• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Women

রাজ্য

রাতে মহিলা নিরাপত্তায় বিশেষ জোর রাজ্য সরকারের, চালু হচ্ছে বিশেষ অ্যাপ

আরজি কর কাণ্ডের পর অবশেষে টনক নড়ল রাজ্য সরকারের। মহিলা নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে সরকারের তরফে। বিশেষ এই কর্মসূচীর নাম দেওয়া হয়েছে রাত্তিরের সাথী। এর সঙ্গে মহিলাদের নাইট শিফটের সুরক্ষায় বিশেষ অ্যাপ চালু করার ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। রাতের সাথী নামে অ্যাপের মাধ্যমে মহিলাদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে বলেই দাবি সরকারের। পাশাপাশি হাসপাতালগুলিকে সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আজকের এই বৈঠকে।আরজি কর কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিপ্তে আজই ভার্চুয়ালি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । বৈঠকে হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রাতের নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দোপাধ্যায়।তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাতের নিরাপত্তার ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য প্রতিটি হাসপাতাল-মেডিক্যাক কলেজে মহিলাদের জন্য আলাদা রেস্ট রুম, টয়লেটের ব্যবস্থা করা হবে। মহিলা বান্ধব সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের ক্ষেত্রেও সরকারের তরফে বাড়তি নজর দেওয়া হবে। সেফ জোন, সিসিটিভি মনিটারিংয়ের মাধ্যমে চলবে ২৪ ঘন্টার বিশেষ নজরদারি চলবে। মোবাইল অ্যাপ রাতের সাথী সকল কর্মরত মহিলাদের ডাউলোড করতে হবে যেটা স্থানীয় থানার সঙ্গে যুক্ত থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমে হেল্প লাইনে ফোন করেও অভিযোগ জানাতে পারবেন মহিলারা।যৌন নির্যাতন রুখতে আরও কড়া রাজ্য সরকার। এই সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রতিটি হাসপাতাল-মেডিক্যাল কলেজে বিশেষ কমিটি গঠন করা বাধ্যতামূলক। যারা এখনও তা করেননি তাদের অবিলম্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও সরকারের জারি করা প্রোটোকল মেনে চলতে হবে।রাতে মহিলারা যাতে টিমের সঙ্গে কাজের সুযোগ পান তার জন্যও সরকারের তরফে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর সঙ্গে রাতের পুলিশি পেট্রলিং বাড়ানো প্রতি ফ্লোরে, পানীয় জলের সুব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। প্রত্যেক হাসপাতাল-মেডিক্যাল কলেজগুলিকে কর্মীদের সচিত্র পরিচয় পত্র গলায় ঝুলিয়ে হাসপাতাল চত্ত্বরে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে। ১২ ঘন্টার বেশি কোন পরিস্থিতিতে মহিলা ডাক্তারদের ডিউটি যাতে না দেওয়া হয় তার জন্য হাসপাতালগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভব হলে মহিলাদের রাতের ডিউটি না দেওয়ায় জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগে সমানুপাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

আগস্ট ১৭, ২০২৪
দেশ

ভোটের অর্ধেক আকাশ

যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। সৈন্য সজ্জ্বার প্রস্তুতি প্রায় শেষ। ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গেলে বুহ্য রচনা হবে। তবে এ তো আর কামান,বন্দুক নিয়ে যুদ্ধ নয়। ভোট যুদ্ধের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে বাকযুদ্ধ। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক দল গুলির মধ্যে একে অপরের আক্রমণের অস্ত্র কখনও জাতিগননা, কখনও প্রতিশ্রুতির নামে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ। ভোটের ময়দানে একে অপরের যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী সেখানে তো এমনটা হওয়াই দস্তুর। একের সঙ্গে অপরের সব ইস্যুতেই দ্বৈরথ। মিল খুঁজে না পাওয়াটাই স্বাভাবিক।তবে অমিলের এই রাজত্বে অসাধ্য সাধন করেছেন দেশের মহিলারা। মহাভারতে কৃষ্ণের আর্শীবাদ পেতে জান লড়িয়ে দিয়েছিল কৌরব পান্ডব দুপক্ষই। তেমনই সাম্প্রতিক পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন থেকে দরজার দাঁড়িয়ে থাকা লোকসভা নির্বাচনেও সবদলের নজরেই রয়েছে মহিলা ভোট। সম্মান, লিঙ্গসাম্য, শিক্ষার হার, কাজের সুযোগ সব কিছুতে পিছিয়ে থাকলেও ভোটার সংখ্যায় যে তারা বেড়েছেন। অতএব, এই রত্ন ভান্ডারে নজর তো থাকবেই। নারী উন্নয়নে কে কতটা আন্তরিকতা বোঝানোর উদগ্ৰ প্রতিযোগিতা চলছে। তাঁর সঙ্গে চলছে নানা গালভারি প্রকল্পের নামে হাতে কিছু অর্থ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিযোগিতা।যে মুল সমস্যাগুলির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে সেগুলি সমাধান কোনো দিশা নেই। গত কয়েক দশকে labour force participation সূচকে মহিলাদের সংখ্যা ক্রমশই কমছে। বর্তমানে দেশের কাছের বাজারে ৯০ শতাংশ-ই যুক্ত অসংগঠিত ক্ষেত্রে। এই ক্ষেত্রের উৎপাদন শিল্প এবং পরিসেবা প্রদান সংস্থায় কাঠামোগত কারণে মেয়েদের কাজের সুযোগ অত্যন্ত কম। এই পরিস্থিতিতে বহু ক্ষেত্রেই সমস্যা আরও বাড়িয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য এবং জাতপাতের ছুৎমার্গ। এর ফলে কাজের বাজারে মহিলাদের স্থান ক্রমশ তলানিতে পৌঁছেছে। এই বিষয়গুলি নিয়ে বহুদিন ধরেই বহু চর্চা এবং গবেষণা চলছে। সম্প্রতি ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলিতে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাপত্রটির বিষয়টি হলো জাতপাতের নিরিখে গ্ৰামীন অসংগঠিত ক্ষেত্রে মহিলাদের উপস্থিতি কতোটা।আশয় কদম এবং কিংশুক সরকার এই দুই গবেষকের সমীক্ষায় এই বিষয়টি ছাড়াও দেখা গিয়েছে সমাজের প্রান্তিক অবস্থানের মহিলারা এই কারণে labour pyramid-র একেবারে নিচে থেকে যাচ্ছেন। ফলে তাদের সামাজিক উত্তরন ঘটছে না। দুই গবেষক বিহার, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রের তহশিল স্তরে ২০১১ সালের socio economic and cast census য়ের তথ্যের ভিত্তিতে এই সমীক্ষা করেছেন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে লিঙ্গ বৈষম্যের কারণে মহিলারা কাজের বাজারে বহু বাধার মুখে পড়েন। দেশে প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েরা ঘরকন্না করবে, সংসারের অন্য সদস্যদের দেখাশোনা করবে এটাই আশা করা হয়। এই সামাজিক বাধা কাটিয়ে যদি বা কোনো মহিলা কাজের বাজারে পৌঁছন সেখানে তাঁকে আইনি বাধা এবং বেতন বৈষম্যের মুখে পড়তে হয়।যেমন অনেক সংস্থাতে রাতের শিফটে মহিলা কর্মীদের কাজ করানোয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে অসংগঠিত কাজের বাজারে labour force participation য়ের নিরিখে নিম্নবর্গের মহিলাদের উপস্থিতি বেশি। গবেষকরা দেখিয়েছেন কাজের মজুরি কম এবং সামাজিক অবস্থানের পরিবর্তন না হলেও বেশি সংখ্যায় মহিলারা কাজে যুক্ত হওয়ার পিছনে অন্য কারন রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ঐতিহাসিক ভাবেই দেখা গিয়েছে গৃহ পরিচর্যার এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ নিম্নবর্গের মহিলা ও পুরুষরাই করবেন বলে সমাজে স্বীকৃত। ফলে পুরুষরা শারীরিক পরিশ্রমের কাজে যুক্ত হন আর মহিলারা ঊচ্চবর্ণের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতে বাধ্য হন। তবে, গবেষণায় দেখানো হয়েছে জাতপাতের তারতম্য মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক বেশি তীক্ষ্ণ। কাজের বাজারে এই তারতম্য অত্যন্ত প্রকট। এই কারণে ঊচ্চবর্ণের মহিলাদের তুলনায় কাজের বাজারে নিম্নবর্গের মহিলাদের উপস্থিতির হার অনেক বেশি। এর কারণ শিক্ষার মান অনুযায়ী কারা কি ধরনের কাজ পাবেন তার ঠিক হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে শিক্ষায় নিম্নবর্গের মহিলারা অনেকটাই পিছিয়ে থাকেন। এই কারণে অসংগঠিত ক্ষেত্রে নিচুতলার কাজ ছাড়া অন্য কোনো কাজ পান না। প্রবল চেষ্টায় নিম্নবর্গের কোনো মহিলা যদি স্কুলের গন্ডি টপকাতে পারেন তাহলে সরকারি সংগঠিত ক্ষেত্রে সংরক্ষণ নীতিতে তাঁরা কিছুটা কাজের সুযোগ পান।এই প্রসঙ্গে গবেষণার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল অসংগঠিত এবং সংগঠিত এই দুই ক্ষেত্রে labour force য়ে মহিলাদের সংখ্যা বাড়লে কাজের বাজার এবং সমাজের নানা স্তরে উন্নয়ন সূচক বাড়ে । পাশাপাশি দেখা গিয়েছে আর্থিক সক্ষমতা থাকলে পরিবার পরিচালনার ক্ষেত্রে মহিলাদের মতামতের গুরুত্ব বাড়ে। এক ই সঙ্গে গবেষকরা দেখিয়েছেন মহিলাদের শিক্ষা এবং কাজের সুযোগ বাড়লে বাল্য বিবাহ এবং অল্প বয়সে সন্তান ধারণের সংখ্যা ও কমে। গবেষকরা তো তাদের কাছ করে চলেছেন। সমাজের নানা দিকের বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁরা আলো ফেলছেন।তবে সেই বিষয় গুলি ভোট শিকারী এবং নীতি নির্ধারকদের চোখে পড়লে হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৪
সম্পাদকীয়

অন্ধকারে আলো পড়ুক

নির্বাচন কমিশনের তথ্যে মহিলা ভোটার সংখ্যা ও তাদের ভোটদানের হার যতই বাড়ছে ততই নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দল গুলির প্রচারের Focal Point য়ে গুরুত্বপূর্ণ ঠাঁই পাচ্ছেন মহিলারা। এই পরিস্থিতির মাঝে এসেছে বিশ্ব নারী দিবস। শুধু তাই নয় এই দিনটি কে যেন আরো ব্যাঙ্গাত্বক অর্থে দৃশ্যমান করে তুলেছে সন্দেশখালি। সেখানে নারী নির্যাতন-ই মূল অভিযোগ। তার উপর আন্দোলনের পুরোভাগে রয়েছেন মহিলারা। স্বাভাবিক ভাবেই বিরোধীরা এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দলীয় স্বার্থ মেটানোয় কোনো খামতি রাখছে না। আর সেই আন্দোলনকে ভোঁতা করতে শাসক দল ও কোমর বেঁধেছে। অতএব এক দিকে যেমন নারী নির্যাতন নিয়ে একে অপরের প্রতি বিষোদগার করছে তেমনই চলছে নারী শব্দের বন্দনা। অবশ্যই এই বন্দনা নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্রশক্তি থেকে বিরোধী শক্তি যখনই যার প্রয়োজন পড়েছে তখনই সে নারী বন্দনার বান ডাকিয়েছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে যাতে সেনার যোগান কম না পড়ে তার জন্য জাতীয়তাবাদের মহিমার কাজল পরিয়ে মেয়েদের অধিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করেছিল। আর এ বিষয়ে হিটলারের চালু করা মাদারস ক্রস র কথা তো অনেকেরই জানা আছে। যার মূল লক্ষ্য ছিল আদর্শ মা হয়ে ওঠার পাঠের আড়ালে অধিক সন্তান প্রসব করার আহ্বান।তবে পুতিনের অবশ্য আড়াল আবডালের কোনো বালাই নেই। তিনি সরাসরি তীব্র অপছন্দের সোভিয়েত ইউনিয়নের অতীত থেকে মাদার হিরোইন প্রকল্পটি ফিরিয়ে এনেছেন। এই প্রকল্পে যে রুশ নারীরা দশ বা ততোধিক সন্তানের জন্ম দেবেন তাঁরা সন্মানের সঙ্গে দশ লক্ষ রুবল আর্থিক পুরষ্কার পাবেন। সিংহ হৃদয় শাসক যে ইউক্রেন কে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পণ করেছেন। তার জন্য যুদ্ধে অসংখ্য সৈনিক প্রান হারাচ্ছেন। এমনিতে অকুতোভয় দন্ডমুন্ডের কর্তার মনে ভয় ঢুকেছে যদি সেনা কম পড়ে। তাই সেই খামতি মেটাতে এই সন্মান দান। এই স্বার্থসিদ্ধির জন্য মহিলা দলের স্বাস্থের কি হাল হবে তা ভেবে দেখার মতো সময় শাসকদের থাকতে নেই।সন্তান ধারণের জন্য মহিলাদের পুষ্টির সঙ্গে স্বাস্থের কারনে প্রয়োজন দুটি সন্তান প্রসবের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় সময়ের ব্যবধান। এই সমস্যাগুলি নজরে রাখার প্রয়োজন শাসকদলের কোনকালেই নেই। তাই ভোট এলে প্রতিপক্ষ কে বিঁধতে অথবা মহিলা ভোটারদের কাছে টানতে অজস্র কৌশল ব্যবহার করা হয়। তাই মেয়েরা যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যান। অন্য দিকে, বিশ্ব নারী দিবস ঘিরে বহু সেমিনার, আলোচনা চক্র অনুষ্ঠিত হয়। ভরে ওঠে দিস্তা দিস্তা কাগজের পাতা। ভরে যায় কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক। অথচ নারী স্বাধীনতা, নারী শিক্ষা, বৈষম্য দূরীকরণ বা সমানাধিকার সব ই কথার কথা রয়ে যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে India justice report , সেই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য কতটা গভীরে পৌঁছেছে। ন্যায় বিচারের জন্য যে প্রতিষ্ঠান গুলি রয়েছে সেই পুলিশ, বিচার ব্যবস্থা, সংশোধনাগার, লিগাল এড এবং মানবাধিকার কমিশন গুলিতে সময়ের সঙ্গে লিঙ্গ বৈষম্য কমেনি বরং বেড়েছে।India justice report য়ের editor Maja Daruwala Indian express য়ের পত্রিকার উত্তর সম্পাদকীয় লিখেছেন বর্তমানে justice delivery system য়ে গোটা দেশে মাত্র তিন লক্ষ মহিলা রয়েছেন। সংরক্ষণ ব্যবস্থার কল্যানে ওই মহিলার সিস্টেমে ঢুকতে পারলেও পদাধিকারের সিঁড়িতে তাদের অধিকার সেই নিচের ধাপে রয়েছে। রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্য তুলে ধরে তিনি লিখেছেন বিচার ব্যবস্থায় নিম্ন আদালতে যদি ৩৫ শতাংশ মহিলা থাকেন তাহলে হাইকোর্টে এই সংখ্যা টা ১৩ শতাংশ। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে মাত্র তিন জন মহিলা বিচারপতি রয়েছেন। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে constabulary পর্যায় বারো শতাংশ মহিলা রয়েছেন। আর অফিস পর্যায় ওই সংখ্যা টা আরও কম, মাত্র ৮ শতাংশ। এছাড়া প্রিজন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে মহিলা কর্মীর সংখ্যা ১৪ শতাংশ।Maja Daruwala লিখেছেন আজ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির আসনে কোনো মহিলা বিচারপতি বসেননি। যদিও ১৯৮৯ সালে সুপ্রিমকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হন ফাতিমা বিভি। দেশের হাইকোর্ট গুলিতেও এক ই ছবি দেখা যাচ্ছে। স্বাধীনতার সাত দশকে মাত্র ষোলো জন মহিলা বিচারপতি হয়েছেন হাইকোর্টে। দেশের মানবাধিকার কমিশনের বিচার্য বিষয় গুলির মধ্যে অন্যতম হলো লিঙ্গ বৈষম্য। কিন্তু সেখানেও একই আঁধার। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে রাজ্যে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশন গুলিতেও এক ই অবস্থা। এখনো পর্যন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে মাত্র তিন জন মহিলা সদস্য হয়েছেন। কমিশনের chair person হওয়া তো দূরের কথা। ঘটা করে বিশ্ব নারী দিবস পালন না করে দেশের আইন প্রণেতারা যদি সত্যিই মহিলাদের উন্নয়ন চান তাহলে এই অন্ধকার কোণগুলিতে একটু নজর দিলে পরিস্থিতি সত্যি ই বদলাতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৪
রাজনীতি

'মুখোশ খুলে পড়েছে, এবার জনগণ জবাব দেবে', প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে তীব্র নিশানা মমতার

বৃহস্পতিবার দুপুরেই বিজেপির রাজ্য দফতরে গিয়ে গেরুয়া শিবির যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই যোগ নিয়ে ধর্মতলা থেকে নাম না করে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করলেন, মুখোশ খুলে পড়ায় তিনি খুশি।বৃহস্পতিবার বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতা সরকার ও তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শাসক শিবিরকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে তোপ দাগেন। এর ঘন্টা তিনেকের মধ্যেই সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। বিচারের চেয়ারে বসে বিজেপি বাবু বিজেপি পার্টির কথা ঘোষণা করছেন। এদের দিকে তাকিয়ে মানুষ বিচার পাবে? আমি বিচারপতি নিয়ে বলতে পারি না, আমি বিচার নিয়ে বলতে পারি। আমিও প্র্যাক্টিস করেছি এক সময়। আইনে কী বেঠিক কী সঠিক আমরাও জানি।নিজের খুশির কথা বোঝাতে গিয়ে মমতা বলেছেন, আমাকে বলছে তোমাদের যা সব রায় বেরোচ্ছে, এ দেখে তো রয়াল বেঙ্গল টাইগাররাও পালিয়ে যাবে ভয়ে। আমি বললাম কেউ কেউ আছেন কী আর করবেন? এরা কেউকেটা। তবে আমি খুশি এদের মুখোশটা বেরিয়ে গিয়েছে। মুখোশ খুলে পড়েছে। মুখ এবং মুখোশ।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এতদিন রায় দিতেন বিচারপতি। তাতে হাজার হাজার বেকার ছেলে-মেয়ে চাকরি থেকে বঞ্চিত। আগামিতে বিজেপি নেতা অভিজিৎবাবুর বিরুদ্ধে জনগণ রায় দেবেন। মমতার কথায়, আমরা প্রথম থেকে বলছিলাম হাজার হাজার চাকরি গিয়ে বড় নেতা হয়ে গিয়েছিলেন। অভিষেককে তো রোজ নাম করে গালাগালি দিত। অনেক কিছু দেখেছি আমি। আজ কোথায় গেলেন আপনি? কাল থেকে আপনার রায় জনগন দেবেন। আপনি হাজার হাজার ছেলে মেয়ের চাকরি খেয়েছেন। আপনার রায় জনগণ দেবেন।গুঞ্জন যে লোকসভা ভোটে তমলুক থেকে বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী। প্রাক্তন বিচারপতিকে নিশানা করে বললেন, তৈরি থাকুন। আপনি যেখানে দাঁড়াবেন আমি স্টুডেন্টদেরই নিয়ে যাব। স্টুডেন্টরাই লড়াই করবে। যাদের চাকরি আপনারা খেয়েছেন। স্বভাবিকভাবে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ভোটে দাঁড়ালে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল কাকে প্রার্থী করে তা নিয়ে কৌতুহল থাকবে রাজনৈতিক মহলের।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে এদিন চাকরি দুর্নীতিতে সংশোধনের কথা শোনা গিয়েছে। বলেছেন, চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা নেই, চাকরি কেড়ে নেন। বলতে পারতেন এর বদলে ওকে দিন। বলতে পারতেন এই প্যানেলটা বাতিল করে আরেকবার ডাকুন। আমার আপত্তি নেই। ভুল থাকে সংশোধন করে নিন। কোনও সুযোগ না দিয়ে ওয়ান সাইডেড গেম। এখনও ৫ লক্ষ চাকরি আমার তৈরি আছে। হিংসুটে বিজেপি, সিপিএম আর কংগ্রেস। এমন কর্কটে বাপ রে! কেউটে, গোখরোর থেকে ভয়ঙ্কর। চাকরি দিলেই পিল (জনস্বার্থ মামলা) করবে।উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একাধিক নির্দেশে বিড়ম্বনায় পড়েছে মমতা সরকার। তদন্তের মুখোমুখি অভিষেকও। তারপর একাধিকবার শাসক দলের নেতাদের তোপবাণে পড়তে হয়েছে তাঁকে। পরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় অভিজিৎবাবু দাবি করেছিলেন যে, তৃণমূল নেতৃত্বের ভয়ঙ্কর সমালোচনার সামনে না পড়লে তিনি কোনওদিন রাজনীতিতে যোগদানের কথা ভাবতেন না।

মার্চ ০৭, ২০২৪
রাজ্য

আশা কর্মীদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযান, কড়া নিরাপত্তা

আশা কর্মীদের বঞ্চনার প্রতিবাদে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান ঘিরে কোনওরকম বিশৃংখলার পরিস্থিতি না তৈরি হয় সেই জন্য স্বাস্থ্য ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের পাশেই নির্দিষ্ট স্থানে ঘেরাটোপে মধ্যে রাখা হয়েছে আশা কর্মীদের।বঞ্চনার প্রতিবাদে ১ মার্চ থেকে ঘোষিত লাগাতার কর্ম বিরতি, আজ পঞ্চম দিনে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান, উত্তরবঙ্গের দুটি জেলা বাদে ২১ টি জেলা থেকে আশা কর্মীরা স্বাস্থ্য ভবনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে। আশা কর্মীদের অভিযোগ, তাঁরা বঞ্চনার শিকার। অবিলম্বে আশা কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধি করে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে, ইনসেনটিভ এর টাকা ভাগে ভাগে পাঠানো বন্ধ করে সমস্ত বকেয়া পারিশ্রমিক প্রদান করতে হবে, সরকারি কর্মীর নেয় আশা কর্মীদের জন্য প্রতিবছর সুনির্দিষ্ট হারে ইনক্রিমেন্ট করা এবং সমস্ত ছুটি বরাদ্দ করতে হবে, কাজের সুবিধার জন্য মোবাইল প্রদান করতে হবে। বাকি দাবিগুলোর মধ্যে করোনা আক্রান্ত আশা কর্মীদের জন্য ঘোষিত এক লক্ষ টাকা অবিলম্বে দিতে হবে, কোন প্রকল্পের কর্মী নয় আশা কর্মীদের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য কর্মীর স্বীকৃতি দিতে হবে, যেকোনো কাজের অর্ডারের সাথে পারিশ্রমিক অর্ডার দিতে হবে এবং তা সহজে পাওয়ারও ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও সমস্ত আশা কর্মীদের বিশেষ করে জিটিএর অন্তর্গত জেলা ও ব্লকের আশা কর্মীদের টিয়ে বরাদ্দ করতে হবে এই সমস্ত দাবিদাওয়া নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন আশা কর্মীরা।

মার্চ ০৫, ২০২৪
কলকাতা

বিধাননগরে রং, তুলি হাতে দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা

রং, তুলি হাতে শাড়ি পড়ে মহিলারা। ভোট প্রচারের দেয়াল লিখনে শঙ্খ বাজিয়ে স্লোগান দিয়ে ব্যস্ত তারা। বিধান নগর, মহিলা কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এভাবেই দেওয়াল লিখনের কাজে হাত লাগালো মহিলারাই। বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিধান নগরে ভোটের প্রচারে দেয়াল লিখন শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলারা। আর এই প্রচার শুরু হল বিধাননগর কর্পোরেশনের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলো দত্তর হাত ধরে। লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণা হয়নি এখনও। প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিধান নগরের দত্তাবাদ এলাকায় তৃণমূল এর তরফ থেকে দেওয়াল লিখন শুরু করলো মহিলারা। শাড়ি পড়ে, রং তুলি হাতে ভোট প্রচারের কাজে দেয়াল লেখায় ব্যস্ত তাঁরা। তবে যেহেতু প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা হয়নি, সেই কারণে নামের জায়গা ফাঁকা রেখেই দেওয়াল লেখা হচ্ছে।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে নির্যাতনের প্রতিবাদে অভিনব প্রতিবাদ মহিলা সমিতির

সন্দেশখালি নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সল্টলেক অভিনব প্রতিবাদ সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির। মঙ্গলবার বিকাল থেকে মুখে কালো কাপড় বেঁধে সল্টলেক সিটি সেন্টার মেট্রো স্টেশনের সামনে হাতে পোস্টার ব্যানার নিয়ে সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার তথা সারা বাংলা জুড়ে সাধারণ মানুষের উপর তৃণমূলের অত্যাচারের প্রতিবাদে সামিল হয় সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক মহিলা সমিত। পাশাপাশি শেখ শাহজাহান এখনো অধরা, কুনাল ঘোষের বক্তব্য চাইলেই শেখ শাহজাহানকে এক সপ্তাহের মধ্যে ধরা যেতে পারে পরিপ্রেক্ষিতে বিক্ষোভকারীরা বলেন সরকারি মদতে শাহজাহানকে আশ্রয় দিয়ে রাখা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪
রাজ্য

মালদার বামনগোলায় খাটিয়ায় বয়ে নিয়ে যাওয়া বধূ মৃত্যুর অভিযোগে দিনভর শোরগোল

মালদার বামগোলায় তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় নিন্দার ঝড়। খাটিয়ায় রোগী নিয়ে যাওয়ার ভাইরাল ভিডিও ঘিরে দিনভর তোলপাড় হল বাংলা। চলেছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এসবের মধ্যেই ওই তরণীর মর্মান্তির পরিণতি নিয়ে বড় দাবি করে বসলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর মতে, হতশ্রী রাস্তার জন্য নয়, ভাগ্যের কারণেই মালডাঙা গ্রামের তরুণীর মৃত্যু হয়েছে!খাটে শুয়ে অসুস্থ গৃহবধূ। আর সেই খাট বাঁশ আর দড়ি দিয়ে পালকির মতো বেঁধে বেহাল রাস্তা দিয়ে হেঁটে নিয়ে যাচ্ছেন অসুস্থ গৃহবধুর পরিবারের লোকেরা। যদিও ওইভাবে হাসপাতালে যাওয়ার সময়ই মৃত্যু হয় ওই গৃহবধূর। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ভাইরাল ভিডিও মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনাটি মালদার আদিবাসী অধ্যুষিত বামনগোলার গোবিন্দপুর মহেশপুর পঞ্চায়েতের মালডাঙা গ্রামের। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গ্রামের এই কাঁচামাটির রাস্তায় কোনও গাড়ি ঢুকতে চায় না। তাই ওই গৃহবধুর পরিবারের লোকেরা মাচা তৈরি করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূকে। কিন্তু শেষমেশ আর তাঁকে বাঁচানো যায়নি।মালদার বামগোলায় তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় নিন্দার ঝড়। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এসবের মধ্যেই ওই তরণীর মর্মান্তির পরিণতি নিয়ে বড় দাবি করলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর মতে, হতশ্রী রাস্তার জন্য নয়, ভাগ্যের কারণেই মালডাঙা গ্রামের তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।মৃতের নাম মামনি রায় (২০)। দুই বছর আগে এলাকার বাসিন্দা কার্তিক রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মামনির। সম্প্রতি তিনি জ্বরে ভুগছিলেন বলে খবর। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় করেন। বাড়িতে তাঁর ২ বছরের এক সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ, বেহাল রাস্তার বলি হলেন বছর কুড়ির গৃহবধূ।দীর্ঘ দিন ধরেই বেহাল ওই রাস্তা। প্রশানের কাছে জানিয়েও কাজের কাজ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। গা শিউরে ওঠার মতো এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন বলেই দাবি জেলা তৃণমূল নেতাদের।কিন্তু, বামগোলার ঘটনা নিয়ে শোরগোল ফেলা মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন মমতা মন্ত্রিসভার সদস্য সিদ্দকুল্লা চৌধুরী। শনিবার বর্ধমান শহরে জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের যুদ্ধ বিরতি মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, রাস্তার কারণে নয়, ভাগ্যে ছিল তাই ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। ১০০ জনের মধ্যে ১ জনের অবস্থার ভিত্তিতে বাকি ৯৯ জনকে খারাপ বলব কি করে। হাতে কষ্ট হলে কি বলব মাথা খারাপ হয়েছে? আমাদের বললেই সারিয়ে দিতাম।বামনগোলা নিয়ে সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলছে। এ ধরণের অসংবেদনশীল মানুষই রাজ্যের মন্ত্রী। এবার এসএসকেএম সহ রাজ্যের সব হাসপাতালে তান্ত্রিক, ওঝা বসবে। আসলে বিরোধী জনপ্রতিনিধি হলেই সেই পঞ্চায়েত, পুরসভার ওয়ার্ড বা বিধানসভায় কাজ করার সুযোগ নেই। টাকা অনুমোদনই হয় না। ফলে রাস্তার ওই বেহাল অবস্থা।সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, ওনার কথা মুখ্যমন্ত্রী লুফে নেবেন। যাঁরা চাকরির দাবিতে রাস্তায় বসে রয়েছেন মন্ত্রী তাঁদের কাছে গিয়ে বলুন যে ভাগ্যের জন্যই তারা ন্যায্য চাকরি থেকে বঞ্চিত, দুর্নীতির দায়ে জেলবন্দি পার্থ, বালুদের বলুন ভাগ্যের কারণেই তাঁদের এই পরিণতি। উনি মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন ভাগ্য ভাল তাই মমতা এখনও টিঁকে গেছেন। এরা মন্ত্রী বলতে লজ্জা করে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৩
দেশ

ভারতের ‘রকেট ওমেন’, চন্দ্রাভিযানে গুরুদায়িত্ব সামলানো লখনউ-র এই বিজ্ঞানীকে চিনে নিন

চাঁদ মামা এখন দুরের নয় ট্যুরের, সুদুর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরস এই মন্তব্য ঘরে ঘরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। চাঁদের মাটিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। পুর্বনির্ধারিত দিন ও সময় অনুযায়ী বুধবার ঠিক সন্ধ্যা ৬.০৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফট ল্যাণ্ডিং করে ইসরোর চন্দ্রযান-৩। সারা দেশজুড়ে উল্লাস ও উৎসব। ভারতীয় হিসাবে সত্যিই গর্ব করার মত মুহুর্ত। চাঁদ এখন ভারতের বিজ্ঞানীদের হাতের মুঠোয়।বিক্রমের কাঁধে ভর করে প্রজ্ঞান চাঁদে ল্যান্ড করেই একের পর এক চমক দিতে শুরু করেছে। সফল অবতরণের পর প্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠের একটি ছবি তুলে পাঠায় ল্যান্ডার বিক্রম। তাতে দেখা যায় চাঁদের ঠিক কোন অঞ্চলে নেমেছে বিক্রম। এর পরই বিক্রমের অন্তঃস্থল থেকে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান।ইসরো তার সামাজিক মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সকালে জানায়,প্রজ্ঞান সঠিক ভাবেই বিক্রমের পেট থেকে চাঁদে ভুমিষ্ট হয়েছে, এবং সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে মুনওয়াকেও বেড়িয়ে পড়েছে সে। ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোক স্তম্ভ চাঁদের মাটিতে এঁকে দিয়ে আসবে রোভার প্রজ্ঞান। চন্দ্রযান-৩-এর চুড়ান্ত সাফল্যে অনেকের মতই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন লখনউয়ের প্রবাসী এক মহিলা। ইসরো খুব বড় দায়িত্ব দিয়েছিল এঁর কাঁধে।সম্পুর্ন ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ইসরোর চন্দ্রযান ৩ সফলভাবে চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ফেলেছে, তথ্য তল্লাস করতে ঘোরাঘুরিও শুরু করে দিয়েছে প্রজ্ঞান। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণকারী হিসাবে প্রথম দেশ হয়ে উঠেছে ভারত। ভারতের এই ঐতিহাসিক সাফল্যে সামগ্র বিশ্ব থেকে অভিনন্দনের বন্যায় ভেসে যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমের ওয়াল। আজ প্রত্যেক ভারতীয়ের কাছে এই মুহুর্ত খুব আবেগের, আনন্দের ও অত্যন্ত গর্বের। উত্তরপ্রদেশের রাজধানী শহর লখনউতে উৎসবের ঝাঁজ বেশ খানিকটা বেশি। কারণ চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে লখনউ-র এক ভুমিকন্যার যোগসূত্র। এই শহরেরই মেয়ে ডাঃ ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তবের কাঁধেই চন্দ্রযান-৩ এর সফল অবতরণের গুরুত্বদায়িত্ব ছিল।ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তব বিজ্ঞানী মহলে ভারতের রকেট ওমেন নামে অধিক পরিচিত। ঋতু করিধাল লখনউ শহরের রাজাজি পুরম এলাকার আদি বাসিন্দা। তার পৈতৃক বাড়ি এখনও রয়েছে এখানে। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর তার বাড়িতে উৎসবের মেজাজ। ঋতু এর আগেও ISRO-র অনেক বড় বড় প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এমনকি চন্দ্রযান ৩ মিশনে সফল অবতরণের মতো গুরুদায়িত্ব তাঁকেই দেওয়া হয়েছিল ইসরোর পক্ষ থেকে। ঋতু করিধাল ছিলেন চন্দ্রযান-৩ প্রোজেক্টে মিশন ডিরেক্টর। এর আগে ঋতু মঙ্গলযানের ডেপুটি অপারেশন ডিরেক্টর ও চন্দ্রযান-২ এর মিশন ডিরেক্টর ছিলেন।করিধালের জন্ম উত্তর প্রদেশের লখনউতে। তিনি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠেন। পরিবারে পড়াশোনার চল ছিল অনেক আগে থেকেই। তিনি লখনউ-র এক বেসরকারকারি স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনা করেন। তিনি ছাড়াও তাঁর দুই ভাই ও দুই বোন রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মহাকাশ নিয়ে আগ্রহ ছিল বেশী। তিনি যেখানে থাকতেন, সেখানকার পরিবেশ তাঁর পড়াশোনার পক্ষে অনুকুল ছিলনা বলে তিনি সেলফ স্টাডি তে জোড় দেন। ঋতু ছোট থেকেই রাতের আকাশের দিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকিয়ে থাকত এবং মহাকাশের কথা চিন্তা করত, সে চাঁদের কথা ভাবত, কীভাবে এটি তার আকার ও রং পরিবর্তন করে, তারাগুলি কে পর্যবেক্ষণ করে তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে ঐ গভীর অন্ধকারের পিছনে কী রয়েছে? তার কৈশোরে, তিনি মহাকাশ-সম্পর্কিত যেকোনো কার্যকলাপ সম্পর্কে সংবাদপত্রের প্রতিটি কাটিং সংগ্রহ করতে শুরু করেছিলেন এবং ISRO এবং NASA-এর কার্যকলাপের উপর তাঁর সাংঘাতিক রকমের নজর ছিল।ঋতু লখনউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ও মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন। পদার্থবিদ্যা বিভাগেই ডক্টরেট কোর্সে ভর্তি হন। পরে একই বিভাগে শিক্ষকতাও করেন। তিনি ছয় মাস লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা স্কলার ছিলেন। তিনি মহাকাশ প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর করার জন্য IISc, ব্যাঙ্গালোরে যোগদান করেন। বাকিটা ইতিহাস। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় অবদানের জন্য ঋতু করিধাল শ্রীবাস্তবকে রকেট ওমেন হিসাবেই স্মরণ করবে।

আগস্ট ২৬, ২০২৩
রাজ্য

আপাতত মুক্তি মিলল মালদার দুই নির্যাতিতার, সংবর্ধনা সমাজসেবী সংস্থার

জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মালদার দুই নির্যাতিতা মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হল। মঙ্গলবার মালদা শহরের রথবাড়ি এলাকায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁদের সম্বর্ধনা জানানো হয়। নতুন শাড়ি, ফুলের মালা এবং কিছু খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়ে মালদার দুই নির্যাতিতা মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হয় এদিন। উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী মধুময় সরকার। উল্লেখ্য, মালদার পাকুয়াহাট এলাকায় চোর সন্দেহে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর করার ঘটনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। এই ঘটনার পর পাল্টা দোষীদের গ্রেপ্তার না করে ওই দুই নির্যাতিতা মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশ দুই মহিলাকে মারধরের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পরে। এদিকে পাকুয়া পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ দিয়ে জেলে পাঠানো হয় দুই মহিলাকে বলে জানা যায়। ঘটনার প্রতিবাদে ঝড় উঠে গোটা জেলা জুড়ে। অবশেষে সোমবার মালদা জেলা আদালত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করে। মঙ্গলবার মালদা জেলা সংশোধনাগার থেকে ছাড়া পান তাঁরা। জানা গিয়েছে, এরপর মালদা শহরের রথবাড়ি এলাকায় নির্যাতিতা এই দুই মহিলাকে সংবর্ধনা জানানো হয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে।

জুলাই ২৫, ২০২৩
রাজ্য

নির্যাতিতা দুই মহিলার জামিন মঞ্জুর, অভিযোগ মানবাধিকার কমিশনেও

মালদার নারী নির্যাতনের ঘটনায় তোলপাড়। শেষমেশ নির্যাতিতা দুই মহিলার জামিন মঞ্জুর করলো মালদা আদালত। সোমবার মালদা আদালতে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন নির্যাতিতা দুই মহিলার পক্ষের আইনজীবী অমিতাভ মৈত্র। তিনি বলেন, যে দুই মহিলাকে চুরির অভিযোগে বিবস্ত্র করে মারধোর করা হয়েছিল, সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। কিন্তু পুলিশ এই দুই নির্যাতিতার মহিলাকেই চুরির অভিযোগে এনে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যাদেরকে মারধর করা হলো তাঁরা কোনভাবেই চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল না। তা প্রমাণ হয়নি। এমনকি অভিযোগপত্রে পুলিশের খাতায় ওই দুই মহিলার নাম ছিল না। অথচ তাদেরকে অন্যায় ভাবে জেল খাটতে হলো। এর খেসারত কে দিবে? এমন প্রশ্ন তুলেও বিচারকের সামনে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও সোচ্চার হন আইনজীবী অমিতাভ মৈত্র।সোমবার অমিতাভ মৈত্র বলেন, ওই দুই মহিলা যাদেরকে মারধর করা হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে চুরিসহ সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার কোনো প্রমাণই দিতে পারেনি পুলিশ। ফলে মহামান্য আদালত বিষয়টি এর বিচারক বিবেচনা করেই ওই দুই মহিলার জামিন মঞ্জুর করে দিয়েছেন। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে মালদা আদালতে মামলা রুজু পাশাপাশি মানবাধিকার কমিশনেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে মঙ্গলবার টাকা চুরির সন্দেহ করে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র অবস্থায় মারধর করা হয়। এরপর গত শুক্রবার বিজেপির পক্ষ থেকে ওই দুই মহিলার প্রতি নির্যাতনের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হয়।। আর তারপর থেকে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায় প্রাথমিক ভাবে তদন্ত শুরু করে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিন মহিলা সহ দুইজনকে গ্রেফতার করে। এবং এখনো পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

জুলাই ২৪, ২০২৩
রাজ্য

প্রসঙ্গ নারী নির্যাতন: গতকাল কাঁদলেন লকেট, আজ তৃণমূল সাংসদের চোখে জল

পশ্চিমবঙ্গে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল্লিতে বসে সংবাদ মাধ্যমের সামনেই কেঁদে ভাসিয়েছেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আর শনিবার চোখের জলে ভাসিয়ে দিলেন তৃণমূলের আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। যা লকেটের পালটা বলেই মনে করা হচ্ছে।২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে মণিপুর নিয়ে তোপ দেগেছিলেন স্বয়ং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। নারী সুরক্ষা নিয়ে সোচ্চার হয়ে বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন। পালটা রাজ্যে বেহাল নারী নিরাপত্তার কথা বলতে গিয়ে হাওড়ার পাঁচলার ঘটনাকে তুলে ধরেন লকেট। যা বাংলায় নারীদের অসহনীয় পরিণতির প্রমাণ বলে দাবি বিজেপি সাংসদের। সেই সময়ই হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি।লকেট চট্টোপাধ্যায় অসত্য বলছেন বলে এদিন দাবি করেছেন অপরূপা পোদ্দার। আরামবাগের সাংসদের দাবি, আপনি মুখ্যমন্ত্রীর নামে তো মিথ্যা বলছেন। অপরূপার প্রশ্ন, হাথরস, বালেশ্বরের মর্মান্তিক মৃত্যুর সময় লকেটদি আপনার মানবিক মুখ কোথায় ছিল? আপনার তো গর্ব হওয়া উচিত, ভাবা উচিত একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে কাজ করছেন তাতে আপনি পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলের সাংসদ হয়েও সুরক্ষিত। কিন্তু, আমরা এ রাজ্য থেকে গিয়ে ত্রিপুরায় সুরক্ষিত নই। মনে রাখবেন যেভাবে কাজ মমতাদি করেছেন, তাতে দেশের মানুষের মনে উনি রয়েছেন। স্মৃতি ইরানির উচিত মণিপুরে যাওয়া। তাহলেই ফারাক বুঝতে পারবেন।এরপরই ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার খাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে আনেন অপরূপা। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাটিতে ফেলে মেরে সঙ্গে ১৩ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল, সেদিন কারও লজ্জা হয়নি? সেদিন গণতন্ত্র বিপন্ন ছিল না?

জুলাই ২২, ২০২৩
রাজ্য

দুই আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন! বর্ণনা শোনালেন নির্যাতিতার মেয়ে

শনিবার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড় বাংলা। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মালদায় দুই আদিবাসী মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর করা হচ্ছে। ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি। তুলনা টানছেন মনিপুরের ঘটনার সঙ্গে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, মনিপুরের ঘটনা আড়াল করতে চাইছে বিজেপি।মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাক্ষী থাকল বাংলা। জানা গিয়েছে, উল্টে বর্তমানে দুই নির্যাতিতাই গারদে! পুলিশ তাঁদেরই গ্রেফতার করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় এই ধরণের নক্কারজনক ঘটনায় দোষীদের খুঁজে বার করতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল বিজেপি। কেন দুই আদাবিসী মহিলাকে মারধর করা হল? কারা করলেন? শিউরে ওঠা ঘটনার বর্ণনা করেছেন নির্যাতিতা এক আদিবাসী মহিলার মেয়ে।ঘটনা গত মঙ্গলবারের। নির্যাতিতার মেয়ের কথায়, লেবু বিক্রি করতে গত মঙ্গলবার হাটে গিয়েছিলেন আমার মা ও এক কাকিমা। সেখানেই এক মিষ্টি বিক্রেতা তাদের চোর বলে সন্দেহ করে। সঙ্গে সঙ্গে চোর সন্দেহে মা ও কাকিমাকে মারধর করে হাটের লোকজন। কাপড় খুলে মেরেছে। মা ও কাকিমা বিভিন্ন হাটে লেবু বিক্রি করতে যায়।শুধু সন্দেহের কারণেই মারধর? নির্যাতিতার মেয়ে বলেন, কেবল সন্দেহ করেই ওরা মারধর করল। অন্যায় থাকলে মারত তাহলেও ঠিক ছিল, কিন্তু ওদের অন্যায়ভাবে মেরেছে। জুতো পেটা করেছে। দুই নির্যাতিতাই এখন জেলে রয়েছে বলে দাবি নির্যাতিতার মেয়ের।কীভাবে জানলেন হাটে এই অকথ্য অত্যাচার চলেছে? মেয়ে বলেন, থানা থেকে এক সিভিক পুলিশ এসে আমাদের মা, কাকিমার ছবি দেখাল। বলল ঘটনা। তারপর থানায় যেতে ওখানে সব বললো। ওরা জেলে রয়েছে। পুলিশ বললো পরের সোমবার ছাড়া হবে।মালদা জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র আশিস কুন্ডু বলেন, দোষ করলে শাস্তি হবে, যে করেছে তাদেরই শাস্তি দিক পুলিশ। নিরপেক্ষ তদন্ত করুক। আশা করছি দোষীদের শাস্তি হবে দ্রত।মণিপুরের ঘটনা নিয়ে সরব তৃণমূল। পাল্টা মালদায় দুই আধিবাসী মহিলার উপর অত্যাচারের ঘটনায় সোচ্চার বিজেপি। এই ঘটনায় কেন নীরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ইন্ডিয়া জোটের কোনও শরিক কেন কিছু বলছে না তাও জানতে চেয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ।

জুলাই ২২, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ইতিহাস গড়ল ভারতের অনুর্দ্ধ ১৯ মহিলা ক্রিকেট দল, ধুলোয় মিশিয়ে দিল ইংল্যান্ডকে

বিশ্ব ক্রিকেটে ইতিহাস তৈরিতে সাক্ষী থাকল বাংলার তিন তরুণী ক্রিকেটার। রবিবার মহিলাদের অনুর্দ্ধ ১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। আইসিসি আয়োজিত প্রথমবারের এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতীয় মহিলা দল ৭ উইকেটে হারায় ইংল্যান্ডকে। শেফালী ভার্মার নেতৃত্বে ভারতের এই দল স্মরণ করিয়ে দিল ২০০৭-এ টি ২০ বিশ্বকাপের প্রথম প্রতিযোগিতায় ধোনীর নেতৃত্বের ভারতের জয়কে। তারপর ১৬ বছর ধরে টি ২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রাপ্তির ভাড়ার শূন্য়। প্রথমবারেই বাজিমাত শেফালীদের।প্রথম ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ভারতের বোলিংয়ের কাছে কচুকাটা হয় ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ইংল্যান্ড ১৭.১ ওভারে মাত্র ৬৮ রান তুলতে সক্ষম হয়। তুরি দিয়ে জয় পায় ভারত। সহজেই ইংল্যান্ডের রান তাড়া করে ভারত ১৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৬৯ রান তোলে। পরাজিত হয় ইংল্যান্ড। ৪ ওভার বল করে ৬ রান দিয়ে ২ উইকে়ট নিয়ে ফাইনালের সেরা হয়েছেন চুঁচুড়ার তিতাস সাধু।মহিলাদের প্রথম অনূর্ধ্ব ১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরই আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পুরো দল এবং কোচিং স্টাফদের জন্য ৫ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বোর্ড। ভারতীয় এই দলে তিতাস ছাড়াও রয়েছে হাওড়ার হৃষিতা বসু ও শিলিগুড়ির রিচা ঘোষ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

কাতার বিশ্বকাপের মাঝে জমাটি মহিলা ফুটবলের আসর বর্ধমানে

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স নিয়ে চায়ের কাপে তুফান তুলছে বাঙালি। যতই আইপিএল (ক্রিকেট) থাকুক চার বছর অন্তর এই মহাযজ্ঞ-র আশায় বুক বাঁধে চায়ের দোকানি থেকে কর্পোরেট বাবু হয়ে টিউশান পড়ানো বেকার ছেলেটা...। ভারত খেলছে না তো কি হয়েছে? ব্রাজিল - আর্জেন্টিনা সমর্থনে দেশ দু ভাগ। সাধে কি লোকে বলে গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ!। রাতে নাকি চুরি কমে গেছে! কারণ? বাঙালি রাত জেগে ফুটবল দেখছে। কাতার যখন ফুটবলের মহাযজ্ঞে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় বর্ধমানের অদূরে রবিবার ছুটির দিনে হয়ে গেল মহিলাদের একদিবসীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট।শহর বর্ধমান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে দামোদর পেড়িয়ে এক ছোট্ট গ্রাম বেরুগ্রাম। রবিবার শীতের আমেজে বেরুগ্রাম পশ্চিম পাড়ায় তুরুক দিঘির ফুটবল ময়দানে স্বর্গীয় সুনীল কুমার ঘোষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে একদিনব্যাপী মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হলো। এই প্রতিযোগিতায় মোট চারটি দল অংশগ্রহণ করেছে। কালনা, গুড়াপ, সগরাই ও বোলপুর থেকে এই চারটি দল আসে।জমজমাট এই টুর্নামেন্টের প্রধান অতিথ ছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের অধিনায়িকা কুন্তলা ঘোষ দস্তিদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও কোচ সবিতা মজুমদার, বাস্কেটবল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট গৌতম গাঙ্গুলী, বর্ধমান ভলিবল ও বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি ও কলকাতা বাস্কেটবল ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বনবিহারী যশ এবং আদর্শ বিদ্যালয়ের বিশিষ্ট শিক্ষক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষারত্ন পুরস্কারে ভূষিত সুবীর দে।চারটি দলের এই খেলায়, প্রথম সেমিফাইনালে বোলপুর আর সগরাই এর মধ্যে যে খেলা হয় তাতে বোলপুর জয়লাভ করে সরাসরি ফাইনালে পৌঁছে যায়। পরের সেমিফাইনাল ম্যাচে গুড়াপ বানাম কালনার খেলায় গুরাপ জয়লাভ করে। ফাইনালের খেলা অক্রমণ প্রতি আক্রমণে জমে ওঠে। বিশ্বকাপের খেলা চললেও এই খেলায় দর্শক সমাগম ছিলো দেখার মত। খেলাটির সঞ্চালনায় ছিলেন বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য। তাঁর অনবদ্য সঞ্চালনা খেলাটিকে এক অন্য মাত্রা দেয়। তিনি জনতার কথা কে জানান, বিশ্বকাপ জ্বরের মধ্যেও যথেষ্ট দর্শক সমাগম হয়েছিল আজ বেরুগ্রামে। প্রত্যেকটি দলের মেয়েরা জানপ্রান দিয়ে লড়াই করে নিজেদেরকে ভারতীয় ফুটবল দলের অধিনায়িকার সামনে উজার করে দেয়। চুড়ান্ত খেলায় বোলপুর বনাম গুরাপের ম্যাচে বোলপুর এক গোলে জয়লাভ করে। এই খেলার মুল উদ্যোক্তা তরুণ ঘোষ।

নভেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

ছেলে ধরা সন্দেহে তিন মহিলাকে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ

ছেলে ধরা সন্দেহে তিন মহিলাকে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে বর্ধমান থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।পুলিশের পক্ষ থেকে মহিলাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্ধমান শহরের বিধানপল্লী ঘোষপাড়া এলাকার ঘটনা।স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুরে রক্ষাকালী পুজোর চাঁদার নাম করে তিন মহিলা বিধানপল্লীর ঘোষপাড়ায় ঢোকে। অভিযোগ বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে একটি ৩ বছরের বাচ্চাকে নিয়ে পালানোর সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। কোথায় ও কি জন্য বাচ্চাটিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো মহিলাদের থেকে তার কোনো সদুত্তর না মেলায় স্থানীয়রা তাদের মারধর করে এমনকি মাথার চুল পর্যন্ত কেটে দেয় বলে অভিযোগ।পরে পুলিশ পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে।যদিও অভিযুক্ত মহিলাদের দাবী, তারা পুজোর জন্য ভিক্ষা সংগ্রহ করতেই এলাকায় গিয়েছিল। মিথ্যা অভিযোগে তাদের হেনস্থা করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। মহিলাদের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধমূলক কাজ কর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজ্য

এক অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি আটকে টোল আদায়ের নামে দাদাগিরি, নিন্দার ঝড় বীরভূম জুড়ে

দাদাগিরি করে গাড়ি থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠল একটি টোলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। এক অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি আটকে দাদাগিরি করার ছবি ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় ওঠে বীরভূম জেলা জুড়ে। নদীর বুক চিড়ে রাস্তা তৈরি করে টোলা আদায়ের আইনত বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন এলাকার মানুষ। তবুও প্রশাসনের মদতেই চলছে টোলের দাদাগিরি।ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের ব্রহ্মাণী নদীর উপর দেবগ্রাম ঘাটে। ওই এলাকায় নলহাটি ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি থেকে নদীর বুকের উপর হিউম পাইপ দিয়ে ঢালায় দিয়ে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ করে। বছর তিনেক আগে ওই কজওয়ের চালু করা হয়। এরপরেই ওই কজওয়ে পারাপারের জন্য গাড়ি পিছু মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে এলাকার কিছু মানুষ। কিন্তু টোল আদায়ের নামে কর্মীদের দাদাগিরিতে তিতিবিরক্ত এলাকার মানুষ। এনিয়ে প্রায় এলাকায় অশান্তি বাধে। মঙ্গলবার দুপুরে ওই টোলের কর্মীদের দাদাগিরিতে দীর্ঘক্ষণ আটকে পরে অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি। আধাঘণ্টা পর অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি ছাড়ে টোলের কর্মীরা। টোলে কর্মীদের দাদাগিরির ছবি ভাইরাল হতেই তৎপর হয় প্রশাসন। অন্তঃসত্ত্বা মহিলার স্বামী মোস্তফাডাঙা গ্রামের বাসিন্দা নাসিম শেখ বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে আসছিলাম। কাছে পয়সা ছিল না। কিন্তু টোল কর্মীরা টাকা দেওয়ায় দীর্ঘক্ষণ গাড়ি আটকে দেয়। আধঘণ্টা পর বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে এসে দিলে গাড়ি ছাড়ে।পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আশাধন মাল বলেন, আমারও অমানবিক ঘটনার খবর জেনেছি। খবর পাওয়ার পরেই টোলের ঠিকাদার রিপন শেখকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে তার চুক্তি বাতিল করা হবে। কারণ চুক্তির সময় বলা হয়েছিল স্থানীয় গাড়ি, কিংবা রোগীর গাড়ির কোন টোল নেওয়া যাবে না। তা সত্ত্বেও কেন জোর করে টাকা নেওয়া হচ্ছে বুঝতে পারছি না। বিডিও মধুমিতা ঘোষ বলেন, বিষয়টি দুপুরেই জেনেছি। খুব দুঃখজনক ঘটনা। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবশ্য অমানবিক ঘটনায় কর্মীদের পক্ষেই সাওয়াল করেছেন টোলের অন্যতম ঠিকাদার তাপস বিশ্বাস। তিনি বলেন, আট জন মিলে ১৭ লক্ষ টাকা জমা দিয়ে এক বছরের জন্য টোলের দায়িত্ব নিয়েছি। রোগী থাকলে গাড়ি থেকে টাকা নেওয়া যাবে না সেটা কেউ বলেনি। কর্মীরা কেউ দাদাগিরি করেনি। কেউ যদি টাকা না দেয় তাহলে তো গাড়ি আটকে রাখবেই। কর্মীরা কোন ভুল করেনি।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে এক মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানে

মাঠে পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে এক মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের হাটগোবিন্দপুরে। মাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎতারে জখম হয় ছেলে রাহুলও। রাহুলকে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মৃতার নাম আশা দাস(৫০)। মাঠ থেকে শাক-সবজি তুলে বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতেন তিনি। প্রতিদিনের মতো সোমবারও তিনি মাঠে গিয়েছিলেন শাক-সবজি তুলতে। মা বাড়ি না ফেরায় ছেলে রাহুল খোঁজাখুজি শুরু করে। রাহুল মাঠে গিয়ে দেখেন মা বিদ্যুতের তার জড়িয়ে পড়ে আছে।সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের হাটগোবিন্দপুরের রামনগরে। স্থানীয়দের অভিযোগ মাঠের মধ্যে একটি বিদ্যুতের তার কাটা অবস্থায় পড়েছিল দীর্ঘদিন ধরে। বার বার বিদ্যুৎদপ্তরের অফিসে জানিয়েও কোন ফল হয় নি। তাতেই জড়িয়ে মৃত্যু হয় ওই মহিলার।এদিকে আশা দাসের মৃত্যুর পর থেকেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। উত্তেজিত জনতা কালনা-বর্ধমান রাজ্যসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ঘটনাস্থলে যায় শক্তিগড় থানার পুলিশ। এদিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। ভ্যান রিকশায় মৃতদেহ রেখে রাতভর বিক্ষোভ চলে। দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর শেষে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুরের তিন গৃহবধূ মানবিকতার অনন্য নজির গড়লেন, এক মন ভাল করা কাহিনী

খুনোখুনি, আগুন, তোলাবাজি, ভাতের হোটেলে মদ এমন নানা খবরে ক্লান্ত বাঙালি। দুর্গাপুরের তিন নারীর মানবিক উদ্যোগ কিন্তু মন ভালো করে দিয়েছে সারা বাংলাকে। ওই তিন গৃহবধু মানবিকতার অনন্য নজির গড়েছেন। শনিবার দুস্থ মূক ও বধির মহিলার বিয়ের ব্যবস্থা করেছে দুর্গাপুরের তিন গৃহবধু। নগরনিগমের প্রান্তিকা সংলগ্ন মন্দিরে দুই বিশেষভাবে সক্ষম পাত্র-পাত্রীর চার হাত এক করে দিয়েছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, পাত্রী সম্পূর্ণ ভাবে মূক ও বধির। পাত্রের রয়েছে কথা বলার সমস্যা। দুর্গাপুরের তিন গৃহবধুর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। বিধাননগরের মনি চৌধুরী, সেপকোর বাসিন্দা শম্পা গিরি ও বেনাচিতির বুলু মন্ডল এই বিবাহের সম্পূর্ণ খরচ বহণ করেন।জানা গিয়েছে, শম্পা গিরি তাঁর দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন ৩৪ বছর বয়সী রাখী যাদব সম্পূর্ণরূপে মূক ও বধির। বাবা মারা যাওয়ার পর গোঁসাইনগরের ঘর বিক্রি করে মায়াপুরে একটি ভাড়া ঘরে মা-মেয়ে কোনরকমে দিনযাপন করছিলেন। আর্থিক সংকটের কারণে বিবাহযোগ্যা কন্যার বিয়ে হচ্ছিল না। একইসঙ্গে মেয়ে বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন হওয়ায় সেভাবে তাঁকে কেউ বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিল না। এই কথা শোনামাত্র শম্পাদেবী তাঁর দুই বন্ধু মনি চৌধুরী ও বুলু মণ্ডলকে বিষয়টা জানান। শোনামাত্রই তিন বন্ধু পাত্র খোঁজার কাজ শুরু করে দেন। বিয়ের আসর কোথায় হবে, তার সমস্ত খরচ তাঁরা খরচ করবে বলেও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। যেমন ভাবা তেমনই কাজ। তিন গৃহবধূর প্রচেষ্টায় অবশেষে দুর্গাপুরের বেনাচিতির সুভাষ পল্লির বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সী মুন্না যাদবকে পাত্র হিসাবে খোঁজ মেলে। পাত্রীর সঙ্গে বিবাহের ব্যবস্থা করা হয়। তাঁদের প্রান্তিকা সংলগ্ন মন্দিরে বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। যাবতীয় খরচা বহন করেন তিন বন্ধু। আগামী দিনেও দম্পতির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তাঁরা।মনি চৌধুরী বলেন, আমরা বন্ধুরা মিলে সারা বছর ধরেই সামাজিক কাজে যুক্ত থাকি। আমাদের লক্ষ্য দুস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। এই দুস্থ মূক ও বধির কন্যার কথা শুনতে পেয়ে আমরা এককথায় পাশে থাকার জন্য রাজি হয়ে যাই। বুলু মণ্ডলের বক্তব্য, এই কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পেরে আমরা খুব খুশি।

জুলাই ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহিলা সাইক্লিস্টের ঘরে ঢুকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা!‌ মারাত্মক অভিযোগ কোচের বিরুদ্ধে

হোটেলের ঘরে ঢুকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব!। স্ত্রীর মতো আচরণ করার দাবি! জাতীয় কোচের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন ভারতের এক মহিলা সাইক্লিস্ট। যার অভিযোগের ভিত্তিতে স্লোভেনিয়া থেকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হল ভারতীয় সাইক্লিং দলকে। কড়া চিঠি পাঠানো হয়েছে অভিযুক্ত কোচ আরকে শর্মাকে। এশিয়ান ট্র্যাক সাইক্লিং চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য প্রস্তুতি এবং একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পুরুষ দলের সঙ্গে স্লোভেনিয়া গিয়েছিলেন এক মহিলা সাইক্লিস্ট। স্লোভেনিয়ায় হোটেলে সাইক্লিস্টের ঘরে জোর করে ঢুকে পড়েন কোচ আরকে শর্মা। ঘরে ঢুকে তিনি মহিলা সাইক্লিস্টের বিছানায় শুয়ে পড়েন। জোর করে মহিলা সাইক্লিস্টকে নিজের কাছে টানার চেষ্টা করেন। তখনই তাঁকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেন। অভিযুক্ত কোচ আরকে শর্মা ওই সাইক্লিস্টকে বলেন, তাঁর সঙ্গে স্ত্রীর মতো আচরণ করতে হবে। তিনি ওই সাইক্লিস্টকে স্ত্রী বানাতে চান। বাধা দেওয়ায় সাইক্লিস্টের কেরিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। বলেন, অভিযোগ জানালে কোনও লাভ হবে না।এরপরই মহিলা সাইক্লিস্ট টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিমএর সিইও পুস্পেন্দ্র গর্গকে স্লোভেনিয়া থেকে সমস্ত ঘটনা জানান। গর্গ তখনই সাইক্লিস্টকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেন। সাইও যোগাযোগ রেখেছিল। মানসিক ভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েন ওই সাইক্লিস্ট। এরপর মহিলা সাইক্লিস্টকে স্লোভেনিয়া থেকে দেশে ফেরার নির্দেশ দেয় ভারতের সাইক্লিং সংস্থা। স্লোভেনিয়া থেকে ট্রেনিংয়ের জন্য জার্মানি গিয়েছিল ওই সাইক্লিং দল। সেখানে যাওয়ার আগে ১৯ মে অনুশীলনের পর ওই সাইক্লিস্টকে নিজের ঘরে ম্যাসাজ করার জন্য ডেকেছিলেন কোচ আরকে শর্মা। কিন্তু তিনি যাননি। ২৫ মে বিশেষ প্রস্তুতি নিতে ছেলেদের দলের সঙ্গে জার্মানি যাওয়ার কথা ছিল ওই মহিলা সাইক্লিস্টের। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য কোচ তাঁকে নিয়ে যাননি। জার্মানি থেকে স্লোভেনিয়া ফেরার পরেই চরম বিতর্ক তৈরি হয়। মহিলা সাইক্লিস্টকে স্লোভেনিয়া থেকে আগেই দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার গোটা দলকেই দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে সাই। কোচ আরকে শর্মাকে তদন্ত কমিটির সামনে বসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুন ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সঙ্গীদের বাঁচাতে ফোন ভাঙলেন রানা, নোটবুক খুলতেই তদন্তকারীদের হাতে এল বড় সূত্র

মোবাইল ভেঙে ফেলেও রক্ষা হল না! সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে ফোন নষ্ট করেছিলেন বলে জেরায় দাবি করেছেন ধৃত পাক গুপ্তচর রানা রউফ খালিদ। কিন্তু তাঁর নোটবুক থেকেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও ছয় জন সন্দেহভাজনের নাম। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন নেপালের বাসিন্দা এবং এক জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম। তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজকেও তপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানার সঙ্গে বিদেশে থাকা কয়েক জন সন্দেহভাজনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।জেরায় রানা কী তথ্য দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সেনা ছাউনি, সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ছাউনি, রেলস্টেশন এবং রেলপথের ছবি, ভিডিয়ো ও মানচিত্র সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হত। এই কাজে তপসিয়ার ইজাজ তাঁকে সাহায্য করতেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালে থাকা পাঁচ জনের কাছে ওই তথ্য পাঠানো হত। তাঁদের নাম কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার বলে রানা তাঁর নোটবুকে লিখে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা পাভেলের নামও সেই নোটবুকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ছয় জনের সঙ্গে রানার যোগাযোগ ছিল।বিদেশে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলতেই নেপালে গিয়ে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন বলে জেরায় রানা দাবি করেছেন। তবে দুটি সিম কার্ড নষ্ট করেননি তিনি। সেই সিম কার্ড দুটি তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছেন। ফলে মোবাইল নষ্ট করলেও যোগাযোগের সূত্র পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে তদন্তকারীদের অনুমান।জেরায় রানা আরও জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে কয়েক জনের সঙ্গে বৈঠকের পর বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বাংলাদেশে পাভেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। যশোরে পৌঁছনোর পর পাভেল তাঁকে একটি নতুন মোবাইল দেওয়ার কথা ছিল। সেই ফোনে দুটি সিম ঢুকিয়ে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফের যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল বলে জেরায় উঠে এসেছে।বাংলাদেশ ও নেপালে থাকা ওই ছয় জনের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তাঁদের সঙ্গে রানার যোগাযোগের ধরন এবং কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, চরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য পাচার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন রানা। যদিও গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে। হাবড়ার চোংদা বাজারের কাছে ধরা পড়ার পর নিজের আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে তপসিয়ার বাসিন্দা ওয়াহাব আলম বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি বলে অভিযোগ।বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রানা প্রথমে অস্বস্তিতে পড়েন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে স্বীকার করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর কাছ থেকে সিম কার্ড উদ্ধারের পর মোবাইলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে ফেলার কথাও স্বীকার করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

সৌরভের বাড়িতে পুলিশ কেন? জিজ্ঞাসাবাদের অভিযোগের পর সরাসরি কেন্দ্রের দিকে আঙুল

পুদুচেরিতে সৌরভ দাসের বাড়িতে পুলিশের যাওয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভের অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ জানান, কয়েক ঘণ্টা আগে পুদুচেরি পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায়। সেখানে পরিবারের সদস্যদের নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। কেন পুলিশ বাড়িতে এসেছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সৌরভের অভিযোগ, পুদুচেরি পুলিশ কেন এ ভাবে হয়রানি করছে? কে নির্দেশ দিয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে? এটাই কি আইনি প্রক্রিয়া? তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তাঁকে ভয় দেখানোর জন্যই পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।ককরোচ জনতা পার্টির এই মুখপাত্রের আরও অভিযোগ, পুদুচেরির বিজেপি সরকার তাঁর পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যদিও তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আনেননি সৌরভ।সৌরভ আরও বলেন, তাঁকে চুপ করানোর জন্য পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না। ভয় দেখিয়ে তাঁর বক্তব্য বন্ধ করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের ঘটনা বরং আইন মেনে চলা এবং আরও উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।তবে সৌরভের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুদুচেরি প্রশাসন বা বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে কেন পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল এবং সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর ভারতে থেকে ভুয়ো পরিচয়! বাংলাদেশ পালানোর আগেই হাবড়ায় ধরা পাক গুপ্তচর

ভারতে ১৪ বছর ধরে বসবাস, তৈরি হয়েছিল ভুয়ো ভারতীয় নথি! বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়ায় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে ধরা পড়ল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম এবং তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মের ছবি, একটি মানচিত্র, একাধিক দেশের ফোন নম্বর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মঙ্গলবার রাতে যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় হাবড়ার চোংদা মোড়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেনা, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।তদন্তকারীদের দাবি, রানা ও ইজাজের কাছ থেকে কলকাতার সেনা সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়মের ছবি এবং একটি মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই ছবি এবং মানচিত্র কী ভাবে তাঁদের হাতে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী ১৫ অগস্টের আগে কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সেনা গোয়েন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকায় সেনার গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঠিক কী কী তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুজনের বাড়ি পাকিস্তানের ফয়সলাবাদ জেলার হাফিজাবাদ গ্রামে। ২০১২ সালে নেপালের কাঠমান্ডু সীমান্ত দিয়ে রক্সৌল হয়ে ভারতে ঢোকার পর কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করেন রানা। পরে সহযোগী ইজাজের সাহায্যে ওয়াহাব আলম নামে ভুয়ো ভোটার ও আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। পরে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে।রানা একাধিক বার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ১১ অগস্ট বিশেষ সূত্রে রানার গতিবিধি সম্পর্কে খবর পাওয়ার পর নজরদারি শুরু করে বিশেষ তদন্তকারী দল। যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাবড়ার চোংদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের আরও দাবি, বাংলাদেশে ঢোকার আগে কয়েক জন সীমান্ত দালালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন রানা। তাঁদের কাছ থেকে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের একাধিক ফোন নম্বর, দুটি সিম কার্ড, একটি নোটবুক এবং বিভিন্ন বার্তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। কিছু তথ্য ও ফোন নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টার প্রমাণও মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে আগে ধৃত কয়েক জনের সঙ্গেও রানা ও ইজাজের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। রানার ফোনে তাঁদের নম্বরও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে আরও কয়েক জনের নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর। ফলে গত ১৪ বছরে ভারতে থেকে ধৃতেরা ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ চালিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তাঁরা কার আশ্রয়ে ছিলেন, কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করলেন, তাঁদের অর্থের উৎস কী ছিল এবং সেনা ও রেলের তথ্য কী ভাবে বিদেশে পৌঁছতএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ফোর্ট উইলিয়মের ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

ভারত চতুর্থ নয়, ষষ্ঠ! সংসদে মোদি সরকারের দেওয়া নতুন তথ্যে তোলপাড়

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্যে বড় চমক। এক সময় ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরা হলেও, রাজ্যসভায় কেন্দ্রের দেওয়া নতুন তথ্য বলছে অন্য কথা। অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নমিনাল জিডিপির হিসাবে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পঙ্কজ চৌধুরি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাব অনুযায়ী নমিনাল জিডিপির ভিত্তিতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির ক্রমতালিকা তৈরি হয়। মার্কিন ডলারের বর্তমান বিনিময়মূল্য, সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য দেশের আর্থিক পরিস্থিতির মতো একাধিক বিষয়ের উপর এই ক্রমতালিকা নির্ভর করে। তাই কোনও দেশের অবস্থান সময়ের সঙ্গে বদলাতেই পারে।কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩.৯২ লক্ষ কোটি ডলার। সেই হিসাবে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের তালিকায় ভারত ছিল ষষ্ঠ স্থানে। ফলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে গিয়েছে বলে আগে যে দাবি সামনে এসেছিল, তার সঙ্গে নতুন তথ্যের ফারাক নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।ভারতের অর্থনীতিকে আরও বড় করার লক্ষ্য অবশ্য বদলায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রথম থেকেই পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখেছে। কেন্দ্রের সেই লক্ষ্য এখনও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তবে অর্থনীতির বর্তমান বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের একটি অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েও জল্পনা রয়েছে।অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অন্যতম অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার মোকাবিলা করছে না। নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর সেই বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে। কারণ, একদিকে ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাবে ষষ্ঠ স্থানে থাকার তথ্যদুইয়ের মধ্যে ফারাক নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজকে কি গ্রেপ্তার করা হবে? মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তীব্র জল্পনা

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি করলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এরপরই অনন্ত মহারাজকে ঘিরে গ্রেপ্তারির জল্পনা শুরু হয়েছে।দিনহাটায় একটি কর্মসূচি শেষে অনন্ত মহারাজ নেতাজি এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কোচবিহারের মহারাজার ভূমিকার কারণেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের লড়াই সম্ভব হয়েছিল। একই সঙ্গে নেতাজির নেতৃত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। নেতাজিকে নিয়ে এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়ে। বিতর্ক ক্রমশ বাড়তে থাকায় বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোনও ব্যক্তির নাম না করে স্পষ্ট করে দেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে। নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি বা অসম্মানজনক মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে?এই পরিস্থিতিতে নিজের বক্তব্য নিয়ে সুর কিছুটা নরম করেছেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি, তিনি কারও নামে বদনাম করেননি এবং কোনও মিথ্যা বা মনগড়া কথা বলেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি ইতিহাসের কথাই বলেছেন এবং কাউকে গালাগালি করেননি।অনন্ত মহারাজ আরও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, সেটি তাঁর বিষয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।তবে মুখ্যমন্ত্রীর আইন সবার জন্য সমান বার্তার পর অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত কতদূর এগোয় এবং নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় আইনগত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা, ১৭ অগস্ট থেকেই কার কার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই যাঁদের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাঁদের পাশাপাশি নতুন আবেদনকারীরাও এই সুবিধা পাবেন।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা নিয়ে একদিকে যেমন অনেক মহিলা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, অন্যদিকে আবার যোগ্য নন এমন ব্যক্তিদেরও টাকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত এই যাচাইয়ের কাজ চলবে। যাঁদের নাম এবং তথ্য যাচাই হয়ে গিয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১৭ অগস্ট থেকেই টাকা পাঠানো হবে। নতুন করে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই সুবিধা পাবেন।শুধু প্রথম দফার টাকা নয়, প্রতি মাসে যাতে নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পৌঁছয়, সেই বিষয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই অর্থ দফতরের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের টাকা নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করেই টাকা দেওয়া হবে। গত সরকারের আমলে বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, নতুন সরকারের আমলে তা কোনওভাবেই হতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই যে তথ্য যাচাই শুরু হয়েছে, সেটিও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে। ফলে ১৭ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজর থাকছে রাজ্যের বহু মহিলার।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি শংসাপত্রে বড় ধাক্কা! ২০১০-এর পরের সব শংসাপত্র বাতিল, কারা এবার সাধারণ শ্রেণিতে?

ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা হাই কোর্টের। বুধবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শ্রেণির সব শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যে ওই দুই আলাদা শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র আর কার্যকর থাকল না।২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। পরে মামলাটি ফের কলকাতা হাই কোর্টে ফিরে আসে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল আদালত।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসির জন্য ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নামে দুটি শ্রেণি তৈরি করেছিল। এই ব্যবস্থা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।মামলাটি আগে কলকাতা হাই কোর্টে উঠলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ওই শংসাপত্রগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সেগুলি বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। শীর্ষ আদালত পরে মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।এর মধ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি সংক্রান্ত মামলাটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে অবস্থান বদল করা হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টে বিশেষ বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ফের শুরু হয়।এবার সেই শুনানিতেই ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই সময়ের মধ্যে এই দুই শ্রেণির শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের সামনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাঁদের সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে।মামলার এই রায়ের ফলে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে এই রায়ের প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

এ এক অন্য রান্নার গল্প: কচু বাটা, এই স্বাদের সত্যিই কোনও ভাগ হয় না

রান্না শুধু পেট ভরানোর কাজ নয়, এটি স্মৃতি, ভালোবাসা আর সৃষ্টির এক সুন্দর প্রকাশ। বাঙালির রান্নাঘরে এমন অনেক পদ আছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের স্বাদ আর পরিবারের একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। তেমনই একটি সহজ অথচ অসাধারণ স্বাদের পদ হলো কচু বাটা।কচু বাটা নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় গ্রামের রান্নাঘর, মাটির উনুনের আঁচ আর সরল অথচ সুস্বাদু খাবারের কথা। কচুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা মাটির গন্ধ ও নিজস্ব স্বাদকে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে যে অপূর্ব পদ তৈরি হয়, তা সত্যিই বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ।কচু পরিষ্কার করা থেকে শুরু হয় এই রান্নার গল্প। কচু কাটার সময় অনেকের হাত চুলকায়, তাই সাবধানে তা পরিষ্কার করতে হয়। তারপর কাঁচা কচুকে গ্রিড করে নিতে হবে। কালো ও সাদা সর্ষে, কাঁচালঙ্কা, নুন, নারকেল, পোস্ত, কাজু বাদাম যোগ করলে এতে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। সব কিছু একসঙ্গে নিয়ে মিক্সারে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে পরিমান মতো সর্ষের তেল নিতে হবে। এবার গরম সর্ষের তেলে ফ্রাই করে নিলেই কচু বাদা অমৃতে পরিনত হবে। কচু বাটা যখন গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, তখন তার সরল স্বাদ মন ছুঁয়ে যায়। প্রথম গ্রাসেই মনে হয় এ যেন শুধু খাবার নয়, পুরনো দিনের এক টুকরো স্মৃতি। দুপুরের শান্ত সময়ে ভাতের সঙ্গে কচু বাটা, পাশে একটু ডাল বা ভাজা, এই সাধারণ খাবারেও লুকিয়ে থাকে এক গভীর তৃপ্তি।আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেক নতুন নতুন রান্নার ভিড়ে কচু বাটার মতো দেশি পদ আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়ের কথা। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে তৈরি করা এই পদে যেমন শ্রম আছে, তেমনই আছে ভালোবাসা ও আনন্দ। কচু বাটা তাই শুধু একটি রান্না নয়, এটি বাঙালির ঘরের স্বাদ, স্মৃতি আর ভালোবাসার এক ছোট্ট গল্প। এর স্বাদ সত্যিই কোনও ভাবে ভুলে যাওয়ার নয়।কচু বাটা: উপকরণমান কচু, নারকেল, কালো সর্ষে, সাদা সর্ষে, পোস্ত, কাদুবাদাম, নুন, চিনি, লঙ্কা।

আগস্ট ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal