবনের লুকোনো অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজকর্মের ইতিহাস সামনে আসে দর্শকের। এরই মধ্যে জঙ্গলে নিছক ছুটি কাটাতে আসা, আপাতভাবে নিষ্পাপ মানুষগুলি হঠাৎ করেই আধাসামরিক বাহিনী ও একদল চরমপন্থীর লড়াইয়ে মাঝে পড়ে। তখনি সভ্য যাপনের শহুরে মুখোশ খুলে গিয়ে তাঁদের ভেতরে থাকা স্বার্থপর জান্তব চারিত্রিক বৈশিষ্টগুলো ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে।সাতজন ব্যক্তিমানুষের আভ্যন্তরীণ সাদা-কালোর দ্বন্দগুলো উন্মুক্ত হতে না হতেই তারা রিসোর্টে বন্দি হয়ে পড়েন মুক্তিপনের টোপ হিসেবে। প্রশ্ন ওঠে একজোট হয়ে সাতজনের বাঁচার লড়াইয়ে সামিল হবার। চরমপন্থীরা সময় দেয় ঘন্টা চারেক। প্রশাসনের তরফে নিযুক্ত হন এক সরকারি মধ্যস্থতাকারী। কিন্তু সে সাত বিশিষ্টজনের অবস্থা হয় সঙ্গিন। তাঁদের মধ্যে কেই বা করলেন বিশ্বাসঘাতকতা? কি ছিল তাঁদের পুরোনো পাপ? কেনই বা তাঁদের পণবন্দী হতে হলো চরমপন্থীদের হাতে? কিভাবে প্রশাসন পৌঁছবে তাঁদের কাছে? বন্দিরা কি আদৌ চরমপন্থীদের হাত থেকে রেহাই পাবেন? আদিম জঙ্গলের উপদ্রুত অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে এই টানটান রোমাঞ্চ ও রহস্যের গল্প আরো গভীরে গিয়ে জানা যাবে ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল নিধনের ট্রেলার ও পোস্টার

নিধনের ট্রেলার এবং পোস্টার লঞ্চ হয়ে গেল কলকাতার একটি হোটেলে। উপস্থিত ছিলেন ছবির অভিনেতা অভিনেত্রী রুপসা এবং ঋতুপর্ণা।অভিষেক ব্যানার্জি এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কিন্তু ছবিটি মুক্তির আগেই তিনি মারা যান। তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তার জন্য প্রথমে একটি স্মরণ সভা হয়।প্রোগ্রাম শুরুর প্রথমে পোস্টার লঞ্চ করা হয় এবং পরবর্তীতে ট্রেলার দেখানো হয়। ছবির প্রত্যেকে অভিষেক ব্যানার্জি কে নিয়ে তাদের নিজস্ব মতামত জানান এবং ছবিটি করে তাদের কেমন লেগেছে সেটা জানান।এই ছবিতে এক ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী রুপসা মুখোপাধ্যায়কে। রুপসার চরিত্রের নাম রাধা। যার একটি পা নেই। দুর্ঘটনায় হারিয়ে ফেলে এক পা। জীবনের এক অন্তদন্দ্ব তুলে ধরেছে এই ছবি। ছবির প্রতিটি ছন্দে রয়েছে সাসপেন্স ও রহস্য।পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক সঞ্জয় দাস। ছবিতে রুপসা মুখোপাধ্যায় এর বিপরীতে অভিনয় করছেন অভিনেতা মিত দাস। এছাড়া ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে দেখা যাবে রজতাভ দত্ত, সুপ্রিয় দত্ত, সোমা চক্রবর্তী, ভরত কল প্রমুখ অভিনেতাদের।পরিচালক সঞ্জয় দাস জানিয়েছেন এটি তার দ্বিতীয় ছবি। ছবিটিতে দর্শককে একটি ভিন্ন ঘরানার গল্প উপহার দেওয়া হবে। একটি মার্ডারকে নিয়ে এই গল্প। কিন্ত গল্প যত এগোতে থাকবে তত সাসপেন্স বাড়তে থাকবে। কিন্ত অবশেষে রাধার জীবনের পরিণতি কি হবে? পুরোটাই জানা যাবে নিধন ছবিটি দেখলে।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিলিন্দ গাবার মিউজিক ইন্ডিয়া ট্যুর

কলকাতার বৃহত্তম লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি, সিলেক্ট দর্শকদের জন্য নিয়ে এল মিলিন্দ গাবার ইন্ডিয়া ট্যুর। এটি হল মিলিন্দ গাবার প্রথম লাইভ ইন কনসার্ট ইন্ডিয়া ট্যুর। কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিওটে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সিলেক্টের এই উদ্যোগে ২ মাসে দেশের ৮ টি শহরে হবে মিলিন্দ গাবার এই মিউজিক ট্যুর। কনসার্টগুলি হবে একদম অনন্য, আগে কখনও দেখা যায়নি এমন অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে মিলিন্দ গাবা তার সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরবেন৷ মিলিন্দ গাবার সঙ্গে লাইভ এবং প্রিয় গায়কের সঙ্গে ছন্দ ও সুরে ভক্তরা গান গাইতে এবং নাচতে পারে।মিলিন্দ গাবা একজন ভারতীয় বলিউড গায়ক, গীতিকার, সঙ্গীত প্রযোজক, পাঞ্জাবি এবং বলিউড সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত অভিনেতা। তিনি তার নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না এবং ইয়ার মোদ দো গানগুলির জন্য পরিচিত। তার জনপ্রিয় একক গানগুলি হল নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না, ম্যায় তেরি হো গায়ে, জিন্দেগি দি পাউদি, পিলে পিলে, সুন্দর, নাচুঙ্গা আইসে এবং কেয়া কারু। তার সে ডোন্ট নো গানের মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে টি-সিরিজে ৮ জানুয়ারী ২০১৯-এ প্রকাশিত হয়েছিল।এই ভিডিওটি ৫০০মিলিয়নেরও বেশি ভিউ নিয়ে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলিউড গায়ক মিলিন্দ গাবা বলেন , এটি হল আমার প্রথম সমন্বিত এবং একচেটিয়া ভারত সফর। বিভিন্ন শহরে আমার দর্শকদের জন্য লাইভ পারফর্ম করার এই সুযোগ পেয়ে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। সিলেক্টের সঙ্গে এই যাত্রা অবশ্যই আমার জন্য একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিলেক্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবি আগরওয়াল এবং গীতেশ শর্মা, সিলেক্টের প্রতিনিধি বলেন, সিলেক্ট সারা ভারতে ভক্তদের কাছে সেরা লাইভ মিউজিক্যাল অভিজ্ঞতা আনার ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন মিলিন্দ গাবার প্রথম মেগা ইন্ডিয়া ট্যুরে তার ভক্তদের বিনোদন দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে উত্তেজিত। মিলিন্দ গাবা, তার প্রাণময় সুর দিয়ে, ভারতের লক্ষ লক্ষ ভক্তের সঙ্গে একসঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি এই প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। সিলেক্ট দ্বারা আয়োজিত এই মিউজিক ট্যুরটি অন্যান্য তিনটি শহরের সঙ্গে মুম্বই, কলকাতা, গোয়া, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে পৌঁছাবে।

জুন ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ

সৌপ্তিক সি নির্দেশিত Sthalantar Films and Entertainment P Ltd প্রযোজিত ক্লিক ওরিজিনালসের আগামী ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ্যে এল। ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী প্রমুখ।এনক্রিপটেড সিরিজটি দিয়া ও তানিয়া নামের দুই বোনের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। যেখানে আমরা দেখতে পাই প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তানিয়া মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং এই আসক্তির কারণে তার প্রচুর অর্থব্যয় হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তানিয়া আর্থিক অনটনের শিকার হয়ে খুব সহজে টাকা আয়ের উপায় খুঁজতে থাকে। ঠিক এই সময়ে একটি আইটি কোম্পানির ডার্ক ডেয়ার শীর্ষক অ্যাপ্লিকেশন তানিয়ার হাতে এসে পরে। এই অ্যাপটি ব্যবহারকারিকে কিছু সাহসী টাস্ক করার নির্দেশ দেয়, যা করতে পারলে ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট অর্থ লাভ করে। তানিয়া নিজের মাদকের খরচ তুলতে এই অ্যাপ এর প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং কিছু সাহসী টাস্ক করে ফেলে যার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর খুন ও থাকে।যথারীতি তানিয়া গ্রেপ্তার হয় এবং পুলিশি হেফাজতে তার ওপর মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার হলে সে আত্মহত্যা করে। এদিকে বোনের রহস্য মৃত্যুর কারণ খুঁজতে শহরে উপস্থিত হয়, তানিয়ার দিদি দিয়া। ঘটনাচক্রে দিয়ার সাথে আলাপ হয় তদন্তকারী অফিসার এসিপি হেমা সিং ও রিপোর্টার সোহাগের সাথে। দিয়া তাদের কাছ থেকে জানতে পারে এই ডার্ক ডেয়ার অ্যাপ টি কিভাবে তাঁর বোনের মতো লক্ষ লক্ষ্য যুবক যুবতী কে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিভিন্ন তথ্য থেকে দিয়া নিশ্চিত হয় যে তাঁর বোন একটি ঘৃণ্য চক্রান্তের শিকার। সে তাঁর বোনের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর হয়ে ওঠে। এবার সে নিজেই প্ল্যান করে এই চক্রান্তের পর্দা ফাঁস করতে ময়দানে নামে। দিয়া কি পারবে এই কুখ্যাত অ্যাপ্লিকেশনটির এনক্রিপটেড কোড এর মাস্টারমাইন্ড কে খুঁজে বের করতে? এটা কি পরিকল্পিত চক্রান্ত, নাকি পূর্বতন কোনো অপরাধীর ধারাবাহিক অপরাধ! ডার্ক ওয়েব এর অন্তর্জালে জড়িয়ে পড়া এই রোমহর্ষক থ্রিলার দেখা যাবে নতুন ওয়েব সিরিজে। যে ওয়েব সিরিজ নিয়ে শুরু হয়েছে উন্মাদনা।এর আগে সৌপ্তিকের পরিচালিত খেলা শুরু ক্লিক-এ জনপ্রিয় হয়। অনেক দর্শকদেরই পছন্দ হয়েছিল এই ওয়েব সিরিজটি। এবার নতুন ওয়েবে সৌপ্তিক দর্শকদের মন কতটা জিতে নিতে পারে সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অ্যাম্বারকে হারিয়ে মামলা জিতলেন জনি ডেপ

অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হল।প্রাক্তন স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ডের বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলা জিতলেন আমেরিকান অভিনেতা জনি ডেপ। আদালতের জুরি সদস্যরা জানিয়েছেন, জনি ডেপের বিরুদ্ধে করা অ্যাম্বার হেডের গার্হস্থ্য হিংসার মামলা মিথ্যা এবং অবমাননাকর। অ্যাম্বারকে প্রায় ১১৭ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশও দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি জনির বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ আনার পিছনে অ্যাম্বারের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল বলেও আদালত জানিয়েছে। ২০১৮ সালে জনির বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী। এর পরেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন জনি। অভিনেতা মিথ্যা বলছেন দাবি করে পাল্টা মামলা করেন অ্যাম্বারও। এই জোড়া মামলার শুনানিতে বিস্তর কাদা ছোড়াছুড়ি দেখছে আদালত। উত্তাল ছিল দুপক্ষের অনুরাগী মহলও। তবে জনির আইনজীবী অ্যাডাম ওয়াল্ডম্যান এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অ্যাম্বারের আনা গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ ধাপ্পাবাজি ছাড়া আর কিছু নয়। এই বিবৃতিকেও অবমাননা বলে উল্লেখ করে জনির আইনজীবীকেও প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের জুরি রায় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালতের বাইরে জনি, জনি, জনি বলে চিৎকার ও স্লোগান ওঠে।

জুন ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কেকে'র প্রয়াণে বিশাল স্তব্ধতা

কেকে-র প্রয়াণে দেশবাসীর চুপ হয়ে গেছেন। কেকে-র প্রিয়জন থেকে শুরু করে তার অগুণিত ভক্ত কারোরই মনে ভালো নেই। একটি পোস্টের মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা শেয়ার করলেন পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ। টুইট করে তিনি লিখেছেন, আমার ছোট ভাই। একসঙ্গে দিল্লি থেকে এসেছিলাম। আমাদের প্রথম ব্রেক, প্রথম ছবি, প্রথম সফলতা একসঙ্গে- মাচিস। ছোড় আয়ে হাম ওহ গলিয়াঁ, লতাজির পানি পানি রে-তে দ্বিতীয় গানও গেয়েছিলেন। অগণিত সময়, অগণিত মুহূর্ত, অনেকটা যন্ত্রণা, সবটাই একটু একটু করে হারালো।Mera chhota Bhaiyaa.Hum saath aaye thay dilli se. Humara pehla break pehli film pehli kaamyaabi ek saath- MAACHIS(Chhodh aaye hum wo galiyan. He also sang the 2nd music in Lata jis pani pani re)Anginat lamhe.. anginat yaadein..Bepanah dard..Bichhdey sabhee baari baari.. pic.twitter.com/gHrJHqpA9g Vishal Bhardwaj (@VishalBhardwaj) June 1, 2022উল্লেখ্য বিশাল ভরদ্বাজের একাধিক ছবিতে গান গেয়েছেন কেকে। তাঁর পরিচালনাতে ১৯৯৬ সালে ছোড় আয়ে হাম ওহ গলিয়াঁ গানটা গেয়েছিলেন। বিশাল ভরদ্বাজের সঙ্গীত পরিচালনায় রঙ্গুন সিনেমাতেও গেয়েছিলেন কেকে।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাইকেল এক করে দিল সাইক্লিস্ট ও সঙ্গীতশিল্পীকে

একজন পাহাড়ে, পাহাড়ে ঘুরে বেড়ান, আর আরেকজন স্ট্রিট মিউজিক করেন শহরের রাস্তা থেকে সুন্দরবনের গ্রামে।একজন চন্দন বিশ্বাস, আরেকজন নীলাঞ্জন সাহা। এদের মিল বাইসাইকেল-এ। চন্দন বেড়িয়ে পড়েন নানা পাহাড়ের উঁচু-নিচু রাস্তায়, ঘুরে ফেরেন এমন রাস্তায় যা খুব কম লোকই পাড়ি দিয়েছেন, শুধু ঘুরেই বেড়াননি,বানিয়েছেন ডকুমেন্টারি ছবি চরৈবেতি দেখান হয়েছে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। আর এই ঘুরে বেড়ানোটা সবটাই কলকাতা থেকে সঙ্গী বাইসাইকেল। আরেকজন নীলাঞ্জন সাহা কলকাতার রাজপথে স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে কাজ করবেন বলে ভেবে ফেলেন এক অভিনব ভাবনা।মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ, হ্যাঁ এটাই তাঁর ব্র্যান্ড। এখন অনেকেই তাঁকে সেই নামেই চেনেন। পারফর্ম করেছেন কলকাতা স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল, মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর মতো অনুষ্ঠানে। নিজে উদ্যোগী হয়ে করেছেন কলকাতা ইনস্ট্রুমেন্টাল জ্যামিং ফেস্টিভ্যাল। গোলপার্কের মোড়ে বাইসাইকেলকে সঙ্গী করে স্যান্ডউইচ বিক্রির সাথে গানের উপহার আজ অনেকেই জানেন। অনেকেই আসেন এই স্ট্রিট মিউজিক উপভোগ করতে। এসেছেন তিমির বিশ্বাস, সমীধ-ঊর্ভির মতো পরিচিত শিল্পীরা গলা মিলিয়েছেন গানে। বাইসাইকেলকে সঙ্গী করে কলকাতা থেকে পাড়ি দেন সুন্দরবনে এক স্থানীয় স্কুলে কচিকাঁচাদের গান শেখাতে।এমনই দুই বাইসাইকেলিস্টদের সম্মান জানানো হল খুকুমণি-সিন্দুর ও আলতার পক্ষ থেকে কলকাতার আইসিসিআর এর স্পাইসেস এন্ড সসেস ক্যাফেতে। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কর্ণধার অরিত্র রায়চৌধুরী। এদিন চন্দন বিশ্বাস বললেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি,২০১৮ সাইকেল নিয়ে ট্রান্স হিমালয়ান সফর শুরু করি, কলকাতা, বাংলাদেশ, ত্রিপুরা হয়ে গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চল ঘুরে সেখান থেকে ভুটান পৌঁছই। তারপর সিকিম ঘুরে শিলিগুড়িতে আসি। সেখান থেকে গন্তব্য ছিল নেপাল। ২-৩ মে সাইকেল নিয়ে রওনা দিই নেপালে। ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি সেই জায়গার ছবি-ভিডিও তোলা আর সেখানকার নানা তথ্য সংগ্রহের অমোঘ নেশা আমার এই সব জার্নির পিছনের মূল লক্ষ্য। সম্প্রতি একটা তথ্যচিত্র বানিয়েছি চরৈবেতি যেটা কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে।নীলাঞ্জন সাহা তার জার্নি শেয়ার করে বলেন, গানকে সঙ্গী করে আগামী দিনে পথ চলার ইচ্ছা রয়েছে। মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ করার উদ্দেশ্য ছিল স্ট্রিট মিউজিককে একটা জায়গা করে দেওয়া। স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে চর্চা হওয়া।সব কিছুর জন্য একটা অর্থ লাগে তাই স্যান্ডউইচ বিক্রির কনসেপ্টটা মাথায় আসে। কিছুটা হাতখরচ তো আসে।আর সাথে রইল গান। সঙ্গী বাইসাইকেল। এই বাইসাইকেল কেন বলতে দুজনেরই মত দূষণহীন এই যান প্রকৃতির পক্ষে ভালো, সাইকেলিং করলে শরীর ভালো থাকে, ভীড় এড়িয়ে নিজের মতো করে চলা যায়।এদিন খুকুমণি এর পক্ষে সংস্থার কর্ণধার অরিত্র রায়চৌধুরী বলেন, যাঁরা এই ধরনের কাজে এগিয়ে আসেন। এই অকুতোভয় যুবকেরা যাঁরা এই প্রজন্মের প্রতিনিধি এই রকম কাজ করে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন তাঁদের আমরা আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে কুর্নিশ জানাই। এরকম একটা উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে। জীবনে একটু অন্যরকম ভাবেও যে ভাবা যায় আর সেই মাধ্যমের প্রতি ভালোবাসা, নিষ্ঠা দিয়ে যে নিজের পরিচয় গড়ে তোলা যায় এই দুই যুবক তার নজির সৃষ্টি করেছেন। বাইসাইকেলকে সঙ্গী করে ওঁদের এই যাত্রাপথ আরও ভালোভাবে এগিয়ে যাক এটাই আমি চাই।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল 'প্রাপ্তি'-র গান, ১০ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি

বুদ্ধদেব গুহর গল্প প্রাপ্তি অবলম্বনে আগামী ১০ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে অনুরাগ পাতি পরিচালিত ছবি প্রাপ্তি। এই ছবিরই গান মুক্তি পেল। গান মুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা ছাড়াও অন্যান্য অভিনেতারা।প্রাপ্তি তে অভিনয় করেছেন সমদর্শী দত্ত, প্রত্যুষা রোসলিন, দেবদূত ঘোষ এবং অনন্যা পাল ভট্টাচার্য। ছবিটির প্রযোজনা করেছেন প্রত্যুষা। এই ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছে শ্রবণ ভট্টাচার্য। গানের কথা লিখেছেন ঋতম সেন। ছবিতে গানগুলি গেয়েছেন রেখা ভরদ্বাজ ও অমৃতা সিং।অনুরাগ পাতি-র প্রাপ্তি তে মোট ৩টি গান রয়েছে। একটি গান রাই। রিতম সেনের লেখায় শ্রবণ ভট্টাচার্যের সুরে গানটি গেয়েছেন রেখা ভরদ্বাজ। গানটির রিপ্রাইস ভার্সনও গেয়েছেন তারা। আরেকটি গান সই। এই গানটি গেয়েছেন ঋতম সেন ও শ্রবণ ভট্টাচার্যের কথায় শ্রবণ ভট্টাচার্যের সুরে গানটি গেয়েছেন শ্রবণ নিজেই। ছবির গানগুলো দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। এখন ছবিটি কতটা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যেতে পারে সেটাই দেখার।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কে কে র মৃত্যুর জন্য এবার রূপঙ্করকে ট্রোল ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের

ভারতীয় সঙ্গীতের এক তারকা কে কে কে হারিয়ে আমরা সবাই মুহ্যমান। নজরুল মঞ্চে গতকাল পর্যন্ত যার লাইভ পারফরম্যান্সের সাক্ষী থাকলেন দর্শকরা সেই কে কে আজ আমাদের সঙ্গে নেই ভাবতে পারছেন না অনেকেই। এরকম একটা পরিস্থিতিতে সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্করের ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল সমালোচনা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারা কেউই রূপঙ্করকে ছেড়ে কথা বলেননি। এবার অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় রূপঙ্করের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাস্বর লিখেছেন, আজ থেকে রূপুংকরবাবুর নাম দিলীপ ঘোষ হোক। কারণ উনিও আলটপকা কথা বলে লাইমলাইটে থাকতে চান। কি অসহ্য সময়, নিজেকেই বলছেন KK-র থেকে ভালো গায়ক। সে তো মানুষ বলবে আপনি লাফাচ্ছেন কেন? রাঘবদা বা কাউকে তো এসব বলতে শুনি না। কমেন্ট বক্সে অভিনেত্রী রিমঝিম গুপ্ত লিখেছেন, এই লোকটা কারও মৃত্যুকেও একটা পাবলিসিটি স্টান্ট করতে পারে জাস্ট ভাবে না। ছি!! আমরা কোন সমাজে, কোন যুগে বসবাস করছি।প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে রূপঙ্কর সংবাদবাদ্যমকে কেকে-র মৃত্যু প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করেছেন রূপঙ্কর। তিনি বলেছেন, দু:খ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। কেকে অত্যন্ত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। এটা ওঁর মৃত্যুর বয়স নয়। অতীতে অনেক মিউজিশিয়ান ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ওর সেই বয়স নয়। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি কেকে-র বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইনি। মানুষ বুঝতে না পারলে সত্যি খারাপ লাগবে। বাংলা গান, বাংলা সাহিত্য নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম আমি। চিনিই না মানুষটাকে। ওঁর উপর কেন রাগ থাকবে। আমি ওঁর ভক্ত। আমার বক্তব্য নিয়ে কেউ অন্য কিছু ভেবে থাকলে সেটা তাঁদের ভুল।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কবিতা ক্লাবের সত্যজিৎ রায় স্মরণে বিশেষ পিকচার কথার অনুষ্ঠান

সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এপিজে বাংলা সাহিত্য উৎসব, অক্সফোর্ড বুকস্টোর এবং কবিতা ক্লাবের উদ্যোগে পার্ক স্ট্রিটের শতাব্দীপ্রাচীন অক্সফোর্ড বুকস্টোরে আয়োজিত হল। মে মাসে সত্যজিৎ রায়ের জন্মমাস। সেই কারণেই এই কিংবদন্তির জন্মশতবার্ষিকীতে, কবিতা ক্লাবের মে মাসের পিকচার কথা বিভাগটি সত্যজিৎ রায় স্মরণে। এই মাসের পিকচার কথায় যাদের লেখা নির্বাচিত হয়েছে তাদের অক্সফোর্ড বুক স্টোরের সৌজন্যে বিশেষ পুরস্কার ও শংসাপত্র প্রদান করা হয় এই অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল অপরাজিত ছবির চরিত্রাভিনেতাদের উপস্থিতি। অনীক দত্ত পরিচালিত, সদ্য রিলিজ হওয়া, বহুলচর্চিত অপরাজিত ছায়াছবির চরিত্রাভিনেতারা তাদের অভিজ্ঞতার কথা উপস্থিত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন I উপস্থিত ছিলেন দেবাশিস রায়, শৌণক সামন্ত, শোয়েব কবীর এবং ঋত্বিক পুরকায়েত। এই অভিনেতারা সিনেমার পর্দায় সুবীর মিত্র, সুনীল চৌধুরী, চন্দ্রগুপ্ত কিচলু এবং দেবাশিস বর্মণের চরিত্রে দর্শকদের সামনে ধরা দিয়েছেন I এই চরিত্রগুলি সম্পূর্ণ কাল্পনিক নয়, বরঞ্চ নির্মিত হয়েছে সুব্রত মিত্র, অনিল চৌধুরী, বংশী চন্দ্রগুপ্ত এবং আশিস বর্মণের ছায়া অবলম্বনে। কবিতা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং অন্যতম সদস্য জনপ্রিয় গীতিকার, গায়ক এবং সঙ্গীত পরিচালক সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও উপস্থিত হন। কবিতাক্লাবকে ঘিরে সারা বছর চলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। পিকচার কথার সূচনাপর্ব কবিতাক্লাবের এক আড্ডায়। ভাবনাটা কথায় কথায় স্পষ্ট হয়েছিল যে ছবির বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে চার লাইনের কবিতা, কিম্বা চার পাঁচে কুড়ি শব্দের অণুগল্প লেখা হয়।

মে ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • ...
  • 58
  • 59
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal