• ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ০২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

করোনা

রাজ্য

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ বহাল থাকছে ১৫ জুলাই পর্যন্ত, বাড়ছে ছাড়-চলবে যাত্রীবাস

রাজ্যে ফের করোনার বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ১৫ জুলাই পর্যন্ত। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় আরও বেড়েছে। সোমবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলবে সরকারি ও বেসরকারি বাস। এখনই পুরোপুরি করোনাবিধি প্রত্যাহার হচ্ছে না। ১ জুলাই থেকে নতুন বিধিনিষেধ চালু হবে।কী কী ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী** রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হতে পারবেন না। আগের নিয়ম বহাল থাকছে।** সরকারি ও বেসরকারি বাস চালু করা হচ্ছে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস রাস্তায় নামত পারবে।** কলকাতা, জেলা ও রাজ্যের মধ্যে বাস চলাচল করবে।** অটো, টোটোসহ যাত্রীবাহন চলবে করোনা বিধিন মেনে ।** সেলুন ও বিউটি পার্লার চালু রাখা যাবে। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। ৫০ শতাংশ কাষ্টমার থাকতে পারবে সেখানে। ভ্যাকসিন নিতে হবে কাস্টমার ও কর্মীদের। প্রতিদিন স্যানিটাইজ করতে হবে।** সবজি ও মাছের বাজার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত খোলা থাকবে। আগের থেকে ১ ঘণ্টা বেড়েছে এক্ষেত্রে।** এছাড়া বাকি দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।** জিম খোলা থাকবে ৫০ শতাংশ হাজিয়ায়। সকাল ৬টা থেকে ১০টা ও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা।** ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে দুপুর ২টো পর্যন্ত।** ট্রেন চালু করার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেই পরিস্থিতি হয়নি।** বিয়ের অনুষ্ঠান বা উৎসবে সর্বোচ্চ ৫০ জন হাজির থাকতে পারবে।** যারা মহামারি আইন মানছে না তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।** রেস্টুরেন্ট বা খাবারের দোকান খোলা থাকবে ১১টা থেকে ৮টা পর্যন্ত।** বেসরকারি বা কর্পোরেট সেক্টরে এখন থেকে ৫০ শতাংশ হাজিরা থেকে কাজ করতে পারবে। আগে ছিল ২৫ শতাংশ। কর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে হবে সংস্থাকে।

জুন ২৮, ২০২১
রাজ্য

আতঙ্ক বিদেশে, করোনায় সুস্থতার হার বেড়েছে বাংলায়

ব্রিটেনে নতুন করে করোনা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যদিও ভারতে সেই আশঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এদিকে বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বেড়েছে। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৩ জন। একই সঙ্গে বেড়েছে দৈনিক সুস্থতার হার। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী বাংলায় করোনা অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৮। দৈনিক অ্যাক্টিভ কমেছে ৬৫৫। সরকারি রিপোর্ট দেখা যাচ্ছে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজ্যে বাড়ছে সুস্থতার হার। এরাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯৯৬। অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৮। দৈনিক অ্যাক্টিভ কেস কমল ৬৫৫। একই সঙ্গে সুস্থতার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,২৭০ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩০৯ জন। সুস্থতার হার এখন ৯৫.২৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দৈনিক মৃত্যুহারের সংখ্যাও কমেছে রাজ্যে। কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও অ্যাক্টিভ কেসের নিরিখে এখনও শীর্ষে কলকাতা। কলকাতায় মোট কোভিড ১৯ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৮৬০। এরপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (২৯৭৪), হুগলি (৮১১), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৯৩৩), হাওড়া (৭৯৮)।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

শীতে বাংলায় কমছে করোনার দাপট, স্বস্তি

কনকনে ঠান্ডায় উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে করোনার ভয়াবহ দাপট। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে দৈনিক করোনা সংক্রমণের বেশ খানিকটা হ্রাস পেয়েছে। বিগত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫১৫ জন। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ১,৯৭৮। এক ধাক্কায় কমেছে প্রায় পাঁচশো।সোমবার পর্যন্ত এরাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩৪৩। দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে যাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় এরাজ্যে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৪২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ১২ হাজার ৩৯ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৫.১১ । আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও সেই হারে মৃত্যুহার কমেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় রাজ্যে আরও ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তুলনামূলকভাবে আক্রান্তের হারের তুলনায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বাংলায় মৃতের সংখ্যা বেশি। অ্যাক্টিভ কেসে অন্য জেলাগুলিকে পিছনে ফেলে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। মহানগরে মোট কোভিড ১৯ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪০০৯। যথারীতি কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (৩১৩৩)। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১০০৭), হুগলি (৮৭৪), হাওড়া (৮৬২), পূর্ব মেদিনীপুর (৭৪৪),পশ্চিম মেদিনীপুর (৬৫১),নদিয়া (৭৩৬)।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে আরও বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ১৫৫ জন। যার মধ্যে সর্বোচ্চ কলকাতায় (৫৩৯)। প্রত্যাশা মতোই তারপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সে জেলায় আক্রান্ত ৪৮৫ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি ও হাওড়াতেও অব্যাহত সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিন জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১২৯, ১৩৬ ও ১২১ জন। এদিকে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেই লাগামছাড়া হয়ে পড়েছিল দার্জিলিংয়ের করোনা পরিস্থিতি। যদিও বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। একদিকে সেখানে আক্রান্ত ৭৩ জন। যদিও সংখ্যাটা গতকালের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৫০ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় আশা জোগাচ্ছে সুস্থতার ঊর্ধ্বমুখী হার গত কয়েকদিন ধরেই কমছে অ্যাকটিভ কেস। এদিনও ব্যতিক্রম হল না। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪৬০ জনে। একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭১৭ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৭ হাজার ৭০ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৮১। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৩ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ৩২০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৭ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৬ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৭ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় আশা জোগাচ্ছে সুস্থতার ঊর্ধ্বমুখী হার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৩৯ জন। যার মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত ৫৯৫ এবং ৫২৪ জন। এরপরই তালিকায রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি ও হাওড়া। গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিন জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৫৩, ১১৮ ও ১০০ জন। এদিকে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেই লাগামছাড়া হয়ে পড়েছিল দার্জিলিংয়ের করোনা পরিস্থিতি। যদিও বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। একদিকে সেখানে আক্রান্ত ৪২ জন। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৩২ হাজার ৬৯৫ জন। গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৬৫ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মোট করোনাজয়ী সংখ্যা পেরল ৫ লক্ষের গণ্ডি ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭২৯ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৪ হাজার ৩৫৩ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৬৮। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪২ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ২৭৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ৩৫৫ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৬ লক্ষ ২৩ হাজার ৮২০ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে মোট করোনাজয়ী সংখ্যা পেরল ৫ লক্ষের গণ্ডি

গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত ২২৪৫ জন, বুধবার যা ছিল ২২৯৩। দৈনিক সুস্থতার হারও বেশি। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৭৪৭ জন। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৫ লক্ষ। সুস্থতার হার ৯৪.৫৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি রাজ্যের ৪৪ জন, বুধবার যা ছিল ৪৪। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ২১১, যার মধ্যে এই মূহুর্তে অ্যাকটিভ করোনা রোগী ১৯,৫৯৭। এ নিয়ে বাংলায় করোনার থাবায় মৃত্যু হয়েছে মোট ৯২৩৫। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অন্যদিকে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সুস্থতার হারে আশার আলো দেখাচ্ছে বাংলা। এ নিয়ে রাজ্যে করোনাজয়ীর সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৫ লক্ষ। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,৪৭৩টি, যার মধ্যে ৮.০৬ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৯২। এই পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়িয়ে, আরও দ্রুত করোনা রোগীকে চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করার লক্ষ্যে পরিকাঠামোর আরও উন্নতি হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। তবে এখনও সংক্রমণের শীর্ষে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা। এই দুই জেলায় এখনও অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা যথাক্রমে ৪৬৫৮ এবং ৩৮৫৪। করোনাযুদ্ধে এগিয়ে তিন জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম। এই তিন জায়গাতেই করোনা রোগী একশোর কম।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৯৩ জন। যার মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত ৫৪৭ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম বর্ধমানের সংক্রমণের ছবিটাও বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৬৪ ও ১১২। হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায় একদিনে সংক্রমিত যথাক্রমে ১১৫, ১১৮ ও ১০৫ জন। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ২১১ জন। তবে গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেস। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ২৬ হাজার বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২০ হাজার ১৪৩। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭৬৭ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনাজয়ী ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ৮৭৭ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৪৫ শতাংশ। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৬ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৯১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৬ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৯২ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ২৬ হাজার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৮৯ জন। যার মধ্যে সর্বাধিক সংক্রমিতের হদিশ মিলেছে উত্তর ২৪ পরগনায় (৫২৩)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা (৫০৩)।দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম বর্ধমানের সংক্রমণের ছবিটাও বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৬৪ ও ১২৩। গত ২৪ ঘণ্টায় আবার হাওড়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটা নিম্নমুখী করোনায় দৈনিক সংক্রমণ সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৯১৮ জন। তবে গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৬৬৩ জন। স্বস্তি দিয়ে বাড়ছে বাংলায় কোভিডজয়ীর সংখ্যাও। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৯৬৫ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ১১০ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৩৩। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৫ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৪৫ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪১ হাজার ৫৬৯ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭৩৬ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটা নিম্নমুখী করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৩৪জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের। তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২৯৮০। এ নিয়ে বঙ্গে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৪.১৮ শতাংশ। রবিবারও রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৭১০। সেই তুলনায় সোমবার সংখ্যা কমল অনেকটাই। এ নিয়ে বাংলায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ২১ হাজার ৭৯৫, যার মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২১, ৩৮৪। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ জন করোনার বলি হওয়ায় এ নিয়ে মৃতের সংখ্য়া দাঁড়াল ৯১০০। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার আর সুস্থ হয়েছেন রাজ্যের মোট ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ১৪৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩১, ৬৭১টি। এর মধ্যে ৮.১১ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিসংখ্যান অবশ্য এখনও উদ্বেগজনকই। তুলনায় করোনাযুদ্ধে উত্তর ২৪ পরগনা ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে সেখানে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ৪২৬৯। কলকাতায় করোনা পজিটিভ রোগী ৫১৫৭।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫৮০ জন। তবে করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার বলি ৪৭ জন, শনিবার তা ছিল ৪৪। একই সময়ে রাজ্যে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯৯৪ জন, যা দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এ নিয়ে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩.৯৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দুদিনের তুলনায় সপ্তাহান্তে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেশ খানিকটা কম। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনায় আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১৯ হাজার ২১৫ জন, যার মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২২, ৫৭৩। শনিবারের তুলনায় অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমেছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনার বলি হয়েছেন ৯০৫৭। আর মোট সুস্থতার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯০ হাজার ১৬৫। আরও পড়ুন ঃ দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় সুস্থতার হার খানিকটা বেশি করোনা সংক্রমণের শীর্ষে যথারীতি দুই জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। কলকাতায় এখনও অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি। তুলনায় উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিসংখ্যান কিছুটা আশা জোগাচ্ছে। এখানে এই মুহূর্তে সাড়ে চার হাজারের সামান্য বেশি মানুষ করোনা পজিটিভ। করোনাযুুদ্ধে ভাল অবস্থানে রয়েছে দুই তিন জেলা কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, ঝাড়গ্রাম। তিন জেলাতেই করোনা পজিটিভের সংখ্যা ১০০র কম। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪১,২১৮ টি, যার মধ্যে ৮.১২ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় সুস্থতার হার খানিকটা বেশি

স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যে ২৭১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪ জনের। তুলনায় অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯১৩ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩.৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনার বলি ৯০১০। করোনায় মোট আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১৬ হাজার ৫০৫, যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২৩,০৩৪। পরিসংখ্যান বলছে, এ পর্যন্ত করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ১৭১ জন। আরও পড়ুন ঃ নিম্নমুখী রাজ্যের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা তবে সংক্রমণের শীর্ষে সেই কলকাতাই। এখানে এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৭৭১। ঠিক পিছনেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে করোনা পজিটিভ ২১৪২। সংক্রমণের গোড়া থেকেই এই দুই জায়গাই বারবার চিন্তিত করেছে বিশেষজ্ঞদের। বছরশেষেও সেই উদ্বেগ কমছে না। করোনাযুদ্ধে এগিয়ে দুই জেলা কালিম্পং ও ঝাড়গ্রাম। দুই জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা এই মুহূর্তে একশোর কম। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,১০৭ টি, যার মধ্যে ৮.১৪ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এ নিয়ে রাজ্যে করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩,৪০,১৭১টি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

নিম্নমুখী রাজ্যের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২,৭৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৬৭৯ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথমে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৬৬৪ জন। ফের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে হাওড়া। নতুন করে সেখানকার ১৫৫ শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। এছাড়া অন্যান্য প্রায় সব জেলা থেকেই এদিন হদিশ মিলেছে নতুন আক্রান্তের। ফলে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫,১৬,৫০৫। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমিতের তুলনায় বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা এদিন মারণ করোনা প্রাণ কেড়েছে বাংলার ৫০ জনের। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা। একদিনে করোনার বলি সেখানকার ১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে জয় করে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ২, ৮৭৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৩৫ জন কলকাতার। উত্তর ২৪ পরগনার ৭৩৯ জন। এখনও পর্যন্ত করোনাকে পরাস্ত করেছেন বাংলার ৪, ৮৪, ২৫৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২, ১৩১ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩, ৪০, ১৭১ জনের। বাংলায় মোট কোভিড হাসপাতাল রয়েছে ১০২টি। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১১, ০৭, ২২৫ জন। মোট সেফ হোমের সংখ্যা ২০০টি। সেখানে রয়েছেন ৪৮৬ জন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমিতের তুলনায় বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা থাবা বসিয়েছে বাংলার ২,৮০১ জনের শরীরে। একদিনে আক্রান্তদের মধ্যে কলকাতার ৬২২ জন। উত্তর ২৪ পরগনার ৬১৩ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নতুন করে আক্রান্ত ১৬৭ জন। উত্তরবঙ্গের মধ্যে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির কোভিড গ্রাফ উর্ধ্বমুখী। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫, ১৩, ৭৫২। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি হয়েছেন রাজ্যের ৪৯ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ তাঁদের মধ্যে ১৯ জন কলকাতার। ১৩ জন উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক মৃতের নিরিখে এদিন প্রথমে কলকাতা। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনার। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮,৯১৬। একদিনে করোনাকে হারিয়ে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ২, ৯৫১ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৫৬ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সুস্থতার নিরিখেও প্রথমস্থানে তিলোত্তমা। এখনও পর্যন্ত বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৪, ৮১, ৩৮৫ জন। তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২, ১৫২ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৬২, ৯৮, ০৪০ জনের।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্যে ২ হাজার ৯৪১ জনের শরীরে মিলেছে করোনা সংক্রমণ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫ হাজার ৫৪। তবে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা এই মুহূর্তে ২৩,৭৫০জন। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৪ জন। মোট মৃতের সংখ্যা ৮৮২০। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৯৭১। এ নিয়ে করোনার কবল থেকে সুস্থ হলেন মোট ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার ৪২৫ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটাই কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩.৫৯ শতাংশ। কলকাতায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫৮৯৮। সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় হলেও উত্তর ২৪ পরগনায় কমেছে করোনা পজিটিভের সংখ্যা। এই মুহূর্তে তা ৪৯৮০। করোনাযুদ্ধে রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভাল অবস্থায় রয়েছে দুই জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪,২৩০টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৬১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৭, যার মধ্যে ৮.১৮ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের সোমবারের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২১৪ জন। সার্বিক সংক্রমণ খানিকটা কমলেও শীর্ষে সেই কলকাতাই। এখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯৩ জন। ঠিক তারপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাতেও সংক্রমণ লেগেই রয়েছে। তার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ৫৪ জন। তবে দৈনিক মৃতের সংখ্যা এদিন বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪৮ জনের। যা গতকালের তুলনায় কিছুটা বেশি। রাজ্যে মোট ৮ হাজার ৭৭১ জন করোনার বলি হয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যুর হারে সামান্য স্বস্তি তবে বাংলায় সকলকে অক্সিজেন জোগাচ্ছে সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ২৩১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের তুলনায় খানিকটা বেশি। এখনও পর্যন্ত ৪ লক্ষ ৭২ হাজার ৪৫৪ জন করোনা মতো ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হয়েছেন। টেস্টের সংখ্যা বাড়িয়ে দ্রুত করোনাকে রোখাই লক্ষ্য কেন্দ্র ও রাজ্যের। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ হাজার ৪৫৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তার ফলে টেস্টের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়াল ৬১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৬টি। তার মধ্যে ৮.১৯ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যুর হারে সামান্য স্বস্তি

রবিবার স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ২ হাজার ৮৪০। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাস মিলেছে ৩১৪৩ জনের শরীরে। মৃত্যু হয়েছে ৪৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১৬৭ জন। এ নিয়ে রাজ্যে করোনা থেকে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩. ৫১ শতাংশ। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৩, ৮৯৪। মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৭২৩জনের। আর সুস্থ হয়ে ফিরেছেন মোট ৪ লক্ষ ৭০ হাজার ২২৩ জন। তবে সংক্রমণের শীর্ষে এদিনও কলকাতা, দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার দুই জেলায় এই মুহূর্তে করোনা পজিটিভ যথাক্রমে ৫৯৪৮ ও ৫১৫৩। আর করোনাযুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে দুই জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং। দুই জায়গাতেই এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যার ১০০র বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৪৪, ১৮৬ টি করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। যার মধ্যে পজিটিভ রিপোর্ট ৮.২ শতাংশ। এনিয়ে মোট করোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৬০ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৬৮।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৭৫ জন। কলকাতায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৮ জন। দৈনিক সংক্রমিতের নিরিখে তার ঠিক পরেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাতেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে। তার ফলে বর্তমানে বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬৯৭ জন। একদিনে কিছুটা হলেও কমেছে মৃতের সংখ্যা। কোভিডে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৯ জন। রাজ্যে মোট কোভিডে প্রাণ গেল ৮ হাজার ৬৭৭ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে সামান্য কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ সংক্রমিতের হার কমার পাশাপাশি বাড়ছে রাজ্যে সুস্থতার হার। ৯৩.৪৭ শতাংশ ব্যক্তি করোনাকে জয় করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনাজয়ী ৩ হাজার ২০৭ জন। তার ফলে কোভিডকে হারিয়ে এতদিনে মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ৪ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ৩৮৯ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬০ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৬৮ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে ৮.২০ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২০৬ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫২২। সংক্রমণ ও মৃত্যুতে সকলের শীর্ষে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। কলকাতায় এখনও করোনা রোগীর সংখ্যা ৬০০০ ছুঁইছুঁই। তুলনায় অনেকটা কম উত্তর ২৪ পরগনায় তা ৫ হাজারের বেশি। করোনাযুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে দুই জেলা কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ার। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ২৪ হাজার ৪৫। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২১৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৮৪৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৯৩.৪২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য়ে আরও ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৬২৮। শুক্রবার ৪৪ হাজার ৩৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৬০ লক্ষ ৪৭ হাজার ২৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বৃহস্পতিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭৪ জন। একইভাবে সংক্রমণের নিরিখে কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানেও করোনা সংক্রমণ একেবারে রোখা সম্ভব হচ্ছে না। ৭১৫ জন একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন। তার ফলে সব মিলিয়ে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৩১৬ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ৫ লক্ষের দোরগোড়ায় মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা গোটা রাজ্যে বৃহস্পতিবার করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৯ জনের। তার ফলে রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫৭৬ জন। রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,২৫৭ জন৷ বাংলায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৩৪ জন৷ বাংলায় বর্তমানে সুস্থতার হার ৯৩.৩৮ শতাংশ। একদিনে বাংলায় ৪৪ হাজার ১৩০ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে কোভিড টেস্ট হয়েছে ৫৯ লক্ষ ৫৮ হাজার ৭৯৮ জন। তার মধ্যে ৮.২২ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ৫ লক্ষের দোরগোড়ায় মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে বাংলার ৩,২২১ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। তাঁদের মধ্যে ৮৪১ জনই কলকাতার। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা থাকলেও কমেছে সেখানকার নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৬৯৭ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ১৮৮ জন। উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি নতুন করে বাড়াচ্ছে চিন্তা। এছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকেও নতুন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। যার জেরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৯০, ০৭০। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯৩ শতাংশের বেশি এদিন করোনায় মৃত ৫১ জনের মধ্যে ১২ জনই কলকাতার। ১১ জন উত্তর ২৪ পরগনার। করোনা প্রাণ কেড়েছে বাংলার মোট ৮,৫২৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩, ২৭৫ জন। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৪, ৫৭, ৩৭৭ জন। সুস্থতার হার ৯৩.৩৩ শতাংশ। এদিন করোনা পরীক্ষা হয়েছে মোট ৪২, ৬২৪ জন। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৯, ৫৮, ৭৯৮ জনের।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা, শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া! তিন দিন পরেই ভারত-পাকিস্তান মহারণ

২০২৭ সালের পুরুষদের এক দিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়ায় বসবে এবারের ক্রিকেটের মহাযজ্ঞ। প্রতিযোগিতা শুরু হবে ২ অক্টোবর এবং ফাইনাল হবে ২১ নভেম্বর। মোট ১৪টি দলকে নিয়ে হবে ৫৭টি ম্যাচ।এবারের বিশ্বকাপের শুরুটাই হবে অন্য রকম। ১৪টি দলের মধ্যে তিনটি দলকে নিয়ে প্রথমে হবে একটি বিশেষ সুপার সিরিজ। সেই পর্বের তিনটি ম্যাচ হবে ২, ৪ এবং ৬ অক্টোবর নামিবিয়ার উইন্ডহোকে। এই পর্বের শীর্ষে থাকা দল মূল গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নেবে।এর পর ১২টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ছয়টি করে দল। ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, জিম্বাবোয়ে এবং একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল। অন্য গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং আরও একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল।ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ৭ অক্টোবর। প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। ম্যাচটি হবে কেপটাউনে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালের পর আবারও বড় মঞ্চে মুখোমুখি হবে দুই দল।তার পরেই ক্রিকেটপ্রেমীদের বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। অর্থাৎ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শুরু হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান মহারণ।ভারতের তৃতীয় ম্যাচ ১৪ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচ হবে ত্শোয়ানে। এরপর ১৭ অক্টোবর যোগ্যতা অর্জনকারী একটি দলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। গ্রুপ পর্বে ভারতের শেষ ম্যাচ ২৪ অক্টোবর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচটি হবে ভিক্টোরিয়া ফলসে।এবারের প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি হল নতুন ফরম্যাট। গত কয়েকটি বিশ্বকাপের মতো সরাসরি একটি দীর্ঘ গ্রুপ পর্বের পর সেমিফাইনালে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে না। প্রথমে হবে তিন দলের সুপার সিরিজ। তার পর ১২ দলের গ্রুপ পর্ব এবং শেষে সাত দলের সুপার সেভেন পর্ব।দুই গ্রুপের প্রথম তিনটি করে দল সরাসরি সুপার সেভেনে যাবে। পাশাপাশি দুই গ্রুপের চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলির মধ্যে যে দল তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে থাকবে, সেই দলও পরের পর্বে জায়গা পাবে। ফলে গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে।সুপার সেভেনে মোট সাতটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। এই পর্বে গ্রুপ পর্বের কোনও পয়েন্ট বহন করা হবে না। ২৫ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সুপার সেভেনের ম্যাচগুলি। এই পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার প্রথম চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে।সেমিফাইনাল হবে ১৭ এবং ১৮ নভেম্বর। প্রথম সেমিফাইনাল হবে কেপটাউনে এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ত্শোয়ানে। ২১ নভেম্বর জোহানেসবার্গে হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। প্রয়োজনে ২২ নভেম্বর রাখা হয়েছে ফাইনালের সংরক্ষিত দিন।এবারের বিশ্বকাপ যৌথ ভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়া। মোট ১২টি মাঠে হবে ৫৭টি ম্যাচ। আফ্রিকার মাটিতে ২৪ বছর পর ফিরছে পুরুষদের এক দিনের বিশ্বকাপ।সব মিলিয়ে ভারতের জন্য বিশ্বকাপের শুরুতেই অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়া এবং পাকিস্তানের মতো বড় প্রতিপক্ষ। তার পর আফগানিস্তান, একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল এবং জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের লড়াই। নতুন ফরম্যাটে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব থাকায় শুরু থেকেই ভারতীয় দলের সামনে বড় পরীক্ষা হতে চলেছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
বিদেশ

বিমানের ককপিটে কেন হামলা? স্মিত মচ্ছরকে ছুরিকাঘাতের নেপথ্যে কী, মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ককপিটের ভিতরে সহ-পাইলট ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। হামলার জেরে বিমানটি আচমকা উচ্চতা হারাতে শুরু করে। পরে যাত্রী ও বিমানের কর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। বিমানে থাকা ১৭৪ জন যাত্রী নিরাপদে রক্ষা পান।ঘটনার পর ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরকে সাহসিকতার জন্য প্রশংসা করেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য, গুরুতর আহত অবস্থাতেও স্মিত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও বিমানের কর্মীরা হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেন। এই ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য।বৃহস্পতিবার হামলার নেপথ্যের কারণ নিয়ে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত সহ-পাইলট ইসলামপন্থী ও উগ্র মতাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন। তবে তাঁকে কে বা কারা এই মতাদর্শে প্রভাবিত করেছিল, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই বলেও জানান নেতানিয়াহু। কোনও নির্দিষ্ট সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে অভিযুক্তের যোগ রয়েছে কি না, সেটিও এখনও নিশ্চিত হয়নি।নেতানিয়াহু আরও জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্তে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে ইজরায়েল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তকারীরা হামলার আসল কারণ এবং এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা সংগঠিত যোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষও ঘটনার পরিস্থিতি, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদী যোগের বিষয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছে।ঘটনার সময় বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে বিমানটি অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১৭ হাজার ফুটে নেমে যায়। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিমানের নিয়ন্ত্রণ ফেরানো সম্ভব হয় এবং তাবুকে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করা হয়।ঘটনার পর সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে আহত স্মিত মচ্ছরকে তাবুকের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং প্রাথমিক ভাবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে ৯/১১-এর মতো বিমান হামলার তুলনা করেছেন নেতানিয়াহু এবং অন্য কয়েক জন। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্তের মতাদর্শগত যোগ এবং ঘটনার আগে কোনও পরিকল্পনা ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলির চূড়ান্ত উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। তাই হামলাটিকে নির্দিষ্ট কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের পরিকল্পনা হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সরকারি তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে। ঘটনাটির পর ইজরায়েলগামী বিমানের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ইজরায়েলে যাতায়াতকারী পাইলটদের পরিচয় ও নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, মাঝ আকাশে ককপিটে হামলার ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা অল্পের জন্য এড়ানো গিয়েছে। ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা হলেও, হামলার আসল উদ্দেশ্য এবং এর পিছনে কারও সংগঠিত ভূমিকা ছিল কি না, তা এখনও তদন্তের বিষয়। তদন্ত শেষ হলেই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি আরও স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসের টাকা কোথায় গেল? ইডির জেরায় ইন্দ্রনীল, মমতার অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ পাঠানোর দাবি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তের সূত্র ধরে তাঁর সংস্থা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেনের দাবি সামনে এনেছে ইডি। তবে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য, ওই টাকা রয়্যালটি হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। ফলে লেনদেনটির প্রকৃতি নিয়ে তদন্ত চলছে।ইডির দাবি, জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগের আওতায় রয়েছে ম্যাসআর্ট নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুচ্ছন্দা সেন-সহ আরও কয়েক জনের নাম জড়িয়েছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং পাসের নামে কয়েক বছর ধরে বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই অর্থের একটি অংশ ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।তদন্তকারীদের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকার সরকারি কাজ বা টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল। এই টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইডির বক্তব্য অনুযায়ী, ইন্দ্রনীলের মালিকানাধীন অক্টেভ রেকর্ডস-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ কোটি ৮০ লক্ষ টাকারও বেশি জমা পড়েছিল। পরে ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ টাকা পাঠানো হয় বলে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন।ওই ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেন সম্পর্কে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্যও প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো টাকা রয়্যালটি বাবদ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ওই অর্থের উৎস, কারণ এবং পুজোর পাসের টাকা সংক্রান্ত অভিযোগের সঙ্গে এর কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের অংশ হয়ে উঠেছে।এর আগে মঙ্গলবার ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় ইডি। তাঁর আত্মীয় ও সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি ঠিকানাতেও অভিযান হয়। সিঙ্গুরে তাঁর বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা পৌঁছেছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রায় ১৫টি ঠিকানায় এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।তল্লাশি অভিযানের পর বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন ইন্দ্রনীল সেন। সেখানে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা ধরে তাঁর বক্তব্য নথিবদ্ধ করেন তদন্তকারীরা। পুজোর পাস, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে টাকার আদানপ্রদান নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইডির তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শোয়ের পাস সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছিল। এই অভিযোগের সত্যতা এবং ওই অর্থের পরবর্তী গতিপথ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং ইডির উত্থাপিত অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এই মামলায় আগামী দিনে আরও কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে তদন্তের গতিপ্রকৃতি থেকে ইঙ্গিত মিলছে। পুজোর পাস থেকে সংগৃহীত অর্থ কোথায় গিয়েছে, সরকারি টেন্ডারের সঙ্গে সেই অর্থের কোনও যোগ রয়েছে কি না এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের প্রকৃতি কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা। এদিকে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো ৩০ লক্ষ টাকা ছিল রয়্যালটি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই লেনদেন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘সবাইকে নিয়ে আসুন, শুধু ব্যাগেজটা বাদ’! মমতাকে অধীরের বার্তা ঘিরে নতুন চর্চা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসে ফিরে আসার আহ্বান জানালেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার তাঁর বক্তব্য, মমতা তাঁর সঙ্গে থাকা সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়ে কংগ্রেসে ফিরলে তাঁকে বাংলায় নেতৃত্ব দিতে আপত্তি নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি ব্যাগেজ বাদ দিয়ে আসার কথা বলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই ব্যাগেজ মন্তব্যকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।অধীরের বক্তব্যের আগে অবশ্য বাংলার রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থীকে সরিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন মমতা। পরে দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠকেও তাঁকে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা যায়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে কংগ্রেস ও মমতার সম্পর্ক নিয়ে তাই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অধীর বলেন, মমতা তাঁর সমস্ত সাংসদ ও বিধায়ককে নিয়ে কংগ্রেসের ছাতার নিচে এলে তিনি সেই নেতৃত্ব মেনে নিতে প্রস্তুত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের মতো বড় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মমতা বাংলায় নেতৃত্ব দিলে তাঁর আপত্তি নেই। তবে মমতার সঙ্গে থাকা ব্যাগেজ বাদ দেওয়ার শর্তও তিনি উল্লেখ করেন।অধীরের এই বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ সামনে এসেছে। কারণ অতীতে অভিষেক ও অধীরের মধ্যে একাধিক রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা গিয়েছে। যদিও ব্যাগেজ বলতে অধীর নির্দিষ্ট করে কারও নাম করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্যের ওই অংশকে অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে বিভিন্ন মহল।মমতার সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের ইতিহাসও দীর্ঘ। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের আগে মমতা দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে পৃথক দল তৈরি করে তিনি বাংলার রাজনীতিতে নিজের রাজনৈতিক পরিসর তৈরি করেন। এখন আবার কংগ্রেসে ফেরার আহ্বান সামনে আসায় সেই পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।এই পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করেছেন। মিলন প্রধানকে একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় এবং নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সুপ্রিম কোর্টেও ওই জামিনের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের আবেদনের শুনানি হয়েছে।তবে অধীরের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক দলীয় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর প্রকাশ্য রাজনৈতিক প্রস্তাব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের তরফে এই প্রস্তাব গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে এসেছে কি না, সেটিও আলাদা বিষয়।অধীরের বক্তব্যের পর এখন নজর থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের প্রতিক্রিয়ার দিকে। একই সঙ্গে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এই প্রস্তাব নিয়ে কী অবস্থান নেয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে মমতা-কংগ্রেস সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায় ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘মৃত্যুকামনা করিনি’, শুভেন্দুর আক্রমণের পর সুর বদল হুমায়ুনের! রেজিনগরে তুঙ্গে তরজা

রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। হুমায়ুনের কয়েক দিন আগের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বৃহস্পতিবার রেজিনগরের প্রচারসভা থেকে তাঁকে কড়া আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা হুমায়ুন দাবি করেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা করেননি এবং তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যু চাননি। তাঁর দাবি, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অত্যাচারের অবসানের কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, যাঁরা একতরফাভাবে অত্যাচার ও জুলুম চালান, তাঁদের পতন ইতিহাসে বার বার দেখা গিয়েছে। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রেও সেই কথা প্রযোজ্য বলে দাবি করেন তিনি।হুমায়ুন আরও দাবি করেন, তাঁর বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অন্য ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যু চাননি। বরং রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন।এর আগে হুমায়ুনের বক্তব্য নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রীকে দ্রুত পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য প্রার্থনার কথা উঠে আসে। সেই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের হয়েছিল।বৃহস্পতিবার রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে সেই বিতর্কের প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে মতবিরোধ, তর্ক এবং সমালোচনা থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মৃত্যু কামনা করার মতো ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, হুমায়ুন যে ধরনের মন্তব্য করেছেন, তার বিচার রেজিনগরের মানুষের উপর ছেড়ে দিচ্ছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক লড়াইয়ে শেষ কথা বলবেন ভোটাররাই। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।হুমায়ুন অবশ্য শুভেন্দুর আক্রমণের জবাবে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই পাল্টা অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা বললেই অত্যাচারের মুখে পড়তে হয়। নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি অত্যাচারীর পতনের কথা বলেছেন, কোনও ব্যক্তির মৃত্যুকামনা করেননি।রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে দুই নেতার এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এক দিকে শুভেন্দু অধিকারী হুমায়ুনের আগের বক্তব্যকে সামনে রেখে ভোটারদের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, অন্য দিকে হুমায়ুন নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে মৃত্যুকামনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে ভোটের আগে এই বিতর্ক প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক চাপানউতোর ভোটের প্রচারে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

এত বছর চলল নমাজ, এখন নিরাপত্তার প্রশ্ন কেন? বিমানবন্দর মসজিদ মামলায় বড় সিদ্ধান্ত হাই কোর্টের

কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে একটি মসজিদে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নমাজ পড়ার ব্যবস্থা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু গত ১১ জুলাই থেকে সেখানে নমাজ পড়া বন্ধ রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মামলাকারীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ধর্মাচরণের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা হয়। বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানিতে সওয়াল-জবাব হলেও আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চ।মামলাকারীর আইনজীবী কিশোর দত্ত আদালতে জানান, বিমানবন্দর সংলগ্ন ওই মসজিদে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে নমাজ পড়া হয়ে আসছে। তাঁর দাবি, এত দীর্ঘ সময়ে সেখানে নমাজ পড়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কোনও সমস্যা হয়নি। তাহলে এখন কেন নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে নমাজ বন্ধ করা হল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।আইনজীবীর বক্তব্য, কলকাতা বিমানবন্দরের আট নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে ওই মসজিদে নমাজ পড়তে যেতে হত। বর্তমানে সেই প্রবেশের ব্যবস্থাই বন্ধ রয়েছে। তাঁর দাবি, ওই জমি এখনও অধিগ্রহণ করা হয়নি। তাই একেবারে নমাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।কিশোর দত্ত আদালতে আরও বলেন, ধর্মীয় প্রার্থনা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ বা নিয়ম মেনে অন্তত ওই মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। সেই ভিত্তিতেই আপাতত নমাজ পড়ার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।এই মসজিদকে ঘিরে নিরাপত্তার প্রশ্ন অবশ্য নতুন নয়। বিমানবন্দর সম্প্রসারণ এবং দ্বিতীয় রানওয়ের সঙ্গে মসজিদের অবস্থান নিয়ে এর আগেও আলোচনা হয়েছে। মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে রয়েছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকার নিয়ে আপত্তির কথাও আগে প্রকাশ্যে এসেছে।এর আগে এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, সরকার কাউকে ধর্মপালনে বাধা দিচ্ছে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে তাঁর বক্তব্য ছিল।এখন হাই কোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে। দীর্ঘদিনের ধর্মাচরণের ব্যবস্থা ফের চালু হবে কি না, নাকি বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা পরবর্তী আদালতীয় প্রক্রিয়াতেই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণা থেকে আবাস, কৃষি থেকে শিক্ষাশ্রী! শুক্রবার থেকেই ২০ প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন

পুজোর মরসুমের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা আরও সহজে পৌঁছে দিতে শুক্রবার, ২ অক্টোবর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তিন দিনের বিশেষ সেবা সেতু অভিযান। ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর এই শিবির চলবে। কলকাতার ১৬টি বরো এবং রাজ্যের বিভিন্ন ব্লক ও পুর এলাকায় এই পরিষেবা শিবির আয়োজন করা হচ্ছে।এই শিবিরে একাধিক সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন এবং পরিষেবা সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, শিক্ষাশ্রী, জয় জোহার, প্রধানমন্ত্রী কিষান ক্রেডিট কার্ড, প্রধানমন্ত্রী কিষান স্বনিধি-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য জানার পাশাপাশি যোগ্য ব্যক্তিরা নতুন করে আবেদনও করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবির চলার কথা। বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। একাধিক ব্যাঙ্কের তরফেও কাউন্টার খোলার ব্যবস্থা থাকবে। ফলে সরকারি প্রকল্পের আবেদন বা পরিষেবা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে সাধারণ মানুষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন।কলকাতায় প্রতি দুটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে বিশেষ সহায়তা শিবির খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা নিজেদের কাছাকাছি শিবিরে গিয়ে সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য নিতে এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবার জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।এবারের সেবা সেতু অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হল সরকারি প্রকল্পের সুবিধা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অনেকের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় তাঁরা অনেক সময় আবেদন করতে পারেন না। সেই সমস্যা কমাতেই একই জায়গায় বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শিবিরে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে পারে বলে আগেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করতে অনেক মানুষ আসতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি ভিড় সামলানোর দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।কলকাতার প্রতিটি শিবিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার জন্য লালবাজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিন দিনই শিবিরগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের কাউন্টারে যাতে ভিড়ের কারণে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়, সে দিকেও নজর থাকবে প্রশাসনের।সাম্প্রতিক সরকারি কর্মসূচির নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেবা সেতু অভিযান সেবা সংকল্প অভিযান-এর একটি অংশ। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বৃহত্তর কর্মসূচির আওতায় ২ থেকে ৪ অক্টোবর জনকল্যাণমূলক পরিষেবা শিবির আয়োজনের কথা রয়েছে।ফলে সরকারি প্রকল্পে নতুন করে আবেদন করতে চান বা কোনও প্রকল্পের পরিষেবা নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন, এমন মানুষের জন্য ২ থেকে ৪ অক্টোবরের এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নিজের এলাকার শিবিরের নির্দিষ্ট স্থান ও সময় স্থানীয় প্রশাসন বা সরকারি তথ্যসূত্র থেকে যাচাই করে নিয়ে সেখানে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
দেশ

চার অ্যাকাউন্টে ৮০৪ কোটি, চাওয়া হয়েছিল ব্যবহারের অনুমতি! সুপ্রিম কোর্টে কী হল তৃণমূলের?

তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা বিপুল টাকা ব্যবহার করা নিয়ে ফের আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবিরের চারটি ফ্রিজ করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালানোর অনুমতি চেয়ে করা আবেদন বৃহস্পতিবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। একই সঙ্গে হাই কোর্টকে মামলাটির দ্রুত শুনানি করতে অনুরোধ করেছে শীর্ষ আদালত।চারটি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলির টাকা ব্যবহার করার অনুমতি চেয়েছিল মমতা শিবির। দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং সামনে থাকা নির্বাচনী কর্মসূচির জন্য অর্থের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাদের পক্ষের আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন। প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন বলেও তৃণমূল শিবিরের তরফে জানানো হয়েছিল।মমতা শিবিরের হয়ে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতে দাবি করেন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ায় দলের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। কর্মীদের বেতন, দফতরের খরচ এবং অন্যান্য সাংগঠনিক কাজ চালাতে অর্থ প্রয়োজন বলেও তিনি জানান। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনের সময় দলের আরও বেশি খরচ হয়।এর আগে কলকাতা হাই কোর্ট চারটি অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি চালানোর অনুমতি দেয়নি। গত অগস্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, আগের নির্দেশ অনুযায়ী বিশেষ আধিকারিকের মাধ্যমে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে চারটি অ্যাকাউন্ট আলাদা করে চালানোর অনুমতি দিলে আগের নির্দেশই কার্যত অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। তাই ওই পর্যায়ে অতিরিক্ত অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেওয়া হয়নি।বৃহস্পতিবার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় মমতা শিবির। কিন্তু বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই পর্যায়ে হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। আদালত মামলার মূল অভিযোগের সত্যতা বা অ্যাকাউন্টের টাকার চূড়ান্ত অধিকার কার, সেই প্রশ্নেরও নিষ্পত্তি করেনি। বরং কলকাতা হাই কোর্টকে দ্রুত শুনানির অনুরোধ করেছে।এই মামলায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কোন পক্ষ দলটির সম্পদ ও ব্যাঙ্কের টাকার উপর অধিকার রাখবে, সেই বৃহত্তর প্রশ্নের নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। সুপ্রিম কোর্টও জানিয়েছে, এই বিরোধের মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত টাকার অধিকার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে, মামলায় সরকারি পক্ষের তরফে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আগের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকটি সংস্থা ও ব্যক্তির কাছ থেকে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা জমা বা স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ এখনও তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। আদালত বৃহস্পতিবার এই অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।এর আগে তিনটি অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে কলকাতা হাই কোর্ট বিশেষ আধিকারিক নিয়োগ করে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা করেছিল। সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে করা আবেদনেও সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি। ফলে বর্তমানে চারটি অ্যাকাউন্টের প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা সরাসরি ব্যবহার করার অনুমতি মমতা শিবির পেল না।তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, তারা মামলার মূল মেরিটে প্রবেশ করছে না। অর্থাৎ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ বেআইনি কি না, কার অধিকার রয়েছে বা তদন্তে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটাএসব প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এই শুনানিতে হয়নি। এখন কলকাতা হাই কোর্টে মূল মামলার দ্রুত শুনানির দিকেই নজর থাকবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal