• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Wife

রাজ্য

Murder: পর পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী

পর পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া বধূকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল স্বামী। ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ সরকার। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার গন্ধর্বপুরে। মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পলাতক শ্বশুর বাড়ির বাকি সদস্যরা। পুলিশ বুধবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও পালাতক অভিযুক্তদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ জানিয়েছে, কালনা থানার বেলকুলি গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল কুমার ঘোষের মেয়ে শাশ্বতীর সঙ্গে ১৪ বছর আগে বিয়ে হয় বিশ্বজিৎ-এর। শাশ্বতী কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপর নির্যাতন শুরু হয়। দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকে বধূ শাশ্বতীর উপর অত্যাচার আরও বাড়ে। অত্যাচার বন্ধের জন্য গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজন বেশ কয়েকবার আলোচনায় বসেছিলেন। কিন্থু অত্যাচার বন্ধ হয়নি। তারই মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশ্বজিৎ শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু সংবাদ দেয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন পাহাড়হাটি হাসপাতালে পৌছে শাশ্বতীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। শাশ্বতীর কপালে গভীর ক্ষতচিহ্ন ও গলায় কালশিটে দাগ দেখে বাপের বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেন শাশ্বতীকে খুন করা হয়েছে। বধূর বাবা মেমারি থানায় তাঁর জামাই সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে শাশ্বতীকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে বধূ নির্যাতন ও পরিকল্পনা মাফিক খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
দেশ

Terrorists attack: পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ সপরিবার পুলিশ আধিকারিক

জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে ড্রোন হামলার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বড়সড় বিপত্তি। জঙ্গিদের গুলিতে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় শহিদ স্পেশ্যাল পুলিশ অফিসার (Special Police Officer)। প্রাণ গেল তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েরও। ওই আধিকারিকের বাড়িতে ঢুকে জঙ্গিরা এলোপাথাড়ি গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। তাতেই মৃত্যু হয় তিনজনের। আরও পড়ুনঃ রাজেশ বিন্দলের অপসারণের চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি রাজ্য বার কাউন্সিলের কাশ্মীর জোনের পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ফৈয়জ আহমেদ নামে ওই পুলিশ আধিকারিক পুলওয়ামায় (Pulwama) কর্মরত। স্ত্রী রাজা বেগম এবং ২৩ বছর বয়সি মেয়ে রাফিয়াকে নিয়েই সংসার ছিল তাঁর। রবিবার রাতে অবন্তীপোরার হরিপারিগ্রামের বাড়িতেই ছিলেন তিনি। আচমকাই জঙ্গিরা বাড়িতে ঢুকে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগে চলতে শুরু করে এলোপাথাড়ি গুলি। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান পুলিশ আধিকারিক। তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েকে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ আধিকারিকের স্ত্রীকে মৃত বলে জানান চিকিৎসক। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন পুলিশ আধিকারিকের মেয়ে। সোমবার সকালে শেষ হয় তাঁর জীবনযুদ্ধ। চিকিৎসকরা জানান, শত চেষ্টাতেও কোনও লাভ হয়নি। প্রাণ গিয়েছে তাঁর। এই ঘটনার পর থেকে এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। চলছে জঙ্গিদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি। কোনও জঙ্গি (Terrorist) সংগঠন এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনিআরও পড়ুনঃ মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার, বললেন মমতাএর আগে শনিবার রাতে জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে বিস্ফোরণ হয়। জখম হন ২জন। পরে জানা যায় চিনা ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এই প্রথমবার, ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ব্যবহৃত হল ড্রোন (Drone Strike)। এতদিন সীমান্ত পার করে অস্ত্র পাচারে ব্যবহার হত এই যন্ত্র। এবার সরাসরি বিস্ফোরক ছুঁড়ে বিস্ফোরণ ঘটাতেও ব্যবহৃত হল এই ছোট্ট যন্ত্রটি। জঙ্গিদের বড় কোনও নাশকতার ছক ছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তৎপরতায় সেই ছক বানচাল হয়ে গিয়েছে। আর রাতে স্পেশ্যাল পুলিশ অফিসারের বাড়িতে ঢুকে জঙ্গি হামলার ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই উপত্যকার নিরাপত্তা নিয়ে ফের একবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কির

কাঞ্চন-পিঙ্কির দাম্পত্য জীবন নিয়ে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল বেশ কিছু দিন ধরেই। এ বার সরাসরি অভিনেতা তথা সদ্য বিজয়ী তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে নিউ আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন তাঁর স্ত্রী পিঙ্কি। কাঞ্চনের বান্ধবী তথা অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। পিঙ্কির অভিযোগ, তাঁকে মানসিক নির্যাতন করেছেন কাঞ্চন। মত্ত অবস্থায় গালিগালাজ করেছেন। শুধু তাই নয়, নিজের বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে কাঞ্চন গাড়ি থেকে তাঁকে নামিয়ে হেনস্থা করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন পিঙ্কি।সংবাদমাধ্যমে পিঙ্কি জানিয়েছেন, শনিবার রাতে তাঁর নিউ আলিপুরের বাড়িতে হাজির হন কাঞ্চন। সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতে তাঁকে না পেয়ে চেতলা থেকে ফেরার সময় তাঁর গাড়ি আটকান কাঞ্চন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বান্ধবী শ্রীময়ীও। দুজনে মিলে তাঁকে হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ। গাড়ি থেকে তাঁকে টেনে নামানোর চেষ্টা হয়। শ্রীময়ীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে পিঙ্কি কেন সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলছেন, তা নিয়ে তাঁকে চেপে ধরেন কাঞ্চন। অন্যদিকে, শ্রীময়ী বলেন, কার লেজে পা দিয়েছো জানো না।শ্রীময়ীর সঙ্গে কাঞ্চনের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই গুঞ্জন টলিপাড়ায়। এর আগে যদিও তাতে কর্ণপাত করতে চাননি পিঙ্কি। তবে রবিবার কাঞ্চনের পাশাপাশি শ্রীময়ীর নামেও পিঙ্কি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে সূত্রের খবর। পিঙ্কির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন কাঞ্চন। শনিবার মত্ত অবস্থায় তাঁকে গালিগালাজও করেন।কাঞ্চনের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন এর আগে উড়িয়ে দিয়েছিলেন শ্রীময়ী। পিঙ্কি কেন তাঁর নামে অভিযোগ করলেন, তা নিয়ে রবিবার বিকেলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মুখ খোলেননি তিনি। এ নিয়ে কাঞ্চনও কোনও বিবৃতি দেননি।

জুন ২০, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সস্ত্রীক রাজ্যপাল

মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সস্ত্রীক রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন আলাপনবাবুর মায়ের ছবিতে। জানলেন প্রয়াত তৃপ্তি বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুঁটিনাটি বিষয়। কথা বললেন প্রাক্তন মুখ্যসচিবের স্ত্রী সোনালীদেবীর সঙ্গেও। কার্যত বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারে মিশে গেলেন ধনখড়। WB Governor Shri Jagdeep Dhankhar along with Mrs Sudesh Dhankhar today paid a visit to the residence of former Chief Secretary Shri Allapan Bandopadhyay to condole death of his mother and mother in law of Mrs Sonali Chakravarti Banerjee Vice Chancellor Calcutta University. pic.twitter.com/4sJsc80BfK Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) June 20, 2021কিছুদিন আগেই ভাই অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার রাতে মাতৃহারা হয়েছেন তিনি। এদিন ৮২ বছর বয়সে প্রয়াত হন তৃপ্তি বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। খবর পাওয়ামাত্রই শনিবার টুইটে শোকপ্রকাশ করেছিলেন রাজ্যপাল ধনখড়। রবিবার সস্ত্রীক পৌঁছে গেলেন তাঁর বাড়িতে। এদিন আলাপনবাবুর মায়ের ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন রাজ্যপাল। সেই মুহূর্তের ভিডিও টুইট করেছেন নিজেই।আরও পড়ুনঃ চিকিৎসকদের হেনস্তা করলেই এফআইআরউল্লেখ্য, কিছুদিন আগে নিজে করোনা (Corona Virus) আক্রান্ত হয়েছিলেন। সুস্থ হয়ে কাজ যোগ দেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই হারিয়েছেন নিজের ভাই তথা প্রখ্যাত সাংবাদিক অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Anjan Bandhpadhyay)। তিনিও করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছিলেন। ভাইকে হারানোর পরও তাঁর উপর দিয়ে বড়সড় ধকল গিয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের জাঁতাকলে পড়ে রীতিমতো বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সেই বিতর্কের রেশ এখনও কাটেনি। এরই মধ্যে হারালেন মাকে।

জুন ২০, ২০২১
কলকাতা

মুকুলের স্ত্রী-কে দেখতে এবার হাসপাতালে লকেট

মুকুল রায়ের অসুস্থ স্ত্রী-কে দেখতে শুক্রবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে যান বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দিলীপ ঘোষ, নরেন্দ্র মোদির পর লকেট।বস্তুত, হাসপাতাল-সফর নিয়ে দিলীপ-মুকুল বাকযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়কের ক্ষোভ নিরসনেই বিজেপি লকেটকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলের। তবে লকেট জানিয়েছেন, দলের নির্দেশে নয়, তিনি ব্যক্তিগতভাবেই হাসপাতালে গিয়ে মুকুলের স্ত্রী-র খোঁজ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।মুকুলের স্ত্রী কৃষ্ণা অসুস্থ বেশ কিছুদিন ধরেই। করোনা নিয়ে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন গত ১৪ই মে। করোনাকে জয় করলেও পরে অন্যান্য সমস্যায় কৃষ্ণার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে। মুকুলও করোনা আক্রান্ত হন। তবে তিনি বাড়িতেই নিভৃতবাসে ছিলেন। এই পর্বে রাজ্য বিজেপি-র পক্ষ থেকে নাকি তেমন কোনও খোঁজ নেওয়া হয়নি। অন্তত প্রকাশ্যে তো নয়ই। কিন্তু পারিবারিক সম্পর্কের টান দেখিয়ে আচমকা হাসপাতালে চলে যান তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর থেকেই রাজনৈতিক চেহারা পেয়ে যায় কৃষ্ণার অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে বিজেপি নেতাদের হাসপাতাল-সফর। অভিষেকের যাওয়ার খবর জানাজানি হওয়ার পরে পরেই বুধবার হাসপাতালে পৌঁছে যান দিলীপ। বৃহস্পতিবার সকালে মুকুলকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।এর পরে মুকুলের মন্তব্য এবং তাতে দিলীপের পাল্টা কটাক্ষে তৈরি হয় বিতর্কের নতুন আবহ। দিলীপের হাসপাতাল যাওয়া প্রসঙ্গে মুকুল বলেন, উনি আমাকে বা অন্য কাউকে বলে তো হাসপাতালে যাননি। কাকে দেখতে গিয়েছিলেন, তা-ও জানি না! তার জবাব দিতে গিয়েই শুক্রবার দিলীপ বলেন, অসুস্থকে দেখতে হাসপাতালে যাওয়ার আগে কাউকে জানিয়ে যেতে হয় নাকি! আর আমি ওখানে অনেককে চিনি। গিয়েছি। দেখা করেছি। চলে এসেছি।সর্বভারতীয় সহ সভাপতি আর রাজ্য সভাপতির মন্তব্য-পাল্টা মন্তব্যে সামনে এসে পড়ে বিজেপি-র অন্দরের লড়াই। নতুন করে প্রকাশ্যে আসে মুকুল- দিলীপের দ্বন্দ্ব। এর পরেই লকেটের যাওয়া।

জুন ০৪, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

এবার করোনা আক্রান্ত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছে তাঁর স্ত্রীর শরীরেও। মীরাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সম্প্রতি তাঁর শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যেরও উপসর্গ ছিল। সেই কারণেই ঝুঁকি না নিয়ে করোনা পরীক্ষা করান তাঁরা। দুজনেরই রিপোর্ট আসে পজিটিভ। বুদ্ধদেববাবুর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে মীরাদেবী অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮০-৮৫ মধ্যে ঘোরাফেরা করছে বলেই খবর। সেই কারণে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত বিপর্যস্ত দেশবাসী। রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই বহু রাজনীতিবিদের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা। বহু বিশিষ্টজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিস্থিতিত মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্য। একাধিক ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

মে ১৯, ২০২১
রাজ্য

মর্মান্তিক! ঘুমের মধ্যেই পুড়ে মৃত্যু স্বামী-স্ত্রীর, আশঙ্কাজনক সন্তানও

শিউরে ওঠার মত ঘটনা! ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল দম্পতির। আশঙ্কাজনক ১২ বছরের সন্তানও। হেমতাবাদে শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। কী ভাবে আগুন লাগল তা খতিয়ে দেখছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই ঘটনা ঘিরে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ। হেমতাবাদের ভরতপুর ব্লক। সেখানেই স্ত্রী শঙ্করী ভৌমিক (৩২) ও মেয়েকে নিয়ে থাকতেন রাম ভৌমিক (৪০)। মেয়ের বয়স ১২ বছর। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ভোরের দিকে আগুন দেখতে পান প্রতিবেশীরা। তবে শেষ রক্ষা করা যায়নি।শনিবার সকালে হেমতাবাদ থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। দেহগুলি একেবারেই পুড়ে গিয়েছে। সঙ্গে পুড়েছে ঘরের জিনিসপত্রও। দেহগুলি তারা উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়। কী ভাবে এই আগুন লাগল, ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে কি না তা কিন্তু এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, গ্রাম্য এলাকা ভরতপুর বেশ ফাঁকা জায়গা। প্রতিবেশীরাও সে ভাবে কিছু বলতে পারছে না। সব দিক খোলা রেখেই তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২১
কলকাতা

করোনায় আক্রান্ত সস্ত্রীক মুকুল রায়

করোনায় এবার আক্রান্ত হলেন বিধায়ক তথা বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। তবে মুকুল একা নন, কোভিড-১৯ ভাইরাস বাসা বেঁধেছে তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের শরীরেও। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, পজিটিভ হলেও তেমন কোনও শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হননি মুকুল। সল্টলেকের বাড়িতেই আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় সল্টলেকের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে তাঁর স্ত্রীকে।জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ বোধ করছিলেন মুকুল রায়। এর মধ্যে করোনার উপসর্গও নাকি দেখা দেয় তাঁর শরীরে। এরপরই স্ত্রী এবং নিজের করোনা পরীক্ষা করান মুকুল। শেষপর্যন্ত রিপোর্ট পজিটিভ আসায় বাড়িতেই সেলফ আইসোলেশনে যান তিনি। অন্যদিকে, অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁর স্ত্রীকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর ভোটে লড়েছেন মুকুল রায়। তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী কৌশানি মুখোপাধ্যায়কে হারিয়ে কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। নবান্ন দখলের লড়াইয়ে দল হেরে গেলেও, নিজের আসনে জয় লাভ করেছেন। নির্ধারিত দিনে বিধানসভায় শপথবাক্যও পাঠ করেন। যদিও সেদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে তেমনভাবে মুখ না খোলায়, তাঁর বিজেপিতে থাকা নিয়ে কিছুটা জল্পনাও তৈরি হয়েছিলপরবর্তীতে অবশ্য নিজেই টুইট করে সেই জল্পনার অবসান ঘটান। যোগ দেন বিজেপি-র দলীয় বৈঠকেও। যেখানে বিরোধী দলনেতা হিসেবে আবার ঘোষণা করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর নাম। আর ওই বৈঠকের কয়েকদিন পরেই এবার করোনায় সংক্রমিত হলেন মুকুল রায়। দলের অন্যতম নেতা কোভিডে আক্রান্ত হয় চিন্তিত বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বও। কারণ সম্প্রতি মুকুলের শারীরিক পরিস্থিতি খুব একটা ভাল নেই। এর মধ্যে গতবছরই পিত্তথলিতে অস্ত্রোপচারও হয়। তবে মুকুলের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, আপাতত চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শও নিয়েছেন বর্ষীয়ান এই নেতা।

মে ১৪, ২০২১
কলকাতা

সস্ত্রীক করোনা টিকা নিলেন রাজ্যপাল

মহামারির বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় করতে করোনা প্রতিষেধক নিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং তাঁর স্ত্রী। বৃহস্পতিবার বেলা প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ স্ত্রীকে নিয়ে তিনি পৌঁছে যান আলিপুর কম্যানন্ড হাসপাতালে। সেখানেই করোনা টিকা নেন জগদীপ ধনখড়। তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনখড়কেও কোভিড টিকা দেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পরে টুইট করে নিজেদের সেই টিকাগ্রহণের খবর জানান ধনখড়।গত বছরের প্রথম দিকে বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি থাবা বসানোর পরই মারণ ভাইরাস বধে প্রতিষেধক তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। সেদিক থেকে প্রথম বিশ্বের দু-একটি দেশের পাশাপাশি ভারতও সেই গবেষণায় প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় দেশীয় প্রযুক্তিতে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি হয়েছে করোনা টিকা কোভিশিল্ড। পাশাপাশি, ভারত বায়োটেক তৈরি করে ফেলেছে কোভ্যাক্সিন। নতুন বছরের শুরুতে এই জোড়া প্রতিষেধকেই দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ। সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই কোভ্যাক্সিন নিয়ে দেশবাসীর আশা, ভরসা আরও বাড়িয়েছেন। ভ্যাকসিন নিয়েছেন রাষ্ট্রপতিও। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান জগদীপ ধনখড়।বৃহস্পতিবার বেশ হাসি মুখেই তাঁকে করোনার টিকা নিতে দেখা গেল। বেশ নিশ্চিন্ত বোধ করেন তিনি। টিকাগ্রহণের পর আলিপুর কম্যান্ড হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ধনখড় বলেন, করোনাযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা বিশ্বের প্রশংসা অর্জন করেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ এখন ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের মুখাপেক্ষী। এই অবস্থায় আমি দেশের তৈরি ভ্যাকসিন গ্রহণ করে গর্বিত। স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক-সহ সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত করোনা টিকা নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, আগে যাদের প্রয়োজন, তাঁরা নিক ভ্যাকসিন। সকলের প্রয়োজন মিটলে তবে আমি নেওয়ার কথা ভাবব।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

কবে সিবিআইয়ের মুখোমুখি? কী জানালেন রুজিরা

সিবিআই নোটিসের জবাব দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা। সোমবার সকালেই তিনি সিবিআই দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানালেন যে মঙ্গলবার দেখা করবেন। এও জানান যে, মঙ্গলবার ১১ টা থেকে বিকেল ৩টের মধ্যে তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হবেন। সূত্রের খবর, সোমবার বেলার দিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে চিঠি পাঠিয়েছেন রুজিরা। জানিয়েছেন, রবিবার তাঁরা যখন নোটিস দিতে শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন, সেসময় তিনি বাড়ি ছিলেন না। তবে নোটিস পেয়েছেন। সেইমতো সহযোগিতা করতে মঙ্গলবার সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে চান।উল্লেখ্য, কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখতে চান তদন্তকারী আধিকারিকরা। তাই রবিবার অভিষেকের শান্তিনিকেতনে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নোটিস নিয়ে যায় সিবিআই। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, দ্রুত নোটিসের জবাব দিতে হবে রুজিরাকে। তার জন্য নিজেদের ফোন নম্বরও অভিষেকের বাড়িতে রেখে এসেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। তবে তাঁকে সিবিআই দপ্তরে তলব করা হয়নি। শুধু তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন গোয়েন্দারা। সাক্ষী হিসেবে রুজিরার কাছে তাঁরা কিছু জানতে চান বলে সূত্রের খবর। যদিও কয়লা কাণ্ডে কেন তাঁকে নোটিস দেওয়া হল কিংবা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ কেন, তা কিছুই বুঝতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন রুজিরা। সিবিআই সূত্রে খবর, যদি সোমবার রুজিরার তরফে কোনও সাড়া না মিলত, তাহলে দ্বিতীয় নোটিস দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সিবিআইয়ের।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে শর্ত পেশ মইদুলের স্ত্রীর, উত্তপ্ত মৌলালি

নবান্ন অভিযানে ডিওয়াইএফআই নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজনৈতিক দূরত্ব ভুলে এদিন মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্তানহারা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে চাকরি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব মেনে নিলেও চাকরির জন্য শর্ত রাখলেন মৃত ডিওয়াইএফআই নেতা মইদুল ইসলাম মিদ্দার স্ত্রী আলেয়া বিবি। সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, দোষীদের শাস্তি চাই।এদিকে, বামকর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় মৌলালি। সংঘর্ষে জড়াল পুলিশ ডিওয়াইএফআই-এসএফআই, ছিঁড়ল পুলিশের উর্দি। ঘটনার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এজেসি বোস রোড। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে পরিস্থিতি। তবে এখনও থমথমে এলাকা। মইনুলের দেহ মৌলালিতে পৌঁছনোর অপেক্ষায় বাম ছাত্র-যুবরা। কোতলপুরের চোরকোলা গ্রামের বাসিন্দা মইদুল ইসলাম মিদ্দা। পেশায় অটো-টোটো চালক। দিনপাত করে অটো, টোটো কিনেছিলেন তিনি। সেই গাড়ি চালিয়েই পরিবার পাঁচ সদস্যের পেট চালাতেন মিদ্দা। পরিবারে রয়েছেন মিদ্দার মা, স্ত্রী আলিয়া বিবি, দুই সন্তান ও এক ভাগ্নি। তিনিই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। আপাতত মিদ্দাকে হারিয়ে পথে বসেছে পরিবার। সন্তানহারা মা বলছেন, একমাত্র সন্তানকে হারিয়েছি। কীভাবে পরিবার চলবে জানি না।; স্বামীকে হারিয়ে দিশাহারা আলে্য়া বিবিও। স্বামীর খুনের দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন তিনি। সঙ্গে জানিয়েছেন, অল্প পয়সার চাকরি দিলে চলবে না। পরিবারের সদস্যদের প্রতিপালন করার মতো চাকরি দিতে হবে। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, মিদ্দা রাজনীতি করতেন। তবে সম্প্রতি বাম রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছিল। তার পরই শুক্রবার নবান্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে আহত বাম ছাত্রনেতার মৃত্যু, পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
রাজ্য

বর্ধমানে মহিলা কলেজের অধ্যাপকের রহস্যমৃত্যু

বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল কলেজ অধ্যাপকের রক্তাক্ত মৃতদেহ। মৃতর নাম মহম্মদ আকবর হোসেনুর রহমান(৪০)। এই ঘটনার জানাজানি হতেই বুধবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বর্ধমানের কৃষ্ণপুর এলাকায়। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। অধ্যাপকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ পলাতক স্ত্রীর খোঁজ চালাচ্ছে।পুলিশ ও মৃতর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আকবর হোসেনুর রহমান শহর বর্ধমানের উদয়চাঁদ মহিলা কলেজর ভূগোলের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর আদি বাড়ি বীরভূম জেলার মাড়গ্রাম থানার একডালায়।বর্তমানে তিনি বর্ধমানের কৃষ্ণপুর এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে সস্ত্রীক থাকতেন। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়েই এদিন সকালে বর্ধমানে চলে আসেন আধ্যাপকের বাবা মুজিবর রহমান। তিনি এদিন জানিয়েছেন,গত জুলাই মাসে হোসেনুর রহমানের বিয়ে হয় সুহানা পারভীনের সঙ্গে। এটি তাঁর ছেলের দ্বিতীয় বিয়ে। মুজিবর বাবু বলেন, তাঁর বৌমা তাঁকে ফোন করে এদিন ভোরে বলে হোসেনুর খুব অসুস্থ পড়েছে। সেইজন্য তাঁকে তাড়াতাড়ি বর্ধমানে চলে আসতে বলে। এরপর থেকেই বৌমার ফোন সুইচড অফ হয়ে থাকে। মুজিবরবাবু জানান, তিনি বর্ধমানের কৃষ্ণপুরের বাড়িতে পৌ্ঁছে দেখেন ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ কারা রয়েছে। তারই মধ্যে পুলিশ চলে আসে । পুলিশের সঙ্গে তিনিও ঘরে ঢোকেন। তখন দেখতে পান ঘরের মেঝেতে তাঁর ছেলে হোসেনুরের রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। তার মাথার পিছনের দিকে আঘাতের ক্ষত চিহ্নও রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কিভাবে ছেলের মৃত্যু হল এবং কেনই বা হোসেনুরকে ফেলে রেখে বৌমা সুহানা পারভীন গা ঢাকা দিল তার সবটাই রহস্যে মোড়া বলে মৃতর বাবা মন্তব্য করেছেন ।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal