• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Up

রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ড্র করতেই বড় অপমান! ইরান দলকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ফিফায় অভিযোগের ঝড়

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেই বড় বিতর্কে জড়াল ইরান। মাঠে দুরন্ত লড়াইয়ের পর ম্যাচ ড্র করলেও মাঠের বাইরের ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানের ফুটবল মহল। অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ইরান ফুটবল দলকে আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ইরান। প্রথম ম্যাচে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে লড়াই করে মূল্যবান ফলও অর্জন করে তারা। কিন্তু ম্যাচের পরই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, শুধুমাত্র ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময়সীমার জন্যই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলারদের। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাদের আবার মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে।ইরানের পরবর্তী ম্যাচের আগে দলটি কয়েক দিন আগেই আমেরিকায় গিয়ে অনুশীলন ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। এতে দলের প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগেই সমস্ত প্রস্তুতির সূচি জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও নানা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে দলকে। বিশেষ করে দিনের বেলায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে অংশ নিতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াকে অন্যায্য বলেই মনে করছে ইরান। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব এই ঘটনার পিছনে থাকতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি বলেই মত অনেকের।এই বিতর্কের মাঝেই এখন ইরানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচ। মাঠের বাইরের চাপ সামলে ফুটবলাররা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আসরে খেলাধুলার চেয়ে রাজনীতি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও নতুন করে উঠতে শুরু করেছে। আর সেই কারণেই ইরানকে ঘিরে এই বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

জুন ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গোলের পর হঠাৎ কেঁদে ফেললেন মেসি! হ্যাটট্রিকের রাতেও কেন চোখে জল আর্জেন্টিনা অধিনায়কের?

ফুটবল মাঠে এমন দৃশ্য খুব একটা দেখা যায় না। একদিকে দুরন্ত হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে চোখে জল। আর সেই মানুষটি যখন লিওনেল মেসি, তখন স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে ঘটনাটি।আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। ম্যাচের মাত্র সতেরো মিনিটে নিজের পরিচিত ভঙ্গিতে গোল করেন তিনি। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ-পায়ের শক্তিশালী শটে বল জালে জড়িয়ে দেন মেসি। গোলরক্ষক বল ছুঁয়েও তা আটকাতে পারেননি।গোলটি ছিল ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বহুবার দেখা মেসি-জাদুর আরেকটি উদাহরণ। কিন্তু গোলের পর যা দেখা গেল, তা আরও বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উদযাপনের সময় মেসির চোখে জল ধরা পড়ে। সেই মুহূর্তে সমর্থকদের মনে প্রশ্ন জাগে, এত আনন্দের মধ্যেও কেন কাঁদছেন তিনি?ম্যাচ শেষে নিজেই সেই প্রশ্নের উত্তর দেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। তিনি জানান, এই কান্নার সঙ্গে ফুটবলের সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। গত কয়েকটি দিন তাঁর জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যে কেটেছে। সেই সময় সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের সদস্যরা সবসময় তাঁর পাশে ছিলেন। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতাই আবেগের রূপ নিয়েছিল।মেসি আরও বলেন, জীবনে তিনি যা পেয়েছেন, তার জন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। ফুটবল এখনও তাঁকে আনন্দ দেয় এবং প্রতিটি মুহূর্ত তিনি উপভোগ করছেন। দীর্ঘদিন চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকার পর আবার ছন্দে ফিরতে পারা তাঁর কাছে বিশেষ অনুভূতির।এই হ্যাটট্রিকের পর আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও মুগ্ধ। তাঁর কথায়, মেসিকে বর্ণনা করার মতো শব্দ খুঁজে পাওয়া কঠিন। প্রতি ম্যাচেই তিনি নতুন কিছু করে দেখান।মেসির পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ফুটবল বিশ্বের অন্য তারকারাও। নরওয়ের তারকা আর্লিং হালান্ড সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছেন, মেসি যেন অন্য গ্রহের ফুটবলার।বয়স প্রায় ঊনচল্লিশের দোরগোড়ায়। তবুও মাঠে তাঁর দাপট, গোল করার ক্ষুধা এবং আবেগ এখনও একই রকম। তাই আবারও প্রমাণ হল, ফুটবলের অভিধানে জাদুর আরেক নাম লিওনেল মেসি।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির জাদুতে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার দুড়ন্ত সূচনা! হ্যাটট্রিক করে ছুঁলেন ক্লোজেকে, ইতিহাসের আরও কাছে লিও

বিশ্বকাপের মঞ্চে বয়স যেন শুধুই একটি সংখ্যা। ৩৯ ছুঁইছুঁই লিওনেল মেসি আবারও প্রমাণ করে দিলেন, বড় ম্যাচের নায়ক হওয়ার ক্ষমতা এখনও অটুট। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ ব্যবধানে জয় এনে দিলেন অধিনায়ক। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতাদের তালিকায় জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোজের পাশে নিজের নামও তুলে দিলেন তিনি।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে প্রথম দিকে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল আলজেরিয়া। নবম মিনিটে ফারেস চাইবির শট জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়ে যায়। সেখান থেকেই যেন ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।এরপর নিজের চেনা ছন্দে দেখা যায় মেসিকে। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের শক্তিশালী শটে প্রথম গোলটি করেন তিনি। সেই শট ঠেকানোর সুযোগই পাননি আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান, যিনি ফরাসি কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানের পুত্র।প্রথমার্ধে এক গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৬০ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের জোরালো শট গোলকিপারের হাতে প্রতিহত হওয়ার পর ফিরতি বলে সহজেই জালে বল জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি।তবে আসল জাদু দেখা যায় ৭৬ মিনিটে। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নিচু শটে বল জালে পাঠিয়ে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে যায় ১৬-তে, যা তাঁকে মিরোস্লাভ ক্লোজের সমতুল্য স্থানে পৌঁছে দেয়।হ্যাটট্রিকের তিন মিনিট পর কোচ তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেন। স্টেডিয়াম জুড়ে তখন দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানাচ্ছেন সমর্থকেরা। যদিও মেসির মুখে কিছুটা হতাশার ছাপও ধরা পড়ে, কারণ তিনি আরও কিছুক্ষণ মাঠে থাকতে চেয়েছিলেন বলেই মনে হচ্ছিল। তবে আগামী ম্যাচগুলোর কথা মাথায় রেখেই তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা।এই ম্যাচটি ছিল মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের ২০০তম ম্যাচ। ২০০৫ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়েছিল তাঁর। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এর চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন শুধুমাত্র পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো এবং কুয়েতের বাদার আল-মুতাওয়া।বিশ্বকাপের আগে চোট নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও মাঠে তার কোনও প্রভাব দেখা যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মৌসুমের শেষ দিকে হ্যামস্ট্রিংয়ে সামান্য চোট পেয়েছিলেন মেসি। তবে আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে গোল করে তিনি আগেই নিজের ফিটনেসের বার্তা দিয়েছিলেন।এদিকে মেসির হ্যাটট্রিক কিছুটা আড়াল করে দিয়েছে বিশ্বফুটবলের আরও দুই তারকা কিলিয়ান এমবাপে ও আর্লিং হালান্ডের পারফরম্যান্সকেও। ফ্রান্সের হয়ে এমবাপে জোড়া গোল করেছেন সেনেগালের বিরুদ্ধে, অন্যদিকে নরওয়ের হয়ে ইরাকের বিরুদ্ধে দুই গোল করেছেন হালান্ড।বিশ্বকাপ অভিযান জয়ে শুরু করলেও আর্জেন্টিনার সামনে এখন আরও কঠিন পরীক্ষা। পরবর্তী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া। তবে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে মেসির এই পারফরম্যান্স স্পষ্ট করে দিয়েছে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে এখনও অন্যতম বড় দাবিদার আর্জেন্টিনা।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে বদলাবে আবহাওয়া! দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর দাপট, উত্তরবঙ্গের ৫ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

খাতায়-কলমে বর্ষা ঢুকে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু তার প্রভাব এখনও সেভাবে অনুভূত হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে। কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া মানুষের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। তবে মঙ্গলবার বিকেলের পর আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। রাজ্যের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে জারি হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা।দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর সম্ভাবনাআবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলের পর দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পুরুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়াবিদদের মতে, স্থানীয়ভাবে মেঘ সঞ্চারের ফলে কালবৈশাখী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বিকেল গড়াতেই আকাশের চেহারা বদলাতে পারে। ঝড়বৃষ্টির কারণে কিছুটা স্বস্তি মিললেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।নদিয়া-মুর্শিদাবাদেও বৃষ্টির পূর্বাভাসশুধু পশ্চিমাঞ্চল নয়, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলাতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই বৃষ্টি বিচ্ছিন্ন ও স্বল্পস্থায়ী হতে পারে। ফলে বৃষ্টির পর কিছু সময়ের জন্য তাপমাত্রা কমলেও বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকায় ফের অস্বস্তিকর গরম অনুভূত হতে পারে।কলকাতার আকাশে কি মিলবে স্বস্তির ছোঁয়া?গত কয়েকদিন ধরে গরম ও গুমোট আবহাওয়ায় নাজেহাল কলকাতাবাসী। মঙ্গলবার শহরের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দুপুরের পর থেকে মেঘের আনাগোনা বাড়তে পারে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বিকেল কিংবা সন্ধ্যার দিকে কলকাতার কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। যদিও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, তবুও এই বৃষ্টি শহরবাসীকে সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে।উত্তরবঙ্গে বর্ষার দাপট অব্যাহতদক্ষিণবঙ্গ যখন বৃষ্টির অপেক্ষায়, তখন উত্তরবঙ্গে বর্ষা কার্যত পূর্ণ শক্তিতে সক্রিয়। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ি অঞ্চল ছাড়াও জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।ধস ও জলাবদ্ধতার আশঙ্কাপাহাড়ি এলাকায় টানা বৃষ্টির ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি নদ-নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় নিচু এলাকার বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে বলে জানা গিয়েছে।এক নজরে আজকের আবহাওয়া* পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও পুরুলিয়ায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা।* ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।* নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বা।* কলকাতায় বিকেল বা সন্ধ্যায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।* দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা।* পাহাড়ি এলাকায় ধস এবং নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা।বর্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যে প্রবেশ করলেও দক্ষিণবঙ্গে এখনও তার পূর্ণ প্রভাব দেখা যায়নি। তবে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েকদিনে বৃষ্টির পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। ফলে গরমে নাজেহাল মানুষের জন্য স্বস্তির সম্ভাবনাও উজ্জ্বল হচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ চলাকালীনই ছাঁটাই কোচ! ফুটবল ইতিহাসে নজির গড়ে লজ্জার রেকর্ড

বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। প্রতিযোগিতা চলাকালীনই কোচকে সরিয়ে দিয়ে নতুন নজির গড়ল তিউনিশিয়া। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের পর কোচ সাব্রি লামৌচিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রতিযোগিতা চলাকালীন চাকরি হারানো প্রথম কোচ হিসেবে নাম লিখিয়ে ফেললেন তিনি।সাব্রি লামৌচি চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিউনিশিয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর অধীনে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে শক্তিশালী বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল দলকে। সেই ব্যর্থতার রেশ কাটার আগেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে একের বিরুদ্ধে পাঁচ গোলে পরাজিত হয় তিউনিশিয়া।এই ফলাফলের পরই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় দেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষ। যদিও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। নতুন কোচ কে হবেন, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।এর আগে তিউনিশিয়ার ফুটবল মহলে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়েও নানা আলোচনা চলছিল। কয়েকজন ক্রীড়া সাংবাদিক দাবি করেছিলেন, দলের উপর কোচের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে। যদিও সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছিলেন সাব্রি। তবে শেষ পর্যন্ত দলের খারাপ ফলাফল তাঁর অবস্থান আরও দুর্বল করে দেয়।এদিকে ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে সুইডেন। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন ইয়াসিন আয়ারি। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, তাঁর পরিবারের শিকড় তিউনিশিয়ায়। সেই কারণেই গোল করার পর তাঁকে খুব বেশি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়নি।সুইডেনের জয়ের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন আলেকজান্ডার ইসাক এবং ভিক্টর গিয়োকেরেসও। দুজনেই একটি করে গোল করেন এবং আক্রমণভাগে দাপট দেখান। দলের অন্য গোলটি করেন ম্যাথিয়াস ভ্যানবার্গ। তিউনিশিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ওমর রেরিক।প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হারের ফলে তিউনিশিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কঠিন হয়ে উঠেছে। তার মধ্যেই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দলকে কতটা সাহায্য করবে, এখন সেটাই দেখার।

জুন ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের মাঝেই নতুন আতঙ্ক! কঙ্গোয় বাড়ছে ইবোলা, চিন্তায় ফুটবল বিশ্ব

কঙ্গোয় ইবোলা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার খবর ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ফুটবল বিশ্বেও শুরু হয়েছে আলোচনা। কারণ, চলতি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে কঙ্গো। বুধবার তাদের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী পর্তুগালের মুখোমুখি হওয়ার কথা।সংক্রমণের পরিস্থিতির কারণে কঙ্গো দলের প্রস্তুতিতেও প্রভাব পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে অনুশীলন শিবির করার পরিকল্পনা থাকলেও তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। পাশাপাশি একটি প্রস্তুতি ম্যাচও বাতিল করতে হয়েছে বলে খবর।পরবর্তীতে দলকে নির্দিষ্ট সময় পর্যবেক্ষণে রাখার পরই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। বেলজিয়ামে কিছুদিন কাটানোর পর কঙ্গো দল সম্প্রতি প্রতিযোগিতার জন্য পৌঁছেছে।তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সমর্থকদের যাতায়াত নিয়ে। কঙ্গো থেকে আসা দর্শকদের প্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে কড়া স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কঠোর নজরদারির কথাই জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ইবোলা ভাইরাস সহজে বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না। সেই কারণে বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সংক্রমণের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। তবুও কোনও রকম ঝুঁকি এড়াতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।গত মে মাসে প্রথম কঙ্গোয় ইবোলা সংক্রমণের খবর সামনে আসে। তারপর থেকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি নজরদারি বাড়িয়েছে।বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে আয়োজক দেশ এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রয়োজনীয় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ফলে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এখন নজর থাকবে স্বাস্থ্য নিরাপত্তার দিকেও।

জুন ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে নামেননি নেইমার, তবু ব্রাজিলের গোলের নেপথ্যে তিনিই! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল চর্চা

চোটের কারণে মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। শুধু তাই নয়, তিনি রিজার্ভ বেঞ্চেও ছিলেন না। তবু ম্যাচের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার। একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের দাবি, মাঠে না নেমেও ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ গোলের নেপথ্যে ছিলেন নেইমারই।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। ম্যাচের ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিল চাপে পড়ে গেলেও ৩২ মিনিটে সমতা ফেরান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বাঁদিক থেকে ব্রুনো গিমারেসের পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলরক্ষক ইয়াসির বোনোর কিছুই করার ছিল না।তবে গোলের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, প্রথমার্ধে জলপান বিরতির সময় মাঠের ধারে এসে ভিনিসিয়াসের সঙ্গে কথা বলছেন নেইমার। কিছুক্ষণ পরে ব্রুনো গিমারেসকেও ডেকে পরামর্শ দিতে দেখা যায় তাঁকে। ভিডিও দেখে অনেকের ধারণা, ভিনিসিয়াসকে আরও বেশি করে বক্সের ভিতরে ঢুকে খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন নেইমার। কারণ ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ডকে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বাইরে খেলতে দেখা গিয়েছিল।মজার বিষয় হল, সেই কথোপকথনের কিছুক্ষণ পরেই গিমারেসের পাস থেকে গোল করেন ভিনিসিয়াস। আর সেই কারণেই সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক দাবি করছেন, মাঠের বাইরে থেকেও ব্রাজিলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন নেইমার।যদিও এই ম্যাচে খেলেননি তিনি, তবে পরের ম্যাচে নেইমারকে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও তিনি প্রথম একাদশে থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেক সমর্থকের মতে, দলটিকে একেবারেই চেনা ব্রাজিলের মতো লাগেনি। রাফিনহাদের খেলায় ধার ও গতি দুটোরই অভাব ছিল। অন্যদিকে মরক্কো আবারও প্রমাণ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কেন তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

ভূপেন্দ্র যাদবের পর অমিত শাহ! দিল্লিতে সুদীপের একের পর এক বৈঠকে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে রাজনৈতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতি একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে। লোকসভায় বহু বছর তিনি তৃণমূলের দলনেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথাও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত।সূত্রের দাবি, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সেখানে বৈঠক শেষে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বলেও জানা যাচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে কিছু সময় আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এই বৈঠকের পর থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংসদদের অবস্থান এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রার শুরু থেকেই তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত। অতীতে রাজনৈতিক মতপার্থক্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরে আসেন।দিল্লিতে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকগুলি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে কি আরও এক বড় ভাঙন? দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে সুদীপ, তুঙ্গে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও উসকে দিল দিল্লির একটি বৈঠক। উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করায় নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের অন্যতম অভিজ্ঞ সাংসদ হিসেবে পরিচিত। লোকসভায় বহু বছর তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে সেই দায়িত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছিল। যদিও তখন প্রকাশ্যে কোনও অসন্তোষ দেখাননি সুদীপ।তবে বর্তমানে তৃণমূলের অন্দরে বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ এবং সাংসদদের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই পরিস্থিতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়, তবে সেখানে সুদীপ গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠতে পারেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু একজন সাংসদ নন, তিনি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গঠন করেন, তখন প্রথম সারির যাঁরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সুদীপ অন্যতম। যদিও পরবর্তী সময়ে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। একসময় তিনি দল ছেড়েও বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ফিরে আসেন।সম্প্রতি তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সুদীপের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পেয়েছেন তিনি। ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখন নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।তবে এই বৈঠক শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু দিল্লির এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে এবং রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা যে নতুন মাত্রা পেয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুন ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নেইমারকে ঘিরে বড় সংকট! বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ব্রাজিল শিবিরে অশান্তির আগুন

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ব্রাজিল শিবিরে বাড়ছে উদ্বেগ। সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নেইমার। চোটের কারণে এখনও পুরোপুরি ফিট নন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার। ফলে মরক্কোর বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তাঁকে মাঠে নামানোর সম্ভাবনা কার্যত নেই বললেই চলে। এই পরিস্থিতিতে কোচ কার্লো আন্সেলোত্তির পরিকল্পনা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জাতীয় দলের শিবিরে যোগ দেওয়ার পর নেইমারের শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা জানতে পারেন, তাঁর ডান পায়ের চোট প্রথমে যতটা সাধারণ মনে করা হয়েছিল, বাস্তবে তা তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর। যদিও সাম্প্রতিক পরীক্ষায় কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত মিলেছে, তবুও তাঁকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চাইছে না ব্রাজিল দল।ফলে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নেইমারকে বেঞ্চে বসেই খেলা দেখতে হতে পারে। ব্রাজিল শিবিরের লক্ষ্য এখন পরের ম্যাচে তাঁকে ধীরে ধীরে মাঠে ফেরানো। তবে তা নিয়েও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।এদিকে নেইমারের অনুপস্থিতি ব্রাজিলের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা। কারণ ইতিমধ্যেই চোটের জন্য দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার ছিটকে গিয়েছেন। ফলে আক্রমণভাগে চাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।তবে কোচ আন্সেলোত্তি এখনও নেইমারের উপর আস্থা হারাননি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নেইমার দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং তাঁকে বাদ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। কোচের মতে, মাঠে না থাকলেও ড্রেসিংরুমে নেইমারের উপস্থিতি দলের বাকি ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে।যদিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমে। অনেকের প্রশ্ন, যখন ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ব্রুনো গিমারায়েস কিংবা গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির মতো তারকারা রয়েছেন, তখন কেন এখনও নেইমারকে কেন্দ্র করেই সব পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে?বিশ্বকাপের আগে এই পরিস্থিতি ব্রাজিল সমর্থকদেরও চিন্তায় ফেলেছে। অতীতেও বড় টুর্নামেন্টে নেইমারের চোট ব্রাজিলের স্বপ্নে ধাক্কা দিয়েছে। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফলে এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এখন দেখার, আন্সেলোত্তির নেতৃত্বে ব্রাজিল কি নেইমারকে ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নতুন ইতিহাস লিখতে পারে, নাকি বিশ্বকাপের আগেই দলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে উঠবে এই চোটের সমস্যা।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষা ঢুকতেই বিপদ! মঙ্গলবার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কোন কোন জেলা ঝুঁকিতে?

উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করেছে বর্ষা। এর মধ্যেই আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতেও ঝড়-বৃষ্টি এবং কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেছে। ফলে বাংলার বাকি অংশেও বর্ষা প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার বিস্তীর্ণ এলাকাতেও বর্ষা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।আজ জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মাঝেই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিন বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।আজ পূর্ব বর্ধমান এবং বাঁকুড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলি জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং দুই বর্ধমান জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতাতেও আজ সারাদিন গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে পারে। তবে দুপুরের পর থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী এক সপ্তাহ বাংলার আবহাওয়ায় খুব বড় কোনও পরিবর্তন হবে না। ঝড়, বৃষ্টি এবং ভ্যাপসা গরমের এই পরিস্থিতিই আগামী কয়েক দিন বজায় থাকতে পারে।

জুন ১১, ২০২৬
রাজ্য

অবশেষে সুখবর! বাংলায় ঢুকল বর্ষা, তবে এখনই মিলবে না গরম থেকে রেহাই

বাংলায় বর্ষার প্রবেশ শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে মৌসুমি বায়ু। তবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য এখনই পুরোপুরি স্বস্তির খবর নেই। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। এর মধ্যেই বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এবার জ্যৈষ্ঠ মাস জুড়ে দক্ষিণবঙ্গের মানুষকে চরম গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুমোট পরিবেশ দেখা যাচ্ছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় ঘাম এবং অস্বস্তিও বেড়েছে। ফলে বর্ষা কবে আসবে, সেই প্রশ্নই ঘুরছিল সাধারণ মানুষের মনে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেছে। সিকিম, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের সব অংশে বর্ষা পৌঁছে গিয়েছে। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলার বেশিরভাগ এলাকা এবং দার্জিলিং জেলার কিছু অংশেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাব শুরু হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের মতে, বাংলার আবহাওয়া বর্তমানে বর্ষা অগ্রগতির জন্য অনুকূল রয়েছে। ফলে ধীরে ধীরে মৌসুমি বায়ু রাজ্যের আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে। তার আগে দক্ষিণবঙ্গে প্রাক বর্ষার বৃষ্টির প্রভাব দেখা যাবে।আগামী কয়েকদিন পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, হুগলি এবং উত্তর চব্বিশ পরগনায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় কালবৈশাখীর পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। অন্যান্য জেলাগুলিতে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।উত্তরবঙ্গের জন্যও জারি হয়েছে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। শনিবার পর্যন্ত কয়েকটি জেলায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আগামী সোমবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টি চলতে পারে।সব মিলিয়ে বর্ষার আগমনে স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও এখনই গরম থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি মিলছে না। তবে আগামী কয়েকদিনের ঝড়বৃষ্টি এবং মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতির দিকে নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। বাংলার মানুষও অপেক্ষায়, কবে পুরোপুরি বর্ষার ছোঁয়ায় স্বস্তি ফিরবে।

জুন ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক! সেনেগাল ফুটবলারদের সঙ্গে ‘অপরাধীর মতো’ আচরণের অভিযোগ

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। তার আগেই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। আমেরিকায় পৌঁছনোর পর সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে যেন তাঁরা কোনও অপরাধী।জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমেরিকায় পৌঁছেছিল সেনেগাল দল। বিমানবন্দরে নামার পরই নিরাপত্তাকর্মীরা ফুটবলারদের ব্যাগ, ট্রলি এবং অন্যান্য সামগ্রী বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করেন। অভিযোগ, মাদকদ্রব্যের সন্দেহে দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। ঘটনাস্থলের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।শুধু সেনেগাল নয়, উজবেকিস্তান দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কে অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর ফুটবলারদের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় মাদক সন্ধানী কুকুর এবং ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আবার অনেকে জানতে চেয়েছেন, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা কেন এই বিতর্ক নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করছে না।এর আগেও বিশ্বকাপ ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আয়োজক দেশকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের মতে, খেলাধুলার মঞ্চ সব সময় দেশ, সংস্কৃতি এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিরিক্ত কড়া বা অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ সামনে আসা উদ্বেগের বিষয়। যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal